Blog

  • অবশেষে শপথ নিলেন জামায়াত ও ১১ দলের এমপিরা

    অবশেষে শপথ নিলেন জামায়াত ও ১১ দলের এমপিরা

    বিশেষ পরিস্থিতির মধ্যে অবশেষে শপথ নিয়েছেন জামায়াত এবং ১১ দলের জোট থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা, যারা আগে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন। প্রথমে তারা শপথ নেবে না বললেও, মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে সংসদ ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন তাদের সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করান।

    জামায়াত জোটের এমপিরা সঙ্গে শপথ নেন স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচিত ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা, যারা বিএনপির বিদ্রোহী সাতজন এমপির মধ্যে অন্যতম। এছাড়া, তারা শপথ নেন ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেনের সঙ্গেও। তবে, ইশরাক সময়মতো arriving করতে না পারায় তিনি বিএনপির অন্যান্য এমপিদের সঙ্গে শপথ গ্রহণ করেননি। সেই সঙ্গে শপথ নেন ইসলামি আন্দোলন থেকে নির্বাচিত একমাত্র এমপি মো. ওয়ালীউল্লাহ।

    এর আগে, সকালে বিএনপির সংসদ সদস্যরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করেননি। এর ফলে রাজনৈতিক চিত্র কিছুটা নাটকীয়তায় মোড় নেয়। পরে, রাজধানীর একটি মিলনায়তনে জামায়াত ও অন্যান্য ১১ দলের নেতৃবৃন্দ একটি জরুরি বৈঠক করেন, যেখানে ঠিক হয় তারা শপথ নেবেন।

    অতীতে, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিএনপি এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। দলটি মোট ২১২টি আসনে জয় লাভ করে, যেখানে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট বিজয় লাভ করে ৭৭ আসনে। এই নির্বাচনের ফলাফলে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন মোড় আসে এবং শপথ গ্রহণের মাধ্যমে পরিস্থিতি কিছুটা সুস্থ হয়।

  • এনসিপির দুই নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণ শেষ করলেন

    এনসিপির দুই নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণ শেষ করলেন

    অবশেষে নানা গুঞ্জনের পর সংসদে শপথ নিলেন বাংলাদেশ জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এর নির্বাচিত সদস্যরা। তারা একসঙ্গে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে দ্বিতীয় দফায় শপথ সম্পন্ন করেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর পৌনে দুটায় সংসদে শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এমএম নাসির উদ্দিন তাদের শপথ পড়ান।

  • বিএনপি জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবে: সালাহউদ্দিন আহমদ

    বিএনপি জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবে: সালাহউদ্দিন আহমদ

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী দল বিএনপি ‘জুলাই সনদ’ দৃঢ়তার সঙ্গে বাস্তবায়ন করবে বলে জানিয়েছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও কক্সবাজার-১ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি জানান, জনগণ যে প্রত্যাশা নিয়ে বিএনপিকে এত বড় সমর্থন দিয়েছে, সেই আশা পূরণে দল যেমন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, তেমনি জুন মাসে অঙ্গীকারিতাগুলোকেও কঠোরভাবে মানা হবে। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর থেকেই দলবদ্ধ কাজের মাধ্যমে মাদক, দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন অসঙ্গতির বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

    মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জাতীয় সংসদে শপথ নেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই কথা বলেন সালাহউদ্দিন। তিনি বলেন, ‘সংবিধান ও আন্তর্জাতিক চুক্তির পরিপালন ও বাস্তবায়নটাই বর্তমান সরকারের মূল অঙ্গীকার। দেশের সংবিধান ও আইনের মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্র সুদৃঢ় করতে আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।’

    তিনি আরও জানান, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে জাতীয় সংসদকে শক্তিশালী করার জন্য জরুরি আইন ও সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়া চালানো হবে। তিনি উল্লেখ করেন, সংবিধানে ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’ বা তার সদস্যদের শপথ পড়ানোর কোনো সাংবিধানিক ক্ষমতা সরকারের নেই, এ কারণে কোনও অপ্রমাণিত বা অপ্রচলিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি। ভবিষ্যতেও দেশের রাষ্ট্র পরিচালনা সাংবিধানিক পথে চলবে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।

    তিনি জানান, শপথের পর সংসদ নেতা হিসেবে তারেক রহমানকে নির্বাচিত করে সংসদীয় দলের নেতৃত্ব দেওয়া হয়েছে। এরপর রাষ্ট্রপতির কাছে তাদের সরকারের আনুষ্ঠানিক গঠন চিঠি পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

    শপথপ্রক্রিয়া নিয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে সালাহউদ্দিন বলেন, গণভোটে জনতার রায় ও প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে হলে সংসদে গিয়ে প্রয়োজনীয় আইন ও সংবিধান সংশোধন করতে হবে। এর পরিপ্রেক্ষিতে সংসদ নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী শপথের ফরম ও প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।

    তিনি সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদের ২(ক) ধারার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলেন, যদি স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার শপথ পড়াতে ব্যর্থ হন বা অনুপস্থিত থাকেন, তবে তিন দিনের মধ্যে তাঁদের কোনো প্রতিনিধিকে দায়িত্বে নিযুক্ত করা হবে। সেটিও না হলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার সময়মতো শপথ পড়াবেন। এ প্রক্রিয়া অনুযায়ী, আজই প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ পড়িয়েছেন।

    শপথ গ্রহণের পর সংসদীয় দলের বৈঠকে সর্বসম্মতভাবে তারেক রহমানকে দলে নেতা হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। তারেক রহমানের নির্দেশে সংসদ সদস্যদের জন্য দুটি নির্দেশনা দেওয়া হয়—এক, কোনও সংসদ সদস্য ট্যাক্স-ফ্রি গাড়ি বা সরকারি প্লট গ্রহণ করবেন না। দুই, সংসদ সদস্য হিসেবে সরকারি সুবিধা নেয়ার বাইরে থাকবেন। তিনি আরও বলেন, এখন থেকে আমাদের মধ্যে পরিবর্তনের সূচনা হবে যেন কেউ বিশেষ সুবিধা ভোগী না হন এবং সংসদ সদস্যরা সত্যিকার অর্থে দেশের দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

  • নির্বাচনের পর সহিংসতা নিয়ে জামায়াতের হুঁশিয়ারি: আবারও অভ্যুত্থানের আশঙ্কা

    নির্বাচনের পর সহিংসতা নিয়ে জামায়াতের হুঁশিয়ারি: আবারও অভ্যুত্থানের আশঙ্কা

    নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা অব্যাহত থাকলে দেশ আরও একবার অভ্যুত্থানের মুখোমুখি হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। সোমবার ১১ দলের ঐক্যভুক্ত সংগঠনের আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিলের পূর্ব সমাবেশে তিনি এই হুঁশিয়ারি দেন। এই সময়, ঐক্যের নেতারা দেশজুড়ে রাজনৈতিক দলগুলোর শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান এবং নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে সংলাপের পক্ষপাতিত্বের কথা বলেন। বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট থেকে, চলে প্রেসক্লাব, মৎস্য ভবন দিয়ে শাহবাগে এসে শেষ হয়। গোলাম পরওয়ার জানান, নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, দেশ আবারও অশান্তির পথে যাবে, যেখানে রক্তের বিনিময়ে গড়া স্বাধীনতা সনদ বাস্তবায়িত না হলে অতীতের মত নতুন ধরনের ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠিত হতে পারে। তিনি আরও বলেছেন, নির্বাচনকালীন যে ১১টি আসনের ব্যাপারে অভিযোগ করা হয়েছে, সেসবের দ্রুত শুনানি ও ন্যায়বিচার না হলে জনগণ রাস্তায় এসে তাদের ভোটের ফলাফল নিজ হাতে আদায় করবে। এই সময় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে তামাশা হয়েছে। প্রহসনের ফলাফলের পর সারাদেশে ১১ দলের নেতাকর্মীদের ওপর নিপীড়ন ও জুলুম চালানো হচ্ছে। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বললেন, রক্তাক্ত অভ্যুত্থানের পর আর কোনো ফ্যাসিবাদ এই দেশে মেনে নেওয়া হবে না। তিনি হুঁশিয়ার করে বললেন, যদি জুলাইয়ের চেতনা রক্ষা না হয়, তবে তারা আবার মাঠে নামবে, দেশকে মুক্ত করবে।

  • প্রধানমন্ত্রী নিজ গাড়িতে চলাফেরা, সরকারি গাড়ি ব্যবহার করবেন না

    প্রধানমন্ত্রী নিজ গাড়িতে চলাফেরা, সরকারি গাড়ি ব্যবহার করবেন না

    সরকারি নয়, নিজের গাড়িতে চলাফেরা করবেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান রুহুল কবির রিজভী। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) এ তথ্য জানান বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য আতিকুর রহমান রুমন। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নিজের ব্যক্তিগত গাড়ি, চালক ও নিজের কেনা জ্বালানি ব্যবহার করছেন। তিনি এখন সরকারি গাড়ি ব্যবহার করছেন না। আজকের দিনের কর্মসূচিতে তিনি সাভার ও শেরেবাংলা নগরে গিয়েছিলেন নিজের টয়োটা গাড়িতে, সেখান থেকে সচিবালয়ে ফিরে এসেছেন, সেটিই ব্যবহার করেছেন।’ রুমন আরও জানান, যানজটের কথা ভেবে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তার গাড়িবহরের সংখ্যা কমানো হয়েছে। আগে সহকারে ১৩ থেকে ১৪টি গাড়ি থাকত, এখন তা কমিয়ে চারটি করা হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শপথ নেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী প্রথম দিন পতাকাবিহীন গাড়িতে চলেছেন। তবে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে অথবা বিদেশি মেহমানদের সফরে গেলে তার গাড়িতে পতাকা লাগানো হবে। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী এখন থেকে মন্ত্রিসভার বৈঠক সচিবালয়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এতে মন্ত্রী-প্রতিনিধিরা সহজে আসতে পারবেন এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমবে। বিশেষ করে ভিআইপি চলাচলে জটিলতা কমবে।’ এর পাশাপাশি, রাজধানীতে প্রধানমন্ত্রীর গাড়ি যাত্রাপথে সড়কের দুপাশে পোশাকধারী পুলিশ সদস্যদের অবস্থান যাতে বন্ধ করা হয়, সেই নির্দেশনা দিয়েছেন। আজ সকালে তিনি গুলশানের বাসা থেকে নিজের সাদা টয়োটা গাড়িতে চড়ে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে যান এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর সাভার থেকে শেরেবাংলা নগরে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এই সময় মন্ত্রিসভার সদস্যরাও তার সঙ্গে ছিলেন। পরে তিনি সচিবালয়ে গিয়ে প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকে অংশ নেন।

  • জুলাই গ্রেনেড হামলার মাস্টারমাইন্ডরা: জয় ও পলক

    জুলাই গ্রেনেড হামলার মাস্টারমাইন্ডরা: জয় ও পলক

    ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ও সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলককে স্বাধীনতাযুদ্ধের পর সবচেয়ে বর্বর ২০০৪ সালের জুলাই মাসের গণহত্যার অন্যতম মাস্টারমাইন্ড হিসেবে উল্লেখ করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    এর আগে, এই ট্রগারির সময়ে, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ করে নিরীহ মানুষের উপর হত্যাযজ্ঞ চালানোর জন্য মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় প্রসিকিউটররা জয় ও পলকের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য উপস্থাপন করেন।

    চিফ প্রসিকিউটর বলেন, “২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণআন্দোলনের সময়, রাজনীতির অন্ধকারে কিছু ব্যক্তি ইন্টারনেট বন্ধ করে দিয়ে গণহত্যার পেছনে নেপথ্য পরিকল্পনায় সক্রিয় ছিলেন। এর মধ্যে অন্যতম হলেন—সজীব ওয়াজেদ জয় ও জুনাইদ আহমেদ পলক, কারণ তারা দুজনেই তখন আইসিটির দায়িত্বে ছিলেন। তারা এই সময়ে সাধারণ মানুষের সংবাদ ও যোগাযোগের মাধ্যম বন্ধ করে দিয়ে গণহত্যার পরিকল্পনায় সরাসরি সহযোগিতা করেছিলেন।”

    তিনি আরও যোগ করেন, “গণহত্যার উপর সহযোগিতা ও পরিকল্পনাতে অংশ নেওয়ার অভিযোগে, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের সঙ্গে পলক শলাপরামর্শ করেছিলেন। তারা বিভিন্ন ষড়যন্ত্র ও পরিকল্পনা করে ঘটনাটিকে আড়াল করার চেষ্টা করেন। আমরা এসব সত্যতা আমাদের প্রমাণাদি নিয়ে আদালতে উপস্থাপন করেছি।

    প্রসিকিউটর আরও বলেন, “আমরা দেখেছি কিভাবে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে বিশ্ববাসীর কাছ থেকে ঘটনার খবর এড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। পাশাপাশি, আসামিরা এই হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনায় সরাসরি জড়িত ছিলেন। এসব তথ্য প্রমাণ হিসাবে তুলে ধরা হয়েছে, যার ভিত্তিতে আজকের সূচনা বক্তব্য প্রদান করা হয়েছে।”

    তিনি নিশ্চিত করেন, এই মামলার পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণ আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে।

  • চাঁদ দেখা গেছে, রোজা কাল থেকে শুরু

    চাঁদ দেখা গেছে, রোজা কাল থেকে শুরু

    এবারের বছরেও ফিরে এসেছে পবিত্র রমজান মাস। সামাজিক ও ধর্মীয় পর্যবেক্ষণে জানানো হয়েছে, আজ (বুধবার) সন্ধ্যায় দেশের বিভিন্ন স্থান ও আকাশে চাঁদ দেখা গেছে। জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক সেই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

    কেন্দ্রীয়ভাবে এই সভা অনুষ্ঠিত হয় বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে, যেখানে মাগরিবের নামাজের পর বৈঠক শুরু হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব। আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, দেশের আকাশে পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে, ফলে আগামীকাল থেকেই রোজা শুরু হবে।

    চাঁদ দেখা যাওয়ায় আজ থেকেই এশার নামাজের পরে তারাবির নামাজ শুরু হবে। রাত গভীর হলে, সাহরি খেয়ে রোজা রাখবেন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা।

    উল্লেখ্য, সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কিছু দেশের আকাশে ইতিমধ্যেই মাহে রমজানের চাঁদ দেখা গেছে। সেসব দেশে আজই প্রথম রোজা পালিত হচ্ছে। সাধারণভাবে, সৌদি আরবের একদিন পরে দেশের আকাশে রোজা ও ঈদের চাঁদ উঠতে থাকে।

    রমজান মাস মুসলমানদের জন্য আত্মশুদ্ধির, সংযমের ও ত্যাগের গুরুত্বপূর্ণ মাস। এই মাসের তিনটি মূল অংশ—রাহমত, মাগফেরাত ও নাজাত; যেখানে রহমত হলো আল্লাহর অশেষ অনুগ্রহ, মাগফেরাত মানে ক্ষমা আর নাজাত হলো দোজখের আগুন থেকে মুক্তি।

    রমজান মাসে সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার, স্ত্রী-সহবাস ও যে কোনো পাপ কাজে বিরত থেকে রোজা পালন করেন মুসলমানরা। মাসের শেষ অংশে রয়েছে কদর রাত, যা হাজার মাসের ইবাদতের চেয়েও উত্তম ও মর্যাদাপূর্ণ।

    ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী, এই মাসে কোনো নেক কাজের সওয়াব আল্লাহ রাব্বুল আলামিন সাত থেকে সত্তর গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি করেন। রমজান শেষে পালিত হয় মুসলমানদের অন্যতম বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর।

  • বিএনপি পাচ্ছে ৩৫টি সংরক্ষিত নারী আসন, জামায়াত পাবে ১১টি

    বিএনপি পাচ্ছে ৩৫টি সংরক্ষিত নারী আসন, জামায়াত পাবে ১১টি

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন (ইসি) ২৯৬টি আসনের গেজেট প্রকাশ করেছে। এতে জানানো হয়েছে, সংরক্ষিত নারী আসনের মধ্যে বিএনপি পাচ্ছে ৩৫টি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ১১টি এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি একটি আসন পাবে।

    এই নির্বাচনে বিএনপি মোট ২০৯টি আসন পেয়েছে, যা তাদের বড় অর্জন। জামায়াতে ইসলাম পেয়েছে ৬৮টি আসন, এনসিপি ৬টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২টি, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ ১টি, গণঅধিকার পরিষদ ১টি, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) ১টি, গণসংহতি আন্দোলন ১টি, খেলাফত মজলিস আরও একটিতে জয় লাভ করেছে। এর পাশাপাশি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে পেয়েছেন ৭টি আসন।

    প্রতিষ্ঠানটির জানানো হয়েছে, সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য সাধারণত ছয়জন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে একজন নারী আসনে নির্বাচন হয়। স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও, যদি তারা কোনো জোটে যুক্ত হয়, তাহলে এই আসনের সংখ্যায় পরিবর্তন আসতে পারে।

    অর্থাৎ, বিএনপি ২০৯টি আসন পেয়েছে বলে তারা সম্ভবত ৩৫টি সংরক্ষিত নারী আসন পাবে। অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলাম ১১টি আসন পেলে, স্বতন্ত্র প্রার্থীরা একজন নারী আসন পেতে পারেন। ফলে, বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সংখ্যা এখন ৩৬টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যদি বড় দলগুলো একত্রে নির্বাচনে অংশ নেয়, তাহলে এই সংখ্যায় পরিবর্তন আসতে পারে।

    গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ২৯৯ আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। শেরপুর-৩ আসনের একজন প্রার্থী মারা যাওয়ায় পরবর্তীতে নতুন করে ওই আসনে ভোট গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া, তারেক রহমানের দেওয়া বগুড়া-৬ আসনের উপ-নির্বাচনও পরে অনুষ্ঠিত হবে।

    নির্বাচনে অংশ নিয়েছে ৬০টি নিবন্ধিত দলের মধ্যে ৫০টি দল। তবে, জাতীয় পার্টিসহ ৪১টি দল কোনো আসন পাননি। ভোটের জন্য নিবন্ধন স্থগিত থাকায় আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশ নেয়নি। এছাড়াও, নয়টি দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেনি।

  • নতুন প্রধানমন্ত্রীর সকল আপডেট পাবেন এখান থেকে

    নতুন প্রধানমন্ত্রীর সকল আপডেট পাবেন এখান থেকে

    গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের একাদশ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান শপথ নেওয়ার পর, নাগরিকদের জন্য সর্বশেষ খবর ও আপডেট দ্রুত সরবরাহের লক্ষ্যে একটি নতুন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম পেজ চালু করা হয়েছে। এই পেজের নাম হলো: Pmo Bangladesh – প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। লিংক: [https://www.facebook.com/bdpmoffice](https://www.facebook.com/bdpmoffice)

    উল্লেখ্য, জুলাই মাসে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে স্বৈরশাসক আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে, এবং এর পরে দীর্ঘ আঠারো মাস ধরে দেশের শাসনভার সাময়িক সরকার পরিচালনা করে। অবশেষে, ভোটের মাধ্যমে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের শপথ হয়ে দেশের নিয়ন্ত্রণ জনগণের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

    অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্বে থাকা সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে ওই সময়ের গুরুত্বপূর্ণ আপডেটগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত হতো।

    তবে মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, সকালে সংসদ সদস্যদের শপথ নেওয়ার পর এবং বিকেলে মন্ত্রিপরিষদের শপথ শেষে, গেজেট জারি করে ঐ সরকারকে শেষ করে দেওয়া হয়। এরপর, সেই_same দিন রাত ১০টায় ‘Chief Advisor GOB’ পেজ থেকে একটি পোস্টে ঘোষণা দেওয়া হয় যে, এখন থেকে পেজের সকল কার্যক্রম বন্ধ করা হচ্ছে। সেটি মূলত নতুন নেতৃত্বের শপথ ও দেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতির ব্যাপারে এই পেজের আপডেট নিয়ে ছিল।

  • তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী ও সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচিত

    তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী ও সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচিত

    বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আজ প্রধানমন্ত্রী ও সংসদীয় দলের নেতা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে সংসদ ভবনের সংসদীয় দলের বৈঠক শুরু হয়। এই বৈঠকে তারেক রহমানের নেতৃত্বে সংসদীয় দল গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    এর আগে, বেলা পৌনে ১১টার দিকে তারেক রহমানসহ অন্য বিএনপি সংসদ সদস্যরা নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ করেন। শপথ অনুষ্ঠানে দেশি ও বিদেশি নানা অতিথি উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে প্রথমে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বক্তৃতা করে সংবিধান সংস্কার পরিষদ সম্পর্কে দলীয় সিদ্ধান্ত তুলে ধরেন। শপথ নেওয়ার পর সংসদ সদস্যরা শপথপত্রে স্বাক্ষর করেন।

    শপথের পর বিএনপির সংসদীয় দল একটি বৈঠক করে। এরপর বিকেল ৪টায় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এক বিশেষ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে তারেক রহমান ও নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেবেন। সন্ধ্যায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে নতুন মন্ত্রীদের দফতর বণ্টনের পাশাপাশি আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

    ৩ বছর আগে, গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি), ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি জোট ২১২টি আসনে জয়লাভ করে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে বিএনপির ষষ্ঠবারের মতো সরকারে আরোহণ। অন্যদিকে, ৬৮টি আসনে নির্বাচিত হয়ে আসছে জামায়াতে ইসলামী, যাদের সংসদীয় নেতা হিসেবে ডা. শফিকুর রহমান নির্বাচিত হতে চলেছেন।

    সব কিছু পরিকল্পনা মূলকভাবে এগুলো হলে, আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন বসতে পারে।