Category: রাজনীতি

  • জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোট ঢাকায় সংবিধান সংশোধন ও ‘জুলাই সনদ’ নিয়ে বিক্ষোভ ডেকেছে

    জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোট ঢাকায় সংবিধান সংশোধন ও ‘জুলাই সনদ’ নিয়ে বিক্ষোভ ডেকেছে

    জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলের জোট রাজধানীতে শনিবার বিকেলে সংবিধান সংস্কার ও ‘জুলাই সনদ’ আদেশের বিষয়ে বিক্ষোভ সমাবেশ এবং মিছিল করার ঘোষণা দিয়েছে।

    বুধবার নয়—আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ১১ দলের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠকের পর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ প্রেস ব্রিফিং করে এই ঘোষণা জানান। তিনি জানান, সমাবেশ বায়তুল মোকার্রম মসজিদের উত্তর গেটে অনুষ্ঠিত হবে।

    হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, সরকারি দল সংসদ পরিচালনায় ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে এবং সরকার ফ্যাসিবাদী পথে হেঁটে সংবিধান সংস্কারকে ধামাচাপা দিয়ে কেবল সংশোধনী আনার চেষ্টা করছে। তাঁর ভাষ্য, সংবিধান রক্ষার জন্য ও নির্ধারিত দাবি আদায়ে রাজপথে আন্দোলন ছাড়া ১১ দলের আর কোনো বিকল্প নেই।

    তিনি আরও জানান, আগামী ৭ এপ্রিল ১১ দলের শীর্ষ নেতাদের একটি বৈঠকও অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে বিক্ষোভ কর্মসুচি এবং পরবর্তী পদক্ষেপসমূহ চূড়ান্ত করা হবে।

    এর আগে বুধবার (১ এপ্রিল) সন্ধ্যা সোয়া সাতটায় সংসদ ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে বিরোধীদলের নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, গণভোটের ফলকে কেন্দ্র করে সরকারি দলের কর্মকাণ্ডে তারা অত্যন্ত বিস্মিত, আহত ও মর্মাহত।

    সংসদের প্রথম অধিবেশনের ষষ্ঠ দিনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন বিরোধীদল ওয়াকআউট করে। মুলতবি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা চলাকালে তখন তারা অভিযোগ করে যে ‘জুলাই সনদ’ আদেশ জারি করা হচ্ছে এবং বিরোধীদলীয় নেতাকে মিসকোড করা হয়েছে; এসব কারণে বিকেলে ৫টা ৪৫ মিনিটে বিরোধীদলীয় সদস্যরা অধিবেশন থেকে বেরিয়ে যান।

    ডা. শফিকুর রহমান স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, তারা প্রতিকার চেয়েছিলেন এবং বিষয়টি কোনো একদলীয় ইস্যু নয়। নির্বাচনের আগে সরকারি দল ও বিরোধী দল—সবাই এই ইস্যুতে একমত ছিলেন, তাদের পক্ষে বলা ও প্রচারণাও করা হয়েছিল। কিন্তু যে প্রতিকার পাওয়া হওয়া উচিত ছিল তা না পাওয়ায় দেশবাসীর রায়ের সঠিক প্রতিফলন হচ্ছে না—এই অবমূল্যায়ন তারা মেনে নিতে পারবেন না। এজন্যই তারা প্রতিবাদে ওয়াকআউট করেছেন।

    জোট কর্তৃপক্ষের এই ঘোষণার ফলে আগামীদিনে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা এবং সংসদভবনের আশপাশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কেমন হবে তা নিয়ে সতর্কতা বাড়িয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। রাজনৈতিক এই উত্তাপ নিয়েই রাষ্ট্র ও প্রার্থীদের মধ্যে আগামীদিনে রাজনৈতিক আলাপ-আলোচনা ও কর্মসূচির ধারা অনুসরণ করবে।

  • গণরায়ের বিরুদ্ধে গেলে জনগণই তাদের প্রত্যাখ্যান করবে: আসিফ মাহমুদ

    গণরায়ের বিরুদ্ধে গেলে জনগণই তাদের প্রত্যাখ্যান করবে: আসিফ মাহমুদ

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, গণরায় উপেক্ষা করে সরকার সামনে এগিয়ে গেলে জনগণ তা মেনে নেবে না। তিনি বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) স্বাধীনতা দিবসে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এ কথা বলেন।

    আসিফ মাহমুদ বলেন, যারা দেশের গণরায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে, ইতিহাসই তাদের ফিরিয়ে দিয়েছে। ‘‘বাংলাদেশের নানা সময়ে শক্তিশালী বলে পরিচিত সরকারগুলোও যখন গণরায়ের বিরুদ্ধে গিয়েছে, তারা ইতিহাসের পাতা থেকে মুছে গেছে,’’ তিনি বলেন।

    তিনি ইতিহাসের কয়েকটি উদাহরণ তুলে ধরে বলেন, ১৯৭০ সালের নির্বাচনে জনগণের রায় পেলেও ক্ষমতা হস্তান্তর না করার প্রেক্ষাপটই ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাযুদ্ধের জন্ম দিয়েছিল। একইভাবে ১৯৯০ সালে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে গণআন্দোলনের মাধ্যমে দেশ বদলে যায়। এছাড়া, দীর্ঘ ১৭ বছরের দমন-পীড়নের পরও জনগণের রায়ের বিরুদ্ধে শাসন কায়েম করার প্রচেষ্টা টেকেনি বলে তিনি মন্তব্য করেন।

    আসিফ আরও বলেন, ‘‘এখনও যদি গণরায় ও গণভোটের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করা হয় এবং তা উপেক্ষা করে সরকার এগোতে চায়, তাহলে জনগণ তা মেনে নেবে না।’’

    তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে গণভোটে বিপুলসংখ্যক মানুষ ‘হ্যাঁ’ দিয়েছে এবং দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ এই ভোটের পক্ষে ছিল। ‘‘এত রক্তের বিনিময়ে যেই সংস্কার এবং নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন আমাদের শহীদের পরিবার, বাবা-মা ও আহত সহযোদ্ধারা দেখেছেন, তা বাস্তবায়ন করতে হবে। যদি এই জনরায় বাস্তবায়ন না হয়, তাহলে যারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বলেছেন তারা রাস্তায় নামতে দ্বিধা করবেন না,’’ তিনি বলেন।

    অবশেষে তিনি সবাইকে ফের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘‘আপনারা জনগণের পক্ষে আসুন, যেন আমরা সবাই মিলে সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে পারি। যদি জনগণের বিপক্ষে গেলে, আমাদেরকে আবারও স্বাধীনতা রক্ষার জন্য মাঠে নামতে হতে পারে।’’

  • ঢাকায় বিক্ষোভের ডাক দিল জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট

    ঢাকায় বিক্ষোভের ডাক দিল জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট

    জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট শনিবার বিকেলে রাজধানীতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করবে বলে ঘোষণা দিয়েছে জোটের লিঁয়াজো কমিটি।

    বুধবার নয়, আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ১১ দলের লিঁয়াজো কমিটির বৈঠকের পর জামায়াতের সহকারী সাধারণ সম্পাদক হামিদুর রহমান আযাদ এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এই কর্মসূচির কথা জানান।

    আযাদ বলেন, সরকারি দল সংসদ পরিচালনায় ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে এবং বর্তমান সরকার শাসনকালে ফ্যাসিস্ট প্রবণতা প্রদর্শন করছে। তিনি বলেন, সরকার সংবিধানীয় সংস্কারকে গলে-ঠেকিয়ে শুধুমাত্র সংশোধনী আনার চেষ্টা করছে, তাই সংস্কার বাস্তবায়নের জন্য রাজপথেই আন্দোলন করা ছাড়া জোটের কোনো বিকল্প নেই।

    তিনি জানান, ওই বিক্ষোভ সমাবেশ বায়তুল মোকার্রম মসজিদের উত্তর গেটে অনুষ্ঠিত হবে। পাশাপাশি ৭ এপ্রিল জোটের শীর্ষ নেতাদের একটি সর্বোচ্চ স্তরের বৈঠকও অনুষ্ঠিত হবে বলেও আযাদ জানান।

    এর আগে বুধবার (১ এপ্রিল) সন্ধ্যা সোয়া সাতটার দিকে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, গণভোটের রায় সংক্রান্ত সরকারি দলের কাজকর্মে তারা বিস্মিত, আহত ও মর্মাহত।

    সংসদের প্রথম অধিবেশনের ষষ্ঠ দিনে বিরোধী দলীয় নেতারা ওয়াকআউট করেন। মুলতবি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা শেষে ‘জুলাই সনদ আদেশ’ জারি না করার অভিযোগ এবং বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানকে মিসকোড করার অভিযোগ তুলে তারা বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটে কক্ষে থেকে বেরিয়ে যান।

    স্পিকারের কাছে প্রতিকার চাওয়ার কথা উল্লেখ করে ডা. শফিকুর বলেন, এটি কোনো দলের স্বার্থসংক্রান্ত বিষয় নয় — নির্বাচনের আগে বিষয়টিতে সরকারি ও বিরোধী সব পক্ষ একমত ছিলাম এবং আমি নিজেও এটি সমর্থন করে প্রচারণা করেছি। তবে আমাদের প্রতিকার না মেলা এবং জনগণের রায়ের যথাযথ প্রতিফলন না হওয়ায় আমরা এ অবমূল্যায়ন মেনে নিতে পারি না; তাই আমাদের প্রতিবাদ হিসেবে ওয়াকআউট করা ছাড়া উপায় ছিল না।

  • গণরায়কে অবজ্ঞা করলে জনগণই তাদের প্রত্যাখ্যান করবে: আসিফ মাহমুদ

    গণরায়কে অবজ্ঞা করলে জনগণই তাদের প্রত্যাখ্যান করবে: আসিফ মাহমুদ

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, যদি সরকার গণরায়কে উপেক্ষা করে সামনে এগোতে চায় তাহলে জনগণ তা মেনে নেবে না এবং ইতিহাসের ধারায় তাদের প্রত্যাখ্যান করবে। তিনি এসব কথা বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) স্বাধীনতা দিবসে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের কাছে বলেন।

    আসিফ মাহমুদ স্মরণ করিয়ে দেন যে বাংলাদেশের ইতিহাসে শক্তিশালী অনেক সরকারও ছিল, কিন্তু যারা যখনই জনগণের রায়ের বিরুদ্ধে গিয়েছিল তারা ইতিহাসের পাতায় হারিয়ে গেছে। তিনি উদাহরণ হিসেবে ১৯৭০ সালের নির্বাচনের পর ক্ষমতা হস্তান্তর না করার ঘটনাকে উল্লেখ করে বলেন, তা থেকেই ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। একইভাবে ১৯৯০ সালে স্বৈরাচ্যবিরোধী গণআন্দোলন সরকারের পরিবর্তন এনেছিল।

    তিনি বলেন, ‘‘দীর্ঘ ১৭ বছরের দমনপীড়নের পরে জনগণের রায়ের বিপরীতে শাসন কায়েমের চেষ্টা করেও তা টিকে থাকে না—সুতরাং যদি আজও গণরায় ও গণভোটের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়, জনগণ সেটা কখনো মেনে নেবে না।’’

    গণভোটে বিপুলসংখ্যক মানুষের ‘হ্যাঁ’ ভোটের কথাও উল্লেখ করে তিনি বলেন যে মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবার, শহীদদের আত্মত্যাগসহ আহত সহযোদ্ধাদের স্বপ্ন যে নতুন বাংলাদেশের — সেই সংস্কার বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন। তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘‘যদি এই জনরায় বাস্তবায়ন না করা হয়, তাহলে দেশের ৭০ শতাংশ জনগণ যারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দিয়েছে, তারা আবার রাস্তায় নামতে দ্বিধা করবে না।’’

    সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে তিনি সবাইকে জনগণের পক্ষে এসে একসঙ্গে সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান। তাতে সরকার জনগণের পাশে না গেলে স্বাধীনতা রক্ষার জন্য আবারও মাঠে নামতে হতে পারে—এমন ফলও দেখে রাখার বার্তা দেন তিনি।

  • ঢাকা দুই সিটি সহ পাঁচ সিটিতে এনসিপির মেয়র প্রার্থী ঘোষণা

    ঢাকা দুই সিটি সহ পাঁচ সিটিতে এনসিপির মেয়র প্রার্থী ঘোষণা

    চব্বিশের জুলাই আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) দেশের পাঁচটি সিটি করপোরেশনের মেয়র প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে — যার মধ্যে রয়েছে রাজধানীর দুইটি সিটি।

    রোববার (২৯ মার্চ) রাতে বাংলামোটরে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন দলের আহ্বায়ক ও বিরোধী দলের চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।

    ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হয়েছেন এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রার্থী হয়েছেন দলের ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব। কুমিল্লা সিটি করপোরেশনে জাতীয় যুবশক্তির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম, সিলেট সিটি করপোরেশনে সিলেট মহানগরের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মো. আব্দুর রহমান আফজাল এবং রাজশাহীতে রাজশাহী মহানগরের আহ্বায়ক মো. মোবাশ্বের আলী মেয়র পদে লড়বেন।

    এনসিপি জানায়, চলমান এপ্রিল মাসের মধ্যে বাকি সাতটি সিটি করপোরেশনের প্রার্থীর নামও ঘোষণা করা হবে।

    সংবাদ সম্মেলনে নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকার বিভিন্ন সিটিতে প্রশাসক নিয়োগ করে প্রশাসনকে দলীয়ভাবে নিয়ন্ত্রণ করছে। তিনি বলেন, প্রশাসক হিসেবে নিয়ুক্তদের মধ্যে কেউ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবে না এবং কোনো দলীয় প্রতীকে নির্বাচন করা যাবে না বলে দলটির অবস্থান। নাহিদ দাবি করেন আগামী ছয় মাসের মধ্যে সকল স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করা হোক।

    সংবাদ সম্মেলনে এনসিপি মনোনীত পাঁচ মেয়রপ্রার্থীর পাশাপাশি দলের সদস্য সচিব আখতার হোসেন, কেন্দ্রীয় নেতা সারজিস আলম, আব্দুল হান্নান মাসউদসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

  • গণরায়ের বিরুদ্ধে গেলে জনগণই তাদের প্রত্যাখ্যান করবে: আসিফ মাহমুদ

    গণরায়ের বিরুদ্ধে গেলে জনগণই তাদের প্রত্যাখ্যান করবে: আসিফ মাহমুদ

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, গণরায়কে উপেক্ষা করে সরকার সামনে এগোলে তা জনগণ মেনে নেবে না; ইতিহাসও এমন নেতাদের শেষ করে দিয়েছে। তিনি এই মন্তব্য করেন বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) স্বাধীনতা দিবসে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপচারিতায়।

    আসিফ মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাস দেখলে দেখা যায়—শক্তিশালী মনে হওয়া অনেক সরকারই গণরায়ের বিরুদ্ধে গেলে ইতিহাসের পাতায় অদৃশ্য হয়ে গেছে। ‘‘আপনারা দেখেছেন, অনেকেই ছিলেন মহাপরাক্রমশালী, কিন্তু গণরায়ের বিরুদ্ধে গিয়েই তারা হারিয়ে গেছে,’’ তিনি উল্লেখ করেন।

    তিনি আরও স্মরণ করান, ১৯৭০ সালের নির্বাচনে জনগণের রায় পেয়ে ক্ষমতা হস্তান্তর না করার ফলে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল। একইভাবে ১৯৯০ সালে স্বৈরাচ্যের বিরুদ্ধে জনআন্দোলনের ফলেই শাসন পরিবর্তন সম্ভব হয়েছিল। দীর্ঘ ১৭ বছরের দমন-পীড়নের পরও যদি জনগণের রায়ের বিরুদ্ধে শাসন স্থাপন করার চেষ্টা করা হয়, শেষ পর্যন্ত তা টেকেনি—এমনই ইতিহাস আমাদের শেখায়, বলেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা।

    তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘‘এখনও যদি গণরায় ও গণভোটের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করা হয় এবং তা উপেক্ষা করে সরকার এগোতে চায়, তাহলে জনগণ তা মেনে নেবে না।’’

    গণভোটে বিপুলসংখ্যক মানুষ ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘‘এত রক্তের বিনিময়ে যে সংস্কার ও নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন আমাদের শহীদদের পরিবার, বাবা-মা এবং আহত সহযোদ্ধারারা দেখেছেন, সেটা বাস্তবায়ন করা জরুরি। যদি এই জনরায় বাস্তবায়ন না করা হয়, তাহলে দেশের যে প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বলেছে, তারা রাস্তায় নামতে দ্বিতীয়বার ভাববে না।’’

    সুতরাং তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান রাখেন—জনগণের পাশে দাঁড়ান, সবাই মিলে সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার অংশ হন। ‘‘যদি জনগণের বিপক্ষে যাওয়া হয়, তাহলে আমাদের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য আবারো মাঠে নামতেই হতে পারে,’’ বলেন আসিফ মাহমুদ।

  • নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর আন্তরিক ক্ষমা ও ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতি

    নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর আন্তরিক ক্ষমা ও ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতি

    ঢাকা-৮ আসনে নির্বাচনের পর থেকে জনপ্রিয়তা ধরে রাখছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তার বিভিন্ন মন্তব্য ও বক্তব্যের কারণে তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনায় এসে ভাইরাল হয়েছিলেন। আজ বুধবার সকালে এক পোস্টে তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, তাঁর কথাবার্তা বা কাজের কোনও ক্ষতি বা অপ্রিয়তা যদি কেউ অনুভব করে থাকেন, তবে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চেয়েছেন।

    নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পোস্টে উল্লেখ করেছেন, সম্প্রতি তিনি বয়োজ্যেষ্ঠ বন্ধু, রাজনৈতিক শুভাকাঙ্ক্ষী, মন্ত্রী-এমপি ও প্রিয় সহযোদ্ধাদের সাথে কিছু গভীর ও আন্তরিক আলোচনা করেছিলেন। এসব আলোচনা থেকে তিনি সুন্দর ও নির্মল দিকনির্দেশনা পেয়েছেন, যেখানে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে ব্যক্তিগত আক্রমণ থেকে বিরত থাকা, অপ্রয়োজনীয় কথা এড়ানো এবং গঠনমূলক আলোচনা চালিয়ে যাওয়া।

    তিনি বলেন, ‘আমি বিনয় ও শ্রদ্ধার সঙ্গে সেই পরামর্শগুলো মেনে চলছি এবং আরও শান্ত ও দায়িত্বশীলভাবে পথ চলার চেষ্টা করছি। আমি বিশ্বাস করি, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অগ্রগতির জন্য আমি নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী কাজ করে যেতে চাই।’

    নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আরও যোগ করেছেন, ‘যদি কোনও কথাবার্তা বা কাজের কারণে কেউ অসুবিধা বা কষ্ট পেয়েছেন, আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাচ্ছি। আপনারা যেভাবে আমার জন্য দোয়া, ভালোবাসা ও পরামর্শ দিচ্ছেন, সেগুলো আমার এগিয়ে চলার শক্তি।’

    উল্লেখ্য, তিনি গতকাল ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে কিয়ামুল লাইলের মাধ্যমে এই আত্মিক যাত্রার সূচনা করেন। তিনি প্রার্থনা করেন, আল্লাহ যেন আমাদের সবাইকে ক্ষমা করেন এবং সঠিক পথে পরিচালিত করেন।

  • গণরায়ের বিরুদ্ধে গেলে জনগণই তাদের প্রত্যাখ্যান করবে: আসিফ মাহমুদ

    গণরায়ের বিরুদ্ধে গেলে জনগণই তাদের প্রত্যাখ্যান করবে: আসিফ মাহমুদ

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, গণরায়কে উপেক্ষা করে সরকার যদি অঘোষিতভাবে অগ্রসর হতে চায়, তবে জনগণ তা সহজে মানবে না। গণরায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ালে ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় জনগণই তাদের প্রত্যাখ্যান করবে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) স্বাধীনতা দিবসের موقعে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের এ মন্তব্য করেন তিনি।

    আসিফ মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে অনেক শক্তিশালী ও প্রভাবশালী সরকার গঠনে নেতৃত্ব দিয়েছে, কিন্তু যখনই তারা গণরায়ের মূল্যকে উপেক্ষা করে এগোতে চেয়েছে, তখনই জনগণের গণআন্দোলনের মাধ্যমে তাদের পরাস্ত হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৭০ সালের নির্বাচনে ব্যাপক জনসমর্থন থাকা সত্ত্বেও ক্ষমতা হস্তান্তর না করলে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের কারণে স্বাধীনতার অগ্নিগিরি দেখা দেয়। একইভাবে, ১৯৯০ সালে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তন সম্ভব হয়। দীর্ঘ ১৭ বছর দমন-পীড়নের পর জনগণের রায়ের প্রতি অবজ্ঞা করে শাসন প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা হলেও শেষ পর্যন্ত তা জনতার প্রতিবাদে ভেঙে পড়েছে।

    আসিফ মাহমুদ আরও বলেন, যদি এখনো গণরায় বা গণভোটের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে সরকার অগ্রসর হতে চায়, তবে জনগণ তা মানবে না। তিনি উল্লেখ করেন, গণভোটে ব্যাপক সংখ্যক মানুষের ‘হ্যাঁ’ ভোটে বিজয় অর্জিত হয়েছে। সেই প্রত্যাশা অনুযায়ী সংস্কার ও স্বপ্নের নতুন বাংলাদেশের বাস্তবায়ন না হলে, গণভোটে সাধারণ জনগণের ৭০ শতাংশ ‘হ্যাঁ’ ভোট বিপ্লবের জন্য আরও কঠোর আন্দোলনে নামতে দ্বিধা করবে না।

    এছাড়াও তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, আমাদের সবাইকে একসঙ্গে এসে জনজনের স্বার্থে কাজ করতে হবে। জনগণের পাশে থাকলে সুন্দর একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব। তবে, যদি জনগণের বিপক্ষে দিয়ে আত্থে যায়, তাহলে আবারও আমরা জনগণকে নিয়ে স্বাধীনতা রক্ষার জন্য মাঠে নামতে বাধ্য হব।

  • ৫ সিটি করপোরেশনে এনসিপির মেয়র প্রার্থী ঘোষণা

    ৫ সিটি করপোরেশনে এনসিপির মেয়র প্রার্থী ঘোষণা

    দেশের পাঁচটি সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দলের মেয়র প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), যা তরুণ নেতৃত্বের সংগঠন চব্বিশের জুলাই আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছে। রোববার (২৯ মার্চ) রাতে ঢাকার বাংলামোটরে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন দলের আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।

    দলের পক্ষ থেকে জানা গেছে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরশনে এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরশনে দলের ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। কুমিল্লা সিটি করপোরশনে স্থান পেয়েছেন অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম, যিনি জাতীয় যুবশক্তির আহ্বায়ক। সিলেট সিটি করপোরেশনে এনসিপির সিলেট মহানগরের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মো. আব্দুর রহমান আফজাল এবং রাজশাহী মহানগরীর দলীয় নেতা মো. মোবাশ্বের আলী মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

    এনসিপি জানায়, এপ্রিলের মধ্যেই বাকি সাতটি সিটি করপোরেশনের নির্বাচনেও প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হবে। বিএনপি সরকারের উদ্যোগে পর্যায়ক্রমে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে ইতিমধ্যেই ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। তবে বর্তমানে আনুষ্ঠানিকভাবে সিটি করপোরেশন নির্বাচনের পরিকল্পনা নেই বিএনপির। পরিস্থিতির কারণে দলটির নেতারা ইতিমধ্যে সিটি করপোরেশনগুলোতে প্রশাসক পদে বসেছেন। এই অবস্থায় প্রথমে মেয়র প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে এনসিপি।

    সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা উল্লেখ করেন, সরকার বিভিন্ন সিটিতে প্রশাসক নিয়োগ দিয়ে প্রশাসনকে দলীয় দৃষ্টিভঙ্গি তথা রাজনৈতিক দখলে নেওয়া হয়েছে। তারা বলেন, এই প্রশাসকদের মধ্যে কেউ প্রার্থী হতে পারবেন না। নির্বাচন যেকোনো দলীয় প্রতীকের মাধ্যমে আয়োজন করা যাবে না। নাহিদ ইসলাম দাবি করেন, আগামী ছয় মাসের মধ্যে সব ধরনের স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে।

    সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির মনোনীত পাঁচ মেয়র প্রার্থী ছাড়াও অন্যান্য নেতৃবৃন্দের মধ্যে দলের সদস্য সচিব আখতার হোসেন, কেন্দ্রীয় নেতা সারজিস আলম এবং আব্দুল হান্নান মাসউদসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

  • প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের উচ্ছ্বাসের মুহূর্ত

    প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের উচ্ছ্বাসের মুহূর্ত

    প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথমবারের মতো রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে উপস্থিত হলেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার সন্ধ্যা ৭টায় তিনি কার্যালয়ের সামনে পৌঁছালে নেতাকর্মীরা উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন, স্লোগান দিতে থাকেন এবং তাকে স্বাগত জানান। এর আগে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। যখন তারেক রহমান গাড়ি নিয়ে কার্যালয়ের সামনে আসেন, তখন নেতাকর্মীরা হাত নেড়ে তাকে স্বাগত জানিয়ে তাকে বাহবা দেন। তিনি গাড়ি থেকে নামতেই হাত নেড়ে নেতাকর্মীদের শুভেচ্ছা জানান, এরপর তিনি কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। শনিবার সন্ধ্যায় দলের কার্যালয়ে দাঁড়িয়ে তিনি নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে গুরুত্বপূর্ণ বক্তৃতা প্রদান করেন, যেখানে তিনি দেশের সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। তিনি বলেছেন, দেশের স্বাভাবিক পরিস্থিতি বজায় রাখতে সকলের সহায়তা প্রয়োজন এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ মোকাবেলায় ধৈর্য্য ধারণের জন্য সবাইকে অনুরোধ জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের চেষ্টা থাকবে, পরিস্থিতি যেন স্বাভাবিক থাকে। আমি অফিসে আরও আসব, কিন্তু রাস্তা বন্ধ করা যাবে না। মানুষের চলাচল বাধাগ্রস্ত হবে না।’ তিনি নেতাকর্মীদের দ্রুত রাস্তাগুলো ফাঁকা করে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। তিনি আরও বলেন, দলের কার্যক্রম চালাতে এবং নেতাকর্মীদের সঙ্গে দেখা করার জন্য কার্যালয়ে আসাটা গুরুত্বপূর্ণ, তবে এটা সম্ভব হবে শুধুমাত্র যদি সবাই সহযোগিতা করে। তারেক রহমান নেতাকর্মীদের ধৈর্য্য ধারণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলার মধ্যে থেকেই আমাদের কর্মকাণ্ড চালিয়ে যেতে হবে এবং দেশের মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। দেশের সমসাময়িক সমস্যা সম্পর্কে সচেতন হতে হবে এবং তাদের ধৈর্য্য ধরে সহায়তা করতে হবে।’ তিনি যোগ করেন, ‘মানুষ আমাদের দিকে বড় প্রত্যাশা নিয়ে তাকিয়ে আছে। তাই যেন কোনো কর্মকা-ের মাধ্যমে মানুষের কষ্ট বা অসুবিধা না হয়, সেদিকে সবাই সচেতন থাকতে হবে।’ বক্তৃতার শেষ অংশে তিনি সড়ক নিরাপদ রাখার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন, বলেন, ‘আমাদের প্রথম কাজ হলো রাস্তাগুলো খালি করা। ভবিষ্যতেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে না পারলে আমাকে এখানে আসা বেশ কঠিন হয়ে যাবে।’ এর আগে সন্ধ্যায় নেতাকর্মীদের বিপুল সংঙ্গায় স্বাগত জানান দলের নেতাকর্মীরা। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সকাল থেকে নেতাকর্মী ও সমর্থকরা কার্যালয়ের সামনে জড়ো হতে থাকেন। বিকেল থেকে নয়াপল্টনের রাস্তায় ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়, যেখানে নেতাকর্মীরা দলীয় পতাকা, ফেস্টুন ও স্লোগান নিয়ে উপস্থিত হন। দুপুর ২:৩০ থেকে শুরু করে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করে। বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা বিচ্ছিন্নভাবে স্লোগান দেন, যেমন ‘প্রধানমন্ত্রী ও তারেক রহমানের আগমন শুভেচ্ছা’, ‘ছাত্রদলের পক্ষ থেকে লাল গোলাপ ও শুভেচ্ছা’ ইত্যাদি। একই সময় সড়কে ভিড়ের কারণে নয়াপল্টনে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়, যেখানে গাড়িগুলো এক লাইনে চলাফেরা করছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থাও কঠোর করা হয়, নয়াপল্টন, ফকিরাপুল, ভিআইপি রোড ও কাকরাইল এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। এ ব্যাপারে এক নারী কর্মী বলেন, ‘দুই বছর আগে আমরা এখানে আসতে পারতাম না। পুলিশ সব সময় আটক করত। আজকে আল্লাহর রহমতে সম্ভব হলো।’ এই দিনটি যেন একদমই ভিন্ন অনুভূতি নিয়ে এসেছে নেতাকর্মীদের জন্য।