Category: রাজনীতি

  • জাতীয় স্মৃতিসৌধে জামায়াত আমির: ‘নৈতিক দায়িত্ব পালন করতে এসেছি’

    জাতীয় স্মৃতিসৌধে জামায়াত আমির: ‘নৈতিক দায়িত্ব পালন করতে এসেছি’

    বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা এখানে একটি নৈতিক দায়িত্ব পালন করতে এসেছি। এটি একটি রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ আচার-অনুষ্ঠান, সবার মতো আমরাও শ্রদ্ধা জানাতে এসেছিলাম।

    জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণে মোনাজাত শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি। তিনি জানান, তারা বীর শহীদদের জন্য আল্লাহর দরবারে দোয়া করেছেন।

    ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতা রক্ষার জন্য এবং দেশের ওপর আল্লাহর শান্তি ও রহমত বর্ষণ করার জন্য বিশেষ দোয়া করা হয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, ‘‘আমরা সবাই মিলে একটা অহিংস, দুর্নীতিমুক্ত ও বৈষম্যহীন মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই।’ ’ ডা. শফিকুর রহমান নিবিড়ভাবে দেশের মানুষকে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের শুভেচ্ছাও জানান।

    এই সময় নিজেদের মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম এমপি, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান এমপি, নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি কামাল হোসেন এমপি উপস্থিত ছিলেন।

  • স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা শেষে জামায়াত আমির: ‘নৈতিক দায়িত্ব পালন করতে এসেছি’

    স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা শেষে জামায়াত আমির: ‘নৈতিক দায়িত্ব পালন করতে এসেছি’

    মহান স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, ‘আমরা একটা নৈতিক দায়িত্ব পালন করতে এসেছি’—এমন বলেই ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের জন্য মোনাজাত শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

    ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বীর শহীদদের স্মরণে আমরা আল্লাহর দরবারে দোয়া করেছি; দেশের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতা রক্ষা এবং দেশবাসীর জন্য আল্লাহর শান্তি ও রহমত কামনা করেছি। তিনি আরও বলেন, এটি রাষ্ট্রের একটি সর্বোচ্চ আচার—আমরাও বাকি সবার মতো সেটিতে উপস্থিত থেকে শ্রদ্ধা জানাতে এসেছি।

    জামায়াত আমির বলেন, আমরা সবাই মিলে একটা অহিংস, দুর্নীতিমুক্ত ও বৈষম্যহীন মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই। তিনি দেশের প্রতিটি মানুষকে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের শুভেচ্ছা জানান।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম এমপি, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান এমপি, নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি কামাল হোসেন এমপি।

  • স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা শেষে জামায়াত আমির: ‘নৈতিক দায়িত্ব পালন করতে এসেছি’

    স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা শেষে জামায়াত আমির: ‘নৈতিক দায়িত্ব পালন করতে এসেছি’

    মহান স্বাধীনতা দিবসের সকালে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান জানান, তিনি ও দলের প্রতিনিধিরা একটি নৈতিক দায়িত্ব পালন করতে এসেছেন।

    বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের মনের বিনিময়ে মোনাজাত শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘এটি রাষ্ট্রীয় একটি সর্বোচ্চ আচার, আমাদেরও সবার মতো এখানে এসে শ্রদ্ধা জানানো উচিত ছিল।’

    জামায়াত আমির জানান, তারা বীর শহীদদের স্মরণ করে আল্লাহর দরবারে দোয়া করেছেন। দেশটির সার্বভৌমত্ব এবং স্বাধীনতা নিশ্চিত থাকবে এবং দেশের ওপর আল্লাহর শান্তি ও রহমত বর্ষিত হোক—এসব মতো উদ্দেশ্য নিয়ে দোয়া করা হয়।

    তিনি আরও বলেন, সকলেই মিলে একটি অহিংস, দুর্নীতিমুক্ত ও বৈষম্যহীন মানবিক বাংলাদেশ গড়ার চেষ্টা চালাতে হবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিতদের মাধ্যমে পুরো দেশবাসীকে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের শুভেচ্ছা জানান ডা. শফিকুর রহমান।

    অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামের নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম এমপি, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরোয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান এমপি, নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন এবং কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি। এছাড়া কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি ডা. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি কামাল হোসেন এমপি উপস্থিত ছিলেন।

  • গণরায়ের বিরুদ্ধে গেলে জনগণই প্রত্যাখ্যান করবে: আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া

    গণরায়ের বিরুদ্ধে গেলে জনগণই প্রত্যাখ্যান করবে: আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, গণরায়কে উপেক্ষা করলেই সরকার টিকে থাকতে পারবে না—জনগণই তাদের প্রত্যাখ্যান করবে। তিনি বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) স্বাধীনতা দিবসে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এসব কথা বলেন।

    আসিফ মাহমুদ বলেন, “বাংলাদেশের ইতিহাস সেই উদাহরণ দিয়ে ভরপুর যে যারা শক্তিশালী বলে মনে হয়েছিল, তারা গণরায়ের সঙ্গে সংঘর্ষ করলে ইতিহাস থেকে বিলুপ্ত হয়ে গেছে। আপনি যে শক্তি দেখাননি, সেই শক্তিই কখনোই টিকে থাকে না।”

    তিনি ইতিহাস থেকে উদাহরণ টেনে বলেন, ১৯৭০ সালের নির্বাচনের রায় মানা না হওয়ায় ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল, আর ১৯৯০ সালে স্বৈরাচ্য বিরোধী গণ-আন্দোলনের মধ্য দিয়ে পরিবর্তন এসেছে। দীর্ঘ ১৭ বছরের দমন-পীড়নের পরও যদি জনগণের রায়ের বিরুদ্ধে শাসন কায়েম করার চেষ্টা করা হয়, সেটি শেষ পর্যন্ত টেকেনি।

    এনসিপি মুখপাত্র আরও বলেন, “এখনো যদি গণরায় এবং গণভোটের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করা হয় ও তা উপেক্ষা করে সরকার এগোতে চায়, তাহলে জনগণ সেটি মেনে নেবে না।”

    তিনি উল্লেখ করেন যে গণভোটে বিপুলসংখ্যক মানুষ ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন এবং সেই ভোটের মূল্য রক্ষা করা হবে—কারণ সেই রক্তের বিনিময়ে যেসব সংস্কার এবং নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন শহীদ ও আহত মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবার দেখেছেন, তা বাস্তবায়ন করতে হবে।

    আসিফ মাহমুদ বলেন, “যদি সেই জনরায় বাস্তবায়ন না করা হয়, তাহলে দেশের ৭০ শতাংশ জনগণ, যারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দিয়েছে, তারা রাস্তায় নামতে দ্বিধা করবে না।”

    সভাপনার শেষ অংশে তিনি সবাইকে জনগণের পক্ষে দাঁড়াতে আহ্বান জানিয়ে বলেন, “জনগণের সঙ্গে মিলেই আমরা সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব। যদি কেউ জনগণের বিপক্ষে যায়, তাহলে স্বাধীনতা রক্ষার প্রয়োজনে আমাদের আবার মাঠে নামতেই হবে।”

  • স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা শেষে জামায়াত আমির: ‘নৈতিক দায়িত্ব পালন করতে এসেছি’

    স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা শেষে জামায়াত আমির: ‘নৈতিক দায়িত্ব পালন করতে এসেছি’

    ২৬ মার্চ (বৃহস্পতিবার) সকালে মহান স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, “আমরা একটা নৈতিক দায়িত্ব পালন করতে এসেছি। এটি রাষ্ট্রের এক সর্বোচ্চ আচরণ; সবার মতো আমরা শ্রদ্ধা জানাতে এসেছি।”

    স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের জন্য মোনাজাত শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা জানান তিনি। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমাদের বীর শহীদদের জন্য আল্লাহর দরবারে দোয়া করা হয়েছে। দেশের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতার জন্য এবং দেশের প্রতি আল্লাহর শান্তি ও রহমত বর্ষিত হোক—এসবই তাঁর মোনাজাতের প্রধান আকাঙ্ক্ষা ছিল।

    তিনি আরও বলেন, আমরা সবাই মিলে একটি অহিংস, দুর্নীতিমুক্ত ও বৈষম্যহীন মানবিক বাংলাদেশ গঠন করতে চাই। পাশাপাশি তিনি পুরো দেশবাসীকে স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবসের শুভেচ্ছা জানান।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম এমপি, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান এমপি, নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি কামাল হোসেন এমপি।

  • স্বাধীনতা দিবসে স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা: ‘নৈতিক দায়িত্ব পালন করতে এসেছি’, বললেন জামায়াত আমির

    স্বাধীনতা দিবসে স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা: ‘নৈতিক দায়িত্ব পালন করতে এসেছি’, বললেন জামায়াত আমির

    মহান স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, তারা এখানে এসেছে নৈতিক দায়িত্ব পালন করতে। তিনি বলেন, এটা রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ উৎসব—সবার মতো তাদেরও শ্রদ্ধা জানানো উচিত ছিল।

    বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মোনাজাতে অংশ নিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের জন্য দোয়া করার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।

    জামায়াত আমির আরও বলেন, ‘‘আমরা বীর শহীদদের মর্যাদা রক্ষায় আল্লাহর দরবারে দোয়া করেছি। দেশের সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা ও জনজীবনে শান্তি-বিশ্রাম ও রহমত বর্ষিত হোক—এই প্রত্যাশা নিয়েই দোয়া করেছি।’’

    ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তারা একটি অহিংস, দুর্নীতিমুক্ত ও বৈষম্যহীন মানবিক বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি সাধারণ মানুষকে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

    এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম এমপি, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান এমপি, নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি কামাল হোসেন এমপি।

  • গণরায়ের বিরুদ্ধে গেলে জনগণই তাদের প্রত্যাখ্যান করবে: আসিফ মাহমুদ

    গণরায়ের বিরুদ্ধে গেলে জনগণই তাদের প্রত্যাখ্যান করবে: আসিফ মাহমুদ

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, যদি সরকার গণরায়কে উপেক্ষা করে সামনে এগোতে চায় তাহলে জনগণ তা মেনে নেবে না এবং একে ইতিহাসও প্রত্যাখ্যান করবে। তিনি এই মন্তব্য করেন বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) স্বাধীনতা দিবসে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময়।

    আসিফ মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে শক্তিশালী অনেক সরকার গঠন করেছেন, কিন্তু যারা কখনোই গণরায়ের বিরুদ্ধে গিয়েছেন তারা ইতিহাসের পাতায় হারিয়ে গেছেন। ‘‘আপনারা দেখেছেন, যারা গণরায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে—they শেষ পর্যন্ত টিকে থাকতে পারে নাই,’’ তিনি যুক্ত করেন।

    তিনি উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন, ১৯৭০ সালের নির্বাচনে জনগণের রায় পাওয়া সত্ত্বেও ক্ষমতা হস্তান্তর না করাই ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাযুদ্ধের প্রেক্ষাপট তৈরি করেছিল। একইভাবে ১৯৯০ সালে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে গণআন্দোলন শেষ পর্যন্ত পরিবর্তন এনেছিল। এরপরও দীর্ঘ ১৭ বছরের দমনপীড়নের পর জনগণের রায়ের বিরুদ্ধে শাসন কায়েমের যে চেষ্টা হয়েছিল, সেটাও জনগণের বিক্ষোভের মুখে টিকেনি, যোগ করেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের এই উপদেষ্টা।

    তিনি আরও বলেন, ‘‘এখনও যদি গণরায় ও গণভোটের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করা হয় এবং তা উপেক্ষা করে সরকার এগিয়ে যেতে চায়, তাহলে জনগণ তা মেনে নেবে না।’’

    গণভোটে বিপুলসংখ্যক মানুষ ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন উল্লেখ করে আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘‘আমরা বলি, এত রক্তের বিনিময়ে যে সংস্কার এবং নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন আমাদের শহীদদের পরিবার, বাবা-মা ও আহত সহযোদ্ধারা দেখেছে—সেগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে। যদি এই জনরায় বাস্তবায়ন না করা হয়, তাহলে যাঁরা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বলেছেন—দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ—তাঁরা রাস্তায় নামতে দ্বিতীয়বার ভাববে না।’’

    তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে দেশের ভবিষ্যত গঠন করার জন্য সবাইকে জনগণের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানাবেন এবং সতর্ক করে বলেন, ‘‘আপনারা জনগণের বিপক্ষে গেলে আমাদের আবার স্বাধীনতা রক্ষার জন্য মাঠে নামতেই হতে পারে।’’

  • স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা: ‘নৈতিক দায়িত্ব পালন করতে এসেছি’—জামায়াত আমির

    স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা: ‘নৈতিক দায়িত্ব পালন করতে এসেছি’—জামায়াত আমির

    মহান স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘‘আমরা একটা নৈতিক দায়িত্ব পালন করতে এসেছি।’’ তিনি বলেন, এটি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আচার-অনুষ্ঠানের অংশ; সবার মতো তারা ও শ্রদ্ধা জানানোর জন্য এসেছিলেন।

    বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের মোনাজাত শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন ডা. শফিকুর রহমান।

    জামায়াত আমির আরও জানান, তারা বীর শহীদদের জন্য আল্লাহর দরবারে দোয়া করেছেন। দেশের সার্বভৌমতা ও স্বাধীনতা অটুট রাখার, এবং দেশভর যেন শান্তি ও রহমত বর্ষিত হয়—এসব কামনায় তারা দোয়া করেছেন।

    ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘‘আমরা সবাই মিলে একটি অহিংস, দুর্নীতিমুক্ত ও বৈষম্যহীন মানবিক বাংলাদেশ গঠন করতে চাই।’’ তিনি সাংবাদিকদের মাধ্যমে সারাদেশবাসীকে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের শুভেচ্ছাও জানান।

    এই সময় জামায়াতের অন্যান্য নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন: নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম এমপি, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান এমপি, নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি ডা. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি কামাল হোসেন এমপি।

  • গণরায়ের বিরুদ্ধে গেলে জনগণই তাদের প্রত্যাখ্যান করবে: আসিফ মাহমুদ

    গণরায়ের বিরুদ্ধে গেলে জনগণই তাদের প্রত্যাখ্যান করবে: আসিফ মাহমুদ

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, গণরায়কে উপেক্ষা করে সরকার এগোতে চাইলে জনগণ তা মেনে নেবে না এবং গতকালই তাদের প্রত্যাখ্যান করবে। তিনি এই কথা বলেন বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) স্বাধীনতা দিবসে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে।

    আসিফ মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসই শিক্ষণীয় উদাহরণ — বহু শক্তিশালী শাসক ও সরকার بوده, কিন্তু যখন তারা জনগণের রায়ের বিরুদ্ধে গিয়েছে, তারা শেষ পর্যন্ত ইতিহাসের পাতায় হারিয়ে গেছে। তিনি মনে করিয়ে দিলেন, জনভবিষ্যৎকে উপেক্ষা করলেই শাসন স্থায়ী থাকে না।

    তিনি ১৯৭০ সালের নির্বাচনের পরও ক্ষমতা হস্তান্তর না করায় ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাযুদ্ধের উদ্ভবের কথা স্মরণ করিয়ে দেন। একইভাবে ১৯৯০ সালের স্বৈরাচার বিরোধী গণআন্দোলন শেষ পর্যন্ত পরিবর্তন এনেছিল। দীর্ঘ ১৭ বছরের দমন-পীড়নের পরেও যদি জনগণের রায়ের বিরুদ্ধে শাসন কায়েমের চেষ্টা করা হয়, শেষ পর্যন্ত সেই প্রচেষ্টা জনগণের শক্তির সামনে পিছু হটতেই বাধ্য হবে—এমনটাই তাঁর আশা ও সতর্কতা।

    আসিফ আরও বলেন, এখনও যদি গণরায় ও সম্প্রতি নেয়া গণভোটের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করা হয় এবং তা উপেক্ষা করে সরকার সামনে এগোতে চায়, তাহলে জনগণ তা মেনে নেবে না। তিনি উল্লেখ করেন যে গণভোটে বিপুলসংখ্যক মানুষ ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন এবং সেই ভোটের মানে ও ঐতিহাসিক ত্যাগকে অগ্রাহ্য করা যাবে না।

    তিনি বলেন, ‘‘এতো রক্তের বিনিময়ে যে সংস্কার ও নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন আমাদের শহীদদের পরিবার, বাবা-মা ও আহত সহযোদ্ধারা দেখেছেন, সেটা বাস্তবায়ন করতে হবে। যদি এই জনরায় বাস্তবায়ন না করা হয়, তাহলে দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ যারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জানিয়েছেন, তারা রাস্তায় নামতে দ্বিতীয়বার ভাববে না।’’

    শেষে তিনি সকলকে জনগণের পাশে আসার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘‘আমরা সবাই মিলে একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে চাই। যদি জনগণের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়, আমাদেরকে স্বাধীনতা রক্ষার জন্য আবার মাঠে নামতেই হতে পারে।’’

  • স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা: ‘নৈতিক দায়িত্ব পালন করতে এসেছি’—জামায়াত আমির

    স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা: ‘নৈতিক দায়িত্ব পালন করতে এসেছি’—জামায়াত আমির

    মহান স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা এখানে একটি নৈতিক দায়িত্ব পালন করতে এসেছি। এটি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আচার; সবার মতো আমরা ও শ্রদ্ধা জানাতে এসেছি।

    বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের জন্য মোনাজাত শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।

    জামায়াত আমির বলেন, বীর শহীদদের উদ্দেশে আল্লাহর দরবারে আমরা দোয়া করেছি। দেশের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতা অটল রাখতে, এবং দেশের উপর আল্লাহর শান্তি ও রহমত বর্ষিত হোক—এসব উদ্দেশ্যেই আমাদের দোয়া ছিল।

    তিনি আরও বলেন, ‘‘একটি অহিংস, দুর্নীতিমুক্ত ও বৈষম্যহীন মানবিক বাংলাদেশ গড়তে আমরা সবাই মিলে কাজ করব।’’ পাশাপাশি তিনি সারাদেশবাসীকে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের শুভেচ্ছাও জানান।

    এই সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামের নায়েবে আমির এমপি এটিএম আজহারুল ইসলাম, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান এমপি, নির্বাহী পরিষদের সদস্য মোবারক হোসাইন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি কামাল হোসেন এমপি।