Blog

  • সাতক্ষীরায় প্রথমবারের মতো শক্তিশালী ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল শনাক্ত

    সাতক্ষীরায় প্রথমবারের মতো শক্তিশালী ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল শনাক্ত

    সাতক্ষীরায় ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হলো। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর পৌনে ২টার দিকে এই আকস্মিক ভূকম্পনে পুরো জেলা এক চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতিতে পড়ে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫.৩। এর উৎপত্তিস্থল ছিল সরাসরি সাতক্ষীরা জেলার অভ্যন্তরে, যেখানে ভূমিকম্পটির মূল কেন্দ্র ছিল আঞ্চলিকভাবে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

    প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণে জানা যায়, দুপুরের সময় হঠাৎ করেই ভয়ঙ্কর ঝাঁকুনি শুরু হয়। এতে উপস্থিত মুসল্লিরা তিলাবৎ আতঙ্কে পড়েন, কারণ জুমার নামাজের সময় ছিল এবং অনেকেই মসজিদে ছিলেন। তীব্র কম্পনে সাধারণ মানুষ দ্রুত মসজিদ থেকে বের হয়ে খানিকটা দেরি না করে নিরাপদ স্থানে যান। শহরের বহুতল ভবনগুলো থেকে বাসিন্দারা রাস্তায় ছুটে বের হন। তবে, বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির কোনও খবর এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

    সাতক্ষীরা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জুলফেকার আলী রিপন নিশ্চিত করেছেন, ভূমিকম্পের মাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৫.৩। এই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল আশাশুনি উপজেলার আনুলিয়া ইউনিয়নে।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের ধারণা, এর আগে তারা কখনও এত শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভব করেননি। ভূমিকম্পের কেন্দ্রের ভিতরে থাকা এই এলাকায় কম্পনের তীব্রতা অনেক বেশি ছিল, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। এই ফলাফলে জানা গেছে, ভবিষ্যতে আরও সতর্কতা ও প্রস্তুতির প্রয়োজন রয়েছে, যাতে এই ধরনের বিপর্যয় মোকাবেলা করা যায়।

  • প্রাক্তন বৈষম্যবিরোধী নেতা রিয়াদ সহ তিনজন গ্রেপ্তার হত্যাচেষ্টা মামলায়

    প্রাক্তন বৈষম্যবিরোধী নেতা রিয়াদ সহ তিনজন গ্রেপ্তার হত্যাচেষ্টা মামলায়

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সাবেক নেতা ও প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী আব্দুর রাজ্জাক বিন সোলাইমান রিয়াদ হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন। তার সঙ্গে একই বিশ্ববিদ্যালয়ের মো. রিয়াদুল হাওলাদার, মো. আলিফ আহম্মেদ আশিক ও সায়েম শিকদার নামেও গ্রেপ্তারকৃতরা শনাক্ত হয়েছেন। আজ শুক্রবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তাদের হাজির করা হয়। পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও গুলশান থানার উপপরিদর্শক আরমান আলী তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।

    এদিকে, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে। ঘটনাটি ঘটেছে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির ক্যাম্পাসে, যেখানে নির্জন সরদার বাঁধন নামের এক ছাত্রের অভিযোগে তিনি ও আরও ১০/২২ জনকে আসামি করে হত্যাচেষ্টা মামলাটি দায়ের করা হয়। অভিযোগে বলা হয়, বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টার সময় প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির একান্ত আলোচনা রুমে আসামিরা তাকে ক্যাম্পাসে স্থায়ী থাকতে এবং কনভোকেশন অনুষ্ঠানে অংশ নিতে বলেন। এ সময় রাজ্জাকের নেতৃত্বে আসামিরা তাকে মারধর শুরু করে। তারা তাকে চেয়ার দিয়ে আঘাত করে, পরে সুইচ গিয়ার চাকু দিয়ে মুখে আঘাত করে, যার ফলে তার মুখ ও নাকের উপরিভাগ কেটে গুরুতর রক্তাক্ত জখম হয়। এরপর তাকে শরীরের বিভিন্ন অংশে লাঠি দিয়ে মারধর করা হয়। এ সময় তাঁর বন্ধুবান্ধব ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা এগিয়ে আসলে আসামিরা তাদের ভয়ভীতি ও হুমকি দিতে থাকে। পরে গুলশান থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আসামিদের আটক করে। পুলিশ বলছে, আসামিরা সক্রিয়ভাবে মারপিটের সঙ্গে জড়িত এবং এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

  • কালীগঞ্জে শিশু তাবাচ্ছুম হত্যায় মূল অভিযুক্ত আবু তাহের আটক

    কালীগঞ্জে শিশু তাবাচ্ছুম হত্যায় মূল অভিযুক্ত আবু তাহের আটক

    ঝিনাইদহের কালীগঞ্জের পৈত্রিক গ্রামে চার বছরের শিশু তাবাচ্ছুম হত্যার মূল অভিযুক্ত আবু তাহেরকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে কুষ্টিয়া শহরে তার ভাইয়ের ভাড়া বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আবু তাহের কালীগঞ্জ উপজেলার ফরাসপুর গ্রামের শফি উদ্দীন নামে এক ব্যক্তির ছেলে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, আবু তাহের একজন সিগারেট কোম্পানীর বিক্রয় প্রতিনিধি এবং তার মাদকাসক্তি রয়েছে।

    শুক্রবার দুপুরে কালীগঞ্জ থানায় এক প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে এই শিশু হত্যার অন্যতম মূল আসামির গ্রেফতারি নিশ্চিত করে। এএসপি মাহফুজুর রহমান বলেন, গত বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) শিশুটির নিখোঁজ সংবাদ পাওয়ার পর পুলিশ দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু করে। পরের দিন, یعنی বৃহস্পতিবার, বাদুরগাছা গ্রামের একটি সেফটি ট্যাংক থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। হত্যাকারীদের সনাক্তকরণে তৎপরতা চালিয়ে আরও দ্রুত অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়। পরে জানা যায়, আবু তাহের কুষ্টিয়ায় তার ভায়ের বাসায় অবস্থান করছে, যেখানে তাকে কুষ্টিয়া পুলিশের সহায়তায় গ্রেফতার করা হয়।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আবু তাহের দাবি করে, ঘটনার দিন শিশুটিকে চিপস ও জুসের লোভ দেখিয়ে ঘরে নিয়ে যায়। এরপর শারীরিক নির্যাতনের শিকার করে। শিশুটি চিৎকার শুরু করলে তাকে লুঙ্গি দিয়ে মুখ চেপে ধরে। মুখ চেপে ধরার এক পর্যায়ে শিশুটি মারা যায়। এরপর রাতের অন্ধকারে শিশুটিকে একটি বস্তায় ভরে পাশের স্কুলের সেফটিক ট্যাংকে লুকিয়ে রাখে।

    প্রেস ব্রিফিংয়ে কালীগঞ্জ থানার ওসি ও এই শিশু হত্যাকাণ্ডের তদন্তকারী কর্মকর্তা জেল্লাল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

    উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার সকালে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জের বাদুরগাছা গ্রামের আব্দুল জব্বার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সেফটিক ট্যাংক থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। শিশুটি বুধবার দুপুর দুইটার দিকে নিখোঁজ হয়। তার পরিবার বন্দরবাজার এলাকার বাদেডিহি গ্রামে ভাড়া থাকেন। নিহত শিশুর বাবা নজরুল ইসলাম একজন স্থানীয় দর্জির কর্মচারী এবং মা হালিমা খাতুন একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ওয়েব ফাউন্ডেশনে কাজ করেন।

  • বাংলাদেশে ভরিতে সোনার দাম ৩ হাজার টাকা বেড়েছে

    বাংলাদেশে ভরিতে সোনার দাম ৩ হাজার টাকা বেড়েছে

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) আজ গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দিয়েছে, যেখানে তারা জানিয়েছে যে দেশের বাজারে ভরের সোনার দাম প্রতি ভরি সর্বোচ্চ ৩ হাজার ২৬৬ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। এই যুক্তির ফলে, ভালো মানের (২২ ক্যারেট) সোনার বাজারমূল্য এখন পৌঁছেছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকায়, যা পূর্বে ছিল ২ লাখ ৫৫ হাজার ৫৫৮ টাকা।

    বাজুসের এই ঘোষণা শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে প্রকাশ্যে আসে এবং তা অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সোনার দাম বিশ্ববাজারে বৃদ্ধির প্রভাবের কারণে বাংলাদেশে এই দাম বাড়ানো হয়েছে।

    বিশেষত, তেজাবি বা পিওর গোল্ডের দাম বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে দেশের বাজারে সোনার সামগ্রিক মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে। নতুন নির্ধারিত দামে, ২২ ক্যারেটের সোনার এক ভরি বিক্রি হবে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা, অন্যদিকে ২১ ক্যারেটের ভরি মূল্য ২ লাখ ৪৭ হাজার ১০২ টাকা। এছাড়া, ১৮ ক্যারেটের সোনার ভরিের মূল্য দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার প্রতিভরি বিক্রি হবে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকায়।

    অপর দিকে, রুপার দামের ক্ষেত্রেও বাড়তি ছাড় দেয়া হয়েছে। ২২ ক্যারেটের রুপার ভরি এখন বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার ৭۰৭ টাকায়। এছাড়াও, ২১ ক্যারেটের রুপার জন্য নির্ধারিত মূল্য ৬ হাজার ৪১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ৫ হাজার ৪৮২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৪ হাজার ৮২ টাকায় নির্ধারিত হয়েছে।

    বিশ্ব বাজারেও স্বর্ণের দাম ক্রমাগত বাড়ছে। গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ সময় আজ সকাল ১১:২৫ মিনিটে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ছিল ৫ হাজার ১০৬ ডলার, যেখানে আগের দিন সেটা ছিল ৪ হাজার ৯৭৮ ডলার। আরেকটু পিছনে দেখা যায়, ৩০ জানুয়ারিতে স্বর্ণের দাম ছিল ৫ হাজার ২০০ ডলার, এবং ২৯ জানুয়ারিতে দাম ছিল ৫ হাজার ৫৫০ ডলার।

    বিশ্ববাজারে চলমান এই উর্ধ্বগতি দেশের স্বর্ণের দামকেও প্রভাবিত করে। গত মাসের শেষের দিকে যখন বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আকাশ ছুঁয়েছিল, তখন বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি এক ভরি স্বর্ণের দাম প্রায় ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বৃদ্ধি করে দেশের বাজারে রেকর্ড করে। ফলে, ভালো মানের স্বর্ণের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকায়, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পর্যায়। এই দামোৎসুতির মধ্যে একবারের জন্যও এতটা বৃদ্ধি আগে দেখা যায়নি।

  • দুই দিনের ব্যবধানে ফের বাড়ল সোনার দাম

    দুই দিনের ব্যবধানে ফের বাড়ল সোনার দাম

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) আবারও দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি করেছে। নতুন দরে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের মূল্য ভরি প্রতি ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই দামটি সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়, যা কার্যকর হয়েছে সকাল ১০টার পর থেকে।

    বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের মূল্য বৃদ্ধির কারণে সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন দামে, ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকায়, যেখানে ২১ ক্যারেটের জন্য ভরি মূল্য ধার্য হয়েছে ২ লাখ ৪৯ হাজার ১৪৩ টাকা। এছাড়াও, ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১৩ হাজার ৫৬৮ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের ভরি মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকা।

    তবে এই মূল্য হিসেবের সঙ্গে সরকারের নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুসের নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরির যোগ হবে। গহনার নকশা ও মানভেদে মজুরির হার ভিন্ন হতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থা।

    এর আগে, ২১ ফেব্রুয়ারিতে বাজুস স্বর্ণের দাম পুনরায় সমন্বয় করেছিল। তখন ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের ভরি মূল্য ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। চলতি বছর মোট ৩২ বার স্বর্ণের দামের পরিবর্তন হয়েছে, তার মধ্যে ২০ বার দাম বাড়েছে এবং ১২ বার কমেছে। ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার দাম পরিবর্তন হয়েছিল, যেখানে দাম বাড়েছে ৬৪ বার এবং কমেছে ২৯ বার।

    অপরদিকে, রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেট রুপার ভরি বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার ৭০৭ টাকায়, ২১ ক্যারেটের জন্য মূল্য ৬ হাজার ৪১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ভরি ৫ হাজার ৪৮২ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা প্রতি ভরি বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৮০২ টাকায়।

    সাল সব মিলিয়ে, চলতি বছরে রুপার দাম ১৮ দফা সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ১১ দফায় দাম বেড়েছে এবং ৭ দফায় কমেছে। গত বছর মোট ১৩ দফা আমি সমন্বয় হয়েছিল, এর মধ্যে ১০ দফায় মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছিল এবং ৩ দফায় কমেছিল।

  • বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পরিবর্তন: মনসুরের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন মোস্তাকুর রহমান

    বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পরিবর্তন: মনসুরের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন মোস্তাকুর রহমান

    বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের মেয়াদ বাতিল করে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করেছেন ব্যাংকের কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে, বাংলাদেশের অর্থনীতি পরিচালনার দায়িত্বে থাকা এই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ১৪তম গভর্নর হিসেবে মো. মোস্তাকুর রহমানকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

    বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, অর্থ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ আবরাউল হাছান মজুমদার স্বাক্ষরিত পৃথক দুই প্রজ্ঞাপনে এই গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ঘোষণা দেওয়া হয়। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, ড. মনসুরের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করা হয়েছে এবং তার স্থলে মোস্তাকুর রহমানকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যা আগামী চার বছর পুরোপুরি দায়িত্ব পালনের জন্য চুক্তিভিত্তিক ভিত্তিতে নিয়োগ করা হয়েছে।

    প্রজ্ঞাপনে আরও জানানো হয়, মোস্তাকুর রহমান বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সদস্য এবং হিরা সোয়েটারের মালিক। তিনি জানান, নিয়োগের জন্য অন্যান্য সব সংস্থার সঙ্গে তার কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে এই নিয়োগ অনুমোদিত হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমি এখন থেকে বাংলাদেশের ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করব।’ এর সাথে বেতন, ভাতা এবং অন্যান্য সুবিধা ব্যাংক থেকেই গ্রহণ করবেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, এই নিয়োগের আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। জনস্বার্থে এ ঘোষণা বাস্তবায়নও দ্রুত হয়েছে।

    অন্যদিকে, মোস্তাকুর রহমানের নিয়োগের খবর প্রকাশিত হওয়ার পর, নতুন গভর্নরের দায়িত্ব গ্রহণের পূর্বে, ড. আহসান এইচ মনসুর তার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কার্যালয় ত্যাগ করেন। তিনি কোনও বলেননি, তবে বুঝতে পারা যায় যে তিনি বর্তমান দায়িত্ব থেকে সরে গেছেন। তিনি জানান, আমি পদত্যাগ করিনি, খবর শুনেছি। এর বাইরে অন্য কোন মন্তব্য করেননি।

    তার এই অনাকাঙ্ক্ষিত ও অপ্রত্যাশিত পদত্যাগের খবরে ব্যাংকের মধ্যে তো বটে, সাধারণের মধ্যেও আলোচনা শুরু হয়ে যায়। গত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট, দেশের ক্ষমতা লীগের পরিবর্তনের পর, তখনকার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার পদত্যাগ করেছিলেন। এরপর, ১৩ আগস্ট, ড. আহসান এইচ মনসুরকে নতুন গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এই পরিবর্তন দেশে অর্থনৈতিক পরিস্থিতির এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে ঘটলো।

  • নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত রাখবেন

    নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত রাখবেন

    সদ্য বিদায়ী গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর ব্যাংকিং খাতকে খাদের কিনারা থেকে তুলে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তাঁর এই উদ্যোগের জন্য তিনি প্রশংসিত হন। নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান এ ব্যাপারে ইতিমধ্যে আশ্বাস দিয়েছেন যে, তিনি পূর্ববর্তী সরকারের নেওয়া প্রগতিশীল সংস্কারমূলক পদক্ষেপগুলোকে অব্যাহত রাখবেন।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের ১৪তম গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স রুমে এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

    তিনি প্রথম দিনই নির্বাহী পরিচালক ও ডেপুটি গভর্নরদের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং ভবিষ্যতের জন্য কিছু দিক নির্দেশনা দেন। এর মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখ করেন, রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্পকারখানাগুলোকে চালু করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

    খাতের স্থিতিশীলতা ধরে রাখা এবং অর্থনীতিতে গতি ফিরিয়ে আনতে তিনি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রশংসা করেন। দেড় বছরে বন্ধ হওয়া শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনরায় চালু করতে প্রয়োজনীয় প্রণোদনা, নীতিগত সহায়তা এবং ব্যাংকিং খাতে সমন্বয় জোরদার করার পরিকল্পনা করেন। এর ফলে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং উৎপাদন বাড়ানোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

    অর্থনীতির মূল চাবিকাঠি হিসেবে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বজায় রাখতে গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি উচ্চ সুদের হার পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়েও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

    নতুন গভর্নর বিশ্বাস ব্যক্ত করেন, প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন নিশ্চিত করতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ নিয়ম ও বৈষম্যহীন হবে। কাজের গতি বাড়াতে ‘ডেলিগেশন অব অথরিটি’ কার্যক্রমের মাধ্যমে বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের দায়িত্ব ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা বৃদ্ধির পরিকল্পনাও তিনি প্রকাশ করেন।

    এছাড়াও, বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তাদের মধ্যে ‘মবে’ বা জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, প্রশ্নের জবাবে মুখপাত্র জানিয়েছেন, গভর্নর বলেছেন, তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করে মানানসই ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। যারা এই ‘মবে’ কালচার রচনায় যুক্ত রয়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যাতে ব্যাংকিং খাতে স্বচ্ছতা ও দায়িত্ববোধ নিশ্চিত হয়।

  • নতুন গভর্নর কাজের মাধ্যমে নিজের দক্ষতা প্রমাণ করতে চান

    নতুন গভর্নর কাজের মাধ্যমে নিজের দক্ষতা প্রমাণ করতে চান

    বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান কাজের মাধ্যমেই তার সক্ষমতা এবং যোগ্যতা প্রমাণ করার মনোভাব ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেছেন, কথায় নয়, আসলে নিজের দক্ষতা দেখানোর জন্য আমি কাজের মধ্য দিয়ে প্রমাণ করতে চাই। দেশব্যাপী বলিষ্ঠ ও দৃঢ় নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

    আজ বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রবেশ করেন। উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি গভর্নর ও অন্যান্য কর্মকর্তা-ব্যান্কের কর্মকর্তারা। গভর্নর হিসেবে নতুন দায়িত্ব গ্রহণের সময় তিনি সাংবাদিকদের জানান, এখন থেকে কর্মের মাধ্যমে নিজের ক্ষমতা দেখিয়ে দিতে চান। স্বাভাবিকভাবে, আগে কাজ শুরু করব, তখনই বলা যাবে কি প্রকৃতপক্ষে আমি কতটাই বা দক্ষ।

    গভর্নর হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণের আগে তিনি অর্থ মন্ত্রণালয় গিয়ে বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পন্ন করেন। এরপর কেন্দ্রীয় ব্যাংকে উপস্থিত হন।

    বুধবার বিকেলে তাকে চার বছর মেয়াদে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দিয়ে সরকার ঘোষণা করে। তিনি বিদায়ী গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের স্থলাভিষিক্ত হয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। রাষ্ট্রপতির আদেশে আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগ তাকে নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এছাড়াও সাবেক গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল করা হয়।

    মোস্তাকুর রহমানের জন্ম ১৯৬৬ সালে ঢাকায়। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি তিনি অর্জন করেন। এর পর তিনি দ্য ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড М্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএমএবি) থেকে এফসিএমএ ডিগ্রি লাভ করেন।

    অসাধারণ যোগ্যতা ও কর্মক্ষমতা দিয়ে তাঁর নেতৃত্বে দেশব্যাপী বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ছে। তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনার জন্য গঠিত বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির ২৩তম সদস্য ছিলেন।

    ব্যবসায়ী জীবনে তিনি পোশাক রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএর সদস্য। পাশাপাশি তিনি নারায়ণগঞ্জের হেরা সোয়েটার্স নামক পরিবেশবান্ধব কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে কাজ করছেন।

  • পিলখানা হত্যাকাণ্ডের আসল রহস্য উন্মোচন জরুরি: গোলাম পরওয়ার

    পিলখানা হত্যাকাণ্ডের আসল রহস্য উন্মোচন জরুরি: গোলাম পরওয়ার

    দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতা বিরোধী ষড়যন্ত্র কঠোরভাবে নির্মূল করতে হলে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত ঘটনা উন্মোচন একান্ত প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর মহাসচিব মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বুধবার রাজধানীর পুরানা পল্টনে জামায়াতের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের কার্যালয়ে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় সংঘটিত বিডিআর বিদ্রোহ ও মারাত্মক-নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পেছনে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র লুকানো ছিল। যদি এই রহস্য উন্মোচন না করা যায়, তবে দেশকে আবার কেউ না আবার ষড়যন্ত্রের শিকার হতে পারে। তাই, এই ঘটনাটি সম্পূর্ণভাবে খতিয়ে দেখে যারা এর নেতৃত্ব দিয়েছিল, তাদের নাম-পরিচয় 밝혀 না হলে জাতির মুক্তি হবে না। প্রতিটি আসামিকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। তিনি আরও বলেন, শহীদ পরিবারের অশ্রু, আহাজারি অসহ্য বোঝা, যা জাতির জন্য যেন এক অভিশাপ। এই অভিশাপ থেকে মুক্তি পেতে অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে সুবিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। পরওয়ার আরও বলেন, ২০০৯ সালের পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচার আর অপেক্ষা করতে পারে না। এটি দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে। যারা বিচার উপলক্ষে আলোর বদলে নাটক সাজিয়ে নিরপরাধ বিডিআর সদস্যদের কারাদণ্ড দিয়েছেন, তাদের মুক্তি ও ক্ষতিপূরণ কার্যকরভাবে দিতে হবে। অনুষ্ঠানে জামায়াতের সহকারী সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম খান বলেন, ওই সময়ের প্রধানমন্ত্রী ও সেনাপ্রধানের নীরবতা এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে এক ধরনের সংশ্লিষ্টতা প্রমাণ করে। এর পেছনে মূল লক্ষ্য ছিল দেশের প্রিয় সেনা কর্মকর্তাদের হত্যা করে সেনাবাহিনীকে দুর্বল করে দেশের স্বার্থ রক্ষা ও আধিপত্য বিস্তার। এই পরিকল্পনায় তারা অনেকটাই সফল হয়েছেন। গভীর আলোচনায় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম মাসুদ, নায়েবে আমির হেলাল উদ্দিন, সহকারী সাধারণ সম্পাদক ড. আব্দুল মান্নান ও বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি আব্দুস সালাম।

  • তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া বগুড়া-৬ আসনে বিএনপির প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা

    তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া বগুড়া-৬ আসনে বিএনপির প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা

    বিএনপি চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সম্প্রতি তার নিজ নির্বাচনী এলাকা বগুড়া-৬ আসন থেকে প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। এই আসনে উপনির্বাচনে দলের পক্ষ থেকে প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হয়েছেন জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা।

    বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক সরকারি চিঠিতে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। এতে বলা হয়, বিএনপির নেতাকর্মীদের পক্ষ থেকে রেজাউল করিম বাদশাকে এই নির্বাচনে মনোনীত করা হয়েছে।

    বিএনপি মিড়িয়া সেল সূত্রে জানা গেছে, ওই নির্বাচনে দলের পক্ষ থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা।

    প্রসঙ্গত, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও অংশ নিয়েছিলেন তারেক রহমান। তিনি ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬ আসনে নির্বাচন করে বিজয়ী হয়েছিলেন। আইন অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি সর্বোচ্চ তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন। এজন্য তিনি ঢাকা-১৭ আসনে নির্বাচিত হয়ে থাকায়, বগুড়া-৬ আসন থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করেছেন। এর ফলে, বিএনপি এই আসনে উপনির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য রেজাউল করিম বাদশাকে মনোনয়ন দিয়েছে।