Blog

  • সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ জনকে আজ হাজির করা হচ্ছে ট্রাইব্যুনালে

    সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ জনকে আজ হাজির করা হচ্ছে ট্রাইব্যুনালে

    জুলাই-আগস্টের গণহত্যার মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হচ্ছে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ আসামিকে। 

    আজ সোমবার সকালে কড়া নিরাপত্তায় তাদেরকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হবে। এদিকে গণহত্যার মামলার তদন্তের সময় বৃদ্ধির জন্য আবেদন জানাবে তদন্ত সংস্থা। সংস্থার পক্ষে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট এম তাজুল ইসলাম আজ এ আবেদন জানাবেন। বিচারপতি মো. গোলাম মূর্তজা মজুমদারের সভাপতিত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালে আবেদনের উপর শুনানি হবে। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

    ট্রাইব্যুনালে যাদেরকে হাজির করা হচ্ছে এরা হলেন: আনিসুল হক, ড. আব্দুর রাজ্জাক, শাজাহান খান, সালমান এফ রহমান, গোলাম দস্তগীর গাজী, কামাল আহমেদ মজুমদার, লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান, ড. দীপু মনি, রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু, জুনাইদ আহমেদ পলক, তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী (বীর বিক্রম), সাবেক বিচারপতি এইচ এম শামসুদ্দীন চৌধুরী মানিক ও সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিব জাহাঙ্গীর আলম।

    এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট এম তাজুল ইসলাম ইত্তেফাককে বলেন, গণহত্যার মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারিকৃতদের মধ্যে গ্রেফতার হওয়া ১৪ অভিযুক্তকে আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করার জন্য আদেশ রয়েছে। ঐ আদেশ মোতাবেক কারা কর্তৃপক্ষ তাদেরকে হাজির করবে। তিনি বলেন, গণহত্যার মামলা তদন্তের জন্য সময় দিয়েছিল ট্রাইব্যুনাল। যেহেতু তদন্ত শেষ হয়নি সেহেতু সময় বৃদ্ধির আবেদন দেওয়া হবে। কোটা সংস্কার ও সরকার পতনের আন্দোলন দমাতে নিরস্ত্র ছাত্র-জনতাকে সমূলে বা আংশিক নির্মূলের লক্ষ্যে হত্যা, গণহত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের মামলায় গত ১৭ অক্টোবর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সরকারের সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে ট্রাইব্যুনাল। ২৭ অক্টোবর পরোয়ানাভুক্তদের মধ্যে ২০ জনকে ট্রাইব্যুনালের মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। এদের মধ্যে ১৪ জনকে আজ এবং ছয় পুলিশ কর্মকর্তা সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন, বরখাস্ত মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, সাবেক ঢাকা জেলার এডিসি (এসপি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত ছিলেন) আব্দুল্লাহ হিল কাফী, সাবেক এডিসি আরাফাতুল ইসলাম, যাত্রাবাড়ী থানার সাবেক ওসি আবুল হাসান এবং গুলশান থানার সাবেক ওসি মাজহারুল ইসলামকে ২০ নভেম্বর ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ রয়েছে। এদিকে ২৭ অক্টোবর ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, র‍্যাবের সাবেক ডিজি হারুন-অর রশিদ, এসবির সাবেক প্রধান মনিরুল ইসলাম, ডিবির সাবেক প্রধান হারুনুর রশিদ, বিপ্লব কুমার সরকার, সাবেক এডিসি ইকবাল হোসেনসহ আরো ১৭ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করা হয়।

    তদন্ত সংস্থা ও প্রসিকিউশনের অভিযোগে যা বলা হয়েছে : কোটা সংস্কারের অহিংস আন্দোলন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সহিংস হয়ে উঠে। একই সঙ্গে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরস্ত্র ছাত্র-ছাত্রীদের ওপর নির্মমভাবে হামলা চালায়। এই হামলার ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকাসহ দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামে। সংঘর্ষ হয় ছাত্রলীগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে। ১৬ জুলাই রংপুরে পুলিশের গুলিতে শিক্ষার্থী আবু সাঈদসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আরও ছয় জন মারা যান। ফলে কোটা সংস্কার আন্দোলন সরকার পতনের আন্দোলনে রূপ নেয়। এই আন্দোলনে একসময় শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ যোগ দেয়। কমপ্লিট শাটডাউন, অসহযোগ আন্দোলন দমাতে জারি করা হয় কারফিউ। কিন্তু তাতে দমে যায়নি ছাত্র-জনতা। এই ছাত্র-জনতাকে সমূলে বা আংশিক নির্মূলের উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ নির্দেশনায় নির্বিচারে গুলি চালায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এর সঙ্গে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠন এবং ১৪ দলীয় জোটের ক্যাডার বাহিনী যোগ দেয়। এতে দেড় সহস্রাধিক ছাত্র-জনতাকে হত্যা করা হয়। আহত হয় ২৩ হাজারের অধিক শিক্ষার্থী ও জনতা। আহত অনেকে চিরতরে পঙ্গু ও দৃষ্টি শক্তি হারিয়েছেন।

    এর পরেও দমানো যায়নি আন্দোলনকারীদের। তারা ৫ আগস্ট গণভবনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। পদত্যাগ করে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পরেও পূর্ব নির্দেশনা অনুযায়ী ঐদিন গভীর রাত পর্যন্ত হত্যা, গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী এবং ১৪ দলীয় জোটের ক্যাডাররা। এসব অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে জুলাই-আগস্ট গণহত্যার মামলায়।

    প্রসঙ্গত গণঅভ্যুত্থানের মুখে গত ৫ আগস্ট দেশত্যাগ করেন শেখ হাসিনা। ৮ আগস্ট নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যাত্রা শুরু করে। এরপর ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, এমপি, বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে শত শত হত্যা মামলা দায়ের হয়। এর মধ্যে বেশ কিছু মামলায় গ্রেফতার হয়ে আগস্ট মাস থেকে কারাগারে আছেন ট্রাইব্যুনালের পরোয়ানাভুক্ত আসামিরা। অক্টোবর মাসে সরকার পুনর্গঠন করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। শেখ হাসিনাসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির মধ্য দিয়ে গত ১৭ অক্টোবর যাত্রা শুরু করে ট্রাইব্যুনাল। ইতিমধ্যে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রেড অ্যালার্ট জারি করতে ইন্টারপোলের কাছে চিঠি দিয়েছে চিফ প্রসিকিউটর।

  • দীপু মনির সুপারিশে মাউশিতে তিন হাজার পদায়ন

    দীপু মনির সুপারিশে মাউশিতে তিন হাজার পদায়ন

    সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির ইশারায় নিয়োগ পান প্রায় তিন হাজার ১৮৩ কর্মকর্তা-কর্মচারী। দীপু মনি সিন্ডিকেটের বলয়ে তারা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) চাকরি পান। এর জন্য উচ্চ মহলের সুপারিশসহ তাদের দিতে হয়েছে ৫ থেকে ১৫ লাখ টাকা। নিয়োগের জন্য যাচ্ছেতাইভাবে পরীক্ষা নেয়া হয় তাদের জন্য। দীপু মনির আমলে চার হাজার ১০৯ জনকে নিয়োগ দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। এখনো চাকরির অপেক্ষায় রয়েছেন ৬১০ জন।

    মাউশি’র এই নিয়োগ পুরোটা সামলেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনির ভাই ডা. জে আর ওয়াদুদ টিপু ও চাঁদপুর পুরান বাজার ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ রতন কুমার মজুমদার। অভিযোগ রয়েছে এই চক্রটির খাতা কলমে বৈধতা দেয়ার কাজ করে গেছেন মাউশি’র কলেজ ও প্রশাসন শাখার পরিচালক শাহেদুল খবির চৌধুরী, প্রশাসন শাখার উপ-পরিচালক বিপুল চন্দ্র বিশ্বাস। বর্তমানে এই দুই কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। টাকার বিনিময়ে নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তারা ২০২৩ সালে দু’দফায় (আগস্ট ও নভেম্বরে) যোগদান করেন।

    মাউশি’র একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীপু মনি শিক্ষার দায়িত্ব হাতে পাবার পরই গড়ে তোলেন সিন্ডিকেট। মাউশিতে নিয়ে আসেন পছন্দের লোকদের। জনপ্রশাসন থেকে নিয়োগের ছাড়পত্র এনে তার আমলে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করেন। এই চক্র এতটাই শক্তিশালী ছিল যে, কেউ প্রশ্ন করার সাহস পর্যন্ত ছিল না। পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন অনেকেই। পরীক্ষায় এমসিকিউ বাতিল করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ’র অধীনে লিখিত পরীক্ষা নেয়ার দাবি তোলা হয়েছিল। কিন্তু তা আমলেই নেয়া হয়নি। এমনকি ভাইবার আগেই এসব প্রার্থীদের দেয়া হয়েছিল চাকরির নিশ্চয়তা।

    সুপারিশের প্রেক্ষিতে চার হাজার ১০৯ জনকে নিয়োগ দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু নানা জটিলতায় আটকে যায় ৬১০ জনের পদায়ন। তবে তাদের পদায়নের জন্য চলতি বছরের জুনে ফল প্রকাশ করা হয়। কিন্তু ছাত্র-জনতার আন্দোলনের তোড়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। যার কারণে আটকে আছে তাদের নিয়োগ। নিয়ম অনুযায়ী দশম থেকে দ্বাদশ গ্রেড পর্যন্ত দ্বিতীয় শ্রেণির পদ, কিন্তু মাউশি’র নিয়োগবিধিতে এই পদগুলোকে তৃতীয় শ্রেণির দেখিয়ে শুধু এমসিকিউ পরীক্ষা নেয়া হয়। ২০২০ সালের অক্টোবরে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে ২৮টি ক্যাটাগরির বিভিন্ন পদের মধ্যে প্রদর্শক পদে ৫১৪টি, গবেষণা সহকারী (কলেজ) পদে ২১টি, সহকারী গ্রন্থাগারিক কাম ক্যাটালগার পদে ৬৯টি এবং ল্যাবরেটরি সহকারী পদে ৬টি পদ উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এসব পদের বিপরীতে পরীক্ষা ২০২১ সালের আগস্ট ও অক্টোবরে অনুষ্ঠিত হয়। পরিদর্শক পদের ফল অনিবার্যকারণবশত স্থগিত করা হয়েছিল। সেই পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয় ২০২৪ সালের এপ্রিলে। এতে প্রায় আট হাজার প্রার্থী উত্তীর্ণ হন। মে মাসে ভাইবা শেষে জুনে নির্বাচিতদের ফল প্রকাশ করা হয়। কিন্তু পরবর্তীতে পরিস্থিতির কারণে আটকে আছে এই ৬১০ জনের নিয়োগ। চাকরি পাওয়াদের মধ্যে রয়েছেন কম্পিউটার অপারেটর ৯ জন, উচ্চমান সহকারী ৮৫ জন, ক্যাশিয়ার ১১৯ জন, স্টোরকিপার ৫০ জন, হিসাব সহকারী ১০৬ জন, অফিস সহকারী ৫১৩ জন, মেকানিক ৩৩ জন, গাড়িচালক ১১ জন, বুক সর্টার ৪৬ জন, অফিস সহায়ক ১৭০৪ জন, নিরাপত্তা প্রহরী ২৪৭ জন, মালী ৯৭ জন, পরিচ্ছন্নকর্মী ১৬৩ জন। অন্যদিকে তালিকায় নিয়োগের অপেক্ষায় রয়েছেন প্রদর্শক পদে পদার্থবিদ্যায় ১০৯ জন, রসায়নে ১২০ জন, জীববিজ্ঞানে ৩১ জন, প্রাণিবিদ্যায় ১০৯ জন, উদ্ভিদবিদ্যায় ৯৬ জন, ভূগোলে ১৩ জন, মৃত্তিকায় ৫ জন, গণিতে ২২ জন, গার্হস্থ্য বিজ্ঞানে ৮ জন, কৃষিতে একজন, গবেষণা সহকারী (কলেজ) ২১ জন, সহকারী গ্রন্থাগারিক ৬৯ জন এবং ল্যাবরেটরি সহকারী ৬ জন।

    এই নিয়োগের বিষয়ে জানতে চাইলে মাউশি মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর এবিএম রেজাউল করীম বলেন, তালিকা ধরে নিয়োগের বিষয়টি আমার জানা নেই। আমি নিয়োগ প্রক্রিয়ার সময়ে দায়িত্বেও ছিলাম না। এটা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন। মন্ত্রণালয় থেকে কোনো নির্দেশনা দেয়া হলে সেটি বাস্তবায়ন করা হবে।

  • আমি নানা বিষয়ে টার্গেট করছি: মেহজাবীন

    আমি নানা বিষয়ে টার্গেট করছি: মেহজাবীন

    পর্দার জনপ্রিয় ও আলোচিত অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ সক্রিয় থাকেন এবং নিজের ব্যক্তিগত ও পেশাগত মুহূর্তগুলো শেয়ার করেন। কখনো কখনো নিজের ভালো লাগা বা মন্দ লাগার বিষয়গুলো প্রকাশ করেন। এবার তিনি এক পোস্টের মাধ্যমে জানিয়েছেন যে, এক মহলের কাছ থেকে তিনি নানা বিষয়ে টার্গেট হয়ে আসছেন।

    রোববার সকালে ফেসবুকে লেখেন, কয়েকদিন ধরে আমাকে বিভিন্ন বিষয়ে ব্যক্তিগতভাবে টার্গেট করা হচ্ছে। তিনি জানান, কিছুদিন আগে একটি মিথ্যা মামলায় তার হয়রানি হয়েছিল, তবে বিজ্ঞ আদালত সেই মামলায় তার বিরুদ্ধে সব অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছেন ও সত্যতা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তবে তখনই আবার তিনি লক্ষ্য করছেন, তার বিরুদ্ধে মানহানি বা অপপ্রচারের ষড়যন্ত্র চলছে।

    তিনি আরও জানান, সম্প্রতি এআই (Artificial Intelligence) প্রযুক্তি ব্যবহারে তৈরি ছবি ও ভিডিওর কারণে অনেক শিল্পীই বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছেন, যা একদমই কাম্য নয়। বিশেষ করে নারীরা আজকাল সহজেই টার্গেট হয়ে যাচ্ছেন। এতে অন্যতম কারণ ও পেছনের কারণটি তিনি নিশ্চিত নন।

    মেহজাবীন বলেন, আমি শুধু আমার কাজের দিকে মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করতে চাই। চাই যে, আমার পেশাগত জীবন নিয়ে আলোচনা হোক। আমি আশ্বাস দিচ্ছি যে, আমি সব সময় সাথে থাকবো এবং আপনাদের পাশে পাবো। ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি।

    অভিনেত্রীর এই বক্তব্যের পর ভক্ত ও সমালোচকরা বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। কেউ তার পক্ষে দাঁড়িয়েছেন, আবার কেউ নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি তুলেছেন।

    এছাড়াও, জানা যায়, সাম্প্রতিক সময়ে নানা বিতর্কে জড়িয়ে আলোচনায় আসেন মেহজাবীন। প্রায় তিন মাস আগে তিনি পারিবারিক ব্যবসায় পার্টনার হিসেবে রাখার জন্য ২৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ, হুমকি-ধমকি ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে আইনি জটিলতায় পড়েন। তবে অতঃপর আদালত থেকে তিনি মুক্তি পান।

    নবীন বিতর্কের সূত্রপাত হলো, এক সংবাদমাধ্যর সূত্রে জানা যায়, ১৭ আগস্ট ব্যাংকক থেকে ঢাকায় ফিরার সময় মেহজাবীন ও তার স্বামী মদসহ আটকা পড়েছেন। যদিও এর সত্যতা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে তিনি নিজের মানহানির অভিযোগ তুলেছেন।

  • রাশমিকা ও বিজয়ের বিয়ের আনুষ্ঠানিক সিলমোহর, কোথায় হবে ঘটনাস্থল

    রাশমিকা ও বিজয়ের বিয়ের আনুষ্ঠানিক সিলমোহর, কোথায় হবে ঘটনাস্থল

    দক্ষিণের জনপ্রিয় তারকা জুটি রাশমিকা মান্দানা ও বিজয় দেবারাকুন্ডার বিয়ের খবর বেশ কয়েকদিন থেকেই শোরগোল শুরু হয়েছিল। তবে দুজনই এ বিষয়ে মুখে কিছু বলেননি। সম্প্রতি তারা নিজেদের বিবাহের কথা স্বীকার করেছেন এবং এই আনন্দের খবর জানান।

    ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই বিশেষ অনুষ্ঠানের নাম নির্ধারণ করা হয়েছে ‘দ্য ওয়েডিং অব বিরোশ’। প্রাথমিকভাবে ভক্তরা তাদের এই নামটি তৈরি করেছিলেন, যা পরে তারা নিজেদের বিবাহের জন্য গ্রহণ করেছেন। আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি, রাজস্থানের উদয়পুরে এক ঘরোয়া অনুষ্ঠানে। এতে পরিবারের কাছের মানুষ এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধুরা উপস্থিত থাকবেন।

    এক বিবৃতিতে তারা জানিয়েছেন, “প্রিয় বন্ধু ও ভালোবাসার মানুষরা, আপনাদের অনেক আগেই আমাদের জন্য একটি বিশেষ নাম রেখেছিলেন—‘বিরোশ’। এই নামের মতোই আমাদের প্রেমের আরম্ভটি ছিল সুন্দর ও বিশেষ, তাই আজ আমাদের বিবাহের দিনটিকে ‘দ্য ওয়েডিং অব বিরোশ’ নামে সমাদৃত করছি। আপনারা আমাদের জন্য এত ভালোবাসা এবং সমর্থন দিয়েছেন, এই জন্য আমরা কৃতজ্ঞ। ভবিষ্যতেও আমাদের এই সফরে আপনারা থাকবেন, এই প্রত্যাশায়।”

    এ ছাড়াও, প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাশমিকা ও বিজয় ভোরেই হায়দরাবাদ এবং মুম্বাইয়ে দুটি আলাদা রিসেপশন পার্টি পরিকল্পনা করেছেন, যেখানে তাদের পরিবারের এবং কাছের বন্ধুদের উপস্থিত থাকার কথা। এই Uttarpradesh রাজধানী উদয়পুরে অনুষ্ঠানটির জন্য সকল প্রস্তুতি চলছে।

  • কলকাতায় ‘গ্যাংস্টার’ লুকে শাকিব খান, প্রকাশ্যে শুটিংয়ের ছবি

    কলকাতায় ‘গ্যাংস্টার’ লুকে শাকিব খান, প্রকাশ্যে শুটিংয়ের ছবি

    আসন্ন ঈদুল ফিতরে মুক্তি পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশের জনপ্রিয় তারকা শাকিব খানের নতুন সিনেমা ‘প্রিন্স: ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ঢাকা’। এরই মধ্যে সিনেমাটির শুটিংকে কেন্দ্র করে কলকাতায় ব্যস্ততা শুরু করেছেন শাকিব খান। তিনি বর্তমানে বিভিন্ন স্থান ঘুরে সিনেমাটির গুরুত্বপূর্ণ দৃশ্যধারণের কাজ করছেন। সাম্প্রতিক খবর অনুযায়ী, ভারতের বাংলা ভাষার বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার অনলাইনে শাকিব খানের বেশ কিছু নতুন লুকের ছবি প্রকাশ পেয়েছে।

    ছবিগুলোতে দেখা যায়, শাকিব খানের চরিত্রটি নব্বই দশকের কুখ্যাত গ্যাংস্টার ‘কালা জাহাঙ্গীর’ এর প্রতিচ্ছবি। অগোছালো চুল, ঘন দাড়ি-গোঁফ, পেটের উপর বুক খোলা জ্যাকেটের নিচে শার্ট—অভিনয়ের এই নতুন ভিন্ন রূপে তিনি পুরোপুরি এক ভিন্ন দুনায় ঢুকেছেন পরিচালক আবু হায়াত মাহমুদের নির্দেশনায়। এই সিনেমায় দেখানো হবে কিভাবে একজন সাধারণ মানুষ থেকে দুর্ধর্ষ গ্যাংস্টারে রূপান্তরিত হন তিনি, সেই সংগ্রামের গল্প।

    খবর অনুযায়ী, গত ৯ ফেব্রুয়ারি হাওড়ার শালিমারের এক পরিত্যক্ত কারখানায় সিনেমার অ্যাকশন ও মারপিট দৃশ্যের শুটিং শুরু হয়। এরপর ১১ ফেব্রুয়ারি কলকাতার বৌবাজারের মাধো ভবনে গুরুত্বপূর্ণ দৃশ্যধারণ সম্পন্ন হয়। সেখানে বাইক নিয়ে শাকিবের এক ঝলক দৃশ্যের শুটিং চলাকালীন স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও কৌতূহল দেখা গেছে। এই ধাপের শুটিং শেষে পুরো ইউনিট এখন ভারতের হায়দরাবাদে গিয়ে পরবর্তী ক্যামেরা কাজ চালিয়ে যাবেন।

    শাকিবের এই সিনেমায় তার বিপরীতে অভিনয় করছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ ও পশ্চিমবঙ্গের জ্যোতির্ময়ী কুণ্ডু। এছাড়া বেশ কিছু চরিত্রে অভিনয় করেছেন বাংলাদেশের শরীফ সিরাজ ও মাহমুদ, অন্যরা কলকাতার লোকনাথ দে, পিয়ন সরকার ও মৃত্যুঞ্জয় ভট্টাচার্য।

    সিনেমার চিত্রগ্রহণে যুক্ত আছেন বলিউডের বিখ্যাত চিত্রগ্রাহক অমিত রায়, যিনি ‘অ্যানিম্যাল’ সিনেমার জন্য পরিচিত, এবং শৈলেশ অবস্থী। জানা গেছে, এই সিনেমার শুটিংয়ের প্রথম লট শ্রীলঙ্কায় সম্পন্ন হওয়ার পর এটি এখন দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ। ক্রিয়েটিভ ল্যান্ড ফিল্মসের প্রযোজনায় শিলিন সুলতানা এই সিনেমাটি নির্মাণ করছেন। চলতি বছরের ঈদুল ফিতরে বাংলাদেশের সিনেমাটি দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পরিকল্পনা রয়েছে।

  • কণ্ঠশিল্পী নোবেল গ্রেপ্তার

    কণ্ঠশিল্পী নোবেল গ্রেপ্তার

    বিতর্কিত কণ্ঠশিল্পী মাইনুল আহসান নোবেলকে যৌন প্রলোভন দেখিয়ে এক তরুণীকে আটক করে তার উপর অমানবিক নির্যাতন ও আপত্তিকর ছবি তৈরির চেষ্টার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই ঘটনা দেশের চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।

    সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সিদ্ধিরগঞ্জের বটতলা এলাকা থেকে ডেমরা থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। ডিএমপির ডেমরা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মুরাদ হোসেন জানান, নোবেলের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক তরুণীকে আটকে রেখে তাকে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে একটি মামলা দায়ের হয়। আদালত থেকে ওই মামলার জন্য ওয়ারেন্ট জারি হলে, সেই ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয়।

    বর্তমানে নোবেল থানা হাজতস্থ রয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতকে উপস্থাপন করা হবে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ভুক্তভোগী তরুণীকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে নিজস্ব স্টুডিওতে এক দিনের জন্য আটকে রাখেন নোবেল। এ সময় জোরপূর্বক তার আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও তৈরির জন্য চাপ দেন।

    এছাড়াও, পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ১৩ আগস্ট ওই তরুণী অভিযোগ করেন। মামলার তদন্তের জন্য আদালত পিবিআইকে দায়িত্ব দেয়। ২৬ ফেব্রুয়ারি পিবিআইয়ের এসআই নুরুজ্জামান তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। সেই দিন আদালত মাইনুল আহসান নোবেলসহ চারজনের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি করে। পরে ডেমরা থানাকে নির্দেশ দেওয়া হয় আসামিদের আইনের আওতায় এনে দ্রুত আদালতে সোপর্দ করার জন্য।

  • অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের ঘোষণা দেন

    অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের ঘোষণা দেন

    অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী বলেছেন, বিমানবন্দরে অবৈধ পণ্যসহ আটক হওয়ার খবর সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। সোমবার দুপুরে তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক দীর্ঘ পোস্ট করেন, যেখানে তিনি স্পষ্ট করেন যে, তাকে রাজনৈতিক বা অন্য কোনও ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে অপপ্রচারে ফেলা হচ্ছে। তিনি জানান, ইতোমধ্যে তিনি এই ব্যাপারে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন।

    ফেসবুক পোস্টে মেহজাবীন বলেন, ‘সাম্প্রতিক যে ঘটনার মাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে মানহানি ও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। এই ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি, না আমার লাগেজ বা হ্যান্ডব্যাগে কোনো অবৈধ পণ্য পাওয়া গেছে। আমি কখনোই বিমানবন্দরে আটক বা জিজ্ঞাসাবাদে পড়িনি।’ তিনি আরও প্রশ্ন করেন, এই অপ্রচার চরিতার্থ করার জন্য কারো কাছে কি কোনও প্রমাণ আছে যেখানে বলা হয় যে তার লাগেজে অবৈধ কিছু ছিল?

    অভিনেত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, মানহানি এখন খুব সাধারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং ফেক নিউজের মাধ্যমে তার ব্যক্তিগত জীবন ও সুনাম নষ্ট করা হচ্ছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এই অভিযোগের সঙ্গে তার কোনও সম্বন্ধ নেই এবং তার বিরুদ্ধে আনা এসব অভিযোগ অমূলক।

    প্রসঙ্গত, গত রোববার তিনি নিজেও একটি পোস্টে জানিয়েছেন, কিছুদিন ধরে তার বিরুদ্ধে নানা ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে এবং তিনি এর বিরুদ্ধে কঠোরভাবেই ব্যবস্থা নেবেন। উল্লেখ্য, তিন মাস আগে পারিবারিক ব্যবসায় অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে তিনি এক জটিল আইনি পরিস্থিতিতে ছিলেন, তবে পরে আদালত থেকে মুক্তি পান।

    বিতর্কের মূল সূচনা হয় এক প্রতিবেদনের মাধ্যমে, যেখানে দাবি করা হয়, ১৭ আগস্ট ব্যাংকক থেকে ফেরার পথে মেহজাবীন ও তার স্বামী মদের বোতলসহ বিমানবন্দরে আটক হন। তবে, এই তথ্যের কোনও সত্যতা পাওয়া যায়নি। এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে, তিনি স্পষ্টভাবে মানহানির অভিযোগে আদালত যাবার ঘোষণা দেন, কারণ তিনি এই ধরনের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন। এই ঘটনার পর থেকে তিনি জানিয়েছেন, তিনি এই অপপ্রচারের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেবেন।

  • খুলনায় শুরু হলো ৪৪তম জাতীয় ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধন

    খুলনায় শুরু হলো ৪৪তম জাতীয় ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধন

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ব্যবস্থাপনায় এবং খুলনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার আয়োজনে আজ খুলনায় এক ঐতিহাসিক মুহূর্তে অনুষ্ঠিত হয়েছে ৪৪তম জাতীয় ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধন। রবিবার সকাল সাড়ে আটটায় খুলনা জেলা স্টেডিয়ামের মাঠে এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে দেশের বিভিন্ন জেলার খেলোয়াড়রা অংশগ্রহণ করছে। প্রথম দিনে ম্যাচে মুখোমুখি হন বাগেরহাট ও মেহেরপুরের টিমগুলো।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক ও খুলনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য মোঃ জুলফিকার আলী খান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য শাহ আসিফ হোসেন রিংকু, জাকির হোসেন রিপন, এম সাইফুল ইসলাম এবং শাহনাজ খাতুনসহ অন্যান্য গুণীজনরা। সভাপতিত্ব করেন খুলনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য ও সিনিয়র ডিভিশন ক্রিকেট লীগের চেয়ারম্যান মোল্লা খায়রুল ইসলাম।

    উপস্থিত অতিথিরা জানান, এই প্রতিযোগিতা দেশের ক্রিকেটের উন্নয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, এবং তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এই ধরনের আয়োজন সাফল্যের সঙ্গে সম্পন্ন হবে। তাঁরা আশা করেন, এই চ্যাম্পিয়নশিপ দেশের তরুণ খেলোয়াড়দের জন্য নতুন দিগন্ত פתুলে এবং বাংলাদেশের ক্রিকেটের উন্নয়নে এক নতুন অধ্যায় শুরু হবে।

  • জিম্বাবুয়ের কাছে রেকর্ড হার ওয়েস্ট ইন্ডিজ

    জিম্বাবুয়ের কাছে রেকর্ড হার ওয়েস্ট ইন্ডিজ

    আত্মবিশ্বাসে ভরপুর ছিল জিম্বাবুয়ের শিবির। তারা বিশ্বাস করছিলো, গ্রুপ পর্বে অস্ট্রেলিয়া এবং শ্রীলঙ্কার মতো শক্তিশালী দলগুলোকে হারিয়ে সুপার সিরিজে উঠেছে তাদের দল সিকান্দার রাজার নেতৃত্বে। অন্যদিকে, ওয়েস্ট ইন্ডিজও ছিলেন আত্মবিশ্বাসে পূর্ণ, কারণ তারা গ্রুপ পর্বে সবাইকে হারিয়ে অবিচ্ছেদ্যভাবে প্রথম অবস্থানে ছিল। ক্রিকেটপ্রেমীরা আশা করেছিলেন, এই দুই অপ্রতিদ্বন্দ্বী দল এই ম্যাচে জমজমাট লড়াই দেখাবে। কিন্তু ইতিহাস বলছে অন্য গল্প—এটা ছিল একপেশে ম্যাচ। শুরুতেই ব্যাটিংয়ে নামে ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং বিশাল সংগ্রহের লক্ষ্য ছুঁড়ে দিয়ে পুরো ম্যাচ অসহায়ভাবে উড়িয়ে দেয় জিম্বাবুয়ের ক্রিকেটাররা। ২৫৫ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নামা জিম্বাবুয়ে মাত্র ১৪৭ রানেই অলআউট হয়, আর তাতে বড় ব্যবধানে ১০৭ রানের জয় নিশ্চিত করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

    ম্যাচের শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে জিম্বাবুয়ে। দলের পঞ্চাশের বেশি রান যুক্ত হওয়ার আগেই তারা হারায় ৩টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট। এরপর ডিওন মেয়ার্স ২৮ ও সিকান্দার রাজা ২৭ রান করে দলের ভূমিকায় ফিরে আসার চেষ্টা চালান, কিন্তু অন্য পাশে নিয়মিত উইকেট পড়ায় তারা টিকতে পারেনি। শেষ দিকে ব্র্যাড ইভান্স ২১ বলে ৪৩ রান করতে পারেন, তবে তাতে যেন কিছুই কাজে আসেনি। পুরো ইনিংসের শেষ পর্যন্ত জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৪৭ রানে, যা ছিল বড় ধসের ফলাফল।

    এদিন জিম্বাবুয়ের ইনিংসে ধস নামানোর জন্য মূল কৃতিত্ব অন্য দুই বোলারের। গুড়াকেশ মোতি ২৮ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন, আর আকিল হোসাইন ৩ উইকেট নিয়েছেন একই রানে। এছাড়া ম্যাথু ফোর্ড ২৭ রানে ২ উইকেট পেয়েছে, ও জেসন হোল্ডার ১ উইকেট নেন। এভাবেই সুপার সিরিজের এই গ্রুপে সাউথ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ এক ম্যাচে জয় লাভ করে।

    প্রথমে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক সিকান্দার রাজার। বল হাতে শুরুতেই রিচার্ড এনগারাভা ব্র্যান্ডন কিংকে আউট করেন। ওপেনার কিং ডিপ মিড উইকেটে ক্যাচ তুলে ফেরেন। এরপর শাই হোপ ও হেটমায়ার দলের শুরুটা সামলে নেন। দলীয় ৫০ রান হবার পর হোপ ফিরে যান; তিনি ১২ বলে ১৪ রান করেন। তারপরে লরি ইভান্স তাকে আউট করেন। তৃতীয় উইকেটে হেটমায়ার ও পাওয়েল ১২২ রানের জুটি গড়েন, যা মাত্র ৫২ বলেই সম্পন্ন হয়।

    এই বড় জুটির ফলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ একেবারেই লোকে উঠে যায়। হেটমায়ারকে ফিরিয়ে এই জুটিটি ভাঙেন গ্রায়েম ক্রেমার। হেটমায়ার, কারো কাছে যেন সেঞ্চুরি পাওয়ার সম্ভাবনা জাগানো, ডাউন দ্য উইকেটে গিয়ে ডিপ মিড উইকেটে ব্রায়ান বেনেটকে ক্যাচ দেন। ৭ ছক্কা ও ৭ চারে তার ব্যাট থেকে আসে মাত্র ৩৪ বলের মধ্যে ৮৫ রানের ঝড়ো ইনিংস। পাওয়েলও শেষ পর্যন্ত টিকে থাকতে পারেননি, আউট হন ৩৫ বলে ৫৯ রান করে।

    এরপর শেরফানে রাদারফোর্ড ও জেসন হোল্ডার ক্যারিবিয়ান দলের জয়ে অবদান রাখেন। রাদারফোর্ড ১৩ বলে অপরাজিত থাকেন ৩২ রান করে, আর হোল্ডার ৪ বলে ১৩ রান করেন। ম্যাথিউ ফোর্ড এক বলেই ১ রান করে অপরাজিত থাকেন। এই জয়ে সুপার সিরিজের গ্রুপ ওয়ানে এক ম্যাচে জয় পায় সাউথ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

  • বিসিবির নতুন গেম ডেভেলপমেন্ট চেয়ারম্যান হিসেবে আসিফ আকবর নিযুক্ত

    বিসিবির নতুন গেম ডেভেলপমেন্ট চেয়ারম্যান হিসেবে আসিফ আকবর নিযুক্ত

    দেশের ক্রিকেটাঙ্গনে এখন খুবই বেশি ব্যস্ততাই চলছে, বিশেষ করে ঘরোয়া ক্রিকেটে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এখন চার দলের মধ্যে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ওয়ানডে ফরম্যাটের বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে বিসিবি লীগের প্রতিযোগিতা। এর মধ্যেই রোববার বিসিবির পরিচালকরা এক অনলাইন বৈঠকে মিলিত হন এবং সেখানে নতুন গেম ডেভেলপমেন্ট চেয়ারম্যান হিসেবে আসিফ আকবরকে নিযুক্ত করা হয়।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সিদ্ধান্তটি দেশের ক্রিকেটের উন্নয়নে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আসিফ আকবর এর আগে বিসিবির বয়সভিত্তিক ক্রিকেটের দায়িত্বে ছিলেন। ক্রমশ তাঁর দায়িত্ব বেড়ে যেতে থাকায় তিনি এখন গেম ডেভেলপমেন্টের দায়িত্বও গ্রহণ করেন।

    প্রায় তিন মাস আগে, ২২ ফেব্রুয়ারি, বিসিবির পরিচালনা পর্ষদের এক সভায় তাঁকে এই নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়। এর আগে, ইশতিয়াক সাদেক, যিনি ধানমন্ডি স্পোর্টস ক্লাব থেকে কাউন্সিলরশিপ নিয়ে বিসিবির পরিচালক পদে নির্বাচিত হয়েছিলেন, কিছু মাসের মাথায় পদত্যাগের গুঞ্জন ওঠে। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেছিলেন, সময়ের অভাবে তিনি গেম ডেভেলপমেন্টের দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন করতে পারছেন না এবং তখন থেকেই তাঁর পদত্যাগের আলোচনা শুরু। তবে আপাতত, বিসিবি সেই পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেনি।

    অন্যদিকে, ইশতিয়াক সাদেকের স্থানে আসিফের দায়িত্ব আরও বেড়ে যায়, যেখানে তিনি আগের দায়িত্বের সঙ্গে যোগ করেন বয়সভিত্তিক ক্রিকেটের দায়িত্ব। এই নিয়োগের মাধ্যমে বোর্ডের লক্ষ্য দেশের ক্রিকেট উন্নত করা এবং বিশ্বমানের মানের ক্রিকেট গড়ার প্রচেষ্টা। আশা করা হচ্ছে, এই নতুন নেতৃত্বের ফলে বাংলাদেশের ক্রিকেট আরও প্রফুল্ল ও চমকপ্রদ হয়ে উঠবে।

  • নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ-পাকিস্তান-ভারত একই গ্রুপে

    নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ-পাকিস্তান-ভারত একই গ্রুপে

    জুন-জুলাই মাসে বাংলাদেশের নারী ক্রিকেট দল অংশ নেবে দশম নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। বাছাইপর্বে তারা সাতটি ম্যাচের সবটিতে জয় লাভ করে অপরাজিত থাকতে পারায় টুর্নামেন্টের মূল পর্বের টিকিট পেয়ে গেছে। এ বছর প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হচ্ছে এই বিশ্বকাপে ১২টি দল অংশ নেওয়ার সুযোগ, যা দুটি গ্রুপে বিভক্ত থাকছে। মোট ৩৩টি ম্যাচের এই প্রতিযোগিতা চলবে ২৪ দিন, যা শেষ হবে ৫ জুলাই। ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ঐতিহ্যবাহী লর্ডস ক্রিকেট স্টেডিয়ামে।

    ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) গত মঙ্গলবার এই টুর্নামেন্টের পূর্ণাঙ্গ সূচি ঘোষণা করেছে। বাংলাদেশের জন্য গ্রুপ ‘এ’ নির্ধারিত হয়েছে, যেখানে তারা প্রতিপক্ষ হিসেবে পেয়েছে নেদারল্যান্ডস, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, ভারত এবং পাকিস্তানকে। অন্যদিকে গ্রুপ ‘বি’তে রয়েছে নিউজিল্যান্ড, ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, শ্রীলঙ্কা, আয়ারল্যান্ড ও স্কটল্যান্ড।

    বিশ্বকাপের সব ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে মোট সাতটি ভিন্ন ভেন্যুতে, যেমন লর্ডস (লন্ডন), ওল্ড ট্রাফোর্ড (ম্যানচেস্টার), হেডিংলি (লিডস), এজবাস্টন (বার্মিংহাম), হ্যাম্পশায়ার বোল (সাউদাম্পটন), দ্য ওভাল (লন্ডন) এবং ব্রিস্টল। বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ১৪ জুন এজবাস্টনে, যেখানে তারা মুখোমুখি হবে নেদারল্যান্ডসের। এই ম্যাচ শুরু হবে সকাল সাড়ে দশটায়। একই ভেন্যুতে একই দিন প্রতিপক্ষ হবে ভারত ও পাকিস্তান।

    ১৭ জুন বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ হবে অস্ট্রেলিয়া, যা খেলা হবে হেডিংলিতে। তিন দিন পর, অর্থাৎ ২০ জুন, হ্যাম্পশায়ারে খেলবে পাকিস্তানের বিপক্ষে। বড় বিরতির পরে, ২৩ জুন, ওল্ড ট্রাফোর্ডে বাংলাদেশের ম্যাচ হবে ভারতের বিপক্ষে। এরপর, ২৮ জুন, লর্ডসে মাঠে নামবে বাংলাদেশের দল দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে।

    নিগার সুলতানা জ্যোতি ও তার সহকর্মীরা এবারের বিশ্বকাপে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব দেখানোর জন্য মরিয়া, কারণ বাংলাদেশের নারী ক্রিকেট দল এখনও পর্যন্ত এই টুর্নামেন্টে ২৫ ম্যাচে ৩টি জয়ের সুখস্মৃতি অর্জন করতে পেরেছে। চারবারের এই চ্যাম্পিয়নশিপে এবার তাদের জন্য কঠিন চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে, যেখানে তাদের প্রতিভা ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে নিজেদের সক্ষমতা প্রমাণের সুযোগ রয়েছে।

  • ব্রুকের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে ইংল্যান্ডের সেমিফাইনাল নিশ্চিত

    ব্রুকের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে ইংল্যান্ডের সেমিফাইনাল নিশ্চিত

    সুপার এইটের маңызды ম্যাচে পাকিস্তানকে হারিয়ে ইংল্যান্ড পৌঁছে গেছে টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে। এই ম্যাচে ইংল্যান্ডের হয়ে হ্যারি ব্রুকের অসাধারণ ব্যাটিং দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে। সাহিবজাদা ফারহানের হাফ-সেঞ্চুরি এবং শাহীন শাহ আফ্রিদির চার উইকেটের পরেও ইংল্যান্ড হার মানেনি। ব্রুক ৫১ বলে অর্ধশতকের পর ১০৬ রানে অপরাজিত থেকে দলের জয় নিশ্চিত করেন, যা ম্যাচের ধারাকে পুরোপুরি বদলে দেয়। তার এই দুর্দান্ত ইনিংসে ইংল্যান্ড ২ উইকেটে লক্ষ্য অর্জন করে, আর ম্যাচ জেতায় দলের জন্য এটাই ছিল অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। ফলে, এক ম্যাচ হাতে রেখেই তারা সেমিফাইনালে পৌঁছে গেল। এই জয়ে সুপার এইটে ইংল্যান্ডের সংগ্রহ এখন ৪ পয়েন্ট, যেখানে পাকিস্তান এই রাউন্ডে এক মাত্র ম্যাচে হার স্বীকার করে পরিস্থিতির ওপর দারুণ প্রভাব ফেলেছে।

    ম্যাচের শুরুতে পাকিস্তানের জন্য বেশ কঠিন ছিল। টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামার পর প্রথম বলেই ফিল সল্টের উইকেট হারায় ইংল্যান্ড। আফ্রিদির বলের খোঁচায় ক্যাচ দেন তিনি। এরপর জশ বাটলারও স্বল্প সময়ে আউট হয়েছেন, যার জন্য তার বিশ্বাস বহুটাই কমে যায়। এই পরিস্থিতিতে শুরু হয় সমস্যার চিত্র। তবে প্রথম থেকেই আক্রমণাত্মক ছিলেন ব্রুক। জ্যাকব বেথেল ও টম ব্যান্টন তার সঙ্গ দিতে পারেনি। ১০ বলে ৮ রান করে বেথেলকে আফ্রিদি ফেরান। এরপর ওসমান তারিকের স্পিনে ব্যান্টনও ফিরে যান। তবে সেখান থেকে শুরু হয় ব্রুকের ব্যাটের ঝড়। ২৭ বলে হাফ-সেঞ্চুরি পূরণ করে তিনি।

    ব্রুকের সেঞ্চুরির পর ৫০ বলে ১০৬ রান করে অপরাজিত থাকেন, অন্যদিকে উইল জ্যাকসের এক দুর্দান্ত ইনিংস তাকে আরও শক্তি যোগায়। ব্রুকের বিদায়ের পরে, জ্যাকস ৫৩ বলের বাবদ ২৮ রান করেন। তবে শেষ মুহূর্তে, ইংল্যান্ডের জন্য জেফরা আর্চার প্রথম বলে চার মারলে ম্যাচের নাটক শেষ হয়। পাকিস্তানের জন্য জানিয়ে রাখতে হবে, আফ্রিদি চারটি উইকেট শিকার করে এই ম্যাচে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

    অন্যদিকে, পাকিস্তান ব্যর্থ হয় প্রত্যাশিত ফর্ম দেখাতে। সাহিবজাদা ফারহান ও ফখর জামান কার্যত একপ্রান্ত ধরে রেখেছিলেন দলের পরিস্থিতি। ফারহান ৪৫ বলে ৬৩ রান করে দলের মূল প্রাণশক্তি হয়ে ওঠেন, যেখানে ফখর জামান ১৬ বলে ২৫ রান করে স্বল্প সময়ের মধ্যে ফেরেন। পাকিস্তানের ওপেনার সাইম আইয়ুব ৭ রানে আউট হন, আর সালমান আলী আঘারাও সুবিধা করতে পারেননি। এরপর বাবর আজম ও ফারহান জুটি গড়ে দলের হয়ত কিছুটা স্বস্তি পান, তবে বাবর আবার সপ্তমের মতো খারাপ স্ট্রাইক রেট দিয়ে আউট হন।

    অবশেষে, ১৬৪ রানের সংগ্রহ করে পাকিস্তান। তবে তাদের বোলিংয়ে চাপ এড়ানো যায়নি। ডওসন ৩ উইকেট নিতে সক্ষম হন, ও ওয়ারটন ও আর্চার প্রতিটি ২টি করে উইকেট শিকার করেন। আজকের এই ম্যাচে পাকিস্তানের ব্যর্থতা তাদের জন্য হতাশাজনক পরিস্থিতি সৃষ্টি করল, যেখানে তারা টুর্নামেন্টের অন্য ম্যাচেও প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স দেখাতে ব্যর্থ হয়েছে।