নিজের বর্ণাঢ্য কেরিয়ারে লিওনেল মেসি জিতেছেন অসংখ্য শিরোপা ও পুরস্কার। ২০২৫ সালের কাছাকাছি এসে তার মুকুটে যোগ হলো আরও এক গৌরবময় অর্জন। ফরাসি ভাষার কানাডীয় সংবাদমাধ্যম লে জার্নাল কুইবেক ঘোষণা করেছে, ২১ শতকের প্রথম ২৫ বছর মধ্যে সবচেয়ে সফল ক্রীড়াবিদ তিনি।মেসির এই স্থান অধিকারটি শুধু ফুটবলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তিনি বিভিন্ন ধরনের খেলার সাথে যুক্ত কিংবদন্তিদের মধ্যেও শীর্ষে উঠেছেন। ফুটবল থেকে শুরু করে অলিম্পিক, টেনিস, বাস্কেটবল ও অ্যাথলেটিক্স—সব ক্ষেত্রেই বিশ্বের প্রভাবশালী তারকারা এই তালিকায় স্থান পেয়েছেন। আর শীর্ষে রয়েছেন অস্কারে অপেক্ষাকৃত স্তম্ভিত অর্জেন্টাইন মহাতারা মেসি।কলাবৃদ্ধির ফুটবল থেকে শুরু করে জাতীয় দলের জয়-জয়কার, সব ক্ষেত্রে তার সফলতা চোখে পড়ে। বার্সেলোনা দিয়ে শুরু করে পিএসজি, ইন্টার মিয়ামি ও আর্জেন্টিনা দলের হয়ে তিনি জিতেছেন অসংখ্য ট্রফি। দীর্ঘ অর্ধেকের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে তিনি জিতেছেন তার কাক্সিক্ষত বিশ্বকাপ।ব্যক্তিগত অর্জনের ক্ষেত্রেও তার তুলনা মেলা ভার। তিনি ৮ বার ব্যালন ডি’অর পুরস্কার জিতে বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে অনন্য স্থান লাভ করেছেন। বার্সেলোনা ও আর্জেন্টিনার হয়ে তিনি সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড রাখেন। বিভিন্ন লিগ, কাপ ও আন্তর্জাতিক শিরোপার সংকলন তার ঝুলিতে।এই তালিকার দ্বিতীয় স্থানে আছেন আমেরিকার ফুটবল মহাতারা টম ব্র্যাডি। নিউ ইংল্যান্ড প্যাট্রিয়টস ও ট্যাম্পা বে বুকানিয়ার্সের হয়ে তিনি জিতেছেন রেকর্ড ৭টি সুপার বোল ট্রফি, যা আগে কোনো ফুটবলার বা কোয়ার্টারব্যাক করতে পারেননি।তৃতীয় পজিশনে রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের কিংবদন্তি সাঁতারু মাইকেল ফেলপস। ২০০৪ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত অলিম্পিকে তিনি জয় করেছেন ২৮টি পদক, যার মধ্যে ২৩টি সোনা। ২০০৮ সালের বেইজিং অলিম্পিকে তিনি এক আসরে ৮টি স্বর্ণপদক জিতে রেকর্ড সৃষ্টি করেন।চতুর্থ স্থানে স্থান পেয়েছেন টেনিসের রাণী সেরেনা উইলিয়ামস। এরপর রয়েছেন সংগীতের কিংবদন্তি উসাইন বোল্ট, বাস্কেটবল তারকা লেব্রন জেমস, টেনিসের নোভাক জোকোভিচ, জিমন্যাস্টিকসের সিমোন বাইলস, বাস্কেটবল কিংবদন্তি কোবি ব্রায়ান্ট এবং ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো।পৃথিবীর বিভিন্ন ক্রীড়াঙ্গনের এই তালিকাটি শুধুমাত্র ট্রফি বা পরিসংখ্যানের গল্প নয়, বরং এটি এক শতাব্দীতে কে নিজ খেলার সঙ্গে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলেছেন তার স্বীকৃতি। এই দিক থেকে দেখা গেলে, লিওনেল মেসি শুধু ফুটবলেরই নয়, পুরো ক্রীড়াজগতের এক অনন্য প্রতিকৃতি ও আইকন।
Blog
-

নৌ-দুর্ঘটনায় তিন সন্তানসহ স্প্যানিশ কোচের মৃত্যু
স্পেনে ফুটবল জগতের জন্য শোকের এক অন্ধকার পর্ব শুরু হয়েছে। এক হৃদয়বিদারক ঘটনায়, ইন্দোনেশিয়ায় অবকাশযাত্রার সময় একটি নৌ-দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন স্প্যানিশ ফুটবল কোচ ফার্নান্দো মার্তিন ও তার তিন সন্তান।
ফার্নান্দো মার্তিন ভ্যালেন্সিয়া সিএফ তরুণ দলের কোচ ছিলেন। এই দুর্ঘটনা ঘটেছে ইন্দোনেশিয়ার জনপ্রিয় পর্যটন জায়গা লাবুয়ান বাজো দ্বীপের আশেপাশে। একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে ভ্যালেন্সিয়া ক্লাব নিশ্চিত করেছে, এই মর্মান্তিক নৌ-দুর্ঘটনায় কোচ ও তার তিন সন্তান দুর্ঘটনাস্থলে মারা গেছেন। ক্লাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, “ইন্দোনেশিয়ার জেলায় ঘটে যাওয়া এই ট্র্যাজেডিতে মরতে হয়েছে আমাদের কোচ ফার্নান্দো মার্তিন এবং তার তিন সন্তানের। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।”
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, শুক্রবার একটি নৌকা প্রতিকূল আবহাওয়ার মাঝে দ্বীপের পাদার আইসল্যান্ড প্রণালীতে ১১ জন আরোহীসহ ডুবে যায়। শনিবার এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়। উদ্ধারকাজ চালানো হলেও, মার্তিন ও তার তিন সন্তান এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।
চলতি বছরই ভ্যালেন্সিয়ার নারী দলের সাবেক কোচ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন মার্তিন। তার মৃত্যুতে ফুটবল প্রেমীরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এই দুর্ঘটনার ফলে, মার্তিনের স্ত্রী ও তাদের এক কন্যা নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও, চারজন ক্রু সদস্য এবং একজন ট্যুর গাইড প্রাণে বেঁচে গেছেন।
রিয়াল মাদ্রিদ থেকে গভীর শোক প্রকাশ করে জানিয়েছে, এই দু:জন ঘটনায় পুরো ফুটবল জগৎ গভীর শোকাহত।
-

উজ্জয়িনীর ধর্মীয় নেতাদের হুমকির মুখে মোস্তাফিজের আইপিএলে খেলার সম্ভাবনা ক্ষীণ
আইপিএলের ২০২৬ আসর শুরু হতে এখনও প্রায় তিন মাস বাকি। তবে টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই ভারতের মধ্যপ্রদেশের উজ্জয়িনী শহরে ধর্মীয় নেতাদের একাংশ মোস্তাফিজুর রহমানের আইপিএলে খেলার বিরোধিতা করে হুমকি দিয়েছেন। বাংলাদেশি তরুণ পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে দলে নেওয়ার পর, উজ্জয়িনীর কিছু ধর্মীয় নেতা এ বিরোধিতা শুরু করেন। মুখ্য পুরোহিত মহাবীর নাথ প্রকাশ্যে বলেছেন, হিন্দুদের ওপর বাংলাদেশে বিভিন্ন সময়ে হওয়া নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে, যেখানে কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি নীরব থাকায় তারা কঠোর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবেন। তিনি আরো বলেন, এই বিষয়ে একাধিক ধর্মীয় সংগঠন তাদের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। সামাজিক মাধ্যমে কলকাতা নাইট রাইডার্সকে বয়কটের আহ্বানও জানানো হয়েছে। এছাড়া, এই পরিস্থিতিতে মোস্তাফিজের আইপিএলে খেলা কতদিন চলবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল জানিয়েছেন, বিষয়টি ক্রিকেট অপারেশন্স বিভাগ দেখবে, এবং আইপিএলের সূচি ও দেশের ব্যস্ততা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। উল্লেখ্য, মার্চ ও এপ্রিল মাসে বাংলাদেশ দলের আন্তর্জাতিক সিরিজ রয়েছে, যেখানে মোস্তাফিজকে কয়েকদিনের জন্য দেশে ফিরতে হবে। সম্প্রতি তিনি দুবাইয়ে আইএলটি-টোয়েন্টি খেলে ফিরে এসেছেন, আর কাল তিনি রংপুর রাইডার্সের হয়ে বিপিএল ম্যাচে অংশ নিতে পারেন বলে জানা গেছে। এই পরিস্থিতিতে, মোস্তাফিজের জন্য আইপিএলে খেলার ভবিষ্যত অনেকটাই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
-

সোমালিল্যান্ডের স্বীকৃতি মানবে না সোমালিয়া
শুক্রবার ইসরায়েল সোমালিল্যান্ডের অঞ্চলকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বতন্ত্র ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। ১৯৯১ সালে সোমালিয়া থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ার পর থেকে এই অঞ্চলকে কখনোই আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি। খবর এএনএনডোনো সূত্রে জানা গেছে, এই স্বীকৃতি দেওয়ার পর থেকে সোমালিয়ার ফেডারেল সরকার একে তীব্রভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। তারা বলেছে, এই স্বীকৃতি সোমালিয়ার সার্বভৌমত্ব, সংহতি এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতার জন্য গুরুতর আঘাত। একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সোমালিয়ার প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় উল্লেখ করেছে, তাদের সংবিধান, জাতিসংঘের চুক্তি এবং আফ্রিকান ইউনিয়নের আদর্শ অনুযায়ী সোমালিল্যান্ডের স্বীকৃতি অপ্রত্যাহারযোগ্য ও অ-আলোচনীয়। তারা আরও বলেছে, এই বেআইনি স্বীকৃতি তাদের দেশের উত্তরাঞ্চলের স্বাধিকার ও সার্বভৌমত্বের উপর আঘাত হেনেছে। জানানো হয়েছে, সোমালিল্যান্ডকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার জন্য একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর দপ্তর জানিয়েছে, আজ (শুক্রবার) সোমালিল্যান্ডকে এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। এটি ছিল ইসরায়েলের দ্বারা প্রথমবারের মতো কোনো স্বাধীন প্রজাতিকে স্বীকৃতি দেওয়া। এই সিদ্ধান্তটি সমাজে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে, বিশেষ করে সোমালিয়ার প্রেসিডেন্ট আবদিরাহমান মোহাম্মদ আবদুল্লাহি এটিকে একটি ‘কৌশলগত অংশীদারিত্বের’ সূচনা হিসেবে স্বাগত জানিয়েছেন। এক্সে তিনি বলেছেন, এটি একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। আমরা ইসরায়েলে স্বীকৃতি দেওয়ার এই সিদ্ধান্তের জন্য আন্তরিকতা নিয়ে স্বাগত জানাই এবং সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য প্রস্তুত। ১৯৯১ সালে স্বাধীনতা ঘোষণা করা সোমালিল্যান্ড দীর্ঘদিন আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়ার জন্য সংগ্রাম করে আসছে। গত বছর নতুন দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে প্রেসিডেন্ট আবদুল্লাহির অন্যতম অগ্রাধিকার ছিল এই লক্ষ্য। অন্যদিকে, ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদেওন সার জানান, দুই দেশ সম্পূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনে একমত হয়েছে, যার মধ্যে রাষ্ট্রদূত নিয়োগ ও দূতাবাস প্রতিষ্ঠা অন্তর্ভুক্ত। তিনি আরও বলেছেন, সম্পর্কের নানা দিক প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে দ্রুত কাজ শুরু করা হবে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নেতানিয়াহু সোমালিল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আবদুল্লাহিকে ইসরায়েল সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন, যার জন্য প্রেসিডেন্ট প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তবে সম্প্রতি অবস্থান বিবেচনায়, সোমালিয়ার সরকার ফিলিস্তিনি অধিকারের পক্ষে পক্ষপাতি রইেছে, বলেছে, তারা দখল, কঠোর নাগরিক স্থানচ্যুতি এবং অবৈধ বসতি নির্মাণের নিন্দা করে। তারা বিশ্বাস করে, এই স্বীকৃতি কখনোই ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকারকে খর্ব করবে না। পাশাপাশি, তারা সতর্ক করেছে যে, ইসরায়েলের এই পদক্ষেপ ঘনিভূত সংঘাতের পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে রাজনৈতিক তীব্রতা বাড়িয়ে আঞ্চলিক অশান্তি প্রসারে সক্ষম।
-

প্রশংসায় ভাসছেন কাবার নিরাপত্তারক্ষী রায়ান
সৌদি আরবের পবিত্র শহর মক্কায় কাবা শরীফের সংলগ্ন মসজিদে এক যুবক আত্মহত্যার চেষ্টাকালে তাকে রক্ষা করে প্রশংসিত হয়েছেন নিরাপত্তা কর্মী রায়ান বিন সাঈদ বিন ইয়াহিয়া আল-আহমেদ। গত বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) মসজিদের ভেতরে এক ব্যক্তি আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। তখন দায়িত্বে থাকা রায়ান মুহূর্তের মধ্যে যুবকটিকে লাফিয়ে নামতে দেখে তাকে ধরতে ছুটে যান। ওই সময়ই তিনি নিজেও আহত হন। পরে সেই যুবককে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে নেওয়া হয়। এই ঘটনায় প্রশংসা পেয়েছেন রায়ান, যা দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স আব্দুলআজিজ বিন সউদ বিন নাঈফ শুক্রবার হাসপাতালে এসে তাকে সাক্ষাৎ করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে, যুবকটি লাফ দেওয়ার সময় রায়ান দ্রুত তাকে ধরে ফেলেছেন। যদি তিনি তা না করতেন, হয়তো ওই ব্যক্তি নিহত হতে পারতেন। আপাতত তার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়নি। তবে এই ঘটনা দেশের সব স্তরে ব্যাপক প্রশংসা পেয়েছে। কর্তৃপক্ষ এই বিষয়ে কোনও বিশদ তথ্য প্রকাশ না করলেও, জানা গেছে যে, বেশিরভাগ সময় কাবা শয়তানের তৎপরতা ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা থেকে নিরাপদ রাখতে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ২০১৭ সালে এক সৌদি নাগরিক কাবায় নিজের শরীরে আগুন লাগিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু নিরাপত্তাবাহিনী তা ঠেকিয়েছিল। তবে এর আগে ২০১৮ সালে তিনজন কাবা চত্বরে আত্মহত্যা করেছিলেন এবং ২০২৪ সালে আবার একজন নিজেকে শেষ করে দিয়েছেন। এই ঘটনার পরও, কাবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার থাকছে, যাতে পবিত্র স্থানটি নিরাপদ থাকে।
-

দ্বিতীয় যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার সীমান্তে লড়াই বন্ধ
থাইল্যান্ড এবং কম্বোডিয়া সীমান্তে চলমান ২০ দিন ধরে তীব্র সংঘাতের পর তারা শেষমেশ দ্বিতীয়বারের মতো যুদ্ধবিরতি চুক্তি করে। এর ফলে দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘ দিন ধরে চলা এই লড়াই স্থগিত হয়েছে। শনিবার, চানথাবুড়ি প্রদেশের সীমান্তে থাইল্যান্ডের প্রতিরক্ষামন্ত্রী নাথাপন নার্কফানিট এবং কম্বোডিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী টি সেইহা এই গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। আড়ম্বরপূর্ণ এই অনুষ্ঠানে দুই দেশ এক যৌথ বিবৃতিতে জানায়, তখন থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকবে। দুই মন্ত্রী বলেন, “উভয় পক্ষ অক্ষরে অক্ষরে সম্মত যে, যেখানে সেনারা মোতায়েন রয়েছে, সেই অবস্থানে তারা থাকতে থাকবে, আর কোনো অচেনা বা আরও শক্তিশালী অবস্থানে কোনো স্থানান্তর করবে না।” সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কম্বোডিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এই বিবৃতি প্রকাশ করতেই বলেছে, “যেকোনো শক্তি বৃদ্ধির মাধ্যমে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠবে না, বরং দীর্ঘমেয়াদি শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে হবে।” রিপোর্ট অনুযায়ী, এই তিন সপ্তাহের সংঘর্ষে কমপক্ষে ১০১ জন নিহত হয়েছেন এবং পাঁচ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। এটি দুই দেশের মধ্যে সবচেয়ে মারাত্মক সংঘর্ষের একটি, যেখানে বিমান হামলা, রকেট ও ভারী কামানের গোলার ভিস্তার মধ্য দিয়ে উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রিয়ার অ্যাডমিরাল সুরাসান কংসিরি বলেন, “আন্তর্জাতিক সময় অনুযায়ী দুপুরের পর থেকে এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে এবং এখনও গোলাগুলির কোনো খবর পাওয়া যায়নি।” পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকায় তিনি আশায় আ However, earlier, কম্বোডিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, ভোরে থাই বাহিনী বিমান হামলা চালিয়েছে। তবে যুদ্ধবিরতি কার্যকরের পর থেকে আর কোনও সংঘর্ষের খবর আসেনি। এর আগে, চলতি বছর জুলাই মাসে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের মধ্যস্ততায় একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি হয়েছিল। তবে ডিসেম্বরের শুরুতে নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হলে সে চুক্তি ভেঙে যায়। বিশ্বস্ত ঐতিহাসিক সূত্র বলছে, এক শতাব্দীরও বেশি আগে ফরাসিরা কম্বোডিয়ার দখল থেকে সরলেও, এরপর থেকে এই দুই প্রতিবেশীর মধ্যে সীমান্তের কিছু অংশ নিয়ে দ্বন্দ্ব চলমান ছিল। দীর্ঘ দিন ধরে এই বিরোধ সশস্ত্র সংঘর্ষে রূপ নেয়। বর্তমানে এই যুদ্ধবিরতিটি ‘আসিয়ান’ পর্যবেক্ষক দলের পাশাপাশি দুই দেশের সরাসরি সমন্বয়ে তদারকি করা হবে। থাই প্রতিরক্ষা মন্ত্রী নাথাপন বলেছেন, “নীতি নির্ধারিত পর্যায়ে সরাসরি যোগাযোগ প্রক্রিয়া চালু থাকবে, যেখানে দুই দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও সেনাবাহিনীর শীর্ষ নেতারা হটলাইন মাধ্যমে সংযোগ রাখবেন।” জুলাইয়ে দুই দেশের মধ্যে পাঁচ দিনের যুদ্ধে ৪৮ জন নিহতের পর, ট্রাম্পের চেষ্টা দিয়ে আবারো সাময়িক বিরতি ঘোষণা করা হয়। তবে ডিসেম্বরের শুরুতে সেই চুক্তি ভেঙে যাওয়ায়, আবার নতুন চুক্তির জন্য আলোচনা চলছিল। কুয়ালালামপুরে আসিয়ান পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক ও তিন দিনের আলোচনা শেষে এই যুদ্ধবিরতি সম্ভব হয়। চুক্তি অনুসারে, যদি পরবর্তী ৭২ ঘণ্টা এই বিরতি বজায় থাকে, তবে জুলাইয়ে আটকে থাকা ১৮ জন কম্বোডীয় সেনাকে ফেরত দেওয়া হবে। থাইল্যান্ডের এয়ার চিফ মার্শাল প্রপাস সর্নজাইদি বলেন, “যুদ্ধ বা সংঘর্ষ যেকোনো দেশের মানুষের জন্যই ক্ষতিকর। আমি অবশ্যই বলতে চাই, থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যক্তিগত কোনো দ্বন্দ্ব নেই বলে আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।”
-

ভারতে বৃদ্ধি পাচ্ছে অসহিষ্ণুতা নিয়ে মুফতি পরিবারের উদ্বেগ
জম্মু-কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতির মেয়ে ইলতিজা মুফতি শুক্রবার বলেছেন, ভারত এখন যেন একধরনের ‘লিঞ্চিস্তান’ হয়ে গেছে। তার দাবি, দেশের মধ্যে অসহিষ্ণুতা আরও বাড়ছে এবং বাংলাদেশে লিঞ্চিং বা পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় যারা সমালোচনা করছেন, তারাও যদি ভারতে এরকম ঘটনাগুলো শুনে থাকেন, তবুও তারা নীরব থাকছেন। অনলাইন টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। উল্লেখ্য, ইংরেজি শব্দ “লিঞ্চিং” মানে পিটিয়ে হত্যা। ইলতিজা ‘এক্স’-এ এক পোস্টে ভারতকে সরাসরি আক্রমণ করে লিখেছেন, ‘না ইন্ডিয়া, না ভারত, না হিন্দুস্তান—তোমার নাম এখন লিঞ্চিস্তান।’ এই পোস্টে তিনি ওড়িশায় ১৯ বছর বয়সি এক বাঙালি মুসলিম শ্রমিক জুয়েল শেখের লিঞ্চিং বা পিটিয়ে হত্যার ঘটনাটির ওপর একটি প্রতিবেদনও শেয়ার করেন, যেখানে তাকে “বাংলাদেশি” বলে আখ্যা দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছিল বলে দাবি করেন।
এমনকি তার মা, দেশটির দল পিডিপির প্রধান ও সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি দেশের বিচারব্যবস্থার প্রতিও তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি অভিযোগ করেন, ভারতের বিচার ব্যবস্থা গভীরভাবে রাজনীতির ঊর্ধ্বে নয় এবং এই কারণে অনেক সময় বিচার কার্যক্রম রাজনৈতিক প্রভাবিত হয়ে থাকে। শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখের হাইকোর্টের সাম্প্রতিক এক রায়ের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।
মেহবুবা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমরা বলছি, দেশে অসহিষ্ণুতা বাড়ছে। লিঞ্চিং হচ্ছে। বাংলাদেশে যা ঘটছে, তার জন্য আমাদের খুবই কষ্ট হয়। তবে যারা এর সমালোচনা করেন, তারা নিজ দেশে এই ধরনের ঘটনার প্রত্যক্ষ সাক্ষী থাকলেও মুখ খুলছেন না। তিনি আরো জানিয়েছেন, গত ৭২ ঘণ্টার মধ্যে হিমাচল, উত্তরাখণ্ড ও হরিয়ানায় কাশ্মিরি শাল ব্যবসায়ীদের উপর হয়রানির তিনটি ঘটনা ঘটেছে। সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত ভিডিওতে দেখা যায়, দক্ষিণপন্থী কর্মীরা তাদের বাধ্য করছেন জোরপূর্বক নির্দিষ্ট স্লোগান দিতে; যদি দিতে অস্বীকৃতি জানায়, তাহলে মারধর করতে শুরু করে।
হাইকোর্টে তার জনস্বার্থ মামলার (পিআইএল) খারিজ হওয়ার প্রসঙ্গে মেহবুবা বলেন, দেশের বিচারব্যবস্থা অনেক ক্ষেত্রে রাজনৈতিক প্রভাবিত। তিনি তার আবেদনে, বেআইনিভাবে, কাশ্মিরি হাজতিদের জম্মু-কাশ্মীরে ফেরত পাঠানোর দাবি করেছিলেন। তবে আদালত সেই আবেদনের চেয়ে এড়িয়ে গিয়ে বলেছে, এটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। মেহবুবা মন্তব্য করেন, আমার চরিত্র নিয়ে মন্তব্য করা আদালত বা বিচারব্যবস্থার দায়িত্ব নয়; একজন রাজনীতিবিদের হিসাবে আমার এটা করার অধিকার আছে।
প্রধান বিচারপতি অরুণ পালি ও বিচারপতি রাসনেশ ওসওয়ালের গঠিত বেঞ্চ মন্তব্য করেন, তার আবেদনের মানদণ্ড পূরণ হয়নি এবং আবেদনটি ‘অপ্রমাণিত ও প্রকৃতপক্ষে রাজনৈতিকভাবে অনুপ্রাণিত’। আদালত আরও বলেন, এই মামলায় তিনি ‘রাজনৈতিক সুবিধা নেওয়ার বা নির্দিষ্ট কোনো জনগোষ্ঠীর পক্ষ নেওয়ার’ জন্য করা হয়েছে। এই রায়ের বিরুদ্ধে হতাশা প্রকাশ করেন মেহবুবা, বলেন, জনগণ যখন সহজেই পিআইএল করত পারছে, তখন একজন রাজনীতিবিদের কেন পারা উচিত নয়। তিনি যোগ করেন, রাজনীতিবিদরা তো মাঠের মানুষের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থাকেন। আমি জানি, গরিব পরিবারের মানুষগুলো কীভাবে কষ্টে কাটাচ্ছে, তাদের জন্য আত্মীয়স্বজনের দেখা হওয়া কত কঠিন, আর বাইরের জেলে থাকা অবস্থায় তারা নিজের মামলা লড়তে কাকে বলে।
-

সৌদি আরবে ভারতীয়দের বহিষ্কার দেশের চেয়েও বেশি, যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় এগিয়ে দেখল সৌদি আরব
গত পাঁচ বছরে সৌদি আরবের মাধ্যমে ভারতীয়দের দেশ থেকে ফেরত পাঠানোর পরিমাণ যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে অনেক বেশি। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) প্রকাশিত এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানানো হয়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কঠোর অভিবাসন নীতির পরোয়া না করলেও সৌদি আরব এই সময়ের মধ্যে অনেক বেশি ভারতীয়কে বহিষ্কার করেছে। এই বহিষ্কারগুলোর পেছনে মূল কারণগুলো হলো ভিসার মেয়াদ অতিক্রম করে থাকা (ভিসা ওভারস্টে), শ্রম আইন লঙ্ঘন, কাজের অনুমতি না নেওয়া, কাজের সময়সীমা শেষ হয়ে গেলে বা অননুমোদিতভাবে থাকা, পাশাপাশি বিভিন্ন আইনি মামলায় অভিযোগ থাকা।
ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তিবর্ধন সিং লোকসভায় জানান, মূলত ভিসা বা রেসিডেন্সি কার্ডের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে বা অনুমতি না নিয়ে কাজ করলে, শ্রম আইন লঙ্ঘন, নিয়োগকর্তার নজর এড়িয়ে পালানো এবং ফৌজদারি বা দেওয়ানি মামলার কারণে ভারতীয়দের বহিষ্কার করা হয়।
রিয়াদে অবস্থিত ভারতীয় মিশনের তথ্যমতে, ২০২১ সাল থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত প্রায় একাধিক ভারতীয়কে সৌদি আরব থেকে ফিরে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ২০২১ সালে ৮৮৭৬ জন, ২০২২ সালে ১০২৭৭ জন, ২০২৩ সালে ১১৪৮৬ জন, ২০২৪ সালে ৯০৬ জন এবং এ বছর এখন পর্যন্ত ৭১৯ জনকে দেশে ফেরত আনা হয়েছে।
অন্যদিকে, অভিবাসনে কঠোর নিয়ম থাকলেও সৌদি আরবের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে পাঠানো ভারতীয়দের সংখ্যা অনেক কম।
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসি-মিশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে সেখানে প্রায় ৩৪১৪ ভারতীয়কে ফেরত পাঠানো হয়েছে। যদিও এটি গত বছরের চেয়ে বেশি হলেও, এই সংখ্যাটা সৌদি আরবের ফেরত পাঠানো সংখ্যার অর্ধেকেরও কম। যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য বড় শহর যেমন হিউস্টন (২৩৪ জন), সান ফ্রান্সিসকো, নিউইয়র্ক ও শিকাগোতেও এই ফেরত পাঠানোর সংখ্যা দুই বা তিন অঙ্কের মধ্যে সীমাবদ্ধ।
-

ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের লক্ষ্যেই ভোটাররা দাঁড়িপাল্লার পক্ষে রায় দেবে : আজাদ
জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদ সদস্য, খুলনা অঞ্চল সাধারণ সম্পাদক এবং খুলনা-৬ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য প্রার্থী মাওলানা আবুল কালাম আজাদ বলেন, দেশের মানুষের ন্যায্য অধিকার ফিরে পেতে এবং সমাজে নীতি ও আদর্শভিত্তিক নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জামায়াতে ইসলামি কাজ করছে। তিনি আরও বলেন, আমরা চাই একটি শান্তিপূর্ণ, সমৃদ্ধ এবং ইসলামী মূল্যবোধে ধ্রুবতুর সমাজ গঠন হোক। এলাকার সার্বিক উন্নয়ন, সুশাসন এবং ইসলাম ভিক্তিক সমাজ গঠনে জামায়াতের ভূমিকা তুলে ধরে তিনি বলেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটাররা ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ও একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের জন্য এই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। এই আসনে তারা দাঁড়িপাল্লার পক্ষেই রায় দেবেন। শনিবার সকালে কোরারার কয়রা বালিকা বিদ্যালয় মাঠে কয়রা পল্লী চিকিৎসক সমিতির সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। এই সভায় সভাপতিত্ব করেন কয়রা পল্লী চিকিৎসক সমিতির সভাপতি সোহরাব হোসেন এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক। বক্তৃতা দেন উপজেলা আমীর মাওলানা মিজানুর রহমান, নায়েবে আমীর মাওলানা রফিকুল ইসলাম, সেক্রেটারি মাওলানা শেখ সাইফুল্লাহ, সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা সুজা উদ্দিন, সমিতির উপদেষ্টা লুৎফর রহমান, সুন্দরবন নার্সিং হোমের পরিচালক কামরুজ্জামান টুকু, সহকারী সেক্রেটারি কামরাজ্জামান ও আমিনুর রহমানসহ অন্যান্যরা।
-

আমি একজন সমাজসেবক হিসেবে আপনাদের পাশে থাকতে চাই: আজিজুল বারী হেলাল
বিএনপি’র তথ্য বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৪ আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন, বিএনপি সব সময় মানুষের কল্যাণে রাজনীতি করে। আমাদের মূল লক্ষ্য মানবসেবা এবং সমাজের সব শ্রেণির মানুষের পাশে দাড়ানো। তিনি আরও বলেন, রূপসা পাড়ের এই অঞ্চলের সকল সম্প্রদায়ের মানুষ আমরা একসাথে মিলেমিশে বাস করি। যদিও রাজনৈতিক মতভেদ থাকতে পারে, তবে আমরা সবাই একই এলাকার সন্তান। আমি এখানে রাজনীতি করার জন্য আসিনি, বরং একজন সমাজসেবক হিসেবে আপনাদের পাশে থাকতেই চাই।
