Category: রাজনীতি

  • তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন: নিরাপত্তা ও জনসাগমের ব্যাপক প্রস্তুতি

    তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন: নিরাপত্তা ও জনসাগমের ব্যাপক প্রস্তুতি

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের জন্য তার আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন। মাত্র দু’দিন পর তিনি দেশে ফিরছেন, যা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। ১৭ বছর পর এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে স্মরণীয় করে তোলার জন্য দলটি বিভিন্ন প্রস্তুতি গ্রহণ করছে। দলের নেতারা সর্বোচ্চ জনসমাগম এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কারিগরি ও সামরিক প্রস্তুতিতে জোর দিয়েছেন। নিরাপত্তার জন্য সরকারি বাহিনীর সঙ্গে সঙ্গে দলের নিজস্ব পদক্ষেপও নেওয়া হয়েছে। রাজধানীর ৩০০ ফুটের গণসংবর্ধনা মঞ্চ তৈরি শুরু হয়েছে, যাতে লক্ষাধিক মানুষ অংশ নিতে পারেন। বিএনপি নেতারা বলছেন, তারেক রহমানের স্বাগত জানাতে রাজধানীতে Estimated ২০ লাখ মানুষের সমাগম হবে। বিভিন্ন অঞ্চল থেকে নেতাকর্মীরা আসতে শুরু করেছেন এবং আগামী দিনগুলোতে উপস্থিতি আরও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। নিরাপত্তা বিধানে কঠোর নির্দেশনা জারি হয়েছে, যাতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে। বিমানবন্দর থেকে ৩০০ ফুটের গণসংবর্ধনা স্থান ও গুলশান পর্যন্ত বড় ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বিমানবন্দরে তারেক রহমানের সঙ্গে থাকা দলের শীর্ষ নেতারা তাকে স্বাগত জানাবেন। সেই সঙ্গে, কি তিনি সরাসরি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে দেখতে যাবেন নাকি ৩০০ ফুটের গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি; তবে সম্ভবত তিনি আগে খালেদা জিয়াকে দেখতে হাসপাতাল যাবেন। তারেক রহমানের দেশে ফিরে আসার জন্য বিশেষ ট্রেন ও চাস্তা প্রস্তুত করা হয়েছে। সূত্র জানায়, তিনি ইতোমধ্যে ট্রাভেল পাস সংগ্রহ করেছেন। তারেক রহমানের জন্য নির্ধারিত ফ্লাইটটি ২৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে ঢাকায় রওনা হবে। আশা করা হচ্ছে, ২৫ ডিসেম্বর সকাল ১১:৪৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে অবতরণ করবে। ফ্লাইটে থাকবেন তার পরিবারের সদস্যরা, যেমন তার স্ত্রী জোবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমান, পাশাপাশি তার মিডিয়া টিমের কয়েকজন সদস্য। তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দলীয় নিরাপত্তা টিমের প্রধান হিসেবে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি নেতৃত্ব দেবেন সিকিউরিটি টিমের, যারা বিমানবন্দর থেকে গুলশান পর্যন্ত তার নিরাপত্তার সব দিক দেখভাল করবেন। বিষয়টি নিয়ে দলের সর্বোচ্চ নেতাকর্মীরা বেশ কয়েক দফা বৈঠক করেছেন। তাদের অংশীদারিত্বে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরো জোরদার করা হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকেও সতর্কতার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, তারেক রহমানের নিরাপত্তার জন্য কোনও বিশেষ ঝুঁকি এখনও স্পষ্ট নয়, তবে পরিস্থিতি অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তার দেশে ফেরার পর তার চলাফেরা পুলিশের পাহারায় থাকবে। বাসভবন ও অফিসেও থাকবে বেশ কয়েকটি নিরাপত্তা স্তর। কাউকে অনুমতি ছাড়াই তার ধারে কাছেও যেতে দেওয়া হবে না। গোয়েন্দা ও পুলিশ সদস্যরা সার্বক্ষণিক তার নিরাপত্তা দেখবেন। তারেক রহমানের জন্য মোতায়েন করা হয়েছে হাজারো পুলিশ সদস্য। আরও থাকবেন ঢাকা মহানগর পুলিশের সোয়াট দল, বেম ডিসপোজাল ইউনিট ও ডগ স্কোয়াডের সদস্যরা। তিনি বিশেষ করে জিয়াউর রহমানের মাজার জিয়ারত করবেন ও দেশের বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখার পরিকল্পনা রয়েছে। তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনের এই সময়ে প্রস্তুতিতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, এর মধ্যে উপস্থিতির জন্য যেন কোন বিঘ্ন না ঘটে, সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে। বিএনপি নেতারা জানান, এই মুহূর্তে দেশের বিভিন্ন জেলায দলীয় নেতাকর্মীরা আসতে শুরু করেছেন এবং মূল শহর ঢাকায় লাখ লাখ মানুষ অংশ নেবে। স্বেচ্ছাসেবক ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই অনুষ্ঠান স্মরণীয় করে তোলার পরিকল্পনা করেছেন। নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন, প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে সারাদেশ থেকে দলীয় সমর্থকদের সমাগম বাড়বে বলে আশা করা যাচ্ছে। এই ঐতিহাসিক কাজে জন্য প্রস্তুতি সুনির্দিষ্ট ও সুসংগঠিত।

  • এহসানুল হুদা দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে যোগ দিলেন

    এহসানুল হুদা দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে যোগ দিলেন

    বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান ও ১২ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতা অ্যাডভোকেট সৈয়দ এহসানুল হুদা নিজের দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে যোগদান করেছেন। সোমবার (২২ ডিসেম্বর) বিকেলে গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাক্ষাৎকারের সময় তিনি এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের ঘোষণা দেন। এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন।

    যোগদানের আগে এহসানুল হুদা বলেন, চরম এক ঐতিহাসিক মুহূর্তে আমরা এসে দুই দলের সঙ্গে একত্রীকরণের পথে। তিনি আরো বলেন, আমরা জাতীয়তাবাদী রাজনীতিতে বিশ্বাস করি এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বকে আরও শক্তিশালী করতে বিএনপিতে যোগদান করেছি। ভবিষ্যতে বিএনপি ও তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করে, দেশের উন্নয়নে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তিনি বললেন, বিএনপি ঘোষিত ৩১ দফার বাস্তবায়নে তিনি যথাসাধ্য চেষ্টা করবেন, যেন দেশের মানুষের জন্য কিছু করতে পারেন।

    সাংবাদিকরা জানতে চান, দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে সক্রিয়ভাবে যোগদান করেছেন কিনা, এ বিষয়ে এহসানুল হুদা কিছুটা অবসরে থাকেন। এ সময় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘হ্যাঁ, দল বিলুপ্ত করে তিনি বিএনপিতে যোগদান করেছেন।’ পরে এহসানুল হুদা মহাসচিবের কাছে প্রশ্ন করেন, ‘এটা বলতে হবে?’ উত্তরে ফখরুল বলেন, ‘হ্যাঁ, আপনি দলের কোনও সাংগঠনিক কার্যক্রমের অংশ নেননি।’

    অবশেষে, এহসানুল হুদা স্বীকার করেন, ‘হ্যাঁ, আমি দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে যোগদান করেছি।’ এবং সাংবাদিকদের আরো জানিয়ে দেন, তিনি একা নন, তার সাথে দলের অন্যান্য নেতাকর্মীরাও যোগ দেন। সবাই একসঙ্গে নতুন রাজনৈতিক ধারায় অগ্রসর হতে চাইছেন, এমনটাই জানিয়েছেন এই যোগদানকারীরা।

  • বিএনপির জোটে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম পেল 4 আসন

    বিএনপির জোটে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম পেল 4 আসন

    বিএনপি নেতৃত্বাধীন নির্বাচনী জোটের সঙ্গে সমঝোতা করে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম চারটি আসন পেয়েছে। দলটি প্রথমে পাঁচটি আসনের দাবি জানিয়েছে, কিন্তু বিএনপি তিনটি আসনে সম্মতি দেয়। পরে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সুপারিশে আরও একটি আসন বাড়িয়ে মোট চারটি আসন করা হয়।

  • রুমিন ফারহানার কপাল পুড়ল

    রুমিন ফারহানার কপাল পুড়ল

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন দ্রুত সামনে এসে পৌঁছালেও প্রার্থী তালিকা প্রায় চূড়ান্ত হলেও বিএনপি ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ আসনে শেষ মুহূর্তে কাউকে প্রার্থী হিসেবে জানিয়েছে না। এই সিদ্ধান্তের ফলে দলের অন্যতম কেন্দ্রীয় নেতা ও সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিএনপির সহসম্পাদক রুমিন ফারহানা বড় ধরনের আঘাত পেলেন। দীর্ঘদিন ধরে এই আসন থেকে নির্বাচনে দাঁড়ানোর পরিকল্পনা করেছিলেন তিনি, কিন্তু শেষ সময়ে এসে তার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

    বিএনপি দেশের ২৭২টি সংসদীয় আসনের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করলেও ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ আসনটি শুরু থেকেই ফাঁকা রাখা হয়। দলের অভ্যন্তরে ধারণা ছিল, এখানে রুমিন ফারহানার নাম অন্তত প্রকাশ পাবে। কিন্তু মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) দলীয় এক সংবাদ সম্মেলনে এই প্রত্যাশা ভেস্তে যায়। বিএনপি জানান, আন্দোলনের শরিক দলের সঙ্গে আসন সমঝোতার অংশ হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ আসনে তারা নতুন কোনও প্রার্থী দেবে না এবং এই আসনটি কার্যত তার শরিক দলের জন্য ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

    অপরদিকে, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ আসনে তাদের প্রার্থী হিসেবে মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

    অন্যদিকে, সরকার পক্ষের এই সিদ্ধান্তের বিপরীতে রুমিন ফারহানা তার অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। তিনি আগেই ঘোষণা দিয়েছিলেন, এই আসন থেকে তিনি নির্বাচন করবেন। সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের কিছু অংশ নিয়ে গঠিত এই আসনে তিনি নিজেকে প্রার্থী হিসেবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ করেছেন। সম্প্রতি এক নির্বাচনী কর্মসূচিতে নিজের পরিকল্পনা প toutে তিনি বলেন, “আমি যা বলি, আমি তা–ই করি। সেটাই যদি ভাল হয় বা খারাপ হয়, আমার কিছু করার নেই। যদি সবাই আমার পাশে থাকেন, তাহলে আমি সরাইল–আশুগঞ্জ থেকে নির্বাচনে লড়াই চালিয়ে যাব।” তিনি আরও বলেন, “আমার বিশ্বাস, আমি আমার মনোনীত স্থানে থেকেই এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব।”

  • নাহিদ ইসলামের কড়া মন্তব্য: এ ধরনের হামলা কখনই গ্রহণযোগ্য নয়, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত

    নাহিদ ইসলামের কড়া মন্তব্য: এ ধরনের হামলা কখনই গ্রহণযোগ্য নয়, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত

    প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারসহ বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হামলার ঘটনায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, এ ধরনের হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। হামলাকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি। তিনি সোমবার (২২ ডিসেম্বর) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত সম্পাদক পরিষদ দ্বারা আয়োজিত ‘মব ভায়োলেন্স’ বা সংঘবদ্ধ সহিংসতা বিরোধী এক প্রতিবাদ সভায় এই মন্তব্য করেন।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে যা ঘটছে, তা একেবারে পরিকল্পিত অপরাধ বলে মনে হয়। আমাদের সবার উচিত নিজেদের মত প্রকাশের পাশাপাশি এই ঘটনার বিরুদ্ধে দৃঢ়ভাবে অবস্থান নেওয়া। তিনি আরও বলেন, যারা ওই রাতে এই হামলা চালিয়েছে, তাদের লক্ষ্য স্পষ্ট— এটি একটি পরিকল্পিত আক্রমণ। তাই সরকারের কাছ থেকে সঠিক তদন্ত এবং দ্রুত বিচার দাবি করতে হবে। এর সাথে সঙ্গে ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের পাশাপাশি অন্যান্য সহিংস ঘটনাগুলোরও নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনতে হবে।

    নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, জুলাইয়ে যদি কেউ গণ-অভ্যুত্থানের নামে এ ধরনের কর্মকাণ্ড করে, তবে আমরা এর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেব। মিডিয়ার উপরে এই ধরনের হামলার ঘটনা কখনো মেনে নেওয়া হবে না। যারা এ ধরনের কাজ করছে, তাদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনা অপরিহার্য।

  • প্রধান উপদেষ্টার মন্তব্যে হাদির বিচারবিষয়ক নীরবতা মহলের হতাশা

    প্রধান উপদেষ্টার মন্তব্যে হাদির বিচারবিষয়ক নীরবতা মহলের হতাশা

    শহীদ শরিফ ওসমান হাদির জানাজায় প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্যে বিচারবিষয়ক স্পষ্ট কোনো ঘোষণা না থাকায় হতাশা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। রোববার (২১ ডিসেম্বর) মগবাজারে আল-ফালাহ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ওসমান বিন হাদির শাহাদাতের স্মরণে জামায়াতে ইসলামীর আয়োজিত দোয়া মাহফিলে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    পরওয়ার বলেন, গত জুলাই মাসে সংঘটিত হাদির হত্যাকাণ্ড কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং এটি একটি ‘প্যাকেজ প্রোগ্রাম’। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, এমন পরিকল্পিত হামলা ভবিষ্যতেও ঘটতে পারে। তিনি সরকারকে সকলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আহ্বান জানান।

    এছাড়াও, তিনি সন্ত্রাসী হামলার পর যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ না করে ছয় ঘণ্টা সীমান্ত সীলগালা রাখার বিষয়ে প্রশ্ন তুলেন। বলেন, গুলির ঘটনার পরে এত দীর্ঘ সময় কেন সীমান্ত বন্ধ রাখা হলো? কি কারণে গোয়েন্দা মহলে লুকিয়ে থাকা উগ্রপন্থী ও আধিপত্যবাদীরা খুনিকে পালানোর সুযোগ দিয়েছে, এ নিয়েও ভাবনা চিন্তার দরকার রয়েছে।

    তিনি আরও হুঁশিয়ারি দেন, আগামী নির্বাচনে ‘রিফাইন আওয়ামী লীগ’ নামে কোনো ফ্যাসিস্ট সংগঠনকে পুনর্বাসন করতে দেওয়া হবে না।

    শহীদ ওসমানের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে পরওয়ার বলেন, জীবিত ওসমানের চেয়ে শহিদ ওসমানের পরিবারকে সম্মান অনেক বেশি। এ কথা বলেও তিনি মনে করিয়ে দেন, শহিদদের মর্যাদা বঞ্চিত হওয়ার সুযোগ নেই।

  • তারেক রহমানের আহ্বান: সামনের দিনগুলো কঠিন, ঐক্যবদ্ধ থাকুন

    তারেক রহমানের আহ্বান: সামনের দিনগুলো কঠিন, ঐক্যবদ্ধ থাকুন

    বিএনপি সহ সব গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠানবিন্দুসংঘে দেশের স্বার্থে একসাথে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। his বক্তৃতায় তিনি সতর্ক করে বলেছেন, ‘আগামী দিনগুলো বেশ চ্যালেঞ্জাপূর্ণ। দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা দুর্বল হয়ে পড়েছে এবং বিভিন্ন স্থানে অরাজকতা ছড়িয়ে পড়ছে। এজন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।’

    রোববার (২১ ডিসেম্বর) বিকেলে বগুড়ার শহীদ টিটু মিলনায়তনে শহীদ জুলিও স্মরণে স্থাপিত ডিজিটাল স্মৃতিস্তম্ভের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়াল মাধ্যমে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। সেখানে তিনি শহীদদের স্মরণ করে বলেন, শহীদ ওসমান হাদী তার মধ্যে অন্যতম, যিনি গণতন্ত্রের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন। তিনি ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী ছিলেন এবং প্রমাণিত যে তিনি ভোটাভোটে বিশ্বাস করতেন। এই মনোভাবের জন্যই তিনি শহীদ হয়েছেন।

    তারেক বলেন, আমাদের উচিত শহীদদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানানো ও তাদের আদর্শকে অনুসরণ করে দেশের শান্তি ও উন্নতির জন্য কাজ করা। তিনি আরও বলেন, জুলাই আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন তারা আমাদের প্রজন্মের তরুণ ছিল। এই যুগের অন্যতম জনপ্রিয় মাধ্যম হলো ইন্টারনেট, কিন্তু এর ব্যয় অনেক বেশি হওয়ায় সবকিছু সহজে সংযোগ করা যায় না। তবুও, আগামী নির্বাচনে যদি আমরা জনগণের সমর্থন পাই, তাহলে আমরা ইন্টারনেটের সুবিধা সহজতর করার চেষ্টা করবো, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের জন্য।

    স্বাস্থ্য খাতের সংস্কার বিষয়ে তিনি জানান, নতুন পরিকল্পনায় দেশের এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে, যার মধ্যে অনেক নারী থাকবেন। এর মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও নারীদের কর্মসংস্থান বাড়ানো হবে।

    দেশের আইটি পার্কগুলোর অপচয় ও অকার্যকারিতা নিয়ে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। অতীতে কিছু ডিজিটাল পার্ক তৈরি হলেও, খুব কমই কাজ করছে বলে উল্লেখ করেন। তিনি এসব পার্ককে নতুনভাবে গড়ে তুলার কথা বলেন, যাতে তরুণরা ডিজাইন, কন্টেন্ট এবং অনলাইন কাজের জন্য স্থান পায়।

    বিদেশে কর্মসংস্থান বাড়ানোর পরিকল্পনাও তিনি তুলে ধরেন, যেখানে ভাষা শেখা ও বিভিন্ন ট্রেনিং প্রবৃদ্ধি কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সহজে চাকরি পাওয়া সম্ভব হবে।

    বক্তব্যের শেষ দিকেও তিনি দলের ৩১ দফা ও নতুন স্লোগানকে গুরুত্ব দেন, যেখানে মূল কথা হল- দেশের গর্বে কাজ করা, প্রথমে বাংলাদেশ। এই লক্ষ্য যেন সব কর্মসূচীর কেন্দ্রে থাকে। বিকেল সময়ে অনুষ্ঠানে অন্যান্য বক্তারা আরও বক্তব্য দেন, যেখানে জেলা অর্জনসমূহ ও ভবিষ্যত পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।

  • হাদির স্বপ্নের ইনসাফের বাংলাদেশ না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ ছাড়বে না ওমর বিন হাদি

    হাদির স্বপ্নের ইনসাফের বাংলাদেশ না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ ছাড়বে না ওমর বিন হাদি

    শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদিকে ভালোবেসে থাকলে, তার হত্যার বিচারের দাবি করলে, শাহবাগকে ফ্যাসিবাদমুক্ত ও ভারতীয় আধিপত্যবাদ থেকে মুক্ত করতে চাইলে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তার বড় ভাই ওমর বিন হাদি। তিনি বলেন, আমি কখনো শহীদের ভাই হতে চাইনি, আমি চাইতাম রাজপথে বিপ্লবী ওসমান বিন হাদির পাশে থেকে এই দেশকে স্বৈরাচার ও আধিপত্যবাদ মুক্ত করে ইনসাফের দেশ গড়তে। যতদিন পর্যন্ত ইনসাফের বাংলাদেশ গঠন হয় না, আমি আন্দোলন থেকে সরে যাব না।최근 বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে রোববার (২১ ডিসেম্বর) দুপুরে মগবাজারের আল-ফালাহ মিলনায়তনে ইয়াদে শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদির শাহাদত উপলক্ষে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে উপস্থি ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মাছুম, মহাস্থান, অন্যান্য নেতৃবৃন্দসহ নানা পর্যায়ের নেতারা। দোয়া ও স্মৃতিচারণের সময় তার বড় ভাই ওমর বিন হাদি কান্নায় ভেঙে পড়েন। তিনি বলেন, আমি ওসমানের ভাই হিসেবে এখানে আসিনি, আমি ছিলেন তার সহযোদ্ধা। যখন হাদি গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন, আমি তার পাশে ছিলাম। ওসমান ডান পাশে বসে থাকাকালীন সময়ে সন্ত্রাসীদের গুলিতে সে আহত হয়। আমার এই ক্ষুদ্র ভাইয়ের জন্য আমরা রাজপথে নামিনি, তবে হাদির অসাধারণ সাহস ও মূল্যবোধ আমাদের অনুপ্রেরণা। ওসমান যখন জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন, তখন তাঁর সঙ্গে পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা নিরাপত্তার জন্য উদ্বিগ্ন ছিলেন। তবুও তিনি বলতেন, আমার আল্লাহই আমাকে রক্ষা করবেন, আমি নিজের জীবন বিপদে ফেললেও দেশের জন্য লড়াই চালিয়ে যাব। তিনি বলতেন, ‘আমি যদি রবের ডাকে সাড়া দিয়ে চলে যাই, আপনারা আমার পরিবারকে দেখবেন। আমি সেটাই চেয়েছি।’ ওমর বিন হাদি আরও বলেন, আমি কখনো শহীদ ভাই হতে চাইনি, আমি চাইতাম বিপ্লবের পাশে থেকে এই দেশের স্বাধিকার প্রতিষ্ঠা করতে। তিনি বলেন, আজ আমার ভাই চলে গেছেন। ওসমান জোহর নামাজ পড়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার রাতে ইন্তেকাল করেন। আমাদের পরিবার ও ইনকিলাব মঞ্চের ভাই-ব্রাদাররা এই দুঃখের সময়ে খুবই দুর্বল হয়ে পড়েছেন, এখনও স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেননি। আমরা স্বীকার করি, এই সংগ্রাম এবং শহীদ ওসমানের আন্দোলন আমাদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। তিনি বলেন, আমরাও ওসমানের স্বপ্নের ইনসাফের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় নিজের সবকিছু ছাড়িয়ে যাব। আমরা কোনো পারিবারিক আর্থিক অনুদান চাই না, শুধু চাই আন্দোলন অব্যাহত থাকুক। ওসমান হাদির শাবাগে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে ওমর বিন হাদি বলেন, ওসমান শাহবাগে দাঁড়িয়ে বলতেন, এই শাহবাগ থেকে ফ্যাসিবাদ নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে, এই স্থান বাংলাদেশের স্বাধীনতার সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের আন্দোলন অব্যাহত রাখতে হবে, যাতে এই দেশের স্বাধিকার ও গণতন্ত্র সফল হয়। তিনি মহান দোয়া ও প্রার্থনা করেন যে, হাদির স্ত্রীর, সন্তান ও পরিবারের জন্য সবাই দোয়া করবেন। আরও উল্লেখ করেন, ওসমানের ছোট বোন সম্পূর্ণভাবে অসহায় হয়ে পড়েছে, মানসিকভাবে দুর্বল। দেশপ্রেমে উদ্বুব্ব হওয়া এই পরিবারের সদস্যদের জন্য সবাই দোয়া কামনা করেন। শেষত, তিনি বলেন, এই সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার জন্য আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। ইনসাফের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সমাজের সকল অংশকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে, যেন এ দেশের যুবসমাজ সত্যিকার দেশপ্রেমে উদ্বেলিত হয়।

  • অপশক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানালেন মির্জা ফখরুল

    অপশক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানালেন মির্জা ফখরুল

    বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এখন শুধু সচেতন থাকলেই হবে না, বরং অপশক্তির বিরুদ্ধে কঠোরভাবে মোকাবিলা করতে হবে। তিনি গত সোমবার (২২ ডিসেম্বর) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে অনুষ্ঠিত সম্পাদক পরিষদ আয়োজিত ‘মব ভায়োলেন্স’ বা সংঘবদ্ধ সহিংসতা বিরোধী এক প্রতিবাদ সভায় এ মন্তব্য করেন।

    মির্জা ফখরুল উল্লেখ করেন, সংবাদপত্রের ওপর হামলা দেশের গণতন্ত্র ও মুক্তচিন্তার ওপর আঘাত। তিনি বলেন, ‘‘আমাদের জনসচেতনতা গুরুত্বপূর্ণ, তবে এখন চাই শক্তিশালী প্রত্যাঘাত। আমি নিশ্চিত না আমরা কোন বাংলাদেশের দ্বারপ্রান্তে আছি। জীবনের স্বপ্ন ও সংগ্রাম ছিলো একটি স্বাধীন, সার্বভৌম ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা। কিন্তু আজকের এই বাংলাদেশ আমি আগে ভাবিনি।’’

    বিএনপি নেতার ভাষ্যে, আজ শুধু ডেইলি স্টার বা প্রথম আলো নয়, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের ওপর আঘাত এসেছে। তিনি বলেন, ‘‘আমার ব্যক্তিগত চিন্তা করার, কথা বলার অধিকারও হুমকির মুখে। July যুদ্ধের মতো বলা হয়েছিলো জাতির অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম। আজ সেই যুদ্ধের স্থানেই আঘাত এসেছে।’’

    ফখরুল আরও যোগ করেন, ‘‘এখন সময় এসেছে সব গণতান্ত্রিক চেতনা ও সংগঠনের এক হওয়ার। যারা অন্ধকার থেকে আলোর পথে আসতে চান, যারা সত্যিকারভাবেই বাংলাদেশের একজন স্বার্থপর নাগরিক হিসেবে জীবনের দিক পরিবর্তন করতে চান, তাদের জন্য এখন একটাই আহ্বান—সচেতন হতে হবে ও রুখে দাঁড়াতে হবে। এই মুহূর্তেই আমাদের ঐক্যবদ্ধ হওয়া জরুরি, কারণ অন্যথায় আমাদের স্বপ্নের বাংলাদেশ কেউ দখল করে নেবে।’’

  • খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ

    খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ

    ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহের কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর) আসন থেকে খালেদা জিয়া এবং বগুড়া-৬ (সদর) আসন থেকে তারেক রহমানের জন্য মনোনয়নপত্র নেওয়া হয়।

    রোববার (২১ ডিসেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে শহরের গোহাইল রোডে অবস্থিত জেলা নির্বাচন অফিস থেকে খালেদা জিয়ার পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন তার নির্বাচনি সমন্বয়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির বিভিন্ন নেতাকর্মী।

    মনোনয়নপত্র সংগ্রহ শেষে তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া এই আসন থেকে তিনবারের সংসদ সদস্য। এবার তার জন্য বরাবরের মতোই ব্যাপক ভোটের প্রত্যাশা করছেন সবাই। সাধারণ মানুষও তাকে ভোট দিতে মুখিয়ে আছেন বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।

    অন্যদিকে, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বগুড়া-৬ (সদর) আসনের জন্য মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়। জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমানের কাছ থেকে মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেন জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা।

    এসময় সাবেক জেলা বিএনপি সভাপতি একেএম মাহবুবুর রহমান, সাবেক আহ্বায়ক ও সংসদ সদস্য গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ, ভিপি সাইফুল ইসলাম, শহর বিএনপির সভাপতি হামিদুল হক চৌধুরী হিরু, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাহফতুন আহম্মেদ খান রুবেল ও দলের অন্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    মনোনয়নপত্র নেওয়ার পর রেজাউল করিম বাদশা বলেন, তারেক রহমান বগুড়া সদর আসন থেকে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। আজ মনোনয়নপত্র উত্তোলনের মধ্য দিয়ে তাঁর নির্বাচনী আস্রয়ের প্রতিশ্রুতি প্রকাশ পেয়েছে। তিনি আরও জানান, বগুড়াবাসী ধানের শীষের প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য অপেক্ষা করছেন।