Blog

  • রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী একসঙ্গে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ পড়বেন

    রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী একসঙ্গে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ পড়বেন

    স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় ঈদগাহে একসঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করবেন। তিনি এই তথ্য দিয়েছেন বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) জাতীয় ঈদগাহ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে।

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রপতি ঈদের নামাজ পড়বেন এবং প্রধানমন্ত্রীও নামাজে অংশগ্রহণের সম্মতি জানিয়েছেন—ফলে দুই ভিআইপিকে এক সঙ্গে নামাজ পড়তে দেখা যাবে। তিনি আরও জানান, জাতীয় ঈদগাহে মোট ৪০ হাজার মুসল্লির নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা করা হবে, এতে নারী সামিল রয়েছেন এবং নারীদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

    দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম জানান, ‘তারেক রহমান সম্মতি প্রকাশ করেছেন; তিনি সকাল সাড়ে আটটায় আমাদের সঙ্গে নামাজ পড়বেন।’ আগামী ঈদে জাতীয় ঈদগাহে প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঠিকঠাক আছে কি না—এমন বিষয়গুলোও পরিদর্শনে দেখা হয়েছে বলে প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেছেন।

  • কেউ কষ্ট পেলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    কেউ কষ্ট পেলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    ঢাকা-৮ আসনে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পর থেকেই নানা প্রসঙ্গে আলোচিত-সমালোচিত ও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। বিভিন্ন মন্তব্যের কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার পোস্টগুলো ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়।

    আজ বুধবার সকালে একটি পোস্টে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী লিখেছেন, যদি তার কোনো কথা বা কর্মে অনিচ্ছাকৃতভাবে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকেন, তবে তিনি আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছেন।

    পোস্টে তিনি জানান, ‘‘গত কয়েক দিনে বয়োজ্যেষ্ঠ বন্ধু, রাজনৈতিক শুভাকাঙ্ক্ষী, মন্ত্রী-এমপি এবং প্রিয় সহযোদ্ধাদের সঙ্গে কিছু আন্তরিক কথোপকথনের সুযোগ হয়েছিল। সবার কাছ থেকেই মূল্যবান দিকনির্দেশনা পেয়েছি — ব্যক্তিগত আক্রমণ এড়ানো, অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা থেকে দূরে থাকা এবং গঠনমূলক আলোচনায় মনোযোগ দেওয়া।’’

    পাটওয়ারী আরও বলেন, ‘‘আমি বিনয়ের সঙ্গে সেই পরামর্শগুলো গ্রহণ করছি এবং এখন থেকে আরও শান্ত ও দায়িত্বশীলভাবে এগোবার চেষ্টা করব। দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অগ্রগতিরため নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী কাজ করে যেতে চাই।’’

    তিনি ব্যক্তিগতভাবে ক্ষমা চেয়ে যোগ করেছেন, ‘‘আমার কোনো কথা বা কাজে অনিচ্ছাকৃতভাবে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। আপনাদের দোয়া, ভালোবাসা ও পরামর্শই আমার পথচলার শক্তি।’’

    পোস্টে তিনি জানিয়েছেন, ‘‘গতকাল ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে কিয়ামুল লাইলের মাধ্যমে এই আত্মিক যাত্রার নীরব সূচনা করেছি। আল্লাহ আমাদের সবাইকে ক্ষমা করুন এবং সঠিক পথে পরিচালিত করুন।’’

  • চট্টগ্রাম-মোংলা বন্দর ও শিপিং করপোরেশনের প্রকল্পে অনিয়ম: দুদক গঠন করেছে চারটি অনুসন্ধান কমিটি

    চট্টগ্রাম-মোংলা বন্দর ও শিপিং করপোরেশনের প্রকল্পে অনিয়ম: দুদক গঠন করেছে চারটি অনুসন্ধান কমিটি

    দুর্নীতি ও নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে চট্টগ্রাম বন্দর, মোংলা বন্দর ও বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের বিভিন্ন প্রকল্পে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এই তদন্তের জন্য উপ-পরিচালক নাজমুচ্ছায়াদাতকে প্রধান করে চারটি অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    দুদক সূত্রে রোববার (১৫ মার্চ) জানা গেছে যে, কমিশন প্রাথমিকভাবে বিভিন্ন আর্থিক ও প্রশাসনিক অনিয়ম সম্পর্কে অভিযোগ পেয়েছে এবং সেগুলো খতিয়ে দেখতে কাজ করছে।

    তদন্তকারীদের ধারণা মতে, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের বর্তমান চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে একাধিক আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি শিপিং করপোরেশনের ব্যবস্থাপনার সময় ছয়টি জাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, যার মোট খরচ ধরা হয়েছিল ২,৪৮৬ কোটি টাকা; কিন্তু শেষ পর্যন্ত কেনা হয়েছে মাত্র চারটি জাহাজ। এর ফলে প্রকল্পে প্রায় ৪৮৬ কোটি টাকার আর্থিক অসামঞ্জস্য ধরা পড়েছে বলে দুদকের প্রাথমিক তথ্যে বলা হয়েছে।

    এছাড়া মোংলা বন্দরের ‘পশুর চ্যানেল সংরক্ষণ ড্রেজিং’ প্রকল্পেও বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। ওই প্রকল্পের জন্য ১,৫৩৮ কোটি টাকা বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও নানা অনিয়মের সন্দেহ পাওয়া গেছে বলে দুদক জানিয়েছে।

    এই অভিযোগগুলো যাচাই করতে দুদকের অনুসন্ধানকারী দল সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো থেকে নথিপত্র তলব করেছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ নিচ্ছে। কমিশন তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে সূত্রটি জানিয়েছে। তদন্ত এখনো চলমান।

  • ক্রেডিট কার্ডের ঋণসীমা বাড়িয়ে নতুন গাইডলাইন জারি

    ক্রেডিট কার্ডের ঋণসীমা বাড়িয়ে নতুন গাইডলাইন জারি

    বাংলাদেশ ব্যাংক ক্রেডিট কার্ড পরিচালনা সুশৃঙ্খল, স্বচ্ছ ও গ্রাহকবান্ধব করার লক্ষ্যে নতুন গাইডলাইন জারি করেছে। রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান এই তথ্য জানান। নতুন নীতিমালায় ক্রেডিট কার্ডের ঋণসীমা বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, ভোক্তা অধিকার সুরক্ষা ও বিরোধ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

    দৈনন্দিন জীবনে নগদ বহনের বিকল্প হিসেবে ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার বাড়ায় করদক্ষতা, নিরাপত্তা ও পরিষেবার মান নিশ্চিত করার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে কার্ড সেবার পরিধি সম্প্রসারণ এবং রয়েছে জটিলতা ও অনিয়ম কমানোর চাহিদাও। এই প্রেক্ষাপটে পূর্বোক্ত নীতিমালা হালনাগাদ করে একটি পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন প্রকাশ করা হয়েছে।

    গাইডলাইনে অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে—প্রযোজ্যতা ও সংজ্ঞা, ক্রেডিট কার্ডের প্রকারভেদ, গ্রাহকের যোগ্যতার মানদন্ড, ক্রেডিট সীমা ও সুদের হার নির্ধারণ, কার্ড ইস্যু ও বিপণন পদ্ধতি, বিলিং ও আদায় প্রক্রিয়া, গ্রাহকের তথ্য সংরক্ষণ ও গোপনীয়তা, বিরোধ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা, অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা ইত্যাদি।

    নতুন নির্দেশনায় ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে বিতরণযোগ্য সর্বোচ্চ ঋণসীমা আগে যেখানে ২৫ লক্ষ টাকা ছিল, তা বাড়িয়ে এখন ৪০ লক্ষ টাকা করা হয়েছে। অনিরাপদ (আনসিকিওরড) ঋণের সীমাও ১০ লক্ষ থেকে বাড়িয়ে ২০ লক্ষ টাকায় নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া গ্রাহকের অভিযোগ, অনিয়ম বা জালিয়াতি এবং লেনদেন পরিশোধ সংক্রান্ত জটিলতা মোকাবেলায় বিরোধ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংশোধন অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

    গাইডলাইনের উদ্দেশ্য হলো দায়িত্বশীল ঋণ প্রদান উদ্বুদ্ধ করা, ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ জোরদার করা এবং নগদবিহীন আর্থিক লেনদেনের জন্য স্বচ্ছ পরিবেশ গড়া। সূত্রটি বলছে, নতুন বিধি-কানুন কার্যকর হলে গ্রাহক সুরক্ষা বাড়বে এবং বাজারে ক্রেডিট কার্ড সেবার মান ও আস্থাও উন্নত হবে। ব্যাংকগুলোকে এখন এই নীতিমালা মেনে অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ও সঠিক যাচাই প্রক্রিয়া কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।

  • ট্রাম্প: ইসরায়েল ইরানের সাউথ পার্সে আর হামলা চালাবে না — কাতারে পুনরায় আক্রমণ হলে ভয়াবহ প্রতিশোধ

    ট্রাম্প: ইসরায়েল ইরানের সাউথ পার্সে আর হামলা চালাবে না — কাতারে পুনরায় আক্রমণ হলে ভয়াবহ প্রতিশোধ

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইসরায়েল আর কখনও ইরানের দক্ষিণ পার্স (সাউথ পার্স) গ্যাসক্ষেত্রে হামলা চালাবে না। একই সঙ্গে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন—কাতারের জ্বালানি স্থাপনায় যদি পুনরায় হামলা হয়, তাহলে ইরানের প্রধান সেই গ্যাসক্ষেত্রকে ভয়াবহভাবে ধ্বংস করে দেওয়া হবে।

    ঘটনাচক্রে, গত বুধবার (১৮ মার্চ) ইরানের বুশেহরের আসালুয়েহ উপকূলের কাছে সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রে এবং উত্তরাঞ্চলের আনজালি বন্দরে নৌবাহিনীর ওপর হামলা চালায় ইসরায়েল। সাউথ পার্সকে বলা হয় পৃথিবীর একটি বৃহৎ প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্র; এখানে ইরান ও কাতারের উভয় জায়গায় গ্যাস উত্তোলনের অবকাঠামো রয়েছে।

    ইরান পাল্টা হিসেবে কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের কয়েকটি গ্যাস ও তেল স্থাপনার বিরুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। কাতার তখনি কড়া ব্যবস্থা নেয়—দেশে থাকা ইরানি দূতাবাসের মিলিটারি ও সিকিউরিটি অ্যাটাচে ও তাদের স্টাফদের অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে দ্রুত কাতার ত্যাগের নির্দেশ দেয়। সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতও একই সঙ্গে সতর্কবার্তা জানিয়েছে।

    এই ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ট্রাম্প তার সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, ইরানের সাউথ পার্সে ইসরায়েলের হামলার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ‘‘কিছুই জানত না’’। তবে সিএনএন জানিয়েছে, ওই লড়াইয়ে ইসরায়েল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সমন্বয় করে কাজ করেছে — ফলে বিবৃতিগুলোতে মিল নেই।

    ট্রাম্প আরও বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার ধারাবাহিকতায় ইসরায়েল ক্ষোভ থেকে সাউথ পার্সের একটি বড় স্থাপনায় আঘাত করেছে, যদিও আঘাতের অংশটি সম্পূর্ণ ক্ষেত্রের তুলনায় ছোট ছিল। তিনি দক্ষিণ পার্সকে ‘‘অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও মূল্যবান’’ বলে আখ্যা দিয়ে জানিয়েছে, ইসরায়েল সেখানে আর হামলা চালাবে না।

    একই সঙ্গে ট্রাম্প স্পষ্ট করে বলেছেন, যদি ইরান আবার কাতারের রাস লাফান এলএনজি স্থাপনায় হামলা চালায়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র সে গ্যাসক্ষেত্রটিকে এমন ধ্বংসাত্মক শক্তিতে আঘাত করবে যা ইরান আগে দেখেনি বা কল্পনাও করেনি। তিনি যোগ করেন, এমন ধ্বংসযজ্ঞের অনুমোদন দিতে তিনি ইচ্ছুক নন কারণ এর দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব থাকবে—তবু পরিস্থিতি পুনরাবৃত্তি হলে তিনি কম্প্রোমাইজ করবেন না।

    কাতারএনার্জি জানিয়েছে, রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ব্যাপক অগ্নিকাণ্ড ও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। হামলার কয়েক ঘণ্টা আগে ওই স্থাপনাটি খালি করে নেওয়া হয়েছিল। কাতার বলেছে, ইরান পূর্বেই জানিয়েছিল যে তার গ্যাসক্ষেত্রকে লক্ষ্য করে চালানো হামলার জবাবে উপসাগরীয় কো-অপরেশন কাউন্সিল (জিসিসি) অঞ্চলের কয়েকটি স্থাপনায় হামলা চালানো হবে।

    উক্ত ঘটনার ফলে অঞ্চলটিতে উত্তেজনা বেড়েছে এবং সামরিক ও কূটনৈতিক স্তরে চাপ বাড়ছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় নজর রাখছে—যে কোনো নতুন আক্রমণ পরিস্থিতি আরও তীব্র করে তুলতে পারে।

  • কাতারের রাস লাফানে আঘাত: বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তান সবচেয়ে ঝুঁকিতে

    কাতারের রাস লাফানে আঘাত: বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তান সবচেয়ে ঝুঁকিতে

    মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত সংঘাতের জেরে কাতারের প্রধান এলএনজি কেন্দ্র রাস লাফান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় দক্ষিণ এশিয়ার কয়েকটি দেশই সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পড়ছে। আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়ার ধাক্কায় স্থানীয় ও বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় বিঘ্ন তৈরি হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    প্রতিবেদনগুলো বলছে, গত বুধবার ইসরায়েল ইরানের পার্স গ্যাসক্ষেত্রে হামলা চালায়। জবাবে ইরান পারস্পরিক উত্তেজনা চক্করে সৌদি আরব, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের জ্বালানি স্থাপনাগুলোর দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়ে বলে খবর আসে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের খবরে বলা হয়েছে, ১২ ঘণ্টারও কম সময়ে ইরান কাতারের রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটিতে দুবার আঘাত হানে; ফলে সেখানে ‘ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি’ হয়েছে বলে স্বাধীনভাবে চিহ্নিত করা হচ্ছে।

    রাস লাফান কাতার এনার্জি পরিচালিত একটি বিশাল এলএনজি‑প্রক্রিয়াজাত কেন্দ্র। এখানে গ্যাস সংগ্রহ, প্রক্রিয়াজাতকরণ, তরলীকরণ ও বন্দর সুবিধা সবই এক জায়গায় রয়েছে। কাতার বিশ্বের এলএনজির প্রায় ২০ শতাংশ রপ্তানি করে, আর ওই রপ্তানির বড় অংশই রাস লাফান থেকে যায়। তাই এই কেন্দ্রে আঘাত লাগলে সরবরাহে তাত্ক্ষণিক ভিন্নতা ছড়ানো ছাড়া উপায় নেই।

    আরও জটিলতা যোগ করেছে হরমুজ প্রণালী সংলগ্ন অবস্থা—মার্চের শুরু থেকে ওই অঞ্চলে নৌপথ কার্যত সীমিত হয়ে গেলে এলএনজি ও অন্যান্য পণ্যের উৎপাদন ও রফতানি বাধাগ্রস্ত হয়েছে। এখন কেন্দ্রগুলোর বড় ধরনের ক্ষতি থাকায় কার্যক্রম পুরোদমে চালু করতে সময় লাগতে পারে, যা সরবরাহ‑শৃঙ্খলে দীর্ঘমেয়াদী চাপ সৃষ্টি করবে।

    দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো—বিশেষত বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তান—এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকবে। এ দেশগুলোর এলএনজি আমদানি‑চাহিদার অর্ধেকেরও বেশি কাতার থেকে আসে এবং মজুত সীমিত; তাই সরবরাহে বিঘ্ন হলে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সেক্টরে তাত্ক্ষণিক প্রভাব পড়তে পারে। আরও অনেক দেশ—এশিয়া, ইউরোপ ও আফ্রিকার দেশগুলোও কাতার থেকে সরবরাহ পেয়ে থাকে, ফলে তারা ও বিকল্প ব্যবস্থা খুঁজতে বাধ্য হবে।

    রাস লাফানে এলএনজির বাইরে সার উৎপাদন (ইউরিয়া, অ্যামোনিয়া), সালফার এবং হিলিয়ামও করা হয়। হিলিয়াম মাইক্রোচিপ নির্মাণ ও অন্যান্য উচ্চপ্রযুক্তি খাতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কাতার এনার্জির তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী প্রায় এক চতুর্থাংশ হিলিয়াম সরবরাহের সক্ষমতা এই কেন্দ্রের ওপর নির্ভর করে—তাই এখানে সমস্যা হলে কেবল জ্বালানি নয়, অন্যান্য শিল্পকাজেও প্রভাব পড়বে।

    ভৌগোলিকভাবে রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটি কাতার উপদ্বীপের উত্তর-পূর্ব কোণে, রাজধানী দোহা থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত। এটি পার্স উপসাগরের বিশাল গ্যাসক্ষেত্র থেকেই গ্যাস প্রক্রিয়াজাত করে—বহু সময় কাতার ও ইরান মিলে ওই ক্ষেত্র ভাগাভাগি করে থাকে; কাতার অংশকে বলা হয় নর্থ ডোম এবং ইরান অংশকে সাউথ পার্স।

    অতএব, বর্তমানে রাস লাফানে চালানো হামলার প্রভাব শুধু স্থানীয় নয়—গ্লোবাল জ্বালানি বাজার, কৃষি সার সরবরাহ ও উচ্চপ্রযুক্তি শিল্পেও চেইন‑প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। পরিস্থিতি উন্নত বা স্থিতিশীল না হওয়া পর্যন্ত বিশ্ববাজারে বাড়তি অনিশ্চয়তা বজায় থাকবে।

  • কেসিসি প্রশাসক খুলনা সার্কিট হাউজ মাঠে ঈদজামাতের প্রস্তুতি পরিদর্শন

    কেসিসি প্রশাসক খুলনা সার্কিট হাউজ মাঠে ঈদজামাতের প্রস্তুতি পরিদর্শন

    খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু আজ বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) খুলনা সার্কিট হাউজ মাঠে অনুষ্ঠিতব্য ঈদ-উল-ফিতরের প্রধান জামাত আয়োজনের প্রস্তুতি পরিদর্শন করেন।

    পরিদর্শন শেষে কেসিসি প্রশাসক সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, খুলনা সার্কিট হাউজ মাঠ একটি ঐতিহাসিক ও বৃহৎ ময়দান। এখানে প্রতি বছর হাজারো নগরবাসী ঈদের নামাজ আদায় করেন। আমরা নিশ্চিত করতে চাই মুসুল্লারা শান্তি ও সুষ্ঠু পরিবেশে সকলে নিরাপদে জামাতে অংশ নিতে পারেন। তাই মাঠের প্রস্তুতি কাজ আজ সন্ধ্যার মধ্যে প্রায় সম্পন্ন হবে এবং খুলনা সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নাগরিকরা স্বাচ্ছন্দ্যে ও নিরাপদে ঈদ উদযাপন করতে পারবেন।

    পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মোঃ মোখতার আহমেদ, রেঞ্জ ডিআইজি মোঃ রেজাউল হক, কেএমপি কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান, কেসিসি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ, জেলা প্রশাসক আ. স. ম. জামশেদ খোন্দকার, কেসিসি প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, জেলা প্রশাসন, কেসিসি ও কেএমপি কর্মকর্তাগণ এবং গণমাধ্যমকর্মীরা।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, খুলনা সার্কিট হাউজ মাঠে প্রধান জামাত সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে। দ্বিতীয় জামাত সকাল ৯টায় এবং তৃতীয় জামাত সকাল ১০টায় খুলনা টাউন জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। তবে আবহাওয়া প্রতিকূল হলে তিনটি জামাতই খুলনা টাউন জামে মসজিদে যথাক্রমে সকাল ৮টা, ৯টা ও ১০টায় আয়োজন করা হবে।

    অন্যান্য স্থানে সময়সূচি অনুযায়ী ভালো আয়োজন করা হয়েছে—খুলনা আলিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন মডেল মসজিদ এবং বয়রা মডেল মসজিদে ঈদের জামাত সকাল সাড়ে আটটায় অনুষ্ঠিত হবে। খালিশপুর ঈদগাহ ময়দান ও বসুপাড়া ইসলামাবাদ ঈদগাহ ময়দানে সকাল ৮টায় জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

    বায়তেন নূর জামে মসজিদে দু’টি জামাতের আয়োজন করা হয়েছে। সকাল ৮টায় প্রথম জামাতে ইমামতি করবেন খতিব হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ ইমরান উল্লাহ এবং সকাল ৯টায় দ্বিতীয় জামাতে ইমামতি করবেন মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা মোঃ জাকির হোসেন।

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে ঈদের জামাত হবে সকাল সাড়ে ৭টায় এবং সেখানে এবার মহিলাদের আলাদা নামাজের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে ঈদের জামাত সকাল সাড়ে ৭টায় অনুষ্ঠিত হবে।

    নাগরিকদের অনুরোধ করা হয়েছে নির্ধারিত সময় ও স্থানে গিয়ে স্বাস্থ্যবিধি ও নিরাপত্তার নিয়ম মেনে অংশগ্রহণ করতে, এবং প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলতে।

  • দৌলতপুরে যুবদল নেতা রাশিকুল আনামের হত্যায় একজন আটক

    দৌলতপুরে যুবদল নেতা রাশিকুল আনামের হত্যায় একজন আটক

    খুলনার দৌলতপুরে যুবদল নেতা রাশিকুল আনাম (রাসু) হত্যা মামলায় এক যুবককে আটক করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। বুধবার সন্ধ্যায় দিঘলিয়ার সেনহাটি ইউনিয়ন থেকে ইসমাঈল হোসেনকে গ্রেফতার করে ডিবি।

    গ্রেফতারের পর ইসমাঈলকে ডিবি কার্যালয়ে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ তৈমুর ইসলাম জানান, হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই অভিযান চালিয়ে যাচ্ছিলো এবং বিভিন্ন স্থানে সূত্রও কাজ করা হয়েছিল। সূত্রের তাত্ক্ষণিক তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার সন্ধ্যায় দিঘলিয়ায় অভিযান চালিয়ে ইসমাঈলকে আটক করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে সে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে, তবে তদন্তের স্বার্থে বিস্তারিত প্রকাশ করা যাচ্ছে না।

    ইসমাঈলকে আটক করার পর হত্যাকাণ্ডের সময় উপস্থিত কয়েকজনকে ডিবি কার্যালয়ে আনা হয় এবং তারা তাকে শনাক্ত করে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ইসমাঈলকে দৌলতপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তার বিরুদ্ধে খুলনার বিভিন্ন থানায় হত্যা, অস্ত্র নিয়ে মোকদ্দমা এবং মারামারি ঘটায় চার্জসহ মোট ছয়টি মামলা রয়েছে। অভিযোগ তদন্ত চলছে।

  • পিএসএলে খেলতে পেলেন মুস্তাফিজ, শরিফুলসহ পাঁচ বাংলাদেশি—এনওসি ১২ এপ্রিল পর্যন্ত

    পিএসএলে খেলতে পেলেন মুস্তাফিজ, শরিফুলসহ পাঁচ বাংলাদেশি—এনওসি ১২ এপ্রিল পর্যন্ত

    পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) খেলতে দায়মুক্তি পেলেন বাংলাদেশের পাঁচ তারকা ক্রিকেটার। আগামী ২৬ মার্চ থেকে শুরু হওয়া ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টে তারা অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) থেকে অনাপত্তি পত্র (এনওসি) পেয়েছেন, তবে সেটা সীমিত সময়ের জন্য—১২ এপ্রিল পর্যন্ত।

    বিসিবির সূত্রে জানা গেছে, বাঁ-হাতি ফাস্ট বোলার মুস্তাফিজুর রহমানকে সরাসরি দলে ভিড়িয়েছে লাহোর কালান্দার্স। নিলামে রিশাদ হোসেন, নাহিদ রানা ও পারভেজ হোসেন ইমনকে দলে নিয়েছে বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি। গত কয়েকদিন আগে শরিফুল ইসলামও পঞ্চম বাংলাদেশি হিসেবে প্রথমবারের মতো ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে ডাক পেয়েছেন। সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সবাইই এনওসি পেয়েছেন এবং তারা ১২ এপ্রিল পর্যন্ত খেলতে পারবেন।

    টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব কেমন হবে, তা নিয়েও বিস্তারিত জানা গেছে—শরিফুল নাহিদ রানার সঙ্গে পেশোয়ার জালমির পেসিং অর্ডারে জায়গা করে নিতে পারেন। পারভেজ ইমনও মুস্তাফিজের সঙ্গে লাহোর কালান্দার্সের জার্সি গায়ে উঠবেন, আর রিশাদ হোসেন রাওয়ালপিন্ডির হয়ে খেলবেন।

    বিসিবির কাছে হলেও দেশের আন্তর্জাতিক সূচি বিবেচনা করেই এনওসি দেওয়ার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে এপ্রিলের দ্বিতীয় সপ্তাহে তিন ম্যাচের ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ; সে কারণে পিএসএল খেলতে যাওয়া ক্রিকেটারদের সংশ্লিষ্ট সময়ের মধ্যে দেশে ফিরে আসার শর্ত দেওয়া হয়েছে।

    ঢাকা পোস্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিসিবির এক বিশ্বস্ত সূত্র। পাশাপাশি, বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান নাজমুল আবেদীন ফাহিম সন্তোষ প্রকাশ করে বলেছেন, এমন খেলোয়াড়দের বেলায় সিদ্ধান্ত নেয়ার সময় আমরা জাতীয় দলের প্রয়োজনে আপস করব না। তবে যদি মনে করা হয় যে ওই খেলোয়াড়ের পিএসএলে খেলা তার টি-টোয়েন্টি দক্ষতা উন্নয়নে সহায়ক হবে এবং আমাদের সেখানে বিকল্প খেলোয়াড় আছে, তখন ছাড় দেওয়া হবে।

    পিএসএলের উদ্বোধনী ম্যাচ ২৬ মার্চে লাহোর কালান্দার্স ও হায়রাবাদ হিউস্টনের মধ্যে। এ কারণে উদ্বোধনী দিনেই মুস্তাফিজ ও ইমনকে মাঠে দেখা যেতে পারে। অন্যদিকে ২৮ মার্চ রিশাদ, নাহিদ ও শরিফুলের খেলার সম্ভাব্য দিন—যদি তিনজনই একাদশে থাকেন, তাহলে রানা-শরিফুলের পেশোয়ার জালমি মাঠে নামলে তাদের বিপক্ষে রাওয়ালপিন্ডির হয়ে রিশাদ খেলবেন। ফলে এবারের আসরে জাতীয় দলের কয়েকজন সতীর্থ একে অপরের বিপক্ষে লড়াইয়ে নামতে পারেন।

  • হাবিবুল বাশার প্রধান নির্বাচক, সহকারী নির্বাচক নাঈম

    হাবিবুল বাশার প্রধান নির্বাচক, সহকারী নির্বাচক নাঈম

    গাজী আশরাফ হোসেন লিপু এই মাসেই জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচকের দায়িত্ব থেকে বিদায় নিচ্ছেন। পাকিস্তান সিরিজ জয়ের পর দীর্ঘ দায়িত্ব পালন শেষে তার কার্যকাল শেষ হচ্ছে এবং বিসিবি তার স্থলাভিষিক্ত নিয়োগের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।

    বিসিবি আগে থেকেই প্রধান ও সহকারী নির্বাচকের পদে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। জাতীয় দলের নির্বাচক পদের আবেদন জমা দেয়ার সময়সীমা শেষ হয়েছিল গত ৮ মার্চ। মোট ১৬ জন সাবেক ক্রিকেটার এই পদে আবেদন করেছিল এবং তাদের মধ্য থেকে সাক্ষাৎকার নেওয়ার পর চূড়ান্ত বাছাই সম্পন্ন করা হয়েছে।

    চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাশার সুমনকে প্রধান নির্বাচক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে বিসিবি। বাশার আগে সহকারী নির্বাচক হিসেবে কাজ করেও নির্বাচন সংক্রান্ত অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন, যা তাকে প্রধান নির্বাচকের দায়িত্বে আরও প্রাসঙ্গিক করেছে।

    সহকারী নির্বাচক পদের জন্য দুইজনকে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছিল—তুষার ইমরান এবং নাঈম ইসলাম। স্থিতিশীল সূত্রে জানা গেছে, শেষ পর্যন্ত নাঈম ইসলামের নাম চূড়ান্ত করেছে বিসিবি; ফলে তিনি নতুন সহকারী নির্বাচক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এ নিয়োগ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি।

    নির্বাচক প্যানেল গঠনে বিসিবির চার পরিচালক যুক্ত ছিলেন—ফারুক আহমেদ, খালেদ মাসুদ পাইলট, নাজমুল আবেদিন ফাহিম ও আব্দুর রাজ্জাক। সূত্রে বলা হচ্ছে, প্রধান নির্বাচকের মাসিক বেতন নির্ধারিত হয়েছে চার লাখ টাকা, আর সহকারী নির্বাচকের বেতন হতে পারে তিন লাখ টাকা। আগেই সহকারী নির্বাচক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা হাসিবুল ইসলাম শান্তেরও একই স্তরের বেতন নির্ধারিত হতে পারে।

    বিসিবি আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিলে নতুন নির্বাচকরা কার্যালয়ীয় কাজ শুরু করবেন এবং জাতীয় দলের জন্য নতুন নির্বাচন নীতিমালা ও পরিকল্পনা সাজাতে দ্রুত কার্যক্রম শুরু করবে।