Blog

  • মেহজাবীন বলেছেন, আইনি ব্যবস্থা নিয়েছি অবৈধ পণ্যসহ আটক হওয়ার বিষয়টি ভিত্তিহীন

    মেহজাবীন বলেছেন, আইনি ব্যবস্থা নিয়েছি অবৈধ পণ্যসহ আটক হওয়ার বিষয়টি ভিত্তিহীন

    অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী সম্প্রতি বিমানবন্দরে অবৈধ পণ্যসহ আটক হওয়ার খবরকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন। সোমবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক বিস্তারিত পোস্টে তিনি জানান, তাকে জড়িয়ে যারা মানহানিকর প্রচার চালাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে তিনি ইতোমধ্যে আইনি ব্যবস্থা শুরু করেছেন।

    মেহজাবীন উল্লেখ করেন, সম্প্রতি যে ঘটনাটি বিভ্রান্তিকরভাবে প্রচার করা হচ্ছে, তার সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক বা সংশ্লিষ্টতা নেই। তিনি স্পষ্ট করেন, কখনোই বিমানবন্দর থেকে তার আড়াআড়ি বা ব্যক্তিগত লাগেজ আটকানো হয়নি। তার লাগেজ বা হ্যান্ডব্যাগে কোনও অবৈধ দ্রব্য পাওয়া যায়নি, এমনকি তার বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণও নেই। এ ধরনের কোনো ঘটনার মুখোমুখি হয়নি তিনি। বিমানবন্দরে কোনো কর্মকর্তা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেননি বা তার লাগেজ থেকে কোনও অবৈধ পণ্য উদ্ধার হয়েছে বলে নিশ্চিত করেননি।

    অভিনেত্রী প্রশ্ন তোলেন, কি করে তার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ আনা হলো, তার লাগেজ বা ব্যক্তিগত জিনিসপত্র থেকে কি কোনও ছবি বা ভিডিও প্রমাণ রয়েছে? তিনি গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বর্তমানে মানহানি বেশ সাধারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যেসব খবর ছড়ানো হচ্ছে, তার কোনও সত্যতা বা প্রমাণ দেখানো হয়নি। বরং তার ব্যক্তিগত ছবি নিয়ে অপপ্রচার চালানো হয়েছে।

    মেহজাবীন লেখেন, এই ধরনের পরিস্থিতি খুবই উদ্বেগজনক এবং আমরা সবাই চাই এমন পরিস্থিতি কখনোই না আসুক। তিনি আবারও স্পষ্ট করেন, এই সব অভিযোগ সম্পূর্ণ অমূলক এবং তার সঙ্গে এই ধরনের ঘটনার কোনও সম্পর্ক নেই।

    এর আগে রোববার সকালে তিনি এক পোস্টে অভিযোগ করেছিলেন, গত কিছুদিন ধরে তাকে একঘেয়েমি ও নানা বিষয়ে ‘টার্গেট’ করে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। উল্লেখ্য, তিন মাস আগে পারিবারিক ব্যবসার অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে তিনি আইনি জটিলতায় পড়েছিলেন, তবে পরে আদালত থেকে তিনি মুক্তি পেয়েছেন।

    বিতর্কের শুরু হয় এক খবরের মাধ্যমে, যেখানে দাবি করা হয়েছিল, ১৭ আগস্ট ব্যাংকক থেকে ফেরার পথে মদসহ তার ও তার স্বামীর অবরুদ্ধ হওয়ার খবর। তবে এই তথ্যের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি। এই প্রেক্ষাপটে, মেহজাবীন স্পষ্ট করে দিয়েছেন, তিনি এই অভিযোগের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয় এবং আইনি পথে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

  • ইত্যাদির মঞ্চে দর্শকের সঙ্গে অভিনয় করলেন মোশাররফ করিম

    ইত্যাদির মঞ্চে দর্শকের সঙ্গে অভিনয় করলেন মোশাররফ করিম

    ঈদ উপলক্ষে বিখ্যাত ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’ আবারও আয়োজন করেছে বিশেষ বর্ণিল ও উৎসবমুখর পরিবেশ। এবারের পর্বে দর্শকদের জন্য নানা রকম চমক অপেক্ষা করছে। অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জনপ্রিয় অভিনেতা মোশাররফ করিম, যিনি নির্বাচিত চারজন দর্শকের সঙ্গে মঞ্চে সরাসরি অভিনয় করেছেন।

    হানিফ সংকেতের জনপ্রিয় এই অনুষ্ঠানটি সব সময় নানা চমক ও ভাবনায় ভরপুর। এই বিশেষ পর্বে মোশাররফ করিম তাৎক্ষণিকভাবে তিনটি ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন, যা সমাজের নানা বিষয়ের সচেতনতা বাড়ানোর জন্য পরিকল্পিত। দর্শকদের মাঝে নতুন ধরনের বিনোদন ও বার্তা পৌঁছে দিতে এই অভিনয় অনেক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ।

    এছাড়াও জানা গেছে, ‘ইত্যাদি’র নিয়মিত পর্বে সাধারণত প্রশ্নোত্তর দিয়ে দর্শকদের নির্বাচন করা হয়। কিন্তু এই বিশেষ পর্বে, বিভিন্ন উপকরণ ও কৌশল ব্যবহার করে দর্শকদের নির্বাচন করা হয়েছে, যার মাধ্যমে বাছাই করা হয়েছে চারজন বিশেষ দর্শক।

    প্রত্যাশিতভাবে, ঈদের পরদিন রাত ৮টায় বাংলা সংবাদের পর বিটিভিতে এই নাটকীয় ও মনোজ্ঞ পর্বটি প্রচারিত হবে। অনুষ্ঠানটি রচনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেছেন হানিফ সংকেত, আর এর নির্মাণ করেন ফাগুন অডিও ভিশন।

  • টেলিভিশনে প্রথমবারের মতো আসছে জনপ্রিয় সিনেমা ‘উৎসব’

    টেলিভিশনে প্রথমবারের মতো আসছে জনপ্রিয় সিনেমা ‘উৎসব’

    প্রথমবারের মতো টিভির পর্দায় দর্শকরা দেখতে পাবেন আলোচিত সিনেমা ‘উৎসব’। এই ঈদুল ফিতরে এটি মাছরাঙা টেলিভিশনের মাধ্যমে সম্প্রচারিত হবে। ঈদের দিন দুপুর ২:২০ মিনিটে এই সিনেমার প্রচার হবে, যা তরুণ থেকে প্রবীণ সকলের জন্য একটি বিশেষ বিনোদনের সুযোগ সৃষ্টি করবে।

    ‘উৎসব’ সিনেমার নির্মাণে আছেন তানিম নূর। এতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন দেশের জনপ্রিয় অভিনেতা ও অভিনেত্রীরা, যেমন জাহিদ হাসান, চঞ্চল চৌধুরী, জয়া আহসান, অপি করিম, আফসানা মিমি, তারিক আনাম খান, আজাদ আবুল কালাম, ইন্তেখাব দিনার, সুনেরাহ বিনতে কামাল, সৌম্যজ্যোতি, ও সাদিয়া আয়মান।

    সিনেমাটি গত বছর ঈদুল আজহায় প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছিল, এবং দর্শক-সমালোচকদের কাছ থেকে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করে। দেশের পাশাপাশি ইউরোপ ও আমেরিকার প্রেক্ষাগৃহগুলোতেও সিনেমাটি দর্শকদের ভিড় fez করেছে।

    এখন পর্যন্ত ওটিটি প্ল্যাটফর্ম ‘চরকি’তে মুক্তি পেলেও, টিভি দর্শকদের জন্য এর দেখা এখনও সম্ভব ছিল না। তবে, এবার মাছরাঙা টেলিভিশন এই অসাধারণ সিনেমাটিকে দর্শকের কাছে পৌঁছে দিতে প্রস্তুত।

    ‘উৎসব’ একটি নব্বই দশকের আবহে নির্মিত সিনেমা, যা গভীর হাস্যরস ও নাটকীয়তায় ভরা। এটি কিংবদন্তি ঔপন্যাসিক চার্লস ডিকেন্সের বিশ্বখ্যাত গল্প ‘এ ক্রিস্টমাস ক্যারল’ অবলম্বনে নির্মিত, যা দর্শকদের হৃদয় জয় করে।

  • বিশ্বকাপে বাংলাদেশের না থাকলেও র‍্যাংকিংয়ে ইমন-সাইফ-জাকেরের উন্নতি

    বিশ্বকাপে বাংলাদেশের না থাকলেও র‍্যাংকিংয়ে ইমন-সাইফ-জাকেরের উন্নতি

    নিরাপত্তা সংক্রান্ত কারণে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ না করলেও বাংলাদেশের তিনজন ব্যাটার—পারভেজ হোসেন ইমন, সাইফ হাসান ও জাকের আলি অনিক—আইসিসির র‍্যাংকিংয়ে গুরুত্বপূর্ণ উন্নতি করেছেন। বুধবার প্রকাশিত আইসিসির সাপ্তাহিক আপডেটে দেখা গেছে, দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে ব্যস্ত থাকলেও এই ক্রিকেটাররা আন্তর্জাতিক র‍্যাংকিংয়ে এগিয়ে এসেছেন।

    পি-টেন্টি ব্যাটিং র‍্যাংকিংয়ে পারভেজ হোসেন ইমন ২ ধাপ এগিয়ে ৪১ নম্বরে পৌঁছেছেন। এর আগে তার রেটিং পয়েন্ট ছিল ৫৪২, যা তার ক্যারিয়ার সর্বোচ্চ পদক্ষেপ। সাইফ হাসান ২ ধাপ উন্নতি করে যৌথভাবে ৪২তম স্থানে এসেছেন, আর জাকের আলি একইভাবে ৭২তম অবস্থানে পৌঁছেছেন।

    অপরদিকে, কিছু ক্রিকেটার অবনতি ঘটেছে। তানজিদ হাসান তামিম (২১তম) ও লিটন দাস (৫৪তম) র‍্যাংকিংয়ে পিছিয়েছে। তবে তাওহিদ হৃদয় অবস্থা অপরিবর্তিত রাখে ৪৭ নম্বর পদে রয়েছেন।

    বোলারদের মধ্যে মোস্তাফিজুর রহমান ৯ নম্বরে নিজের অবস্থান ধরে রাখলেও অন্যদের পারফরম্যান্স বেশ অবনমন ঘটিয়েছে। শেখ মেহেদি (২১), রিশাদ হোসেন (২৭), নাসুম আহমেদ (৩৫) ও তানজিম সাকিব (৪৯) র‍্যাংকিংয়ে বড় পতন দেখা গেছে। অলরাউন্ডারদের মধ্যে সেরা চল্লিশে বাংলাদেশের কেউ নেই; শেখ মেহেদি ৪৫ নম্বরে নেমে গেছেন।

    ভারতের অভিষেক শর্মা টপ ব্যাটিং র‍্যাংকিংয়ে প্রথম স্থানে রয়েছেন, তার পয়েন্ট ৮৭৭। দ্বিতীয় স্থানে আছেন ফিল সল্ট, আর তৃতীয়ে উঠে এসেছেন পাকিস্তানের সাহিবজাদা ফারহান।

    বোলিং র‍্যাংকিংয়ে ভারতের বরুণ চক্রবর্তী শীর্ষে থাকলেও অন্যদের মধ্যে রশিদ খান অবস্থান ধরে রেখেছেন। বিশাল চমক হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকার করবিন বশ ২১ ধাপ এগিয়ে ৩ নম্বরে পৌঁছেছেন। এছাড়া, জাসপ্রিত বুমরাহ ৭ ধাপ এগিয়ে ৮ম স্থানে রয়েছেন।

  • নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরে শ্রীলঙ্কা বিদায় নিল সেমিফাইনাল থেকে

    নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরে শ্রীলঙ্কা বিদায় নিল সেমিফাইনাল থেকে

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল নিশ্চিত করতে শ্রীলঙ্কাকে জয়ই করতে হত নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে। এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে নিউজিল্যান্ড তাদের বেশিরভাগ গুরুত্বপূর্ণ ব্যাটসম্যানকে বন্ধ ঘোষণা করে জয় পায় ৬১ রানে। এর ফলে শ্রীলঙ্কার বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়, আর বিপরীতে নিউজিল্যান্ড সেমিফাইনালের পথে এগিয়ে যায়। দুই ম্যাচে ৩ পয়েন্ট নিয়ে তারা টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। শেষ ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড। যদি পাকিস্তান হারে শ্রীলঙ্কার কাছে, তবে নিউজিল্যান্ডের জন্য হেরেও চলে যাবে তারা সেমিফাইনালে। আবার, যদি স্যান্টনাররা ইংল্যান্ডকে হারাতে সক্ষম হয়, তাহলে তারা গ্রুপে শীর্ষস্থান অর্জন করে সেরা চারদলে পৌঁছে যাবে। তবে, পাকিস্তান যদি শ্রীলঙ্কাকে হারায় এবং নিউজিল্যান্ড শেষ ম্যাচে হারে, তখন রানরেটের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    এ জয়ের ফলে নিউজিল্যান্ড দুই ম্যাচে ৩ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছে। ইংল্যান্ড ৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে, পাকিস্তান এক পয়েন্টে তৃতীয় স্থান ও স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা দুটি হারে তলানিতে।

    ম্যাচের শুরুতেই নীল আকাশের নিচে জোড়ালো শুরু করে নিউজিল্যান্ড। প্রথম বলেই পাওয়ার প্লেতে শ্রীলঙ্কার দুটি ব্যাটারকে ফেরান কিউই পেসার ম্যাট হেনরি। পাথুম নিশাঙ্কা শূন্যরানে আউট হন, আর তৃতীয় ওভারেই চারিথ আসালাঙ্কাকেও আউট করেন তিনি। আসালাঙ্কা যিনি ৯ বল খেলেছেন, সতর্কতার সাথে মাত্র ৫ রান করেন।

    এরপর রাচিন রবীন্দ্র তার স্পিন বোলিং দিয়ে শ্রীলঙ্কাকে কোণঠাসা করে ফেলেন। একের পর এক ব্যাটার কে ফিরিয়ে নিয়ে ম্যাচের কৌশল অধিকার করেন এই বাঁহাতি স্পিনার। আউট হওয়ার আগে প্রত্যেকে আলাদাভাবে রান করেন — কুশল মেন্ডিস ১১, পাভান রতœায়েক ১০, দলের অধিনায়ক দাসুন শানাকা ৩ ও দুশমান্থা হেমন্ত ৩।

    অপর দিকে, দুনিথ ভেল্লালাগেকে নিয়ে লড়াই চালিয়ে যান কামিন্দু মেন্ডিস। কিন্তু এই লড়াই ম্যাচ জয় করতে যথেষ্ট ছিল না। ২৩ বলে ৩১ রান করে আউট হন তিনি। ভেল্লালাগে থাকেন ২৯ রানে। অন্যরা অবদান রাখেন চামিরা ৭ রান ও থিকসানা ২ রান করে অপরাজিত থাকেন। ফলশ্রুতিতে শ্রীলঙ্কা ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১০৭ রান করে।

    নিউজিল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ চারটি উইকেট পান রাচিন রবীন্দ্র, যা তার আন্তর্জাতিক টি-২০ ক্যারিয়ারে সেরা বোলিং ফিগার। এছাড়া দুটি উইকেট পান ম্যাট হেনরি।

    ম্যাচের শুরুতে টস জিতে শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক দাসুন শানাকা ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন। ওপেনার ফিল অ্যালেন ঝাঁকি দিতে চাইছিলেন, কিন্তু চতুর্থ ওভারেই থিকসানার বলে শূন্যরানে ফেরেন। তিনি ১৩ বল খেলেছেন, ২৩ রানে আউট। অন্য ওপেনার টিম সেইফার্ট মাত্র ৮ রানে থাকেন।

    তৃতীয় উইকেট জুটিতে রাচিন রবীন্দ্র ও গ্লেন ফিলিপস বলে সফলতা দেখান। দুজন গড়েন ৪৩ রানের জুটি। এরপর ব্যাটিংয়ে গতি ধীর হয়ে গেলে পাকিস্তানিরা বেশ কষ্টে পড়েন। ১২ থেকে ১৬তম ওভার পর্যন্ত মাত্র ১৫ রান আসে। রাচিন ৩২, ফিলিপস ১৮, মিচেল ৩ ও চ্যাপম্যান শূন্যরানে আউট হন।

    শেষ চার ওভারে চাপ মোকাবিলা করে ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন দলের অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার ও কোল ম্যাককঞ্চি। দুজনের জুটি গড়ে ৮৪ রান। স্যান্টনার ২৬ বলে দুটি চার ও চার ছয়ে ৪৭ রান করেন। আর ম্যাককঞ্চি ২৩ বলের মধ্যে ৩১ রান করে অপরাজিত থাকেন।

    শ্রীলঙ্কার হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি করে উইকেট নেন মহেশ থিকসানা ও দুশমান্থা চামিরা। এক উইকেট পান দুনিথ ভেল্লালাগে।

  • বিশেষ রাসায়নিক স্প্রে করে শিশির নিয়ন্ত্রণে ভারতীয় দল

    বিশেষ রাসায়নিক স্প্রে করে শিশির নিয়ন্ত্রণে ভারতীয় দল

    চেন্নাইয়ের মাঠে সন্ধ্যার পর থেকে শিশিরের প্রভাবটি অনেক সময় ম্যাচের ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সাধারণত এই সময়ের শিশিরের কারণে ব্যাটিং ও বলের গ্রিপে সমস্যা হয়, যা খেলোয়াড়দের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়ে। এই পরিস্থিতি বিবেচনা করে, জেতার জন্য প্রয়োজনীয় সুবিধা রাখতে ভারতের ক্রিকেট বোর্ড বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে। তারা যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা এক ধরনের রাসায়নিক ব্যবহার করছে, যা অ্যান্টি-শিশির স্ট্রিপ বা রোড কোটের মতো কাজ করে। এটি এম এ চিদাম্বরম স্টেডিয়ামের আউটফিল্ডে স্প্রে করে শিশিরের প্রভাব কমানোর জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে। এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এই রাসায়নিকের নাম ‘ডিউ কিউর’, যা মূলত আমদানি করা হয় যুক্তরাষ্ট্রের মেজার লিগ বেসবলের জন্য ব্যবহৃত ভেন্যুগুলিতে। মঙ্গলবার ও বুধবার দুপুরে আউটফিল্ডে পানি মিশিয়ে এই রাসায়নিক স্প্রে করা হয় এবং আজ (বৃহস্পতিবার) আবার একই প্রক্রিয়া চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে ম্যাচ শুরুর সময় পর্যন্ত এর কার্যকারিতা বজায় থাকে।সূত্রের ভাষ্য, একবার এই রাসায়নিক স্প্রে করার পর ঘাসের পাতা আর্দ্রতা ধরে রাখতে পারে না। ভেজা ভাব দ্রুত শুকিয়ে যায়, ফলে শিশিরের প্রভাব কমে যায় এবং ম্যাচে ফলাফল পরিবর্তনে এটি সহায়তা করে। ভারতীয় ক্রিকেটাররাও অনুশীলনের সময় মাঠের পরিস্থিতি পরীক্ষা করে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, ভবিষ্যতে সেমিফাইনাল ও ফাইনাল matches এর জন্যও এই উপায় ব্যবহার হতে পারে, যদিও এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। আগামী মাসে আইপিএল শুরু হলে সব ভেন্যুতেই এটি বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা রয়েছে, কারণ অতীতে শিশিরের কারণে ম্যাচের ফলাফলে পরিণতি әсер করেছে।

  • নাহিদ-লিটনের দুর্দান্ত পারফর্মেন্সে নর্থ জোনের সহজ জয়

    নাহিদ-লিটনের দুর্দান্ত পারফর্মেন্সে নর্থ জোনের সহজ জয়

    নিজেদের প্রথম ম্যাচে দাপুটে জয় পাওয়ার পরেও সাউথ জোনের জন্য বলতে হয়নি। আজ (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাজশাহী বিভাগীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বোর্ডের ক্রিকেট লিগে নর্থ জোনের সামনে দাঁড়াতে পারেনি তারা। আফিফ হোসেন ও সৌম্য সরকার ব্যাটিংয়ে কিছুটা প্রতিদান দিলেও, বল হাতে লিটন দাস ও তাওহীদ হৃদয়রা তাদের দাপটে ভেঙে পড়ে সাউথ জোন। এর ফলে টানা দুই ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে পৌঁছে গেছে নর্থ জোন।

    প্রথমে ব্যাট করে সাউথ জোন ৩০ ওভার ৫ বলেঃ ১৪৪ রান করে অলআউট হয়। তাদের জবাবে নর্থ জোন ম্যাচের অবশিষ্ট ১৪০ বল রেখে ৬ উইকেটে জয় নিশ্চিত করে। এই জয়ের ফলে দুই ম্যাচে তাদের পয়েন্ট হয়েছে ৪, যা ফাইনালে উঠার পথে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি। অন্যদিকে, সাউথ জোনের পয়েন্ট এখন ২, তাদের জন্য এখনো ফাইনালে ওঠার দরজা খোলা থাকলেও শেষ ম্যাচে ইস্ট জোনের বিপক্ষে জিততেই হবে।

    সাউথ জোন টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই বিপদে পড়ে। ওপেনার আনিসুল ইসলাম প্রথম বলে ফিরে যান। এরপর জাওয়াদ আবরার ১০ রানে ফেরেন। সৌম্য সরকার ও আফিফ হোসেন ধ্রুবও ব্যর্থ হন, ফলে দল উদ্বিগ্ন। ১৯ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর মোহাম্মদ মিথুন ও নুরুল হাসান সোহানের জুটির শুরু হয়, যেখানে মিথুন ব্যক্তিগত ২৪ রানে রানার শিকার হন।

    রবিউল হককে নিয়ে নতুন করে জুটি বাঁধার চেষ্টা করেন মিথুন। ২২ বলের ক্যামিও ইনিংসে ২৯ রান করেন তিনি, কিন্তু রবিউল ফেরেন ১২০ রানে। এরপর আর টেলেন্টেড ব্যাটসম্যানদের সহায়তায় ইনিংস খুব বেশি এগোতে পারেনি। নিজে ফিফটি পূর্ণ করেন ও ৫৫ রানে অপরাজিত থাকেন। সাউথ জোনের বোলার মুস্তাফিজুর রহমান ৫ ওভার বল করে ২৩ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন, যা ম্যাচের সেরা পারফরম্যান্স হিসেবে বিবেচিত।

    জবাবে, নর্থ জোনের শুরুটা কঠিন ছিল। প্রথম ২৮ রানে তাদের তিন উইকেট পড়ে। এরপর তানজিদ হাসান তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্ত কিছুটা সামলে নেন। চতুর্থ উইকেটে তাওহীদ হৃদয় ও লিটন কুমার দাসের মধ্যে ৮০ রানের মূল্যবান জুটি গড়ে দলকে এগিয়ে নেন। হৃদয় ৩৩ রান করে ফেরেন, সেখানে লিটন দাসের অবদান ছিল অপরিহার্য। তিনি ৬৫ বলে ৫৫ রান করে অপরাজিত থাকেন, দলকে জয়ের বন্দরে নিয়ে যান।

    নর্থ জোনের তিনজন ক্রিকেটার- এস এম মেহরব, নাহিদ রানা ও লিটন দাস গুরুত্বপূর্ণ পারফরম্যান্স করেন। গুরুত্বপূর্ণ তিন উইকেটের জন্য, ম্যাচের সেরা হিসেবে নির্বাচিত হন নাহিদ রানা।

  • ভারত জিতলো but সেমির স্বপ্ন রাখল জিম্বাবুয়ে

    ভারত জিতলো but সেমির স্বপ্ন রাখল জিম্বাবুয়ে

    সুপার ৮ পর্বের প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে বড় ব্যবধানের হারের পর ভারতের জন্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আদৌ পথ খোলা ছিল কি-না, তা নিয়ে ছিল উদ্বেগ। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৭২ রানের দাপুটে জয় যেন ভারতের আশা জাগিয়ে দেয় এবং তাদের সেমিফাইনালে যাওয়ার আশা অব্যাহত রাখে। অন্যদিকে, টানা দুই ম্যাচ হারায় সিকান্দার রাজা ও তার দল এই বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিল।

    জিম্বাবুয়ে নির্ধারিত ২৫৭ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করা শুরু করে। দুই ওপেনার কল্যাণের থেকে দুর্দান্ত সূচনা পায় স্বাগতিক দল, এরপর আরও ইতিবাচক ছিলেন אחרים। কিন্তু প্রয়োজন অনুযায়ী রানের গতি ধরে রাখতে পারেননি ব্যাটাররা, ফলে কিছুটা ব্যবধান কমলেও জেতার জন্য দরকার ছিল আরও বেশি রান।

    ম্যাচে চোখ এড়ানোর মতো পারফরম্যান্স দেন ওপেনার ব্রায়ান বেনেট। তিনি ৫০ পূরণের পর ইনিংসের শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন, এবং মাত্র ৩ রান প্রয়োজন ছিল সেঞ্চুরি করতে। মাঠ ছেড়ে যাওয়ার আগে তিনি করেন ৯৭ রান, ৫৯ বলে আটটি চার ও ছয়টি ছয়ে সাজানো এটি।

    অপর ওপেনার মারুমানি ২০ বলে ২০ রান করে আউট হন। দ্বিতীয় উইকেটে ডিওন মায়ার্স করেন ৬ রান। দলনেতা সিকান্দার রাজা ২১ বল থেকে ৩১ রান করেন। অন্যরা বেশির ভাগই ব্যর্থ হন; রায়ান বার্ল রান পাননি, টনি মুনয়োঙ্গা ১১, মুসেকিয়া ৭ ও ব্র্যাড ইভান্স ১ রান করে মাঠ ত্যাগ করেন। এভাবে, জিম্বাবুয়ের ইনিংস শেষ হয় ১৮৪ রানে, যা তাদের জন্য একটি সংগ্রামমূলক স্কোর ছিল। ভারতের সবচেয়ে সফল বোলার ছিলেন অর্শদিপ সিং, যিনি তিনটি উইকেট নিয়েছেন।

    এর আগে, চেন্নাইয়ে অনুষ্ঠিত ম্যাচের শুরুতে টস জিতে ভারতকে ব্যাটিংয়ে পাঠান জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক সিকান্দার রাজা। দ্রুততর আক্রমণাত্মক শুরু করেন ভারতের দুই ওপেনার। ১৫ বলে স্যাঞ্জু স্যামসন আউট হওয়ার পরেও পাওয়ার প্লে-তে ভারত ৮০ রান তোলে। দ্বিতীয় উইকেটে ৭২ রানের জুটি গড়েন তারা। ইষাণ কিষাণ ২৪ বলে ৩৮ রানে আউট হন।

    অভিষেক শর্মা মাত্র ২৬ বলে ফিফটি তুলে নেন, কিন্তু এরপর বেশিক্ষণ ক্রিজে থাকতে পারেননি। ৫৫ রানে আউট হন তিনি। তার এই ইনিংস চারটি চার ও চারটি ছয়ে সাজানো। দলের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব শুরুর ধাক্কা সামলে ১৩ বলে ৩৩ রান করেন।

    দুইজনের প্রত্যাশিত পারফরম্যান্সের পর, হার্দিক পান্ডিয়া ও তিলক ভার্মা পঞ্চম উইকেট জুটিতে খুবই সাবলীলভাবেই ব্যাট করেন। এই জুটিতে তারা ৩১ বলে ৮৪ রান তোলেন। হার্দিক পান্ডিয়া ফিফটি করেন ২৩ বলে, যেখানে তিনি চারটি চার ও চারটি ছয়সহ ৫০ রান করেন। তিলক ১৬ বলের ইনিংসটি চারটি চার ও চারটি ছয়ে ৪৪ রানে রূপ দেন। পুরো ২০ ওভার শেষ করে ভারত করে ৪ উইকেটে ২৫৬ রান।

    জিম্বাবুয়ের পক্ষে একটি করে উইকেট পান চারজন বোলার।

  • ইলহান ও রাশিদাকে মার্কিন থেকে বহিষ্কার করা উচিত: ট্রাম্পের দাবি

    ইলহান ও রাশিদাকে মার্কিন থেকে বহিষ্কার করা উচিত: ট্রাম্পের দাবি

    ডোনাল্ড ট্রাম্প, যিনি নিজেকে একজন ক্ষ্যাপাটে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে পরিচিত, তার এই ব্যতিক্রমী আচরণ আবারও বিতর্কের কেন্দ্রে এসেছে। তিনি সম্প্রতি তার স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন ভাষণের সময় বিক্ষোভের মধ্যে দুই মুসলিম নারী আইনপ্রণেতা ইলহান ওমর ও রাশিদা তালাইবকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন। আল-জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, ট্রাম্প বলেছেন, এই দুই সংরক্ষিত নারী জননেতাকে ‘যেখান থেকে এসেছিলেন, সেখানেই ফেরত পাঠানো উচিত’। এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি নিজের অভিবাসননীতি এবং তার প্রশাসনের সমালোচকদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

    বিশেষ করে, তারা ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত আমেরিকান রাশিদা তালাইব এবং সোমালি বংশোদ্ভើতা ইলহান ট্রাম্পের ও তার প্রশাসনের অভিবাসন দমননীতির সমালোচনা করছিলেন। মঙ্গলবার রাতে ট্রাম্পের ভাষণের সময়, তিনি তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ভাষায় কথা বলেন এবং চেয়েছিলেন যেন এই দুই মুসলিম নারী আইনপ্রণেতা দ্রুত দেশে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। ট্রাম্প বলেন, তারা কেবল দেশটিকে ক্ষতি করতে পারে, দেশের জন্য কোনো উপকারী কাজ করতে পারে না।

    এ ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার তিনি নিজের ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে লিখেছিলেন, এই দুই নারী কুটিল ও দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনীতিবিদ, এবং তাদের যেন অবিলম্বে আমেরিকা থেকে বহিষ্কার করা হয়। তিনি আরও গালাগালি করে দাবি করেন, তারা অসুস্থ, মানসিক বিকারগ্রস্ত এবং কম বুদ্ধিসম্পন্ন।

    ট্রাম্পের এই বক্তব্যের সময়, তার দুটি ভাষণে উল্লেখযোগ্য ছিল যখন তিনি বলেছিলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘অপরাধের অভয়ারণ্য’ শহরগুলো বন্ধ করা প্রয়োজন—যেখানে অভিবাসন ও কাস্টমস এজেন্সির সঙ্গে অসহযোগিতা দেখা যায়। এ সময়, ইলহান ওমর ও রাশিদা তালাইব অসহযোগিতার প্রতিবাদে চিৎকার করে বলেছিলেন, ‘আপনাদের হাত দিয়ে আমেরিকানদের হত্যা করা হচ্ছে!’ এই ঘটনাগুলো আবারও স্পষ্ট করে দেয় ট্রাম্পের রাজনৈতিক অঙ্গনে বিভাজন ও উত্তেজনা কতটা বেড়ে গেছে।

  • আফগান সেনাদের নির্মম আক্রমণে পাকিস্তানি সেনাদের ব্যাপক ক্ষতি এবং জীবিত ধরে নেওয়ার দাবি

    আফগান সেনাদের নির্মম আক্রমণে পাকিস্তানি সেনাদের ব্যাপক ক্ষতি এবং জীবিত ধরে নেওয়ার দাবি

    খাইবার পাখতুনখাওয়ায় আফগানিস্তান সীমান্তে গুরুত্বপূর্ণ এই এলাকায় সম্প্রতি সংঘটিত এক তীব্র সংঘর্ষে ৪০টি পাকিস্তানি সেনা চৌকি দখল করেছে আফগান সেনারা। এর সাথে অতিরিক্ত অভিযোগ তুলেছে তারা, যে, ব্যাপক সংখ্যক পাকিস্তানি সেনা নিহত হয়েছেন ও কিছু সেনা জীবন হারিয়েছেন, তাদেরকে জীবিত ধরে নেওয়া হয়েছে।

    এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে গত সপ্তাহে ঘটানো এক বিমান হামলার উত্তরে। আফগানিস্তানের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বৃহস্পতিবার রাতে এই ঘটনাগুলো ঘটেছে। তালেবান সরকারের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে বলেছেন, তীব্র এই লড়াইয়ে পাকিস্তানি সেনাদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। তিনি আরও পরিষ্কার করেছেন যে, অনেক সেনাকে হত্যা করা হয়েছে এবং কিছু সেনা জীবন বাঁচিয়ে ধরে আনা হয়েছে।

    আফগানিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় সামরিক কোরের মিডিয়া অফিস এক বিবৃতিতে জানায়, বৃহস্পতিবার রাত থেকে সীমান্তে তীব্র সংঘর্ষ শুরু হয়। এই হামলার পেছনে মূলত নানগারহার ও পাকতিয়া প্রদেশে পাকিস্তানি বিমান হামলার জবাব হিসেবে এই পাল্টা আক্রমণ চালানো হয়েছে।

    তাদের দাবি, এই সংঘর্ষে অন্তত ৪০টি পাকিস্তানি সেনা চৌকি দখল করা হয়েছে। অন্যদিকে, পাকিস্তানি সেনারা পাল্টা দাবি করছে, আফগানিস্তানের পক্ষ থেকে ব্যাপকসংখ্যক সেনা নিহত হয়েছে এবং তারা সীমান্তের অনেক চৌকি ধ্বংস করে দিয়েছেন।

    এই ঘটনার বিস্তারিত জানিয়েছে তোলো নিউজের সূত্র ও বয়েনের রিপোর্ট।