Blog

  • ‘রাক্ষস’‑এর আইটেম গানে উপস্থিত বলিউড অভিনেত্রী নাতালিয়া

    ‘রাক্ষস’‑এর আইটেম গানে উপস্থিত বলিউড অভিনেত্রী নাতালিয়া

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলতি বিতর্ক: একটি ছবি ও ভিডিও ঘোরাঘুরি করে মানুষের আগ্রহ তৈরি করেছে। অনেকেই দাবি করছেন এটি মেহেদী হাসান হৃদয়ের পরিচালিত সিনেমা ‘রাক্ষস’‑এর আইটেম গানের শুটিং সেটের দৃশ্য। সেই দাবির সত্যতা নিয়ে প্রযোজনা সংস্থা রিয়েল এনার্জি স্পষ্ট করে জানিয়েছে, ছবিটি তাদের শুটিং সেট থেকেই ফাঁস হয়েছে।

    রিয়েল এনার্জির অন্যতম কর্ণধার আজিম হারুন জানান, ছবিতে দেখা দৃশ্যটি সত্যিই তাদের ছবির আইটেম গানের শুটিংয়ের। যিনি দেখা যাচ্ছে তিনি হলেন বলিউড অভিনেত্রী নাতালিয়া জানোসজেক। তিনি গানটিতে সিয়াম আহমেদের সঙ্গে নাচেছেন এবং সম্ভবত এটি তাঁর প্রথম বাংলা ছবির কাজ।

    নাতালিয়া ইউরোপীয় বংশোদ্ভূত এক বলিউড অভিনেত্রী; তিনি বলিউডের পাশাপাশি কখনো‑কখনো হলিউড প্রজেক্টেও কাজ করেছেন। তাকে দেখতে পাওয়া গেছে ‘হাউজফুল ৫’, ‘মাস্টি ৪’ ও ‘৩৬৫ ডেইজ’-এর মতো ছবিতে। এছাড়া তিনি জনপ্রিয় রিয়ালিটি শো ‘বিগ বস’-এও অংশ নিয়েছেন, যেটি সালমান খান উপস্থাপিত।

    রিয়েল এনার্জির আরেক কর্ণধার শাহরীন আখতার সুমি জানান, আইটেম গানটির কোরিওগ্রাফি করেছেন বলিউডের পরিচিত কোরিওগ্রাফার আদিল শেখ, আর সংগীত পরিচালনা করেছেন জিএম আশরাফ। গানে কণ্ঠ দিয়েছেন জিএম আশরাফ ও দোলা। তিনি জানান, গানটি বড় বাজেটে তৈরি করা হচ্ছে এবং দেশের বাইরে বড় আকারে শুটিং করা হচ্ছে। প্রযোজনা টিম আশা করছে দর্শক গানটি পছন্দ করবেন এবং ছবিটি এবারের ঈদে দর্শকদের প্রবল সাড়া পাবে।

    ‘রাক্ষস’ ছবির প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন সিয়াম আহমেদ ও কলকাতার অভিনেত্রী সুস্মিতা চ্যাটার্জি। উল্লেখ্য, রিয়েল এনার্জি এর আগে ‘বরবাদ’ নামে একটি ছবি প্রযোজনা করেছিল, যেখানে শাকিব খান অভিনয় করেছিলেন এবং সেটি ব্যবসায় সফল হয়েছিল।

    প্রযোজনা সংস্থার বক্তব্য যে বিবরণ গুলো দিয়েছেন তার আলোকে দেখা যাচ্ছে, শুটিং সেট থেকে ফাঁস হওয়া ছবিটি তাদের কাজেরই অংশ—তবে আনুষঙ্গিক বিস্তারিত ও গান মুক্তির সময়সূচি সম্পর্কে এখনও প্রযোজনা পক্ষ থেকে চূড়ান্ত ঘোষণা বাকি আছে। দর্শকরা এখন অপেক্ষা করছেন অফিসিয়াল ক্লিপ ও গানের প্রকাশের জন্য।

  • রাষ্ট্রপতির নাম ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে সংসদে হট্টগোল, বিরোধী দলের ওয়াকআউট

    রাষ্ট্রপতির নাম ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে সংসদে হট্টগোল, বিরোধী দলের ওয়াকআউট

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি মো. শাহাবুদ্দিনের নাম ঘোষণা হতেই সংসদে তীব্র হট্টগোল শুরু হয় এবং প্রধান বিরোধীদলসহ বিরোধী জোটের কয়েকজন সংসদ সদস্য স্যার থেকে বেরিয়ে আসেন।

    বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) প্রথম অধিবেশনের প্রথম দিনে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে রাষ্ট্রপতির ভাষণ শুরুর জন্য তার নাম ঘোষণা করা হলে ঘটনাস্থলে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। প্রথমে জামায়াতে ইসলামী আমির ডা. শফিকুর রহমান নিজের আসন ত্যাগ করলে দ্রুত অন্যরাও পেছনের দিকে উঠে চলে যান এবং ওয়াকআউট করেন।

    ওয়াকআউটকারীরা ‘গেট গেট গেট আউট, কিলার চুপ্পু গেট আউট’, ‘গণতন্ত্র ফ্যাসিবাদ, একসঙ্গে চলে না’—রকমের স্লোগান দেন এবং ‘গাদ্দার চুপ্পু’ লেখা প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন। জাতীয় সংগীতের সময় তারা দাঁড়িয়েও কণ্ঠ দিয়ে রাষ্ট্রপতিকে সম্মান জানায়নি; তারা বলেছে, ‘আমরা জাতীয় সংগীতকে সম্মান জানাচ্ছি, রাষ্ট্রপতিকে না।’

    এর আগে অধিবেশনে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের নির্বাচনী কার্যক্রমও সম্পন্ন হয়। কণ্ঠভোটে হাফিজ উদ্দিন আহমেদ স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হন এবং ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হন। ভোটাভুটির সময় জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট নিরব থেকেছে; তারা হ্যাঁ বা না—কোনও রকম সমর্থন জানাননি।

    হাফিজ উদ্দিনের একমাত্র প্রস্তাবকারী ছিলেন বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য ও চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম, এবং খুলনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য রকিবুল ইসলাম তার প্রস্তাবে সমর্থন জানান। ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনের সভাপতিত্বকারী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন কণ্ঠভোটে প্রস্তাব পাশ করে হাফিজ উদ্দিনকে স্পিকার হিসেবে ঘোষণা করেন।

    অধিবেশনটি শুরু হয়েছিল স্পিকারের অনুপস্থিতিতেই—পূর্বসূরি স্পিকার পলাতক আছেন এবং ডেপুটি স্পিকার কারাগারে থাকায় শুরুতে দলীয় নেতার প্রস্তাবে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন সভাপতিত্ব করেন। পরে কার্যক্রমে স্পিকার নির্বাচিত হওয়ার মধ্য দিয়ে অধিবেশন এগিয়ে যায়।

  • ছেলে আনোয়ারের হত্যায় সালমান-আনিসুলকে দায়ী করে সাক্ষ্য দিলেন বাবা

    ছেলে আনোয়ারের হত্যায় সালমান-আনিসুলকে দায়ী করে সাক্ষ্য দিলেন বাবা

    জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘটনায় ছেলের হত্যার দায় সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হকের উপর চাপান বলে অভিযোগ করেছেন শহীদ আনোয়ারের বাবা আল আমিন পাটোয়ারী। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর একক বেঞ্চের সামনে তিনি চার নম্বর সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন।

    বিচারক মো. মহিতুল হক এনাম চৌধুরীর একক বেঞ্চে তৃতীয় দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ চলছিল। ৬৫ বছর বয়সী অবসরপ্রাপ্ত মাদরাসাশিক্ষক আল আমিন তার ৩৫ বছর বয়সী ছেলে মো. আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারীর মৃত্যুকথা জরাজীর্ণ ভঙ্গিতে সংসদ উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট মিরপুর-১০ নম্বরে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে অংশ নেওয়ার পর আনোয়ার নিহত হন।

    আল আমিন জানান, ওই দিন বিকেলে ছেলের মোবাইল ফোন বন্ধ পেয়ে তিনি ও তাঁর স্ত্রী তাকে খুঁজতে থাকেন। পরে লোকমুখে জানতে পারেন আনোয়ার গুলিবিদ্ধ হয়ে মিরপুরের ডা. আজমল হাসপাতালে ভর্তি। হাসপাতালে গিয়ে মেঝেতে আনোয়ারসহ প্রায় ১৫-২০ জনের লাশ পড়ে থাকতে দেখেন তিনি। সবাই গুলিবিদ্ধ ছিলেন। নিজের ছেলেকে শনাক্ত করার সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন আল আমিন।

    সাক্ষ্যলায় তিনি বলেন, ‘হাসপাতালে ছেলের শরীর ও অন্যান্যদের ওপর রক্ত দেখে আমি অসুস্থ হয়ে পড়ি। আমার সঙ্গে আমার ছোট ছেলে মো. আব্দুল্লাহও ছিল।’ এরপর আনোয়ারের লাশ বাড়িতে নিয়ে এসে মৃত্যু সনদপত্র সংগ্রহ করেন। রাত এগারো-দশটার দিকে রূপনগর আবাসিক এলাকায় জানাজা সম্পন্ন করে পরে তাকে লক্ষ্মীপুরে গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয়, বলে জানায় তিনি।

    আল আমিন আরও অভিযোগ করেন যে তাঁর জানতে পেরেছি হত্যার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট অভিজ্ঞান প্রণয়ন, কারফিউ আরোপ এবং অভিযান পরিকল্পনায় সাব্যস্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ছিলেন — প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কিত ব্যক্তিত্বদের উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, সড়ক-মহাসড়ক মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দসহ অনেকে। তার বক্তব্য, কারফিউ দিয়ে আন্দোলন দমন এবং ছাত্র-জনতাকে শেষ করার উদ্দেশ্যে বৈঠক করে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল; এই কারণেই তিনি এসব নেতাদের ছেলের হত্যার জন্য দায়ী করছেন।

    সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে সাক্ষীকে জেরা করেন সালমান ও আনিসুলের স্থায়ী আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী। মামলার ওপরের পক্ষে প্রসিকিউশনের দিক থেকে শুনানি করেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম; সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর আবদুস সাত্তার পালোয়ান ও সহিদুল ইসলাম সরদারসহ অন্যান্যরা। ট্রাইব্যুনাল পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের দিন হিসেবে ৫ এপ্রিল ধার্য করেছেন।

    আল আমিন সাক্ষ্য শেষে ন্যায়বিচার ও এমন পুনরাবৃত্তি না ঘটার মত শান্তিকামী ভবিষ্যত চেয়ে আবেদন করেন।

  • রাষ্ট্রপতির ভাষণ কেন্দ্র করে সরকার ও বিরোধী দলের দ্বন্দ্ব

    রাষ্ট্রপতির ভাষণ কেন্দ্র করে সরকার ও বিরোধী দলের দ্বন্দ্ব

    আগামীকাল বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হচ্ছে। নিয়ম অনুযায়ী এই অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণ দান করার কথা থাকলেও সেটি নিয়েই সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে তীব্র টানাপোড়েন দেখা যাচ্ছে। বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) দাবি করে বলেছেন, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে ‘ফ্যাসিস্টদের দোসর’ আখ্যা দিয়ে তাঁকে ভাষণ দেওয়ার অধিকার থাকা উচিত নয় এবং তাঁকে ভাষণদানে বিরত রাখা উচিত।

    অন্যদিকে ক্ষমতাসীন বিএনপি বলছে, নিয়মই নির্দেশ করে রাষ্ট্রপতি সংসদে ভাষণ দেবেন। বুধবার সংসদ ভবন ত্যাগের সময় দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের জানান, ‘রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন জাতীয় সংসদে ভাষণ দেবেন।’ তিনি আরও বলেন, আগামীকাল বেলা ১১টায় অধিবেশন বসবে এবং ওই অধিবেশনে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের নির্বাচন হয়ে তাদের শপথ করানো হবে, যা রাষ্ট্রপতি করবেন।

    এদিকে সরকারি দলের সংসদীয় দলের বৈঠকও আজ জাতীয় সংসদ ভবনের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে; সভায় সভাপতিত্ব করেন সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠকটি আগামীকাল শুরু হতে যাওয়া অধিবেশনকে সামনে রেখে আয়োজন করা হয়েছিল এবং সেসময় নানা প্রস্তুতি ও কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

    বিরোধী দলের এমপিরাও দুপুরে পৃথক বৈঠকে মিলিত হন। বৈঠকের পর জামায়াতে ইসলামের নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের সাংবাদিকদের বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি ফ্যাসিস্টদের দোসর; সংসদে তাঁর বক্তব্য দেওয়ার অধিকার নেই।’ তিনি জানান, আগামীকাল যে সংসদ বসবে সেখানে বিরোধীদের ভূমিকা কী হবে, সে সম্পর্কে বৈঠকে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক অনেক নতুন সংসদ সদস্যকে দেখিয়ে তাঁরা সংসদের মান ও চরিত্র নিয়ে কিছু নির্দেশনা দিয়েছেন।

    ডেপুটি স্পিকারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও জানানো হয়; প্রস্তাব আসলে তাদের অবস্থান প্রকাশ করা হবে—তাহের বলেন, ‘এ বিষয়গুলো কালকে খোলাসা করা হবে।’

    সংক্ষেপে বলা যায়, রাষ্ট্রপতির ভাষণকে কেন্দ্র করে গত কয়েকদিন ধরে রাজনৈতিক আক্রমণপ্রত্যাশা তীব্র হয়েছে; সরকার নিয়ম মেনে চলার ওপর জোর দিচ্ছে, আর বিরোধীরা ভাষণদানকে অবৈধ বলে আখ্যা দিয়ে विरोधের সংকেত দিচ্ছে। পরিস্থিতি পরিষ্কার হবে আগামীকালের অধিবেশনে।

  • খেলাপি ঋণ আদায় দ্রুততর করতে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগের নির্দেশ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

    খেলাপি ঋণ আদায় দ্রুততর করতে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগের নির্দেশ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

    বাংলাদেশ ব্যাংক তফসিলি ব্যাংকগুলোকে খেলাপি ঋণ সংক্রান্ত বিরোধ দ্রুত ও কার্যকরভাবে নিষ্পত্তি করার জন্য দক্ষ মধ্যস্থতাকারী (মেডিয়েটর) নিয়োগের নির্দেশনা জারি করেছে। বুধবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক ওই নির্দেশনা একটি সার্কুলারের মাধ্যমে প্রকাশ করেছে।

    নতুন উদ্যোগে বিশেষভাবে ‘প্রাক-মামলা মধ্যস্থতা’ পদ্ধতিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে—অর্থাৎ আদালতে মামলা দায়েরের আগে বিরোধসমূহ বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মীমাংসার ব্যবস্থা করা হবে। এর মাধ্যামে বিচারব্যবস্থায় মামলার ঝুঁকি কমানো এবং সময় ও খরচ বাঁচানোই লক্ষ্য। কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে যে এই ধরণে এমন সব বিরোধও আদালতে যাওয়ার আগে সমাধানের সুযোগ পাবে, যেগুলো সম্ভবত অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩ ও দেউলিয়া আইন, ১৯৯৭-এর আওতায় পড়তে পারে।

    সার্কুলারে তফসিলি ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এডিআর পদ্ধতির মাধ্যমে ২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে মোট খেলাপি ঋণের অন্তত ১ শতাংশ নিষ্পত্তি করতে হবে। চলতি অর্থবছরের শেষ দিনটিকে লক্ষ্য করে নির্ধারিত এই সময়সীমা ব্যাংক খাতের তারল্য ও আর্থিক স্থিতি উন্নয়নে নিয়ন্ত্রকের গুরুত্বপ্রকাশ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বর্তমান সময়ে ব্যাংকখাতে অনাদেয় ঋণ বড় পরিমাণে থাকায় মধ্যস্থতার মাধ্যমে এই ১ শতাংশ রিকভারি জাতীয় পর্যায়ের ঋণ পুনরুদ্ধার কার্যক্রমে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    নতুন নির্দেশনাটি ২০২৪ সালের ২২ মে জারি করা কেন্দ্রীয় সার্কুলার (বিএরপিডি সার্কুলার নং-১১) এর ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে, তবে এতে আদালতে মামলা করার আগেই বিরোধ নিষ্পত্তির ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।

    বৈধতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, মধ্যস্থতাকারী নির্বাচনের জন্য ব্যাংকগুলোকে আইন অনুযায়ী গঠিত বিশেষায়িত মধ্যস্থতা সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্যানেল থেকে মধ্যস্থতাকারী বাছাই করতে হবে। এসব প্যানেেলে সাধারণত অবসরপ্রাপ্ত বিচারক, ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অবসরপ্রাপ্ত কর্তাব্যক্তি এবং অভিজ্ঞ পেশাজীবীরা অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারেন।

    সার্কুলারে মধ্যস্থতাকারী নির্বাচনের জন্য ১০টি যোগ্যতা ও অযোগ্যতার শর্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রধান শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে প্যানেল সদস্যপদ যাচাই, নিরপেক্ষতা, পেশাগত সুনাম, বিশেষজ্ঞ দক্ষতা, মধ্যস্থতার জ্ঞান এবং প্রমাণিত অভিজ্ঞতা। এছাড়া পরিষ্কার আইনি রেকর্ড, আর্থিক সততা, ঋণখেলাপি না থাকা এবং পর্যাপ্ত আর্থিক সক্ষমতা থাকা বাধ্যতামূলক রাখা হয়েছে।

    নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যাংকগুলোকে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগের সময় কঠোর প্রশাসনিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে; নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে হলফনামা ও অঙ্গীকারপত্র গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একই সঙ্গে গ্রাহকদের মধ্যস্থতা সুবিধা ও প্রক্রিয়ার বিষয়ে সক্রিয়ভাবে অবহিত করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, আদালতের বাইরে দ্রুত সমঝোতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি করে দীর্ঘমেয়াদি আইনি জট ও সময় খরচ কমানো এবং ঋণ পুনরুদ্ধার কার্যকারিতা বৃদ্ধি করাই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। বর্তমান অনাদেয় ঋণের চ্যালেঞ্জকে মাথায় রেখে এ ধরনের প্রাক-মামলা মধ্যস্থতা জাতীয় স্তরে ঋণ পুনরুদ্ধারে কার্যকর সহায়ক হিসেবে বিবেচিত হবে।

  • সোনার দাম ছুঁলো ভরি ২ লাখ ৭০ হাজার: বাজুসের তৃতীয় দিনে বাড়ানো দর

    সোনার দাম ছুঁলো ভরি ২ লাখ ৭০ হাজার: বাজুসের তৃতীয় দিনে বাড়ানো দর

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) টানা দ্বিতীয় দিনের মতো সোনার দাম বাড়িয়েছে। বুধবার (১১ মার্চ) সকালে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি জানায় যে ২২ ক্যারেট মানের সোনার এক ভরির দাম ২ হাজার টাকার বেশি বৃদ্ধি করে নতুনভাবে ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর করা হয়েছে।

    বাজুস বলেছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্য বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

    নতুন দর অনুযায়ী দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে এভাবে:

    – ২২ ক্যারেট: ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০ টাকা

    – ২১ ক্যারেট: ২ লাখ ৫৮ হাজার ১২৪ টাকা

    – ১৮ ক্যারেট: ২ লাখ ২১ হাজার ২৬৬ টাকা

    – সনাতন পদ্ধতি অনুসারে: ১ লাখ ৮০ হাজার ৬১৭ টাকা

    সোনার সঙ্গে সঙ্গেই রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। রুপার নতুন ভরি মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে নিম্নরূপ:

    – ২২ ক্যারেট অনুযায়ী: ৬ হাজার ৭০৭ টাকা (ভরিতে ১৭৫ টাকা বৃদ্ধি)

    – ২১ ক্যারেট: ৬ হাজার ৪১৫ টাকা

    – ১৮ ক্যারেট: ৫ হাজার ৪৮২ টাকা

    – সনাতন পদ্ধতি অনুযায়ী: ৪ হাজার ৮২ টাকা

    বাজুসের এই ঘোষণা বাজারে অলঙ্কার ও জুয়েলারি খাতের ক্রয়-বিক্রয় প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

  • ইরান দাবি: শিন বেট সদরদপ্তর ও দুই বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলা

    ইরান দাবি: শিন বেট সদরদপ্তর ও দুই বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলা

    ইরান জানিয়েছে যে তারা ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেটের সদরদপ্তরসহ কয়েকটি সামরিক লক্ষ্যবস্তুকে ড্রোনে আঘাত করেছে। বৃহস্পতিবার ইরানের সামরিক বাহিনীর এক বিবৃতি এই দাবি করে।

    বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরানের সামরিক সদস্যরা ড্রোন ব্যবহার করে তেল আবিবে অবস্থিত শিন বেটের সদরদপ্তর এবং দুইটি বিমানঘাঁটিকে লক্ষ করেছিল। আইআরএনএ-র খবরে বলা হয়েছে, হামলায় ভূমধ্যসাগর উপকূলীয় শহর ইভনের পশ্চিমে অবস্থিত পালমাহিম বিমানঘাঁটি এবং দক্ষিণ ইসরায়েলের ওভদা বিমানঘাঁটিকে টার্গেট করা হয়। ইরানি বিবৃতিতে হামলার দায়িত্ব ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (ইরানি রেভলিউশনারি গার্ড) নিয়েছে।

    অন্যদিকে, ইসরায়েলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরানের হামলায় গত ২৪ ঘণ্টায় অন্তত ১৭৯ জন আহত হয়েছেন; তাদের বেশিরভাগই হালকা জখম। মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধে শুরু হওয়ার পর থেকে ইরানে এসব হামলার ফলে ইসরায়েলে মোট আহতের সংখ্যা বাড়ে ২ হাজার ৭৪৫-এ।

    একই সময়ে কুয়েতে সম্প্রচারিত রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা কুনার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কয়েকটি ড্রোন আঘাত করেছে। দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আঘাতে বিমানবন্দরের অবকাঠামোয় ক্ষতি হয়েছে; তবে আহত বা প্রাণহানির বিষয়ে তাৎক্ষণিক বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

    উপরের সব তথ্য সংকলন করা হয়েছে আল জাজিরা ও এএফপির প্রতিবেদন থেকে।

  • ইরাকে তেলবাহী ট্যাংকারে হামলায় ভারতীয় নাবিক নিহত

    ইরাকে তেলবাহী ট্যাংকারে হামলায় ভারতীয় নাবিক নিহত

    ইরাকের বসরা বন্দরের নিকটবর্তী জলসীমায় মার্কিন মালিকানাধীন একটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলায় একজন ভারতীয় নাবিক নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বাগদাদের ভারতীয় দূতাবাস এই ঘটনাটি নিশ্চিত করে।

    দূতাবাস জানিয়েছে, মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের পতাকাবাহী এবং মার্কিন মালিকানাধীন অপরিশোধিত তেলবাহী ট্যাংকার ‘সেফসি বিষ্ণু’ বসরা এলাকায় হামলার শিকার হয়; এ ঘটনায় একজন ভারতীয় ক্রু সদস্য প্রাণ হারান। নিহতের পরিচয় এখনও প্রকাশ করা হয়নি।

    দূতাবাসের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে যে বাকি ১৫ জন ভারতীয় নাবিককে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া হয়েছে এবং তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। দূতাবাস উদ্ধারকৃত নাবিকদের এবং ইরাকি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত সমন্বয় করছে।

    এর আগে ইরাকি সেনাবাহিনীর এক মুখপাত্র জানিয়েছিলেন, বসরা প্রদেশের আল-ফাও বন্দরে দু’টি বিদেশি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার ঘটনায় একজন নাবিক নিহত হয়েছেন এবং আরও ৩৮ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। ইরাকের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইএনএ জানিয়েছে, এখনও নিখোঁজদের খোঁজে উদ্ধার অভিযান চলছে।

    বন্দর নিরাপত্তা সূত্রের বরাতে জানানো হয়েছিল যে ট্যাংকার দুটিতে বিস্ফোরকবাহী বোট ব্যবহার করে হামলা চালানো হয়, যার ফলে ওই জাহাজগুলোতে আগুন লাগে। ঘটনার পর ইরাকে সব তেলবন্দরের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে; তবে বাণিজ্যিক বন্দরগুলোর কার্যক্রম সচল রয়েছে।

    ইরাকি কর্তৃপক্ষ ঘটনার তদন্ত এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করে যাচ্ছে এবং ভারতীয় দূতাবাসও ক্ষতিগ্রস্ত নাবিকদের উদ্ধার ও চিকিৎসা সংক্রান্ত বিষয়ে মনিটরিং করছে।

  • অস্ত্র-গুলিসহ করিম শরীফ বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড ওসমান গণি আটক

    অস্ত্র-গুলিসহ করিম শরীফ বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড ওসমান গণি আটক

    কোস্ট গার্ড বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সকালে সুন্দরবনের শেলা নদীর মূর্তির খাল থেকে কুখ্যাত জলদস্যু করিম শরীফ বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড ওসমান গণিকে অস্ত্র ও গুলিসহ আটক করেছে।

    কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানিয়েছেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে করিম শরীফ বাহিনীর সদস্যরা শেলা নদী সংলগ্ন ওই এলাকায় অবস্থান করছে। সে তথ্যের ওপর ভিত্তি করে কোস্ট গার্ড বেইস মোংলা সকাল ছয়টার দিকে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে বিশেষ অভিযান শুরু করে।

    অভিযানের সময় কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি বুঝতে পেরে দস্যুরা দ্রুত পালানোর চেষ্টা করলে ধাওয়া করে তাদের মধ্যে থেকে ওসমান গণিকে গ্রেফতার করা হয়। ওই এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে ১টি একনলা বন্দুক, ১৬ রাউন্ড তাজা কার্তুজ এবং ৫ রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে।

    আটককৃত ওসমান গণি (৩৮) সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি থানার বাসিন্দা। কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে তিনি করিম শরীফ বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসেবে কাজ করে আসছিলেন এবং দস্যু দলে অস্ত্র ও গোলাবারুদ জোগায়।

    কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোনের অপারেশন অফিসার লে. কমান্ডার আবরার হাসান জানান, জব্দকৃত অস্ত্র ও আটককৃত দস্যুকে নিয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। রাতে ওসমান গণি মোংলা থানায় হস্তান্তর করা হবে।

    তিনি আরও জানিয়েছেন, সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত রাখতে কোস্ট গার্ডের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • মাসুম বিল্লাহ হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে খুলনায় মানববন্ধন

    মাসুম বিল্লাহ হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে খুলনায় মানববন্ধন

    রূপসা উপজেলা শ্রমিক দলের সাবেক আহবায়ক ও রূপসা-বাগেরহাট আন্তঃজেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি মাসুম বিল্লাহকে হত্যাকারী ও অর্থ যোগানদাতা যারা তাদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানের দাবিতে খুলনায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুর ১২টায় নগরীর পিকচার প্যালেস মোড়ে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

    মানববন্ধনটি সভাপতিত্ব করেন সাবেক ইউপি সদস্য ও বিএনপি নেতা বসির হায়দার পল্টু। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক মোল্লা খাইরুল ইসলাম, সাবেক সহ-সভাপতি আব্দুর রশিদ শেখ, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি উজ্জ্বল কুমার সাহা, জেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ এবং জেলা শ্রমিক দলের যুগ্ম-সম্পাদক এস এম কামরুজ্জামান।

    আলী আকবার রাজুর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন রূপসা-বাগেরহাট বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মহিউদ্দিন শেখ, সাবেক ছাত্রনেতা মনজুর আরেফিন, জেলা মহিলা দলের যুগ্ম-সম্পাদক মনিরা সুলতানা, থানা শ্রমিক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইউনুস গাজী, উপজেলা শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক জালাল হাওলাদার, যুগ্ম-আহবায়ক তরিকুল ইসলাম তরিক এবং যুগ্ম-আহবায়ক লাভলু শেখ।

    অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন বিএনপি নেতা মাজারুল ইসলাম, বাবুল শেখ, জাকির হোসেন, বাগমারা বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হোসেন, সাবেক সভাপতি হুমায়ুন শেখ, ট্রলার মাঝি শ্রমিক ইউনিয়নের আলী শিকদার এবং নিহত মাসুম বিল্লাহর ছেলে আবিদ হুসাইন। বক্তারা হত্যাকাণ্ডের দ্রুত তদন্ত, সত্যিকারের দায়ীদের বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাইতে বলেন।