Category: বিনোদন

  • ‘এমন শিল্পী আর জন্মাবে না’, আশা ভোঁসলের প্রয়াণে রুনা লায়লার শোক

    ‘এমন শিল্পী আর জন্মাবে না’, আশা ভোঁসলের প্রয়াণে রুনা লায়লার শোক

    ভারতের কিংবদন্তি গায়িকা আশা ভোঁসলের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে সংগীতাঙ্গনে। রোববার (১২ এপ্রিল) ৯২ বছর বয়সে মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

    আশা ভোঁসলের প্রয়াণের খবর প্রকাশ্যে আসে মাত্রই উপমহাদেশের বরেণ্য কণ্ঠশিল্পীরা, সহকর্মী ও ভক্তরা গভীর শোক প্রকাশ করেন। এ তালিকায় ছিলেন বাংলাদেশি কিংবদন্তি গায়িকা রুনা লায়লাও—যিনি আশা দিদিকে হারিয়ে গভীরভাবে আহত বলে জানান।

    রুনা লায়লা গণমাধ্যমকে বলেন, ‘পৃথিবীর বড় বড় দুইজন কিংবদন্তি পরপর চলে গেলেন। লতা মঙ্গেশকর দিদি ২০২২ সালে চলে গিয়েছিলেন, আর এখন আশা দিদিও চলে গেলেন। এমন শিল্পী আর এই পৃথিবীতে জন্মাবে না। আমার কাছে মনে হচ্ছে আমার পৃথিবীটাই শূন্য হয়ে গেল।’

    নিজের ব্যক্তিগত সম্পর্ক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘তারা দুজনেই আমাকে ভীষণ স্নেহ করতেন—মায়ের মতো। এই কষ্ট ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। আমার শেষ দেখা হয়েছিল আমার সুর করা গান “চলে যাওয়া ঢেউগুলো আর ফিরে আসেনি”-এর রেকর্ডিংয়ের সময়। এরপর ফোনে যোগাযোগ হয়েছিল, কিন্তু কিছুদিন ধরে ভাবছিলাম—আবার কথা বলব, আজ করব, কাল করব—সব সময় তাই ভেবেই শেষমেশ হয়নি। শেষ কথাটাও বলা রইল।’

    রুনা লায়লা আরও নীরাশা কণ্ঠে বলেন, ‘যদি তখনই ফোন করে দিদিকে জিজ্ঞেস করে নিই, হয়তো আজ এই আফসোসটা এতটা তীব্র হত না। নিজের ভেতরে এত কষ্ট হচ্ছে—এটা সত্যিই ভাষায় বলা সম্ভব নয়।’

    আশা ভোঁসল শনিবার সন্ধ্যায় বুকে ব্যথা নিয়ে ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি হন এবং চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে ছিলেন। চিকিৎসা সত্ত্বেও রোববার তাঁর মৃত্যু ঘটে। টানা সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি ভারতীয় গানে রাজত্ব করেছেন—হাজার হাজার গান আর একাধিক কালজয়ী সুরের মাধ্যমে তিনি বহু প্রজন্মের অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছিলেন। তাঁর প্রয়াণকে অনেকেই একটি সোনালি অধ্যায়ের সমাপ্তি হিসেবে দেখছেন।

  • কিংবদন্তি গায়িকা আশা ভোঁসলে প্রয়াত; শেষকৃত্য সোমবার শিবাজি পার্কে

    কিংবদন্তি গায়িকা আশা ভোঁসলে প্রয়াত; শেষকৃত্য সোমবার শিবাজি পার্কে

    কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আশা ভোঁসলে আর নেই। রোববার (১২ এপ্রিল) মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। হাসপাতাল সূত্র ও পরিবার জানায়, বার্ধক্যজনিত জটিলতায় তিনি মারা গেছেন।

    আনন্দ ভোঁসলে — আশা ভোঁসলের ছেলে — জানিয়েছেন, সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকাল ১১টায় লোয়ার প্যারেলের তাঁদের বাসভবন ‘কাসা গ্রান্দে’-তে তাঁর মরদেহ রাখা হবে, যেখানে ভক্তরা শেষ শ্রদ্ধা জানাতে পারবেন। এরপর বিকাল ৪টায় মুম্বাইয়ের শিবাজি পার্কে শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।

    দীর্ঘ আট দশকের বেশি সময় ধরে ভারতীয় সংগীতজগতকে সমৃদ্ধ করেছেন আশা ভোঁসলে। ১৯৪৩ সালে শুরু হওয়া তাঁর ক্যারিয়ারে তিনি ১২ হাজারেরও বেশি গান রেকর্ড করেছেন। মিনা কুমারী, মধুবালা-র আমল থেকে শুরু করে কাজল, ঊর্মিলা মাতন্ডকরসহ বহু প্রজন্মের নায়িকাদের জন্য তাঁর কণ্ঠে স্মরণীয় গান রেকর্ড হয়েছে।

    ‘দম মারো দম’, ‘চুরা লিয়া হ্যায় তুমনে’, ‘পিয়া তু আব তো আজা’, ‘দিল চিজ কেয়া হ্যায়’—এসব গান বহু দশক ধরে শ্রোতাদের কণ্ঠে, কোলজুড়ে গেঁথে আছে। গজল থেকে পপ, শাস্ত্রীয় ধারা—প্রায় সব শৈলীতে তিনি ছিলেন অপ্রতিদ্বন্দ্বী। গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসেও তিনি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি স্টুডিও রেকর্ড করা শিল্পী হিসেবে নাম রয়েছে।

    চলচ্চিত্র ও সংগীতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে আশা ভোঁসলে দুইবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, দাদা সাহেব ফালকে পুরস্কার এবং পদ্মবিভূষণসহ বহু সম্মান পেয়েছেন।

    আশা ভোঁসলের সুরিল শব্দ ও বহুমুখী প্রতিভা ভারতীয় সংগীতাঙ্গনে এক অম্লান অধ্যায় হিসেবে থাকবে। তাঁর প্রয়াণে শিল্পীবৃন্দ, শ্রোতারা এবং অনুরাগীরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

  • কিংবদন্তি আশা ভোঁসলের শেষকৃত্য কবে, জানালেন পরিবার

    কিংবদন্তি আশা ভোঁসলের শেষকৃত্য কবে, জানালেন পরিবার

    কিংবদন্তি গায়িকা আশা ভোঁসলে আর নেই। রোববার (১২ এপ্রিল) মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স ছিল ৯২ বছর। হাসপাতাল ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বার্ধক্যজনিত জটিলতাই তার মৃত্যুর কারণ।

    আনন্দ ভোঁসলে জানিয়েছেন, আহত মার্কিন সময়সূচী অনুযায়ী সোমবার (১৩ এপ্রিল) বিকেল ৪টায় মুম্বাইয়ের শিবাজি পার্কে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে। তিনি বলেন, “মা আজ আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। আগামীকাল সকাল ১১টায় লোয়ার প্যারেলে তাদের বাসভবন কাসা গ্রান্দে-তে মরদেহ রাখা হবে; সেখানে ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীরা শেষ শ্রদ্ধা জানাতে পারবেন। এরপর বিকেলে শিবাজি পার্কে শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হবে।”

    আশা ভোঁসলের সুরের জাদু ছড়িয়েছিল অগণিত হৃদয়ে—প্রায় আট দশকের বেশি ক্যারিয়ারে তিনি ১২ হাজারেরও বেশি গান রেকর্ড করেছেন। ১৯৪৩ সালে পেশাদার জীবন শুরু করে তিনি মেধা, বহুমুখী প্রতিভা ও অদ্বিতীয় কণ্ঠে বাংলা, হিন্দি ও অন্যান্য ভাষার চলচ্চিত্রসংগীতে নিজেকেই প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। মিনা কুমারী ও মধুবালার সময় থেকে শুরু করে পরবর্তী প্রজন্মের কাজল, ঊর্মিলা মতন্ডকরদের জন্যও তিনি গানের কণ্ঠ দিয়েছেন—প্রজন্মে প্রজন্মে তার কণ্ঠ বাস করেছে।

    গজল থেকে শুরু করে পপ, আদুনিক ও ক্লাসিকাল ধারায়ও তিনি নিজস্ব ছাপ রেখেছেন। ‘দম মারো দম’, ‘চুরা লিয়া হ্যায় তোমনে’, ‘পিয়া তু অব তো আজা’, ‘দিল চিজ কেয়া হ্যায়’—এই সব গান এখনো শ্রোতাদের মুখে মুখে। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস অনুযায়ী তিনি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি স্টুডিও রেকর্ড করা শিল্পীদের একজন।

    চলচ্চিত্র জগতে তার অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি দুইবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, দাদা সাহেব ফালকে পুরস্কার ও পদ্মবিভূষণসহ বহু সম্মাননা পেয়েছেন।

    সঙ্গীতের অগণিত মুহূর্তে স্মৃতিময় করে রেখে গেলেন আশা ভোঁসলে—তার কণ্ঠ, তার ভঙ্গিমা ও গানগুলো যুগ যুগ ধরে শ্রোতাদের হৃদয়ে বেঁচে থাকবে। পরিবার, শিল্পীবৃন্দ ও ভক্তরা শোকাহত হলেও তার সুরের ঐতিহ্য অম্লান থেকে যাবে।

  • রুনা লায়লা: ‘এমন শিল্পী আর জন্মাবে না’, আশা ভোঁসলের প্রয়াণে কষ্ট

    রুনা লায়লা: ‘এমন শিল্পী আর জন্মাবে না’, আশা ভোঁসলের প্রয়াণে কষ্ট

    ভারতের কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী আশা ভোঁসলে রোববার চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুনিয়া থেকে প্রস্থান করেছেন। মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ১২ এপ্রিল ৯২ বছর বয়সে তাঁর অন্ত্যেষ्टि নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। সংবাদটি প্রকাশ্যে আসার সঙ্গে সঙ্গে সংগীতাঙ্গনে শোকের ছায়া নেমেছে এবং বহু শিল্পী ও শ্রোতা শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন।

    রবিবারই উপমহাদেশের প্রসিদ্ধ শিল্পী রুনা লায়লা আশা ভোঁসলের প্রয়াণে গভীর দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘পৃথিবীর বড় বড় দুইজন কিংবদন্তি শিল্পী পরপর চলে গেলেন। লতা মঙ্গেশকর দিদি ২০২২ সালে যাওয়ার পর আর আশা দিদিও চলে গেলেন। এমন শিল্পী আর এই পৃথিবীতে জন্মাবে না। আমার কাছে মনে হচ্ছে, আমার পৃথিবীটাই শূন্য হয়ে গেছে।’

    রুনা লায়লা ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণ করে জানান, ‘তারা দুজনেই আমাকে ভীষণ স্নেহ করতেন—মায়ের মতোই। এই কষ্ট ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।’ তিনি বলেন, তাঁর শেষ সাক্ষাৎ ছিল নিজের সুর করা গান ‘চলে যাওয়া ঢেউগুলো আর ফিরে আসেনি’ রেকর্ডিংয়ের সময়। পরে তারা ফোনে যোগাযোগ রেখেছিলেন, কিন্তু কিছুদিন ধরে তিনি ভাবতেন আবার কথা বলবেন—‘‘আজ করব, কাল করব’’—এভাবেই শেষ দেখা ও শেষ কথাগুলো আর হলো না।

    রুনা আরও বলেন, ‘যদি তখনি ফোন করে দিতাম, হয়তো আজ এই আফসোসটা এত গভীর হতো না। নিজের ভেতরে খুব কষ্ট হচ্ছে—এ কষ্ট সত্যিই ভাষায় বলা সম্ভব নয়।’

    আশাকে শনিবার সন্ধ্যায় বুকে ব্যথা নিয়ে ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা তাঁকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখলেও শেষ পর্যন্ত তিনি ফিরে আসেননি। টানা সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে ভারতীয় সংগীত বিশ্বে অদ্বিতীয় প্রতিভা হিসেবে তিনি রাজত্ব করেছেন—হাজার হাজার গান এবং অগণিত কালজয়ী সুরের মাধ্যমে তিনি কয়েক প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করেছেন। তাঁর প্রয়াণে একটি সোনালি অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটেছে, যা সংগীতবিশ্ব বহুদিন মনে রাখবে।

  • আশা ভোসলে হাসপাতালে ভর্তি, আশঙ্কাজনক অবস্থায়

    আশা ভোসলে হাসপাতালে ভর্তি, আশঙ্কাজনক অবস্থায়

    ভারতীয় কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আশা ভোসলে গুরুতর অসুস্থ হয়ে মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। শনিবার (১১ এপ্রিল) তাঁকে এখানে নেওয়া হয়, যেখানে জানা গেছে তিনি হার্ট অ্যাটাকের শিকার হয়েছেন। বর্তমানে তিনি নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) রয়েছেন।

    হাসপাতাল সূত্রে চিকিৎসক প্রতীত সামদানি জানিয়েছেন, শনিবার হঠাৎ কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের কারণে তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল কি না, তা এখনই স্পষ্ট করেননি চিকিৎসকেরা।

    আশা ভোসলে গুরুতর অসুস্থ এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই ভক্তেরা শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। যদিও এখনো পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়া যায়নি। গত কয়েক বছর ধরে বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা নিয়ে তিনি কিছুটা অপ্রস্তুত ছিলেন।

    সংগীতের জগতে তাঁর অবদান অসীম। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি ভারতীয় সংগীতকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। তাঁর অর্জনগুলির মধ্যে রয়েছে ভারতের সর্বোচ্চ চলচ্চিত্র সম্মান দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার, পদ্মবিভূষণ, বহু জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও ফিল্মফেয়ার পুরস্কার। এই সকল পুরস্কারই তাঁকে ভারতীয় প্লেব্যাক সংগীতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও সম্মানিত কণ্ঠশিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

    আশা ভোসলে ১৯৪৩ সালে সংগীতজীবন শুরু করেন। আট দশকের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি প্রিয় গানের জন্য সবাইকে পরিচিত করে তুলেছেন— ‘দম মারো দম’, ‘চুরা লিয়া হ্যায় তুমনে’, ‘পিয়া তু আ এখন আজা’, এবং ‘দিল চিজ কী হ্যায়’। গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস অনুযায়ী, তিনি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি স্টুডিও রেকর্ড করা শিল্পী।

  • অভিনেত্রী বিপাশা বলিউডের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিলেন

    অভিনেত্রী বিপাশা বলিউডের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিলেন

    জনপ্রিয় এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রের গুণী শিল্পী বিপাশা হায়াত। তিনি নব্বইয়ের দশকের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী, যার মঞ্চ, টেলিভিশন এবং সিনেমার ক্যারিয়ার দর্শকদের মন জয় করেছে। সম্প্রতি তিনি যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরেছেন এবং তখনই এক পডকাস্টে অংশ নিয়ে তার জীবন ও ক্যারিয়ার নিয়ে নানা আলাপ করেছেন। এই সাক্ষাৎকারে তিনি বলিউডে অভিনয় বা কাজ করার প্রস্তাবের ঘটনাও শেয়ার করেন।

    সেখানে সঞ্চালক জানতে চান, কেয়ামত থেকে কেয়ামত সিনেমার প্রস্তাব এবং সেই সময়ে কি বলিউড থেকে কোনো প্রস্তাব এসেছিল। এর জবাবে বিপাশা বলেন, বলিউডের ক্ষেত্রে প্রস্তাব আসার ঘটনা অনেক পরে, তবে এর আগে নয়। তিনি জানান, বলিউডে তার কাছে পার্শ্ব চরিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব এসেছিল। যদিও সিনেমার নাম মনে রাখতে পারেননি, তবে তার ফোনে সেই কলের নম্বর এখনো সেভ রয়েছে এবং কয়েকবার কথা বলেছেন কেউ একজন।

    বিপাশা তার এই প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়ার কারণ স্পষ্ট করে বলেন, তখন তাঁরা মনে করতেন, দেশের মানুষ যত ভালোবাসার দৃষ্টিতে তাকে দেখে, সেই দর্শকদের কাছে গিয়ে কখনো যেনতেন চরিত্রে অভিনয় করতে চাননি। তিনি মনে করেন, বলিউডে যোগ দেওয়া মানে হয়তো তার জন্য সেই মূল্যবোধ বা দর্শকদের প্রত্যাশার সঙ্গে সততা রাখতে পারেননি।

    তিনি আরও বললেন, তিনি একজন তারকা নন, বরং একজন পাবলিক ফিগার। একজন পাবলিক ফিগার হিসেবে তার একটা দায়িত্ব আছে—সেটা তিনি গুরুত্ব দেন। মানুষের ভালোবাসা পৃথিবীর সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ, কারণ এই ভালোবাসা থেকে নানা ঝড়ঝড়, কোন্দল, মারামারি সৃষ্টি হয়। এ কারণেই তিনি অনুভব করেন, বাংলাদেশের দর্শক বা মানুষের ভালোবাসার থেকে ওখানে গিয়ে ভালো কিছু করার মূল্য বেশি। সারসংক্ষেপে, বিপাশা মনে করেন, নিজের দেশের প্রতি তাঁর দায়বদ্ধতা এবং দর্শকদের প্রতি সম্মান তাকে বলিউডের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিতে অনুপ্রাণিত করেছে।

  • সালমান খান মামলার থেকে সাময়িক মুক্তি পেলেন

    সালমান খান মামলার থেকে সাময়িক মুক্তি পেলেন

    সালমান খান বহু দিন ধরেই ঘাড়ের ওপর থাকানো পানমশলার বিজ্ঞাপন মামলার কারণে বিব্রত ছিলেন। একের পর এক শুনানিতে তিনি অনুপস্থিত থাকায় আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন। তবে এখন তার জন্য সুসংবাদ আসল, তিনি সাময়িকভাবে রেহাই পেয়েছেন।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে জানা যায়, ১৩ এপ্রিল জয়পুর জেলা উপভোক্তা কমিশনের সমন ছিল সালমানের। সেখানে হাজিরা দেওয়ার কথা ছিল তার। কিন্তু রাজস্থান হাই কোর্টこの নির্দেশে স্থগিতাদেশ প্রদান করেছে। ফলে নির্ধারিত দিন তিনি কমিশনে হাজিরা দেওয়ার জন্য থেকে বিরত থাকতে পারছেন।

    সালমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন যোগেন্দ্র সিংহ বাদিয়াল। তিনি একটি পানমশলার বিজ্ঞাপনের জন্য অভিযোগ করেন, যেখানে সালমানের ছবি ব্যবহার হয়েছিল। অভিযোগে বলা হয়, ওই পণ্যে বলা হয়েছিল, ‘জাফরান বা তবক মিশ্রিত এলাচ’ এবং ‘জাফরান মিশ্রিত পানমশলা’, তবে বাস্তবে তা নয়। ক্রেতাদের বিভ্রান্ত করার জন্য এ ধরনের দাবি করা হয়েছে, যেন তারা মনে করেন, পণ্যটি সম্পূর্ণ নিরাপদ।

    বছর শুরুতে অভিযোগের ভিত্তিতে উপভোক্তা কমিশন ওই পণ্যগুলোর প্রচারে অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। পরে বিভিন্ন শহরে, যেমন জয়পুর ও কোটায় বিলবোর্ড ও অন্যান্য বিজ্ঞাপন দেখা যায়, যা আদালতের আদেশ অমান্য করায় কমিশন এই বিষয়টি দেখেছে।

    এদিকে, সালমান বর্তমানে তার নতুন সিনেমা ‘মাতৃভূমি’ এর শুটিংয়ে ব্যস্ত। এই ছবি আগে ‘ব্যাটেল অফ গলওয়ান’ নামে পরিচিত ছিল, এর শুটিং ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে।

  • শাকিব খানের ধারণায় নির্মিত হচ্ছে নতুন সিনেমা ‘রকস্টার’

    শাকিব খানের ধারণায় নির্মিত হচ্ছে নতুন সিনেমা ‘রকস্টার’

    সিনেমা জগতে নতুন বছর শুরু হয়েছে এক সুন্দর খবরের মাধ্যমে। জনপ্রিয় অভিনেতা শাকিব খান নিজেই ধারণা দিয়েছেন একটি নতুন সিনেমা নির্মিত হবে, যার নাম ‘রকস্টার’। এর আগে তাঁকে নায়ক হিসেবে দেখা গেলেও এবার সিনেমার গল্প ও প্রেক্ষাপটের সঙ্গে তাঁর গভীর সম্পর্ক রয়েছে।

    ‘তাণ্ডব’ সিনেমার পর, এই দুই ছবিতে আবারও জুটি হিসেবে দেখা যাবে শাকিব খান ও সাবিলা নূরকে। যদিও এখন পর্যন্ত সাবিলার অভিনয়ের প্রামাণ্য ঘোষণা আসেনি, তবে শুটিং সেট থেকে ফাঁস হওয়া এক ভিডিওতে তাঁদের একসঙ্গে দেখা গেছে। এবার পরিচালক আজমান রুশো নিশ্চিত করেছেন, ‘রকস্টার’ সিনেমার নায়িকা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন সাবিলা নূর। এর পাশাপাশি তিনি জানালেন, শাকিব খানের সঙ্গে পরামর্শের মাধ্যমে তাঁকে এই চরিত্রে নেওয়া হয়েছে।

    পরিচালক বলেন, ‘আমার মনে হয়েছে, ‘রকস্টার’ চরিত্রের জন্য সাবিলাই উপযুক্ত। শাকিব ভাইয়ের সঙ্গে আলোচনা করে তিনি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছান। সকল কিছু মিলিয়ে আমরা নিশ্চিত হয়েছি যে, সাবিলা এই ভূমিকায় পারফেক্ট। শুধু অভিনেত্রী নির্বাচন নয়, সিনেমার গুরুত্বপূর্ণ সব সিদ্ধান্তে শাকিব ভাইয়ের মতামত গুরুত্বপূর্ণ ছিল।’

    শুক্রবার এক সাক্ষাৎকারে রুশো আরও জানান, ‘আমরা এর গল্প শাকিব খানের আইডিয়ায় তৈরি করছি। তিনি নিজে করোনে এই চরিত্রে অভিনয়ের ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। এরপর গল্পের কাঠামো গড়িয়ে সিনেমার চিত্রনাট্য লেখা শুরু হয়। সিনেমার শুটিং চলাকালীন শাকিব ভাই আমাকে একদিন বললেন, তিনি ‘রকস্টার’ চরিত্রে অভিনয় করতে চান। এটা শুনে মনে হলো, যেন স্বপ্ন সত্যি হতে যাচ্ছে। কারণ, নির্মাণের আগে আমি নিজে একজন মিউজিশিয়ান ছিলাম। সেই সময় আমি বিভিন্ন মিউজিশিয়ানদের জীবন ও কাজের ওপর জোরে আলোচনা করতাম। তাঁদের কষ্ট-আনন্দে অনুপ্রাণিত হয়েছি। এবার সেইভাবেই একটি গল্প আমাদের চোখের সামনে পর্দায় আনতে পারছি।’

    ‘রকস্টার’ সিনেমার নাম ও পোস্টার প্রকাশের পর থেকেই বিভিন্ন গুঞ্জন শুরু হয়, বলিউডের বিখ্যাত ‘রকস্টার’ সিনেমার সঙ্গে এর মিল থাকার দাবি ওঠে। এই বিষয়টি অবশ্য নির্মাতা রুশো অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘ইমতিয়াজ আলীর ‘রকস্টার’ সিনেমা আমার খুব পছন্দের, তবে এই সিনেমার সঙ্গে অন্য কোনও সিনেমার সরাসরি সংযোগ নেই। পাশাপাশি এই নামের আরও ২২-২৩টি সিনেমা এখনো নির্মিত হয়েছে। আমার সিনেমার নামও ‘রকস্টার’, তবে এটা কারো সিনেমা থেকে অনুপ্রেরণা নেয়া নয়।’

    নির্মাতা আরও জানান, ‘এই সিনেমার গল্প একজন রকস্টারের জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে। এখানে রয়েছে পরিবার, ভালোবাসা, ট্র্যাজেডি—সত্যিই এটি জীবনযাত্রার গল্প।’

    ‘রকস্টার’ নির্মিত হচ্ছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সান মিউজিক অ্যান্ড মোশন পিকচার্স লিমিটেডের ব্যানারে। চিত্রনাট্য লিখেছেন আয়মান আসিব স্বাধীন। এই সিনেমা নতুন ট্রেন্ডের সঙ্গে দর্শকদের মন জয় করবে বলেও আশা করে নির্মাণ দল।

  • প্রয়াত কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী আশা ভোঁসলে

    প্রয়াত কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী আশা ভোঁসলে

    ভারতের কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী আশা ভোঁসলে আর নেই। আজ রোববার মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। আশা ভোঁসলের মৃত্যুর খবর তার ছেলে আনন্দ ভোঁসলে নিশ্চিত করেছেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি, হিন্দুস্তান টাইমস এবং আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যায় আশা ভোঁসলে অসুস্থ অনুভব করেন। পরে হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হন তিনি। তখনই দ্রুত তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকদের আপ্রাণ প্রচেষ্টার পরে রোববার দুপুরে তিনি চিরতরে চলে যান। ১৯৩৩ সালে জন্মগ্রহণ করা এই শিল্পী ভারতের সংগীত জগতে এক অসামান্য অবদান রেখে গেছেন। কেরিয়ার শুরু থেকেই তিনি একাধারে শাস্ত্রীয় সঙ্গীত, আধুনিক গান, গজল ও ক্যাবারে পরিবেশনায় দক্ষতা অর্জন করেন। তার কণ্ঠের প্রতিটি গান আনাড়ি থেকে শুরু করে প্রজন্মের প্রজন্মকে মুগ্ধ করেছে। তিনি দীর্ঘ ক্যারিয়ারে হিন্দি, বাংলা ও আরও বিভিন্ন ভাষায় হাজার হাজার গান গেয়েছেন, যা আজও শ্রোতাদের হৃদয়ে তাজা স্মৃতি হয়ে রয়েছে। বিশেষ করে কবিতা, গূঢ় গানের জন্য তাঁর নাম আজও জ্বলজ্বল করে। আশা ভোঁসলে শনিবার হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজেও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। নিজের টুইটার অ্যাকাউন্টে তিনি লিখেছেন, “আশা ভোসলেজি হাসপাতালে ভর্তি শুনে আমি গভীর চিন্তায় ছিলাম। আমি তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করি।” তার দীর্ঘ কর্মজীবনে ভারতীয় সংগীত জগতে তিনি অসামান্য অবদান রেখেছেন। দেখে নেওয়া যায়, তিনি ভারতের সর্বোচ্চ চলচ্চিত্র সম্মান দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কারসহ পদ্মবিভূষণ, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, ফিল্মফেয়ার পুরস্কারসহ বহু সম্মাননা ও স্বীকৃতি পেয়েছেন। ১৯৪৩ সালে ক্যারিয়ারের সূচনা থেকে শুরু করে আট দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সংগীতের মাধ্যমে শ্রোতাদের মন জয় করেছেন। তার জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘দম মারো দম’, ‘চুরা লিয়া হ্যায় তুমনে’, ‘পিয়া তু আ বো তো আজা’ ও ‘দিল চিজ কেয়া হ্যায়’— যা এখনও সংগীতপ্রেমীদের মনে দাগ কেটে আছে। গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস অনুযায়ী, তিনি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি স্টুডিও রেকর্ড করা শিল্পী হিসেবে পরিচিত। তাঁর অনবদ্য সংগীতের অবদান এবং অসংখ্য জনপ্রিয় গানের জন্য তিনি ইতিমধ্যেই অমর হয়ে রয়েছেন।

  • আশা ভোঁসলে হাসপাতালে ভর্তি, অবস্থা গুরুতর

    আশা ভোঁসলে হাসপাতালে ভর্তি, অবস্থা গুরুতর

    ভারতের কালজয়ী গায়িকা আশা ভোঁসলে গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। শনিবার (১১ এপ্রিল) মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে তাকে অন্তঃশ্বাসকেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছেন।

    ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালের চিকিৎসক প্রতীত সামদানি সংবাদমাধ্যমকে জানান, শনিবার হঠাৎ কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হওয়ার পরে দ্রুত তাকে হাসপাতালে আনা হয়। চিকিৎসকরা বর্তমানে তিনি যে অবস্থায় আছেন তা নিয়ে তত্ক্ষণাৎ সুনির্দিষ্ট কিছু জানায়নি।

    সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে ভক্তদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে, তবে পরিবার থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়া যায়নি। বিগত কয়েক বছর ধরে বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক সমস্যা নিয়ে ভুগছিলেন আশা ভোঁসলে বলে জানা গেছে।

    দীর্ঘ কর্মজীবনে আশা ভোঁসলে ভারতীয় সঙ্গীতে অসামান্য অবদান রেখেছেন। তিনি ‘দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার’ ও ‘পদ্মবিভূষণ’সহ একাধিক মর্যাদাবান সম্মানে ভূষণীত হয়েছেন। এছাড়া বহু জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও ফিল্মফেয়ার পুরস্কার জিতেছেন। ১৯৪৩ সালে ক্যারিয়ার শুরু করে আট দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি দর্শক-শ্রোতাদের উপহার দিয়েছেন—‘দম মারো দম’, ‘চুরা লিয়া হ্যায় তুমনে’, ‘পিয়া তু আব তো আজা’, ‘দিল চিজ কেয়া হ্যায়’-এর মতো বহু হিট গানে তার কণ্ঠ ভক্তদের মুগ্ধ করে রেখেছে। গিনেস বুকে তাকে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি স্টুডিও রেকর্ড করা শিল্পী হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

    চিকিৎসকরা আরও পরীক্ষার পর বিস্তারিত জানানোর কথা বলছেন; ততক্ষণে হাসপাতাল বা পরিবারের কোনও আনুষ্ঠানিক আপডেট এলে তা জানানো হবে। ভক্ত ও সহশিল্পীরা আশা ভোঁসলের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে প্রার্থনা করছেন।