Blog

  • ২ মার্চ বাংলা একাডেমি পুরস্কার পাবেন মোহন রায়হান

    ২ মার্চ বাংলা একাডেমি পুরস্কার পাবেন মোহন রায়হান

    অবশেষে বাংলা একাডেমির সাহিত্য পুরস্কার পাচ্ছেন কবি মোহন রায়হান। আগামী ২ মার্চ তাকে এ সম্মাননা প্রদান করা হবে। সাংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

    শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে, মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা আফসানা মিমি জানান, originally সম্প্রতি কিছু পত্রিকা এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় এই পুরস্কার নিয়ে বিরূপ মন্তব্য ও সমালোচনা ওঠে। এর পরিপ্রেক্ষিতে পুরস্কার প্রদান কিছু সময়ের জন্য স্থগিত রাখা হয়। অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করার জন্য ২৭ ফেব্রুয়ারি একটি জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী, মন্ত্রী ও সচিবসহ সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

    সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, বিচার-বিশ্লেষণের পর প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি নিয়ে মোহন রায়হানের জন্য এ পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্ত পুনর্বহাল করা হয়। ফলে, আগামী ২ মার্চ সোমবার সকাল ১১টায় বাংলা একাডেমিতে তাঁর হাতে এ পদক তুলে দেওয়া হবে। পুরস্কার প্রাপ্তির জন্য সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে এবং এটি বাংলা সাহিত্যে তাঁর অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি।

  • মেহজাবীন আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করলেন মানহানির অভিযোগের বিরুদ্ধে

    মেহজাবীন আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করলেন মানহানির অভিযোগের বিরুদ্ধে

    অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী বৃহস্পতিবার নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে একটি দীর্ঘ পোস্ট করে জানিয়েছেন, বিমানবন্দরে অবৈধ পণ্যসহ আটক হওয়ার খবর ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোচিত। তিনি বলেন, এই ধরনের গণমাধ্যমে প্রচারিত খবরের উপর ভিত্তি করে তিনি ইতোমধ্যে আইনি ব্যবস্থা নেয়া শুরু করেছেন।

    মেহজাবীন স্পষ্ট করে বলেন, সম্প্রতি যে ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার বিরুদ্ধে মানহানি ছড়ানো হয়েছে, তার সঙ্গে তার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। তিনি অভিযোগ করেন, তাকে ভুলভাবে জড়ানো হয়েছে এমন এক ঘটনার সঙ্গে যা কখনো ঘটে নি। তিনি আরো জানান, বিমানবন্দরে তার লাগেজ বা হ্যান্ডব্যাগে কিছু নিষিদ্ধ পদার্থ পাওয়ার কোনো প্রমাণও নেই। এর পাশাপাশি, কোনো ছবি বা ভিডিও তো দূরের কথা, কোনো ব্যক্তিগত প্রমাণও নেই যেখানে দেখা যায় তিনি বা তার লাগেজে অবৈধ কিছু জিনিস পাওয়া গেছে।

    অভিনেত্রী আরও বলেন, এই ধরনের অপপ্রচার অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং অনাকাঙ্ক্ষিত। তিনি স্পষ্টতই উল্লেখ করেন, এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং তার সঙ্গে এই বিষয়ে কোনোরূপ সম্পৃক্ততা নেই। গত কয়েক দিন ধরে তাকে নানা বিষয়ে ‘টার্গেট’ করা হচ্ছে বলে তার নজরে এসেছে। উল্লেখ্য, তিন মাস আগে পারিবারিক ব্যবসায় অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে একটি আইনি জটিলতায় পড়েছিলেন তিনি, যদিও পরে আদালত থেকে তিনি মুক্তি পান।

    প্রতিক্রিয়ার সূত্রপাত হয় সেই খবরের মাধ্যমে, যেখানে বলা হয়েছিল, গত ১৭ আগস্ট ব্যাংকক থেকে ফেরার পথে বিমানবন্দরে মেহজাবীন ও তার স্বামীকে মদের বোতলসহ আটক করা হয়। তবে এই তথ্যের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি। এই ভিত্তিহীন গুঞ্জনের জন্য তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং স্পষ্ট করেন, এই ধরনের অপপ্রচারে তিনি সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক। এরপর, এই বিষয়ের উপর ভিত্তি করে তিনি তার মানহানি সংক্রান্ত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছেন।

  • প্রথমবার টিভির পর্দায় আসছে তারকাবহুল সিনেমা ‘উৎসব’

    প্রথমবার টিভির পর্দায় আসছে তারকাবহুল সিনেমা ‘উৎসব’

    প্রথমবারের মতো বাংলা টেলিভিশনে দেখা যাবে সম্প্রতি আলোচিত সিনেমা ‘উৎসব’। ঈদুল ফিতরে এই সিনেমাটি মাছরাঙা টেলিভিশনের মাধ্যমে দর্শকদের কাছে উপস্থাপন করা হবে। ঈদের দিন দুপুর ২:২০ মিনিটে এই বিশেষ প্রচার অনুষ্ঠিত হবে, যা দর্শকদের জন্য এক অনন্য উপহার।

    প্রতি বছরই নানা উচ্চমানের সিনেমা মুক্তি পায়, কিন্তু ‘উৎসব’ চলচ্চিত্রটিই এবার যে অন্যরকম কিছুর প্রতিশ্রুতি নিয়ে এসেছে। তানিম নূর পরিচালিত এই সিনেমায় অভিনয় করেছেন দেশের শীর্ষ অভিনেতারা – জাহিদ হাসান, চঞ্চল চৌধুরী, জয়া আহসান, অপি করিম, আফসানা মিমি, তারিক আনাম খান, আজাদ আবুল কালাম, ইন্তেখাব দিনার, সুনেরাহ বিনতে কামাল, সৌম্যজ্যোতি, সাদিয়া আয়মানসহ আরও অনেকে।

    গত বছরের ঈদুল আজহায় প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় ‘উৎসব’, যা দর্শক ও সমালোচকদের কাছ থেকে ব্যাপক প্রশংসা পায়। বাংলাদেশের পাশাপাশি ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে এই সিনেমাটি দেখার জন্য ভিড় জমায় দর্শকরা।

    অন্যদিকে, এই সিনেমাটি অনলাইন স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম ‘চরকি’তে মুক্তি পেলেও টেলিভিশন দর্শকদের জন্য দীর্ঘদিন ধরেই তা দেখা যায়নি। এবার মাছরাঙা টেলিভিশন এই সুযোগ করে দিচ্ছে সেই প্রতীক্ষিত সিনেমাটি সহজ-accessibly প্রচার করার মাধ্যমে।

    ‘উৎসব’ সিনেমাটি নব্বই দশকের 시대কালের আবহে নির্মিত, যার গল্পে রয়েছে গভীর হাস্যরস ও নাটকীয়তা। এই চলচ্চিত্রটি মূলত কিংবদন্তি ঔপন্যাসিক চার্লস ডিকেন্সের বিখ্যাত গল্প ‘এ ক্রিস্টমাস ক্যারল’ অবলম্বনে তৈরি, যা দর্শকদের মন জিতেছে।

  • ইত্যাদি মঞ্চে দর্শকের সঙ্গে অভিনয়ে মোশাররফ করিম

    ইত্যাদি মঞ্চে দর্শকের সঙ্গে অভিনয়ে মোশাররফ করিম

    ঈদ প্রকৃতি নিয়ে সাজানো হয় জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’, যেখানে এবারেও থাকছে নানা রকম চমক। এবারের পর্বে ইত্যাদির মঞ্চে অতিথি হিসেবে দেখা যাবে আমাদের প্রিয় অভিনেতা মোশাররফ করিমকে। জানা গেছে, এই বিশেষ পর্বে চারজন দর্শকের সঙ্গে সরাসরি মঞ্চে অভিনয় করেছেন তিনি, যা দর্শকদের জন্য এখনই এক দারুণ অভিজ্ঞতা।

    ‘ইত্যাদি’ অনুষ্ঠানে সাধারণত বর্ণিল নানা রকম চমক থাকে। এবার, নির্বাচিত দর্শকদের সঙ্গে মোশাররফ করিম বিভিন্ন ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন, যেন দর্শকের মন ছুঁয়ে যায়। এই অভিনয় যারা দেখছেন, তারা শুধু আনন্দই পাচ্ছেন না, বরং সমাজের বিভিন্ন বিষয়েও সচেতনতা ছড়িয়ে পড়ছে।

    অদিকে, এই বিশেষ পর্বের জন্য দর্শক নির্বাচন করার নতুন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে। সাধারণত প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে দর্শকদের নির্বাচন করা হলেও এবার বিভিন্ন উপকরণ ব্যবহার করে দর্শকদের বাছাই করা হয়। এর ফলে, চারজন দর্শককে সরাসরি মঞ্চে নেওয়া সম্ভব হয়েছে।

    উল্লেখ্য, ঈদের পরদিন রাত ৮টার সময় বাংলা সংবাদের পরে বাংলাদেশ টেলিভিশনে এই বিশেষ পর্বটি সম্প্রচারিত হবে। অনুষ্ঠানটি রচনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেছেন হানিফ সংকেত। এর নির্মাণ করেছে ফাগুন অডিও ভিশন।

  • বিজয়ের স্ত্রী হতে পেরে আমি গর্বিত: রাশমিকা

    বিজয়ের স্ত্রী হতে পেরে আমি গর্বিত: রাশমিকা

    দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা এতদিন ধরে ছিল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। সম্প্রতি তিনি প্রেমের কথা স্বীকার করে সকলের দুয়ার খুলেছেন। দক্ষিণী সিনেমার তারকা বিজয় দেবেরাকোন্ডার সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধলেন তিনি। সামাজিক মাধ্যমে পরিবারের কিছু ছবি ও বিয়ের ছবি শেয়ার করে এই সত্যতা নিশ্চিত করেছেন রাশমিকা। দীর্ঘ সাত বছর ধরে প্রেমের সম্পর্কের পর এবার তারা জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করলেন।

    রাশমিকা তার অনুভূতি ব্যক্ত করে লিখেছেন, ‘মানুষটি আমাকে সত্যিকারের ভালোবাসা কেমন, সেটি শিখিয়েছে। সে আমাকে দেখিয়েছে কিভাবে শান্তিতে থাকা যায়। প্রতিদিন সে আমার স্বপ্ন দেখাতে উজ্জীবিত করে এবং নিজের ক্ষমতার ওপর বিশ্বাস স্থাপন করতে উদ্বুদ্ধ করে। আমি যা ভাবতে পারি, তার চেয়েও অনেক বেশি কিছু অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি।’

    তিনি আরও যোগ করেছেন, ‘এই মানুষটি আমাকে কখনও এমনভাবে নাচতে বাধা দেয়নি যে কেউ দেখবেন না। মানুষটি আমাকে বুঝিয়েছে বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরে বেড়ানোই জীবনের সেরা অভিজ্ঞতা। আমি বলতে দ্বিধা করব না, আমি তার ওপর একটি বই লিখতে পারি! আমি এখন সেই নারী হতে পেরেছি, যে আমি সব সময় হতে চেয়েছিলাম। আমি সত্যিই কৃতজ্ঞ ও আশীর্বাদপ্রাপ্ত।’

    জীবনের অনুপ্রেরণা, সংগ্রাম, সুখ-দুঃখে বিজয় সব সময় তার পাশে থাকায় নিজেকে ধন্য মনে করেন রাশমিকা। তিনি নিজের এই সুখের খবর সবার সঙ্গে ভাগ করে দোয়া এবং শুভকামনা চেয়েছেন। তার এই নতুন জীবনের জন্য তারা সকলের শুভকামনা ও সমর্থন কামনা করেছেন।

  • কসমেটিক সার্জারির পর ব্রাজিলিয়ান কন্টেন্ট ক্রিয়েটর মৃত্যুবরণ

    কসমেটিক সার্জারির পর ব্রাজিলিয়ান কন্টেন্ট ক্রিয়েটর মৃত্যুবরণ

    ব্রাজিলিয়ান কন্টেন্ট ক্রিয়েটর ও ইনফ্লুয়েন্সার বিয়াঙ্কা ডিয়াস কসমেটিক সার্জারির কয়েক দিনের মধ্যে ফুসফুসে রক্ত জমাট বাধার কারণে মারা গেছেন। তার প্রিয়জনেরা জানিয়েছেন, গত বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল মাত্র ২৭ বছর।

    বিয়াঙ্কা ডিয়াসের শেষ ছবি এবং ভিডিও গুলো ছিল ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে লন্ডনে ট্রিপের সময়ের। এসব ছবি ও ভিডিও তার সোশ্যাল মিডিয়াতে শেষবারের মতো পোস্ট ছিল।

    তার বন্ধু জেফ কার্লোস ইনস্টাগ্রামে বলেছেন, ‘মৃত্যু কোনো শেষ নয়। আমাদের বন্ধন অটুট রয়েছে।’ অন্য এক বন্ধু, কন্টেন্ট ক্রিয়েটর প্যাট্রিসিয়া গানডেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, ‘আমরা সুন্দর মুহূর্তগুলো ভাগ করে নিয়েছি এবং অসাধারণ সময় কেটেছে। ঈশ্বর তার পরিবারের প্রতি সহানুভূতি প্রদান করুন।’

    ডিয়াসের বন্ধু জিওভানা বার্গেস স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন যে, ডিয়াস সম্প্রতি কসমেটিক সার্জারি করিয়েছিলেন। সার্জারির পর তিনি সুস্থ হয়ে ওঠার প্রক্রিয়ায় ছিলেন। তবে, এরপর তার ফুসফুসে রক্ত জমাট বাঁধার সমস্যা দেখা দেয়। তার শারীরিক অবনতি হলে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে শারীরিক পরিস্থিতি সংকটপূর্ণ হয়ে পড়লে, তিনি মৃগী রোগীদের মতো ঝাঁকুনি দিতে থাকেন। শেষমেশ, হাসপাতালে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    বার্গেস আরও জানিয়েছেন, ‘আমি সকলের বার্তার জন্য কৃতজ্ঞ, যারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং আমাদের সমর্থন দিয়েছেন। যদি ধর্ম নির্বিশেষে কেউ প্রার্থনা করতে চান, আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ থাকবো।’

    নিহত ডিয়াসের জন্য শোক প্রকাশে ব্রাজিলের সাও পাওলোতে গত ২০ ফেব্রুয়ারি এক শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়।

  • নাহিদ-লিটনের দাপটে উজ্জ্বল নর্থ জোনের জয়

    নাহিদ-লিটনের দাপটে উজ্জ্বল নর্থ জোনের জয়

    নিজেদের প্রথম ম্যাচে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে দারুণ জয়লাভের পরও সাউথ জোন পারিষদে হতাশা প্রকাশ করল না নাজমুল হোসেনের নেতৃত্বে। অন্যদিকে, আফিফ হোসেন ও সৌম্য সরকারের ব্যাটিং অক্ষমতার দিনে উজ্জ্বল হয়ে উঠেছেন লিটন দাস ও তাওহীদ হৃদয়রা। এর ফলে টানা দ্বিতীয় ম্যাচ জিতে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠে গেছে নর্থ জোন।

    রাজশাহী বিভাগীয় স্টেডিয়ামে আজ (২৬ ফেব্রুয়ারি) সাউথ জোনকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে নর্থ জোন। প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে ৩০ ওভারে ১৪৪ রানে গুটিয়ে যায় সাউথ জোনরা। জবাবে, ১৪০ বল হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করে নর্থ জোন।

    এই জয়ে এখন ২ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে ফাইনালের জন্য অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে নর্থ জোন। অন্যদিকে, ২ ম্যাচে ২ পয়েন্ট পাওয়া সাউথ জোনের জন্য শেষ ম্যাচে ইস্ট জোনের বিপক্ষে জিততেই হবে জিততে হবে ফাইনালে পৌঁছানোর জন্য।

    টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে সাউথ জোন শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে। আগে কোনো রান না করে ওপেনার আনিসুল ইসলাম ফিরে যান। এরপর জাওয়াদ আবরার দলের হয়ে ১০ রানে ফিরে যান আরেক ওপেনার। ৯ রানের মধ্যে সৌম্য সরকার ও আফিফ হোসেন ধ্রুবরাও ফিরে গেলে বড়সড় চাপের মধ্যে পড়ে সাউথ জোন।

    ৪ উইকেট হারিয়ে ১৯ রানে ধুঁকতে থাকা দলটি শেষে মোহাম্মদ মিথুন ও নুরুল হাসান সোহান মিলিত ৫০ রানের জুটিতে ধীরস্থিরতা দেখায়। কিন্তু ব্যক্তিগত ২৪ রান করে নাহিদ রানার শিকার হলে ভেঙে যায় সেই জুটি।

    সাত নম্বর সময়ে ব্যাট করতে নামা রবিউল হককে নিয়ে আবারও জুটি গড়ার চেষ্টা করেন মিথুন। ২২ বলে ২৯ রান করে রবিউল ফিরে গেলে দলীয় ১২০ রানে আউট হন তিনি। এরপর আর টালেন্ডাররা আর অগ্রসর হতে পারেনি। নিজে ফিফটি পূরণ করে ৫৫ রানে অপরাজিত থাকেন মিথুন। অন্য প্রান্তে কেউ সঙ্গ দেয়নি, ফলে ১৯ ওভার ১ বল বাকি থাকতেই অলআউট হয় সাউথ জোন।

    নর্থ জোনের হয়ে তিনটি করে উইকেট নিয়েছেন এস এম মেহরব ও নাহিদ রানা। গুরুত্বপূর্ণ তিন উইকেটের জন্য ম্যাচের সেরা ম্যান অব দ্য ম্যাচ হন নাহিদ।

    জবাব দিতে নেমে দলীয় ২৮ রানে হাবিবুর রহমান সোহানের উইকেট হারায় নর্থ জোন। এরপর ৯ রানের মধ্যে তানজিদ হাসান তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্তও প্যাভিলিয়নে ফিরে যান। চতুর্থ উইকেটে তাওহীদ হৃদয় ও লিটন কুমার দাসের মধ্যে গড়ে ওঠে ৮০ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি। ৩৩ রান করে হৃদয় বিদায় নেন। তবে ফিফটি পূর্ণ করে দলের জয়ের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেন লিটন দাস, যিনি ৬৫ বলে ৫৫ রান করে অপরাজিত থাকেন।

    সাউথ জোনের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে কার্যকরি ছিলেন মুস্তাফিজুর রহমান, যিনি ৫ ওভারে ২৩ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন।

  • সেইমিতে জিম্বাবুয়েকে হারিয়েছে ভারত, সেমির আশা টিকে থাকল

    সেইমিতে জিম্বাবুয়েকে হারিয়েছে ভারত, সেমির আশা টিকে থাকল

    প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে বড় ব্যবধানে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে পড়ার শঙ্কায় পড়েছিল ভারত। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে ৭২ রানের দাপুটে জয়ে স্বপ্নস্মৃতি আবার জেগে উঠল তাঁদের। অন্যদিকে, টানা দুই হার নিয়ে সিকান্দার রাজার দল টুর্নামেন্ট থেকে বাদ পড়ল।

    জিম্বাবুয়ের সামনে বিশাল ২৫৭ রানের লক্ষ্য ছিল। শুরু থেকেই ওপেনার কল্যাণের আক্রমণাত্মক ব্যাটিং শুরু হয়। তবে কিছুটা ছন্দে থাকলেও রান তাণ্ডব চালাতে পারেননি পুরো দলের ব্যাটাররা; ফলে বড় সংগ্রহের পরিবর্তে তারা কেবল ব্যবধান কমাতে সক্ষম হন।

    ম্যাচের আলোচিত ব্যক্তিত্ব ছিলেন ওপেনার ব্রায়ান বেনেট। শতক পূরণের পর শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন তিনি। প্রয়োজন ছিল মাত্র ৩ রানের, তবে তিনি শেষ পর্যন্ত ৯৭ রান করে মাঠ ছাড়েন। তার ইনিংসটি ছিল ৫৯ বলে, আটটি চার ও ছয় ছয়ে সাজানো।

    অপর ওপেনার মারুমানি ২০ বলে ২০ রান করেন, দ্বিতীয় উইকেটে ডিওন মায়ার্স করেন ৬ রান। দলের অধিনায়ক সিকান্দার রাজা ২১ বল করে ৩১ রান করেন। অন্যদের মধ্যে রায়ান বার্ল রান পাননি, টনি মুনয়োঙ্গা ১১, মুসেকিয়া ৭ ও ব্র্যাড ইভান্স ১ রান করেন। এর ফলে জিম্বাবুয়ের ইনিংস শেষ হয় ১৮৪ রানে।

    ভারতের সর্বোচ্চ সফল বোলার ছিলেন অর্শদিপ সিং, যিনি তিনটি উইকেট নিয়েছেন।

    এর আগে চেন্নাইয়ে ম্যাচের শুরুতে টস জিতে জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক সিকান্দার রাজার সিদ্ধান্তে ভারতকে ব্যাটিংয়ে পাঠানো হয়। ব্যাটিং শুরু হয় দুর্দান্ত, দুই ভারতীয় ওপেনার আগ্রাসী ব্যাটিং চালান। ১৫ বলে ২৪ রানে স্যাঞ্জু স্যামসন ফিরে যান, তবে পাওয়ার প্লে’তেই দলের স্কোর ৮০ রানে পৌঁছে যায়। দ্বিতীয় উইকেটে ৭২ রানের জুটি গড়ে দলের ব্যাটিং ধ্বংস করে দেন অভিষেক শর্মা, যিনি ২৬ বলে ৫০ রান করেন।

    আরেক ওপেনার সূর্যকুমার যাদব ১৩ বলে ৩৩ রান করে আউট হন। তিনি দ্রুতই সাজঘরে ফিরলেও, ইনিংসের গুরুত্বপূর্ণ ভাগে হার্দিক পান্ডিয়া ও তিলক ভার্মা ব্যাটে ঝড় তোলে। তারা ৩১ বলে ৮৪ রান যোগ করেন, যেখানে হার্দিক ২৩ বলে ৫০ রান (চার চার, চার ছয়) করেন। তিলকও ১৬ বলে ৪৪ রান (চার চার, চার ছয়) করেন।

    ভারত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ২৫৬ রান করে। জিম্বাবুয়ের জন্য একটি করে উইকেট লাভ করেন চারজন বোলার।

  • ইংল্যান্ড গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন, নিউজিল্যান্ডের অপেক্ষা দীর্ঘ হয়ল

    ইংল্যান্ড গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন, নিউজিল্যান্ডের অপেক্ষা দীর্ঘ হয়ল

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সুপার এইটে যাওয়ার একমাত্র ম্যাচে ইংল্যান্ডের জয় ভাবনা সহজ করে দিয়েছে, তারা নিউজিল্যান্ডকে ৪ উইকেটে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নিশ্চিত করেছে। অন্যদিকে, এই হারের ফলে নিউজিল্যান্ডের সেমিফাইনালে উঠা নিয়ে শঙ্কা জেগেছে, যেহেতু তাদের এখনও পরিস্থিতি কঠিন। ম্যাচের শুরুতে ব্যাট করতে নেমে নিউজিল্যান্ড নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৫৯ রান করে। ইংল্যান্ডের জবাবে, ৩ বল ও ৪ উইকেট হাতে রেখেই জয় ছুঁয়ে ফেলেন তারা।

    রান তাড়া করতে নামা ইংল্যান্ডের জন্য শুরু ছিল বেশ কঠিন। দুই ওভারের মধ্যেই দুই ওপেনার সাজঘরে ফিরে যান। ফিল সল্ট ৪ বলে ২ রান করে আউট হন এবং জস বাটলার কোন রান সংগ্রহ করতে পারেননি। এরপর, দলনেতা হ্যারি ব্রুক ও জ্যাকব বেথেল ঐ ওভারগুলো ঠিক করে চাপ মোকাবেলা করেন। তবে হ্যারি ব্রুক ২৪ বলে ২৬ রান করে আউট হন, আর বেথেলও ১৬ বলে ২১ রান করে ফিরে যান। স্যাম কারান ২২ বল খেলে ২৪ রান করেন, কিন্তু এর আগে মাঠে ছিলেন আবেগে ভরা এক পর্যায়ে।

    অন্যদিকে, ব্যক্তিগত ৩৩ রানে আউট হওয়ার পর ইংল্যান্ডের পরিস্থিতি কঠিন হয়ে পড়েছিল। তখন মনে হচ্ছিলো তাদের হেরেই যাবেন। কিন্তু সপ্তম উইকেটে উইল জ্যাকস ও রেহান আহমেদের দৃঢ় batting-এর মাধ্যমে তারা জয় লাভ করে। জ্যাকস ২৮ রান ও রেহান ১৯ রানে অপরাজিত থাকেন।

    এর আগে, টস জিতে আগে ব্যাট করতে নামা নিউজিল্যান্ডের জন্য শুরু ছিল চ্যালেঞ্জিং। টিম সেফার্টকে প্রথম ওভারে শক্তিশালী সুইংয়ে পরীক্ষা দিতে হয়েছিল, যেখানে তিনি কোনও রানই করতে পারেননি। তবে, ফিন অ্যালেনের সঙ্গে সেফার্ট ব্যাট করে পাওয়ার প্লে’র ৬ ওভারে ৫৪ রান যোগ করেন। সেফার্ট ২৫ বলে ৩ চার ও ২ ছক্কায় ৩৫ রান করেন এবং অ্যালেন ১৯ বলে ৩ ছক্কা ও ২৯ রান করেন।

    রাচিন রবীন্দ্রের ধীর রানের পর, স্পিনারদের দাপটে নিউজিল্যান্ডের বিপর্যয় হয়। গ্লেন ফিলিপস ২৮ বলের মধ্যে ৪ চার ও ১ ছক্কা দিয়ে ৩৯ রান করেন। মার্ক চাপম্যান ৯ বলে ১৫ রান এবং কোল ম্যাককনচি ১৪ রান করেন। বুঝতে পারা যায়, ইংলিশ স্পিনাররা এই ম্যাচে দাপট দেখিয়েছে; অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক ৩ ওভার আর স্যাম কারান এক ওভারের বেশি করতে পারেননি।

    ইংল্যান্ডের পক্ষ থেকে চার স্পিনার মিলে মোট ৭ উইকেট নিয়েছেন। আদিল রশিদ, উইল জ্যাকস ও রেহান আহমেদ প্রত্যেকে ২ উইকেট করে শিকার করেন। এই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের ফলে ইংল্যান্ড তাদের গ্রুপের শীর্ষে থাকতে সক্ষম হয় এবং বিশ্বকাপের পরবর্তী রাউন্ডের জন্য প্রস্তুতি নিতে থাকে।

  • ফিফার সংজ্ঞায় বাংলাদেশের নতুন পরাশক্তি হিসেবে অনুরূপ গুরুত্ব

    ফিফার সংজ্ঞায় বাংলাদেশের নতুন পরাশক্তি হিসেবে অনুরূপ গুরুত্ব

    বাংলাদেশ ফুটবল দল গত কয়েক বছরে উল্লেখযোগ্য উন্নতি করছে, যার অন্যতম প্রমাণ হলো হামজা চৌধুরীর পর সামিত সোম-স্যার কোচ মিচেলদের অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে দলটি শক্তিশালী হয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ায় যেন লাল-সবুজের এই দলটি নিজের স্থান করে নিচ্ছে, এবং তাদের অর্জন নিয়মিত বৃদ্ধি পাচ্ছে। যদিও এএফসি এশিয়ান কাপে বাংলাদেশের প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স দেখা যায়নি, তবে দীর্ঘ ২২ বছর পর ভারতকে হারিয়ে নিজেদের প্রতিভা ও দক্ষতা প্রমাণ করেছে দলটি।

    ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা সম্প্রতি বাংলাদেশের উন্নতিসহ দলের সাম্প্রতিক কার্যক্রমের প্রশংসা করেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপে বাংলাদেশের একটি ছবি এবং তার ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, ‘‘দক্ষিণ এশিয়ার নতুন পরাশক্তি?’’ যেখানে বাংলাদেশের পতাকার ইমোজিও যুক্ত করা হয়েছে। এই প্রশ্নটি ফুটবল ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে।

    ফেসবুক পোস্টের কমেন্টগুলোতেও রয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। অনেকেই সরাসরি মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের ফুটবল দক্ষতা ও উন্নয়নের প্রশংসা করে, যেমন মোহাম্মদউল্লাহ নরেন উল্লেখ করেছেন, ‘এখন তো শুধু দক্ষিণ এশিয়ার পরাশক্তি, কিছুদিন পর এশিয়ার পরাশক্তি হব এবং ভবিষ্যতে ফুটবল বিশ্বেও অবশ্যই পরাশক্তি হব, ইনশাআল্লাহ।’ এইসব মন্তব্য নির্দেশ করছে যে, বাংলাদেশ এখনকার সময়ে ফুটবল মহলে উল্লেখযোগ্য স্থান করে নিচ্ছে এবং ভবিষ্যতের জন্য বড় আশা ও স্বপ্ন দেখছে।