Blog

  • সোনার দাম রেকর্ড উচ্চতায়, ভরিতে বেড়েছে ১৫৭৪ টাকা

    সোনার দাম রেকর্ড উচ্চতায়, ভরিতে বেড়েছে ১৫৭৪ টাকা

    দেশের বাজারে গত কয়েক দিনে সোনার দাম আবারও বড় ধরনের অগ্রগতি হয়েছে। বিশেষ করে দেশের সর্বোচ্চ মানের ২২ ক্যারেটের ভরি সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে ১৫৭৪ টাকা, যা এখন দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২৭ হাজার ৮৫৬ টাকায়। এটি এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে সব থেকে উচ্চমূল্য। এই দাম বৃদ্ধির ফলে দেশের সোনার বাজারে নতুন এক রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। রোববার থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে বলে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) থেকে নিশ্চিত করা হয়।

    শনিবার বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের বৈঠকে এই দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। পরে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য কমিটির চেয়ারম্যান ডাঃ দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে তা জানানো হয়।

    এর আগে গত ২৪ ডিসেম্বর সবচেয়ে মানানসই ২২ ক্যারেটের ভরি সোনার দাম বাড়ানো হয় ৪ হাজার ১৯৯ টাকা, যা এখন ২ লাখ ২৬ হাজার ২৮২ টাকায় পৌঁছেছে। এর আগে ২৩ ডিসেম্বর ৩ হাজার ৯৬৬ টাকা, ২২ ডিসেম্বর ১ হাজার ৫০ টাকা, ১৬ ডিসেম্বর ১ হাজার ৪৭০ টাকা, ১৪ ডিসেম্বর ৩ হাজার ৪৪২ টাকা এবং ১২ ডিসেম্বর ১ হাজার ৫০ টাকা করে দাম বৃদ্ধি করা হয়েছিল। এর ফলে, সাম্প্রতিক সময়ে প্রত্যেকবারের মতো এবারও এই দাম বৃদ্ধির ফলে দেশের সোনার বাজারে নতুন এক উচ্চতা তৈরি হয়েছে।

    বর্তমানে, দেশের সব থেকে মানের ২২ ক্যারেটের ভরি সোনার দাম হয়েছে ২ লাখ ২৭ হাজার ৮৫৬ টাকা। কোনোনোভাবেই এই দাম আরও বাড়তে পারে বলে ভবিষ্যতের বাজার পরিস্থিতি প্রত্যাশা করছে। অন্যান্য ক্যারেটের সোনার দামও যথাক্রমে বাড়ানো হয়েছে। ২১ ক্যারেটের ভরি সোনা ১ হাজার ৫১৭ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে এখন ২ লাখ ১৭ হাজার ৫৩৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ভরি ১ হাজার ২৮৩ টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮৬ হাজার ৪৪৯ টাকা। এছাড়াও, সনাতন পদ্ধতির সোনার ভরি দাম বাড়ানো হয়েছে ১ হাজার ১০৮ টাকা, এখন এর মূল্য ১ লাখ ৫৫ হাজার ৪২৩ টাকা।

    উল্লেখ্য, এর আগে ২৪ ডিসেম্বর সর্বোচ্চ মানের সোনার দাম ৪ হাজার ১৯৯ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ২ লাখ ২৬ হাজার ২৮২ টাকায় পৌঁছিয়েছিল। সে সময় অন্যান্য ক্যারেটের দামও যথাক্রমে বৃদ্ধি পেয়েছিল। এই ধারাবাহিক মূল্যবৃদ্ধির ফলে দেশে সোনার বাজারে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে এবং এটি বাজারের অনিশ্চয়তা ও চাহিদার সাক্ষ্য বহন করে।

  • কেন্দ্রীয় ব্যাংক তিন বিলিয়ন ডলার কিনেছে

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক তিন বিলিয়ন ডলার কিনেছে

    চলতি বছরে প্রবাসী আয়ের ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে বাংলাদেশে। এর ফলে ব্যাংকগুলোতে অতিরিক্ত ডলার জমা হতে থাকায় দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরো শক্তিশালী হয়েছে। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ধারাবাহিকভাবে ডলার সংগ্রহ করছে, যাতে বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা ও যোগানের মধ্যে সমন্বয় বজায় থাকে এবং আর্থিক বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় থাকে। শনিবার অনুষ্ঠিত ব্যাংকগুলোর এক বিশেষ অপারেশনে, তিনটি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে মোট ১১ কোটি ডলার সংগ্রহ করা হয়েছে। এই ডলার কেনাকাটা মাল্টিপল প্রাইস অকশন (এমপিএ) পদ্ধতিতে সম্পন্ন হয়েছে, যেখানে ডলার এর বিনিময় মূল্য ছিল প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৩০ পয়সা। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, ডিসেম্বর মাসে একমাত্র এই মাসে তারা ৯২ কোটি ডলার কিনেছে। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত অর্থবছর জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ডলার কেনাকাটা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩ হাজার ৫৬ মিলিয়ন বা ৩.৫ বিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে, ডিসেম্বরের প্রথম ২০ দিনেই দেশে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রায় ২১৭ কোটি ২১ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় সাড়ে ৯ শতাংশ বেশি। সদ্য সমাপ্ত এই অর্থবছরেও রেমিট্যান্সের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে এই সময়ে প্রবাসীরা মোট ১ হাজার ৫২১ কোটি ডলার পাঠিয়েছেন, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ১ হাজার ৩১২ কোটি ডলার, অর্থাৎ প্রবাসী আয়ের প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ১৬ শতাংশ। দেশের অর্থনীতিতে প্রবাসী আয়ের এই বৃদ্ধি ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডলার কিনাকাটার উদ্যোগের পেছনে সরকারের hুন্ডি প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম, প্রণোদনা ও ব্যাংকিং ব্যবস্থার উন্নতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এসব কারণে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এখন স্বস্তিতে আছে। গত নভেম্বর মাসে প্রবাসী বাংলাদেশিরা মোট ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ডলার পাঠিয়েছেন, যার বাংলাদেশি মুদ্রায় মূল্য প্রায় ৩৫ হাজার ২৫২ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকায় হিসাব করে)।

  • পাকিস্তানের প্রথম নারী কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর মারা গেছেন

    পাকিস্তানের প্রথম নারী কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর মারা গেছেন

    পাকিস্তানের ইতিহাসে প্রথম ও একমাত্র নারী কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর শামশাদ আখতার মারা গেছেন। তিনি দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন। এশিয়ার বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করা এই ব্যক্তিত্বের মৃত্যুতে দেশবাসীর শোক প্রকাশ করেন সকলেই।

    শামশাদ আখতার, যিনি নিজে দায়িত্ব পালন করেছেন পাকিস্তান স্টক এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান হিসেবে, তিনি পাকিস্তানের মুদ্রানীতি, রাজস্ব ব্যবস্থাপনা ও পুঁজিবাজারের সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলো পরিচালনা করেছেন। ২০০৬ থেকে ২০০৯ সালের মধ্যে তিনি পাকিস্তান স্টেট ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনের আগে গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থমন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও তার কাঁধে ছিল।

    তিনি একজন পরিচিত অর্থনৈতিক ব্যক্তিত্ব, যিনি সততা, পেশাদারিত্ব ও জনকল্যাণে বিশেষ মনোযোগী ছিলেন। অর্থমন্ত্রীর ভাষায়, শামশাদ আখতার দেশের সবচেয়ে মর্যাদাসম্পন্ন অর্থনৈতিক নেতাদের একজন, যিনি সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন তিনি।

    প্রাথমিকভাবে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শামশাদ আখতার মারা গেছেন বলে জানানো হয়েছে। তার মৃত্যুতে দেশটির অর্থনীতিবিদ, আন্তর্জাতিক অঙ্গনের ব্যক্তিরাও শোক প্রকাশ করছেন।

    বিশ্বব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও জাতিসংঘের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের নির্বাহী সচিবসহ তিনি বেশ কিছু আন্তর্জাতিক দায়িত্ব পালন করেছেন। এর পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন উন্নয়ন ব্যাংকেও কাজ করেছেন।

    শামশাদ আখতার হায়দরাবাদে জন্মগ্রহণ করেন এবং তার পড়াশোনা করাচি ও ইসলামাবাদে সম্পন্ন হয়। তিনি পাকিস্তানে পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়, কায়েদে আজম বিশ্ববিদ্যালয় এবং যুক্তরাজ্যে সাসেক্স বিশ্ববিদ্যালয় ও পেইসলি কলেজে ডিগ্রি অর্জন করেছেন। এই বিশিষ্ট ব্যক্তির মৃত্যুতে পুরো দেশ শোকাহত।

  • পবিত্র কোরআনের আয়াত স্মরণ করে আল্লাহর সাহায্য কামনা করলেন এনসিপি নেত্রী ডা. মিতু

    পবিত্র কোরআনের আয়াত স্মরণ করে আল্লাহর সাহায্য কামনা করলেন এনসিপি নেত্রী ডা. মিতু

    জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নির্বাচনে জোটবদ্ধ হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর থেকেই দলের ভিতরে অস্থিরতা চলছে। শীর্ষ নেতৃত্বের একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা তাসনিম জারাসহ কয়েকজন ইতিমধ্যে দল ত্যাগ করেছেন। কিছু নেতাকর্মী জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটে যোগ দেওয়ার বিরোধিতা করলেও, চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে আসতে পারছেন না। এই পরিস্থিতিতে, ডা. মাহমুদা মিতু, এনসিপির যুগ্ম-মুখ্য সংগঠক, পবিত্র কোরআনের আয়াত স্মরণ করে মহান আল্লাহর সাহায্য ও guidance চেয়েছেন। রোববার তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে লিখেন, “নিশ্চয়ই আমার রব আমার সাথে আছেন। তিনি আমাকে পথ দেখাবেন।” এই উক্তি হলো সূরা আশ-শু’আরা’র ৬২ নম্বর আয়াতের একটি অংশ, যেখানে হজরত মুসা (আ.) ফিরাউনের সাথে যুদ্ধের প্রস্তুতি নেওয়ার সময় বলেছিলেন, যখন তার সম্প্রদায় ভয় পেয়েছিল। এটি আল্লাহর প্রতি অটল বিশ্বাস ও ভরসার প্রতীক, যা যে কোনও কঠিন পরিস্থিতিতে পথ দেখানোর আশ্বাস দেয়।

  • নওগাঁ-৫ আসনের নির্বাচনে সরে দাঁড়ালেন এনসিপি নেত্রী মনিরা শারমিন

    নওগাঁ-৫ আসনের নির্বাচনে সরে দাঁড়ালেন এনসিপি নেত্রী মনিরা শারমিন

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন নওগাঁ-৫ আসনের জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী মনিরা শারমিন। 그러나 তিনি রোববার সন্ধ্যায় তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে পোস্ট করে জানিয়ে দিলেন, তিনি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন না। নির্বাচনের জন্য নির্বাচনী মনোনয়ন ১০ ডিসেম্বর নওগাঁ-৫ (সদর) আসনে কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম-আহবায়ক মনিরা শারমিনকে দেওয়া হয়েছিল। তবে সম্প্রতি তিনি তাঁর ফেসবুক দর্শকদের কাছে প্রকাশ করেন, দলীয় পরিবর্তনের কারণে তিনি নির্বাচন থেকে নিজেকে সরিয়ে নিচ্ছেন। তিনি লিখেছেন, ‘নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের আকাক্সক্ষায় গড়া দল জাতীয় নাগরিক পার্টি গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী একমাত্র মধ্যপন্থি রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে পরিচিত। আগে আমি বিশ্বাস করেছিলাম, এই দল থেকে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে আমি নওগাঁ-৫ থেকে মনোনীত হতে পারব। তবে পোস্টের মাধ্যমে তিনি জানিয়ে দেন, দলের সঙ্গে জেএমএফের ৩০ আসনের সমঝোতা এবং নির্বাচনী সিদ্ধান্তে তিনি অসন্তুষ্ট। তিনি বলেন, যেহেতু এখন দলের অবস্থান পরিবর্তন হয়েছে, তিনি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন না। তার মতে, তিনি এনসিপির স্বতন্ত্র শক্তিতে বিশ্বাসী এবং দলের প্রতি তাঁর অনুরাগ ও দায়বদ্ধতা অটুট থাকলেও, এখন তাঁর দেশের জন্য ও জনসাধারের জন্য বেশি গুরুত্বপূর্ণ—গণঅভ্যুত্থান ও দেশের মানুষের পাশে থাকা। মনিরা শারমিন আরও জানান, তিনি এখনও দল থেকে পদত্যাগের কোনো সিদ্ধান্ত নেননি। তিনি বলেন, ‘এনসিপি কারো একার সম্পত্তি নয়। দলের শীর্ষ নেতৃত্বের থেকেও আমার বেশি বিশ্বাস ও ভালোবাসা রয়েছে। আজ পর্যন্ত আমি এমন কিছু বলি নাই বা করি নাই যা দলকে বিতর্কের ঝুঁকিতে ফেলবে। আমি ব্যক্তিগত নৈতিকতা বিক্রি করে রাজনৈতিক সুবিধা অর্জন করতে চাই না। ক্ষমতায় যেতে আমি আগ্রহী নই।’ এই ঘোষণা তার রাজনৈতিক চরিত্র ও স্বাধীনচেতা মনোভাবের প্রতিফলন বলে মনে করছেন many pundits।

  • ঢাকা-১৭ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন তারেক রহমান

    ঢাকা-১৭ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন তারেক রহমান

    আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসন থেকে অংশ নেবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ বিএনপির নেতা তারেক রহমান। তার জন্য মনোনয়নপত্র জমা দেয়া হয়েছে।

    আজ (সোমবার) দুপুর ১২টার দিকে রাজধানীর সেগুনবাগিচার ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে তারেক রহমানের পক্ষে মনোনয়নপত্র জমা দেন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) প্রধান উপদেষ্টা, অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার। এই সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আব্দুস সালাম ও দলের ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক আমিনুল হক।

    অমিনুল হক বলেন, ‘ঢাকা-১৭ আসন থেকে তারেক রহমানের পক্ষে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি।’

    এর আগে, গতকাল তারেক রহমানের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন বিএনপির চেয়ারপারসনের একান্ত সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার।

    বলা যায়, এর সঙ্গে সঙ্গে তারেক রহমান বাইরের অন্য একটি আসনেও নির্বাচনে অংশ নেবেন, সেটা হলো বগুড়া-৬।

    তারেক রহমানের এই মনোনয়নপ্রাপ্তির খবরে, ঢাকায় তারেকের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে থাকা বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান, আন্দালিব রহমান পার্থ, এই আসন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। তিনি এখন ভোলা-১ আসনে নির্বাচন করবেন বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ২০০৮ সালে তিনি ভোলা-১ আসন থেকে বিএনপির সমর্থনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

  • মির্জা ফখরুলের বলেন, দীর্ঘ সময় পরে ভোটাধিকার ফিরে পেল জনগণ

    মির্জা ফখরুলের বলেন, দীর্ঘ সময় পরে ভোটাধিকার ফিরে পেল জনগণ

    বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঘোষণা করেছেন, দীর্ঘ দিন পরে বাংলার জনগণ তাদের ভোটাধিকার পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তকে স্মরণীয় করে রাখতে তিনি বলেছেন, এখন সময় এসেছে একটি গণতান্ত্রিক ও জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য ঐক্যবদ্ধ হওয়ার।

    সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে ঠাকুরগাঁও-১ আসনে তার মনোনয়নপত্র দাখিলের পর তিনি এই মন্তব্য করেন। সাংবাদিকদের তিনি জানান, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির পক্ষ থেকে তিনি এই আসনের প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হয়েছেন।

    মির্জা ফখরুল তার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের অবদানেই তাকে এই সুযোগ দেওয়া হয়েছে। তিনি আন্তরিকভাবে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

    তিনি বলেন, “পরম করুণাময় আল্লাহর কাছে আমি শুকরিয়া আদায় করছি। এই এলাকা মানুষের সেবা করার এই সুযোগ পেয়ে আমি গর্বিত। যদি জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থন পাই, তাহলে ঠাকুরগাঁওয়ের সার্বিক উন্নয়নে নানামুখী কাজ করে যাব।”

    মির্জা ফখরুল আশ্বাস দেন, “যদি আমাকে ভোট দেন এবং ধানের শীষে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করেন, তাহলে উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে আপ্রাণ চেষ্টা করবো। আমি মনে করি, এ অঞ্চলের সামাজিক, শিক্ষা, অর্থনীতি ও জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে আমি কাজ করবো। সব ধরনের সমস্যা সমাধানে আমি অগ্রাধিকার দিবো, যেমন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কৃষকদের সমস্যার সমাধানসহ আরও অনেক কিছু।”

    তিনি জেলা বাসীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আগের চেয়ে এবারও আপনারা আমাকে সমর্থন দিয়ে ভোট দিন। ধানের শীষে ভোট দিয়ে আমাকে জয়যুক্ত করলে আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাবো এই এলাকার উন্নয়নের জন্য।”

    আশাবাদ প্রকাশ করে বলেন, “আমি বিশ্বাস করি, জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ধানের শীষ প্রতীকে ভোটদান করবেন।”

    মনোনয়নপত্র দাখিলের সময়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় পরিপূর্ণ উৎসাহ-উদ্দীপনায় পরিণত হয়। নেতাকর্মীদের মাঝে উৎসবের আমেজ দেখা যায়। এই সময় আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

    জেলা নির্বাচন অফিসের সূত্রে জানা গেছে, এই জেলায় মোট তিনটি সংসদীয় আসনের জন্য রোববার বিকেল ৫টার মধ্যে বিভিন্ন দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের থেকে মোট ২৪ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছে। এর মধ্যে ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ৩ জন, ঠাকুরগাঁও-২ আসনে ১০ জন ও ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে ১১ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেন।

  • নুসরাত তাবাসসুমের ঘোষণা: নির্বাচনকালীন সময়ের জন্য এনসিপি থেকে অবসর

    নুসরাত তাবাসসুমের ঘোষণা: নির্বাচনকালীন সময়ের জন্য এনসিপি থেকে অবসর

    প্রাথমিকভাবে নির্বাচনকালীন সময়ে এনসিপির কার্যক্রম থেকে দূরে থাকার সিদ্ধান্ত প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম-আহবায়ক নুসরাত তাবাসসুম। রোববার নিজ ফেসবুক পেজে এক স্ট্যাটাসে তিনি এই ঘোষণা দেন।

    নুসরাত তাবাসসুম লিখেছেন, আমি সংক্ষেপে কিছু বিষয় স্পষ্ট করতে চাই। এনসিপি তার জন্মলগ্ন থেকেই আমাদের স্বপ্ন দেখিয়েছে একটি গণতান্ত্রিক, ন্যায়সংগত সমাজের গড়নার। এই স্বপ্নের মধ্যে রয়েছে নয়া বন্দোবস্ত, মধ্যপন্থা, অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ ব্যবস্থা, সভ্যতাকেন্দ্রিক সাম্রাজ্য বিস্তার এবং বাংলাদেশের স্বতন্ত্রতা। এই প্রতিটা ভাবনা আমার মন, মগজ ও যাপনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।

    তিনি আরও বলেন, এনসিপির ঘোষণাপত্র ও তার সব লেখা এই স্বপ্নগুলোকে ধারণ করে। গঠনকালে এনসিপি ছিলো সেই পথচলার অবিচল হাতিয়ার যা আমি চাইছিলাম।

    কিন্তু আজ, ২০২৫ সালের ২৮ ডিসেম্বর, নয় মাসের মধ্যে, জামায়াতে Islami দলসহ ১০ দলীয় জোটে বিভিন্ন শর্তে অংশগ্রহণের মাধ্যমে, আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি যে এনসিপির সর্বোচ্চ নেতৃবৃন্দ ও নীতিনির্ধারকরা মূল আদর্শ থেকে বিচ্যুত হয়েছেন।

    নুসরাত আরও যোগ করেন, বিশেষ করে, বিভিন্ন সময়ে আহবায়ক মহোদয় এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের কাছ থেকে ৩০০টি আসনে প্রার্থী দেওয়ার ঘোষণা শুনেছি। তদ্ব্যতীত, এই জোটের ঘোষণা এবং মনোনয়ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তৃণমূল স্তরে যারা মনোনয়নপ্রাপ্ত, তাঁদের সাথে প্রবঞ্চনা হয়েছে বলে মনে করি।

    স্মৃতি ও পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে, আমি নিজেকে সংক্ষিপ্তভাবে জানাচ্ছি যে, আমি বর্তমানে নির্বাচনী সময়ের জন্য পার্টির কার্যক্রম থেকে নিজেকে বিরত রাখছি। ভবিষ্যতে পরিস্থিতি ও সিদ্ধান্তের উপর ভিত্তি করে যে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য প্রস্তুত থাকছি।

  • নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন এনসিপি প্রার্থী মনজিলা ঝুমা

    নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন এনসিপি প্রার্থী মনজিলা ঝুমা

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মনজিলা সুলতানা ঝুমা। তিনি দলের দক্ষিণাঞ্চলের একজন গুরুত্বপূর্ণ সংগঠক। গতকাল রোববার (২৮ ডিসেম্বর) মধ্যরাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তিনি এই সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করেছেন।

    মনজিলা সুলতানা ঝুমা সেই পোস্টে উল্লেখ করেন, এনসিপি দেশের ১২৫টি সংসদীয় আসনে প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছে। এর মধ্যে খাগড়াছড়ি-২৯৮ আসনে ‘শাপলা কলি’ প্রতীক নিয়ে তাকে দল থেকে মনোনীত করা হয়। এর আগে, ২৪ ডিসেম্বর খাগড়াছড়ি জেলা থেকে তার মনোনয়নপত্র দলের পক্ষ থেকে উত্তোলন করা হয়।

    তবে, নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত সম্পর্কে তিনি গতকালই দলের খাগড়াছড়ি জেলা আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে জানিয়ে দেন। ওই পোস্টে তিনি স্পষ্ট করেন, প্রাথমিকভাবে তারই সিদ্ধান্ত। তিনি বলেন, সোমবার মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন থাকলেও, তিনি নিজেই এরই মধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়া ও দলকে অবহিত করেছেন।

    অভিজ্ঞতা ও ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে মনজিলা ঝুমা বলেন, আমি অ্যাডভোকেট মনজিলা সুলতানা ঝুমা, তবে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমি অংশ নিচ্ছি না। তবুও, তিনি বিশ্বাস প্রকাশ করেন যে তরুণরা একদিন সংসদে যাবে—আজ হয়তো নয়, তবে একদিন অবশ্যই।

    এদিকে, জামায়াতের সঙ্গে নির্বাচনি সমঝোতা করেছে এনসিপি। এই বিষয়টি জানাতে ২৮ ডিসেম্বর রাতেই রাজধানীর বাংলামটরে দলের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলন করেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। সেখানে তিনি বলেন, দলটির সর্বসম্মত মতের ভিত্তিতে এই জোট গঠন করা হয়েছে যাতে বৃহত্তর ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হয়।

    একাধিক নেতার পদত্যাগের বিষয়ে তিনি বলেন, এগুলো ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। এই বিষয়ে তাদের সঙ্গে আবার আলোচনা করা হবে, বোঝানোর চেষ্টা করা হবে।

  • আঙুলের ছাপ দিয়ে খালেদা জিয়া মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন

    আঙুলের ছাপ দিয়ে খালেদা জিয়া মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন

    আজ সোমবার (২৯ ডিসেম্বর), চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এভারকেয়ার হাসপাতালে থেকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য তার মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এটি তার জন্য এক বিশেষ মুহূর্ত, কারণ এই নির্বাচনকালে তিনি প্রথমবারের মতো স্বাক্ষরের পরিবর্তে আঙুলের ছাপ ব্যবহার করেছেন, যা ব্যাংকিং বা ভোটে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ক্ষেত্রে এখন সাধারণ হলেও রাজনীতিতে এটা নতুন এক পদ্ধতি।

    খালেদা জিয়া তিনটি আসনে ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন—বগুড়া-৭, দিনাজপুর-৩, ও ফেনী-১।

    দিনাজপুর-৩ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন জেলা বিএনপির সভাপতি মোফাজ্জল হোসেন দুলাল ও সাধারণ সম্পাদক বখতিয়ার আহমেদ কচি। এছাড়াও, এই আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও দিনাজপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলমও মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

    বগুড়া-৭ আসনের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য হেলাল উদ্দিন তালুকদার লালু এবং জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম।

    অপরদিকে, ফেনী-১ আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম মজনু। এই নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য এসব মনোনয়নপত্র দাখিলের মাধ্যমে তারা নির্বাচনী প্রচারনায় প্রস্তুতি শুরু করেছেন।