Blog

  • খুলনায় প্রতি ৫০০ টন বর্জ্যের মধ্যে ১৫% প্লাস্টিক ও ১০% ই‑বর্জ্য

    খুলনায় প্রতি ৫০০ টন বর্জ্যের মধ্যে ১৫% প্লাস্টিক ও ১০% ই‑বর্জ্য

    নগরীর ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক বর্জ্য (ই‑বর্জ্য) ব্যবস্থাপনা নিয়ে একটি সভা গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় নগর ভবনের জিআইজেড মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। সভার সভাপতিত্ব করেন কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু। বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) কর্তৃক প্রেরিত “ডিমান্ড ফর জাস্টিস” শীর্ষক নোটিশের প্রেক্ষিতে কেসিসি এই সভার আয়োজন করে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগ, পরিবেশ অধিদপ্তর, পরিবেশবাদী সংগঠন বেলা এবং বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা সভায় অংশগ্রহণ করেন।

    সভায় জানানো হয়, গবেষণার ফলাফল অনুযায়ী খুলনায় প্রতি ৫০০ টন বর্জ্যের মধ্যে প্রায় ১৫ শতাংশ প্লাস্টিক (প্রায় ৭৫ টন) এবং ১০ শতাংশ ই‑বর্জ্য (প্রায় ৫০ টন) রয়েছে। নোটিশে বলা হয়েছে, এই হার প্রতি বছর ২০–৩০ শতাংশ অনুপাতে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ই‑বর্জ্য মাটি, পানি ও বায়ু দূষণের পাশাপাশি কৃষি ভূমির উর্বরতা ক্ষতিগ্রস্ত করা, শ্বাস‑প্রশ্বাসের সমস্যা সৃষ্টি এবং দীর্ঘমেয়াদে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ানো পর্যন্ত নানা স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে—এসব বিষয় সভায় বিশেষভাবে উত্থাপিত হয়।

    সভায় ই‑বর্জ্য আলাদা করে সংগ্রহ ও সংরক্ষণের ওপর জনসচেতনতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা জোরালোভাবে তুলে ধরা হয়। জনসচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে ই‑বর্জ্যের ক্ষতিকর প্রভাব তুলে ধরে প্রচারপত্র বিতরণ করা, বিলবোর্ডে প্রচারণা চালানো এবং কেসিসি ছাড়াও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে ব্যাপকভাবে প্রচার কার্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করা হয়। প্রতিটি ওয়ার্ডের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মাধ্যমে ওয়ার্ড পর্যায়েও ব্যাপক প্রচারণা পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া বিষয়ভিত্তিক বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করে ভবিষ্যৎ করণীয় নির্ধারণ করারও সিদ্ধান্ত হয়েছে।

    সভায় ইলেকট্রনিক পণ্যের ব্যবহার কমানোর ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয় এবং পণ্যের জীবচক্র শেষ হওয়ার পর তাদের সঠিকভাবে সংগ্রহ ও পুনঃপ্রক্রিয়াকরণ নিশ্চিত করার জন্য নিয়মিত ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়—বিশেষত বর্তমানে নির্মাণাধীন বর্জ্য রিসাইক্লিং প্ল্যান্টে ই‑বর্জ্যের পুনঃপ্রক্রিয়াকরণ ব্যবস্থা রাখা জরুরি বলে মত প্রকাশ করা হয়।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, “মহানগরীকে ঝুঁকিমুক্ত, সবুজ ও স্বাস্থ্যসম্মত শহরে রূপান্তর করা হবে—এর প্রথম ধাপ হলো সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ। বর্জ্য সংগ্রহকারী থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট সকলকে পরিকল্পনার আওতায় এনে বাস্তবভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা তৈরি করতে হবে।”

    সভায় উপস্থিত ছিলেন কেসিসি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ, প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. মোঃ মুজিবুর রহমান, চীফ প্ল্যানিং অফিসার আবির উল জব্বার, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ শরীফ শাম্মিউল ইসলাম, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুশরা, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কোহিনুর জাহান, নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আনিচুজ্জামান, শেখ মোঃ মাসুদ করিম, কনজারভেন্সি অফিসার ও প্রকৌশলী মোঃ আনিসুর রহমান, মোঃ অহিদুজজামান খান, আর্কিটেক্ট রেজবিনা খানম, ভেটেরিনারি সার্জন ড. পেরু গোপাল বিশ্বাস, আইটি ম্যানেজার শেখ হাসান হাসিবুল হক, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোল্লা মারুফ রশীদ, এস্টেট অফিসার গাজী সালাউদ্দিন এবং বিভিন্ন ওয়ার্ডের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ।

    বিকেলে কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু নগর ভবনের শহিদ আলতাফ মিলনায়তনে কেসিসির পূর্ত বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে এক পৃথক সভায় মিলিত হন। সেখানে তিনি নগরীতে চলমান প্রকল্পসমূহের অগ্রগতি ও বাস্তব সমস্যা পর্যালোচনা করেন। তিনি জলাবদ্ধতা নিরসনকে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, বিদ্যমান ড্রেন ব্যবস্থার যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ ও ব্যবহার করেই এই সমস্যা মোকাবিলা করতে হবে। একই সঙ্গে নগর সম্প্রসারণ, ময়ূর নদের সংস্কার, রিভারসাইড সড়ক নির্মাণ ও ক্ষতিগ্রস্ত শহর রক্ষা বাঁধ মেরামতের জন্য পরিকল্পনা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

    বিকেলের সভায় কেসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ, প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, চীফ প্ল্যানিং অফিসার আবির উল জব্বার, নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আনিচুজ্জামান, শেখ মোঃ মাসুদ করিম, সিসিএইউডি প্রকল্পের টিম লিডার ক্যামেরুন লে, মেহেদী হাসানসহ সহকারী ও উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও কার্যকরি কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

  • এক ম্যাচ বাকি রেখে সিরিজ জয়ের লক্ষ্যে টস জিতে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ

    এক ম্যাচ বাকি রেখে সিরিজ জয়ের লক্ষ্যে টস জিতে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ

    মিরপুর শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। এক ম্যাচ বাকি রেখে সিরিজ জয়ের উদ্দেশ্য নিয়ে স্বাগতিক বাংলাদেশ শুরুতেই পাকিস্তানকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছে। ম্যাচ শুরু হবে দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে।

    সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশ পাকিস্তানকে ৮ উইকেটে হারিয়ে নিয়েছিল। তাই একটি ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ জয়ের দারুণ সুযোগ পেয়ে এসেছে টিম টাইগার্স। বিশ্বকাপের আগে নিজেদের সর্বোচ্চ প্রস্তুতির জন্য এই সিরিজটি গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় বাংলাদেশ হারাতে চায় না। প্রথম ম্যাচের পর একাদশ অপরিবর্তিত রেখেছে মেহেদী হাসান মিরাজের দল।

    অন্যদিকে অতিথি পাকিস্তান সিরিজে টিকে থাকার ব্যাপারে আগ্রাসী। তাদের দলে এক পরিবর্তন করা হয়েছে — স্পিনার আবরার আহমেদের জায়গায় পেসার হারিস রউফকে জায়গা দেওয়া হয়েছে।

    সিরিজের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের পেসার নাহিদ রানা চমক দেখিয়েছেন; ক্যারিয়ার সেরা বোলিং করে ৫ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি, যা পাকিস্তানের টপঅর্ডার ভেঙে দিয়েছিল। দ্বিতীয় ম্যাচ নিয়েও আশাবাদী বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। তিনি বলেন, ‘এটা দুর্দান্ত শুরু ছিল। অনেকদিন পর আমরা ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছি। চ্যালেঞ্জিং হলেও সবাই পরিস্থিতি ভালোভাবে মানিয়ে নিয়েছে। আশা করি খেলোয়াড়দের কঠোর পরিশ্রমে আমরা সিরিজ জিততে পারব।’

    বাংলাদেশ একাদশ: সাইফ হাসান, তানজিদ হাসান তামিম, নাজমুল হোসেন শান্ত, লিটন দাস (উইকেটকিপার), মেহেদী হাসান মিরাজ, তাওহিদ হৃদয়, আফিফ হোসেন, তাসকিন আহমেদ, রিশাদ হোসেন, মুস্তাফিজুর রহমান, নাহিদ রানা।

    পাকিস্তান একাদশ: সাহিবজাদা ফারহান, মাজ সাদাকাত, শামিল হোসেন, মোহাম্মদ রিজওয়ান (উইকেটকিপার), সালমান আগা, হুসেইন তালাত, আবদুল সামাদ, ফাহিম আশরাফ, শাহিন আফ্রিদি (অধিনায়ক), মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র, হারিস রউফ।

  • পাকিস্তানি পেসার সালমান মির্জা কেন সাংবাদিক ও এআরওয়াই নিউজকে আইনি নোটিশ পাঠালেন

    পাকিস্তানি পেসার সালমান মির্জা কেন সাংবাদিক ও এআরওয়াই নিউজকে আইনি নোটিশ পাঠালেন

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কায় এক নারী হোটেলকর্মীর সঙ্গে বাজে আচরণের অভিযোগে নামে উঠেছিল পাকিস্তানি বাঁহাতি পেসার সালমান মির্জার বিরুদ্ধে। সেই খবরটি প্রথম প্রচার হলে সালমান তা কড়া ভাবে অস্বীকার করেন এবং সংবাদমাধ্যম ও সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদককে বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান।

    গত রাতে নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে সালমান হাশমি নামের ওই সাংবাদিক ও এআরওয়াই নিউজকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে বলে জানাচ্ছেন। তিনি সেখানে লিখেছেন, প্রকাশিত প্রতিবেদন মিথ্যা, মনগড়া ও সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। খবরটি সত্য না হওয়ায় এবং কোনো রকম জরিমানা করা না হওয়ার পরও তাঁর, পিসিবি ও পাকিস্তান ক্রিকেট দলের সুনাম ক্ষুণ্ণ হয়েছে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

    সালমান পোস্টে আইনি নোটিশের তিনটি কপি জুড়ে দেন। নোটিশে বলা হয়েছে, পিসিবি তাদের অফিসিয়াল এক্স হ্যান্ডলে (X) প্রকাশ্যে অভিযোগগুলো অস্বীকার করেছে এবং ঘটনার কোনো প্রমাণ নেই। এজন্য ওই সংবাদমাধ্যম ও সাংবাদিকের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

    এছাড়া ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে সালমান সংবাদমাধ্যমকে তীব্র ভাষায় সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, সত্য যাচাই না করে সস্তা কদর্য সাংবাদিকতা করা গ্রহণযোগ্য নয় এবং কোনো মিডিয়া প্রমাণ ছাড়া এ ধরনের অভিযোগ প্রচার করতে পারবে না।

    বিষয়টি আগে ৪ মার্চ টেলিকম এশিয়া স্পোর্ট একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে, যেখানে বলা হয়েছিল যে বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কায় একজন পাকিস্তানি ক্রিকেটারকে হোটেলকর্মীর সঙ্গে অনুপযুক্ত আচরণের কারণে জরিমানা করা হয়েছে। ওই সময়ে ক্রিকেটারের নাম গোপন রাখা হয়েছিল। পরে পাকিস্তানির মাধ্যমে সালমান মির্জার নাম উঠে আসে, যা তিনি বারবার প্রত্যাখ্যান করেছেন।

    বর্তমানে সালমান মির্জা আইনি পথে যুক্ত হয়ে নিজের সুনাম রক্ষা করতে চাইছেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তিনি এখন পর্যন্ত ১৭টি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন। তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া কীভাবে এগোবে, সেটাই এখন নজর কাড়ছে।

  • বিদেশি মদ মামলায় খালাস পেলেন আসিফ আকবর

    বিদেশি মদ মামলায় খালাস পেলেন আসিফ আকবর

    কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবরকে বিদেশি মদ নিজের হেফাজতে রাখার অভিযোগে দায়ে খালাস দিয়েছেন আদালত। সোমবার (৯ মার্চ) ঢাকার ২য় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক আয়েশা আক্তার মৌসুমী শুনানি শেষে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় আসিফকে খালাস দেন।

    আসিফের পক্ষে থাকা আইনজীবী প্রদীপ কুমার দেবনাথ এ তথ্য নিশ্চিত করেন। মামলার শুনানি শেষে আসিফ নিজে আদালতে উপস্থিত ছিলেন এবং রায়ের পর গণমাধ্যমকে তিনি ন্যায়বিচার পেয়েছেন বলে জানান।

    ঘটনার সূত্রপাত ২০১৮ সালের ৬ জুন, when তেজগাঁওয়ের পান্থপথে অবস্থিত আর্ব এন্টারটেইনমেন্ট অফিস থেকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের একটি মামলায় আসিফকে গ্রেপ্তার করা হয়। তৎক্ষণাৎ তার অফিস কক্ষে চার বোতল বিদেশি টাকিলা মদ পাওয়া যায়; সেগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে পাঠানো হয়। পরে লাইসেন্স ছাড়া বিদেশি মদ নিজের দখলে রাখার অভিযোগে ২০১৯ সালের ২৩ জুলাই সিআইডি পুলিশের সাইবার তদন্ত শাখার উপ-পরিদর্শক প্রশান্ত কুমার সিকদার তেজগাঁও থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

    তদন্ত শেষে ২০১৯ সালের ১৩ অক্টোবর সিআইডির উপ-পরিদর্শক মো. জামাল উদ্দিন তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়ে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলাটির অভিযোগগঠন করে বিচার শুরু করার নির্দেশ আদালত ২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর দেন। মামলার ходе আদালত তিনজন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করেছেন এবং ৩ মার্চ সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ করে রায়ের জন্য আজকের দিন নির্ধারণ করা হয়।

    আদালত অভিযোগ প্রমাণে উকিলানা সন্দেহ পোষণ করায় আসিফ আকবরকে খালাসের রায় দেন।

  • ‘রাক্ষস’ ছবির আইটেম গানে বলিউড অভিনেত্রী নাতালিয়া

    ‘রাক্ষস’ ছবির আইটেম গানে বলিউড অভিনেত্রী নাতালিয়া

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি ঘুরছে এক ছবির স্টিল—যাকে অনেকেই বলছেন হ’ল সিনেমা ‘রাক্ষস’-এর আইটেম গানের শুটিং দৃশ্য। এই ছবি নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা বাড়তেই প্রযোজনা সংস্থা রিয়েল এনার্জি মুখ খুলেছে।

    রিয়েল এনার্জির কর্ণধার আজিম হারুন জানান, যে ছবিটি ভাইরাল হয়েছে সেটি সত্যিই তাদের ছবির আইটেম গানের একটি শুটিং দৃশ্য। তিনি বলেন, “কীভাবে জানি সেটি শুটিং সেট থেকে লিক হয়েছে, তাতে আমাদেরও অবাক লাগছে। ভিডিওতে যাকে দেখা যাচ্ছে তিনি হলেন বলিউড অভিনেত্রী নাতালিয়া জানোসজেক। তিনি গানটিতে সিয়াম আহমেদের সঙ্গে নাচেছেন। মনে হয় এটি তাঁর প্রথম বাংলা ছবিতে অংশগ্ৰহণ।”

    নাতালিয়াকে নানাভাবে পরিচিত করা হয়েছে—ইউরোপীয় বংশোদ্ভূত এই অভিনেত্রী বলিউডের পাশাপাশি হলিউডেও কাজ করেছেন বলে ভরতীয় প্রেক্ষাপটে জানানো হচ্ছে। তার নাম বিভিন্ন জনপ্রিয় ছবির তালিকাতেও দেখা যায়, আর তিনি টেলিভিশনের জনপ্রিয় রিয়ালিটি শো ‘বিগ বস’-এও অংশ নিয়েছেন।

    প্রযোজনা সংস্থার অন্য কর্ণধার শাহরীন আখতার সুমি জানান, গানের কোরিওগ্রাফি করেছেন বলিউডের পরিচিত কোরিওগ্রাফার আদিল শেখ। সংগীত প্রধান করেছেন জিএম আশরাফ, আর গানের কণ্ঠ দিয়েছেন জিএম আশরাফ ও শিল্পী দোলা। তিনি আরও বলেন, “আইটেম গানটি আমরা বড় বাজেটে তৈরি করছি। দেশের বাইরে বেশ বড় আয়োজনে এর শুটিং সম্পন্ন হচ্ছে। আশা করছি দর্শক গানটি পছন্দ করবেন। আমাদের বিশ্বাস, এবারের ঈদে ‘রাক্ষস’ হবে অন্যতম সেরা ছবি।”

    ফিল্মটি পরিচালনা করেছেন মেহেদী হাসান হৃদয়। প্রধান চরিত্রে রয়েছেন সিয়াম আহমেদ ও কলকাতার অভিনেত্রী সুস্মিতা চ্যাটার্জি।

    উল্লেখ্য, রিয়েল এনার্জি পূর্বে হলে ‘বরবাদ’ প্রযোজনা করেছিল, যেখানে শাকিব খান অভিনীত সেই ছবি ব্যবসায় সাফল্য দেখিয়েছিল।

    প্রযোজনা সংস্থার বক্তব্য থেকে লিক হওয়া স্টিলের বিষয়ে ধারণা পরিষ্কার হলেও আনুষ্ঠানিক সম্পূর্ণ মুক্তি ও গান প্রকাশের অপেক্ষায় দর্শক-শ্রোতা রয়েছেন।

  • আহমেদ আযম খান মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী, মীর মোহাম্মদ হেলাল পেলেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের ভার

    আহমেদ আযম খান মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী, মীর মোহাম্মদ হেলাল পেলেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের ভার

    বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে সরকার দুইটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পুনর্বণ্টনের ঘোষণা দিয়েছে। ঘোষণা অনুযায়ী টাঙ্গাইল-৮ আসনের সংসদ সদস্য আহমেদ আযম খানকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    একই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলালকে পাশাপাশি ভূমি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রজ্ঞাপনে জানিয়েছেন, এটি প্রধানমন্ত্রীর অভিপ্রায় অনুযায়ী করা হয়েছে।

    পটভূমিতে ছিল গতকাল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নতুন নেতৃত্বের নির্বাচন—মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদকে স্পিকার ও ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার কায়সার কামালকে ডেপুটি স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। তাদেরকে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শপথ করান। স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় তারা আর মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না। ফলে একজন নতুন মন্ত্রী নিয়োগ এবং একজন প্রতিমন্ত্রীর ওপর অতিরিক্ত দায়িত্ব আরোপ করা হয়েছে।

    দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ আযম খানকে মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করান। এই সিদ্ধান্তে মন্ত্রিসভায় সাময়িক পরিবরতন আনা হয়েছে বলে বিশ্লেষকরা দেখছেন।

  • শহীদ আনোয়ারের বাবা সালমান-আনিসুল ও নেতাদের দায়ে অভিযুক্ত

    শহীদ আনোয়ারের বাবা সালমান-আনিসুল ও নেতাদের দায়ে অভিযুক্ত

    আনোয়ারের বাবা আল আমিন পাটোয়ারী বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ সাক্ষ্য দিয়ে তার ছেলে হত্যার দায় আর্থিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্বে থাকা কয়েকজনের ওপর চাপিয়েছেন। ট্রাইব্যুনাল-১-এর একক বেঞ্চের বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীর আদালতে তিনি নিজের বিবৃতি দেন এবং ঘটনার বর্ণনা দেন।

    এর আসামি তালিকায় থাকা সালমান এফ রহমান ও সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকসহ অন্যদের বিরুদ্ধে আজ তৃতীয় দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়; আল আমিন চার নম্বর সাক্ষী হিসেবে গवाही দেন। ৬৫ বছরের আল আমিন একজন অবসরপ্রাপ্ত মাদরাসা শিক্ষক। তার ৩৫ বছর বয়সী ছেলে মো. আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারী ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট মিরপুর-১০ নম্বরে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে অংশ নেওয়ার সময় নিহত হন।

    সাক্ষ্য দিতে গিয়ে আল আমিন বারবার কণ্ঠভঙ্গ করে পড়ে যান। তিনি বলেন, ৫ আগস্ট বিকেল নাগাদ ছেলের মোবাইল বন্ধ ছিল—পরবর্তীকালে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন আনোয়ার গুলিবিদ্ধ হয়ে মিরপুর-১০ এলাকার ডা. আজমল হাসপাতালে ভর্তি আছে। তিনি ও তাঁর স্ত্রী হাসপাতালে গেলে মেঝেতে আনোয়ারসহ প্রায় ১৫–২০ জনের লাশ পড়ে থাকতে দেখেন। সবাই গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন—এমন দৃশ্য দেখে তিনি সহ্য করতে না পেরে কাঁদতে শুরু করেন এবং নিজের ছেলেকে শনাক্ত করেন।

    আল আমিন আরও জানান, হাসপাতালের মেঝেতে রক্তাক্ত মৃতদেহ দেখে তিনি অসুস্থ বোধ করেন; সঙ্গে ছিলেন তার ছোট ছেলে মো. আব্দুল্লাহ। পরে তিনি আনোয়ারের লাশ হাসপাতালে থেকে বাড়িতে নিয়ে আসেন ও মৃত্যুসনদপত্র সংগ্রহ করেন। রাত সাড়ে দশটায় রূপনগর আবাসিক এলাকায় জানাজা পড়ে এবং পরে আনোয়ারকে লক্ষ্মীপুরের নিজ গ্রামটিতে দাফন করা হয়।

    তিনি বলেন, ছেলের হত্যার পেছনে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও পরিকল্পনাকে দায়ী করে তিনি সংবাদমাধ্যম ও লোকমুখে শুনেছেন যে—শেখ হাসিনা, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, প্রধানমন্ত্রীদের সাবেক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানসহ অনেকে বৈঠক করে কারফিউ জারি করে আন্দোলন দমন ও ছাত্র-জনতাকে নিধন করার সিদ্ধান্ত নেন। এই কারণেই তিনি ওই নেতাদের বিরুদ্ধে ছেলের হত্যার দায় করছেন। আল আমিন ন্যায়বিচার দাবি করেন এবং এমন ঘটনা ভবিষ্যতে যেন আর না ঘটে সে ধরনের শান্তি চান।

    সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আল আমিনকে জেরা করেন আসামি সালমান ও আনিসুলের আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী। মামলাটিতে পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ ৫ এপ্রিল নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রসিকিউশনের পক্ষে সময়কার প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম শুনানি করেন; সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর আবদুস সাত্তার পালোয়ান, সহিদুল ইসলাম সরদারসহ অন্যান্যরা।

  • সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ: সরকারি ও বিরোধী দলের মুখোমুখি অবস্থান

    সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ: সরকারি ও বিরোধী দলের মুখোমুখি অবস্থান

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় শুরু হতে যাচ্ছে। নিয়ম অনুযায়ী ওই দিন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংসদে ভাষণ দেবেন—তবে তা নিয়েও রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে।

    বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামি ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) দাবি করেছেন, তারা রাষ্ট্রপতিকে ‘ফ্যাসিস্টদের দোসর’ আখ্যা দিয়ে সংসদে ভাষণ দেয়া থেকে বিরত রাখার দাবি জানিয়েছেন। মঙ্গলবার দুপুরে বিরোধী দলের একটি বৈঠকের পর জামায়াতের নায়েবে আমীর সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘রাষ্ট্রপতির সংসদে বক্তব্য দেওয়ার অধিকার নেই। তিনি ফ্যাসিস্টদের দোসর।’’

    অন্যদিকে ক্ষমতাসীন দল বিএনপি বলছে, নিয়ম অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সংসদে ভাষণ দেবেন। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বুধবার সংসদ ভবন ত্যাগের সময় সাংবাদিকদের নিশ্চিত করে বলেন, ‘‘রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন জাতীয় সংসদে ভাষণ দেবেন।’’ তিনি বলেন, ‘‘রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে জুলাই সংক্রান্ত সব বিষয়ই অন্তর্ভুক্ত থাকবে। আগামীকাল বেলা ১১টায় অধিবেশন হবে, সেখানে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং তাদের শপথ গ্রহণ করাবেন রাষ্ট্রপতি।’’

    আজ সংসদ ভবনে সরকারি দলের সংসদীয় দলের বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন সংসদ নেতা ও দলের প্রধান তারেক রহমান; আগামীকাল শুরু হতে যাওয়া অধিবেশন, স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন ও অন্যান্য সূচ্যসূচি নিয়ে সেখানে আলোচনা হয়।

    একই সময় বিরোধী দলের এমপিদের বৈঠকও হয়েছে। বৈঠকের পর জামায়াতের তরফে আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের জানান, ‘‘আগামীকাল যে সংসদ বসবে, সেখানে আমাদের কী ভূমিকা হওয়া উচিত—এ বিষয়ে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। অধিকাংশ সংসদ সদস্য নতুন হওয়ায় আমরা সংসদের চরিত্র ও আচরণ বিষয়ে কিছু দিকনির্দেশনা দিয়েছি।’’

    ডেপুটি স্পিকারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘‘যখন প্রস্তাব আসবে তখন আমরা প্রতিক্রিয়া জানাবো। কালকে বিষয়টি খোলাসা হবে।’’ পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী, কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলেই তারা তা প্রকাশ করবেন, যোগ করেন তিনি।

    দুই পক্ষের এই অবস্থানবৈষম্য আগামীকাল সংসদের শুরু থেকেই প্রতিফলিত হতে পারে। রাষ্ট্রপতির ভাষণ, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন—এসব কার্যক্রমেই আজকের রাজনৈতিক বিবেচনা ও সহমতের ধারা পরীক্ষার সামনা-সামনি দেখা যাবে।

  • সংসদ যেন কারও চরিত্রহননের কেন্দ্রবিন্দু না হয়: জামায়াত আমির

    সংসদ যেন কারও চরিত্রহননের কেন্দ্রবিন্দু না হয়: জামায়াত আমির

    জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান আশা প্রকাশ করেছেন যে জাতীয় সংসদ কারও চরিত্রহননের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠবে না এবং এখানে দেশের মানুষকে কল্যাণমুখী বিষয়গুলোতেই আলোচনা হবে।

    বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের প্রথম দিনে বিরোধীদলীয় নেতার দায়িত্বে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

    ডা. শফিকুর রহমান বলেন, অতীতের সংসদগুলিতে জাতীয় কল্যাণ ও জনসাধারণের সমস্যা নিয়ে আলোচনা অনেক কম হয়েছে, বরং অনেক সময় ব্যয় হয়েছে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও চরিত্রহননে। নতুন সংসদে সেই মন্দ নজির পুনরাবৃত্তি না হওয়া তাঁর প্রত্যাশা।

    তিনি স্পিকারকে উদ্দেশ্য করে অনুরোধ করেন যে সরকারি দল ও বিরোধীদলের মধ্যে বৈষম্য থাকবে না, সব দলের সদস্যই সমানভাবে সুবিচার ও সুযোগ পাবেন। জাতির কল্যাণে যা বলা প্রয়োজন, সেগুলো বলার সুযোগ দিতে স্পিকারের কাছে তিনি উল্লেখ করেন।

    নিজের বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘‘আপনার নেতৃত্বে একটি গতিশীল সংসদ গঠিত হবে, এটাই আমরা আশা করি।’’ তিনি আরও উল্লেখ করেন যে এই সংসদে অনেক নতুন তরুণ সদস্য এসেছেন এবং বয়সে তিনি যেহেতু একটু বেশি তবু নিজেকে তরুণদের মধ্যেকার একজন মনে করেন—এটাই তার প্রথম সংসদ।

    বক্তব্যের শেষে ডা. শফিকুর রহমান অতীতের নানা নির্যাতন ও নিপীড়নের কথা স্মরণ করেন—জুলাই অভ্যুত্থানসহ অনেকেই নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, কেউ কেউ জীবনও হারিয়েছেন, গুমের শিকার হয়েছেন। তিনি পুনরায় ন্যায়বিচারের দাবি জানান এবং বলেন, ‘‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’’—এই চাওয়া এখনো তাঁর কাছে অটল।

  • সোনার ভরির দাম ২ লাখ ৭০ হাজার ছাড়াল

    সোনার ভরির দাম ২ লাখ ৭০ হাজার ছাড়াল

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) টানা দ্বিতীয় দিনের মতো সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। এবার ২২ ক্যারেটের ভালো মানের এক ভরির দাম ভরিতে ২ হাজার টাকার বেশি বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০ টাকা।

    বাজুস এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, নতুন এই দাম বুধবার (১১ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে। সংগঠনটি স্থানীয় বাজার পরিস্থিতি এবং তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্যের ঊর্ধ্বগতিকে বিবেচনা করে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

    নতুন দর অনুযায়ী দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম পড়বে ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ১২৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২১ হাজার ২৬৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম হয়েছে ১ লাখ ৮০ হাজার ৬১৭ টাকা।

    সোনার দাম বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। ভরিতে ১৭৫ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৭০৭ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম কয়েকটি অঞ্চলে ৬ হাজার ৪১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৪৮২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।