Blog

  • নাহিদ রানার ফাইফারে পাকিস্তান অলআউট ১১৪ রানে

    নাহিদ রানার ফাইফারে পাকিস্তান অলআউট ১১৪ রানে

    মিরপুরের স্লো উইকেটে সাধারণত স্পিনাররা সুবিধা পান—তবুও আজ আগুন ঝরালেন পেসার নাহিদ রানা। তরুণ এই পেসারের গতি ও বাউন্সে মুগ্ধ হন মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলি আগা। ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো ওয়ানডেতে ফাইফার তুলে নাহিদ পাকিস্তানকে অলআউট করে মাত্র ১১৪ রানে গুটিয়ে দেন।

    টস হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নামা পাকিস্তান ৩০.৪ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ১১৪ রানে থামে। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৭ রান করেন ফাহিম আশরাফ। বাংলাদেশের হয়ে রানের বিনিময়ে পাঁচ উইকেট নিয়েছেন নাহিদ রানা।

    নতুন বলের সময় মিতব্যয়ী বোলিং দেখিয়েছেন তাসকিন আহমেদ ও মুস্তাফিজুর রহমান, কিন্তু উইকেট আদায় করতে পারেন নি তারা। ইনিংসের সপ্তম ওভারে শেষ হলে স্পিনের বিকল্প নেওয়া হলো এবং কপাল খুলেনি—তবু পাওয়ারপ্লের শেষ ওভারে অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ নাহিদের হাতে বল তুলে দেন এবং সেটাই প্রথম বড় টার্নিং পয়েন্ট হয়। ওভারের শেষ বলে কাট করতে গিয়ে সাহিবজাদা ফারহান আফিফ হোসেনের হাতে ধরা পড়েন, ২৭ করে ফিরলে ভাঙে ৪১ রানের উদ্বোধনী জুটি।

    এরপরের চার ওভারেই ধারাবাহিকভাবে উইকেট তুলে নেন নাহিদ। যথাক্রমে শ্যামল হোসাইন, মাজ সাদাকাত, মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলি আগাকে সাজঘরে ফেরান এই ডানহাতি পেসার। পাকিস্তানের টপ অর্ডার ভেঙে পড়ে এবং নাহিদ নিজের প্রথম ওয়ানডে ফাইফার সম্পন্ন করেন।

    ওই কাবুরেই ১৯তম ওভারে মিরাজও উইকেটের পার্টিতে যোগ দেন—ওভারের শেষ বলে আব্দুল সামাদকে লিটনের গ্লাভসে ধরিয়ে ফেরান। পরের দিকে হোসাইন তালাতকে ২৩তম ওভারেই লেগ-বিফোরে আউট করে আরেকটি ধাক্কা দেন মিরাজ; একই ওভারের শেষ বলেই ফিরিয়েছেন শাহিন আফ্রিদিককে।

    দ্বিতীয় স্পেলে ফিরে তাসকিনও উইকেট নিতে সফল হন। ২৪তম ওভারের পঞ্চম বলে মোহাম্মদ ওয়াসিমকে প্রথম স্লিপে নাজমুল হোসেন শান্তের হাতে ধরা পড়ান তাসকিন।

    নবম উইকেট পড়ে যখন স্কোর ছিল ৮২, তখন পাকিস্তান শুরুর দিকে একশর নিচে অলআউট হওয়ার ঝুঁকিতে পড়ে। কিন্তু ফাহিম আশরাফ কিছুটা লড়াই করেন এবং আবরার আহমেদের সঙ্গে শেষ উইকেটে ৩২ রানের জুটি গড়ে দলের স্কোর একশর ওপরে নিয়ে আসেন। ফাহিমের ৩৭ রানের ইনিংসে ভর করে পাকিস্তান ব্যাটিং লাইনআপ শেষ পর্যন্ত ১১৪ রানে অলআউট হয়।

    সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশের বোলিং—বিশেষ করে নাহিদের প্রাণবন্ত পেসিং—পাকিস্তানের ব্যাটিংকে উত্তর দিতেই দেয়নি এবং ম্যাচে এখন বাংলাদেশ ভালো অবস্থায় রয়েছে।

  • ওয়ানডেতে পাকিস্তানকে সর্বনিম্ন রানে অলআউট করে সহজ জয় বাংলাদেশে

    ওয়ানডেতে পাকিস্তানকে সর্বনিম্ন রানে অলআউট করে সহজ জয় বাংলাদেশে

    কয়েক মাসের বিরতির পর ওয়ানডে ফিরেই তাণ্ডব ঘটাল বাংলাদেশ। জাতীয় দল দুর্দান্ত বোলিং ও আক্রমণাত্মক ব্যাটিং মিশিয়ে পাকিস্তানকে মাত্র ১১৪ রানে অলআউট করে দিয়ে সিরিজের তিন সংখ্যায় বিশাল হাতিয়ায় নিল। প্রতিদ্বন্দ্বীকে ৩০.৪ ওভারেই গুটিয়ে দিয়ে এটি পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে ইতিহাসে তাদের সর্বনিম্ন সংগ্রহ।

    পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৭ রানের ইনিংস খেলেন ফাহিম আশরাফ। শুরুটা ভালো না হলেও শেষ সময়ে তিনি আব্রার আহমেদের সঙ্গে ৩২ রানের গুরুত্বপূর্ন শেষ উইকেট জুটিতে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তুলেন; তা ছাড়া দলের বাকি ব্যাটাররা বড় দেয়নি।

    বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণে ছিল সূক্ষ্ম পরিকল্পনা। ইনিংসের শুরুতে নতুন বলে মিতব্যয়ী বোলিং দেখালেন তাসকিন আহমেদ ও মুস্তাফিজুর রহমান, কিন্তু উইকেটটা করতে পারেননি তারা। দলের অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ স্পিনার হিসেবে দ্রুত আনা হয়েও প্রাথমিক সফলতা পাননি।

    তবে এরপর তরুণ পেসার নাহিদ খেলায় নামে ভাঙন ধরান। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারেই নাহিদকে বোলিংয়ের দায়িত্ব দেয়া হলে তিনি আক্রমণ ধরেন এবং ওভারশেষে সাহিবজাদা ফারহানকে পয়েন্টে আফিফ হোসেনের হাতে ক্যাচ করিয়ে দলকে বড় ব্রেকথ্রু দেন। এরপর পরপর কয়েকটি ওভারেই শ্যামল হোসাইন, মাজ সাদাকাত, মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলি আগাকে সাজঘরে ফেরিয়ে নাহিদ পাকিস্তানের টপ অর্ডার ভেঙে দেন। নিজের পরবর্তী চার ওভারের প্রতিটি ওভারে উইকেট তুলে নেয়ার সুবাদে নাহিদের নামে লেখা গেল ৫ উইকেট, এবং এটা তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম ফাইফার।

    আজি মিরাজও দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন। ১৯তম ওভারে তিনি আব্দুল সামাদকে লিটনের হাতে ক্যাচ করিয়ে ফিরিয়েছেন এবং পরে হোসাইন তালাত ও শাহিন আফ্রিদিকেও ফেরান। তাসকিনের হাতে একটি উইকেটও এসেছিল—২৪তম ওভারের পঞ্চম বলে নাজমুল হোসেন শান্তই প্রথম স্লিপে ধরা পড়ানো ক্যাচে মোহাম্মদ ওয়াসিমকে সাজঘরে পাঠান।

    সব মিলিয়ে পাকিস্তান ৩০.৪ ওভারে ১১৪ রানে অলআউট হয়ে যায়। পাকিস্তান দিয়ে এ হয়েছিল বড় ধাক্কা; এ অবস্থায় ফাহিমের ইনিংস ছাড়া বড় অবদানের অভাব ছিল।

    জবাবে তুচ্ছ লক্ষ্যের তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশ খেলেছে স্বাধীন ও আক্রমণাত্মক ক্রিকেট। ওপেনিংয়ে সাইফ হাসান প্রথমে ৪ রান করে ফেরলেও দলের অন্য প্রান্তে তানজিদ হাসান তামিম আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে নিয়ে নেন। তামিম মাত্র ৩২ বলেই ফিফটি পূর্ণ করেন এবং শেষ পর্যন্ত অপরাজিত ৬৭ রানে দলকে ১৫.১ ওভারে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন।

    শেষত বাংলাদেশের স্কোর পড়ে ১১৫/২—দুটি উইকেট হারিয়ে স্বচ্ছন্দ জয়। তানজিদের এই ইনিংস ছিল দ্রুত এবং কার্যকর, যা দলের জন্য সুফল বয়ে এনেছে।

    পৃথকভাবে বললে, নাহিদের বোলিংই ছিল ম্যাচটিকে বাংলাদেশি দিকেই টানার মূল কারণ; আর তানজিদের অনবদ্য ইনিংস জয় নিশ্চিত করেছে। বিরতির পর দেশের ক্রিকেটের এমন দাপট দর্শকদের প্রত্যাশা অনেকটাই পূরণ করল।

  • বিদেশি মদ উদ্ধারের মামলায় আসিফ আকবর খালাস

    বিদেশি মদ উদ্ধারের মামলায় আসিফ আকবর খালাস

    ঢাকার একটি আদালত চার বোতল বিদেশি মদ নিজের হেফাজতে রাখার অভিযোগে কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবরকে খালাস দিয়েছেন। সোমবার (৯ মার্চ) শুনানি শেষে ঢাকার ২য় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক আয়েশা আক্তার মৌসুমী অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় আসিফকে খালাসের রায় দেন।

    আসিফের পক্ষে করা বক্তব্য ও আইনজ(Name)বী পরিবেশনার পর বিচারক রায় ঘোষণা করেন বলে জানা গেছে। এই রায় নিশ্চিত করেছেন আসিফের আইনজীবী প্রদীপ কুমার দেবনাথ। রায়ের পর আসিফ আকবর সাংবাদিকদের জানান, তিনি ন্যায়বিচার পেয়েছেন।

    এই মামলা পরীক্ষার সূত্রপাত হয় ২০১৮ সালের ৬ জুন, যখন তেজগাঁও থানার অন্তর্ভুক্ত পান্থপথের আর্ব এন্টারটেইনমেন্ট অফিস থেকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের মামলায় আসিফকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তার অফিস কক্ষে চার বোতল টাকিলা মদ পাওয়া যায়। মদ পরীক্ষার জন্য মাদকদ্রব্য অধিদফতরে পাঠানো হয়েছিল।

    মদ নিজের দখলে রাখার অভিযোগে ২০১৯ সালের ২৩ জুলাই সিআইডি পুলিশের সাইবার তদন্ত শাখার উপ-পরিদর্শক প্রশান্ত কুমার সিকদার তেজগাঁও থানায় মামলাটি দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১৯ সালের ১৩ অক্টোবর সিআইডি তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক মো. জামাল উদ্দিন চার্জশিট দাখিল করেন। এরপর আদালত ২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর অভিযোগ গঠন করে বিচারাভিযান শুরু করেন। মামলার তদন্ত ও বিচার চলাকালে তিনজন সাক্ষীর কথামত গ্রহণ করা হয়েছিল।

    গত ৩ মার্চ আদালত সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ করে রায়ের জন্য ৯ মার্চ দিন ঠিক করেছিলেন। শুনানির দিন আসিফ আকবর নিজেই আদালতে উপস্থিত ছিলেন। আদালত অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাস দেওয়ার রায় প্রদান করেছে।

  • সৌদি উপহারের ১২,৫০০ কার্টুন খেজুর: জেলা অনুযায়ী বরাদ্দ তালিকা

    সৌদি উপহারের ১২,৫০০ কার্টুন খেজুর: জেলা অনুযায়ী বরাদ্দ তালিকা

    সৌদি আরবের ‘কিং সালমান হিউম্যানিটারিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টার’ থেকে উপহারে পাওয়া মোট ১২,৫০০ কার্টুন খেজুর দেশের বিভিন্ন জেলায় বরাদ্দ করেছে সরকার। এসব খেজুর জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে বিতরণের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে।

    সম্প্রতি এ সংক্রান্ত নির্দেশনা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে পাঠানো হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, নির্ধারিত তালিকা অনুযায়ী জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে এসব খেজুর স্থানীয় পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়া হবে।

    বরাদ্দের বিস্তারিত জেলা অনুযায়ী নিম্নরূপ:

    ঢাকা বিভাগ: ঢাকা ২৯৭, নারায়ণগঞ্জ ১০১, গাজীপুর ১০৩, মুন্সিগঞ্জ ১৮০, মানিকগঞ্জ ১৭১, নরসিংদী ১৮৮, টাঙ্গাইল ৩১৮, কিশোরগঞ্জ ২৮৭, ফরিদপুর ২১৪, গোপালগঞ্জ ১৭৫, মাদারীপুর ১৫৭, শরীয়তপুর ১৭৩ ও রাজবাড়ী ১১০ কার্টুন।

    ময়মনসিংহ বিভাগ ও পার্শ্ববর্তী জেলা: ময়মনসিংহ ৩৮৪, নেত্রকোনা ২২৬, জামালপুর ১৭৭ ও শেরপুর ১৩৭ কার্টুন।

    চট্টগ্রাম বিভাগ ও পার্বত্য অঞ্চল: চট্টগ্রাম ৫১৮, কক্সবাজার ১৮৭, রাঙ্গামাটি ১৩০, খাগড়াছড়ি ৯৭, বান্দরবান ৯০, কুমিল্লা ৫২০, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৬৭, চাঁদপুর ২৩৫, নোয়াখালী ২৪৩, লক্ষ্মীপুর ১৫৪ ও ফেনী ১১২ কার্টুন।

    রাজশাহী বিভাগ: রাজশাহী ১৯০, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ১১৬, নওগাঁ ২৫৯, নাটোর ১৩৫, পাবনা ১৯৬, সিরাজগঞ্জ ২২১, বগুড়া ২৯১ ও জয়পুরহাট ৮১ কার্টুন।

    রংপুর বিভাগ: রংপুর ২০১, কুড়িগ্রাম ১৯২, নীলফামারী ১৬১, গাইবান্ধা ২১৪, লালমনিরহাট ১১৬, দিনাজপুর ২৭৪, ঠাকুরগাঁও ১৪১ ও পঞ্চগড় ১১২ কার্টুন।

    খুলনা বিভাগ: খুলনা ১৮২, বাগেরহাট ২০৩, সাতক্ষীরা ২০৭, যশোর ২৪৭, ঝিনাইদহ ১৭৫, মাগুরা ৯২, নড়াইল ১০১, কুষ্টিয়া ১৭৪, মেহেরপুর ৫১ ও চুয়াডাঙ্গা ১০৫ কার্টুন।

    বরিশাল ও সিলেট বিভাগ: বরিশাল ২৩৪, পটুয়াখালী ২০২, ভোলা ১৮৭, পিরোজপুর ১৩৯, বরগুনা ১১০, ঝালকাঠি ৮২; সিলেট ২৯০, হবিগঞ্জ ২০৬, মৌলভীবাজার ১৭৮ ও সুনামগঞ্জ ২৩৪ কার্টুন।

    অন্যান্য বিশেষ বরাদ্দ: ঢাকায় মাস্তুল ফাউন্ডেশনকে ১৮৫ কার্টুন, ঢাকাস্থ সৌদি আরব দূতাবাসকে ৫০ কার্টুন এবং চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষকে ১৫ কার্টুন খেজুর আলাদা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

    সরকারি সূত্র বলছে, নির্ধারিত তালিকা অনুযায়ী দ্রুত এসব খেজুর জেলা ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোতে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে, যাতে তা তৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনমত বিতরণ করা যায়।

  • মন্ত্রী ও এমপিদের চলনে মার্জিত ও সতর্ক থাকতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী

    মন্ত্রী ও এমপিদের চলনে মার্জিত ও সতর্ক থাকতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী

    বিএনপির চেয়ারম্যান, সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের চলনে-বলনে মার্জিত ও সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। বুধবার (১১ মার্চ) জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বিএনপির সংসদীয় দলের সভায় তিনি এ বক্তব্য দেন।

    সভায় উপস্থিত কয়েকজন সংসদ সদস্য জানান, গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময়ও মন্ত্রী ও এমপিদের সতর্ক থাকতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বিশেষ করে জোর দিয়ে বলেছেন, প্রত্যেকে তার দায়িত্বসীমার মধ্যে থেকে বক্তব্য দেবেন এবং ব্যক্তিগতভাবে দায়িত্ব ছেড়ে অপ্রয়োজনে মন্তব্য করবেন না।

    সভা সকাল সোয়া ১১টায় তারেক রহমানের সভাপতিত্বে শুরু হয়ে বেলা ১টায় শেষ হয়। সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন। পরে বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বক্তব্য দেন। মঞ্চে তারেক রহমানের এক পাশে ছিলেন মির্জা ফখরুল এবং অপর পাশে চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি। সভায় মোট ২০৯ জন সংসদ সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

    প্রধানমন্ত্রী সভায় দলনের নানাবিধ জনকল্যাণমুখী কর্মসূচি ও ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের নির্দেশনা দিয়েছেন। বিশেষভাবে তিনি দলের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির কথা তোলেন এবং বলেন, এ নিয়ে অনেক কথাবার্তা হয়েছে; তবু আমরা ভোটের আগেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করে দিয়েছি। এভাবেই বিএনপিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে, জনগণ এই দলটাকেই দেখতে চায়—এমনটাই তার প্রকাশ।

    প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, দ্রুত সময়ের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম শুরু করা হবে এবং পাশাপাশি সারাদেশে খাল খনন কর্মসূচি হাতে নেওয়া হবে। সামনে ডেঙ্গু মৌসুমকে বিবেচনায় রেখে পরিচ্ছন্নতায় বাড়তি যত্ন নিতে সবাইকে নির্দেশ দেন তিনি।

    সভায় তিনি জেলাগুলোর অফিস সময় ও নিয়মিত উপস্থিতির ওপরও গুরুত্ব আরোপ করেন, বিশেষ করে মন্ত্রণালয়ের তরুণ সদস্যদের নিয়ন্ত্রিত সময়ানুবর্তিতা নিশ্চিত করার দাবিতে জোর দেন। তিনি বলেন, মন্ত্রিসভায় জ্যেষ্ঠরা রয়েছেন—তবু তরুণদের সকাল নয়টার মধ্যে অফিসে প্রবেশ করতে হবে এবং অফিস যাতায়াতে ট্রাফিক আইন মেনে চলতেও সবাইকে অনুরোধ করা হয়েছে; নিজেরাও তা মানেন বলেও তিনি সভায় উল্লেখ করেন।

    জুলাইয়ের জাতীয় সনদ সংক্রান্ত প্রসঙ্গ তুলते তিনি বলেন, সনদ সংক্রান্ত কিছু বিষয়ে বিভিন্ন পক্ষের ‘নোট অব ডিসেন্ট’ আছে; যেখানে সরকার বাস্তবায়নযোগ্য মনে করবে, সেগুলো হাতে নেওয়া হবে।

    অবশেষে প্রধানমন্ত্রী দৈনন্দিন জীবনযাপনে কৃচ্ছ্রসাধনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, বিশ্ব রাজনীতিতে মধ্যপ্রাচ্য—বিশেষ করে ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের উত্তেজনার কারণে বিশ্ব অর্থনীতিতে চাপ তৈরি হচ্ছে; তাই অর্থনীতির প্রভাব মাথায় রেখে সংযমী জীবনযাপন জরুরি।

  • সোনার দাম ভরিতে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমলো

    সোনার দাম ভরিতে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমলো

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) ঘোষণা করেছে, সোনার দাম সর্বোচ্চ ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা পর্যন্ত কমানো হয়েছে। ফলে ভালো মানের ২২ ক্যারেট সোনার এক ভরির দাম দুই লাখ ৬৫ হাজার টাকার নীচে নেমে এসে দাঁড়িয়েছে — নতুন নির্ধারিত দাম এক ভরি প্রতি দুই লাখ ৬৪ হাজার ৯৪৮ টাকা।

    বাজুস সোমবার (০৯ মার্চ) এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানায় এবং উল্লেখ করে যে নতুন দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে। সংগঠনটি জানিয়েছে, তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার আন্তর্জাতিক/স্থানীয় দাম কমায় স্থানীয় বাজারে মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে।

    নির্ধারিত নতুন দামের বিবরণ ওষুধানুসারে:

    – ২২ ক্যারেট: এক ভরি ২,৬৪,৯৪৮ টাকা

    – ২১ ক্যারেট: এক ভরি ২,৫২,৮৭৬ টাকা

    – ১৮ ক্যারেট: এক ভরিতে ২,১৬,৭৭৫ টাকা

    – সনাতন পদ্ধতি অনুযায়ী: এক ভরিতে ১,৭৬,৯৪৩ টাকা

    রুপার দামও কমে গিয়েছে। প্রতি ভরির রুপার মূল্য এখন:

    – ২২ ক্যারেট: ৬,৩৫৭ টাকা

    – ২১ ক্যারেট: ৬,০৬৫ টাকা

    – ১৮ ক্যারেট: ৫,১৯০ টাকা

    – সনাতন পদ্ধতি: ৩,৯০৭ টাকা

    আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটেও ওঠানামা দেখা গেছে। গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি অনুসারে বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স সোনার দাম ৫,০৯০ ডলার; গতকাল ছিল ৫,১৭০ ডলার। এর আগে ৩০ জানুয়ারি ছিল ৫,২০০ ডলার এবং ২৯ জানুয়ারি ৫,৫৫০ ডলার।

    উল্লেখ্য, গত মাসের শেষদিকে বিশ্ববাজারে সোনার দর দ্রুত বাড়ার প্রভাবে দেশে দামও রেকর্ড পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। ২৯ জানুয়ারিতে এককভাবে ভরিপ্রতি ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বাড়িয়ে বাজুস ২২ ক্যারেট সোনার দাম এক ভরিতে ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকায় ঘোষণা করেছিল, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ছিল।

  • সোনার দাম চড়লো: এক ভরি ২২ ক্যারেট ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০ টাকা

    সোনার দাম চড়লো: এক ভরি ২২ ক্যারেট ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০ টাকা

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) টানা দ্বিতীয় দিনের মতো সোনার দাম বাড়িয়েছে। বুধবার (১১ মার্চ) সকালে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি জানিয়েছে, ভরিতে দুই হাজার টাকার বেশি বৃদ্ধি করে ২২ ক্যারেট সোনার দাম নতুনভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০ টাকা। নতুন এই দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর করা হয়েছে।

    বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্য বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে দামসমূহ পুনঃনির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন মূল্য অনুযায়ী এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম ভাগভিত্তিক হল— ২২ ক্যারেট: ২,৭০,৪৩০ টাকা; ২১ ক্যারেট: ২,৫৮,১২৪ টাকা; ১৮ ক্যারেট: ২,২১,২৬৬ টাকা; এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি: ১,৮০,৬১৭ টাকা।

    একই সঙ্গে রূপার দামও বাড়ানো হয়েছে। ভরিতে ১৭৫ টাকা বৃদ্ধি করে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ধার্য করা হয়েছে ৬,৭০৭ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেট প্রতি ভরি রুপার দাম ৬,৪১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট প্রতি ভরি ৫,৪৮২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৪,০৮২ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।

    দামের এই পরিবর্তন গ্রাহক ও ব্যবসায়ীদের বাজারে চাহিদা-সাপ্লাই ও বিক্রয়ের ওপর প্রভাব ফেলে— এমনটাই মনে করছেন বিক্রেতারা। বাজুসের ঘোষণা অনুযায়ী নতুন মূল্য নবায়িত বাজার অবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নেওয়া হয়েছে।

  • শ্রীলঙ্কার আদালত ইরানকে ৮৪ নাবিকের মরদেহ হস্তান্তর করতে নির্দেশ দিল

    শ্রীলঙ্কার আদালত ইরানকে ৮৪ নাবিকের মরদেহ হস্তান্তর করতে নির্দেশ দিল

    গত সপ্তাহে শ্রীলঙ্কার একটি আদালত দেশটির উপকূলে ইরানি যুদ্ধজাহাজে হামলায় নিহত ৮৪ নাবিকের মরদেহ ইরানীয় দূতাবাসকে হস্তান্তর করার নির্দেশ দিয়েছে। স্থানীয় গণমাধ্যম এ তথ্য বুধবার (১১ মার্চ) জানিয়েছে।

    ঘটনাস্থলে থাকা সূত্র ও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধজাহাজ আইআরআইএস ডেনা যুক্তরাষ্ট্রের একটি সাবমেরিনের টর্পেডো আঘাতের ফলে ধ্বংসর সন্ধানে পড়েছিল। জাহাজটি তখন ভারত আয়োজিত সামরিক মহড়া থেকে ফিরছিল। হামলার পর আন্তর্জাতিক তেলমূল্যের ওঠানামা দেখা গেছে ও বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডে ব্যাঘাত দেখা দিয়েছে।

    গালের কর্তৃপক্ষ (গাল হাবর পুলিশ) লাশ হস্তান্তরের জন্য আদালতে আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করে। নিহতদের মরদেহগুলো বর্তমানে গালের ন্যাশনাল হাসপাতালের মর্গে রাখা আছে। হামলায় কর্মরত আইআরআইএস ডেনা থেকেও ৩২ জন বেঁচে গেছেন।

    একই সময় শ্রীলঙ্কা আইআরআইএস বুশেহর নামে দ্বিতীয় ইরানি জাহাজের ২০৮ জন ক্রুকে ৩০ দিনের ভিসা দিয়েছে; তারা উপকূলে ইঞ্জিন সমস্যা দেখা দেওয়ার কারণে দেশটিতে ভিড়েছিল। প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমার ডিসানায়কে জানান যে দ্বিতীয় জাহাজটি পরে ত্রিঙ্কোমালিতে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। এ ছাড়া দক্ষিণ ভারতের একটি বন্দরে আইআরআইএস লাভান নামের তৃতীয় ইরানি জাহাজ ১৮৩ ক্রু নিয়ে নোঙ্গর করে আছে।

    উল্লেখ্য, শ্রীলঙ্কার জন্য উভয় দেশই — যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান — গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক অংশীদার। যুক্তরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কার পোশাক রপ্তানির প্রায় ৪০ শতাংশ ভাগীদার এবং ইরান শ্রীলঙ্কার অন্যতম প্রধান চা ক্রেতা।

  • দুবাই বিমানবন্দরের কাছে দু’টি ড্রোন বিধ্বস্ত; বাংলাদেশিসহ ৪ জন আহত

    দুবাই বিমানবন্দরের কাছে দু’টি ড্রোন বিধ্বস্ত; বাংলাদেশিসহ ৪ জন আহত

    সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ঠিক কাছে দু’টি ড্রোন বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনা ঘটে; এতে চারজন আহত হয়েছেন। দুবাই মিডিয়া অফিস এক্সে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, দুর্ঘটনায় দুইজন ঘানার নাগরিক ও একজন বাংলাদেশি সামান্য আহত হয়েছেন এবং একজন ভারতীয় নাগরিক মাঝারি পর্যায়ের আহত হয়েছেন।

    বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে আহতরা তাদের কর্মী এবং সবারই তৎক্ষণাত চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। ঘটনার পরও বিমানবন্দরের মধ্যে বিমান চলাচল আপাতত স্বাভাবিক রয়েছে। নিরাপত্তা জরুরি পরিকল্পনা অনুসরণ করে আগেই অধিকাংশ টার্মিনাল থেকে যাত্রীরা সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল বলে কর্তৃপক্ষ জানায়।

    আরও বলা হয়েছে, যাত্রীদের ফ্লাইট নিশ্চিত হওয়া না হওয়া পর্যন্ত বিমানবন্দরে এসে ভিড় না করতে অনুরোধ করা হয়েছে, কারণ যেকোনো সময় ফ্লাইটের সূচী পরিবর্তিত হতে পারে।

    প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলি হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকারের তথ্যে এসব হামলায় এখন পর্যন্ত তিন জন নিহত এবং শতাধিক লোক আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একজন বাংলাদেশি, একজন পাকিস্তানি ও একজন নেপালের নাগরিক রয়েছেন; আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

    ইরানি হামলা শুরুর পর থেকে বিশ্বের সবচেয়ে ব্যস্ততম আকাশবন্দরগুলোর এক—দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য বন্দরগুলোতেও বিমান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে। কিছু ফ্লাইট পুনরায় চালু করা হলেও এয়ারলাইনগুলো এখনও পুরো সক্ষমতায় পরিচালনা শুরু করতে পারেনি।

    সূত্র: গালফ নিউজ

  • সাতক্ষীরায় পাঁচ মন্দিরে দুঃসাহসিক চুরি, ২০ লাখ টাকার মালামাল লুট

    সাতক্ষীরায় পাঁচ মন্দিরে দুঃসাহসিক চুরি, ২০ লাখ টাকার মালামাল লুট

    সাতক্ষীরায় পুরাতন শহর এলাকায় একাধিক মন্দিরে দুর্জনদের দুঃসাহসিক চুরি ঘটেছে। বুধবার (১১ মার্চ) ভোরের দিকে প্রায় পাঁচটি মন্দিরের তালা ভেঙে নগদ টাকা ও দেবীপূজায় রাখা স্বর্ণ-রূপা সহ আনুমানিক ২০ লাখ টাকার মালামাল লুট করেছে অজ্ঞাত চোরেরা।

    জেলা মন্দির সমিতির সাধারণ সম্পাদক নিত্যানন্দ আমিন জানান, রাতে মন্দির এলাকায় ওঠা-নামা করা কিছু ছাত্র ভোর সাড়ে তিন থেকে চারটার দিকে চুরির ঘটনা তাৎক্ষণিকভাবে জানতে পারে এবং খবর দেন। মন্দির কমিটিনিরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দেখেন কালী মন্দির, অন্নপূর্ণা মন্দির, জগন্নাথ মন্দির, চৈতন্যদেব মন্দির ও রাধা-গোবিন্দ মন্দির—all মন্দিরের দরজার তালা কেটে ভেতরটি তছনছ করা হয়েছে।

    তদন্তে জানা গেছে, চোরেরা প্রায় সাত ভরি ওজনের কয়েকটি স্বর্ণদাগী গয়না, বিভিন্ন ওজনের রূপার গয়না, নগদ টাকাসহ মন্দিরের প্রতিমা ও উপস্থাপনার জন্য রাখা মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে গেছে। চুরির তালিকায় কালীমাতার স্বর্ণের জিহবা, দুটি স্বর্ণের বালা, দুটি জোড়া পেটি, দুই জোড়া শাখা, একটি স্বর্ণের চেইন, একটি নথ টানা এবং অন্যান্য রূপার গহনা রয়েছে। মন্দির সমিতি বদরাই এটি আনুমানিক মূল্যায়ন করেছেন প্রায় ২০ লাখ টাকা।

    ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পুলিশ একটি তালা কাটার মেশিন উদ্ধার করেছে। সাতক্ষীরা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং তদন্ত চলছে।

    মন্দির সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য দীপা সিন্দু তরফদার বলেন, দুই দিন আগে শহরের কাটিয়া কর্মকারপাড়া এরাকা এলাকায় ও একটি মন্দিরে চুরির ঘটনা ঘটেছিল। বারবার ঘটে যাওয়া এসব চুরির ঘটনায় স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। তিনি দ্রুত দোষীদের গ্রেফতার, চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার ও মন্দিরগুলোর নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানান।

    পুলিশের দাবি, ঘটনার সঠিক পরিধি ও দায়ীদের শনাক্ত করে দ্রুত তদন্ত শেষে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে এবং খোঁজখবর করে মালামাল উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।