Blog

  • জাতিসংঘ: ইরানজুড়ে ৩২ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত

    জাতিসংঘ: ইরানজুড়ে ৩২ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত

    জাতিসংঘ জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইস্রায়েল দ্বারা ইরানে হামলা শুরু হওয়ার পর থেকে দেশে ৩২ লাখেরও বেশি মানুষ জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনারি (ইউএনএইচসিআর) এক বিবৃতিতে বলেছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ৬ থেকে ১০ লাখ পরিবারের অন্তত ৩২ লাখ মানুষ নিরাপত্তাহীনতার কারণে বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে।

    ইউএনএইচসিআরের কর্মকর্তা আয়াকি ইতো বলেন, বাস্তুচ্যুতদের বেশিরভাগই তেহরানসহ বড় শহরগুলো থেকে দেশটির উত্তর ও গ্রামীণ এলাকায় নিরাপত্তার সন্ধানে গেছেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, যুদ্ধ চলবে বলে বাস্তুচ্যুতের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা আছে এবং এতে মানবিক চাহিদা গুরুতরভাবে বাড়বে।

    এর আগে ইরানি রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে, তাদের প্রাথমিক মূল্যায়নে দেখা গেছে চলমান যুদ্ধের কারণে ইরানজুড়ে অন্তত ১৯ হাজার ৭৩৪টি বেসামরিক অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে আবাসিক ভবন, হাসপাতাল, স্কুল-কলেজ ও সহায়তা কেন্দ্রসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান অন্তর্ভুক্ত। ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনার মধ্যে কমপক্ষে ৭৭টি চিকিৎসা কেন্দ্র ও হাসপাতাল এবং ৬৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। রেড ক্রিসেন্ট additionally জানিয়েছে তাদের ১৬টি সুবিধাও মার্কিন-ইস্রায়েলি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

    আন্তর্জাতিকভাবে নিন্দা ও উত্তেজনা হ্রাসের আহ্বান সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইস্রায়েলি সামরিক বাহিনী ইরানে বোমাবর্ষণ চালিয়ে যাচ্ছে। ইরানি কর্তৃপক্ষের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ পর্যন্ত মার্কিন-ইস্রায়েলি হামলায় ১,৩০০-এর বেশি ব্যক্তি নিহত এবং প্রায় ১০ হাজার বেসামরিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন।

    সূত্র: আলজাজিরা

  • ইরান দাবি করেছে: শিন বেট সদরদপ্তর ও দুই বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলা

    ইরান দাবি করেছে: শিন বেট সদরদপ্তর ও দুই বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলা

    ইরান দাবি করেছে, তাদের সামরিক বাহিনী ড্রোন ব্যবহার করে তেল আবিবে অবস্থিত ইসরায়েলের গোপন গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেটের সদরদপ্তরসহ দু’টি বিমানঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। বৃহস্পতিবার ইরানের সামরিক সূত্র এসব হামলার কথা জানায়।

    ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে হামলার লক্ষ্য ছিল ভূমধ্যসাগরীয় উপকূলীয় শহর ইভনের পশ্চিমের পালমাহিম বিমানঘাঁটি এবং দক্ষিণ ইসরায়েলের ওভদা বিমানঘাঁটি। বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে হামলাটি ড্রোন কেন্দ্রীক ছিল এবং তা পরিকল্পনামাফিক পরিচালিত হয়েছিল।

    ইসরায়েলি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরানের ওই হামলার ফলে গত ২৪ ঘণ্টায় অন্তত ১৭৯ জন আহত হয়েছেন; তাদের মধ্যে বেশিরভাগেরই অবস্থা হালকা। মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইরায়েলে ইরানের হামলায় মোট আহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২,৭৪৫ জনে।

    অন্যদিকে কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিয়েও ড্রোন আঘাতের ঘটনা ঘটেছে বলে কুয়েতের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা কুনার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, আঘাতের ফলে বিমানবন্দরের অবকাঠামোগত ক্ষতি হয়েছে।

    ঘটনাগুলো সম্পর্কে বিভিন্ন পক্ষের স্বাধীনভাবে যাচাই-বাছাই চলছে এবং পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। সূত্র: আইআরএনএ, কুনা, আল জাজিরা, এএফপি।

  • মাসুম বিল্লাহ হত্যাকারী ও পৃষ্ঠপোষকদের গ্রেফতার দাবি হন শ্রমিকদের মানববন্ধন

    মাসুম বিল্লাহ হত্যাকারী ও পৃষ্ঠপোষকদের গ্রেফতার দাবি হন শ্রমিকদের মানববন্ধন

    রূপসা উপজেলা শ্রমিক দলের সাবেক আহবায়ক ও রূপসা-বাগেরহাট আন্তঃজেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি মাসুম বিল্লাহ হত্যা মামলার আসামি ও অর্থ যোগানদাতাদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে খুলনায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুর ১২টায় নগরীর পিকচার প্যালেস মোড়ে অনুষ্ঠিত এই মানববন্ধনে বক্তব্যে অংশ নেওয়া নেতারা দ্রুত বিচার ও ন্যায়বিচারের জোরালো呼য় জানান। সভার সভাপতিত্ব করেন সাবেক ইউপি সদস্য ও বিএনপি নেতা বসির হায়দার পল্টু। অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক মোল্লা খাইরুল ইসলাম, সাবেক সহ-সভাপতি আব্দুর রশিদ শেখ, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি উজ্জ্বল কুমার সাহা, জেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ ও জেলা শ্রমিক দলের যুগ্ম-সম্পাদক এস এম কামরুজ্জামান।

    আলী আকবার রাজুর পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন রূপসা-বাগেরহাট বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মহিউদ্দিন শেখ, সাবেক ছাত্রনেতা মনজুর আরেফিন, জেলা মহিলা দলের যুগ্ম-সম্পাদক মনিরা সুলতানা, থানা শ্রমিক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইউনুস গাজী, উপজেলা শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক জালাল হাওলাদার, যুগ্ম-আহবায়ক তরিকুল ইসলাম তরিক ও যুগ্ম-আহবায়ক লাভলু শেখ।

    অন্যান্য বক্তাদের মধ্যে ছিলেন বিএনপি নেতা মাজারুল ইসলাম, বাবুল শেখ, জাকির হোসেন, বাগমারা বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হোসাইন, সাবেক সভাপতি হুমায়ুন শেখ, ট্রলার মাঝি শ্রমিক ইউনিয়নের আলী শিকদার ও নিহত মাসুম বিল্লাহর ছেলে আবিদ হুসাইন। বক্তারা সবাই মিলিয়ে দ্রুত ও স্বচ্ছ তদন্ত, হত্যাকারী ও অর্থদাতাদের গ্রেফতার এবং গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবি জানান। মানববন্ধন শেষে আরোপিত দাবিগুলো বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করা হয়।

  • বাগেরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিচয় জানা গেছে

    বাগেরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিচয় জানা গেছে

    খুলনা–মোংলা মহাসড়কের রামপালে নৌবাহিনীর স্টাফবাস ও যাত্রীবাহী মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪ জন। দুর্ঘটনায় বর–কনে ও জমজ শিশুসহ বহু যাত্রী প্রাণ হারিয়েছেন, পাশাপাশি several severalজন আহত হন।

    দূর্ঘটনা বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেলে বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার বেলাইব্রিজ (গুনাই ব্রিজ) এলাকায় ঘটে। ঘটনাস্থলেই যাত্রীদের মধ্যে কয়েকজন গুরুতর আহত হলে তাদের উদ্ধার করে রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় একে একে মোট ১৪ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে।

    নিহতদের মধ্যে রয়েছেন: মোংলা পৌর বিএনপির ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক (৬২), আহাদুর রহমান সাব্বির (৩০), আব্দুল্লাহ সানি (৩০), ঐশি (২৮), ফাহিম শিকারি (১), ফারহানা সিদ্দিকা (৩৩), আলিফ (১৩), আরফা (৭), আয়রা (২), আনোয়ারা বেগম (৫৮), মার্জিয়া আক্তার মিতু (২৫), মিনারুল আলম সবুজ (৪২) এবং মাইক্রোবাসের চালক মো. নাইম হোসাইন (২৭)। নিহতদের পরিচয় জানায় স্থানীয়রা এবং মৃতদের নাম মিলিয়ে মোট নিহতের সংখ্যা প্রাথমিকভাবে ১৪ জন ধরা হয়েছে। নববধূ মিতু কয়রার নাকসা গ্রামের ছালাম মোরলের কন্যা বলে জানা গেছে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতেই নাকসা গ্রামের মিতুর বিয়ে হয় রামপাল এলাকার আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে সাব্বির হোসেনের সঙ্গে। বিয়ের পর পরদিন নববধূ ও তার স্বজনরা মাইক্রোবাসে করে শ্বশুরবাড়ি মংলার উদ্দেশ্যে রওনা হন।

    পথিমধ্যে মাইক্রোবাসটি রামপালের গুনাই ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা দ্রুতগামী নৌবাহিনীর স্টাফবাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। ধাক্কায় মাইক্রোবাসটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং কয়েকজন ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হন।

    দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস কর্মী ও স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। আহতদের চিকিৎসারত অবস্থায় হাসপাতালে একে একে মৃত্যুর খবর জানানো হয়।

    দুর্ঘটনা সংক্রান্ত পরবর্তী কার্যক্রম ও কারণ তদন্তের জন্য পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থল ও চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে পরিদর্শন করছে।

    ঘটনার পর নিহতদের ঘর ও এলাকায় শোক ও সন্ত্রস্ত পরিবেশ বিরাজ করছে। বিয়ের আনন্দ যে মুহূর্তে পরিবারে এসেছে, মুহূর্তের মধ্যে তা বিশাল শোকের আড়ালে হারিয়ে গেছে; স্বজনদের কান্না ও আহাজারি ছায়া ফেলেছে পুরো আশপাশে। স্থানীয়রা বলছেন, একই পরিবারের এত মানুষ একসঙ্গে হারানো সত্যিই মর্মান্তিক এবং তারা এই দুর্ঘটনার পূর্ণ তদন্ত ও দায়ীদের দ্রুত বিচারের দাবি করছেন।

  • বাংলাদেশের উইকেটে হতাশ পাকিস্তান: ‘সহযোগী দেশ হয়ে যাই কি না’—মোহাম্মদ আমির

    বাংলাদেশের উইকেটে হতাশ পাকিস্তান: ‘সহযোগী দেশ হয়ে যাই কি না’—মোহাম্মদ আমির

    বছরের প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচে বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানকে ৮ উইকেটে হারিয়ে শিরোনামে এসেছে টাইগাররা। নাহিদ রানা ও মেহেদী হাসান মিরাজের মারমুখী বোলিংয়ে মাত্র ১১৪ রানে অলআউট হয় সফরকারী দল; পরে লক্ষ্য তাড়া করে বাংলাদেশ মাত্র ১৫.১ ওভারে দুই উইকেট হারিয়ে ম্যাচটি জিতে নেয়।

    এই ফল ও মাঠের উইকেট নিয়ে তীব্র বিশ্লেষণ করেছেন পাকিস্তানের সাবেক ফাস্ট বোলার মোহাম্মদ আমির। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে পোস্ট করা মন্তব্যে তিনি বলেন, বাংলাদেশ এমনভাবে উইকেট তৈরি করেছে যা পাকিস্তানকে ‘‘সিলেবাসের বাইরের প্রশ্নে’’ আটকে দিয়েছে। যেখানে সবাই টার্নিং উইকেটের আশা করছিল, ওখানে দেশের প্রতিপক্ষকে গতির উইকেটের চ্যালেঞ্জ দিয়েছে বাংলাদেশ।

    আমির আরও বলেন, ‘‘মিরপুরে সবাই ভাবছিল স্পিন উইকেট হবে, কিন্তু তারা বাউন্সি, গতিসম্পন্ন উইকেট বানিয়ে আমাদের চমকে দিলো। এটা একদম ‘আউট অব সিলেবাস’। আমাদের ব্যাটসম্যানরা ১৪০-ক্লাবের পেসে সমস্যায় পড়ে। নাহিদ ও মেহেদীর বোলিং অসাধারণ ছিল—বিশেষ করে নাহিদ ১৪০ এর বেশি গতিতে বল করেছেন।’’

    তিনি পাকিস্তানি ব্যাটসম্যানদের প্রস্তুতি ও টেকনিকে গুণতর ত্রুটি দেখেন। অনুশীলনের ঘাটতি ও নির্বাচকদের সিদ্ধান্তও আমিরের সমালোচনার লক্ষ্য। ‘‘উপর থেকে বল পড়লে খেলার অনুশীলন প্রয়োজন—এটা পাওয়ার হিটিং বা ডিফেন্স নয়। আসল পেসের বিপক্ষে খেলতে পারার ক্ষমতা থাকতে হবে। মাজ সাদাকাত, শামিল হোসেনদের মতো তরুণদের টেকনিক এখনও উন্নত নয়; তারা মিড-উইকেটে খেলতে চাইলে অফ স্টাম্পের বল বুঝতে পারেন না,’’ তিনি বলেন।

    পাকিস্তান দলের ভারসাম্য নিয়ে মুখেই चिंता প্রকাশ করে আমির বলেন, ‘‘৫-৬ জন সিনিয়রকে বাদ দিয়ে শুধু তরুণদের নিয়ে দলে চলবে না। সিনিয়র ও জুনিয়রদের মধ্যে ভারসাম্য থাকা জরুরি। আমার ভয় হচ্ছে, আমরা যদি এভাবে চলি তাহলে শেষ পর্যন্ত সহযোগী দেশের পর্যায়ে নেমে যেতে পারি।’’ তিনি বলেন যে কিছু সক্ষম পারফর্মার—কামরান গুলাম ও ইরফান খান নিয়াজির মতো—প্রয়োজনীয় সুযোগ পাচ্ছেন না।

    বাংলাদেশের ব্যাটিং ও পেস আক্রমণের প্রশংসা করে আমির যোগ করেন, ‘‘তারা আমাদের ‘দুমবার’ মতো মেরেছে, যেন খেলতে নিজেদের অনেক মজা লাগছিল। যে উইকেটে আমরা ১১৪ রানে অলআউট হয়েছি, সেই উইকেটেই তারা ১০–১২ ওভারের মধ্যেই রান তাড়া করে ফেলল। আমি বলছি—বাংলাদেশ কোনো স্পিন ট্র্যাক দেবে না, তারা এমন উইকেট দেবে যেখানে তাদের তিনজন ফাস্ট বোলার—বিশেষ করে নাহিদ রানা—খুব শক্তিশালী।”

    আমিরের মন্তব্যগুলো পাকিস্তান দলের জন্য সতর্কবার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে—টিম ম্যানেজমেন্ট, অনুশীলন ও প্লেয়ার সিলেকশন নিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতেই হবে, নাহলে সিরিজ এবং ভবিষ্যৎ প্রসঙ্গে আরওই বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হবে।

  • বিম-১০ লিগে দুর্নীতির অভিযোগে তিনকে সাময়িক নিষিদ্ধ করে আইসিসি-সিডব্লিউআই

    বিম-১০ লিগে দুর্নীতির অভিযোগে তিনকে সাময়িক নিষিদ্ধ করে আইসিসি-সিডব্লিউআই

    বার্মুডোর ঘরোয়া টি-টেন লিগ বিম-১০কে কেন্দ্র করে দুর্নীতির অভিযোগে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পেসার জাভন সিয়ার্লস, টিম মালিক চিত্রঞ্জন রাঠোর এবং এক কর্মকর্তা ট্রেভন গ্রিফিথকে সমস্ত ধরণের ক্রিকেট থেকে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা যৌথভাবে নিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) ও ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজ (সিডব্লিউআই)।

    আইসিসি ও সিডব্লিউআই জানিয়েছে, ২০২৩-২৪ মরসুমের বিম-১০ টুর্নামেন্টে ম্যাচ ফিক্সিং এবং দুর্নীতির চেষ্টা সংক্রান্ত একাধিক অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। প্রধান অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের চেষ্টা (ধারা ২.১.১), অন্য খেলোয়াড় বা কর্মকর্তাদের দুর্নীতিতে উৎসাহিত করা (ধারা ২.১.৪), বুকমেকারের কাছ থেকে প্রস্তাব পাওয়ার পর তা কর্তৃপক্ষকে না জানানো (ধারা ২.৪.২) ও দুর্নীতিবিরোধী তদন্তে বাধা দেওয়া বা তথ্য লুকিয়ে রাখা।

    বিশেষত ট্রেভন গ্রিফিথের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগও আছে যে তিনি আন্তর্জাতিক ম্যাচ সম্পর্কিত দুর্নীতির তথ্য গোপন করেছেন — এই দিকটি আইসিসি তদন্তকারীরা আলাদাভাবে তল্লাশি করছেন। তিনজনকেই ২৫ মার্চের মধ্যে অভিযোগের জবাব দেওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তদন্ত পুরোপুরি শেষ হলে তাদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

    জাভন সিয়ার্লস ক্যারিবীয় ক্রিকেটে পরিচিত এক মুখ; তিনি আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের হয়ে খেলেছেন, সিপিএলে ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্সের প্রতিনিধিত্ব করেছেন এবং ২০১৮ সালে আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্সের সদস্য ছিলেন।

    এই ঘটনায় আগেও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে — গত জানুয়ারিতে একই টুর্নামেন্টে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাটার অ্যারন জোন্সকেও দুর্নীতির অভিযোগ করা হয়েছিল। বিম-১০ নিয়ে উঠা এসব অভিযোগ কিভাবে তদন্তে গیتেছে এবং পরের ধাপগুলো কী হবে, সেটাই এখন ক্রিকেট সংশ্লিষ্ট সকলের নজরকেড়ে রাখছে।

  • বিদেশি মদ উদ্ধারের মামলায় কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবর খালাস

    বিদেশি মদ উদ্ধারের মামলায় কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবর খালাস

    বিচারক অভিযোগ সন্দেহাতীত প্রমাণিত হয়নি বলে কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবরকে খালাস দিয়েছেন। সোমবার (৯ মার্চ) ঢাকার ২য় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক আয়েশা আক্তার মৌসুমী শুনানি শেষে এই রায় ঘোষণা করেন।

    আদালত বলেছে, মামলায় দায় আরোপ করার মতো পর্যাপ্ত ও সন্দেহাতীত প্রমাণ পাওয়া যায়নি, তাই আসিফকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আসামি পক্ষের আইনজীবী প্রদীপ কুমার দেবনাথ এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

    এর আগে গত ৩ মার্চ আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। সেই hearing-এ সাক্ষ্যগ্রহণের পর আদালত যুক্তিতর্ক উপস্থাপন ও রায় ঘোষণার জন্য সোমবার (৯ মার্চ) দিন ধার্য করেন। আদালতে শুনানির সময় আসিফ আকবর নিজে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার পর গণমাধ্যমকে তিনি ন্যায়বিচার পেয়েছেন বলে জানান।

    মামলার পটভূমি অনুযায়ী, ২০১৮ সালের ৬ জুন তেজগাঁও থানার এলাকায় অবস্থিত আর্ব এন্টারটেইনমেন্টের অফিস থেকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সংক্রান্ত একটি মামলার ঘটনায় আসিফ আকবরকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের সময় অফিস কক্ষে চার বোতল বিদেশি টাকিলা মদ পাওয়া যায়। মদপদার্থ পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য মাদকের নমুনা সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছিল।

    পুলিশি কাগজপত্রে বলা হয়, লাইসেন্সবিহীনভাবে বিদেশি মদ নিজের হেফাজতে রাখার অভিযোগে ২০১৯ সালের ২৩ জুলাই সিআইডির সাইবার তদন্ত শাখার উপ-পরিদর্শক প্রশান্ত কুমার সিকদার তেজগাঁও থানায় মামলা দায়ের করেন। তদন্তের পর ২০১৯ সালের ১৩ অক্টোবর তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডি উপ-পরিদর্শক মো. জামাল উদ্দিন চার্জশিট দাখিল করেন।

    অভিযোগ গঠন করে মামলাটি ২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর বিচার শুরু হয়। মামলার মধ্যে মোট তিনজন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়। চলতি বিচারেই আদালত শেষ পর্যন্ত অভিযোগ প্রমাণের পর্যাপ্ত ভিত্তি না থাকার কারণে আসিফকে খালাস দেন।

  • ‘রাক্ষস’-এর আইটেম গানে বলিউড অভিনেত্রী নাতালিয়া

    ‘রাক্ষস’-এর আইটেম গানে বলিউড অভিনেত্রী নাতালিয়া

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি একটি ছবি এবং তা থেকে ছড়ানো কৌতুকময় আলোচনা ব্যাপকভাবে নজর কেড়েছে। অনেকে বলছেন, ছবিটি হচ্ছে চলচিত্র ‘রাক্ষস’-এর আইটেম গানের শুটিং সেটের একটি লিক করা দৃশ্য। প্রযোজনা সংস্থা রিয়েল এনার্জি প্রডাকশন তা নিশ্চিত করেছে।

    রিয়েল এনার্জির সহকর্মী কর্ণধার আজিম হারুন জানিয়েছেন, ছবিটি আসলেই তাদের ছবির একটি আইটেম গানের শুটিং সেট থেকে লিক হয়েছে। ওই ছবিতে যাকে দেখা যাচ্ছে তিনি হলেন বলিউড অভিনেত্রী নাতালিয়া জানোসজেক। তিনি গানটিতে সিনেমার নায়ক সিয়াম আহমেদের সঙ্গে নেচেছেন। আজিম মনে করেন, এটি নাতালিয়ার প্রথম বাংলা চলচ্চিত্রে কাজ হতে পারে।

    নাতালিয়া ইউরোপীয় বংশোদ্ভূত একজন বলিউড অভিনেত্রী, যিনি বলিউডের পাশাপাশি কিছু হলিউড প্রজেক্টেও কাজ করেছেন। তাকে বিভিন্ন সময় ‘হাউজফুল ৫’, ‘মাস্তি ৪’ ও ‘৩৬৫ ডেইজ’-র মতো ছবিতে দেখা গেছে। এছাড়া তিনি জনপ্রিয় টিভি রিয়্যালিটি শো ‘বিগ বস’-এও অংশগ্রহণ করা সূত্রেই পরিচিত।

    রিয়েল এনার্জির আরেক কর্ণধার শাহরীন আখতার সুমি জানিয়েছেন, এই আইটেম গানটির কোরিওগ্রাফি করছেন বলিউডের পরিচিত কোরিওগ্রাফার আদিল শেখ। গানটির মিউজিক পরিচালনা করেছেন জিএম আশরাফ; কণ্ঠ দিয়েছেন জিএম আশরাফ ও দোলা। তিনি বলেন, গানটি বড় বাজেটে তৈরি করা হচ্ছে এবং দেশের বাইরে বড় আকারে শুটিং চলছে। প্রযোজকরা আশা করছেন দর্শক গানটিকে ভালোভাবে গ্রহণ করবেন এবং ছবিটি এবারের ঈদে সেরা ছবির অন্যতম হবে।

    Mehedi Hasan Hriday পরিচালিত ‘রাক্ষস’-ে প্রধান চরিত্রে রয়েছেন সিয়াম আহমেদ ও কলকাতার অভিনেত্রী সুস্মিতা চ্যাটার্জি।

    উল্লেখ্য, রিয়েল এনার্জি আগে ‘বরবাদ’ নামের একটি ছবি প্রযোজনা করেছিল, যেখানে অভিনয় করেছিলেন শাকিব খান; সেই ছবি ব্যবসায় ভালো সাফল্যও পেয়েছিল।

  • ছেলেকে হত্যার দায়ে সালমান ও আনিসুলকে অভিযুক্ত করলেন শহীদ আনোয়ারের বাবা

    ছেলেকে হত্যার দায়ে সালমান ও আনিসুলকে অভিযুক্ত করলেন শহীদ আনোয়ারের বাবা

    জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ছেলেকে গুলিতে নিহত হওয়ার দায় সালমান এফ রহমান ও সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের ওপর চাপিয়েছেন শহীদ আনোয়ারের বাবা আল আমিন পাটোয়ারী। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর একক বেঞ্চে সাক্ষ্য প্রদানের সময় এ অভিযোগ করেন।

    সাক্ষ্যগ্রহণ করেন ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীর একক বেঞ্চে। ഇന്ന് এই মামলার তৃতীয় দিনের শুনানিতে আল আমিন চার নম্বর সাক্ষী হিসেবে হাজির ছিলেন।

    ৬৫ বছর বয়সী আল আমিন একজন অবসরেরত মাদরাসা শিক্ষক। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বিকেল ছয়টার দিকে মিরপুর-১০ নম্বরে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে অংশ নেওয়ার সময় তার ৩৫ বছর বয়সী ছেলে মো. আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারী গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। ছেলের কথা বলতে গিয়ে আল আমিন several বার কাঁদতে গিয়ে চোখভরা কণার স্যাঁতসেঁতে ব্যথা প্রকাশ করেছেন।

    জবানবন্দিতে তিনি উল্লেখ করেন, ৫ আগস্ট বিকেল পাঁচটার পর ছেলের মোবাইল বন্ধ পেয়ে খোঁজাখুঁজির শুরু করি। লোকমুখে শুনি আনোয়ার গুলিবিদ্ধ হয়ে ডা. আজমল হাসপাতালে ভর্তি আছে। সেখানে গিয়ে হাসপাতালের মেঝেতে আনোয়ারসহ প্রায় ১৫–২০ জনের লাশ দেখি; সবাই গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন। সেই ধরনে তিনি নিজের ছেলেকে শনাক্ত করেন এবং সঙ্গে থাকা ছোট ছেলে মো. আব্দুল্লাহর সঙ্গে মিলে ছেলেটিকে বাসায় নিয়ে আসেন।

    আল আমিন বলেন, হাসপাতালে নিহতদের রক্তাক্ত দেহ দেখে তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন। নিহতের মৃত্যুসনদ সংগ্রহের পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে রূপনগর আবাসিক এলাকায় আনোয়ারের জানাজা অনুষ্ঠিত হয় এবং পরে তাকে লক্ষ্মীপুর গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয়।

    সাক্ষ্যগ্রহণের সময় আল আমিন আরও বলেন, তার ছেলে হত্যার জন্য তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, প্রধানমন্ত্রীর সাবেক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানসহ কিছু রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যক্তিদের দায়ী করছেন। সাক্ষীর দাবি, ওই ব্যক্তিরা বৈঠক করে কারফিউ জারি করে আন্দোলন দমনের সিদ্ধান্ত নেন এবং তৎপরতায় সাধারণ ছাত্র-জনতা ও আন্দোলনকারীদের ক্ষতবিক্ষত করে দেওয়া হয় — এ কারণেই তিনি তাদেরকে দায়ী করছেন।

    আল আমিন পরামর্শ দেন, তার ছেলেকে হত্যার সুষ্ঠু বিচার হওয়া প্রয়োজন এবং ভবিষ্যতে এমন নির্মম ঘটনা আর যেন না ঘটে সে ধরনের শান্তি চাইতে চান।

    সাক্ষ্যগ্রহণের পর আল আমিনকে কোর্টে জেরা করেন অভিযুক্তদের আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী। আগামী ৫ এপ্রিল পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল। প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন গাজী এমএইচ তামিম; তার সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর আবদুস সাত্তার পালোয়ান, সহিদুল ইসলাম সরদার ও অন্যান্য সহকারী প্রোসিকিউটর।

  • ত্রয়োদশ সংসদ: অধিবেশন রোববার সকাল পর্যন্ত মুলতবি

    ত্রয়োদশ সংসদ: অধিবেশন রোববার সকাল পর্যন্ত মুলতবি

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন রোববার (১৫ মার্চ) সকাল ১১টা পর্যন্ত মুলতবি করার ঘোষণা দিয়েছেন নবনির্বাচিত স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। স্পিকার তিনি বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেলে এ সিদ্ধান্ত জানান। ঘোষণা অনুযায়ী ওইদিন বেলা ১১টায় সংসদের দ্বিতীয় কার্যদিবস শুরু হবে।

    পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় প্রথম অধিবেশন শুরু হয়। অধিবেশনের শুরুতে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান স্পিকার হিসেবে মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের নাম প্রস্তাব করলে তা কণ্ঠভোটে অনুমোদিত হয়। একইভাবে ডেপুটি স্পিকার হিসেবে ব্যারিস্টার কায়সার কামালের নাম ঘোষণা করা হয়। নির্বাচনের পর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নবনির্বাচিত স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে শপথ গ্রহণ করান।

    আদ্যতন সেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উদ্বোধনী ভাষণ দেন। পরে স্পিকারের সভাপতিত্বে সংসদের পক্ষ থেকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ সাম্প্রতিককালে মৃত্যুবরণকারী সংসদ সদস্য ও জাতীয় নেতাদের স্মরণে শোকপ্রস্তাব গৃহীত হয় এবং মরহুমদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

    বিকালের সেশনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংসদে ভাষণ শুরু করলে সেখানে এক অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। রাষ্ট্রপতির ভাষণ চলাকালীন বিরোধী দলীয় সদস্যরা বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে তাকে সমালোচনা করেন এবং ‘জুলাইয়ের গাদ্দার’ সম্মন্ধীয় উক্তি করেন। এক পর্যায়ে জামায়াতে ইসলামি ও এনসিপির কিছু সংসদ সদস্য রাষ্ট্রপতির ভাষণ বর্জন করে সংসদকক্ষ থেকে ওয়াকআউট করেন। ওই অশান্তির পরে স্পিকার অধিবেশন মুলতবি ঘোষণা করেন।