Category: সারাদেশ

  • রমজান: আত্মশুদ্ধি ও ঐক্যবদ্ধতার অনুপ্রেরণা

    রমজান: আত্মশুদ্ধি ও ঐক্যবদ্ধতার অনুপ্রেরণা

    খুলনা-৪ আসনের নব নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও বিএনপির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন, পবিত্র মাহে রমজান মানুষের আত্মশুদ্ধি, নৈতিক উন্নতি এবং সমাজের ঐক্য ও শান্তির জন্য একটি অনন্য সুযোগ। রমজান কেবল ইবাদতের মাস নয়, বরং এটি নিজের মধ্যে সমালোচনা করে উন্নয়নের পথ খুঁজে নেওয়ার সময়। এই বরকতময় মাসে মানুষ সাহসী, সৎ, দায়িত্ববান এবং সংযমী সুবিচারের শিক্ষা গ্রহণ করে। এর মাধ্যমে সমাজে সহমর্মিতা, ভ্রাতৃত্ববোধ ও শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়। তিনি বলেন, রমজানের মূল শিক্ষা গ্রহণ করে সবাই মিলেমিশে বিভেদ ভুলে দেশ গঠনে বর্তমান বিএনপি সরকারের পাশে থাকতে হবে। খুলনা-৪ আসনের এলাকাবাসীর উদ্দেশ্যে তিনি আহ্বান জানিয়েছেন, রমজানের শিক্ষাকে নিজেদের অন্তরে ধারণ করে ন্যায়, সততা ও মানবিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে।

    ফেক্তাবশেষে তিনি বলেন, গতকাল শুক্রবার বিকেল সময়ে আইচগাতী ইউনিয়নের সরকারি রূপসা কলেজে রূপসা-তেরখাদা-দিঘলিয়া নির্বাচনের পরিচালনা কমিটির আয়োজনে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মনোনয়ন নিয়ে নতুন নির্বাচিত আওয়ামী লীগ প্রার্থী আজিজুর বারী হেলাল মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করে অন্নপ্রাশন, গণ ইফতার ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, দেশের নেতা হিসেবে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান সবাইকে একজন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করেছেন। তিনি দল, জাতি, ধর্ম বা বর্ণের ভেদাভেদ ভুলে সকল মানুষের জন্য সমান অধিকার নিশ্চিতের জন্য কাজ করে যান। আমি শুধু একজন নেতা নই, আমি এই এলাকাটির সব মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। আমার জন্য ধনী-গরীব, ছোট-বড়, ভিন্ন মত বা ভিন্ন পরিচয় থাকল না—আমার সকলেরই সমস্যা আমার, উন্নয়নই আমার একমাত্র লক্ষ্য।

    তিনি যোগ করেন, জনগণের আন্তরিক সহযোগিতা ও সমর্থন পেলে খুলনা-৪ আসনকে একটি আদর্শ, আধুনিক ও উন্নয়নশীল এলাকায় রূপান্তরিত করা সম্ভব। এই এলাকায় শিক্ষা, স্বাস্থ्য, যোগাযোগ, ও চাকরির সুযোগ আরও বৃদ্ধি করা হবে। পাশাপাশি, সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত একটি নিরাপদ সমাজ প্রতিষ্ঠাই আমাদের অঙ্গীকার। জনগণের সমর্থন থাকলে কোনপ্রকার বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না; আমরা মিলিত প্রচেষ্টায় এক শান্তিপূর্ণ, সমৃদ্ধ ও মানবিক সমাজ গড়ে তুলব।

    সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি’র যুগ্ম-আহবায়ক খান জুলফিকার আলী জুলু, সভাপতিত্ব করেন মহানগর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ইফতেখার হোসেন, ও উপস্থিত ছিলেন অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খুলনা জেলা বিএনপি’র আহবায়ক মনিরুজ্জামান মন্টু, জেলা সদস্য সচিব মনিরুল হাসান বাপ্পি, সাবেক সদস্য সচিব আবু হোসেন বাবু, জেলা যুবদলের নেতৃবৃন্দসহ অন্যান্য স্থানীয় নেতারা। সবাই একযোগে রমজানের শিক্ষা গ্রহণ করে একে অপরের পাশে থেকে ক্ষুদ্র বা বৃহৎ সকলের জন্য কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

  • বর্তমান সরকার মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে

    বর্তমান সরকার মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে

    খুলনা-৪ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আজিজুল বারি হেলাল বলেন, মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে বর্তমান সরকার শক্ত হাতে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। তিনি অভিযোগ করেন, কিছু অপরাধী মব সন্ত্রাস সৃষ্টি করে, জমি দখল করে এবং চাঁদাবাজি চালিয়ে দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করার চেষ্টা করছে। এর ফলে দেশের সাধারণ মানুষ নিরাপদ ও সুখী জীবন যাপন করতে পারছে না। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে সরকারের অঙ্গীকারের কথাও তিনি উল্লেখ করেন।

    তিনি আরও বলেন, নির্বাচন পরবর্তী সময় এক স্বার্থান্বেষী মহল দেশটিকে অস্থিতিশীল করার জন্য নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। এ ধরনের অশুভ কর্মকাণ্ড দমনে নব গঠিত বিএনপি সরকার কড়া হাতে ব্যবস্থা নিবে বলে আশা প্রকাশ করেন। তিনি জানান, খুলনা-৪ আসনে মাদক ক্রয়-বিক্রেসহ সব ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রমের বিরুদ্ধে প্রশাসন জিরো টলারেন্স অবস্থানে। মাদক বিক্রেতা বা সন্ত্রাসী যে দলেরই হোক না কেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে সরকার।

    অমুকনিয়ে তিনি বলেন, সরকারজনপ্রিয় নেতৃত্ব দেশের সুষ্ঠু ও দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন গড়তে অবিচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সকল দপ্তরের কার্যক্রম যাতে জনবান্ধব, স্বচ্ছ ও কার্যকর হয়, সে জন্য প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেবে বর্তমান সরকার। সকল কর্মকর্তাকে দলতীতভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, দুর্নীতির কাছে মাথা নোয়ানো যাবে না, বরং দেশের ভঙ্গুর অবকাঠামো উন্নয়নে অব্যাহত কাজ চালিয়ে যেতে হবে।

    গতকাল বৃহস্পতিবার তিনি রূপসা উপজেলার প্রশাসন আয়োজিত মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় প্রধান অতিথির ভাষণে একথা বলেন। এর আগে তিনি রূপসা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় করেন। পাশাপাশি, তিনি খুলনা জেলা প্রশাসনের আয়োজিত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে অংশ নেন।

    সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা রিক্তা সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তাসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক ও সমাজের গন্যমান্য ব্যক্তিরা। তাদের মধ্যে জেলা বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-নেত্রীরা, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা, স্কুল-কলেজের অধ্যক্ষগণ, যুব ও মহিলা নেতৃবৃন্দ ও স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধি ছাড়াও মুক্তিযোদ্ধা ও বিভিন্ন পেশাজীবীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • সাতক্ষীরায় প্রথমবারের মতো শক্তিশালী ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল শনাক্ত

    সাতক্ষীরায় প্রথমবারের মতো শক্তিশালী ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল শনাক্ত

    সাতক্ষীরায় ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হলো। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর পৌনে ২টার দিকে এই আকস্মিক ভূকম্পনে পুরো জেলা এক চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতিতে পড়ে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫.৩। এর উৎপত্তিস্থল ছিল সরাসরি সাতক্ষীরা জেলার অভ্যন্তরে, যেখানে ভূমিকম্পটির মূল কেন্দ্র ছিল আঞ্চলিকভাবে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

    প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণে জানা যায়, দুপুরের সময় হঠাৎ করেই ভয়ঙ্কর ঝাঁকুনি শুরু হয়। এতে উপস্থিত মুসল্লিরা তিলাবৎ আতঙ্কে পড়েন, কারণ জুমার নামাজের সময় ছিল এবং অনেকেই মসজিদে ছিলেন। তীব্র কম্পনে সাধারণ মানুষ দ্রুত মসজিদ থেকে বের হয়ে খানিকটা দেরি না করে নিরাপদ স্থানে যান। শহরের বহুতল ভবনগুলো থেকে বাসিন্দারা রাস্তায় ছুটে বের হন। তবে, বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির কোনও খবর এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

    সাতক্ষীরা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জুলফেকার আলী রিপন নিশ্চিত করেছেন, ভূমিকম্পের মাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৫.৩। এই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল আশাশুনি উপজেলার আনুলিয়া ইউনিয়নে।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের ধারণা, এর আগে তারা কখনও এত শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভব করেননি। ভূমিকম্পের কেন্দ্রের ভিতরে থাকা এই এলাকায় কম্পনের তীব্রতা অনেক বেশি ছিল, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। এই ফলাফলে জানা গেছে, ভবিষ্যতে আরও সতর্কতা ও প্রস্তুতির প্রয়োজন রয়েছে, যাতে এই ধরনের বিপর্যয় মোকাবেলা করা যায়।

  • কালীগঞ্জে থানার সামনে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, পুলিশসহ আহত ১২

    কালীগঞ্জে থানার সামনে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, পুলিশসহ আহত ১২

    ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলায় গত শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঘটে এক অপ্রত্যাশিত সংঘর্ষের ঘটনা। এইদিন, থানার সামনে বিএনপির পার্টি অফিসে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের মনোনীত প্রার্থী রাশেদ খান নেতৃত্বে একটি আলোচনা সভা চলাকালে হঠাৎ দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা তিক্ত সংঘর্ষে রূপ নেয়। স্বতঃপ্রণোদিত গণ্ডগোলের ফলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানাচ্ছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। কিন্তু এই সময় সংঘর্ষে জড়িত ব্যক্তিরা পুলিশ তত্ত্বাবধানে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করতে গেলে তারা পুলিশের ওপর চড়াও হয়। এতে পুলিশের সদস্যসহ মোট ১২ জন আহত হন। আহতদের কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

    কালীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক নেতা লুৎফুর রহমান লেন্টু বলেন, রাশেদ খানের নেতৃত্বে পার্টি অফিসে আলোচনা সভা চলাকালে মহারাজপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান খুরশিদ আলম তার সমর্থকদের নিয়ে অফিসের বাইরে অবস্থান নেন। এ সময় কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে সংঘর্ষ শুরু হয়, যা এখন অনাকাঙ্খিত ঘটনা।

    অপরদিকে, কালীগঞ্জ থানার ওসি মো. জেল্লাল হোসেন বলেন, থানায় একই দিন তাবাসসুম হত্যা মামলার প্রধান আসামী আবু তাহেরকে গ্রেফতার করার জন্য তদন্তের অংশ হিসেবে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহফুজুর রহমান সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রেস ব্রিফিং করছিলেন। তখনই থানার সামনে বিএনপির পার্টি অফিসের সামনে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করলেও বাধা দেয় ব্যক্তিরা, এবং তাঁদের ওপর হামলা চালানো হয়। এ ঘটনার ফলে ওই সময়ে পুলিশসহ ১২ জন আহত হন।

    পুলিশ জানায়, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তারা বলেছে, এই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • প্রাক্তন বৈষম্যবিরোধী নেতা রিয়াদ সহ তিনজন গ্রেপ্তার হত্যাচেষ্টা মামলায়

    প্রাক্তন বৈষম্যবিরোধী নেতা রিয়াদ সহ তিনজন গ্রেপ্তার হত্যাচেষ্টা মামলায়

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সাবেক নেতা ও প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী আব্দুর রাজ্জাক বিন সোলাইমান রিয়াদ হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন। তার সঙ্গে একই বিশ্ববিদ্যালয়ের মো. রিয়াদুল হাওলাদার, মো. আলিফ আহম্মেদ আশিক ও সায়েম শিকদার নামেও গ্রেপ্তারকৃতরা শনাক্ত হয়েছেন। আজ শুক্রবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তাদের হাজির করা হয়। পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও গুলশান থানার উপপরিদর্শক আরমান আলী তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।

    এদিকে, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে। ঘটনাটি ঘটেছে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির ক্যাম্পাসে, যেখানে নির্জন সরদার বাঁধন নামের এক ছাত্রের অভিযোগে তিনি ও আরও ১০/২২ জনকে আসামি করে হত্যাচেষ্টা মামলাটি দায়ের করা হয়। অভিযোগে বলা হয়, বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টার সময় প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির একান্ত আলোচনা রুমে আসামিরা তাকে ক্যাম্পাসে স্থায়ী থাকতে এবং কনভোকেশন অনুষ্ঠানে অংশ নিতে বলেন। এ সময় রাজ্জাকের নেতৃত্বে আসামিরা তাকে মারধর শুরু করে। তারা তাকে চেয়ার দিয়ে আঘাত করে, পরে সুইচ গিয়ার চাকু দিয়ে মুখে আঘাত করে, যার ফলে তার মুখ ও নাকের উপরিভাগ কেটে গুরুতর রক্তাক্ত জখম হয়। এরপর তাকে শরীরের বিভিন্ন অংশে লাঠি দিয়ে মারধর করা হয়। এ সময় তাঁর বন্ধুবান্ধব ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা এগিয়ে আসলে আসামিরা তাদের ভয়ভীতি ও হুমকি দিতে থাকে। পরে গুলশান থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আসামিদের আটক করে। পুলিশ বলছে, আসামিরা সক্রিয়ভাবে মারপিটের সঙ্গে জড়িত এবং এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

  • কালীগঞ্জে শিশু তাবাচ্ছুম হত্যায় মূল অভিযুক্ত আবু তাহের আটক

    কালীগঞ্জে শিশু তাবাচ্ছুম হত্যায় মূল অভিযুক্ত আবু তাহের আটক

    ঝিনাইদহের কালীগঞ্জের পৈত্রিক গ্রামে চার বছরের শিশু তাবাচ্ছুম হত্যার মূল অভিযুক্ত আবু তাহেরকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে কুষ্টিয়া শহরে তার ভাইয়ের ভাড়া বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আবু তাহের কালীগঞ্জ উপজেলার ফরাসপুর গ্রামের শফি উদ্দীন নামে এক ব্যক্তির ছেলে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, আবু তাহের একজন সিগারেট কোম্পানীর বিক্রয় প্রতিনিধি এবং তার মাদকাসক্তি রয়েছে।

    শুক্রবার দুপুরে কালীগঞ্জ থানায় এক প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে এই শিশু হত্যার অন্যতম মূল আসামির গ্রেফতারি নিশ্চিত করে। এএসপি মাহফুজুর রহমান বলেন, গত বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) শিশুটির নিখোঁজ সংবাদ পাওয়ার পর পুলিশ দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু করে। পরের দিন, یعنی বৃহস্পতিবার, বাদুরগাছা গ্রামের একটি সেফটি ট্যাংক থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। হত্যাকারীদের সনাক্তকরণে তৎপরতা চালিয়ে আরও দ্রুত অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়। পরে জানা যায়, আবু তাহের কুষ্টিয়ায় তার ভায়ের বাসায় অবস্থান করছে, যেখানে তাকে কুষ্টিয়া পুলিশের সহায়তায় গ্রেফতার করা হয়।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আবু তাহের দাবি করে, ঘটনার দিন শিশুটিকে চিপস ও জুসের লোভ দেখিয়ে ঘরে নিয়ে যায়। এরপর শারীরিক নির্যাতনের শিকার করে। শিশুটি চিৎকার শুরু করলে তাকে লুঙ্গি দিয়ে মুখ চেপে ধরে। মুখ চেপে ধরার এক পর্যায়ে শিশুটি মারা যায়। এরপর রাতের অন্ধকারে শিশুটিকে একটি বস্তায় ভরে পাশের স্কুলের সেফটিক ট্যাংকে লুকিয়ে রাখে।

    প্রেস ব্রিফিংয়ে কালীগঞ্জ থানার ওসি ও এই শিশু হত্যাকাণ্ডের তদন্তকারী কর্মকর্তা জেল্লাল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

    উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার সকালে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জের বাদুরগাছা গ্রামের আব্দুল জব্বার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সেফটিক ট্যাংক থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। শিশুটি বুধবার দুপুর দুইটার দিকে নিখোঁজ হয়। তার পরিবার বন্দরবাজার এলাকার বাদেডিহি গ্রামে ভাড়া থাকেন। নিহত শিশুর বাবা নজরুল ইসলাম একজন স্থানীয় দর্জির কর্মচারী এবং মা হালিমা খাতুন একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ওয়েব ফাউন্ডেশনে কাজ করেন।

  • শ্যামনগরে তিন ভাটা মালিককে মোট ১০ লাখ টাকা জরিমানা

    শ্যামনগরে তিন ভাটা মালিককে মোট ১০ লাখ টাকা জরিমানা

    সাতক্ষীরার শ্যামনগরে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন লঙ্ঘন করে অবৈধভাবে জমি থেকে মাটি উত্তোলনের অভিযোগে তিনটি ভাটা মালিককে ভ্রাম্যমাণ আদালত মাধ্যমে মোট ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এই অভিযান পরিচালনা করেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাভিল হোসেন তামীমের নেতৃত্বে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সদর হাসপাতালের সামনে এই অটোচালকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়ার পর অভিযান চালানো হয়।

    উল্লেখ্য, শ্যামনগর উপজেলার রামজীবনপুর এলাকার ‘আশা ব্রিকস’, নাটুয়ারবেড় এলাকার ‘মোস্তফা ব্রিকস’ এবং ইসমাইলপুর এলাকার ‘এবি ব্রিকস’র মালিকরা তাদের ভাটায় ইট প্রস্তুত করার জন্য পাশের জমি থেকে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন করছিলেন। বিষয়টি জানতে পেরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাভিল হোসেন তামীম পৃথক পৃথকভাবে এই তিনটি ভাটায় অভিযান চালান।

    অভিযানে সত্যতা পাওয়ার পরে তিনি অবৈধ মাটি উত্তোলনের জন্য ‘বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০’ এর ৭(ক) এবং ১৫(১) ধারায় ভাটার মালিকদের জরিমানা করেন। এর মধ্যে ‘মোস্তফা ব্রিকস’ ও ‘আশা ব্রিকস’ এর মালিককে প্রত্যেককে ৪ লাখ টাকা করে মোট ৮ লাখ টাকা জরিমানা, আর ‘এবি ব্রিকস’ এর মালিককে ২ লাখ টাকা জরিমানা দেওয়া হয়েছে।

    অভিযান চলাকালে পরিবেশ অধিদপ্তর সাতক্ষীরার সহকারী পরিচালক মো. আসাদুজ্জামান, পুলিশ, এবং আনসার সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা নিশ্চিত করার জন্য জরিমানার টাকা তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়।

    অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার দুপুরে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে রোগীদের ভোগান্তির অভিযোগের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। সেখানে হাসপাতাল সংলগ্ন পার্কিংয়ে অবৈধভাবে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স পার্কিং ও রোগীদের ব্যক্তিগত ক্লিনিকে মেডিকেল টেস্টের জন্য পাঠানোর জন্য তিন চালককে জরিমানা করা হয়। এই ধরনের অব্যবস্থার কারণে রোগী ও তাদের পরিবারের ভোগান্তি আরও বৃদ্ধি পাচ্ছিল।

  • নির্বাচনের পর থেকে সহিংসতা অব্যাহত: ঝিনাইদহের দুটি গ্রামে পুরুষ Shূন্য আতঙ্কে নারী ও শিশুরা

    নির্বাচনের পর থেকে সহিংসতা অব্যাহত: ঝিনাইদহের দুটি গ্রামে পুরুষ Shূন্য আতঙ্কে নারী ও শিশুরা

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার দুই সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও ঝিনাইদহে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতার ঘটনা עדיין থামছে না। সদর উপজেলার ফুরসন্দি ইউনিয়নের কিছু গ্রামে বিএনপি’র দুই গ্র“পের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় বাড়িঘর ও দোকানপাট ভাঙচুর ও প잘্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। এর ফলে এলাকা জুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে, যদিও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার দাবি করলেও সেই বাস্তবতা অনেকের অভিযোগের সাথে সঙ্গতি রাখে না।

    জানা গেছে, আসনপ্রার্থীদের মধ্যে এক পক্ষ ধানের শীষ প্রতীকের সমর্থক, ইউনিয়ন বিএনপির আহŸায়ক জাহিদ বিশ্বাস, এবং অন্য পক্ষ স্বতন্ত্র প্রার্থীর কাপ-পিরিচ প্রতীকের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। ভোটের পর প্রভাবশালী বিরোধের জের ধরে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। স্থানীয় অনেকের অভিযোগ, বিরোধের জেরে অন্তত ৫০ পরিবারের পুরুষ সদস্য গ্রামত্যাগ করে গেছেন। নারী ও শিশুরা এই পরিস্থিতিতে তীব্র আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।

    সদর উপজেলার ফুরসন্দি ইউনিয়নের মাড়ুন্দি বনকুমড়াপাড়া ও ল²ীপুর গ্রামের বাসিন্দাদের সঙ্গে আলাপচারিতায় জানা যায়, এই দুই গ্রামের প্রায় সব বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ক্ষত হয়েছে। গ্রামের অন্তত ৫০টি পরিবারের পুরুষেরা গ্রাম ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছেন। রাতের বেলায় প্রতিপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রামে ঘুরে বেড়াচ্ছে, ভয়ংকরভাবে মারধর করছে এবং জনগণের চলাচলে বাঁধা সৃষ্টি করছে। নারী ও শিশুদের ঘর থেকে বাহিরে যেতে পারছে না।

    স্থানীয়রা বলছেন, ২২ ফেব্রুয়ারি ভোরের দিকে বিএনপি’র সমর্থক, ইউপি সদস্য হায়দার আলীর নেতৃত্বে কিছুদলের লোকজন ঢাল-সড়কি ও ককটেল নিয়ে হামলা চালায়। হামলায় অনেকেই আহত হন। মাজেদা খাতুন, তার স্বামী ১০ বছর ধরে হার্টের রোগী, হামলার ভয়ে পালিয়ে গেছেন। অন্যদিকে রাবেয়া খাতুন বলছেন, বাড়ির পুরুষরা বাইরে থাকায় তিনি নিজে ধান ক্ষেত সেচ দিতে যেতে বাধ্য হন, যেখানে হামলার ভয় কাজ করছে।

    শাহানাজ পারভীন ও আলী হাসানের স্ত্রী শর্মিলা খাতুনের অভিজ্ঞতাও পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তোলে। তাদের অভিযোগ, সকালে অন্য গ্রাম থেকে শতাধিক লোক এসে হামলা ও বোমাবিস্ফোরণ চালিয়েছে। গ্রামবাসীরা বলছেন, ভোটের দিন থেকে এখন পর্যন্ত পালিয়ে বেড়াচ্ছেন, হামলার ভয় ই তাদের অবস্থার অবনতি ঘটিয়েছে।

    এ বিষয় নিয়ে সম্প্রতি জাহাঙ্গীর মন্ডল ও অন্যরা জানিয়েছেন, এই হামলার স্বীকৃতি ও দায় চাপানো হচ্ছে। ইউনিয়ন বিএনপি’র নেতা জাহিদ বিশ্বাস, ঘটনাকে সামাজিক দ্ব›দ্ব হিসেবে অভিহিত করে বলেন, উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, বেশ কিছু অভিযোগ তাদের ওপর আনা হলেও সত্য নয়, এবং হায়দার মেম্বার একজন ভালো মানুষ।

    ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ বিল্লাল হোসেন জানিয়েছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জোরদার টহল ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, কয়েকটি ক্যাম্পে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে, জনসাধারণকে আর সহিংসতায় জড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। তবে, যারা বাড়িতে থাকতে পারছেন না, তাদের জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    উল্লেখ্য, ঝিনাইদহ- ৪ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ছিলেন গণঅধিকার পরিষদ ছেড়ে দলের মনোনয়নপ্রাপ্ত মোঃ রাশেদ খান। তবে, দলের মনোনয়ন না পেয়ে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে কাপ-পিরিচ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন, যার ফলস্বরূপ এই নির্বাচনী পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।

  • বর্তমান সরকার মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে

    বর্তমান সরকার মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে

    খুলনা-৪ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আজিজুল বারি হেলাল বলেছেন, মাদক, সন্ত্রাস এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে বর্তমান সরকার গভীরভাবে প্রতিশ্রুত। তিনি জানান, দেশকে অস্থিতিশীল করতে চাচা চোরাকারবারি, জমি দখলকারীরা এবং চাঁদাবাজরা নানা অপকাণ্ড চালাচ্ছে। এসব বেআইনী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বিশেষ করে উল্লেখ করেন, দেশের মানুষ যেন সুখী, সমৃদ্ধ এবং নিরাপদে বসবাস করতে পারে, সে জন্য সকল ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    এছাড়াও, তিনি বলেন, নির্বাচন পরবর্তী সময়ে কিছু স্বার্থান্বেষী মহল দেশব্যাপী বিশৃঙ্খলা ও অরাজকতা সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে। এসব অশুভ চেষ্টার বিরুদ্ধে কঠোরভাবে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া হবে এবং নতুন গঠিত বিএনপি সরকার এ ধরনের ষড়যন্ত্র দমন করবে। তিনি জানান, খুলনা-৪ আসনে মামুলার মতো মাদক বিক্রির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত রয়েছে। মাদক বিক্রেতা বা সন্ত্রাসী যে কোনও দলের হতে পারে, তাদের বিরুদ্ধে দমন-পীড়ন অব্যাহত থাকবে।

    প্রশাসনের কাছে তিনি বলেন, দুর্নীতিমুক্ত, সুষ্ঠু ও জনবান্ধব প্রজাতন্ত্র গড়তে যা যা পদক্ষেপ নেওয়া দরকার, তা ধীরে ধীরে বাস্তবায়ন করা হবে। সকল কর্মকর্তা যেন দলীয় স্বার্থে নয়, দেশের স্বার্থে কাজ করেন, সেই আহ্বানও জানান তিনি।

    গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে রূপসা উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে মাসিক আইনশৃঙ্খলা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে, তিনি রূপসা উপজেলা প্রশাসন द्वारा আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি এরপর খুলনা জেলা প্রশাসনের আয়োজিত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে অংশ নেন।

    সভায় সভাপতিত্ব করেন রূপসা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানজিদা রিকতা। উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ ইফতেখারুল ইসলাম শামীম, রূপসা থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুর রাজ্জাক মীর, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি। এছাড়াও স্বাধীনতার স্বপক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা, জনপ্রতিনিধি ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। এই আয়োজনের মধ্যে দিয়ে স্থানীয় প্রশাসন, রাজনীতি ও সমাজের বিভিন্ন স্তরের ব্যক্তিরা একত্রিত হয়ে উন্নয়নের জন্য সম্মিলিতভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

  • রমজানে দ্রব্যমূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে হবে

    রমজানে দ্রব্যমূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে হবে

    জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা আবুল কালাম আজাদ বলেছেন, পবিত্র রমজান মাস হচ্ছে ইবাদতের মাস। এ সময়ে মানুষকে অযুহাত করে বেশি মুনাফার চিন্তা থেকে বিরত থাকতে হবে। রমজান মাসে দ্রব্যমূল্য সহনশীল রাখতে হবে যেন সাধারণ মানুষ তাদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনতে পারে। বাজারে কোনো প্রকার সিন্ডিকেট বা অসাধু চেষ্টায় মূল্যবৃদ্ধি করে অস্থিরতা সৃষ্টি করা যাবে না। মানুষের ভোগান্তি কমিয়ে আনতে এবং রমজানের পবিত্রতা রক্ষা করতে আমরা সবাই নৈতিক দায়িত্বশীল।