Blog

  • সিরিজ জয়ের লক্ষ্যে টস জিতে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ

    সিরিজ জয়ের লক্ষ্যে টস জিতে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ

    সিরিজ জয়ের উদ্দেশ্যে টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। সিরিজ নিশ্চিত করতে শুরুতেই পাকিস্তানকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছে স্বাগতিক টিম টাইগার্স। ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে মিরপুরের শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামে; শুরু সময় দুপুর ২টা ১৫ মিনিট।

    আগের প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশ ৮ উইকেটে সহজ জিতে নিয়েছিল সিরিজের বাড়তি সুবিধাটা। একটি ম্যাচ বাকি রেখে সিরিজ জয়ের দুর্দান্ত সুযোগ বাংলাদেশের সামনে—বিশ্বকাপের আগে নিজেদের প্রস্তুতি পুরোপুরি যাচাই করার জন্য এই সুযোগ হারাতে চায় না টিম টাইগার্স। তাই আজকের ম্যাচেও পুরো মনোযোগ নিবে দলটি।

    বাংলাদেশের একাদশ আগের ম্যাচের মতোই অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। অন্য দিকে পাকিস্তান একটি পরিবর্তন এনেছে—স্পিনার আবরার আহমেদের জায়গায় একাদশে সুযোগ পেয়েছেন পেসার হারিস রউফ। পাকিস্তান সিরিজে টিকে থাকতে এই ম্যাচে জয়ের চেষ্টা করবে।

    সিরিজের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানেররের টপ অর্ডার ভাঙিয়ে দেওয়ার কাজটি করেছেন বাংলাদেশ পেসার নাহিদ রানা; তার ক্যারিয়ারসেরা বোলিংয়ে তিনি ৫ উইকেট নিয়েছিলেন। সেই ফর্ম ধরে রাখতে হলে আজও বোলিংয়ে নির্ভর করতে হবে বাংলাদেশের ওপর।

    অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ ম্যাচের আগে বলেন, “এটা আমাদের জন্য দুর্দান্ত শুরু ছিল। দীর্ঘ সময় পর ওয়ানডে খেলায় সবাই ভালোভাবে মানিয়ে নিয়েছে। খেলোয়াড়রা কঠোরভাবে প্রস্তুতি নিয়েছে, আশা করছি তাদের পরিশ্রমে আমরা সিরিজ জিততে পারব।”

    বাংলাদেশ সম্ভাব্য একাদশ: সাইফ হাসান, তানজিদ হাসান তামিম, নাজমুল হোসেন শান্ত, লিটন দাস (উইকেটকিপার), মেহেদী হাসান মিরাজ, তাওহিদ হৃদয়, আফিফ হোসেন, তাসকিন আহমেদ, রিশাদ হোসেন, মুস্তাফিজুর রহমান, নাহিদ রানা।

    পাকিস্তান সম্ভাব্য একাদশ: সাহিবজাদা ফারহান, মাজ সাদাকাত, শামিল হোসেন, মোহাম্মদ রিজওয়ান (উইকেটকিপার), সালমান আগা, হুসেইন তালাত, আবদুল সামাদ, ফাহিম আশরাফ, শাহিন আফ্রিদি (অধিনায়ক), মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র, হারিস রউফ।

    দক্ষণে ক্রীড়া প্রেমীদের আগ্রহ থাকবে কে কেমন পারফর্ম করে এবং বাংলাদেশ কি সিরিজ জয়ের কাজটা আজই শেষ করতে পারবে—এই উত্তেজনাও ম্যাচে যোগ করবে বিশেষ মাত্রা।

  • দ্য হান্ড্রেডে প্রথম বাংলাদেশি মুস্তাফিজ, বেথেল ও ব্রুকসসহ বার্মিংহ্যাম শক্তিশালী স্কোয়াডে

    দ্য হান্ড্রেডে প্রথম বাংলাদেশি মুস্তাফিজ, বেথেল ও ব্রুকসসহ বার্মিংহ্যাম শক্তিশালী স্কোয়াডে

    ইংল্যান্ডের ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট দ্য হান্ড্রেডে প্রথম ছয়টি আসরে ক্রিকেটার বাছাই প্লেয়ার্স ড্রাফটের মাধ্যমে হলেও ২০২৬ সালের আসরের জন্য এবার প্রথমবার নিলামের মাধ্যমে খেলোয়াড় সংগ্রহ করা হয়। নিলকালে ইতিহাস গড়লেন মুস্তাফিজুর রহমান—বার্মিংহ্যাম ফিনিক্স তাকে কিনে নিয়ে প্রথমবারের মতো দ্য হান্ড্রেডে খেলার জন্য কোনো বাংলাদেশি ক্রিকেটারকে ঠিক করে দিলো। অন্যদিকে চূড়ান্ত তালিকায় জায়গা পাওয়া আরেক বাংলাদেশি রিশাদ হোসেন দল পাননি।

    বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে আগে থেকেই জনপ্রিয় এই বাঁ-হাতি পেসারকে দ্য হান্ড্রেডেও দলে পাওয়ার অপেক্ষা ছিল অনেকের। হান্ড্রেডে মুস্তাফিজের ভিত্তিমূল্য রাখা ছিল ১ লাখ পাউন্ড, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১ কোটি ৬৪ লাখ টাকারও বেশি। বার্মিংহ্যাম ফিনিক্সে মুস্তাফিজের সঙ্গে একই দলে খেলার জন্য একটা পরিমিত বিদেশি-নাগরিক ট্রান্সফারও সফল হয়েছে।

    বার্মিংহ্যাম ফিনিক্সের বড় খেলা ছিল ইংল্যান্ডের তরুণ ব্যাটিং অলরাউন্ডার জ্যাকব বেথেলকে নিলামে ধরে নেওয়া—সর্বোচ্চ দাম দিয়ে তাকে দলের সবচেয়ে দামী ক্রিকেটার করা হয়েছে। সদ্য সমাপ্ত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ভারতের বিপক্ষে বিধ্বংসী সেঞ্চুরি করেছে বেথেল; অল্প সময়েই তিন ফরম্যাটেই নিজের স্থান পাকাপোক্ত করা এই ২২ বছর বয়সী অলরাউন্ডারকে ফিনিক্স ৩ লাখ ৪০ হাজার পাউন্ডে নিয়েছে।

    তার সঙ্গে বার্মিংহ্যাম যে কয়েকজন খেলোয়াড়কে দলে এনেছে তাদের মধ্যে রয়েছেন: ইংল্যান্ডের লেগস্পিন অলরাউন্ডার রেহান আহমেদ (আড়াই লাখ পাউন্ড), দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটার দোনোভান পেরেইরা (২ লাখ ১০ হাজার পাউন্ড), অস্ট্রেলিয়ার আগ্রাসী ব্যাটার মিচেল ওয়েন (১ লাখ ৩০ হাজার পাউন্ড), পেসার সাকিব মাহমুদ (দেড় লাখ পাউন্ড), পাকিস্তানি স্পিনার উসমান তারিক (১ লাখ ৪০ হাজার পাউন্ড), লরি ইভানস (৮৫ হাজার পাউন্ড) এবং বিপিএলে নজর কাড়া উইকেটকিপার-ব্যাটার ইথান ব্রুকস (৭০ হাজার পাউন্ড) ইত্যাদি।

    আগামী ২১ জুলাই থেকে শুরু হয়ে ৬ আগস্ট পর্যন্ত চলবে দ্য হান্ড্রেডের সপ্তম আসর। দলে জায়গা পাওয়ার পর মুস্তাফিজ ফেসবুকের ভেরিফায়েড পেজে আনন্দ প্রকাশ করে লিখেছেন, ‘দ্য হান্ড্রেডে খেলার সুযোগ পেয়ে খুবই খুশি। বার্মিংহ্যাম ফিনিক্সের সঙ্গে আসন্ন মরসুমটি ভালোভাবে কাটানোর জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। সবাইকে ভালোবাসা ও সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ।’

    বার্মিংহ্যাম ফিনিক্সের স্কোয়াড (নিলামে ক্রয়ের মূল্যসহ) : জ্যাকব বেথেল (৩ লাখ ৪০ হাজার পাউন্ড), রেহান আহমেদ (আড়াই লাখ পাউন্ড), দোনোভান পেরেইরা (২ লাখ ১০ হাজার পাউন্ড), মিচেল ওয়েন (১ লাখ ৩০ হাজার পাউন্ড), সাকিব মাহমুদ (দেড় লাখ পাউন্ড), উসমান তারিক (১ লাখ ৪০ হাজার পাউন্ড), জো ক্লার্ক (৮৫ হাজার পাউন্ড), উল স্মিদ (৫৫ হাজার পাউন্ড), জর্ডান থম্পসন (৬০ হাজার পাউন্ড), স্কট কুরি (২ লাখ ১০ হাজার পাউন্ড), লরি ইভানস (৮৫ হাজার পাউন্ড), ক্রিস উড (৭০ হাজার পাউন্ড), ইথান ব্রুকস (৭০ হাজার পাউন্ড) ও মুস্তাফিজুর রহমান (১ লাখ পাউন্ড)।

  • বলিউড অভিনেত্রী নাতালিয়া ‘রাক্ষস’ ছবির আইটেম গানে

    বলিউড অভিনেত্রী নাতালিয়া ‘রাক্ষস’ ছবির আইটেম গানে

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের চলচ্চিত্র বিষয়ক গ্রুপ ও পেজগুলোতে একটি ছবি এবং ভিডিও দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে—যেটি অনেকেই দাবি করছেন যে তা ‘রাক্ষস’ ছবির আইটেম গানের শুটিংয়ের দৃশ্য। প্রযোজনা সংস্থা রিয়েল এনার্জি প্রডাকশন এখন সেটিই নিশ্চিত করেছে।

    রিয়েল এনার্জির অন্যতম কর্ণধার আজিম হারুন বলছেন, “এটি আমাদের ছবির আইটেম গানের একটি দৃশ্য, যা শুটিং সেট থেকেই সম্ভবত ফাঁস হয়েছে। ভিডিওতে যাকে দেখা যাচ্ছে তিনি হলেন বলিউড অভিনেত্রী নাতালিয়া জানোসজেক। তিনি গানটিতে সিয়াম আহমেদের সঙ্গে নাচ করেছেন। আমার ধারণা, এটা তার প্রথম কোনো বাংলা ছবির কাজ।”

    নাতালিয়া ইউরোপীয় বংশোদ্ভূত হলেও বলিউডে নিয়মিত কাজ করেছেন এবং কিছু ওপেনিং প্রোজেক্টে হলিউডেও দেখা গেছে। তাকে ‘হাউসফুল ৫’, ‘মাস্তি ৪’ ও ‘৩৬৫ ডেইজ’ মতো ছবিতে দেখা গেছে, এবং সালমান খানের অনুষ্ঠানে প্রদর্শিত রিয়ালিটি শো ‘বিগ বসেও’ অংশ নিয়েছেন।

    রিয়েল এনার্জির আরেক কর্ণধার শাহরীন আখতার সুমি জানিয়েছেন, গানটির কোরিওগ্রাফি করছেন বলিউডের পরিচিত কোরিওগ্রাফার আদিল শেখ। সংগীত পরিচালনা করেছেন জিএম আশরাফ এবং গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন জিএম আশরাফ ও দোলা। তিনি বলেন, “আমরা এই আইটেম গানটি বড় বাজেটে তৈরি করছি। দেশের বাইরে বিশাল আয়োজনে শুটিং হচ্ছে। আশা করছি দর্শকরা গানটি ভালোবাসবেন। আমাদের বিশ্বাস, এবারের ঈদের সেরা ছবিগুলোর মধ্যে থাকবে ‘রাক্ষস’। ”

    মেহেদী হাসান হৃদয় পরিচালিত ‘রাক্ষস’-এ প্রধান ভূমিকায় অভিনয় করেছেন সিয়াম আহমেদ ও কলকাতার অভিনেত্রী সুস্মিতা চ্যাটার্জি। রিয়েল এনার্জি আগেও শাকিব খান অভিনীত ‘বরবাদ’ প্রযোজনা করেছিল, যা ব্যবসায় সফল হয়েছিল—এ অভিজ্ঞতা তারাই কাজে লাগানোর চেষ্টা করছেন বলে প্রযোজনা সূত্রে জানা গেছে।

    প্রস্তুতি ও প্রকাশনার ধারায় এখন দর্শকের আগ্রহ তীব্র; leaked ক্লিপটির পরেই গান এবং ছবির মুক্তি সম্পর্কে ভক্ত ও সিনেমাপ্রেমীদের প্রত্যাশা বেড়েছে।

  • ৬৬ বছরে মা হচ্ছেন নীনা গুপ্তা? নিজেই গুজব খণ্ডন করলেন অভিনেত্রী

    ৬৬ বছরে মা হচ্ছেন নীনা গুপ্তা? নিজেই গুজব খণ্ডন করলেন অভিনেত্রী

    ভারতীয় সিনে জগতের বরিষ্ঠ অভিনেত্রী নীনা গুপ্তা সম্পর্কে কয়েকদিন ধরেই চলছিল তারা—তিনি ৬৬ বছর বয়সে গর্ভবতী। সামাজিক মাধ্যমে কয়েকটি ছবি ভাইরাল হতেই জল্পনা আরও তীব্র হয়। অবশেষে নিজেই মুখ খুলেছেন নীনা এবং এটিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন গুজব বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।

    এই আলোচনার সূত্রপাত হয় দক্ষিণী তারকা বিজয় দেবেরাকোন্ডা ও রাশমিকা মন্দানার বিবাহোত্তর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে নীনা ও তাঁর স্বামী বিবেক মেহরার ছবি ছড়ানোর পরে। আইভরি রঙের সিল্ক শাড়ি পরা নীনার কিছু ছবিতে তিনি পেটের ওপর হাত রাখা অবস্থায় তুলা-আকৃতির দেখাচ্ছিলেন, যা কিছু নেটিজেনকে ভাবিয়ে তুলেছিল। এরপরই অনেকে দাবী করতে শুরু করেন, ৬৬ বছর বয়সে নীনা মা হতে চলেছেন।

    জল্পনা প্রসঙ্গে নীনা নিজেই সোজাসাপ্টা প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। মজার ছলে তিনি বললেন, বাস্তবে ‘বাধাই হো’—এর মতো কোনও ঘটনা হলে তো ভালো হতো। তিনি ব্যাখ্যা করেছেন যে সেদিন পরা শাড়ির কাপড় বেশ মোটা ছিল, ফলে ছবিতে পেটের অংশ একটু ফোলা-ই দেখাচ্ছিল।

    নীনা এই বিষয়টিকে ধরে বিরক্ত না থেকে বরং হালকাভাবে নিচ্ছেন এবং বলছেন, এই বয়সেও তাকে নিয়ে আলোচনার বিষয় হওয়া একরকম ইতিবাচকভাবেই দেখছেন।

    ব্যক্তিগত জীবন প্রসঙ্গে বলা যায়, নীনা গুপ্তা ২০০৮ সালে দিল্লির ব্যবসায়ী বিবেক মেহরার সঙ্গে বিয়ে করেছেন। তার আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজ কিংবদন্তি ক্রিকেটার ভিভিয়ান রিচার্ডসের সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল। তাদের একমাত্র কন্যা মাসাবা গুপ্তা বর্তমানে ভারতের একজন পরিচিত ফ্যাশন ডিজাইনার।

    উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের জনপ্রিয় ছবি ‘বাধাই হো’তে তিনি একজন বয়স্ক গর্ভবতী নারীর চরিত্রে অভিনয় করে প্রশংসা পেয়েছিলেন—সম্ভবত তাই তৎকালীন ছবির রেশ থেকেই এবার মজার এই জল্পনার সূত্র পায়।

  • ‘ছাত্রলীগ ধরছি’ পোস্টের পর ছাত্রশক্তি নেতা সাইফুল্লাহর গ্রামের বাড়িতে আগুন

    ‘ছাত্রলীগ ধরছি’ পোস্টের পর ছাত্রশক্তি নেতা সাইফুল্লাহর গ্রামের বাড়িতে আগুন

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজী মুহাম্মদ মুহসীন হল সংসদের সমাজসেবা সম্পাদক ও জাতীয় ছাত্রশক্তির ঢাবি শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সাইফুল্লাহর গ্রামের বাড়িতে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। সাইফুল্লাহর গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার ধোবাউড়া উপজেলার ডোমগাটা গ্রামের বাসিন্দা।

    ঘটনা ঘটেছে বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) রাত সাড়ে ৩ টার পর। এ ঘটনার পর থেকেই পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

    সাইফুল্লাহ জানান, রাতে প্রায় ৩টা ১০ মিনিটের দিকে বাড়ির একটি রান্নাঘরে আগুন দেওয়া হয় এবং বসতঘরে ছুরি দিয়ে কোপার মতো করে আগুন ধরানোর চেষ্টা করা হয়। ‘‘বসতঘরের আগুন বড় হওয়া আগেই আমরা নিভিয়ে ফেলেছি,’’ তিনি বলেন।

    পরিবারে ছিলেন তার বাবা-মা, বড় ভাই জয়নাল আবেদীন, নিজ স্ত্রী ও দুই সন্তান। সাইফুল্লাহ বলেন, ‘‘অনেক আগে থেকেই ছাত্রলীগ-আওয়ামী লীগ নানা ভাবে হুমকি দিচ্ছিলো। সাম্প্রতিককালে হুমকিই বেড়েছে। এলাকায় সরাসরি কোনো ক্ষোভ না থাকলেও ফেসবুকে কিছু পোস্ট ও হুমকিমূলক বার্তা ছিল।’’

    সে ঘটনার পর সাইফুল্লাহ দাবি করেন যে হোয়াটসঅ্যাপ ও ম্যাসেঞ্জারে বার্তা পাঠিয়ে বলা হয়েছে— ‘তোর বাড়িতে আগুন দিলাম, ভাগ্যিস তুই নেই। তোর ছেলে-মেয়ে বেঁচে গেল।’ ঘটনাকে তিনি সরাসরি রাজনৈতিক দলটির কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত করে দেখছেন, তবে এখনই পুলিশি তদন্ত চলছে।

    ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এনসিপি মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তিনি সাইফুল্লাহর পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের সান্ত্বনা দেন এবং ঘটনাটির দ্রুত তদন্ত করে সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। পরিদর্শনকালে তিনি রাষ্ট্রের বিভিন্ন পর্যায়ে আওয়ামী লীগের পুনর্বাসনের অভিযোগ তুলে ক্ষোভও প্রকাশ করেন এবং দলীয় সন্ত্রাস প্রতিরোধে নাগরিক উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।

    অন্যদিকে ধোবাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে তাদের তদন্তে জানা গেছে লাকড়ির এক কক্ষে আগুন লেগেছে। বসতঘরের টিনের বেড়ায় তিনটি কোপের চিহ্ন ও টিন কাটা痕 দেখা গেছে। স্থানীয়রা নিজেই আগুন নিভিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘‘তদন্ত শেষে প্রমাণ-সাক্ষ্য মিললে পরে বিস্তারিত বলা হবে; এই পর্যায়ে বিষয়টি বিচার করা premature। সেখানে জয়নালের বক্তব্য ছিল স্লোগান দিয়ে এসে এমন ঘটনা ঘটানো হয়েছে, কিন্তু আমাদের কাছে এখন পর্যন্ত আর কোনো স্বতন্ত্র প্রত্যক্ষদর্শীর বিবৃতি নেই।’’

    পুলিশ তদন্তে জড়িত অন্যান্য তথ্য ও ক্ষতচিহ্ন যাচাই করছে। স্থানীয়রা বলছে পরিবার উদ্বিগ্ন; রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান ও প্রশাসন যাতে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেয় এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়, সেই আহ্বান শোনা যাচ্ছে।

  • নবনির্বাচিত স্পিকার-ডেপুটি স্পিকারের জিয়া ও খালেদার সমাধিতে শ্রদ্ধা

    নবনির্বাচিত স্পিকার-ডেপুটি স্পিকারের জিয়া ও খালেদার সমাধিতে শ্রদ্ধা

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নবনির্বাচিত স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম ও ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম) ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

    শুক্রবার (১৩ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তারা সেখানে ফাতেহা পাঠ করেন, দোয়া করেন এবং পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তারা ও কর্মচারীরাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

    এর আগে সকাল সোয়া ১০টার দিকে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। সেখানে তারা শহীদদের স্মরণে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।

  • সংসদ যেন কারও চরিত্রহননের কেন্দ্র না হয় — জামায়াত আমির

    সংসদ যেন কারও চরিত্রহননের কেন্দ্র না হয় — জামায়াত আমির

    জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান আশা প্রকাশ করেছেন, নতুন সংসদ যেন কারও চরিত্রহননের জায়গায় পরিণত না হয় এবং আলোচনা দেশের মানুষের কল্যাণের ওপর কেন্দ্রীভূত থাকে।

    বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের প্রথম দিনে বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্যে তিনি বলেন, অতীতে সংসদে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও চরিত্রহনের জন্য অপ্রয়োজনীয় সময় ব্যয় হয়েছে; ফলে জনগণের কল্যাণমূলক বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা স্তরহীন হয়েছে। নতুন সংসদে সেই মন্দ নিয়ম আর পুনরাবৃত্তি না হলে ভালো হয়, এমনটাই তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

    স্পিকারের প্রতি সরাসরি মনোনিবেশ করে ডা. শফিকুর বলেন, ‘‘আপনার কাছে আমরা সরকারি দল বা বিরোধী দল—সবকিছুকে আলাদা করে দেখার আশা রাখি না; আমরা আপনার কাছ থেকে ন্যায়বিচার ও সমতা পাব বলে আশা করি। জাতির কল্যাণে আমরা যেসব প্রশ্ন তোলতে চাই, সেগুলো বলার সুযোগ পেতে চাই।’’

    তিনি আরও বলেন, ‘‘আপনার নেতৃত্বে সংসদকে গতিশীল দেখতে চাই। অতীতে যে দোষের নজির গড়া হয়েছে, সেটি নতুন করে সৃষ্টি না হওয়া প্রত্যাশা করি। আজকের সংসদে অনেক নতুন ও তরুণ সদস্য এসেছেন। বয়সে আমি একটু বড় হলেও মানসিকভাবে আমি একজন তরুণেই গণ্য হই; তাই আমি তাদেরই অংশ মনে করি।’’

    ডা. শফিকুর রহমান স্পিকারের কাছে অনুরোধ করে বলেন, ‘‘এই সংসদ যেন আর কারও চরিত্রহননের কেন্দ্রে পরিণত না হয়। আপনার প্লাটফর্ম থেকে কেউই এমন সামান্যতম সুযোগও পেলে চলবে না।’’

    বক্তব্যের শেষ অংশে তিনি আবারও ন্যায়বিচার দাবি করেন এবং অতীতের নির্যাতন, হত্যা ও গুমের ঘটনা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, ‘‘জুলাই অভ্যুত্থানসহ বিভিন্ন সময় অনেকে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, জীবন দিয়েছেন এবং গুম হয়েছেন। তখন আমাদের স্লোগান ছিল ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’। আজও আমি সেই স্লোগান দিতে চাই—আমরা ন্যায়বিচার চাই।’’

  • শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি: ১৭ বছরের জঞ্জাল বিএনপিকে পরিষ্কার করতে হবে

    শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি: ১৭ বছরের জঞ্জাল বিএনপিকে পরিষ্কার করতে হবে

    পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, গত ১৭ বছরের জমে থাকা জঞ্জাল বিএনপিকে পরিষ্কার করতে হবে। বর্জ্য-আবর্জনা সরানো আমাদের অগ্রাধিকার—এটাই এখন করতে হবে।

    শুক্রবার (১৩ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টায় লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার মান্দারি বাজার এলাকায় খাল খনন কার্যক্রম পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে তিনি এসব কথা বলেন।

    মন্ত্রী জানান, যেহেতু আমরা এক নির্বাচিত সরকার, তারেক রহমানের নেতৃত্বে সব কাজ সুশৃঙ্খলভাবে বাস্তবায়ন করা হবে এবং বিভাগগুলোতে শহীদদের সম্মানও নিশ্চিত করা হবে। একই সঙ্গে খাল দখলমুক্তকরণে বিশেষ জোর দেওয়া হবে।

    তিনি বলেন, খাল খনন কাজ শুরু হলে সচেতন নাগরিক ও স্থানীয়দের সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রয়োজন। ‘‘দেশপ্রেমিক সরকার হিসেবে আমরা সর্বস্তরের মানুষদের সহমত ও সহযোগিতা চাই,’’ মন্ত্রী যোগ করেন।

    মন্ত্রী আরও জানান, ১৬ মার্চ দিনাজপুরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। কাহারোল উপজেলার বলরামপুরে প্রায় সাড়ে ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ সাহাপাড়া খাল খননের আনুষ্ঠানিক সূচনা করবেন তিনি। এছাড়া সারা দেশে খাল খনন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে এবং ইতোমধ্যে লক্ষ্মীপুরে তিনটি খাল পরিদর্শন করা হয়েছে।

    শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেন, সবচেয়ে জরুরি কাজ হচ্ছে খালে জমে থাকা বর্জ্য-আবর্জনা প্রথমে পরিষ্কার করা এবং অবৈধ দখলমুক্ত করা। এ কাজ যদি না করা হয়, তাহলে জনগণ প্রকৃত সুফল পাবেন না; খাল পুনরুদ্ধার হলে জনগণের দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষা পূরণ হবে।

  • খেলাপি ঋণ আদায় ত্বরান্বিত করতে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগে নির্দেশনা দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

    খেলাপি ঋণ আদায় ত্বরান্বিত করতে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগে নির্দেশনা দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

    কেন্ড্রীয় ব্যাংক খেলাপি ঋণের বিরোধ দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য তফসিলি ব্যাংকগুলোকে দক্ষ মধ্যস্থতাকারী (মেডিয়েটর) নিয়োগের নির্দেশনা জারি করেছে। বুধবার প্রকাশিত সার্কুলারে বলা হয়েছে, আদালতে মামলা করার আগে ‘প্রাক-মামলা মধ্যস্থতা’ পদ্ধতিতে বিরোধ সমাধান করলে মামলার জট কমবে এবং দ্রুত আর্থিক পুনরুদ্ধার সম্ভব হবে।

    নতুন নীতির মাধ্যমে ব্যাংকগুলোকে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) প্রক্রিয়ার আওতায় ২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে মোট খেলাপি ঋণের অন্তত ১ শতাংশ আদায় করে নিবিড় ফলাফল দেখাতে বলা হয়েছে। সময়সীমা নির্ধারণের এ উদ্যোগকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক(bank) খাতের তারল্য ও আর্থিক স্থিতি উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। বর্তমান অনাদায়ীকৃত ঋণের পরিস্থিতিতে মধ্যস্থতার মাধ্যমে এই লক্ষ্য অর্জনকে জাতীয় পর্যায়ে ঋণ পুনরুদ্ধারের কার্যক্রমে সহায়ক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    সার্কুলারটি ২০২৪ সালের ২২ মে জারি করা বিএরপিডি সার্কুলার নং-১১-এর ধারাবাহিকতা রক্ষা করে but নতুন নির্দেশনায় আদালতে মামলা দায়েরের আগেই বিরোধ নিষ্পত্তির ওপর বিশেষ জোর দেয়া হয়েছে। এছাড়া অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩ ও দেউলিয়া আইন, ১৯৯৭-এর আওতায় যেতে পারে এমন মামলাগুলোরও আদালতে যাওয়ার আগেই সমাধানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

    মধ্যস্থতা প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নির্দেশ দিয়েছে যে, মধ্যস্থতাকারীদের পছন্দ করতে হবে বিদ্যমান আইন অনুসারে গঠিত বিশেষায়িত মধ্যস্থতা সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্যানেল থেকে। ঐ প্যানেলে সাধারণত অবসরপ্রাপ্ত বিচারক, ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং অভিজ্ঞ পেশাজীবীরা আর্ভুক্ত থাকবেন।

    সার্কুলারে মধ্যস্থতাকারী নির্বাচনের জন্য দশটি যোগ্যতা ও অযোগ্যতার শর্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে প্যানেল সদস্যপদ যাচাই, মধ্যস্থতাকারীর নিরপেক্ষতা, পেশাগত সুনাম, বিশেষজ্ঞ দক্ষতা, মধ্যস্থতা সংক্রান্ত জ্ঞান, প্রমাণিত অভিজ্ঞতা, পরিষ্কার আইনি রেকর্ড, আর্থিক সততা, খেলাপি ঋণের গ্রাহক না হওয়া এবং পর্যাপ্ত আর্থিক সক্ষমতা।

    নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যাংকগুলোকে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগে কঠোর প্রশাসনিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে; নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে হলফনামা ও অঙ্গীকারপত্র গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পাশাপাশি এই মধ্যস্থতা সুবিধা সম্পর্কে গ্রাহকদের সচেতন করতে তফসিলি ব্যাংকগুলোকে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে বলা হয়েছে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলেছে, আদালতের বাইরে দ্রুত সমঝোতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি করে দীর্ঘস্থায়ী আইনি প্রক্রিয়ার বিকল্প হিসেবে কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। এ থেকে ব্যাংক খাতের ঋণ পুনরুদ্ধার বাড়বে, আর্থিক সুশাসন শক্তিশালী হবে এবং মামলার ব্যস্ততা কমে বিচারপ্রণালীও আরও ফলপ্রসূ হবে।

  • ভরিতে সোনার দাম ছাড়াল ২ লাখ ৭০ হাজার

    ভরিতে সোনার দাম ছাড়াল ২ লাখ ৭০ হাজার

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) টানা দ্বিতীয় দিনের মতো সোনার দাম বাড়িয়েছে। বুধবার (১১ মার্চ) সকালে প্রকাশ করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, এবার প্রতি ভরিতে দামে দুই হাজার টাকারও বেশি বৃদ্ধি করে ২২ ক্যারেটের সোনার এক ভরির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০ টাকা। নতুন এই দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।

    বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্য বাড়ায় সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সোনার নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন অনুযায়ী প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) বিভিন্ন ক্যারেটের দাম হয়েছে—২২ ক্যারেট: ২,৭০,৪৩০ টাকা; ২১ ক্যারেট: ২,৫৮,১২৪ টাকা; ১৮ ক্যারেট: ২,২১,২৬৬ টাকা; এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১,৮০,৬১৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    সোনার পাশাপাশি রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। প্রতি ভরিতে রুপার দাম ১৭৫ টাকা বৃদ্ধি করে ২২ ক্যারেটের এক ভরির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৬,৭০৭ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৬,৪১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৫,৪৮২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৪,০৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    বজুসের এই সংশোধিত মূল্য ঘোষণায় গহনা ক্রেতা ও বিক্রেতাদের ব্যবসায়িক সিদ্ধান্তে প্রভাব পড়তে পারে এবং বাজারে দাম সম্পর্কে সতর্কতা তৈরি হতে পারে।