Blog

  • ১৭ দিনে ঢাকায় ৫২৮ আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল

    ১৭ দিনে ঢাকায় ৫২৮ আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল

    মধ্যপ্রাচ্যের তাত্ক্ষণিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির প্রভাবে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৬ মার্চ পর্যন্ত মোট ৫২৮টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। ওই দিনই ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান তাদের আকাশসীমা বন্ধ করলে ওই অঞ্চলের গন্তব্যে চলাচল বিঘ্নিত হয় বলে বিমানবন্দর সূত্র জানিয়েছে।

    বিমানবন্দর সূত্রে প্রকাশিত প্রতিদিনের হিসাব অনুযায়ী বাতিলের ধরণ নিম্নরূপ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২৩টি, ১ মার্চ ৪০টি, ২ মার্চ ৪৬টি, ৩ মার্চ ৩৯টি, ৪ মার্চ ৩২টি, ৫ মার্চ ৩৬টি, ৬ মার্চ ৩৪টি এবং ৭ মার্চ ২৮টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়। পরের সময়ে ৮ মার্চ ২৮টি, ৯ মার্চ ৩৩টি, ১০ মার্চ ৩২টি, ১১ মার্চ ২৭টি, ১২ মার্চ ২৮টি, ১৩ মার্চ ২৫টি, ১৪ মার্চ ২৬টি এবং ১৫ মার্চ ২৩টি ফ্লাইট বাতিলের তালিকায় নাম আসে।

    গত রোববার (১৫ মার্চ) রাত ১২টার পরও বাতিলের ধারা অব্যাহত থাকে। ওই রাতে কুয়েত এয়ারওয়েজের ২টি, এয়ার অ্যারাবিয়ার ৮টি, গালফ এয়ারের ২টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৪টি, এমিরেটসের ২টি, জাজিরা এয়ারওয়েজের ৪টি, ফ্লাইদুবাইয়ের ৪টি এবং ইউএস-বাংলার ২টি ফ্লাইট বাতিল ঘোষণা করা হয় — যেগুলো মিলিয়ে ওই একদিনে ২৮টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।

    টানা বাতিলের ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছেন মধ্যপ্রাচ্যগামী প্রবাসী কর্মীরা। অনেক যাত্রী অনিশ্চয়তায় ভুগছেন; কেউ কেউ ভিসার মেয়াদ ফুরিয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও করেছেন। বিমানবন্দর ও সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছেন, আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরানো কঠিন হবে।

    জরুরি পরিস্থিতি বিবেচনায় বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্স এবং ভ্রমণ সংস্থার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখার পরামর্শ দিচ্ছে এবং বিকল্প রুট বা তারিখ পরিবর্তনের সময় সুবিধা নেওয়ার পরামর্শও দেয়া হচ্ছে। তবে সর্বশেষ সিদ্ধান্ত এবং পুনঃনির্ধারিত সময়সূচি সংক্রান্ত তথ্য জানতে যাত্রীদের তাদের এয়ারলাইন কিংবা টিকিট প্রদানকারী সংস্থার সাথে সরাসরি যোগাযোগ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

  • নির্বাচনে নারী প্রার্থীর সংখ্যা কম হওয়া হতাশাজনক: ইসি মাছউদ

    নির্বাচনে নারী প্রার্থীর সংখ্যা কম হওয়া হতাশাজনক: ইসি মাছউদ

    জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেছেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারী ভোটারদের অংশগ্রহণ ও নারী মূল্যায়ন কর্মকর্তাদের কার্যক্রম সন্তোষজনক হলেও প্রার্থী হিসেবে নারীদের সংখ্যা এখনও অত্যন্ত কম এবং তা হতাশাজনক।

    তিনি এই মন্তব্য করেন সোমবার (১৬ মার্চ) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের অডিটরিয়ামে নারী দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায়।

    মাছউদ বলেন, গত নির্বাচনে নারী ভোটাররা ফলাফল নির্ধারণে বড় ভূমিকা পালন করেছেন। এমনকি যেসব এলাকায় আগে নারীরা ভোট দিতে কম আসতেন সেখানেও এবার ব্যাপক উপস্থিতি দেখা গেছে। তবু প্রার্থী হিসেবে নারীদের অংশগ্রহণ আশানুরূপ নয়—সূত্রভেদে এটি মাত্র ০.৪ শতাংশ অথবা ৪ শতাংশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা বলা যায় মোটেই সন্তোষজনক নয়।

    তিনি আরপিও-র প্রতি ইঙ্গিত করে বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর নিবন্ধনের শর্ত অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে প্রতিটি স্তরের কমিটিতে অন্তত ৩৩ শতাংশ নারী সদস্য রাখা বাধ্যতামূলক। আরপিও-র ৯০(বি), (সি) ও (জি) ধারার উপর ভিত্তি করে দলগুলোকে কমিশনকে নিয়মিতভাবে তাদের অগ্রগতি জানাতে হবে। যদি কোনো দল এই শর্ত পূরণে ব্যর্থ হয়, কমিশনের কাছে তাদের নিবন্ধন বাতিল করার ক্ষমতা রয়েছে। যেহেতু ২০৩০ সাল পর্যন্ত সময়সীমা দেওয়া হয়েছে, তাই এখনই নিবন্ধন বাতিল করা হচ্ছে না; তবে সময়সীমা শেষ হলে শর্ত পূরণে ব্যর্থ দলগুলোর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, সংসদ নির্বাচন শেষ হয়েছে, এখন স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে। সেখানে সংরক্ষিত আসনের পাশাপাশি সরাসরি আসনে নারীরা যাতে বেশি সংখ্যায় প্রার্থী হন, সে বিষয়ে সচেতনতা ও উৎসাহ বাড়াতে হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে নারী নেতৃত্ব ও উন্নয়নে কাজ করা ব্যক্তিবর্গ সাধারণ নারীদের এই দিকেই উৎসাহিত করবেন।

  • মীর স্নিগ্ধের পরামর্শ: এনসিপিকে এখনই ১১ দলীয় জোট থেকে বেরিয়ে আসা উচিত

    মীর স্নিগ্ধের পরামর্শ: এনসিপিকে এখনই ১১ দলীয় জোট থেকে বেরিয়ে আসা উচিত

    জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) উচিত এখনই ১১ দলীয় নির্বাচনি জোট থেকে বেরিয়ে আসা—এমন মন্তব্য করেছেন জুলাইয়ের আন্দোলনে শহীদ মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধের ছোট ভাই মীর স্নিগ্ধ। শনিবার রাতে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া একটি পোস্টে তিনি এ অনুরোধ করেন।

    ফেসবুক পোস্টে মীর স্নিগ্ধ লিখেছেন, ‘সামান্তা শারমিনের মতো আমিও মনে করি, এনসিপির এখনই জোট থেকে বেরিয়ে আসা উচিত। কারণটা খুবই সহজ—এনসিপি যদি নিজেকে বড় দল হিসেবে না দেখে, তাহলে অন্য কেউ তাকে বড় করে তুলবে না।’

    তিনি আরও বলেন, ‘নিজেদের আদর্শ, অবস্থান এবং রাজনীতি দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন। এতে সাময়িক কিছু অসুবিধা হতে পারে, কিন্তু দীর্ঘ মেয়াদে তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’ মীর স্নigd্ধের কথায়, দেশের তরুণরা পুরোনো ধাঁচের রাজনীতিতে ক্লান্ত; তারা এনসিপিকে একটি স্বতন্ত্র রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে দেখতে চায়।

    তিনি সতর্ক করেন যে এখনই জোট থেকে না বের হলে ধীরেধীরে জনগণের মনে ধারণা সৃষ্টি হবে যে এনসিপির কোনো নিজস্ব স্বাতন্ত্র্য নেই, এবং এক সময় সেই ধারণা স্থায়ী হয়ে যাবে।

    মীর স্নigd্ধ আরও যোগ করেন, ‘এনসিপি যদি এখন স্বতন্ত্রভাবে দাঁড়ায়, তবে হয়তো অনেক প্রভাবশালী ও সম্ভাবনাময় নেতার আবির্ভাব ঘটবে—যারা অপেক্ষা করছেন শুধু এই আশায় যে এনসিপি নিজের স্বাধীন রাজনৈতিক অবস্থান নেবে’। শেষ করে তিনি লেখেন, সময়টা এখনই।

  • জামায়াত-এনসিপি নিয়ে সংসদে কড়া মন্তব্য বিএনপি সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীর

    জামায়াত-এনসিপি নিয়ে সংসদে কড়া মন্তব্য বিএনপি সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীর

    রবিবার জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় বিএনপি সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী জামায়াত ও এনসিপিকে উদ্দেশ্য করে তীব্র বক্তব্য দেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজউদ্দিন আহমদ।

    মনিরুল হক বলেন, স্বাধীনতার পরও এক মেধাবী শ্রেণি এসেছিল যে দল গঠন করেছিল — জাসদ। ‘‘বাড়াবাড়ি’’ করার ফলে দেশ ও জাতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তারা নিজরাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, এ কথাগুলো মনে রাখতে হবে। তিনি বিভাজন এবং অতিরঞ্জনের নীতিকে সমালোচনা করেন এবং দেশকে সবকিছু সহ্য করার ক্ষমতা দান করার জন্য দোয়া করেন।

    তিনি আরও স্মরণ করিয়ে দেন, ১৯৯১ সালের সংসদে তিনি তখনকার সরকারে কাজ করেছেন, এবং তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে জামায়াতকে রাজনীতিতে আনায় তার অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য। তিনি অন্য নেতাদের আহ্বান জানান যেন ওই সময়ের বাস্তবতা ও ইতিহাসকে ভুলে না যায় এবং দেশনেত্রীর সেই ভূমিকা সম্মান করা হয়।

    মনিরুল হক অভিযোগ করেন, আজকের পরিস্থিতিতে বিরোধীদলের পরিচয়ও বোঝা কঠিন হয়ে পড়েছে; আগে যাদের বিরুদ্ধে কথা বলতাম, তাদের চিনতাম, আজকে বিরোধীদেরও চিনতে দেরি হচ্ছে। তিনি বলেছেন যে তার নেতা তারেক রহমান ‘‘কঠিন নির্বাচন’’ সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন—সেটি তখন অনেকে বুঝতে পারেননি, পরে নির্বাচনের পরিস্থিতি দেখে তা স্পষ্ট হয়েছে।

    তিনি উল্লেখ করেন, এত সংখ্যক সদস্য নিয়ে সংসদে আসার পরও যাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা উচিত ছিল, তাদের মধ্যে একটি হলো জামায়াতে ইসলামী। তবে আজকাল মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে যে প্রশ্ন ওঠাচ্ছে — যারা জীবিত আছেন তাদের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে প্রশ্ন করা ঠিক না; মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১’র যুদ্ধকে কি একইভাবে দেখা হচ্ছে — এ ধরনের বিষয় মহান সংসদে আলোচনার দাবি রাখে। তিনি বলেন, যদি ফ্যাসিস্ট আমলে বিচারের নামে অন্যায় হয়ে থাকে তাহলে সেটি আলাদা বিষয়।

    সমাপ্তিতে তিনি জামায়াতকে এক বক্তব্য রেখে বলেন, স্বাধীনতার পরে বা এনসিপির নেতারা বয়সে ছোট হতে পারেন, কিন্তু তাদের সাহস ও উদ্যোগকে তিনি শ্রদ্ধা করেন; এটিই এই যুগের চাহিদা।

  • ক্রেডিট কার্ড গাইডলাইন হালনাগাদ: সর্বোচ্চ ঋণসীমা বেড়ে ৪০ লাখ

    ক্রেডিট কার্ড গাইডলাইন হালনাগাদ: সর্বোচ্চ ঋণসীমা বেড়ে ৪০ লাখ

    বাংলাদেশ ব্যাংক ক্রেডিট কার্ড সংক্রান্ত নীতিমালা হালনাগাদ করে একটি পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন জারি করেছে, যার উদ্দেশ্য ব্যাংকের কার্ড পরিচালনা কার্যক্রমকে আরও সুশৃঙ্খল, স্বচ্ছ ও গ্রাহকবান্ধব করা। রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান এই তথ্য জানিয়েছেন।

    দৈনন্দিন কেনাকাটা ও বিভিন্ন বিল পরিশোধে নগদ বহন না করে কার্ড ব্যবহার বাড়ায় এই খাতে নীতিগত স্পষ্টতার প্রয়োজন দেখা দিয়েছিল। সেই প্রেক্ষাপটে পূর্বের নীতিমালা পর্যালোচনা করে নতুন গাইডলাইনে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা জোরদার, ভোক্তা অধিকার সুরক্ষা নিশ্চিত এবং দায়িত্বশীল ঋণদানের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। গাইডলাইনের মাধ্যমে নগদবিহীন লেনদেনের জন্য একটি স্বচ্ছ ও নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ গড়ে তোলাই মূল লক্ষ্য।

    গাইডলাইনে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে—প্রযোজ্যতা ও সংজ্ঞা, ক্রেডিট কার্ডের ধরন, গ্রাহকের যোগ্যতার মানদণ্ড, ক্রেডিট সীমা ও সুদের হার নির্ধারণ, কার্ড ইস্যু ও বিপণন নীতি, বিলিং ও আদায় প্রক্রিয়া, গ্রাহকের তথ্যের গোপনীয়তা ও অধিকার সুরক্ষা, বিরোধ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা, অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা বিধি। এসব বিষয় রাখা হয়েছে যাতে কার্ড প্রদানকারীরা সুষম ঝুঁকি নিয়ে পরিষেবা দিতে পারে এবং গ্রাহকের স্বার্থ রক্ষা করা যায়।

    সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনগুলোর মধ্যে এক হলো ঋণসীমা বৃদ্ধি। আগের সর্বোচ্চ ঋণসীমা ছিল ২৫ লাখ টাকা; নতুন গাইডলাইনে এটি বাড়িয়ে ৪০ লাখ টাকা করা হয়েছে। পাশাপাশি অনিরাপদ (অস্তিত্ব নেই এমন বা উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ) ঋণের সীমাও আগে ১০ লাখ টাকা থেকে বেড়ে ২০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    নতুন নির্দেশনায় গ্রাহকের অভিযোগ, অনিয়ম, জালিয়াতি বা কার্ড ব্যবহার সংক্রান্ত লেনদেন পরিশোধে যে জটিলতা দেখা দিত, সেগুলো অনুসন্ধান করে বিরোধ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়ায় সংশোধন আনা হয়েছে। অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে শক্ত করে কার্ডঝোঁকী ঝুঁকি কমানো এবং গ্রাহকের তথ্যের গোপনীয়তা নিশ্চিত করাও নির্দেশিকার একটি বড় অংশ।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, এই হালনাগাদ গাইডলাইন কার্যকর হলে ক্রেডিট কার্ড খাতে প্রতিষ্ঠানগুলোর অপারেশন আরও নিয়ন্ত্রিত হবে, গ্রাহকের অধিকার রক্ষিত থাকবে এবং নগদবিহীন আর্থিক লেনদেন অভিজ্ঞতা আরও নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য হবে।

  • চট্টগ্রাম-মোংলা বন্দর ও শিপিং কর্পোরেশনের প্রকল্পে অনিয়ম: দুদক তদন্ত শুরু

    চট্টগ্রাম-মোংলা বন্দর ও শিপিং কর্পোরেশনের প্রকল্পে অনিয়ম: দুদক তদন্ত শুরু

    দুর্নীতি ও নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে চট্টগ্রাম বন্দর, মোংলা বন্দর এবং বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের কয়েকটি প্রকল্পে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। রোববার (১৫ মার্চ) দুদক সূত্রে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    সংস্থাটি উপ-পরিচালক নাজমুচ্ছায়াদাতকে প্রধান করে চারটি পৃথক অনুসন্ধান কমিটি গঠন করেছে। প্রাথমিক পরিবীক্ষণে সংশ্লিষ্ট প্রকল্পগুলোর নথিপত্র তলব করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

    দুদকের তত্ত্বাবধানে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের বর্তমান চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে একাধিক আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ এসেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি শিপিং করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) থাকাকালীন ৬টি জাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, যার মোট খরচ ধরা হয়েছিল ২ হাজার ৪৮৬ কোটি টাকা। কিন্তু শেষপর্যন্ত মাত্র ৪টি জাহাজ কেনা হয়েছে; এতে প্রকল্পে প্রায় ৪৮৬ কোটি টাকার আর্থিক অসঙ্গতি ধরা পড়েছে।

    আরেকটি বড় অভিযোগ মোংলা বন্দরের পশুর চ্যানেল সংরক্ষণ ড্রেজিং প্রকল্পে ওঠে। এ প্রকল্পের জন্য অনুমোদিত বাজেট ছিল প্রায় ১,৫৩৮ কোটি টাকা; তদন্তে সেখানে বড় ধরনের নিয়ন্ত্রণভিত্তিক অনিয়মের প্রশ্ন রয়েছে বলে দুদকের প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে।

    দুদক বলেছে, তদন্তকারী দল সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো থেকে নথি-প্রমাণ তলব করেছে এবং প্রয়োজনে আরও কড়া প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তদন্তের প্রাথমিক ফলাফল অনুসারে পরবর্তী পদক্ষেপ ঘোষণা করা হবে।

  • গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ইরানে ৫০০ জন গ্রেপ্তার, ২৫০ জন ইরান ইন্টারন্যাশনালকে তথ্যপ্রদানকারী বলেছে পুলিশ

    গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ইরানে ৫০০ জন গ্রেপ্তার, ২৫০ জন ইরান ইন্টারন্যাশনালকে তথ্যপ্রদানকারী বলেছে পুলিশ

    ইরানের পুলিশ বলেছে, ইসরায়েল ও যুক্তরাজ্যভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল ইরান ইন্টারন্যাশনালকে গোপনে গোয়েন্দা তথ্য পাঠানোর অভিযোগে তারা ৫০০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। ইরান পুলিশের প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমাদরেজা রাদান এই তথ্য গতকাল আধাসরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজকে জানিয়েছেন।

    রাদানের কথায়, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে অন্তত ২৫০ জনকে সরাসরি ইরান ইন্টারন্যাশনালকে তথ্য প্রদান করার অভিযোগে আটক করা হয়েছে। তাদের পাশাপাশি গ্রেপ্তার তালিকায় কয়েকটি আন্ডারগ্রাউন্ড সন্ত্রাসী গ্যাংয়ের সদস্যও রয়েছেন; পুলিশ বলেছে, এসব গ্যাং বিশৃঙ্খলা ছড়ানো, উসকানি প্রদান এবং উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ওপর হামলা চালানোর মতো কার্যক্রমে নিযুক্ত ছিল।

    ইরান ২০২২ সালে লন্ডনভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল ইরান ইন্টারন্যাশনালকে ‘সন্ত্রাসী সংস্থা’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। তেহরানের অভিযোগ—এই চ্যানেলটি ভুয়া তথ্য ছড়িয়ে জনগণকে উসকানি দেয় এবং সরকারের বিরুদ্ধে প্রপাগান্ডা চালায়।

    রাজনৈতিক-সামরিক উত্তেজনার প্রসঙ্গে বলা হয়, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার পরমাণু প্রকল্প নিয়ে সংলাপ চলেছিল গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত—মোট ২১ দিন—কিন্তু তা কোনো সমঝোতা ছাড়া শেষ হয়। এর পরদিন, ২৮ ফেব্রুয়ারি, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী বলে তারা ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে একটি অভিযান শুরু করে এবং একই সময়ে ইসরায়েলও ইরানে ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ নামের সামরিক অভিযান পরিচালনা করে।

    পরবর্তীতে উত্তরে ইরান মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের কয়েকটি দেশে অবস্থিত মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলো ও ওমানে অবস্থানরত লক্ষ্যগুলোকে বিরুদ্ধে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ শুরু করে। তেহরানের এই অভিযানের ফলে সিরিজ আক্রমণ চালানোর ঘটনা এখনও অব্যাহত রয়েছে বলে রিপোর্টে বলা হয়েছে।

    সূত্রভিত্তিক রিপোর্ট অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের গত বিবরণে অভিযান ও হামলায় ইরানে এ পর্যন্ত ১ হাজার ৩০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।

    সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি (তাসনিমের বরাত)

  • হরমুজ নিরাপত্তায় ট্রাম্পের আহ্বান: যারা সাড়া দেননি

    হরমুজ নিরাপত্তায় ট্রাম্পের আহ্বান: যারা সাড়া দেননি

    ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যে হরমুজ প্রণালী নিরাপদ রাখতে মিত্র দেশগুলোকে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু তার এই অনুরোধকে এখন পর্যন্ত কোনো দেশ প্রকাশ্যে গ্রহণ করেনি।

    ট্রুথ সোশ্যালে দেয়া এক বার্তায় ট্রাম্প চীন, ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাজ্যসহ যে সকল দেশ এই সংকটে প্রভাবিত হচ্ছে, সেগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর সঙ্গে মিলিতভাবে হরমুজ প্রণালী নিরাপদ রাখতে বাস্তবিক পদক্ষেপ নেয়ার জন্য অনুরোধ করেছেন।

    যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি মন্ত্রী ক্রিস রাইট এনবিসিকে বলেছেন যে ট্রাম্পের উদ্ঘাটিত দেশগুলোর কয়েকটির সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে চীন পুনরায় প্রণালী খুলে দিতে গঠনমূলক ভূমিকা রাখবে। তবু এখন পর্যন্ত কোনো দেশ সরাসরি সামরিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেয়নি।

    চীনা দূতাবাসের মুখপাত্র লিউ পেঙ্গু জানিয়েছেন, জ্বালানির স্থিতিশীল সরবরাহ নিশ্চিত করা সবার দায়িত্ব এবং উত্তেজনা কমাতে বেইজিং সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ জোরদার করবে।

    অন্যদিকে তেহরান দাবি করেছে যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জবাবে তাদের সামরিক বাহিনী হরমুজ প্রণালী কার্যত নিয়ন্ত্রণ করে রেখেছে। বিশ্বের মোট তেল রপ্তানির প্রায় এক-পঞ্চমাংশ স্বাভাবিকভাবে এই নৌপথ দিয়ে যায়। ইরান জানিয়েছে যে তারা যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের ছাড়া অন্য কোনো দেশের জাহাজের জন্য প্রণালী খোলা রাখবে।

    ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি মার্কিন টেলিভিশন সিবিএসকে বলেছেন, নিরাপদ জাহাজ চলাচল সংক্রান্ত বিষয়ে কয়েকটি দেশ ইতিমধ্যে তেহরানের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে, তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে ইরানের সামরিক বাহিনী।

    ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুব্রমানিয়াম জয়শংকর জানিয়েছেন যে তেহরানের সঙ্গে আলোচনা ও সমন্বয়ের ফলে শনিবার ভারতের পতাকাবাহী দুটি গ্যাসবাহী ট্যাংকার হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করতে পেরেছে। ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, সমস্যার সমাধানে আলোচনা ও সমন্বয়ই সবচেয়ে উপযুক্ত পথ।

    অস্ট্রেলিয়া জানিয়েছে তারা হরমুজ প্রণালীতে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর পরিকল্পনা করছে না। দেশটির পরিবহনমন্ত্রী ক্যাথেরিন কিং জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের অনুরোধের প্রেক্ষিতে অস্ট্রেলিয়া কী ধরনের সহায়তা দিতে পারে তা তারা স্পষ্ট করেছে এবং এখন পর্যন্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রতিরক্ষা সহায়তার অংশ হিসেবে বিমান প্রেরণ করেছে।

    জাপানও একই অবস্থান নিয়েছে। জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি পার্লামেন্টে বলেছেন যে তেলবাহী ট্যাংকারের পাহারির জন্য নৌবাহিনীর জাহাজ পাঠানোর কোনো পরিকল্পনা টোকিওর নেই।

    বর্তমানে হরমুজ প্রণালী নিয়ে উত্তেজনা ও কূটনৈতিক আলোচনা জোরালোভাবে চলছে। ট্রাম্পের আহ্বানের বিরুদ্ধাচরণে বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক অবস্থান ও সমন্বয়ের পথে এগোনো — সব মিলিয়ে আগামী সময়ের ঘটনাচক্রে এই মহাদেশীয়-আন্তর্জাতিক সংকট আরও কেমন রূপ নেবে, তা দেখার বিষয়।

  • চিতলমারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এডিপি অর্থায়নে ইসিজি মেশিন বিতরণ

    চিতলমারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এডিপি অর্থায়নে ইসিজি মেশিন বিতরণ

    বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোমবার (১৬ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টায় এডিপি অর্থায়নে ইসিজি মেশিন বিতরণ করা হয়েছে। ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের এই সহায়তা স্বাস্থ্যসেবার গুণগত মান বাড়াতে এবং হৃদরোগ সংক্রান্ত দ্রুত ও সঠিক পরীক্ষা-নিরীক্ষায় সহায়ক হবে।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ সাজ্জাদ হোসেন মেশিনগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) চিকৎসক এস এম আরজান আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন চিকিত্সক মফিজুর রহমান ও উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ সাদ্দাম হোসেন।

    অনুষ্টানিকভাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মোঃ কামরুজ্জামান খান পিকলু, চিতলমারী প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ একরামুল হক মুন্সি, চিতলমারী উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সেলিম সুলতান সাগর, সাধারণ সম্পাদক তাওহিদুর রহমান বাবু, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কোষাধ্যক্ষ মোঃ কুতুব উদ্দিন, ফার্মাসিস্ট শিশির মজুমদার, ইসিজি টেকনিশিয়ান স্বর্ণা রানী ও নার্সিং সুপারভাইজার শান্তনা রানী দত্ত। প্রশাসন ও স্বাস্থ্যকর্মীরা মিলিতভাবে মেশিন ব্যবহারের প্রশিক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণের বিষয়ে আলোচনা করেন।

    ইসিজি মেশিন বিতরণের পর ইউএনও মোঃ সাজ্জাদ হোসেন ও উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ সাদ্দাম হোসেন হাসপাতাল চত্বরে সিসিটিভি বসানোর কাজের উদ্বোধনও করেন, যার মাধ্যমে নিরাপত্তা ও সেবা তদারকিতে উন্নতি আশা করা হচ্ছে।

  • যশোরে রিকশা ছিনতাই করতে চালককে হত্যা

    যশোরে রিকশা ছিনতাই করতে চালককে হত্যা

    যশোরের সদর উপজেলার ভাটপাড়ায় রিকশা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে চালক আলমগীর হোসেন (৫৫)কে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। রবিবার রাত আনুমানিক ৮টার দিকে ভাটপাড়া প্রাইম ইটভাটা রোডের নির্জন সড়কে ঘটনাটি ঘটে; পরে তার ব্যাটারি চালিত রিকশাটি নিয়ে পালিয়ে যায় ছিনতাইকারীরা।

    নিহত আলমগীর ছিলেন যশোর শহরতলির চাঁচড়া বড়মাদ্রাসা এলাকার মৃত রজব আলী দরবেশের ছেলে। তিনি বর্তমানে ঝুমঝুমপুর শ্মশান সংলগ্ন একটি ভাড়া বাড়িতে থাকতেন।

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যায় অজ্ঞাত কয়েকজন দুর্বৃত্ত যাত্রী ভঙ্গিতে তার রিকশা ভাড়া করে নিয়ে যায়। ভাটপাড়া প্রাইম ইটভাটার নির্জন সড়কে পৌঁছানো মাত্রই তারা কোনো ভারি বস্তুয় আলমগীরের মাথায় আঘাত করে। রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে থাকা আলমগীরকে ছিনতাইকারীরা ফেলে রেখে রিকশাটি তুলল করে দ্রুত চলে যায়।

    পরে পথচারী গোলাম রাব্বি আলমগীরকে গুরুতর আহত অবস্থায় রাস্তার কিশোর পাশে পড়ে থাকতে দেখে উদ্ধার করেন এবং তাকে দ্রুত যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আনা হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    যশোর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক হাসিব আল হাসান বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই তিনি মারা গেছেন এবং মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন ছিল। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে।

    মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাসুম খান জানান, প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যেই ঘটনাটি সংঘটিত হয়েছে। তারা পরিকল্পিতভাবে নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে আলমগীরকে মাথায় আঘাত করে রিকশাটি নিয়ে পালিয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং এখনও কাউকে আটক করা যায়নি। অপরাধীদের শনাক্ত ও ছিনতাই হওয়া রিকশাটি উদ্ধার করতে অভিযান চালানো হচ্ছে।