Blog

  • সংযুক্ত আরব আমিরাত ওপেক ও ‘ওপেক প্লাস’ ত্যাগের ঘোষণা দিলো

    সংযুক্ত আরব আমিরাত ওপেক ও ‘ওপেক প্লাস’ ত্যাগের ঘোষণা দিলো

    সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ঘোষণা দিয়েছে যে তারা ওপেক ও ওপেক প্লাস জোট থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে। এই সিদ্ধান্তটি আগামী ১ মে থেকে কার্যকর হবে — যা বিশ্বর অন্যতম তেল উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে আমিরাতের কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে এবং তেল বাজার ও জোটের নেতা সৌদি আরবের জন্য বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

    দেশটির সরকারি সংবাদসংস্থা WAM জানিয়েছে, এই সিদ্ধান্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের দীর্ঘমেয়াদি কৌশল, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং জ্বালানি খাতে করা বিনিয়োগকে সমন্বিত করার অংশ। ঘোষণায় বলা হয়েছে, দেশটি অভ্যন্তরীণ জ্বালানি উৎপাদন বাড়াতে এবং নিজস্ব সরবরাহশৃঙ্খল আরও শক্তিশালী করার উদ্দেশ্যে এই পদক্ষেপ নিয়েছে। এতে আমিরাতের ‘দায়িত্বশীল ও নির্ভরযোগ্য’ উৎপাদক হিসেবে অবস্থান বজায় রাখার অঙ্গীকারও জোরদার হবে বলে বলা হয়েছে।

    ঘোষণায় আরো উল্লেখ করা হয়েছে যে এই সিদ্ধান্ত জাতীয় স্বার্থ এবং বাজারের জরুরি চাহিদা মেটাতে নেওয়া হচ্ছে, বিশেষত আরব উপসাগর ও হরমুজ প্রণালিতে চলমান ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার পরিপ্রেক্ষিতে, যা সরবরাহে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করছে।

    অন আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়ায়, অনেক বিশ্লেষক এই পদক্ষেপকে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কৌশলগতভাবে অনুকূল বলে দেখছেন। প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরে ওপেককে তেলের দাম কৃত্রিমভাবে বাড়ানোর জন্য সমালোচনা করেছেন; সেই প্রেক্ষিতে আমিরাতের প্রস্থান মার্কিন প্রভাবকে কিছুটা বাড়িয়ে দিতে পারে বলে বলা হচ্ছে।

    আরেকদিকে, আমিরাতের মতো বড় উৎপাদনকারীর জোট ত্যাগ ওপেককে দুর্বল করতে পারে। ওপেক থেকে বেরিয়ে এসে আমিরাত এখন কোটা-নির্ভরতা ছাড়াই নিজের উৎপাদন বাড়াতে পারবে, ফলে বাজারে সরবরাহ বাড়ার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়—যা দীর্ঘমেয়াদে তেলের দাম কমাতে সহায়ক হতে পারে।

    তবে স্বল্পমেয়াদে বাজারে কিছু অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। অনেকে মনে করেন হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণভাবে স্থিতিশীল না হওয়া পর্যন্ত দাম উচ্চেই থাকতে পারে। বিশ্লেষকরা বলছেন, সরবরাহ নিয়মিত বাড়ালে ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ মূল্যে ধীরে ধীরে চাপ বাড়বে এবং ব্যারেলপ্রতি ৭০–৯০ ডলারের মধ্যে দাম নেমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

    প্রসঙ্গত, ১৯৬০ সালে গঠিত ওপেক তেল সরবরাহে দীর্ঘদিন ধরেই একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। শুরুতে পাঁচটি দেশ — সৌদি আরব, ইরান, ইরাক, কুয়েত ও ভেনিজুয়েলা — মিলিত হয়ে জোটটি গঠন করেছিল; পরে অনেক দেশ এতে যোগ দেয়। গত কয়েক বছরে কাতার, ইন্দোনেশিয়া, ইকুয়েডর ও অ্যাঙ্গোলা মত দেশ কিছু সময়ের জন্য বা স্থায়ীভাবে ওপেক ত্যাগ করেছে। বর্তমানে ওপেকের সদস্যসংখ্যা প্রায় ১২টি, যার মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতও ছিল।

    অপরদিকে, ২০১৬ সালে ওপেক ও অ-ওপেক কিছু দেশ মিলিত হয়ে ‘ওপেক প্লাস’ গঠন করে — এতে রাশিয়া, কাজাখস্তান, ওমান, মেক্সিকোসহ বহু উৎপাদনকারী দেশ জড়িত হয়; এই জোট এখন বিশ্ব তেল উৎপাদনের বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করে।

    এ প্রতিবেদনটি আল জাজিরা ও রয়টার্সের প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে প্রস্তুত।

  • খুলনায় ছাত্র নেতার পৈতৃক জমি দখলচেষ্টা: বিএনপি নেতাসহ ২০-২৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

    খুলনায় ছাত্র নেতার পৈতৃক জমি দখলচেষ্টা: বিএনপি নেতাসহ ২০-২৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

    খুলনায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক কেন্দ্রীয় সহ-সমন্বয়ক ও জেলা সদস্য সচিব সাজিদুল ইসলাম বাপ্পি তাঁর পৈতৃক জমি দখলচেষ্টার, চাঁদা দাবি ও নগদ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। মঙ্গলবার খুলনার বিজ্ঞ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতে নালিশি মামলা করেন ভুক্তভোগী বাপ্পি।

    মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে খানজাহান আলী থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ হাওলাদার আব্বাসকে। অভিযোগে আরও রয়েছে—জহির (৪২), দ্বীপু ওরফে কাউন্টার দ্বীপু (৪২) ও অজ্ঞাতনামা আরও প্রমান ২০-২৫ জন।

    পুলিশি ও মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, গত ২৫ এপ্রিল সকালে কুয়েট রোড এলাকার বাপ্পিদের দীর্ঘদিনের ভোগদখলীয় পৈতৃক জমিতে সীমানা প্রাচীর নির্মাণের কাজ শুরু হলে ওই সত্তরাসক্রিয়া গ্রুপটি দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সেখানে হানা দেয়। তারা প্রথমে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে এবং নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেয়।

    চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আসামীরা বাপ্পির পিতাকে অস্ত্র দেখিয়ে ভয়ভীতি দেখায় এবং একপর্যায়ে এক হাজার ৫ শত বর্গফুট বা ৩ শতক জমি আব্বাসের নামে লিখে দিতে চাপ সৃষ্টি করে। একই সময় বাপ্পির পিতার কাছ থেকে জোরপূর্বক এক লাখ ৮০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়া হয়। পুরো টাকা না দিলে জমিতে আর কোনো কাজ করতে দেওয়া হবে না—এ ধরনের হুমকি দিয়ে তারা ঘটনাস্থল ছেড়ে যায়।

    নালিশি বিবরণে উল্লেখ আছে, একাংশ আসামি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চাঁদাবাজি, জমি দখল ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চালিয়ে আসছেন, যা স্থানীয়দের মধ্যে গভীর উদ্বেগ তৈরি করেছে। দলীয় সূত্রে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে অপকর্মের অভিযোগে মহানগর বিএনপি ওই নেতাকে একাধিকবার শোকজ করলেও তার বিরুদ্ধে আক্রামক প্রবণতা কমেনি; বর্তমানে তিনি শোকজপ্রাপ্ত অবস্থাতেই রয়েছেন।

    বাপ্পি তাঁর আরজিতে জানান, ঘটনার পর থানায় অভিযোগ করতে গেলে কর্তৃপক্ষ তাঁকে 먼저 আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দেয়; এর পরিপ্রেক্ষিতে তিনি দণ্ডবিধির ৩৮৬/১৪৭/১৪৮/১৪৯/৪৪৭/৩৯৪/৩২৩/৩৯২/৫০৬ ও ৩৪ ধারায় নালিশি আবেদন দাখিল করেন। আদালত অভিযোগটি গ্রহণ করে আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করেছেন।

    এ ঘটনার পর গত ২৬ এপ্রিল বাপ্পি মহানগর বিএনপির কাছে লিখিতভাবে অভিযোগও করেন এবং সেখানে সংস্থাটিকে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানান। মামলার তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া চলছে, আদালত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন বলে জানানো হয়েছে।

  • খুলনায় তাঁতীদল নেতা সোনা মিয়া হত্যা মামলায় ‘ন্যাটা’ রনি গ্রেপ্তার

    খুলনায় তাঁতীদল নেতা সোনা মিয়া হত্যা মামলায় ‘ন্যাটা’ রনি গ্রেপ্তার

    র‌্যাব-৬ খালিশপুরে তাঁতীদল নেতা সোনা মিয়া হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে মো. রনি ওরফে ‘ন্যাটা’ রনিকে গ্রেপ্তার করেছে। সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে তাকে বাগেরহাট সদর থানা এলাকায় বাসস্ট্যান্ড ট্রাফিক মোড় সংলগ্ন একটি বাস কাউন্টার থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    র‌্যাবের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকালে জানানো হয়েছে, সোনা মিয়ার হত্যাসহ ওই মামলার অন্যতম সন্দেহভাজন আসামি রনি দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন। হত্যাকাণ্ডের পর থেকে তিনি বিভিন্ন স্থানে গোপনে বসবাস করছিলেন।

    গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৬ গত সোমবার জানতে পারে রনি বাগেরহাটে অবস্থান করছেন এবং সেই তথ্যের ওপর ভিত্তি করে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে মিঠুর বিআরটিসি বাস কাউন্টার থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    রনির বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত হত্যাসহ মোট ছয়টি মামলা বিচারাধীন আছে। এছাড়া খালিশপুর থানা এলাকায় তার বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসার অভিযোগও রয়েছে। গ্রেপ্তারের পর তাকে খালিশপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে, এবং আরও আইনগত کارروুরি প্রক্রিয়াধীন আছে।

  • স্বর্ণার ফিফটির পরও পরাজিত বাংলাদেশ

    স্বর্ণার ফিফটির পরও পরাজিত বাংলাদেশ

    সিরিজের উদ্বোধনী ম্যাচে স্বর্ণা আক্তারের জোরালো একাই লড়াইও বাংলাদেশকে জয়ের মুখে ফিরিয়ে আনতে পারল না; শ্রীলঙ্কা ২৫ রানে জয় তুলে নিয়ে সিরিজে ১-০ এগিয়ে গেল।

    সিলেটে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৬১ রান সংগ্রহ করে শ্রীলঙ্কা নারী দল। জবাবে বাংলাদেশ ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৩৬ রানে থামে। নির্ধারিত লক্ষ্য ১৬২ তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালই হয়েছিল বাংলাদেশি ব্যাটিংয়ের — বিশেষ করে দিলারা আক্তার ঝোড়ো সূচনা করেছিলেন। কিন্তু দুই ওপেনারের দ্রুত বিদায়ের পর ব্যাটিং লাইন টিকে থাকতে পারেনি এবং মিডল অর্ডারের ব্যর্থতায় ইনিংস ছেঁটে গেছে।

    জুরাইয়া ফেরদৌস ১২ বল খেলে ১৬ করে আউট হলে ৩৯ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙে। এরপর ধীরে ধীরে ধস নামে বাংলাদেশি ইনিংসে। তিন নম্বরে নেমে শারমিন আক্তার মাত্র ৫ বল খেলে একটি রান করেন; দলের ক্রান্তিকালে হতাশা বাড়ান নিগার সুলতানা ও দলের অধিনায়কও—অধিনায়কের ব্যাট থেকে রান বেরোতে পারেনি, দুই বল খেলে ফিরে যান।

    ভালো শুরু করা দিলারা ১৪ বলেই ২৩ রানে ফিরলে স্কোর হয় ৪৪/৪, আর সেখান থেকে অধরা হয়ে পড়ে জয়ের চাকা। এরপর লোয়ার মিডল অর্ডারে স্বর্ণা আক্তার এবং সোবহানা মুস্তারি মিলে চেষ্টা করেন দলকে টেনে তুলতে; তবে তাদের জুটিতেও অনেক ডট বল খেলতে হয়। সোবহানা ২৬ বল খেলে ১৬ রান করে আউট হন, আর ততক্ষণে প্রয়োজনীয় রানরেট নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।

    স্বর্ণা একাই লড়াই করে ৬০ রানের স্মরণীয় ইনিংস সাজালেও সেটা কেবল হারের ব্যবধান কমাতে পারে—ব্যক্তিগত কৃতিত্বের পরও দলীয় জয় আসছিল না। অবশেষে বাংলাদেশ ১৩৬ রানে থামে এবং শ্রীলঙ্কা ২৫ রানের জয় নিশ্চিত করে।

  • আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী কোচ স্কালোনি কি রিয়ালের নতুন কোচ?

    আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী কোচ স্কালোনি কি রিয়ালের নতুন কোচ?

    বিশ্বকাপ শেষেই রিয়াল মাদ্রিদের কোচ পরিবর্তন হওয়া প্রায় নিশ্চিত বলে মনে করা হচ্ছে। কে হবেন নতুন কোচ—নিয়ে চলছে নানা গুঞ্জন, আর সেই তালিকার শীর্ষে আছেন আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী কোচ লিওনেল স্কালোনি।

    স্পেনের গণমাধ্যম কাদেনা কোপের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রিয়াল মাদ্রিদ স্কালোনির সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। কাদেনা কোপের সাংবাদিক মানোলো লামা ‘এল টারটুলিয়ন’ অনুষ্ঠানে বলেন, “স্কালোনির সঙ্গে আমাদের কথাবার্তা হয়েছে। এটুকুই নিশ্চিত করে বলতে পারি।”

    এই খবরের পটভূমি হিসেবে রিয়ালের চলতি মৌসুমটা মোটেই সন্তোষজনক নয়—ট্রফিহীন থাকার সম্ভাবনা বাড়ছে। স্প্যানিশ সুপার কাপে রানার্স-আপ হয়েছে দলটি; পাশাপাশি কোপা দেল রে ও চ্যাম্পিয়নস লিগ থেকে প্রত্যাশা মতোই ছিটকে গেছে লস ব্লাঙ্কোসরা। লা লিগায় শিরোপা জয়ের দৌড়েও দর্শনীয়ভাবে পিছিয়ে রিয়াল: ৩৩ ম্যাচে শীর্ষবার্সেলোনার ৮৫ পয়েন্টের বিপরীতে রিয়ালের সংগ্রহ ৭৪ পয়েন্ট।

    অন্যদিকে, স্কালোনি গত কয়েক বছরে আর্জেন্টিনা নেতৃত্বে উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়েছেন। তাঁর অধীনে আর্জেন্টিনা ২০২১ ও ২০২৪ সালে দুইবার কোপা আমেরিকা জিতেছে, ২০২২ সালে ফাইনালিসিমা ও একই বছর কাতার বিশ্বকাপের শিরোপাও কাঁধে তুলে নিয়েছে। এসব জয়পর্বে লিওনেল মেসি ছিলেন দলের মূল স্তম্ভ之一; বিশেষ করে ২০২২ বিশ্বকাপ জিতলে মেসির দীর্ঘকালের স্বপ্নপূরণ ঘটেপ এবং আর্জেন্টিনার জন্য ৩৬ বছর পর বিশ্বকাপ পুনরুদ্ধার হয়।

    রিয়ালের প্রধান কোচ-পদ নিয়ে ক্লাবের ভেতরে তৎপরতা বাড়ছে। আলভারো আরবেলোয়ার অবস্থানও অনিশ্চিত হিসেবে গণ্য হচ্ছে। পাশাপাশি সাবেক কোচ জোসে মরিনিও কিংবা ফ্রান্সের বিশ্বকাপজয়ী কোচ দিদিয়ে দেশমের নামও সম্ভাব্য নির্বাচকদের তালিকায় বলা হচ্ছে।

    তবে স্কালোনির ধারা এখন আর্জেন্টিনার সঙ্গে। তাঁর সঙ্গে থাকা বর্তমান চুক্তি ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ পর্যন্ত বলাবলি রয়েছে, তাই আপাতত তাঁর মনোযোগও পরের বিশ্বকাপ ঘিরেই। আগামী বিশ্বকাপটি যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডার যৌথ আয়োজনে প্রথমবার ৪৮ দল নিয়ে ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে—যাকে প্রচলিতভাবে ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’ বলা হয়।

    রিয়াল কিংবা স্কালোনি যদি আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো সিদ্ধান্ত জানায়, তাতে পরিস্থিতি স্পষ্ট হবে; আপাতত সবকিছু কেবল রূপকথার মতো গুঞ্জন থেকে বাস্তবে আসার অপেক্ষায়।

  • তমা রশিদ ‘মিসেস ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইন্টারন্যাশনাল ২০২৬’ চ্যাম্পিয়ন

    তমা রশিদ ‘মিসেস ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইন্টারন্যাশনাল ২০২৬’ চ্যাম্পিয়ন

    জনপ্রিয় উপস্থাপিকা ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর তমা রশিদ আন্তর্জাতিক মঞ্চে বড় এক অর্জন করে ইতিহাস রচনা করেছেন। থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ‘মিসেস ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইন্টারন্যাশনাল ২০২৬’ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে বিভিন্ন দেশের প্রার্থীদের কড়া প্রতিদ্বন্দ্বিতায় উত্তীর্ণ হয়ে তিনি শিরোপা জিতেছেন।

    দেশীয় পর্যায়ে ইতিপূর্বে যে দক্ষতার পরিচয় তিনি দিয়েছেন, সেই অভিজ্ঞতাকে ভুলাইনি তমা—তবে আন্তর্জাতিক এই মঞ্চটি তার জন্য এক নতুন অগ্রযাত্রার অধ্যায়। প্রথমবারের মতো প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া তমা পুরো পর্বজুড়ে আত্মবিশ্বাস ও প্রজন্মগত সাবলীলতা দেখিয়ে বিচারকদের মন জয় করতে সক্ষম হন।

    তমা জানান, এই সাফল্য শুধুই তার ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং বাংলাদেশের নারীদের আত্মবিশ্বাস ও সামর্থ্য বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। তিনি আরও বলেছেন যে, বাংলাদেশের ঐতিহ্য—বিশেষ করে জামদানি শাড়ির অনবদ্য সৌন্দর্য—আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরতেই তিনি সচেষ্ট ছিলেন এবং সেই প্রচেষ্টা সাফল্য পেয়েছে।

    ছোটবেলা থেকেই সংস্কৃতি ও সৃজনশীল কাজে সক্রিয় তমা পরবর্তীতে মিডিয়ায় কাজ করে নিজস্ব পরিচিতি গড়ে তুলেন। তাঁর ব্যক্তিত্ব, মেধা ও সাংস্কৃতিক সংবেদনশীলতা একসঙ্গে কাজ করে এই অর্জনে সহায়ক ভূমিকা রেখেছে।

    বিশ্লেষকরা বলছেন, তমা রশিদের এই জয় ২০২৬ সালে দেশের নারীদের জন্য একটি শক্ত অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে এবং আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের ইতিবাচক প্রতিচ্ছবি আরও উজ্জ্বল করবে। আগামী দিনগুলোতে তিনি কীভাবে বাংলাদেশকে আরও প্রতিনিধিত্ব করবেন—সেই দিকেই এখন অনেকের চোখ থাকছে।

  • একই ছবি কি দেখবে দুই রণবীর? মুকেশ ছাবরার আভাস

    একই ছবি কি দেখবে দুই রণবীর? মুকেশ ছাবরার আভাস

    বলিউডে এখন একটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে — রণবীর কাপুর ও রণবীর সিং কি একসঙ্গে কোনো ছবিতে দেখা যাবে? নামী কাস্টিং ডিরেক্টর মুকেশ ছাবরা এই জল্পনায় আগুনে ঘি ঢেলে দিয়েছেন। তাঁর মত, যদি কখনও এই দুই রণবীর একই স্ক্রিন শেয়ার করেন, তা ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে একটি বড় মাইলফলক হবে।

    মুকেশ বর্তমানে তাঁর সাম্প্রতিক প্রজেক্ট ‘ধুরন্ধর’ এবং প্রত্যাশিত ছবি ‘রামায়ণ’ নিয়ে আলোচনায় রয়েছেন। আদিত্য ধর পরিচালিত ‘ধুরন্ধর’ মুক্তির আগে নানা বিরূপতা ও বিতর্কে পেষিত হয়েছিল—নেতিবাচক রিভিউ, কিছু স্ক্রিনিং বাতিলের খবরসহ একটি অস্থির পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। এমন পরিস্থিতি নিয়ে মুকেশের মন্তব্য, মানুষ এখন অনেক সময় ছবি না দেখেই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে; ট্রোল সংস্কৃতি বেড়ে গেছে, কিন্তু ভালো সিনেমাকে রোধ করা যায় না।

    এই ‘পেইড নেগেটিভিটি’ নিয়েও টিনসেল টাউনের বাইরে-ভিতর অনেক আলোচনা হয়েছে; এমনকি ইয়ামি গৌতমও এই ধরনের প্রচারণার বিরুদ্ধে মুখ খোলার কথা বলেছেন। মুকেশ বলছেন, সব বাঁধা-ধরে ও সমালোচনা পেরিয়ে ভালো কাজ শেষে জায়গা করে নেয়।

    অন্যদিকে ‘রামায়ণ’ সংক্রান্ত চর্চাও কম নেই। টিজার প্রকাশের পর থেকে ভিএফএক্স, কাস্টিং ও চরিত্রবিন্যাস নিয়ে নেটপাড়ায় বিশ্লেষণ ও সমালোচনার স্রোত উঠেছে। রণবীর কাপুর বা সাই পল্লবীকে দর্শক কতটা গ্রহণ করবেন—এ ধরনের প্রশ্ন উঠলেও মুকেশ আত্মবিশ্বাসী। তাঁর কথায়, ‘গ্যাংস অফ ওয়াসেপুর’ পর থেকে এই দুই ছবির কাস্টিং তার জীবনের অন্যতম চ্যালেঞ্জ ছিল।

    শেষে ফিরে আসে দুই রণবীরের সম্ভাব্য জুটি: মুকেশ ছাবরা বলেন, দুজনের অভিনয়ের স্টাইল আলাদা হলেও দুজনেই তুখোড় প্রতিভা। দর্শকদের মধ্যে প্রিয়তা-বৈরীতির আলোচনার মাঝেই তিনি চান যে, তারা যদি একসঙ্গে কাজ করেন, তাহলে একটি দুর্দান্ত নির্মাণ ফুটে উঠুক। ইন্ডাস্ট্রির দিক থেকে এমন সমাবেশ থাকলে তা নিঃসন্দেহে আলোচিত ও স্মরণীয় হবে।

    তবে এখনও পর্যন্ত অফিসিয়াল কোনো ঘোষণা নেই; সবই জল্পনা এবং মুকেশের উচ্ছ্বাসপূর্ণ মন্তব্য থেকে জন্ম নেওয়া প্রত্যাশা। বলিউড ফ্যানদের জন্য এটিই অপেক্ষার খেলা—কবে আসবে সেই মুহূর্ত যখন দুই রণবীর একই ফ্রেমে ঝলমল করবে?

  • এনসিপি নেতা সারজিস আলম হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি

    এনসিপি নেতা সারজিস আলম হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান সারজিস আলম হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) বিকেল পৌনে তিনটার দিকে পেটব্যথা অনুভব করলে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি রাজধানীর ধানমন্ডির ইবনে সিনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন তার ছোট ভাই সাহাদাত হোসেন সাকিব। সারজিস আলমের নিষ্ঠুরতা বা রোগনির্ণয় সম্পর্কিত বিস্তারিতগুলো এখনও প্রকাশ্যে না এওয়ায়, পরিবারের পক্ষ থেকে দ্রুত সুস্থতার জন্য দোয়া ও ভালোবাসা চাওয়া হয়েছে।

  • স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: বর্তমান সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পর ৪৬৪ হত্যা ও ৬৬৬ ধর্ষণের মামলা

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: বর্তমান সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পর ৪৬৪ হত্যা ও ৬৬৬ ধর্ষণের মামলা

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর (১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে) সারা দেশে ৪৬৪টি হত্যা এবং ৬৬৬টি ধর্ষণ মামলা দায়ের হয়েছে। এসব হত্যা মামলায় ৬০৪ জন এবং ধর্ষণ মামলায় ৫৩০ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে হত্যা মামলার ১১ জন ও ধর্ষণ মামলার ৭১ জন আসামি জামিনে মুক্তি পেয়েছেন।

    আজ মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য কুমিল্লা-৪ (হাসনাত আবদুল্লাহ) কর্তৃক করা প্রশ্নের জবাবে এসব তথ্য জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। প্রশ্নোত্তর চলাকালীন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বিষয়টি আলোচনা হয়।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, হত্যা ও ধর্ষণের মতো গুরুতর অপরাধে জড়িত সকল আসামির বিরুদ্ধে কড়া শাস্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে মামলাগুলো অত্যন্ত নিবিড়ভাবে তদন্ত করা হচ্ছে। যথাযথ সাক্ষ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করে দ্রুত অভিযোগপত্র দাখিলের কাজও চলমান রয়েছে।

    জমি দখল, চাঁদাবাজি ও বিভিন্ন অবৈধ কর্মকাণ্ডকে নিয়ে করা এক প্রশ্নের জবাবে (জামায়াতের এমপি মো. মুজিবুর রহমানের প্রশ্ন) তিনি বলেন, এসব কর্মকাণ্ড সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য ক্ষতিকর এবং এসব অপরাধের বিরুদ্ধে বর্তমান সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। তিনি অভিযোগ করেন, গত প্রায় ১৫ বছরে ক্ষমতায় থাকা দলের সময় তারা অনুগত সন্ত্রাসী বাহিনীর মাধ্যমে ভূমি দখল, জল ও বালুমহাল দখল, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও অন্যান্য অবৈধ কাজ করানোর ফলে জনজীবন কষ্টের মুখে পড়ে। বর্তমান সরকারের পদক্ষেপে এসব অপরাধে জড়িত অনেকেই গ্রেপ্তার হয়েছে এবং আইনের আওতায় আনার ফলে অপরাধ অনেকাংশে কমে এসেছে বলেও মন্ত্রী উল্লেখ করেন।

    অন্য এক প্রশ্নের জবাবে (জামায়াতে ইসলামীর এমপি চট্টগ্রাম-১৫ শাহজাহান চৌধুরীর প্রশ্ন) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, গুম কমিশনের তদন্ত প্রতিবেদন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে সংরক্ষিত রয়েছে। নিখোঁজ বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের এবং তাদের পরিবারকে প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তাসহ সকল ধরনের সহায়তা প্রদান অব্যাহত আছে।

    মাদারীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য জাহান্দার আলী মিয়ার প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের মোট শূন্যপদ বর্তমানে ২,১৮,৫৫৪টি। এর মধ্যে পুলিশ পদের সংখ্যা ২,০৭,৭৪৫টি, নন-পুলিশ পদ ৮,০৪৭টি এবং নন-পুলিশ আউটসোর্সিং পদ ২,৭৬২টি। অতিরিক্তভাবে নতুন করে ১৪,৫০০টি পদ সৃষ্টি করা হচ্ছে, যার মধ্যে এএসপি ৫০০টি, এসআই (নিরস্ত্র) ৪,০০০টি এবং ১০,০০০টি কনস্টেবল পদ রয়েছে। বর্তমানে ২,৭০৩টি কনস্টেবলের শূন্যপদে নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে এবং সরাসরি ২,০০০ জন এএসআই নিয়োগ করা হবে বলেও তিনি জানান।

    বিএনপির সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সারের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও জনগণের নিরাপত্তা বিধানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। পুলিশের বিভিন্ন পরিকল্পনা ও নেয়া পদক্ষেপের ফলে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং জনগণের নিরাপত্তা বিধানে কার্যকর ব্যবস্থা গৃহীত হচ্ছে।

  • নাহিদের তরুণদের আহ্বান: সারাদেশে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিন, এনসিপি সমর্থন করবে

    নাহিদের তরুণদের আহ্বান: সারাদেশে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিন, এনসিপি সমর্থন করবে

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো দলীয়করণ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠে এসেছে। তিনি জাতীয় দরবারে নয়, ঘরোয়া রাজনীতিতেও ক্ষমতার অপব্যবহার বন্ধ করতে তরুণদের সামনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

    শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর কাকরাইলের ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি) অডিটোরিয়ামে এক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে নাহিদ বলেন, ‘‘আপনারা সারাদেশে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিন। এনসিপি আপনাদের সমর্থন জানাবে।’’ তিনি আশা প্রকাশ করেন, এবারের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে তরুণদের শক্তি এনসিপির সমর্থনে জোরালো সাড়া সৃষ্টি করবে।

    অনুষ্ঠানে নাহিদ আরও জানান, জাতীয় নির্বাচনের পর থেকে সরকার গণভোটের ফলাফলকে অস্বীকার করেছে এবং ওই নির্বাচনকে সাধারণ ক্ষমতাসীন পরিবর্তনের নির্বাচন হিসেবে উপস্থাপন করেছে। তিনি বলেন, ‘‘সংবিধান ও গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারের অনেক অধ্যাদেশ এই সরকার একে একে বাতিল করে দিচ্ছে। ব্যাংক লুটেরাদের জন্য সুযোগ তৈরি হচ্ছে এবং দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নানাভাবে দলীয়করণ করা হচ্ছে।’’

    বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও পেশিশক্তি ও ক্ষমতার রাজনীতির পুনরুজ্জীবন দেখছেন তিনি। নাহিদ বলেন, ‘‘ফ্যাসিবাদ বা কোনো নতুন/পুরনো স্বৈরশাসন গড়ে উঠলে জনগণ আবারও সংগঠিত হবে এবং এনসিপির ছায়াতলে ঐক্য গড়ে উঠবে। আমরা ইতোমধ্যেই সারাদেশ থেকে অভূতপূর্ব সাড়া পাচ্ছি।’’

    দলীয় কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতা সম্পর্কে তিনি জানান, ‘‘প্রতি সপ্তাহেই আমাদের যোগদান কর্মসূচি চলবে। সারাদেশের রাজনীতিসচেতন মানুষ ও তরুণদের আমরা আহ্বান জানাচ্ছি — আমাদের সবার দায়িত্ব রয়েছে, এই দেশকে আর বিপথে যেতে দেবেন না। যারা রাজনীতি করতে চান, যারা পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখেন, তারা ঐক্যবদ্ধ হোন; এনসিপি আপনাদের ধারণ করে সামনে এগোতে চায়।’’

    বর্তমান সরকারের ব্যর্থতার কথা তুলে ধরে নাহিদ বলেন, ‘‘অর্থনৈতিক পরিস্থিতি টলমটলে, দেশের গণতন্ত্র নিয়ে গুরুতর আশঙ্কা রয়েছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। এই অবস্থায় জনগণের পাশে একত্রে না দাঁড়ালে আমাদের আর কোনো উপায় নেই; আমরা সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি।’’

    অনুষ্ঠানে বিএনপি’র বহিষ্কৃত নেতা ইসহাক সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে এনসিপিতে যোগদান করেন। এছাড়া শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের নাতনি ফেরসামিন হক ইকবাল (ফ্লোরা), কনটেন্ট ক্রিয়েটর নুরুজ্জামান কাফি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী মহিউদ্দিন রনি এনসিপিতে যোগ দিয়েছেন। ফেরসামিন বিদেশে থাকায় তিনি শারীরিকভাবে উপস্থিত ছিলেন না; অন্যরা মঞ্চে ছিলেন। নাম ঘোষণা করার পরই ইসহাক সরকার, নুরুজ্জামান কাফি ও মহিউদ্দিন রনিকে নাহিদ ইসলাম ফুল দিয়ে বরণ করেন।

    প্রধান অতিথি ও দলের শীর্ষ নেতারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এবং ‘‘রাজনৈতিক নেতা ও নাগরিকদের এনসিপিতে যোগদান’’ শীর্ষক এই কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন হয়। নাহিদ এবং দলীয় নেতারা আবারও তরুণ সমাজকে ভোট ও নির্বাচনী প্রস্তুতির মাধ্যমে অংশগ্রহণের জন্য উদ্দীপ্ত করলেন।