Blog

  • টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ কেলেঙ্কারি: লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাং ও কানাডা অধিনায়ককে ঘিরে আইসিসি তদন্ত

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ কেলেঙ্কারি: লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাং ও কানাডা অধিনায়ককে ঘিরে আইসিসি তদন্ত

    আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কড়া তদন্তে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি-মার্চে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে কানাডা দলের বিরুদ্ধে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ তোলায় আইসিসি অ্যান্টি-করাপশন ইউনিট গভীর তদন্ত শুরু করেছে। তদন্তে উঠে এসেছে নিশ্ছিদ্র উদ্বেগ সৃষ্টিকারী কিছু তথ্য।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে ভারতীয় গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোইয়ের গ্যাংকে বিশ্বের মঞ্চে সরাসরি গুটিয়ে ফিক্সিংয়ের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ করা হচ্ছে। বিশেষত কানাডা ও নিউজিল্যান্ডের গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলোকে কেন্দ্র করে সন্দেহ দেখা দিয়েছে। আইসিসি বর্তমানে কানাডা অধিনায়ক দিলপ্রীত বাজওয়ারের সম্ভাব্য সংশ্লিষ্টতা খতিয়ে দেখছে।

    জিজ্ঞাসাবাদের সূত্রে জানা যায়, নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে গ্রুপ ম্যাচে বাজওয়ারের করা একটি ব্যয়বহুল ও অস্বাভাবিক ওভার থেকেই প্রথম সন্দেহ সৃষ্টি হয়। স্পট-ফিক্সিংয়ের শঙ্কায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং তার মোবাইল ফোনও তল্লাশি করা হয়।

    কানাডিয়ান ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশনের (সিবিসি) এক তদন্তাত্মক প্রতিবেদনে সরাসরি লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের নাম উঠে এসেছে। উক্ত গ্যাংকে কানাডা সরকার ইতিমধ্যেই সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে, তাদের বিরুদ্ধে অন্যতম অভিযোগ রয়েছে দক্ষিণ এশীয় সম্প্রদায়ের লক্ষ্য করে চাঁদাবাজি, গুলি ও সহিংসতা।

    প্রতিবেদন আরও জানায়, ২০২৫ সালের জুলাইয়ে ব্রিটিশ কলম্বিয়ার সারে শহরের একটি রেস্তোরাঁয় প্রায় ২৫ জন ক্রিকেটারের একত্রিত হওয়ার সময় সেখানে দুটি ব্যক্তি নিজেকে বিষ্ণোই গ্যাংয়ের প্রতিনিধি হিসেবে পরিচয় দেন এবং বাজওয়া ও আরেক তরুণ খেলোয়াড়কে উন্নতি না দেয়ার হুমকি দেন। ঘটনার এক সময় ‘নোয়া’ নামে এক ব্যক্তি নিয়েও হুমকির কথা প্রতিবেদনে ওঠে এসেছে যারা একইভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন।

    তদন্তকারীদের ধারণা, এই সিন্ডিকেট প্রশাসন ও খেলোয়াড়দের গুরুত্বপূর্ণ পদে নিজেদের পছন্দের লোক বসিয়ে ম্যাচ প্রভাবিত করতে চাইত। বিশেষত দিলপ্রীত বাজওয়ারকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরুর কয়েক সপ্তাহ আগে হঠাৎ অধিনায়ক করা নিয়ে বিস্তর প্রশ্ন সৃষ্টি হয়েছিল। অভিযোগ রয়েছে যে হুমকি-তথ্যচাপ প্রয়োগ করে তাকে দলে রাখা ও পরে নেতৃত্বে বসানো হয়েছে।

    সিবিসি প্রতিবেদনে বর্তমানে ক্রিকেট কানাডার সভাপতি অরবিন্দর খোসার নামও এসেছে; তাদের দাবি, হুমকি দেয়া ব্যক্তিদের সঙ্গে তার যোগাযোগ ছিল। খোসা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং বলেছেন এগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার সুনাম নষ্টের চেষ্টা। খোসা জানিয়েছেন তিনি সাবেক প্রেসিডেন্ট আমজাদ বাজওয়ারের সঙ্গে রেস্তোরাঁয় ঘটনার বিষয় নিয়ে কথা বলেছিলেন, যদিও আমজাদ বিষয়টি জানেন না বলে দাবি করেছেন।

    প্রতিবেদন আরও উল্লেখ করেছে যে ক্রিকেট প্রশাসনের কিছু সিন্দিকেট সদস্য বাজওয়ারকে ক্ষমতায় আনতে বিভিন্ন প্রচেষ্টা চালিয়েছিলেন। ‘নোয়া’ বলেন তিনি ব্যক্তিগতভাবে মনে করেন তারা ম্যাচ ফিক্সিং করে অর্থ উপার্জন করতে চেয়েছিল, আর তাই তারা তাকে ক্ষমতায় আনতে আগ্রহী ছিল।

    এছাড়া প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, কানাডার সাবেক কোচ খুররম চোহানকে সাবেক সভাপতি আমজাদ বাজওয়া, সিইও সালমান খান ও বোর্ড সদস্য রানা ইমরান ম্যাচের নির্দিষ্ট অংশ ফিক্স করতে বলেছিলেন বলে অভিন্ন অভিযোগ আছে।

    অবশ্য এই মুহূর্তে অনেক অভিযোগই তদন্তাধীন এবং আইসিসি কিংবা অন্য কোনও কার্যত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেনি। সংশ্লিষ্ট কেউ যদি অভিযোগ অস্বীকার করে থাকেন সেটাও প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে। তদন্ত চলছে, প্রমাণ-প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে—এমনটাই বলতে দেখা যাচ্ছে আইসিসি সূত্রকে।

    এই ঘটনার ফলে ক্রিকেট কানাডা, খেলোয়াড় ও প্রশাসনের ওপর চাপ বেড়েছে এবং বিশ্বের ক্রিকেটপ্রেমীরা উৎসাহ-উদ্দীপনাহীন পরিস্থিতি সম্পর্কে অনুসরণ করে চলেছেন। পূর্ণতূল্য তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা দাঁড়ালে কঠোর হস্তে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন।

  • তামিম জানালেন: জুনের প্রথম বা দ্বিতীয় সপ্তাহে হবে বিসিবি নির্বাচন

    তামিম জানালেন: জুনের প্রথম বা দ্বিতীয় সপ্তাহে হবে বিসিবি নির্বাচন

    সাবেক জাতীয় অধিনায়ক তামিম ইকবাল এখন শুধু মাঠের নেতা নন, তিনি বাংলাদেশ ক্রিকেটে প্রশাসনিকভাবে দায়িত্বও নিচ্ছেন। সোমবার বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড ম্যাচ চলার সময় প্রেসবক্সে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়েই তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, আগামী জুনের প্রথম কিংবা দ্বিতীয় সপ্তাহেই বিসিবি পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন আয়োজন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

    তামিম বলেন, অ্যাডহক কমিটির তিন মাসের মেয়াদ ৭ জুলাই শেষ হওয়ার আগেই নির্বাচন সম্পন্ন করতে চান তিনি। তার লক্ষ্য— নির্বাচনের মাধ্যেমে বোর্ডে দ্রুত স্থায়িত্ব ফিরিয়ে আনা এবং কোনোরকম প্রশাসনিক ব্যাঘাত এড়ানো।

    পটভূমি হিসেবে জানানো হয়, গত ৭ এপ্রিল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চলমান বিসিবি পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে ১১ সদস্যের একটি অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়। সেই কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া তামিমকে বলা হয়েছিল, তিন মাসের মধ্যে নতুন নির্বাচন আয়োজন করতে হবে।

    গত বছরের অক্টোবরেই শেষবার বিসিবি নির্বাচন হয়েছিল। তখন তামিমের নেতৃত্বে একটি প্যানেল পরিচালক পদে মনোনয়ন দিয়েছিল, পরে তিনি সেই মনোনয়ন থেকে সরে আসেন। এবার অ্যাডহক কমিটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিতে গিয়ে নির্বাচনের প্রস্তুতি তিনি নিজে তদারকি করছেন।

    তামিম ও তার টিম চান— মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও সময়মত নির্বাচন করে স্থায়ী পরিচালনা পর্ষদ গঠন করা হোক। তারা মনে করেন এভাবে বাংলাদেশ ক্রিকেটে প্রশাসনিক স্থিতিশীলতা দ্রুত ফিরবে এবং খেলাধুলার স্বাভাবিক সূচি বজায় থাকবে।

  • সুইমিংপুলে অচেতন উদ্ধার, হাসপাতালে মারা গেলেন অভিনেত্রী নাদিয়া ফারেস

    সুইমিংপুলে অচেতন উদ্ধার, হাসপাতালে মারা গেলেন অভিনেত্রী নাদিয়া ফারেস

    ইউরোপীয় চলচ্চিত্র জগত আজ শোকাহত। ফরাসি-মরোক্কান অভিনেত্রী নাদিয়া ফারেস ১৭ এপ্রিল মারা গেছেন—পরিবারের বরাতে জানা গেছে তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ৫৭ বছর বয়সে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

    প্যারিসের এক ব্যক্তিগত ক্রীড়া কমপ্লেক্সের সুইমিংপুল থেকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয় নাদিয়াকে। দ্রুত হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে কৃত্রিম কোমায় রাখেন, কিন্তু সব প্রচেষ্টার মধ্যে শেষ পর্যন্ত হৃদযন্ত্র বন্ধ হয়ে যান তিনি।

    ফ্রান্সের প্রভাবশালী দৈনিক লে ফিগারো জানায়, মৃত্যুর পর তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে কোনো অপরাধজনিত ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

    নাদিয়া ফারেস আন্তর্জাতিক খ্যাতি পেয়েছিলেন ‘দ্য ক্রিমসন রিভার্স’ ছবিতে অভিনয় করে। তিনি মার্সেই সিরিজেও পারফর্ম করে দর্শকের নজর কাড়তেন এবং সময় সময় হলিউডেও কাজ করেছেন। তার অভিনয় জীবন বহু দর্শক ও সমালোচকের প্রশংসা কুড়িয়েছে।

    ১৯৬৮ সালের ২০ ডিসেম্বর মরক্কোর মারাকেশে জন্ম নেন নাদিয়া। শৈশব কাটে ফ্রান্সের নিস শহরে; পরে অভিনয়ের স্বপ্ন নিয়ে প্যারিসে পাড়ি জমান এবং ১৯৯২ সালে চলচ্চিত্রে উপস্থিতি শুরু করেন।

    ব্যক্তিগত জীবনে ২০০৯ সালে প্রযোজক স্টিভ চ্যাসম্যানকে বিয়ে করার পর কিছু সময় অভিনয় থেকে দূরে ছিলেন তিনি। ২০১৬ সালে পুনরায় মঞ্চে ফিরেন এবং ২০২২ সালে ফ্রান্সে ফিরে আসেন।

    নাদিয়ার অকাল প্রয়াণে চলচ্চিত্র অঙ্গন শোকস্তব্ধ। সহকর্মী ও অনুরাগীরা তার স্মরণে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। তার অবদান ও স্মৃতি ইউরোপীয় সিনেমার পাতায় দীর্ঘদিন ধরে টিকে থাকবে।

  • ২০ বছর পেরোচ্ছে ‘গ্যাংস্টার’: অনুরাগ বসুর অজানা গল্প উঠে এলো

    ২০ বছর পেরোচ্ছে ‘গ্যাংস্টার’: অনুরাগ বসুর অজানা গল্প উঠে এলো

    অনুরাগ বসু পরিচালিত বলিউডের কাল্ট ক্লাসিক ‘গ্যাংস্টার: এ লাভ স্টোরি’ আগামী ২০২৬ সালের ২৮ এপ্রিল মুক্তির দুই দশক পূর্ণ করবে। বলিউডের একটি মাইলফলক হিসেবে গণ্য এই ছবিটি নিয়ে সম্প্রতি পরিচালক নিজেই সিনেমা নির্মাণের অজানা ও মজার কিছু স্মৃতি প্রকাশ করেছেন।

    অনুরাগ বলছেন, ছবির মূল আইডিয়া প্রথমে এসেছিল মহেশ ভাটের কাছ থেকে। ভট সাহেব আনমনে বলেছিলেন, “একজন গ্যাংস্টারকে তার প্রেমিকা ধোঁকা দিচ্ছে।” এই একটুকরো লাইন থেকেই জন্ম নেয় ‘গ্যাংস্টার’ের কাঠামো। তখন অনুরাগ ‘লাইফ ইন আ… মেট্রো’র চিত্রনাট্য নিয়ে কাজ করছিলেন, কিন্তু বিরতি নিয়ে মাত্র দুই সপ্তাহেরও কম সময়ে তিনি পুরো স্ক্রিপ্ট লিখে ফেলেন।

    কাস্টিং নিয়েও রয়েছে নজরকাড়া কাহিনি। ‘সিমরান’ চরিত্রের জন্য অনুরাগ অনেক অডিশন নেন। কঙ্গনা রানাউতকে দেখার সঙ্গে সঙ্গেই মনে হয়েছিল, ঠিক এটিই তিনি খুঁজছেন। তবু আরো কয়েকদিন অপেক্ষা করে দেখতে চান—হত না কি আরও কেউ আসে। শেষ পর্যন্ত কঙ্গনাই ছবির মুখ হয়ে ওঠেন এবং সেই ভূমিকা তাকে বলিউডে পরিচিতি এনে দেয়।

    পরিচালক যে সময় ছবির শুটিং শুরু করেছিলেন, তখন তিনি নিজের স্বাস্থ্য সমস্যার মোকাবিলা করছিলেন—এ বিষয়ে অনুরাগ নিজেই মন্তব্য করেছেন। চিকিৎসা চলাকালীনও তিনি বিশ্রাম না নিয়ে শুটিং চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন এবং এমনও হয়েছিল যে শুটিংয়ে দক্ষিণ কোরিয়া পর্যন্ত গিয়েছিলেন।

    ছবির বাজেট ছিল তুলনামূলকভাবে কম—সাড়ে তিন কোটি টাকার মতো। খরচ কেটেছিল তুলনামূলকভাবে ছোট এক ইউনিট নিয়েই কাজ করে। অনুরাগের স্মৃতিচারণায় উঠে আসে, বাজেট কম থাকায় ইউনিটের সদস্যরাই নিজেরাই রান্না করত; তিনি নিজে ডাল রাঁধতেন আর কঙ্গনা পেঁয়াজ কাটা ছাড়া অতিথি নয়।

    অল্প বাজেট, স্বাস্থ্যগত সমস্যা এবং নতুন প্রতিভার মিলিততাই এই ছবিকে বিশেষ জায়গায় পৌঁছে দিয়েছিল। কঙ্গনা রানাউত ও ইমরান হাশমির অভিনয় দর্শকদের মন জয় করে নেয় এবং অনুরাগের সাহসী পরিচালনা ছবিটিকে বলিউড ইতিহাসে স্থায়ী করে রাখে।

    ২০০৬ সালের ২৮ এপ্রিল প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পর ‘গ্যাংস্টার’ বক্স অফিসে হিট হয়; বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছবিটির আয় প্রায় ১৬.৮৫ কোটি টাকার কাছাকাছি ধরা হয়। প্রীতমের সুরে ছবির গানও দর্শকপ্রিয়তা পায়—বিশেষত ‘ইয়া আলী’ গানটি আজও বহুল শ্রুত এবং কালজয়ী হিসেবে বিবেচিত। কঙ্গনা রানাউত এই ছবির অভিনয়ের জন্য ৫২তম ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ডে ‘সেরা নবাগত অভিনেত্রী’ খেতাবে ভূষিত হন।

    একটি বিতর্কিত কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে চলা ধারণাও রয়েছে—অনেকে মনে করেন ছবিটি আংশিকভাবে ভারতের কুখ্যাত আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন আবু সালেম এবং অভিনেত্রী মনিকা বেদীর জীবনভিত্তিক কিছু ঘটনার ছায়া থেকে অনুপ্রাণিত। অনুরাগ বা অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সূত্র এই বিষয়গুলোকে নানাভাবে উল্লিখিত করেছেন, তবে এসবকে চলচ্চিত্রের নির্মাণ ও কল্পনার মিশ্রণই বলা হয়।

    ১৯৯০-এর দশকের গোড়ায় শুরু হয়ে আজকের দিনে ‘গ্যাংস্টার’ ইমরান, কঙ্গনা ও অনুরাগ—সবকিছুকেই নিয়ে এক অনন্য অধ্যায়ের নাম। ২০ বছর পেরোতে চলা এই সিনেমা আজও দর্শক ও সমালোচকদের মনে বিশেষ স্থান ধরে রেখেছে।

  • আশা ভোঁসলের শেষ বিদায়ে যেতে পারলেন না সালমান-শাহরুখ, জানা গেল কারণ

    আশা ভোঁসলের শেষ বিদায়ে যেতে পারলেন না সালমান-শাহরুখ, জানা গেল কারণ

    সর্বকালের অন্যতম জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী আশা ভোঁসলের শেষ বিদায়ের সময় তার প্রতি জাতি-সমাজের গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা প্রকাশ পেয়েছিল। তার মহা প্রস্থানে দেশজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বলিউডের অনেক তারকা যেমন রণবীর সিং থেকে শুরু করে শাকিরা, অমিতাভ বচ্চন, অক্ষয় কুমারসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। তবে এসব ক্রীড়া-সাংবাদিক ও অসংখ্য ভক্তের মাঝে একটা বড় প্রশ্ন ছিল, কেন ‘কিংবদন্তি’ এই শিল্পীর শেষ বিদায়ে যোগ দিতে গেলেন না সালমান খান ও শাহরুখ খান। এর পেছনে আছে একান্ত ব্যক্তিগত কারণ।

    ভারতীয় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা গেছে, আশা ভোঁসলের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া চলাকালীন সময়ে সালমান খান ও শাহরুখ খান মুম্বাইয়ে ছিলেন। তবে তারা নিজেদের নিরাপত্তা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার কথা বিবেচনা করে উপস্থিত ছিলেন না। এই ব্যাপারে কিং খান বা ভাইজানের পক্ষ থেকে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়া হয়নি।

    অবশ্য, সোশ্যাল মিডিয়ায় তাদের শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করতে দেখা গেছে। শাহরুখ খান লিখেছেন, ‘এটা সত্যিই দুঃখের যে আশা আর নেই। তার কণ্ঠ তার ঐতিহ্যবাহী কণ্ঠের জন্য সমগ্র ভারতীয় সিনেমার জন্য এক স্তম্ভ ছিলেন। তার শূন্যতা আগামী প্রজন্মের জন্য গভীর ক্ষতি।’

    সালমান খানও তাঁর শোক প্রকাশ করে লিখেছেন, ‘এটি ভারতীয় সংগীতের জন্য এক বিশাল ক্ষতি। আশা জির মৃত্যু আমাদের সবাইকে মর্মাহত করেছে। তার অসাধারণ কণ্ঠশক্তি এবং গানের মূল্যায়ন অবিরাম থাকবে এবং আগামী প্রজন্মদের অনুপ্রেরণা দিয়ে যাবে।’

    ১১ এপ্রিল তিনি শারীরিক অসুস্থতার কারণে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। আশা ভোঁসলে শারীরিকভাবে অস্বস্তি অনুভব করছিলেন এবং বুকে ব্যথা থাকায় তখনই তার স্বজনরা দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। তখন আশা ভোঁসলেকে দ্রুত সুস্থতা আশায় আশাবাদ ছিল। কিন্তু দুঃখের বিষয়, সেই আশা পূরণ হলো না। ১২ এপ্রিল তিনি পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেন। তার মৃত্যুশোকে গোটা দেশসহ অশ্রুসিক্ত হয় তার অনুরাগীরা।

  • সুকেশের বিরুদ্ধে রাজসাক্ষী হলেন জ্যাকুলিন

    সুকেশের বিরুদ্ধে রাজসাক্ষী হলেন জ্যাকুলিন

    প্রাক্তন প্রেমিকা ও অভিনেত্রী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ এবার সুকেশ চন্দ্রশেখরের বিরুদ্ধে রাজসাক্ষী হিসেবে দাঁড়াচ্ছেন। ভারতের একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা গেছে, ভারতীয় অর্থনৈতিক দমনমূলক সংস্থা অর্থাৎ ইডির তদন্তের সূত্রে এই তথ্য প্রকাশ পায়।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সুকেশের বিরুদ্ধে ২০০ কোটি রুপির আর্থিক জালিয়াতির মামলা চলমান থাকাকালীন সময়ে জ্যাকুলিনের মুখে ইতেভূত মন্তব্য উঠে আসে। এই মামলার অন্যতম অভিযুক্ত সুকেশের সঙ্গে জ্যাকুলিনের সম্পর্কের কারণে তিনি স্বেচ্ছায় মুখ খুলেছেন।

    প্রথমে প্রেমের সম্পর্কের জেরে সুকেশের বিরুদ্ধে অভিযোগের মুখে তিনি বিভিন্ন সময়ে রোষানলে পড়েছিলেন। একসময় নিজস্ব ইচ্ছায় তিনি সুকেশের হাতে অনেক উপহার দিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন, তার সাথে তার সম্পর্ক ছিল, যার জন্য তিনি দুঃখিত। তবে গ্রেফতারের পর পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়। এরপর তিনি সুকেশের ভালোবাসার ডাকে কখনও সাড়া দেননি।

    পুলিশের জেরায় ঘটনাটি স্বীকার করে জ্যাকুলিন জানান, সুকেশ তাকে নানা ধরনের উপহার নিয়েছেন। তবে আদালতে এখন দেখা যেতে পারে, জ্যাকুলিন কীভাবে এই মামলায় তার বক্তব্য রাখেন এবং পরিস্থিতি কী মুখো করে।

  • পরিবারে আসে নতুন সদস্য, আবার মা হওয়ার সুখবর দিলেন দীপিকা

    পরিবারে আসে নতুন সদস্য, আবার মা হওয়ার সুখবর দিলেন দীপিকা

    খুবই সুখের খবর বলিউডে। দীপিকা পাড়ুকোন আবার মা হতে চলেছেন। তার প্রথম সন্তান দেরিতে হলেও তাঁর জীবনেও এসেছে এই সুন্দর মুহূর্ত। এ বছরের ১৯ এপ্রিল, সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি মেয়ে দুয়ার হাতে ধরা একটি গর্ভধারণ পরীক্ষার ছবি শেয়ার করে এই আনন্দের সংবাদ জানান। এই পোস্টের মাধ্যমে তিনি নিশ্চিত করেন যে, আবারও তিনি মা হতে চলেছেন।

    দীপিকা ও স্বামী রণবীর সিংয়ের এই জানানোয়ে সহকর্মীরা ও ভক্তরা ভিষণ আনন্দিত। প্রিয়াঙ্কা চোপড়া, কারিনা কাপুর, অনন্যা পাণ্ডে, বিপাশা বসু, সোনাক্ষী সিনহা, কিয়ারা আদভানি, পরিণীতি চোপড়া, ভূমি পেডনেকার, সেমান্থা রুথ প্রভু সহ ভারতের অন্যান্য সিনেমা শিল্পীরাও এই দম্পতিকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছেন। ভক্তরাও তাদের ভালোবাসা ও শুভকামনা প্রকাশ করছেন কমেন্টে।

    দীপিকা সবসময় পরিবারকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন। তিনি মনে করেন, মাতৃত্বের অনুভূতি জীবনের সবচেয়ে বড় ও সুন্দর উপহার। এক সাক্ষাৎকারে দীপিকা বলেছিলেন, পর্দায় অনেক রকম চরিত্রে অঙ্গিকা করেছেন, কিন্তু মা হওয়ার অনুভূতি ও সন্তানের দেখাশোনা জীবনে তার সবচেয়ে তৃপ্তিদায়ক ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।

    দীপিকার স্বামী রণবীরও বাবা হিসেবে খুবই দায়িত্বশীল। প্রথম সন্তানের সময় তিনি কাজে বিরতি নিয়েছিলেন। এবারও তিনি তাঁর পরিবারের নতুন অতিথির সময় ও আনন্দ ভাগ করতে দায়িত্ব নিয়ে থাকছেন। জানা গেছে, রণবীর তাঁর আসন্ন প্রজেক্টের শিডিউল এমনভাবে সাজাচ্ছেন যাতে তিনি দীপিকার পাশে থাকতে পারেন।

    প্রথমবারের মতো মা হওয়ার এই খবর নিয়েও দীপিকা বেশ উচ্ছ্বসিত, তবে কিছুটা সতর্কও। প্রথম সন্তানের সময়ের অভিজ্ঞতা তাকে মানসিকভাবে আরও পরিণত করেছে। তারা দুজনই অপেক্ষায় দিন গ Counting করছে, নতুন সদস্যকে স্বাগত জানানোর জন্য।

    দীপিকা-রণবীরের বিবাহ ২০১৮ সালের ১৪ নভেম্বর ইতালিতে হয়েছে। তবে তাদের সম্পর্কের শুরু আরও অনেক আগে, ২০১৩ সালে ‘রাম-লীলা’ সিনেমার সময়। দীর্ঘসময় প্রেমের পর ২০১৫ সালে গোপনে বাগদান সম্পন্ন করেন তারা, যা পরে প্রকাশ্যে আসে। তাদের প্রথম সন্তান দুয়ার ২০২৪ সালের ৮ সেপ্টেম্বর ভূমিষ্ঠ হয়।

    অন্যদিকে, দীপিকা ও রণবীর এখনও নানা প্রোজেক্টে ব্যস্ত। রণবীরের সাম্প্রতিক সিনেমা ‘ধুরন্ধর ২’ বক্স অফিসের শীর্ষে। দীপিকা কাজ করছেন শাহরুখ খানের সাথে ‘কিং’ সিনেমায়। এছাড়াও, তিনি আল্লু অর্জুনের নতুন একটি ছবিতে কাজ করছেন।

  • ‘গ্যাংস্টার’ সিনেমার ২০ বছর পূর্তি, প্রকাশ হলো অজানা গল্প

    ‘গ্যাংস্টার’ সিনেমার ২০ বছর পূর্তি, প্রকাশ হলো অজানা গল্প

    অনুরাগ বসু পরিচালিত বলিউডের কাল্ট ক্লাসিক সিনেমা ‘গ্যাংস্টার: এ লাভ স্টোরি’ ২০২৬ সালে পূর্ণ করবে ২০ বছর। এই অমর फिल्मটি ভারতের সিনেমার ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে আছে, এবং এর জাদুকরী সফলতার পেছনের কিছু অজানা গল্প সম্প্রতি প্রকাশ পেয়েছে।

    ‘গ্যাংস্টার’ সিনেমার নির্মাণের পেছনের গল্পগুলো বেশ রঙিন ও মজাদার, যা এই সিনেমাটিকে আরও বিশেষ করে তোলে। সম্প্রতি নির্মাতা অনুরাগ বসু এই সিনেমার জন্য কিছু অজানা ও হাস্যরসকর ঘটনা প্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, সিনেমাটির মূল আইডিয়াটি মহেশ ভাটের মাথায় এসেছিল, যখন ভাট তাকে বলেছিলেন, “একজন গ্যাংস্টার তার প্রেমিকা দিয়ে ঠকছে।” এই সংলাপেই সিনেমার মূল গল্পের সূচনা হয়।

    প্রথমদিকে অনুরাগ বসু ‘লাইফ ইন আ মেট্রো’ সিনেমার জন্য চিত্রনাট্য লিখছিলেন। কিন্তু এর মাঝে তিনি দুই সপ্তাহের কম সময়ে ‘গ্যাংস্টার’ এর পুরো স্ক্রিপ্ট তৈরি করেন। সিনেমায় ‘সিমরান’ চরিত্রের জন্য তিনি একজন পাহাড়ি মেয়ে খুঁজছিলেন। অনেক অডিশনের পর, কঙ্গনা রানাউতকে দেখেই মনে হয়, এই চরিত্রের জন্য তাকে চূড়ান্তভাবেই নির্বাচন করবেন তিনি। তবে প্রথমে আরও ৫-৬ দিন অপেক্ষা করেছিলেন, যদি আরও উপযুক্ত কাউকে পাওয়া যায়। শেষমেষ, কঙ্গনাই হয়ে ওঠেন বলিউডের নতুন স্টার।

    আর আপনার জানলে অবাক লাগবে, সিনেমার শুটিং শুরু সময় অনুরাগ বসু ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন। সবাই তাকে বিশ্রাম নেওয়ার পরামর্শ দিলেও, তিনি অন্যায়ের জিদে দক্ষিণ কোরিয়ায় গিয়ে শুটিং চালিয়ে যান।

    আরেকটি চমকপ্রদ তথ্য হলো, এই সিনেমার বাজেট ছিল মাত্র সাড়ে তিন কোটি রুপি। খরচ কমানোর জন্য, তারা ছোট একটি ইউনিট নিয়ে কাজ করতেন। অনুরাগ বলেছিলেন, “আমরা বাজেট কম থাকায় নিজেরাই রান্না করতাম। আমি ডাল রান্না করতাম আর কঙ্গনা পেঁয়াজ কাটত।”

    অল্প বাজেট ও শারীরিক অসুস্থতা আর একঝাঁক নতুন প্রতিভার সমন্বয়ে নির্মিত এই সিনেমা আজ বলিউডে একটি ঐতিহাসিক স্থান অধিকার করে নেই। অনুরাগের সাহসী পরিচালনা ও কঙ্গনা-ইমরান হাশমীর দুর্দান্ত অভিনয় দর্শকদের মন জয় করে প্রেক্ষাগৃহে।

    ২০০৬ সালের ২৮ এপ্রিল মুক্তির পর এটি একদম দ্রুতই বক্স অফিসে ব্যাপক সফলতা পায়। মাত্র তিন থেকে পাঁচ কোটি রুপির বাজেটে নির্মিত এই সিনেমা বিশ্বব্যাপী প্রায় ১৬.৮৫ কোটি রুপি আয় করে।

    প্রেমীদের মন জয় করে নিয়েছে সিনেমাটির গানগুলো, বিশেষ করে ‘ইয়া আলী’ গানের জনপ্রিয়তা আজও অবিনশ্বর। ৫২তম ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ডে কঙ্গনাও রানাউত এই সিনেমায় ‘সেরা নবাগত অভিনেত্রী’ পুরস্কার লাভ করেন।

    অতীতে ধারণা করা হয়, ‘গ্যাংস্টার’ সিনেমাটি কিছুটা ভারতের কুখ্যাত আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন আবু সালেমের জীবন গল্পের সাথে সম্পর্কিত। পাশাপাশি, সিনেমায় অভিনেত্রী মনিকা বেদীর ব্যক্তিগত সম্পর্কের কিছু দিকও উঠে এসেছে, যা কালজয়ী এই চলচ্চিত্রকে আরও রঙিন করে তুলেছে।

  • অচেতন অবস্থায় সুইমিংপুল থেকে উদ্ধার, হাসপাতালে মৃত্যু অভিনেত্রী নাদিয়া ফারেস

    অচেতন অবস্থায় সুইমিংপুল থেকে উদ্ধার, হাসপাতালে মৃত্যু অভিনেত্রী নাদিয়া ফারেস

    ইউরোপীয় সিনেমা জগতে যেন এক অন্ধকার সময় নেমে এসেছে। আলো, ক্যামেরা এবং অ্যাকশনের মাঝখান থেকে চিরবিদায় নিলেন ফরাসি-মরোক্কান অভিনেত্রী নাদিয়া ফারেস। তার চলে যাওয়ার গল্পটি বলুন যেমনই, সত্যিই যেন এক নাটকীয় ঘটনা।

    গত ১৭ এপ্রিল হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি ৫৭ বছর বয়সে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মৃত্যুতে ইউরোপীয় চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

    পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্যারিসে একটি ব্যক্তিগত ক্রীড়া কমপ্লেক্সের সুইমিংপুলে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। এরপর দ্রুত তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়, যেখানে চিকিৎসকেরা তাকে কৃত্রিম কোমায় রাখেন। তবে শেষমেশ সব চেষ্টা ব্যর্থ হয়ে তার হৃদযন্ত্র বন্ধ হয়ে যায় এবং তিনি মারা যান।

    ফরাসি একটি জনপ্রিয় এবং প্রভাবশালী দৈনিক পত্রিকা লে ফিগারো জানিয়েছে, এই ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে। তারা বলছে, প্রাথমিকভাবে কোনো অপরাধের ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।

    নাদিয়া ফারেস একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অভিনেত্রী, যিনি পরিচিতি পান ‘দ্য ক্রিমসন রিভার্স’ নামক চলচ্চিত্রের মাধ্যমে। এছাড়া তিনি ‘মার্সেই’ সিরিজেও অভিনয় করেন, যেখানে তার অভিনয় দর্শকদের মনে ছাপ ফেলেছিল।

    তিনি ১৯৬৮ সালের ২০ ডিসেম্বর মরক্কোর মারাকেশে জন্মগ্রহণ করেন। শৈশব কেটেছে ফ্রান্সের নিস শহরে। পরে অভিনয়ের স্বপ্ন নিয়ে প্যারিসে পাড়ি জমিয়ে ১৯৯২ সালে চলচ্চিত্রে অভিষেক করেন।

    অভিনেত্রী হিসেবে তিনি হলিউডেও কাজ করেছেন। ২০০৯ সালে প্রযোজক স্টিভ চ্যাসম্যানকে বিয়ে করে কিছু সময়ের জন্য অভিনয় থেকে বিরত থাকেন। এরপর ২০১৬ সালে আবার তিনি অভিনয়ে ফিরেন এবং ২০২২ সালে ফিরে যান ফ্রান্সে।

  • নাহিদ রানার দুরন্ত পারফর্মেন্সের পর নিউজিল্যান্ডের ইনিংস থামল দ্রুত

    নাহিদ রানার দুরন্ত পারফর্মেন্সের পর নিউজিল্যান্ডের ইনিংস থামল দ্রুত

    নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের প্রথম এক দিনের ম্যাচে দুর্দান্ত বল করেছিলেন বাংলাদেশের পেসাররা। এই পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা ধরে রাখেন নাহিদ রানারা দ্বিতীয় ম্যাচেও। সিরিজ বাঁচানোর লড়াইয়ে টস জিতে প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেয় স্বাগতিক বাংলাদেশ। শুরু থেকেই আঁটসাঁট বল করে কিপার-অভিনেতা রানা-শরিফুল ইসলামরা কিউই ব্যাটসম্যানদের চাপে রাখতে সক্ষম হন। পাওয়ার প্লেতে দুই উইকেট নেওয়া বাংলাদেশি বোলাররা শেষ পর্যন্ত কিউইদের ইনিংস ৪৮.৪ ওভারে ১৯৮ রানে অলআউট করে দেয়। এই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশকে জয়ের জন্য প্রয়োজন ৫০ ওভারে ১৯৯ রান।