Blog

  • সংসদ যেন কারও চরিত্রহননের মঞ্চে পরিণত না হয়: জামায়াত আমির

    সংসদ যেন কারও চরিত্রহননের মঞ্চে পরিণত না হয়: জামায়াত আমির

    জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান আশা প্রকাশ করেছেন যে জাতীয় সংসদ কোনো ব্যক্তির চরিত্রহননের কেন্দ্র হয়ে উঠবে না। তিনি বলেন, সংসদ যেন দেশের কল্যাণে কাজ করা একটি কার্যকরী প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করে।

    বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের প্রথম দিনে বিরোধী দলের নেতা হিসেবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে অতীতের কিছু অধিবেশনে দেশের মানুষের কল্যাণের বিষয় নিয়ে যে পরিমাণ আলোচনা হওয়া উচিত ছিল, তার চেয়ে অনেক সময় ব্যক্তিগত আক্রমণ ও চরিত্রহাননে ব্যয় হয়েছে।

    শফিকুর রহমান স্পিকারের প্রতি বিশেষ অনুরোধ করেন যে সরকারি দল ও বিরোধী দলের সদস্যদের মধ্যে পক্ষপাত দেখানো হলে চলবে না। ‘‘আপনার কাছে সরকারি দল ও বিরোধী দল আলাদা কিছু হবে না—এমনটাই আমরা আশা করি। আপনার কাছ থেকে সুবিচার পাব, জাতির কল্যাণে আমরা যে কথা বলতে চাই, তা বলার সুযোগ পাব,’’ তিনি বলেন।

    তিনি আশা ব্যক্ত করেন নতুন সংসদটি গতিশীল হবে এবং পুরনো খারাপ নজির পুনরাবৃত্তি হবে না। এছাড়া তিনি বলেন, আজকের এই সংসদে অনেক নতুন তরুণ সদস্য এসেছেন। বয়সে হয়তো আমিও কিছুটা বড়, তবু নিজেকে তরুণ মনে করেন এবং বললেন—তার জীবনে এটি প্রথম সংসদ।

    বিরোধী দলীয় নেতা পুনরায় বলেন, অতীতের সংসদগুলোতে দেশের মানুষের কল্যাণের বিষয়গুলো ভুলে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও চরিত্রহননের জন্য সময় ক্ষেপণ হয়েছে; নতুন সংসদে এ ধরনের আচরণ বন্ধ হওয়া জরুরি। তিনি স্পিকারকে অনুরোধ করেন যেন কেউ সামান্যতম সুযোগও পায় না কারো চরিত্রহননের জন্য।

    বক্তব্যের শেষভাগে ডা. শফিকুর রহমান জাতীয় জীবনে ঘটে যাওয়া নির্যাতন, গ্রেফতার ও গুমের ঘটনাসমূহের কথা স্মরণ করিয়ে বলেন যে বহু মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, অনেকে জীবনও দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘‘জুলাই অভ্যুত্থানসহ বিভিন্ন সময়ে অসংখ্য মানুষ নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, অনেকে জীবন দিয়েছেন, গুমের শিকার হয়েছেন।’’ এরপর তিনি আবারও পুরনো স্লোগান উদ্ধৃত করে বলেন, ‘‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’’—এখনও তিনি সেই স্লোগান দিতে চান।

  • ২২ ক্যারেট সোনার ভরির দাম ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০ টাকা ছাড়ালো

    ২২ ক্যারেট সোনার ভরির দাম ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০ টাকা ছাড়ালো

    টানা দ্বিতীয় দিন সোনার দাম বাড়ল — বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) বুধবার সকালে ঘোষণা করে ২২ ক্যারেট সোনার প্রতি ভরিতে ২ হাজার টাকার বেশি বৃদ্ধি রেখে দাম নির্ধারণ করেছে ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০ টাকা। নতুন এই দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়।

    বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনা (পিওর গোল্ড)-র মূল্য বেড়ে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতিটি ভরি=১১.৬৬৪ গ্রাম হিসেবে দেশের বাজারে এখন সোনার দর নির্ধারণ করা হলো — ২২ ক্যারেট: ২,৭০,৪৩০ টাকা; ২১ ক্যারেট: ২,৫৮,১২৪ টাকা; ১৮ ক্যারেট: ২,২১,২৬৬ টাকা; এবং সনাতনী পদ্ধতির সোনা প্রতি ভরি: ১,৮০,৬১৭ টাকা।

    সোনার সঙ্গে রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। প্রতি ভরি রুপার দাম ১৭৫ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৬,৭০৭ টাকা। সমতুল্যভাবে ২১ ক্যারেট রুপা ৬,৪১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট রুপা ৫,৪৮২ টাকা এবং সনাতনী পদ্ধতির রুপা প্রতি ভরি ৪,০৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    বাজুসের এই নতুন মূল্য নির্দেশিকা ভোর থেকে কার্যকর থাকায় ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের জন্য বাজারে ক্রমশ মূল্য সমন্বয় দেখা যাবে।

  • বাংলাদেশ ব্যাংক নির্দেশ: খেলাপি ঋণ আদায়ে তফসিলি ব্যাংকে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ বাধ্যতামূলক

    বাংলাদেশ ব্যাংক নির্দেশ: খেলাপি ঋণ আদায়ে তফসিলি ব্যাংকে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ বাধ্যতামূলক

    বাংলাদেশ ব্যাংক খেলাপি ঋণ সংক্রান্ত বিরোধ দ্রুত নিষ্পত্তি করার লক্ষ্যে তফসিলি ব্যাংকগুলোকে দক্ষ মধ্যস্থতাকারী (মিডিয়েটর) নিয়োগের নির্দেশনা জারি করেছে। চারপাশে সময়সীমা দিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বুধবার একটি সার্কুলার প্রকাশ করেছে, যাতে আদালতে মামলা দায়েরের আগেই ‘প্রাক-মামলা মধ্যস্থতা’ পদ্ধতিতে সমাধানের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

    সার্কুলারে বলা হয়েছে, বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে তফসিলি ব্যাংকগুলোকে তাদের মোট খেলাপি ঋণের অন্তত ১ শতাংশ নিষ্পত্তি করতে হবে। এই সময়সীমা ব্যাংক খাতের তারল্য এবং আর্থিক স্থিতি বজায় রাখার প্রয়াসে নির্ধারণ করা হয়েছে।

    নতুন উদ্যোগের লক্ষ্য শুধু দ্রুত টাকা আদায় নয়—একসাথে এটি বিচার ব্যবস্থায় মামলা কমিয়ে দীর্ঘ এবং ব্যয়সাপেক্ষ আইনি প্রক্রিয়ার বিকল্প হিসেবে কার্যকর সমঝোতার সুযোগ তৈরি করতে চায়। বিশেষ করে অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এবং দেউলিয়া আইন, ১৯৯৭-এর আওতায় যেতে পারে এমন বিরোধ আদালতে যাওয়ার আগে মীমাংসার সুযোগ পাবে।

    সার্কুলারে নির্দেশনা বেঁধে দেওয়া হয়েছে যে, মধ্যস্থতাকারী নির্বাচন করতে হবে বিদ্যমান আইন অনুযায়ী নিবন্ধিত এবং বিশেষায়িত মধ্যস্থতা সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর গঠিত প্যানেল থেকে। ওই প্যানেলে সাধারণত অবসরপ্রাপ্ত বিচারক, ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং নির্ভরযোগ্য অভিজ্ঞ পেশাজীবীরা অন্তর্ভুক্ত থাকবেন।

    মধ্যস্থতাকারী হওয়া বা প্যানেলে থাকার জন্য সার্কুলারে মোট ১০টি যোগ্যতা ও অযোগ্যতার শর্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে প্যানেল সদস্যপদ যাচাই, নিরপেক্ষতা, পেশাগত সুনাম, বিশেষজ্ঞ দক্ষতা ও মধ্যস্থতা সম্পর্কিত জ্ঞান, প্রমাণিত অভিজ্ঞতা, পরিষ্কার আইনি রেকর্ড, আর্থিক সততা, খেলাপি না থাকা এবং যথাযথ আর্থিক সক্ষমতা।

    ব্যাংকগুলোকে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগের ক্ষেত্রে কঠোর প্রশাসনিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে এবং নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট মধ্যস্থতাকারীগণের হলফনামা ও অঙ্গীকারপত্র গ্রহণ বাধ্যতামূলক রাখা হয়েছে।

    এছাড়া, গ্রাহকদের মধ্যে এসব মধ্যস্থতা সুবিধা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর দায়িত্বও ব্যাংকগুলোর ওপর দেওয়া হয়েছে, যাতে ঋণগ্রহীতারা আদালত ছাড়াই দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে আপস-মীমাংসার সুবিধা ব্যবহার করতে পারে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলেছে, এই নির্দেশনা ২০২৪ সালের ২২ মে জারি করা বিএরপিডি সার্কুলার নং-১১-এর ধারাবাহিকতা বজায় রেখে আনা হয়েছে, তবে নতুন নীতিমালা বিশেষভাবে আদালতে মামলা দায়েরের আগেই বিরোধ মীমাংসায় জোর দিচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মতে, মধ্যস্থতার মাধ্যমে ক্ষুদ্র ও বৃহৎ উভয় স্তরের খেলাপি ঋণ পুনরুদ্ধারে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ, দ্রুত কার্যকরী এবং সুসংগঠিত পদক্ষেপ হবে।

  • বসরার কাছে ট্যাংকারে হামলায় ভারতীয় নাবিক নিহত

    বসরার কাছে ট্যাংকারে হামলায় ভারতীয় নাবিক নিহত

    ইরাকের বসরা বন্দরের নিকট জলসীমায় এক মার্কিন মালিকানাধীন তেলবাহী ট্যাংকারে হামলায় একজন ভারতীয় নাবিক নিহত হয়েছেন।

    বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বাগদাদস্থ ভারতীয় দূতাবাস এই ঘটনায় হতাহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছে। দূতাবাস জানিয়েছে, মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের পতাকাবাহী এবং মার্কিন মালিকানাধীন অপরিশোধিত তেলবাহী ট্যাংকার ‘সেফসি বিষ্ণু’ বসরা বন্দরের কাছাকাছি হামলার শিকার হয়, এবং সেখানে দুর্ভাগ্যবশত একজন ভারতীয় ক্রু প্রাণ হারান।

    দূতাবাসের বরাতে জানানো হয়েছে, বাকিদের মধ্যে ১৫ জন ভারতীয় ক্রুকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে; নিহতের পরিচয় এখনো প্রকাশ করা হয়নি। দূতাবাস মৃত নাবিককে উদ্ধার করা বাকি পরিবারকে সাহায্যসহ প্রয়োজনীয় সকল সহযোগিতা প্রদানে ইরাকি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে।

    ইরাকি সেনাবাহিনীর এক মুখপাত্র জানান, বসরা প্রদেশের আল-ফাও বন্দরের কাছে দুইটি বিদেশি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার ঘটনায় একজন নাবিক নিহত হয়েছেন এবং ঘটনাস্থল থেকে আরও ৩৮ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। ইরাকের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইএনএ জানিয়েছে, এখনও নিখোঁজদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।

    প্রাথমিক প্রতিবেদনগুলো বলছে, হামলাটি বিস্ফোরকবাহী বোট ব্যবহার করে করা হয়েছিল যা দুটি ট্যাংকারে আগুন ধরিয়ে দেয়। এই ঘটনার পরে ইরাকের সব তেলবন্দরের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে; যদিও বাণিজ্যিক বন্দরগুলোর কাজকর্ম স্বাভাবিকভাবে চালু রয়েছে।

    ঘটনার বিবরণ ও হতাহতদের সুস্থতা সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া এড়িয়োলে দূতাবাস এবং ইরাকি কর্তৃপক্ষ পরবর্তী আপডেট জানাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • ইরান দাবি: শিন বেট সদরদপ্তর ও দুই বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলা

    ইরান দাবি: শিন বেট সদরদপ্তর ও দুই বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলা

    ইরান বৃহস্পতিবার জানিয়েছে যে তারা ড্রোন ব্যবহার করে ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেটের সদরদপ্তর এবং দু’টি বিমানঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। এটি ইরানের সামরিক বাহিনীর এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।

    বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী ভূমধ্যসাগর উপকূলে অবস্থিত পালমাহিম বিমানঘাঁটি এবং দক্ষিণ ইসরায়েলের ওভদা বিমানঘাঁটিকে লক্ষ করে হামলা চালিয়েছে, পাশাপাশি তেল আবিবে অবস্থিত শিন বেটের সদর দফতরও নকশা করা লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে ছিল।

    ইসরায়েলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ইরানের এ হামলায় গত ২৪ ঘণ্টায় অন্তত ১৭৯ জন আহত হয়েছেন; তাঁদের অনেকেরই অবস্থা হালকা। মন্ত্রণালয় বলেছে, যুদ্ধে শুরু হওয়ার পর থেকে ইরানে পরিচালিত হামলায় আক্রান্তের সংখ্যা মোট ২ হাজার ৭৪৫ জনে পৌঁছেছে।

    এদিকে কুয়েতেও বিমানবন্দরে ড্রোন আঘাতের ঘটনা এসেছে। কুয়েতের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা কুনা জানিয়েছে যে কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কয়েকটি ড্রোন আঘাত করেছে এবং দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ বলছে এতে কিছু অবকাঠামোগত ক্ষতি হয়েছে।

    এই ঘটনার বিবরণ আল জাজিরা ও এএফপি থেকে পাওয়া সংবাদে বলা হয়েছে। উভয় পক্ষের দাবির স্বাধীনভাবে তৎক্ষণাৎ যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

  • খুলনায় মানববন্ধন: শ্রমিকদল নেতা মাসুম বিল্লাহ হত্যাকারী ও অর্থদাতাদের গ্রেফতারের দাবি

    খুলনায় মানববন্ধন: শ্রমিকদল নেতা মাসুম বিল্লাহ হত্যাকারী ও অর্থদাতাদের গ্রেফতারের দাবি

    রূপসা উপজেলা শ্রমিক দলে সাবেক আহ্বায়ক ও রূপসা‑বাগেরহাট আন্তঃজেলা সড়কপরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি মাসুম বিল্লাহ হত্যাকারী ও অর্থযোগানদাতাদের দ্রুত গ্রেফতা করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুর ১২টায় খুলনার পিকচার প্যালেস মোড়ে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

    মানবন্ধনটি সভাপতিত্ব করেন সাবেক ইউপি সদস্য ও বিএনপি নেতা বসির হায়দার পল্টু। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোল্লা খাইরুল ইসলাম, সাবেক সহ-সভাপতি আব্দুর রশিদ শেখ, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি উজ্জ্বল কুমার সাহা, জেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ ও জেলা শ্রমিক দলের যুগ্ম-সম্পাদক এস এম কামরুজ্জামান।

    আলী আকবর রাজুর পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন রূপসা-বাগেরহাট বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মহিউদ্দিন শেখ, সাবেক ছাত্রনেতা মনজুর আরেফিন, জেলা মহিলা দলের যুগ্ম-সম্পাদক মনিরা সুলতানা, থানা শ্রমিক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইউনুস গাজী, উপজেলা শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জালাল হাওলাদার, যুগ্ম আহ্বায়ক তরিকুল ইসলাম তরিক ও যুগ্ম আহ্বায়ক লাভলু শেখ।

    এছাড়া বিএনপি নেতা মাজারুল ইসলাম, বাবুল শেখ, জাকির হোসেন, বাগমারা বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হোসাইন, সাবেক সভাপতি হুমায়ুন শেখ, ট্রলার মাঝি শ্রমিক ইউনিয়নের আলী শিকদারও বিভিন্ন বক্তব্যে হত্যাকারী ও অর্থদাতাদের দ্রুত গ্রেফতার ও কড়া শাস্তির ওপর জোর দেন। অনুষ্ঠানে নিহত মাসুম বিল্লাহর ছেলে আবিদ হুসাইনও উপস্থিত ছিলেন।

  • রামপালে মুখোমুখি সংঘর্ষে শিশুসহ ১২ জন নিহত

    রামপালে মুখোমুখি সংঘর্ষে শিশুসহ ১২ জন নিহত

    বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার বেলাইব্রিজ এলাকায় বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুর তিনটার দিকে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর একটি বাস ও যাত্রীবাহী মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে শিশুসহ ১২ জন মারা গেছেন। তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের নাম-ঠিকানা জানা যায়নি।

    সংঘর্ষের পর আটজনের মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে এবং বাকি চারজনের মরদেহ রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। হাসপাতালে পৌঁছুকালে জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা ঘটনাস্থল ও আহতদের অবস্থার বর্ণনা দিয়েছেন।

    প্রতক্ষদর্শীরা জানান, যে সময়ে দুর্ঘটনাটি ঘটে যানবাহন দুটির গতিবেগ খুব বেশি ছিল। দ্রুত গতিতে সংঘর্ষ হলে ঘটনাস্থলেই কয়েকজন যাত্রী নিহত হন এবং আরও অনেকে গুরুতর আহত হন।

    দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সহ উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার ও উদ্ধারকাজ শুরু করে। আহতদের মধ্যে অনেককেই রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

    রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সুকান্ত কুমার পাল জানান, আদি হিসাব অনুযায়ী চারজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে; তবে হাসপাতালে আরও মরদেহ আসায় মোট নিহতের সংখ্যা বাড়তে পারে।

    খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মেহেনাজ মোশাররফ জানিয়েছেন, সন্ধ্যা পৌনে ছয়টা পর্যন্ত হাসপাতলে আটজনের মরদেহ এসেছে। এর মধ্যে তিনজন শিশু, তিনজন নারী এবং দুইজন পুরুষ রয়েছেন। এছাড়া একজন আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন এবং তার চিকিৎসা চলছে।

    স্থানীয়রা বলছেন, হতাহত ও আহতদের পরিবারের খোঁজ নেয়া হচ্ছে, তবে অনেকের নাম-ঠিকানা পাওয়া যাচ্ছে না। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    এক স্থানীয় বাসিন্দা মিঠু জানান, তার পরিবারের বড় ছেলে জনি ফোন করে বলেছিল—‘আমি ছাড়া পরিবারের সবাই একই গাড়িতে ছিল, তারা সবাই মারা গেছে। আমি রামপাল হাসপাতালে যাচ্ছি, তোমরা খুলনা মেডিকেলে চলো।’ মিঠু বলেন, তারা হাসপাতালে এসে কাউকে জীবিত পাননি, সবাই মারা গেছে।

    বর্ধমান তদন্ত চলছে; পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দুর্ঘটনার সঠিক কারণ শনাক্ত করতে চেষ্টা করছে।

  • বাংলাদেশ আমাদের ‘দুমবার’ মতো পিটিয়েছে, ভয় লাগছে—সহযোগী দেশ হয়ে যাচ্ছি কি না: মোহাম্মদ আমির

    বাংলাদেশ আমাদের ‘দুমবার’ মতো পিটিয়েছে, ভয় লাগছে—সহযোগী দেশ হয়ে যাচ্ছি কি না: মোহাম্মদ আমির

    বছরের প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচে বড় ব্যবধানে জিতেছে বাংলাদেশ। ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে টাইগাররা পাকিস্তানকে আট উইকেটের বদলে ৮ উইকেটে হারিয়েছে। নাহিদ রানা ও মেহেদী হাসান মিরাজের তৎপর বোলিংয়ে সফরকারীরা মাত্র ১১৪ রানে অলআউট হয়; এরপর লক্ষ্য তাড়া করে বাংলাদেশ মাত্র ১৫.১ ওভারে দুই উইকেট হারিয়ে জয় নিশ্চিত করে।

    পাকিস্তানি পেসার মোহাম্মদ আমির তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ম্যাচ ও পাকিস্তান দলের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে কাটাছেঁড়া বিশ্লেষণ করেছেন। তিনি লিখেছেন, এই ফল এমন যেন “সিলেবাসের বাইরের প্রশ্ন” – বাংলাদেশ এমন উইকেট তৈরি করেছে যা পাকিস্তান চিন্তা করেই পাইনি।

    আমির বলেন, “মিরপুরে আমরা ভাবছিলাম স্পিনিং উইকেট হবে, কিন্তু বাংলাদেশ এমন বাউন্সি, গতিসম্পন্ন উইকেট বানিয়ে আমাদের অবাক করেছে। আমরা টার্নিং উইকেটের কথা ভাবছিলাম; ওরা বানিয়ে দিল গতির উইকেট — একেবারে ‘আউট অব সিলেবাস’ প্রশ্ন। আমাদের ব্যাটসম্যানরা ১৪০ প্লাস গতির বোলিং দেখলেই অনভ্যাসিক আচরণ শুরু করে দেয়। নাহিদ রানা ও মেহেদী মিরাজ দুর্দান্ত বল করেছে, বিশেষ করে নাহিদ ১৪০ কিঃমিঃ বেশি গতিতে বল করছিল।”

    আমির পাকিস্তানি ব্যাটিং ও নির্বাচনী নীতিকেও কঠোর সমালোচনা করেছেন। তিনি অনুশীলনের অভাব, তরুণ খেলোয়াড়দের প্রযুক্তিগত দুর্বলতা এবং সিনিয়রদের অভাবকে দায়ী করেন। তার মন্তব্য, “শুধু তরুণদের লাগিয়ে দল হওয়া যায় না; সঠিক নির্দেশনার জন্য অভিজ্ঞ খেলোয়াড় দরকার। মাজ সাদাকাত বা শামিল হোসেনদের মতো কয়েকজনের টেকনিকে ভুল আছে — তারা মিড উইকেটে খেলতে চায়, অফ স্টাম্পের বল বোঝে না।”

    তিনি আরও সতর্ক করেছেন যে ফ্রন্ট লাইন ব্যাটিংয়ে এমন দুর্বলতা অব্যাহত থাকলে পাকিস্তান শেষ পর্যন্ত ‘অ্যাসোসিয়েট’ বা সহযোগী দলের স্তরে নেমে যেতে পারে। “আমরা এখন বাংলাদেশকেও হারছি; আমার ভয় হচ্ছে, আমরা কি সহযোগী দেশের মানে নামতে যাচ্ছি?”—এমন উদ্বেগ জানিয়েছেন আমির। তিনি কামরান গুলাম ও ইরফান খান নিয়াজির মতো খেলোয়াড়দের পর্যাপ্ত সুযোগ না দেয়ার বিষয়টিও উল্লেখ করেন।

    শেষে তিনি বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণকে কড়া সম্বর্ধনা জানিয়েছেন এবং ভবিষ্যতের জন্য একই ধরনের উইকেট রাখার কথাও বলেছেন। “তারা আমাদের দুম্বার মতো মেরেছে, যেন নিজেদেরও মজা পাচ্ছিল। সেই উইকেটে আমরা ১১৪ করি, তারা ১০–১২ ওভারে রান তাড়া করে ফেলল। আমি বলছি—বাংলাদেশ আপনাদের কাছে স্পিন ট্র্যাক দেবে না; তারা এমনই গতিসম্পন্ন উইকেটে খেলবে। তাদের তিনজন ফাস্ট বোলারই শক্তিশালী, বিশেষ করে নাহিদ রানা; তারা সিরিজ জিততে এই সুযোগটাই নেবে।”

    পাকিস্তান সিরিজের বাকী ম্যাচগুলোতে এই নিয়ে সমাধান ও নির্বাচনী সিদ্ধান্ত কেমন হবে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

  • বিম-১০ে দুর্নীতির অভিযোগ: জাভন সিয়ার্লস, মালিক ও একজন কর্মকর্তা সাময়িক নিষিদ্ধ

    বিম-১০ে দুর্নীতির অভিযোগ: জাভন সিয়ার্লস, মালিক ও একজন কর্মকর্তা সাময়িক নিষিদ্ধ

    বার্মুডার ঘরোয়া টি-টেন লিগ বিম-১০-এর দুর্নীতির তদন্তে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পেসার জাভন সিয়ার্লস, টুর্নামেন্টের একটি দলের মালিক চিত্রঞ্জন রাঠোর এবং কর্মকর্তাদের একজন ট্রেভন গ্রিফিথকে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এই পদক্ষেপটি আইসিসি ও ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজ (CWI) যৌথভাবে নিয়েছে।

    সংবাদে বলা হয়েছে, ২০২৩-২৪ মরশুমে অনুষ্ঠিত বিম-১০ টুর্নামেন্টে ম্যাচ ফিক্সিং এবং অন্যান্য দুর্নীতির চেষ্টা সংক্রান্ত একাধিক অভিযোগের ভিত্তিতে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রধান অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে ম্যাচ ফিক্সিং প্রস্তাব বা চেষ্টা (ধারা ২.১.১), অন্য খেলোয়াড় বা কর্মকর্তাদের দুর্নীতিতে প্রলোবিত করা (ধারা ২.১.৪), জুয়াড়িদের কাছ থেকে কোনো প্রস্তাব পাওয়ার পর তা কর্তৃপক্ষকে না জানানো (ধারা ২.৪.২) এবং দুর্নীতি দমন কর্মকর্তাদের তদন্তে বাধা বা তথ্য গোপন করা।

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, অভিযোগগুলো গুরুতর প্রকৃতির এবং খেলায় নীতিবোধ বজায় রাখার স্বার্থে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আইসিসির পক্ষ থেকে ট্রেভন গ্রিফিথের বিরুদ্ধে এমনও অভিযোগ উঠেছে যে তিনি আন্তর্জাতিক পর্যায়েও দুর্নীতির তথ্য গোপন করেছেন।

    তিনজনকেই আগামী ২৫ মার্চের মধ্যে প্রতিকারমূলক বক্তব্য বা জবাব দিতে বলা হয়েছে। এই জবাব পাওয়ার পর এবং সম্পূর্ণ তদন্ত শেষ হলে CWI ও আইসিসি পরবর্তী শাস্তিমূলক সিদ্ধান্ত ঘোষণা করবে। তদন্তটি চলমান এবং এর অংশ হিসেবে আরও নাম যুক্ত হতে পারে বা অভিযোগের সঙ্গে সম্পর্কিত নতুন তথ্য সামনে আসতে পারে।

    জাভন সিয়ার্লস ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটে পরিচিত এক মুখ; তিনি গ্রাসফুটে ওয়েস্ট ইন্ডিজ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের হয়ে খেলা, সিপিএলে ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্সের সঙ্গে খেলার পাশাপাশি ২০১৮ সালে আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্সের দলে রয়েছেন—এমন তথ্য রয়েছে।

    এদিকে, একই টুর্নামেন্টকে কেন্দ্র করে আগে থেকেই সাড়া ফেলেছে দুর্নীতির ঘটনায় আরেকটি বড় অভিযোগ: এ বছর জানুয়ারি মাসে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাটসম্যান অ্যারন জোন্সকে নিয়েও একই ধরনের অভিযোগ তোলা হয়েছিল। এসব ঘটনার পর ক্রিকেট অঙ্গনে সততা ও নিয়মকানুন রক্ষা করা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

    CWI ও আইসিসি সব দলকে অনুরোধ করেছে তদন্তের সঙ্গে সহযোগিতা করতে এবং খেলায় স্বচ্ছতা রক্ষা করতে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণা করা হবে না এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ও শাস্তিমূলক পদক্ষেপ পরে নেওয়া হবে।

  • চার বোতল বিদেশি মদ উদ্ধারের মামলায় আসিফ আকবর খালাস

    চার বোতল বিদেশি মদ উদ্ধারের মামলায় আসিফ আকবর খালাস

    ঢাকা: চার বোতল বিদেশি মদ নিজ হেফাজতে রাখার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবরকে আদালত খালাস দিয়েছেন।

    সোমবার (৯ মার্চ) ঢাকার ২য় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক আয়েশা আক্তার মৌসুমী শুনানি শেষে বলেন, আসিফের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়নি; তাই তাকে খালাস দেওয়া হলো।

    আসামি পক্ষের আইনজীবী প্রদীপ কুমার দেবনাথ রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। রায় ঘোষণার সময় আসিফ আকবর আদালতে উপস্থিত ছিলেন এবং পরে গণমাধ্যমকে বলেন যে তিনি ন্যায়বিচার পেয়েছেন।

    মামলার বিষয়ে সংক্ষিপ্তভাবে বলা হয়েছে, ২০১৮ সালের ৬ জুন তেজগাঁও থানার অন্তর্গত পান্থপথের আর্ব এন্টারটেইনমেন্ট অফিস থেকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের একটি মামলায় আসিফকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। গ্রেপ্তারের সময় তার অফিস কক্ষ থেকে চার বোতল অবৈধ টকিলা জাতীয় বিদেশি মদ পাওয়া যায়। এসব মদ পরীক্ষার জন্য মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছিল।

    এরপর ২০১৯ সালের ২৩ জুলাই সিআইডি পুলিশের সাইবার তদন্ত শাখার উপ-পরিদর্শক প্রশান্ত কুমার সিকদার তেজগাঁও থানায় মামলাটি দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১৯ সালের ১৩ অক্টোবর সিআইডি তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক মো. জামাল উদ্দিন তার বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন।

    আদালত ২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। মামলার বিচার চলাকালে মোট তিন জন সাক্ষীর মুখোমুখি জিজ্ঞাসাবাদ সম্পন্ন হয়। গত ৩ মার্চ আদালত সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ করে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন ও রায় ঘোষণার জন্য সোমবার দিন ধার্য করেছিলেন।

    আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপক্ষ অভিযোগ প্রমাণে বাধ্যতামূলক প্রমাণাদি উপস্থাপন করতে পারেনি; তাই আসিফকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।