Category: অর্থনীতি

  • এসএসসি পরীক্ষা: সিসি ক্যামেরা ও প্রশ্নপত্র নিয়ে জরুরি নির্দেশনা

    এসএসসি পরীক্ষা: সিসি ক্যামেরা ও প্রশ্নপত্র নিয়ে জরুরি নির্দেশনা

    আসন্ন এসএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করার জন্য ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড একটি জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে। এই নির্দেশনার মধ্যে কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরার ব্যবস্থা এবং প্রশ্নপত্র গ্রহণের জন্য সংযুক্ত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের তথ্য পাঠানোর গুরুত্ব বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। বিষয়টি এতই গুরুত্বপূর্ণ যে তা ‘অতীব জরুরি’ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

    জারির দিনে বোর্ডের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সিসি টিভি ক্যামেরার আইডি ও পাসওয়ার্ড, পাশাপাশি প্রশ্নপত্র গ্রহণকারী শিক্ষক ও কর্মচারীদের নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর দ্রুততম সময়ে [email protected] এই ই-মেইলে পাঠাতে হবে। এ ছাড়াও, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অবশ্যই এ নির্দেশনা অনুযায়ী আজ রোববার অফিস সময়ের মধ্যে তথ্য পাঠানোর জন্য বলা হয়েছে।

    শিক্ষা বোর্ডগুলো অনুযায়ী, এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ২১ এপ্রিল শুরু হবে। প্রথম দিন বাংলা প্রথমপত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। লিখিত পরীক্ষা শেষ হবে ২০ মে। এর পরে, ৭ জুন থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত চলবে ব্যবহারিক পরীক্ষা। পরীক্ষাগুলির এই সময়সূচি অনুসারে, শিক্ষার্থীরা প্রস্তুতি নিচ্ছেন এবং কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষণ ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য প্রস্তুতি চলছে।

  • এসএমই ফাউন্ডেশন ও প্রাইম ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তিতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য সহজশর্তে ঋণে নতুন উদ্যোগ

    এসএমই ফাউন্ডেশন ও প্রাইম ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তিতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য সহজশর্তে ঋণে নতুন উদ্যোগ

    দেশের শিল্প খাতের উন্নয়নে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে এসএমই ফাউন্ডেশন ও প্রাইম ব্যাংক এক এখনো নতুন যুগের সূচনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তির মাধ্যমে কুটির, Micro, ক্ষুদ্র ও মাঝারি (CMSME) সেক্টরের উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ শর্তে ও স্বল্প সুদে ঋণ প্রদান করা হবে। সরকারের ৩০০ কোটি টাকার ‘রিভলভিং ফান্ড’ এবং ক্রেডিট হোলসেলিং নির্দেশিকার আওতায় এই সুবিধা চালু হচ্ছে, যা দ্বারা তৃণমূল পর্যায়ে অর্থনৈতিক গতিশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্য সেট করা হয়েছে। রাজধানীর একটি আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিল্প, বাণিজ্য ও বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, যিনি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য ব্যবসা-বান্ধব পরিবেশ গড়ায় সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

    চুক্তির অধীনে, প্রাইম ব্যাংক যোগ্য উদ্যোক্তাদের জন্য বার্ষিক সর্বোচ্চ ৮ শতাংশ সুদে স্বল্পমূল্যের ঋণ প্রদান করবে। এই ঋণ সুবিধা সহজলভ্য ও বিনামূল্যে ডিজাইন করা হয়েছে, যেখানে প্রতিষ্ঠানটির ধরন অনুযায়ী অপ্রয়োজনীয় উপকরণে সর্বনিম্ন ১ লাখ থেকে সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ নেওয়া সম্ভব। আর্থিক চাপ কমাতে এই কর্মসূচিতে ঋণের পরিশোধের মেয়াদ নির্ধারিত হয়েছে সর্বোচ্চ চার বছর, যার মধ্যে ছয় মাসের গ্রীস পিরিয়ডও রয়েছে। ফলে উদ্যোক্তারা ব্যবসার সুবিধাজনক সময়ের মধ্যে মুনাফা অর্জন করতে পারবেন।

    এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এবং সামাজিক সমতা নিশ্চিত করা। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, তহবিলের কিছু অংশ নারী উদ্যোক্তা, নির্দিষ্ট শিল্প ক্লাস্টার ও আইটি খাতের তরুণ উদ্ভাবক, আমদানি-প্রতিস্থাপন পণ্য উৎপাদনকারী, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকিপ্রাপ্ত অঞ্চলের উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষভাবে বরাদ্দ করা হয়েছে। এছাড়া, ১০ লাখ টাকার নিচে ঋণের ক্ষেত্রে কোন জামানত বা স্থাবর সম্পত্তির বাধ্যবাধকতা নেই, ফলে যারা পর্যাপ্ত সম্পদ রাখতে পারেন না, তারা নিজেদের ব্যবসা দ্রুত সম্প্রসারণে এগিয়ে আসতে পারবেন।

    উভয় প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ নেতারা এই তহবিলের প্রভাব নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। এ ছাড়া, এই কর্মসূচি কেবল ঋণ প্রদানেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহারে উৎসাহিত, টেকসই শিল্পায়ন ও বিদেশ ফেরত কর্মিদের জন্য কর্মসংস্থান তৈরি করতেও সহায়তা করবে। প্রাইম ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম নাজিম এ. চৌধুরী এবং এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনোয়ার হোসেন চৌধুরী এই পার্টনারশিপের মাধ্যমে বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পখাতের সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন।

  • দেশের বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ৭৮,০৬৭ মিলিয়ন ডলার: অর্থমন্ত্রী

    দেশের বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ৭৮,০৬৭ মিলিয়ন ডলার: অর্থমন্ত্রী

    বর্তমানে বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণের মোট পরিমাণ নির্ধারিত হয়েছে ৭৮ হাজার ৬৭৬ দশমিক ২০ মিলিয়ন ডলার। এতটাই বিশাল এই পরিমাণ অর্থের জন্য দেশটি আন্তর্জাতিক বাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করে থাকলে, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন। তিনি মঙ্গলবার বিকেলে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৮তম দিনে প্রশ্নোত্তর পর্বে এই তথ্য তুলে ধরেন।

  • এপ্রিলের ১৮ দিনে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১৮০ কোটি ডলার

    এপ্রিলের ১৮ দিনে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১৮০ কোটি ডলার

    এপ্রিলের প্রথম ১৮ দিনে দেশের বৈধ পথে প্রবাসী বাংলাদেশিরা মোট ১৮০ কোটি ডলার পাঠিয়েছে। এ পরিমাণ অর্থ দেশের বৈদেশিক রিজার্ভে যোগ হয়েছে, প্রতি ডলার মূল্য ধরে ১২৩ টাকা হওয়ায় এর মোট মূল্য প্রায় ২২ হাজার ১৪০ কোটি টাকা। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এই রেমিট্যান্সের পরিমাণ ১৬ দশমিক ২ শতাংশ বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, চলতি অর্থ বছরের জুলাই থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত মোট ২১৫ কোটি ৭০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা মোটেও কম নয়। এ সময়ের তুলনায় গত বছরে একই সময়ে রেমিট্যান্স ছিল ২১৪ কোটি ৭০ লাখ ডলার। এই সময়ের মধ্যে রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২০ দশমিক ২ শতাংশ।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হুন্ডি চিত্রের নিয়ন্ত্রণ, সরকারের সংশ্লিষ্ট উদ্যোগ, প্রণোদনা প্যাকেজ এবং ব্যাংকিং সেক্টরের উন্নয়ন রেমিট্যান্সের পরিমাণ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মাস ভিত্তিক প্রবাসী আয় বিভিন্ন মাসে যথাক্রমে: জুলাইয়ে ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ ডলার, আগস্টে ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ডলার, সেপ্টেম্বর ২৬৮ কোটি ৫৫ লাখ ডলার, অক্টোবর ২৫৬ কোটি ২৪ লাখ ডলার, নভেম্বর ২৮৮ কোটি ৯৭ লাখ ডলার, ডিসেম্বর ৩২২ কোটি ৩৬ লাখ ডলার, জানুয়ারিতে ৩১৭ কোটি ১৬ লাখ ডলার, ফেব্রুয়ারিতে ৩০২ কোটি ডলার, এবং মার্চে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার থাকছে। এ ধারা দেশের অর্থনীতির জন্য আশার আলো দেখাচ্ছে, যেখানে প্রবাসীরা সত্যিকার অর্থেই দেশের অর্থনীতিকে সহায়তা করে চলেছেন।

  • রেমিট্যান্সের পালে হাওয়া, ১৯ দিনে ছাড়াল দুই বিলিয়ন ডলার

    রেমিট্যান্সের পালে হাওয়া, ১৯ দিনে ছাড়াল দুই বিলিয়ন ডলার

    চলতি এপ্রিল মাসের প্রথম ১৯ দিনে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স এসেছে মোট ২.১৩ বিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ১৭ হাজার কোটি টাকা। এই সময়ে দৈনিক গড়ে প্রবাহ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১১ কোটি ১৯ লাখ ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, গত বছর একই সময়ে দেশের রেমিট্যান্স আসছিল মাত্র ১৭১ কোটি ৯০ লাখ ডলার, অর্থাৎ বছরের তুলনায় প্রবাহের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

    বিষয়ক বিশ্লেষকরা বলছেন, এপ্রিলের প্রথম ১৯ দিনের এই প্রবাহ দেশের অর্থনীতির জন্য খুবই ইতিবাচক। চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৮৩৩ কোটি ৬০ লাখ ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ২০ দশমিক ৬০ শতাংশ বেশি। এর আগে, মার্চ মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহ ছিল সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যাওয়ার মতো, মোট ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার, যা দেশের ইতিহাসে একক মাস হিসেবে সর্বোচ্চ রেকর্ড।

    অপরদিকে, জানুয়ারি এবং ফেব্রুয়ারি মাসে যথাক্রমে ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ডলার এবং ৩০২ কোটি ৭ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠানো হয়েছে। ডিসেম্বরে যা ছিল ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার, নভেম্বরের রেমিট্যান্স ছিল ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ডলার, আর অক্টোবর ছিল ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ। এসব ডেটা থেকে বোঝা যায়, বছরের শুরু থেকে এপ্রিলে মোট রেমিট্যান্স প্রবাহ স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি।

    বিশেষ পরিস্থিতির প্রভাবও পড়েছে বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা এবং সংকটের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে ডলের চাহিদা বেড়েছে, যার ফলশ্রুতিতে দেশের মুদ্রার বিপরীতে ডেলার দাম আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে, প্রবাসীরা দেশে টাকা পাঠাতে আরও বেশি টাকা পাচ্ছেন, যা দেশের অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক।

    অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করেন, যদি মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হয়, তবে দেশের অর্থনীতির উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। তারা মুদ্রার রিজার্ভ শক্ত অবস্থানে রাখার পরামর্শ দিয়ে বলছেন, এ ধরণের বৈদেশিক অর্থনীতির পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে হবে।

  • এপ্রিলের প্রথম ১৮ দিনে রেমিট্যান্স ১৮০ কোটি ডলার

    এপ্রিলের প্রথম ১৮ দিনে রেমিট্যান্স ১৮০ কোটি ডলার

    এপ্রিলের প্রথম ১৮ দিনে বৈধ চ্যানেলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা মোট ১৮০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। প্রতি ডলার ১২৩ টাকা ধরে এ যেন প্রায় ২২ হাজার ১৪০ কোটি টাকার সমতুল্য। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এটি ১৬.২ শতাংশ বেশি ছিল — রোববার এই তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত প্রায় ৯ মাসে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৮১৭ কোটি ৭০ লাখ ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময় এই পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৩৪৭ কোটি ৯০ লাখ ডলার, ফলে আলোচ্য সময়ে রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২০.২ শতাংশ।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, হুন্ডি প্রতিরোধে সরকারের ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নেওয়া উদ্যোগ, প্রণোদনা এবং ব্যাংকিং চ্যানেলের উন্নতি রেমিট্যান্স আয় বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেছে।

    মাসভিত্তিক প্রবাসী আয় ছিল যথাক্রমে: জুলাইয়ে ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ ডলার, আগস্টে ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ডলার, সেপ্টেম্বরে ২৬৮ কোটি ৫৫ লাখ ডলার, অক্টোবরে ২৫৬ কোটি ২৪ লাখ ডলার, নভেম্বরে ২৮৮ কোটি ৯৭ লাখ ডলার, ডিসেম্বরে ৩২২ কোটি ৩৬ লাখ ডলার, জানুয়ারিতে ৩১৭ কোটি ১৬ লাখ ডলার, ফেব্রুয়ারিতে ৩০২ কোটি ডলার এবং মার্চে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার।

  • রেমিট্যান্সের ঢলে উত্থান: ১৯ দিনে ২.১৩ বিলিয়ন ডলার দেশে এসেছে

    রেমিট্যান্সের ঢলে উত্থান: ১৯ দিনে ২.১৩ বিলিয়ন ডলার দেশে এসেছে

    চলতি এপ্রিল মাসের প্রথম ১৯ দিনে দেশে এসেছে ২.১৩ বিলিয়ন বা ২১২ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। এতে দৈনিক গড় প্রবাহ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১১ কোটি ১৯ লাখ ডলার। সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এই তথ্য জানান।

    মুখপাত্র জানান, গত বছরের একই সময়ে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১৭১ কোটি ৯০ লাখ ডলার। সেই তুলনায় চলতি বছরে রেমিট্যান্সের প্রবাহ বৃদ্ধি পেয়েছে।

    ব্যাংকটির প্রকাশ করা তথ্যে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৮৩৩ কোটি ৬০ লাখ ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ২০ দশমিক ৬০ শতাংশ বেশি।

    এর আগে গত মার্চে একক মাসে দেশে এসেছে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স, যা দেশের ইতিহাসে এক মাসে highest রেকর্ড ছিল। জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে যথাক্রমে এসেছে ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ডলার ও ৩০২ কোটি ৭ লাখ ডলার। ডিসেম্বরে রেমিট্যান্স ছিল ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ, নভেম্বরে ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ, অক্টোবর ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ এবং সেপ্টেম্বরে ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ডলার।

    মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা বৈদেশিক মুদ্রা মার্কেটেও প্রভাব ফেলেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে ডলারের চাহিদা বাড়ায় স্থানীয় মুদ্রার বিপক্ষে ডলারের বিনিময়হার বেড়ে গেছে, ফলে প্রবাসীরা দেশে টাকা পাঠালে তুলনামূলকভাবে বেশি টাকার পাবার সুযোগ পাচ্ছেন।

    অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করে বলছেন, যদি মধ্যপ্রাচ্যের সংকট দীর্ঘায়িত হয় তবে তা বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে। সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় তারা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্ত অবস্থায় রাখা ও তদারকি জোরদারের পরামর্শ দিয়েছেন।

  • রেমিট্যান্সের স্রোত তীব্র: ১৯ দিনে দেশে এসেছে ২.১৩ বিলিয়ন ডলার

    রেমিট্যান্সের স্রোত তীব্র: ১৯ দিনে দেশে এসেছে ২.১৩ বিলিয়ন ডলার

    চলতি এপ্রিলের প্রথম ১৯ দিনে দেশে এসেছে ২.১৩ বিলিয়ন বা ২১২ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। এতে দৈনিক গড় প্রবাহ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১১ কোটি ১৯ লাখ ডলার, সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এই তথ্য জানিয়েছেন। গত বছরের একই সময়ে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৭১ কোটি ৯০ লাখ ডলার, যা year-on-year তুলনায় স্পষ্ট বৃদ্ধি দেখায়।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত তথ্যে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৮৩৩ কোটি ৬০ লাখ ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ২০ দশমিক ৬০ শতাংশ বেশি। মার্চ মাসে একক মাস হিসেবে রেকর্ডভাবে আসে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

    অন্যান্য মাসগুলোতে প্রাপ্ত রেমিট্যান্স ছিল: জানুয়ারি ৩১৭ কোটি ৯ লাখ, ফেব্রুয়ারি ৩০২ কোটি ৭ লাখ, ডিসেম্বরে ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ, নভেম্বর ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ, অক্টোবর ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ এবং সেপ্টেম্বরে ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ডলার।

    মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা বৈদেশিক মুদ্রা বাজারেও প্রভাব ফেলেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে ডলারের চাহিদা বাড়ায় স্থানীয় মুদ্রার বিপরীতে ডলারের বিনিময় হার বেড়ে গেছে, ফলে প্রবাসীরা যখন টাকা পাঠাচ্ছেন তখন তুলনামূলকভাবে বেশি টাকাই পাচ্ছেন।

    অর্থনীতিবিদরা জানান, যদি মধ্যপ্রাচ্যের সংকট দীর্ঘায়িত হয় তবে তার প্রভাব বাংলাদেশে অর্থনীতিতে পড়তে পারে। সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় তারা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্ত অবস্থায় রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন, যাতে ভবিষ্যতে ছন্দপতন এড়ানো যায়।

  • এপ্রিলের প্রথম ১৮ দিনে রেমিট্যান্স ১৮০ কোটি ডলার

    এপ্রিলের প্রথম ১৮ দিনে রেমিট্যান্স ১৮০ কোটি ডলার

    এপ্রিলের প্রথম ১৮ দিনে বৈধ পথে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশে পাঠিয়েছেন ১৮০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স। এক ডলারের মান ১২৩ টাকা ধরে এ রেমিট্যান্সের মূল্য দাঁড়ায় প্রায় ২২ হাজার ১৪০ কোটি টাকা।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসাইন খান রোববার এই তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এ বার রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৬ দশমিক ২ শতাংশ।

    ব্যাংকের পরিসংখ্যান বলছে, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত প্রায় নয় মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৮১৭ কোটি ৭০ লাখ ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে এই পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৩৪৭ কোটি ৯০ লাখ ডলার। আনুমানিক ভিত্তিতে আলোচ্য সময়ে রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২০ দশমিক ২ শতাংশ।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, হুন্ডি প্রতিরোধে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কার্যকর উদ্যোগ, প্রণোদনা এবং ব্যাংকিং চ্যানেলের উন্নতি রেমিট্যান্স বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের মাসভিত্তিক পরিসংখ্যানে চলতি অর্থবছরের মাসগুলোয় রেমিট্যান্সের প্রবাহ ছিল এভাবে: জুলাইয়ে ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ ডলার, আগস্টে ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ডলার, সেপ্টেম্বর ২৬৮ কোটি ৫৫ লাখ ডলার, অক্টোবর ২৫৬ কোটি ২৪ লাখ ডলার, নভেম্বর ২৮৮ কোটি ৯৭ লাখ ডলার, ডিসেম্বরে ৩২২ কোটি ৩৬ লাখ ডলার, জানুয়ারিতে ৩১৭ কোটি ১৬ লাখ ডলার, ফেব্রুয়ারিতে ৩০২ কোটি ডলার এবং মার্চে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার।

  • এপ্রিলের প্রথম ১৮ দিনে দেশে এসেছে ১৮০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স

    এপ্রিলের প্রথম ১৮ দিনে দেশে এসেছে ১৮০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স

    এপ্রিলের প্রথম ১৮ দিনে বৈধ চ্যানেলের মাধ্যমে দেশে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা — মোট ১৮০ কোটি ডলার। প্রতি ডলার ১২৩ টাকার হারে এটিকে দেশের মুদ্রায় রুপান্তর করলে পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ২২ হাজার ১৪০ কোটি টাকা। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এটি প্রায় ১৬.২ শতাংশ বেশি, জানায় বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।

    চলতি অর্থবছরের শুরু যাওয়া জুলাই থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৮১৭ কোটি ৭০ লাখ ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স ছিল ২ হাজার ৩৪৭ কোটি ৯০ লাখ ডলার। তুলনায় আলোচনা সময়ের রেমিট্যান্স বৃদ্ধি হয়েছে ২০.২ শতাংশ।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, হুন্ডি প্রতিরোধে সরকার এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতি, প্রণোদনা এবং ব্যাংকিং চ্যানেলের সুবিধাজনক উন্নতি রেমিট্যান্স বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এসব পদক্ষেপ বৈধ পথে অর্থ প্রবাহ বাড়িয়েছে বলে তারা মনে করেন।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের মাসভিত্তিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী চলতি অর্থবছরের রেমিট্যান্স প্রবাহ মাসভিত্তিতে ছিল:

    জুলাই — ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ ডলার

    আগস্ট — ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ডলার

    সেপ্টেম্বর — ২৬৮ কোটি ৫৫ লাখ ডলার

    অক্টোবর — ২৫৬ কোটি ২৪ লাখ ডলার

    নভেম্বর — ২৮৮ কোটি ৯৭ লাখ ডলার

    ডিসেম্বর — ৩২২ কোটি ৩৬ লাখ ডলার

    জানুয়ারি — ৩১৭ কোটি ১৬ লাখ ডলার

    ফেব্রুয়ারি — ৩০২ কোটি ডলার

    মার্চ — ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার

    পরিসংখ্যানগুলো দেখায় যে বছরের প্রথম নয় মাসে ধারাবাহিকভাবে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ায় দেশের বৈদেশিক মুদ্রার অবস্থান আরও মজবুত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।