Category: জাতীয়

  • পিলখানায় নিহত সেনাদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী শ্রদ্ধা নিবেদন

    পিলখানায় নিহত সেনাদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী শ্রদ্ধা নিবেদন

    বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর বনানীর সামরিক কবরস্থানে দর্শনীয় এক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পিলখানায় নিহত সেনাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও গভীর সম্মান জানানো জন্য উপস্থিত ছিলেন। তারা এই দিনটি স্মরণ করে শহীদ সেনাদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

    এর আগে, প্রধানমন্ত্রী এক বাণীতে বলেন, নাগরিক হিসেবে এই ট্রাজেডির সঙ্গে সবাইকে সচেতন ও অবগত থাকতে হবে। তার মতে, পিলখানার হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এখন সবাই জানতে পারছে এবং এটি ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ উপলব্ধির বিষয়। তিনি আরও বলেন, ২০০৯ সালে এই ভয়াল ঘটনার পর থেকে দেশের জনগণ অনেক কিছু উপলব্ধি করেছে এবং তারা শেকড়ের মধ্যে নিরাপত্তা ও স্বাধিকার রক্ষা করার জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

    প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, এ ধরনের হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে যারা এমন কর্মকাণ্ড চালায়, তাদের জন্য সমুচিত কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি। তিনি আরও বলেন, সেনাবাহিনী দেশের গৌরব, স্বাধীনতা ও মর্যাদার প্রতীক, এবং ভবিষ্যতেও এ গৌরব অক্ষুণ্ণ রাখতে দেশের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে কাজ করতে হবে। দেশের স্বার্থে কোনও ষড়যন্ত্র বা বিদ্রোহ মোকাবিলার জন্য আমাদের সকলের একসঙ্গে কাজ করতে হবে, এটাই শহীদ সেনা দিবসের মূল শিক্ষা।

    ১৭ বছর আগে ২০০৯ সালের এই দিনে তৎকালীন বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিডিআর), বর্তমানে বিজিবির সদর দপ্তর ঢাকার পিলখানা ভবনে ভয়াবহ বিদ্রোহের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় বিপুল সংখ্যক সেনা কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিহত হন। এর মধ্যে ছিলেন তৎকালীন বিডিআর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাকিল আহমেদসহ মোট ৭৪ জন।

    আজ এই দিনটি ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে, যা গত বছর থেকে নিয়মিত পালন শুরু হয়েছে। এই দিনের মাধ্যমে শহীদ সেনাদের স্মরণ, তাদের প্রতি শ্রদ্ধা ও দোয়া আদায় করা হয়। দেশের স্বাধিকার ও নিরাপত্তার জন্য যারা জীবন হারিয়েছেন, তাদের প্রতি সম্মান জানানো ও স্মরণ করার মাধ্যমে আমাদের দায়িত্ব ও গৌরবের গভীর অনুভব প্রকাশিত হয়।

  • বরিশালে আদালতভুক্ত আইনজীবীদের হট্টগোল ও অশান্তি

    বরিশালে আদালতভুক্ত আইনজীবীদের হট্টগোল ও অশান্তি

    বরিশাল জেলা আদালতের অডিটোরিয়ামে ঘটে এক বেশ জটিল ও উত্তপ্ত ঘটনা, যেখানে আইনজীবীরা আদালতে ঢুকে মারাত্মক হট্টগোল ও ধাক্কাধাক্কি চালিয়েছেন। মূল কারণ হিসেবে উঠে এসেছে আওয়ামী লীগের নেতাদের জামিনের ঘটনা, যা নিয়ে বিশদ আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া সেই ঘটনার ভিডিওতে দেখা যায়, কিভাবে আদালতের ডেস্কে ও আদালতকক্ষে আইনজীবীরা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছেন।
    প্রতিবেদনে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও আদালত সূত্র বলছেন, তখন আদালত বলপ্রয়োগ ও উত্তেজনার মধ্য দিয়ে চলে যায়। এদিনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে আদালতের কার্যক্রম বন্ধ করে দেন বিএনপি পন্থী আইনজীবীরা,কিন্তু পরে পরিস্থিতি শান্ত হয়। সেই সময় তারা বরিশাল চিফ মেট্রোপলিটন আদালতের সামনে অবস্থান নিয়ে প্রতিবাদ জানান এবং বিচারক ও বিচারব্যবস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন।
    ভিডিওতে দেখা যায়, অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এস এম শরীয়তউল্লাহ একজন মামলার শুনানি চলার সময়, আদালতের ভেজানো দরজা থেকে একজন আইনজীবী চিৎকার করে প্রবেশ করেন। তাঁর পেছনের আরও বেশ কয়েকজন আইনজীবী তাকে অনুসরণ করেন। তারা আদালত কক্ষে বেঞ্চগুলোতে আঘাত করে আইনগত কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করেন এবং বিচারকের সামনে গিয়ে অশোভন ভাষায় অভিযোগ করতে থাকেন। একপর্যায়ে তারা বেঞ্চগুলো ধাক্কা দেয় এবং পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
    আইনজীবীদের সূত্র জানায়, প্রথম প্রবেশকারী আইনজীবী বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সাদিকুর রহমান লিংকন। তিনি জানান, আদালত থেকে ৩০-৪০ লাখ টাকা ঘুষের বিনিময়ে অপ্রত্যাশিতভাবে জামিন অনুমোদন করা হয়েছে। তিনি বলেন, “তালুকদার মোহাম্মদ ইউনুসের জামিনে এক ধরনের দুর্নীতির আশ্রয় নেওয়া হয়েছে। অবিশ্বাস্য হলেও এটা সত্যি।” তিনি আরও বলেন, ‘আমরা একাধিকবার জামিন বাতিলের জন্য আবেদন করবো এবং পরিস্থিতির অবনতি এড়াতে চাই।’
    অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রাজিব আহমেদ জানান, ‘ঘটনাটি নিয়ে আলোচনা চলছে, আমি এখন আর বিস্তারিত বলতে পারছি না।’
    প্রতিদ্বন্দ্বী দল ও আইনজীবীদের মধ্যে এই উত্তেজনার ঘটনা পাল্টা ক্ষোভ ও প্রতিবাদের জন্ম দিয়েছে। বরিশালের এই পরিস্থিতির মধ্যে, আদালত থেকে জামিনপ্রাপ্ত কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতা ও সহযোগী সংগঠনের নেতাদের বিরুদ্ধে ওঠা প্রশ্নে তদন্ত চলছে। উল্লেখ্য, এর আগে ১৭ ফেব্রয়ারি বরিশালের বেশ কিছু রাজনৈতিক নেতা ও সংগঠনের সদস্য জামিনে মুক্তি পেয়েছিলেন। তার মধ্যে রয়েছে, সাবেক সংসদ সদস্য জেবুন্নেছা আফরোজ, বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জসিম উদ্দিন ও যুবলীগের নেতা মাহমুদুল হক খান। এই ঘটনা আরও একটি বার্তা হিসেবে প্রতীয়মান হলো যে, বরিশালের বিচারব্যবস্থা ও রাজনৈতিক চলাচল কোথাও কোথাও অস্থিরতার মধ্যে রয়েছে।

  • মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম অভিযোগের বিষয়ে মুখ খুললেন, চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন

    মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম অভিযোগের বিষয়ে মুখ খুললেন, চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন

    আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন। একই সঙ্গে তিনি এসব অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ বা তথ্য দেখাতে না পারার চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন। মঙ্গলবার এক লিখিত বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি এ সব কথা বললেন।

    বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, গতকাল এবং আজ বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের একজন প্রসিকিউটরের বরাতে তাঁর সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর ও অসত্য তথ্য প্রচার করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা। তিনি বলেন, এসব বক্তব্যের কোন ভিত্তি নেই এবং কোনো প্রমাণ দেখা যায়নি।

    তাজুল ইসলাম বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তাঁর ও প্রসিকিউশন দলের সব ধরনের পদক্ষেপ ছিল স্বচ্ছ ও আইনি। তিনি আরও মন্তব্য করেন যে, বিচার প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য এ ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, যা ষড়যন্ত্রের অংশ।

    তিনি আরও জানান, পতিত স্বৈরাচার ও গণহত্যাকারীদের বিরুদ্ধে চলমান ও চলতীয় বিচারপ্রক্রিয়া থেকে দৃষ্টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য কিছু মহল সুপরিকল্পিতভাবে এই অপপ্রচার চালাচ্ছে, যাতে বিচারপ্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়।

    দায়িত্ব পালনকালে তিনি পরিষ্কারভাবে বলেছেন, তাঁর বিরুদ্ধে কেউ কোনো প্রশ্ন তুলতে পারেনি। বিদায় নেওয়ার পর কিছু মহল গণহত্যাকারীদের সুবিধা দিতে বিনা ভিত্তিতে অভিযোগ তুলে বিচার প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

    তাজুল ইসলাম বলেন, এ ধরনের মিথ্যাচার ও অপপ্রচার থেকে সকল সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সতর্ক থাকা দরকার। তিনি সবাইকে এই ধরণের অপপ্রচারের হাত থেকে বিরত থাকতে অনুরোধ জানান।

    উল্লেখ্য, সরকার ক্ষমতায় আসার পর কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন আনা হয়। এর অংশ হিসেবে গতকাল সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের পদ থেকে মোহাম্মদ তাজুল ইসলামকে সরিয়ে দিয়ে নতুন চিফ প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. আমিনুল ইসলামকে।

  • স্বার্থ রক্ষা হলে জাপানের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি বজায় থাকবে: হুমায়ুন কবির

    স্বার্থ রক্ষা হলে জাপানের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি বজায় থাকবে: হুমায়ুন কবির

    দায়িত্বের শেষ পর্যায়ে জাপানের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি হস্তান্তর সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করেছে সদ্য বিদায়ী সরকার। যদি এটি দেশের স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, তাহলে চুক্তিটি অব্যাহত থাকতে পারে বলে মনে করেন। তবে, যদি দেশের স্বার্থের বিপরীতে হয়, তাহলে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।

    মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতের মুহূর্তে তিনি এসব কথা বলেন। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি। পরবর্তীতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে হুমায়ুন কবির বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার জাপানের সঙ্গে প্রতিরক্ষা খাতে যে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, তা নিয়ে নতুন সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি জানতে চাওয়া হয়। তিনি জানিয়েছেন, জাপানের রাষ্ট্রদূত স্বয়ং বলেছেন, সরকার অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে কী চুক্তি করেছে, তা দেখার পরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দেখব, অন্তর্বর্তী সরকার কী চুক্তি করেছে, সেটার ভিত্তিতে আমাদের সিদ্ধান্ত নেব। যদি দেশের স্বার্থে থাকে, তাহলে চুক্তি চালিয়ে যেতে পারে। আর যদি দেশের স্বার্থের বিরুদ্ধ হয়, তবে বিবেচনা করে দেখব।’ তিনি সংযোজন করেন, ‘আমরা এখনো জানি না, অন্তর্বর্তী সরকার আমাদের জন্য কী রেখে গেছে। এজন্য এখনই কিছু বলা সম্ভব নয়।’

    জাপানের রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘প্রতিরক্ষা চুক্তির বিষয়টি আমি পরিষ্কার ভাবে তুলে ধরেছি। চুক্তি যেন সুষ্ঠুভাবে চলতে পারে, সেটাও বলেছি।’ তিনি আরও জানিয়ে দেন, জাপান বাংলাদেশি শ্রমিক পাঠানোতে সহায়তা করবে। তিনি বলেন, ‘দক্ষ শ্রমিক সুবিধার্থে আমরা আলোচনা করেছি।’

    রাষ্ট্রদূত আরও জানান, বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, ইন্দো-প্যাসিফিক নীতি, কৌশলগত অংশীদারিত্ব, মাতারবাড়ি প্রকল্পসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

    উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহাদি আমিন (প্রতিমন্ত্রীর সমমান), পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নেয়ামত উল্যা ভূঁইয়া।

  • নগদে বড় বিদেশি বিনিয়োগ আসছে, সমন্বয় করছেন ব্যারিস্টার আরমান

    নগদে বড় বিদেশি বিনিয়োগ আসছে, সমন্বয় করছেন ব্যারিস্টার আরমান

    ডাক বিভাগের মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান নগদে বড় ধরনের বিদেশি বিনিয়োগের প্রক্রিয়া এখন চলছে, এবং এ বিষয়ে তিনি তার নিজস্ব দিক থেকে সমন্বয় কাজ করছেন বলে জানিয়েছেন ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে প্রাথমিক যোগাযোগের অধিকাংশটাই তার মাধ্যমেই হচ্ছে।

    মঙ্গলবার দুপুরে তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে একটি জরুরী বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকে। এই বৈঠকের পর তিনি সাংবাদিকদের কাছে নিজের মতামত ব্যক্ত করেন।

    ব্যারিস্টার আরমান জানান, প্রস্তাবিত বিনিয়োগকারীরা বিদেশী এবং তারা নগদে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বিনিয়োগে আগ্রহী। তিনি তাদের দেশের স্থানীয় প্রতিনিধি হিসেবে এই প্রক্রিয়ার সমন্বয় করছেন। বলেন, তারা যখন দেশে আসবে, তখন মূল আলোচনা শুরু হবে। তবে তিনি কোন দেশের বা কোন প্রতিষ্ঠানের পক্ষে কাজ করছেন—এ বিষয়ে এখনো স্পষ্ট করেননি।

    অপরদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, নগদের বর্তমান পরিস্থিতির উন্নতি হলেও এটি শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করানোর জন্য বড় পরিমাণে বিনিয়োগ প্রয়োজন। তিনি বলেন, দেশের বা আন্তর্জাতিক উৎস থেকে যে কোনও বিনিয়োগ এলে তা স্বাগত জানানো হবে।

    তিনি আরও বলেন, এক সময় নগদ বড় ধরনের সংকটে পড়েছিল। বিশাল গ্রাহকভিত্তির কথা বিবেচনা করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক একটি প্রশাসক দল নিয়োগ করেছিল। দীর্ঘ সময় তারা দায়িত্ব পালন করায় বিভিন্ন আর্থিক সূচক ও লেনদেনে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে।

    তবে এসবই স্থায়ী সমাধান নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, নগদ বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রতিষ্ঠান। এটি টিকিয়ে রাখতে না পারলে বাজারে একচেটিয়া পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, যা গ্রাহকদের জন্য ক্ষতিকর হবে।

    তিনি আরও জানান, অতীতে বিদেশি বিনিয়োগের জন্য আন্তর্জাতিক দরপত্রের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঐ উদ্যোগের সঙ্গে একমত ছিল, তবে সরকারের অন্তর্বর্তী সময়ের কারণে তা চূড়ান্ত হয়নি। এখন নতুন সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্তের আলোকে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

    পাশাপাশি, নগদের মালিকানার সঙ্গে বাংলাদেশ ডাক বিভাগের সম্পৃক্ততা থাকায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ব্যাপারে সরকারের মতামত জরুরি—এ বিষয়ে মুখপাত্র উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে সরকারকে পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তা দেবে।

    উল্লেখ্য, নগদে বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করে ইতোমধ্যে তিন থেকে চারটি আবেদন পাওয়া গেছে। এসব আবেদন একসঙ্গে মূল্যায়ন করে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

  • বাংলাদেশের শ্রমবাজার খুলতে উদ্যোগের ঘোষণা, প্রবাসী কল্যাণে নতুন পরিকল্পনা

    বাংলাদেশের শ্রমবাজার খুলতে উদ্যোগের ঘোষণা, প্রবাসী কল্যাণে নতুন পরিকল্পনা

    সরকার মালয়েশিয়া, ওমানে এবং বাহরাইনের মতো গুরুত্বপূর্ণ শ্রমবাজারগুলো পুনরায় চালুর জন্য সক্রিয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর লক্ষ্য হলো আগামী তিন মাসের মধ্যে অন্তত দুইটি বন্ধ হয়ে যাওয়া শ্রমবাজার খুলে দেওয়া এবং শ্রম বাজারগুলি পুনরূদ্ধার করা। পাশাপাশি, অভিবাসন ব্যয় কমানোর পাশাপাশি প্রতারক রিক্রুটিং এজেন্সির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ইস্কাটনে প্রবাসী কল্যাণ ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর এ কথা জানান। তিনি বলেন, অভিবাসন ব্যয় নির্দিষ্ট করতে, প্রতারণার সঙ্গে জড়িত রিক্রুটিং এজেন্সির নিবন্ধন স্থগিত করতে এবং দীর্ঘ সময়ের জন্য বন্ধ বা সীমিত থাকায় শ্রমবাজারগুলো দ্রুত চালুর লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, আগামী তিন মাসের মধ্যে অন্তত একটি বা দুটি শ্রমবাজার পুনরায় চালু করা হবে। একইসঙ্গে, কিছু দেশের জন্য অভিবাসন ব্যয় নির্ধারণ করে কার্যকর করার প্রক্রিয়া চলছে। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমানে দেশে প্রায় তিন হাজার রিক্রুটিং এজেন্সি লাইসেন্সকর্তা রয়েছেন, কিন্তু অনেকেই সঠিকভাবে কাজ করছে না। সাব-এজেন্সির মাধ্যমে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করে সাধারণ মানুষকে প্রতারণার শিকার করা হচ্ছে এবং ফলে দেশের আন্তর্জাতিক চিত্রের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। সেই সঙ্গে, যেসব এজেন্সির বিরুদ্ধে প্রতারণা বা অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া যায়, তাদের নিবন্ধনও স্থগিত করা হবে।

    শ্রমবাজার খোলার বিষয়ে সরকারের প্রতিশ্রুতি জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, মালয়েশিয়া সরকারের ১০টি শর্ত পূরণের জন্য সক্ষম রিক্রুটিং এজেন্সি ও কোম্পানির তালিকা পাঠানো হয়েছে। এখন এই বিষয়টি কূটনৈতিক ও প্রশাসনিকভাবে পর্যবেক্ষণে রয়েছে। এ ছাড়াও, বাংলাদেশি দূতাবাসগুলোতে লেবার উইং বাড়ানোর জন্য আলোচনা চলমান।

    অন্যদিকে, জাপানে কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা নিয়ে তিনি বললেন, বাংলাদেশ থেকে আগামী পাঁচ বছরে এক লাখ শ্রমিক পাঠানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর জন্য সরকারি প্রশিক্ষণ ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পরিকল্পনাটি এক লাখের বেশি কর্মী পাঠানোর দিকে এগোচ্ছে এবং সরকার সেটি ১০ লাখে উন্নীত করার চিন্তাভাবনা করছে।

    প্রবাসীদের কল্যাণে নতুন উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে, বিদেশে মারা যাওয়া শ্রমিকদের মরদেহ রাষ্ট্রীয় খরচে দেশে আনার ব্যবস্থা পুনরায় চালুর আলোচনা। আরও দুটি নতুন ফ্রিজিং গাড়ি যোগ হয়ে গেছে, যা মরদেহ পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত হবে।

    অপরদিকে, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের মাধ্যমে এখন পর্যন্ত তিন লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়া হয়, যা সম্ভবত বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে অভিবাসন ব্যয় অনেক ক্ষেত্রে ৫ থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত হয়ে যায়, যা আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এজন্যই এই ব্যয় হ্রাস করে একটি সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসার লক্ষ্য রয়েছে।

    মতবিনিময় সভায় বাংলাদেশ জার্নালিস্টস এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি পার্থ সারথি দাস, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ রায়হানসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

  • র‌্যাবের সাবেক মহাপরিচালক হারুন ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব ও সঞ্চয়পত্র অবরুদ্ধের নির্দেশ

    র‌্যাবের সাবেক মহাপরিচালক হারুন ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব ও সঞ্চয়পত্র অবরুদ্ধের নির্দেশ

    শুক্রবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এই নির্দেশ দেন। র‌্যাবের সাবেক মহাপরিচালক ও অতিরিক্ত আইজিপি মো. হারুন অर রশীদ এবং তার স্ত্রী ফাতেহা পারভীন লুনার পাঁচটি সঞ্চয়পত্র ও পাঁচটি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার ওপর এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের ভিত্তিতে আদালত এই পদক্ষেপ গ্রহণ করে বলে জানানো হয়। আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন জানান, দুদকের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, হারুন অর রশীদ ও লুনার মোট ৭৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা قيمة সম্পদ এই ব্যাংক হিসাব ও সঞ্চয়পত্রে রক্ষা করে রাখা হয়েছে। আবেদনে বলা হয়েছে, হারুন অর রশীদ বেশ কিছু অভিযোগের আওতায় রয়েছেন, যার মধ্যে রয়েছে এক হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও পাচারের তথ্য। অনুসন্ধানে জানা গেছে, হারুন অর রশীদ ও তার স্ত্রীর নামে বিপুল পরিমাণ অস্থাবর সম্পদের সন্ধান মিললেও তাদের আয়ের বৈধ উৎস পাওয়া যায়নি। তারা এসব সম্পদ অন্যত্র হস্তান্তর বা স্থানান্তর করার চেষ্টা করছে, যা ক্ষতি হতে পারে দেশের। তাই সম্পদগুলো অবরুদ্ধ করে এই বিষয়গুলো তদন্তের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।

  • প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাদের দফতর পুনর্বণ্টন: কে কোন দায়িত্ব পাচ্ছেন?

    প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাদের দফতর পুনর্বণ্টন: কে কোন দায়িত্ব পাচ্ছেন?

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ১০ উপদেষ্টার দফতর সম্প্রতি পুনর্বণ্টন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই বিন্যাসের ঘোষণা দিয়েছে, যেখানে তাদের দায়িত্বের ক্ষেত্র বিশদভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে।

    প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, মন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টাদের মধ্যে মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান এবং রুহুল কবির রিজভীকে রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে। অন্যদিকে, মো. ইসমাইল জবিউল্লাহকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, আর রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরকে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টাদের মধ্যে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামসুল ইসলাম প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও ভূমিকা পালন করবেন। হুমায়ুন কবির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পেয়েছেন।

    বিশেষ করে মাহদী আমিনকে একইসময় চারটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যা হলো—শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান, এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।

    এছাড়া, রেহান আসিফ আসাদ ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবেন। ডা. জায়েদুর রহমান পেয়েছেন পলিসি ও স্ট্র্যাটেজি বিভাগের দায়িত্ব।

    উল্লেখ্য, এর আগে ১৭ ফেব্রুয়ারি সংবিধান অনুযায়ী নতুন সরকারের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় ১০ জন উপদেষ্টাকে নিযুক্ত করা হয়। সেই সময় রাষ্ট্রপতির আদেশে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

  • নতুন আইজিপি হিসেবে নিযুক্ত আলী হোসেন ফকির

    নতুন আইজিপি হিসেবে নিযুক্ত আলী হোসেন ফকির

    সরকার近期 ঘোষণা করেছে যে, পুলিশ নাগরিকদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা আরও জোরদার করতে নতুন একজন আইজিপি নিয়োগ দিয়েছে। তিনি হলেন মো. আলী হোসেন ফকির, যিনি বর্তমানে পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত আইজিপি) এবং আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) প্রধান। এ নিয়ে মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি প্রজ্ঞাপনে নিশ্চিত করে যে, তাঁকে পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

    আলী হোসেন ফকির বাংলাদেশের বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের ১৫তম ব্যাচের একজন অভিজ্ঞ কর্মকর্তা। তাঁর ক্যারিয়ার শুরু হয় পুলিশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদের মাধ্যমে। তবে রাজনীতির কারণে প্রথমবার আওয়ামী লীগের শাসনামলে তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়। এরপর বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় তিনি বাধ্যতামূলক অবসরে যেতেও বাধ্য হন।

    বিশেষ পরিস্থিতিতে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট যখন শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটে, তখন ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আইনি প্রক্রিয়ায় আলী হোসেন ফকির তাঁর পদ ফিরে পান। এরপর তিনি ডিআইজি পদে পদোন্নতি লাভ করেন এবং বিভিন্ন জেলায় সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০০৮ সালে তিনি উত্তরার ডিএমপি’র ডিসি হিসেবে কাজ করেন। এরপর তিনি জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে অংশগ্রহণ করেন। দেশে ফেরার পর রাজশাহী ডিআইজি অফিসে একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পান। তবে ২০২২ সালে শেখ হাসিনার সরকার তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠায়।

    বাগেরহাট জেলার বাসিন্দা আলী হোসেন ফকরির ক্যারিয়ারের এই জার্নি নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে আজ তার এই গুরুত্বপূর্ণ পদে পৌঁছানোর গল্প প্রমাণ করে তার কঠোর পরিশ্রম, জাতীয় সেবা ও দেশের প্রতি প্রগাঢ় আন্তরিকতা। তিনি এই সিদ্ধান্তের পর দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

  • দুদকের ২৭ কর্মকর্তা-কর্মচারীর পদবদল

    দুদকের ২৭ কর্মকর্তা-কর্মচারীর পদবদল

    দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সম্প্রতি ২৭ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারীর পদবদল ও বদলিের ঘোষণা দিয়েছে। এদের মধ্যে উপপরিচালক, সহকারী পরিচালক, উপসহকারী পরিচালক ও উপসহকারী কর্মকর্তাসহ উপস্থিত রয়েছেন বিভিন্ন পদে কর্মরত কর্মকর্তারা। নিজেদের উন্নয়নের জন্য এবং কার্যক্রমের কার্যকারিতা বাড়ানোর লক্ষ্যে এই পদবদল কার্যকরে আসা হয়েছে।

    একই সাথে দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে দুটি পৃথক অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে, যেখানে এসব বদলি বা পদবদলের তথ্যে নিশ্চিত করা হয়েছে। দুদকের পরিচালক (প্রশাসন ও মানবসম্পদ) মোহাম্মদ নাজমুল হাসান সই করেছেন এই আদেশ।

    প্রতিটি আদেশে ১৩ জন ও ১৪ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর বদলি বা পদোন্নতিসহ বদলি কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে। বদলি করা কর্মকর্তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনকে ঢাকা, চট্টগ্রাম, বরিশাল, খুলনা, নোয়াখালী, গোপালগঞ্জ, টাঙ্গাইল ও কক্সবাজারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এই পরিবর্তনের মাধ্যমে দুদক তাদের কার্যক্রম আরও সুসংগঠিত এবং কার্যকর করে তুলতে চায়।