Category: জাতীয়

  • সুজন হত্যা মামলায় শেখ হাসিনা, ওবায়দুল কাদের ও কামালসহ ৩২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

    সুজন হত্যা মামলায় শেখ হাসিনা, ওবায়দুল কাদের ও কামালসহ ৩২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

    জুলাই আন্দোলনের সময় ট্রাকচালক সুজন হত্যা মামলায় ৩২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেছে কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি)। অভিযোগপত্রে নাম রয়েছে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ওবায়দুল কাদের ও আসাদুজ্জামান খান কামালসহ শীর্ষ নেতা–কর্মীদের।

    মামলার তদন্তকারী অফিসার, অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের পরিদর্শক শংকর কুমার ঘোষ গত ১১ মার্চ সংশ্লিষ্ট আদালতে ওই অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

    ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক মিজানুর রহমান রোববার (৫ এপ্রিল) জানান, মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ৮ এপ্রিল।

    অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান খান কামাল ও ওবায়দুল কাদেরসহ কয়েকজন শীর্ষ নেতার নির্দেশনা, পরিকল্পনা এবং উসকানিমূলক বক্তব্যের প্রেক্ষিতে দেশের বিভিন্ন জায়গায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দমনে ব্যাপক অভিযান চালানো হয়। অভিযোগপত্রে মাঠপর্যায়ে এসব কার্যক্রম বাস্তবায়নের অভিযুক্ত হিসেবে তারিকুজ্জামান রাজিব, আসিফ আহমেদ সরকার, সলিমউল্লাহ সলুসসহ কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

    এছাড়া অভিযোগপত্রভুক্তদের মধ্যে আরও রয়েছেন সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবীর নানক, সাবেক মন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, রাশেদ খান মেনন, তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ এ. আরাফাত এবং সাবেক সংসদ সদস্য সাদেক খান প্রমুখ।

    পটভূমি হিসেবে বলা হয়—২০২৪ সালের ২২ আগস্ট মোহাম্মদপুর থানায় নিহত সুজনের ভাই রফিকুল ইসলাম ৭৯ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৪৫০–৫০০ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছিলেন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে সেই মামলার চূড়ান্ত অভিযোগপত্র এখন দাখিল করা হয়েছে।

  • ৩ মে থেকে সারাদেশে শুরু হবে হামের টিকাদান অভিযান

    ৩ মে থেকে সারাদেশে শুরু হবে হামের টিকাদান অভিযান

    দেশে হামের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পাওয়ায় সরকার ৩ মে থেকে সারাদেশে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এই উদ্যোগের আওতায় প্রথমে রাজধানী ঢাকা সহ বেশ কিছু বড় শহরে বিশেষ টিকাদান কার্যক্রম চালু হবে। এর পর থেকে ধাপে ধাপে অন্যান্য জেলার জন্যও টিকাদানের পরিকল্পনা রয়েছে।

    শনিবার (৫ এপ্রিল) সকালেই ঢাকার নবাবগঞ্জে হামের টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল এ তথ্য জানালেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছেন, ৩ মে থেকে দেশের সব জেলা ও উপজেলায় পর্যায়ক্রমে টিকা প্রদান শুরু করা হবে, যাতে কোন শিশু ঝুঁকির মধ্যে না পড়ে।

    মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, বর্তমানে দেশে হামের যে ভয়ংকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে, তা দৃঢ়ভাবে মোকাবিলা করতে হবে। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, এই ভয়াবহতা করোনার মহামারির চেয়েও কম নয় এবং এটি খুব দ্রুত মোকাবিলা করতে হবে।

    এর পাশাপাশি, আজ থেকে দেশের ১৮টি জেলার ৩০টি উপজেলার শিশুদের জন্য ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের হামের টিকা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ উপজেলা গুলোর মধ্যে রয়েছে রাজশাহীর গোদাগাড়ী, ঢাকার নবাবগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জের লৌহজং, ঝালকাঠির নলছিটি, ময়মনসিংহের ত্রিশাল, সদর ও ফুলপুর, চাঁদপুরের হাইমচর, বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ ও বাকেরগঞ্জ, পাবনার ঈশ্বরদী, সদর, আটঘরিয়া ও বেড়া, নওগাঁর পোরশা, গাজীপুর সদর, নেত্রকোণার আটপাড়া, শরীয়তপুরের জাজিরা, বরগুনা সদর, মাদারীপুর সদর, কক্সবাজারের মহেশখালী ও রামু, চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর, শিবগঞ্জ, ভোলা ও নাটোরের সদর এবং যশোরের সদর।

    ওই কার্যক্রমের মাধ্যমে ক্ষতি এড়াতে এবং শিশুদের সুস্থ ও নিরাপদ রাখতে সরকারের এই পদক্ষেপ খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

  • মঙ্গল-আনন্দের পরিবর্তে এবারের নববর্ষে শোভাযাত্রা ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ হবে

    মঙ্গল-আনন্দের পরিবর্তে এবারের নববর্ষে শোভাযাত্রা ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ হবে

    এ বছর পহেলা বৈশাখের দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউট থেকে শুরু হবে একটি নতুন ধরনের শোভাযাত্রা— যা ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ নামে পরিচিত। সরকার এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে যাতে বাংলা নববর্ষের সামগ্রিক আনন্দ ও উৎসবের অনুষ্ঠানে নতুনত্ব যোগ হয়।

    সোমবার (৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে নিজ দফতরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী এই খবর জানান। তিনি আরও বলেন, বাংলা নববর্ষ ও অন্যান্য আঞ্চলিক জাতিগোষ্ঠীর— চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, গারো সহ অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নববর্ষ উদযাপনের বিভিন্ন অনুষ্ঠান সফলভাবে পরিচালনা করতে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এ নয়া আয়োজন নববর্ষের পাশাপাশি জাতিগত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যেও নতুন উৎসাহ যোগাবে।

  • স্বাস্থ্য সচিবের নিশ্চয়তা: এখনো টিকার সংকট নেই

    স্বাস্থ্য সচিবের নিশ্চয়তা: এখনো টিকার সংকট নেই

    এখনো দেশের কোন ধরনের টিকার সংকট নেই বলে নিশ্চিত করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী কামরুজ্জামান চৌধুরী। তিনি বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে ৬০৪ কোটি টাকার ১০ ধরনের টিকা ক্রয়ের প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে, যা ইউনিসেফের মাধ্যমে সরাসরি সরবরাহ করা হবে। এই টিকা গুলি দ্রুত সংক্রমণ প্রতিরোধে কার্যকর হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। রোববার (৫ এপ্রিল) সকালে পাবনা সদর উপজেলার চরঘোষপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে একটি টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই কথা বলেন তিনি। তিনি আরও জানান, এভাবে টিকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকায় বর্তমানে কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা সিভিল সার্জন ডা. আবুল কালাম আজাদ, পাবনা জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. রফিকুল হাসানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এর পাশাপাশি, শিশুদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পাবনা জেলার উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ চারটি উপজেলায় চলমান টিকাদান ক্যাম্পেইন চালু রয়েছে। পাবনা সদর উপজেলায় ৫৫,৬৫৭ জন, ঈশ্বরদী উপজেলায় ২৮,৫৫৮ জন, আটঘরিয়া উপজেলায় ১৯,৫০৮ জন এবং বেগড়া উপজেলায় ৪১,৭২৩ জন শিশুকে টিকা দেওয়া হবে। অন্যদিকে, পাবনা জেনারেল হাসপাতালের সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ২০ জন হাম ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয়েছে, যা এখন মোট ৪১ জন। চলতি বছরে হাম ভাইরাসে আক্রান্তের মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯৩ জনের মতো।

  • অর্থমন্ত্রীর সতর্কবার্তা: বৈশ্বিক সংকট বাড়ছে, পণ্যমূল্য ক্রমশ বৃদ্ধি পেতে পারে

    অর্থমন্ত্রীর সতর্কবার্তা: বৈশ্বিক সংকট বাড়ছে, পণ্যমূল্য ক্রমশ বৃদ্ধি পেতে পারে

    বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতির কারণে ভবিষ্যতে মূল্যস্ফীতি ও পণ্যমূল্যের বৃদ্ধি হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। রোববার (৫ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর এনইসি সম্মেলন কক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের আয়োজন করা এক বিশেষ পরামর্শ সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এই উদ্বেগ horizons জানান।

    মন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, শুধু জ্বালানি সংকট নয়, বরং বৈশ্বিক এই পরিস্থিতি এক বহুমাত্রিক সংকটের সৃষ্টি করেছে। এর প্রভাবে দেশের খাদ্য ও অন্যান্য জরুরি পণ্যের সরবরাহ ব্যবস্থায় সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। এতে সরবরাহ চেনা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং বাজারে দামের ওঠানামা অব্যাহত।

    তিনি মন্তব্য করেন, সরকার বর্তমানে এক ধরনের যুদ্ধের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন—অর্থনৈতিক সংকট মোকাবেলা করছেন। পাশাপাশি বিশ্ব বাজারের প্রভাবও দেশের ওপর বড় চাপ সৃষ্টি করছে, যার ফলে কেন্দ্রীয় তহবিলে ধারাবাহিক চাপ ও ক্ষয় দেখা দিচ্ছে। প্রতিদিন এই পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা।

    অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, দেশের ঋণের পরিমাণ ও এর ব্যবস্থাপনা এখন বড় চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে। ভবিষ্যতে অর্থের জোগান ও ব্যয়ের মধ্যে সমতা রাখতে হবে, এবং অর্থ সংগ্রহের খরচ সঠিক পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বিবেচনা জরুরি।

    তিনি বললেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশের অর্থনীতি চরম সংকটে রয়েছে বলে মনে হয়। সরকারের প্রধান কর্তব্য হলো এই পরিস্থিতি থেকে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও পুনরুদ্ধার করা। প্রথমদিকে, অর্থনীতির প্রায় সব সূচকই নিম্নমুখী ছিল, যার কারণে এখন উত্তরণের জন্য খুব বেশি সুযোগ না দেখা যাচ্ছে।

    অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, এই সংকট কেবল এক দেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা নয়, এটি পুরো বিশ্বজগতের অংশ। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধির পাশাপাশি বিভিন্ন দেশেই মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। বাংলাদেশ এখনো অনেক ক্ষেত্রে দাম সমঞ্জস্য করেনি, তবে এই চাপ দীর্ঘস্থায়ী হলে এর নেতিবাচক প্রভাব সাধারণ মানুষের ওপর পড়বে। এমন অবস্থায়, বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে সচেতন সিদ্ধান্ত নেওয়া আবশ্যক।

    সভায় আরও জানানো হয়, এই কর্মশালা আওয়ামী লীগ পরিকল্পনা ও জাতিসংঘের স্বল্পোন্নত দেশ, স্থলবেষ্টিত ও ক্ষুদ্র দ্বীপ রাষ্ট্র বিষয়ক দফতর ও জাতিসংঘের বাংলাদেশের কার্যালয়ের সহযোগিতায় আয়োজিত। এই পরীক্ষামূলক সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এতে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, বাণিজ্য মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, সরকারের অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল রাবাব ফাতিমা, এবং পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম প্রমুখ।

  • পাঁচ দিনের বিভিন্ন অঞ্চলে বিক্ষিপ্ত শিলাবৃষ্টি হতে পারে

    পাঁচ দিনের বিভিন্ন অঞ্চলে বিক্ষিপ্ত শিলাবৃষ্টি হতে পারে

    আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, আগামী চার দিন দেশের বিভিন্ন অধিক্ষেত্রে বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় প্রকাশিত এক আবহাওয়াবিদ মোঃ শাহীনুল ইসলামের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আজ সন্ধ্যা ৬টার পর থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, চট্টগ্রাম এবং সিলেট বিভাগের কিছু কিছু স্থানে হালকা দমকা হাওয়া, বিদ্যুতের ঝলকানি এবং বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এর পর দেশের নানা স্থানে ঝড়বৃষ্টির প্রবণতা বৃদ্ধি পেতে পারে এবং সপ্তাহজুড়ে এই আবহাওয়ার পরিবর্তন অব্যাহত থাকতে পারে। বিশেষ করে, সোমবার (৬ এপ্রিল) থেকে শুরু করে বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) এর মধ্যে কিছু কিছু জায়গায় বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে। তবে ৫ দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবণতা কিছুটা কমতে পারে, আর এর পাশাপাশি তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাবে। শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত, দেশের সর্বোচ্চ ৮৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে সিলেটে। মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল, ফেনী এবং কুড়িগ্রামের রাজারহাটেও বৃষ্টির খবর জানা গেছে।

  • মঙ্গল-আনন্দের বাদ, এবার নববর্ষে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ অনুষ্ঠিত হবে

    মঙ্গল-আনন্দের বাদ, এবার নববর্ষে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ অনুষ্ঠিত হবে

    এ বছর পহেলা বৈশাখের দিন ঢাকাস্থ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউট থেকে একটি বিশাল শোভাযাত্রা বের হবে, যা সরাসরি ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ নামে পরিচিত। এই সিদ্ধান্ত বৃহস্পতিবার (৫ এপ্রিল) সরকারের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে।

    সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। তিনি বলেন, বাংলা নববর্ষ উদযাপনের পাশাপাশি বিভিন্ন আদিবাসী গোষ্ঠী like চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, গারো ও অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর নতুন বছর পালনের জন্য বিভিন্ন কার্যক্রমের পরিকল্পনা হয়েছে। এই প্রসঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, একটি সুন্দর ও সাংস্কৃতিকভাবে সমৃদ্ধ শোভাযাত্রা বের করা হবে, যা নতুন প্রজন্মের মধ্যে বাংলা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে আরও প্রকৃতভাবে তুলে ধরবে।

  • স্বাস্থ্য সচিবের লক্ষ্যে: আপাতত কোনো টিকা সংকট নেই

    স্বাস্থ্য সচিবের লক্ষ্যে: আপাতত কোনো টিকা সংকট নেই

    স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী নিশ্চিত করেছেন যে, বর্তমানে দেশের কোনো ধরনের টিকা সংকটের ঘটনা নেই। তিনি বলেন, সরকার এখন পর্যনতর বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে নিরাপদ ও পর্যাপ্ত টিকা সরবরাহ নিশ্চিত করতে কাজ করছে।

    রোববার (৫ এপ্রিল) সকালে পাবনা সদর উপজেলার চরঘোষপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে এক টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। কামরুজ্জামান চৌধুরী আরও জানিয়েছেন, সরকার অনুমোদন দিয়েছে ৬০৪ কোটি টাকার ১০ ধরনের টিকা কেনার পরিকল্পনা যার দ্রুত সরবরাহের জন্য ইউনিসেফের সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। ইউনিসেফ এই টিকাগুলো সরাসরি দেশে পৌঁছে দেবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এই টিকাগুলি দ্রুত সংক্রমণ প্রতিরোধে কার্যকর হবে এবং দেশের কোনও টিকা সংকট হবে না বলে আমাদের ধারণা।

    অনুষ্ঠানে জেলা সিভিল সার্জন ডা. আবুল কালাম আজাদ, পাবনা জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. রফিকুল হাসানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    এদিকে, শিশুদের জন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পাবনার চারটি উচ্চঝুঁকিপূর্ণ উপজেলায় চলমান টিকাদান ক্যাম্পেইন চলছে। সেখানে পাবনা সদর উপজেলায় ৫৫,৬৫৭ জন, ঈশ্বরদী উপজেলায় ২৮,৫৫৮ জন, আটঘরিয়া উপজেলায় ১৯,০৫০ জন ও বেরা উপজেলায় ৪১,৭২৩ জন শিশুকে টিকা দেওয়া হচ্ছে।

    পাবনা জেনারেল হাসপাতালের সূত্র মতে, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ২০ জন হাম আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে হাসপাতালে মোট রোগীর সংখ্যা ৪১। এই বছর এখনও পর্যন্ত হাম আক্রান্ত হয়ে মোট ১৯৩ জন রোগী ভর্তি হয়েছে।

  • অর্থমন্ত্রীর সতর্কবাণী: বৈশ্বিক সংকটের কারণে পণ্যদ্রব বাড়তে পারে

    অর্থমন্ত্রীর সতর্কবাণী: বৈশ্বিক সংকটের কারণে পণ্যদ্রব বাড়তে পারে

    বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতির কারণে দেশের অর্থনীতিতে বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি হচ্ছে, যার ফলে পণ্যমূল্য বৃদ্ধির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। রোববার (৫ এপ্রিল) রাজধানীর এনইসি সম্মেলন কক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের আয়োজিত এক পরামর্শ সভায় এই তথ্য দেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বর্তমানে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তা শুধুমাত্র জ্বালানি খাতের জন্য নয়, বরং এটি একটি বহুমাত্রিক সংকট। এর প্রভাব ক্রমশ খাদ্য ও অন্যান্য পণ্যের সরবরাহ ব্যবস্থায় পড়ছে, ফলে পণ্যমূল্য বৃদ্ধির পাশাপাশি অর্থনীতির ক্ষতি হচ্ছে।  

    মন্ত্রী উল্লেখ করেন, সরকার বর্তমানে একটি যুদ্ধের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যেখানে অর্থনীতিকে টিকিয়ে রাখতে এবং দেশের পুনরুদ্ধার করতে তীব্র সংগ্রাম চালাচ্ছে। একইসঙ্গে বৈশ্বিক পরিস্থিতি দেশের ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করছে, যার কারণে সরকারি তহবিলের ওপর চাপ ও ক্ষয় বেড়ে গেছে। প্রতিদিনই এই পরিস্থিতির সঙ্গে মোকাবিলা করতে হচ্ছে।

    তিনি আরও জানান, দেশের ঋণ পরিস্থিতি ও এর ব্যবস্থাপনা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। ভবিষ্যতে অর্থায়নে গুরুত্ব দিতে হবে ব্যয়ের কার্যকারিতা বাড়ানোর পাশাপাশি অর্থ সংগ্রহের খরচ কমানোর দিকেও নজর দিতে হবে।

    অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সময়ে দেশের অর্থনীতি এমন এক অবস্থানে পৌঁছেছে যেখানে সরকারের মূল দায়িত্ব হলো পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠা। আগের সময় অর্থনৈতিক সূচক নিম্নমুখী থাকায় এখন উত্তরণের পথ দেখানো আরও কঠিন। তিনি উল্লেখ করেন, এই সংকট কেবল এক দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় নয়, বরং এটি বৈশ্বিক বাস্তবতার অংশ। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়েছে এবং বিভিন্ন দেশেও মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ এখনও অনেক ক্ষেত্রে দাম নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি, তবে এই চাপ দীর্ঘদিন ধরে থাকলে এর নেতিবাচক প্রভাব আরও বাড়বে।

    অর্থমন্ত্রী সংবাদ সম্মেলনে বলেন, সরকার জনগণের ওপর অপ্রয়োজনীয় চাপ তৈরি না করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য সবরকম প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। তবে দীর্ঘ সময় এই চাপ বহন করা গেলে তা শেষ পর্যন্ত জনগণের জন্যই ক্ষতিকর হতে পারে। তাই বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি।

    এর আগে, এই শীর্ষ অর্থনৈতিক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয় এনইসি সম্মেলন কক্ষে, যেখানে দুর্বল ও ক্ষুদ্র দ্বীপ রাষ্ট্রের বিষয়াদি সরাসরি আলোচনায় উঠে আসে। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। আরো উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, বাণিজ্য মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, প্রধানমন্ত্রী উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি রাবাব ফাতিমা ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি প্রমুখ।

  • ৩ মে থেকে সারাদেশে হামের টিকা কার্যক্রম শুরু হবে

    ৩ মে থেকে সারাদেশে হামের টিকা কার্যক্রম শুরু হবে

    দেশে হামের বর্তমান প্রকোপ মোকাবিলার জন্য সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, ৩ মে থেকে পুরো দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে হামের বিস্তার রোধে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এর পাশাপাশি, ১২ মে থেকে ঢাকার উত্তরা ও দক্ষিণে সিটি করপোরেশন এলাকার পাশাপাশি ময়মনসিংহ ও বরিশাল জেলায়ও বিশেষ এই টিকাদান কার্যক্রম চালু হবে। পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য অঞ্চলেও সম্প্রসারিত হবে এই টিকা কর্মসূচি।

    সোমবার (৫ এপ্রিল) ঢাকার নবাবগঞ্জে হামের টিকা কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ৩ মে থেকে দেশের অবশিষ্ট জেলা ও উপজেলাগুলোতেও পর্যায়ক্রমে টিকা দেওয়া শুরু হবে, যাতে কারো মধ্যে ঝুঁকি থেকে রেহাই পাওয়া যায়।

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, এখনো দেশের কিছু এলাকায় হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে, যা অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখা দরকার। এই পরিস্থিতি করোনার মহামারির চেয়েও কম নয়, সামর্থ্য আর তৎপরতা দিয়ে এর মোকাবিলা করতে হবে।

    এছাড়া, আজ চেম্বারেল ১৮ জেলার ৩০ উপজেলায় ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের জন্য হামের টিকা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এই উপজেলাগুলোর মধ্যে রয়েছে রাজশাহীর গোদাগাড়ী, ঢাকার নবাবগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জের লৌহজং, ঝালকাঠির নলছিটি, ময়মনসিংহের ত্রিশাল, ফুলপুর ও সদর, চাঁদপুরের হাইমচর ও সদর, বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ ও বাকেরগঞ্জ, পাবনার ঈশ্বরদী, সদর, আটঘরিয়া ও বেড়া, নওগাঁর পোরশা, গাজীপুরের সদর, নেত্রকোণার আটপাড়া, শরীয়তপুরের জাজিরা, বরগুনার সদর, মাদারীপুরের সদর, কক্সবাজারের মহেশখালী ও রামু, চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর, শিবগঞ্জ, ভোলাগঞ্জ, নাটোরের সদর এবং যশোরের সদর। এই উদ্যোগের মাধ্যমে তরুণ শিশুদের রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমানোর চেষ্টা চলছে যেন সকলেই ঝুঁকি মুক্ত থাকতে পারে।