Blog

  • নাহিদ রানার ফাইফারে নিউজিল্যান্ড দুইশের আগেই থেমে গেল

    নাহিদ রানার ফাইফারে নিউজিল্যান্ড দুইশের আগেই থেমে গেল

    ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশি বোলাররা আগের পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা ধরে রেখে দুর্দান্ত বোলিং দেখিয়েছে। নাহিদ রানার পাঁচ উইকেটের ঝড়ে নিউজিল্যান্ডের ইনিংস ৪৮.৪ ওভারেই ১৯৮ রানে থেমে যায়। এবার স্বাগতিকদের জয় থামাতে হবে ৫০ ওভারে ১৯৯ রান।

    টসে জিতে আগে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেন নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক টম ল্যাথাম। তবে তাদের শুরুটা ভালো হয়নি। ম্যাচের অষ্টম ওভারেই নাহিদ রানার বল থেকেই হেনরি নিকোলস লেজ বিফোর হয়ে সাজঘরে ফিরেন—নিজের ২৫ বলের ইনিংসে ১৩ রান করে। কিউইরা তখন মাত্র ২৫/1।

    এরপরই দশম ওভারেই রানা আরও এক বলে প্রেক্ষাপট পরিবর্তন করেছেন—উইল ইয়ানকে প্যাভিলিয়নে পাঠিয়ে দেন তাকে। পাওয়ার প্লে শেষে নিউজিল্যান্ডের স্কোর ছিল কেবল ২ উইকেটে ২৮ রান।

    এর পরে কেলি আর অধিনায়ক ল্যাথামের সঙ্গে ২৪ রানের জুটি গড়ে আক্রমণ সামলানোর চেষ্টা করেন কিউই ব্যাটিং লাইন-আপ। কিন্তু ল্যাথাম সৌম্য সরকারের বলে ব্যক্তিগত ১৪ রানে ফিরে যান। এরপর মোহাম্মদ আব্বাস ক্রিজে এসে কেলির সঙ্গে জুটি গড়েন; তারা ৬৬ বলে ৫৬ রানের পতাকা ঝুলিয়ে দেন।

    তবে সেই জুটি বেশি দিন টেকেনি—আব্বাসকে রানার একটি শটেই ফেরাতে মাঠে নামে লাল-সবুজের পেসার। কেলি একপ্রান্ত ধরে রেখে খেলছেন এবং ৬৬ বল খেলে অর্ধশতক পূর্ণ করেন; শেষ পর্যন্ত ১০২ বলে ৮৩ রানে ফিরেন, শরিফুল ইসলামের বলে তাওহিদ হৃদয়ের ক্যাচে।

    কেলির আউটের পর নিউজিল্যান্ডের ব্যাটিং লাইনআপ ধসে পড়ে। রিশাদ হাসান ও শরিফুলরা আরও একডজন করে উইকেট নেন; নাহিদ রানা ফিরিয়েছেন ডিন ফক্সক্রফট ও জেইডেন লেনক্সকে—এভাবে রানার হাতে আসে ওয়ানডে ক্যারিয়ারে তার দ্বিতীয় ফাইফার। অবশেষে কিউইরা ৪৮.৪ ওভারে ১৯৮ রানে অলআউট হয়।

    বাংলাদেশের বোলিংয়ের ধারাবাহিকতা ও মাঝের উইকেটগুলো সংগ্রহে বাধা হিসেবে作用 করেছে কিউইদের ওপর। এখন স্বাগতিকদের জিততে হবে ১৯৯ রান, আর টাইগারদের এই বোলিং ফর্ম তাঁদের বড়ো সুবিধা এনে দিয়েছে সিরিজ বাঁচানোর লড়াইয়ে।

  • ২০ বছর পূর্ণ হতে যাচ্ছে ‘গ্যাংস্টার’, প্রকাশ্যে এল সিনেমার অজানা কাহিনি

    ২০ বছর পূর্ণ হতে যাচ্ছে ‘গ্যাংস্টার’, প্রকাশ্যে এল সিনেমার অজানা কাহিনি

    অনুরাগ বসুর পরিচালিত কাল্ট বলিউড ছবি ‘গ্যাংস্টার: এ লাভ স্টোরি’ ২৮ এপ্রিল ২০২৬ সালে মুক্তির ২০ বছর পূর্ণ করতে যাচ্ছে। ভারতীয় সিনেমার এক মাইলফলক হিসেবে খ্যাত এই ছবিটি এখনও দর্শক ও সমালোচকদের মনে তীব্র ছাপ রেখে আছে — আর সেই কারণেই সম্প্রতি ছবিটির নির্মাণসংক্রান্ত কিছু অজানা ও মজার কাহিনি সামনে এসেছে।

    পরিচালক অনুরাগ বসু জানিয়েছেন, ‘গ্যাংস্টার’ ছবিটির মূল ধারণা এসেছে মহেশ ভাটের কথাবলার এক লাইন থেকে। ভাট বলেছিলেন, ‘একজন গ্যাংস্টারকে তার প্রেমিকা ধোঁকা দিচ্ছে’ — এই সরল কিন্তু তীব্র ভাবনাটিই পরে পুরো গল্পের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। তখন অনুরাগ ‘লাইফ ইন আ মেট্রো’–র চিত্রনাট্য নিয়ে কাজ করছিলেন; সেই কাজ থেকে বিরতি নিয়ে মাত্র দুই সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে তিনি ‘গ্যাংস্টার’–এর স্ক্রিপ্ট লিখে ফেলেন।

    কাস্টিং প্রসঙ্গে অনুরাগ জানান, ‘সিমরান’ চরিত্রের জন্য তিনি এক পাহাড়ি ছাত্রীকে খুঁজছিলেন। বহু অডিশনের পর কঙ্গনা রানাউতকে দেখেই মনে হয়, একেবারেই এটাই তিনি খুঁজছিলেন। তবু অনুরাগ আরো ৫–৬ দিন অপেক্ষা করেন, যেন সুযোগ থাকে আরও কাউকে খুঁজে পাওয়ার। শেষমেষ কঙ্গনাই পরিণত হন বলিউডের একটি নতুন সেনসেশনে।

    আরও একটি চমকপ্রদ কথা—শুটিং শুরু হওয়ার সময় অনুরাগ বসু ক্যান্সারের চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। সবাই বিশ্রাম নেওয়ার পরামর্শ দিলেও তিনি জেদ করে শুটিং চালিয়ে যান, এমনকি দক্ষিণ কোরিয়ায় ক্যামেরা ঘোরানোর সিদ্ধান্ত নেন।

    বাজেটের দিক থেকেও ‘গ্যাংস্টার’ ছিল কম খরচে তৈরি একটি ছবি। ছবিটির বাজেট ছিল প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা; খরচ কমাতে একটি ছোট ইউনিট নিয়ে কাজ করা হয় এবং হাতে-কলমে কাজও করতে হত—অনুরাগ বলেন, তারা নিজেরাই রান্না করত: তিনি ডাল রাঁধতেন, আর কঙ্গনা পেঁয়াজ কাটতেন।

    অল্প বাজেট, শারীরিক অসুস্থতা এবং নতুন প্রতিভার একঝাঁক নিয়ে তৈরি এই ছবি দ্রুতই বলিউডে একটি মাইলফলকে পরিণত হয়। অনুরাগ বসুর সাহসী পরিচালনা ও কঙ্গনা রানাউত ও ইমরান হাশমির প্রাণবন্ত অভিনয় দর্শকদের মুগ্ধ করে। ২০০৬ সালের ২৮ এপ্রিল মুক্তির পর ছবিটি ব্যবসাসাফল্যও পায়; অনুপাতগতভাবে কম খরচে তৈরি হলেও বিশ্বের বাজারে এর মোট আয় প্রায় ১৬.৮৫ কোটির বেশি।

    প্রীতমের সুরে সিনেমার গানগুলো ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়, বিশেষ করে ‘ইয়া আলি’ আজও কালজয়ী। একই সঙ্গে কঙ্গনা রানাউত প্রথম ছবিতে থেকেই ৫২তম ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ডে ‘সেরা নবাগত অভিনেত্রী’ পুরস্কার জিতে নেন।

    প্রসংগত, প্রচলিত ধারণা আছে যে ‘গ্যাংস্টার’–এর কাহিনি আংশিকভাবে ভারতের কুখ্যাত আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন আবু সালেম ও অভিনেত্রী মনিকা বেদীর বাস্তব সম্পর্কের ছায়া থেকে অনুপ্রাণিত। এটি অবশ্য সরাসরি নিশ্চিত নয়; অনেকে এই মিলগুলো ধরেই নানা আলোচনা করে থাকেন।

    সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ‘গ্যাংস্টার’ শুধু একটি চলচ্চিত্র হিসেবে নয়, বরং এক তরুণ সময়ের উত্তেজনা, ঝুঁকি নেওয়া নির্মাণশৈলী ও নতুন প্রতিভার আত্মপ্রকাশের প্রতীক হয়ে উঠেছে। ছবির পেছনের এই অজানা গল্পগুলো জানলেই বোঝা যায়, কিভাবে সীমিত संसाधন এবং দৃঢ় সংকল্প এক চিরস্মরণীয় সিনেমা গড়তে পারে।

  • সুইমিংপুলে অচেতন উদ্ধার — হাসপাতালে মারা গেলেন অভিনেত্রী নাদিয়া ফারেস

    সুইমিংপুলে অচেতন উদ্ধার — হাসপাতালে মারা গেলেন অভিনেত্রী নাদিয়া ফারেস

    ইউরোপীয় চলচ্চিত্র জগতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ফরাসি-মরোক্কান অভিনেত্রী নাদিয়া ফারেস (Nadia Farès) গত ১৭ এপ্রিল প্যারিসের একটি ব্যক্তিগত ক্রীড়া কমপ্লেক্সের সুইমিংপুল থেকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার হন। দ্রুত হাসপাতালে নেয়ার পর তাকে কৃত্রিম কোমায় রাখা হয়, কিন্তু শেষ পর্যন্ত হৃদযন্ত্র বন্ধ হয়ে ৫৭ বছর বয়সে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

    পরিবার সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক চিকিৎসায় তার মৃত্যু হৃদরোগের কারণে হয়েছে। ফ্রান্সের প্রভাবশালী দৈনিক লে ফিগারো জানিয়েছে, নাদিয়ার মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত শুরু করা হয়েছে এবং প্রাথমিকভাবে কোনো অপরাধের ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।

    নাদিয়া ফারেস আন্তর্জাতিকভাবে খ্যাতি পান চলচ্চিত্র ‘দ্য ক্রিমসন রিভার্স’ থেকে। এছাড়া তিনি টেলিছবিতে ‘মার্সেই’ সিরিজে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকের নজর কাড়েন। ১৯৬৮ সালের ২০ ডিসেম্বর মরক্কোর মারাকেশে জন্ম_graphণ করেন—শৈশব কেটেছে ফ্রান্সের নিসে—তারপর প্যারিসে এসে ১৯৯২ সালে অভিনয়জগতে পা রাখেন। বলিউড নয়—হলিউডেও সময়কালীন কাজ করেছেন তিনি।

    ব্যক্তিগত জীবনে ২০০৯ সালে প্রযোজক স্টিভ চ্যাসম্যানকে বিয়ে করার পর কয়েকটি বছর অভিনয় থেকে দূরে ছিলেন; ২০১৬ সালে পুনরায় পর্দায় ফেরেন এবং ২০২২ সালে ফের ফ্রান্সে ফিরে আসেন।

    নাদিয়ার আকস্মিক প্রয়াণে চলচ্চিত্র অঙ্গনে শূন্যতা তৈরি হয়েছে; তার দৃঢ় অভিনয়শৈলী ও বহুমুখী চরিত্রগুলো দর্শক মনে দীর্ঘদিন টিকে থাকবে। পরিবার ও সহকর্মীদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বলা হচ্ছে যে, শীঘ্রই তার প্রয়াণ নিয়েই আরও বিস্তারিত বিবরণ শেয়ার করা হবে।

  • আশা ভোসলের শেষযাত্রা আজ, রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বিদায় জানাবেন শ্রোতারা

    আশা ভোসলের শেষযাত্রা আজ, রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বিদায় জানাবেন শ্রোতারা

    ভারতীয় সংগীতের ইতিহাসের এক মহান দিকপাল অকাল প্রয়াণের মধ্য দিয়ে শেষ হলো এক যুগের সূচনা। কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আশা ভোসলে ৯২ বছর বয়সে মুম্বাইয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। তাঁর মৃত্যুতে সংগীতজগতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং তাঁর স্মৃতি অম্লান হয়ে থাকবে।

    গতকাল রোববার মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। কয়েকদিন আগে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, সংক্রমণ এবং বয়সজনিত জটিলতার কারণে তিনি দীর্ঘদিন লড়াই করে শেষমেষ একাধিক অঙ্গ বিকল হয়ে যাওয়ার কারণে মারা যান।

    পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আজ সোমবার বিকেল ৪টায় শিবাজি পার্কে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁর শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হবে। এই পার্কেই শেষকৃত্য হয়েছিল তাঁর বড় বোন লতা মঙ্গেশকেরও। মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফডনবিস অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

    গতকাল সন্ধ্যায় তাঁর মরদেহ লোয়ার পারেলে তাঁর বাসভবনে নেওয়া হয়। আজ সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ভক্ত-অনুরাগীরা শেষ শ্রদ্ধা জানাতে সেখানে অপেক্ষা করছেন। গায়িকার ছেলে আনন্দ ভোসলে জানিয়েছেন, ‘যাঁরা শেষ শ্রদ্ধা জানাতে চান, তাঁরা বেলা ১১টা থেকে তাঁর বাসভবনে আসতে পারেন।’ পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ‘শেষদর্শন সকাল ১০টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে, এরপর বিকেল ৪টায় শিবাজি পার্কে শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।’

    আশা ভোসলে সাত দশকের বেশি বাজে সময়ে গীতে শিল্পকলা করে ১২ হাজারের বেশি গান গেয়েছেন। তিনি হিন্দি ছাড়াও মোট ২০টিরও বেশি ভাষায় গান গেয়েছেন, যার মধ্যে গজল, শাস্ত্রীয় ও আধুনিক গানের আবহ ছিল তার অনুরণনে। wereldwijd তার ব্যপ্তি ও জনপ্রিয়তা ছড়িয়ে পড়েছে।

    ভারতের চলচ্চিত্রের সর্বোচ্চ সম্মান দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার, পদ্মভূষণসহ বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কারে ভূষিত এই কিংবদন্তি একজন শিল্পীর জীবন ও কর্মের অনুপ্রেরণা। তাঁর কণ্ঠের গানে আজও জোরা দিয়ে উঠে প্রত্নতাত্ত্বিক চেতনা ও সংগীতপ্রেমীদের হৃদয়।

    আশার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে বলিউড ও দক্ষিণী ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। শোবিজের উল্লেখযোগ্য তারকারা যেমন শাহরুখ খান, কাজল, শ্রেয়া ঘোষাল, কারিনা কাপুর খান, ভিকি কৌশল, রাম গোপাল ভার্মা, আনু মালিক, কমল হাসান, জুনিয়র এনটিআর সহ অনেকে সামাজিক মাধ্যমে শোক প্রকাশ করেছেন।

    অভিনেতা মনোজ বাজপেয়ী ভাষ্য করেছেন, ‘আমরা অনেকেই যেনো আশাজির গানে দ্যাখা করে বড় হয়েছি। তিনি আমাদের অনুপ্রেরণা ও মুগ্ধতা জুগিয়েছেন। তাঁর গান কালের পর কাল আমাদের সঙ্গে থাকবে।’ দক্ষিণী এই তারকা রামচরণ বলেছেন, ‘ভারতীয় সংগীতের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি, তাঁর কণ্ঠ ছিল খাঁটি জাদুর মতো।’

    তদ্ব্যতীত, মিলিন্দ সোমান তাঁকে ‘একজন কিংবদন্তি’ হিসেবে স্মরণ করেছেন, শ্রদ্ধা কাপুরসহ অনেকে তাঁদের শোকবার্তা প্রকাশ করেছেন।

    গতকাল থেকেই তাঁর বাসভবনে বিশিষ্টজনের ভিড় জমতে শুরু করে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন জাভেদ আখতার, শাবানা আজমি, এ আর রাহমান, বিদ্যা বালনসহ বহু শিল্পী ও সংগীতপ্রিয়জন। সবাই তাঁর স্মৃতি ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বিদায় জানাচ্ছেন এই মহান শিল্পীর জন্য।

  • অশ্রুপূর্ণ বিদায়: আশা ভোসলের অবয়ব পঞ্চভূতে মিলায় গেলেন

    অশ্রুপূর্ণ বিদায়: আশা ভোসলের অবয়ব পঞ্চভূতে মিলায় গেলেন

    ভারতীয় সংগীতের জগতে এক অবিস্মরণীয় নক্ষত্র hope ভোসলের জীবন তাঁর শেষ নিঃশ্বাসের সময় পঞ্চভূতে মিলিয়ে গেলেন। সোমবার বিকেলে মুম্বাইয়ের শিবাজি পার্কে সম্পন্ন হলো তার শেষকৃত্য, যা রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন তার ছেলে আনন্দ ভোসলে, তিনি শেষক্রিয়ায় মুখাগ্নি করেন। এ অনুষ্ঠানে তার প্রেয়সী সুরের আরাধনা চিরতরে নিভে গেল। খবর ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের।   

    গতকাল থেকে মুম্বাইয়ের লোয়ার পার্লে তার বাসভবন ছিল শোকাবহ চাঁদনী। সেখানে ছিল গভীর শোকের ছায়া, কোনো উৎসবের রঙিন আলো ছিল না; কেবলই শোকের আবেগ। তার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে সেখানে উপস্থিত ছিলেন প্রবীণা গায়িকা মীনা খড়িকর, এই দিকপাল তারকারা—অভিনেতা আমির খান, ক্রিকেট আইকন শচীন টেন্ডুলকার, সংগীত পরিচালক এ আর রহমান, অভিনেত্রী টাবু, আশা পারেখ, নীল নীতিন, মুকেশ, জ্যাকি শ্রফ এবং আরও অনেকে। রাজনৈতিক মহলের নেতারাও শেষবারের মতো শেষশ্রদ্ধা জানাতে শোকে ভরা এই সমাবেশে হাজির হন।

    আশা ভোসলের মরদেহ প্রথমে তার বাসভবন থেকে সরিয়ে নেওয়া হয় শিবাজি পার্কের শ্মশানে। তার মরদেহ সাজানো ছিল প্রিয় সাদা-প্যাচের হলুদ রঙের ফুলে। রাস্তার দু’পাশে ছিল অসংখ্য ভক্ত-অনুরাগীর ঢল। তারা চোখের জল আর ভালোবাসার অশ্রু ঝরে দিয়ে শেষ বিদায় জানান ওই মহান গায়িকা। শ্মশানে তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিনোদন, রাজনীতি এবং ক্রীড়া জগতের অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব।

    আগামী ১১ এপ্রিল, অসুস্থ হয়ে উঠলে তাকে মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রবিবার (১২ এপ্রিল) দুপুরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বয়স হয়েছিল ৯২ বছর।

    আশা ভোসলের সংগীতের ক্যারিয়ারের সূচনা হয় ১৯৪৩ সালে, যেখানে শুরু হয় তার দীর্ঘকাল ধরে জারি থাকা সংগীতজীবন। তিনি শুধু হিন্দি গানই নয়, আরও ২০টির বেশি ভারতীয় ভাষার গান এবং কিছু বিদেশি ভাষায় গান রেকর্ড করেছেন। তার গানে মোট ৯২৫টির বেশি সিনেমায় কণ্ঠ দিয়েছেন বলে ধারণা, আর মনে করা হয় তিনি গেয়েছেন ১২ হাজারেরও বেশি গান। ভারতের সরকার তাকে ২০০৮ সালে সম্মান জানিয়ে পদ্মভূষণ পুরস্কার দেয়। ২০১১ সালে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস তাকে সর্বাধিক গানের রেকর্ডকারী হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

    আশা ভোসলের বড় বোন লতা মঙ্গেশকর তার প্রথম বিয়ের সময় গণপতরো ভোসলে নামে একজনের সঙ্গে যুক্ত হন, যখন তার বয়স ১৬। এর সময় গণপতরো তিনি ৩১ বছরের ছিলেন। এই সংসার ১৯৬০ সালে ভেঙে যায়। এরপর ১৯৮০ সালে তিনি আরডি বর্মনকে বিয়ে করেন, এবং ১৯৯৪ সালে মারা যান তার দ্বিতীয় স্বামী।

  • আশা ভোঁসলের শেষ বিদায়ে ছিলেন না সালমান-শাহরুখ, জানা গেল কারণ

    আশা ভোঁসলের শেষ বিদায়ে ছিলেন না সালমান-শাহরুখ, জানা গেল কারণ

    সর্বকালের অন্যতম জনপ্রিয় সঙ্গীতজ্ঞা আশা ভোঁসলের মরদেহ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায় দেওয়া হয়েছে। তার মহা প্রস্থানের সময় গোটা বলিউড শোকের ছায়ায় ডুবে ছিল। রণবীর সিং থেকে শুরু করে বহু খ্যাতিমান তারকাই উপস্থিত ছিলেন এই আনুষ্ঠানিক শেষতালিকায়। তবে মুক্তAIR ইতিহাসে কিছু কিনা তাদের মাঝে অন্যতম আলোচিত বিষয় হলো—the কিংবদন্তি এই শিল্পীর বিদায় অনুষ্ঠানে সালমান খান ও শাহরুখ খান উপস্থিত থাকতে পারেননি। এর পেছনে যে কারণ জানা গেছে, তা বেশ চমকপ্রদ এবং আলোচনা সমালোচনার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    ভারতীয় একজন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আশা ভোঁসলের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার সময় মুম্বাইতেই অবস্থান করছিলেন সালমান খান ও শাহরুখ খান। তবে নিজেদের নিরাপত্তা ও ব্যক্তিগত পরিস্থিতির কারণে তাঁরা এই আনুষ্ঠানিক বিদায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেননি। এ ব্যাপারে উভয় পক্ষ থেকেই কোনো অফিসিয়াল বিবৃতি দেওয়া হয়নি।

    তাদের এই সিদ্ধান্তের পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা ধরনের মন্তব্য ও সমর্থন দেখা গেছে। তবে এ ব্যাপারে ঘনিষ্ঠমহলের সূত্রে জানা গেছে, তারা ব্যক্তিগত কারণ ও নিরাপত্তার ঝুঁকি বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

    অন্যদিকে, আশা ভোঁসলের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন সালমান খান এবং শাহরুখ খান। শাহরুখ খান লিখেছেন, ‘এটা খুবই দুঃখের যে আশা তাই চলে গেছেন। তার কণ্ঠস্বর ছিল অসাধারণ এবং এটি ভারতীয় সিনেমা ও সংগীতের এক অসামান্য ধন। তার গান ও অবদান ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য অনন্তকালীন উৎসাহের উৎস।’ সালমান খানও শোকজ্ঞাপনে লিখেছেন, ‘এটি ভারতের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। আশা ভোঁসলের মতো একজন কিংবদন্তি শিল্পীর মৃত্যু শোচনীয়। তার কণ্ঠস্বর ছিল এক অনন্য সম্পদ, যা আগামী প্রজন্মকে অনুপ্রেরণা যোগাবে।’

    ১২ এপ্রিল রাতে আশা ভোঁসলের মৃত্যু হয়। এর আগের দিন ১১ এপ্রিল তিনি শারীরিক অস্বস্তি অনুভব করেছিলেন। বুকে ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। অনেক আশা ছিল দ্রুতই তিনি সুস্থ হয়ে উঠবেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, সেই আশা পূরণ হয়নি; তিনি চোখের আড়ালে চলে যান। তার মৃত্যু mourn করছে গোটা ভারত ও বিশ্ব।

  • সুকেশের বিরুদ্ধে রাজসাক্ষী জ্যাকুলিন

    সুকেশের বিরুদ্ধে রাজসাক্ষী জ্যাকুলিন

    গ্রেফতারের পর থেকে প্রতারক সুকেশ চন্দ্রশেখরকে বিভিন্ন বার ভালোবাসার জোড়ে বশ করার চেষ্টায় ব্যর্থ হয়েছেন জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ। এবার তিনি সুকেশের বিরুদ্ধে রাজসাক্ষী হতে যাচ্ছেন, যা বেশ গুরুত্ববহ একটি পরিস্থিতি। বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে।

    প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ২০০ কোটি রুপির আর্থিক জালিয়াতি মামলায় মূল অভিযুক্ত সুকেশের বিরুদ্ধে অভিযুক্ত হয়ে এবার সাক্ষ্য দেবে জ্যাকুলিন। দুটি শ কোটি রুপির এই মামলাটিতে, যেখানে সুকেশের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে প্রতারণার, সেখানে তার প্রেমিকা হিসেবে মুখ খুলেছেন জ্যাকুলিন।

    সুকেশের সঙ্গে তার সম্পর্ক থাকাকালীন, জ্যাকুলিন নিজে বিভিন্ন সময়ে তার পাশে দাঁড়িয়ে সুকেশের পক্ষে কথা বলেছেন। এক সময় তিনি নিজের হাতে একটি চিঠি লিখেছিলেন, যেখানে উল্লেখ করেছিলেন যে, প্রতারণা মামলায় তার নাম আসা দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা। তিনি জানান, তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল এবং জ্যাকুলিন ও তার পরিবারের জন্য অনেক উপহার তিনি উপহার হিসেবে দিয়েছেন। তিনি অবশ্যই বলেছিলেন, জ্যাকুলিন শুধু ভালোবাসা চান, অন্য কিছু নয়।

    তবে গ্রেফতারের পর থেকে সুকেশের প্রেমের ডাকে তিনি আর সাড়া দেননি। পুলিশ জেরায় স্বীকার করেছিলেন, সুকেশের দেওয়া উপহারসামগ্রীর কথাও। এখন দেখার বিষয়, আদালতে দাঁড়িয়ে তিনি কী বক্তব্য দেন সুকেশের বিষয়ে।

  • পরিবারে আসছে নতুন সদস্য, আবার মা হওয়ার সুখবর দিলেন দীপিকা

    পরিবারে আসছে নতুন সদস্য, আবার মা হওয়ার সুখবর দিলেন দীপিকা

    বলিউডে আবার স্বস্তির খবর শোনা গেল। জনপ্রিয় অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন দ্বিতীয়বার মা হতে চলেছেন। প্রথম সন্তানের জন্মের দুই বছর আগে এমন সুখবর ভাগ করে নিয়েছেন দীপিকা ও স্বামী রণবীর সিং। আজ, ১৯ এপ্রিল, তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবি পোস্ট করছেন যেখানে তাঁর গর্ভাবস্থার পরীক্ষা করা হয়েছে এবং হাতে ধরা আছে নবজাতকের জন্য অপেক্ষার সুখবর। ছবির ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘নতুন জীবনের আগমন।’

    এই ঘোষণা পড়েই বলিউডের সহকর্মীরা দারুণ আনন্দ ও শুভেচ্ছা জানাতে শুরু করেছেন। জনপ্রিয় অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া, কারিনা কাপুর, অনন্যা পাণ্ডে, বিপাশা বসু, সোনাক্ষী সিনহা, কিয়ারা আদভানি, পরিণীতি চোপড়া, ভূমি পেদমেকার, স্যামান্থা রুথ প্রভুপ্রভৃতি তারকাদের মধ্যে রয়েছেন, যারা এই দম্পতিকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। ভক্তরাও কমেন্টে নিজের ভালোবাসা প্রকাশ করে শেয়ার করছেন আনন্দের এই মুহূর্ত।

    দীপিকা সবসময় তার পরিবারের জন্য Prioritize করেছেন। তিনি মনে করেন, মাতৃত্ব জীবনের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব এবং পরম পাওয়া। তিনি এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘আমি নানা ধরনের চরিত্রে অভিনয় করেছি, কিন্তু বাস্তবে মা হওয়া ও সন্তানের দেখাশোনা—এটাই আমার জীবনের সবচেয়ে তৃপ্তিদায়ক ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।’

    রণবীরও পুরোপুরি নিবেদিতপ্রাণ একজন বাবা। প্রথম সন্তানের সময় তিনি কাজের থেকে বিরত থাকেন। দ্বিতীয় সন্তানের খবর শুনে তিনি আরও বেশি খুশি। জানা গেছে, রণবীর তার নতুন সিনেমা ও প্রজেক্টের শিডিউল এমনভাবে সাজাচ্ছেন যাতে তিনি এই মুহূর্তে তার স্ত্রী ও পরিবারের পাশে থাকতে পারেন।

    দীপিকা দ্বিতীয়বার মা হওয়ার জন্য রোমাঞ্চিত হলেও কিছুটা সতর্ক। প্রথমবারের অভিজ্ঞতা তার মনে মেয়েদের মতো এক অনুভূতি জাগিয়ে তুলেছে। এখন, রণবীর ও দীপিকা তাঁদের পরিবারের নতুন অতিথিকে স্বাগত জানানোর জন্য অপেক্ষা कर রয়েছেন।

    দীপিকা ও রণবীরের বিয়ে ২০১৮ সালের ১৪ নভেম্বর ইতালিতে এক জমকালো অনুষ্ঠানে হয়। তবে তাদের সম্পর্কের শুরু ঘটে ২০১৩ সালে, ‘রাম-লীলা’ সিনেমার শুটিংয়ের সময়। দীর্ঘপ্রতীক্ষিত সম্পর্কের পর ২০১৫ সালে গোপনে বিয়ে করেন তারা, যার খবর পরে প্রকাশ্যে আসে। ২০২৪ সালের ৮ সেপ্টেম্বর তাঁদের প্রথম সন্তান, দুয়ার, জন্মগ্রহণ করে।

    বর্তমানে, রণবীর ও দীপিকা দুজনেই বেশ ব্যস্ত। রণবীরের সাম্প্রতিক সিনেমা ‘ধুরন্ধর ২’ বক্স অফিসে সফলতা পাচ্ছে। অন্যদিকে, দীপিকা কাজ করছেন শাহরুখ খানের সঙ্গে নতুন সিনেমা ‘কিং’ এবং আল্লু অর্জুনের সঙ্গে নতুন ছবিতে। তবে সবকিছুর মাঝেই তারা পরিবারে নতুন অতিথির জন্য অপেক্ষা করছেন।

  • অস্ট্রেলিয়া ১৫ বছর পরে বাংলাদেশে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে

    অস্ট্রেলিয়া ১৫ বছর পরে বাংলাদেশে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে

    বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া শেষবার ওয়ানডে সিরিজ খেলেছে ২০১১ সালে, যা বাংলাদেশের মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। আশানুরূপভাবে এই অপেক্ষার অবসান ঘটতে যাচ্ছে, কারণ এবার দুই দলের মধ্যে ওয়ানডে সিরিজের পাশাপাশি দুই ও টি-টোয়েন্টির সিরিজও অনুষ্ঠিত হবে। এই গুরুত্বপূর্ণ সিরিজ দুটি জন্য দুই ভেন্যুতেই মোট ছয়টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

    প্রথমে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, ৫, ৮ ও ১১ জুন বাংলাদেশের সাথে তিনটি ওয়ানডে খেলার কথা ছিল অস্ট্রেলিয়ার। পাশাপাশি তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচও ধারাবাহিকভাবে ১৫, ১৮ ও ২০ জুন হওয়ার কথা ছিল। তবে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া এখন এই সূচিতে কিছু পরিবর্তন করেছে। নতুন সূচি অনুযায়ী, তিনটি ওয়ানডে ম্যাচ ৯, ১১ ও ১৪ জুন মিরপুরের শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। এরপর, এই সিরিজের ওয়ানডে শেষে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া দলগুলো চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে, যা নির্ধারিত হবে ১৭, ১৯ ও ২১ জুন।

    সমস্ত ওয়ানডে ম্যাচগুলো দিনব্যাপী হবে এবং প্রতিটিতে শুরু হবে দুপুর ২টায়। টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম দুটি ম্যাচ সন্ধ্যা ৬টায় শুরু হবে, তবে শেষ ম্যাচটি দুপুর ২টায় অনুষ্ঠিত হবে।

    বড় দারুণ খবর হল, বাংলাদেশের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি শেষটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বাইরে হয়নি উল্লেখযোগ্য সময়, যা ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অনুষ্ঠিত হয়। সেই ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া অ্যান্টিগায় বৃষ্টির কারণে বাংলাদেশের থেকে ২৮ রানে জিতেছিল। এছাড়া, ২০২১ সালে বাংলাদেশে এসে অস্ট্রেলিয়া ৪-১ ব্যবধানে সিরিজটি হেরেছিল।

    পরিস্থিতির কথা বললে, বর্তমানে বাংলাদেশে সফরে আছে নিউজিল্যান্ড। মিরপুরে আজ শুরু হয়েছে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ, যার দ্বিতীয় ম্যাচও মিরপুরে হবে সোমবার। চট্টগ্রামে ২৩ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে তৃতীয় ওয়ানডে। প্রথম দুই টি-টোয়েন্টির ভেন্যুও চট্টগ্রাম, সব মিলিয়ে ২৭ ও ২৯ এপ্রিল খেলা হবে। তৃতীয় টি-টোয়েন্টি হবে মিরপুরে, যা ২ মে। এই সিরিজের সময়ে দুই ভেন্যুতেই দর্শকদের আন্তরিক অনুপ্রেরণা ও উত্তেজনা থাকবে, যা ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য এক বড় খুশির বিষয়।

  • দ্বিতীয় সারির নিউজিল্যান্ড দলকেও হারাতে পারল না বাংলাদেশ

    দ্বিতীয় সারির নিউজিল্যান্ড দলকেও হারাতে পারল না বাংলাদেশ

    মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত প্রথম ওয়ানডে ম্যাচে বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ জয় প্রত্যাশা করছিল, কিন্তু শেষমেশ হতাশায় ফিরে যেতে হয়। ব্যাটিংয়ে সাইফ হাসান, লিটন দাস ও তাওহীদ হৃদয়ের দুর্দান্ত লড়াই থাকা সত্ত্বেও ধারাবাহিকতা না থাকার কারণে টাইগাররা ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়েছে সিরিজে।

    প্রথমে ব্যাট করতে নামা নিউজিল্যান্ডের শুরু সামান্য চাপের মধ্যে হলেও হেনরি নিকোলস ও উইল ইয়ংয়ের ৭৩ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটিতে তারা পরবর্তীতে শক্ত ঘুঁটি সাজাতে সক্ষম হয়। সপ্তম ওভারে শরিফুল ইসলাম প্রথম সাফল্য এনে শরিফুল কেলি‌কে ফেরত পাঠান।

    এরপর রিশাদ হোসেন ইয়ংকে (৩০) ও মেহেদী হাসান মিরাজ টম ল্যাথামকে আউট করলে বাংলাদেশের মনোবল কিছুটা বাড়ে। তবে শেষ দিকে ডিন ফক্সক্রফটের অর্ধশতক ও দলীয় ২৪৭ রান সমাপ্তি টানে তাদের ইনিংসের। বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে শরিফুল ও রিশাদ দুটি করে উইকেট নিয়েছেন, তাসকিন আহমেদও দুটি শিকার করেছেন।

    জবাবে বাংলাদেশের শুরুটা হয়েছিল কাঁটাতার মতো। তানজিদ হাসান তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্ত খুব দ্রুত ফিরে যান।

    এরপর সাহসিকতা নিয়ে ব্যাটিং শুরু করেন সাইফ হাসান (৭৬ বলে ৫৭ রান) ও লিটন দাস (৬৮ বলে ৪৬ রান), যারা তৃতীয় উইকেটে ৯৩ রানের প্রতিরোধ গড়েন। সাইফের বিদায়ের পর লিটনও ফেরেন এবং চাপ আরও বাড়ে। এরপর তাওহীদ হৃদয় আফিফ হোসেনের সঙ্গে এগিয়ে যান তবে আফিফ ধীরগতির ২৭ রান করে আউট হন। মিরাজের অসুবিধা চলতে থাকে।

    তাহলে হার না মানার সত্যিই প্রতিফলন তেমন দেখা যায়নি। হার মেনে নেওয়া সত্ত্বেও তৃতীয় ম্যাচে বাংলাদেশের সামনে একটি সম্ভাবনা রয়েছে—ঘুরে দাঁড়ানোর। এবারের কমবয়সী নিউজিল্যান্ড দলের বিপক্ষে অনেক কিছুই শেখার রয়েছে টাইগারদের। সিরিজের পরের খেলায় তাই প্রত্যাশা থাকবে এক প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক লড়াইয়ের।