Category: সারাদেশ

  • মোংলায় পশুর নদীর চর থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার

    মোংলায় পশুর নদীর চর থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার

    মোংলা বন্দরের পশুর নদীর চর থেকে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে নির্দেশিকায় সিগনাল টাওয়ার এলাকার দক্ষিণ চরের বালুর ডাইক সংলগ্ন নদীর তীর থেকে এই লাশটি পাওয়া যায়।

    স্থানীয়রা তীরে একটি লাশ উপুড়িয়ে পড়ে থাকতে দেখে দ্রুত নৌপুলিশকে খবর দেয়। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে প্রাথমিক সুরতহাল নথিভুক্ত করে। উদ্ধারকৃত ব্যক্তির বয়স আনুমানিক ৫৫ বছর বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোঃ লুৎফুল কবির জানান, লাশের বাইরের দেখা পরীক্ষায় শরীরে কোনো বাহ্যিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি, তাই মৃত্যুর কারণ সঠিকভাবে বলা যাচ্ছে না। তিনি বলেন, লাশের পরিচয় যাচাই এবং মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করার জন্য তা বাগেরহাট সদর হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হচ্ছে।

    বর্তমানে মৃত ব্যক্তির নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি; পরিচয় সংক্রান্ত কোনো সুস্পষ্ট সূত্রও মেলেনি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্থানীয়রা দ্রুত পরিচয় ও মৃত্যুর সঠিক কারণ выяс করার জন্য তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

  • নতুন বাংলাদেশ গড়ার যাত্রায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন তারেক রহমান: নজরুল ইসলাম মঞ্জু

    নতুন বাংলাদেশ গড়ার যাত্রায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন তারেক রহমান: নজরুল ইসলাম মঞ্জু

    খুলনা — ধানের শীষ প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, দলের প্রিয় নেতা আজ (২২ জানুয়ারি) সিলেট থেকে দেশের নানা এলাকায় প্রচারণা শুরু করেছেন। তিনি জানান, সারাদেশে ধানের শীষের নতুন যাত্রা শুরু হয়ে গেছে এবং খুলনা মহানগর বিএনপি সে যাত্রায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করছে।

    বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় খুলনা মহানগর বিএনপির আয়োজনে খুলনা-২ আসনে ধানের শীষের লিফলেট বিতরণ ও প্রচারণার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মঞ্জু এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, ১৬ বছরের দুঃশাসন থেকে মুক্তি পেয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়ার আন্দোলন শুরু হয়েছে এবং এ যাত্রায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন বিএনপির নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

    নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, ‘‘বিগত স্বৈরাচারী শাসনামলে অনেক সময় ভোটাররা সুষ্ঠুভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেননি। এবার আসন্ন নির্বাচনে ভোটাররা শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে ভোট দিতে পারবেন বলে আমি আশাবাদী।’’ তিনি গণতন্ত্র, ভোটাধিকারের পুনরুদ্ধার ও বাকস্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার গুরুত্বও উল্লেখ করে শহীদ সহযোদ্ধাদের রক্তের ঋণ শোধ করতে দলবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান এবং বলেন, ‘‘আমাদের সহযোদ্ধাদের ত্যাগ বৃথা যেতে দেব না।’’

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি এডভোকেট এস এম শফিকুল আলম মনা এবং অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন। উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মনি, জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, সৈয়দা নার্গিস আলী, খান রবিউল ইসলাম রবি, কাজী মো. রাশেদ, রেহানা ঈসা, আরিফুজ্জামান অপু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, কেএম হুমায়ুন কবীর, আসাদুজ্জামান আসাদসহ থানা, ওয়ার্ড ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

    প্রচার-প্রসারে অংশগ্রহণকারীরা ফেরিঘাট মোড় থেকে লিফলেট বিতরণ কার্যক্রম শুরু করে পিকচার প্যালেস মোড় হয়ে দলীয় কার্যালয়ের সামনে সমাপন করে।

  • পাইকগাছায় ৩ অবৈধ ইটভাটা ও ৫০টি কয়লা চুল্লি উচ্ছেদ

    পাইকগাছায় ৩ অবৈধ ইটভাটা ও ৫০টি কয়লা চুল্লি উচ্ছেদ

    খুলনার পাইকগাছা উপজেলার চাঁদখালী এলাকায় অনুমোদনবিহীন তিনটি ইটভাটা এবং অর্ধশতাধিক কাঠভিত্তিক কয়লা চুল্লি অবৈধভাবে পরিচালিত হয়ে আসছিল। দীর্ঘ দিন ধরে এসব অবৈধ স্থাপনা থেকে নিঃসৃত ধোঁয়া, ছাই ও দূষণ পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করছিল বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

    বুধবার দুপুরে পরিবেশ অধিদপ্তর খুলনা ও উপজেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে চাঁদখালী বাজারের সংলগ্ন এলাকায় থাকা এসব অবৈধ স্থাপনা ভাঙচুর করা হয়। অভিযানে ফায়ার সার্ভিস, সেনাবাহিনী, পুলিশ এবং আনসারসহ প্রায় ৭০ থেকে ৮০ জন সদস্য অংশ নেন। ভেঙে ফেলা ইটভাটাগুলির মধ্যে রয়েছে ফতেপুরের এডিবি ব্রিকস, বিবিএম ব্রিকস এবং স্টার ব্রিকস। অভিযানের সময় এলাকার সাধারণ মানুষ উত্তেজিত হয়ে উপস্থিত থাকেন এবং উৎসুকভাবে দেখেন।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী বলেন, পরিবেশ ও জনস্বার্থ রক্ষায় প্রশাসন অব্যাহতভাবে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। কোনো অনুমতিহীন ইটভাটা বা চুল্লি আর পরিচালনা করা যেতে পারে না। এটি একদিনের অভিযান নয়, ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত থাকবে। সাহায্যকারী কমিশনার (ভূমি) ফজলে রাব্বি জানান, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় অবৈধ স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে যদি কেউ অনুমোদনহীন ভাটা বা চুল্লি চালু করে, তাহলে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    স্থানীয় জনগোষ্ঠী এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁদের আশায়, নিয়মিত এ ধরনের অভিযান চললে পরিবেশের পাশাপাশি কৃষি উৎপাদনও নিরাপদ থাকবে।

  • গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও বাকস্বাধীনতা পুনরুদ্ধারে সবাদের একক প্রচেষ্টা জরুরি

    গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও বাকস্বাধীনতা পুনরুদ্ধারে সবাদের একক প্রচেষ্টা জরুরি

    বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি গণতান্ত্রিক, ভোটাধিকারভিত্তিক এবং সুরক্ষিত সর্ম্পদে বিশ্বাসী বাংলাদেশ গড়ে তোলাই বিএনপি’র মূল লক্ষ্য। এই উদ্দেশ্যে খুলনা-২ আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের সংসদ সদস্য প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র, ভোটাধিকার এবং বাকস্বাধীনতা পুনরুদ্ধার করতে হলে শহীদ সহযোদ্ধাদের রক্তের ঋণ শোধ করতে হবে। তাদের আত্মদান বৃথা যেতে দিতে পারেন না আমরা। বুধবার সকালে তিনি খুলনা মডেল স্কুলের প্রধান শিক্ষক, শিক্ষকমন্ডলী ও কর্মচারীদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেন। পরে সকালে খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জেলা প্রশাসক আ স ম জমশেদ খোন্দকারের হাতে ধানের শীষ প্রতীক পেয়ে যান তিনি। দুপুরে হোটেল ক্যাসেল সালামে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বিকেলে রূপসা স্ট্যান্ড রোডে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের আয়োজনে শ্রমিক সমাবেশ ও বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল হয়, যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি মহিলাদের উদ্দেশ্যে বলেন, দেশের মানুষ দীর্ঘ ১৭ বছর ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটদানে বিরত ছিল। এখন তারা চায় নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে। অতীতে ভোটাধিকার হরণের অপপ্রয়াস দীর্ঘ সময় ধরে চলেছে; এসবের অবসান ঘটাতে হবে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে। বিএনপিকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে, কিন্তু নেত্রীর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে তারা সফল হয়নি; বাংলাদেশে বিএনপি গড়ে উঠেছে। আমাদের একমাত্র লক্ষ্য হলো, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি একটি মুক্ত, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্পন্ন করে জনগণের ইচ্ছানুযায়ী সরকার গঠন করা। এই সভা-সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন তরিকুল ইসলাম জহির, রেহেনা ঈসা, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, হাসানুর রশিদ মিরাজ, শের আলম সান্টু, মহিবুজ্জামান কচি, অনুয়ার হোসেন, মুজিবর রহমান ও আরও অনেকে। নজরুল ইসলাম মঞ্জু আরও বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে ভোটাররা ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারেনি। এখন তারা চান, নিরাপদে গিয়ে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে। আমাদের আসল কাজ হচ্ছে, অতীতের মত ভোটাধিকার হরণের অপচেষ্টা বন্ধ করে একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। ভবিষ্যতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান হত্যার পেছনের ফাঁদে অনেককেই ফেলেছিল। যারা এই হত্যার সঙ্গে জড়িত, তারা বিএনপি-কে ধ্বংসের চেষ্ঠা করেছে। কিন্তু নেতা বেগম খালেদা জিয়া তাদের ব্যর্থ করে বাংলাদেশে বিএনপি ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতিফলন সৃষ্টি করেছেন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বিএনপি একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের ইচ্ছায় সরকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়েছে। অনুষ্ঠানগুলোতে উপস্থিত ছিলেন তরিকুল ইসলাম জহির, রেহেনা ঈসা, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, হাসানুর রশিদ মিরাজ, শের আলম সান্টু, মহিবুজ্জামান কচি ও অনেকে। একই দিনে, মহানগর বিএনপি তাদের নির্বাচনী কার্যক্রমের জন্য একটি উপ-কমিটি গঠনের সভাও অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে আগামী ২২ জানুয়ারি নগরীর ফেরিঘাট মোড় থেকে প্রার্থীর লিফলেট বিতরণের কর্মসূচি নির্ধারিত হয়েছে। সবাইকে এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

  • পাইকগাছায় বিধবা নারীকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা

    পাইকগাছায় বিধবা নারীকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা

    পাইকगাছায় শ্রীলেখা সানা (৬০) নামে এক বিধবা নারীর ওপর দুর্বৃত্তরা হামলা চালিয়ে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। নিহত শ্রীলেখা উপজেলার সোলাদানা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামের মৃত ফণীন্দ্র নাথ সানার স্ত্রী। ঘটনা ঘটে গতকাল বুধবার সকাল ১০টার দিকে, যখন তার রান্নাঘর থেকে তার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়রা জানায়, মঙ্গলবার দিবাগত রাতে দুর্বৃত্তরা পুলিশ বা এলাকাবাসীর নজরদারির বাইরে থাকা সুযোগে এ ঘটনা ঘটায়। তারা তার ওপর তরবারি বা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপাকুপি করে গুরুতর আঘাত করে। তখন সে রক্তাক্ত জখম অবস্থায় রান্না ঘরে পড়ে থাকতো। বুধবার সকাল ১০টার দিকে পরিবারের লোকজন তাকে ডাকাডাকি করে কেউ সাড়া না পেলে দরজা ভেঙে বাইরে থেকে প্রবেশ করে তার মৃত্যু নিশ্চিত করে। খবর পেয়ে দ্রুত পুলিশ ও সিআইডির একটি টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে। ঘটনার তদন্ত করে সিআইডি জানিয়েছে, এটি পূর্ব পরিকল্পিত একটি হত্যাকাণ্ড। পরে মৃতদেহ উদ্ধার করে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। পুলিশ বলছে, এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে কী উদ্দেশ্য বা অপরাধীরা কারা সেটি এখনো জানা যায়নি, তবে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। ওসি গোলাম কিবরিয়া জানান, এই হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে মামলার প্রস্তুতি চলছে এবং জড়িতদের খুঁজে বের করতে পুলিশ তৎপর।

  • ফকিরহাটে চুরির অভিযোগে গৃহিনী খুনের ঘটনা

    ফকিরহাটে চুরির অভিযোগে গৃহিনী খুনের ঘটনা

    ফকিরহাটে এক বাড়িতে চুরি করতে এসে দুর্বৃত্তরা গৃহিনী মমেনা বেগম (৪২)কে হত্যা করেছে। ঘটনাটি ঘটে উপজেলার বাহিরদিয়া-মানসা ইউনিয়নের মধ্যবাহিরদিয়া এলাকায়। নিহত গৃহিনী হলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী বিল্লাল খাঁনের স্ত্রী ও স্থানীয় ইউপি সদস্য খাঁন জাহিদ হাসানের জ্যেষ্ঠা স্ত্রী।

    ঘটনার রাতেই নিহতের স্বামী বিল্লাল খাঁন থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বুধবার (২১ জানুয়ারী) রাত ১০টার দিকে বিল্লাল খাঁন মানসা বাজারে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ছিলেন। তিনি বাড়ি ফিরলে দেখতে পান তার স্ত্রী ঘরের ভেতর মৃত অবস্থায় পড়েছিলেন।

    খবর পেয়ে বাহিরদিয়া পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এস আই ওহিদুল হকসহ পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তারা মরদেহটি উদ্ধার করে প্রাথমিক সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করেন ও তার পর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

    পুলিশের প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, মরদেহের মুখমণ্ডলে একাধিক আঘাতের চিহ্ন এবং কানের নিচেও আঘাতের দাগ দেখা গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, তাকে কিল-ঘুসি মারার পাশাপাশি গলায় ওড়না দিয়ে ফাঁস লাগিয়ে হত্যা করা হয়েছে। মনে করা হচ্ছে, চুরির সময় চোর চিনেই ফেলায় তাকে হত্যা করা হয়েছে।

    নিহত গৃহিনীর স্বামী জানান, তিনি দোকান থেকে বাড়ি ফিরে দেখেন তার স্ত্রী ঘরের মধ্যে পড়ে আছেন। ঘটনার সময় তিনি বাড়িতে একা ছিলেন। দুর্বৃত্তরা তার স্ত্রীকে মারধর করে নগদ ২৩ হাজার টাকা, দুটি স্বর্ণের রুলি ও এক জোড়া কানের দুল চুরি করে নিয়ে গেছে।

    ফকিরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: সাইফুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এ ঘটনায় রাতেই স্বামী বিল্লাল খাঁন অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। বর্তমানে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালানো হচ্ছে এবং মামলাটির তদন্ত প্রক্রিয়া চলছে।

  • তরুণদের আধুনিক প্রযুক্তিতে প্রশিক্ষিত করে বেকারত্ব দূর করবেন

    তরুণদের আধুনিক প্রযুক্তিতে প্রশিক্ষিত করে বেকারত্ব দূর করবেন

    দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির মূল চালিকা শক্তি হলো তরুণ সমাজ। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে তরুণদের মধ্যে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ জাগিয়ে তুলতে হবে, যাতে তারা শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ ও সবল হতে পারেন। বিএনপি কেন্দ্রীয় ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী আলহাজ্ব রকিবুল ইসলাম বকুল এই মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, তরুণ প্রজন্মকে আধুনিক ও দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করা হবে, যা দেশের উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য অপরিহার্য। তাদের জন্য দক্ষতা অর্জনের প্রশিক্ষণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন তিনি।

    গতকাল বুধবার আড়ংঘাটা মাধ্যমিক বিদ্যালয় আয়োজিত এক দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তিনি। এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বিএনপি চেয়ারপার্সন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায়। উপস্থিত ছিলেন আড়ংঘাটা মাধ্যমিক বিদ্যালয় সেন্টারের সভাপতি শেখ মনিরুল ইসলাম, দৌলতপুর থানা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক মতলেবুর রহমান মিতুলসহ অন্য নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠান শেষে মহানগর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ শেখ সাদী, সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক মোঃ চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, সাবেক ইমাম মাওলানা মোঃ মোদাচ্ছের হোসেন ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে দেশের সার্বিক কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ এবং নেতা-কর্মীরা এ দোয়া মাহফিলে অংশ নেন, যা দেশের শান্তি ও উন্নতি কামনামূলক গুরুত্বপূর্ণ একটি আয়োজন।

  • রকিবুল বকুল: আধুনিক প্রযুক্তিতে প্রশিক্ষণ দিয়ে তরুণদের বেকারত্ব দূর করা হবে

    রকিবুল বকুল: আধুনিক প্রযুক্তিতে প্রশিক্ষণ দিয়ে তরুণদের বেকারত্ব দূর করা হবে

    দেশের উন্নয়ন এবং সমৃদ্ধির অন্যতম চালিকা শক্তি তরুণ সমাজ — এই বিশ্বাস ব্যক্ত করেছেন বিএনপি কেন্দ্রীয় ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ (ধানের শীষ) প্রার্থী আলহাজ্ব রকিবুল ইসলাম বকুল। তিনি বলেন, তরুণদের খেলাধুলায় উদ্বুদ্ধ করে শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ রাখা এবং আধুনিক প্রযুক্তি ও দক্ষতায় প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদের সফল কর্মজীবনে পরিণত করা হবে। এর মাধ্যমে বেকারত্ব কমানো সম্ভব হবে।

    গতকাল (বুধবার) আড়ংঘাটা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সেন্টারবাসীর আয়োজনে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রকিবুল ইসলাম বকুল এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য ছিল বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করা।

    আয়োজক সদস্য শেখ মনিরুল ইসলাম সভাপতিত্ব করেন। দৌলতপুর থানা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক মতলেবুর রহমান মিতুল মাহফিলটির সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ শেখ সাদী, সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক মোঃ চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন এবং সাবেক ইমাম মাওলানা মোঃ মোদাছের হোসেন।

    অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সাবেক শিক্ষক দুলাল চন্দ্র সরদার, বিশিষ্ট সমাজসেবক এস এম সফিক, শেখ আবু তালেব, শেখ জাফর ইমামসহ থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ের বিএনপি নেতারা এবং এলাকার বিপুল সংখ্যক সাধারন মানুষ।

    সমাবেশ শেষে বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। রকিবুল বকুল অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া সকলের সঙ্গে কথা বলে তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নে তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

  • গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনতে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে: নজরুল ইসলাম মঞ্জু

    গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনতে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে: নজরুল ইসলাম মঞ্জু

    বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক, ভোটাধিকারভিত্তিক, নিরাপদ ও সশ্রদ্ধ সা¤প্রদায়িক সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়া দলের মূল লক্ষ্য। দেশের গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও বাকস্বাধীনতা পুনরুদ্ধার করতে স্বকীয় শহীদ সহযোদ্ধাদের রক্তের ঋণ শোধ করতে হবে—তারা যে ত্যাগ করেছেন তা বৃথা যেতে দেয়া হবে না, তিনি বলেন।

    নজরুল ইসলাম মঞ্জু গত বুধবার দিনের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন। সকাল ১০টায় তিনি খুলনা মডেল স্কুলের প্রধান শিক্ষক সহ সকল শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং মতবিনিময় করেন। এরপর বেলা সাড়ে ১১টায় খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জেলা প্রশাসক আ. স. ম. জমশেদ খোন্দকার তাকে খুলনা-২ আসনের জন্য ধানের শীষ প্রতীক প্রদান করেন।

    দুপুর ১২টায় হোটেল ক্যাসেল সালামে তিনি ইউরোপীয় ইউনিয়নের এক প্রতিনিধির সঙ্গে মতবিনিময় করেন। বিকেলের পর রূপসা স্ট্যান্ড রোডে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের আয়োজনে অনুষ্ঠিত শ্রমিক সমাবেশ ও মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন তিনি। দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা মুজিবর রহমান।

    বাদ মাগরিব খুলনা বড় বাজার ব্যবসায়ী ঐক্য সমন্বয় পরিষদের আয়োজিত মতবিনিময় সভায় (সভাপতি: গোপী কিষণ মুন্ধড়া, পরিচালনায়: মনিরুল ইসলাম মাসুম) প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মনজু জানান, জনগণ দীর্ঘ ১৭ বছর ভোটকেন্দ্রে নিরাপদে গিয়ে ভোট দেয়নি; এখন মানুষ নির্ভয়ে ভোট দিতে চায় এবং পছন্দমতো প্রার্থী বেছে নিতে চায়। অতীতের মতো ভোটাধিকার হরণকে তিনি ভাষায় তীব্র সমালোচনা করেন এবং বলেন, তা ফিরিয়ে আনতে হবে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে।

    নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছিল; যারা হত্যা করেছেন, তারা বিএনপিকে ধ্বংস করতে চাইছিল—তারা বাংলাদেশকেও ধ্বংসের চেষ্টা করেছিল। কিন্তু বেগম জিয়া তাদের চেষ্টা ব্যর্থ করে বিএনপিকে দেশে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তাই আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করে জনগণের নির্বাচিত সরকার গঠন করাই তাদের এই মুহূর্তের প্রধান লক্ষ্য, তিনি জানান।

    অনুষ্ঠানগুলিতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন রফিক মোড়ল এবং গীতা পাঠ করেন আকাশ ব্যনার্জী। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপি সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা, সাবেক সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মনি, মহানগর সাধারন সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন, নার্গিস আলী ও জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু সহ অনেকে। এছাড়া শহরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা কর্মীবৃন্দও সভাগুলোতে অংশ নেন।

    অপর দিকে দুপুর সাড়ে ১২টায় মহানগর বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে খুলনা-২ আসনের নির্বাচনী কার্যক্রম সুচারুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে গঠিত উপ-কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার সভাপতিত্ব করেন মহানগর বিএনপি সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা এবং পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন। সভায় উপ-কমিটির আহ্বায়ক, যুগ্ম আহ্বায়ক, সদস্য সচিব ও অন্যান্য সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    সভায় সিদ্ধান্ত হয় আগামী ২২ জানুয়ারি সকাল ১১টায় নগরীর ফেরিঘাট মোড় থেকে প্রচার কার্যক্রম শুরু করে ধানের শীষ প্রতীকের লিফলেট বিতরণ করা হবে এবং সকল স্তরের নেতাকর্মীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সবাইকে আহ্বান জানানো হয়।

  • ত্রয়োদশ নির্বাচনে খুলনা বিভাগে ৩৬ আসনে মোট ২০১ প্রার্থীর প্রতীক বরাদ্দ

    ত্রয়োদশ নির্বাচনে খুলনা বিভাগে ৩৬ আসনে মোট ২০১ প্রার্থীর প্রতীক বরাদ্দ

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় ৩৬টি আসনে মোট ২০১ জন প্রার্থীকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা জানান, প্রতীক বরাদ্দ শেষ হওয়ায় আজ বৃহস্পতিবার থেকে প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করতে পারবেন। বিধিমতো ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার ৪৮ ঘণ্টা আগে পর্যন্ত প্রচারণা চালানো যাবে।

    খুলনা বিভাগে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য জেলা ও আসনভিত্তিক প্রতীক বরাদ্দের সংক্ষিপ্ত বিবরণ নিম্নরূপ:

    খুলনা (৬টি আসন, ৩৮ প্রার্থী)

    খুলনা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক আ স ম জামশেদ খোন্দকার বুধবার প্রার্থীদের হাতে প্রতীক তুলে দেন। বরাদ্দকৃত প্রতিধর্ষীরা:

    – খুলনা-১ (দাকোপ-বটিয়াঘাটা): মোট ১২ প্রার্থী — সুনীল শুভ রায় (বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট, মোমবাতি), মো: জাহাঙ্গীর হোসেন (জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল), কৃষ্ণ নন্দী (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি, দাঁড়িপাল্লা), কিশোর কুমার রায় (বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি, কাস্তে), মো: আবু সাঈদ (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, হাতপাখা), প্রসেনজিৎ দত্ত (জেএসডি, তারা), আমির এজাজ খান (বিএনপি, ধানের শীষ), প্রবীর গোপাল রায় (বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টি, রকেট), সুব্রত মন্ডল (বাংলাদেশ সমঅধিকার পরিষদ, দোয়াত কলম), অচ্যিন্ত কুমার মন্ডল (স্বতন্ত্র, ঘোড়া), গোবিন্দ হালদার (স্বতন্ত্র, কলস) ও জি এম রোকনুজ্জামান (গণঅধিকার পরিষদ, ট্রাক)।

    – খুলনা-২ (সদর-সোনাডাঙ্গা): তিন প্রার্থী — শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল (জামায়াতে ইসলামি, দাঁড়িপাল্লা), নজরুল ইসলাম মঞ্জু (বিএনপি, ধানের শীষ) ও মুফতি আমানুল্লাহ (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, হাতপাখা)।

    – খুলনা-৩ (খালিশপুর-দৌলতপুর-আড়ংঘাটা): দশ প্রার্থী — মো: আ: আউয়াল (ইসলামী আন্দোলন, হাতপাখা), রকিবুল ইসলাম (বিএনপি, ধানের শীষ), মোহাম্মাদ মাহফুজুর রহমান (জামায়াত, দাঁড়িপাল্লা), মো: মুরাদ খান লিটন (স্বতন্ত্র, ঘুড়ি), মঈন মোহাম্মাদ মায়াজ (স্বতন্ত্র, ফুটবল), জনার্দন দত্ত (বাসদ, মই), শেখ আরমান হোসেন (এনডিএম, সিংহ), মো: আব্দুল্লাহ আল মামুন (জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল), মো: আবুল হাসানত সিদ্দিক (স্বতন্ত্র, জাহাজ) ও এস এম আরিফুর রহমান মিঠু (স্বতন্ত্র, হরিণ)।

    – খুলনা-৪ (রূপসা-তেরখাদা-দিঘলিয়া): চার প্রার্থী — ইউনুস আহম্মেদ শেখ (ইসলামী আন্দোলন, হাতপাখা), এস কে আজিজুল বারী (বিএনপি, ধানের শীষ), এস এম সাখাওয়াত হোসাইন (খেলাফত মজলিস, দেয়াল ঘড়ি) ও এস এম আজমল হোসেন (স্বতন্ত্র, ফুটবল)। উল্লেখ্য, এই আসনটি খেলাফত মজলিসকে জোটসঙ্গী হিসেবে দিয়েছে।

    – খুলনা-৫ (ডুমুরিয়া-ফুলতলা): চার প্রার্থী — গোলাম পরওয়ার (জামায়াতে ইসলামি, দাঁড়িপাল্লা), মোহাম্মাদ আলী আসগর (বিএনপি, ধানের শীষ), চিত্ত রঞ্জন গোলদার (বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি, কাস্তে) ও শামিম আরা পারভীন ইয়াসমীন (জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল)।

    – খুলনা-৬ (কয়রা-পাইকগাছা): পাঁচ প্রার্থী — মো: আবুল কালাম আজাদ (জামায়াতে ইসলামি, দাঁড়িপাল্লা), এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী (বিএনপি, ধানের শীষ), মো: আছাদুল ফকির (ইসলামী আন্দোলন, হাতপাখা), প্রশান্ত কুমার মন্ডল (বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি, কাস্তে) ও মো: মোস্তফা কামাল জাহাঙ্গীর (জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল)।

    বাগেরহাট (৪টি আসন, ২৩ প্রার্থী)

    জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা বুধবার দুপুরে সম্মেলন কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতীক বরাদ্দ করেন। বাগেরহাটে জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এমএ এইচ সেলিম তিনটি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ‘ঘোড়া’ প্রতীক নিয়েছেন। প্রধান বরাদ্দ:

    – বাগেরহাট-১: আট প্রার্থী — স্বতন্ত্র এমএ এইচ সেলিম (ঘোড়া), মো. মাসুদ রানা (জেলা বিএনপি, ফুটবল)সহ মোট আটজনের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ।

    – বাগেরহাট-২ ও বাগেরহাট-৩: এমএ এইচ সেলিম ঘোড়া প্রতীক পেয়েছেন।

    – বিভিন্ন আসনে বিএনপি, জামায়াত, মুসলিম লীগ, এবি পার্টি, জাতীয় পার্টি-জেপি ও অন্যান্যদের দলীয় প্রতীকও অনানুষ্ঠানিকভাবে বরাদ্দ করা হয়েছে; তালিকাভুক্ত প্রার্থীরা যথাক্রমে তাদের দলীয় চিহ্ন পেয়েছেন।

    – বাগেরহাট-৪: স্বতন্ত্র কাজী খায়রুজ্জামান শিপন হরিণ প্রতীক পেয়েছেন; এ আসনে বিএনপি, জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন ও অন্যান্য দলের প্রার্থীরাও জোট হিসেবে দলীয় প্রতীকের অধিকারী হয়েছেন।

    সাতক্ষীরা (৪টি আসন, ২০ প্রার্থী)

    জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মিজ আফরোজা আখতার জেলার সম্মেলন কক্ষে উৎসবমুখর পরিবেশে প্রার্থীদের প্রতীক তুলে দেন। রিটার্নিং কর্মকর্তা আচরণবিধি মেনে চলার অনুরোধ করেন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক থাকার কথা জানিয়েছেন। বরাদ্দের ধরণ:

    – সাতক্ষীরা-১: হাবিবুল ইসলাম হাবিব (বিএনপি, ধানের শীষ), মোঃ ইজ্জত উল্লাহ (জামায়াত, দাঁড়িপাল্লা), শেখ মোঃ রেজাউল করিম (ইসলামী আন্দোলন, হাতপাখা), জিয়াউর রহমান (জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল) ও ইয়ারুল ইসলাম (বাংলাদেশ কংগ্রেস, ডাব)।

    – সাতক্ষীরা-২: আব্দুর রউফ (বিএনপি, ধানের শীষ), মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক (জামায়াত, দাঁড়িপাল্লা), আশরাফুজ্জামান (জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল), ইদ্রিস আলী (বাংলাদেশ জাসদ, মোটরগাড়ি) ও মুফতী রবিউল ইসলাম (ইসলামী আন্দোলন, হাতপাখা) প্রমুখ।

    – সাতক্ষীরা-৩: ডা. শহিদুল আলম (স্বতন্ত্র/বিএনপি কেন্দ্রীয়, ফুটবল), কাজী আলাউদ্দীন (বিএনপি, ধানের শীষ), হাফেজ রবিউল বাশার (জামায়াত, দাঁড়িপাল্লা), আলিপ হোসেন (জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল), ওয়েজ কুরনী (ইসলামী আন্দোলন, হাতপাখা) ও রুবেল হোসেন (বিএমজেপি, রকেট)।

    – সাতক্ষীরা-৪: ড. মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান (বিএনপি, ধানের শীষ), জিএম নজরুল ইসলাম (জামায়াত, দাঁড়িপাল্লা), এইচ এম মিজানুর রহমান (ইসলামী আন্দোলন, হাতপাখা) ও আব্দুর রশিদ (জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল)।

    যশোর (৬টি আসন, ৩৫ প্রার্থী)

    যশোর জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান বুধবার প্রার্থীদের হাতে প্রতীক তুলে দিয়ে আনুষ্ঠানিক প্রচারণার উদ্বোধন করেন। প্রধান বরাদ্দ:

    – যশোর-১ (শার্শা): চার প্রার্থী — মুহাম্মদ আজিজুর রহমান (জামায়াত, দাঁড়িপাল্লা), জাহাঙ্গীর আলম চঞ্চল (জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল), নুরুজ্জামান লিটন (বিএনপি, ধানের শীষ) ও বকতিয়ার রহমান (ইসলামী আন্দোলন, হাতপাখা)।

    – যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা): আট প্রার্থী — মোছাঃ সাবিরা সুলতানা (বিএনপি, ধানের শীষ), মোহাম্মদ মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ (জামায়াত, দাঁড়িপাল্লা), ইদ্রিস আলী (ইসলামী আন্দোলন, হাতপাখা), ইমরান খান (বাসদ, মই), শামসুল হক (বিএনএফ, টেলিভিশন), রিপন মাহমুদ (এবি পার্টি, ঈগল) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ জহুরুল ইসলাম (ঘোড়া) ও মেহেদী হাসান (ফুটবল)। নোট: জহুরুল ইসলাম পরে মনোনয়ন প্রত্যাহার ঘোষণার সংবাদ করেছেন, কিন্তু প্রত্যাহারের কাগজপত্র দাখিল করেননি।

    – যশোর-৩ (সদর): ছয় প্রার্থী — অনিন্দ্য ইসলাম অমিত (বিএনপি, ধানের শীষ), মুহাম্মদ শোয়াইব হোসেন (ইসলামী আন্দোলন, হাতপাখা), আব্দুল কাদের (জামায়াত, দাঁড়িপাল্লা), খবির গাজী (জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল), নিজামুদ্দিন অমিত (জাগপার, চশমা) ও রাশেদ খান (সিপিবি, কাস্তে)।

    – যশোর-৪ (বাঘারপাড়া-অভয়নগর): সাত প্রার্থী — এম নাজিম উদ্দিন-আল-আজাদ (স্বতন্ত্র, মোটরসাইকেল), বায়েজীদ হোসাইন (ইসলামী আন্দোলন, হাতপাখা), মতিয়ার রহমান ফারাজি (বিএনপি, ধানের শীষ), মাওলানা আশেক এলাহী (খেলাফত মজলিস, দেয়াল ঘড়ি), গোলাম রসুল (জামায়াত, দাঁড়িপাল্লা), জহুরুল হক (জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল) ও সুকৃতি কুমার মণ্ডল (বিএমজেপি, রকেট)।

    – যশোর-৫ (মণিরামপুর): পাঁচ প্রার্থী — এম এ হালিম (জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল), গাজী এনামুল হক (জামায়াত, দাঁড়িপাল্লা), জয়নাল আবেদীন (ইসলামী আন্দোলন, হাতপাখা), রশীদ আহমদ (বিএনপি, ধানের শীষ) ও শহীদ মোঃ ইকবাল হোসেন (স্বতন্ত্র, কলস)।

    – যশোর-৬ (কেশবপুর): পাঁচ প্রার্থী — জিএম হাসান (জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল), আবুল হোসেন আজাদ (বিএনপি, ধানের শীষ), মাহমুদ হাসান (এবি পার্টি, ঈগল), মোক্তার আলী (জামায়াত, দাঁড়িপাল্লা) ও শহিদুল ইসলাম (ইসলামী আন্দোলন, হাতপাখা)।

    চুয়াডাঙ্গা (২টি আসন, ৬ প্রার্থী)

    রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ কামাল হোসেন জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে নমুনা প্রতীক তুলে দেন।

    – চুয়াডাঙ্গা-১: শরীফুজ্জামান (ধানের শীষ), মাসুদ পারভেজ রাসেল (দাঁড়িপাল্লা) ও জহুরুল ইসলাম আজিজী (হাতপাখা)।

    – চুয়াডাঙ্গা-২: মাহমুদ হাসান খান বাবু (ধানের শীষ; তাঁর পক্ষ থেকে খালিদ মাহমুদ মিল্টন নমুনা প্রতীক গ্রহণ করেন), রুহুল আমীন (দাঁড়িপাল্লা) ও হাসানুজ্জামান সজীব (হাতপাখা)।

    নড়াইল (২টি আসন, ১৫ প্রার্থী)

    জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ড. আব্দুল ছালামের কার্যালয়ে বুধবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত প্রতীক বরাদ্দকাজ সম্পন্ন হয়। নড়াইল-১ ও নড়াইল-২ এ মোট ১৫ জন প্রার্থী প্রতীকের অধিকারী হয়েছেন, এর মধ্যে নড়াইল-১ এ বিএনপি’র জেলা সভাপতি বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম (ধানের শীষ) প্রধান প্রার্থী। উল্লেখযোগ্যভাবে নড়াইল-১ এ তিনজন বিদ্রোহী বিএনপি প্রার্থীও স্বতন্ত্র প্রতীক পেয়েছেন। নড়াইল-২ তে দলীয় ও স্বতন্ত্র মিশ্র তালিকা করা হয়েছে; সেখানে গণঅধিকার পরিষদ, সাংস্কৃতিক মুক্তি জোট ও অন্যান্যদের প্রতীকও বরাদ্দ হয়েছে।

    ঝিনাইদহ (৪টি আসন, ২১ প্রার্থী)

    জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে বরাদ্দকৃত প্রতীকের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হয়। ঝিনাইদহে বিএনপি’র সিদ্ধান্ত অমান্য করে ঝিনাইদহ-৪ আসনে বিদ্রোহী প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজ স্বতন্ত্র হিসেবে কাপ-পিরিচ প্রতীক পেয়ে আলোচনায় এসেছেন। অন্যান্য আসনের বরাদ্দ:

    – ঝিনাইদহ-১: মো. আসাদুজ্জামান (বিএনপি, ধানের শীষ), এএসএম মতিউর রহমান (দাঁড়িপাল্লা/১০ দলীয় জোট), মতিয়ার রহমান (এবি পার্টি, ঈগল), শহিদুল এনাম (বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী), কাঁচি) ও মনিকা আলম (জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল)।

    – ঝিনাইদহ-২: মো. আব্দুল মজিদ (বিএনপি, ধানের শীষ), আলী আজম মোহাম্মদ আবু বকর (জোট, দাঁড়িপাল্লা), আসাদুল ইসলাম (বাসদ, মই), আবু তোয়াব (সিপিবি, কাস্তে), মমতাজুর রহমান (ইসলামী আন্দোলন, হাতপাখা) ও সওগাতুল ইসলাম (জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল)।

    – ঝিনাইদহ-৩: মেহেদী হাসান (বিএনপি, ধানের শীষ), অধ্যাপক মতিয়ার রহমান (দাঁড়িপাল্লা/১০ দলীয় জোট), ইসলামী আন্দোলন প্রার্থী (হাতপাখা) ও সুমন কবির (গণঅধিকার পরিষদ, ট্রাক)।

    – ঝিনাইদহ-4: রাশেদ খাঁন (বিএনপি, ধানের শীষ), মাওলানা আবু তালেব (দাঁড়িপাল্লা/১০ দলীয় জোট), সাইফুল ইসলাম ফিরোজ (স্বতন্ত্র/বিএনপি বিদ্রোহী, কাপ-পিরিচ), আব্দুল জলিল (ইসলামী আন্দোলন, হাতপাখা), খনিয়া খানম (গণফোরাম, উদীয়মান সূর্য) ও এমদাদুল ইসলাম বাচ্চু (জাতীয় পার্টি, লাঙ্গাল)।

    মাগুরা (২টি আসন, ১১ প্রার্থী)

    জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার মোঃ আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বুধবার জেলা সম্মেলন কক্ষে প্রতীক বরাদ্দ করেন।

    – মাগুরা-১ (৯১): মনোয়ার হোসেন খান (বিএনপি, ধানের শীষ), জাকির হোসেন মোল (জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল), আব্দুল মতিন (জামায়াতে ইসলামি, দাঁড়িপাল্লা), শম্পা বসু (সমাজতান্ত্রিক দল-বাদ, মই), মোঃ খলিলুর রহমান (গণঅধিকার পরিষদ, ট্রাক) ও মোঃ নাজিরুল ইসলাম (ইসলামী আন্দোলন, হাতপাখা) এবং কাজী রেজাউল ইসলাম (বাংলাদেশ কংগ্রেস, ডাব)।

    – মাগুরা-২ (৯২): নিতাই রায় চৌধুরী (বিএনপি, ধানের শীষ), মুরতারশেদ বিল্লাহ (জামায়াত, দাঁড়িপাল্লা), মশিয়ার রহমান (জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল) ও মোস্তফা কামাল (ইসলামী আন্দোলন, হাতপাখা)।

    কুষ্টিয়া (৪টি আসন, ২৫ প্রার্থী)

    জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ইকবাল হোসেন বুধবার কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসন সম্মেলনকক্ষে বিভিন্ন দলের ২৫ প্রার্থীর মাঝে প্রতীক তুলে দেন। উল্লেখ্য, পূর্বে বৈধ ঘোষিত ২৭ প্রার্থীর মধ্যে কিছু পদক্ষেপ ও আপিলের ফলে চূড়ান্ত তালিকা ২৫ জনে নির্ধারণ হয়েছে। প্রধান বরাদ্দ:

    – কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর): রেজা আহামেদ (বিএনপি), বেলাল উদ্দিন (জামায়াতে ইসলামি), বদিরুজ্জামান (বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট), আমিনুল ইসলাম (ইসলামী আন্দোলন), সাহাবুল ইসলাম (গণঅধিকার পরিষদ), শাহরিয়ার জামিল (জাতীয় পার্টি) ও গিয়াস উদ্দিন (জেএসডি) — মোট আটজন।

    – কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা): রাগীব রউফ চৌধুরী (বিএনপি), আব্দুল গফুর (জামায়াতে ইসলামি), নুর উদ্দিন আহমেদ (বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি), মোহাম্মদ আলী (ইসলামী আন্দোলন) ও বাবুল আক্তার (ইসলামী ফ্রন্ট)।

    – কুষ্টিয়া-৩ (সদর): জাকির হোসেন সরকার (বিএনপি), মুফতি আমীর হামজা (জামায়াত), মীর নাজমুল ইসলাম (বাসদ), মোছাঃ রুমপা খাতুন (বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি), মোহাঃ শরিফুল ইসলাম (গণঅধিকার পরিষদ) ও আবদুল্লাহ আখন্দ (ইসলামী আন্দোলন)।

    – কুষ্টিয়া-৪ (খোকসা-কুমারখালী): সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী (বিএনপি), আফজাল হোসেন (জামায়াত), আনোয়ার খাঁন (ইসলামী আন্দোলন), তরুণ কুমার ঘোষ (মাইনরিটি জনতা পার্টি), আব্দুল হাকিম মিয়া (গণফোরাম) ও শহিদুল ইসলাম (বাংলাদেশ লেবার পার্টি)।

    মেহেরপুর (২টি আসন)

    জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক ড. সৈয়দ এনামুল কবির মঙ্গলবার প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বিতরণ করেন:

    – মেহেরপুর-১: মোট চার প্রার্থী — মাসুদ অরুণ (বিএনপি, ধানের শীষ), মাওলানা তাজ উদ্দিন খান (জামায়াত, দাঁড়িপাল্লা), আব্দুল হামিদ (জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল) ও এড. মিজানুর রহমান (সিপিবি, কাস্তে)।

    – মেহেরপুর-২ (গাংনী): তিন প্রার্থী — আমজাদ হোসেন (বিএনপি, ধানের শীষ), নাজমুল হুদা (জামায়াত, দাঁড়িপাল্লা) ও আব্দুল বাকী (জাতীয় পার্টি, লাঙ্গল)।

    সার্বিকভাবে প্রতীক বরাদ্দের কার্যক্রম শেষ হওয়ায় বিভাগের সব সম্প্রদায়ের প্রার্থীরা এখন তাদের নির্বাচনী কর্মসূচি তৎপরভাবে পরিচালনা করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। নির্বাচনী আচরণবিধি অনুসরণ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান করা হয়েছে।