Blog

  • চীন মে মাসে ৫ লাখ মেট্রিক টন জ্বালানি রপ্তানি অনুমোদন, তালিকায় বাংলাদেশ

    চীন মে মাসে ৫ লাখ মেট্রিক টন জ্বালানি রপ্তানি অনুমোদন, তালিকায় বাংলাদেশ

    চীন মার্চে সব ধরনের জ্বালানি রপ্তানি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার পর মে মাসে মোট ৫ লাখ মেট্রিক টন জ্বালানি রপ্তানির অনুমোদন দিয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, এই পরিমাণটি সম্ভাব্য এপ্রিল রপ্তানির তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।

    সূত্রগুলো বলছে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের উত্তেজনার কারণে হরমুজ প্রণালীতে ঝামেলা বেড়ে যাওয়ায় কাঁচা তেল ও জ্বালানির সরবরাহ ব্যাহত হয়েছিল। নিজেদের অভ্যন্তরীণ জোগান ও বাজার সুরক্ষায় বেইজিং মার্চ থেকে রপ্তানিতে কঠোর নিয়ন্ত্রণ চালু করেছিল।

    রয়টার্সের অনুসারে, মে থেকে অস্ট্রেলিয়া, বাংলাদেশ, কম্বোডিয়া, লাওস, মালদ্বীপ, মিয়ানমার, নিউজিল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কাসহ এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের কয়েকটি দেশে জ্বালানি সরবরাহ শুরু হতে পারে। চীন নিজেই রপ্তানির পরিমাণ ও গন্তব্য ঠিক করবে, তবে ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড রিফর্ম কমিশন ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এ নিয়ে তৎক্ষণিক মন্তব্য করেনি।

    জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী কেপলার ট্র্যাকিংয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর চীন হংকং এর বাইরে মাসে গড়ে প্রায় ১৬ লাখ টন পেট্রোল, ডিজেল ও জেট ফুয়েল রপ্তানি করত। আন্তর্জাতিক বাজারে লভ্যাংশ বেশি হওয়ায় রাষ্ট্রায়ত্ত শোধনাগারগুলোও রপ্তানি পুনরায় চালুর জন্য চাপ দিচ্ছিল। অন্যদিকে, চীনের অভ্যন্তরীণ জ্বালানির দাম তুলনামূলকভাবে কম থাকায় স্থানীয় শোধনাগারগুলোর মুনাফা সংকুচিত হয়েছে।

    অনুমোদিত ৫ লাখ টনের মধ্যে শীর্ষ শোধনাগার সিনোপেক সবচেয়ে বেশি অংশ পেয়েছে; পেট্রোচায়নাকে অনুমতি দেয়া হয়েছে ১ লাখ ৫০ হাজার টন এবং সিএনওওসিকে ৪০ হাজার টন রপ্তানি করার। বিশ্লেষকরা বলছেন, মোট রপ্তানির অন্তত ৪০ শতাংশ ডিজেল ও জেট ফুয়েল হতে পারে।

    এসব সিদ্ধান্ত এলাকার জ্বালানি চাহিদা পূরণে কিছুটা সহায়ক হবে বলে আশা করা হলেও, বেইজিং কেবল নিয়ন্ত্রিতভাবে ও প্রয়োজন অনুযায়ী রপ্তানি বাড়াচ্ছে। বাজার এবং জ্যামিতিক সরবরাহ পরিস্থিতি অনুযায়ী ভবিষ্যতে রপ্তানির আরও পরিবর্তন আসতে পারে।

  • সাতক্ষীরায় জেলা পর্যায়ের প্রাথমিক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

    সাতক্ষীরায় জেলা পর্যায়ের প্রাথমিক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

    সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ ঘটানো এবং প্রতিযোগিতার মাধ্যমে আত্মবিশ্বাস ও দলগত মনোভাব গড়ে তোলা উদ্দেশ্যে সাতক্ষীরায় জেলা পর্যায়ের প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক ও বালিকা) ২০২৬ শুরু হয়েছে।

    বুধবার সকালেই সাতক্ষীরা স্টেডিয়ামে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মিজ্ আফরোজা আখতার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ রুহুল আমীন। বিশেষ অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার মোঃ আরেফিন জুয়েল, বিপিএম।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার অর্ণব দত্ত, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবু জাহিদ ‘ডাবলু’, জেলা জামায়াতের উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি জি এম মনিরুল ইসলাম (মিনি), জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান, সাবেক ফিফা রেফারি তৈয়েব হাসান বাবু, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির শেখ নুরুল হুদা, সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান, জেলা ওলামা দলের সভাপতি মাওলানা আনিসুর রহমান আজাদী, শহর জামায়াতের সেক্রেটারি খোরশেদ আলম এবং জেলা ফুটবল কোচ ইকবাল কবির খান (বাপ্পি) প্রমুখ।

    টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে বালিকা বিভাগে মাঠে নামে আশাশুনি শরাফপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও হাদিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। বালক বিভাগের উদ্বোধনী খেলায় আশাশুনি আনুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে দেবহাটা টাউন শ্রীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সঙ্গে।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতা-নেত্রী, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের বিভিন্ন কর্মকর্তা, পাশাপাশি জেলা জুড়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। আয়োজকরা জানান, টুর্নামেন্টটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্রীড়া চেতনা জাগ্রত করবে এবং সুস্থ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ভবিষ্যতের ক্রীড়াবিদ গঠনে সহায়ক হবে।

  • নড়াইলের কালিয়ায় ক্লাস চলাকালে নারিকেল গাছ ভেঙে পড়ে, ২ শিক্ষার্থী গুরুতর আহত

    নড়াইলের কালিয়ায় ক্লাস চলাকালে নারিকেল গাছ ভেঙে পড়ে, ২ শিক্ষার্থী গুরুতর আহত

    নড়াইলের কালিয়া পৌরসভার শামসুন্নাহার কিন্ডারগার্টেন বিদ্যালয়ে বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে ক্লাস চলাকালে ঝড়ো হাওয়ার প্রেক্ষিতে বিদ্যালয়ের পাশে থাকা এক পুরনো নারিকেল গাছ ভেঙে টিনের ছাদের একটি শ্রেণিকক্ষের ওপর পড়ে যায়। ঘটনায় ক্লাসে থাকা শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং দুই শিশু গুরুতর আহত হন।

    আহতদের মধ্যে সিয়াম শেখ (১১) ছোট কালিয়া গ্রামের নুর জামালের ছেলে, আরেকজন মাজেদুল ইসলাম (৯) রামনগর গ্রামের জহির শেখের ছেলে। স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে তাদের উদ্ধার করে কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। প্রাথমিক চিকিৎসার পর সিয়ামের অবস্থাকে আশঙ্কাজনক বিবেচনা করে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

    স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই নারিকেল গাছটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল। হঠাৎ শুরু হওয়া ঝড়ে গাছটি ভেঙে পড়লে শ্রেণিকক্ষের ওপর সরাসরি আঘাত লাগে, ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিশাল ভয় সৃষ্টি হয়।

    ঘটনার তৎক্ষণাত পরিদর্শনে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা দ্রুত করতে বলে। এলাকায় এই দুর্ঘটনা নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য দেখা দেয় এবং অভিভাবকরা স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলেছেন। তারা বলছেন, আগে থেকেই গাছটি ছাঁট বা অপসারণ করে নেওয়া গেলে এমন দুর্ঘটনা প্রতিরোধ করা যেত।

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ এ নিয়ে সন্তোষজনক কোনো ব্যাখা দিতে পারেনি বলে এলাকাবাসী বলেন। বিষয়টি তদন্তে, কালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জিন্নাতুল ইসলাম জানান, আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার ব্যাপারে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং তাদের চিকিৎসার সকল খরচ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে বহন করতে বলা হয়েছে। এছাড়া স্কুলের সকল নথিপত্র তলব করা হয়েছে; যদি গাফিলতি প্রমাণিত হয়, তাহলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    প্রতিবেশী এবং অভিভাবকরা দ্রুত দায়িত্বশীল পদক্ষেপ না নিলে নিরাপত্তার শূন্যতা থেকে আরও অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটবে বলে সতর্ক করেছেন।

  • বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ডের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি

    বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ডের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি

    চট্টগ্রামে বৃষ্টি কারণে বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচ পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। আম্পায়াররা বিকেল ৪টা ১৮ মিনিটে ম্যাচ বাতিলের সিদ্ধান্ত দেন।

    সকালে প্রায় ১১টা থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়ে intermittently জোরে-কমে চলছিল, কিন্তু থামার কোনো লক্ষণ দেখা যায়নি। অবিরত বৃষ্টির ফলে মাঠে খেলা শুরু করানো সম্ভব হয়নি এবং আম্পায়াররা কাট-অফ টাইমের প্রায় এক ঘণ্টা আগেই ম্যাচটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করেন।

    প্রотোকল অনুযায়ী যদি ম্যাচকে বৈধ গণ্য করতে কমপক্ষে ৫ ওভার খেলা প্রয়োজন হয়, তাহলে খেলা শুরু হতে হতো বিকেল ৫টা ১৬ মিনিটের মধ্যে। পুরো ম্যাচ খেলানোর জন্য বিকেল ৩টা ১০ মিনিটের মধ্যে খেলা শুরু করা লাগত। কিন্তু বৃষ্টি থামায়নি, ফলে এই সময়সীমা পূরণ করা সম্ভব হয়নি।

    চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামের ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নতমানের। মাঠ কিউরেটর জাহিদ রেজা বাবু জানিয়েছেন, বৃষ্টি থামলে প্রায় ৪০ মিনিটের মধ্যে মাঠ খেলার উপযোগী করা যাবে। তবু বৃষ্টির ধারাবাহিকতায় সেই সুযোগ হয়নি।

    এর আগে গত সোমবার সিরিজের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ নিউজিল্যান্ডকে ৬ উইকেটে হারিয়ে সিরিজে এগিয়ে গিয়েছিল। আজকের ম্যাচ পরিত্যক্ত হওয়ায় সিরিজ নির্ধারণী হবে আগামী ২ মে ঢাকার মিরপুরে, শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত শেষ ম্যাচ।

  • বালিকা বিভাগে আদাঘাট, বালক বিভাগে কুমলাই একাদশ চ্যাম্পিয়ন

    বালিকা বিভাগে আদাঘাট, বালক বিভাগে কুমলাই একাদশ চ্যাম্পিয়ন

    রামপাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা) ২০২৬ সমাপ্ত হয়েছে। বুধবার উপজেলা মাঠে অনুষ্ঠিত দুই দিনব্যাপী টুর্নামেন্টের সমাপনী দিনে বিজয়ী ও রানার্সআপ দলের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

    সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ তামান্না ফেরদৌসি। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন নবাগত উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রুহুল কুদ্দুস তালুকদার ও সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ শাহিনুর রহমান। টুর্নামেন্টের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন রামপাল সরকারি কলেজের শরীরচর্চা শিক্ষক মোঃ তৌহিদুল ইসলাম। খেলা পরিচালনা করেন গোলাম আক্তার বাচ্চু, নাহিদুল ইসলাম ও কামরুল ইসলাম।

    ফাইনালে বালিকা বিভাগে বড়কাটাখালী সপ্রাবি ও আদাঘাট সপ্রাবি একাদশের মধ্যকার রোমাঞ্চকর লড়াই টাইব্রেকারে সর্বশেষ আদাঘাট সপ্রাবি বালিকা একাদশকে চ্যাম্পিয়ন করে। অপর ফাইনালে কুমলাই সপ্রাবি বালক একাদশ ২-০ গোলে গিলাতলা সপ্রাবি বালক একাদশকে হারিয়ে বালক বিভাগে শিরোপা জিতেছে।

    পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে যৌথভাবে বিজয়ী ও রানার্সআপ দলের খেলোয়াড়দেরকে মেডেল ও ট্রফি তুলে দেন প্রধান অতিথি মিজ তামান্না ফেরদৌসি। এতে প্রশাসন, উপজেলা প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় শিক্ষক, সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

    টুর্নামেন্টটি স্থানীয় ফুটবলারদের প্রতিভা প্রদর্শনের সুযোগ করে দিয়েছে এবং ক্রীড়াবিকাশ ও দলগত মনোভাব গড়ে তোলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

  • জুম করে ছবি তোলায় পাপারাজ্জিদের সতর্ক করলেন কারিশমা কাপুর

    জুম করে ছবি তোলায় পাপারাজ্জিদের সতর্ক করলেন কারিশমা কাপুর

    তরুণ-প্রবীণ—সবাইই তাদের প্রিয় তারকার ব্যক্তিজীবন ও স্টাইল নিয়ে আগ্রহী। সেই আগ্রহের ফলসে বিনোদন জগতের আলোকচিত্রীরা—পাপারাজ্জিরা—প্রায়শই সেলিব্রিটিদের আধার হয়ে বেড়ে ওঠেন। তবে সম্প্রতি পেছন থেকেই জুম করে ছবি তোলার আচরণ নিয়ে তীব্র রেগে যান বলিউড অভিনেত্রী কারিশমা কাপুর।

    ঘটনাটি ঘটেছে রিয়েলিটি শো ‘ইন্ডিয়া’স বেস্ট ড্যান্সার সিজন ৫’-এর শুটিং সেটে, যেখানে কারিশমা বিচারক হিসেবে অংশ নেন। তার সঙ্গে জুড়েছেন গীতা কাপুর, টেরেন্স লুইস ও জাভেদ জাফর। শুটিং হলে আগমনের সময় সবাই আলোকচিত্রীদের সামনে pose দেন, তখনই কারিশমা ক্যামেরাম্যানদের উদ্দেশে খোলাখুলি সতর্ক করে বলেন— বেশি জুম করবেন না।

    তিনি পোজ দেওয়ার জায়গা থেকে সরে গিয়ে সরাসরি জানিয়ে দেন, ‘‘বেশি জুম করবেন না। আপনাদের মধ্যে অনেকে খুবই খারাপভাবে ছবি তুলতে চান।’’ এ সময় তার ভঙ্গি ও কণ্ঠেই রাগ ও বিরক্তির ছাপ ছিল; তিনি এমন মনোভাবকে ‘অসুস্থ’ বলে মন্তব্য করেন। এই পুরো ঘটনা ক্যামেরায় ধরা পড়ে এবং ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত ভাইরাল হয়।

    অনেকে কারিশমার এই সতর্কতাকে সমর্থন করেছেন। সামাজিক ও ভার্সটাইল কনটেন্ট নির্মাণের নামে ব্যক্তিগত সীমা লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে তার কড়া বার্তাকে প্রশংসা করা হয়। এর আগে কিছুদিনে একটি অনুষ্ঠানে সিড ও কিয়ারা একসঙ্গে পোজ দিয়েছিলেন; তখন পাপারাজ্জিরা ভিডিও থেকে সিডকে সরিয়ে কিয়ারাকে জুম করে ক্যামেরায় তুলে দেন, যে ভিডিও তোলপাড় তৈরি করেছিল।

    দীর্ঘকাল ভারতীয় চলচ্চিত্রে সক্রিয় থাকার পরও কারিশমা এবার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে সচেতনতা বাড়াতে এগিয়ে এসেছেন। বহু অনুরাগী ও নেটিজেন তার এ পদক্ষেপকে প্রশংসা করেছেন এবং পাপারাজ্জি সংস্কৃতি সম্পর্কে জোরালো কথাবার্তা শুরু হয়েছে। সূত্র: এই সময় অনলাইন।

  • ধর্ম অবমাননার অভিযোগে কনটেন্ট ক্রিয়েটর আমিনুর শাহ গ্রেফতার

    ধর্ম অবমাননার অভিযোগে কনটেন্ট ক্রিয়েটর আমিনুর শাহ গ্রেফতার

    ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার অভিযোগে কনটেন্ট ক্রিয়েটর আমিনুর শাহকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকালে ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার শোল্লা ইউনিয়নের মহিষদিয়া এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। বুধবার (২৯ এপ্রিল) নবাবগঞ্জ থানার এসআই রাজিবুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন এবং বলেন, “আমিনুর শাহকে আজ (বুধবার) আদালতে তোলা হয়েছে।”

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযোগ অনুসারে গত রোববার (২৬ এপ্রিল) আমিনুর শাহ তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি ধর্মীয়ভাবে বেধক মন্তব্যসহ পোস্ট করেন। সেই পোস্ট দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং এতে সাধারণ জনমানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়।

    পোস্টের পরদিন সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাতে এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে তার বাড়ি ঘেরাও করলে আপত্তিকর বিষয়টি উপলব্ধি করে আমিনুর শাহ প্রকাশ্যে ক্ষমা চান। তবুও মঙ্গলবার সকালে এলাকাবাসীরা বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে জানালে পুলিশ তাকে আটক করে।

    দোহার সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. শামীম হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে আমিনুর শাহের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি দায়ের করেছেন শোল্লা ইউনিয়নের মহিষদিয়া গ্রামের স্থানীয় গ্রাম-পুলিশ মো. আলাউদ্দিন।

    স্থানীয়দের কথা অনুযায়ী, আমিনুর শাহ মহিষদিয়া গ্রামের চান মিয়া বয়াতির ছেলে। ঘটনার তদন্ত চলছে এবং পুলিশ আরও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

  • ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল প্রধানমন্ত্রীর সংসদীয় রীতি মেনে চলাকে প্রশংসা করলেন

    ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল প্রধানমন্ত্রীর সংসদীয় রীতি মেনে চলাকে প্রশংসা করলেন

    বুধবার (২৯ এপ্রিল) মধ্যাহ্ন বিরতির পর বিকেলের অধিবেশন শুরু হওয়ার সময় আইনমন্ত্রীর বক্তব্য চলাকালীন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান সংসদ কক্ষে প্রবেশ করেন। ঘটনাটি নজরে আসলে প্রধানমন্ত্রী নিজের নির্দিষ্ট আসনে না বসে দুই সারি পেছনে বসে থাকেন এবং আইনমন্ত্রীর বক্তব্য শেষ হলে আবার নিজ আসনে ফিরে যান।

    সংদীয় রীতি অনুযায়ী কোনো সদস্য যখন ফ্লোরে বক্তব্য দিচ্ছেন, তখন তার সামনে দিয়ে হেঁটে যাওয়া বা তার সামনে দিয়ে আসা-যাওয়া করা অভিহিত নয়। প্রধানমন্ত্রী এই রীতি মেনে চললেন, যা পরিপাটি সংসদীয় শৃঙ্খলার একটা উদাহরণ হিসেবে ধরা হলো।

    ঘটনাটি সামনে আনা হলে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল সদস্যদের উদ্দেশ্য করে এটিকে শিক্ষণীয় ঘটনা হিসেবে উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন যে মহান জাতীয় সংসদে সর্বদা শৃঙ্খলা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি এবং মাননীয় সংসদ নেতার এই ডিসিপ্লিন অন্যদের জন্য অনুসরণীয় উদাহরণ। তিনি আরও বলেন, আসুন আমরা এই আচরণ থেকে শিক্ষা নেব।

  • সংবিধান সংশোধনের জন্য ১৭ সদস্যের বিশেষ কমিটির প্রস্তাব; বিরোধী দল বলল—আলোচনার পর জানাবো

    সংবিধান সংশোধনের জন্য ১৭ সদস্যের বিশেষ কমিটির প্রস্তাব; বিরোধী দল বলল—আলোচনার পর জানাবো

    জুলাইয়ে জাতীয় সনদকে সামনে রেখে সংবিধান সংশোধনের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে ১৭ সদস্যের একটি বিশেষ সংসদীয় কমিটি গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে সরকার।

    ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে বুধবার জাতীয় সংসদে এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। সরকারপক্ষ জানায় তারা ইতোমধ্যে ট্রেজারি বেঞ্চের ১২ জন সদস্যের নামের তালিকা প্রস্তুত করেছে এবং বিরোধী পক্ষ থেকে আরও পাঁচজনের নাম চাওয়া হয়েছে, যাতে মোট ১৭ সদস্যের একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা যায়।

    আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান সংসদে বলেন, দেশে সাংবিধানিক চর্চা যতটা বিস্তৃতভাবে চলে, ততটাই এখানেও সেই চর্চা প্রয়োগ করতে চান তারা। বিধি ২৬৬ অনুসারে সংবিধান সংশোধন-সংক্রান্ত একটি বিশেষ কমিটি গঠনের অনুকূলতা তুলে ধরে তিনি বলেন, এই কাজকে কার্যকরভাবে এগিয়ে নিতে আগামীকালই কমিটি গঠন করা হলে সুবিধা হবে।

    আইনমন্ত্রী বলেন, ট্রেজারি বেঞ্চের প্রস্তুত ১২ সদস্যের তালিকায় বিএনপি, গণঅধিকার পরিষদ, গণসংহতি, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি এবং কিছু স্বতন্ত্র সদস্যের নাম রাখা হয়েছে। তিনি জানান, ওই ১২ জনের মধ্যে বিএনপির সাতজন এবং অন্যান্য দল ও স্বতন্ত্রদের থেকে পাঁচজন সদস্য রয়েছেন।

    বিরোধী দলের প্রতিনিধিত্বের প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী আরও বলেন, গণনার ভিত্তিতে বিরোধী অংশীদারদের অংশীদারিত্ব প্রায় ২৬ শতাংশ আসে, তাই তাদের পক্ষ থেকে পাঁচজনের নাম চাওয়া হয়েছে। তিনি অনুরোধ করেন, যদি বিরোধী দল কাল থেকে তাদের পাঁচজনের নাম জানায় তাহলে কমিটি দ্রুত গঠন করে সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত কার্যক্রম এগোনো যাবে।

    তবে বিরোধী দলের নেতা শফিকুর রহমান জানান, এই বিষয়ে তাদের ধারণাগত কিছু পার্থক্য আছে, তাই এখনই চূড়ান্ত নাম বা সিদ্ধান্ত দেওয়া সম্ভব নয়। তিনি বলেন তারা এ বিষয়টি দলীয়ভাবে আলোচনা করে পরে জানান দিতে চান।

  • জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান: বিএনপি ফ্যাসিবাদের পথে হেঁটেছে

    জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান: বিএনপি ফ্যাসিবাদের পথে হেঁটেছে

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেছেন, বিএনপি পালিয়ে যাওয়া ফ্যাসিবাদের পথ বেছে নিয়েছে। শনিবার (২৫ এপ্রিল) সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জামায়াত আয়োজিত সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    ডা. শফিকুর বলেন, একসময় বিএনপি ও জামায়াত একযোগে নির্যাতিত ছিল; কিন্তু এখন বিএনপি সেই ভুল পথ ধরেছে এবং গতিপথ বদলে এক ধরনের কর্তৃত্ববাদী নীতিকে সমর্থন করছে। তিনি সতর্ক করে জানান, তারা একইভাবে জনগণের ওপর দমনকারীর ভূমিকা নিতে শুরু করেছে যেটা একসময়ের আওয়ামী লীগের বিশেষ বৈশিষ্ট্য ছিল।

    তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ যে কুক্ষিগত সময়গুলোতে লাঠিযুদ্ধ করে সমাজে ঘাসফুলের মতো কর্তৃত্ব গড়ে তুলেছিল, আজ সেই সময়গুলোতে তাদের পক্ষে দাঁড়ানো কেউ নেই — কিন্তু বিএনপি সেই একই কৌশল প্রয়োগ করছে।

    বক্তব্যে তিনি দেশের মৌলিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। সুশাসন, প্রকৃত স্বাধীনতার স্বাদ জনগণের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে বিএনপি অহরহ বিরোধিতা করছে — যা দেশের জন্য প্রতারণার শামিল, মন্তব্য করেন জামায়াত আমির।

    ডা. শফিকুর বলেন, বিএনপি তাঁদের নির্বাচনী ইশতেহারে থাকা ৩১ দফা কর্মসূচির বিরোধিতা করছে; এমনকি কিছু বিষয়ে তাদের বোধ ও নীতিগত জ্ঞান পর্যন্ত লোপ পেয়েছে বলে আক্ষেপ করেন তিনি।

    তিনি স্বাধীনতার জন্য যে আত্মত্যাগগুলো হয়েছিল সেই আত্মত্যাগকেন্দ্রিক স্মৃতিকে ভুলে যাওয়ার নিন্দা জানান। ‘জুলাই’ আন্দোলনের নাম টেনে তিনি বলেন, যদি সেই জীবনবল-নৈকট্য না থাকত, আজকার ক্ষমতাভোগীরা টিকে থাকতে পারত না। শহীদ পরিবার, আহত ও প্রতিবাদী নাগরিকদের ত্যাগকে ছোট করে দেখার বিরুদ্ধে তিনি কড়া ভাষায় বলেন — তাদের সম্মান করতে শেখো, তাদের তুচ্ছ করা যাবে না।

    ডা. শফিকুর একটি ব্যক্তিগত স্মৃতিকথাও শেয়ার করেন; তিনি বলেন, যারা বিদেশে ছিলেন, দেশে ফিরে আসার সুযোগ পেয়েছেন—এ জন্যও সেই বিপ্লব দায়ী। জেলখানায় তাঁর সহকর্মী আল্লামা মামুনুল হক বলেছিলেন, কিছু নেতারা তখন মনে করতেন ৪১-এর আগে বর্তমান শাসনকে সরানো সম্ভব নয়; কিন্তু পরবর্তীতে ঘটনাবলী পরিবর্তিত হয়, যা ঈশ্বরের দান বলে অভিহিত করা হয়েছিল। এখন সেই দানকে ভুলে একজন আলাদা ‘মাস্টারমাইন্ড’ দাবি করাকে তিনি ভুয়া বলে আখ্যা দেন।

    জামায়াত আমির সংসদে সংস্কার পরিষদ গঠনের দাবি থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রতিশ্রুতির সংঘাতের কথাও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, সরকার শপথ নিয়েছিল কিন্তু প্রতিশ্রুতি রেখা ভঙ্গ করেছে; এরপর যেখানে আলোচনার দরকার ছিল আমরা নোটিশ দিয়েছি, কিন্তু তাদের বিরোধী মনোভাবই দেখেছি। কিছু আইন ও অধ্যাদেশ সংশোধন না হলে দেশ থেকে স্বৈরাচার দমন নীতি কেটে যাবে না বলে তিনি মনে করেন।

    তিনি সাম্প্রতিককালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও নানা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ঘটে যাওয়া সহিংসতার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, কিছু গোষ্ঠী থানা পর্যন্ত ঢুকে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ওপর হামলা করেছে; এগুলো হচ্ছে ফ্যাসিবাদের নমুনা। তিনি জানালেন, যে দিন কেউ গণভোটের রায় অস্বীকার করে, সেই দিন থেকেই বিএনপি ফ্যাসিবাদের পথে হাঁটা শুরু করেছে।

    শেষে ডা. শফিকুর বলেন, তারা এমন একটি বাংলাদেশ চান না যেখানে মানুষ নিরাপদে বাইরে বের হতে না পারে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দা-কড়াল নয়, খাতা-কলম দেখতে চান তিনি। যদি এই ক্ষমতাবান সংস্কৃতি ঠেকানো না হয়, জুলাইয়ের আন্দোলন বারবার ফিরে আসবে এবং একদিন ফ্যাসিবাদের কবর রচনাই ঘটবে—এটাই তার দাবি। তিনি জনগণের রায়ের প্রতি সম্মান দেখাতে এবং চলমান গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে সবাইকে আহ্বান জানান, নচেৎ লড়াই সংসদে ও খোলা ময়দানে অব্যহত থাকবে।