Category: রাজনীতি

  • ‘নৈতিক দায়িত্ব পালন করতে এসেছি’, জামায়াতের আমিরের স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা শেষে দাবি

    ‘নৈতিক দায়িত্ব পালন করতে এসেছি’, জামায়াতের আমিরের স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা শেষে দাবি

    মহান স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রদর্শিত শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব পালন করতে এসেছি। এটি রাষ্ট্রের জন্য একটি সর্বোচ্চ আচার এবং আমাদের সবারই উচিত যথাযথ ভাবে এদিন শ্রদ্ধা জানানো। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে স্মৃতিসৌধে মোনাজাতের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই বক্তব্য করেন তিনি। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা আমাদের বীর শহীদদের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করেছি যাতে দেশের সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা রক্ষা হয় এবং শান্তি ও রহমত বর্ষিত হয়। তিনি আরো বলেন, আমরা চাই আধুনিক, অহিংস ও দুর্নীতিমুক্ত একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে, যেখানে কোনো ধরনের বৈষম্য থাকবে না। এই জন্য সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। তিনি দেশবাসীর প্রতি সুন্দর ও শক্তিশালী জাতির স্বপ্নের জন্য শুভেচ্ছা ও বার্তা ব্যক্ত করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের বেশ কয়েকজন নেতা – নায়েবে আমिर এটিএম আজহারুল ইসলাম এমপি, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান এমপি, নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি ও অন্য নেতারা।

  • ঢাকা-সহ ৫ সিটি করপোরেশনে এনসিপির মেয়রপ্রার্থীদের নাম ঘোষণা

    ঢাকা-সহ ৫ সিটি করপোরেশনে এনসিপির মেয়রপ্রার্থীদের নাম ঘোষণা

    জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) দেশের পাঁচটি সিটি করপোরেশনে — যার মধ্যে ঢাকার দুইটি করপোরেশনও রয়েছে — মেয়রপ্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে। দলটি নিজ কেন্দ্রীয় কার্যালয় বাংলামোটরে রোববার (২৯ মার্চ) রাতের সংবাদ সম্মেলনে এই সিদ্ধান্ত সামনে এনেছে।

    সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের জন্য দলের প্রার্থী হয়েছেন মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া। আর ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়রপ্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণা করা হয়েছে ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীবের।

    অন্য তিনটি সিটির জন্য এনসিপি যে প্রার্থীদের বাছাই করেছে—কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের জন্য জাতীয় যুবশক্তির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম, সিলেট সিটি করপোরেশনের জন্য সিলেট মহানগরের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মো. আব্দুর রহমান আফজাল এবং রাজশাহী সিটি করপোরেশনের জন্য রাজশাহী মহানগরের আহ্বায়ক মো. মোবাশ্বের আলী—তাদের নামও ঘোষণা করা হয়।

    এনসিপি জানায়, এপ্রিলের মধ্যে বাকী সাতটি সিটি করপোরেশনের প্রার্থীর নামও বের করে দেয়া হবে।

    সংবাদ সম্মেলনে নাহিদ ইসলাম সরকারকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ইতোমধ্যে বিভিন্ন সিটিতে প্রশাসক নিয়োগ করে প্রশাসনকে দলীয়করণ করা হয়েছে। তার বক্তব্য, প্রশাসক হিসেবে থাকা কর্তারা নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না এবং কোনো দলীয় প্রতীকে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়া উচিত—এই অধিকার বজায় রাখার দাবি তুলে তিনি আগামী ছয় মাসের মধ্যে সকল স্থানীয় সরকার নির্বাচন শেষ করার জোর দাবি জানান।

    সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির মনোনীত পাঁচ মেয়রপ্রার্থীর পাশাপাশি দলের সদস্য সচিব আখতার হোসেন, কেন্দ্রীয় নেতা সারজিস আলম, আব্দুল হান্নান মাসউদ ও অন্যান্য অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

  • গণরায়কে উপেক্ষা করলে জনগণই তাদের প্রত্যাখ্যান করবে: আসিফ মাহমুদ

    গণরায়কে উপেক্ষা করলে জনগণই তাদের প্রত্যাখ্যান করবে: আসিফ মাহমুদ

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, যদি সরকার গণরায় অগ্রাহ্য করে সামনে এগোতে চায়, তা জনগণ মেনে নেবে না এবং ইতিহাসের পথে আবারও তাদের প্রত্যাখ্যান হবে। তিনি বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) স্বাধীনতা দিবসে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এসব কথা বলেন।

    আসিফ মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশে যারা ক্ষমতায় এসেছেন, অনেকেই ছিলেন শক্তিশালী ও প্রভাবশালী। কিন্তু যখনই তারা গণরায়ের বিরুদ্ধে গিয়েছেন, তখনই ইতিহাস তাদের নাম মুছে দিয়েছে। তিনি বললেন, ‘‘আপনারা দেখেছেন বাংলাদেশের ইতিহাসে অনেক শক্তিশালী তরুণ, অনেক ক্ষমতাশালী সরকার ছিল। কিন্তু তারা যদি গণরায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়, তাহলে তারা ইতিহাসের পাতায় আর টিকতে পারেনি।’’

    তিনি ১৯৭০ সালের নির্বাচন ও ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাযুদ্ধের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, তখনও জনগণের রায়কে অবহেলা করা হয়েছিল, যার ফলেই আমাদের মুক্তিযুদ্ধের মতো ঘটনা ঘটে। একইভাবে ১৯৯০ সালে স্বৈরাচ্যের বিরুদ্ধে গণআন্দোলনই পরিবর্তন এনেছিল। দীর্ঘ ১৭ বছরের দমন-নিপীড়নের পরও যদি জনগণের রায়কে উপেক্ষা করে শাসন কায়েমের চেষ্টা করা হয়, শেষ পর্যন্ত তা টিকে থাকে না বলে তিনি সতর্ক করেছেন।

    সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে তিনি আরও বলেন, এখনো যদি গণরায় ও গণভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করা হয় এবং তা উপেক্ষা করে সরকার এগোতে চায়, তাহলে জনগণ সেটাও মেনে নেবে না।

    গণভোটে বিপুলসংখ্যক মানুষ ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন উল্লেখ করে আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘‘এত রক্তের বিনিময়ে যে সংস্কার এবং নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন আমাদের শহীদদের পরিবার, বাবা-মা এবং আহত সহযোদ্ধারা দেখেছেন—সেটা বাস্তবায়ন করতে হবে। যদি এই গণরায় বাস্তবায়িত না হয়, তাহলে যে ৭০ শতাংশ মানুষ গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দিয়েছেন, তারা রাস্তায় নামতে দ্বিতীয়বার ভাববে না।’’

    তিনি সবাইকে জনগণের পক্ষে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘‘আপনারা জনগণের পক্ষে আসুন, যাতে আমরা সবাই মিলে সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে পারি। যদি জনগণের বিপক্ষে গেলে, মুক্তি ও স্বাধীনতা রক্ষার জন্য আমাদের আবার মাঠে নামতে হতে পারে।’’

  • কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাচ্ছি: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাচ্ছি: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    ঢাকা-৮ আসনে নির্বাচনী কার্যক্রমের পর থেকে তিনি নানা বিষয় নিয়ে আলোচনায় ও সমালোচনায় ছিলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রধান সমন্বয়কারী। তাঁর মন্তব্যগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়, যা অনেকের আগ্রহ ও আলোচনা সৃষ্টি করে। আজ বুধবার সকালে এক পোস্টে তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, যদি কেউ তাঁর কথা বা কাজে অনিচ্ছাকৃতভাবে কষ্ট পেয়ে থাকেন, তাহলে তিনি আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাচ্ছেন।

    নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী লিখেছেন, “গত কিছু দিন আমি আমার বয়োজ্যেষ্ঠ বন্ধু, রাজনৈতিক শুভাকাঙ্ক্ষী, মন্ত্রী-এমপি ও প্রিয় সহযোদ্ধাদের সাথে কিছু খোলামেলা ও আন্তরিক কথাবার্তা বলার সুযোগ পেয়েছি। সবাই থেকে আমি সুন্দর পরামর্শ পেয়েছি, যার মধ্যে রয়েছে ব্যক্তিগত আক্রমণ এড়িয়ে চলা, অপ্রয়োজনে কথা না বলা ও গঠনমূলক আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার ওপর জোর দেওয়া।”

    তিনি আরও বলছেন, “আমি বিনয় ও শ্রদ্ধার সঙ্গে সেই পরামর্শগুলো গ্রহণ করছি এবং ভবিষ্যতেও শান্ত, দোষ মুক্ত ও দায়িত্বশীল আচরণে মনোযোগ দেব। রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়ন के জন্য আমি আমার সক্ষমতার মধ্যে থেকে কাজ চালিয়ে যাব।”

    নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আরও জানান, “যদি কেউ তাঁর কথায় বা কাজের কারণে অনিচ্ছাকৃতভাবে কষ্ট পেয়ে থাকেন, আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাচ্ছি। আপনারা যারা দোয়া, ভালোবাসা ও পরামর্শ দেন, তারাই আমার শক্তির উৎস।”

    তিনি বলেন, “গতকাল আমি ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে কিয়ামুল লাইলের মাধ্যমে এই আত্মিক যাত্রার এক নীরব সূচনা করেছি। আল্লাহ আমাদের সকলকে ক্ষমা করুন এবং আমাদের সঠিক পথে পরিচালিত করুন।”

  • গণরায়ের বিরুদ্ধে গেলে জনগণই তাদের প্রত্যাখ্যান করবে: আসিফ মাহমুদ

    গণরায়ের বিরুদ্ধে গেলে জনগণই তাদের প্রত্যাখ্যান করবে: আসিফ মাহমুদ

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, গণরায়কে উপেক্ষা করে যদি সরকার অগ্রসর হতে চায়, তাহলে জনগণ তা মেনে নেবে না। গণরায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নিলে ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় জনগণই তাদের প্রত্যাখ্যান করবে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) স্বাধীনতা দিবসে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে তিনি এসব কথা বলেন।

    আসিফ মাহমুদ বলেন, “আপনি দেখছেন যে বাংলাদেশের ইতিহাসে অনেক সরকার গঠন করেছে, তারা অনেক মহান ও শক্তিশালী ছিল। কিন্তু যখনই তারা গণরায়ের বিরুদ্ধে গেছে বা তার বিরোধিতা করেছে, তখনই তারা ইতিহাসের পাতা থেকে হারিয়ে গেছে।” তিনি আরও বলেন, ১৯৭০ সালের নির্বাচনে জনগণের রায় পাওয়ার পরও ক্ষমতা হস্তান্তর না করায় ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রেক্ষাপট সৃষ্টি হয়। একইভাবে, ১৯৯০ সালে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মাধ্যমে পরিবর্তন আসে। দীর্ঘ ১৭ বছর দমনপীড়নের পরও জনগণের রায়ের বিরোধিতা করে শাসন কায়েমের চেষ্টাগুলিও পরে জনগণের আন্দোলনের মুখে পরাজিত হয়।

    আসিফ মাহমুদ আরও বলেন, এখনো যদি গণরায় বা গণভোটের সিদ্ধান্তকে উপেক্ষা করে সরকার অগ্রসর হতে চায়, তাহলে জনগণ তা মেনে নেবে না। তিনি উল্লেখ করেন, গণভোটে বিপুল সংখ্যক মানুষ ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন। তিনি বলেন, “আমরা তাদের বলব যে, এত রক্তের বিনিময়ে যে সংস্কার এবং যে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখা হয়েছে—যা শহীদের পরিবাররা দেখেছে, পরিবারগুলো দেখেছে, আহত সহযোদ্ধারা দেখেছে—সেটা বাস্তবায়ন করতে হবে। যদি এই জনরায় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত না হয়, তাহলে বাংলাদেশের ৭০ শতাংশ জনগণ যারা ভোট দিয়েছে ‘হ্যাঁ’তে, তারা দ্বিতীয়বার রাস্তায় নামতে দ্বিধা করবে না।”

    অAssিফ মাহমুদ বলেন, “সুতরাং, আপনাদের সবাইকে জনগণের পক্ষে আসতে হবে, যেন আমরা সবাই মিলে একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে পারি। অন্যথায়, যদি জনগণের বিপক্ষে যান, তাহলে আমাদেরকে আবারও জনগণকে নিয়ে স্বাধীনতা রক্ষা করতে মাঠে নামতে হতে পারে।”

  • এনসিপির পাঁচ শহরে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা

    এনসিপির পাঁচ শহরে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা

    ঢাকার পাশাপাশি দেশের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দলের মেয়র প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), যারা চব্বিশের জুলাই আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। রোববার (২৯ মার্চ) রাতে রাজধানীর বাংলামোটরে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন দলের আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।

    এনসিপি জানায়, ঢাকাসহ কুমিল্লা, সিলেট ও রাজশাহী মহানগরীতে দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে যথাক্রমে আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া, অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট মো. আব্দুর রহমান আফজাল এবং মো. মোবাশ্বের আলী। এছাড়াও, ঢাকা উত্তরের দলীয় আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

    এনসিপি আরও জানায়, আগামী এপ্রিলের মধ্যে বাকি সাতটি সিটি করপোরেশনের প্রার্থী ঘোষণা করা হবে। ইতোমধ্যেই এই নির্বাচনগুলোর প্রাথমিক প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। তবে, বর্তমানে বিএনপি সরকার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনসহ পর্যায়ক্রমে সব স্থানীয় নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা করছে। এই পরিস্থিতিতে, সিটি করপোরেশনের জন্য দলের বিভিন্ন নেতাকে প্রশাসকদের পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যা দলীয়ীকরণে পরিণত হয়েছে।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকার ইতোমধ্যেই বিভিন্ন সিটিতে প্রশাসক নিয়োগ করে প্রশাসনকে দলীয়ভাবেই পরিচালনা করছে। তিনি আরো উল্লেখ করেন, আগামী ছয় মাসের মধ্যে সব স্থানীয় সরকারের নির্বাচন সম্পন্ন করার দাবি জানান।

    সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির মনোনীত পাঁচ মেয়র প্রার্থীর পাশাপাশি অন্যান্য নেতাদের, যেমন দলের সদস্য সচিব আখতার হোসেন, কেন্দ্রীয় নেতা সারজিস আলম ও আব্দুল হান্নান মাসউদসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

  • প্রথমবারের মত বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এসে তারেক রহমানের উচ্ছ্বাস

    প্রথমবারের মত বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এসে তারেক রহমানের উচ্ছ্বাস

    প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগেই এর আগে কখনো নয়া পল্টনে বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এসে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপস্থিতি দেখানো হয়নি। শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে তিনি দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে উপস্থিত হলে নেতাকর্মীরা উল্লাসের সঙ্গে তাকে স্বাগত জানায়। এর আগে, সন্ধ্যা ৭টা ২৩ মিনিটে তাঁর গাড়িবহর কার্যালয়ের সামনে পৌঁছালে বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী স্লোগানে স্লোগানে তাকে স্বাগত জানাতে থাকেন। এই সময় তারেক রহমানের গাড়ি কার্যালয়ের সামনে আসতেই নেতাকর্মীরা গাড়ির দরজায় হাত নেড়ে শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা প্রকাশ করেন। এরপর তিনি কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। তবে, এর আগের দিন সন্ধ্যার দিকে দলের নেতা-কর্মীরা নানা শ্লোগান ও ব্যানার নিয়ে ব্যাপক উৎসাহের সঙ্গে নয়াপল্টনের মূল সড়ক ও আশপাশের এলাকায় অবস্থান নেন। প্রধানমন্ত্রীর আগমনের খবরে দুপুর আড়াইটা থেকেই নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা কার্যালয়ের সামনের দিকে জড়ো হতে শুরু করেন, বিকেলের পর পুরো এলাকা স্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠে। সন্ধ্যায় এটির আনুষ্ঠানিক শুভ সূচনা হয়। দলের অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান জানিয়েছেন, তিনি প্রধানমন্ত্রীর আগমনের খবর দিয়ে বলেছেন, নেতাকর্মীদের জন্য তিনি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কিছু সময় সাক্ষাৎ করতে চান। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, তিনি কার্যালয়ে এসে বিভিন্ন সাংগঠনিক কার্যক্রমে অংশ নেবেন এবং নেতাকর্মীদের সঙ্গে দেখা করবেন। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, সড়ক ও ট্রাফিক নিয়মনীতির মধ্যে থেকে সেখানে আসা-যাওয়া চালিয়ে যেতে হবে যেন সাধারণ মানুষের ভোগান্তি না হয়। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের চেষ্টা করা উচিত সবকিছু যেন স্বাভাবিক থাকে। আমি অফিসে আরও আসব, তবে রাস্তা বন্ধ করা যাবে না। মানুষের চলাচল ও যানজট যেন না হয়, সেদিকে আমাদের নজর রাখতে হবে।’ এদিকে, নেতা-কর্মীদের মধ্যে ধৈর্য্য ও সাহস বজায় রাখতে তিনি অনুরোধ করেন এবং আশ্বস্ত করেন যে, সকলের সহযোগিতা থাকলে তিনি অফিসে আসতে পারবেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের ধৈর্য্য ধরে আইন শৃঙ্খলার মধ্যে থাকতে হবে এবং মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। আমাদের সকলের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ, যাতে সাধারণ মানুষ কষ্ট বা দুর্ভোগে না पड़েন।’ বক্তৃতার শেষ অধ্যায়ে তিনি আবারো জোর দিয়ে বলেন, ‘প্রথম ও প্রধান কাজ এখন আমাদের রাস্তা পরিষ্কার রাখা, যাতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকে। ভবিষ্যতেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক না থাকলে আমাদের জন্য আসা কঠিন হবে।’ এর আগে বিকেলে দলীয় কার্যালয়ে পৌঁছার সময় নেতাকর্মীরা তাকে বিপুল উচ্ছ্বাসে স্বাগত জানান। এই ঘটনায় নয়া পল্টনসহ আশপাশের সড়কে ব্যাপক যানজট সৃষ্টি হয়। দুপুর থেকেই নেতাকর্মীরা দলীয় কার্যালয় ও আশপাশে জড়ো হতে থাকেন। পুরো এলাকা নেতাকর্মীদের স্লোগানে মুখর হয়ে যায়। মোটকথা, বিএনপি নেতা তারেক রহমানের এই প্রথমবারের মতো কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আসা দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস ও আবেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা ও সমর্থন পেয়েছে।

  • ‘নৈতিক দায়িত্ব পালন করতে এসেছি’, জামায়াতের আমিরের স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা শেষে ভাষণ

    ‘নৈতিক দায়িত্ব পালন করতে এসেছি’, জামায়াতের আমিরের স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা শেষে ভাষণ

    মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. Shফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা একান্তই একটি নৈতিক দায়িত্ব পালন করতে এখানে এসেছি। এটি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আচার, আর আমরা সবার মতো এই পবিত্র দিনে শহীদদের প্রতি সম্মান জানাতে গিয়েছি।শনিবার (২৬ মার্চ) সকাল বেলা, শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের জন্য বিশেষ ভাবে মোনাজাত করেন এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপের সময় এসব কথা বলেন।তিনি আরও বলেন, আমরা আল্লাহর কাছে দোয়া করেছি, যেন আমাদের শহীদদের বিদেহী আত্মाएं শান্তি পায়। পাশাপাশি, দেশের সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা রক্ষায় দেশবাসীর অঙ্গীকার এবং এই গুরুত্বপূর্ণ দিনটি পালন করে দেশের উন্নয়ন কামনায় আমরা প্রার্থনা করেছি। ডা. শফিকুর রহমান উল্লেখ করেন, আমাদের লক্ষ্য হলো অহিংসা, দারিদ্র্যহীন ও বৈষম্যবিহীন একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা। তিনি সবাইকে দেশের স্বার্থে একত্রিত হওয়ার আহ্বান জানান এবং দেশবাসীকে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের শুভেচ্ছা জানান।এ সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম এমপি, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান এমপি, নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি, এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি কামাল হোসেন এমপি।

  • গণরায় বিরুদ্ধে গেলে জনগণই প্রত্যাখ্যান করবে: আসিফ মাহমুদ

    গণরায় বিরুদ্ধে গেলে জনগণই প্রত্যাখ্যান করবে: আসিফ মাহমুদ

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, গণরায় উপেক্ষা করে সরকার যদি সামনে এগোতে চায়, জনগণ তা মেনে নেবে না এবং ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় তাদের প্রত্যাখ্যান করবে। তিনি এসব কথা বলেন বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) স্বাধীনতা দিবসে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে।

    আসিফ মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশে ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় যে, যারা কোনো ডগায়ই শক্তিশালী মনে হলেও যদি তারা গণরায়কে ধ্বংস করে বা জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়, তারা ইতিহাসের পাতায় থেকে বিলুপ্ত হয়ে গেছে।

    তিনি আরও স্মরণ করান, ১৯৭০ সালের নির্বাচনের রায় অনুযায়ী ক্ষমতা হস্তান্তর না করায় ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে পরিণতি ঘটে। পরবর্তীকালে ১৯৯০ সালে স্বৈরাচ্যের বিরুদ্ধে গণ আন্দোলনের মাধ্যমেই পরিবর্তন আসে। একইভাবে, দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছরের দমনপীড়নের পরও জনগণের রায় উপেক্ষা করে শাসন কায়েমের চেষ্টা টেকেনি—জনপ্রতিবাদ শেষ পর্যন্ত জয়ী হয়েছে।

    সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টার এই বক্তব্যে সতর্ক করা হয় যে, এখনও যদি গণরায় ও গণভোটের সিদ্ধান্তকে অবজ্ঞা করা হয় এবং তা এড়িয়ে সরকার এগোতে চায়, তাহলে জনগণ তা মেনে নেবে না।

    তিনি বলেন, গণভোটে বিপুল সংখ্যক মানুষ ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন। এই রক্তসিক্ত সংগ্রামের বিনিময়ে যে সংস্কার এবং নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন শহীদদের পরিবার, বাবা-মা ও আহত সহযোদ্ধারা দেখেছেন—সেগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে। যদি সেই জনরায় পালন না করা হয়, তাহলে বাংলাদেশের প্রাসঙ্গিক জনসমষ্টি—যারা গণভোটে বড় অংশ ‘হ্যাঁ’ দিয়েছেন—তারা রাস্তায় নামতে দ্বিতীয়বারও দ্বিধা করবে না।

    আসিফ মাহমুদ সংবাদমাধ্যমকে আহ্বান জানান, সরকার জনগণের পাশে আসুক যাতে সবাই মিলে একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তোলা যায়। তিনি সতর্ক করেন, ‘‘গণভবির বিপক্ষে গেলে আমাদের আবারও জনগণের সঙ্গে হাতে হাত রেখে স্বাধীনতা রক্ষার জন্য মাঠে নামতে হতে পারে।’’

  • পাঁচ সিটি করপোরেশনে এনসিপি মেয়রপ্রার্থীদের নাম ঘোষণা

    পাঁচ সিটি করপোরেশনে এনসিপি মেয়রপ্রার্থীদের নাম ঘোষণা

    চব্বিশের জুলাই আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ঢাকার দুটিসহ দেশের পাঁচটি সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দলের মেয়র প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে।

    রোববার (২৯ মার্চ) রাতে রাজধানীর বাংলামোটরের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই প্রার্থীদের নাম প্রকাশ করেন দলের আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।

    ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়রপ্রার্থী হিসেবে মনোনীত হয়েছেন দলীয় মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া। আর ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়রপ্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীবকে।

    কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মেয়রপর্যায়ের মনোনয়ন পেয়েছেন জাতীয় যুবশক্তির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম। সিলেটে এনসিপির সিলেট মহানগরের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মো. আব্দুর রহমান আফজালকে এবং রাজশাহীতে দলের রাজশাহী মহানগরের আহ্বায়ক মো. মোবাশ্বের আলীকে মেয়রপ্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

    এনসিপি জানিয়েছে, এপ্রিলের মধ্যেই বাকি সাতটি সিটি করপোরেশনের প্রার্থীও ঘোষণা করা হবে।

    সংবাদ সম্মেলনে নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন সিটিতে প্রশাসক নিয়োগের মাধ্যমে প্রশাসনকে দলীয়করণ করেছে। প্রশাসকদের অবস্থান ব্যবহার করে নির্বাচন হয়—তাই প্রশাসকদের মধ্য থেকে কেউ প্রার্থী হতে পারবে না এবং নির্বাচনে কোনো দলীয় প্রতীকে অংশ নেওয়া যাবে না, এমন অভিযোগও করেন তিনি। নাহিদ localisation করে বলেন আগামী ছয় মাসের মধ্যে সকল স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করার দাবিও জানিয়েছে দলটি।

    সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির মনোনীত পাঁচ মেয়রপ্রার্থীর সঙ্গে ছিলেন দলের সদস্য সচিব আখতার হোসেন, কেন্দ্রীয় নেতা সারজিস আলম, আব্দুল হান্নান মাসউদসহ অন্যান্য নেতারা।