Category: সারাদেশ

  • ধর্মীয় অপব্যাখ্যা ও মিথ্যা ফতোয়া দিয়ে ভোট কেনা যাবে না: রকিবুল ইসলাম

    ধর্মীয় অপব্যাখ্যা ও মিথ্যা ফতোয়া দিয়ে ভোট কেনা যাবে না: রকিবুল ইসলাম

    বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ ধানের শীষ প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল বলেছেন, আসন্ন নির্বাচনে মিথ্যা ফতোয়া বা ধর্মীয় অপব্যাখ্যার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের ভোট কেনা সম্ভব না। তিনি বলেন, আজকের ভোটাররা বেশ সচেতন; তারা প্রকৃত উন্নয়ন ও তাদের অধিকার রক্ষায় নিজেদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে।

    বকুল বলেন, রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের জন্য ধর্মকে ঢাল বানিয়ে বিভ্রান্ত কল্পনা ছড়ানো আর কাজ করবে না। যারা জনবিচ্ছিন্ন হয়ে ধর্মের ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে মানুষকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করে, জনগণ তাদের ভোটের মাধ্যমে প্রত্যাখ্যান করবে। তিনি অভিযোগ করেন, একটি দল তাদের পরাজয় নিশ্চিত বুঝে নানা রকম বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালাচ্ছে, যা গণতন্ত্রের মূল ধারার বিরুদ্ধে।

    গতকাল শুক্রবার ১৪নং ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের আয়োজনে বেগম খালেদা জিয়া ও ওয়ার্ড বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সৈয়দ জহর মীরের রুহের মাগফিরাত কামনায় বায়তুল নাজাত জামে মসজিদে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভায় বকুল এসব মন্তব্য করেন।

    দোয়া ও আলোচনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বায়তুল নাজাত জামে মসজিদের সভাপতি আবু সুফিয়ান নান্নু। প্রধান অতিথি ছিলেন মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী। সভায় বক্তব্য দেন সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক মো. চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, প্রবীণ রাজনীতিবিদ স ম আব্দুর রহমান, খালিশপুর থানা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট মোহাম্মদ আলী বাবু, সাংগঠনিক সম্পাদক বিপ্লবুর রহমান কুদ্দুস এবং থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আলাউদ্দিন তালুকদার।

    অন্যান্য উপস্থিত সদস্যদের মধ্যে ছিলেন ১৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি হায়দার আলী তরফদার, নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক লুৎফর রহমান, জংশন বাজারের সভাপতি মো. কোরবান মীর, সমাজসেবক মীর আব্বাস আলী, বিএল কলেজের সাবেক প্রভাষক অধ্যাপক আনোরুল ইকবাল, অগ্রণী ব্যাংকের সাবেক ম্যানেজার খন্দকার কামাল উদ্দিন আহমেদ এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহিন আজাদ। স্থানীয় বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও এলাকার বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষও উপস্থিত ছিলেন।

    বকুল উল্লেখ করেন, খুলনাবাসী সততা ও সাহসিকতার পক্ষে একজোট এবং তারা তাদের হকৰ রক্ষায় সচেষ্ট। তিনি প্রশাসন ও সাধারণ জনসাধারণের সহযোগিতা কামনা করে বলেন, খোলা ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতেই সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

    অনুষ্ঠান শেষে বায়তুল নাজাত জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা আব্দুস সাত্তার বিশেষ মোনাজাতে বেগম খালেদা জিয়া ও সৈয়দ জহর মীরের আত্মার মাগফিরাত এবং দেশের কল্যাণ কামনা করেন।

  • শান্তি, উন্নয়ন ও নিরাপদ খুলনা গড়াই আমাদের লক্ষ্য: মঞ্জু

    শান্তি, উন্নয়ন ও নিরাপদ খুলনা গড়াই আমাদের লক্ষ্য: মঞ্জু

    খুলনা-২ আসনের ধানের শীষ প্রার্থী ও সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, খুলনাকে শান্তি, উন্নয়ন ও নিরাপদ করে গড়তে চান। তিনি বললেন, খুলনা এক সময় ছিল শিল্প-সমৃদ্ধ—a বন্দর ও শিল্পনগরীর পরিচয়ে খ্যাত। কিন্তু বর্তমানে শিল্পবন্ধের ফলে শহরটি ঐতিহ্যহীন হয়ে পড়েছে। সেই হারানো মর্যাদা ফিরে এনে খুলনাকে পুনরায় উন্নয়নমুখী বানানোই তাদের উদ্দেশ্য।

    নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, ‘‘তরুণদের জন্য আমাদের নানা কর্মসংস্থান ও উন্নয়ন পরিকল্পনা রয়েছে। বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্প কল-কারখানাগুলো পুনরায় চালু করে আমরা সমৃদ্ধ খুলনা গড়তে চাই। শান্তির, উন্নয়নের এবং নিরাপদ খুলনা তৈরি করা সবচেয়ে বড় লক্ষ্য।’’

    শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় খুলনা নিউ মার্কেট কাঁচাবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণকালে এসব কথা বলেন তিনি। সেই সময় তিনি বিএনপির চেয়ারপার্সন তারেক রহমানের গতানুগতিক নয়, নির্দিষ্ট ও বাস্তবসম্মত উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে দেশে ফেরার কথাও উল্লেখ করেন। মঞ্জু জানান, ১৭ বছর পর দেশে এসে তিনি জানান ‘‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’’—এমন উন্নয়ননীতিই তারা সামনে এগিয়ে নিতে চায়।

    তিনি বলেন, বিএনপি জনগণের কাছে একটি স্বনির্ভর অর্থনীতি উপহার দেবে। নারীদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড এবং কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ডসহ স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও অন্যান্য সকল খাতে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করাই তাদের লক্ষ্যমাত্রা। ভবিষ্যতে আরও নানা নির্বাচনী উদ্যোগ নিয়ে দলের নেতৃত্ব নেতৃত্ব দেবে বলে তিনি জানান।

    নজরুল ইসলাম মঞ্জু আরও বলেন, ‘‘আমরা একটি মানবিক বাংলাদেশ চাই। জুলাই অভ্যুত্থানের পর যে যাত্রা শুরু হয়েছে, সেই যাত্রায় মানুষের স্বপ্ন বাস্তবায়নই আমাদের লক্ষ্য। আমাদের নেতা তারেক রহমান উন্নয়নমুখী পরিকল্পনা নিয়ে দেশে ফিরে কয়ের কাজ করছেন এবং মানুষের কল্যাণে এগিয়ে আসছেন।’’ তিনি যুক্ত করেন, বিএনপি দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও অভিজ্ঞ রাজনৈতিক দল; অতীতের অভিজ্ঞতা ও জনসমর্থনের ভিত্তিতে আগামী নির্বাচনে ভালো ফল হবে এটাই জনগণের প্রত্যাশা।

    গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচিতে স্থানীয় কয়েকজন নেতা-কর্মীর নামের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মাহবুব হাসান পিয়ারু, আলমগীর হোসেন আলম, আব্দুল হাকিম, শামীম খান, সুলতান মাহমুদ সুমন, সাইফুল বকসি, দাউদ বকসি, রাজিব খান রাজু, শহিদুল বেল্লাল, মোস্তফা সাব্বির, খোন্দকার সোহেল, শেখ মেহেদী হাসান, সিদ্দিক মাতবর, শামীম রেজা ও নাঈম ইসলাম। এছাড়া এলাকাবাসীও কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।

  • চিতলমারীতে স্ট্রোক করে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে ৪০ বছরের ব্যবসায়ী নিহত

    চিতলমারীতে স্ট্রোক করে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে ৪০ বছরের ব্যবসায়ী নিহত

    বাগেরহাটের চিতলমারীতে স্ট্রোক করে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে নুরু মিয়া শেখ (৪০) নামের এক সবজি ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে এ ঘটনা ঘটে। নিহত নুরু মিয়া শেখ উপজেলার আড়-যাবর্নী গ্রামের মৃত মাওলানা কাওছার আলী শেখের ছেলে।

    প্রতক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ওই দিন বিকেলে কাজ শেষ করে বাজার থেকে মোটরসাইকেল চালিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন নুরু মিয়া। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে পৌঁছালে হঠাৎ অসুস্থ বোধ করে তিনি মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়েন। স্থানীয়রা তাকে দ্রুত স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে উদ্ধারকাজ চলাকালীন মাত্র প্রায় ১০ মিনিটের মধ্যে তিনি মারা যান।

    চিতলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. রাণী খানম জানান, ছ-placeে তিনি স্ট্রোক করে অসুস্থ হয়ে পড়ার পর মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়েন। হাসপাতালে নেওয়ার পর অক্সিজেন দেয়ার চেষ্টা করা হলেও তিনি প্রাণবায়ু ফিরে আনতে পারেননি।

    নিহত নুরু মিয়া শেখ স্ত্রী ও দুই নাবালক ছেলেসহ বহু অভিভাবক, আত্মীয়-স্বজন ও গ্রামবাসী রেখে গেছেন। তার নামাজে জানাজা শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় আড়-যাবর্নী চরপাড়া জন্নাতুল বাকী কবরস্থানে অনুষ্ঠিত হবে এবং পরে সেখানে তাকে দাফন করা হবে।

  • আমরা নতুন কোনো ভোট ডাকাত দেখতে চাই না

    আমরা নতুন কোনো ভোট ডাকাত দেখতে চাই না

    জামায়াতের মহানগর সাধারণ সম্পাদক ও খুলনা-২ আসনের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী এড. শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল আনুষ্ঠানিকভাবে তার নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন। তিনি গতকাল বৃহস্পতিবার সকালেই শিপইয়ার্ড এলাকায় উপস্থিত হয়েছেন, যেখানে তার নির্বাচনী প্রচারণার উদ্বোধন করেন। প্রচারণার প্রথম দিন তিনি একত্রিত হন এলাকাবাসীর সাথে, এবং দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন খুলনা সদর থানার আমির এস এম হাফিজুর রহমান, লবণচরা থানার আমির মোজাফফর হোসেন, সেক্রেটারি মাহমুদুল হাসান জিকো, হানিফ বালি, মোল্লা নাসির উদ্দিন, ডাঃ শাহজালাল, ৩১নং ওয়ার্ডের আমীর নুর হোসাইন বাবুল ও এলাকার বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। সকলের সহযোগিতা ও দোয়া নিয়ে তিনি নির্বাচনী মাঠে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন, যেন সুষ্ঠু এবং স্বচ্ছ নির্বাচন বাস্তবায়িত হয়।

  • গণতন্ত্রের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় বিএনপি’র : মঞ্জু

    গণতন্ত্রের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় বিএনপি’র : মঞ্জু

    আগামী বাংলাদেশের স্বপ্ন শুধুমাত্র বিএনপিই বাস্তবায়ন করতে পারে বলে দাবি করেছেন খুলনা-২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী, সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি বলেন, দেশের ইতিহাসে বিএনপির নেতা-কর্মীরা যে ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তার প্রতিদান আজ দেশের মানুষ দিচ্ছে। মানুষের মধ্যে নেতা-কর্মীদের প্রতি আস্থা ও সমর্থনের গল্প এই নির্বাচনের প্রথমদিন থেকেই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

    বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় তিনি ফেরিঘাট মোড় থেকে লিফলেট বিতরণ শুরু করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি এড. এস এম শফিকুল আলম মনা, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন, মহানগর বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মনি, জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, সৈয়দা নার্গিস আলী, খান রবিউল ইসলাম রবি, কাজী মোঃ রাশেদ, রেহানা ঈসা, আরিফুজ্জামান অপু ও আরও অনেকে।

    এরপর প্রচারণা ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি নগরীর ফেরিঘাট মোড় থেকে পিকচার প্যালেস মোড় হয়ে দলীয় কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়। বিকালের গ্রুপে ৩১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের নেতৃত্বে পথসভা ও গণসংযোগ অনুষ্ঠিত হয়।

    বিকেলে তিনি নিউ মার্কেট এলাকার গণসংযোগে অংশ নেন। এ সময় তিনি বলেন, বাংলার ভবিষ্যত নির্ধারণ হবে জনগণের ভোটের মাধ্যমে। গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আমরা স্বপ্ন দেখছি এক নতুন বাংলাদেশের, যেখানে নির্বাচনই হবে দেশের নিয়ামক। তিনি বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে তরুণরা ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে। এখন তারা নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারবে। আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, তরুণ ভোটাররা ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে দেশের পরিবর্তনে অবদান রাখবে।

    মঞ্জু আরো বলেন, বিএনপির নেতাকর্মীরা দীর্ঘ দিন গুম, খুন, জেল-জুলুমের শিকার হলেও তারা মনোবল হারাননি। দলীয় কর্মীরা অপরাজেয়, তাদের সংকল্প অটুট যে সব চক্রান্ত মোকাবিলা করে বিজয় ছিনিয়ে নেবেন।

    গণসংযোগে উপস্থিত ছিলেন তরিকুল ইসলাম জহির, আসাদুজ্জামান মুরাদ, নিজাম উর রহমান লালু, হাসানুর রশিদ মিরাজ, শের আলম সান্টু, একরামুল হক হেলাল, আল জামাল ভূঁইয়া, জালাল শরীফ, হাফিজুর রহমান মনি, একরামুল কবির মিল্টন, এড. গোলাম মওলা, আনোয়ার হোসেন, কামরুজ্জামান, শরিফুর ইসলাম বাবু, জালাল তালুকদার, শেখ জামিরুল ইসলাম জামিল, আফসার উদ্দিন মাস্টার, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, রবিউল ইসলাম রবি, আনিসুর রহমান আরজু, খায়রুল ইসলাম লালসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা গণসংযোগ করেন।

  • তারেক রহমানকে আগামীর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান দেশবাসী

    তারেক রহমানকে আগামীর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান দেশবাসী

    খুলনা-৪ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও বিএনপি’র তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন, বিএনপি হলো জনগণের দাবি আদায়ের দল। বিগত ১৭ বছর ধরে দেশের মানুষ ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছিলেন। তবে এ বছর তিনি আশাবাদী, সবাই ভোট কেন্দ্রে যাবে। তিনি আরও বলেন, জনগণের মনে মনে আগামীর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানকে বেছে নিতে প্রস্তুত পুরো দেশ। তারেক রহমানের পরিকল্পনা ও উদ্যোগ ইতিমধ্যে দেশজুড়ে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

    আজিজুল বারী হেলাল উল্লেখ করেন, খুলনা-৪ আসনের মানুষের দীর্ঘ দিন ধরে উন্নয়নের অপ্রতুলতা দেখা গেছে। রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, নদীভাঙন প্রতিরোধ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হয়নি। এই অঞ্চলের মানুষের মধ্যে বিপুল সম্ভাবনা ও শ্রমশক্তি রয়েছে, তবে সঠিক নেতৃত্বের অভাবে এগুলো উপেক্ষিত। যদি সঠিক নেতৃত্ব ও পরিকল্পনা আসে, তাহলে এই অঞ্চল অল্প সময়ের মধ্যে আধুনিক ও সমৃদ্ধ জনপদে রূপান্তরিত হতে সক্ষম।

    তিনি আরও বলেন, যদি ভোটে জয় লাভ করে বিএনপি সরকার গঠন করতে পারে, তাহলে এই এলাকার যোগাযোগের ব্যবস্থা উন্নত করা, জলাবদ্ধতা দূরীকরণ, কৃষি ও মৎস্যখাতে সহযোগিতা এবং যুবসমাজের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা হবে। প্রত্যেক ইউনিয়নে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়ন আমাদের অগ্রাধিকার থাকবে। আগামি ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের মানুষ ভোটের মাধ্যমে তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বেছে নেবে, এবং খুলনা-৪ আসনের উন্নয়ন ও মানুষের অধিকার পুনরুদ্ধার হবে।

    আজিজুল বারী হেলাল এই কথা বলেন, বৃহস্পতিবার বিকেলে পূর্ব রূপসা ঘাটে নৈহাটী ইউনিয়ন বিএনপি আয়োজিত গণমিছিলের পরে এক পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে। এক ভাষণে তিনি বলেন, এই নির্বাচনে জয়ধারা প্রতিষ্ঠিত হলে এলাকা উন্নয়ন হবে, যোগাযোগ ব্যবস্থা আধুনিকায়ন হবে, জলাবদ্ধতা দূর হবে, কৃষি ও মৎস্যখাতে সহযোগিতা বাড়বে এবং যুব সমাজের কর্মসংস্থান নিশ্চিত হবে।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপি সদস্য রবিউল ইসলাম রবি, খুলনা জেলা বিএনপি’র যুগ্ম-আহবায়ক মোল্লা খায়রুল ইসলাম, জেলা সদস্য শেখ আঃ রশিদ, উপজেলা বিএনপি’র আহবায়ক মোল্লা সাইফুর রহমান ও আরও অনেকে। বিভিন্ন ইউনিয়নে চালানো হয়েছে প্রচার-প্রচারণা, পথসভা ও গণমিছিল। সকালে বিভিন্ন পেশার মানুষ ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে প্রচার চালানো হয়, বিকেলে নৈহাটী ইউনিয়নে নির্বাচনী কাজ চলে।

    অপরদিকে, সন্ধ্যা ৭টায় খুলনা-৪ আসনের তেরখাদা উপজেলায় বিএনপি’র প্রার্থী আজিজুল বারী হেলালের জন্য ধানের শীষ প্রতীকের প্রচার-প্রচারণার শুভ সূচনা হয়। সেখানে বিভিন্ন ইউনিয়নের মিছিলে, সমাবেশে ও গণসংযোগে অংশ নেয় নেতাকর্মীরা। এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতারা, ইউপি চেয়ারম্যানরা ও বাসিন্দারা।

    এছাড়া বিকেলে বিশাল গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয় আইচগাতী, টিএসবি, শ্রীফলতলা ও ঘাটভোগ ইউনিয়নে। এই সমাবেশগুলোতে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

    অবশ্য, সন্ধ্যায় তেরখাদা উপজেলায় এই কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে নির্বাচনী প্রচারনার আরও জোরদার হয়। নির্বাচনী প্রচারণায় বিভিন্ন মিছিল, সমাবেশ ও লিফলেট বিতরণ করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতারা, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল ও কৃষক দলের নেতৃবৃন্দ।

    চূড়ান্তভাবে, মনে করা হচ্ছে যে এই নির্বাচনী জনসমর্থন এবং প্রচারণা তেরখাদা উপজেলা থেকে বিএনপির বিজয়ের দিকেই ইঙ্গিত করছে। ভবিষ্যতে অধিক votes মাধ্যমে দলের জেতার আশা করছেন দলের নেতা-কর্মীরা।

  • রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির নামে মানুষের ঈমান নিয়ে খেলা হচ্ছে: বকুল

    রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির নামে মানুষের ঈমান নিয়ে খেলা হচ্ছে: বকুল

    নির্বাচনের আগে কিছু বিশেষ দল ভোটারদের কাছে নানা অসম্ভব এবং অবাস্তব প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন কেন্দ্রীয় বিএনপি’র ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী আলহাজ্ব রকিবুল ইসলাম বকুল। তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো ভোটের পূর্বে এমনসব প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে যা মানুষের ক্ষমতার বাইরে, এবং যার মালিকানা একমাত্র মহান আল্লাহর। তিনি এই বিষয়গুলোকে কেবল রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে দেখছেন না, বরং এটি একটি ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে বড় ধরনের ভ্রান্তি ও অবজ্ঞা।

    বৃহস্পতিবার বিকেলে নগরীর নতুন রাস্তা মোড় থেকে খালিশপুর, দৌলতপুর ও খানজাহান আলী থানার বিএনপি’র আয়োজনে খুলনা-৩ আসনে ধানের শীষের লিফলেট বিতরণ ও নির্বাচনী প্রচারণার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

    রকিবুল ইসলাম বকুল আরও বলেন, প্রকৃত সম্পদ বা ক্ষমতার মালিক মানুষ না। কিন্তু যারা এই সম্পদ বা ক্ষমতার মালিক হওয়ার কথা বলে, তারা নিজেদের প্রতারক ও মিথ্যাবাদী হিসেবে পরিচিত। এটি মুসলমানদের জন্য শিরকের শামিল, কেননা তারা ভোটের আগেই মিথ্যে প্রলোভন দেখিয়ে জনগণকে ধোঁকা দেয়। নির্বাচিত হওয়ার পর এই দলগুলো চরম জুলুম ও প্রতারণার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে।

    বক্তব্যে তিনি ভোটারদের উদ্দেশ্যে বলেন, সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষকে এভাবে বিভ্রান্ত করা কেবল রাজনৈতিক অপকৌশল নয়, এটি বড় ধরনের ধর্মীয় অবমাননা। আসন্ন নির্বাচনে এই প্রতারক দলের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করতে, নিজের ঈমান ও অধিকার রক্ষা করতে মানুষকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

    নির্বাচনী প্রচারণা ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচিটি নগরীর নতুন রাস্তা মোড় থেকে শুরু হয়ে দৌলতপুর মোড় প্রদক্ষিণ করে খানজাহান আলী থানার সামনে এসে শেষ হয়। এ সময় খালিশপুর, দৌলতপুর ও খানজাহান আলী থানার বিএনপি ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ স্থানীয় বিশাল সংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

  • দেশের উন্নয়নের জন্য জনগণের ঐক্য জরুরি

    দেশের উন্নয়নের জন্য জনগণের ঐক্য জরুরি

    প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ও গণভোট সংক্রান্ত জনসচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রমের প্রধান সমন্বয়ক অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, দেশের সফলতা এবং উন্নতির জন্য জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও আস্থা খুবই জরুরি। তিনি আরও বলেন, দেশের সাংবিধানিক সংস্কার ও সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠায় গণভোটে হ্যাঁ বলে মতামত দেওয়াই একমাত্র পথ। শনিবার দুপুরে খুলনা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে গণভোটে প্রচার ও ভোটার উত্সাহ বৃদ্ধির লক্ষ্য্যে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

    অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, জুলাইয়ে ঘোষিত জাতীয় সনদ ২০২৫ দেশের মানুষের আশা আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন। যদিও এ সনদটি কালো কালি দিয়ে লেখা হলেও এর মূল মানে হলো, আমাদের রক্ত দিয়ে অর্জিত স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের মূল্য। যুবকদের রক্তের বিনিময়ে আমরা এই স্বাধীকারের স্বীকৃতি পেয়েছি। তাই এ গণভোটটি ভবিষ্যৎ রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আরও বলেন, সংবিধান অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা অর্থাৎ সরকারি কর্মকর্তারা উঁচু স্তরে থাকাকালীনও গণভোটে হ্যাঁ বলা কোন বাধা থেকে মুক্ত।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি প্রধান উপদেষ্টার সহকারী মনির হায়দার বলেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে মূল লক্ষ্য ছিলো ফ্যাসিবাদমুক্ত ও বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা। এই গণভোট নতুন বাংলাদেশ গঠনের জন্য জনমতের অনুমোদনের একটি মাধ্যম। যদি জুড়িয়ে জাতীয় সনদ ২০২৫-এর পক্ষে রায় আসে, তবে দেশের সংবিধানে ফ্যাসিবাদ ও স্বৈরশাসন রোখা সম্ভব হবে।

    খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মোঃ মোখতার আহমেদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ মাকসুদ হেলালী, রেঞ্জ ডিআইজি মোঃ রেজাউল হক ও মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ জাহিদুল হাসান। এই মতবিনিময় সভায় খুলনা বিভাগের ১০ জেলার জেলা প্রশাসক, বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তারা, নির্বাচন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা, বাণিজ্য Chamber-এর সদস্য, স্কুল ও কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, এনজিও কর্মী ও গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

  • নতুন বাংলাদেশ গড়ার যাত্রায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন তারেক রহমান: নজরুল ইসলাম মঞ্জু

    নতুন বাংলাদেশ গড়ার যাত্রায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন তারেক রহমান: নজরুল ইসলাম মঞ্জু

    খুলনা-২ আসনের ধানের শীষ প্রতিকের প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু powied বলেছেন, দেশের বর্তমান জনপ্রিয় নেতা আজ সিলেট থেকে নিজ প্রচারণা শুরু করেছেন। তিনি বলেন, সারাদেশে ধানের শীষের নতুন একটি আন্দোলন ও যাত্রা শুরু হচ্ছে এবং খুলনা মহানগর বিএনপি সেই আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছে। মঞ্জু বলেন, ‘‘১৬ বছরের দুরশাসনমুক্ত একটি নতুন বাংলাদেশ গঠনের আন্দোলন এবং জুলাই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় নতুন প্রতিশ্রুতির যাত্রা শুরু হয়েছে, সেই যাত্রাকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন বিএনপির নবনির্বাচিত চেয়ারপারসন তারেক রহমান।’’

    বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় খুলনা মহানগর বিএনপির আয়োজনে খুলনা-২ আসনে ধানের শীষের লিফলেট বিতরণ ও প্রচারণার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন মঞ্জু।

    তিনি আরও বলেন, পূর্বের স্বৈরাচারী শাসনামলে ভোটাররা যথাযথভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেননি। এবারের আসন্ন নির্বাচনে ভোটাররা শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ পরিবেশে ভোট দিতে পারবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এছাড়া তিনি বলেন, ‘‘বাংলাদেশের গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও বাকস্বাধীনতা পুনরুদ্ধারে শহীদসহযোদ্ধাদের রক্তের ঋণ শোধ করা অত্যাবশ্যক। আমাদের সহযোদ্ধারা যে ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তা বৃথা যেতে দেওয়া হবে না।’’

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি এডভোকেট এস এম শফিকুল আলম মনা, পরিচালনা করেন মহানগর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন। অনুষ্ঠানে খুলনা মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মনি, জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, সৈয়দা নার্গিস আলী, খান রবিউল ইসলাম রবি, কাজী মো. রাশেদ, রেহানা ঈসা, আরিফুজ্জামান অপু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, কেএম হুমায়ুন কবীর, আসাদুজ্জামান আসাদসহ মহানগর, থানা, ওয়ার্ড ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    প্রচারণা ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি নগরীর ফেরিঘাট মোড় থেকে শুরু করে পিকচার প্যালেস মোড় অতিক্রম করে দলীয় কার্যালয়ের সামনে এসে সমাপ্ত হয়।

  • তাদের প্রটোকল বিএনপির চেয়ে তিনগুণ বাড়ান: তারেক রহমান

    তাদের প্রটোকল বিএনপির চেয়ে তিনগুণ বাড়ান: তারেক রহমান

    বিএনপির নাম না করে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ড. ইউনূস ও সরকারের উপদেষ্টাদের প্রতি বিএনপির অনুরোধ—একটি নির্দিষ্ট দলের প্রটোকল বিএনপির প্রটোকলের তিনগুণ করে দেওয়া। তিনি মোলভীবাজারের আইনপুরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী পথসভায় এই কথা বলেন।

    তারেক রহমান বলেন, “আমি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানকে বিনীত অনুরোধ করবো, বিএনপির পক্ষ থেকে এবং লাখো জনগণের পক্ষ থেকে—আপনারা তাদের প্রটোকল যদি দরকার মনে করেন, তিনগুণ করে দিন। তারা মানুষকে বিভ্রান্ত করছে এবং মানুষ এটা বুঝে ফেলেছে। মানুষ তাদের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠছে; আমরা চাই না কেউ ক্ষিপ্ত হয়ে বেআইনি কিছু করে বসুক। এজন্য সরকারের কাছে বিনীত অনুরোধ থাকবে।”

    দেশকে বাঁচাতে আগামী নির্বাচনে জয়ী হতে হবে—বলেই ভোটের আবেদন করেন তিনি। ‘ধানের শীষ’ চিহ্নে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তারেক বলেন, “আগামী মাসের ১২ তারিখে যে নির্বাচন হতে যাচ্ছে, সেখানে আমাদের জয় নিশ্চিত করতে হবে। বহু মানুষ গণতন্ত্রের জন্য নিজের তাজা রক্ত দিয়েছে; অনেকেই গুম ও খুনের মতো সংঘাতের শিকার হয়েছে। সেই বলিদানের মর্যাদা রক্ষায় এবং মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য ধানের শীষে সিল দিতে হবে।”

    দেশ পুনর্গঠন ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ফিরিয়ে আনতে হবে, মানুষের কথা বলার অধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে। ধানের শীষই একমাত্র দল যে এই নিশ্চয়তা দিতে পারে। যখন আমরা ক্ষমতায় ছিলাম, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদসহ সব নির্বাচন মোটামুটি সুষ্ঠুভাবে হয়েছে। মানুষ তখন নির্বিঘ্নে সরকারের সমালোচনা করতে পেত এবং গুম-হত্যার ঘটনা ছিল না।”

    তারেক রহমান দেশের উন্নয়ন নিয়ে তার পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, পত্রিকা ও সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর খবর ছড়ানো হচ্ছে—মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন জায়গায় এনআইডি ও মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে।

    তিনি আরও অভিযোগ করেন, “গত ১৫-১৬ বছরে জনগণের ভোট ডাকাতি হয়েছে; এখন একটি দল আবার ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। পত্রিকা ও সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখা যাচ্ছে যে তারা ব্যালট পেপার গায়েব করছে এবং ভোটচুরি শুরু করেছে। তাই আমি আপনাদের কাছে বিনীত অনুরোধ করব—সকলকে অত্যন্ত সতর্ক ও সজাগ থাকতে হবে।”

    বক্তব্যের এক পর্যায়ে তিনি ইতিহাসের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় কিছু দল দেশের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিল এবং তাদের ভূমিকার কারণে বহু মানুষ শহীদ ও আহত হয়েছেন। জামায়াতের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ইতিহাস মুছে ফেলা যাবে না; তখনকার ঘটনাগুলো আজও জনমানসে রয়ে গেছে।

    সভায় উপস্থিত নেতাকর্মী ও সমর্থকদের উদ্দেশ্যে তারেক রহমান বার্তা দেন—সচেতন থাকুন, প্রতারক চক্রকে শনাক্ত করুন এবং আগামী নির্বাচনে গণতন্ত্র ও দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনে সক্রিয় ভূমিকা রাখুন।