Category: খেলাধুলা

  • ব্রুকের শতকে ইংল্যান্ডের সেমিফাইনাল নিশ্চিত

    ব্রুকের শতকে ইংল্যান্ডের সেমিফাইনাল নিশ্চিত

    সুপার ৮ পর্বের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ইংল্যান্ডের কাছে হার মানে পাকিস্তান। তবে এই ম্যাচের মূল কেন্দ্রে ছিলেন হ্যারি ব্রুক, যিনি দারুণ এক সেঞ্চুরি করে ইংল্যান্ডকে জয় এনে দেন। সাহিবজাদা ফারহানের হাফসেঞ্চুরি এবং পাকিস্তানের শাহীনের চার উইকেটের পর, ব্রুকের ৫১ বলে ১০০ রানের অসাধারণ ইনিংসে ইংল্যান্ড দুই উইকেটে জয় লাভ করে। এই জয়ের সঙ্গে সঙ্গে, তারা এক ম্যাচ হাতে রেখে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে। বর্তমানে তাদের পয়েন্ট হয়েছে মোট চার, আর পাকিস্তান এই রাউন্ডে একমাত্র ম্যাচেই হেরে বাদ পড়েছে।

    প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ইংল্যান্ডের সূচনাটা ছিল საკმაოდ অপ্রত্যাশিত। প্রথম বলেই আফ্রিদির বোল্ড করে ফিল সল্ট ফিরে যান, যার পর ক্যাচ দিয়ে আউট হন জশ বাটলার। পাকিস্তানের পেসাররা এই সময় কঠোর চাপ সৃষ্টি করেন। এরপর ব্রুক শুরু থেকেই ছিল আক্রমণাত্মক, যদিও দলের অন্য ব্যাটাররা তার পাশে দাঁড়াতে পারেননি। জ্যাকব বেথেল এবং টম ব্যান্টন দ্রুতই আউট হওয়ার কারণে কিছু চাপ পড়ে। তবে, ব্রুকের সাথে উইল জ্যাকসের দুর্দান্ত জুটি ম্যাচের মোড় বদলে দেয়। ৫০ বলে সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে ব্রুক ২৩ বলে ২৮ রান করে ফেরেন, তবে তার অভাব কেউ অনুভব করেননি, কারণ জ্যাকস তার পরের ওভারে ভারসাম্য রক্ষা করেন।

    শেষের দিকে ম্যাচের নাটকীয়তা জমে উঠে। জফরা আর্চার প্রথম বলে চার মারা দিয়ে ইংল্যান্ডের জয় নিশ্চিত করেন। পাকিস্তানের জন্য সর্বোচ্চ সুবিধা ছিল আফ্রিদির চারটি উইকেট। অপরদিকে, পাকিস্তান ব্যাটিংয়ে বেশ কিছু ধাক্কা খায়, যার মধ্যে অন্যতম ছিল সাহিবজাদার ৬৩ রানের স্মার্ট ইনিংস। তার এই দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে পাকিস্তানের স্কোর ১৬৪ পর্যন্ত পৌঁছায়। তবে প্রথম দিকে বেশ কিছু দ্রুত উইকেট হারানোর ফলে চাপ তৈরি হয়েছিল। বাবর আজম এবং ফারহান দুজনেই শান্তিপূর্ণ ব্যাটিং করেন, তবে বাবরের আউট হওয়া ও তার স্ট্রাইক রেটের সমালোচনাও হয়ে তোলপাড়। শেষ পর্যন্ত, উসমান খান এবং শাদাবের ছোট ছোট ইনিংসের মাধ্যমে পাকিস্তান তাদের স্কোর বড় করতে সক্ষম হয়, তবে জয়ের জন্য পর্যাপ্ত হয়নি। ইংল্যান্ডের ডাউনসন, ওয়ার্টন, এবং আর্চার ধারাবাহিক সুইং ও ভালো পারফরম্যান্সের মাধ্যমে পাকিস্তানের ব্যাটসম্যানদের প্রতিপক্ষ হয়।

  • নারি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও ভারত একই গ্রুপে

    নারি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও ভারত একই গ্রুপে

    জুন-জুলাই মাসে অনুষ্ঠিত হবে দশম নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। এই মহাযজ্ঞে অংশ নেওয়ার জন্য বাংলাদেশ ইতিমধ্যেই নিশ্চিত হয়ে গেছে, বাছাইপর্বে সাতটি ম্যাচের সবকটিতেই জয়লাভ করে তারা অপরাজিত থেকে টিকিট তুলে নিয়েছে। এই প্রথমবারের মতো ১২ team এই টুর্নামেন্টে অংশ নেবে। তাদের দুটি গ্রুপে বিভক্ত করে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। মোট ম্যাচের সংখ্যা হবে ৩৩টি, যেখানে প্রতিযোগিতা শুরু হবে ১২ জুন। ২৪ দিন ধরে চলে এই রোমাঞ্চকর প্রতিযোগিতার সমাপ্তি হবে ৫ জুলাই লর্ডস ক্রিকেট গাউন্ডে অনুষ্ঠিত ফাইনালের মাধ্যমে।

    আইসিসি মঙ্গলবার বিশ্বকাপের পূর্ণাঙ্গ সূচি ঘোষণা করেছে। বাংলাদেশের গ্রুপ ‘এ’-তে রয়েছে নেদারল্যান্ডস, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, ভারত এবং পাকিস্তান। অন্য গ্রুপ ‘বি’-তে আছে নিউজিল্যান্ড, ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, শ্রীলঙ্কা, আয়ারল্যান্ড এবং স্কটল্যান্ড। এই বিশ্বকাপের সব ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে সাতটি ঐতিহাসিক এবং আধুনিক ভেন্যুতে—লর্ডস (লন্ডন), ওল্ড ট্রাফোর্ড (ম্যানচেস্টার), হেডিংলি (লিডস), এজবাস্টন (বার্মিংহাম), হ্যাম্পশায়ার বোল (সাউদাম্পটন), দ্য ওভাল (লন্ডন) এবং ব্রিস্টल।

    বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ১৪ জুন, এজবাস্টনে, যেখানে তারা প্রতিপক্ষ নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে সকাল সাড়ে দশটায়। একই ভেন্যুতে বাংলাদের মুখোমুখি হবে ভারতও, যা অনুষ্ঠিত হবে ১৬ জুন। এরপর ১৭ জুন হেডিংলিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। তিন দিন পর, হ্যাম্পশায়ারে পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে নজরুল স্বতন্ত্র টিম। একদিকে বিরতির পর, ২২ জুন ওল্ড ট্রাফোর্ডে ভারতের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। 마지막 ম্যাচ হবে ২৮ জুন, লর্ডসের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে।

    এখন পর্যন্ত, ২০১৪ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ছয়টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ২৫ ম্যাচের মধ্যে মাত্র তিনটি জিতেছে। এই আসরে তাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হলো বিশ্বমঞ্চে নিজেদের প্রতিভা ও সক্ষমতা প্রদর্শনের সুযোগ গ্রহণ। এতে সফল হওয়ার জন্য তারা মরিয়া।

  • নিউজিল্যান্ডের জয়ে শ্রীলঙ্কার বিদায়, সেমিফাইনালের আশা জেগে উঠল

    নিউজিল্যান্ডের জয়ে শ্রীলঙ্কার বিদায়, সেমিফাইনালের আশা জেগে উঠল

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মূল পর্বে এখনো টিকে থাকতে প্রয়োজন ছিল শ্রীলঙ্কার জন্য। তবে তাদের জন্য নির conveying เฆশেষের পথটা কঠিন হয়ে উঠেছিল নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৬১ রানের হার স্বীকার করে। ফলে, এক ম্যাচ আগেই বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিল লঙ্কান দলের। অন্যদিকে, এই জয় দিয়ে সুস্থভাবে এগিয়ে গেল নিউজিল্যান্ড, তারা এখন দুই ম্যাচে ৩ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। শীর্ষে রয়েছে ইংল্যান্ড, যার সংগ্রহ ৪ পয়েন্ট। পাকিস্তানের সংগ্রহ এক পয়েন্ট, আর শ্রীলঙ্কার ডানে ডুবে গেছে স্বাগতিক দলের রানরেটের চাপের নিচে। শেষ ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড। যদি পাকিস্তান শ্রীলঙ্কার কাছে হারে এবং নিউজিল্যান্ড আবার হারে, তাহলে কিউইরা সেমিফাইনালে উঠতে পারে। অন্যদিকে, যদি নিউজিল্যান্ড জেতে এবং ইংল্যান্ড হেরে যায়, তাহলে গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হয়ে তারা সেরা চারয়ে ঢোকে। রানরেটের ভিত্তিতেও ফল নির্ধারিত হতে পারে, যদি অন্যান্য ফলাফল একই হয়।

    নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ১৬৯ রানের জবাবে শ্রীলঙ্কার শুরুটা ভালো হয়নি। শক্তিশালী বোলিং করে নিউজিল্যান্ডের পেসার ম্যাট হেনরি প্রথম ওভার থেকেই চাপ সৃষ্টি করেন। প্রথম বলেই শূন্যরানে আউট করেন পাথুম নিশাঙ্কাকে। তৃতীয় ওভারে চারিথ আসালাঙ্কাকে ফিরিয়ে দিয়ে শ্রীলঙ্কার মানসিকতাকে ভেঙে দেন। আউট হওয়ার আগে তিনি ৯ বল খেলে ৫ রান করেন।

    এরপর, স্পিনে দুর্দান্ত পারফর্ম করেন রাচিন রবীন্দ্র, যিনি একের পর এক লঙ্কান ব্যাটারদের সাজঘরে ফিরিয়ে দেন। আউট হয়েছেন কুশল মেংডিস, পাভান রতœায়েক, দলের অধিনায়ক দাসুন শানাকা ও দুসান হেমন্ত। এদিকে, কামিন্দু মেংডিস লড়াই চালিয়ে যান, কিন্তু শেষ পর্যন্ত দলের জন্য ভরসা হয়ে উঠতে পারেননি। ২৩ বলে ৩১ রান করে আউট হন তিনি। ভেল্লালাগে শেষ পর্যন্ত ২৯ রান করেন। আর ছয় রান করে থিকসানা অপরাজিত থাকেন। শ্রীলঙ্কা ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে মাত্র ১০৭ রান সংগ্রহ করে।

    নিউজিল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ চারটি উইকেট পান রাচিন রবীন্দ্র, যা তার আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ার সেরা পারফর্ম। ম্যাট হেনরি আরও দুটি উইকেট লাভ করেন।

    বিরাট মাঠে এই ম্যাচের শুরুতেই টস জিতে শ্রীলঙ্কা ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয়। ওপেনার ফিল অ্যালেন ঝোড়ো সূচনার ইঙ্গিত দেন, তবে চতুর্থ ওভারে থিকসানার বলে আউট হয়ে যান ২৩ বলে ১৩ রান করে। অন্য ওপেনার টিম সেথার্ট মাত্র ৮ রানে থামে।

    তৃতীয় উইকেট জুটিতে রাচিন রবীন্দ্র ও গ্লেন ফিলিপস দারুণ আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে ৪৩ রানের জুটি গড়েন। কিন্তু তাদের আউটের পর ধীর হয়ে যায় দলের রান গতি। ১২তম থেকে ১৬তম ওভারে মাত্র ১৫ রান যোগ হয়। রাচিন ৩২, ফিলিপস ১৮, মিচেল ৩ ও চ্যাপম্যান শূন্য রানে আউট হন।

    শেষ চার ওভারে চাপ মোকাবেলা করে ব্যাট হাতে দলনেতা মিচেল স্যান্টনার ও কোল ম্যাককঞ্চি। দুজন মিলে করেন ৮৪ রানের জুটি। স্যান্টনার মাত্র ২৬ বলে ৪৭ রান করেন, যেখানে ছিল দুটি চার ও চারটি ছয়। ম্যাককঞ্চি ২৩ বলে ৩১ রান করে অপরাজিত থাকেন।

    শ্রীলঙ্কার হয়ে তিনটি করে উইকেট নেন মহেশ থিকসানা ও দুশমান্থা চামিরা, আর দুনিথ ভেল্লালাগে পান এক উইকেট।

    এদিকে, শান্তিপূর্ণ শুরু হলেও নিউজিল্যান্ডের বোলারদের উপর চাপ সৃষ্টি করে ঝড় তোলেন ওপেনার ফিল অ্যালেন ও টিম সেথার্ট। আলেন ২৩ রান করে ফিরেছেন চারিথ আসালাঙ্কার বলের শিকার হয়ে, এরপর দ্বিতীয় ওপেনার সেথার্ট মাত্র ৮ রান করেন। তবে, মধ্যেমুখে রাচিন রবীন্দ্র্র ও গ্লেন ফিলিপসের জুটি পরিস্থিতি বদলে দেয়। তারা ৪৩ রান যোগ করে দলকে পুনরায় শক্ত করে। তবে, বল হাতে দুর্দান্ত পারফর্ম করেন রবীন্দ্র ও কনিষ্ঠ বোলাররা। শেষ দিকে, মিচেল স্যান্টনার ও কোল ম্যাককঞ্চি ব্যাটে ঝড় তুলে দলকে ১৬৯ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য গড়ে তুলতে সহায়তা করেন।

    নিউজিল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ চারটি উইকেট পান রাচিন রবীন্দ্র, যা তার সর্বোচ্চ পারফরম্যান্স। ম্যাট হেনরি দুটি উইকেট নেন। এই জয়ে নিউজিল্যান্ড এখন তালিকার দ্বিতীয় স্থানে থাকা নিশ্চিত করেছে তাদের জন্য, তবে এখনো অনেক কিছু নির্ভর করছে অন্যান্য ম্যাচের ফলের উপর।

  • বিশ্বকাপে না থাকলেও র‍্যাংকিংয়ে উন্নতি করেছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা

    বিশ্বকাপে না থাকলেও র‍্যাংকিংয়ে উন্নতি করেছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা

    অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ না থাকলেও দেশের তিনজন জনপ্রিয় ব্যাটার—পারভেজ হোসেন ইমন, সাইফ হাসান এবং জাকের আলি অনিক—র‍্যাংকিংয়ে উল্লেখযোগ্য উন্নতি করেছে। নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে এই বছর বাংলাদেশ বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করেনি, তবে এর প্রভাব তাদের পারফরম্যান্সে দেখা যায়নি। বরং আইসিসি র‍্যাংকিংয়ে তারা নিজেদের স্থান শক্ত করে তুলেছেন।

    বুধবার প্রকাশিত আইসিসির সাপ্তাহিক আপডেটে দেখা যায়, দেশের ক্রিকেটাররা ঘরোয়া ক্রিকেটে ব্যস্ত থাকলেও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তাদের র‍্যাংকিংয়ে উন্নতি হয়েছে।

    বিশেষ করে, পারভেজ হোসেন ইমন টোয়েন্টি ব্যাটিং র‍্যাংকিংয়ে দুই ধাপ এগিয়ে ৪১ নম্বর স্থান পেয়েছেন। তার রেটিং পয়েন্ট ৫৪২, যা তার ক্যারিয়ারের সব থেকে ভালো অবস্থান।

    অন্যদিকে, সাইফ হাসান দুই ধাপ এগিয়ে যৌথভাবে ৪২ নম্বরে ও জাকের আলি অনিকও একইভাবে দুই ধাপে এগিয়ে ৭২তম স্থানে অবস্থান করছেন।

    তবে কিছু ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবনতি লক্ষ্য করা গেছে। তানজিদ হাসান তামিম ২১তম থেকে পিছিয়ে যান, লিটন দাস ৫৪তম মূল্যায়নে থাকলেও অবনতি হয়েছে। অপর দিকে, তাওহিদ হৃদয় তার স্থানে স্থির আছেন।

    বোলারদের মধ্যে, মোস্তাফিজুর রহমান বজায় রেখেছেন তার ৯ নম্বর অবস্থান। অন্য বোলারদের মধ্যে, শেখ মেহেদি (২১), রিশাদ হোসেন (২৭), নাসুম আহমেদ (৩৫) ও তানজিম সাকিব (৪৯) র‍্যাংকিংয়ে বড় পতন ঘটেছে।

    অলরাউন্ডারদের তালিকায় বাংলাদেশের কেউ শীর্ষ চল্লিশের মধ্যে থাকলেও, শেখ মেহেদি kini ৪৫ নম্বরে নেমে গেছেন।

    বিশ্বকাপে আলোচিত পারফরম্যান্সের জন্য অলরাউন্ডার র‍্যাংকিংয়ে শীর্ষে উঠে এসেছেন পাকিস্তানের সিকান্দার রাজা, তিনি পাকিস্তানের সাইম আইয়ুবকে টপকে এক নম্বর স্থান অর্জন করেছেন।

    বলবানদের মধ্যে ভারতের বরুণ চক্রবর্তী শীর্ষে থাকলেও, দক্ষিণ আফ্রিকার করবিন বশ তার দারুণ পারফরম্যান্সের কারণে ২১ ধাপ এগিয়ে ৩ নম্বর স্থান অর্জন করেছেন। এছাড়া, জাসপ্রিত বুমরাহ ৭ ধাপ এগিয়ে ৮ম স্থানে উঠেছেন।

  • ম্যাচের আগে বিশেষ রাসায়নিক স্প্রে করছে ভারত

    ম্যাচের আগে বিশেষ রাসায়নিক স্প্রে করছে ভারত

    চেন্নাইয়ের এম এ চিদাম্বরম স্টেডিয়ামে সন্ধ্যার পর শিশিরে ম্যাচের ফলাফল প্রভাব ফেলতে পারে খবর ছিল। তাই বাঁচা-মরার গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে ভারতের ক্রিকেট প্রশাসন নতুন একটি উপায় গ্রহণ করেছে। তারা আমদানি করেছে বিশেষ এক রাসায়নিক যা আউটফিল্ডে স্প্রে করা হচ্ছে। এই রাসায়নিকের নাম ‘ডিউ কিউর’, যা মূলত যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ বেসবলের ভেন্যুগুলিতে ব্যবহৃত হয়। তামিলনাড়ু ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে জানা গেছে, বিশ্বকাপের আগে তারা এই রাসায়নিকটি আমদানি করে আউটফিল্ডের উপর প্রয়োগ করেছে। সোমবার ও মঙ্গলবার সকালে মাঠে পানি মিশিয়ে স্প্রে করা হয়, যাতে ম্যাচের সময় এর কার্যকারিতা বজায় থাকে। সূত্র মতে, একবার স্প্রে করলে ঘাসের পাতায় আর্দ্রতা জমে না, ফলে ভেজা ভাব দ্রুত শুকিয়ে যায় এবং শিশিরের প্রভাব কমে যায়। ভারতীয় ক্রিকেটাররাও অনুশীলনের সময় মাঠের পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেছেন, এবং তারা সন্তুষ্ট বলে জানা গেছে। আগামীতে সেমিফাইনাল ও ফাইনালেও এই রাসায়নিক ব্যবহারের সম্ভাবনা রয়েছে, যদিও আনুষ্ঠানিক কিছু ঘোষণা এখনো হয়নি। ভারতের পরিকল্পনায় রয়েছে, আইপিএলের সব ভেন্যুতেই এটিকে বাধ্যতামূলক করে তোলা। অতীতে শিশিরের কারণে ম্যাচের ফলাফল প্রভাবিত হওয়ায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে বড় রেকর্ড জয় ওয়েস্ট ইন্ডিজের

    জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে বড় রেকর্ড জয় ওয়েস্ট ইন্ডিজের

    বিশ্বাসে ভরপুর ছিল জিম্বাবুয়ের দল। গ্রুপ পর্বে অস্ট্রেলিয়া ও শ্রীলঙ্কার মতো শক্তিশালী দলকে হারিয়ে তারা সুপার টুর্নামেন্টে উঠেছিল। আশা ছিল এই দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের মধ্যেকার মুখোমুখি লড়াইটি হবে জমজমাট। কিন্তু দর্শকদের প্রত্যাশা ম্লান করে দিয়ে পুরো ম্যাচটি ছিল একপেশে। প্রথমে ব্যাটিং করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল একটি বিশাল লক্ষ্য নির্ধারণ করে, এরপর জিম্বাবুয়ে সে লক্ষ্য তাড়া করতে নামলেও পুরোপুরি ব্যর্থ হয়। ২৫৫ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নামা জিম্বাবুয়ে মাত্র ১৪৭ রানে অলআউট হয়, ফলে দুর্দান্ত ১০৭ রানের জয় তুলে নেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

    বড় লক্ষ্যে খেলতে শুরুতেই মানসিক ও শারীরিকভাবে বিপর্যয়ে পড়ে জিম্বাবুয়ে। দলের পঞ্চাশের আগেই তারা হারায় ৩ উইকেট। এরপর ডিওন মেয়ার্স ২৮ ও সিকান্দার রাজা ২৭ রান করে দলের পরিস্থিতি কিছুটা টানতে থাকেন। তবে অন্যপ্রান্তে নিয়মিত উইকেট পতনের ফলে ম্যাচে ফেরানো সম্ভব হয়নি। শেষদিকে ব্র্যাড ইভান্স ২১ বলে ৪৩ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে জিম্বাবুয়ের সংগ্রহকে ১৪৭ রানে নামিয়ে দেন।

    জিম্বাবুয়ে দলের ইনিংসে বিধ্বংসী পারফরম্যান্স করেন গুড়াকেশ মোতি ও আকিল হোসাইন। দুজনই মোট ৭ উইকেট তুলে নেন। মোতি ২৮ রানে ৪ উইকেট নেন, এবং আকিল ৩ উইকেট অর্জন করেন ২৭ রানে। একই সময়ে ম্যাথু ফোর্ড ২ উইকেট নেন ২৭ রানে, এবং জেসন হোল্ডার ১ উইকেট নেন। এ দিন গ্রুপ ওয়ানে এক ম্যাচে victory করে সাউথ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

    প্রথমে এই ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক সিকান্দার রাজা। বল হাতে নামেন রিচার্ড এনগারাভা। তিনি প্রথম ওভারেই ক্যারিবিয়ান ওপেনার শাই হোপকে আউট করেন, বলের ডিপ ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগে ক্যাচ দিয়ে।

    এরপর শুরুর ধাক্কা সামাল দিতে আসেন হেটমায়ার ও হোপ। হোপ ১২ বলে ১৪ রান করে আউট হন, আর হেটমায়ার এবং পাওয়েল মিলে ১২২ রানের শক্তিশালী জুটি গড়েন। এই জুটি মাত্র ৫২ বলে গড়ায়। হেটমায়ারকে ফিরিয়ে এই জুটির বিপর্যয় ঘটান গ্রায়েম ক্রেমার। তার প্রত্যাশিত সেঞ্চুরি পূরণ হওয়ার সম্ভাবনা ছিল, কিন্তু ডাউন দ্য উইকেটে বল খেলতে গিয়ে ডিপ মিড উইকেটে ব্রায়ান বেনেটের হাতে ক্যাচ দেন।

    হেটমায়ার ৭ ছক্কা ও ৭ চারে ৩৪ বলে ৮৫ রান করেন। পাওয়েলও শেষ পর্যন্ত টিকে থাকতে পারেননি; ৩৫ বলে ৫৯ রানে আউট হন।

    এরপর শেরফানে রাদারফোর্ড ও রোমারিও শেফার্ড দলের জন্য ইনিংস টেনেছেন। রাদারফোর্ড ১৩ বলে ৩২ রান করে অপরাজিত থাকেন, আর জেসন হোল্ডার শেষদিকে ৪ বলে ১৩ রানে আউট হন। ম্যাথু ফোর্ড এক বলের মধ্যে ১ রান করে অপরাজিত থাকেন।

  • আসিফ আকবরকে নেওয়া হলো বিসিবির নতুন গেম ডেভেলপমেন্ট চেয়ারম্যান

    আসিফ আকবরকে নেওয়া হলো বিসিবির নতুন গেম ডেভেলপমেন্ট চেয়ারম্যান

    দেশের ক্রিকেট অঙ্গনে ঘরোয়া ক্রিকেটের ব্যস্ততা বাড়ছে। দেশের একমাত্র ক্রিকেট সংস্থা বিসিবির নিয়মিত কার্যক্রমে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো গেম ডেভেলপমেন্ট। সম্প্রতি এই বিভাগের দায়িত্বে পরিবর্তন আনা হয়েছে। চলতি সপ্তাহে এক অনলাইন বৈঠকে বিসিবির পরিচালকরা নতুন গেম ডেভেলপমেন্ট চেয়ারম্যান হিসেবে আসিফ আকবরের নাম ঘোষণা করেন।

    প্রথমে এই পদে ইশতিয়াক সাদেক থাকলেও, তিনি বিগত সময়ে বিসিবির পরিচালক পদ থেকে পদত্যাগ করেন। এর ফলে, গত ২২ ফেব্রুয়ারি বিসিবির পরিচালনা পর্ষদ সভায় আসিফ আকবরকে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অর্পণ করা হয়। একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, এই সিদ্ধান্তটি সম্পূর্ণ পরিকল্পিত এবং নিয়ম অনুযায়ী গ্রহণ করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, এর আগে সবশেষ বিসিবি নির্বাচনে ধানমন্ডি স্পোর্টস ক্লাবের কাউন্সিলর হিসেবে নির্বাচন করে পরিচালক পদের জন্য নির্বাচিত হয়েছিলেন ইশতিয়াক সাদেক। তবে, কয়েক মাসের মধ্যেই প্রকাশ্যে আসে তাঁর পদত্যাগের গুঞ্জন, যেখানে তিনি নিজে জানান, সময়ের অভাবে এবং অন্যান্য দায়িত্বের কারণে তিনি গেম ডেভেলপমেন্টের কার্যক্রম যথাযথভাবে পরিচালনা করতে পারছেন না। আর এ কারণেই তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

    তবে, বিসিবি এখনও তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেননি। অন্যদিকে, আসিফ আকবর নির্দেশিত থাকায়, এখন তিনি টি-টোয়েন্টি, ওয়ানডে এবং সম্পূর্ণ জাতীয় স্তরের ক্রিকেটের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই বিভাগটির দায়িত্বে আছেন। এই পরিবর্তন ক্রিকেটের উন্নয়নে আরও নতুন দৃশ্যমান পদক্ষেপ বলে মনে করছে বোর্ডের সূত্ররা।

  • নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও ভারত একই গ্রুপে

    নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও ভারত একই গ্রুপে

    জুন-জুলাইয়ে বাংলাদেশ এই দশম নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করবে। বিশ্বকাপের জন্য দলটি বাছাইপর্বে সাতটি ম্যাচের সবাই জিতে অপরাজিত থাকায় সবার আগে তারা টিকিট জিতেছে। এটি প্রথমবারের মতো নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ১২টি দল অংশ নিচ্ছে। প্রতিযোগিতা দুটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে মোট ৩৩টি ম্যাচ খেলা হবে। টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক মাঠ শুরু হবে ১২ জুন এবং শেষ হবে ৫ জুলাই। এর ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ডে।

  • ব্রুকের সেঞ্চুরিতে ইংল্যান্ড সেমিফাইনালে পৌঁছাল পাকিস্তানকে হারিয়ে

    ব্রুকের সেঞ্চুরিতে ইংল্যান্ড সেমিফাইনালে পৌঁছাল পাকিস্তানকে হারিয়ে

    সুপার এইটে ম্যাচে ইংল্যান্ড পাকিস্তানকে হারাতে পারেনি। হ্যারি ব্রুকের অসাধারণ এক সেঞ্চুরির কারণে ইংল্যান্ড ২ উইকেটে জয়লাভ করে। সাহিবজাদা ফারহারহানের হাফসেঞ্চুরির পাশাপাশি শাহীন শাহ আফ্রিদির চার উইকেট এই ম্যাচে তাকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ব্রুকের ৫১ বলে ১০০ রানের দুর্দান্ত ইনিংস তাকে দলের জয়ে অন্যতম কোটি করেন। এই জয়ের ফলে ইংল্যান্ড এক ম্যাচ আগেই সেমিফাইনালে পৌঁছেছে। বর্তমানে তাদের পয়েন্ট আর ৪, অন্যদিকে পাকিস্তান একমাত্র ম্যাচেই হারল।

    ইংল্যান্ডের লক্ষ্য ছিল ১৬৫ রান, যা তারা প্রথম বলেই শুরুতেই কঠিন পরিস্থিতিতে পড়ে। প্রথম বলেই আফ্রিদির বলে সাহিবজাদা ফারহারহান ক্যাচ নিয়ে আউট হন। এর কিছুক্ষণ পর, অন্য ওপেনার জোশ বাটলারও আফ্রিদির বলের খোঁচা মেরে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন। দলের স্কোর তখন ১৭ রান।

    এরপর তিনে নামা হ্যারি ব্রুক ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিলেন তিনি। সঙ্গে ছিলেন উইল জ্যাকস, যিনি ৫০ বলে ৬৩ রান করে সাহস জোগান। তবে জ্যাকসের পর, ব্রুকের ব্যাটে দারুণ অপ্রতিরোধ্যতা দেখা গেছে। ২৭ বলে হাফসেঞ্চুরি ও পরে ৫০ বলে ১০০ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে ম্যাচে উত্তেজনা তৈরি করেন। তার এমন ক্রিকেটে ইংল্যান্ডের জেতার আশাটা প্রজ্জ্বলিত হয়ে ওঠে।

    অন্যদিকে পাকিস্তানের জন্য এটা ছিল কঠিন এক দিন। ব্যাটসম্যানরা প্রত্যাশামতো পারফর্ম করতে পারেননি। সাহিবজাদা ফারহারহান ৪৫ বলে ৬৩ রান করে দলের শীর্ষ স্কোর করেন। বাবর আজম ২৪ বলে ২৫ রান করে ব্যর্থ হন। শুরুতেই উইকেট হারানোর পর, তারা জুটি গড়তে চেষ্টা করেন। তবে দ্রুত উইকেট পড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি কঠিন হয়। ইংল্যান্ডের ডাওসন ও আর্চার দুর্দান্ত বল করেন। পাকিস্তানের শার্ল দামাধর ও নতুন ব্যাটসম্যানরা চেষ্টা করলেও, লক্ষ্য পৌঁছানো যায়নি।

    অবশেষে, পাকিস্তান ১৬৪ রানে অলআউট হয়। ইংল্যান্ডের প্রত্যাবর্তনে ডাওসন তিন উইকেট ও ওয়ারটন ও আর্চার দুইটি করে উইকেট নেন, যা পাকিস্তানের জন্য বিশাল অকলঙ্ক। এই ম্যাচে পাকিস্তানের ব্যাটিং ব্যর্থতা তাদের জন্য বড় ক্ষতি ডেকে আনে। ইংল্যান্ডের জন্য এটি ছিল গুরুত্বপূর্ণ জয়, যারা টুর্নামেন্টের আরও এগিয়ে যাওয়ার পথে পা বাড়িয়েছে।

  • বিশ্বকাপে বাংলাদেশ না থাকলেও র‍্যাংকিংয়ে ইমন, সাইফ ও জাকেরের উন্নতি

    বিশ্বকাপে বাংলাদেশ না থাকলেও র‍্যাংকিংয়ে ইমন, সাইফ ও জাকেরের উন্নতি

    নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে এবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ না করলেও বাংলাদেশের তিনজন ব্যাটার ইমন, সাইফ হাসান এবং জাকের আলি অনিকের র‍্যাংকিংয়ে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। বুধবার আইসিসির প্রকাশিত সাপ্তাহিক হালনাগাদে দেখা যায়, দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে ব্যস্ত থাকলেও তারা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের র‍্যাংকিং তালিকায় নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করেছেন।

    পারভেজ হোসেন ইমন টি-টোয়েন্টি ব্যাটিং র‍্যাংকিংয়ে দুই ধাপ উন্নতি করে এখন ৪১ নম্বরে অবস্থান করছে। তার রেটিং পয়েন্ট ৫৪২, যা তার ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ স্থান। একইভাবে, সাইফ হাসান দুই ধাপ উঠে যৌথভাবে ৪২ নম্বরে পৌঁছেছেন, এবং জাকের আলি তিন ধাপ এগিয়ে এখন যৌথভাবে ৭২তম।

    অন্যদিকে, কিছু কিছু ক্রিকেটারের অবস্থানে হতাশাজনক পরিবর্তনও এসেছে। তানজিদ হাসান তামিম বর্তমান ২১তম স্থান থেকেই অবনতি হয়েছে, এবং লিটন দাস ৫৪তম অবস্থানে নেমেছেন। সবসময়ই পরিশ্রম করে যাচ্ছেন তাওহিদ হৃদয়, বর্তমানে ৪৭ নম্বর পয়েন্টের অবস্থানে অপরিবর্তিত আছেন।

    বোলারদের মধ্যে মোস্তাফিজুর রহমান তার ৯ নম্বর অবস্থান ধরে রাখলেও বেশ কিছু অন্য ক্রিকেটারের জন্য পরিস্থিতি জটিল হয়েছে। শেখ মেহেদি (২১), রিশাদ হোসেন (২৭), নাসুম আহমেদ (৩৫) এবং তানজিম সাকিবের (৪৯) র‍্যাংকিংয়ে বড় পতন ঘটেছে।

    অলরাউন্ডারদের তালিকায়ও শীর্ষে বাংলাদেশের কেউ নেই, তবে শেখ মেহেদি ৪৫ নম্বরে নেমে গেছেন। তবে আশার আলো দেখাচ্ছে জিম্বাবুয়ের অলরাউন্ডার সিকান্দার রাজার দারুণ পারফরম্যান্স। তিনি পাকিস্তানের সাইম আইয়ুবকে পিছনে ফেলে এক নম্বর অলরাউন্ডার হিসেবে শীর্ষ স্থান ফিরে পেয়েছেন।

    ব্যাটিং র‍্যাংকিংয়ে শীর্ষে রয়েছেন ভারতের অভিষেক শর্মা, যার পয়েন্ট এখন ৮৭৭। দ্বিতীয় স্থানে আছেন ফিল সল্ট, আর তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছেন পাকিস্তানের সাহिबজাদা ফারহান।

    বোলিং র‍্যাংকিংয়ের তালিকায় ভারতের বরুণ চক্রবর্তী শীর্ষে থাকলেও, সবচেয়ে বড় চমক দেখিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার করবিন বশ। তিনি ২১ ধাপ এগিয়ে এখন ৩ নম্বরে। এছাড়া, জাসপ্রিত বুমরাহ ৭ ধাপ এগিয়ে ৮ম স্থানে উপস্থিত।