Blog

  • সমাজসেবক থেকে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন লায়ন ফরিদুল, মোংলা ও রামপালে খুশির জোয়ার

    সমাজসেবক থেকে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন লায়ন ফরিদুল, মোংলা ও রামপালে খুশির জোয়ার

    বাগেরহাট-৩ (মোংলা ও রামপাল) আসন থেকে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন সমাজসেবক লায়ন ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম। মঙ্গলবার বিকেলে তিনি নতুন মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন। এই কারণেই রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে, কারণ এটি ৩৫ বছর পর আওয়ামী লীগের দুর্গ হিসেবে পরিচিত এই আসনে বিএনপির প্রাথমেই প্রথম বিজয়। মোংলা-রামপাল এলাকার মানুষের মাঝে এখন উৎসাহ এবং আনন্দের ঢেউ বয়ে যাচ্ছে।

    নির্বাচন জয় করে সংসদে আসার পরই তিনি বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন, যা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে উৎসাহের শেষ নেই। মোংলা ও রামপালে বিএনপি এবং তার অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা এই খবর উৎসাহের সাথে গ্রহণ করেছেন। এলাকায় তিনি কেবল রাজনৈতিক দল হিসেবেই পরিচিত নন, বরং সামাজিক ও মানবিক কাজে তাঁর জনপ্রিয়তা ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক। নিজ এলাকায় তিনি বিনামূল্যে চোখের চিকিৎসাসহ অসংখ্য মানুষের সুরক্ষায় কাজ করেছেন, যা তাকে সাধারণ মানুষের মধ্যে খুবই জনপ্রিয় করে তুলেছে।

    গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ‘ধানের শীষ’ প্রতীক নিয়ে তিনি ১ লাখ ৩ হাজার ৭৭১ ভোট পেয়ে বিশাল ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন। দেশ-সংখ্যালঘু এই নেতা তার দায়িত্বশীল চরিত্র এবং মানবিক কর্মকাণ্ডের জন্য এলাকার মানুষের প্রশংসা অর্জন করেছেন।

    বিএনপি’র চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে মোংলা পৌর বিএনপি’র সভাপতি জুলফিকার আলী, সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান মানিক ও উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি মঞ্জুর হাওলাদার বলেছেন, ড. ফরিদুল ইসলাম প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ায় শুধু দলের নেতা-কর্মীরা নয়, পুরো বাগেরহাট জেলাবাসী গর্বিত। তবে মোংলা ও রামপালের সাধারণ মানুষ প্রত্যাশা করছে, এই নেতার মাধ্যমে তাদের মৌলিক দাবি ও চাহিদাগুলো দ্রুত বাস্তবায়িত হবে।

  • দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির জন্য সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেবে নতুন সরকার

    দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির জন্য সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেবে নতুন সরকার

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের ব্যাপক বিজয়ের মাধ্যমে সরকার গঠন করায় বিএনপি’র চেয়ারম্যান ও নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর নেতৃত্বাধীন নতুন মন্ত্রিসভাকে খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দ আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। মঙ্গলবার প্রেরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, দীর্ঘ সময়ের আন্দোলন-সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে জনগণের ভোটাধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণে দেশ গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও সুশাসনের নতুন পথে প্রবেশ করেছে। অতীতের গণতান্ত্রিক সংকট কাটিয়ে বর্তমান সরকার একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রস্তুত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। জনগণের হারানো ভোটাধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা এবং আইনের শাসন শক্তিশালী করতে এসব উদ্যোগ নেওয়া হবে। দেশের অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নতুন মন্ত্রিসভা কার্যকর ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করে যেন দেশ আরও উন্নতি ও স্থিতিশীলতা অর্জন করতে পারে—এমন প্রত্যাশা প্রকাশ করেছেন নেতৃবৃন্দ। তারা আরও বিশ্বাস করেন, মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বৈদেশিক বিনিয়োগ বাড়ানো এবং শিল্পখাতের পুনরুজ্জীবনের মাধ্যমে একটাদৃঢ় ও টেকসই অর্থনৈতিক ভিত্তি গড়ে তোলা হবে। দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নের বিষয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, খুলনা অঞ্চলের সার্বিক অগ্রগতিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। বিশেষ করে সুন্দরবনকে কেন্দ্র করে পর্যটন শিল্পের বিকাশ, উপকূলীয় অঞ্চলে টেকসই ভেঙিবাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, বেকার যুবকদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বহুদিন বন্ধ থাকা মিল-কারখানা আবার চালু করা, খুলনায় গ্যাস সংযোগ সম্প্রসারণ এবং নতুন অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) নির্মাণের মাধ্যমে এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন ঘটানো হবে। নেতৃবৃন্দ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যদের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও অসংখ্য সফলতা কামনা করেন। পাশাপাশি তারা দেশপ্রেমিক এই সরকারের অংশ হিসেবে একটি সুখী, সমৃদ্ধ, গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। বিবৃতিদাতারা হলেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য রকিবুল ইসলাম বকুল, তথ্য বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আজিজুল বারী হেলাল, খুলনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য আলি আসগার লবি, খুলনা-১ আসনের সংসদ সদস্য আমীর এজাজ খান, মহানগর বিএনপি’র সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা, খুলনা জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান মন্টু, মহানগর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন, খুলনা জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব (ভারপ্রাপ্ত) মনিরুল হাসান বাপ্পী ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। একই ধরনের বিবৃতি দিয়েছেন খুলনা সদর থানা বিএনপি’র নেতৃবৃন্দ। এতে সভাপতিত্ব করেন সদর থানা বিএনপি’র সভাপতি কেএম হুমায়ুন কবীর, সাধারণ সম্পাদক মোল্লা ফরিদ আহমেদ ও সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ নাসির উদ্দিন।

  • খুলনায় ২৫ হাজার পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার

    খুলনায় ২৫ হাজার পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার

    খুলনার কৈয়া বাজারে অভিযান চালিয়ে পুলিশ ২৫ হাজার পিস ইয়াবাসহ একজন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরের দিকে এই ঘটনা ঘটে। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি হলো মিলন মাল (২২), তিনি মুন্সিগঞ্জের লৌহজঙ্গ উপজেলার বাসিন্দা ও বাবুল মালয়ের ছেলে।

    হরিণটানা থানার ওসি (তদন্ত) টিপু সুলতান জানান, গোপন সূত্রের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে যে সাতক্ষীরা থেকে একটি মাদকবাহী ট্রাক খুলনা হয়ে ঢাকায় যাবে। এই খবরের ভিত্তিতে তারা কৈয়া বাজারের সামনে একটি চেকপোস্ট তৈরি করে। দুপুরের দিকে, সাড়ে ১১টার দিকে, সাতক্ষীরা থেকে আসা একটি ট্রাক সংকেত পেয়ে থামানো হয়। পুলিশ যখন ট্রাকটির তল্লাশি শুরু করে, তখন মিলন মাল তার আচরণে সন্দেহজনক হিসেবে ধরা পড়ে। পুলিশ তার ব্যাগ তল্লাশি করে ২৫ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করে। অভিযুক্ত এই মাদক কারবারি এই ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

  • খুলনায় মাদক বিরোধের জেরে যুবক গুলিবিদ্ধ

    খুলনায় মাদক বিরোধের জেরে যুবক গুলিবিদ্ধ

    খুলনা মহানগরীর মওলার বাড়ি খালপাড়ের বোর্ড ঘরের সামনে গুলি করে এক যুবককে হত্যাচেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাত সোয়া ১১টার দিকে এই হামলার ঘটনা ঘটে। খুলনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কবির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    আহত যুবক তাঁর নাম সোহেল ওরফে চেগা সোহেল, সে এলাকার শাহাদতের ছেলে এবং বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোহেল মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত এবং তার বিরুদ্ধে থানায় একাধিক অভিযোগ রয়েছে। প্রতিপক্ষের একটি গ্রুপ তাকে ঘায়েল করতে গুলি করে হত্যার চেষ্টার চেষ্টা করে।

    পুলিশের কথায়, সন্ত্রাসীরা লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালায়, যার মধ্যে একটি গুলি তার কোমরের বাম পাশে বিদ্ধ হয়। রাতে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হওয়ায় পরিবারের পরামর্শে তাকে আরও উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। ঘটনাস্থলে পুলিশ ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা গিয়ে পরিস্থিতির সরেজমিন পরিদর্শন করেন এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের জন্য অভিযান শুরু করেছে।

  • বেনাপোল-পেট্রাপোল ইমিগ্রেশনে যাত্রী যাতায়াত ও আমদানি-রপ্তানি বন্ধ ঘোষণা

    বেনাপোল-পেট্রাপোল ইমিগ্রেশনে যাত্রী যাতায়াত ও আমদানি-রপ্তানি বন্ধ ঘোষণা

    বাংলাদেশে ত্রোদশতম জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আগামী বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৬টা থেকে শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৬টা পর্যন্ত বেনাপোল-পেট্রাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্টের ইমিগ্রেশন দিয়ে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। পাশাপাশি, এই সময় দুই দেশের বন্দর দিয়ে সকল ধরনের আন্ডারনিং, আমদানি ও রপ্তানির কার্যক্রমও তিন দিন বন্ধ থাকবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, এই সিদ্ধান্ত সরকারের উদ্যোগে প্রথমবারের মতো, নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে নিরাপত্তার ব্যবস্থা আরও কঠোর করতে। বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের চলাচল এই তিন দিনে সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। বেনাপোল চেকপোস্টের পুলিশ ও ইমিগ্রেশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ সংক্রান্ত একটি আদেশ সরকারের পক্ষ থেকে জারি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেনাপোল-পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন দিয়ে যাত্রীরা চলাচল করতে পারবেন না, তবে শুক্রবার ভোর ৬টার পর থেকে পুনরায় সাধারণ যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক হতে থাকবে।

    অন্যদিকে, বিভিন্ন জরুরি ও অসুস্থ যাত্রী ছাড়া অন্যান্য ক্ষেত্রে এই সময়ে ইমিগ্রেশন কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। এ বিষয়ে বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্ট স্টাফের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান জানান, নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক কারণে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেছেন, স্বাধীনতার ৫৫ বছর পর প্রথমবারের মতো নির্বাচন দিন বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।

    বেনাপোল বন্দরের সহকারী পরিচালক (ট্রাফিক) কাজী রতন জানিয়েছেন, এই নির্দেশনা একটি চিঠির মাধ্যমে তার দপ্তরে পাঠানো হয়েছে এবং নির্দেশ অনুসারে বৃহস্পতিবার থেকে এই সময়ে দু’দেশের মধ্যে যাত্রী পারাপার বন্ধ থাকবে। তবে, শনিবার সকাল থেকে আবার নিরাপদে স্বাভাবিক কার্যক্রম চালু হবে। নিরাপত্তার স্বার্থে মারাত্মক অসুস্থ ও জরুরি পরিস্থিতিতে চলাচলে শর্ত থাকলেও, এই সময়ে যাত্রীরা বেরোতে পারবেন না।

    এছাড়া, স্বজন বা জরুরি কাজে আসা যাত্রীদের জন্যও এই সিদ্ধান্ত প্রযোজ্য। বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) শামীম হোসেন জানিয়েছেন, নির্বাচনের কারণে আগামী তিন দিন বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমও বন্ধ থাকবে। এই সময়ে সব ধরনের লেনদেন বন্ধ থাকলেও, শনিবার থেকে আবার স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু হবে।

    সাধারণত: নির্বাচন ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যাতে দেশের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়। তবে নির্বাচন শেষ হয়ে গেলে এই সব কার্যক্রম আবার পূর্ণরূপে চালু হবে বলে জানা গেছে।

  • ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও ইউটিউবে জাল নোটের কনটেন্টের বিরুদ্ধে কঠোর সতর্কতা ও শাস্তির হুঁশিয়ারি

    ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও ইউটিউবে জাল নোটের কনটেন্টের বিরুদ্ধে কঠোর সতর্কতা ও শাস্তির হুঁশিয়ারি

    বাংলাদেশ ব্যাংক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জাল নোটের মতো কনটেন্ট ও প্রচারণার বিরুদ্ধে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছে। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, আসল নোটের মতো কাগজ তৈরি করে তা প্রচারণায় ব্যবহার করা বা ভিডিও ও ছবিতে দেখানো আইনত দণ্ডনীয় עב conduct।

    বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সম্প্রতি বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে—যেমন ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউব—অল্প কিছু ভিডিও ও ছবিতে আসল নোটের ডিজাইন আর আকৃতির অনুরূপ বা বরং বড় আকারের নমুনা নোট দেখা যাচ্ছে। এগুলো দিয়ে ব্যক্তিগত বা ব্যবসায়িক প্রচারণা চালানো হচ্ছে। এছাড়াও বাজার বা উন্মুক্ত স্থানে আসল টাকার মতো কাগজ তৈরি করে ব্যবসায়িক প্রচারণার ঘটনাও লক্ষ্য করা গেছে। এসব কার্যক্রম জাল নোটের প্রচলন বাড়াতে সহায়ক হতে পারে এবং সামগ্রিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনাকেও অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে।

    এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, বাংলাদেশ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৪৮৯(৬) অনুযায়ী, কেউ যদি এমন নথি, কাগজ বা বস্তু তৈরি, ব্যবহার বা বিতরণ করে, যা প্রচলিত ব্যাংক নোটের সদৃশ এবং জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে সক্ষম, তবে তা দণ্ডনীয় অপরাধ। এ ধরনের কাজে লিপ্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    অতিরিক্তভাবে, ডিজিটাল মাধ্যমে গুজব বা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর জন্য সাইবার নিরাপত্তা আইনের ধারা ২৫ অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

    সবশেষে, বাংলাদেশ ব্যাংক সাধারণ জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, জাল নোটের প্রচলন প্রতিরোধে সতর্ক থাকুন এবং অননুমোদিত বা বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট তৈরি, প্রচার বা প্রচারণা থেকে বিরত থাকুন।

  • ভ্যাট রিটার্নের সময় বাড়লো ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত

    ভ্যাট রিটার্নের সময় বাড়লো ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত

    জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ই-ভ্যাট সিস্টেমে অনলাইন ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের সময় আরও বাড়ানো হলো। এখন থেকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ২২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে অনলাইনে তাদের ভ্যাট রিটার্ন জমা দিতে পারবেন। এই নতুন সময়সীমা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন এনবিআরের দ্বিতীয় সচিব ব্যারিস্টার মোঃ বদরুজ্জামান মুন্সী, যিনি গতকাল রোববার রাতে এ সংক্রান্ত আদেশে স্বাক্ষর করেছেন। আগে প্রতিষ্ঠানগুলো স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রতি মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে আগের মাসের বিক্রির তথ্য সংগ্রহ করে ভ্যাট রিটার্ন দাখিল করতেন। তবে পবিত্র শবে বরাত এবং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কারণে দীর্ঘ সময় সরকারি ছুটি থাকায় ও ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে এ-চালান সিস্টেমে ওটিপি সার্ভার ডাউন থাকায় সময়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ নির্দেশে বলা হয়েছে, জানুয়ারি মাসের ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের জন্য নির্ধারিত সময়সীমা ২২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্ধারিত। এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন দাখিল না করলে আইন অনুযায়ী বিলম্ব ফি ও জরিমানার শাস্তি Mandatory। তবে সার্ভার জটিলতার কারণে অনেক করদাতা অযথা জরিমানার মুখে পড়বেন না, এজন্যই এই সময় সম্প্রসারণ। বর্তমানে দেশে ভ্যাট নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৬ লাখ ৪৪ হাজার, যার মধ্যে বেশির ভাগই এখনও রিটার্ন দিচ্ছে না। এ ব্যাপারে এনবিআর বলেছে, সময় থেকে রিটার্ন দেওয়ার জন্য সবাইকে সচেতন হওয়া জরুরি, যাতে কোনো করদাতা অযথা আর্থিক প্রভাব বা জরিমানা থেকে মুক্ত থাকতে পারেন।

  • নতুন অর্থমন্ত্রীর সাফবানী: পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি চলতে দেয়া হবে না

    নতুন অর্থমন্ত্রীর সাফবানী: পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি চলতে দেয়া হবে না

    নতুন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, পৃষ্ঠপোষকতার ভিত্তিতে গঠিত অর্থনীতি চলতে দেয়া হবে না। তিনি আরও বলেন, আমাদের দেশের অর্থনীতিতে সত্যিকারের গণতন্ত্র আনতে হবে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কার্যালয়ে প্রথম দিন অফিস শুরু করার সময় সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

    অর্থমন্ত্রী জানান, দেশের অনেক প্রতিষ্ঠান এখনও খুবই দুর্বল অবস্থায়, তাই প্রথমে তাদের পুনরুদ্ধার করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। এর জন্য পেশাদারিত্বের প্রাধান্য দেয়া দরকার, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে এবং দক্ষতা বৃদ্ধি করতে হবে। যদি এই উপাদানগুলো না থাকে, তবে আমাদের বড় কোনও প্রকল্প বা পরিকল্পনাও কাঙ্ক্ষিত ফল আনবে না।

    নতুন অর্থমন্ত্রী উল্লেখ করেন, পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি নয়, সচেতন ও সুষ্ঠু নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে অর্থনীতি চালু রাখতে হবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি সব মানুষের জন্য সমান সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করে গড়ে তোলা উচিত। সব মানুষ যেন অর্থনীতিতে অংশগ্রহণ করতে পারে, সেই পরিকল্পনা রয়েছে। এর ফলে অর্থনৈতিক সুবিধা প্রত্যেকে পাবে, নিশ্চিত করা হবে।

    তিনি আরও বলেন, এটি বাস্তবায়নে আমাদের ডিরেগুলেটেড (সরকারি নিয়ন্ত্রণ কমানো) করতে হবে। বর্তমানে বাংলাদেশে অফিসিয়াল পর্যায়ে অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণ রয়েছে, যা পৃষ্ঠপোষকতা রাজনীতির কারণে ওভার রেগুলেটেড হয়ে গেছে। চলতি বাক্যতান অনুযায়ী এটি নিয়ন্ত্রণ কমানো জরুরি।

    অর্থনীতিতে নিয়ন্ত্রণ শিথিল করে লিবারলাইজেশন (উদ্বৃতি) করবে সরকার, জানান তিনি। যাতে সবাই সমান অধিকার পায় এবং অংশগ্রহণের সুযোগ পায়। অর্থনীতির সুফল যেন প্রত্যেকে পায়, সেটাও নিশ্চিত করা হবে।

    অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১১ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন। তিনি বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য। এর আগে ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় বাণিজ্য মন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন।

  • নতুন সরকার এলডিসি উত্তরণের পেছানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

    নতুন সরকার এলডিসি উত্তরণের পেছানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

    নতুন বাণিজ্য, শিল্প ও বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের সময়সীমা পিছিয়ে দেওয়ার জন্য নতুন সরকার উদ্যোগ নেবে। তিনি জানান, এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন ডেফার করতে হলে প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে, এবং এ বিষয়ে সরকার ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে প্রথম দিনের অফিস করতে এসে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

    বাণিজ্যমন্ত্রী আরও জানান, সরকার এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের ডেফার করতে চায় এবং এ জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, বিষয়টি বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে শুরু করে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে। দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসায়ীরা এ দাবি জানিয়ে আসছেন, সরকারের পক্ষ থেকেও এ উদ্যোগকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। যদিও প্রথম সপ্তাহে চিঠি দেওয়ার বাধ্যবাধকতা না থাকলেও, আজ থেকেই এই বিষয়ক কাজ শুরু করেছে সরকার।

    রপ্তানির অপ্রত্যাশিত নিম্নগতি প্রসঙ্গে পাত্রবাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের রপ্তানি এখনও সংকটে রয়েছে। দেশের রপ্তানি বেশিরভাগই একক পণ্যের ওপর নির্ভরশীল, যার কারণে বৈচিত্র্য আনা জরুরি। নতুন পণ্য ও বাজারের প্রসার করতে হবে। পাশাপাশি, বেসরকারি খাতে যারা বিনিয়োগে আগ্রহী, তাদেরও সরকারি সহায়তাও দেবে সরকার।

    বিশ্ব বাণিজ্যের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ট্যারিফ নীতিতে হঠাৎ পরিবর্তনের কারণে বিশ্বজুড়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এ কারণে বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত বা সীমিত সুযোগে টিকে থাকার চেষ্টা করছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, দেশের মার্জিন খুবই কম, ভুলের সুযোগ নেই, তাই দ্রুততর গতি ফিরে আনার জন্য সরকার কাজ শুরু করেছে।

    রমজানের বাজার পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা করেন তিনি। বলেন, মূলত পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে। সরকারের কাছে প্রয়োজনীয় পণ্য মজুদ রয়েছে, পাইপলাইনে পর্যাপ্ত স্টকও আছে। এজন্য বাজারকে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই বলে মনে করেন তিনি।

    রামজান মাসে বাজারে সিন্ডিকেটের প্রসঙ্গে প্রশ্ন উঠলে, তিনি বলেন, শুধু বক্তব্য দেওয়াই তাঁর কাজ নয়, বরং কাজের মাধ্যমে ফল দেখাতে চান। বলেছেন, “আমি সাউন্ড বাইট দেব না, ইনশাআল্লাহ কাজ করে দেখাব।”

    পণ্যের দাম অকাল বাড়ার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলেন, এটি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কেবল এককালীন চাহিদা বৃদ্ধির কারণে হয়। সাধারণত পুরো মাসে মানুষ একসঙ্গে বাজার করে, ফলে দামের অস্থায়ী বৃদ্ধি হয়, যা খুব দীর্ঘস্থায়ী হয় না।

    বৈদেশিক ও দেশীয় বিনিয়োগের বিষয়ে তিনি বলেন, অনিশ্চয়তা থাকলে বিনিয়োগ আসতে চায় না। স্থিতিশীল পরিবেশই প্রধান শর্ত। দেশের বিশাল জনসংখ্যার শ্রমবাজারে প্রতিবছর ২০-২২ লাখ মানুষ প্রবেশ করে, কিন্তু গত দুই থেকে তিন বছর ধরে বিনিয়োগ অনেকটা স্থবির থাকায় বড় চাপ তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতি দ্রুত কাটানো না গেলে, অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান ক্ষতির মুখে পড়বে বলে তিনি সতর্ক করেন।

    নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর রমজানের শুরুতে এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জ—এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, রমজানকে সফলভাবে সামলানো দেশের জন্য বড় পরীক্ষা। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সরকারের কাজ সফল হওয়া জরুরি, এর জন্য সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। তিনি এই কাজটি ব্যক্তিগত বিষয়ের মতো নয়, বরং দেশের স্বার্থের বিষয় উল্লেখ করে সবাইকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান। ভুল হলে ক্ষমা চেয়ে ভবিষ্যতে আরও ভালো করার অনুরোধ করেন, এবং সবাই মিলে একসঙ্গে এগিয়ে গেলে দেশ উন্নতির পথে এগিয়ে যাবে বলে বিশ্বাস প্রকাশ করেন।

  • সংবিধান সংস্কার পরিষদে বিএনপির এমপিরা শপথ নেয়নি

    সংবিধান সংস্কার পরিষদে বিএনপির এমপিরা শপথ নেয়নি

    বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশনায় তারেক রহমানসহ দলের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা আজ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথ কক্ষে উপস্থিত হন। শপথ নেওয়ার আগে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ উল্লেখ করেন, এই মুহূর্তে বিএনপির সংসদ সদস্যরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেননি। কারণ, সংবিধানে এ বিষয়ে কোনও বিধান এখনও অন্তর্ভুক্ত হয়নি।

    তিনি আরও বলেন, মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে সংসদ সচিবালয়ে আমাদের সবাইকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, আমরা কেউ সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হইনি। সংবিধানে এখনো এ বিষয়টি প্রতিফলিত হয় নাই। গণভোটের রায় অনুসারে যদি সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠিত হয়, তবে তা সংবিধানে অবশ্যই অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এরপরই সদস্যদের শপথের বিষয়টি কেবল তখনই বৈধ হবে। সংবিধানে এই প্রক্রিয়ার জন্য নির্দিষ্ট কোনও ফর্ম বা নিয়ম আসছে না—এ ধরনের তথ্য অন্তর্ভুক্ত ছিল স্মারক নোটে।

    তিনি ব্যাখ্যা করেন, সাধারণত সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে শপথের জন্য প্রয়োজনীয় ফর্ম বা নিয়মটি উল্লেখ থাকে। বর্তমানে যে শপথ পত্রটি ব্যবহার করা হয়, তা সাধারণ বা সাদা কাগজে লেখা। তবে যখন সংবিধান সংস্কার পরিষদের বিষয়টি তৃতীয় তফসিলে অন্তর্ভুক্ত হবে এবং সংসদে আইনি আকারে গ্রহণ হবে, তখনই সদস্যদের শপথ নেয়ার কার্যকারিতার ভিত্তি তৈরি হবে। এর আগে, এই প্রক্রিয়া আইনি স্বীকৃতি পাবে না, কারণ তা সংবিধানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

    বিএনপির এই প্রবীণ নেতৃয়া বলেন, দলের নিয়ম অনুসারে সবসময় সংবিধান মেনে চলা হবে এবং ভবিষ্যতেও তা চালু থাকবে। তারেক রহমানের নির্দেশেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    এমপিরা আজ সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেও, টেকনিক্যাল ও সাংবিধানিক দিক থেকে কিছু অসঙ্গতি থাকায় তারা সংবিধান অনুযায়ী এই সংবিধান সংস্কার পরিষদে অংশ নিতে এখনও প্রস্তুত নয়। বিএনপি মনে করে, যথাযথ আইনি কাঠামো তৈরি না হওয়া পর্যন্ত এই প্রক্রিয়ায় যোগ দেওয়া আইনসঙ্গত হবে না।