Category: সারাদেশ

  • চিতলমারীতে ব্যবসায়ী ব্যবস্থাপনা কমিটির নবনির্বাচিতরা শপথ নিলেন

    চিতলমারীতে ব্যবসায়ী ব্যবস্থাপনা কমিটির নবনির্বাচিতরা শপথ নিলেন

    বাগেরহাটের চিতলমারী বাজার ব্যবসায়ী ব্যবস্থাপনা কমিটির নবনির্বাচিত সদস্যরা শপথ গ্রহণ করেছেন। রবিবার (৮ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সভাকক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহন করেন।

    শপথ বাক্য পাঠ করান চিতলমারী উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মোঃ হাফিজুর রহমান। অনুষ্ঠানে প্রধান নির্বাচন কমিশনার মোঃ শাহাদাৎ হোসেন বুলু, নির্বাচন কমিশনার শেখ নোয়াব আলী, মোঃ সোহেল সুলতান মানু, বাদল সাহা ও মোঃ সোহাগ মুন্সি উপস্থিত ছিলেন।

    নবনির্বাচিত সভাপতি মোঃ সোয়েব হোসেন গাজী ও সাধারণ সম্পাদক শেখ আসাদুজ্জামান জানান, তারা চিতলমারী বাজারের সার্বিক উন্নয়ন, সুশৃঙ্খল ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে নিরন্তর কাজ করবেন। তারা বলেন, ঈদের পর পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করে একটি অভিষেক অনুষ্ঠানের আয়োজন করবেন।

    স্থানীয় ব্যবসায়ী ও উপস্থিতরা নতুন কমিটির প্রতি প্রত্যাশা প্রকাশ করেছেন। আশা করা হচ্ছে নতুন নেতৃত্ব বাজারের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, নিরাপত্তা ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম শক্তিশালী করতে দ্রুত পদক্ষেপ নেবে।

  • বাগেরহাটে চিতলমারীর বাজার ব্যবসায়ী ব্যবস্থাপনা কমিটির নবনির্বাচিতদের শপথ

    বাগেরহাটে চিতলমারীর বাজার ব্যবসায়ী ব্যবস্থাপনা কমিটির নবনির্বাচিতদের শপথ

    বাগেরহাটের চিতলমারী বাজার ব্যবসায়ী ব্যবস্থাপনা কমিটির নবনির্বাচিত সদস্যরা রবিবার (৮ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সভাকক্ষে শপথ গ্রহণ করেছেন। শপথগ্রহণের অনুষ্ঠানটি সরল ও পূরণোৎসাহে অনুষ্ঠিত হয়।

    চিতলমারী উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মোঃ হাফিজুর রহমান নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দকে শপথ পাঠ করান। অনুষ্ঠানে বাজার ব্যবসায়ী ব্যবস্থাপনা কমিটির প্রধান নির্বাচন কমিশনার মোঃ শাহাদাৎ হোসেন বুলু, নির্বাচন কমিশনার শেখ নোয়াব আলী, মোঃ সোহেল সুলতান মানু, বাদল সাহা ও মোঃ সোহাগ মুন্সি উপস্থিত ছিলেন।

    নবনির্বাচিত সভাপতি মোঃ সোয়েব হোসেন গাজী ও সাধারণ সম্পাদক শেখ আসাদুজ্জামান বলেন, তারা চিতলমারী বাজারের উন্নয়ন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও ব্যবসায়ীদের কল্যাণে কাজ চালিয়ে যাবেন এবং বাজারের সুশৃঙ্খল পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য সক্রিয়ভাবে উদ্যোগ নেবেন।

    তারা জানান, ঈদের পর পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করে আনুষ্ঠানিক অভিষেকের উদ্যোগ নেওয়া হবে। অনুষ্ঠানে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও অন্যান্য গণ্যমান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

  • খুলনায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভায় আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত

    খুলনায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভায় আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত

    উদ্বোধন অনুষ্ঠান, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভাসহ বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে রবিবার (০৮ মার্চ) খুলনায় আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত হয়েছে। খুলনা জেলা প্রশাসন, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর ও জাতীয় মহিলা সংস্থা বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার সহযোগিতায় এ আয়োজন করে।

    ‘আজকের পদক্ষেপ, আগামীর ন্যায়বিচার সুরক্ষিত হোক নারী ও কন্যার অধিকার’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনার বিভাগীয় কমিশনার মোঃ মোখতার আহমেদ।

    প্রধান অতিথি সভায় বলেন, নারীদের প্রতি অবহেলার কোনো সুযোগ নেই। নারীপ্রতিপক্ষ অসমতা পুরুষদের মতো নয়, বরং তাদের সঙ্গে সম্পর্কিত বৈষম্য দূর করা প্রয়োজন। একজন নারীকে মা, বোন বা স্ত্রী হিসেবে সীমাবদ্ধ করে দেখলে তার মানুষ হিসেবে মর্যাদা উঠে যায়—তাই আমাদের প্রথম দায়িত্ব হচ্ছে নারীকে মানুষ হিসেবে সম্মান করা। তিনি আরও বলেন নারীর বৈষম্য কাটাতে তাদের শ্রম ও অবদানের সঠিক মূল্যায়ন নিশ্চিত করা প্রয়োজন; সহানুভূতি নয়, তাদের সম্পূর্ণ অধিকার সুনিশ্চিত করাই আমাদের কর্তব্য। একই সঙ্গে প্রতিটি কর্মক্ষেত্রে নারী কর্মীদের স্বাচ্ছন্দ্য ও নিরাপত্তার জন্য কমফোর্ট রুমসহ প্রয়োজনীয় সুবিধা রাখা জরুরি, এতে তারা ব্যক্তিগত ও দাপ্তরিক দায়িত্ব দুটোই ভালভাবে পালন করতে পারবেন।

    অনুষ্ঠনটি খুলনা জেলা প্রশাসক আ. স. ম. জামশেদ খোন্দকারের সভাপতিত্বে পরিচালিত হয়। অন্যান্য বক্তাদের মধ্যে ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) কানিজ ফাতেমা লিজা ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা মাসাসের নির্বাহী পরিচালক অ্যাডভোকেট শামীমা সুলতানা শিলু। মহিলা বিষয়ক দপ্তরের উপপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) সুরাইয়া সিদ্দীকা স্বাগত বক্তব্য দেন। বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও নারী সংগঠনের প্রতিনিধি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

    এর আগে প্রধান অতিথি খুলনা কালেক্টরেট চত্বরের উদ্বোধন করেন। সকালেই বিভাগীয় কমিশনার মোঃ মোখতার আহমেদ নেতৃত্বে শহরের শহিদ হাদিস পার্ক থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কালেক্টরেট প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। শোভাযাত্রায় নারী সংগঠনসহ সমাজের নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

    আয়োজকরা বলেন, নারী-উন্নয়ন ও সমঅধিকারের লক্ষ্যে এমন আলোচনা ও সচেতনতার কর্মসূচি নিয়মিতভাবে চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি তারা দিচ্ছেন, যাতে সমাজে নারীর অধিকার সুরক্ষিত ও বিরূপ বৈষম্য দূর করা সম্ভব হয়।

  • খুলনায় পাঁচ বিদেশি পিস্তল ও ৯৬ রাউন্ড গুলিসহ নারী গ্রেফতার

    খুলনায় পাঁচ বিদেশি পিস্তল ও ৯৬ রাউন্ড গুলিসহ নারী গ্রেফতার

    খুলনায় পৃথক তিন মডেলের পাঁচটি বিদেশি পিস্তল ও ৯৬ রাউন্ড গুলিসহ সুরাইয়া পারভীন সুমি (৩৮) নামের এক নারীকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে নগরের খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কের নিজখামার এলাকায় সাতক্ষীরা থেকে ঢাকাগামী ‘ইমাদ পরিবহন’ নামে একটি বাস তল্লাশি করে এই অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়।

    লবণচরা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. তুহিনুজ্জামান তথ্যটি নিশ্চিত করেন। পুলিশের সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সকাল ৮টা থেকে ওই এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি শুরু করেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের গোয়েন্দা সদস্যরা ও খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) সংশ্লিষ্ট দল।

    সাড়ে ৯টার দিকে সাতক্ষীরা-ঢাকা পথে চলতি ইমাদ পরিবহনের একটি বাস তল্লাশি করলে সুরাইয়া পারভীনের ব্যাগ থেকে উদ্ধার করা হয় ২টি বিদেশি রিভলভার এবং ৩টি পিস্তলসহ মোট ৯৬ রাউন্ড গুলি। উদ্ধারকৃত তিনটি পিস্তলের মধ্যে দু’টি ‘৯ মিমি’ এবং একটি ‘টুটুবোর’ ধরনের। গুলির মধ্যে রয়েছে ৫০টি টুটুবোর, ২১টি ৯ মিমি ও ২৫টি ‘থ্রি টু ফোর’ ধরনের গুলি।

    গ্রেফতার সুরাইয়া পারভীন সুমি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার চালতেতলার বাটকেখালি গ্রামের আব্দুল করিমের স্ত্রী; তার বাবার নাম আশরাফ উদ্দিন। কেএমপির উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম জানান, এসব অস্ত্র ও গুলি সাতক্ষীরা থেকে ঢাকাগামী করা হচ্ছিল।

    তিনি আরও বলেন, সুমির বিরুদ্ধে পূর্বেও একটি মাদক সম্পর্কিত মামলা রয়েছে এবং তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পুলিশের তদন্ত কোনো ব্যক্তি কতৃপক্ষ থেকে এগুলো সংগ্রহ করে রেখেছিল এবং কোথায় পৌছে দেওয়ার উদ্দেশ্যে তোলা হচ্ছিল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ সুরাইয়া পারভীন সুমিকে লবণচরা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং তদন্ত চলছে।

  • নীল নকশা সত্ত্বেও দেশের স্বার্থে জামায়াত ফলাফল মেনে নিয়েছে

    নীল নকশা সত্ত্বেও দেশের স্বার্থে জামায়াত ফলাফল মেনে নিয়েছে

    জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক এমপি বলেছেন, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে ইসলামী শক্তিকে পরাজিত করার একটি নীল নকশা থাকা স্বত্বেও দেশের স্বার্থেই বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নির্বাচনের ফলাফল মেনে নিয়েছে। তিনি বলেছেন, যদি এই ধরনের ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত অব্যাহত থাকে তাহলে দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে এসব বিরুদ্ধে দৃঢ়ভাবে মোকাবেলা করা হবে।

    গতকাল শনিবার মহানগর জামায়াতের উদ্যোগে নগরীর এক হোটেলে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মানে অনুষ্ঠিত দোয়া ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন আব্দুল খালেক। অনুষ্ঠানে মহানগর জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমীর অধ্যাপক নজিবুর রহমান সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও খুলনা অঞ্চলের সহকারি পরিচালক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ এমপি।

    অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মহানগর সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল এমপি। এতে বক্তৃতা ও উপস্থিত ছিলেন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মাস্টার শফিকুল আলম, জেলা আমীর মাওলানা এমরান হুসাইন, নায়েবে অধ্যক্ষ মাওলানা কবিরুল ইসলাম, জেলা সেক্রেটারি মুন্সি মিজানুর রহমান, মহানগর সহকারী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট শাহ আলম, প্রিন্সিপাল শেখ জাহাঙ্গীর আলম, আজিজুল ইসলাম ফারাজী, জেলা সহকারী সেক্রেটারি মুন্সি মঈনুল ইসলাম, অধ্যাপক মিয়া গোলাম কুদ্দুস, প্রিন্সিপাল গাওসুল আজম হাদী, অফিস সেক্রেটারি মিম মিরাজ হোসাইন এবং মহানগরী কর্মপরিষদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোল্লা আলমগীর হোসেন।

    অন্যান্য উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক আবু রুবাবা, অধ্যাপক ইকবাল হোসেন, অধ্যাপক জুলফিকার আলী, অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম লিটন, ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি আরাফাত হোসেন মিলন, মহানগর সভাপতি রাকিব হাসান, দক্ষিণ জেলা সভাপতি আবু জার গিফারী, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাইফ নেওয়াজ, খেলাফত মজলিশের জেলা সভাপতি মাওলানা এমদাদুল হক, মহানগর সভাপতি এফ এম হারুন অর রশীদ, খুলনা আলিয়া মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ড. মুফতি আব্দুর রহিম, জিপি অ্যাডভোকেট ড. মোঃ জাকির হোসেন, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন-বিএফইউজে’র সাবেক সহ-সভাপতি আবু তৈয়ব, সাবেক নির্বাহী সদস্য শেখ দিদারুল আলম, এইচ এম আলাউদ্দিন, মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন খুলনার সভাপতি মোঃ রাশিদুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক রানা, খুলনা প্রেসক্লাব আহ্বায়ক এনামুল হক ও সদস্য সচিব রফিউল ইসলাম টুটুল।

    এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন খুলনা সংবাদপত্র পরিষদের কোষাধ্যক্ষ তরিকুল ইসলাম, ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের খুলনা জেলা সাবেক সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম কাজল, বার কাউন্সিলের সাবেক সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল মালেক, খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ হোসেন বাচ্চু ও সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট নুরুল হাসান রুবা, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট খান মনিরুজ্জামান, বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সভাপতি শেখ আশরাফ উজ জামান, এনডিএফ মহানগর সভাপতি ডাঃ আসাদুল্লাহিল গালিব এবং ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত সুপারিন্টেন্ডেন্ট আবু সাইদ মুহাম্মাদ মামুন শাহিন।

    অনুষ্ঠানে প্রশাসনিক কর্মকর্তা মুকাররম বিল্লাহ আনসারী, সাংবাদিক নেতা হেদায়েৎ হোসেন মোল্লা, আমিরুল ইসলাম, কাজী শামীম আহমেদ, মো. নূরুজ্জামান, মাহবুবুর রহমান মুন্না, সাইফুল ইসলাম বাবলু, শেখ শামসুদ্দিন দোহা, বশির হোসেন, নুরুল আমিন নূর, রামীম চৌধুরী, এম এ আজিম, ইমরান হোসেনসহ জেলা ও থানা পর্যায়ের নেতারা ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষও উপস্থিত ছিলেন।

    কুরআন তেলাওয়াত করেন মহানগর ওলামা বিভাগের সেক্রেটারি মাওলানা আবু বকর সিদ্দীক। ইফতার শেষে মহানগরী কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আ. ন. ম. আব্দুল কুদ্দুস মুসলিম উম্মাহ ও দেশের কল্যাণ ও অগ্রগতির জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন।

  • ইবি অধ্যাপিকা আসমা সাদিয়া রুনা হত্যায় দুই শিক্ষক ও এক কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত

    ইবি অধ্যাপিকা আসমা সাদিয়া রুনা হত্যায় দুই শিক্ষক ও এক কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত

    ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শিক্ষক আসমা সাদিয়া রুনা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুই শিক্ষক ও এক কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে। একই সময় ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে—এ তথ্য শনিবার রেজিস্ট্রার দফতর থেকে জারি করা পৃথক অফিস আদেশে জানানো হয়েছে।

    অফিস আদেশ অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরিসংক্রান্ত শৃঙ্খলা বিধির ১৫(খ) ধারার প্রেক্ষিতে তিনজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বরখাস্তকৃতরা হলেন: উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা সিদ্দিকা হলের সহকারী রেজিস্ট্রার ও হত্যা মামলার ২ নম্বর আসামি বিশ্বজিৎ কুমার বিশ্বাস, সমাজকল্যাণ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও মামলার ৩ নম্বর আসামি শ্যাম সুন্দর সরকার এবং একই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও ৪ নম্বর আসামি হাবিবুর রহমান। বরখাস্তকালের সময় তাঁরা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী জীবনধারণ ভাতা পাবেন।

    তদন্ত কমিটিতে হিসাববিজ্ঞান ও তথ্যপদ্ধতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমানকে আহ্বায়ক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং উপ-রেজিস্ট্রার (শিক্ষা) গোলাম মওলাকে সদস্যসচিব করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন বাংলা বিভাগের অধ্যাপক রশিদুজ্জামান, ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ওবায়দুল ইসলাম এবং লালন শাহ হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক গাজী আরিফুজ্জামান খান। কমিটিকে দ্রুত সময়ের মধ্যে ঘটনার সঠিক তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

    এদিকে সমাজকল্যাণ বিভাগের শিক্ষার্থীরা হত্যাকাণ্ডের বিচার দ্রুত করার দাবি সহ পাঁচ দফা দাবিতে উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে আসমা সাদিয়া রুনার পরিবারের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, বিভাগের সমস্ত একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম দ্রুত পুনরায় চালু করা, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বিভাগের সকল আর্থিক লেনদেনের পূর্ণাঙ্গ তদন্তের রিপোর্ট প্রকাশ করা এবং আসমা সাদিয়া রুনার স্মৃতিকে স্মরণীয় করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাকে তার নামে নামকরণ করা।

    আরেকটি অনুষ্টান হিসেবে আগামীকাল সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের উদ্যোগে আসমা সাদিয়া রুনার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শোকসভা ও দোয়া মাহফিল আয়োজন করা হয়েছে। পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের তৎপরতায় তদন্ত এবং আইনি প্রক্রিয়া নিয়েও কড়াকড়ি বজায় রাখা হবে বলে অফিস আদেশে বলা হয়েছে।

  • ফকিরহাটে ৯ বছরের মাদ্রাসাছাত্রী ধর্ষণের মামলার আসামী চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার

    ফকিরহাটে ৯ বছরের মাদ্রাসাছাত্রী ধর্ষণের মামলার আসামী চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার

    ফকিরহাটে আলোচিত একটি ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী মো. রমজান মোড়ল (৭০)কে চট্টগ্রামের পটিয়া থেকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। র‌্যাব-৭ শুক্রবার তাকে গ্রেপ্তার করে নিকটস্থ পটিয়া থানায় হস্তান্তর করলে পরে ফকিরহাট মডেল থানা শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে তাকে থানায় নিয়ে আসে। শনিবার (৭ মার্চ) দুপুরে তাকে রিপোর্টসহ বাগেরহাট আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

    গ্রেপ্তারকৃত রমজান মোড়ল উপজেলার কামটা গ্রামের মৃত পাচু মোড়লের ছেলে বলে জানা যায়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ৩০ অক্টোবর ফকিরহাটে ওই এলাকার এক দরিদ্র ভ্যানচালকের ৯ বছর বয়সী মাদ্রাসা ছাত্রী পাশের বাড়ির অন্য শিশুদের সঙ্গে খেলতে গিয়ে অভিযুক্তের ফাঁকা বাড়িতে ডেকে নেয়ার পর তাকে ধর্ষণ করা হয়। অভিযুক্ত ধর্ষণের সময় ধারালো অস্ত্র (হাসুয়া) দেখিয়ে শিশুটিকে ভয়ভীতি দেখায় এবং জোরপূর্বক নিপীড়ন চালায়।

    শিশুটি চিৎকার করলে পাশের বাড়ির এক মহিলা ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছালে অভিযুক্ত পালিয়ে যায়। ঘটনার সময় শিশুটির পরিবারের কেউ বাড়িতে ছিলেন না।

    শিশুটির বাবা এ ঘটনায় নিজেই বাদী হয়ে নারী ও শিশুশি³র নির্যাতন দমন আইন-৯(১) ধারায় ফকিরহাট থানায় মামলা করেন (মামলা নং-৭; তারিখ-১১/১১/২০২৫ইং)। মামলার একমাত্র আসামি ঘটনাস্থল ছাড়ার পর থেকে পলাতক ছিল।

    পুলিশ বলেছে, প্রায় চার মাসের অনুসন্ধানের পর গোপন সংবাদের ওপর ভিত্তি করে র‌্যাব-৭ বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের পটিয়া থেকে রমজানকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের খবর পেয়ে ভিকটিমের পরিবার পরিস্থিতি দেখে সন্তোষ প্রকাশ করে।

    ফকিরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম জানান, ধর্ষণ মামলার এজাহারভূক্ত একমাত্র আসামিকে শনিবার আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। তদন্ত চলমান রয়েছে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • ফকিরহাটে ৯ বছরের শিশুর ধর্ষণ মামলার আসামী মো. রমজান মোড়ল চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার

    ফকিরহাটে ৯ বছরের শিশুর ধর্ষণ মামলার আসামী মো. রমজান মোড়ল চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার

    ফকিরহাটে আলোচিত এক ধর্ষণ মামলার একমাত্র আসামী মো. রমজান মোড়ল (৭০)কে চট্টগ্রামের পটિયા থেকে গ্রেপ্তার করে ফকিরহাট থানার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। তাকে শনিবার (৭ মার্চ) দুপুরে ফকিরহাট মডেল থানা থেকে বাগেরহাট আদালতে পাঠানো হয়।

    গ্রেপ্তারকৃত রমজান মোড়ল উপজেলার কামটা গ্রামের মৃত পাচু মোড়লের ছেলে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ৩০ অক্টোবর উপজেলার এক দরিদ্র ভ্যানচালকের বাড়ির ৯ বছর বয়সী মাদ্রাসা ছাত্রী বাড়ির পাশে খেলতে থাকা অবস্থায় পাশের বাড়ির অন্য কিছু শিশুর সঙ্গে থাকা অবস্থায় রমজান তাকে ফাঁকা বাড়িতে ডেকে নিয়ে যান। সেখানে শিশুটিকে বাড়ির গোয়াল ঘরে নিয়ে গিয়ে ধারালো অস্ত্র (হাসুয়া) দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করার অভিযোগ রয়েছে।

    শিশুটি চিৎকার করলে পাশের বাড়ির এক নারী দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে রমজান পালিয়ে যায়। ঘটনার সময় শিশুটির পরিবারের কেউ বাড়িতে ছিলেন না বলে জানা গেছে।

    শিশুটির বাবা বাদী হয়ে মো. রমজান মোড়লকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন-৯(১) ধারায় ফকিরহাট থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করেন (মামলা নং-৭, এজাহার তারিখ-১১/১১/২০২৫ ইং)। অভিযোগের পর রমজান এলাকায় থেকে পালিয়ে যায়।

    এজাহারভুক্ত একমাত্র আসামিকে খুঁজতে তদন্ত পরিচালনা করার পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৭ বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের পটিয়া থেকে রমজানকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের পর তাকে স্থানীয় পটিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয় এবং পরবর্তীকালে ফকিরহাট মডেল থানা পুলিশ শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টায় তাকে ফকিরহাটে নিয়ে আসে।

    ফকিরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম জানান, ধর্ষণ মামলার একমাত্র অভিযুক্ত মো. রমজান মোড়লকে শনিবার দুপুরে প্রতিবেদনসহ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের খবর দুর্ঘটনায় আহত পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে সন্তোষের সঞ্চার করেছে। নিরাপত্তা ও ন্যায়প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার কথাও পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।

  • ইবি শিক্ষিকা আসমা সাদিয়া রুনা হত্যায় দুই শিক্ষক ও এক কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত

    ইবি শিক্ষিকা আসমা সাদিয়া রুনা হত্যায় দুই শিক্ষক ও এক কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত

    ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) প্রশাসন সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনজন কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে। একই সঙ্গে ঘটনার তীব্রতা ও জটিলতা বিবেচনায় পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয় — এই নির্দেশনা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তর শনিবার পৃথক অফিস আদেশে জারি করে।

    অফিস আদেশে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরি শৃঙ্খলা বিধির ১৫(খ) ধারা অনুযায়ী তিনজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বরখাস্ত তালিকায় আছেন আয়েশা সিদ্দিকা হলের সহকারী রেজিস্ট্রার, পাশাপাশি মামলার আসামি হিসেবে নাম রয়েছে বিশ্বজিৎ কুমার বিশ্বাস (২নং আসামি), সমাজকল্যাণ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও মামলার ৩নং আসামি শ্যাম সুন্দর সরকার এবং একই বিভাগের অন্য সহকারী অধ্যাপক ও মামলার ৪নং আসামি হাবিবুর রহমান। বরখাস্তকালীন সময়ে তাঁরা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী জীবনধারণ ভাতা পাবেন বলে আদেশে উল্লেখ আছে।

    হারানো শিক্ষকের হত্যাকাণ্ডের ঘটনার স্বচ্ছ ও দ্রুত তদন্তের লক্ষ্যে গঠন করা তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে হিসাববিজ্ঞান ও তথ্যপদ্ধতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমানকে, আর উপ-রেজিস্ট্রার (শিক্ষা) গোলাম মওলাকে করা হয়েছে সদস্যসচিব। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন বাংলা বিভাগের অধ্যাপক রশিদুজ্জামান, ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ওবায়দুল ইসলাম এবং লালন শাহ হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক গাজী আরিফুজ্জামান খান। প্রশাসন কমিটিকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছে।

    আবেগে ক্ষুব্ধ সমাজকল্যাণ বিভাগের শিক্ষার্থীরা ওই হত্যাকাণ্ডের দায়ে জড়িতদের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার জন্য এবং অন্যান্য দাবি জানিয়েও উপাচার্যের কাছে পাঁচ দফা স্মারকলিপি দিয়েছেন। তাদের দাবি তালিকায় আছে নিহত আসমা সাদিয়া রুনার পরিবারের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, বিভাগের সকল একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম দ্রুত পুনঃচলমান করা, বিভাগ প্রতিষ্ঠার থেকে চলা সব আর্থিক লেনদেনের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে প্রতিবেদন প্রকাশ করা এবং আসমা সাদিয়ার স্মৃতি স্মরণীয় রাখতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নামকরণ করা—এসব বিষয় দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি করা হয়েছে।

    এদিকে আগামীকাল (রোববার) সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের উদ্যোগে আসমা সাদিয়া রুনার স্মরণে শোকসভা ও দোয়া মাহফিল আয়োজিত হবে। বিশ্ববিদ্যালয় সম্প্রদায় ও শিক্ষার্থীরা হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি নিয়ে গভীর সচেতনতা ও দ্রুত ন্যায়বিচার দাবিতে একযোগে এগিয়ে আসছেন। প্রশাসন তদন্ত ও বিচারের প্রক্রিয়া দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন করার আশ্বাস দিয়েছে।

  • ইবি: আসমা সাদিয়া রুনা হত্যায় দুই শিক্ষক ও এক কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত, পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি

    ইবি: আসমা সাদিয়া রুনা হত্যায় দুই শিক্ষক ও এক কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত, পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি

    ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তিনজনকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে এবং একই ঘটনার তদন্তের জন্য পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। শনিবার রেজিস্ট্রার দপ্তর থেকে পৃথক অফিস আদেশে এই তথ্য জানানো হয়।

    অফিস আদেশে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরি শৃঙ্খলা বিধির ১৫(খ) ধারা অনুযায়ী ওই তিনজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বরখাস্তকৃতদের মধ্যে রয়েছেন আয়েশা সিদ্দিকা হলে অফিসে থাকা সহকারী রেজিস্ট্রার বিশ্বজিৎ কুমার বিশ্বাস (হত্যা মামলার ২ নম্বর আসামি), সমাজকল্যাণ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও মামলার ৩ নম্বর আসামি শ্যাম সুন্দর সরকার এবং একই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও মামলার ৪ নম্বর আসামি হাবিবুর রহমান। বরখাস্তের সময় তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী জীবনধারণ ভাতা পাবেন বলেও আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

    তদন্ত কমিটিতে হিসাববিজ্ঞান ও তথ্যপদ্ধতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমানকে আহ্বায়ক করে নিয়োগ করা হয়েছে এবং উপ-রেজিস্ট্রার (শিক্ষা) গোলাম মওলাকে সদস্যসচিব করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন বাংলা বিভাগের অধ্যাপক রশিদুজ্জামান, ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ওবায়দুল ইসলাম এবং লালন শাহ হলে প্রভোস্ট অধ্যাপক গাজী আরিফুজ্জামান খান। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কমিটিকে দ্রুততম সময়ে ঘটনার সঠিক তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে।

    এদিকে সমাজকল্যাণ বিভাগের শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের কাছে একটি স্মারকলিপি দিয়ে-five দফা দাবি তুলেছেন। তাদের দাবি ছিল- আসমা সাদিয়া রুনার পরিবারের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, দ্রুত বিভাগীয় সকল একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পুনরায় চালু করা, বিভাগের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সব আর্থিক লেনদেনের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে প্রতিবেদন প্রকাশ করা, আসমা সাদিয়া রুনার স্মৃতি স্মরণীয় রাখতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নামকরণ করা এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা (১৫ দিনের মধ্যে)।

    এ ছাড়া সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের উদ্যোগে আগামীকাল আসমা সাদিয়া রুনার স্মরণে শোকসভা ও দোয়া মাহফিল আয়োজন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবং ছাত্রসমাজের উদ্যোগে তদন্ত ও দায়ভার নিশ্চিত করার অগ্রগতি নিয়ে ভবিষ্যতে সরকারি ও প্রশাসনিক পর্যায়ে আরও তথ্য জানানো হবে।