Month: May 2025

  • ইশরাকের শপথের গেজেট স্থগিত চেয়ে লিভ টু আপিলের শুনানি বৃহস্পতিবার

    ইশরাকের শপথের গেজেট স্থগিত চেয়ে লিভ টু আপিলের শুনানি বৃহস্পতিবার

    বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনকে মেয়র ঘোষণা করে নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালের রায় ও নির্বাচন কমিশনের (ইসি) গেজেটের কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে করা লিভ টু আপিল শুনানির জন্য বৃহস্পতিবার (২৯ মে) দিন ঠিক করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য শোনার জন্য রেখেছেন আপিল বিভাগ।

    এ সংক্রান্ত বিষয়ে দায়ের করা আপিল আবেদন মঞ্জুর করে বুধবার (২৮ মে) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।

    আদালতে লিভ টু আপিলকারীর পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন। ইশরাকের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন। তাকে সহযোগিতা করেন ব্যারিস্টার একেএম আহসানুর রহমান।

    এর আগে ইশরাকের ট্রাকের মেয়র পদ ঘোষণা ও শপথ নিয়ে প্রকাশিত গেজেটের বিরুদ্ধে দায়ের করা লিভ টু আপিল শুনানির জন্য আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে পাঠান আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালত।

    মঙ্গলবার (২৭ মে) সুপ্রিম বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হক এর চেম্বার জজ আদালত শুনানির এই দিন নির্ধারণ করে আদেশ দেন।

    এর আগে ইশরাককে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ঘোষণা করে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালের রায় এবং ইসির গেজেটের কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে করা রিট সরাসরি খারিজ করে ২২ মে আদেশ দেন হাইকোর্ট। সেদিনই পূর্ণাঙ্গ আদেশ প্রকাশিত হয়। ওই আদেশের বিরুদ্ধে মেয়র ঘোষণা ও গেজেটের কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে গত সোমবার (২৫ মে) লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করেন রিট আবেদনকারী।

    এটি লিভ টু আপিলটি আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতের মঙ্গলবারের কার্যতালিকায় ১২৫ নম্বর ক্রমিকে ওঠে।

    এ সংক্রান্ত বিষয়ে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন বলেন, হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালের রায় এবং ইসির গেজেটের কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে করা লিভ টু আপিলটি আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য বৃহস্পতিবার নির্ধারণ করা হয়েছে।

    ২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাচন হয়। আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) প্রার্থী শেখ ফজলে নূর তাপস মেয়র নির্বাচিত হন। একই বছরের ২ ফেব্রুয়ারি ভোটের ফলাফলের গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। শপথ নিয়ে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন তাপস।

    নির্বাচনে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ফলাফল বাতিল চেয়ে ২০২০ সালের ৩ মার্চ মামলা করেন ইশরাক। এর গত বছরের ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। একই বছরের ১৯ আগস্ট ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনসহ সিটি করপোরেশনের মেয়রদের অপসারণ করা হয়। এর মধ্যে ইশরাকের করা নির্বাচনী মামলায় চলতি বছরের ২৭ মার্চ রায় দেন ঢাকার প্রথম যুগ্ম জেলা জজ ও নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল।

    ইশরাককে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ঘোষণা করা হয়। আদালতের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে সিটি করপোরেশনের মেয়র ঘোষণা করে গত ২৭ এপ্রিল গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

  • সব মামলা থেকে খালাস তারেক রহমান

    সব মামলা থেকে খালাস তারেক রহমান

    আওয়ামী লীগ আমলে দেশ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচার করা হয়। এতে যুক্ত ছিলেন গণঅভ্যুত্থানের মুখে ভারতে পালিয়ে যাওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যরা। তাদের পাচার করা সম্পদ শনাক্তে তথ্য সংগ্রহ করছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। পাচার করা এসব অর্থ উদ্ধারে আন্তর্জাতিকভাবে খ্যাতিমান চারটি প্রভাবশালী সংস্থার সহায়তা নিচ্ছে সরকার।

    সংস্থাগুলো হচ্ছে- দ্য স্টোলেন অ্যাসেট রিকভারি (এসটিএআর), ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্টি করাপশন কো-অর্ডিনেশন সেন্টার (আইএসিসিসি), যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস এবং ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর অ্যাসেট রিকভারি (আইসিএআর)।

    শেখ হাসিনা পরিবারের পাচার করা সম্পদ উদ্ধার কার্যক্রমে এ সংস্থাগুলোও সরকারকে সহযোগিতা করছে। পাশাপাশি তদন্তও চালাচ্ছে সংস্থাগুলো। তাদের তদন্তে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, হংকং এবং কেইম্যান দ্বীপপুঞ্জে সম্পদের সন্ধান পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে আরও বিশদ অনুসন্ধান চলছে। এ প্রক্রিয়ায় সম্পদের তথ্য সুনর্দিষ্টভাবে শনাক্ত করে ওইসব সম্পদের আরও তথ্য চাওয়া এবং সম্পদ জব্দ করার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দেশের সঙ্গে মিচুয়্যাল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স রিকোয়েস্ট বা এমএলএআর পাঠানো হবে।

    বিএফআইইউ এবং ওই চারটি আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রাথমিক তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এক লাখ ২১ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি ও জালিয়াতির অভিযোগ আনা হয়েছে শেখ হাসিনা পরিবারের বিরুদ্ধে। এর মধ্যে দেশে প্রায় দুই হাজার কোটি টাকার সম্পদ জব্দ করা হয়েছে। প্রকল্পের নামে বিদেশে এক লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা পাচার বা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। একাধিক তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

    ছাত্র-জনতার তীব্র আন্দোলনের মুখে গত বছরের ৫ আগস্ট পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। এরপর সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত পাঁচটি দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়েছে। এর মধ্যে ক্ষমতার অপব্যবহার করে পূর্বাচলে রাজউকের ছয়টি প্লট দখল, সূচনা ফাউন্ডেশন, সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন বা সিআরআই ও বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের দুর্নীতি, রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পে ৪৮৩ কোটি ৮৪ লাখ ডলার বা প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্রে ৩০০ কোটি ডলার বা ৩৭ হাজার কোটি টাকা পাচার এবং আটটি সরকারি প্রকল্প থেকে ১৭৭ কোটি ২০ লাখ ডলার বা ২২ হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।

    এসব অভিযোগে কয়েকটি মামলা হয়েছে। মামলাগুলোয় এখন পর্যন্ত আদালতের মাধ্যমে দেশের ভেতরে ৮৮৭ কোটি টাকার স্থাবর সম্পত্তি এবং এক হাজার ৪৫ কোটি ২৫ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পত্তি জব্দ করা হয়েছে। অবরুদ্ধ করা হয়েছে এক হাজার ৯৩২ কোটি ২৫ লাখ টাকার সম্পদ। এসব দুর্নীতির সপক্ষে সব ধরণের তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করেছে তদন্ত সংস্থাগুলো।

    আদালত কর্তৃক স্থাবর সম্পত্তি সংযুক্তকরণের মধ্যে রয়েছে, পূর্বাচলে ৬০ কাঠা জমি বা ছয়টি প্লট। দলিল মূল্যে যার দাম এক কোটি ৮০ লাখ টাকা। তবে বাজার মূল্যে এসব জমির দাম ১২০ কোটি টাকা। গুলশান ও সেগুনবাগিচায় ৯টি ফ্ল্যাট, গুলশানে একটি বাড়ি ও খুলনার দিঘলিয়ায় দুই দশমিক ০৪ একর জমি। দলিল মূল্যে যার দাম ১৫ কোটি ৩৪ লাখ টাকা, বাজারমূল্যে ৭৬৭ কোটি টাকা। অস্থাবর সম্পত্তির মধ্যে ১৫৬টি ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়েছে। এগুলোয় স্থিতি হিসাবে আছে এক হাজার ৪৫ কোটি ২৫ লাখ টাকা।

    শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের সূচনা ফাউন্ডেশনের ব্যাংক হিসাবে জমা হয়েছে ৫৩২ কোটি টাকা। এর মধ্যে উত্তোলন করা হয়েছে ৪৬৫ কোটি টাকা। এখন স্থিতি আছে ৬৭ কোটি টাকা।

    প্রতিবেদন থেকে পাওয়া তথ্যে দেখা যায়, ব্যাংকের করপোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি বা সিএসআর তহবিলের টাকা থেকে সূচনা ফাউন্ডেশনে প্রায় ৩৩ কোটি টাকার জোগান দেওয়া হয়েছে। এক্সিম ব্যাংক ও বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের (বিএবি) সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার প্রভাব খাটিয়ে ব্যাংকগুলো থেকে এসব অর্থ সূচনা ফাউন্ডেশনের হিসাবে জমা করতে সহায়তা করেন। ব্যাংকগুলোর সিএসআর ফান্ডের টাকা সূচনা ফাউন্ডেশনে দিতে বিএবি থেকে বেসরকারি ব্যাংকগুলোর কাছে চিঠি দেওয়া হয়েছিল। আওয়ামী লীগের দলীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশনের (সিআরআই) নামে ৩৫ কোটি ২১ লাখ টাকার এফডিআর রয়েছে। সংস্থাটির লেনদেন সম্পর্কে আরও তদন্ত হচ্ছে। এ প্রতিষ্ঠানের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসাবে আছেন শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল ভাইস চেয়ারম্যান এবং শেখ রেহানার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি এর ট্রাস্টি।

    জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্টের সঙ্গে রয়েছেন শেখ হাসিনা, বোন শেখ রেহানা, শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ও মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল। প্রতিষ্ঠানটির ব্যাংক হিসাবে স্থিতি ১৬ কোটি ১২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এর লেনদেন নিয়ে আরও তদন্ত চলছে।

    এদিকে, গত সোমবার রাতে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইলের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনার বোন ও যুক্তরাজ্যের সাবেক সিটি মিনিস্টার টিউলিপ সিদ্দিকের মা শেখ রেহানার মালিকানাধীন লন্ডনের একটি বাড়ি ফ্রিজ করা হয়েছে। যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সি (এনসিএ) এটি জব্দ করেছে। ভবিষ্যতে যাতে বাড়িটি বিক্রি করতে না পারে, সেজন্য প্রথম পদক্ষেপ হিসাবে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ১৪ বছর ধরে এটি টিউলিপ পরিবারের প্রধান বাড়ি হিসাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। শেখ রেহানা ২০১১ সালে ১২ লাখ পাউন্ডে এটি কিনেছিলেন। পাউন্ডের বর্তমান বাজার দর ১৬৯ টাকা হিসাবে ১২ লাখ পাউন্ড বাংলাদেশি মুদ্রায় দাঁড়াচ্ছে ২০ কোটি ২৮ লাখ টাকা।

    গত ১৭ থেকে ২১ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর লন্ডন সফর করে এসেছেন। ওই সময়ে তিনি দেশটির মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ কর্তৃপক্ষ, দুর্নীতিবিরোধী সংস্থাসহ বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে বৈঠক করেন। ওইসব বৈঠকের পর লন্ডনে বাংলাদেশিদের পাচার করা সম্পদের একটি তালিকা পাঠানো হয়। সেগুলোর বিষয়ে দেশটির সরকার এখন অনুসন্ধান করছে বলে জানা গেছে।

  • ইশরাকের মেয়র পদ নিয়ে বৃহস্পতিবার আপিল বিভাগে শুনানি

    ইশরাকের মেয়র পদ নিয়ে বৃহস্পতিবার আপিল বিভাগে শুনানি

    বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র হিসেবে ঘোষণা করে গেজেট জারির বিষয়ে বৃহস্পতিবার (২৯ মে) শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে। ওইদিন নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য শুনবেন আপিল বিভাগ।

    বুধবার (২৮ মে) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের ৭ বিচারপতির বেঞ্চ এই আদেশ দেন। এছাড়া ইশরাক হোসেনকে মেয়র হিসেবে শপথ না পড়ানোর নির্দেশনা চেয়ে করা রিট খারিজের আদেশের বিরুদ্ধে করা লিভ টু আপিলও শুনানির জন্য গ্রহণ করা হয়েছে।

    আদালতে ইশরাকের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন। অন্যদিকে রিটকারী পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন।

  • নয়াপল্টনে বিএনপির ‘তারুণ্যের সমাবেশ’ শুরু

    নয়াপল্টনে বিএনপির ‘তারুণ্যের সমাবেশ’ শুরু

    জাতীয় সংগীত ও দলীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে নয়াপল্টনে শুরু হয়েছে বিএনপির তিন সহযোগী সংগঠনের আয়োজিত ‘তারুণ্যের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার সমাবেশ’।

    বুধবার (২৮ মে) বেলা দুইটার কিছু আগে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে এই সমাবেশ শুরু হয়। আয়োজকেরা জানিয়েছেন, ঢাকা, সিলেট, ফরিদপুর ও ময়মনসিংহসহ আশপাশের জেলা থেকে প্রায় ১৫ লাখ তরুণের জমায়েতের প্রত্যাশা তাদের।

    সমাবেশকে কেন্দ্র করে নয়াপল্টন ও আশপাশের এলাকায় ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীরা মিছিলসহ জড়ো হয়েছেন। এতে করে ওই এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং আশেপাশের সড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়।

    বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের বিপরীতে মঞ্চ তৈরি করা হয়েছে। মিছিলকারীরা সবুজ, হলুদ ও লাল রঙের ক্যাপ ও টি-শার্ট পরে স্লোগান দিতে দিতে সমাবেশস্থলে আসছেন।

    তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহাদী আমিন বলেন, ‘চট্টগ্রাম, খুলনা ও বগুড়ায় এর আগে আমরা তারুণ্যের সমাবেশ করেছি। ঢাকার সমাবেশ তারই ধারাবাহিকতা। এটি শুধু একটি সমাবেশ নয়, বরং গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার একটি অঙ্গীকার। আমরা গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছি।’

    মে মাসজুড়ে তরুণদের উদ্বুদ্ধ করতে বিএনপির এই তিন সংগঠন আট দিনের সেমিনার ও সমাবেশের কর্মসূচি গ্রহণ করে। ঢাকার এই আয়োজন ছিল শেষ পর্ব। আয়োজকেরা জানিয়েছেন, এটি কেবল রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, বরং ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রচিন্তায় তরুণদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার একটি নীতিগত প্রয়াস।

    আজকের সমাবেশে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের। তিনি তরুণদের উদ্দেশে দলের রাষ্ট্রদর্শন, ভবিষ্যৎ কৌশল ও রাজনৈতিক রূপরেখা তুলে ধরবেন বলে জানানো হয়েছে।

    এ ছাড়া সমাবেশে উপস্থিত থাকবেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আবদুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সালাহউদ্দিন আহমদসহ দলের শীর্ষ নেতারা।