Blog

  • সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ জনকে আজ হাজির করা হচ্ছে ট্রাইব্যুনালে

    সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ জনকে আজ হাজির করা হচ্ছে ট্রাইব্যুনালে

    জুলাই-আগস্টের গণহত্যার মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হচ্ছে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ আসামিকে। 

    আজ সোমবার সকালে কড়া নিরাপত্তায় তাদেরকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হবে। এদিকে গণহত্যার মামলার তদন্তের সময় বৃদ্ধির জন্য আবেদন জানাবে তদন্ত সংস্থা। সংস্থার পক্ষে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট এম তাজুল ইসলাম আজ এ আবেদন জানাবেন। বিচারপতি মো. গোলাম মূর্তজা মজুমদারের সভাপতিত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালে আবেদনের উপর শুনানি হবে। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

    ট্রাইব্যুনালে যাদেরকে হাজির করা হচ্ছে এরা হলেন: আনিসুল হক, ড. আব্দুর রাজ্জাক, শাজাহান খান, সালমান এফ রহমান, গোলাম দস্তগীর গাজী, কামাল আহমেদ মজুমদার, লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান, ড. দীপু মনি, রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু, জুনাইদ আহমেদ পলক, তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী (বীর বিক্রম), সাবেক বিচারপতি এইচ এম শামসুদ্দীন চৌধুরী মানিক ও সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিব জাহাঙ্গীর আলম।

    এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট এম তাজুল ইসলাম ইত্তেফাককে বলেন, গণহত্যার মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারিকৃতদের মধ্যে গ্রেফতার হওয়া ১৪ অভিযুক্তকে আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করার জন্য আদেশ রয়েছে। ঐ আদেশ মোতাবেক কারা কর্তৃপক্ষ তাদেরকে হাজির করবে। তিনি বলেন, গণহত্যার মামলা তদন্তের জন্য সময় দিয়েছিল ট্রাইব্যুনাল। যেহেতু তদন্ত শেষ হয়নি সেহেতু সময় বৃদ্ধির আবেদন দেওয়া হবে। কোটা সংস্কার ও সরকার পতনের আন্দোলন দমাতে নিরস্ত্র ছাত্র-জনতাকে সমূলে বা আংশিক নির্মূলের লক্ষ্যে হত্যা, গণহত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের মামলায় গত ১৭ অক্টোবর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সরকারের সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে ট্রাইব্যুনাল। ২৭ অক্টোবর পরোয়ানাভুক্তদের মধ্যে ২০ জনকে ট্রাইব্যুনালের মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। এদের মধ্যে ১৪ জনকে আজ এবং ছয় পুলিশ কর্মকর্তা সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন, বরখাস্ত মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, সাবেক ঢাকা জেলার এডিসি (এসপি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত ছিলেন) আব্দুল্লাহ হিল কাফী, সাবেক এডিসি আরাফাতুল ইসলাম, যাত্রাবাড়ী থানার সাবেক ওসি আবুল হাসান এবং গুলশান থানার সাবেক ওসি মাজহারুল ইসলামকে ২০ নভেম্বর ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ রয়েছে। এদিকে ২৭ অক্টোবর ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, র‍্যাবের সাবেক ডিজি হারুন-অর রশিদ, এসবির সাবেক প্রধান মনিরুল ইসলাম, ডিবির সাবেক প্রধান হারুনুর রশিদ, বিপ্লব কুমার সরকার, সাবেক এডিসি ইকবাল হোসেনসহ আরো ১৭ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করা হয়।

    তদন্ত সংস্থা ও প্রসিকিউশনের অভিযোগে যা বলা হয়েছে : কোটা সংস্কারের অহিংস আন্দোলন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সহিংস হয়ে উঠে। একই সঙ্গে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরস্ত্র ছাত্র-ছাত্রীদের ওপর নির্মমভাবে হামলা চালায়। এই হামলার ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকাসহ দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামে। সংঘর্ষ হয় ছাত্রলীগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে। ১৬ জুলাই রংপুরে পুলিশের গুলিতে শিক্ষার্থী আবু সাঈদসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আরও ছয় জন মারা যান। ফলে কোটা সংস্কার আন্দোলন সরকার পতনের আন্দোলনে রূপ নেয়। এই আন্দোলনে একসময় শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ যোগ দেয়। কমপ্লিট শাটডাউন, অসহযোগ আন্দোলন দমাতে জারি করা হয় কারফিউ। কিন্তু তাতে দমে যায়নি ছাত্র-জনতা। এই ছাত্র-জনতাকে সমূলে বা আংশিক নির্মূলের উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ নির্দেশনায় নির্বিচারে গুলি চালায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এর সঙ্গে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠন এবং ১৪ দলীয় জোটের ক্যাডার বাহিনী যোগ দেয়। এতে দেড় সহস্রাধিক ছাত্র-জনতাকে হত্যা করা হয়। আহত হয় ২৩ হাজারের অধিক শিক্ষার্থী ও জনতা। আহত অনেকে চিরতরে পঙ্গু ও দৃষ্টি শক্তি হারিয়েছেন।

    এর পরেও দমানো যায়নি আন্দোলনকারীদের। তারা ৫ আগস্ট গণভবনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। পদত্যাগ করে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পরেও পূর্ব নির্দেশনা অনুযায়ী ঐদিন গভীর রাত পর্যন্ত হত্যা, গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী এবং ১৪ দলীয় জোটের ক্যাডাররা। এসব অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে জুলাই-আগস্ট গণহত্যার মামলায়।

    প্রসঙ্গত গণঅভ্যুত্থানের মুখে গত ৫ আগস্ট দেশত্যাগ করেন শেখ হাসিনা। ৮ আগস্ট নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যাত্রা শুরু করে। এরপর ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, এমপি, বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে শত শত হত্যা মামলা দায়ের হয়। এর মধ্যে বেশ কিছু মামলায় গ্রেফতার হয়ে আগস্ট মাস থেকে কারাগারে আছেন ট্রাইব্যুনালের পরোয়ানাভুক্ত আসামিরা। অক্টোবর মাসে সরকার পুনর্গঠন করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। শেখ হাসিনাসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির মধ্য দিয়ে গত ১৭ অক্টোবর যাত্রা শুরু করে ট্রাইব্যুনাল। ইতিমধ্যে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রেড অ্যালার্ট জারি করতে ইন্টারপোলের কাছে চিঠি দিয়েছে চিফ প্রসিকিউটর।

  • দীপু মনির সুপারিশে মাউশিতে তিন হাজার পদায়ন

    দীপু মনির সুপারিশে মাউশিতে তিন হাজার পদায়ন

    সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির ইশারায় নিয়োগ পান প্রায় তিন হাজার ১৮৩ কর্মকর্তা-কর্মচারী। দীপু মনি সিন্ডিকেটের বলয়ে তারা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) চাকরি পান। এর জন্য উচ্চ মহলের সুপারিশসহ তাদের দিতে হয়েছে ৫ থেকে ১৫ লাখ টাকা। নিয়োগের জন্য যাচ্ছেতাইভাবে পরীক্ষা নেয়া হয় তাদের জন্য। দীপু মনির আমলে চার হাজার ১০৯ জনকে নিয়োগ দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। এখনো চাকরির অপেক্ষায় রয়েছেন ৬১০ জন।

    মাউশি’র এই নিয়োগ পুরোটা সামলেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনির ভাই ডা. জে আর ওয়াদুদ টিপু ও চাঁদপুর পুরান বাজার ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ রতন কুমার মজুমদার। অভিযোগ রয়েছে এই চক্রটির খাতা কলমে বৈধতা দেয়ার কাজ করে গেছেন মাউশি’র কলেজ ও প্রশাসন শাখার পরিচালক শাহেদুল খবির চৌধুরী, প্রশাসন শাখার উপ-পরিচালক বিপুল চন্দ্র বিশ্বাস। বর্তমানে এই দুই কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। টাকার বিনিময়ে নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তারা ২০২৩ সালে দু’দফায় (আগস্ট ও নভেম্বরে) যোগদান করেন।

    মাউশি’র একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীপু মনি শিক্ষার দায়িত্ব হাতে পাবার পরই গড়ে তোলেন সিন্ডিকেট। মাউশিতে নিয়ে আসেন পছন্দের লোকদের। জনপ্রশাসন থেকে নিয়োগের ছাড়পত্র এনে তার আমলে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করেন। এই চক্র এতটাই শক্তিশালী ছিল যে, কেউ প্রশ্ন করার সাহস পর্যন্ত ছিল না। পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন অনেকেই। পরীক্ষায় এমসিকিউ বাতিল করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ’র অধীনে লিখিত পরীক্ষা নেয়ার দাবি তোলা হয়েছিল। কিন্তু তা আমলেই নেয়া হয়নি। এমনকি ভাইবার আগেই এসব প্রার্থীদের দেয়া হয়েছিল চাকরির নিশ্চয়তা।

    সুপারিশের প্রেক্ষিতে চার হাজার ১০৯ জনকে নিয়োগ দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু নানা জটিলতায় আটকে যায় ৬১০ জনের পদায়ন। তবে তাদের পদায়নের জন্য চলতি বছরের জুনে ফল প্রকাশ করা হয়। কিন্তু ছাত্র-জনতার আন্দোলনের তোড়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। যার কারণে আটকে আছে তাদের নিয়োগ। নিয়ম অনুযায়ী দশম থেকে দ্বাদশ গ্রেড পর্যন্ত দ্বিতীয় শ্রেণির পদ, কিন্তু মাউশি’র নিয়োগবিধিতে এই পদগুলোকে তৃতীয় শ্রেণির দেখিয়ে শুধু এমসিকিউ পরীক্ষা নেয়া হয়। ২০২০ সালের অক্টোবরে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে ২৮টি ক্যাটাগরির বিভিন্ন পদের মধ্যে প্রদর্শক পদে ৫১৪টি, গবেষণা সহকারী (কলেজ) পদে ২১টি, সহকারী গ্রন্থাগারিক কাম ক্যাটালগার পদে ৬৯টি এবং ল্যাবরেটরি সহকারী পদে ৬টি পদ উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এসব পদের বিপরীতে পরীক্ষা ২০২১ সালের আগস্ট ও অক্টোবরে অনুষ্ঠিত হয়। পরিদর্শক পদের ফল অনিবার্যকারণবশত স্থগিত করা হয়েছিল। সেই পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয় ২০২৪ সালের এপ্রিলে। এতে প্রায় আট হাজার প্রার্থী উত্তীর্ণ হন। মে মাসে ভাইবা শেষে জুনে নির্বাচিতদের ফল প্রকাশ করা হয়। কিন্তু পরবর্তীতে পরিস্থিতির কারণে আটকে আছে এই ৬১০ জনের নিয়োগ। চাকরি পাওয়াদের মধ্যে রয়েছেন কম্পিউটার অপারেটর ৯ জন, উচ্চমান সহকারী ৮৫ জন, ক্যাশিয়ার ১১৯ জন, স্টোরকিপার ৫০ জন, হিসাব সহকারী ১০৬ জন, অফিস সহকারী ৫১৩ জন, মেকানিক ৩৩ জন, গাড়িচালক ১১ জন, বুক সর্টার ৪৬ জন, অফিস সহায়ক ১৭০৪ জন, নিরাপত্তা প্রহরী ২৪৭ জন, মালী ৯৭ জন, পরিচ্ছন্নকর্মী ১৬৩ জন। অন্যদিকে তালিকায় নিয়োগের অপেক্ষায় রয়েছেন প্রদর্শক পদে পদার্থবিদ্যায় ১০৯ জন, রসায়নে ১২০ জন, জীববিজ্ঞানে ৩১ জন, প্রাণিবিদ্যায় ১০৯ জন, উদ্ভিদবিদ্যায় ৯৬ জন, ভূগোলে ১৩ জন, মৃত্তিকায় ৫ জন, গণিতে ২২ জন, গার্হস্থ্য বিজ্ঞানে ৮ জন, কৃষিতে একজন, গবেষণা সহকারী (কলেজ) ২১ জন, সহকারী গ্রন্থাগারিক ৬৯ জন এবং ল্যাবরেটরি সহকারী ৬ জন।

    এই নিয়োগের বিষয়ে জানতে চাইলে মাউশি মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর এবিএম রেজাউল করীম বলেন, তালিকা ধরে নিয়োগের বিষয়টি আমার জানা নেই। আমি নিয়োগ প্রক্রিয়ার সময়ে দায়িত্বেও ছিলাম না। এটা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন। মন্ত্রণালয় থেকে কোনো নির্দেশনা দেয়া হলে সেটি বাস্তবায়ন করা হবে।

  • ঈদুল আজহা: ট্রেনের আগাম টিকিট বিক্রির সময়সূচি ঘোষণা

    ঈদুল আজহা: ট্রেনের আগাম টিকিট বিক্রির সময়সূচি ঘোষণা

    আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে বাংলাদেশ রেলওয়ে অনলাইনে আগাম টিকিট বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ঈদে ঘরমুখো মানুষের জন্য অনলাইনে অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হবে ১৩ মে থেকে, আর ঈদের পর ফিরতি যাত্রার অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হবে ২১ মে থেকে।

    ঈদ যাত্রার টিকিট বিক্রির সময়সূচি সংক্ষেপে:

    – ১৩ মে: ২৩ মে যাত্রার টিকিট বিক্রি শুরু

    – ১৪ মে: ২৪ মে যাত্রার টিকিট পাওয়া যাবে

    – ১৫ মে: ২৫ মে যাত্রার টিকিট পাওয়া যাবে

    – ১৬ মে: ২৬ মে যাত্রার টিকিট পাওয়া যাবে

    – ১৭ মে: ২৭ মে যাত্রার টিকিট পাওয়া যাবে

    ফিরতি যাত্রার টিকিট বিক্রি শুরু হবে ২১ মে থেকে। ফিরতি সূচি:

    – ২১ মে: ৩১ মে টিকিট ইস্যু শুরু

    – ২২ মে: ১ জুন টিকিট পাওয়া যাবে

    – ২৩ মে: ২ জুন টিকিট পাওয়া যাবে

    – ২৪ মে: ৩ জুন টিকিট পাওয়া যাবে

    – ২৫ মে: ৪ জুন টিকিট পাওয়া যাবে

    নিয়মাবলি ও নির্দেশনা:

    – একজন যাত্রী উল্লিখিত ঈদ আগমন ও ফেরত যাত্রার ক্ষেত্রে প্রতিটি ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ একবার টিকিট ক্রয় করতে পারবেন এবং প্রতি ক্রয়ে সর্বোচ্চ চারটি টিকিট নিতে পারবেন।

    – ঈদ অগ্রিম ও ফেরতযাত্রার টিকিট রিফান্ডযোগ্য নয়।

    – যাত্রীদের অনুরোধে, যাত্রার দিনে মোট আসনের ২৫ শতাংশ পর্যন্ত স্ট্যান্ডিং টিকিট (উচ্চ শ্রেণি ব্যতীত) স্টেশন কাউন্টার থেকে বিক্রয় করা হবে।

    – উল্লেখিত তারিখ অনুসারে ফেরত টিকিটগুলো প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে ইস্যু করা হবে।

    যাত্রীদের উদ্দেশ্যে অনুরোধ করা হয়েছে—অনলাইনে টিকিট কেনার সময় নির্দিষ্ট নির্দেশনা মেনে চলুন এবং যাত্রা নিশ্চিতের আগে টিকিট ও ভ্রমণের শর্তাবলি ভালভাবে যাচাই করে নিন।

  • মেহেরপুরে স্ত্রীর সামনে স্বামীকে কুপিয়ে হত্যা

    মেহেরপুরে স্ত্রীর সামনে স্বামীকে কুপিয়ে হত্যা

    মেহেরপুর সদর উপজেলার শেখ পাড়ায় মঙ্গলবার (৫ মে) সন্ধ্যায় স্ত্রীর সামনেই স্বামীকে ধারালো অস্ত্রে কুপিয়ে হত্যা করেছে এক ব্যক্তি—এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    নিহত গোলাম হোসেন (৪৫) ছিলেন পেশায় রিকশাচালক ও ওই এলাকার বাসিন্দা; তিনি রিয়াসিন আলীর ছেলে। নিহতের স্ত্রী আলিয়া খাতুন জানান, ওই দিন সন্ধ্যায় গোলাম বাড়ি ফিরে গোসল করছিলেন। হঠাৎ পেছন থেকে কালু নামে একজন এসে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে।

    অভিযোগ অনুযায়ী, কালু স্থানীয় বাসিন্দা আকবর আলীর ছেলে এবং নিহতের খালাতো ভাই। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র বলছে—ঘটনার পটভূমি হতে পারে দুই দিন আগে ঘটে যাওয়া একটি তুচ্ছ বিবাদ, যেখানে গোলামের রিকশা স্থানীয় এক নারী বন্যার বাড়ির প্রাচীরে ধাক্কা লাগে। এর পরে কালু ও বন্যার সঙ্গে গোলামদের মধ্যে ঠেকাঠেঁজি হয়, যা পরে স্থানীয়ভাবে মিটিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

    ঘটনার পর এলাকাবাসী ও পরিবার সদস্যরা গোলামকে উদ্ধার করে মেহেরপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

    মেহেরপুর সদর থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে পরিদর্শন করেছে। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে; হত্যার প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে।

    ঘটনার সঠিক কারণ, আহত বা অন্য কোনো ব্যক্তির সম্পৃক্ততা সম্পর্কে তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে বলে পুলিশ সূত্রে বলা হয়েছে।

  • খুলনায় নেতৃত্বহীন ছাত্রদল: সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থবির, পদপ্রত্যাশীরা লবিংয়ে ব্যস্ত

    খুলনায় নেতৃত্বহীন ছাত্রদল: সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থবির, পদপ্রত্যাশীরা লবিংয়ে ব্যস্ত

    খুলনায় বড় আরেকটি অস্থিরতার দিক হিসেবে দেখা যাচ্ছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কার্যক্রমের প্রধান শূন্যতা। মহানগর ও জেলা পর্যায়ে দীর্ঘদিন কোনো স্থায়ী কমিটি না থাকা এবং কেন্দ্রীয় স্তরের সিদ্ধান্তের কারণে সংগঠনের কার্যক্রম পড়ে আছে স্থবিরতায়।

    রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পরে—বিশেষ করে ৫ আগস্ট ২০২৪—এক পর্যায়ে নতুন আগ্রহ ও আলোচনা সৃষ্টি হলেও চূড়ান্ত নেতৃত্ব না থাকার কারণে মাঠে কোনো সুস্পষ্ট দিশা নেই। সূত্র জানায়, খুলনার ছাত্রদলের শীর্ষ দলে দাঁড়াতে স্থানীয় পর্যায়ে কয়েক ডজন নেতা-কর্মী মুখিয়ে আছে এবং এখন তারা লবিং ও সমর্থন জোগাড়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

    দলীয় নথি অনুযায়ী, ২৪ মার্চ ২০২১ সালে খুলনা মহানগর ছাত্রদলের কমিটি গঠন করা হয়। তখন ইশতিয়াক আহমেদ ইস্তিকে আহবায়ক ও তাজিম বিশ্বাসকে সদস্য সচিব করা হয়। সেই কমিটি ১৭টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ৫টি থানা ও মহানগরের ৩১টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৫টিতে ইউনিট কমিটি গঠন করেছিল। কিন্তু আনুমানিক তিন বছর পরে, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪-এ ওই মহানগর কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়।

    জেলার পরিস্থিতিও অনুরূপ। ১৩ অক্টোবর ২০১৬ সালে মান্নান মিস্ত্রিকে সভাপতি ও গোলাম মোস্তফা তুহিনকে সাধারণ সম্পাদক করে গঠিত জেলা কমিটি আট বছর দায়িত্ব পালন করে। তাদের দায়িত্বকালে জেলা জুড়ে ৩১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং ৯টি থানায় ইউনিট কমিটি করা হয়েছিল। মহানগরের সঙ্গে একই দিন, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪-এ ওই জেলা কমিটিও বিলুপ্ত করা হয়।

    দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ৫ আগস্ট ২০২৪-এর রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নিজস্ব মেয়াদোত্তীর্ণতার কয়েকটি কারণ দেখিয়ে মহানগর ও জেলা স্তরের কমিটিগুলো বিলুপ্ত করে। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ কথা জানালেও জাতীয় নির্বাচনের আগের রাজনীতির অনিশ্চয়তার কারণে নতুন কমিটি ঘোষণা করা সম্ভব হয়নি। ফলে লোকাল ইউনিটগুলো মাঠে কার্যকর থাকলেও উপরের কোনো ‘অভিভাবক’ না থাকায় সংগঠনভাবে নেতৃত্বহীনতা দেখা দিয়েছে।

    একটি বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, নতুন কমিটি গঠনের লক্ষ্যে এখন ব্যাপক যাচাই-বাছাই ও অনুসন্ধান চলছে। বিএনপির কেন্দ্রীয় ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল নিজে এই প্রক্রিয়াটি তদারকিতে যুক্ত আছেন।

    মহানগর নেতৃত্বে যাদের নাম আলোচনা রয়েছে—তাদের মধ্যে রয়েছেন তাজিম বিশ্বাস, আরিফুল ইসলাম আরিফ, হেদায়েত উল্লাহ দিপু, মো. শাকিল আহমেদ, মাজহারুল ইসলাম রাসেল, আব্দুল হক শাহিন, হাসান ফকির, সৈয়দ ইমরান, নাজিম উদ্দিন ভূঁইয়া, রাজু আহমেদ, আব্দুস সালাম, রাশিউর রহমান রুবেল, রাজিবুল ইসলাম বাপ্পি, নাজমুল ইসলাম ও মুশফিকুর রহমান অভি। জেলার নেতাদের তালিকায় এগিয়ে আছেন গাজী শহিদুল, মাসুম বিল্লাহ, মশিউর রহমান শফিক, ফিরোজ আহমেদ আদল, অনিক আহমেদ, ইয়ামিন ইসলাম, ইসমাইল হোসেন খান, আবু জাফর ও ইমতিয়াজ সুজন।

    জেলা ছাত্রদলের পুরনো নেতা অনিক আহমেদ বলেন, “মামলার বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিয়ে নতুন কমিটি করা হলে প্রকৃত ত্যাগীরাই নেতৃত্বে আসবে।” মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব তাজিম বিশ্বাস বলেন, “ছাত্রদল বিএনপি’র সহযোগী সংগঠন হলেও এটি দলের প্রাণ। ছাত্রদলের মাধ্যমেই নতুন কর্মীরা দলেকে প্রবেশ করে—বর্তমান সংসদের অনেক মন্ত্রী-মন্ত্রনির্হারই ছাত্রনেতা ছিলেন। দলকে গতিশীল করতে দ্রুত কমিটি দরকার।”

    সংক্ষেপে, খুলনায় ছাত্রদলের সামনে এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে সময়োপযোগী ও বিশ্বাসযোগ্য নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা। কেন্দ্রে চলমান যাচাই-বাছাই ও লোকজন নির্ধারণের প্রক্রিয়া শেষ হলে স্থানীয় গতিশীলতা ফিরবে—তবে ততক্ষণ পর্যন্ত মাঠে শীর্ষ নেতৃত্বের অভাবই থাকছে প্রধান প্রতিবন্ধকতা।

  • ১০ মে এনসিপি ঘোষণা করবে উপজেলা চেয়ারম্যান ও মেয়র প্রার্থীদের

    ১০ মে এনসিপি ঘোষণা করবে উপজেলা চেয়ারম্যান ও মেয়র প্রার্থীদের

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম বলেছেন, তাদের উদ্দেশ্য ছিল ৩০ এপ্রিলের মধ্যে ১০০টি উপজেলা ও পৌরসভার জন্য উপজেলা চেয়ারম্যান ও পৌর মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করা। তবে কিছু ব্যক্তিগত ও সামগ্রিক কারণের মন্থরতার ফলে নির্ধারিত তারিখ পিছিয়ে গেছে।

    তিনি বলেন, আমরা আশা করছি আগামী ১০ মে’র মধ্যে এনসিপি থেকে প্রাথমিকভাবে সমর্থিত উপজেলা চেয়ারম্যান ও মেয়র প্রার্থীদের তালিকা ঘোষণা করতে পারব।

    সারজিস আলম এই মন্তব্যগুলো করেন মঙ্গলবার (০৫ মে) রাজধানীর বাংলামোটর রূপায়ণ টাওয়ারের দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে, যেখানে রাজনৈতিক ও বিভিন্ন পেশার নাগরিকরা দলের সঙ্গে যোগদান করেন।

    তিনি আরও জানান, এ মাসের মধ্যে সাতটি সিটি কর্পোরেশনে এনসিপি সমর্থিত মেয়র প্রার্থীদের নাম প্রকাশ করা হবে। বর্তমানে এনসিপি একটি ১১ দলীয় জোটের অংশ হিসেবে বিরোধী ভূমিকা পালন করলেও সংসদে কার্যকরভাবে কাজ করার পাশাপাশি দলটির সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক শক্তি এককভাবে গড়ে তোলার উদ্যোগও চলছে। এজন্য স্থানীয় স্তরে অনেক জায়গায় এনসিপি নিজস্ব প্রার্থী ঘোষণা করবে বলেও জানান তিনি।

    সারজিস আলম অভিযোগ করেন, বিএনপির পক্ষ থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে টালবাহানা করে এগুলো ২০২৭ সালের ডিসেম্বরে নেওয়ার পরিকল্পনা আছে এবং তারা ইতোমধ্যে জেলা পরিষদ ও সিটি কর্পোরেশনে প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্হা করছে—এই ধরনের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে তিনি অবস্থান ব্যক্ত করেন।

    তিনি আরো বলেন, উপজেলা পর্যায়ে কার্যকরভাবে কাজ করা কোনো উপজেলা চেয়ারম্যান নেই এবং শোনা যাচ্ছে যে কেউ কেউ উপজেলা পরিষদ বিলুপ্ত করার চেষ্টা শুরু করেছে। এমন পন্থা সর্বশেষে তাদের জন্য ক্ষতিকর হবে বলেও তিনি সতর্ক করেন। তাই সিটি কর্পোরেশন, উপজেলা ও পৌরসভা নির্বাচন এতির মধ্যে আয়োজন করার জন্য তিনি দাবি করেন।

  • বাজুস জানাল: সোনার দাম কমল, প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ২,১৫৮ টাকা পর্যন্ত হ্রাস

    বাজুস জানাল: সোনার দাম কমল, প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ২,১৫৮ টাকা পর্যন্ত হ্রাস

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) মঙ্গলবার (৫ মে) ঘোষণা করেছে যে দেশের স্থানীয় বাজারে সোনার দাম হ্রাস করা হয়েছে। সমিতির দেওয়া বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী নতুন দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।

    বাজুস জানিয়েছে, তেজাবি (পিওর গোল্ড) আন্তর্জাতিক বাজারে কমে আসায় স্থানীয় দোকানভিত্তিক সোনার দামও সমন্বয় করা হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেট সোনার প্রতি ভরি দাম নির্ধারণ করা হয়েছে এক লাখ চল্লিশ হাজার তিনশত সাতত্রিশ টাকা (১,৪০,৩৩৭ টাকা)। এটি সপ্তাহের শুরুতে (সোমবার, ৪ মে) থাকা দুই লাখ বাইঁতালিশ হাজার চারশত পঁচান্ন টাকা (২,৪২,৪৯৫ টাকা) থেকে কমে এসেছে—অর্থাৎ প্রতি ভরি প্রায় দুই হাজার একশত আটান্ন টাকা (২,১৫৮ টাকা) হ্রাস পেয়েছে।

    অন্যান্য কট্‌রা অনুযায়ী নতুন দামগুলো হল: ২১ ক্যারেট প্রতি ভরি দুই লাখ উনত্রিশ হাজার চারশত একত্রি টাকা (২,২৯,৪৩১ টাকা), ১৮ ক্যারেট প্রতি ভরি এক লাখ নিকেয়ানব্বই হাজার ছয়শত পঞ্চান্ন টাকা (১,৯৬,৬৫৫ টাকা) এবং সনাতনী পদ্ধতির প্রতি ভরি দাম এক লাখ ষাট হাজার একশত সাতত্রিশ টাকা (১,৬০,১৪৭ টাকা)।

    রুপার দাম অচল আছে বলে জানায় বাজুস। ২২ ক্যারেট রুপার প্রতি ভরি দাম রাখা হয়েছে পাঁচ হাজার চারশত বাইশ দুই টাকা (৫,৪৮২ টাকা)। সেই সঙ্গে ২১ ক্যারেট রুপা ৫,১৯০ টাকা, ১৮ ক্যারেট রুপা ৪,৪৯০ টাকা এবং সনাতনী পদ্ধতির রুপা ৩,৩৮৩ টাকা প্রতিভরি নির্ধারণ করা হয়েছে।

    আন্তর্জাতিক পটভূমি নিয়ে বলা হয়েছে, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর বিশ্ববাজারে সোনার দাম উঠে যায়। পরে দাম উঠানামা করে এবং সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক ওয়েবসাইট গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি অনুযায়ী প্রতি আউন্স সোনার দাম এখন কমে প্রায় ৪,৫০০ ডলার নেমে এসেছে। এর আগে গত ৩০ জানুয়ারি দাম ছিল প্রায় ৫,২০০ ডলার এবং ২৯ জানুয়ারি তা ৫,৫৫০ ডলারে পৌঁছেছিল।

    বাজুসের এই সিদ্ধান্তি স্থানীয় বাজারে মূল্যের সাময়িক সমন্বয় হিসেবে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে; ক্রেতা-বিক্রেতাদের সুবিধার্থে নতুন মূল্য তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

  • এপ্রিল: রেমিট্যান্স এলো ৩১৩ কোটি মার্কিন ডলার

    এপ্রিল: রেমিট্যান্স এলো ৩১৩ কোটি মার্কিন ডলার

    সদ্য বিদায়ী এপ্রিল মাসে দেশে এসেছে ৩১২ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান। তিনি বলেন, এ হিসেবে প্রতিদিন গড়ে দেশে পাঠানো হয়েছে প্রায় ১০ কোটি ৪২ লাখ ডলার।

    একই সময়ে গত বছরের এপ্রিলে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৭৫ কোটি ২০ লাখ ডলার, তাই বছর ব্যবধানে এ প্রবাহে বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত প্রবাসীদের পাঠানো মোট রেমিট্যান্স ছিল ২ হাজার ৯৩৩ কোটি ২০ লাখ ডলার, যা বছর ব্যবধারে বেড়েছে ১৯ দশমিক ৫০ শতাংশ।

    এর আগে মার্চে দেশে রেকর্ড সংখ্যক ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা কোনো এক মাসে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। ফেব্রুয়ারি ও জানুয়ারি মাসে যথাক্রমে এসেছে ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার ও ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার ডলার।

    ডিসেম্বরে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার, নভেম্বরে ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ২০ হাজার ডলার। গত অক্টোবর ও সেপ্টেম্বরে রেমিট্যান্স ছিল যথাক্রমে ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ৮০ হাজার ও ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার ডলার। এছাড়া আগস্ট ও জুলাইয়ে রেমিট্যান্স এসেছে যথাক্রমে ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার ও ২৪৭ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার।

    মোটের দিক থেকে দেখা যায়, গণ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রবাসীরা মোট ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন, যা কোনো নির্দিষ্ট অর্থবছরে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয় হিসেবে রেকর্ড হয়েছে। রেমিট্যান্স বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে এবং বহু পরিবারের আয়-রোজগারে সরাসরি প্রভাব ফেলে।

  • „বাংলা অনেক সহ্য করেছে, মমতাকে বরখাস্ত করুন“ — আসামের মুখ্যমন্ত্রী

    „বাংলা অনেক সহ্য করেছে, মমতাকে বরখাস্ত করুন“ — আসামের মুখ্যমন্ত্রী

    আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী যদি নিজে পদত্যাগ না করেন তবে তাঁকে বরখাস্ত করা উচিত। তিনি যুক্তি দিয়েছেন, বাংলা তাঁর অনেক ভুলত্রুটির বিরুদ্ধে দীর্ঘসময় ধৈর্য ধারণ করেছে।

    এনডিটিভির সিইও ও এডিটর-ইন-চিফ রাহুল কানওয়ালের সঙ্গে মঙ্গলবার (৫ মে) এক সাক্ষাৎকারে হিমন্ত বলেন, “উনি যদি পদত্যাগ না করেন তাহলে তাকে বরখাস্ত করা হবে—সোজা কথা। দেশ তার কথায় চলবে না। সরকার একটা নির্দিষ্ট সময় অপেক্ষা করবে, তারপর তাকে বরখাস্ত করা হবে।”

    নির্বাচনের ফল প্রত্যাখ্যান করে মমতা দাবি করেছেন যে ১০০টি আসন তাঁর কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে; এ প্রসঙ্গে হিমন্ত বলেন, “আপনি বলছেন ১০০ আসন আপনার কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। তাহলে আমিও বলতে পারি কংগ্রেসের জেতা ১৯টি আসন আমার কাছ থেকে কেড়ে নেওয়া হয়েছে। আমার ১২৬ আসন থাকা উচিত ছিল। এভাবে একটা দেশ চলে না।” তিনি বলেছিলেন ফলাফলিটা হয়েছে এবং বিতর্ক মিটে যাওয়াই উচিত।

    টানা তিন মেয়াদে ক্ষমতায় থেকে এইবারের নির্বাচনে তৃণমূলের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী বিজেপির কাছে হেরেছেন। এরপর থেকেই তিনি ভোটে কারচুপি হয়েছে বলে দাবি করে জানিয়েছেন তিনি পদত্যাগ করবেন না, যা ক্ষমতা হস্তান্তরকে অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলে দিয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এক সংবাদ সম্মেলনে মমতা বলেন, “আমি হারিনি। তাই, আমি রাজভবনে যাবো না। আমি পদত্যাগ করবো না।”

    হিমন্ত আরও নেত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “আপনি সীমান্তে বেড়া দিতে দেননি, তারপর বলছেন আপনার কাছ থেকে আসন ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে—এটা অদ্ভুত। পশ্চিমবঙ্গের মানুষ আপনাকে অনেক কিছু দিয়েছে, এবার তারা বিজেপিকে ম্যান্ডেট দিয়েছে। আপনি এমনভাবে দাবি করছেন যেন আপনার পদত্যাগ করাটা সবকিছু নিয়ন্ত্রিত করছে।”

    পশ্চিমবঙ্গের ২৯৩ আসনের মধ্যে এবারের নির্বাচনে বিজেপি ২০৬টি এবং তৃণমূল ৮০টি আসন পেয়েছে। এর আগে ২০২১ সালে তৃণমূল ২১৫ আসন জিতে নির্বাচন জিতেছিল।

    সূত্র: এনডিটিভি

  • শীর্ষ নেতাকে হারিয়ে কেরালায় ইতিহাস গড়লেন ফাতিমা

    শীর্ষ নেতাকে হারিয়ে কেরালায় ইতিহাস গড়লেন ফাতিমা

    কেরালার নির্বাচনী রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছেন ফাতিমা থাহিলিয়া। ভারতীয় ইউনিয়ন মুসলিম লীগ (আইইউএমএল) থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হয়ে তিনি দলটির প্রথম নারী বিধায়ী হিসেবে ইতিহাস গড়েছেন, যা প্রাদেশিক রাজনীতিতে বড় সাড়া ফেলেছে।

    ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়, কোজিকোড় জেলার পেরাম্বরা আসনে ফাতিমা এলডিএফের সমন্বয়ক ও সিপিআই(এম) প্রার্থী টিপি রামকৃষ্ণনকে পরাজিত করেছেন। ১৯৮০ থেকেই এই আসনটিকে সিপিআইয়ের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে বিবেচনা করা হতো — সেই প্রথা ভেঙে দেওয়ায় রাজনৈতিক মহলে চমক জন্মেছে।

    আইনজীবী ও কোজিকোড় পৌরসভার প্রাক্তন কাউন্সিলর ফাতিমা তার এই জয়ের মাধ্যমে কেরালার রাজনৈতিক মানচিত্রে একটি নতুন সমীকরণ গড়ে তুলেছেন। দীর্ঘদিন ধরে বাম আধিক্যপূর্ণ এই এলাকায় তার জয়কে অনেকে বড় পরিবর্তনের প্রতীক হিসেবে দেখছেন।

    নির্বাচনকালীন সময়ে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট (ইউডিএফ) অভিযোগ করে যে এলডিএফ তাদের বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক প্রচারণা চালিয়েছে এবং বিষয়টি তারা নির্বাচন কমিশনের কাছে উত্থাপন করেছিল।

    আইইউএমএল মনোনীত ২৭ প্রার্থীর মধ্যে মাত্র দুইজনই নারী হিসেবে নাম পেয়েছিলেন; ফাতিমা তাদের একজন। দলটির ইতিহাসে এর আগে দু’জন নারী প্রার্থী মনোনয়ন পেয়েছেন কিন্তু কেউ জয়ী হননি — এবার ফাতিমার জয়ে সেই দীর্ঘ অনিশ্চয়তার অবসান হলো।

    ফাতিমার রাজনৈতিক যাত্রা ছাত্র রাজনীতির মধ্য দিয়েই শুরু হয়। তিনি মুসলিম স্টুডেন্টস ফেডারেশনের (এমএসএফ) নারী সংগঠন ‘হারিতা’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি; ২০১২ সালে গঠিত হারিতা কলেজ ক্যাম্পাসে আইইউএমএলের প্রভাব বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।

    পরবর্তীতে এমএসএফের কয়েকজন শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠে এবং সেই ইস্যু দলের মধ্যে বড় সংকট তৈরি করে। অভিযোগটি লোপাট করার চেষ্টা করলে ফাতিমা সুস্পষ্ট অবস্থান নিয়েছিলেন। সেই কারণে তাকে দলীয় দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় এবং হারিতা সংগঠনও ভেঙে দেওয়া হয়।

    বর্তমানে ফাতিমা আইইউএমএলের যুব সংগঠন মুসলিম ইয়ুথ লিগের সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, তিনি কেরালায় এক নতুন প্রজন্মকে প্রতিনিধিত্ব করছেন—একজন নেতা যিনি দলীয় কাঠামোর ভেতর থেকেই নারী অধিকার, অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র ও সংস্কারের প্রশ্ন তুলতে অনড়।

    তাঁর এই জয়ের ফলে কেরালার রাজনীতিতে নারী নেতৃত্ব ও অভ্যন্তরীণ সংস্কারের দাবি নিয়ে নতুন আলাপ শুরু হবে বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা আশা করছেন।

  • খুলনার আড়ংঘাটায় তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী জুয়েল সরদার গ্রেফতার

    খুলনার আড়ংঘাটায় তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী জুয়েল সরদার গ্রেফতার

    খুলনা মহানগরীর আড়ংঘাটা থেকে তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ও একাধিক মামলার পলাতক আসামী জুয়েল সরদার (৩২)কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তিনি জুয়েল–বোরহান বাহিনীর প্রধান বলে পুলিশের তথ্য জানিয়েছে।

    মঙ্গলবার (৫ মে) সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে আড়ংঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হালিমুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সরদারডাঙ্গা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে।

    পুলিশ জানায়, জুয়েল সরদারের বিরুদ্ধে চুরি, ছিনতাই, প্রতারণা, অপহরণ, ধর্ষণ ও চাঁদাবাজিসহ অন্তত দশটি মামলা রয়েছে। এছাড়া একটি মামলায় তাকে এক বছর ছয় মাসের সাজাও দেয়া হয়েছে।

    গ্রেফতারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জুয়েল সরদার তার অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ও সহযোগীদের সম্পর্কেও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ রংপুর শলুয়া বাজার, পাহাড়পুর ও লতার মোড় এলাকায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করেছে।

    বর্তমানে তাকে আড়ংঘাটা থানায় রাখা হয়েছে এবং জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

  • খুলনায় গুলিবিদ্ধ রাজুকে ঢাকায় নেওয়ার পথে অ্যাম্বুলেন্সে গুলি

    খুলনায় গুলিবিদ্ধ রাজুকে ঢাকায় নেওয়ার পথে অ্যাম্বুলেন্সে গুলি

    খুলনায় গুলিবিদ্ধ হন রাজু হাওলাদার (৩৮)। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানোর পথে রূপসা উপজেলার কুদির বটতলা এলাকায় দুর্বৃত্তরা অ্যাম্বুলেন্স লক্ষ্য করে গুলি চালায়।

    ঘটনাটি সোমবার (৪ এপ্রিল) ভোরে লবণচরা থানার কোবা মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় ঘটে বলে জানা গেছে। ওই সময় রাজুর পেটের সঙ্গে লাগানো এক গুলির অপারগতা দেখতে পাওয়া যায়। আক্রান্ত যুবক লবণচরা থানাাধীন শিপইয়ার্ড এলাকার ইউনুস হাওলাদারের ছেলে, স্থানীয়ভাবে তাকে রাজু হাওলাদার নামে চিনে।

    পরিবার ও হাসপাতালে থাকা একজন মহিলা জানান, গুলিবিদ্ধ ব্যক্তি তার ছেলের বন্ধু। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তিনি প্রথমে তাদের বাড়িতে অবস্থান নেন এবং পরে খাজরহাট খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতাল সূত্রে বলা হয়েছে, চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় রাতেই তাকে ঢাকায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    ঢাকায় নেয়ার পথে রাত সাড়ে ১২টার দিকে কুদির বটতলা এলাকায় পৌঁছালে অজ্ঞাতনামা সন্ত্রাসীরা অ্যাম্বুলেন্স লক্ষ্য করে ফের গুলি চালায়। অ্যাম্বুলেন্স চালক মো. ফারুক দ্রুত গাড়ি কাটাখালী হাইওয়ে থানায় নিয়ে গিয়ে আশ্রয় নেন। পরে হাইওয়ে পুলিশের সহায়তায় পুনরায় ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়া হয়।

    কাটাখালী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাফর আহমেদ বলেন, গুলিবিদ্ধ এক রোগীকে ঢাকায় নেওয়ার পথে দুর্বৃত্তরা অ্যাম্বুলেন্স লক্ষ্য করে গুলি চালায়। পুলিশি সহায়তায় অ্যাম্বুলেন্সটি নিরাপদে সীমানা পার করা হয়েছে।

    খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার শিহাব করীম জানান, লবণচরা এলাকায় একটি গুলির ঘটনা ঘটেছে, তবে ঠিক কোথায় ও কখন হামলা হয়েছে তা এখনও স্পষ্ট নয়। তিনি আরও জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে কয়েকটি মামলা রয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য তদন্ত চলছে।

    এ ঘটনায় আর কোনো হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। পুলিশ ও হাসপাতাল পক্ষ থেকে ঘটনার বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা চলছে।