Category: জাতীয়

  • অতিরিক্ত আইজিপি আহসান হাবীব পলাশ র‍্যাবের ১২তম মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নিলেন

    অতিরিক্ত আইজিপি আহসান হাবীব পলাশ র‍্যাবের ১২তম মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নিলেন

    অতিরিক্ত আইজিপি মো. আহসান হাবীব পলাশ র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) মোটরপরিচালক (ডিজি) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। তিনি র‍্যাবের ১২তম মহাপরিচালক হিসেবে পদে যোগ দেন।

    শনিবার (২৮ মার্চ) র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী আনুষ্ঠানিকভাবে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    আহসান হাবীব পলাশ পুলিশি ক্যারিয়ারে দীর্ঘসময় ধরে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং সুনামের সঙ্গে কাজ করেছেন। তাঁর দায়িত্বের তালিকায় রয়েছে এপিবিএন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি), চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি), এসএমপি ও রাঙামাটি, শরীয়তপুর ও নারায়ণগঞ্জ জেলা। এছাড়া তিনি পিবিআই সদরদপ্তরে প্রশাসনিক ও তদন্ত সংক্রান্ত কাজে দীর্ঘদিন নিয়োজিত ছিলেন।

    পলাশ ১৯৯৫ সালে বিসিএস ১৫তম ব্যাচে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে পুলিশে যোগদান করেন এবং বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি সারদা থেকে এক বছর মেয়াদি মৌলিক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেন। পরে পদোন্নতির মাধ্যমে তিনি চট্টগ্রাম রেঞ্জে ডিআইজি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

    অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ এই পুলিশের কর্মকর্তা জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে কসোভো, লাইবেরিয়া, সুদান ও দক্ষিণ সুদানে কাজে যোগ দেন, যা তার আন্তর্জাতিক পরিসরে প্রশিক্ষণ ও অভিজ্ঞতার সাক্ষ্য বহন করে। পুলিশের সেবা ও দায়িত্বপরায়ণতার স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে বাংলাদেশ পুলিশ মেডেল (বিপিএম-সেবা) পদকে ভূষিত করা হয়।

    শিক্ষাগতভাবে আহসান হাবীব পলাশ বিএসএস (সম্মান) ও এমএসসি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, ভিয়েতনাম ও মালয়েশিয়া সহ বিভিন্ন দেশে পেশাগত প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন, যা তাঁর নেতৃত্বগুণ ও কৌশলগত দক্ষতায় যোগ করেছে।

    র‍্যাবের নতুন ডিজি হিসেবে পলাশ কবে থেকে কার্যনির্বাহী দায়িত্ব গ্রহণ করবেন এবং আগামী দিনগুলোতে র‍্যাবের কার্যক্রমে কি ধরনের নতুন উদ্যোগ দেখা যাবে—এসব নিয়ে আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে।

  • র‍্যাবের ১২তম ডিজি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আহসান হাবীব পলাশ

    র‍্যাবের ১২তম ডিজি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আহসান হাবীব পলাশ

    অতিরিক্ত আইজিপি মো. আহসান হাবীব পলাশ র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) ১২তম মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন। শনিবার (২৮ মার্চ) আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণের বিষয়টি র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী নিশ্চিত করেছেন।

    আহসান হাবীব পলাশ পুলিশের দীর্ঘ কর্মজীবনে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং সুপরিচিত একজন কর্মকর্তা। তার কর্মস্থলের মধ্যে রয়েছে এপিবিএন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি), চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) ও এসএমপিসহ রাঙামাটি, শরীয়তপুর ও নারায়ণগঞ্জ জেলা। এছাড়া তিনি পিবিআই সদরদপ্তরে প্রশাসনিক ও তদন্ত কার্যক্রমেও দীর্ঘদিন নিয়োজিত ছিলেন।

    ১৯৯৫ সালে বিসিএস ১৫তম ব্যাচে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে পুলিশে যোগদান করেন। বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি সারদা থেকে এক বছর মেয়াদি মৌলিক প্রশিক্ষণ গ্রহণের পরে পদোন্নতি পেয়ে তিনি চট্টগ্রাম রেঞ্জে ডিআইজি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। আন্তর্জাতিক স্তরে তিনি জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে কসোভো, লাইবেরিয়া, সুদান ও দক্ষিণ সুদানে দায়িত্ব পূর্ণ করেছেন।

    পুলিশে সেবাদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি বাংলাদেশ পুলিশ মেডেল (বিপিএম-সেবা) পেয়েছেন। শিক্ষা জীবনে তিনি বিএসএস (সম্মান) ও এমএসসি ডিগ্রি অর্জন করেছেন এবং যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, ভিয়েতনাম ও মালয়েশিয়া থেকে বিভিন্ন উচ্চস্তরের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন।

    নতুন দায়িত্ব নিয়ে তাঁর নেতৃত্বে র‍্যাবের কার্যক্রম কেমন হবে তা দেখার থাকবে; দেশ ও জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতে তার অভিজ্ঞতা ও প্রশিক্ষণকে কাজে লাগানোর প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

  • পূর্বাচলে রাতভর গোপন ঘোড়া জবাই, ১১টি ঘোড়া উদ্ধার

    পূর্বাচলে রাতভর গোপন ঘোড়া জবাই, ১১টি ঘোড়া উদ্ধার

    নারায়ণগঞ্জের পূর্বাচল উপশহর, ১০ নম্বর সেক্টরের হারার বাড়ি এলাকায় গভীর রাতে গোপনে ঘোড়া জবাইয়ের একটি ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করছেন, নির্জন পরিবেশকে সুযোগ করে নিয়ে একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে এই ধরনের কাজ চালিয়ে আসছিল।

    ঘটনার according অনুযায়ী, জবাইয়ের জন্য প্রায় ২০টি ঘোড়া একটি খালি প্লটে এনে রাখা হয়। রাতের অন্ধকারে একের পর এক ঘোড়াগুলো জবাই করা হচ্ছিল। স্থানীয় প্লটের মালিক ঘটনাস্থলে গেলে রাত প্রায় তিনটার দিকে তিনি সরসরি ওই কাজের দৃশ্য দেখতে পান এবং দ্রুত জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন দেন।

    সংবাদ পেয়ে পুলিশ ও র‍্যাব-১ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আগমনে সেখানকার জবাইকারী চক্রটি পালিয়ে যায়। পরে র‍্যাব-১ ঘটনাস্থল থেকে জীবিত অবস্থায় ১১টি ঘোড়া উদ্ধার ও জব্দ করেছে। জানা গেছে, জবাই হয়ে গেলে মোট নয়টি ঘোড়া ইতোমধ্যেই কাটা হয়ে গিয়েছিল।

    স্থানীয়রা বলছেন, পূর্বাচল এলাকায় মানুষের উপস্থিতি কম এবং অঞ্চলটি বিস্তৃত—এসব সুবিধা ব্যবহার করে চক্রটি নিরাপদ মনে করে এখানে এসব কাজ করছিল। অভিযোগ রয়েছে, জবাই করা ঘোড়ার মাংস পরে বিভিন্ন স্থানে গরুর মাংস হিসেবে বিক্রি করা হত।

    এর আগে কয়েকবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান চালালেও মূল হোতাদের অধিকাংশই প্রতিবারই পালিয়ে যেতে সফল হয়েছে। মাঝে মাঝে কয়েকজনকে আটক করা হয়েও চক্রটির নেতারা এখনো গ্রেপ্তার হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে, গাজীপুর ও নরসিংদীসহ আশপাশের এলাকায় এই চক্রের কার্যক্রম বিস্তৃত।

    স্থানীয়রা দ্রুত মূল সংগঠকদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।

  • টাঙ্গাইলে ট্রেনে কাটা পড়ে গাইবান্ধার ৫ পোশাক শ্রমিক নিহত

    টাঙ্গাইলে ট্রেনে কাটা পড়ে গাইবান্ধার ৫ পোশাক শ্রমিক নিহত

    টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার ধলাটেঙ্গর এলাকায় রেল লাইন পার হওয়ার সময় ট্রেনে কাটা পড়ে পাঁচজন পোশাক শ্রমিক নিহত হয়েছেন। বিষয়টি যমুনা সেতু পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সবজেল হোসেন নিশ্চিত করেছেন।

    ওসি সবজেল হোসেন জানান, আজ শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনটি দ্রুত গতিতে ওই এলাকায় গেলে পাঁচজন ট্রেনচাপায় মারা যান। ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়। পুলিশের ও রেলওয়ে পুলিশের ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে।

    নিহতরা হলেন — নীরব (১২), নার্গিস (৩০), দোলা (৫০), সুলতান (২৮) ও রিফা (২০)। তারা সবাই গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলার ধাপেরহাট এলাকার দুইটি পরিবারের সদস্য এবং টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের গোড়াই এলাকায় একটি পোশাক কারখানার শ্রমিক ছিলেন।

    পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে জানা গেছে, গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর থেকে বনশ্রী পরিবহনের একটি রিজার্ভ বাস ভাড়া করে তারা মির্জাপুরের ওই কারখানায় যাচ্ছিলেন। পথে ধলাটেঙ্গর এলাকায় বাসটির জ্বালানি শেষ হলে বাস থামায়। চালক ও সহকারী জ্বালানি সংগ্রহের জন্য স্থানীয় পাম্পে গেলে যাত্রীরা বাস থেকে নেমে পাশের রেললাইনে বসে অপেক্ষা করতে থাকেন।

    নিহত রিফার ভাই ও এক সহকর্মী বায়জিদ বোস্তামী ঘটনার বিবরণ দিয়ে বলেন, ‘‘বাস থামায় সবাই নামি। চালক ও সহকারী তেল আনতে গেলে আমরা লাইনে বসে অপেক্ষা করছিলাম। হঠাৎ করে দ্রুতগামী ট্রেন gelip পাঁচজন কাটা পড়ে মারা যায়।’’

    টাঙ্গাইল রেলস্টেশন ফাঁড়ির এসআই মিজানুর রহমান বলেন, লাইনে বসে থাকা যাত্রীরা সম্ভবত ট্রেনের আগমন শুনতে পাননি, ফলে সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেসের নিচে কাটা পড়ে তারা ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান।

    পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেলা হাসপাতালে পাঠিয়েছে। ঘটনার পর তদন্ত শুরু করা হয়েছে এবং নিহতদের পরিবারকে জানানো হয়েছে।

  • পূর্বাচলে গোপনে ঘোড়া জবাই, উদ্ধার ১১টি — অভিযোগ মাংস গরু বলে বিক্রি

    পূর্বাচলে গোপনে ঘোড়া জবাই, উদ্ধার ১১টি — অভিযোগ মাংস গরু বলে বিক্রি

    নরসিংদীর নয়—না, ঘটনাস্থল নরায়ণগঞ্জ: পূর্বাচল উপশহরের ১০ নম্বর সেক্টরের হারার বাড়ি এলাকায় গভীর রাতে গোপনে ঘোড়া জবাইয়ের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা বলছেন, নির্জন এলাকাটি কাজে লাগিয়ে এক সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে এ রকম কাজ চালিয়ে আসছে।

    ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, জবাইয়ের উদ্দেশ্যে প্রায় ২০টি ঘোড়াকে একটি খালি প্লটে আনানো হয়। পরিকল্পনা অনুযায়ী রাতের অন্ধকারে একে একে ঘোড়াগুলো জবাই করা হচ্ছিল। অভিযোগ, নিউান্তরতম সময়ে ৯টি ঘোড়া জবাই হলে রাত আনুমানিক ৩টার দিকে প্লটের মালিক ঘটনাস্থলে এসে বিষয়টি দেখতে পান।

    অচেনা দৃশ্য দেখে তিনি দ্রুত জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল করেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ ও র‍্যাব-১। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে জবাইকারীরা পালিয়ে গেলেও র‍্যাব-১ ঘটনাস্থল থেকে জীবিত ১১টি ঘোড়া উদ্ধার ও জব্দ করে।

    স্থানীয়দের অভিযোগ, পূর্বাচলের বিস্তীর্ণ ও নির্জন পরিবেশকে তারা নিরাপদ আশ্রয়ে পরিণত করেছে। কম জনসমাগম ও নজরদারির অভাবে এখানে বারবার গোপন অপকর্ম চালু থাকে। পরে ওই ঘোড়ার মাংস বিভিন্ন জায়গায় গরুর মাংস বলে বিক্রি করা হয়—এমন অভিযুক্তির কথাও বলা হয়েছে।

    পূর্বে কয়েকবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান চালালেও চক্রটির মূল সদস্যরা বারবার পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে। মাঝে মধ্যে কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হলেও মূল হোতারা এখনও অধরা রয়েছেন। স্থানীয়রা বলছেন, কেবল পূর্বাচল নয়, গাজীপুর ও নরসিংদীসহ আশপাশের এলাকাতেও এই চক্রের কার্যক্রম বিস্তৃত বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    আতঙ্কিত এলাকাবাসী দ্রুত চক্রটির মূল পরিকল্পনাকারীরা শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে। তারা আরও দাবি করেছে, নিয়মিত নজরদারি ও কঠোর প্রতিরোধ না হলে এ ধরনের অপরাধ রুখে দেওয়া কঠিন হবে।

    আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে বলে জানিয়েছে এবং জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। র‍্যাব-১ ও স্থানীয় পুলিশ বিস্তৃত অনুসন্ধান চালাচ্ছে এবং উদ্ধার হওয়া ঘোড়াগুলোর স্বাস্থ্যগত পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া চালানো হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

  • ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়া সম্ভব: তারেক রহমান

    ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়া সম্ভব: তারেক রহমান

    বিএনপির সিনিয়র যুগ্মচেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে কাঙ্ক্ষিত এবং স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

    শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর রমনাস্থ ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বিএনপির আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

    তারেক রহমান বলেন, অতীত নিয়ে অতিমাত্রায় আবদ্ধ থাকা ভবিষ্যৎকে বাধাগ্রস্ত করে—তবে অতীত মুছে ফেলা বা ভেঙে দেওয়াও গ্রহণযোগ্য নয়। “অতীত নিয়ে পড়ে থাকলে এক চোখ অন্ধ; অতীত ভুলে গেলে দুই চোখ অন্ধ—সেই মধ্যপথ খুঁজে পাওয়া জরুরি,” তিনি বলেন।

    মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে আলোচনা ও গবেষণা অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি, কিন্তু ইতিহাসের এমন ব্যাখ্যা চলতে দেওয়া যাবে না যা মুক্তিযুদ্ধের গৌরবকে ছোট করে।

    তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভূমিকা প্রসঙ্গে বলেন, অতীতে তার ভূমিকা কমিয়ে দেখা হয়েছে, অথচ তা ছিল অনিবার্য। জিয়াউর রহমানের একটি প্রবন্ধ ২৬ মার্চ ১৯৭২-এ দৈনিক বাংলা-তে প্রকাশিত হয়েছিল এবং ১৯৭৪ সালে তাঁর ‘একটি জাতির জন্ম’ শীর্ষক প্রবন্ধটি সাপ্তাহিক বিচিত্রায় ছাপা হয়েছিল—এসব প্রকাশের সময় কারো আপত্তি ছিল না।

    তারেক রহমান আরও বলেন, যদিও শহীদ জিয়াকে খাটো করার প্রচেষ্টা হয়েছে, সত্যকে কখনও লুকানো যায় না। “যা সত্য, তা সত্যই,” তিনি যোগ করেন।

    তিনি উল্লেখ করেন, আমাদের আকাঙ্ক্ষা সীমাহীন হলেও সম্পদের সীমাবদ্ধতা আছে; তারপরও সবাই একসাথে কাজ করলে স্বনির্ভর বাংলাদেশ গঠন করা সম্ভব। তিনি বলেন, “এই সরকার গণতান্ত্রিক সরকার হওয়ায় আমরা চাই সমাজের সব অংশ ভালো থাকবে—কোনো একটি অংশই নয়।” শেষ করে তিনি বলেন, স্বাধীনতা দিবসের প্রতিশ্রুতি হোক সবাইকে নিয়ে সমৃদ্ধি নিশ্চিত করা।

  • ২৬ মার্চ: জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

    ২৬ মার্চ: জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

    মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

    বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ভোর ছয়টায় তারা স্মৃতিসৌধে পৌঁছে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদদের প্রতি নীরবে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। কিছুক্ষণ তারা শহীদদের স্মৃতির প্রতি বিনম্রতার সঙ্গে দাঁড়িয়ে থাকেন। এ সময় সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর সমন্বয়ে একটি চৌকস দল রাষ্ট্রীয় স্যালুট দেয়। পরে প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রীপরিষদ সদস্যদের নিয়ে পৃথকভাবে শ্রদ্ধা জানান।

    প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের তথ্য অনুযায়ী, স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তারা ঢাকা ফেরার আগে সকাল সাতটার মধ্যে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম) এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাবেন।

    এরপর সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে আয়োজিত কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত থাকবেন। কুচকাওয়াজে বিভিন্ন বাহিনীর প্রদর্শনী ও একুশ শতকের দক্ষতাকে তুলে ধরার চেষ্টা করা হবে।

    মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশবাসীর উদ্দেশে বাণী প্রকাশ করেছেন। বাণীতে তিনি ২৬ মার্চকে জাতীয় জীবনের গৌরবময় ও ঐতিহাসিক দিন হিসেবে স্মরণ করে বলেন, এই দিনে আমরা শ্রদ্ধার সঙ্গে যাদের আত্মত্যাগের কথা ভাবি তাদেরই কারণে পেয়েছি স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ। তিনি সকল বীর মুক্তিযোদ্ধা, নির্যাতিত মা ও বোনদের এবং স্বাধীনতা সংগ্রামে আত্মনিবেদিত প্রত্যেককে গভীর কৃতজ্ঞতায় স্মরণ করেন এবং সকল শহীদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।

    দিবসটি নানা স্মৃতি ও আবেগে ভরপুর; শহীদদের ত্যাগকে সম্মান জানিয়ে সারাদেশে ও প্রবাসে থাকা বাংলাদেশিরা আজ নিজেদের একাত্মতা ও স্বাধীনতার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছেন।

  • পল্লবীতে যুবদল নেতা কিবরিয়ার হত্যায় দুই ‘শুটার’ গ্রেপ্তার: র‌্যাব

    পল্লবীতে যুবদল নেতা কিবরিয়ার হত্যায় দুই ‘শুটার’ গ্রেপ্তার: র‌্যাব

    র‌্যাব জানিয়েছে, ঢাকার মিরপুরের পল্লবীতে যুবদল নেতা গোলাম কিবরিয়াকে গুলি করে হত্যা করার ঘটনায় দুই জন ‘শুটার’কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশি রিভলবার ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

    আজ (শুক্রবার) র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখা থেকে এই তথ্য জানানো হয়েছে। র‌্যাব জানিয়েছে গ্রেফতারকৃতরা কিবরিয়ার হত্যার কিলিং মিশনে অংশগ্রহণ করেছিল। বিস্তারিত তথ্য আজ র‌্যাব-৪ সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হবে।

    নিহত গোলাম কিবরিয়া পল্লবী থানার যুবদলের সদস্যসচিব ছিলেন। জানান যায়, তিনি চিকিৎসা সরঞ্জাম ক্রয় করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিক্রি করতেন।

    গত বছরের ১৭ নভেম্বর সন্ধ্যায় মিরপুর-১২ নম্বরের বি ব্লকে ‘বিক্রমপুর হার্ডওয়্যার অ্যান্ড স্যানিটারি’ নামের একটি দোকানে তিনজন মুখোশধারী দুর্বৃত্ত ঢুকে খুব কাছ থেকে কিবরিয়াকে গুলি করে হত্যা করে। হামলার সময় দুর্বৃত্তরা দ্রুত পালিয়ে যেতে ব্যাটারি চালিত অটোরিকশায় ওঠে; অটোরিকশার চালক দ্রুত না চালালে দুর্বৃত্তরা তাকে কোমরে গুলি করে আহত করে।

    কিবরিয়ার স্ত্রী সাবিহা আক্তার দীনা মিরপুর পল্লবী থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় পাঁচজনকে আসামী করা হয়েছে এবং অজ্ঞাত পরিচয়ের আরও সাত-আটজনকে অভিযুক্ত হিসেবে নাম উল্লেখ করা রয়েছে।

    র‌্যাবের এই গ্রেপ্তারের বিষয়টি মামলার তদন্ত দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হবে বলে আশা করা হচ্ছে। আজ সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাব আরও বিস্তারিত তথ্য এবং গ্রেপ্তারকদের সম্পর্কে জানাবে।

  • স্বাধীনতা দিবসে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

    স্বাধীনতা দিবসে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

    মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ভোর সাড়ে ছয়টায় সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে উপস্থিত থেকে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

    দুই নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি সম্মান জানিয়ে স্মৃতিসৌধে ফুল অর্পণ করেন এবং শহীদদের স্মৃতির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান। kurze সময়ে তারা কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে শহীদদের স্মরণ করেন। এ সময় সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর যৌথ চৌকস দল রাষ্ট্রীয় অভিবাদন উপস্থাপন করে। পরে প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়ে পৃথকভাবে শ্রদ্ধা জানান।

    প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের তথ্য অনুযায়ী, স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তারা সকাল ৭টার মধ্যে ঢাকা ফেরার পথে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম) ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিস্থলে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন।

    এরপর সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী।

    মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশবাসীর উদ্দেশ্যে বাণী প্রদান করেছেন। বাণীতে তিনি জাতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে ২৬ মার্চকে দেশের ইতিহাসে গৌরবময় ও ঐতিহাসিক একটি দিন হিসেবে স্মরণ করেছেন। তিনি দেশবরেণ্য শহীদ ও মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা, নির্যাতিত মা ও বোনদের স্মরণ এবং স্বাধীনতা সংগ্রামে আত্মনিবেদিত সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। পাশাপাশি সকল শহীদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেছেন এবং দেশের সর্বস্তরের জনগণসহ প্রবাসী বাংলাদেশীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

  • ২৬ মার্চ: জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

    ২৬ মার্চ: জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

    মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে ২৬ মার্চ ভোরে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

    বৃহস্পতিবার ভোর ৬টায় স্মৃতিসৌধে পৌঁছে তারা বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদদের প্রতি সম্মান জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে স্মৃতির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময়ে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর সমন্বয়ে একটি চৌকস দল রাষ্ট্রীয় অভিবাদন জানায়। পরে প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রী-পরিষদের সদস্যদের নিয়ে পুনরায় শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

    প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং জানায়, স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর সেখান থেকে ঢাকা ফেরার পথে সকাল সাড়ে সাতটার মধ্যে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম) ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিস্থলেও শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন তিনি।

    এরপর সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত ‘‘কুচকাওয়াজ’’ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী।

    মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশবাসী ও প্রবাসে থাকা সকল বাংলাদেশিকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। বাণীতে তিনি বলেন, ২৬ মার্চ আমাদের জাতীয় জীবনের এক গৌরবময় ও ঐতিহাসিক দিন; এ দিনে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে আমরা স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ পেয়েছি। তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা, নির্যাতিতা মা ও বোনদের এবং স্বাধীনতা সংগ্রামে নিজ নিজ ভুমিকা রাখা সকলকে গভীর কৃতজ্ঞতায় স্মরণ করেন এবং সকল শহীদদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।