Blog

  • সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ জনকে আজ হাজির করা হচ্ছে ট্রাইব্যুনালে

    সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ জনকে আজ হাজির করা হচ্ছে ট্রাইব্যুনালে

    জুলাই-আগস্টের গণহত্যার মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হচ্ছে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ আসামিকে। 

    আজ সোমবার সকালে কড়া নিরাপত্তায় তাদেরকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হবে। এদিকে গণহত্যার মামলার তদন্তের সময় বৃদ্ধির জন্য আবেদন জানাবে তদন্ত সংস্থা। সংস্থার পক্ষে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট এম তাজুল ইসলাম আজ এ আবেদন জানাবেন। বিচারপতি মো. গোলাম মূর্তজা মজুমদারের সভাপতিত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালে আবেদনের উপর শুনানি হবে। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

    ট্রাইব্যুনালে যাদেরকে হাজির করা হচ্ছে এরা হলেন: আনিসুল হক, ড. আব্দুর রাজ্জাক, শাজাহান খান, সালমান এফ রহমান, গোলাম দস্তগীর গাজী, কামাল আহমেদ মজুমদার, লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান, ড. দীপু মনি, রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু, জুনাইদ আহমেদ পলক, তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী (বীর বিক্রম), সাবেক বিচারপতি এইচ এম শামসুদ্দীন চৌধুরী মানিক ও সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিব জাহাঙ্গীর আলম।

    এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট এম তাজুল ইসলাম ইত্তেফাককে বলেন, গণহত্যার মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারিকৃতদের মধ্যে গ্রেফতার হওয়া ১৪ অভিযুক্তকে আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করার জন্য আদেশ রয়েছে। ঐ আদেশ মোতাবেক কারা কর্তৃপক্ষ তাদেরকে হাজির করবে। তিনি বলেন, গণহত্যার মামলা তদন্তের জন্য সময় দিয়েছিল ট্রাইব্যুনাল। যেহেতু তদন্ত শেষ হয়নি সেহেতু সময় বৃদ্ধির আবেদন দেওয়া হবে। কোটা সংস্কার ও সরকার পতনের আন্দোলন দমাতে নিরস্ত্র ছাত্র-জনতাকে সমূলে বা আংশিক নির্মূলের লক্ষ্যে হত্যা, গণহত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের মামলায় গত ১৭ অক্টোবর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সরকারের সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে ট্রাইব্যুনাল। ২৭ অক্টোবর পরোয়ানাভুক্তদের মধ্যে ২০ জনকে ট্রাইব্যুনালের মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। এদের মধ্যে ১৪ জনকে আজ এবং ছয় পুলিশ কর্মকর্তা সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন, বরখাস্ত মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, সাবেক ঢাকা জেলার এডিসি (এসপি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত ছিলেন) আব্দুল্লাহ হিল কাফী, সাবেক এডিসি আরাফাতুল ইসলাম, যাত্রাবাড়ী থানার সাবেক ওসি আবুল হাসান এবং গুলশান থানার সাবেক ওসি মাজহারুল ইসলামকে ২০ নভেম্বর ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ রয়েছে। এদিকে ২৭ অক্টোবর ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, র‍্যাবের সাবেক ডিজি হারুন-অর রশিদ, এসবির সাবেক প্রধান মনিরুল ইসলাম, ডিবির সাবেক প্রধান হারুনুর রশিদ, বিপ্লব কুমার সরকার, সাবেক এডিসি ইকবাল হোসেনসহ আরো ১৭ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করা হয়।

    তদন্ত সংস্থা ও প্রসিকিউশনের অভিযোগে যা বলা হয়েছে : কোটা সংস্কারের অহিংস আন্দোলন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সহিংস হয়ে উঠে। একই সঙ্গে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরস্ত্র ছাত্র-ছাত্রীদের ওপর নির্মমভাবে হামলা চালায়। এই হামলার ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকাসহ দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামে। সংঘর্ষ হয় ছাত্রলীগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে। ১৬ জুলাই রংপুরে পুলিশের গুলিতে শিক্ষার্থী আবু সাঈদসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আরও ছয় জন মারা যান। ফলে কোটা সংস্কার আন্দোলন সরকার পতনের আন্দোলনে রূপ নেয়। এই আন্দোলনে একসময় শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ যোগ দেয়। কমপ্লিট শাটডাউন, অসহযোগ আন্দোলন দমাতে জারি করা হয় কারফিউ। কিন্তু তাতে দমে যায়নি ছাত্র-জনতা। এই ছাত্র-জনতাকে সমূলে বা আংশিক নির্মূলের উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ নির্দেশনায় নির্বিচারে গুলি চালায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এর সঙ্গে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠন এবং ১৪ দলীয় জোটের ক্যাডার বাহিনী যোগ দেয়। এতে দেড় সহস্রাধিক ছাত্র-জনতাকে হত্যা করা হয়। আহত হয় ২৩ হাজারের অধিক শিক্ষার্থী ও জনতা। আহত অনেকে চিরতরে পঙ্গু ও দৃষ্টি শক্তি হারিয়েছেন।

    এর পরেও দমানো যায়নি আন্দোলনকারীদের। তারা ৫ আগস্ট গণভবনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। পদত্যাগ করে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পরেও পূর্ব নির্দেশনা অনুযায়ী ঐদিন গভীর রাত পর্যন্ত হত্যা, গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী এবং ১৪ দলীয় জোটের ক্যাডাররা। এসব অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে জুলাই-আগস্ট গণহত্যার মামলায়।

    প্রসঙ্গত গণঅভ্যুত্থানের মুখে গত ৫ আগস্ট দেশত্যাগ করেন শেখ হাসিনা। ৮ আগস্ট নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যাত্রা শুরু করে। এরপর ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, এমপি, বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে শত শত হত্যা মামলা দায়ের হয়। এর মধ্যে বেশ কিছু মামলায় গ্রেফতার হয়ে আগস্ট মাস থেকে কারাগারে আছেন ট্রাইব্যুনালের পরোয়ানাভুক্ত আসামিরা। অক্টোবর মাসে সরকার পুনর্গঠন করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। শেখ হাসিনাসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির মধ্য দিয়ে গত ১৭ অক্টোবর যাত্রা শুরু করে ট্রাইব্যুনাল। ইতিমধ্যে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রেড অ্যালার্ট জারি করতে ইন্টারপোলের কাছে চিঠি দিয়েছে চিফ প্রসিকিউটর।

  • দীপু মনির সুপারিশে মাউশিতে তিন হাজার পদায়ন

    দীপু মনির সুপারিশে মাউশিতে তিন হাজার পদায়ন

    সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির ইশারায় নিয়োগ পান প্রায় তিন হাজার ১৮৩ কর্মকর্তা-কর্মচারী। দীপু মনি সিন্ডিকেটের বলয়ে তারা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) চাকরি পান। এর জন্য উচ্চ মহলের সুপারিশসহ তাদের দিতে হয়েছে ৫ থেকে ১৫ লাখ টাকা। নিয়োগের জন্য যাচ্ছেতাইভাবে পরীক্ষা নেয়া হয় তাদের জন্য। দীপু মনির আমলে চার হাজার ১০৯ জনকে নিয়োগ দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। এখনো চাকরির অপেক্ষায় রয়েছেন ৬১০ জন।

    মাউশি’র এই নিয়োগ পুরোটা সামলেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনির ভাই ডা. জে আর ওয়াদুদ টিপু ও চাঁদপুর পুরান বাজার ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ রতন কুমার মজুমদার। অভিযোগ রয়েছে এই চক্রটির খাতা কলমে বৈধতা দেয়ার কাজ করে গেছেন মাউশি’র কলেজ ও প্রশাসন শাখার পরিচালক শাহেদুল খবির চৌধুরী, প্রশাসন শাখার উপ-পরিচালক বিপুল চন্দ্র বিশ্বাস। বর্তমানে এই দুই কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। টাকার বিনিময়ে নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তারা ২০২৩ সালে দু’দফায় (আগস্ট ও নভেম্বরে) যোগদান করেন।

    মাউশি’র একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীপু মনি শিক্ষার দায়িত্ব হাতে পাবার পরই গড়ে তোলেন সিন্ডিকেট। মাউশিতে নিয়ে আসেন পছন্দের লোকদের। জনপ্রশাসন থেকে নিয়োগের ছাড়পত্র এনে তার আমলে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করেন। এই চক্র এতটাই শক্তিশালী ছিল যে, কেউ প্রশ্ন করার সাহস পর্যন্ত ছিল না। পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন অনেকেই। পরীক্ষায় এমসিকিউ বাতিল করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ’র অধীনে লিখিত পরীক্ষা নেয়ার দাবি তোলা হয়েছিল। কিন্তু তা আমলেই নেয়া হয়নি। এমনকি ভাইবার আগেই এসব প্রার্থীদের দেয়া হয়েছিল চাকরির নিশ্চয়তা।

    সুপারিশের প্রেক্ষিতে চার হাজার ১০৯ জনকে নিয়োগ দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু নানা জটিলতায় আটকে যায় ৬১০ জনের পদায়ন। তবে তাদের পদায়নের জন্য চলতি বছরের জুনে ফল প্রকাশ করা হয়। কিন্তু ছাত্র-জনতার আন্দোলনের তোড়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। যার কারণে আটকে আছে তাদের নিয়োগ। নিয়ম অনুযায়ী দশম থেকে দ্বাদশ গ্রেড পর্যন্ত দ্বিতীয় শ্রেণির পদ, কিন্তু মাউশি’র নিয়োগবিধিতে এই পদগুলোকে তৃতীয় শ্রেণির দেখিয়ে শুধু এমসিকিউ পরীক্ষা নেয়া হয়। ২০২০ সালের অক্টোবরে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে ২৮টি ক্যাটাগরির বিভিন্ন পদের মধ্যে প্রদর্শক পদে ৫১৪টি, গবেষণা সহকারী (কলেজ) পদে ২১টি, সহকারী গ্রন্থাগারিক কাম ক্যাটালগার পদে ৬৯টি এবং ল্যাবরেটরি সহকারী পদে ৬টি পদ উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এসব পদের বিপরীতে পরীক্ষা ২০২১ সালের আগস্ট ও অক্টোবরে অনুষ্ঠিত হয়। পরিদর্শক পদের ফল অনিবার্যকারণবশত স্থগিত করা হয়েছিল। সেই পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয় ২০২৪ সালের এপ্রিলে। এতে প্রায় আট হাজার প্রার্থী উত্তীর্ণ হন। মে মাসে ভাইবা শেষে জুনে নির্বাচিতদের ফল প্রকাশ করা হয়। কিন্তু পরবর্তীতে পরিস্থিতির কারণে আটকে আছে এই ৬১০ জনের নিয়োগ। চাকরি পাওয়াদের মধ্যে রয়েছেন কম্পিউটার অপারেটর ৯ জন, উচ্চমান সহকারী ৮৫ জন, ক্যাশিয়ার ১১৯ জন, স্টোরকিপার ৫০ জন, হিসাব সহকারী ১০৬ জন, অফিস সহকারী ৫১৩ জন, মেকানিক ৩৩ জন, গাড়িচালক ১১ জন, বুক সর্টার ৪৬ জন, অফিস সহায়ক ১৭০৪ জন, নিরাপত্তা প্রহরী ২৪৭ জন, মালী ৯৭ জন, পরিচ্ছন্নকর্মী ১৬৩ জন। অন্যদিকে তালিকায় নিয়োগের অপেক্ষায় রয়েছেন প্রদর্শক পদে পদার্থবিদ্যায় ১০৯ জন, রসায়নে ১২০ জন, জীববিজ্ঞানে ৩১ জন, প্রাণিবিদ্যায় ১০৯ জন, উদ্ভিদবিদ্যায় ৯৬ জন, ভূগোলে ১৩ জন, মৃত্তিকায় ৫ জন, গণিতে ২২ জন, গার্হস্থ্য বিজ্ঞানে ৮ জন, কৃষিতে একজন, গবেষণা সহকারী (কলেজ) ২১ জন, সহকারী গ্রন্থাগারিক ৬৯ জন এবং ল্যাবরেটরি সহকারী ৬ জন।

    এই নিয়োগের বিষয়ে জানতে চাইলে মাউশি মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর এবিএম রেজাউল করীম বলেন, তালিকা ধরে নিয়োগের বিষয়টি আমার জানা নেই। আমি নিয়োগ প্রক্রিয়ার সময়ে দায়িত্বেও ছিলাম না। এটা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন। মন্ত্রণালয় থেকে কোনো নির্দেশনা দেয়া হলে সেটি বাস্তবায়ন করা হবে।

  • ভারত না গেলে বাংলাদেশের জায়গায় বিশ্বকাপ খেলবে স্কটল্যান্ড

    ভারত না গেলে বাংলাদেশের জায়গায় বিশ্বকাপ খেলবে স্কটল্যান্ড

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এখনো পর্যন্ত ভারত না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অটল রয়েছে। তারা মনে করে, তাদের বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো যেন শ্রীলঙ্কা বা ভারতের বাইরে অন্য কোনো দেশে আয়োজন করা হয়। এএফপির খবর অনুযায়ী, যদি এই দাবিতে বিসিবি তাদের স্থির অবস্থান রাখে, তাহলে বাংলাদেশের বিশ্বকাপের অংশগ্রহণ অনিশ্চিত হয়ে পড়তে পারে। অপ্রত্যাশিতভাবে, এ অবস্থায় বাংলাদেশের জায়গায় বিশ্বকাপে সুযোগ পেতে পারে স্কটল্যান্ড। আইসিসি সূত্র থেকে জানা গেছে, বাংলাদেশ যদি ভারতের জন্য না যায়, তাহলে তাদের বদলে স্কটল্যান্ডকে বিশ্বকাপে খেলতে দেওয়া হবে।

  • উইজডেনের বর্ষসেরা টি-টোয়েন্টি দলে মোস্তাফিজুর রহমান

    উইজডেনের বর্ষসেরা টি-টোয়েন্টি দলে মোস্তাফিজুর রহমান

    ২০২৫ সালের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের জন্য বিশ্বখ্যাত ওয়েবসাইট উইজডেন তাদের সম্পাদকীয় দলে বর্ষসেরা একাদশ ঘোষণা করেছে। বাংলাদেশের বাঁহাতি পেসার মোস্তাফিজুর রহমান এই দলে স্থান পেয়েছেন, যা 그의 ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি। পুরো বছরজুড়েই দেশের জন্য ও ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের জন্য এই স্বীকৃতি পেয়ে তিনি গর্বিত।

    ২০২৫ সালে মোস্তাফিজ অন্তত ১৫০ ওভারের বেশি বল করেছেন, যাতে তার গড় ছিল মাত্র ১৮.০৩, যা পেসারদের মধ্যে অন্যতম সেরা। তিনি ভুলায় কম খরচে রান দেওয়ার জন্য পরিচিত, যেখানে অন্য কারও পক্ষে এমন দক্ষতা দেখানো কঠিন। স্ট্রাইক রেটের বিবেচনায় ক্যারিবীয় অলরাউন্ডার জেসন হোল্ডার তাঁর কাছাকাছি থাকলেও, মোস্তাফিজের মূল শক্তি ছিল নিয়মিত উইকেট নেওয়া।

    তিনি মোট ৪৩ টি স্বীকৃত টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ৫৯ উইকেট শিকার করেছেন। ওভারপ্রতি রান দিয়েছেন কেবল ৬.৭৮, এবং তার স্ট্রাইক রেট ১৫.৯। তার সেরা বোলিং ছিল ৩ উইকেট শিকার ১১ রানে। পুরো বছর জুড়ে তিনি বল করেছেন মোট ১৫৬.৫ ওভার, আর তার পারফরম্যান্সের তুলনায় হোল্ডার ২৫০.২ ওভার বল করে আরও বেশি উইকেট নেন, তবে তার স্ট্রাইক রেট ১৫.৪ হলেও গড় ছিল ২১.৪২।

    উইজডেনের এই বর্ষসেরা একাদশে থাকছে দুজন করে স্পিনার, পেসার ও পেস বোলিং অলরাউন্ডার। স্পিন বিভাগের জন্য ভারতের বরুণ চক্রবর্তী ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের সুনীল নারিন স্থান পেয়েছেন। পেস আক্রমণে মোস্তাফিজের সঙ্গে আছেন নিউজিল্যান্ডের জ্যাকব ডাফি। আর পেস অলরাউন্ডার হিসেবে দলে আছেন স্যাম কারেন এবং জেসন হোল্ডার।

    এই একাদশে রয়েছে—অভিষেক শর্মা, ফিল সল্ট, ডেওয়াল্ড ব্রেভিস, স্যাম কারেন, ডনোভান ফেরেইরা, টিম ডেভিড, সুনীল নারাইন, জেসন হোল্ডার, জ্যাকব ডাফি, মোস্তাফিজুর রহমান ও বরুণ চক্রবর্তী। এই ক্রিকেটাররা সবাই ২০২৫ সালে নিজেদের শক্তি ও ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন।

  • ক্রীড়া উপদেষ্টার মন্তব্য: আইসিসি অযৌক্তিক শর্ত চাপালে মানা যাবে না

    ক্রীড়া উপদেষ্টার মন্তব্য: আইসিসি অযৌক্তিক শর্ত চাপালে মানা যাবে না

    যুব ও ক্রীড়া এবং আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেন, ‘আইসিসি যদি ভারতের প্রভাবের কাছে নতি স্বীকার করে অযৌক্তিক শর্ত চাপিয়ে দেয়, তাহলে বাংলাদেশ তা মানবে না।’ কিছুদিন ধরে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইতিহাসের এক প্রশ্নচিহ্নের মধ্যে রয়েছে। তবে বাংলাদেশ স্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছে, তারা ভারতের সাথে গিয়ে খেলার পক্ষে নয়। সোমবার (২০ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন আসিফ নজরুল। তিনি বলেন, ‘যদি আইসিসি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের চাপের কাছে নতি স্বীকার করে অযৌক্তিক শর্ত চাপায়, আমরা তা মানবো না।’ এখন প্রশ্ন হলো, আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ খেলবে কি না? এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে আগামীকাল বুধবার (২১ জানুয়ারি), যেখানে আইসিসি চূড়ান্ত ঘোষণা দেবে। গত শনিবারের বৈঠকে বাংলাদেশ বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আইসিসির প্রতিনিধিরা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন। উল্লেখ্য, যদি বাংলাদেশ বিশ্বকাপে অংশ না নেয়, তবে তার স্থান স্কটল্যান্ড নেওয়া হতে পারে বলে ধারণা করা হলেও, এই বিষয়ে নিশ্চিত কোনও তথ্য আসিফ নজরুলের কাছে নেই। তিনি জানিয়েছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে আইসিসির বৈঠকগুলো হচ্ছে নেতিবাচক পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে, যেখানে নিরাপত্তা শঙ্কার কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশ ভারতে গিয়ে খেলবে না। এই বৈঠকে আইসিসির ইন্টিগ্রিটি ইউনিটের জেনারেল ম্যানেজার অ্যান্ড্রু এফগ্রেভ উপস্থিত ছিলেন, আর ভার্চুয়ালি ছিলেন আইসিসির এক্সিকিউটিভরা গৌরব সাক্সেনা। এর সঙ্গে বাংলাদেশ বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে তারা বাংলাদেশে থেকে গ্রুপ পরিবর্তন বা অন্য কোনও বিকল্প ভাবনা ভাবছে।

  • পাপুয়া নিউগিনিকে হারিয়ে বাংলাদেশের দ্বিতীয় জয়

    পাপুয়া নিউগিনিকে হারিয়ে বাংলাদেশের দ্বিতীয় জয়

    বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল পাপুয়া নিউগিনিকে ৩০ রানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় জয় সম্পন্ন করেছে। ম্যাচের শুরুতে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা দারুণ উৎসাহে খেলে উদ্বোধনী জুটি গড়ে ৪৯ রান। এই জুটিকে ভাঙন ধরান মাইরি টম, যিনি নাওকি ভারের হাতে ক্যাচ দিয়ে ১৭ বলে ১৭ রান করে আউট হন। এরপর বাংলাদেশের ওপেনার দিলারা আক্তার ২৯ বলে ৩৫ রান করে রান আউট হওয়ার আগে দলের ইনিংসের ইতিবাচক ধারাকে চালিয়ে যান। শারমিন আক্তার সুপ্তা ও সোবহানা মোস্তারি ব্যাট হাতে শক্তিশালী পারফর্ম করে দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ রান যোগ করেন। স্বর্ণা আকাশের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ১৪ বলে ৩৭ রান করে শেষের ধাক্কা দেন, যার ফলে বাংলাদেশের ইনিংস শেষ হয় ১৬৮ রানে।

  • শেষ বলে ছক্কায় সিলেটের কোয়ালিফায়ার জয়ে রংপুরের বিদায়

    শেষ বলে ছক্কায় সিলেটের কোয়ালিফায়ার জয়ে রংপুরের বিদায়

    রংপুর রাইডার্সের জন্য আরও এক হতাশাজনক ম্যাচে শেষ বলের ছক্কায় সিলেট টাইটান্সকে হারিয়ে তারা বিজয়ের স্বাদ পায়। এই জয় নিশ্চিত করায় সিলেটের কোয়ালিফায়ারে ওঠার স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নেয়, যেখানে রংপুরের পথ এবার বাধা হয়ে দাঁড়ায়।

    প্রথমে ব্যাট করতে নেমে রংপুরের সূচনাটা ছিল কিছুটা হতাশাজনক। ২০ ওভারে তারা ছুঁই ছুঁই করে ৯ উইকেটে মাত্র ১১১ রান করতে সক্ষম হয়। জবাবে, সিলেট শুরুতেই কিছুটা অস্বস্তিতে পড়লেও, ৩ উইকেট হাতে রেখে তারা ম্যাচে ফিরে যায়।

    সহজ লক্ষ্যে ব্যাটিং শুরু করেন সিলেটের দলনেতা মেহেদী হাসান মিরাজ ও ইংলিশ তারকা স্যাম বিলিংস। দুজনের ৫০ রানের জুটিতে দলটি জয় পেতে শুরু করে। মিরাজের বিদায়ের পর কয়েকটি বিপর্যয় ঘটে, কিন্তু ক্রিস ওকসের সাহসী ইনিংসে শেষমেষ জয় নিশ্চিত হয়।

    সিলেটের হয়ে সর্বোচ্চ ২৯ রান করেন ক্যাপ্টেন বিলিংস। পারভেজ হোসেন ইমন ও মেহেদী হাসান মিরাজ করেন যথাক্রমে ১৮ রান। এছাড়াও, আরিফুল ইসলাম ১৭, তাওফিক খান ২, আফিফ হোসেন ৩ ও মুস্তাফিজুর রহমান ১ রান করেন। ক্রিস ওকস অপরাজিত থাকেন ১০ রান এবং খালেদ আহমেদ ১ রানে।

    অন্যদিকে, রংপুরের জন্য শুরুতেই ধাক্কা লাগে যখন টস জিতে সিলেটকে ব্যাটিং করার সুবিধা দেন রংপুরের অধিনায়ক লিটন দাস। টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায়, দলীয় স্কোর ২৯ রানের মধ্যে চারজন ব্যাটার আউট হন—ডেভিড মালান, তাওহীদ হৃদয়, লিটন দাস ও কাইল মেয়ার্স।

    চাপে পড়ে যায় রংপুরের ব্যাটিং অর্ডার। তবে, ছয় নম্বরে নামা খুশদিল শাহ ও রিয়াদ দলের হাল ধরে ৩৪ রানের জুটি গড়ে। খুশদিল মাত্র ১৯ বলে ৩০ রান করেন, আর রিয়াদ ৩৩ রানে অপরাজিত থাকেন। নুরুল হাসান সোহান ২৪ বলে ১৮ রান, ফাহিম আশরাফ ৩, আলিস আল ইসলাম ৪, মুস্তাফিজুর রহমান ১ ও নাহিদ রানার ব্যাট থেকে আসে যথাক্রমে ২ রান।

    সিলেটের জন্য বল হাতের পারফর্মেন্স ছিল দারুণ। খালেদ আহমেদ চার উইকেট পান, ক্রিস ওকস ও নাসুম আহমেদ দুজন করেন দুইটি করে উইকেট। এই পারফরমেন্সের কারণে তারা ম্যাচটি জিতে কোয়ালিফায়ার নিশ্চিত করে রংপুরের স্বপ্নভঙ্গ ঘটে।

  • স্পেনে ভয়াবহ ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত ২১

    স্পেনে ভয়াবহ ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত ২১

    স্পেনের দক্ষিণাঞ্চলে দুই দ্রুতগতির ট্রেনের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে, যেখানে নিহতের সংখ্যা এখন পর্যন্ত ২১ জন। তবে আশঙ্কা করা হচ্ছে, মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ সতর্ক করে দিয়েছেন যে, এখনও পরিস্থিতির গভীরে তদন্ত চলছে।

    এ দুর্ঘটনা রোববার (১৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যার দিকে ঘটে, যেখানে লোকজনের মধ্যে শোক ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বিবিসির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, কোরদোডা শহরের কাছের আদমুজের কাছে এই দুর্যোগক্ষেত্রটি ঘটে।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, মালাগা থেকে মাদ্রিদের দিকে যাচ্ছিলো একটি দ্রুতগামী ট্রেন। হঠাৎ করে ট্রেনটি লাইনচ্যুত হয়ে পার্শ্ববর্তী লাইনে আছড়ে পড়ে। পাশাপাশি, বিপরীত দিক থেকে আসা আরেকটি ট্রেন, যা হুয়েলভাগামী ছিলো, ও লাইনচ্যুত হয়।

    স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ এই পরিস্থিতিকে গভীর দুঃখের সময় বলে অভিহিত করেছেন, বলেছেন, এই রাতটি দেশ গভীর বেদনা সহকারে কাটাবে।

    অপরদিকে, দেশের পরিবহনমন্ত্রী ওসকার পুয়েন্তে জানিয়েছেন, অন্তত ৩০ জন গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তিনি দুর্ঘটনার কারণকে ‘অত্যন্ত অদ্ভুত’ বলে উল্লেখ করেছেন, তবে পুরো বিষয়টির বিশদ শিবির এখনো স্পষ্ট নয়।

    আদামুজ শহরের মেয়র রাফায়েল মোরেনো এই দুর্ঘটনাকে ‘দুঃস্বপ্ন’ বলে অভিহিত করেছেন, এবং দুর্ঘটনাস্থলে দ্রুত ছুটে যান।

    আদুলুসিয়ান ইমার্জেন্সি সার্ভিসের বরাত দিয়ে জানা গেছে, দুর্ঘটনায় অন্তত ৭৩ জন আহত হয়েছেন।

    ফায়ার সার্ভিসের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, জীবিতদের উদ্ধার করার জন্য মৃতদেহ সরিয়ে নিতে হয়েছে।

    রেল বিভাগের এক কর্মকর্তা আতিফ বলেন, ট্রেনটি মালাগা রেলস্টেশন থেকে ছাড়ার মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যে এই মারাত্মক দুর্ঘটনাটি ঘটে। ঐ ট্রেনে মোট ৩০০ জন যাত্রী ছিলেন।

  • চীনের ঘটনাচক্রে সর্বনিম্ন জন্মহার রেকর্ড

    চীনের ঘটনাচক্রে সর্বনিম্ন জন্মহার রেকর্ড

    চীনে ইতিহাসের সবচেয়ে কম জন্মহার দেখা যাচ্ছে। দেশটির জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বছর শুধুমাত্র প্রতি হাজারে ৫.৬ সন্তান জন্মগ্রহণ করেছেন, যা ১৯৪৯ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী চীন প্রতিষ্ঠার পর থেকে সর্বনিম্ন। এই কমতায় দেশটির জনসংখ্যা সঙ্কট আরও গভীর হয়েছে।

    সরকারের তথ্য বলছে, ২০২৪ সালে চীনে নবজাতকের সংখ্যা ছিল মাত্র ৭ দশমিক ৯ মিলিয়ন, যা আগের বছরে থেকে প্রায় এক দশমিক ৬ মিলিয়ন কম। এই হার ২০২০ সালের পর সবচেয়ে বড় পতন হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এর ফলে শুধু জন্মহারই নয়, মোট জনসংখ্যাও কমছে। গত বছর দেশটির মোট জনসংখ্যা প্রায় ৩৯ লাখ কমে দাঁড়িয়েছে, যার ফলে চার বছর ধরে দেশটির জনসংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে।

    বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা ও গবেষকরা মনে করছেন, অর্থনৈতিক চাপে এবং সামাজিক পরিবর্তনের কারণে অনেক তরুণরা বিয়ের সিদ্ধান্ত নিচ্ছে নিতে দেরি করছে বা সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা পিছিয়ে দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সন্তান ধারণের উপযুক্ত সময়ে নারীর সংখ্যা কমে যাওয়া এবং অর্থনৈতিক অস্থিরতা এই পরিস্থিতির মূল কারণ।

    অবশ্য, এই বিপর্যয়ের মাঝেও চীনের অর্থনীতি কিছুটা উন্নতি ঘটেছে। ২০২৫ সালে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৫ শতাংশে পৌঁছেছে, যা দেশের নির্ধারিত লক্ষ্যের ঘরে। তবে, জনসংখ্যার এই ধস ভবিষ্যতের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

    উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে চীনে মোট ৭৯ লাখ ২০ হাজার শিশু জন্মগ্রহণ করেছে, যেখানে মারা গিয়েছেন প্রায় ১ কোটি ১৩ লাখ মানুষ। এর ফলে দেশেরজনসংখ্যা কমে গেছে উল্লেখযোগ্যভাবে। তবে বিয়ের সংখ্যাও কমে গিয়ে সাম্প্রতিক চার দশকের মধ্যে সবচেয়ে নিচে পৌঁছেছে, যেখানে মাত্র ৬ দশমিক ১ মিলিয়ন দম্পতি নিবন্ধন করেছেন বিয়ের জন্য, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ২০% কম। একদিকে বিবাহবিচ্ছেদের হার কিছুটা বেড়ে গেছে।

  • গুতেরেসের মন্তব্য: যুক্তরাষ্ট্র আন্তর্জাতিক আইনের চেয়ে ‘গায়ের জোর’কেই প্রাধান্য দিচ্ছে

    গুতেরেসের মন্তব্য: যুক্তরাষ্ট্র আন্তর্জাতিক আইনের চেয়ে ‘গায়ের জোর’কেই প্রাধান্য দিচ্ছে

    জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস উল্লেখ করেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এখন দায়মুক্তির ভাবনা থেকে বেরিয়ে আসছে এবং আন্তর্জাতিক আইনের চেয়ে নিজের শক্তি ও ‘গায়ের জোর’কেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি বলেছেন, ওয়াশিংটনের হাতে বহুপক্ষীয় সমাধান কার্যত অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি রেডিও ফোরের ‘টুডে’ অনুষ্ঠানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে গুতেরেস বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্পষ্ট বিশ্বাস তৈরি হয়েছে যে বহুপাক্ষিকতা কার্যকর নয়। তার মতে, এখন যা গুরুত্বপূর্ণ মনে হয় তা হলো—যুক্তরাষ্ট্রের শক্তি ও প্রভাবের প্রয়োগ, অনেক সময় এটি আন্তর্জাতিক আইনের নিয়মকানুনকে বিনা বাধায় পাশ কাটিয়ে হয়। তার মন্তব্যগুলি এমন এক সময়ে এসেছে যখন সম্প্রতি কয়েক সপ্তাহের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলায় হামলা চালিয়েছে এবং দেশটির প্রেসিডেন্টকে সরিয়ে দিয়েছে। পাশাপাশি, ট্রাম্পের Greenland দখলের হুমকিও এই পরিস্থিতিকে আরও জোরদার করেছে। গুতেরেস বলেন, জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার মূল নীতিগুলোর মধ্যে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সমতা অন্যতম, কিন্তু বর্তমানে এই নীতি হুমকির মুখে। এর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প জাতিসংঘের কঠোর সমালোচনা করেন এবং উল্লেখ করেন, তিনি একাই অনেক যুদ্ধ শেষ করেছেন, তবে জাতিসংঘ এ বিষয়ে কোনও সাহায্য করেনি বলে অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, ‘পরে বুঝেছি, জাতিসংঘ আমাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সেখানে ছিল না।’ এই কঠোর মূল্যায়নের পর গুতেরেস স্বীকার করেন যে, জাতিসংঘ সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে আন্তর্জাতিক আইন মানাতে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তবে তিনি বলছেন, বড় বড় বৈশ্বিক সংকটের মোকাবিলায় জাতীয় সংগঠনটির ভূমিকা এখনও গুরুত্বপূর্ণ। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এই অতিরিক্ত শক্তি কি সত্যিকারভাবে টেকসই ও দীর্ঘস্থায়ী সমাধানে ব্যবহার হচ্ছে, না কেবল সাময়িকভাবে। গুতেরেস বলেন, পার্থক্য আছে এই দুটি পরিস্থিতির মধ্যে। তিনি জানান, জাতিসংঘের ১৯৩টি সদস্য দেশের সামনে ‘ভয়াবহ সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ’ মোকাবিলায় সংস্থাটির সংস্কার জরুরি, যাতে এর ক্ষমতা ও কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। তিনি বলেন, ‘কিছু মানুষ মনে করেন, আইনের শাসনের বদলে শক্তির আইন প্রতিষ্ঠা করা উচিত।’ তার মতে, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের নীতিগুলোর মধ্যে এক স্পষ্ট ধারণা কাজ করছে—বহুপক্ষীয় সমাধান গুরুত্বপূর্ণ নয়; বরং তার প্রভাব ও শক্তি প্রয়োগই বেশি গুরুত্বপূর্ণ, অনেক সময় তা আন্তর্জাতিক আইন অমান্য করে। তিনি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদও সমালোচনা করেন, জানান, বর্তমান বিশ্বের পরিস্থিতিকে প্রতিনিধিত্ব করছে না এই পরিষদ এবং কার্যকর নয়। স্থায়ী পাঁচ সদস্য—ফ্রান্স, চীন, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র—যারা ভেটো ক্ষমতা ব্যবহারে সক্ষম, তারা এই ক্ষমতা ব্যবহার করে ইউক্রেন ও গাজায় চলমান যুদ্ধের সমাধানে বাঁধা সৃষ্টি করছে। গুতেরেস বলেন, ভেটো ক্ষমতা এখন সদস্য রাষ্ট্রগুলোর স্বার্থ রক্ষার জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে। তিনি নিরাপত্তা পরিষদের গঠনে পরিবর্তনের আহ্বান জানান, যাতে এটি আবার বৈধতা ফিরে পায় এবং বিশ্বব্যাপী কণ্ঠস্বর শোনা যায়। তিনি ভেটো ক্ষমতা সীমিত করার জন্যও প্রকাশে যুক্ত হন, যেন অপ্রয়োজনীয় অচলাবস্থা এড়ানো যায়। ২০১৭ সালে পর্তুগালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জাতিসংঘের মহাসচিব পদে আসীন হন গুতেরেস, তিনি এ বছরের শেষের দিকে দায়িত্ব থেকে অবসর নেবেন। তাঁর বার্ষিক সংশ্লেষণে, যেখানে সংস্থার অগ্রাধিকারগুলো তুলে ধরা হয়, তিনি বিশ্ব পরিস্থিতিকে ‘সংঘাত, দায়মুক্তি, বৈষম্য এবং অনিশ্চয়তা ভরা এক বিশৃঙ্খল বিশ্ব’ বলে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন’ হচ্ছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলোর একটি। গুতেরেস উল্লেখ করেন যে, যুদ্ধগুলো জাতিসংঘের জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ, যার মধ্যে গাজা রয়েছে। গাজার পরিস্থিতিতে জাতিসংঘ বেশ কষ্টে পড়েছে কারণ, ইসরায়েল আন্তর্জাতিক মানবিক সংস্থাগুলোর প্রবেশের অনুমতি দেয়নি। তিনি জোড়ালোভাবে বলেন, ‘অবশ্যই, তবে বিষয়টি স্পষ্ট করা দরকার। দীর্ঘকাল ধরে ইসরায়েল বলছিল যে, জাতিসংঘ সক্ষমতা না থাকায় মানবিক সহায়তা দিতে পারছে না। বোঝা যায়, যখনই ইসরায়েল গাজায় প্রবেশ করে, তখন পরিস্থিতি বদলায় এবং মানবিক সহায়তা প্রবাহিত হয়। তিনি যোগ করেন, পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে, জাতিসংঘ প্রস্তুত ছিল। কিছু দিন আগে গুতেরেস বলেন, ‘১৯৪৫ সালের সমস্যা সমাধানের পদ্ধতি দিয়ে ২০২৬ সালের সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়।’ এর মাধ্যমে তিনি সংস্থার প্রাথমিক কাঠামো এবং বর্তমান চ্যালেঞ্জের দিকে ইঙ্গিত করেন। যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্ব পরিবর্তন, ভেনেজুয়েলায় চাপ, ইরান ও অন্যান্য দেশে চলছে বিশ্লেষণে বিভিন্ন সংকট—এসব কিছু পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। প্রশ্ন উঠছে, বহুপক্ষীয় ব্যবস্থা কি সত্যিই শেষ হয়ে গেছে, বা কিছু বিশ্বনেতা কি আন্তর্জাতিক আইনের শাসন রক্ষা করতে মুখ না খুলে আত্মতৃপ্তিতে রয়েছেন? তবে গুতেরেস আশাবাদ প্রকাশ করে বলেন, মানুষ অনেক সময় শক্তিশালীদের মুখোমুখি হতে ভয় পায়, তবে সত্য হলো—যদি শক্তিশালীদের মোকাবিলা না করা যায়, তাহলে একটি উন্নত ও আরও শান্তিপূর্ণ বিশ্ব গড়া সম্ভব নয়।

  • নোবেল শান্তি পুরস্কার না পেয়ে পরিস্থিতিতে পরিবর্তন আনলেন ট্রাম্প

    নোবেল শান্তি পুরস্কার না পেয়ে পরিস্থিতিতে পরিবর্তন আনলেন ট্রাম্প

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, যেহেতু তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কার পাননি, তাই তিনি এখন শুধুই শান্তির পশ্চাতে মনোযোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী জোনাস গার স্টোরকে তিনি জানান, তিনি এই সিদ্ধান্তে আসার কারণ হলো, দীর্ঘ সময় শান্তির জন্য কাজ করার পরও তার দেশে নোবেল শান্তি পুরস্কার না দেওয়ার সিদ্ধান্ত। ট্রাম্প বলেছেন, ‘৮টির বেশি যুদ্ধ বন্ধ করার পরও আপনি আমাকে পুরস্কার দেননি, তাই এখন আমি কেবল শান্তির কথাই ভাবার বাধ্যবাধকতা অনুভব করি না।’ তবুও শান্তি বিষয়টি তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ থাকবে, তবে এখন তিনি দেশের জন্য কী উপকারী ও উপযুক্ত, সেই বিষয়েও ভাবতে পারেন।

    এছাড়া, ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ডের ওপর ডেনমার্কের সার্বভৌমত্ব নিয়েও প্রশ্ন তুলে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে যদি এর নিয়ন্ত্রণ না থাকে, তবে দ্বীপটির নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কা থাকতেই পারে। তিনি বলেন, ‘ডেনমার্ক এই ভূখণ্ডকে রাশিয়া বা চীন থেকে রক্ষা করতে পারবে না… যদি আমাদের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ না থাকে, তবে বিশ্ব নিরাপদ নয়।’

    সংবাদ সূত্রে জানা যায়, নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী জোনাস গার স্টোর চিঠির বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন। এই চিঠি তারা ট্রাম্পকে পাঠানোর পর, বিষয়টি তাদের আলোচনায় এসেছে। পরবর্তীতে, নরওয়ের অংশীদার ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্ডার স্টাবের সঙ্গে যৌথভাবে ট্রাম্পের কাছে এই বার্তা পাঠানো হয়েছিল, যেখানে মার্কিন শুল্কনীতির বিরোধিতা করা হয়।

    স্টোর আরো বলেন, তারা এই উত্তেজনা কমানোর জন্য উদ্যোগ নিচ্ছেন এবং ট্রাম্প, প্রেসিডেন্ট স্টাব ও নিজেকে নিয়ে ফোনালাপে যোগাযোগের অনুরোধ জানিয়েছেন। নরওয়ের অবস্থান এখনো গ্রিনল্যান্ডের বিষয়ে তাদের শক্তিশালী থাকছে।

    অভিযোগ করেন যে, নরওয়ে সরকার এই পুরস্কার দেয় না, এটি স্বাধীন নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি দিয়ে থাকে। এরপর, ট্রাম্প তার সামাজিক মাধ্যমে একই বক্তব্য পুনরাবৃত্তি করেন ও আর্কটিক অঞ্চলে নিরাপত্তা হুমকির বিষয়টি উল্লেখ করে বলেছেন, এটা মোকাবিলার জন্য এখনই সময়।

  • স্পেনে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৯

    স্পেনে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৯

    স্পেনের দক্ষিণাঞ্চলে দুটি দ্রুতগতির ট্রেনের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ফলে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৯ জনে। আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ। দেশটির সিভিল গার্ডের বরাতে বিবিসি জানাচ্ছে, এটি গত এক দশকের বেশি সময়ের মধ্যে স্পেনের সবচেয়ে মারাত্মক রেল দুর্ঘটনা।

    ঘটনাটি ঘটে সোমবার সন্ধ্যায় কর্দোবা শহরের কাছে আদামুজ এলাকায়। যেখানে মাদ্রিদগামী একটি ট্রেন লাইনচ্যুত হয় এবং বিপরীত লাইনে চলে যায়। এরপর ওই ট্রেনের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা আরেকটি ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এই দুর্ঘটনায় ব্যাপক প্রাণহানি ও আহতের ঘটনা ঘটে।

    রেল কর্তৃপক্ষ জানায়, মোট প্রায় ৪০০ জন যাত্রী এই দুর্ঘটনায় উপস্থিত ছিলেন। উদ্ধার কার্যক্রমে ১২২ জনকে চিকিৎসা দেওয়া hasiে, যার মধ্যে পাঁচ শিশু সহ ৪৮ জন এখনও হাসপাতালে ভর্তি। এর মধ্যে গুরুতর আহত ১১ জনের সঙ্গে একটি শিশু আইসিইউতে চিকিৎসাধীন।

    আদিফ রেল নেটওয়ার্কের পক্ষ থেকে জানানো হয়, স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিটে (গ্রিনিচ সময় ৬টা ৪৫) এই দুর্ঘটনা ঘটে। মালাগা থেকে মাদ্রিদগামী ট্রেনটি যাত্রা শুরু করার এক ঘণ্টার মাথায় সোজা একটি রেলপথে লাইনচ্যুত হয়।

    স্পেনের পরিবহনমন্ত্রী অস্কার পুয়েন্তে এই ঘটনার জন্য ‘অত্যন্ত অস্বাভাবিক’ মন্তব্য করেছেন। তিনি আরও বলেন, সব রেল বিশেষজ্ঞ এই দুর্ঘটনাকে অবিশ্বাস্যভাবে দেখছেন। কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল তার তদন্ত শুরু হয়েছে।

    দুর্ঘটনার পর মাদ্রিদ থেকে হুয়েলভাগামী ট্রেনের কয়েকটি বগি পাশের মাটি ও ঢিবির দিকে ছিটকে পড়ে। পরিবহনমন্ত্রী বলেন, নিহত ও আহত most জনের বেশিরভাগই ওই ট্রেনের সামনের দিকের বগিতে ছিলেন।

    রয়টার্সের সূত্রে জানা গেছে, ঘটনায় কবলে পড়া দ্বিতীয় ট্রেনটি ছিল ফ্রেচ্চিয়া ১০০০ মডেলের, যার সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ৪০০ কিলোমিটার।

    উদ্ধারকর্মীরা এখনো পুরোপুরি ট্রেনে রয়ে যাওয়া যাত্রীদের উদ্ধার কাজে ব্যস্ত। কর্দোবার ফায়ার সার্ভিসের প্রধান ফ্রান্সিসকো কারমোনা RTভিতে বলেন, “উদ্ধার কাজ অত্যন্ত কঠিন ও ঝুঁকিপূর্ণ।”

    প্রভাবের কারণে, স্পেনের মাদ্রিদ ও আন্দালুসিয়া মধ্যকার সব রেল যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। সোমবার এই রুটে ট্রেন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।

    বেসরকারি রেল কোম্পানি ইরিও জানায়, মালাগা থেকে আসা ট্রেনটিতে প্রায় ৩০০ যাত্রী ছিলেন, এবং রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন রেনফে পরিচালিত ট্রেনটিতে ছিলেন প্রায় ১০০জন।

    এখনো দুর্ঘটনার সঠিক কারণ জানা যায়নি। পরিবহনমন্ত্রী জানাতে পারেন, এই তদন্তের ফলাফল পেতে কমপক্ষে এক মাস সময় লাগবে।

    স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ এই ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, এটি দেশের জন্য ‘গভীর বেদনার মুহূর্ত’। পাশাপাশি রাজার ফেলিপে ষষ্ঠ ও রানি লেতিসিয়া নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

    উল্লেখ্য, চীনের পর বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম উচ্চগতির রেল নেটওয়ার্ক স্পেনের। এই রেল ব্যবস্থা দেশের ৫০টির বেশি শহরকে সংযোগ করেছে।