Blog

  • সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ জনকে আজ হাজির করা হচ্ছে ট্রাইব্যুনালে

    সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ জনকে আজ হাজির করা হচ্ছে ট্রাইব্যুনালে

    জুলাই-আগস্টের গণহত্যার মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হচ্ছে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ আসামিকে। 

    আজ সোমবার সকালে কড়া নিরাপত্তায় তাদেরকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হবে। এদিকে গণহত্যার মামলার তদন্তের সময় বৃদ্ধির জন্য আবেদন জানাবে তদন্ত সংস্থা। সংস্থার পক্ষে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট এম তাজুল ইসলাম আজ এ আবেদন জানাবেন। বিচারপতি মো. গোলাম মূর্তজা মজুমদারের সভাপতিত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালে আবেদনের উপর শুনানি হবে। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

    ট্রাইব্যুনালে যাদেরকে হাজির করা হচ্ছে এরা হলেন: আনিসুল হক, ড. আব্দুর রাজ্জাক, শাজাহান খান, সালমান এফ রহমান, গোলাম দস্তগীর গাজী, কামাল আহমেদ মজুমদার, লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান, ড. দীপু মনি, রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু, জুনাইদ আহমেদ পলক, তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী (বীর বিক্রম), সাবেক বিচারপতি এইচ এম শামসুদ্দীন চৌধুরী মানিক ও সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিব জাহাঙ্গীর আলম।

    এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট এম তাজুল ইসলাম ইত্তেফাককে বলেন, গণহত্যার মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারিকৃতদের মধ্যে গ্রেফতার হওয়া ১৪ অভিযুক্তকে আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করার জন্য আদেশ রয়েছে। ঐ আদেশ মোতাবেক কারা কর্তৃপক্ষ তাদেরকে হাজির করবে। তিনি বলেন, গণহত্যার মামলা তদন্তের জন্য সময় দিয়েছিল ট্রাইব্যুনাল। যেহেতু তদন্ত শেষ হয়নি সেহেতু সময় বৃদ্ধির আবেদন দেওয়া হবে। কোটা সংস্কার ও সরকার পতনের আন্দোলন দমাতে নিরস্ত্র ছাত্র-জনতাকে সমূলে বা আংশিক নির্মূলের লক্ষ্যে হত্যা, গণহত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের মামলায় গত ১৭ অক্টোবর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সরকারের সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে ট্রাইব্যুনাল। ২৭ অক্টোবর পরোয়ানাভুক্তদের মধ্যে ২০ জনকে ট্রাইব্যুনালের মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। এদের মধ্যে ১৪ জনকে আজ এবং ছয় পুলিশ কর্মকর্তা সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন, বরখাস্ত মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, সাবেক ঢাকা জেলার এডিসি (এসপি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত ছিলেন) আব্দুল্লাহ হিল কাফী, সাবেক এডিসি আরাফাতুল ইসলাম, যাত্রাবাড়ী থানার সাবেক ওসি আবুল হাসান এবং গুলশান থানার সাবেক ওসি মাজহারুল ইসলামকে ২০ নভেম্বর ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ রয়েছে। এদিকে ২৭ অক্টোবর ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, র‍্যাবের সাবেক ডিজি হারুন-অর রশিদ, এসবির সাবেক প্রধান মনিরুল ইসলাম, ডিবির সাবেক প্রধান হারুনুর রশিদ, বিপ্লব কুমার সরকার, সাবেক এডিসি ইকবাল হোসেনসহ আরো ১৭ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করা হয়।

    তদন্ত সংস্থা ও প্রসিকিউশনের অভিযোগে যা বলা হয়েছে : কোটা সংস্কারের অহিংস আন্দোলন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সহিংস হয়ে উঠে। একই সঙ্গে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরস্ত্র ছাত্র-ছাত্রীদের ওপর নির্মমভাবে হামলা চালায়। এই হামলার ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকাসহ দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামে। সংঘর্ষ হয় ছাত্রলীগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে। ১৬ জুলাই রংপুরে পুলিশের গুলিতে শিক্ষার্থী আবু সাঈদসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আরও ছয় জন মারা যান। ফলে কোটা সংস্কার আন্দোলন সরকার পতনের আন্দোলনে রূপ নেয়। এই আন্দোলনে একসময় শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ যোগ দেয়। কমপ্লিট শাটডাউন, অসহযোগ আন্দোলন দমাতে জারি করা হয় কারফিউ। কিন্তু তাতে দমে যায়নি ছাত্র-জনতা। এই ছাত্র-জনতাকে সমূলে বা আংশিক নির্মূলের উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ নির্দেশনায় নির্বিচারে গুলি চালায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এর সঙ্গে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠন এবং ১৪ দলীয় জোটের ক্যাডার বাহিনী যোগ দেয়। এতে দেড় সহস্রাধিক ছাত্র-জনতাকে হত্যা করা হয়। আহত হয় ২৩ হাজারের অধিক শিক্ষার্থী ও জনতা। আহত অনেকে চিরতরে পঙ্গু ও দৃষ্টি শক্তি হারিয়েছেন।

    এর পরেও দমানো যায়নি আন্দোলনকারীদের। তারা ৫ আগস্ট গণভবনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। পদত্যাগ করে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পরেও পূর্ব নির্দেশনা অনুযায়ী ঐদিন গভীর রাত পর্যন্ত হত্যা, গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী এবং ১৪ দলীয় জোটের ক্যাডাররা। এসব অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে জুলাই-আগস্ট গণহত্যার মামলায়।

    প্রসঙ্গত গণঅভ্যুত্থানের মুখে গত ৫ আগস্ট দেশত্যাগ করেন শেখ হাসিনা। ৮ আগস্ট নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যাত্রা শুরু করে। এরপর ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, এমপি, বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে শত শত হত্যা মামলা দায়ের হয়। এর মধ্যে বেশ কিছু মামলায় গ্রেফতার হয়ে আগস্ট মাস থেকে কারাগারে আছেন ট্রাইব্যুনালের পরোয়ানাভুক্ত আসামিরা। অক্টোবর মাসে সরকার পুনর্গঠন করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। শেখ হাসিনাসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির মধ্য দিয়ে গত ১৭ অক্টোবর যাত্রা শুরু করে ট্রাইব্যুনাল। ইতিমধ্যে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রেড অ্যালার্ট জারি করতে ইন্টারপোলের কাছে চিঠি দিয়েছে চিফ প্রসিকিউটর।

  • দীপু মনির সুপারিশে মাউশিতে তিন হাজার পদায়ন

    দীপু মনির সুপারিশে মাউশিতে তিন হাজার পদায়ন

    সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির ইশারায় নিয়োগ পান প্রায় তিন হাজার ১৮৩ কর্মকর্তা-কর্মচারী। দীপু মনি সিন্ডিকেটের বলয়ে তারা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) চাকরি পান। এর জন্য উচ্চ মহলের সুপারিশসহ তাদের দিতে হয়েছে ৫ থেকে ১৫ লাখ টাকা। নিয়োগের জন্য যাচ্ছেতাইভাবে পরীক্ষা নেয়া হয় তাদের জন্য। দীপু মনির আমলে চার হাজার ১০৯ জনকে নিয়োগ দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। এখনো চাকরির অপেক্ষায় রয়েছেন ৬১০ জন।

    মাউশি’র এই নিয়োগ পুরোটা সামলেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনির ভাই ডা. জে আর ওয়াদুদ টিপু ও চাঁদপুর পুরান বাজার ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ রতন কুমার মজুমদার। অভিযোগ রয়েছে এই চক্রটির খাতা কলমে বৈধতা দেয়ার কাজ করে গেছেন মাউশি’র কলেজ ও প্রশাসন শাখার পরিচালক শাহেদুল খবির চৌধুরী, প্রশাসন শাখার উপ-পরিচালক বিপুল চন্দ্র বিশ্বাস। বর্তমানে এই দুই কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। টাকার বিনিময়ে নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তারা ২০২৩ সালে দু’দফায় (আগস্ট ও নভেম্বরে) যোগদান করেন।

    মাউশি’র একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীপু মনি শিক্ষার দায়িত্ব হাতে পাবার পরই গড়ে তোলেন সিন্ডিকেট। মাউশিতে নিয়ে আসেন পছন্দের লোকদের। জনপ্রশাসন থেকে নিয়োগের ছাড়পত্র এনে তার আমলে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করেন। এই চক্র এতটাই শক্তিশালী ছিল যে, কেউ প্রশ্ন করার সাহস পর্যন্ত ছিল না। পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন অনেকেই। পরীক্ষায় এমসিকিউ বাতিল করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ’র অধীনে লিখিত পরীক্ষা নেয়ার দাবি তোলা হয়েছিল। কিন্তু তা আমলেই নেয়া হয়নি। এমনকি ভাইবার আগেই এসব প্রার্থীদের দেয়া হয়েছিল চাকরির নিশ্চয়তা।

    সুপারিশের প্রেক্ষিতে চার হাজার ১০৯ জনকে নিয়োগ দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু নানা জটিলতায় আটকে যায় ৬১০ জনের পদায়ন। তবে তাদের পদায়নের জন্য চলতি বছরের জুনে ফল প্রকাশ করা হয়। কিন্তু ছাত্র-জনতার আন্দোলনের তোড়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। যার কারণে আটকে আছে তাদের নিয়োগ। নিয়ম অনুযায়ী দশম থেকে দ্বাদশ গ্রেড পর্যন্ত দ্বিতীয় শ্রেণির পদ, কিন্তু মাউশি’র নিয়োগবিধিতে এই পদগুলোকে তৃতীয় শ্রেণির দেখিয়ে শুধু এমসিকিউ পরীক্ষা নেয়া হয়। ২০২০ সালের অক্টোবরে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে ২৮টি ক্যাটাগরির বিভিন্ন পদের মধ্যে প্রদর্শক পদে ৫১৪টি, গবেষণা সহকারী (কলেজ) পদে ২১টি, সহকারী গ্রন্থাগারিক কাম ক্যাটালগার পদে ৬৯টি এবং ল্যাবরেটরি সহকারী পদে ৬টি পদ উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এসব পদের বিপরীতে পরীক্ষা ২০২১ সালের আগস্ট ও অক্টোবরে অনুষ্ঠিত হয়। পরিদর্শক পদের ফল অনিবার্যকারণবশত স্থগিত করা হয়েছিল। সেই পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয় ২০২৪ সালের এপ্রিলে। এতে প্রায় আট হাজার প্রার্থী উত্তীর্ণ হন। মে মাসে ভাইবা শেষে জুনে নির্বাচিতদের ফল প্রকাশ করা হয়। কিন্তু পরবর্তীতে পরিস্থিতির কারণে আটকে আছে এই ৬১০ জনের নিয়োগ। চাকরি পাওয়াদের মধ্যে রয়েছেন কম্পিউটার অপারেটর ৯ জন, উচ্চমান সহকারী ৮৫ জন, ক্যাশিয়ার ১১৯ জন, স্টোরকিপার ৫০ জন, হিসাব সহকারী ১০৬ জন, অফিস সহকারী ৫১৩ জন, মেকানিক ৩৩ জন, গাড়িচালক ১১ জন, বুক সর্টার ৪৬ জন, অফিস সহায়ক ১৭০৪ জন, নিরাপত্তা প্রহরী ২৪৭ জন, মালী ৯৭ জন, পরিচ্ছন্নকর্মী ১৬৩ জন। অন্যদিকে তালিকায় নিয়োগের অপেক্ষায় রয়েছেন প্রদর্শক পদে পদার্থবিদ্যায় ১০৯ জন, রসায়নে ১২০ জন, জীববিজ্ঞানে ৩১ জন, প্রাণিবিদ্যায় ১০৯ জন, উদ্ভিদবিদ্যায় ৯৬ জন, ভূগোলে ১৩ জন, মৃত্তিকায় ৫ জন, গণিতে ২২ জন, গার্হস্থ্য বিজ্ঞানে ৮ জন, কৃষিতে একজন, গবেষণা সহকারী (কলেজ) ২১ জন, সহকারী গ্রন্থাগারিক ৬৯ জন এবং ল্যাবরেটরি সহকারী ৬ জন।

    এই নিয়োগের বিষয়ে জানতে চাইলে মাউশি মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর এবিএম রেজাউল করীম বলেন, তালিকা ধরে নিয়োগের বিষয়টি আমার জানা নেই। আমি নিয়োগ প্রক্রিয়ার সময়ে দায়িত্বেও ছিলাম না। এটা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন। মন্ত্রণালয় থেকে কোনো নির্দেশনা দেয়া হলে সেটি বাস্তবায়ন করা হবে।

  • আবু সাঈদ হত্যার ট্রাইব্যুনালের রায় যেকোনো দিন

    আবু সাঈদ হত্যার ট্রাইব্যুনালের রায় যেকোনো দিন

    চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার মামলায় মানবতাবিরোধী অপরাধের বিষয়টি উল্লেখ করে প্রসিকিউশনের এবং আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ হয়েছে। এই মামলার রায় ঘোষণা করার জন্য ট্রাইব্যুনাল এখন প্রস্তুত, এবং তা যেকোনো দিন ঘোষণা হতে পারে।

    মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিরের নেতৃত্বে দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। অপর সদস্য হিসেবে ছিলেন বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

    অভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার এই মামলায় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে বিচার চলমান ছিল। যুক্তিতর্কের শেষ বক্তব্যের পর এখন রায় দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে, যা যেকোনো সময়ে ঘোষণা হতে পারে বলে জানা গেছে।

    মঙ্গলবার সকালেই বিচার কার্যালয়ে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে ছিলেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলামসহ আরও কিছু আইনজীবী। অপরদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবীরা ছিলেন অ্যাটর্নি আজিজুর রহমান দুলু, আবুল হাসান ও অন্যরা।

    গত ২১ জানুয়ারি থেকে যুক্তিতর্কের কার্যক্রম শুরু হয় এবং ২৫ জানুয়ারি শেষ হয়। এই তিন দিনের মধ্যে মামলার সব গুরুত্বপূর্ণ দিক বিশ্লেষণ করা হয়। সাথে ট্রাইব্যুনালে প্রদর্শন করা হয় বেরোবি ক্যাম্পাসের মূল ফটকের CCTV ফুটেজ, যা juli ২০২৪ সালে আবু সাঈদ হত্যার সময় ধারণ করা হয়। এই ভিডিওগুলো থেকে আসামিরা কোথায় ছিলেন এবং তাদের কার্যক্রম বিস্তারিতভাবে শনাক্ত করা হয়। প্রসিকিউশনের দাবি, মামলায় ৩০ আসামির সর্বোচ্চ সাজা দাবি করা হয়েছে।

    অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাদের মক্কেলদের বেকসুর খালাসের জন্য যুক্তি উপস্থাপন করেন।

    আজ সকালেই কারাগার থেকে ছয় আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। এরা হলেন– এএসআই আমির হোসেন, সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়, ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী, রাফিউল হাসান রাসেল ও আনোয়ার পারভেজ। তবে, আরও ২৪ জন পলাতক রয়েছেন, যার মধ্যে বেরোবির সাবেক ভিসি হাসিবুর রশীদ রয়েছেন।

    প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে এ মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয় ২০২২ সালের আগস্টে। এর আগে, ৬ আগস্ট, মামলার ৩০ আসামির বিরুদ্ধে ফরমাল চার্জ গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল-২। পলাতক আসামিদের জন্য স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী নিয়োগের প্রক্রিয়া চলমান ছিল। তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনও জমা দেওয়া হয় ২৪ জুন, যা মামলার গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত।

  • নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা ও ডিম ছোড়ার অভিযোগ

    নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা ও ডিম ছোড়ার অভিযোগ

    ঢাকা-৮ আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী অভিযোগ করেছেন, তাকে আবারও ডিম ছুড়ে মারা হয়েছে এবং হামলার চেষ্টা করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে শান্তিনগর হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজে নির্বাচনি প্রচারণার জন্য যাওয়ার পথে তাকে এই হামলার শিকার হতে হয়। খবর অনুযায়ী, তিনি সকার থেকে শান্তিনগরের মাঝখানে তার নির্বাচনি প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। এর সময় হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজের সামনে গেলে কিছু দুর্বৃত্ত তাকে ডিমের আঘাতে আঘাত করে। পরিস্থিতি খারাপ দেখে তিনি তৎক্ষণাৎ ক্যাম্পাসের ভেতরে প্রবেশ করেন এবং সেখানে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি বলেন, আমি আজ আমার ওপর ডিম ছোড়া হয়েছে, হামলারও চেষ্টা করা হয়েছে। আমাদের জন্য এমন বাংলাদেশ আমরা চাই না। আমরা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই। হারানোর ভয়ে এইসব সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চালানো হচ্ছে। তিনি জনগণের কাছে আহ্বান জানিয়ে বলেন, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বাতিল করুন। মির্জা আব্বাসকে উদ্দেশ্য করে বলেন, সন্ত্রাস বন্ধ করুন। হাবিবুল্লাহ কলেজ মাঠে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চলাচ্ছে—এ বিষয়ে প্রশাসনকে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। ভোটের দিন ১২ তারিখে সবাই যেন একত্রিত হয়ে গণজোয়ার সৃষ্টি করে দেশের জন্য নতুন সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানাই। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থে সব সন্ত্রাস ও গুন্ডামি রুখে দেবো। আমি সকলের কাছে অনুরোধ করব, সন্ত্রাস বন্ধ করুন ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য কাজ করুন। দুপুর ২টায় ডিম ছোড়ার প্রতিবাদে ফকিরাপুলে দলের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন এবং বিকেল চারটায় বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দেন নাসির উদ্দীন পাটওয়ারী।

  • রংপুর-১ থেকে জাতীয় পার্টির প্রার্থী মঞ্জুম আলীর মনোনয়ন বাতিল

    রংপুর-১ থেকে জাতীয় পার্টির প্রার্থী মঞ্জুম আলীর মনোনয়ন বাতিল

    রংপুর-১ আসনে দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগে আজিমপুর উচ্চ আদালত তার মনোনয়নপত্র বাতিল করে দিয়েছে। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগ হাইকোর্টের আদেশ বহাল রেখেছে, ফলে তিনি এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না।

    মঙ্গলবার ২৭ জানুয়ারি প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন এই আপিল বেঙ্গে এই আদেশ দেন। শুনানিতে মঞ্জুম আলীর পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম, মোহাম্মদ হোসেন লিপু, সৈয়দ মামুন মাহবুব ও ব্যারিস্টার শামিম হায়দার পাটোয়ারী। বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল।

    এ সময় বদরুদ্দোজা বাদল বলেন, ২১ জানুয়ারি হাইকোর্ট রংপুর-১ আসনের (গঙ্গাচড়া ও রসিকের ১-৯ নম্বর ওয়ার্ড) প্রার্থী ব্যারিস্টার মঞ্জুম আলীর মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করেন। আপিল বিভাগ এই আদেশকে বহাল রেখেছে।

    উল্লেখ্য, ১৭ জানুয়ারি এই আসনে মঞ্জুম আলীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা হয়েছিল। এরপর নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তিনি হাইকোর্টে রিট করেন।

    জানা যায়, নির্বাচনের আশেপাশে ব্যাপক আলোচনা ও অভিযোগের মধ্যে, দ্বৈত নাগরিকত্বের উল্লেখ থাকা নিয়ে মনোনয়নপত্রের যাচাই-বাছাইয়ে রংপুরের রিটার্নিং কর্মকর্তা মনোনয়ন বাতিল করেন। এরপর তিনি এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন।

    শুনানির সময় প্রথমে মনোনয়নপত্র বাতিল হয়ে গেলে, পরে আবার পুনর্বিবেচনার আবেদন করে মঞ্জুম আলী। ১৭ জানুয়ারি এই আবেদন বিবেচনায় এসে তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়।

    রংপুর-১ আসনে এই অভিযোগের পাশাপাশি অন্যান্য প্রার্থীর মধ্যে রয়েছেন– বিএনপির মোকাররম হোসেন সুজন, জামায়াতে ইসলামীর রায়হান সিরাজী, ইসলামী আন্দোলনের এটিএম গোলাম মোস্তফা, এনসিপির আল মামুন, গণঅধিকার পরিষদের হানিফুর রহমান, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের আহসানুল আরেফিন, ইসলামিক ফ্রন্টের মো. আনাস ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মো. মমিনুর রহমান।

  • কারাবন্দিদের বৈষম্য ও মানবাধিকার নিশ্চিতের importance: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    কারাবন্দিদের বৈষম্য ও মানবাধিকার নিশ্চিতের importance: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী কারাবন্দিদের নিরাপত্তা ও মানবাধিকার সংরক্ষণে গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি বলেছেন, কারাগারে বন্দিদের মৌলিক মানবাধিকার রক্ষা ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। এই কাজের মাধ্যমে তারা সংশোধিত নাগরিক হিসেবে সমাজে ফিরতে পারে। তিনি বলেন, কারা নিরপত্তার পাশাপাশি মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে, কেননা এই দুই বিষয় পরস্পর পরিপূরক। এর জন্য প্রশিক্ষিত, মানবিক ও দায়িত্বশীল কারারক্ষীদের ভূমিকা অপরিহার্য।

  • চট্টগ্রামে র‍্যাব কর্মকর্তা হত্যাকাণ্ডের মামলায় আরও দুই আসামি গ্রেফতার

    চট্টগ্রামে র‍্যাব কর্মকর্তা হত্যাকাণ্ডের মামলায় আরও দুই আসামি গ্রেফতার

    চট্টগ্রামের জঙ্গি আক্রমণে আলোচিত জঙ্গল সলিমপুরে নিহত র‍্যাব-৭ এর উপ-সহকারী পরিচালক মোতালেব হোসেন ভূঁইয়া হত্যা মামলার অন্যতম আসামি মো. মিজান ও তার সহযোগীকে র‍্যাব-৭ গ্রেফতার করেছে। এ নিয়ে মোট তিনজন আসামিকে গ্রেফতার করা হলো। র‌্যাব-৭ এর পক্ষ থেকে মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সকালের তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

    এর আগে, শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে একই মামলায় অভিযুক্ত কালা বাচ্চুকে জঙ্গল সলিমপুরের ছিন্নমূল এলাকার একটি বাজার থেকে গ্রেফতার করেন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা। এর আগে, সোমবার (১৯ জানুয়ারি) চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গি সলিমপুরে অভিযানের সময়ে র‍্যাবের কর্মকর্তা ও সদস্যরা হামলার শিকার হন। ওই দিন বিকেলে পতেঙ্গা ব্যাটালিয়নের এক র‍্যাব টিম আসামি গ্রেফতারের জন্য অভিযান চালানোর সময়ে স্থানীয় দুর্বৃত্তরা তাদের আড়াল করে বেদম মারপিট করে। ওই হামলায় চট্টগ্রাম র‍্যাবের উপ-সহকারী পরিচালক মো. তওহীদ নিহত হন। এছাড়াও চারজন আহত হন, যারা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। উল্লেখ্য, নিহত তওহীদ র‍্যাবের ডেপুটেশনে বিজিবি থেকে যোগ দিয়েছিলেন।

    বিশ্লেষকদের মতে, গত বছর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের পর পাহাড় দখল নিয়ে সশস্ত্র সংঘর্ষ ও অঘোষিত অস্থিরতা বেড়েছে। এ সময় ব্যাপক হত্যাকাণ্ড ও সাংবাদিকদের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। প্রশাসন বারবার অভিযান চালালেও, পাহাড়ি এলাকাগুলিতে নিরাপত্তা ও ভৌগোলিক প্রতিবন্ধকতার কারণে কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সরকারি খাস জমিতে কারাগার, আইটি পার্কসহ কয়েকটি বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা থাকলেও জমির স্বার্থ উদ্ধার না হওয়ায় কোন প্রকল্পই এখনো অগ্রসর হয়নি।

  • ভোটকেন্দ্রে সাংবাদিকদের বাধা নিষেধ, নিরাপত্তা নিশ্চিতের নির্দেশ ইসির

    ভোটকেন্দ্রে সাংবাদিকদের বাধা নিষেধ, নিরাপত্তা নিশ্চিতের নির্দেশ ইসির

    নির্বাচন কমিশন (ইসি) সোমবার একটি পরিপত্র জারি করে জানিয়েছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণমাধ্যমকর্মীদের সংবাদ সংগ্রহে কোনোভাবে বাধা দেওয়া যাবে না এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে সাংবাদিকদের নির্বিঘ্নে কাজ করার সুযোগ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সম্পূর্ণ সহযোগিতা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরিপত্রের কপি বিভাগীয় কমিশনার, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকদের পাঠানো হয়েছে।

    পরিপত্রে মূল নির্দেশনাগুলো সংক্ষেপে এমন—

    ১) অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য নির্বাচনী সংবাদ সংগ্রহে নিয়োজিত সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীদের সুবিধার্থে ইসি সাংবাদিক নীতিমালার নিয়ম অনুযায়ী পরিচয়পত্র জারি করবে।

    ২) গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের অনুচ্ছেদ ২৯(গ) অনুযায়ী রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমোদনপ্রাপ্ত সাংবাদিকরা তাদের পরিচয়পত্রসহ নির্বাচনী সংবাদ সংগ্রহের দায়িত্ব পালন করবেন।

    ৩) নীতিমালা-২০২৫ অনুযায়ী ইসি প্রদত্ত বৈধ কার্ডধারী সাংবাদিকরা সরাসরি ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন।

    ৪) সাংবাদিক পরিচয়পত্র ও গাড়ির স্টিকারের জন্য প্রার্থী/গণমাধ্যমকর্মীরা https://pr.ecs.gov.bd/ পোর্টালে আবেদন করতে পারবেন। অনুমোদিতরা অনলাইনে নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য সম্বলিত কিউআরকোড/হলোগ্রামযুক্ত পরিচয়পত্র ও গাড়ির স্টিকার ডাউনলোড করে মুদ্রণ করতে পারবেন; এ বিষয়ে পরে বিস্তারিত নোটিফিকেশনের মাধ্যমে জানানো হবে।

    ৫) নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ পরিচয়পত্র ও গাড়ির স্টিকারের যথার্থতা যাচাই করার অধিকার রাখবেন।

    ৬) গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের অনুচ্ছেদ ৮৪(ক) অনুযায়ী, নির্বাচনী সংবাদ সংগ্রহে নিয়োজিত অনুমোদিত কোনো সাংবাদিককে কেউ বাধা দিলে বা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে, তাকে শারীরিক বা সরঞ্জামগত ক্ষতি করলে/কোরে করার চেষ্টা করলে সে ব্যক্তি অপরাধী বিবেচিত হবে এবং যথাযথ শাস্তিতে দণ্ডিত হবেন।

    ৭) ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে সাংবাদিকদের কাজ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ভোটকেন্দ্রে নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পূর্ণ সহযোগিতা প্রদান করবে।

    ৮) ভোটকেন্দ্রে সংবাদ সংগ্রহের সময় জায়গার সীমাবদ্ধতা বিবেচনা করে প্রিজাইডিং অফিসার সংবাদকর্মীদের সঙ্গে সমঞ্জসতা রেখে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের অনুকূল পরিবেশ বজায় রাখতে সহায়তা করবেন।

    ইসি উল্লেখ করেছে যে সাংবাদিকরা নির্দিষ্ট পরিচয়পত্র বহন করলে তাদের কাজ করতে বিবিধ অপ্রত্যাশিত বাধার মুখে পড়তে হবে না এবং বাধা প্রদানকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

  • কারাবন্দিদের প্যারোলে মুক্তি: নতুন নীতিমালা জারি

    কারাবন্দিদের প্যারোলে মুক্তি: নতুন নীতিমালা জারি

    সরকার কারাবন্দিদের প্যারোলে মুক্তি সংক্রান্ত নতুন নীতিমালা জারি করেছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কারা-২ শাখা থেকে প্রকাশিত এই নির্দেশিকায় প্যারোলে মুক্তির শর্ত, সময়সীমা এবং মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষের ক্ষমতা স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে।

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহকারী কারা মহাপরিদর্শক (উন্নয়ন) মো. জান্নাত-উল ফরহাদ সোমবার (২৬ জানুয়ারি) একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছেন।

    নতুন নীতিমালার মূল দিকগুলো প্রতিবেদনটিতে নিম্নরূপ উপস্থাপিত করা হয়েছে:

    1. সাধারণ নীতি:

    – ভিআইপি বা অন্যান্য শ্রেণির কয়েদি/হাজতি বন্দিদের নিকট আত্মীয়—যেমন বাবা-মা, শ্বশুর-শাশুড়ি, স্বামী/স্ত্রী, সন্তান এবং আপন ভাইবোন—মৃত্যু হলে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য প্যারোলে মুক্তি দেওয়া যাবে।

    – এছাড়া কোনো আদালতের আদেশ বা সরকারের বিশেষ সিদ্ধান্ত থাকলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনক্রমে অতিরিক্ত পরিস্থিতিতেও প্যারোল মঞ্জুর করা যেতে পারে। উভয় ক্ষেত্রেই প্যারোল মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তা ও দূরত্ব বিবেচনায় সময় নির্ধারণ করবেন।

    2. পুলিশ প্রহরা:

    – প্যারোলে মুক্ত থাকা অবস্থায় বন্দিকে সার্বক্ষণিক পুলিশ প্রহরায় রাখতে হবে।

    3. সময়সীমা:

    – প্যারোলের অনুমোদিত সময়সীমা সাধারণত ১২ ঘণ্টার বেশি হবে না। তবে বিশেষ পরিস্থিতিতে সরকার সময়সীমা বাড়ানো বা কমানোর ক্ষমতা সংরক্ষণ করবে।

    4. ভ্রমণ ও মঞ্জুরির এলাকা:

    – কোনো বন্দি যদি তার নিজের জেলার কেন্দ্রীয়/জেলা/বিশেষ কারাগার বা সাব-জেলে আটক থাকেন, তবে মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষ ঐ জেলার ভেতরে যেকোনো স্থানে প্যারোল মঞ্জুর করতে পারবেন।

    – যদি বন্দি তার নিজের জেলায় না থেকে অন্য জেলায় আটক থাকেন, তাহলে গন্তব্যের দূরত্ব বিবেচনায় মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষ প্যারোল মঞ্জুর করতে পারবেন। তবে দুর্গম এলাকা, যোগাযোগ ব্যবস্থা, দূরত্ব ও নিরাপত্তাসহ অন্যান্য বিষয় বিবেচনায় নিয়ে কর্তৃপক্ষ প্যারোল মঞ্জুর বা না-মঞ্জুর করার সিদ্ধান্ত নেবেন।

    5. কারাগারে ফেরত পাঠানো:

    – কারাগারের ফটকে পুলিশ প্যারোলে মুক্ত বন্দিকে গ্রহণ করে অনুমোদিত সময়সীমার মধ্যে তাকে পুনরায় কারাগারে ফিরিয়ে আনবেন।

    6. প্যারোল মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষ:

    – সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট প্যারোল মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষ হিসেবে বিবেচিত হবেন।

    7. পূর্বের নীতিমালার বাতিল:

    – ২২-০৯-২০০৭ ও ০৪-০৩-২০১০ তারিখে কারা-২ শাখা থেকে জারি করা পূর্ববর্তী নীতিমালা দুটি বাতিল করা হয়েছে (স্মারক নং যথাক্রমে স্ব: ম:(কারা-২)/বিবিধ-১৬/২০০৭/৩৮৮ ও স্ব: ম:(কারা-২) বিবিধ-১৬/২০০৭/৭৭)।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বর্ণিত নতুন নীতিমালা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নতুন নির্দেশনাটি নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক বিবেচনা মাথায় রেখে প্যারোল প্রক্রিয়া আরও সুসংগঠিত করবে বলে মন্ত্রণালয় আশা করছে।

  • শফিকুর রহমান: নারীদের প্রতি কুদৃষ্টি দেখলে চোখ উপড়ে ফেলা হবে

    শফিকুর রহমান: নারীদের প্রতি কুদৃষ্টি দেখলে চোখ উপড়ে ফেলা হবে

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাঃ শফিকুর রহমান বলেছেন, তারা এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চান যেখানে নারীদের মর্যাদা নিশ্চিত থাকবে। এজন্য তিনি সতর্ক করে বলেন — নারীদের প্রতি কুদৃষ্টি দেখলে সেই চোখ উপড়ে ফেলা হবে।

    সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ঝিনাইদহ শহরের ওয়াজির আলী হাইস্কুল মাঠে আয়োজিত বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ মন্তব্য করেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা ও উপজেলার হাজারো নেতা-কর্মী ও শুভাশ্রয়ী। সংগঠনের পক্ষ থেকে শহীদ হাদি ওসমানের ইনকিলাব মঞ্চসহ সেখানে উপস্থিত সবাইকে তিনি ধন্যবাদ জানালো।

    বক্তব্যে শফিকুর রহমান মায়েদের ত্যাগের কথা স্মরণ করে বলেন, ‘‘মায়েদের ঋণ আমরা কখনো শোধ করতে পারব না। তাদের দিকে যারা খারাপ দৃষ্টিতে তাকাবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর হওয়া হবে।’’ তিনি বলেন, গত আন্দোলনে অনেকেই স্বামী, স্ত্রী, সন্তান, বোন ও পিতা হারিয়েছেন; তাদের কষ্ট তিনি স্পষ্টভাবে তুলে ধরেন এবং বলেন যারা কথাগুলো বলেছে তাদেরই পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে নির্মম আচরণ হয়েছে।

    তিনি আরও অভিযোগ করেন, অনেক মানুষকে তুলে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে, কিছু পরিবারের এখনও তাদের প্রিয়জনের খোঁজ পাওয়া যায়নি। ‘‘অপরাধ ছিলো শুধু অন্যায়-অপশাসনের বিরুদ্ধে কথা বলা—এই অভিযোগ তুলে কুসংস্কার ও অবিচারের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেন আমির।’’

    শফিকুর রহমান বলেন, বিভিন্ন স্থানে জোর করে পকেট কাটা, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির অভিযোগ আছে; তিনি এসব ফিরে না পেলে কঠোর আচরণ করা হবে বলে জোর দেন। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে জামায়াত ক্ষমতায় এলে দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো হবে, চাঁদাবাজি বন্ধ করা হবে এবং বেকারদের জন্য যোগ্যতা ভিত্তিক কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।

    তিনি বলেন, প্রত্যেক জেলায় মেডিকেল কলেজ স্থাপন করা হবে এবং শুধুমাত্র কলেজ না রেখে উন্নত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনবল গড়ে তোলা হবে। বেকারদের ভাতা দিয়ে অপমান করা হবে না, তাদের যোগ্যতা স্বীকার করে চাকুরি ও প্রশিক্ষণের সুযোগ দেয়া হবে—এই প্রতিশ্রুতি তিনি দেন।

    সমাবেশে কেন্দ্রীয় নেতারা ও স্থানীয় প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। বাবস্থাপনা করেন ঝিনাইদহ জেলা জামায়াতের আমির ও ঝিনাইদহ-২ আসনের জোট প্রার্থী মাওলানা আলী আজম মো. আবু বকর। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জামায়াত কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও যশোর–কুষ্টিয়া অঞ্চলের পরিচালক মোবারক হোসাইন। পাশাপাশি ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) প্রার্থী এএসএম মতিউর রহমান, ঝিনাইদহ-৩ (কোটচাঁদপুর ও মহেশপুর) প্রার্থী অধ্যাপক মতিয়ার রহমান এবং ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ ও সদর কিছু ইউনিয়ন) প্রার্থী মাওলানা আবু তালিবও বক্তব্য দেন।

    জনসভায় মানুষের ঢল এতটাই ছিল যে সকাল থেকেই বিভিন্ন এলাকা থেকে নেতাকর্মীরা আসে এবং বিকেলে মাঠ জনসঘন হয়ে ওঠে; বিভিন্ন বাহনে আনাগোনা করার ফলে শহরে এক ধরনের যানজটও তৈরি হয়েছিল। চুয়াডাঙ্গা থেকে আমিরের আগমন সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় এবং তিনি ৬টা ৫৫ মিনিটে মঞ্চে এসে প্রস্তাবিত রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি ও নীতিগুলো তুলে ধরেন।

    বক্তৃতা শেষে তিনি জেলা পর্যায়ের চার প্রার্থীর পরিচয় করিয়ে দান করেন ও তাদের হাতে দাড়িপাল্লা তুলে দেন।

  • চরমোনাই পীর: ইনসাফ প্রতিষ্ঠার নামে দেশে ধোঁকাবাজি চলছে

    চরমোনাই পীর: ইনসাফ প্রতিষ্ঠার নামে দেশে ধোঁকাবাজি চলছে

    ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (চরমোনাই পীর) বলেছেন, বর্তমানে দেশে ‘ইনসাফ প্রতিষ্ঠার’ নাম ধরে ধোঁকাবাজি চলছে। তিনি বলেন, যে নিয়মনীতি চালুর চেষ্টা করা হচ্ছে, তা মূলত যুক্তরাষ্ট্রের নীতির অনুকরণে গড়া।

    সোমবার দুপুরে শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার নতুন বাসস্ট্যান্ড মাঠে আয়োজিত একটি নির্বাচনী পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    চরমোনাই পীর বলেন, “যে নীতিমালা এখন চালুর চেষ্টা হচ্ছে, তা Амерিকার নীতির অনুকরণে। এসব নীতির মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রকৃত ইনসাফ প্রতিষ্ঠা কখনোই সম্ভব নয়।” তিনি আরও জানান, ইসলামভিত্তিক ন্যায়বিচার ছাড়া দেশে স্থায়ী শান্তি ও সুষ্ঠু সুবিচার প্রতিষ্ঠা করা যাবে না।

    ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “সেই সময় দেশে যে ইসলামী পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছিল, আমি সেটাকে ইসলামের একটি ‘বাক্স’ হিসেবে দেখেছিলাম। কিন্তু এখন সেই বাক্সটি ছিনতাই হয়ে গেছে।” চরমোনাই পীর আরও দাবি করেন, “আমরা যে উদ্দেশ্যে একসঙ্গে হয়েছিলাম, সেই উদ্দেশ্য আর অবশিষ্ট নেই।”

    গণঅভ্যুত্থানের পর দেশের রাজনৈতিক পরিসর ও মানুষের প্রত্যাশার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “সেই সময় মানুষের মধ্যে ন্যায় ও ইসলামি আদর্শ প্রতিষ্ঠার ব্যাপক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই প্রত্যাশা চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে গেছে।”

    চরমোনাই পীর অভিযোগ করেন, ক্ষমতায় যারা এসেছে তারা জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে ব্যবহার করে ভিন্ন পথে রাজনীতি পরিচালনা করছে। তাই তিনি জনগণকে সতর্ক ও সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সৎ ও ধর্মভিত্তিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা না হলে দেশের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত হবে না।

  • স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড: প্রতি ভরি ২ লাখ ৫৭ হাজার ১৯১ টাকা

    স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড: প্রতি ভরি ২ লাখ ৫৭ হাজার ১৯১ টাকা

    দেশের বাজারে সোনার দাম আবারও বাড়িয়ে ইতিহাসের সর্বোচ্চ স্তর ছুঁয়ে ফেলেছে। সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেট সোনার প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) দাম ১,৫৭৪ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৭ হাজার ১৯১ টাকায়।

    বাজারে তেজাবী সোনা (পাকা সোনা) দাম বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এই বাড়তি মূল্য ঘোষণা করেছে। নতুন দাম সোমবার, ২৬ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।

    রোববার বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের বৈঠকে এ বাড়ানো মূল্যের সিদ্ধান্ত হয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডাঃ দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

    অন্যান্য মানের সোনার নতুন মূল্যও নির্ধারণ করা হয়েছে—২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১,৫১৬ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৪৫ হাজার ৫২৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনায় ১,২৮৩ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে নতুন দাম ২ লাখ ১০ হাজার ৪১৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনায় ১,০৫০ টাকা বাড়িয়ে তা হয়েছে ১ লাখ ৭২ হাজার ৯১৯ টাকা।

    সোনার পাশাপাশিও রুপার দাম বাড়ানো হয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৩৫০ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ হাজার ২৩২ টাকা, ২১ ক্যারেটের রুপার দাম ৪০৮ টাকা বাড়িয়ে ৬ হাজার ৯৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপার দাম ৩৫০ টাকা বাড়িয়ে ৫ হাজার ৯৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ২৩৩ টাকা বাড়িয়ে ৪ হাজার ৪৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    গত কয়েক সপ্তাহে সোনার দাম ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। এর আগের বৃদ্ধি হয়েছিল—২২ জানুয়ারি ৮,৩৯৯ টাকা, ২১ জানুয়ারি ৫,২৪৯ টাকা, ২০ জানুয়ারি ৪,১৯৯ টাকা, ১৫ জানুয়ারি ২,৬২৫ টাকা, ১৩ জানুয়ারি ৪,১৯৯ টাকা এবং ১১ জানুয়ারি ১,০৫০ টাকা। এই ধারাবাহিক বৃদ্ধির মধ্যেই সাম্প্রতিক এই নতুন রেকর্ড দাম স্থির করা হলো।