Category: অর্থনীতি

  • এসএসসি: সিসি ক্যামেরা আইডি ও প্রশ্নপত্র গ্রহণকারীর তথ্য জমা দেওয়ার ‘অতীব জরুরি’ নির্দেশ

    এসএসসি: সিসি ক্যামেরা আইডি ও প্রশ্নপত্র গ্রহণকারীর তথ্য জমা দেওয়ার ‘অতীব জরুরি’ নির্দেশ

    ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড আসন্ন এসএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে কেন্দ্রগুলোর জন্য ‘অতীব জরুরি’ নির্দেশনা জারি করেছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রত্যেক কেন্দ্রে ব্যবহৃত সিসি ক্যামেরার আইডি ও পাসওয়ার্ডের পাশাপাশি ট্রেজারি থেকে যে শিক্ষক বা কর্মচারীরা প্রশ্নপত্র গ্রহণ করবেন তাদের নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর বিস্তারিতভাবে পাঠাতে হবে। শিক্ষাবোর্ড এসব তথ্য জোরদার পর্যবেক্ষণ এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য চাইছে।

    বোর্ডের বিজ্ঞপ্তি রোববার (১৯ এপ্রিল) জারি করা হয়েছিল। নির্দেশনায় বলা হয়েছে যে এসব তথ্য আজ রোববার অফিস সময়ের মধ্যেই নির্ধারিত ই-মেইল ঠিকানায় পাঠাতে হবে। কেন্দ্রগুলোকে তাৎক্ষণিকভাবে এসব তথ্য জমা দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

    এছাড়া বোর্ড স্মরণ করিয়েছে যে, প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হবে আগামী ২১ এপ্রিল, প্রথম দিনে বাংলা প্রথমপত্র অনুষ্ঠিত হবে। লিখিত পরীক্ষা ২০ মে পর্যন্ত চলবে। ব্যবহারিক পরীক্ষা ৭ জুন থেকে শুরু হয়ে ১৪ জুন পর্যন্ত চলবে।

    কেন্দ্র পরিচালক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নির্দেশনা মেনে সময় মতো তথ্য পাঠিয়ে পরীক্ষার নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে গুরুত্ব দেবেন বলে বোর্ড অনুরোধ করেছে।

  • এপ্রিলের প্রথম ১৮ দিনে রেমিট্যান্স ১৮০ কোটি ডলার

    এপ্রিলের প্রথম ১৮ দিনে রেমিট্যান্স ১৮০ কোটি ডলার

    এপ্রিলের প্রথম ১৮ দিনে বৈধ পথে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশে পাঠিয়েছে ১৮০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স। প্রতি ডলার ১২৩ টাকা ধরে এটিকে স্থানীয় মুদ্রায় হিসাব করলে পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ২২ হাজার ১৪০ কোটি টাকা, জানায় বাংলাদেশ ব্যাংক। এই রেমিট্যান্স গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৬.২ শতাংশ বেশি—রোববার নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য দিয়েছেন।

    চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৮১৭ কোটি ৭০ লাখ ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স ছিল ২ হাজার ৩৪৭ কোটি ৯০ লাখ ডলার। ফলে আলোচ্য সময়ে রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২০.২ শতাংশ।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, হুন্ডি প্রতিরোধে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উদ্যোগ, প্রণোদনা এবং ব্যাংকিং চ্যানেলের কার্যকারিতা বৃদ্ধিই রেমিট্যান্স আয় বাড়াতে প্রধান ভূমিকা রেখেছে।

    ব্যাংকটির মাসভিত্তিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী চলতি অর্থবছরে প্রবাসী আয় ছিল— জুলাই: ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ ডলার; আগস্ট: ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ডলার; সেপ্টেম্বর: ২৬৮ কোটি ৫৫ লাখ ডলার; অক্টোবর: ২৫৬ কোটি ২৪ লাখ ডলার; নভেম্বর: ২৮৮ কোটি ৯৭ লাখ ডলার; ডিসেম্বরে: ৩২২ কোটি ৩৬ লাখ ডলার; জানুয়ারি: ৩১৭ কোটি ১৬ লাখ ডলার; ফেব্রুয়ারি: ৩০২ কোটি ডলার; এবং মার্চ: ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক আশা করছে, ব্যাংকিং ব্যবস্থার উন্নতি ও প্রণোদনা অব্যাহত থাকলে রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও স্থিতিশীলভাবে বৃদ্ধি পাবে।

  • প্রবাসী আয়ে ফের রিজার্ভ ছাড়ালো ৩৫ বিলিয়ন ডলার

    প্রবাসী আয়ে ফের রিজার্ভ ছাড়ালো ৩৫ বিলিয়ন ডলার

    গত মার্চ মাসে বাংলাদেশে রেকর্ড পরিমাণ প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) এসেছে, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই ধারা চলতি এপ্রিলেও অব্যাহত থাকায় পরিস্থিতি ইতিবাচক দিকে এগোচ্ছে। এর ফলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক আবারও ডলার কিনতে শুরু করেছে এবং দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ধীরে ধীরে বেড়ে ৩৫ বিলিয়ন ডলার ছুঁয়েছে।

    বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের মোট রিজার্ভ ছিল ৩৫ দশমিক ০৪ বিলিয়ন ডলার। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব অনুযায়ী, এই রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩০ দশমিক ৩৬ বিলিয়ন ডলার। এক মাস আগে, ১৬ মার্চ, মোট রিজার্ভ ছিল ৩৪ দশমিক ২২ বিলিয়ন ডলার এবং হিসেবে হিসাবে ২৯ দশমিক ৫২ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ, এক মাসের মধ্যে রিজার্ভ প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি পেয়েছে।

    তবে পুরো রিজার্ভের যে অংশ ব্যবহারযোগ্য, সেটি মোট রিজার্ভের সমান নয়। স্বল্পমেয়াদি দায় ও অন্যান্য বাধ্যবাধকতা বাদ দিলে দেশের প্রকৃত বা নেট ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ হয়, যা দেশের অর্থনীতির জন্য সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভের হিসাব করে, যেখানে আইএমএফের এসডিআর, ব্যাংকগুলোর বৈদেশিক মুদ্রা ক্লিয়ারিং হিসাব ও অন্যান্য কিছু অপ্রয়োজনীয় হিসাব বাদ দেওয়া হয়। এ তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ না হলেও, বাংলাদেশ ব্যাংকের সূত্র জানায় বর্তমানে দেশের এই ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ রয়েছে প্রায় ২৭ বিলিয়ন ডলার। প্রতি মাসে আনুমানিক ৫ বিলিয়ন ডলার আমদানি ব্যয় ধরে হিসাব করলে, এ রিজার্ভ দিয়ে দেশের প্রয়োজনীয় আমদানি পাঁচ মাসের বেশি চালানো সম্ভব। সাধারণত, অন্তত তিন মাসের আমদানি খরচের সমপরিমাণ রিজার্ভকে নিরাপদ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

    অতীতে, যখন রিজার্ভ চাপে পড়ে তা ১৪ বিলিয়ন ডলার নিচে নেমে গিয়েছিল, তখন বৈদেশিক ঋণ ও বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ডলার সংগ্রহ করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। ২০২৪ সালের আগস্টে, অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর, নতুন গভর্নর আহসান এইচ মনসুর রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি কমিয়ে দেন। পাশাপাশি হুন্ডি ও অর্থপাচার ঠেকানোর জন্য নানা কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়, বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা জোরদার করা হয় ও বিভিন্ন উৎস থেকে ডলার সরবরাহ বাড়ানো হয়। এর ফলে রিজার্ভ ধীরে ধীরে স্বাভাবিক অবস্থানে ফিরে আসে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, প্রবাসী আয়ের প্রবাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশকে বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ সমৃদ্ধ হচ্ছে এবং রিজার্ভ শক্তিশালী হচ্ছে। তিনি বলেন, বাজারে ডলারের দাম যাতে খুব বেশি না পড়ে, তা নিশ্চিত করার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলার কিনছে, ফলে রিজার্ভ পরিস্থিতি ভালো। তবে, ডলারের দাম খুব বেশি কমে গেলে প্রবাসী আয় ও রপ্তানি খাত ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে তিনি সতর্ক করেন।

    বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, ২০২১ সালের আগস্টে দেশের রিজার্ভ ছিল ইতিহাসের সর্বোচ্চ ৪৮ বিলিয়ন ডলার, তখন ডলারের বিনিময় হার ছিল ৮৪ টাকা ২০ পয়সা। তবে পরে ঋণ অনিয়ম, অর্থপাচারসহ নানা কারণে রিজার্ভ কমে যায়। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট, সরকারের পতনের সময়, রিজার্ভ নেমে আসে ২৫.৯২ বিলিয়ন ডলার, যা আইএমএফের হিসাব অনুযায়ী ২০.৪৮ বিলিয়ন ডলার। তখন বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে অস্থিরতা দেখা দেয় ও ডলের দাম ১২০ টাকার ওপরে উঠে যায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে তখন বিভিন্ন ধরনের আমদানিতে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়।

    পরবর্তী সময়ে, দায়িত্ব নেওয়া অন্তর্বর্তী সরকার ডলারের বিনিময় হার বাজারভিত্তিক করার পাশাপাশি, প্রবাসী আয়ের উৎস বাড়ানোর ও আমদানির ওপর বিধিনিষেধ শিথিলের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বিভিন্ন উদ্যোগের ফলে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়তে থাকায় রিজার্ভ আবারও পুনরুদ্ধার হতে শুরু করে।

    চলতি এপ্রিলের প্রথম ১৫ দিনে দেশে পাঠানো হয়েছে ১৭৯ কোটি ডলার, যা গত বছরের সেই সময়ের তুলনায় ২১.৫ শতাংশ বেশি। এই ধারাবাহিক বৃদ্ধির ফলে, বাংলাদেশ ব্যাংক ইতিমধ্যে ৫৬১ কোটি ডলার কিনেছে ব্যাংকগুলো থেকে, যার ফলে রিজার্ভ আবারও শক্ত অবস্থানে ফিরছে।

    অন্তর্বর্তী বিশ্ব পরিস্থিতির কারণে, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা থাকায় জ্বালানি তেলের দাম অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে রিজার্ভের বৃদ্ধি অনেকটাই স্বস্তিদায়ক বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • এশিয়ার জন্য উদ্ভাবনী হোম সলিউশন ও ভবিষ্যতের পরিকল্পনা তুলে ধরল LG Electronics

    এশিয়ার জন্য উদ্ভাবনী হোম সলিউশন ও ভবিষ্যতের পরিকল্পনা তুলে ধরল LG Electronics

    বিশ্বখ্যাত ইলেকট্রনিকস ব্র্যান্ড LG Electronics (LG) সম্প্রতি কোরিয়ার বুসানে অনুষ্ঠিত LG InnoFest 2026 APAC-এ এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের জন্য তাদের সর্বশেষ উদ্ভাবনী হোম অ্যাপ্লায়েন্স ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা উপস্থাপন করেছে। এই অনুষ্ঠানে এশিয়া প্যাসিফিক এলাকার প্রায় ২০টি দেশ থেকে এসেছে আরো এক হাজারের বেশি ব্যবসায়িক পার্টনার, মিডিয়া প্রতিনিধি ও প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ, যারা একসাথে অংশগ্রহণ করেন এই আয়োজনে। এটি LG এর ২০২৬ সালে অনুষ্ঠিত ইনোফেস্ট সিরিজের অন্যতম বড় ও গুরুত্বপূর্ন ইভেন্ট।

    ‘নতুন ভাবনা, একসাথে এগিয়ে’ এই থিমের অধীনে, LG চালিয়ে যাচ্ছে এমন প্রযুক্তি উন্নয়ন যা এশীয় ভোক্তাদের জীবনযাত্রা আরও সহজ, আরামদায়ক ও টেকসই করে তুলবে। গ্রাহকদের অভ্যাস ও সংস্কৃতি বিবেচনায় রেখে, LG অঞ্চলভিত্তিক অর্গানাইজেশনের সঙ্গে মিলে স্থানীয় বাজারের জন্য বাস্তবসম্মত সমাধান নিয়ে আসছে।

    বাংলাদেশসহ উপমহাদেশের জন্য LG তাদের Laundry Care শাখায় নতুন শক্তিশালী পণ্য নিয়ে এসেছে, যার মধ্যে রয়েছে নতুন WashTower™ লাইনআপ। এতে রয়েছে ২৫ ইঞ্চি এবং অন্যান্য পার্শ্ববর্তী সংস্করণ, যা ছোট জায়গায় থাকা সুবিধা নিয়ে এসেছে। এটি সম্পূর্ণভাবে কার্যকর ও স্থায়ী সমাধান, বিশেষ করে টি যেখানে জায়গা কম সেখানে।

    নতুন ডিজাইনের টপ লোড ওয়াশারগুলোতে যুক্ত হয়েছে AI Direct Drive™ (AI DD™) প্রযুক্তি, যা কাপড়ের ধরন ও ময়লার পরিমাণ অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয়ভাবে ওয়াশ মুভমেন্ট সামঞ্জস্য করে। TurboWash™ 3D প্রযুক্তির মাধ্যমে, এই ওয়াশার ৩০ মিনিটের মধ্যে সম্পূর্ণ ধোয়ার প্রক্রিয়া শেষ করতে সক্ষম। এছাড়াও, ডিটারজেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্ধারণের জন্য রয়েছে এটির উন্নত সিস্টেম।

    আরও আছে LG WashCombo™ অল ইন ওয়ান ওয়াশার ড্রায়ার, যা একসাথে কাপড় ধোয়া ও শুকানোর সুবিধা দেয়। Inverter HeatPump™ প্রযুক্তি বিদ্যুৎ সাশ্রয় করে, যা বাংলাদেশসহ এশিয়ার ভোক্তাদের জন্য বেশ উপকারী।

    নতুন প্রজন্মের স্মার্ট রান্নাঘর সমাধান হিসেবে LG বিশেষ ভাবে আনছে ফিট অ্যান্ড ম্যাক্স ডিজাইনে বিল্ট-ইন রেফ্রিজারেটর। এর Zero Clearance Hinge দেয়াল থেকে ফাঁকা জায়গা না থাকা সত্ত্বেও সহজে ইনস্টলযোগ্য হয় এবং মার্জিত লুকের পাশাপাশি storage capacity বাড়িয়েছ। এর Ice Solution প্রযুক্তিতে রয়েছে চার ধরনের বরফের অপশন—Craft Ice™, Cubed, Crushed ও Mini Craft—যা দৈনন্দিন কাজে এবং অতিথি আপ্যায়নে অত্যন্ত কার্যকর।

    ডিশওয়াশার বিভাগে LG এক ঘণ্টার দ্রুত ওয়াশ ও ড্রাই সাইকেল, QuadWash™ Pro ও ডাইনামিক Heat Dry+ প্রযুক্তি চালু করেছে, যা দ্রুত এবং স্বাস্থ্যকর পরিষ্কারের নিশ্চয়তা দেয়। অধিকন্তু, LG এর বেশিরভাগ মডেলে এনার্জি এফিসিয়েন্সি এ গ্রেড অর্জিত হয়েছে।

    স্মার্ট হোম অভিজ্ঞতায় LG তুলে ধরেছে AI Home Vision এর নতুন দিক, যেখানে ThinQ ON™ AI Home Hub এর মাধ্যমে সব স্মার্ট অ্যাপ্লায়েন্স ও IoT ডিভাইসগুলো একসাথে সংযুক্ত ও নিয়ন্ত্রিত হয়। এই প্ল্যাটফর্ম ধীরে ধীরে এশিয়ার অন্যান্য বাজারেও চালু হচ্ছে।

    LG এর উদ্যোগে, সাবস্ক্রিপশন সার্ভিস LG Subscribe এর আওতা বাড়ছে, যেখানে গ্রাহকরা কিস্তিতে পণ্য ব্যবহারের পাশাপাশি রক্ষণাবেক্ষণ সুবিধা পাবেন। এটি ভবিষ্যতে বাংলাদেশের মতো বাজারে আরও ব্যাপক সম্ভাবনা দেখাচ্ছে।

    LG Electronics Asia Pacific এর আঞ্চলিক CEO জেসুং কিম বলেন, “এশিয়া আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও দ্রুতবর্ধনশীল বাজার। InnoFest 2026 আমাদের পার্টনারদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার জন্য একটি দুর্দান্ত প্ল্যাটফর্ম। আমরা এখানেই স্থানীয় জীবনধারা বিবেচনায় রেখে AI চালিত হোম সলিউশনের উন্নয়ন করছি।”

    LG Home Appliance Solution Company বিশ্বমানের হোম অ্যাপ্লায়েন্স ও AI হোম সলিউশনে নেতৃস্থানীয় প্রতিষ্ঠান। এর উদ্ভাবনী প্রযুক্তি, শক্তি সাশ্রয়ী ডিজাইন ও টেকসই সমাধান এর মাধ্যমে গ্রাহকদের জীবনমান উন্নত করে চলেছে। বিস্তারিত দেখতে ভিজিট করুন: www.LG.com/global/newsroom/

  • এসএসসি পরীক্ষা পরিচালনার জন্য জরুরি নির্দেশনা: সিসি ক্যামেরা ও প্রশ্নপত্র বিষয়ক বিধিনিষেধ

    এসএসসি পরীক্ষা পরিচালনার জন্য জরুরি নির্দেশনা: সিসি ক্যামেরা ও প্রশ্নপত্র বিষয়ক বিধিনিষেধ

    আসন্ন এসএসসি পরীক্ষা উৎসবমুখর ও নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করার জন্য ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা জারি করেছে। কেন্দ্রগুলোকে দ্রুত ও স্পষ্টভাবে সিসি ক্যামেরার আইডি ও পাসওয়ার্ডের তথ্য, একই সঙ্গে প্রশ্নপত্র গ্রহণকারি শিক্ষক ও কর্মচারীদের নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নম্বরের তথ্য পাঠানোর জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। এই তথ্য পাঠানো বিশেষ করে জরুরি হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।

    বোর্ডের রোববার (১৯ এপ্রিল) প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও কর্মচারীদের তথ্য, যাদের মাধ্যমে প্রশ্নপত্র গ্রহণ ও পর্যবেক্ষণ হবে, তা নির্ধারিত ই-মেইল [email protected] এ পাঠাতে হবে। এই নির্দেশনা অনুযায়ী, আজ রবিবারের মধ্যে এই তথ্য পাঠানোর বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

    প্রসঙ্গত, শিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, এবছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হবে আগামী ২১ এপ্রিল। প্রথম দিন বাংলা প্রথমপত্রের পরীক্ষা নেওয়া হবে। লিখিত পরীক্ষার শেষ দিন ২০ মে, এবং পরে ৭ জুন থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত হবে ব্যবহারিক পরীক্ষা। এই সময়সূচি সফলভাবে সম্পন্ন করতে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষণ ও সচেতনতাকে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।

  • এপ্রিলের ১৮ দিনে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৮০ কোটি ডলার

    এপ্রিলের ১৮ দিনে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৮০ কোটি ডলার

    এপ্রিলের প্রথম ১৮ দিনে দেশে বৈধ পথে প্রবাসী বাংলাদেশিরা পাঠিয়েছেন মোট ১৮০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স। ঐ সময়ে প্রতি ডলার একুশে তিন টাকা মানে বাংলাদেশের স্থানীয় মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ২২ হাজার ১৪০ কোটি টাকা। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এই রেমিট্যান্সের পরিমাণ ১৬.২ শতাংশ বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে এপ্রিলের প্রথম ১৮ দিন পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৮১৭ কোটি ৭০ লাখ ডলার, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ২ হাজার ৩৪৭ কোটি ৯০ লাখ ডলার। অর্থাৎ এই সময়ে রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধিতে প্রায় ২০.২ শতাংশ বৃদ্ধি ঘটে।

    বিশ্লেষকরা বলছেন, হুন্ডি প্রতিরোধে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ, প্রণোদনা কর্মসূচি এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থার উন্নয়ন রেমিট্যান্সের পরিমাণ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুসারে, চলতি অর্থবছরে মাসভিত্তিক প্রবাসী আয়ের পরিমাণ হলো: জুলাইয়ে ২৪৭.৭৮ কোটি ডলার, আগস্টে ২৪২.১৮ কোটি ডলার, সেপ্টেম্বর ২৬৮.৫৫ কোটি ডলার, অক্টোবরে ২৫৬.২৪ কোটি ডলার, নভেম্বর ২৮৮.৯৭ কোটি ডলার, ডিসেম্বরে ৩২২.৩৬ কোটি ডলার, জানুয়ারিতে ৩১৭.১৬ কোটি ডলার, ফেব্রুয়ারিতে ৩০২ কোটি ডলার, এবং মার্চ মাসে রেকর্ড ৩৭৫.৫০ কোটি ডলার।

  • ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ শর্তে স্বল্প সুদে ঋণের ঐতিহাসিক চুক্তি এসএমই ফাউন্ডেশন ও প্রাইম ব্যাংকের মধ্যে

    ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ শর্তে স্বল্প সুদে ঋণের ঐতিহাসিক চুক্তি এসএমই ফাউন্ডেশন ও প্রাইম ব্যাংকের মধ্যে

    দেশের শিল্পখাতে উন্নয়নে নতুন এক গtantমান পদক্ষেপ হিসেবে, কুটির, Micro, ক্ষুদ্র ও মাঝারি (CMSME) শিল্পের উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ শর্তে এবং কম সুদে অর্থায়নের বাস্তবসম্মত উপায় খুঁজে বের করার লক্ষ্যে এসএমই ফাউন্ডেশন এবং প্রাইম ব্যাংক একত্রে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো দেশের তৃণমূল পর্যায়ে অর্থনৈতিক গতিশীলতা বাড়ানো, যাতে ছোট ও মাঝারি শিল্পের উদ্যোক্তারা সহজে এবং দ্রুত তাদের ব্যবসা বিস্তার করতে পারেন। সরকারের ৩০০ কোটি টাকার ‘রিভলভিং ফান্ড’-এর আওতায় এবং শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দিষ্ট নীতিমালা অনুসারে এই বিনিয়োগ প্রক্রিয়া বাস্তবায়িত হচ্ছে। সম্প্রতি ঢাকায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই চুক্তি স্বাক্ষর করেন উভয় প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তারা, যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিল্প, বাণিজ্য ও বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি এই উদ্যোগের মাধ্যমে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য ব্যবসা-বান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার আত্মবিশ্বাস ব্যক্ত করেন।

    চুক্তির অধীনে, প্রাইম ব্যাংক যোগ্য উদ্যোক্তাদের জন্য বছরে সর্বোচ্চ ৮ শতাংশ সুদে স্বল্পমূল্যের ঋণ প্রদান করবে। এই অর্থায়ন সুবিধাটি খুব সহজলভ্য করে তোলা হয়েছে, যেখানে প্রতিষ্ঠানের ধরন অনুযায়ী কমপক্ষে ১ লক্ষ থেকে সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ নেওয়া সম্ভব। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য আর্থিক চাপ কমানোর লক্ষ্যে এই কর্মসূচিতে ঋণের পরিশোধের সময়সীমা সর্বোচ্চ চার বছর নির্ধারিত হয়েছে, যার মধ্যে একটি ছয় মাসের গ্রেস পিরিয়ডও অন্তর্ভুক্ত। এর ফলে, উদ্যোক্তারা তাদের ব্যবসা থেকে মুনাফা অর্জনের সময় পাবে এবং তা দিয়ে কিস্তি পরিশোধ শুরু করতে পারবে।

    এই প্রকল্পের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য হলো আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এবং সামাজিক সাম্যতা নিশ্চিত করা। চুক্তি অনুযায়ী, তহবিলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ নারী উদ্যোক্তাদের এবং নির্দিষ্ট শিল্প ক্লাস্টারগুলোর জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে। পাশাপাশি, আইটি সেক্টরের তরুণ উদ্ভাবক, আমদানি বিকল্প পণ্য উৎপাদনকারী, এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিপূর্ণ বা সুবিধাবঞ্চিত অঞ্চলের উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। ১০ লাখ টাকার বেশি ঋণের ক্ষেত্রে কোন জামানত বা সম্পত্তির বাধ্যবাধকতা নেই, ফলে সম্পদ না থাকা উদ্যোক্তরাও নিজেদের ব্যবসা উন্নয়নে অর্থ সংগ্রহের সুযোগ পাবেন।

    এসএমই ফাউন্ডেশন এবং প্রাইম ব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তারা এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। এই কর্মসূচি কেবল ঋণ দেয়ার মধ্যে সীমিত নয়, এটি পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ও টেকসই শিল্পায়নের দিকে আগ্রহী করে তুলবে। পাশাপাশি, এটি বিদেশে থেকে ফিরত আসা শ্রমশক্তিকে উৎপাদনশীল কর্মসংস্থানে যুক্ত করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

    প্রাইম ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম নাজিম এ. চৌধুরী এবং এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনোয়ার হোসেন চৌধুরী গুরুত্ব দিয়ে বলেছেন, এই অংশীদারিত্ব দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে।

  • এসএমই ফাউন্ডেশন ও প্রাইম ব্যাংকের চুক্তি: ক্ষুদ্র-মধ্যম উদ্যোক্তাদের সহজ শর্তে স্বল্প সুদে ঋণ

    এসএমই ফাউন্ডেশন ও প্রাইম ব্যাংকের চুক্তি: ক্ষুদ্র-মধ্যম উদ্যোক্তাদের সহজ শর্তে স্বল্প সুদে ঋণ

    দেশের কুটির, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি (CMSME) উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ শর্তে ও স্বল্প সুদে ঋণ নিশ্চিত করতে এসএমই ফাউন্ডেশন এবং প্রাইম ব্যাংকের মধ্যে পুনঃঅর্থায়ন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। সরকারের ৩০০ কোটি টাকার ‘রিভলভিং ফান্ড’ এবং ক্রেডিট হোলসেলিং নির্দেশিকা অনুযায়ী তৃণমূল পর্যায়ে অর্থনৈতিক গতিশীলতা বাড়ানোই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।

    সম্প্রতি ঢাকায় অনুষ্ঠিত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শিল্প, বাণিজ্য ও বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ ও ব্যবসা-বান্ধব পরিবেশ তৈরি করার সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন এবং এই তহবিলের মাধ্যমে উদ্যোক্তাদের সামর্থ্য বৃদ্ধিতে সরকারের সহায়তা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেন।

    চুক্তির আওতায় প্রাইম ব্যাংক যোগ্য উদ্যোক্তাদের বার্ষিক সর্বোচ্চ ৮ শতাংশ সুদে ঋণ প্রদান করবে। ঋণের পরিমাণ প্রতিষ্ঠান ও প্রকল্পের ধরন অনুযায়ী সর্বনিম্ন ১ লাখ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। আর্থিক চাপ কমাতে সর্বোচ্চ চার বছরের পে-ব্যাক পিরিয়ড রাখা হয়েছে, যার মধ্যে ছয় মাসের গ্রেস পিরিয়ডও রয়েছে—এতে উদ্যোক্তাদের ব্যবসা থেকে মুনাফা করে কিস্তি চালানোর সুযোগ মিলবে।

    আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ও সামাজিক সাম্য নিশ্চিত করাই এই কর্মসূচির প্রধান উদ্দেশ্যগুলোর মধ্যে একটি। তহবিলের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ নারী উদ্যোক্তা এবং নির্দিষ্ট শিল্পক্লাস্টারে কর্মরত উদ্যোক্তাদের জন্য সংরক্ষিত রাখার কথা নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়া আইসিটি খাতের তরুণ উদ্ভাবক, আমদানি-প্রতিস্থাপনী পণ্য উৎপাদনকারী এবং জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ বা সুবিধাবঞ্চিত অঞ্চলের উদ্যোক্তাদেরও অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

    বিশেষ সুবিধার মধ্যে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণের ক্ষেত্রে আনুষ্ঠানিক জামানত বা স্থাবর সম্পত্তি প্রদানের শর্ত না থাকায় পর্যাপ্ত সম্পদ নেই এমন উদ্যোক্তারা সহজে প্রাথমিক মূলধন সংগ্রহ করে ব্যবসা সম্প্রসারণ করতে পারবেন।

    এসএমই ফাউন্ডেশন ও প্রাইম ব্যাংকের শীর্ষ নেতৃত্ব এ তহবিলের জাতীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাবের প্রতি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। তারা বলছেন, এটি কেবল ঋণ প্রদানের মাঝেই সীমাবদ্ধ থাকবে না—পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ও টেকসই শিল্পায়নকে উৎসাহ দিয়ে এবং বিদেশ ফেরত অভিবাসীদের উৎপাদনশীল কর্মসংস্থানে যুক্ত করে আরও ব্যাপক উন্নয়নতথ্য ফলাফল আশা করা হচ্ছে।

    প্রাইম ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম নাজিম এ. চৌধুরী এবং এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনোয়ার হোসেন চৌধুরী উভয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে এই কৌশলগত অংশীদারিত্ব নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি বাংলাদেশের CMSME খাতের সামগ্রিক সক্ষমতাকেও শক্তিশালী করবে।

  • এসএসসি: সিসি ক্যামেরা ও প্রশ্নপত্র গ্রহণকারীদের তথ্য পাঠানোর ‘অতীব জরুরি’ নির্দেশ

    এসএসসি: সিসি ক্যামেরা ও প্রশ্নপত্র গ্রহণকারীদের তথ্য পাঠানোর ‘অতীব জরুরি’ নির্দেশ

    ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড এসএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নকলমুক্তভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে কেন্দ্রগুলোকে জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে। বোর্ড নির্দেশ দিয়েছে, প্রতিটি কেন্দ্র তাদের সিসি ক্যামেরা সংক্রান্ত তথ্য ও প্রশ্নপত্র প্রাপ্তির সাথে জড়িত ব্যক্তিদের বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে পাঠাবে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কেন্দ্রে স্থাপিত সিসি টিভি ক্যামেরার আইডি ও পাসওয়ার্ডসহ ট্রেজারি থেকে যারা শিক্ষক বা কর্মচারী হিসেবে প্রশ্নপত্র গ্রহণ করবেন তাদের নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর অবশ্যই প্রেরণ করতে হবে। এই সব তথ্য নির্ধারিত ই-মেইল ঠিকানায় পাঠানোর নির্দেশনা ‘অতীব জরুরি’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত ই-মেইল ঠিকানা হলো: [email protected] [/cdn-cgi/l/email-protection]।

    নির্দেশনা অনুযায়ী, কেন্দ্রগুলোকে রোববার (১৯ এপ্রিল) আজ অফিস সময়ের মধ্যে উক্ত ই-মেইলে এসব তথ্য পাঠাতে বলা হয়েছে। বোর্ডের এই ব্যবস্থা পরীক্ষার নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যেই নেওয়া হয়েছে।

    এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার সূচি অনুযায়ী השנה পরীক্ষা শুরু হবে ২১ এপ্রিল; প্রথম দিন বাংলা প্রথমপত্র অনুষ্ঠিত হবে। লিখিত পরীক্ষা শেষ হবে ২০ মে এবং ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ৭ জুন থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত।

  • এসএসসি পরীক্ষা: সিসি ক্যামেরা ও প্রশ্নপত্র গ্রহণকারীর তথ্য দাখিলের ‘অতীব জরুরি’ নির্দেশ

    এসএসসি পরীক্ষা: সিসি ক্যামেরা ও প্রশ্নপত্র গ্রহণকারীর তথ্য দাখিলের ‘অতীব জরুরি’ নির্দেশ

    ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড আসন্ন এসএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করতে কেন্দ্রগুলোর কাছে জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে। বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনাকে ‘অতীব জরুরি’ বলা হয়েছে।

    বোর্ড নির্দেশ করেছে যে প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্রে থাকা সিসি ক্যামেরার আইডি ও পাসওয়ার্ড এবং ট্রেজারি থেকে প্রশ্নপত্র গ্রহণ করার দায়িত্বে যারা নিয়োজিত থাকবেন তাদের নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নম্বরসহ আরও প্রাসঙ্গিক বিস্তারিত তথ্য নির্ধারিত ইমেইল ঠিকানায় আজ (রোববার) অফিস সময়ের মধ্যে পাঠাতে হবে।

    নির্দেশনায় বলা হয়েছে এসব তথ্য দ্রুত এবং যোগ্যভাবে পাঠানো জরুরি, যাতে কেন্দ্র পর্যায়ে পরীক্ষা পরিচালনা ও নজরদারির কাজে কোনো ঘাটতি না থাকে। কেন্দ্রগুলোকে বলা হয়েছে যে ইমেইলে পাঠানো তথ্য সঠিক ও হালনাগাদ হবে এবং প্রয়োজনে বোর্ড তা যাচাই করবে।

    শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার শুরু আগামী ২১ এপ্রিল। প্রথম দিনে বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। লিখিত পরীক্ষা সমাপ্ত হবে ২০ মে এবং ব্যবহারিক পরীক্ষা শুরু হবে ৭ জুন থেকে চলবে ১৪ জুন পর্যন্ত।

    কেন্দ্রসমূহকে নির্দেশনা মেনে তথ্য দ্রুত পাঠানোর জন্য শিক্ষা বোর্ডের অনুরোধ করা হয়েছে, যাতে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হতে পারে।