Blog

  • সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ জনকে আজ হাজির করা হচ্ছে ট্রাইব্যুনালে

    সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ জনকে আজ হাজির করা হচ্ছে ট্রাইব্যুনালে

    জুলাই-আগস্টের গণহত্যার মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হচ্ছে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ আসামিকে। 

    আজ সোমবার সকালে কড়া নিরাপত্তায় তাদেরকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হবে। এদিকে গণহত্যার মামলার তদন্তের সময় বৃদ্ধির জন্য আবেদন জানাবে তদন্ত সংস্থা। সংস্থার পক্ষে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট এম তাজুল ইসলাম আজ এ আবেদন জানাবেন। বিচারপতি মো. গোলাম মূর্তজা মজুমদারের সভাপতিত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালে আবেদনের উপর শুনানি হবে। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

    ট্রাইব্যুনালে যাদেরকে হাজির করা হচ্ছে এরা হলেন: আনিসুল হক, ড. আব্দুর রাজ্জাক, শাজাহান খান, সালমান এফ রহমান, গোলাম দস্তগীর গাজী, কামাল আহমেদ মজুমদার, লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান, ড. দীপু মনি, রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু, জুনাইদ আহমেদ পলক, তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী (বীর বিক্রম), সাবেক বিচারপতি এইচ এম শামসুদ্দীন চৌধুরী মানিক ও সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিব জাহাঙ্গীর আলম।

    এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট এম তাজুল ইসলাম ইত্তেফাককে বলেন, গণহত্যার মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারিকৃতদের মধ্যে গ্রেফতার হওয়া ১৪ অভিযুক্তকে আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করার জন্য আদেশ রয়েছে। ঐ আদেশ মোতাবেক কারা কর্তৃপক্ষ তাদেরকে হাজির করবে। তিনি বলেন, গণহত্যার মামলা তদন্তের জন্য সময় দিয়েছিল ট্রাইব্যুনাল। যেহেতু তদন্ত শেষ হয়নি সেহেতু সময় বৃদ্ধির আবেদন দেওয়া হবে। কোটা সংস্কার ও সরকার পতনের আন্দোলন দমাতে নিরস্ত্র ছাত্র-জনতাকে সমূলে বা আংশিক নির্মূলের লক্ষ্যে হত্যা, গণহত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের মামলায় গত ১৭ অক্টোবর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সরকারের সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে ট্রাইব্যুনাল। ২৭ অক্টোবর পরোয়ানাভুক্তদের মধ্যে ২০ জনকে ট্রাইব্যুনালের মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। এদের মধ্যে ১৪ জনকে আজ এবং ছয় পুলিশ কর্মকর্তা সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন, বরখাস্ত মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, সাবেক ঢাকা জেলার এডিসি (এসপি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত ছিলেন) আব্দুল্লাহ হিল কাফী, সাবেক এডিসি আরাফাতুল ইসলাম, যাত্রাবাড়ী থানার সাবেক ওসি আবুল হাসান এবং গুলশান থানার সাবেক ওসি মাজহারুল ইসলামকে ২০ নভেম্বর ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ রয়েছে। এদিকে ২৭ অক্টোবর ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, র‍্যাবের সাবেক ডিজি হারুন-অর রশিদ, এসবির সাবেক প্রধান মনিরুল ইসলাম, ডিবির সাবেক প্রধান হারুনুর রশিদ, বিপ্লব কুমার সরকার, সাবেক এডিসি ইকবাল হোসেনসহ আরো ১৭ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করা হয়।

    তদন্ত সংস্থা ও প্রসিকিউশনের অভিযোগে যা বলা হয়েছে : কোটা সংস্কারের অহিংস আন্দোলন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সহিংস হয়ে উঠে। একই সঙ্গে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরস্ত্র ছাত্র-ছাত্রীদের ওপর নির্মমভাবে হামলা চালায়। এই হামলার ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকাসহ দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামে। সংঘর্ষ হয় ছাত্রলীগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে। ১৬ জুলাই রংপুরে পুলিশের গুলিতে শিক্ষার্থী আবু সাঈদসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আরও ছয় জন মারা যান। ফলে কোটা সংস্কার আন্দোলন সরকার পতনের আন্দোলনে রূপ নেয়। এই আন্দোলনে একসময় শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ যোগ দেয়। কমপ্লিট শাটডাউন, অসহযোগ আন্দোলন দমাতে জারি করা হয় কারফিউ। কিন্তু তাতে দমে যায়নি ছাত্র-জনতা। এই ছাত্র-জনতাকে সমূলে বা আংশিক নির্মূলের উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ নির্দেশনায় নির্বিচারে গুলি চালায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এর সঙ্গে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠন এবং ১৪ দলীয় জোটের ক্যাডার বাহিনী যোগ দেয়। এতে দেড় সহস্রাধিক ছাত্র-জনতাকে হত্যা করা হয়। আহত হয় ২৩ হাজারের অধিক শিক্ষার্থী ও জনতা। আহত অনেকে চিরতরে পঙ্গু ও দৃষ্টি শক্তি হারিয়েছেন।

    এর পরেও দমানো যায়নি আন্দোলনকারীদের। তারা ৫ আগস্ট গণভবনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। পদত্যাগ করে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পরেও পূর্ব নির্দেশনা অনুযায়ী ঐদিন গভীর রাত পর্যন্ত হত্যা, গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী এবং ১৪ দলীয় জোটের ক্যাডাররা। এসব অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে জুলাই-আগস্ট গণহত্যার মামলায়।

    প্রসঙ্গত গণঅভ্যুত্থানের মুখে গত ৫ আগস্ট দেশত্যাগ করেন শেখ হাসিনা। ৮ আগস্ট নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যাত্রা শুরু করে। এরপর ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, এমপি, বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে শত শত হত্যা মামলা দায়ের হয়। এর মধ্যে বেশ কিছু মামলায় গ্রেফতার হয়ে আগস্ট মাস থেকে কারাগারে আছেন ট্রাইব্যুনালের পরোয়ানাভুক্ত আসামিরা। অক্টোবর মাসে সরকার পুনর্গঠন করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। শেখ হাসিনাসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির মধ্য দিয়ে গত ১৭ অক্টোবর যাত্রা শুরু করে ট্রাইব্যুনাল। ইতিমধ্যে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রেড অ্যালার্ট জারি করতে ইন্টারপোলের কাছে চিঠি দিয়েছে চিফ প্রসিকিউটর।

  • দীপু মনির সুপারিশে মাউশিতে তিন হাজার পদায়ন

    দীপু মনির সুপারিশে মাউশিতে তিন হাজার পদায়ন

    সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির ইশারায় নিয়োগ পান প্রায় তিন হাজার ১৮৩ কর্মকর্তা-কর্মচারী। দীপু মনি সিন্ডিকেটের বলয়ে তারা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) চাকরি পান। এর জন্য উচ্চ মহলের সুপারিশসহ তাদের দিতে হয়েছে ৫ থেকে ১৫ লাখ টাকা। নিয়োগের জন্য যাচ্ছেতাইভাবে পরীক্ষা নেয়া হয় তাদের জন্য। দীপু মনির আমলে চার হাজার ১০৯ জনকে নিয়োগ দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। এখনো চাকরির অপেক্ষায় রয়েছেন ৬১০ জন।

    মাউশি’র এই নিয়োগ পুরোটা সামলেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনির ভাই ডা. জে আর ওয়াদুদ টিপু ও চাঁদপুর পুরান বাজার ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ রতন কুমার মজুমদার। অভিযোগ রয়েছে এই চক্রটির খাতা কলমে বৈধতা দেয়ার কাজ করে গেছেন মাউশি’র কলেজ ও প্রশাসন শাখার পরিচালক শাহেদুল খবির চৌধুরী, প্রশাসন শাখার উপ-পরিচালক বিপুল চন্দ্র বিশ্বাস। বর্তমানে এই দুই কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। টাকার বিনিময়ে নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তারা ২০২৩ সালে দু’দফায় (আগস্ট ও নভেম্বরে) যোগদান করেন।

    মাউশি’র একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীপু মনি শিক্ষার দায়িত্ব হাতে পাবার পরই গড়ে তোলেন সিন্ডিকেট। মাউশিতে নিয়ে আসেন পছন্দের লোকদের। জনপ্রশাসন থেকে নিয়োগের ছাড়পত্র এনে তার আমলে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করেন। এই চক্র এতটাই শক্তিশালী ছিল যে, কেউ প্রশ্ন করার সাহস পর্যন্ত ছিল না। পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন অনেকেই। পরীক্ষায় এমসিকিউ বাতিল করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ’র অধীনে লিখিত পরীক্ষা নেয়ার দাবি তোলা হয়েছিল। কিন্তু তা আমলেই নেয়া হয়নি। এমনকি ভাইবার আগেই এসব প্রার্থীদের দেয়া হয়েছিল চাকরির নিশ্চয়তা।

    সুপারিশের প্রেক্ষিতে চার হাজার ১০৯ জনকে নিয়োগ দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু নানা জটিলতায় আটকে যায় ৬১০ জনের পদায়ন। তবে তাদের পদায়নের জন্য চলতি বছরের জুনে ফল প্রকাশ করা হয়। কিন্তু ছাত্র-জনতার আন্দোলনের তোড়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। যার কারণে আটকে আছে তাদের নিয়োগ। নিয়ম অনুযায়ী দশম থেকে দ্বাদশ গ্রেড পর্যন্ত দ্বিতীয় শ্রেণির পদ, কিন্তু মাউশি’র নিয়োগবিধিতে এই পদগুলোকে তৃতীয় শ্রেণির দেখিয়ে শুধু এমসিকিউ পরীক্ষা নেয়া হয়। ২০২০ সালের অক্টোবরে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে ২৮টি ক্যাটাগরির বিভিন্ন পদের মধ্যে প্রদর্শক পদে ৫১৪টি, গবেষণা সহকারী (কলেজ) পদে ২১টি, সহকারী গ্রন্থাগারিক কাম ক্যাটালগার পদে ৬৯টি এবং ল্যাবরেটরি সহকারী পদে ৬টি পদ উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এসব পদের বিপরীতে পরীক্ষা ২০২১ সালের আগস্ট ও অক্টোবরে অনুষ্ঠিত হয়। পরিদর্শক পদের ফল অনিবার্যকারণবশত স্থগিত করা হয়েছিল। সেই পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয় ২০২৪ সালের এপ্রিলে। এতে প্রায় আট হাজার প্রার্থী উত্তীর্ণ হন। মে মাসে ভাইবা শেষে জুনে নির্বাচিতদের ফল প্রকাশ করা হয়। কিন্তু পরবর্তীতে পরিস্থিতির কারণে আটকে আছে এই ৬১০ জনের নিয়োগ। চাকরি পাওয়াদের মধ্যে রয়েছেন কম্পিউটার অপারেটর ৯ জন, উচ্চমান সহকারী ৮৫ জন, ক্যাশিয়ার ১১৯ জন, স্টোরকিপার ৫০ জন, হিসাব সহকারী ১০৬ জন, অফিস সহকারী ৫১৩ জন, মেকানিক ৩৩ জন, গাড়িচালক ১১ জন, বুক সর্টার ৪৬ জন, অফিস সহায়ক ১৭০৪ জন, নিরাপত্তা প্রহরী ২৪৭ জন, মালী ৯৭ জন, পরিচ্ছন্নকর্মী ১৬৩ জন। অন্যদিকে তালিকায় নিয়োগের অপেক্ষায় রয়েছেন প্রদর্শক পদে পদার্থবিদ্যায় ১০৯ জন, রসায়নে ১২০ জন, জীববিজ্ঞানে ৩১ জন, প্রাণিবিদ্যায় ১০৯ জন, উদ্ভিদবিদ্যায় ৯৬ জন, ভূগোলে ১৩ জন, মৃত্তিকায় ৫ জন, গণিতে ২২ জন, গার্হস্থ্য বিজ্ঞানে ৮ জন, কৃষিতে একজন, গবেষণা সহকারী (কলেজ) ২১ জন, সহকারী গ্রন্থাগারিক ৬৯ জন এবং ল্যাবরেটরি সহকারী ৬ জন।

    এই নিয়োগের বিষয়ে জানতে চাইলে মাউশি মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর এবিএম রেজাউল করীম বলেন, তালিকা ধরে নিয়োগের বিষয়টি আমার জানা নেই। আমি নিয়োগ প্রক্রিয়ার সময়ে দায়িত্বেও ছিলাম না। এটা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন। মন্ত্রণালয় থেকে কোনো নির্দেশনা দেয়া হলে সেটি বাস্তবায়ন করা হবে।

  • সারাদেশের থানাগুলো দালালমুক্ত করতে নির্দেশ দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    সারাদেশের থানাগুলো দালালমুক্ত করতে নির্দেশ দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ রাজধানী ঢাকার রমনা মডেল থানাসহ সারাদেশের থানাগুলোকে দালালমুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন।

    শনিবার (২ মে) দুপুরে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)-এর আওতাধীন রমনা মডেল থানা পরিদর্শনকালে তিনি এই নির্দেশ প্রদান করেন। তিনি থানার বিভিন্ন কক্ষ, হাজতখানা ও সাধারণ পরিষেবার পরিবেশ খুঁটিনাটি দেখে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।

    পরিদর্শনের সময় মন্ত্রী থানার ওসি, ডিউটি অফিসার ও দায়িত্বরত অন্যান্য পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। তারা পুলিশিং কার্যক্রমে যে সমস্যা বা প্রতিবন্ধকতা রয়েছে সে বিষয়ে মন্ত্রীর কাছে খোঁজ-খবর জানান; মন্ত্রী মনোযোগ দিয়ে তাদের বক্তব্য শোনেন।

    মন্ত্রী পুলিশের প্রতি জোর দিয়ে বলেন যে, জনসেবা প্রদানে সততা, ন্যায়নিষ্ঠা ও আন্তরিকতা বজায় রাখতে হবে। এখানে ‘‘দালাল’’ বলতে তিনি এমন সকল মধ্যস্বত্ব বা দালালকে উদ্দেশ্য করেছেন যারা পুলিশের নামে মধ্যস্থতা করে জনগণ থেকে অনুचितভাবে সুবিধা নেয় বা সেবা প্রদানে বাধা সৃষ্টি করে। এসব দালালকে থানার কার্যক্রম থেকে সম্পূর্ণভাবে উচ্ছেদ করতে হবে।

    সালাহউদ্দিন আহমদ গুরুত্বের সঙ্গে বলেন, দায়িত্বে অবহেলা বা দুর্নীতির যে কোনও অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি পুলিশ সদস্যদের জনগণের আস্থা বজায় রাখতে এবং দ্রুত, ন্যায়সংগত সেবা নিশ্চিত করতে নির্দেশ দেন।

    পরিদর্শনকালীন মন্ত্রীর নির্দেশ জনগণকে স্বচ্ছ ও দায়বদ্ধ সেবা প্রদানে থানাগুলোকে আরও প্রস্তুত ও জবাবদিহিমূলক করার লক্ষ্যে নেওয়া উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

  • মানুষকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছি: বিএনপি নেতা তারেক রহমান

    মানুষকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছি: বিএনপি নেতা তারেক রহমান

    শিশু আড়াই মাসে হাঁটতে পারে না—ঠিক তাই বর্তমান সরকারকে তুলনা করেছেন বিএনপি নেতা তারেক রহমান। তিনি বলেন, সরকার যতই নবাগত হোক, আমরা মানুষের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের কাজ শুরু করে দিয়েছি।

    শনিবার (২ মে) সিলেটের চাঁদনীঘাটে সিলেট সিটি করপোরেশনের আয়োজিত জলাবদ্ধতা নিবারণ প্রকল্পের উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত সুধী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

    তারেক রহমান বলেন, আমরা সারাদেশে নারী-পুরুষের স্বাবলম্বিতা নিশ্চিত করতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর কথা বলেছি এবং কৃষকদের সহযোগিতার জন্য ‘কৃষক কার্ড’ দেবার কথাও জানিয়েছি। এগুলো বাস্তবে রূপ দেওয়ার কাজ শুরু করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।

    ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে লুকিয়ে থাকা প্রতিভা উন্মোচনের কথাও তুলে ধরেন তিনি। তারেক রহমান বলেন, দেশের ট্যালেন্ট খুঁজে বের করার প্রেক্ষিতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় চালু করা ‘‘নতুন কুঁড়ি’’ অনুষ্ঠানের উদাহরণ উল্লেখ করে বলেন, সেটির অভিনব ধারণা থেকেই আমরা এখন ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ নামে একটি কার্যক্রমের প্রবর্তন করছি। এ কার্যক্রমের মাধ্যমে ছোটদের মধ্যে থেকে দক্ষ খেলোয়াড় বের করে আনা হবে। তিনি ঘোষণা করেন যে, ইনশাআল্লাহ আজ থেকেই সিলেট থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ শুরু করা হবে।

    তিনি আরও বলেন, গত পরশু পর্যন্ত সারাদেশ থেকে প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার শিশু নাম নথিভুক্ত করেছে। তাদের মধ্যে সাত-আটটি খেলাধুলাকে চিহ্নিত করা হয়েছে, আর সেসব থেকেই ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক স্তরে দেশের জন্য পদক জেতাতে সক্ষম খেলোয়াড় তৈরি করা হবে বলে বিশ্বাস ব্যক্ত করেন তিনি।

    তারেক রহমান ক্রিকেট ও মেয়েদের ফুটবলের সফলতার উদাহরণ টেনে বলেন, যেমনভাবে ক্রিকেট আজ বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে উচ্চার্য করেছে, বা মেয়েদের ফুটবল টিম দেশের জন্য সম্মান বয়ে এনেছে, তেমনি আগামী দিনের এই তরুণরাও দেশের জন্য গৌরব ঘরে তুলবে। তিনি সবাইকে একসঙ্গে এগিয়ে এসে প্রতিভা বিকাশ করতে কাজ করার আহ্বান জানান।

  • দুর্নীতি-অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতি ছাড়া কিছুই চোখে পড়ে না: মির্জা ফখরুল

    দুর্নীতি-অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতি ছাড়া কিছুই চোখে পড়ে না: মির্জা ফখরুল

    বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সরকারের ভেতরে ঢুকলেই উদ্বিগ্ন হচ্ছেন—কারণ যেখানে তাকাই সেখানে শুধু অনিয়ম, দুর্নীতি আর স্বজনপ্রীতি দেখা যায়, যা দেশের অগ্রগতির পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি এসব কথাই জানিয়েছেন শনিবার (২ মে) দুপুরে রাজধানীর শের-ই বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায়।

    মির্জা ফখরুল বলেন, তদবির ছাড়া কাজ হয় না—গত পনেরো বছরে এটাই নিয়মে পরিণত হয়েছে। অনেকেই ভাইস চ্যান্সেলর হওয়ার জন্য তদবির করেছেন; এটা সিস্টেমের ব্যাধি। তাঁর বক্তব্য, মেধা ও দক্ষতা ছাড়া এগোনো সম্ভব হয় না।

    তিনি বলেন, জুলাই সনদ ও সংবিধান নিয়ে যখনই আলোচনা হচ্ছে সেটা ভালো; কিন্তু রাজনৈতিক স্বার্থে এগুলোকে ব্যবহার করা উচিত হবে না। এসব প্রসঙ্গে তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট বহু জায়গায় বিএনপি ছিল এবং কিছু বিষয়ে নোট অব ডিসেন্টও জমা দিয়েছিল।

    উচ্চকক্ষে পিআর নিয়ে এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের বিষয়ে দলের একটি অংশের সঙ্গে তারা সহমত হয়নি—তবু এখন সরকার সহজভাবে সবকিছু করে ফেলার চেষ্টা করছে, অভিযোগ করেন তিনি।

    তিনি আরও বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই বলছে বিএনপি সংস্কার মানে না; অথচ বিএনপিই সংস্কারের জনক। কেউ মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে এবং জামায়াতও এই ইস্যুতে আন্দোলন করছে, যার উদ্দেশ্য বাংলাদেশকে আবারও অস্থিতিশীল করা।

    অর্থনীতি জোরালো করা এখন বিএনপির প্রধান লক্ষ্য—এ অবস্থার উত্তরণের জন্য জাতীয় ঐক্য জরুরি, বলেন তিনি। ফ্যাসিস্ট শাসনের সময়ে ঈর্ষনীয় পরিমাণ দেনা রেখে গেছে, যার ফলে দেশের অর্থনীতির কাঠামো ভেঙে গিয়েছে; তাই অর্থনীতিকে পুনর্গঠন করাই প্রয়োজন।

    শেষে তিনি বলেন, বিএনপির ইতিমধ্যেই অনেক অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন আছে; নতুন কোনো সহযোগী সংগঠনের প্রয়োজন নেই। ‘জিয়া পরিষদ’ের নামে দোকান খোলাটা তিনি চান না এবং সকলকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে বলেছেন।

  • সাদিক কায়েমকে মেয়রপ্রার্থী হিসেবে প্রচার, শিবির বললো—সুযোগ নেই

    সাদিক কায়েমকে মেয়রপ্রার্থী হিসেবে প্রচার, শিবির বললো—সুযোগ নেই

    ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হিসেবে ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েমের নাম প্রকাশ হওয়ার সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার পর বিরূপ প্রতিক্রিয়া উঠেছে। খবরের ভিত্তিতে জামায়াতে ইসলামীর কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না থাকা সত্ত্বেও অনলাইন ও সামাজিক মাধ্যমে তাঁর নাম ছড়ানো হয়েছে।

    শুক্রবার (১ মে) কাকরাইলস্থ ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি) কাউন্সিল হলে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের থানা ও বিভাগীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। কয়েকটি সূত্রে জানা গেছে, ওই সম্মেলনে কিছু জামায়াত নেতারা ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়রপ্রার্থী হিসেবে সাদিক কায়েমের নাম প্রস্তাব করেছিলেন।

    তবে জামায়াতের কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের সংবাদ মাধ্যমে বলেছেন, কেউ পরামর্শ বা প্রস্তাব দিতে পারে, সেটাকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কোথাও বিবেচনা করা যাবে না। যে প্রার্থীকে কেন্দ্রীয় কমিটি অনুমোদন দেবেই, তবেই আনুষ্ঠানিকভাবে নাম ঘোষণা করা হবে। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন সম্পর্কিত প্রার্থীর নাম শিগগিরই চূড়ান্ত করা হবে, কিন্তু এখনো কোনো আনুমানিক অনুমোদন বা ঘোষণা আসেনি।

    অন্যদিকে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রতিবাদ জানিয়েছে। কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক এস এম ফরহাদ স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কোনো কেন্দ্রীয় বা সেশনকালীন দায়িত্বে থাকা শিবিরের নেতাকে অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষে নির্বাচনে অংশগ্রহণ বা প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করার সুযোগ নেই। শিবিরের দায়িত্ব শেষ করে যারা বাইরে চলে যাবেন, তারা পরে রাজনৈতিক কোনো দলের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন—কিন্তু বর্তমান দায়িত্বশীলদের বিষয়ে এমন ঘোষণা বিভ্রান্তিকর এবং অনৈতিক।

    শিবির ও জামায়াত দুই পক্ষই অনুরোধ করেছেন—দুগ্ধপচা খবরের গৃহপথে ভ্রমণ না করে প্রাসঙ্গিক প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে প্রকাশিত আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পর্যন্ত অপেক্ষা করতে। বর্তমানে সাদিক কায়েমের নাম নিয়ে যে প্রচার হচ্ছে তা কেন্দ্রীয় বা স্থানীয় কোনো সংস্থার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা অনুমোদন প্রতিফলিত করে না।

  • প্রাইজবন্ডের ১২৩তম ড্র: পুরস্কারপ্রাপ্ত নম্বর ও বিজয়ীরা

    প্রাইজবন্ডের ১২৩তম ড্র: পুরস্কারপ্রাপ্ত নম্বর ও বিজয়ীরা

    ১০০ টাকা মূল্যমানের প্রাইজবন্ডের ১২৩তম ড্র অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই ড্রে প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম পর্যায়ের বিজয়ীদের নাম্বার ঘোষণা করা হয়েছে।

    প্রথম পুরস্কার হিসেবে এক লাখ ছয় না—বা —৬ লাখ টাকা পাওয়া গেছে; বিজয়ী সিরিজ নম্বর: ০০০১০৩৫। দ্বিতীয় পুরস্কার — তিন লাখ পঁচিশ হাজার (৩,২৫,০০০) টাকা — বিজয়ী নম্বর: ০০৪৭৭৪৮। তৃতীয় পুরস্কার হিসেবে প্রতিজন এক লাখ টাকা করে দুইজনের নম্বর হলো ০৫৩৮২৮৯ ও ০৬৭৫৩৮২। চতুর্থ পুরস্কার (৫০,০০০ টাকা) জিতেছেন নম্বর ০৪০০৪৫১ ও ০৫৬৭৬৪৪।

    ড্রটি বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের অফিসের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

    এই ড্রটি একক সাধারণ পদ্ধতিতে (অর্থাৎ প্রত্যেক সিরিজের জন্য একই নম্বর) পরিচালিত হয়েছে। প্রচলনযোগ্য ১০০ টাকা মূল্যমানের মোট ৮৪টি সিরিজের মধ্যে এবারের ড্র-এ ৪৬টি সাধারণ নম্বর পুরস্কারের যোগ্য হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। এগুলো হলো — কক, কখ, কগ, কঘ, কঙ, কচ, কছ, কজ, কঝ, কঞ, কট, কঠ, কড, কঢ, কথ, কদ, কন, কপ, কফ, কব, কম, কল, কশ, কষ, কস, কহ, খক, খখ, খগ, খঘ, খঙ, খচ, খছ, খজ, খঝ, খঞ, খট, খঠ, খড, খঢ, খথ, খদ, খন, খপ, খফ, খব, খম, খল, খশ, খষ, খস, খহ, গক, গখ, গগ, গঘ, গঙ, গচ, গছ, গজ, গঝ, গঞ, গট, গঠ, গড, গঢ, গথ, গদ, গন, গফ, গব, গম, গল, গশ, গষ, গপ, গস, গহ, ঘক, ঘখ, ঘগ, ঘঘ, ঘঙ এবং ঘচ — এই সিরিজগুলো ড্র-এ অন্তর্ভুক্ত ছিল।

    পঞ্চম পুরস্কার হিসেবে ১০ হাজার টাকা করে ৪০ জনকে প্রদান করা হবে। পঞ্চম পুরস্কারের বিজয়ীদের নম্বরগুলো হলো — ০০২১৭৪৯, ০২১৭৪১৯, ০৪৬১৪৭২, ০৫৮৮৯৬৬, ০৭৪৯৭৪০, ০০২২১৮১, ০২৪৬০৪৫, ০৪৬২০৫৬, ০৫৯৬৩৪৬, ০৭৫৯৯০৮, ০০৫৬৩৭৮, ০২৯৬৪০২, ০৪৭৮০১৫, ০৬০০৪৪০, ০৭৭২৭৭৩, ০০৯২৩৫৬, ০৩১১১৩০, ০৪৮০৫৬৭, ০৬০৭৩৪৯, ০৮১৩৬৫৯, ০১৪৪৫৬৭, ০৩৫৬৯৪২, ০৫১২০২৪, ০৬৩৯৩৬৭, ০৮৪৮০৪৬, ০১৫৫৩৯৮, ০৩৯৩২৭৭, ০৫৫১২২১, ০৬৪২০০২, ০৮৪৯৬১৪, ০১৫৫৯৩৪, ০৪১৩৫০১, ০৫৬৪৭৬০, ০৬৫০১১৯, ০৯২২৫৯৭, ০১৭৫৭৯২, ০৪৫২৪৪১, ০৫৭৩৮৬৫, ০৬৮৮৭৭৩ এবং ০৯৪৭৬৬৫।

    বিজয়ীদের প্রতি অভিনন্দন জানানো হচ্ছে। যারা পুরস্কার জিতেছেন তাদের দাবি করার জন্য নির্ধারিত সময় ও প্রক্রিয়া মেনেই উপযুক্ত কাগজপত্রসহ আবেদন করার অনুরোধ জানানো হল।

  • এপ্রিলের ২৯ দিনে প্রবাসী আয় ৩০০ কোটি ২০ লাখ ডলার

    এপ্রিলের ২৯ দিনে প্রবাসী আয় ৩০০ কোটি ২০ লাখ ডলার

    চলতি এপ্রিল মাসের প্রথম ২৯ দিনে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন মোট ৩০০ কোটি ২০ লাখ ডলার — যা প্রায় ৩.০০২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমান। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বৃহস্পতিবার এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

    এপ্রিলে এপর্যন্ত প্রতিদিন গড়ে পাঠানো রেমিট্যান্স ছিল প্রায় ১০ কোটি ৩৫ লাখ ডলার। বিশেষ করে মাত্র ২৯ এপ্রিল একদিনেই দেশে এসেছে প্রায় ৯৪ কোটি ডলার, যা মাসটির রেমিট্যান্স প্রবাহকে আরও ত্বরান্বিত করেছে।

    গত বছরের একই সময় (এপ্রিল ২০২৫) দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৬০ কোটি ৮০ লাখ ডলার; তুলনায় এবার আয় বেড়ে হয়েছে অভিন্ন লক্ষণীয়।

    এর আগে চলতি বছরের মার্চে রেকর্ডভাঙা আয়ের তালিকায় শীর্ষে ছিল রেমিট্যান্স — ওই মাসে ৩ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন (৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ) ডলার এসেছে। জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসেও প্রবাসী আয় প্রতিবারই তিন বিলিয়ন ডলারের ঘরে বা তার ওপরে ছিল; জানুয়ারি মাসে রেমিট্যান্স ছিল ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার ডলার এবং ফেব্রুয়ারি ছিল ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার ডলার।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র জানান, সামগ্রিকভাবে চলতি বছরে রেমিট্যান্স প্রবাহ স্থিতিশীল ও উচ্চমান বজায় রাখায় বৈদেশিক মুদ্রার অভ্যন্তরীণ স্টক এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার উপর ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

  • পাকিস্তানে পাম্পে পেট্রোল-ডিজেলের দাম ছাড়ালো ৪০০ রুপি

    পাকিস্তানে পাম্পে পেট্রোল-ডিজেলের দাম ছাড়ালো ৪০০ রুপি

    পাকিস্তানে জ্বালানির দাম নতুন করে উর্ধ্বগতি নিয়েছে; পাম্পে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম কার্যত ৪০০ রুপি ছাড়িয়েছে। দেশটির সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) পেট্রোল লিটারপ্রতি ৬.৫১ রুপি এবং ডিজেল লিটারপ্রতি ১৯.৩৯ রুপি বাড়ানো হয়েছে।

    প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন মূল্য সিদ্ধান্ত তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হচ্ছে এবং আগামী ৮ মে পর্যন্ত বহাল থাকবে। হাইস্পিড ডিজেলের (HSD) নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে লিটারপ্রতি ৩৯৯.৫৮ রুপি, যা পূর্বের ৩৮০.১৯ রুপির তুলনায় প্রায় ১৯.৩৯ রুপি বেশি। পেট্রোলের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৯৯.৮৬ রুপি, আগের ৩৯৩.৩৫ রুপির তুলনায় ৬.৫১ রুপি বাড়ল। ডিলার কমিশন ও অন্যান্য খরচ যোগ হলে পাম্পে কার্যত মূল্য ৪০০ রুপির সীমানা ছাড়িয়ে গেছে।

    সরকার ক্ষতিগ্রস্ত শ্রেণি—মোটরসাইকেল ব্যবহারকারী, কৃষক ও পরিবহনখাত—আরও চাপ না বাড়ুক বলে ভর্তুকি চালিয়ে যাচ্ছে। মোটরসাইকেলের জন্য লিটারপ্রতি ১০০ রুপি ভর্তুকি দেওয়া হচ্ছে এবং এটি মাসে সর্বোচ্চ ২০ লিটার পর্যন্ত প্রযোজ্য। ভর্তুকি অনুযায়ী পেট্রোলের পরিশোধ্য দাম দাঁড়ায় প্রায় ৩০০ রুপি, যা বাংলাদেশি টাকায় আনুমানিক ১৩৫ টাকার সমান।

    বৃহৎ চালান ও পরিবহনের জন্যও আর্থিক সহায়তা ঘোষণা করা হয়েছে—পণ্যবাহী ট্রাকের জন্য মাসে ৭০,০০০ রুপি, বড় পরিবহনযানের জন্য ৮০,০০০ রুপি এবং আন্তঃনগর গণপরিবহনের জন্য মাসে সর্বোচ্চ ১,০০,০০০ রুপি পর্যন্ত ভর্তুকি। সরকারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যে ভাড়া বাড়ানো থেকে বিরত থাকতে হবে এবং পরিবহন খাতের ওপর নজরদারি জোরদার করা হবে।

    অর্থনৈতিক কারণ হিসেবে সরকার বলছে, এই মূল্যসমন্বয় আন্তর্জাতিক আর্থিক সংস্থা আইএমএফ-এর সঙ্গে সমন্বয়ক্রমে করা হচ্ছে। বর্তমান অর্থবছরে পেট্রোলিয়াম লেভি (শুল্ক) থেকে ১.৪৬৮ ট্রিলিয়ন রুপি আদায় করা সরকারের লক্ষ্য।

    তবে সাধারণ জনগণ ও বিশেষত পরিবহনখাত ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধিতে সবচেয়ে বেশি প্রভাব অনুভব করবে, কারণ পরিবহনে ডিজেলের বহুল ব্যবহার সরাসরি জিনিসপত্রের পরিবহন খরচ বাড়ায় এবং মূল্যস্ফীতি ত্বরান্বিত করতে পারে।

    একই সময়ে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP) এক বিশ্লেষণে সতর্ক করেছে যে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত পাকিস্তানের অর্থনীতিতে ১০ থেকে ৬৮ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত ক্ষতি করতে পারে এবং এর ফলে মূল্যস্ফীতি ১৫–১৭ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া কাতার থেকে এলএনজি সরবরাহ হ্রাস পাওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদনে বিঘ্ন হচ্ছে, যা লোডশেডিং বৃদ্ধি ও শিল্প উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

    মোট মিলিয়ে, সরকারের ভর্তুকি ও লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা থাকলেও পাম্প পর্যায়ে জ্বালানির নতুন দাম নাগরিকদের ব্যয়ে সরাসরি ফাঁক ছুঁড়ে দিচ্ছে—বিশেষত পরিবহন ও কৃষি খাতে। ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক বাজার ও এলাকার রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা কিভাবে পরিস্থিতি প্রভাবিত করবে, সেটাই এখনored মানুষের নজরকাড়া প্রশ্ন।

  • যুদ্ধবিরতি ভাঙার অভিযোগ: লেবাননে ইসরায়েলের হামলায় কমপক্ষে ১৩ জন নিহত

    যুদ্ধবিরতি ভাঙার অভিযোগ: লেবাননে ইসরায়েলের হামলায় কমপক্ষে ১৩ জন নিহত

    শুক্রবার লেবাননের নাবাতিয়েহ জেলায় হাব্বুশ এলাকায় ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নয়জন নিহত হয়েছেন এবং কমপক্ষে আরও ১০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে রয়েছেন এক নারী ও একটি শিশু।

    লেবানন সরকার জানায়, টায়র (টাইর) শহর ও আশপাশের কয়েকটি এলাকায় একই সঙ্গে অন্যান্য হামলায় আরও চারজন নিহত হয়েছেন, ফলে মোট হতাহতের সংখ্যা ১৩に পৌঁছেছে।

    আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার বরাতে বলা হয়েছে, গত ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এই নতুন বেগে হামলায় লেবাননে নিহতের সংখ্যা ২৬০০ ছাড়িয়েছে।

    পটভূমি: গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ভূখণ্ডে ইসরায়েলি আঘাতের পর তেহরান সমর্থিত সশস্ত্র শিয়া গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ তাৎপর্যপূর্ণ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিল। এরপর থেকে তেলআবিব ও হিজবুল্লাহর মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকে এবং রাজধানী বৈরুতসহ লেবাননের বিস্তীর্ণ এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমান হামলা শুরু হয়। এসব আঘাতের ফলে অন্তত আশি লাখেরও বেশি মানুষ তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছে।

    সংঘাত বৃদ্ধি পেতে পারে বলে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। লেবাননে মোতায়েন জাতিসংঘ শান্তিরক্ষীদের নিরাপত্তা নিয়েও শঙ্কা প্রকাশ করেছে বিভিন্ন দেশ; ফ্রান্সসহ প্রায় ৩০টি দেশ এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

    গত ১৬ এপ্রিল একটি ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছিল কর্তৃপক্ষ, যা তখন সাধারণ মানুষকে নিরাপদে অবস্থান বা বাড়ি ফেরার সুযোগ করে দিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু সীমান্তে আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণের ধারা থামেনি, এবং ইরান বারবার বলেছে—কোনও সমঝোতার আগে লেবাননে ইসরায়েলের আগ্রাসন বন্ধ করতে হবে।

    বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বর্তমানের মতো আক্রমণ অব্যাহত থাকলে এলাকার পরিস্থিতি দ্রুত আবার উত্তপ্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গত ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজার বিরুদ্ধে ইসরায়েলি অভিযানের পর থেকেই দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহ তেলআবিবের বিরুদ্ধে কার্যকর ভূমিকা নিতে শুরু করেছিল এবং পরবর্তী এক বছরে সংঘর্ষের পর মধ্যস্থতায় সাময়িক যুদ্ধবিরতি আনে কয়েকটি আন্তর্জাতিক পক্ষ। তবু সাম্প্রতিক ঘটনার প্রেক্ষিতে ফের উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা বাড়ছে।

  • শ্রমিকরা ঐক্যবদ্ধ হলে মালিক ও সরকারের কাছ থেকে সব দাবি আদায় সম্ভব: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী

    শ্রমিকরা ঐক্যবদ্ধ হলে মালিক ও সরকারের কাছ থেকে সব দাবি আদায় সম্ভব: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী

    পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেছেন, শ্রমিক-কর্মচারীরা যদি এক হয়ে দাঁড়ায়, তা হলে মালিকপক্ষ থেকে তাদের সব বৈধ দাবি আদায় করা সম্ভব। কিন্তু বিচ্ছিন্ন হলে দাবি আদায়ে বাধা পাওয়া যায়। মোংলা বন্দর ও শিল্পাঞ্চলের প্রাণ হলো শ্রমিক-কর্মচারীরা; তারা না থাকলে বন্দর, শিল্পাঞ্চল এবং কলকারখানা চলবে না। তাই শ্রমিকদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে—এটাই তাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।

    তিনি বলেন, শ্রমিকদের ერთად থাকা মালিক ও সরকারের কাছে চাপ সৃষ্টি করে এবং তা থেকেই ন্যায্য অধিকার আদায় করা সহজ হয়। কিছু অসাধু চক্র শ্রমিকদের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়ায় এবং তা থেকে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করতে চায়; তাই শ্রমিকরা বিভক্ত না হয়ে একাত্মতা বজায় রাখুন। বর্তমান সরকার শ্রমিকবান্ধব নীতির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং শ্রমিকদের যে কোনো যৌক্তিক দাবির প্রতি সংবেদনশীল।

    শুক্রবার (১ মে) বিকেলে মোংলায় মহান মে দিবস উপলক্ষে মোংলা বন্দর শ্রমিক-কর্মচারী সংঘ চত্বরে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শ্রমিক নেতা মোঃ আলাউদ্দিন। বিশেষ অতিথির তালিকায় ছিলেন পৌর বিএনপির সভাপতি মোঃ জুলফিকার আলী, থানা বিএনপির সভাপতি মোঃ আব্দুল মান্নান হাওলাদার, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান মানিক, থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু হোসেন পনি, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ নাছির তালুকদার ও গোলাম নুর জনি, যুবদল নেতা ইমান হোসেন রিপন ও এম.এ. কাশেম। স্থানীয় প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতারা ও বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

    আলোচনা সভায় শ্রমিক নেতারা মোংলা বন্দরের কর্মক্ষেত্রে চালু থাকা বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন এবং শ্রমিকদের আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করেন। তারা উল্লেখ করেন যে মূল্যবৃদ্ধির বর্তমান প্রসঙ্গে জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন, মজুরি সমন্বয় ও কর্মস্থলে সুরক্ষা এখন বড় চ্যালেঞ্জ। এ কারণে মালিকপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি শ্রমিক-কর্মচারীদের কল্যাণের ব্যাপারে সুদক্ষ নজরদারি দাবি করা হয়।

    প্রতিমন্ত্রী এবং বৈঠকে উপস্থিত অন্যান্য নেতারা শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান ও মালিকপক্ষ ও সরকারের কাছে শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি বিবেচনা করার আহ্বান জানানো হয়।

  • খুলনা প্রেসক্লাবে নবনির্বাচিত কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ

    খুলনা প্রেসক্লাবে নবনির্বাচিত কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ

    খুলনা প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত সভাপতি মো. মোস্তফা সরোয়ার এবং নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলাম বিদায়ী অন্তর্বতীকালীন কমিটির আহবায়ক এনামুল হক ও সদস্য সচিব রফিউল ইসলাম টুটুলের কাছ থেকে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

    দায়িত্ব গ্রহণ অনুষ্ঠানটি ক্লাবের হুমায়ুন কবীর বালু মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে নির্বাচিত কমিটির সহ-সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোহরাব হোসেন ও মো. জাহিদুল ইসলাম। কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পেলেন বিমল সাহা, যুগ্ম-সম্পাদক হয়েছেন মো. বেল্লাল হোসেন সজল, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোহাম্মদ মিলন এবং পাঠাগার, প্রকাশনা ও তথ্য প্রযুক্তি বিভাগের দায়িত্ব পেলেন বশির হোসেন।

    কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন মো. মাকসুদুর রহমান মাকসুদ, কাজী মোতাহার রহমান, মহেন্দ্রনাথ সেন, সোহেল মাহমুদ ও কে এম জিয়াউস সাদাত। অনুষ্ঠানে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, ক্লাব পরিচালনা ও সাংগঠনিক কাজগুলো দ্রুত ও সুচারুভাবে বাস্তবায়নের বিষয়েও আলোচনা করা হয়।

    এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. সাহেব আলী এবং হাসান আহামেদ মোল্লা, ক্লাবের সদস্য ও দৈনিক পূর্বাঞ্চল সম্পাদক মোহাম্মদ আলী সনি, সিনিয়র সদস্য মুহাম্মদ আবু তৈয়ব ও সদস্য আতিয়ার পারভেজ। অন্যান্য উপস্থিত অতিথির মধ্যে ছিলেন মাহবুবুর রহমান মুন্না, এস এম কামাল হোসেন, এস এম নূর হাসান জনি, গাজী মনিরুজ্জামান, শেখ আল এহসান, উত্তম মণ্ডল, দীলিপ কুমার বর্মন, ইয়াসীন আরাফাত রুমী, মো. হেলাল মোল্লা, আব্দুর রাজ্জাক রানা, খলিলুর রহমান সুমন, নাজমুল হক পাপ্পু, আলমগীর হান্নান, সুনীল কুমার দাস, মো. জাকারিয়া হোসেন তুষার, শেখ জাহিদুল ইসলাম, মো. সোহেল রানা, এস এম সাইফুল ইসলাম ও মোহাম্মদ মাসরুর মুর্শেদসহ অন্যান্য সাংবাদিকবৃন্দ।

    অনুষ্ঠানটি শেষে নবনির্বাচিত কমিটি ক্লাবের কল্যাণ, সাংবাদিকদের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং পেশাগত অগ্রগতির লক্ষ্যে একযোগে কাজ করার অভিমত ব্যক্ত করেন।