Blog

  • ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও ইউটিউবে জাল টাকার নোটের কনটেন্টের বিরুদ্ধে কঠোর সতর্কতা

    ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও ইউটিউবে জাল টাকার নোটের কনটেন্টের বিরুদ্ধে কঠোর সতর্কতা

    বাংলাদেশ ব্যাংক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জাল টাকার নোটের ডিজাইন ও কনটেন্টের বিরুদ্ধে এবার কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছে। তারা বলেছে, আসল নোটের মতো কাগজ তৈরি করে তা প্রচারণায় ব্যবহার করা বা ভিডিও ও ছবিতে দেখানো আইনসঙ্গতভাবে দণ্ডনীয় অপরাধ।

    সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, সম্প্রতি ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও ইউটিউবসহ বিভিন্ন সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে কিছু ভিডিও ও ছবি ছড়িয়ে পড়ছে যেখানে আসল নোটের ডিজাইন এবং আকারের অনুরূপ—কখনও আরও বড় আকারের—নমুনা নোট ব্যবহার করে ব্যক্তিগত বা ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে প্রচারণা চালানো হচ্ছে।

    আরও বলা হয়, বাজার বা উন্মুক্ত স্থানে আসল টাকার অনুরূপ কাগজ ব্যবহার করে ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের ঘটনাও লক্ষ্য করা গেছে। এই ধরনের কর্মকাণ্ড জাল নোটের প্রচলন বাড়াতে সহায়ক হতে পারে এবং পুরো মুদ্রার ব্যবস্থাপনাকে অস্থিতিশীল করে দিতে পারে।

    বাংলাদেশ ব্যাংক উল্লেখ করে, বাংলাদেশ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৪৮৯(৬) অনুযায়ী, কেউ যদি এ ধরনের নথি, কাগজ বা বস্তু তৈরি, ব্যবহার বা বিতরণ করে যা প্রচলিত ব্যাংক নোটের সদৃশ এবং সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করতে পারে, তবে তা দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এই ধরনের অপরাধের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    তারা আরও সতর্ক করে বলেছে, ডিজিটাল মাধ্যমে মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর বা গুজবমূলক তথ্য প্রচার করলে সাইবার নিরাপত্তা আইনের ধারা ২৫ অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধের মুখোমুখি হতে পারে।

    শেষে, বাংলাদেশ ব্যাংক জনসাধারণকে আরও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেছে, অননুমোদিত ও বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট তৈরি, প্রচার ও প্রচারণা থেকে বিরত থাকতে এবং জাল নোটের প্রচলন রোধে সচেতন থাকার জন্য।

  • ভ্যাট রিটার্নের সময়সীমা ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বৃদ্ধি

    ভ্যাট রিটার্নের সময়সীমা ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বৃদ্ধি

    জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) অনলাইনে ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের সময় সীমা বাড়িয়েছে। এখন থেকে ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের ভ্যাট রিটার্ন অনলাইনে জমা দিতে পারবে। এই সিদ্ধান্ত নেন রোববার রাতে এনবিআরের দ্বিতীয় সচিব ব্যারিস্টার মোঃ বদরুজ্জামান মুন্সীর স্বাক্ষরিত একটি আদেশের মাধ্যমে। পূর্বে, প্রতিষ্ঠানগুলো মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে আগের মাসের বিক্রয় তথ্য দিয়ে ভ্যাট রিটার্ন দাখিল করত। তবে, পবিত্র শবে বরাত এবং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দীর্ঘ সময়ের সরকারি ছুটি এবং ১৫ ফেব্রুয়ারি তারিখে চলমান টেকনিক্যাল সমস্যা যেমন সিস্টেমের ওটিপি সার্ভার ডাউন থাকায় এই সময়সীমা বৃদ্ধি করা হয়। এনবিআরের জানিয়েছে, এই সময়ের মধ্যে রিটার্ন না দিলে আইন অনুযায়ী জরিমানা ও জরিমানার আর্থিক ক্ষতিও হতে পারে। তবে, সার্ভার সমস্যার কারণে করদাতাদের অযথা জরিমানা এড়ানোর জন্যই এই সময়ের বৃদ্ধি নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে দেশে ভ্যাট নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান সংখ্যা প্রায় ৬ লাখ ৪৪ হাজার হলেও, অনেক প্রতিষ্ঠানই যথাসময়ে রিটার্ন দিচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে, সময়ের বৃদ্ধি উদ্যোগটি করদাতাদের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

  • নতুন অর্থমন্ত্রীর ঘোষণা: পৃষ্ঠপোষকতামূলক অর্থনীতি চলতে দেওয়া যাবে না

    নতুন অর্থমন্ত্রীর ঘোষণা: পৃষ্ঠপোষকতামূলক অর্থনীতি চলতে দেওয়া যাবে না

    নতুন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, পৃষ্ঠপোষকতার ভিত্তিতে চলা অর্থনীতি কখনই এগিয়ে যেতে পারে না। তিনি স্পষ্ট করে উল্লেখ করেন, আমাদের অর্থনীতিতে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ আনতে হবে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে প্রথম অফিসের দিন সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি এই কথাগুলো বলেন।

    অর্থমন্ত্রী জানান, দেশের অনেক প্রতিষ্ঠান এখন খুবই খারাপ অবস্থায় রয়েছে। এ জন্য আগে জরুরি হলো দেশ থেকে এই প্রতিষ্ঠানের অবস্থা উন্নত করার পরিকল্পনা নেওয়া। পেশাদারিত্ব প্রতিষ্ঠা, স্বচ্ছতা নিশ্চিত ও দক্ষতা বৃদ্ধি করাই এই সমস্যার সমাধানে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ। উল্লেখ করেন, এগুলো না থাকলে বড় বড় পরিকল্পনাগুলির ফলাফল কাঙ্ক্ষিত হবে না।

    নতুন অর্থমন্ত্রী পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতির বিরুদ্ধে কঠোর সতর্কতা সবাইকে দেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে অর্থনীতি সব মানুষের জন্য উন্মুক্ত হতে হবে। সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে, যাতে দেশের প্রতিটি মানুষ অর্থনীতিতে অংশগ্রহণ করে সুফল পেতে পারে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য দরকার সরকারি নিয়ন্ত্রণ কমানো বা ডিরেগুলেটেড পদ্ধতি চালু করা। বর্তমানে বাংলাদেশে অত্যধিক নিয়ন্ত্রণের কারণে অনেক ক্ষেত্রেই সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। এ ভুল নিরসনে সরকারের নিয়ন্ত্রণ কমিয়ে দিতে হবে এবং অর্থনীতি liberalize করতে হবে।

    অর্থনীতির লিবারলাইজেশন ও সমতুল্য সুযোগ তৈরির প্রতি গুরুত্ব দেন তিনি। সবাই যেন সমান অধিকার পায়, অর্থনৈতিক সুবিধাগুলোর ভাগও যেন সবার মাঝে সমানভাবে পৌঁছে যায়, তা নিশ্চিত করতে তিনি অঙ্গীকার করেন।

    অর্থমন্ত্রী হিসেবে তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১১ আসনে নির্বাচিত হন। এর আগে ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। তিনি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য।

  • নতুন সরকার এলডিসি উত্তরণ পেছানোর উদ্যোগ গ্রহণ করবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

    নতুন সরকার এলডিসি উত্তরণ পেছানোর উদ্যোগ গ্রহণ করবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

    নতুন বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানিয়েছেন, দেশের স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের সময়সীমা পেছানোর জন্য নতুন সরকার উদ্যোগ গ্রহণ করবে। তিনি বললেন, এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন ডেফার করার জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং এ বিষয়ে সরকার ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রথম দিনের অফিসের শুরুতেই সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

    বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার চাইছে এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনকে ডেফার করা, এবং এর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। বিষয়টি এখন বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে শুরু হয়েছে এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় যোগাযোগ ও প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করা হবে।

    বাণিজ্য বিষয়ক সংগঠনগুলোর দীর্ঘদিনের দাবি স্মরণ করে তিনি জানান, এলডিসি উত্তরণ পেছানোর বিষয়টিকে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। প্রথম সপ্তাহে এই বিষয়ে একটি চিঠি দিতেও হবে—এমন কোনো বাধ্যবাধকতা না থাকলেও, আজ থেকেই এই উদ্যোগের কাজ শুরু করেছে সরকার।

    রপ্তানি ক্ষুদ্রতার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশের রপ্তানি এখনো সংকুচিত। দেশের মোট রপ্তানি এর প্রায় ৮৫ শতাংশ নির্ভর করে একক একটি পণ্যের ওপর। এমন পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে হলে রপ্তানি পণ্যে বৈচিত্র্য আনতে হবে, নতুন বাজার খুঁজে বের করতে হবে এবং নতুন পণ্য যুক্ত করতে হবে। এজন্য সংশ্লিষ্ট বেসরকারি খাতকেও কার্যকর সহযোগিতা দেওয়ার লক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

    বিশ্ব বাণিজ্যের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের টি্যারিফ নীতিতে পরিবর্তনের কারণে বিশ্বজুড়ে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ একটি দরিদ্র দেশ হিসেবে খুব সীমিত সুযোগের মধ্যেই টিকে রয়েছে। তাঁর মূল্যায়নে, দেশের মার্জিন অব এরোর অনেক কম, ভুলের সুযোগ থাকলে তা খুবই সীমিত। ফলে, গত কয়েক মাসে দেখা মন্থর গতি থেকে দ্রুত উত্তরণের জন্য সরকার কৌশলী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

    রমজানের বাজার পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি উল্লেখ করেন, পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে। রমজান মাস ও এর পরের সময়ের জন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে এবং পাইপলাইনেও পর্যাপ্ত পণ্য আছে। ফলে, বাজার নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই বলে তিনি আশ্বাস দেন।

    বিশেষ করে রমজান এলেই বাজারে সিন্ডিকেটের ঝুঁকি নিয়ে প্রশ্ন উঠলে তিনি বলেন, তিনি শুধু বক্তৃতা করতে চান না, বরং কাজের মাধ্যমে ফল দেখাতে চান। তার ভাষায়, “আমি সাউন্ড বাইট দেব না, ইনশাআল্লাহ কাজ করে দেখাব।”

    রমজানের শুরুতেบาง পণ্যের দাম বৃদ্ধি নিয়ে তিনি বলেন, মূলত এটি একচোট আপনিড়ির চাহিদার কারণে হয়। মানুষ সাধারণত পুরো মাসের বাজার একসঙ্গে কেনাকাটা করে, ফলে ভোগের মাত্রা বেড়ে যায় এবং এর প্রভাব খুচরা বাজারে পড়ে। তবে, এই দাম বৃদ্ধির স্থায়ী নয় বলে তিনি জানান।

    বিদেশি ও দেশীয় বিনিয়োগ প্রসঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, অনিশ্চয়তার মধ্যে বিনিয়োগ আসেনা। একটি স্থিতিশীল পরিবেশ ছাড়া বিনিয়োগ সম্ভব নয়। বিনিয়োগকারীরা তখনই পদক্ষেপ নেন যখন তারা নিশ্চিত থাকেন তাদের পুঁজি ও শ্রমের বিনিময়ে ভাল ফল পাওয়া যাবে। তিনি বলেন, দেশের বড় একটি শ্রমশক্তি রয়েছে, প্রতিবছর প্রায় ২০ থেকে ২২ লাখ মানুষ শ্রমবাজারে যুক্ত হচ্ছে। গত কয়েক বছর ধরে বিনিয়োগে অবরুদ্ধ পরিস্থিতি থাকায় দেশের অর্থনীতির জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি হয়েছে। যদি এই পরিস্থিতি দ্রুত না কাটিয়ে ওঠা যায়, তবে কর্মসংস্থান ও অর্থনীতিতে বড় ক্ষতি হতে পারে বলে তিনি সতর্ক করেন।

    নতুন সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রমজান মাসের শুরুকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন কি না—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, সরকারের জন্য এখন অন্যতম কাজ হচ্ছে রমজান সফলভাবে সামলানো। মানুষের প্রত্যাশা পূরণে সফল হওয়া একান্ত প্রয়োজন। এটা কোনো ব্যক্তিগত বিষয় নয়, বরং দেশের স্বার্থের বিষয়। এজন্য তিনি গণমাধ্যমসহ সকল সংশ্লিষ্টের সহযোগিতা চেয়েছেন। ভুল হলে তা সমঝোতার মাধ্যমে ঠিক করারও অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, সবাই মিলে একসঙ্গে কাজ করলে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে।

  • অবশেষে শপথ নিলেন জামায়াত ও ১১ দলীয় সংসদ সদস্যরা

    অবশেষে শপথ নিলেন জামায়াত ও ১১ দলীয় সংসদ সদস্যরা

    বিএনপির সংসদ সদস্যরা প্রথমে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেবেন না বলে ঘোষণা করেছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত তারা এবং অন্যান্য জামায়াত কেন্দ্রীয় দলের সদস্যরা সংসদে শপথ গ্রহণ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সংসদ ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন তাদের শপথ পাঠ করান।

    জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের সংসদ সদস্যরা এবং স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরাও শপথ গ্রহণ করেন। এর মধ্যে বিএনপি থেকে নির্বাচিত বিদ্রোহী সাতজন সংসদ সদস্য, ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা, এবং ঢাকা-৬ আসনের ইশরাক হোসেন শপথ নেন। তবে ইশরাক হোসেন যথাসময়ে পৌঁছাতে পারেননি, তাই তার শপথ গ্রহণ সম্পন্ন হয়নি। একই সঙ্গে শপথ নেন ইসলামী আন্দোলন থেকে নির্বাচিত একমাত্র সদস্য মো. ওয়ালীউল্লাহ।

    এর আগে সকালে বিএনপি সংসদ সদস্যরা শপথ নেন, তবে তাদেরকে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করতে নয়।

    অন্যদিকে, পার্টির নেতারা শপথ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে একটি বৈঠক করে, যেখানে তারা স্পষ্ট করে দেন যে, তারা শপথ নেবেন। রাজধানীর একটি মিলনায়তনে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

    গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিএনপি এককভাবে ২১২টি আসনে বিজয়ী হয়। অন্যদিকে, জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট ৭৭ আসনে জয় লাভ করে। এখান থেকে বোঝা যায় রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তন ও শপথের গুরুত্বকে কেন্দ্র করে নতুন এই দিকপাল ঘটনা ঘটেছে।

  • এনসিপির নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শেষ পর্বে শপথ গ্রহণ করলেন

    এনসিপির নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শেষ পর্বে শপথ গ্রহণ করলেন

    নানান গুঞ্জনের মধ্য দিয়ে অবশেষে বাংলাদেশের জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণের মাধ্যমে তাদের সংসদীয় কার্যক্রমে প্রবেশ করছেন। পাশাপাশি তারা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবেও দ্বিতীয় ধাপে শপথ নিয়েছেন।

    মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দেড়টার দিকে, এই তরুণদের অংশ নিয়ে গঠিত দলটির সংসদ সদস্যরা সংসদে উপস্থিত হয়ে শপথ গ্রহণ করেন। তাদের শপথ পড়ান ছিলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এমএম নাসির উদ্দিন।

    এনসিপির যে সংসদ সদস্যরা শপথ নিয়েছেন, তারা হলেন- হাসনাত আব্দুল্লাহ, নাহিদ ইসলাম, আকতার হোসেন, আব্দুল হান্নান মাসুদ, আতিকুর রহমান মোজাহিদ এবং আব্দুল্লাহ আল আমিন।

    শপথ নেওয়ার আগেই, জামায়াত জোটের অন্যান্য এমপিরা একসঙ্গে শপথ গ্রহণ করেন। এই শপথ অনুষ্ঠানে এনসিপির এমপিরা ছিলেন না বলে খবর ছড়িয়ে পড়ে, আর এমন পরিস্থিতিতে অনেকের মনে হয়েছিল এনসিপির সংসদ সদস্যরা শপথে অংশ নেবেন না। তবে সম্প্রতি তারা স্পষ্ট করে জানান, শপথে তারা অংশ নিতে চান। শেষ পর্যন্ত, তারা শপথ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেন।

    শপথ অনুষ্ঠানের শুরুতে তারা সংসদ ভবনের লবিতে উপস্থিত হন। দুপুর ১টা ২২ মিনিটে কোরআন তেলওয়াতের মাধ্যমে শপথ অনুষ্ঠান শুরু হয়। শপথের সময় হাসনাত আব্দুল্লাহকে ঐতিহ্যবাহী গেঞ্জি, আকতারের কোট এবং নাহিদ ইসলামকে শার্ট পরা দেখা যায়।

  • বিএনপি জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবে: সালাহউদ্দিন আহমদ

    বিএনপি জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবে: সালাহউদ্দিন আহমদ

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী দল বিএনপি নিশ্চিত করেছেন যে, তারা ‘জুলাই সনদ’ আক্ষরিক অর্থে বাস্তবায়ন করবে। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও কক্সবাজার-১ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, জনগণের অর্থপূর্ণ প্রত্যাশার প্রতিফলন হিসেবে বিএনপি অঙ্গীকারবদ্ধ যে সব প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, সেগুলো সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হবে। তিনি পরিষ্কার করে বলেন, এই সনদে উল্লিখিত প্রতিশ্রুতিগুলো সম্পূর্ণরূপে বাস্তবায়নের জন্য দলের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেয়া হবে।

    মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা সোয়া ১২টার দিকে জাতীয় সংসদে শপথ গ্রহণের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই বিষয়ে নিশ্চিত করেন। সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, এই ‘জুলাই সনদ’ হলো রাজনৈতিক সমঝোতার একটি ঐতিহাসিক দলিল, যার প্রতিটি অঙ্গীকার তারা পূরণের ব্যাপারে অঙ্গীকারবদ্ধ। তিনি বলেন, জনগণের ভোটের চেতনা ও রায়কে সুনির্দিষ্টভাবে প্রতিফলিত করতে এবং দেশকে নতুন ধারা ও গতিতে এগিয়ে নিতে সংসদই হবে মূল প্ল্যাটফর্ম। এর জন্য প্রয়োজনীয় আইন ও সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া বাস্তবায়িত হবে।

    তাঁর মতে, সংবিধানে ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’-এর কোনো সদস্যের শপথ পাঠ করানোর ক্ষমতা বা অধিকার নেই। এ কারণেই এই সংক্রান্ত কোনো প্রক্রিয়াও ঘটছে না। তারা সম্পূর্ণভাবে সংসদীয় ও সাংবিধানিক নিয়মনীতি মেনে চলছে। ভবিষ্যতেও দেশের প্রশাসন সম্পূর্ণভাবে সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যে পরিচালিত হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।

    তিনি আরও জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর শপথ গ্রহণ, সরকার গঠন এবং পরবর্তীতে রাষ্ট্রের পরিচালনা—allই সংবিধান অনুযায়ী হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও হবে। এর পাশাপাশি, সংসদীয় দলের বৈঠকে তারেক রহমানকে দলীয় নেতা নির্বাচিত করে রাষ্ট্রপতির কাছে সরকার গঠনের জন্য চিঠি পাঠানো হয়েছে বলেও জানান।

    শপথ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন থাকলে, সালাহউদ্দিন বলেন, মানুষের গণভোট ও ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটাতে হলে সংসদে গিয়ে প্রয়োজনীয় আইন ও সংবিধান সংশোধন করতে হবে। সংশোধনের পরে তৃতীয় তফসিলে শপথের ফরম সংযুক্ত করার বিষয়টি সংসদ অধিষ্ঠিত করবে। তিনি সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদ ২(ক) ধারা উল্লেখ করে বলেন, স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার শপথ পড়াতে না পারলে বা অনুপস্থিত থাকলে, তিন দিনের মধ্যে তাদের প্রতিনিধি শপথ পড়াবেন। এই প্রক্রিয়াও না হলে পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার সাংবিধানিকভাবে শপথ পড়াবেন। এই ধারা অনুযায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনারই শপথ পাঠ করিয়েছেন।

    শপথের পরে সংসদীয় দলের বৈঠকে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেখানে সর্বসম্মতভাবে তারেক রহমানকে দলের নেতা হিসেবে নির্বাচন করা হয়। এর জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া হয়। সালাহউদ্দিন আরও জানান, নেতৃস্থানীয় এই সিদ্ধান্তের পর থেকে, দলীয় সংসদ সদস্যদের জন্য দুটি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে— ১. কোন সংসদ সদস্য ট্যাক্স-ফ্রি গাড়ি নেবেন না। এবং ২. কোনো সরকারি প্লট গ্রহণ করবেন না। তিনি বলেন, অভিন্ন পরিবর্তনের এ সূচনা। সংসদ সদস্য হিসেবে সুবিধা গ্রহণের চলমান ধারণা বদলে যেতে হবে যেন সবাই সমানভাবে দায়িত্বশীল হয়।

  • সরকারের গুরুত্বপুর্ণ দায়িত্ব হাসিনাসহ আসামিদের ফিরিয়ে এনে বিচার কার্য সম্পন্ন করা

    সরকারের গুরুত্বপুর্ণ দায়িত্ব হাসিনাসহ আসামিদের ফিরিয়ে এনে বিচার কার্য সম্পন্ন করা

    জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সব আসামিকে দেশে ফিরিয়ে এনে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করাই সরকারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব বলে মনে করেন সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন। তিনি বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ বিষয়ে তার মতামত দেন।

    আখতার হোসেন বলেন, ‘শেখ হাসিনাসহ সকল আসামিকে বিদেশ থেকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের কাঠামোতে আনা অত্যন্ত জরুরী। এটি এই সরকার의 সবচেয়ে বড় দায়িত্ব। কোনভাবেই যাতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত না হয় বা মন্থর গতি না হয়, সে বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে।’

    তিনি আরও বলেন, ‘জুলাই-আগস্টের গণহত্যার ঘটনায় মূল অভিযুক্তদের এখনও গ্রেফতার করে বিচার শুরু করা হয়নি, যা আমরা ব্যর্থতা হিসেবে দেখছি। এই ব্যর্থতা সরকারের উচিত দ্রুত কাটিয়ে ওঠা।’

    সংসদ সদস্য আরও বলেন, ‘বিএনপির শপথ না নেওয়ার বিষয়ে সংবিধান সংস্কার বিষয়ক পরিষদে তাদের অব্যাহত অসহযোগিতা স্পষ্ট হয়ে গেছে। তারা দেখিয়েছে যে, যাই কিছু হোক না কেন, তারা সংস্কারকে বিপক্ষে থাকবে। শুরু থেকে তারা সংস্কার মোকাবেলায় বিরোধিতা করে আসছে। জনমতের চাপের মুখে তারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বলার জন্য প্রচারণা চালিয়েছে।’

  • নির্বাচনের পরে সহিংসতা বন্ধ না হলে আবারও অভ্যুত্থানের হুঁশিয়ারি জামায়াতের

    নির্বাচনের পরে সহিংসতা বন্ধ না হলে আবারও অভ্যুত্থানের হুঁশিয়ারি জামায়াতের

    নির্বাচনের পর থেকে চলমান সহিংসতা যদি দ্রুত বন্ধ না করা হয়, তাহলে বাংলাদেশ আবারও একটি অভ্যুত্থানের মুখোমুখি হবে বলে সতর্ক করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। সোমবার ১১ দলীয় ঐক্য গঠিত একটি বিক্ষোভ মিছিলের আগে অনুষ্ঠিত সমাবেশে তিনি এই হুঁশিয়ারি দেন। এ সময় তিনি দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান এবং একে অন্যের প্রতি ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

    বিক্ষোভ মিছিলটি দেশের কেন্দ্রীয় বাসস্ট্যান্ড থেকে শুরু হয়ে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট, প্রেসক্লাব, মৎস্য ভবন ও শাহবাগের দিকে এগিয়ে শেষ হয়।

    গোলাম পরওয়ার বলেন, নির্বাচনের পরে যে সহিংসতা শুরু হয়েছে তা যদি অবিলম্বে রোধ না হয়, তবে বাংলাদেশ আবারও একটি ভয়ঙ্কর অভ্যুত্থানের মুখোমুখি হবে। তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন যে, রক্ত দিয়া গড়া সংবিধান বা জুলাই সনদ যদি কার্যকর করা হয় না, তাহলে পুরোনো ফ্যাসিবাদের সঙ্গে যা হয়েছিল, সেরকমই নতুন ফ্যাসিবাদের সামনেও তাই হতে পারে।

    ১১ দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে যে সব নির্বাচনী কেন্দ্রে অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে, সেগুলোর দ্রুত ও সুষ্ঠু সমাধান চাইছেন জামায়াতের এই নেতা। তিনি আরো বলেন, যদি কোনো তালবাহানা বা বিলম্ব করে অভিযোগগুলো নিষ্পত্তি না হয়, তাহলে জনগণ তাদের ভোটের ফলাফল রাজপথে নেমে নিজস্ব দাবিতে পূরণ করবে।

    এ সময় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক বলেন, ‘গত ১২ ফেব্রুয়ারি মানুষ ভোটের অধিকার নিয়ে তামাশা দেখা হয়েছে। এই প্রহসনের ফলাফলের পর পুরো দেশ জুড়ে ১১ দলীয় নেতাকর্মীদের উপর নির্মম নিপীড়ন চালানো হচ্ছে।’ তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, রক্তস্নাত অভ্যুত্থানের পর এই দেশের জনগণ আর কোনো ফ্যাসিবাদ সহ্য করবে না। জুলাইয়ে যে চেতনা সুদৃঢ়ভাবে রক্ষা করতে হবে, তা রক্ষা না হলে আবারও মাঠে নামা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন।

  • ফের ভয়ঙ্কর ভূমিকম্প অনুভূত হল দেশের বিভিন্ন অংশে, কেন্দ্রীয় পাহাড়ি অঞ্চল ছাতক

    ফের ভয়ঙ্কর ভূমিকম্প অনুভূত হল দেশের বিভিন্ন অংশে, কেন্দ্রীয় পাহাড়ি অঞ্চল ছাতক

    দেশের বিভিন্ন এলাকা আবারও ভূকম্পনে কেঁপে উঠেছে। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টা ৪৬ মিনিটে এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ইউরোপিয়ান-মেডিটেরিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমএসসি) জানায়, এর মাত্রা ছিল ৪.১ রিখটার স্কেলে। তারা আরও জানায়, এই ভূমিকম্পের উৎপত্তি ভারতের সঙ্গে সীমান্তবর্তী এলাকাতে।

    অন্যদিকে, মাই আর্থকোয়েক অ্যালার্টের মতে, এই ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল রাজধানী ঢাকার কাছ থেকে প্রায় ১৮১ কিলোমিটার দূরে সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলায়। এই কম্পন সিলেট নগরীসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে কিছু সময়ের জন্য অনুভূত হয়। তবে এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

    সিলেট আবহাওয়া অফিসের সহকারী পরিচালক শাহ মোহাম্মদ সজীব হোসাইন জানিয়েছেন, এই ভূমিকম্পের রিখটার স্কেলে মাত্রা ছিল ৪.১। উৎপত্তিস্থল ভূ-পৃষ্ঠের প্রায় ৬২৬ কিলোমিটার গভীরে থাকায় আশপাশের এলাকাগুলোতে তা অনুভূত হয়েছে। এটি হয়তো ক্ষণস্থায়ী হলেও, মানুষের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে এবং স্থানীয় প্রশাসন সতর্কতা অবলম্বন করছে।