Blog

  • সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ জনকে আজ হাজির করা হচ্ছে ট্রাইব্যুনালে

    সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ জনকে আজ হাজির করা হচ্ছে ট্রাইব্যুনালে

    জুলাই-আগস্টের গণহত্যার মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হচ্ছে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ আসামিকে। 

    আজ সোমবার সকালে কড়া নিরাপত্তায় তাদেরকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হবে। এদিকে গণহত্যার মামলার তদন্তের সময় বৃদ্ধির জন্য আবেদন জানাবে তদন্ত সংস্থা। সংস্থার পক্ষে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট এম তাজুল ইসলাম আজ এ আবেদন জানাবেন। বিচারপতি মো. গোলাম মূর্তজা মজুমদারের সভাপতিত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালে আবেদনের উপর শুনানি হবে। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

    ট্রাইব্যুনালে যাদেরকে হাজির করা হচ্ছে এরা হলেন: আনিসুল হক, ড. আব্দুর রাজ্জাক, শাজাহান খান, সালমান এফ রহমান, গোলাম দস্তগীর গাজী, কামাল আহমেদ মজুমদার, লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান, ড. দীপু মনি, রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু, জুনাইদ আহমেদ পলক, তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী (বীর বিক্রম), সাবেক বিচারপতি এইচ এম শামসুদ্দীন চৌধুরী মানিক ও সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিব জাহাঙ্গীর আলম।

    এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট এম তাজুল ইসলাম ইত্তেফাককে বলেন, গণহত্যার মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারিকৃতদের মধ্যে গ্রেফতার হওয়া ১৪ অভিযুক্তকে আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করার জন্য আদেশ রয়েছে। ঐ আদেশ মোতাবেক কারা কর্তৃপক্ষ তাদেরকে হাজির করবে। তিনি বলেন, গণহত্যার মামলা তদন্তের জন্য সময় দিয়েছিল ট্রাইব্যুনাল। যেহেতু তদন্ত শেষ হয়নি সেহেতু সময় বৃদ্ধির আবেদন দেওয়া হবে। কোটা সংস্কার ও সরকার পতনের আন্দোলন দমাতে নিরস্ত্র ছাত্র-জনতাকে সমূলে বা আংশিক নির্মূলের লক্ষ্যে হত্যা, গণহত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের মামলায় গত ১৭ অক্টোবর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সরকারের সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে ট্রাইব্যুনাল। ২৭ অক্টোবর পরোয়ানাভুক্তদের মধ্যে ২০ জনকে ট্রাইব্যুনালের মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। এদের মধ্যে ১৪ জনকে আজ এবং ছয় পুলিশ কর্মকর্তা সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন, বরখাস্ত মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, সাবেক ঢাকা জেলার এডিসি (এসপি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত ছিলেন) আব্দুল্লাহ হিল কাফী, সাবেক এডিসি আরাফাতুল ইসলাম, যাত্রাবাড়ী থানার সাবেক ওসি আবুল হাসান এবং গুলশান থানার সাবেক ওসি মাজহারুল ইসলামকে ২০ নভেম্বর ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ রয়েছে। এদিকে ২৭ অক্টোবর ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, র‍্যাবের সাবেক ডিজি হারুন-অর রশিদ, এসবির সাবেক প্রধান মনিরুল ইসলাম, ডিবির সাবেক প্রধান হারুনুর রশিদ, বিপ্লব কুমার সরকার, সাবেক এডিসি ইকবাল হোসেনসহ আরো ১৭ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করা হয়।

    তদন্ত সংস্থা ও প্রসিকিউশনের অভিযোগে যা বলা হয়েছে : কোটা সংস্কারের অহিংস আন্দোলন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সহিংস হয়ে উঠে। একই সঙ্গে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরস্ত্র ছাত্র-ছাত্রীদের ওপর নির্মমভাবে হামলা চালায়। এই হামলার ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকাসহ দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামে। সংঘর্ষ হয় ছাত্রলীগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে। ১৬ জুলাই রংপুরে পুলিশের গুলিতে শিক্ষার্থী আবু সাঈদসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আরও ছয় জন মারা যান। ফলে কোটা সংস্কার আন্দোলন সরকার পতনের আন্দোলনে রূপ নেয়। এই আন্দোলনে একসময় শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ যোগ দেয়। কমপ্লিট শাটডাউন, অসহযোগ আন্দোলন দমাতে জারি করা হয় কারফিউ। কিন্তু তাতে দমে যায়নি ছাত্র-জনতা। এই ছাত্র-জনতাকে সমূলে বা আংশিক নির্মূলের উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ নির্দেশনায় নির্বিচারে গুলি চালায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এর সঙ্গে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠন এবং ১৪ দলীয় জোটের ক্যাডার বাহিনী যোগ দেয়। এতে দেড় সহস্রাধিক ছাত্র-জনতাকে হত্যা করা হয়। আহত হয় ২৩ হাজারের অধিক শিক্ষার্থী ও জনতা। আহত অনেকে চিরতরে পঙ্গু ও দৃষ্টি শক্তি হারিয়েছেন।

    এর পরেও দমানো যায়নি আন্দোলনকারীদের। তারা ৫ আগস্ট গণভবনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। পদত্যাগ করে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পরেও পূর্ব নির্দেশনা অনুযায়ী ঐদিন গভীর রাত পর্যন্ত হত্যা, গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী এবং ১৪ দলীয় জোটের ক্যাডাররা। এসব অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে জুলাই-আগস্ট গণহত্যার মামলায়।

    প্রসঙ্গত গণঅভ্যুত্থানের মুখে গত ৫ আগস্ট দেশত্যাগ করেন শেখ হাসিনা। ৮ আগস্ট নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যাত্রা শুরু করে। এরপর ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, এমপি, বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে শত শত হত্যা মামলা দায়ের হয়। এর মধ্যে বেশ কিছু মামলায় গ্রেফতার হয়ে আগস্ট মাস থেকে কারাগারে আছেন ট্রাইব্যুনালের পরোয়ানাভুক্ত আসামিরা। অক্টোবর মাসে সরকার পুনর্গঠন করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। শেখ হাসিনাসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির মধ্য দিয়ে গত ১৭ অক্টোবর যাত্রা শুরু করে ট্রাইব্যুনাল। ইতিমধ্যে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রেড অ্যালার্ট জারি করতে ইন্টারপোলের কাছে চিঠি দিয়েছে চিফ প্রসিকিউটর।

  • দীপু মনির সুপারিশে মাউশিতে তিন হাজার পদায়ন

    দীপু মনির সুপারিশে মাউশিতে তিন হাজার পদায়ন

    সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির ইশারায় নিয়োগ পান প্রায় তিন হাজার ১৮৩ কর্মকর্তা-কর্মচারী। দীপু মনি সিন্ডিকেটের বলয়ে তারা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) চাকরি পান। এর জন্য উচ্চ মহলের সুপারিশসহ তাদের দিতে হয়েছে ৫ থেকে ১৫ লাখ টাকা। নিয়োগের জন্য যাচ্ছেতাইভাবে পরীক্ষা নেয়া হয় তাদের জন্য। দীপু মনির আমলে চার হাজার ১০৯ জনকে নিয়োগ দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। এখনো চাকরির অপেক্ষায় রয়েছেন ৬১০ জন।

    মাউশি’র এই নিয়োগ পুরোটা সামলেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনির ভাই ডা. জে আর ওয়াদুদ টিপু ও চাঁদপুর পুরান বাজার ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ রতন কুমার মজুমদার। অভিযোগ রয়েছে এই চক্রটির খাতা কলমে বৈধতা দেয়ার কাজ করে গেছেন মাউশি’র কলেজ ও প্রশাসন শাখার পরিচালক শাহেদুল খবির চৌধুরী, প্রশাসন শাখার উপ-পরিচালক বিপুল চন্দ্র বিশ্বাস। বর্তমানে এই দুই কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। টাকার বিনিময়ে নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তারা ২০২৩ সালে দু’দফায় (আগস্ট ও নভেম্বরে) যোগদান করেন।

    মাউশি’র একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীপু মনি শিক্ষার দায়িত্ব হাতে পাবার পরই গড়ে তোলেন সিন্ডিকেট। মাউশিতে নিয়ে আসেন পছন্দের লোকদের। জনপ্রশাসন থেকে নিয়োগের ছাড়পত্র এনে তার আমলে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করেন। এই চক্র এতটাই শক্তিশালী ছিল যে, কেউ প্রশ্ন করার সাহস পর্যন্ত ছিল না। পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন অনেকেই। পরীক্ষায় এমসিকিউ বাতিল করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ’র অধীনে লিখিত পরীক্ষা নেয়ার দাবি তোলা হয়েছিল। কিন্তু তা আমলেই নেয়া হয়নি। এমনকি ভাইবার আগেই এসব প্রার্থীদের দেয়া হয়েছিল চাকরির নিশ্চয়তা।

    সুপারিশের প্রেক্ষিতে চার হাজার ১০৯ জনকে নিয়োগ দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু নানা জটিলতায় আটকে যায় ৬১০ জনের পদায়ন। তবে তাদের পদায়নের জন্য চলতি বছরের জুনে ফল প্রকাশ করা হয়। কিন্তু ছাত্র-জনতার আন্দোলনের তোড়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। যার কারণে আটকে আছে তাদের নিয়োগ। নিয়ম অনুযায়ী দশম থেকে দ্বাদশ গ্রেড পর্যন্ত দ্বিতীয় শ্রেণির পদ, কিন্তু মাউশি’র নিয়োগবিধিতে এই পদগুলোকে তৃতীয় শ্রেণির দেখিয়ে শুধু এমসিকিউ পরীক্ষা নেয়া হয়। ২০২০ সালের অক্টোবরে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে ২৮টি ক্যাটাগরির বিভিন্ন পদের মধ্যে প্রদর্শক পদে ৫১৪টি, গবেষণা সহকারী (কলেজ) পদে ২১টি, সহকারী গ্রন্থাগারিক কাম ক্যাটালগার পদে ৬৯টি এবং ল্যাবরেটরি সহকারী পদে ৬টি পদ উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এসব পদের বিপরীতে পরীক্ষা ২০২১ সালের আগস্ট ও অক্টোবরে অনুষ্ঠিত হয়। পরিদর্শক পদের ফল অনিবার্যকারণবশত স্থগিত করা হয়েছিল। সেই পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয় ২০২৪ সালের এপ্রিলে। এতে প্রায় আট হাজার প্রার্থী উত্তীর্ণ হন। মে মাসে ভাইবা শেষে জুনে নির্বাচিতদের ফল প্রকাশ করা হয়। কিন্তু পরবর্তীতে পরিস্থিতির কারণে আটকে আছে এই ৬১০ জনের নিয়োগ। চাকরি পাওয়াদের মধ্যে রয়েছেন কম্পিউটার অপারেটর ৯ জন, উচ্চমান সহকারী ৮৫ জন, ক্যাশিয়ার ১১৯ জন, স্টোরকিপার ৫০ জন, হিসাব সহকারী ১০৬ জন, অফিস সহকারী ৫১৩ জন, মেকানিক ৩৩ জন, গাড়িচালক ১১ জন, বুক সর্টার ৪৬ জন, অফিস সহায়ক ১৭০৪ জন, নিরাপত্তা প্রহরী ২৪৭ জন, মালী ৯৭ জন, পরিচ্ছন্নকর্মী ১৬৩ জন। অন্যদিকে তালিকায় নিয়োগের অপেক্ষায় রয়েছেন প্রদর্শক পদে পদার্থবিদ্যায় ১০৯ জন, রসায়নে ১২০ জন, জীববিজ্ঞানে ৩১ জন, প্রাণিবিদ্যায় ১০৯ জন, উদ্ভিদবিদ্যায় ৯৬ জন, ভূগোলে ১৩ জন, মৃত্তিকায় ৫ জন, গণিতে ২২ জন, গার্হস্থ্য বিজ্ঞানে ৮ জন, কৃষিতে একজন, গবেষণা সহকারী (কলেজ) ২১ জন, সহকারী গ্রন্থাগারিক ৬৯ জন এবং ল্যাবরেটরি সহকারী ৬ জন।

    এই নিয়োগের বিষয়ে জানতে চাইলে মাউশি মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর এবিএম রেজাউল করীম বলেন, তালিকা ধরে নিয়োগের বিষয়টি আমার জানা নেই। আমি নিয়োগ প্রক্রিয়ার সময়ে দায়িত্বেও ছিলাম না। এটা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন। মন্ত্রণালয় থেকে কোনো নির্দেশনা দেয়া হলে সেটি বাস্তবায়ন করা হবে।

  • ১০১ ফ্লাইটে ৪০,৫৯০ বাংলাদেশি হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌছেছেন

    ১০১ ফ্লাইটে ৪০,৫৯০ বাংলাদেশি হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌছেছেন

    শুক্রবার (১ মে) পর্যন্ত চলতি বছরের হজ কার্যক্রমে মোট ১০১টি ফ্লাইটে ৪০,৫৯০ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ হজ অফিস। হজ অফিসের পরিচালক মো. লোকমান হোসেন এতে নিশ্চিত করেন যে, সকাল ১০টা পর্যন্ত জেদ্দায় এসব ফ্লাইট অবতরণ করেছে।

    তিনি জানান, এই বছর বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৮,৫০০ জনকে হজ পালনের অনুমতি দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত ৪০,৫৯০ জন সৌদি আরবে পৌঁছানোয় বাকি ৩৭,৯১০ জন নির্ধারিত এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে ধাপে ধাপে সৌদিতে পৌঁছাবেন। হজ কার্যক্রম পরিচালনায় মোট ৬৬০টি এজেন্সি নিয়োজিত আছে; তাদের মধ্যে ৩০টি প্রধান এবং ৬৩০টি সমন্বয়কারী এজেন্সি রয়েছে।

    বিমান সংস্থাভিত্তিক হিসেবে বিমানের ফ্লাইট ও যাত্রীসংখ্যা হচ্ছে— বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ৪৬টি ফ্লাইটে ১৮,৯৯২ জন; সৌদি এয়ারলাইন্সের ৩৭টি ফ্লাইটে ১৪,৪৫৬ জন; এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্সের ১৮টি ফ্লাইটে ৭,১৪২ জন হজযাত্রী সৌদিতে পৌঁছেছেন।

    হজ বুলেটিনে আরো জানানো হয়েছে, এ পর্যন্ত ৭ জন হজযাত্রীর স্বাভাবিক কারণে মৃত্যু হয়েছে; তাঁদের মধ্যে মক্কায় ৫ জন এবং মদিনায় ২ জন মারা গেছেন। সৌদি মেডিকেল টিম সরাসরি ৬,৮৩২ জন হজযাত্রীকে চিকিৎসাসেবা দিয়েছে। এছাড়া আইটি হেল্পডেস্কের মাধ্যমে আরও ৮,৮৩০ জন হজযাত্রী চিকিৎসাসেবা পেয়েছেন।

    হজ অফিস বলেছে, যাত্রীদের স্বাস্থ্য, সেবা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত রাখতে সংশ্লিষ্ট সবাই একযোগে কাজ করছে এবং বাকি যাত্রীদের ধাপে ধাপে সৌদিতে পৌঁছতে সমন্বয় করা হচ্ছে।

  • নানা ষড়যন্ত্র চলছে, ঐক্যবদ্ধ হয়ে রুখে দেওয়ার আহ্বান — বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান

    নানা ষড়যন্ত্র চলছে, ঐক্যবদ্ধ হয়ে রুখে দেওয়ার আহ্বান — বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান

    বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান অভিযোগ করেছেন, দেশে নানা ধরনের ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। দেশবিরোধী সব অপতৎপরতা ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দেওয়ার জন্য সবাইকে সক্রিয় থাকার আহ্বানও জানান তিনি।

    শুক্রবার (১ মে) মহান মে দিবসের উপলক্ষে নয়াপল্টনে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তারেক রহমান।

    তিনি বলেন, যখনই বাংলাদেশ গণতন্ত্রের পথে এগিয়েছে, কিছু মহল তা মেনে নিতে চাননি। অতীতে ষড়যন্ত্র হয়েছে এবং ১২ তারিখের নির্বাচনের পরও যখন তাদের চোখে পড়ল যে দেশ জনগণের সিদ্ধান্ত মোতাবেক চলছে, তখন থেকেই নতুনভাবে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে।

    ষড়যন্ত্রীদের বিরুদ্ধে তিনি অভিযোগ করে বলেন, তারা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশকে বিতর্কিত ও বন্ধুহীন করে তুলতে চায়। তারা চান না দেশের মানুষ পরিশ্রম করে ভাগ্য পরিবর্তন করুক বা বিশ্ববাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাক।

    তবে বিশ্বদরবারে এখন দেশের পেছনে জনগণের ব্যাপক সমর্থন দেখা যাচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। ষড়যন্ত্রকারীদের কথায় বিশ্বের বন্ধুরা আর কর্ণপাত করছে না; বরং নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সঙ্গে কিভাবে বিনিয়োগ বাড়ানো যায় এবং মানুষের ভাগ্য ভালো করা যায়—এই বিষয়ে আলোচনা করছে।

    তারেক রহমান স্মৃতিচারণ করে বলেন, দেশে গণতন্ত্র থাকলে অর্থনীতি শক্তিশালী হয় এবং শিক্ষা ব্যবস্থায় উন্নতি আসে। গণতন্ত্রের পথেই এক সময় খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বাংলাদেশ ‘ইমার্জিং টাইগার’ হিসেবে খ্যাতি পেয়েছিল।

    দেশের স্বার্থে ও শ্রমিক-শ্রমজীবীর ভাগ্য উন্নয়নে বিশ্ব দরবারের সুযোগগুলো গ্রহণে জোর দেন তিনি। সবাইকে সতর্ক ও ঐক্যবদ্ধ থাকতে বললেন—যারা অরাজকতা সৃষ্টির মাধ্যমে দেশকে বিতর্কিত করতে চায় তাদের ভ্রুকুটি ঠেকাতে শ্রমিকসহ সকল সচেতন নাগরিককে একসঙ্গে এগুতে হবে।

    তিনি আরও উল্লেখ করেন, স্বৈরাচারের সময়ে স্বাস্থ্য, শিক্ষা সহ বিভিন্ন খাতে ক্ষতি হয়েছে এবং শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়েই ছিনিমিনি চলেছিল। ২০২৪ সালে মানুষ সেই স্বৈরাচারকে বিদায় জানিয়েছে, এখন দেশের গড়ার পালা—এই প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

    অর্থনীতি পুনরুদ্ধার সংক্রান্ত উদ্যোগেও তারেক রহমানের ভাবনা স্পষ্ট: কয়টি কলকারখানা দ্রুত চালু করার নির্দেশ আগে দেওয়া হয়েছে এবং এই সপ্তাহে পুনরায় মিটিং করে ধাপে ধাপে বন্ধ থাকা কলকারখানা চালু করা হবে। একই সঙ্গে অভ্যন্তরীণ ও বিদেশে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়েই কাজ চলছে।

    শ্রমিক ও কৃষকদের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘‘শ্রমিক-কৃষকরা ভালো থাকলে বাংলাদেশ ভালো থাকবে। সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের জীবনমান উন্নত না হলে দেশ উন্নত হবে না।’’

    যানজট ও দুর্ভোগের কারণে কিছু হকার উচ্ছেদ করা হলেও হকাররা যাতে শান্তিপূর্ণভাবে ব্যবসা করতে পারে সে উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

    তিনি আরও বলেন, আড়াই থেকে তিন বছর আগে ঘোষিত ৩১ দফায় দেশের মেরামত ও উন্নয়নের রূপরেখা দেয়া আছে এবং সরকার গঠনের সঙ্গে সঙ্গেই নির্ধারিত প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। কৃষি ঋণ মওকুফ ও কৃষক কার্ডের ব্যবস্থা করা হয়েছে, এবং খাল খনন করে সেচ ও পানির চাহিদা মেটানোর কাজ শুরু হয়েছে।

    শেষে তিনি আবারও সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন—যদি আমরা দেশকে এগিয়ে নিতে পারি, তা হলে দেশের ভাগ্য বদলায়।

  • সাদিক কায়েমের মেয়রপ্রার্থী হিসেবে নাম প্রচার; শিবির জানালো—দায়িত্বে থাকা অবস্থায় সুযোগ নেই

    সাদিক কায়েমের মেয়রপ্রার্থী হিসেবে নাম প্রচার; শিবির জানালো—দায়িত্বে থাকা অবস্থায় সুযোগ নেই

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) বর্তমান সহ-সভাপতি সাদিক কায়েমকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়রপ্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে বলে কিছু অনলাইন সংবাদ ও প্রচারণা ছড়িয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে জামায়াতে ইসলামী থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ঘোষণা বা প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

    সূত্র জানায়, আজ শুক্রবার (১ মে) রাজধানীর কাকরাইলের ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি) কাউন্সিল হলে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের থানা ও বিভাগীয় দায়িত্বশীলদের সম্মেলন হয়। ওই সম্মেলনে কয়েকজন দায়িত্বশীলের পক্ষ থেকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়রপ্রার্থী হিসেবে সাদিক কায়েমের নাম প্রস্তাব করা হয় বলে জানা গেছে।

    জামায়াতে ইসলামের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের জানিয়েছেন, কেউ পরামর্শ বা প্রস্তাবনা করতে পারে, তবে তা কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়। কেন্দ্রীয় কমিটি যাকে অনুমোদন দেবে, তার নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষনা করা হবে। তিনি বলেন, ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের জন্য প্রার্থী নির্বাচন করা হবে এবং সেটি শিগগিরই জানানো হবে, কিন্তু এখনো কেন্দ্রীয় অনুমোদন হয়নি।

    অন্যদিকে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির অভিযোগ করছে যে, শিবিরের কেন্দ্রীয় কোনো দায়িত্বশীলকে নিয়ে কিছু অনলাইন পোর্টালে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ হচ্ছে। ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক এস এম ফরহাদের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শিবিরে যে কোনো পর্যায়ে দায়িত্বে থাকা অবস্থায় অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষে নির্বাচনে অংশগ্রহণ বা প্রার্থী হওয়ার সুযোগ নেই এবং কাউকে রাজনৈতিক দল থেকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করাও গ্রহণযোগ্য নয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, যদি শিবির থেকে কেউ তার দায়িত্ব শেষ করে বিদায় নেয়, তখন তিনি ইচ্ছা করলে কোনো রাজনৈতিক দলে যোগ দিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। সে পর্যন্ত বর্তমান সেশন বা দায়িত্বে থাকা কোনো নেতাকে নিয়ে ছড়ানো খবরের প্রতি সবাইকে সতর্ক থাকার অনুরোধ করা হয়েছে।

    সংক্ষেপে, কিছু পর্যায়ের প্রস্তাবনায় সাদিক কায়েমের নাম উঠলেও কেন্দ্রীয় জামায়াত থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক অনুমোদন বা ঘোষণা হয়নি, এবং ইসলামী ছাত্রশিবিরও দায়িত্বে থাকা অবস্থায় এমন কোনো অংশগ্রহণের সুযোগ নেই বলে সরাসরি জানিয়ে দিয়েছে।

  • এপ্রিলের ২৯ দিনে প্রবাসী রেমিট্যান্স ৩০০ কোটি ২০ লাখ ডলার ছাড়ালো

    এপ্রিলের ২৯ দিনে প্রবাসী রেমিট্যান্স ৩০০ কোটি ২০ লাখ ডলার ছাড়ালো

    চলতি এপ্রিলে প্রথম ২৯ দিনে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন মোট ৩০০ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। (প্রায় ৩.০০২ বিলিয়ন ডলার)।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বৃহস্পতিবার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এ হিসাব অনুযায়ী, এ মাসে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১০ কোটি ৩৫ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।

    শুধু ২৯ এপ্রিলেই দেশে এসেছে ৯৪ কোটি ডলার। গত বছরের একই সময়ে (এপ্রিল ২০২৫) রেমিট্যান্স ছিল ২৬০ কোটি ৮০ লাখ ডলার।

    এর আগে মার্চে এক ইতিহাসভাঙা রেকর্ড তৈরি হয়; মার্চের ৩১ দিনে প্রবাসীরা পাঠান মোট ৩ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন বা ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স।

    এছাড়া চলতি বছরের শুরু—জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসেও রেমিট্যান্স তিন বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। গত জানুয়ারিতে প্রবাসীরা পাঠিয়েছিলেন ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার ডলার এবং ফেব্রুয়ারিতে ছিল ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার ডলার।

    মোটের ওপর ভিত্তি করলে দেখা যায়, বছরের প্রথম দিকে থেকেই প্রবাসী আয় শক্তিশালী রয়ে গেছে এবং গত মাসে তা নতুন চাহিদা ও প্রবাহ ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।

  • প্রাইজবন্ডের ১২৩তম ড্র: বিজয়ীদের নাম ও নম্বর

    প্রাইজবন্ডের ১২৩তম ড্র: বিজয়ীদের নাম ও নম্বর

    ১০০ টাকা মূল্যমানের প্রাইজবন্ডের ১২৩তম ড্র অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার অফিসের সম্মেলন কক্ষে এই ড্র আয়োজন করা হয়।

    প্রধান পুরস্কার ও বিজয়ীরা:

    প্রথম পুরস্কার — ৬ লাখ টাকা: সিরিয়াল নম্বর ০০০১০৩৫৷

    দ্বিতীয় পুরস্কার — ৩ লাখ ২৫ হাজার টাকা: সিরিয়াল নম্বর ০০৪৭৭৪৮৷

    তৃতীয় পুরস্কার — প্রতি পুরস্কার ১ লাখ টাকা, দুটি নম্বর:

    ০৫৩৮২৮৯ ও ০৬৭৫৩৮২৷

    চতুর্থ পুরস্কার — প্রতি পুরস্কার ৫০ হাজার টাকা, দুটি নম্বর:

    ০৪০০৪৫১ ও ০৫৬৭৬৪৪৷

    এ ছাড়াও পঞ্চম পুরস্কার হিসেবে ৪০ জন প্রত্যেক ১০ হাজার টাকা করে গ্রহণ করবেন। পঞ্চম পুরস্কারের বিজয়ী নম্বরসমূহ হলো:

    ০০২১৭৪৯, ০২১৭৪১৯, ০৪৬১৪৭২, ০৫৮৮৯৬৬, ০৭৪৯৭৪০, ০০২২১৮১, ০২৪৬০৪৫, ০৪৬২০৫৬, ০৫৯৬৩৪৬, ০৭৫৯৯০৮, ০০৫৬৩৭৮, ০২৯৬৪০২, ০৪৭৮০১৫, ০৬০০৪৪০, ০৭৭২৭৭৩, ০০৯২৩৫৬, ০৩১১১৩০, ০৪৮০৫৬৭, ০৬০৭৩৪৯, ০৮১৩৬৫৯, ০১৪৪৫৬৭, ০৩৫৬৯৪২, ০৫১২০২৪, ০৬৩৯৩৬৭, ০৮৪৮০৪৬, ০১৫৫৩৯৮, ০৩৯৩২৭৭, ০৫৫১২২১, ০৬৪২০০২, ০৮৪৯৬১৪, ০১৫৫৯৩৪, ০৪১৩৫০১, ০৫৬৪৭৬০, ০৬৫০১১৯, ০৯২২৫৯৭, ০১৭৫৭৯২, ০৪৫২৪৪১, ০৫৭৩৮৬৫, ০৬৮৮৭৭৩ এবং ০৯৪৭৬৬৫৷

    সিরিজ ও প্রযোজ্য নম্বর:

    এই ড্র-এ প্রচলনযোগ্য ১০০ টাকা মূল্যমানের মোট ৮৪টি সিরিজের মধ্যে ৪৬টি সাধারণ নম্বর পুরস্কারের জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হয়েছে। ওই সাধারণ নম্বরগুলোর সিরিজগুলো হলো: কক, কখ, কগ, কঘ, কঙ, কচ, কছ, কজ, কঝ, কঞ, কট, কঠ, কড, কঢ, কথ, কদ, কন, কপ, কফ, কব, কম, কল, কশ, কষ, কস, কহ, খক, খখ, খগ, খঘ, খঙ, খচ, খছ, খজ, খঝ, খঞ, খট, খঠ, খড, খঢ, খথ, খদ, খন, খপ, খফ, খব, খম, খল, খশ, খষ, খস, খহ, গক, গখ, গগ, গঘ, গঙ, গচ, গছ, গজ, গঝ, গঞ, গট, গঠ, গড, গঢ, গথ, গদ, গন, গফ, গব, গম, গল, গশ, গষ, গপ, গস, গহ, ঘক, ঘখ, ঘগ, ঘঘ, ঘঙ এবং ঘচ।

    ড্রটি একক সাধারণ পদ্ধতিতে (অর্থাৎ প্রত্যেক সিরিজের জন্য একই নম্বর) পরিচালিত হয়। বিজয়ীদের সঙ্গে সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য ও শুনানি সংক্রান্ত যেকোনো প্রশ্ন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে জানানো হবে।

  • ৬০ দিনের শর্ত এড়াতে ট্রাম্প প্রশাসন: ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ‘সমাপ্ত’ দাবি

    ৬০ দিনের শর্ত এড়াতে ট্রাম্প প্রশাসন: ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ‘সমাপ্ত’ দাবি

    ট্রাম্প প্রশাসন বলছে, ইরানের বিরুদ্ধে সংঘটিত সাম্প্রতিক সামরিক সংঘাত ইতোমধ্যেই শেষ হয়েছে, তাই কংগ্রেসের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন নেওয়ার তৎপরতা প্রয়োজন নেই। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রয়টার্সকে দেয়া সাক্ষাৎকারে একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা—যিনি নাম প্রকাশ করতে চাননি—জানিয়েছেন যে ফেব্রুয়ারি ২৮ থেকে শুরু হওয়া এই ‘‘যুদ্ধ’’ শেষ বলে বিবেচিত হচ্ছে।

    কথিত কর্মকর্তা বলেন, দু’পক্ষ ৭ এপ্রিল দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয় এবং পরবর্তীতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সেই যুদ্ধবিরতি বাড়িয়েছেন। ৭ এপ্রিলের পর থেকে মার্কিন সামরিক বাহিনী ও ইরানের মধ্যে কোনো গোলাগুলি বা আক্রমণের ঘটনা ঘটেনি, তাই প্রশাসন মনে করছে কার্যত লড়াই বন্ধ আছে।

    এই যুক্তির ওপর ভিত্তি করে প্রশাসন বলছে যে ১৯৭৩ সালের যুদ্ধক্ষমতা আইন (War Powers Resolution) অনুযায়ী কংগ্রেসের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন নেওয়ার বাধ্যবাধকতা তাদের ক্ষেত্রে এখনও শুরু হয়নি। ওই আইন অনুযায়ী, কোনো সামরিক পদক্ষেপ ৬০ দিনের বেশি চললে প্রেসিডেন্টকে কংগ্রেসের অনুমোদন নিতে হয়; তবে আইনটি আরও ৩০ দিন সময় বাড়ানোর সুযোগও দেয়। এ প্রসঙ্গে বার্তা সংস্থা এপি উল্লেখ করেছে যে প্রশাসন এখনো ঐ আইনটির চাহিদা পূরণ করেছে বলে প্রমাণ দিতে পারেনি।

    প্রেসিডেন্টের পক্ষ থেকে সিনেটে যুক্তি তোলেন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ। তিনি বলেছেন যে যুদ্ধবিরতিই বাস্তবে সংঘাতকে স্থগিত করেছে এবং ওই অবস্থানকে সামনে রেখে প্রশাসন মনে করছে ৬০ দিনের মধ্যে কংগ্রেস অনুমোদন নেওয়ার বাধ্যবাধকতা তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়নি।

    ওয়ার পাওয়ারস রেজ্যুলুশন অনুসারে, প্রেসিডেন্টকে শুক্রবার (১ মে) পর্যন্ত কংগ্রেসের অনুমোদন নেওয়ার বা সৈনিক প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত জানাতে বলা হয়েছিল; নাহলে ওই ৬০ দিনের কালের পর প্রশাসনকে কংগ্রেস থেকে অনুমোদন নেওয়ার নির্দেশ রয়েছে।

    কংগ্রেসে এ নিয়ে চাপ বেড়েছে। ডেমোক্র্যাটরা ট্রাম্পকে আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধ অনুমোদন চাওয়া শুরু করার জন্য চাপ দিচ্ছে। নজরকাড়া হলো যে ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ দেশের সামরিক পদক্ষেপকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে—মাত্র একজন ডেমোক্র্যাট (মেইনের জেরেড গোল্ডেন) প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন। বিপরীতে, রিপাবলিকানদের মধ্যে কেবল এক জন (কেন্টাকির টমাস ম্যাসি) প্রস্তাবটির পক্ষে ভোট দেন, আর একজন সিনেটে নিরপেক্ষ অবস্থান দেখান।

    বিশ্লেষক ও কংগ্রেসের সহকারীরা আগে ধারণা করেছিলেন যে প্রেসিডেন্ট কংগ্রেসকে অনুরোধ করে ৩০ দিনের মেয়াদ বাড়ানোর পরিকল্পনা করতে পারেন। তেল মূল্যবৃদ্ধি ও ঘরে-বাইরে সংঘাতজনিত উদ্বেগের মধ্যে এ বিষয়টি রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে, বিশেষ করে রিপাবলিকানদের জন্য।

    রিপাবলিকান সিনেট অগ্রণী জন থুন বলেছেন, তিনি এখনই ইরানে সামরিক অনুপ্রয়োগের অনুমোদনের জন্য কোনো ভোট নেওয়ার পরিকল্পনা দেখেন না এবং দলের সদস্যদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শুনছেন। অন্যদিকে সিনেটর কেভিন ক্রেমার বলেন, যদি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প চান তিনি যুদ্ধ অনুমোদনের পক্ষে ভোট দেবেন, তবে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন যে ১৯৭৩ সালের ওই war powers প্রস্তাবটি সাংবিধানিকভাবে কতটা সঠিক।

    মোটকথা, প্রশাসন যুদ্ধ সমাপ্ত বলে দাবি করলেও কংগ্রেসে বিতর্ক ও রাজনৈতিক চাপ অব্যাহত রয়েছে—এবং ভবিষ্যতে কৃতকর্মের সীমা ও আইনগত কাঠামো নিয়ে আরও তর্ক হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

  • ফ্লোরিডায় নিখোঁজ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা বৃষ্টির মরদেহ শনাক্ত

    ফ্লোরিডায় নিখোঁজ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা বৃষ্টির মরদেহ শনাক্ত

    ফ্লোরিডার পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া দ্বিতীয় মরদেহটি বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির। শুক্রবার (১ মে) ফ্লোরিডা পুলিশ ডিপার্টমেন্ট নাহিদার ভাইকে ফোন করে মরদেহ শনাক্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

    ওয়াশিংটনে বাংলাদেশের দূতাবাসের প্রেস মিনিস্টার গোলাম মোর্তোজা জানান, পরিবারের পক্ষ থেকে মরদেহ দ্রুত দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। এ অনুরোধের প্রেক্ষিতে ওয়াশিংটন ডিসি-তে অবস্থিত বাংলাদেশের দূতাবাস এবং মিয়ামিতে থাকা বাংলাদেশ কনস্যুলেট যৌথভাবে মরদেহ প্রেরণের প্রস্তুতি শুরু করেছে।

    নাহিদা ও আরেকজন বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন উভয়েই যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার ছাত্র ছিলেন। তারা দুজনই গত ১৬ এপ্রিল থেকে নিখোঁজ ছিল।

    প্রতিারোধ ছয় দিন পর শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) টাম্পা বে এলাকায় একটি সেতুর কাছ থেকে লিমনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। একই দিন লিমনের রুমমেট হিশাম আবুঘরবেহ নামে এক মার্কিন নাগরিককে সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেফতার করা হয়।

    হিলসবরো কাউন্টি আদালতে গত ২৬ এপ্রিল দাখিল করা নথিতে বলা হয়েছে, লিমনকে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাতে হত্যা করা হয়েছে। ওই নথিতে জানানো হয়, লিমনের মরদেহ হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড সেতু থেকে উদ্ধার করা হয় এবং হিশাম আবুঘরবেহের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত প্রথম-ডিগ্রি হত্যার দুটি অভিযোগ আনা হয়েছে।

    একই দিনে হিলসবরো কাউন্টি শেরিফ অফিস জানায়, লিমনের মরদেহ উদ্ধারের স্থানসংলগ্ন এলাকায় আরও একটি অজ্ঞাত দেহাবশেষ পাওয়া গেছে। তদন্তকারীরা নির্ধারণ করার চেষ্টা করছেন যে এটি নাহিদা বৃষ্টির সঙ্গে যুক্ত কি না।

    একটি ফৌজদারি মামলার হলফনামায় বলা হয়েছে, ২৬ এপ্রিল হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড সেতুর جنوبی অংশ থেকে খণ্ডিত একটি দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত পোশাকের সঙ্গে সিসিটিভি ফুটেজে নাহিদা বৃষ্টিকে যে পোশাকে শেষবার দেখা গেছে তার মিল রয়েছে; নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে দুইটি পোশাকই একই ধরনের।

    এদিকে জামিল আহমেদ লিমনের মরদেহ শনিবার (২ মে) ফ্লোরিডার অরল্যান্ডো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশে পাঠানো হবে। জানা গেছে, মরদেহটি দুবাই হয়ে ঢাকায় পৌঁছবে সোমবার, ৪ মে। নাহিদা বৃষ্টির মরদেহ ফিরিয়ে আনার জন্যও প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে; তার প্রেরণের নির্দিষ্ট দিন ঘোষণা করা হবে কর্তৃপক্ষের পরবর্তী সিদ্ধান্তের পর।

    তদন্ত চলছে এবং স্থানীয় পুলিশ, আদালত ও কনস্যুলেটিক অঙ্গসংস্থাগুলো ঘটনার যোগাযোগ স্থাপন করে তদন্তাসাপেক্ষ তথ্য যাচাই করে যাচ্ছে।

  • খুলনায় ‘সুস্থ শ্রমিক, কর্মঠ হাত’ প্রতিপাদ্যে মহান মে দিবস পালিত

    খুলনায় ‘সুস্থ শ্রমিক, কর্মঠ হাত’ প্রতিপাদ্যে মহান মে দিবস পালিত

    ‘সুস্থ শ্রমিক, কর্মঠ হাত — আসবে এবার নব প্রভাত’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আজ শুক্রবার (১ মে) খুলনায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান মে দিবস ও জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেফটি দিবস পালিত হয়েছে। সারাদিনের আয়োজনের কেন্দ্রবিন্দু ছিল জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে আয়োজিত আলোচনা সভা যেখানে দিবসটির তাৎপর্য ও শ্রমিকদের অধিকার নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়।

    আলোচনা সভায় বক্তারা দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখার ক্ষেত্রে শ্রমিকদের অবদানকে অনস্বীকার্য বলে অভিহিত করে বলেছেন, শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি, স্বাস্থ্যকৰ্ম পরিবেশ ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বক্তারা জোর দিয়ে বলেছেন, শ্রমিক কোনো যন্ত্র নয় — তারা মানুষ; তাই তাদের সাথে মানবিক ও সম্মানজনক আচরণ বজায় রাখতে হবে। এছাড়া ধর্মীয় অনুশাসন মেনে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

    অনুষ্ঠানে তিনি আরও বলেন যে, শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষা না করলে উন্নয়ন টেকসই হবে না; মালিক ও শ্রমিককে এক পরিবারের মতো মিলেমিশে কাজ করে একে অপরের স্বার্থ রক্ষা করতে হবে। অর্থনৈতিক, সামাজিক, স্বাস্থ্য ও পরিবেশের সব দিক থেকে সম্মিলিত উন্নয়ন ছাড়া মালিক-শ্রমিক সমস্যা স্থায়ীভাবে সমাধান হবে না—এমনটিই বক্তারা মনে করেন।

    বিশেষ অতিথিদের মধ্যে ছিলেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) আবু সায়েদ মোঃ মনজুর আলম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খান, অতিরিক্ত রেঞ্জ ডিআইজি শেখ জয়নুদ্দীন, মহানগর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনা ও সিভিল সার্জন ডা. মোছাঃ মাহফুজা খাতুন। জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার দপ্তরের উপপরিচালক মোঃ আরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তৃতা রাখেন শ্রম দপ্তরের পরিচালক মোঃ হাফেজ আহাম্মদ মজুমদার। মালিক প্রতিনিধির পক্ষে বক্তৃতা করেন বিজেএ’র চেয়ারম্যান খন্দকার আলমগীর কবির ও বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মোঃ তরিকুল ইসলাম জহির। শ্রমিক প্রতিনিধির পক্ষে বক্তব্য রাখেন মহানগর জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের আহবায়ক মোঃ মজিবর রহমান ও খালিশপুর আঞ্চলিক কমিটির আহবায়ক আবু দাউদ দ্বীন মোহাম্মদ।

    আলোচনা সভার আয়োজন করে জেলা প্রশাসন, বিভাগীয় শ্রম দপ্তর ও কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন দপ্তর। অনুষ্ঠানের শেষে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন খুলনা জেলার খালিশপুর, দৌলতপুর, খানজাহান আলী ও আড়ংঘাটা থানার বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত শ্রমিক ও তাদের পরিবারগুলোর মধ্যে মোট ১৪০ জনকে ৪১ লাখ ৩৫ হাজার টাকার আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করে।

    এর আগে দিবসটির সুযোগে বিভাগীয় কমিশনার মো: আবদুল্লাহ হারুনের নেতৃত্বে খুলনা রেলওয়ে স্টেশন চত্বর থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে পৌঁছে। শোভাযাত্রায় সরকারি ও বেসরকারি দফতরের কর্মকর্তাসহ শ্রমিক, মালিক, ট্রেড ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

  • খুলনা প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর

    খুলনা প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর

    খুলনা প্রেসক্লাবের অন্তর্বতীকালীন কমিটির নেতৃবৃন্দ শুক্রবার (১ মে) রাতের এক অনুষ্ঠানে ক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করেছেন। অন্তর্বতীকালীন কমিটির পক্ষে আহ্বায়ক এনামুল হক এবং সদস্য সচিব রফিউল ইসলাম টুটুল এই দায়িত্বভার নবনির্বাচিত কমিটির সভাপতি মোস্তফা সরোয়ার ও সাধারণ সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলামসহ কমিটির অন্য নেতৃবৃন্দের নিকট হস্তান্তর করেন। এই হস্তান্তর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে খুলনা প্রেসক্লাবের কার্যক্রম চালিয়ে নেওয়া ও প্রশাসনিক দায়িত্ব নির্বিঘ্নে প্রয়োগের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করা হয়েছে।

  • পদত্যাগের চিন্তা নেই, নির্বাচনে দাঁড়াবেন তামিম ইকবাল

    পদত্যাগের চিন্তা নেই, নির্বাচনে দাঁড়াবেন তামিম ইকবাল

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এর আমিনুল ইসলাম বুলবুল নেতৃত্বাধীন পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে ফেলার পর সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালের নেতৃত্বে গঠিত ১১ সদস্যের অ্যাড-হক কমিটি কয়েক দিন আগে দায়িত্ব গ্রহন করেছে। এই কমিটির প্রধান কাজ আগামী ৯০ দিনের মধ্যে নতুন নির্বাচন আয়োজন করা।

    অ্যাড-হক কমিটির সভাপতি হিসেবে তামিম আগেই ঘোষণা করেছিলেন যে তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) মিরপুর শের-ই-বাংলায় একটি সংবাদ সম্মেলনে তিনি আবার জানিয়েছেন, নির্বাচনের আগে তিনি পদত্যাগ করার কথা ভাবছেন না।

    তামিম জানান, আগামী রোববার (৩ মে) বিসিবির বোর্ড সভা হবে, সেখানে পরবর্তী নির্বাচনের দিনক্ষণ নির্ধারণ করা হবে। নির্বাচনে অংশ নেওয়া সংক্রান্ত তার আগের ঘোষণাকেই তিনি আবারও পুনর্ব্যক্ত করেছেন এবং বলেছেন তিনি গঠনতন্ত্রে যা অনুমোদিত হবে তা অনুসরণ করবেন।

    তামিম বলেন, ‘পদত্যাগের কথা আমি ব্যক্তিগতভাবে ভাবিনি, আমি অবশ্যই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব। অ্যাড-হক কমিটি থেকে পদত্যাগ করার কথা ভাবতেও হয়নি। প্রথম দিন থেকেই আমি বলেছি আমি নির্বাচনে অংশ নেব।’ তিনি আরো যোগ করেন, ‘ফেয়ার ইলেকশন নিয়েই আমরা এত কথা বলেছি, ইনশাআল্লাহ আমাদের অধীনে ফেয়ার ইলেকশন হবে।’

    সংবাদ সম্মেলনে তিনি নির্বাচন প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পন্ন করার গুরুত্বও গুরুত্বারোপ করেন এবং নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে নেয়ার আশ্বাস দেন।