Blog

  • আটটি দল জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করতে

    আটটি দল জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করতে

    দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বাংলাদেশের জামায়াতে ইসলামি সহ মোট আটটি সমমনা রাজনৈতিক দল। এই সভা অনুষ্ঠিত হবে রোববার, ২৮ ডিসেম্বর, বিকাল সাড়ে ৪টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের তৃতীয় তলায় অবস্থিত আবদুস সালাম হলে। সংবাদ সম্মেলনের আয়োজনের বিষয়ে জানিয়েছেন জামায়াতের সহকারী মহাসচিব ও কেন্দ্রীয় মিডিয়া ও প্রচার বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, নানা লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ও আন্দোলনরত দলের পক্ষ থেকে এই জরুরি সংবাদ সম্মেলন আহ্বান করা হয়েছে। এই সভায় দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও ভবিষ্যৎ কর্মসূচি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে বলে জানা গেছে।

  • প্রথমবারের মতো গুলশানে তারেক রহমানের প্রবেশ

    প্রথমবারের মতো গুলশানে তারেক রহমানের প্রবেশ

    ২০০৮ সালের সংসদ নির্বাচনের আগে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়। সেই সময়ে কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর তিনি দীর্ঘকাল যুক্তরাজ্যে নির্বাসিত ছিলেন, এজন্য তারেক রহমান গুলশানের কার্যালয়ে কোনোদিন যাননি। তবে ১৭ বছর পর ২৫ ডিসেম্বর তিনি দেশে ফেরেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে। এর মাত্র তিন দিন পরে, তিনি গুলশানের বিএনপি কার্যালয়ে উপস্থিত হন।

    গত রোববার (২৮ ডিসেম্বর) দুপুরে তারেক রহমান গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে যান, যা অনুসারে বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান নিশ্চিত করেছেন।

    দুপুর ২টার পর, গুলশানের এই কার্যালয়ে গেলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা তারেক রহমানকে উষ্ণ শুভেচ্ছা ও স্বাগত জানান।

    প্রায় ১৭ বছর পর গত বৃহস্পতিবার তিনি দেশে ফিরেছেন। তার ফিরে আসার দিন, দলের পক্ষ থেকে রাজধানীর ৩শ’ ফিট এলাকার মধ্যে ব্যাপক সংবর্ধনা দেয়া হয়।

    দেশে ফেরার পর, তারেক রহমান এভারকেয়ার হাসপাতালে দুই দফায় অসুস্থ তার মা’কে দেখতে যান। এর পাশাপাশি, তিনি প্রয়াত বাবা জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করেন, জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এছাড়াও তিনি ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকো, শহীদ শরিফ ওসমান হাদির কবর, শ্বশুরের কবর ও পিলখানা ট্রাজেডিতে শহীদ ৫৭ সেনা কর্মকর্তার কবর জিয়ারত করেন। তদ্ব্যতীত, তিনি ধানমন্ডিতে শ্বশুরের বাসাতেও যান।

  • তারেক রহমান office কার্যক্রম শুরু করলেন

    তারেক রহমান office কার্যক্রম শুরু করলেন

    দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন শেষে দেশে ফিরেই তারেক রহমান তৃতীয় দিনেই তার রাজনৈতিক কার্যালয় দিয়ে অফিস কার্যক্রম শুরু করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। রোববার (২৮ ডিসেম্বর) দুপুরে তিনি গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এসে নতুন নির্মিত চেম্বারে বসেন। এদিন বেলা ১টা ৪৮ মিনিটে গুলশান অ্যাভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাড়ি থেকে তিনি পৌঁছান চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে। অফিসে প্রবেশের পর বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা—খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সেলিমা রহমান ফুল দিয়ে তাকে স্বাগত জানান। সবাই সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের পরে তিনি কার্যালয়ের দ্বিতীয় তলায় প্রস্তুত বিশেষ চেম্বারে গিয়ে দাপ্তরিক কাজ শুরু করেন। বিএনপি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের এক সূত্র জানায়, এটি দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের প্রথম অফিস হিসেবে চিহ্নিত। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন– দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল, উপদেষ্টা মাহাদী আমিনসহ আরও অনেকে। এছাড়া বগুড়া জেলা বিএনপির নেতারাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। জানা গেছে, শুধু গুলশানের কার্যালয়ই নয়, নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়েও তার জন্য একটি আলাদা চেম্বার প্রস্তুত করা হয়েছে। পাশাপাশি, গুলশানে একটি পৃথক বাসা ভাড়া নেওয়া হয়েছে, যেখানে আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালিত হবে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য এই নির্বাচনে তারেক রহমান ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে তারেক রহমানই দেশের প্রধানমন্ত্রীর পদে আসীন হবেন। গত বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) ঢাকায় ফিরেই ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি। প্রথম দিন সংবর্ধনা ও বক্তৃতার পর তিনি এভারকেয়ার হাসপাতাল গিয়ে মা খালেদা জিয়াকে দেখেন। শুক্রবার তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে যান, শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। শনিবার তিনি কাজী নজরুল ইসলাম মাজার ও পিলখানা ট্র্যাজেডিতে নিহত সেনা কর্মকর্তা ও নিহতদের কবর জিয়ারত করেন। একই দিন তিনি আগারগাঁওয়ে নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে গিয়ে ভোটার হওয়ার আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন।

  • প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী শপথ গ্রহণ করলেন

    প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী শপথ গ্রহণ করলেন

    দেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। রোববার (২৮ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় বঙ্গভবনে জাতির পক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নতুন প্রধান বিচারপতিকে এই শপথবাক্য পাঠ করান। এর আগে, গত ২৩ ডিসেম্বর, রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে আইন সচিব लিয়াকত আলী মোল্লা স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, সংবিধানের ৯৫(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতার ভিত্তিতে রাষ্ট্রপতি দেশের নতুন প্রধান বিচারপতি হিসাবে বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীকে নিয়োগ দিয়েছেন। এই নিয়োগ তার শপথ নেওয়ার তারিখ থেকে কার্যকর হবে। তিনি ১৯৮৫ সালে জজ কোর্টে যোগ দেন এবং ১৯৮৭ সালে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ২০০৩ সালের ২৭ আগস্ট তিনি অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে হাইকোর্টে নিয়োগ পান, এবং দুই বছর পরে হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে পদোন্নতি পান। ২০২৪ সালের ১২ আগস্ট তিনি আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে যোগদান করেন। জুবায়ের রহমান চৌধুরী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি (সম্মান) ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন এবং পরে যুক্তরাজ্যে বৈশ্বিকে আন্তর্জাতিক আইন বিষয়ে আরও শিক্ষাগ্রহণ করেন।

  • আয়কর রিটার্ন জমার সময় এক মাস বাড়লো

    আয়কর রিটার্ন জমার সময় এক মাস বাড়লো

    জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এটি ঘোষণা করেছে যে, ব্যক্তি শ্রেণির করদাতাদের জন্য আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় আরেকটি মাসের জন্য বাড়ানো হয়েছে। ফলে, করদাতারা আগামী ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত ২০২৫-২৬ করবর্ষের আয়কর রিটার্ন জমা দিতে পারবেন। আস originally, রিটার্ন দাখিলের শেষ দিন ছিল ৩০ নভেম্বর, পরে সেটা ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়। রোববার (২৮ ডিসেম্বর) এনবিআরের সচিব মো. একরামুল হক স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ সময় বাড়ানোর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, সাধারণত ৩০ নভেম্বর রিটার্ন দাখিলের শেষ দিন থাকলেও, এই বছর অনলাইনে আয়কর জমা বাধ্যতামূলক হওয়ায় সময় বাড়ানো জরুরি হয়ে পড়ে। প্রথমে সময় বাড়িয়ে ৩১ ডিসেম্বর করা হয়। তবে বর্তমানে পরিস্থিতি ও করদাতাদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে এই সময় আরও এক মাস বাড়ানো হয়েছে।

    এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান জানান, অনলাইনে রিটার্ন দাখিলের এ সিদ্ধান্ত একটি রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত এবং জনগণের সুবিধার্থে সময় বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনা করা হয়েছে। এই আইনের আওতায় এবার থেকে অনলাইনে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক হয়েছে। তবে ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী, শারীরিকভাবে অক্ষম, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ব্যক্তি, বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি বা মৃত করদাতার পক্ষে আইনগত প্রতিনিধির মাধ্যমে রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে কিছু শর্ত শিথিল থাকবে। এছাড়া এই সুবিধা তারা চাইলে ই-রিটার্নও দিতে পারবেন।

    করদাতাদের সুবিধার জন্য, তারাও তার প্রতিনিধির মাধ্যমে অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন। পাশাপাশি, বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিরাও পাসপোর্ট নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, ইমেইল ইত্যাদি তথ্য দিয়ে অনলাইনে রিটার্ন দাখিলের সুযোগ পাচ্ছেন। এখন কোনো নথি বা দলিল আপলোডের প্রয়োজন ছাড়া, ব্যাংকিং বা মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে আয়কর পরিশোধ করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে রিটার্নের স্বীকারপত্র পেতে পারেন করদাতারা।

    এছাড়া, অন্য কোনও সমস্যায় সহায়তার জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ড একটি কল সেন্টার চালু করেছে। করদাতারা এই কল সেন্টারে গিয়ে বা সারাদেশের ই-রিটার্ন হেল্প-ডেস্ক থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা পাচ্ছেন।

    বর্তমানে, এই অর্থবছরের জন্য, শনিবার পর্যন্ত মোট ২৮ লাখ ৮৫ হাজার করদাতা রিটার্ন দাখিল করেছেন।

  • হাদি হত্যা: হামলাকারীর ২ সহযোগী ভারতের মেঘালয়ে গ্রেফতার

    হাদি হত্যা: হামলাকারীর ২ সহযোগী ভারতের মেঘালয়ে গ্রেফতার

    ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) জানিয়েছে, ভারতের মেঘালয় পুলিশের মাধ্যমে হাদি হত্যা মামলার দুই সন্দেহভাজন সহযোগীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই খবর রোববার (২৮ ডিসেম্বর) একটি বিশেষ সংবাদ সম্মেলনে প্রকাশ করা হয়, যেখানে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন্স) এস এন মো. নজরুল ইসলাম।

    তিনি জানিয়েছেন, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদির হত্যায় জড়িত মূল অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর শেখকে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় সহযোগিতা করেছিলেন বলে অভিযোগ, এবং তাদের ভারতের মেঘালয়ের পুলিশ গ্রেফতার করেছে। এই দুইজনের নাম হলো পুর্তি ও সামী।

    ২০১৩ সালের ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর বিজয়নগর এলাকার বক্স কালভার্ট রোডে মোটরসাইকেলে আসা দু’জন সন্ত্রাসীর গুলিতে গুরুতর আহত হন ওসমান হাদি। গুলিবর্ষণের ফলে তার মাথায় গুলি লাগে। তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে initially ভর্তি করা হয়, তবে অবস্থার অবনতি দেখে পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সেখানেই ১৮ ডিসেম্বর রাতে তার মৃত্যু ঘটে।

    এ ঘটনায় পল্টন থানায় একটি মামলা দায়ের হয়, যার প্রধান আসামি হিসেবে শ্যুটার ফয়সালকে গ্রেফতার করা হয়। তবে মূল অভিযুক্ত ফয়সাল ও তার সহযোগীদের এখনো ধরতে পারেনি পুলিশ। অনুমান করা হচ্ছে, তারা ভারতে পালিয়ে গেছে। অবশেষে আজ গোপন তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে তাদেরকে গ্রেফতার করে মেঘালয় পুলিশ।

    অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার জানান, হাদির হত্যাকাণ্ড পরিকল্পনা অনুযায়ী ছিল। ঘটনার পর ফয়সাল ও আলমগীর ঢাকা থেকে সিএনজিতে করে বেড়াতে বের হয়। এরপর তারা আমিনবাজার, কালামপুর এবং ময়মনসিংহ সীমান্তের দিকে যান। সেখানে ফিলিপ স্নাল ও সঞ্জয় নামের ব্যক্তির মাধ্যমে তাদের ভারতের মেঘালয়ে আনা হয়।

    পুলিশের সূত্রে জানা গেছে, ভারতে পৌঁছানোর পর ফিলিপ এই দুজনকে তুরা নামে এক স্থানে পৌঁছে দেন, যেখানে তাদের হাতে তুলে দেন ভারতের নাগরিক পুর্তি। পরে সামী নামে আরও একজনের গাড়িতে করে তারা পালিয়ে যায়। এই সম্পত্তি ও মাধ্যমে তারা অবৈধভাবে সীমান্ত পাড়ি দেয়।

    এখন পর্যন্ত ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তাদের মধ্যে ছ’জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন এবং চারজন সাক্ষ্য দিয়েছেন। এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রক্রিয়া এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে, এবং আগামী ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে অভিযোগপত্র দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

    ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের মূল কারণ পিছনে যারা রয়েছেন, তাদের নাম-ঠিকানা উন্মোচনের জন্য কাজ চলমান। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) রাতে শাহবাগে ইনকিলাব মঞ্চের কর্মসূচিতে তিনি বলেন, এটি একটি রহস্যজনক হত্যাকাণ্ড, যার পেছনে বহু লোক জড়িত থাকতে পারে। তিনি আরও বলেন, আপাতত ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং শিগগিরই মূল হত্যাকাণ্ডের মূল দায়িদের পরিচয় ও অবস্থান নিশ্চিত করা হবে।

  • হাদি হত্যা: শ্যুটার ফয়সাল ও আলমগীর ভারতে পালানোর বিস্তারিত route

    হাদি হত্যা: শ্যুটার ফয়সাল ও আলমগীর ভারতে পালানোর বিস্তারিত route

    ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বলেছেন, হাদির হত্যাকাণ্ডের রাতের ঘটনা পরই ময়মনসিংহের সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়ে যায় শ্যুটার ফয়সাল ও আলমগীর। পুলিশের অনুসন্ধানে জানা গেছে, ঘটনাস্থলে উপস্থিত সূত্র, সিসিটিভি ফুটেজ এবং আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় ঘটনার দিনই তাদের শনাক্ত করা হয়। তদন্তে প্রাথমিক তথ্যে প্রকাশ পেয়েছে, ফয়সাল করিম মাসুদ দাউদ ওরফে রাহুল এবং তার সহযোগী মোটরসাইকেল চালক মো. আলমগীর শেখ কীভাবে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে চলে যান। তারা প্রথমে ঢাকার মিন্টো রোডে ঢাকা মহানগর পুলিশের মিডিয়া সেন্টারে উপস্থিত হয়, এরপর সাভার, হেমায়েতপুর, আগারগাঁও ও নরসিংদী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে। তবে, তারা তদন্তে বলেছে, নাটকীয় এই হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা তারা আগেই করেছিল। এর অংশ হিসেবে, ডিএমপির বিশেষ দল ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটের সীমান্তবর্তী এলাকা পর্যন্ত অনুসন্ধান চালিয়েছে। ঘটনার মূল masterminds ও পালানোর সহায়তাকারীদের ধরতে পুলিশ কাজ করছে, যার মধ্যে মোট ১১ জনকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ফয়সালের বাবা হুমায়ুন কবির, মা হাসি বেগম, স্ত্রী শাহেদা পারভীন সামিয়া, শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ শিপু, বন্ধু মারিয়া আক্তার লিমা, মো. কবির নুরুজ্জামান নোমানিয়া, সিবিয়ন দিও, সঞ্জয় চিসি, মো. আমিনুল ইসলাম রাজু, আব্দুল মান্নান এবং আলমগীরের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিমন রয়েছেন। তারা ছাড়াও, হত্যার জন্য ব্যবহৃত দুই বিদেশি পিস্তল, ৫২ রাউন্ড গুলি, ম্যাগজিন, ছুরি, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল এবং ভুয়া নম্বর প্লেটসহ বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্তের অংশ হিসেবে জানা গেছে, এই খুনের পরিকল্পনা তারা ঢাকার বিভিন্ন স্থান থেকে শুরু করে মানিকগঞ্জের কালামপুর, ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে পৌঁছানোর পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী করে। ধরা পড়ার আগে তারা সীমান্ত পেরিয়ে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে পৌঁছে যায় এবং স্থানীয় সহযোগীদের মাধ্যমে ভারতে তাদের হস্তান্তর সম্পন্ন করা হয়। পুলিশ কর্মকর্তারা সন্দেহ প্রকাশ করেছেন, অভিযুক্তরা অবৈধ পথে সীমান্ত পেরিয়ে গেছে। এখন পর্যন্ত ছয়জন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন এবং চারজন সাক্ষ্য দিয়েছেন ১৬৪ ধারায়। পুলিশ বলছে, পুরো তদন্ত চলছে এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

  • বগুড়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে মা-ছেলে নিহত

    বগুড়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে মা-ছেলে নিহত

    বগুড়ার সোনাতলায় ট্রেনে কাটা পড়ে মা-ছেলে নিহত হয়েছেন। এ সময় তাদেরকে উদ্ধার করতে গিয়ে আরও একজন আহত হয়েছেন। এই হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনা ঘটেছে রোববার (২৮ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সোনাতলা রেল স্টেশনের অদূরে ছয়ঘড়িয়াপাড়ায়।

    সোনাতলা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শরিফুল ইসলাম জানান, নিহতরা হলো রনি বেগম (৩০) এবং তার ছেলে ইয়াসিন আরাফাত (১০)। তারা দুজনই পার্শ্ববর্তী Gobindganj উপজেলার দৌহাইল গ্রামের বাসিন্দা।

    প্রত্যক্ষদর্শীদের ধারনা মতে, রনি বেগম তার ছেলেকে নিয়ে সোনাতলা বাজারে কোচিং সেন্টারে যাচ্ছিলেন। রেললাইনের পাশে হাঁটার সময় লালমনিরহাটের দিকে যাওয়া পদ্মরাগ ট্রেন দেখতে পেরে রনি অঝোরে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দেওয়ার চেষ্টা করেন। সঙ্গে সঙ্গে তার ছেলে ইয়াসিন আরাফাত মা’কে উদ্ধার করতে এগিয়ে এলে তারা দুজনেই ট্রেনের নিচে কাটা পড়েন।

    ঘটনাকে দেখে পথচারী তাজুল ইসলাম (৬৫) তাদের উদ্ধার করতে গেলে তিনিও ট্রেনের ধাক্কায় আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করেন।

    পুলিশ জানিয়েছে, নিহত রনি বেগম মানসিক রোগী ছিলেন, এবং এর আগে বাড়িতে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন। পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানা গেছে, ওই নারীর মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি ছিল।

    সোনাতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন জানান, মৃতদেহগুলো উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে, এবং পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। রেলওয়ে পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেবে।

  • হাদিকে নিয়ে পোস্ট, চমক ও মামুনকে হত্যার হুমকি

    হাদিকে নিয়ে পোস্ট, চমক ও মামুনকে হত্যার হুমকি

    সম্প্রতি ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফুল ওসমান বিন হাদি ওপর হামলার ঘটনায় দেশ জুড়ে কঠোর ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে। হামলার ঘটনায় গুরুতর আহত হন হাদির মানসিক ও শারীরিক সুস্থতার জন্য উদ্বিগ্ন সাধারণ মানুষ এবং শোবিজ অঙ্গনের তারকারা, যারা শান্তিপূর্ণ বিচারের জন্য সবার সহযোগিতা চান।

    অপরদিকে, হাদিকে নিয়ে একটি পোস্টের পর চলচ্চিত্র নির্মাতা অনন্য মামুন, নাট্য নির্মাতা মাবরুর রশীদ বান্নাহ এবং ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমককে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। এই হুমকির সঙ্গে তাঁদের ফোন নম্বর ও লোকেশনের ট্র্যাকিংয়ের তথ্যও প্রকাশ করা হয়েছে।

    নির্মাতা অনন্য মামুন সামাজিক মাধ্যমে জানান, ‘হাদিকে নিয়ে স্ট্যাটাস দেওয়ার পর থেকে আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। তারা জানে না, হাদি আমার কাছে একটি প্রেমের নাম। আমি মৃত্যুকে ভয় করি না। পৃথিবীতে আসার দিন থেকেই আল্লাহতালা আমার মৃত্যুর নির্ধারিত দিন রেখেছেন।’

    এমন হুমকি দেয়া হয়েছে ডাল্টন সৌভাতো হীরা নামে এক ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে। আগে এহতো হাদিকেও একই অ্যাকাউন্ট থেকে হুমকি পাঠানো হয়েছিল।

    অনন্য মামুনের ব্যাপারে লেখা হয়, ‘এ বাটপারের নাম উল্লেখ করতেও ভুলে গিয়েছিলাম। অনন্য মামুন – দ্য পিম্প। ওই ব্যক্তিকে শুভকামনা জানাই, যেন শান্তিতে থাকে। আর তার সিনেমা কেউ প্রডিউস করলে সেটা তাদের নিজের দায়িত্বে করতে হবে।’

    বান্না ও চমককে কাজে না ডাকার বিষয়ে হুমকি দেয়া ব্যক্তিরা লিখেছেন, ‘মাবরুর রশীদ বান্না ও রুকাইয়া জাহান চমক, বঙ্গবন্ধুর ৩২ ভাঙার পর যারা দুর্ব্যবহার ও উল্লাস করেছিল, যদি কেউ মিডিয়ায় তাদের কাজে ডাকার চেষ্টা করে—তাহলে সেটি তাদের নিজের দায়, কারণ তাদের জন্য কোনো নিরাপত্তা দেওয়া হবে না।’

    এছাড়া, চমক ও বান্নাহর লোকেশন ট্র্যাকিং শেষ পর্যন্ত সম্পন্ন হবে বলে জানানো হয়েছে, ‘আমাদের আই টি টিম এই দুইজনের যাবতীয় এক্সেস ট্রেস করবে। সেটার তথ্য আমাদের সংগ্রহ হবে, এবং এর মাধ্যমে তাদের প্রয়োজনীয় পরিষ্কার বোঝানো হবে।’

  • অভিনেত্রীর সঙ্গে ভিড়ের মধ্যে হেনস্তার ঘটনা

    অভিনেত্রীর সঙ্গে ভিড়ের মধ্যে হেনস্তার ঘটনা

    অনুরাগীরা প্রায়ই তাদের প্রিয় তারকদের সঙ্গে ছবি তোলার জন্য উৎসুক থাকেন। অনেক সময় তারা ফ্রেমে বন্দি হয়ে ওঠার জন্য অভিনেতাদের স্পর্শও করেন। তবে কিছু সীমা অতিক্রমের ঘটনা ঘটছে সম্প্রতি। এমনই এক অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে দক্ষিণী অভিনেত্রী নিধি আগরওয়ালের সঙ্গে।

    ঘটনাটি ঘটে গতকাল বুধবার রাতে, যখন দক্ষিণী সুপারস্টার প্রভাস ও নিধির নতুন সিনেমা ‘রাজা সাব’-এর গানের লঞ্চের ইভেন্ট শেষে তারা বাইরো হতে যাচ্ছিলেন। সেই সময় ভক্তদের এক অপ্রত্যাশিত ভিড় জমান। যারা নিশ্চিতভাবে নিরাপত্তার বাধা অমান্য করে, একদিকে পথ আটকিয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন, অন্যদিকে পেছন থেকে ধাক্কা দেওয়া হয়। সবচেয়ে ঘৃণাজনক ছিল, কেউ কেউ নিধির গায়ে থাকা ওড়না ধরে টান টান করে ধাক্কা দিচ্ছিলেন।

    ভিড়ের কারণে অভিনেত্রীকে বেশ কষ্টে পড়ে বাইরে আসতে হয়। এ সময় নিধির নিরাপত্তা ভেঙে পড়ার ঘটনায় অনেক নেটিজেন ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তারা কমেন্টে বলেছেন, এই ধরনের অশোভন আচরণ অনেকটাই হায়নার মতো। বিশেষ করে পুরুষদের থেকে এমন আচরণ খুবই নিন্দনীয়। একজন লিখেছেন, ‘মানুষের এই দল এতটাই অপরিপক্ব হয়ে গেছে যে তারা এক মহিলাকে এভাবে হয়রানি করছে। ঈশ্বর তাদের সবাইকে অন্য কোথাও রেখেছেন কি না জানি না।’

    প্রসঙ্গত, তেলুগু সিনেমার জনপ্রিয় এ নায়িকা ‘মুন্না মাইকেল’ ছবির মাধ্যমে বলিউডে আত্মপ্রকাশ করেন। তার বিপরীতে ছিলেন অভিনেতা টাইগার শ্রফ। সর্বশেষ তাকে বড় পর্দায় দেখা গেছে সানি দেওলের সঙ্গে ‘জাট’ সিনেমায়।