Blog

  • সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ জনকে আজ হাজির করা হচ্ছে ট্রাইব্যুনালে

    সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ জনকে আজ হাজির করা হচ্ছে ট্রাইব্যুনালে

    জুলাই-আগস্টের গণহত্যার মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হচ্ছে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ আসামিকে। 

    আজ সোমবার সকালে কড়া নিরাপত্তায় তাদেরকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হবে। এদিকে গণহত্যার মামলার তদন্তের সময় বৃদ্ধির জন্য আবেদন জানাবে তদন্ত সংস্থা। সংস্থার পক্ষে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট এম তাজুল ইসলাম আজ এ আবেদন জানাবেন। বিচারপতি মো. গোলাম মূর্তজা মজুমদারের সভাপতিত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালে আবেদনের উপর শুনানি হবে। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

    ট্রাইব্যুনালে যাদেরকে হাজির করা হচ্ছে এরা হলেন: আনিসুল হক, ড. আব্দুর রাজ্জাক, শাজাহান খান, সালমান এফ রহমান, গোলাম দস্তগীর গাজী, কামাল আহমেদ মজুমদার, লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান, ড. দীপু মনি, রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু, জুনাইদ আহমেদ পলক, তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী (বীর বিক্রম), সাবেক বিচারপতি এইচ এম শামসুদ্দীন চৌধুরী মানিক ও সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিব জাহাঙ্গীর আলম।

    এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট এম তাজুল ইসলাম ইত্তেফাককে বলেন, গণহত্যার মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারিকৃতদের মধ্যে গ্রেফতার হওয়া ১৪ অভিযুক্তকে আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করার জন্য আদেশ রয়েছে। ঐ আদেশ মোতাবেক কারা কর্তৃপক্ষ তাদেরকে হাজির করবে। তিনি বলেন, গণহত্যার মামলা তদন্তের জন্য সময় দিয়েছিল ট্রাইব্যুনাল। যেহেতু তদন্ত শেষ হয়নি সেহেতু সময় বৃদ্ধির আবেদন দেওয়া হবে। কোটা সংস্কার ও সরকার পতনের আন্দোলন দমাতে নিরস্ত্র ছাত্র-জনতাকে সমূলে বা আংশিক নির্মূলের লক্ষ্যে হত্যা, গণহত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের মামলায় গত ১৭ অক্টোবর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সরকারের সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে ট্রাইব্যুনাল। ২৭ অক্টোবর পরোয়ানাভুক্তদের মধ্যে ২০ জনকে ট্রাইব্যুনালের মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। এদের মধ্যে ১৪ জনকে আজ এবং ছয় পুলিশ কর্মকর্তা সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন, বরখাস্ত মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, সাবেক ঢাকা জেলার এডিসি (এসপি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত ছিলেন) আব্দুল্লাহ হিল কাফী, সাবেক এডিসি আরাফাতুল ইসলাম, যাত্রাবাড়ী থানার সাবেক ওসি আবুল হাসান এবং গুলশান থানার সাবেক ওসি মাজহারুল ইসলামকে ২০ নভেম্বর ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ রয়েছে। এদিকে ২৭ অক্টোবর ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, র‍্যাবের সাবেক ডিজি হারুন-অর রশিদ, এসবির সাবেক প্রধান মনিরুল ইসলাম, ডিবির সাবেক প্রধান হারুনুর রশিদ, বিপ্লব কুমার সরকার, সাবেক এডিসি ইকবাল হোসেনসহ আরো ১৭ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করা হয়।

    তদন্ত সংস্থা ও প্রসিকিউশনের অভিযোগে যা বলা হয়েছে : কোটা সংস্কারের অহিংস আন্দোলন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সহিংস হয়ে উঠে। একই সঙ্গে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরস্ত্র ছাত্র-ছাত্রীদের ওপর নির্মমভাবে হামলা চালায়। এই হামলার ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকাসহ দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামে। সংঘর্ষ হয় ছাত্রলীগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে। ১৬ জুলাই রংপুরে পুলিশের গুলিতে শিক্ষার্থী আবু সাঈদসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আরও ছয় জন মারা যান। ফলে কোটা সংস্কার আন্দোলন সরকার পতনের আন্দোলনে রূপ নেয়। এই আন্দোলনে একসময় শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ যোগ দেয়। কমপ্লিট শাটডাউন, অসহযোগ আন্দোলন দমাতে জারি করা হয় কারফিউ। কিন্তু তাতে দমে যায়নি ছাত্র-জনতা। এই ছাত্র-জনতাকে সমূলে বা আংশিক নির্মূলের উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ নির্দেশনায় নির্বিচারে গুলি চালায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এর সঙ্গে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠন এবং ১৪ দলীয় জোটের ক্যাডার বাহিনী যোগ দেয়। এতে দেড় সহস্রাধিক ছাত্র-জনতাকে হত্যা করা হয়। আহত হয় ২৩ হাজারের অধিক শিক্ষার্থী ও জনতা। আহত অনেকে চিরতরে পঙ্গু ও দৃষ্টি শক্তি হারিয়েছেন।

    এর পরেও দমানো যায়নি আন্দোলনকারীদের। তারা ৫ আগস্ট গণভবনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। পদত্যাগ করে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পরেও পূর্ব নির্দেশনা অনুযায়ী ঐদিন গভীর রাত পর্যন্ত হত্যা, গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী এবং ১৪ দলীয় জোটের ক্যাডাররা। এসব অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে জুলাই-আগস্ট গণহত্যার মামলায়।

    প্রসঙ্গত গণঅভ্যুত্থানের মুখে গত ৫ আগস্ট দেশত্যাগ করেন শেখ হাসিনা। ৮ আগস্ট নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যাত্রা শুরু করে। এরপর ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, এমপি, বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে শত শত হত্যা মামলা দায়ের হয়। এর মধ্যে বেশ কিছু মামলায় গ্রেফতার হয়ে আগস্ট মাস থেকে কারাগারে আছেন ট্রাইব্যুনালের পরোয়ানাভুক্ত আসামিরা। অক্টোবর মাসে সরকার পুনর্গঠন করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। শেখ হাসিনাসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির মধ্য দিয়ে গত ১৭ অক্টোবর যাত্রা শুরু করে ট্রাইব্যুনাল। ইতিমধ্যে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রেড অ্যালার্ট জারি করতে ইন্টারপোলের কাছে চিঠি দিয়েছে চিফ প্রসিকিউটর।

  • দীপু মনির সুপারিশে মাউশিতে তিন হাজার পদায়ন

    দীপু মনির সুপারিশে মাউশিতে তিন হাজার পদায়ন

    সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির ইশারায় নিয়োগ পান প্রায় তিন হাজার ১৮৩ কর্মকর্তা-কর্মচারী। দীপু মনি সিন্ডিকেটের বলয়ে তারা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) চাকরি পান। এর জন্য উচ্চ মহলের সুপারিশসহ তাদের দিতে হয়েছে ৫ থেকে ১৫ লাখ টাকা। নিয়োগের জন্য যাচ্ছেতাইভাবে পরীক্ষা নেয়া হয় তাদের জন্য। দীপু মনির আমলে চার হাজার ১০৯ জনকে নিয়োগ দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। এখনো চাকরির অপেক্ষায় রয়েছেন ৬১০ জন।

    মাউশি’র এই নিয়োগ পুরোটা সামলেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনির ভাই ডা. জে আর ওয়াদুদ টিপু ও চাঁদপুর পুরান বাজার ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ রতন কুমার মজুমদার। অভিযোগ রয়েছে এই চক্রটির খাতা কলমে বৈধতা দেয়ার কাজ করে গেছেন মাউশি’র কলেজ ও প্রশাসন শাখার পরিচালক শাহেদুল খবির চৌধুরী, প্রশাসন শাখার উপ-পরিচালক বিপুল চন্দ্র বিশ্বাস। বর্তমানে এই দুই কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। টাকার বিনিময়ে নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তারা ২০২৩ সালে দু’দফায় (আগস্ট ও নভেম্বরে) যোগদান করেন।

    মাউশি’র একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীপু মনি শিক্ষার দায়িত্ব হাতে পাবার পরই গড়ে তোলেন সিন্ডিকেট। মাউশিতে নিয়ে আসেন পছন্দের লোকদের। জনপ্রশাসন থেকে নিয়োগের ছাড়পত্র এনে তার আমলে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করেন। এই চক্র এতটাই শক্তিশালী ছিল যে, কেউ প্রশ্ন করার সাহস পর্যন্ত ছিল না। পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন অনেকেই। পরীক্ষায় এমসিকিউ বাতিল করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ’র অধীনে লিখিত পরীক্ষা নেয়ার দাবি তোলা হয়েছিল। কিন্তু তা আমলেই নেয়া হয়নি। এমনকি ভাইবার আগেই এসব প্রার্থীদের দেয়া হয়েছিল চাকরির নিশ্চয়তা।

    সুপারিশের প্রেক্ষিতে চার হাজার ১০৯ জনকে নিয়োগ দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু নানা জটিলতায় আটকে যায় ৬১০ জনের পদায়ন। তবে তাদের পদায়নের জন্য চলতি বছরের জুনে ফল প্রকাশ করা হয়। কিন্তু ছাত্র-জনতার আন্দোলনের তোড়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। যার কারণে আটকে আছে তাদের নিয়োগ। নিয়ম অনুযায়ী দশম থেকে দ্বাদশ গ্রেড পর্যন্ত দ্বিতীয় শ্রেণির পদ, কিন্তু মাউশি’র নিয়োগবিধিতে এই পদগুলোকে তৃতীয় শ্রেণির দেখিয়ে শুধু এমসিকিউ পরীক্ষা নেয়া হয়। ২০২০ সালের অক্টোবরে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে ২৮টি ক্যাটাগরির বিভিন্ন পদের মধ্যে প্রদর্শক পদে ৫১৪টি, গবেষণা সহকারী (কলেজ) পদে ২১টি, সহকারী গ্রন্থাগারিক কাম ক্যাটালগার পদে ৬৯টি এবং ল্যাবরেটরি সহকারী পদে ৬টি পদ উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এসব পদের বিপরীতে পরীক্ষা ২০২১ সালের আগস্ট ও অক্টোবরে অনুষ্ঠিত হয়। পরিদর্শক পদের ফল অনিবার্যকারণবশত স্থগিত করা হয়েছিল। সেই পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয় ২০২৪ সালের এপ্রিলে। এতে প্রায় আট হাজার প্রার্থী উত্তীর্ণ হন। মে মাসে ভাইবা শেষে জুনে নির্বাচিতদের ফল প্রকাশ করা হয়। কিন্তু পরবর্তীতে পরিস্থিতির কারণে আটকে আছে এই ৬১০ জনের নিয়োগ। চাকরি পাওয়াদের মধ্যে রয়েছেন কম্পিউটার অপারেটর ৯ জন, উচ্চমান সহকারী ৮৫ জন, ক্যাশিয়ার ১১৯ জন, স্টোরকিপার ৫০ জন, হিসাব সহকারী ১০৬ জন, অফিস সহকারী ৫১৩ জন, মেকানিক ৩৩ জন, গাড়িচালক ১১ জন, বুক সর্টার ৪৬ জন, অফিস সহায়ক ১৭০৪ জন, নিরাপত্তা প্রহরী ২৪৭ জন, মালী ৯৭ জন, পরিচ্ছন্নকর্মী ১৬৩ জন। অন্যদিকে তালিকায় নিয়োগের অপেক্ষায় রয়েছেন প্রদর্শক পদে পদার্থবিদ্যায় ১০৯ জন, রসায়নে ১২০ জন, জীববিজ্ঞানে ৩১ জন, প্রাণিবিদ্যায় ১০৯ জন, উদ্ভিদবিদ্যায় ৯৬ জন, ভূগোলে ১৩ জন, মৃত্তিকায় ৫ জন, গণিতে ২২ জন, গার্হস্থ্য বিজ্ঞানে ৮ জন, কৃষিতে একজন, গবেষণা সহকারী (কলেজ) ২১ জন, সহকারী গ্রন্থাগারিক ৬৯ জন এবং ল্যাবরেটরি সহকারী ৬ জন।

    এই নিয়োগের বিষয়ে জানতে চাইলে মাউশি মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর এবিএম রেজাউল করীম বলেন, তালিকা ধরে নিয়োগের বিষয়টি আমার জানা নেই। আমি নিয়োগ প্রক্রিয়ার সময়ে দায়িত্বেও ছিলাম না। এটা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন। মন্ত্রণালয় থেকে কোনো নির্দেশনা দেয়া হলে সেটি বাস্তবায়ন করা হবে।

  • খুলনা বিভাগীয় ট্যাংকলরী মালিক-শ্রমিকের ধর্মঘটের ঘোষণা

    খুলনা বিভাগীয় ট্যাংকলরী মালিক-শ্রমিকের ধর্মঘটের ঘোষণা

    খুলনা বিভাগীয়ের ট্যাংকলরী মালিক ও শ্রমিকরা চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি তেল সরবরাহ না পাওয়ায় অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন। এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয় রবিবার দুপুরে কাশিপুর মোড়ে ট্যাংকলরী ওনার্স ভবনে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সভায়। সভায় নেতৃবৃন্দ বলেছিলেন, বিএসটিআইয়ের আদেশ অনুযায়ী প্রতিটি ট্যাংকলরীতে ৫০০ থেকে ৯ হাজার লিটার জ্বালানি তেল প্রয়োজন হলেও, ডিপো থেকে ডিলার ও এজেন্টদের চাহিদামতো তেল সরবরাহ করা হচ্ছে না। এর ফলে অনেক খুচরা বিক্রেতারাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। নেতৃবৃন্দ দাবি করেন, বিএসটিআইয়ের নিয়ম অনুযায়ী ৫০০ থেকে ৯০০০ লিটার তেল সরবরাহের বিষয়টি সরকারকে মানতে হবে। তারা জানিয়েছেন, এই দাবিগুলো মানা না হলে তারা আগামী ২০ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) থেকে পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা তেল ডিপো থেকে তেল উত্তোলন বন্ধ করে দেবে। এরপর অনির্দিষ্টকাল ধরে এই ধর্মঘট চলবে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খুলনা বিভাগের ট্যাংকলরী ওনার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি এম মাহবুব আলম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জ্বালানি তেল পরিবেশক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোড়ল আব্দুস সোবহান, সাধারণ সম্পাদক সুলতান মাহমুদ পিন্টু, শ্রমিক সংগঠনের নেতারা মীর মোকসেদ আলী, এনাম মুন্সি, আলী আজিম, গাজী মামুনুর রশিদসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

  • সকলের ঐক্যই আমাদের রুখতে পারে কোনও ষড়যন্ত্র: মনজু

    সকলের ঐক্যই আমাদের রুখতে পারে কোনও ষড়যন্ত্র: মনজু

    খুলনা-২ আসনের বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী নজরুল ইসলাম মনজু বলেছেন, দেশব্যাপী জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধভাবে অংশ নিয়েছে। ৫ আগস্টের ‘ছাত্র-জনতার ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনে’ সফলতা পাওয়া এবং দেশকে নতুনভাবে স্বাধীনতা উপহার দেওয়া হলেও, দেশের মুক্তির স্বপ্নের শান্তি এখনও সম্পূর্ণ হয়েছে বলে মনে করতে পারছে না কেউ। কারণ, দেশের শত্রুরা দমে যায়নি; দেশি-বিদেশি নানা চক্রান্ত এখনও চলছে। তিনি রবিবার দুপুর ১২টায় খুলনা শহরের ২১ নম্বর ওয়ার্ডের বড়বাজার ধানচাল বণিক সমিতির আয়োজনে, মরহুমা নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে আলোচনা সভা ও রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া মাহফিলে এ মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সমিতির সভাপতি মনির আহমেদ এবং বক্তব্য দেন সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মোহায়েমেন কালু, বিদ্যুৎ দাস, গোপাল চন্দ্র সাহা, সৈকত আহমেদ রাজু, গোলাম মোর্শেদ, তাজুল ইসলাম পাটোয়ারি, রূপকুমার ভৌমিক ও প্রসিত কুমার সাহা।

    আঁশর বাদ ২৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে, মরহুমা খালেদা জিয়ার স্মরণে শোকসভা ও দোয়া মাহফিলে, বিএনপির নেতা ইশহাক তালুকদারের সভাপতিত্বে ও এড. মশিউর রহমান নান্নুর পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে নজরুল ইসলাম মনজু বলেন, বিএনপির নেতা-কর্মীরা মৃত্যুর মধ্যেও লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজ আমাদের মধ্যে নেই, তবে তিনি মানুষের হৃদয়ে চিরকাল বেঁচে থাকবেন। আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করে তুলতে, সকল দলের নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। সবাই মিলে কাজ করলে কোনও ষড়যন্ত্রই আমাদের দমাতে পারবে না। তিনি দেশের গণতন্ত্রের ধারকজন, নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে সবাই দোয়া প্রার্থনা করেন।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপি সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহীন, সৈয়দা নার্গিস আলী, এড. আব্দুল্লাহ হোসেন বাচ্চু, কাজী মোঃ রাশেদ, রেহেনা ঈশা, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ প্রমুখ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মেহেদী হাসান দিপু, মাহবুব হাসান পিয়ারু, শের আলম সান্টু, একরামুল হক হেলাল, আনোয়ার হোসেন,নিজাম উর রহমান লালু, এড. গোলাম মওলা, মুজিবর রহমান, শফিকুল ইসলাম শফি, শরিফুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান আসাদ, বেগ তানভিরুল আলম, কামরান হাসান, মহিউদ্দিন টারজান, ইকবাল হোসেন, আলমগীর হোসেন আলম, ওহেদুর রহমান দিপু, মঞ্জরুল আলম, জিএম রফিকুল হাসান, মনিরুল ইসলাম মাসুম, মাজেদা খাতুন, মুন্সি ওহেদুজ্জামান খসরু, কামাল উদ্দিন, শামীম আশরাফ, শামীম খান, সাইফুল মল্লিক, এড. রফিকুল ইসলাম, শরিফুর ইসলাম সাগর, ইব্রাহিম হাওলাদার, জাকির হোসেন, হাফিজুর রহমান খান তুষার, মিজানুর রহমান মিজান, শেখ শাহিন, কাজী আবুল কালাম আজাদ, রাসেল ফরাজী, সুলতান মাহমুদ সুমন, ফারুক হোসেন, শাহাবুদ্দিন আহমেদ, রোকেয়া ফারুক, হাবিবুর রহমান খান, কামরুল ইসলাম, মাসুম সিদ্দিক, তারেক হাবিবুল্লাহ, হাসান হাওলাদার, সেলিম বড় মিয়া, আরিফুর রহমান, ইলিয়াস হোসেন, আরিফুল ইসলাম, আশিকুর রহমান সেলিম, জামাল, রিপন, মামুনুর রহমান রাসেল, মুরাদ হোসেন প্রমুখ।

  • প্রত্যেক নাগরিকের জন্য নতুন ‘হেলথ কার্ড’ চালু হবে

    প্রত্যেক নাগরিকের জন্য নতুন ‘হেলথ কার্ড’ চালু হবে

    বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের ধানেরশীষ প্রতীকের প্রার্থী আলহাজ্ব রকিবুল ইসলাম বকুল বলেছেন, সাধারণ মানুষের সহজে ও দ্রুত উন্নত চিকিৎসা সেবা পেতে আমাদের আগামী পরিকল্পনায় থাকছে একটি আধুনিক হাসপাতাল নির্মাণ। এই হাসপাতালে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষের চিকিৎসা সমস্যার সমাধান হবে এবং অত্র অঞ্চলের স্বাস্থ্যসেবা ব্যাপকভাবে উন্নত হবে। এর পাশাপাশি প্রতি নাগরিকের জন্য চালু করা হবে একটি বিশেষ ‘হেলথ কার্ড’, যার মাধ্যমে মানুষ সহজে মানসম্মত চিকিৎসা সুবিধা লাভ করতে পারবেন। এই হেলথ কার্ডের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ কম খরচে উন্নত চিকিৎসা গ্রহণের সুযোগ পাবেন।

    গতকাল রবিবার বাদ জোহর, ১৪নং ওয়ার্ডের মুজগুন্নি আবাসিক এলাকার বকুলতলা ১নং সড়কে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় এবং দেশ ও জনগণের কল্যাণে মেট্রোপলিটন পুলিশ লাইন্স হাই স্কুল ইউনিট বিএনপি’য় আয়োজিত এক নাগরিক শোকসভা ও দোয়া মহফিল অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইউনিট বিএনপি’র সাবেক পুলিশ পরিদর্শক আব্দুল মোতালেব। উপস্থিত ছিলেন প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল।

    উপস্থিত ছিলেন কেডিএ’র সাবেক সচিব বাশারুল কবির, ডা: হারুনর রশীদ, ইঞ্জিনিয়ার পরিমল কুমার দাস, প্রফেসর শেখ ফজলুর রহমান, খ্রিস্টান প্রতিনিধি জোহান মন্ডল, ব্যাংকার খালিদ বাবু, স্থানীয় মন্দির কমিটির সহ-সভাপতি শুভাষ নন্দী, সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় নন্দী, নগর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী, খুলনা মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক আব্দুল আজিজ সুমন, সদস্য সচিব রবিউল ইসলাম রুবেল, খালিশপুর থানা মহিলা দলের আহ্বায়ক শাহনাজ সরোয়ার প্রমুখ। অনুষ্ঠান শেষে, বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত এবং দেশের কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন হাফেজ মাওলানা মোফতী আবু সাঈদ। এই দোয়া মাহফিলে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ জনগণ ব্যাপক উপস্থিতি ছিলেন।

  • খুলনায় আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানি মামলা দায়ের

    খুলনায় আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানি মামলা দায়ের

    কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ও ইসলামী বক্তা আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানি মামলা দায়েরের আবেদন গ্রহণ করেছে খুলনা আদালত। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) এই মামলা দায়েরের জন্য খুলনা মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালত উপযুক্ত বলে বিবেচনা করেন। মামলাটি করেন কোকো স্মৃতি সংসদের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও খুলনা মহানগর সভাপতি মো. জহিরুল ইসলাম বাপ্পি।

    আদালত সংশ্লিষ্ট বিচারক আসাদুজ্জামান খান এ বিষয়ে বলেন, তারা এই আবেদন গ্রহণ করেছেন এবং তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন সোনাডাঙ্গা মডেল থানার ওসিকে। পরবর্তী শুনানির দিন নির্ধারণ করা হয়েছে ২৪ মে।

    বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট বাবুল হাওলাদার নিশ্চিত করেছেন যে, মামলার এজাহারে বলা হয়েছে ফেসবুকের মাধ্যমে প্রচারিত একটি ওয়াজ মাহফিলে মুহত্য আমির হামজা আরাফাত রহমান কোকোকে নিয়ে কটূক্তিমূলক বক্তব্য প্রদান করা হয়। এর ফলে কোকোর পরিবার, বিএনপির নেতাকর্মী ও সংশ্লিষ্টদের মানহানি হয়েছে এবং তাদের মানসিক ও সামাজিক ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে।

  • খুলনা যৌথ বাহিনীর অভিযান: দুই সন্ত্রাসী আটক, অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার

    খুলনা যৌথ বাহিনীর অভিযান: দুই সন্ত্রাসী আটক, অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার

    খুলনা coast guard এর অভিযানে দুই শীর্ষ সন্ত্রাসীকে আটক করা হয়েছে। এই অভিযানে বিদেশি অস্ত্র, তাজা গুলি ও বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার করা হয়। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল থেকে চালানো এই অভিযানের তথ্য জানান কোস্ট গার্ড এর মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক।

    অভিযানের ব্যাপারে কোস্ট গার্ড জানিয়েছেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার (১৮ জানুয়ারি) ভোর ৭টার দিকে খুলনার বাগমারা এলাকার চেয়ারম্যান বাড়ির কাছাকাছি স্থানীয় নৌবাহিনী ও পুলিশের সঙ্গে যৌথভাবে একটি অভিযান পরিচালনা করা হয়। এই সময় সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িত থাকার অভিযোগে শাকিল আহমেদ (২০) ও তরিকুল ইসলাম তৌহিদ (২৫) নামে দুজনকে আটক করা হয়।

    আটককৃতদের কাছ থেকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা আরও কিছু অস্ত্র ও গাঁজা লুকিয়ে রেখেছেন। এর ভিত্তিতে কাঠালতলা মোড়, মিস্ত্রিপাড়া ও টুটপাড়া সংলগ্ন এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে এক বিদেশি রিভলভার, একটি বিদেশি ৭.৬৫ মি.মি. পিস্তল, সাতটি তাজা গুলি, একটি ম্যাগাজিন এবং ৩৫০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

    আটক করে রাখা ব্যক্তিদের কাছ থেকে পাওয়া এসব অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থার জন্য খুলনা থানায় হস্তান্তর করা হবে।

    কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোনের অপারেশন কর্মকর্তা লে. কমান্ডার আবরার হাসান জানান, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশের আইন শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড এই ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে। তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান চালিয়ে অস্ত্র, মাদক ও অপরাধীর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে থাকবে কর্তৃপক্ষ।

  • সরকারের এডিপির বরাদ্দে কমতি, সংশোধিত অনুমোদন হলো ২ লাখ কোটি টাকা

    সরকারের এডিপির বরাদ্দে কমতি, সংশোধিত অনুমোদন হলো ২ লাখ কোটি টাকা

    চলতি অর্থবছরের জন্য সরকারের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন পরিকল্পনায় (এডিপি) বরাদ্দের পরিমাণ কমে গেছে। আগে যা ছিল বেশি, এখন তা হ্রাস পেয়ে মোট ২ লাখ কোটি টাকা মাত্রে এসে দাঁড়িয়েছে। এই ঘোষণা আজ সোমবার শেরেবাংলা নগরে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি) সম্মেলনকক্ষে বৈঠকের মাধ্যমে জানানো হয়।

    বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, এবং এতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। পরিকল্পনা কমিশনের উপদেষ্টা ও বৈঠকের সভাপতি অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস উল্লেখ করেন, এডিপির আনুমানিক বরাদ্দ থেকেই প্রায় ১৩ শতাংশ ছাটাই করে সংশোধিত পরিকল্পনা অনুমোদন করা হয়েছে।

    সংবাদ সম্মেলনে পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ জানান, বাজেটের এই সংশোধনের পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে উঠে এসেছে চলতি বছর প্রকল্পের বাস্তবায়নের ধীরগতি। অনেক প্রকল্পের জন্য দীর্ঘদিন ধরে প্রকল্প পরিচালক না থাকা, নিয়োগে বিলম্ব এবং কিছু প্রকল্পের পুনর্মূল্যায়ন চলছে—এসব কারণে প্রকল্পের ব্যয় কমানোর অনুরোধ জমা পড়ে।

    সংশোধিত এডিপিতে সরকারি অনুদান ও বিদেশি ঋণ—দুই ক্ষেত্রেই বরাদ্দ কমে গেছে। সরকারি অর্থায়নে ১৬ হাজার কোটি টাকা কাটা হয়েছে, যা প্রায় ১১ শতাংশের মতো, এবং বিদেশি ঋণ ও অনুদান থেকে কমানো হয়েছে ১৪ হাজার কোটি টাকা, যা প্রায় ১৬ শতাংশের বেশি। ফলে সরকারি অর্থায়ন এখন ১ লাখ ২৮ হাজার কোটি টাকা এবং বিদেশি অর্থ godার পরিমাণ কমে হয়েছে ৭২ হাজার কোটি টাকা।

    খাত ভিত্তিক বরাদ্দগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি অর্থ বরাদ্দ পেয়েছে পরিবহন ও যোগাযোগ খাত। এই খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৩৮ হাজার ৫০৯ কোটি টাকা, যা মোট এডিপির এক পঞ্চমাংশ। এরপর রয়েছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, যেখানে বরাদ্দ হয়েছে ২৬ হাজার ১৮৬ কোটি টাকা। শিক্ষাখাত, বাসস্থান ও কমিউনিটি উন্নয়ন, স্থানীয় সরকার ইত্যাদি ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য বরাদ্দ হয়েছে।

    অন্যদিকে, স্বাস্থ্যখাতে হঠাৎ করে বেশ ধাক্কা লেগেছে। এই খাতে প্রকল্পের বাস্তবায়ন সক্ষমতা দুর্বল থাকায় বরাদ্দ প্রায় ৭৪ শতাংশ কমে গেছে। মূল এডিপিতে যেখানে স্বাস্থ্যসচিব বরাদ্দ ছিল ১৮ হাজার ১৪৮ কোটি টাকা, সেখানে সংশোধনীতে তা নেমে এসে হয়েছে মাত্র ৪ হাজার ৭১৮ কোটি টাকা। একইভাবে শিক্ষাখাতেও বড় কাটা হয়েছে, যেখানে বরাদ্দ প্রায় ৩৫ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।

    সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ থাকা পরিবহন ও যোগাযোগ খাতের বরাদ্দও সংশোধিত এডিপিতে প্রায় ৩৫ শতাংশ কমেছে। পাশাপাশি, সামাজিক সুরক্ষা খাতে, যেখানে মূল এডিপিতে বরাদ্দ ছিল ২ হাজার ১৮ কোটি টাকা, সেখানে এখন বরাদ্দ মাত্র ৫৪৫ কোটি টাকায় নেমে এসেছে। বিদ্যুৎ ও কৃষি খাতে বরাদ্দও প্রায় ১৯ ও ২১ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। তবে, পরিবেশ, জলবায়ু পরিবর্তন ও পানি সম্পদ খাতে বরাদ্দ বেড়েছে প্রায় ২০ শতাংশ।

    মন্ত্রণালয় ও বিভাগভিত্তিক বরাদ্দে স্থানীয় সরকার বিভাগ পেয়েছে সর্বোচ্চ অর্থ, মোট ৩৭ হাজার ৫৩৪ কোটি টাকা, যা মূল এডিপির তুলনায় কিছুটা কম। এর পাশাপাশি রয়েছে সড়ক পরিবহন, মহাসড়ক, পানি সম্পদ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, শিক্ষা ও অন্যান্য বিভাগ। উল্লেখ্য, বরাদ্দের মধ্যে বিশেষ উন্নয়নের জন্য আলাদা প্রকল্পও সংযুক্ত হয়েছে।

    সব মিলিয়ে, সংশোধিত এডিপিতে মোট ১ হাজার ৩৩০টি প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে বেশিরভাগই বিনিয়োগ প্রকল্প। পরিকল্পনা কমিশন জানিয়েছে, এই অর্থবছরে এই প্রকল্পগুলোর মধ্যে ২৮৬টি শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এটি দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক, যেখানে টাকা কম হলেও কার্যক্রমের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের ধীর গতি দ্রুততার পথে নিয়ে আসার চেষ্টা চলছে।

  • সোনার দাম রেকর্ড ভেঙে ভরি ২ লাখ ৩২ হাজারে পৌঁছাল

    সোনার দাম রেকর্ড ভেঙে ভরি ২ লাখ ৩২ হাজারে পৌঁছাল

    বাংলাদেশের বাজারে আজ নতুন রেকর্ড স্থাপন করে সোনার দাম এসে পৌঁছেছে অতীতের সব রেকর্ডের ওপরে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) জানিয়েছে, দেশীয় বাজারে সোনার মূল্য ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যার ফলে প্রতি ভরি সোনার দাম বেড়ে ভরি ২ লাখ ৩২ হাজার ৫৫ টাকায় পৌঁছেছে। এটি এখন পর্যন্ত দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দামের রেকর্ড।রণাবলে, এর আগে ২০২৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর দেশের বাজারে সোনার সর্বোচ্চ দাম ছিল ভরি ২ লাখ ২৭ হাজার ৮৫৬ টাকা। চুক্তিনুযায়ী, নতুন এই দাম ১৩ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) থেকে কার্যকর হবে।বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় যে, বৈশ্বিক বাজারে সোনার দাম বেড়ে যাওয়ায় এই দর বৃদ্ধি হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারের তথ্যে দেখা যায়, বিশ্বব্যাপী সোনার দাম এখন আউন্সপ্রতি ৪ হাজার ৬০০ ডলারের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এর ফলে দেশের বাজারে ভরি ২২ ক্যারেটের শীর্ষ মানের সোনার মূল্য এখন ভরি ২ লাখ ৩২ হাজার ৫৫ টাকা। অন্য ক্যারেটের মূল্য যেমন, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২১ হাজার ৪৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৯ হাজার ৮৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনা ১ লাখ ৫৬ হাজার ৮৮১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, সোনা ও রুপার দামের এই বৃদ্ধির সাথে সাথে রুপার দামও বৃদ্ধি পেয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম now ৫ হাজার ৯৪৯ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৫ হাজার ৭১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৪ হাজার ৮৯৯ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম এখন ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা। এই মূল্যবৃদ্ধির ফলে জুয়েলারী ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন বাজারের দ্বার উন্মোচন হয়েছে।

  • বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস: অর্থবছর শেষে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৪.৬%

    বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস: অর্থবছর শেষে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৪.৬%

    চলমান ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি প্রায় ৪.৬ শতাংশ হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। তবে, আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এটি আরও বৃদ্ধি পেয়ে ৬.১ শতাংশে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। এই তথ্যটি বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয় থেকে প্রকাশিত ‘গ্লোবাল ইকোনমিক প্রোসপেক্টস’ জানুয়ারি সংস্করণে উল্লেখ করা হয়।

    বিশ্লেষকেরা বলছেন, মানুষের ভোগের ব্যয় বৃদ্ধি এবং মূল্যস্ফীতির চাপ ধীরে ধীরে কমতে থাকায় দেশের অর্থনীতি সুগঠিত হয়ে উঠবে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৬ সালের শুরুর দিকে যদি জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, তবে রাজনৈতিক অস্থিরতা কমে যাবে। এই সময়ে নতুন সরকার প্রয়োজনীয় কাঠামোগত সংস্কার কার্যকর করতে পারবে, যা শিল্পখাতের উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করবে। এই চিত্রের ওপর ভিত্তি করে বিশ্বব্যাংক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়।

    তবে, প্রতিবেদনটি কিছু ঝুঁকি যুক্ত করেছে। একটি মূল ঝুঁকি হলো— বাংলাদেশে বর্তমানে মূল্যস্ফীতি লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি থাকা। এটি নিয়ন্ত্রণে মুদ্রানীতি কঠোর করার কারণে ঋণের প্রবাহ কমে গেছে, যা ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগে বাধা সৃষ্টি করছে। এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা শুল্ক আরোপের ফলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ঝুঁকি দেখা দিতে পারে। অন্যদিকে, সরকারি খরচ বৃদ্ধি ও বিনিয়োগের উন্নতি এসব ঝুঁকিকে মোকাবেলা করায় দেশে অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব বলে মনে করছে বিশ্বব্যাংক।

    বিশ্লেষকদের মতে, চলতি অর্থবছরে দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে বেশি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি দেখাবে ভুটান (৭.৩%)। অন্য দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে— ভারত (৬.৫%), বাংলাদেশ (৪.৬%), মালদ্বীপ (৩.৯%), শ্রীলঙ্কা (৩.৫%) এবং নেপাল (২.১%)। এর মধ্যে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের প্রবৃদ্ধির প্রারম্ভিক তথ্য এখনো প্রকাশিত হয়নি।

    অপর দিকে, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর) জিডিপি প্রবৃদ্ধির মৌসুমি হিসাব প্রকাশ করেছে। এই তিন মাসে প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৪.৫ শতাংশ, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের ২.৫৮ শতাংশের চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।

    বিশ্বব্যাংক ভবিষ্যদ্বাণী করেছে, ২০২৬ সালে বৈশ্বিক অর্থনীতি ক্রমশ কমে গিয়ে প্রবৃদ্ধি হবে ২.৬ শতাংশ, এরপর ২০২৭ সালে তা ২.৭ শতাংশে পৌঁছাবে। তবে, সে সময় বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতি কমে ২.৬ শতাংশে নামতে পারে। পাশাপাশি, আগামী দশকে প্রায় ১২০ কোটির বেশি তরুণ কর্মক্ষম জনশক্তি বাজারে প্রবেশ করবে। এই যুব সমাজের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, টেকসই মানবসম্পদ উন্নয়ন, ডিজিটাল সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বেসরকারি বিনিয়োগকে উৎসাহ দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে বিশ্বব্যাংক।

  • সব রেকর্ড ভেঙে দেশের বাজারে সোনার দামে ইতিহাস সৃষ্টি

    সব রেকর্ড ভেঙে দেশের বাজারে সোনার দামে ইতিহাস সৃষ্টি

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) দেশের বাজারে সোনার দাম আরও বাড়ানোর ঘোষণা দিলেন। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ২,৬২৫ টাকা পর্যন্ত মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে দেশের উচ্চমানের সোনার দাম দ্বিগুণের কাছাকাছি বেড়ে দুই লাখ ৩৪ হাজার টাকারও বেশি হয়েছে, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সোনার দামের রেকর্ড।

    বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে এই মূল্য পরিবর্তনের বিষয়ে জানানো হয়েছে এবং নতুন দাম ১৫ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে। সংগঠনটি জানিয়েছে, বৈশ্বিক বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের দামের বৃদ্ধি দেশের বাজারেও রফতানি ও বিক্রয়ে প্রভাব ফেলেছে।

    বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে জানা গেছে, গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি ওয়েবসাইটের তথ্যে, আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের গড় দাম প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৬২০ ডলার অতিক্রম করেছে।

    নতুন এই দাম অনুযায়ী, দেশের সবচেয়ে মানানসই ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম এখন ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬৮০ টাকা, যেখানে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দামের বিবরণ ২ লাখ ২৪ হাজার ৭ টাকা। অন্যদিকে, ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম এক লাখ ৯১ হাজার ৯৮৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে তৈরি স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম বেড়ে হয়েছে এক লাখ ৫৭ হাজার ২৩১ টাকা।

    অপর দিকে, রুপার দামের কিছুটা স্থিতিশীলতা বজায় রয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ৯৪৯ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৫ হাজার ৭১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৪ হাজার ৮৯৯ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতিতে রুপার প্রতি ভরি দাম ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা।

  • মোবাইল ফোনের শুল্ক কমানোর ফলে দাম কমতে পারে

    মোবাইল ফোনের শুল্ক কমানোর ফলে দাম কমতে পারে

    আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি), জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) মোবাইল ফোন আমদানিতে শুল্ক কমানোর ঘোষণা দিয়েছে, যাতে সাধারণ ক্রেতাদের জন্য মোবাইল ফোনের দাম নাগালের মধ্যে থাকে। এ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মোবাইল ফোনের আমদানিতে প্রযোজ্য কাস্টমস ডিউটি ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে। এছাড়া, দেশীয় মোবাইল উৎপাদনকারীদের উপকরণ আমদানির জন্য ডিউটি ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ নির্ধারিত হয়েছে।

    এনবিআর এই সিদ্ধান্তের জন্য পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে, যার মাধ্যমে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির জনসংযোগ কর্মকর্তা আল আমিন শেখ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    মোবাইল ফোনের আমদানিতে বর্তমান শুল্ক কমানোর ফলে, শুল্কের পরিমাণ ৬০ শতাংশ পর্যন্ত হ্রাস পেয়েছে। একইসঙ্গে, দেশের মোবাইল সংযোজনকারী কোম্পানিগুলোর জন্য উপকরণ আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে। এই পরিবর্তনের ফলে, উপকরণ আমদানিতে প্রযোজ্য বিদ্যমান শুল্ক ৫০ শতাংশ হ্রাস পাবে।

    এনবিআর জানায়, এই শ্রেণির প্রজ্ঞাপনের ফলে, ৩০ হাজার টাকার বেশি মূল্যের মোবাইল ফোনের দাম আনুমানিক ৫,৫০০ টাকা কমবে। এছাড়া, ৩০ হাজার টাকার বেশি মূল্যের দেশে তৈরি মোবাইল ফোনের দাম অনেকটাই কমবে, যা আনুমানিক দেড় হাজার টাকার মতো।

    সরকারের এই উদ্যোগের মাধ্যমে সব ধরনের মোবাইল ফোনের দাম সাধারণ জনগণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যেই থাকবে এবং দেশের নাগরিকরা সহজে ডিজিটাল সেবা গ্রহণ করতে পারবেন বলে আশা করছে। মোবাইল ফোনের দাম নাগরিকদের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখতে সরকারের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।