Blog

  • সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ জনকে আজ হাজির করা হচ্ছে ট্রাইব্যুনালে

    সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ জনকে আজ হাজির করা হচ্ছে ট্রাইব্যুনালে

    জুলাই-আগস্টের গণহত্যার মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হচ্ছে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ আসামিকে। 

    আজ সোমবার সকালে কড়া নিরাপত্তায় তাদেরকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হবে। এদিকে গণহত্যার মামলার তদন্তের সময় বৃদ্ধির জন্য আবেদন জানাবে তদন্ত সংস্থা। সংস্থার পক্ষে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট এম তাজুল ইসলাম আজ এ আবেদন জানাবেন। বিচারপতি মো. গোলাম মূর্তজা মজুমদারের সভাপতিত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালে আবেদনের উপর শুনানি হবে। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

    ট্রাইব্যুনালে যাদেরকে হাজির করা হচ্ছে এরা হলেন: আনিসুল হক, ড. আব্দুর রাজ্জাক, শাজাহান খান, সালমান এফ রহমান, গোলাম দস্তগীর গাজী, কামাল আহমেদ মজুমদার, লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান, ড. দীপু মনি, রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু, জুনাইদ আহমেদ পলক, তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী (বীর বিক্রম), সাবেক বিচারপতি এইচ এম শামসুদ্দীন চৌধুরী মানিক ও সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিব জাহাঙ্গীর আলম।

    এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট এম তাজুল ইসলাম ইত্তেফাককে বলেন, গণহত্যার মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারিকৃতদের মধ্যে গ্রেফতার হওয়া ১৪ অভিযুক্তকে আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করার জন্য আদেশ রয়েছে। ঐ আদেশ মোতাবেক কারা কর্তৃপক্ষ তাদেরকে হাজির করবে। তিনি বলেন, গণহত্যার মামলা তদন্তের জন্য সময় দিয়েছিল ট্রাইব্যুনাল। যেহেতু তদন্ত শেষ হয়নি সেহেতু সময় বৃদ্ধির আবেদন দেওয়া হবে। কোটা সংস্কার ও সরকার পতনের আন্দোলন দমাতে নিরস্ত্র ছাত্র-জনতাকে সমূলে বা আংশিক নির্মূলের লক্ষ্যে হত্যা, গণহত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের মামলায় গত ১৭ অক্টোবর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সরকারের সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে ট্রাইব্যুনাল। ২৭ অক্টোবর পরোয়ানাভুক্তদের মধ্যে ২০ জনকে ট্রাইব্যুনালের মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। এদের মধ্যে ১৪ জনকে আজ এবং ছয় পুলিশ কর্মকর্তা সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন, বরখাস্ত মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, সাবেক ঢাকা জেলার এডিসি (এসপি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত ছিলেন) আব্দুল্লাহ হিল কাফী, সাবেক এডিসি আরাফাতুল ইসলাম, যাত্রাবাড়ী থানার সাবেক ওসি আবুল হাসান এবং গুলশান থানার সাবেক ওসি মাজহারুল ইসলামকে ২০ নভেম্বর ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ রয়েছে। এদিকে ২৭ অক্টোবর ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, র‍্যাবের সাবেক ডিজি হারুন-অর রশিদ, এসবির সাবেক প্রধান মনিরুল ইসলাম, ডিবির সাবেক প্রধান হারুনুর রশিদ, বিপ্লব কুমার সরকার, সাবেক এডিসি ইকবাল হোসেনসহ আরো ১৭ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করা হয়।

    তদন্ত সংস্থা ও প্রসিকিউশনের অভিযোগে যা বলা হয়েছে : কোটা সংস্কারের অহিংস আন্দোলন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সহিংস হয়ে উঠে। একই সঙ্গে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরস্ত্র ছাত্র-ছাত্রীদের ওপর নির্মমভাবে হামলা চালায়। এই হামলার ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকাসহ দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামে। সংঘর্ষ হয় ছাত্রলীগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে। ১৬ জুলাই রংপুরে পুলিশের গুলিতে শিক্ষার্থী আবু সাঈদসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আরও ছয় জন মারা যান। ফলে কোটা সংস্কার আন্দোলন সরকার পতনের আন্দোলনে রূপ নেয়। এই আন্দোলনে একসময় শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ যোগ দেয়। কমপ্লিট শাটডাউন, অসহযোগ আন্দোলন দমাতে জারি করা হয় কারফিউ। কিন্তু তাতে দমে যায়নি ছাত্র-জনতা। এই ছাত্র-জনতাকে সমূলে বা আংশিক নির্মূলের উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ নির্দেশনায় নির্বিচারে গুলি চালায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এর সঙ্গে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠন এবং ১৪ দলীয় জোটের ক্যাডার বাহিনী যোগ দেয়। এতে দেড় সহস্রাধিক ছাত্র-জনতাকে হত্যা করা হয়। আহত হয় ২৩ হাজারের অধিক শিক্ষার্থী ও জনতা। আহত অনেকে চিরতরে পঙ্গু ও দৃষ্টি শক্তি হারিয়েছেন।

    এর পরেও দমানো যায়নি আন্দোলনকারীদের। তারা ৫ আগস্ট গণভবনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। পদত্যাগ করে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পরেও পূর্ব নির্দেশনা অনুযায়ী ঐদিন গভীর রাত পর্যন্ত হত্যা, গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী এবং ১৪ দলীয় জোটের ক্যাডাররা। এসব অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে জুলাই-আগস্ট গণহত্যার মামলায়।

    প্রসঙ্গত গণঅভ্যুত্থানের মুখে গত ৫ আগস্ট দেশত্যাগ করেন শেখ হাসিনা। ৮ আগস্ট নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যাত্রা শুরু করে। এরপর ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, এমপি, বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে শত শত হত্যা মামলা দায়ের হয়। এর মধ্যে বেশ কিছু মামলায় গ্রেফতার হয়ে আগস্ট মাস থেকে কারাগারে আছেন ট্রাইব্যুনালের পরোয়ানাভুক্ত আসামিরা। অক্টোবর মাসে সরকার পুনর্গঠন করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। শেখ হাসিনাসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির মধ্য দিয়ে গত ১৭ অক্টোবর যাত্রা শুরু করে ট্রাইব্যুনাল। ইতিমধ্যে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রেড অ্যালার্ট জারি করতে ইন্টারপোলের কাছে চিঠি দিয়েছে চিফ প্রসিকিউটর।

  • দীপু মনির সুপারিশে মাউশিতে তিন হাজার পদায়ন

    দীপু মনির সুপারিশে মাউশিতে তিন হাজার পদায়ন

    সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির ইশারায় নিয়োগ পান প্রায় তিন হাজার ১৮৩ কর্মকর্তা-কর্মচারী। দীপু মনি সিন্ডিকেটের বলয়ে তারা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) চাকরি পান। এর জন্য উচ্চ মহলের সুপারিশসহ তাদের দিতে হয়েছে ৫ থেকে ১৫ লাখ টাকা। নিয়োগের জন্য যাচ্ছেতাইভাবে পরীক্ষা নেয়া হয় তাদের জন্য। দীপু মনির আমলে চার হাজার ১০৯ জনকে নিয়োগ দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। এখনো চাকরির অপেক্ষায় রয়েছেন ৬১০ জন।

    মাউশি’র এই নিয়োগ পুরোটা সামলেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনির ভাই ডা. জে আর ওয়াদুদ টিপু ও চাঁদপুর পুরান বাজার ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ রতন কুমার মজুমদার। অভিযোগ রয়েছে এই চক্রটির খাতা কলমে বৈধতা দেয়ার কাজ করে গেছেন মাউশি’র কলেজ ও প্রশাসন শাখার পরিচালক শাহেদুল খবির চৌধুরী, প্রশাসন শাখার উপ-পরিচালক বিপুল চন্দ্র বিশ্বাস। বর্তমানে এই দুই কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। টাকার বিনিময়ে নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তারা ২০২৩ সালে দু’দফায় (আগস্ট ও নভেম্বরে) যোগদান করেন।

    মাউশি’র একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীপু মনি শিক্ষার দায়িত্ব হাতে পাবার পরই গড়ে তোলেন সিন্ডিকেট। মাউশিতে নিয়ে আসেন পছন্দের লোকদের। জনপ্রশাসন থেকে নিয়োগের ছাড়পত্র এনে তার আমলে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করেন। এই চক্র এতটাই শক্তিশালী ছিল যে, কেউ প্রশ্ন করার সাহস পর্যন্ত ছিল না। পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন অনেকেই। পরীক্ষায় এমসিকিউ বাতিল করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ’র অধীনে লিখিত পরীক্ষা নেয়ার দাবি তোলা হয়েছিল। কিন্তু তা আমলেই নেয়া হয়নি। এমনকি ভাইবার আগেই এসব প্রার্থীদের দেয়া হয়েছিল চাকরির নিশ্চয়তা।

    সুপারিশের প্রেক্ষিতে চার হাজার ১০৯ জনকে নিয়োগ দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু নানা জটিলতায় আটকে যায় ৬১০ জনের পদায়ন। তবে তাদের পদায়নের জন্য চলতি বছরের জুনে ফল প্রকাশ করা হয়। কিন্তু ছাত্র-জনতার আন্দোলনের তোড়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। যার কারণে আটকে আছে তাদের নিয়োগ। নিয়ম অনুযায়ী দশম থেকে দ্বাদশ গ্রেড পর্যন্ত দ্বিতীয় শ্রেণির পদ, কিন্তু মাউশি’র নিয়োগবিধিতে এই পদগুলোকে তৃতীয় শ্রেণির দেখিয়ে শুধু এমসিকিউ পরীক্ষা নেয়া হয়। ২০২০ সালের অক্টোবরে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে ২৮টি ক্যাটাগরির বিভিন্ন পদের মধ্যে প্রদর্শক পদে ৫১৪টি, গবেষণা সহকারী (কলেজ) পদে ২১টি, সহকারী গ্রন্থাগারিক কাম ক্যাটালগার পদে ৬৯টি এবং ল্যাবরেটরি সহকারী পদে ৬টি পদ উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এসব পদের বিপরীতে পরীক্ষা ২০২১ সালের আগস্ট ও অক্টোবরে অনুষ্ঠিত হয়। পরিদর্শক পদের ফল অনিবার্যকারণবশত স্থগিত করা হয়েছিল। সেই পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয় ২০২৪ সালের এপ্রিলে। এতে প্রায় আট হাজার প্রার্থী উত্তীর্ণ হন। মে মাসে ভাইবা শেষে জুনে নির্বাচিতদের ফল প্রকাশ করা হয়। কিন্তু পরবর্তীতে পরিস্থিতির কারণে আটকে আছে এই ৬১০ জনের নিয়োগ। চাকরি পাওয়াদের মধ্যে রয়েছেন কম্পিউটার অপারেটর ৯ জন, উচ্চমান সহকারী ৮৫ জন, ক্যাশিয়ার ১১৯ জন, স্টোরকিপার ৫০ জন, হিসাব সহকারী ১০৬ জন, অফিস সহকারী ৫১৩ জন, মেকানিক ৩৩ জন, গাড়িচালক ১১ জন, বুক সর্টার ৪৬ জন, অফিস সহায়ক ১৭০৪ জন, নিরাপত্তা প্রহরী ২৪৭ জন, মালী ৯৭ জন, পরিচ্ছন্নকর্মী ১৬৩ জন। অন্যদিকে তালিকায় নিয়োগের অপেক্ষায় রয়েছেন প্রদর্শক পদে পদার্থবিদ্যায় ১০৯ জন, রসায়নে ১২০ জন, জীববিজ্ঞানে ৩১ জন, প্রাণিবিদ্যায় ১০৯ জন, উদ্ভিদবিদ্যায় ৯৬ জন, ভূগোলে ১৩ জন, মৃত্তিকায় ৫ জন, গণিতে ২২ জন, গার্হস্থ্য বিজ্ঞানে ৮ জন, কৃষিতে একজন, গবেষণা সহকারী (কলেজ) ২১ জন, সহকারী গ্রন্থাগারিক ৬৯ জন এবং ল্যাবরেটরি সহকারী ৬ জন।

    এই নিয়োগের বিষয়ে জানতে চাইলে মাউশি মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর এবিএম রেজাউল করীম বলেন, তালিকা ধরে নিয়োগের বিষয়টি আমার জানা নেই। আমি নিয়োগ প্রক্রিয়ার সময়ে দায়িত্বেও ছিলাম না। এটা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন। মন্ত্রণালয় থেকে কোনো নির্দেশনা দেয়া হলে সেটি বাস্তবায়ন করা হবে।

  • ৪২ জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক নিয়োগ, খুলনায় মনিরুল হাসান (বাপ্পী)

    ৪২ জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক নিয়োগ, খুলনায় মনিরুল হাসান (বাপ্পী)

    সরকার দেশের ৪২টি জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে। রোববার (১৫ মার্চ) এসব নিয়োগ ঘোষণা করা হয়।

    এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল ও কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে। স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা এবং উন্নয়ন কাজগুলোকে ত্বরান্বিত করাই নিয়োগের প্রধান উদ্দেশ্য।

    নিয়োগপ্রাপ্তরা হলেন — পঞ্চগড়ে মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, দিনাজপুরে মোফাজ্জল হোসেন দুলাল, রংপুরে মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, কুড়িগ্রামে মো. সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, গাইবান্ধায় অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক, জয়পুরহাটে মো. মাসুদ রানা প্রধান, বগুড়ায় এ.কে.এম. আহাসানুল তৈয়ব জাকির, চাঁপাইনবাবগঞ্জে মো. হারুনুর রশিদ, নওগাঁয় মো. আবু বক্কর সিদ্দিক, রাজশাহীতে মো. এরশাদ আলী, নাটোরে মো. রহিম নেওয়াজ, মেহেরপুরে মো. জাভেদ মাসুদ, কুষ্টিয়ায় সোহরাব উদ্দিন, ঝিনাইদহে মো. আবুল মজিদ, যশোরে দেলোয়ার হোসেন খান খোকন, মাগুরায় আলী আহমেদ এবং বাগেরহাটে শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন।

    অন্যদিকে খুলনায় এস এম মনিরুল হাসান (বাপ্পী), পটুয়াখালীতে স্নেহাংশু সরকার, ভোলায় গোলাম নবী আলমগীর, বরিশালে আকন কুদ্দুসর রহমান, ঝালকাঠিতে মো. শাহাদাৎ হোসেন, পিরোজপুরে আলমগীর হোসেন, টাঙ্গাইলে এস এম ওবায়দুল হক, শেরপুরে এ.বি.এম. মামুনুর রশিদ, ময়মনসিংহে সৈয়দ এমরান সালেহ, নেত্রকোনায় মো. নূরুজ্জামান (অ্যাড.), কিশোরগঞ্জে খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান, মুন্সীগঞ্জে এ. কে. এম. ইরাদত, নারায়ণগঞ্জে মো. মামুন মাহমুদ, রাজবাড়ীতে আব্দুস সালাম মিয়া, গোপালগঞ্জে শরিফ রফিক উজ্জামান, মাদারীপুরে খোন্দকার মাশুকুর রহমান, শেরীয়তপুরে সরদার এ. কে. এম. নাসির উদ্দিন, সুনামগঞ্জে মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী, সিলেটে আবুল কাহের চৌধুরী, মৌলভীবাজারে মিজানুর রহমান, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সিরাজুল ইসলাম, কুমিল্লায় মো. মোশতাক মিয়া, নোয়াখালীতে মো. হারুনুর রশিদ আজাদ, লক্ষ্মীপুরে সাহাব উদ্দিন এবং কক্সবাজারে এ টি এম নুরুল বশর চৌধুরী নিয়োগ পেয়েছেন।

    প্রশাসনিক দায়িত্বভার নেওয়া শুরু হলে স্থানীয় পর্যায়ে পরিষদের কার্যক্রম ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে দ্রুততার আশা করা যাচ্ছে।

  • সংসদ অধিবেশন ২৯ মার্চ পর্যন্ত মুলতবি ঘোষণা

    সংসদ অধিবেশন ২৯ মার্চ পর্যন্ত মুলতবি ঘোষণা

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম) রবিবার (১৫ মার্চ) ঘোষণা করে বলেছেন, অধিবেশন আগামী ২৯ মার্চ বিকেল ৩টা পর্যন্ত মুলতবি করা হল। স্পিকার এ সিদ্ধান্ত দ্বিতীয় দিনের কার্যক্রম শেষে ঘোষণা করেন এবং সদস্যদের সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে সবাইকে অগ্রিম ঈদ মোবারক জানান।

    এই দিন (রোববার) বেলা ১১টায় ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনের কাজ শুরু হয়। পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মধ্যদিয়ে দিনটি শুরু হয় এবং বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম)। অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান; পাশাপাশি বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানও উপস্থিত ছিলেন।

    এর আগে গত বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়। প্রথম দিন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ভাষণকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামি, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও অন্যান্য বিরোধীদলের সদস্যেরা বিক্ষোভ দেখিয়ে সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেন।

  • সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন না ডাকার হলে রাজপথে নামবে ১১ দল: জামায়াতের হুঁশিয়ারি

    সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন না ডাকার হলে রাজপথে নামবে ১১ দল: জামায়াতের হুঁশিয়ারি

    সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন দ্রুত না ডাকা হলে সরকারবিরোধী আন্দোলনে নামা হবে—এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী’র সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. হামিদুর রহমান আজাদ। তিনি বলেন, আগামীকাল পর্যন্ত সমস্যা না মিটলে জনগণকে সাথে নিয়ে আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

    শনিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীতে ১১ দলীয় জোটের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠকের পর সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন ড. হামিদুর রহমান আজাদ। বৈঠকে এনসিপি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, এলডিপি, এবি পার্টি, ইসলামী পার্টি, লেবার পার্টিসহ জোটভুক্ত বিভিন্ন দলের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

    তিনি বলেন, বৈঠকে দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অবস্থা নিয়ে গভীর আলোচনা হয়েছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সরকারের পক্ষ থেকে ‘ইতিহাসের সেরা নির্বাচন’ বলা হলেও, জনগণের ভোটাধিকারের পূর্ণ প্রতিফলন সেখানে দেখা যায়নি বলে জোটের উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

    জামায়াত নেতার অভিযোগ, জুলাই সনদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও সংবিধান সংস্কার পর্ষদ গঠনের জন্য একদিনে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ সংস্কারের পক্ষে মত দিয়েছিলেন। সেই নীরিক্ষার পরও সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকা হয়নি, যা জোটের কাছে গভীর উদ্বেগের কারণ বলে তিনি জানান।

    ড. হামিদুর রহমান আজাদ আরও বলেন, ‘জুলাই সনদ অনুযায়ী সংসদ নেতা বা প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে লিখিতভাবে অধিবেশন ডাকার পরামর্শ দেবেন এবং রাষ্ট্রপতি তা আহ্বান করবেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত সেই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি’।

    তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি সরকার দ্রুত এ বিষয়ে উদ্যোগ না নেয় তবে জনগণের প্রত্যাশা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য রাজপথে নেমে আন্দোলন করতে বাধ্য হবে বিরোধীরা। এ বিষয়ে জোটের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে শিগগিরই পরবর্তী কর্মসূচি নির্ধারণ করা হবে বলে জানান তিনি।

    জোটের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক আগামী ২৮ মার্চ ডাকার প্রস্তাব রাখা হয়েছে; ওই বৈঠকে ভবিষ্যৎ আন্দোলনের রূপরেখা ঠিক করতে পারে জোটটি, জানান তিনি।

    এ সময় ড. হামিদুর রহমান আজাদ আরো অভিযোগ করেন যে, ছয়টি সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ ও প্রশাসনে দলীয়করণের প্রবণতা নতুন করে জনমনে প্রশ্ন তুলেছে। তিনি এসব সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে প্রশাসন পরিচালনার দাবি জানান।

    সংসদের বাইরে ও সংসদে দুই জায়গাতেই বিরোধী দলের করণীয় থাকবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। ‘জুলাই সনদের আংশিক নয়, পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন চাই—কারণ জনগণের রায়ে এটি আইনি স্বীকৃতি পেয়েছে, তাই সরকারকে তা বাস্তবায়ন করতেই হবে’—শেষ করেন ড. হামিদুর রহমান আজাদ।

  • হানজালার মন্তব্য: ‘আমি খোঁচাখুঁচি করলে এ দেশে বিএনপি থাকতে পারবে না’—মিশ্র প্রতিক্রিয়া

    হানজালার মন্তব্য: ‘আমি খোঁচাখুঁচি করলে এ দেশে বিএনপি থাকতে পারবে না’—মিশ্র প্রতিক্রিয়া

    মাদারীপুর-১ (শিবচর) আসনের সংসদ সদস্য সাইদ উদ্দিন আহমাদ হানজালা বাহাদুরপুরে দেওয়া একটি ইফতার মাহফিলে বলেন, ‘আমি হানজালা খোঁচাখুঁচি করলে এ দেশে বিএনপি থাকতে পারবে না’, এ ধরনের বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তীব্র আলোচনায় পরিণত হয়।

    ঘটনাটি গত শুক্রবার কুয়েত রিলিফ সোসাইটি ও বাংলাদেশ উন্নয়ন সমিতির আয়োজনে বাহাদুরপুর মাঠে অনুষ্ঠিত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে ঘটে। সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তিনি। ওই অনুষ্ঠানে নেওয়া একটি চার মিনিট ২২ সেকেন্ডের ভিডিও হানজালার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে রাতেই শেয়ার করা হয় এবং মুহূর্তে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পরে বিষয়টি নিয়ে নানা মতপ্রকাশ ও সমালোচনা শুরু হয়।

    ভিডিওতে হানজালা শিবচর উপজেলা বিএনপি’র নেতাদের উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘আপনারা (বিএনপি) শিবচর নিয়ে রাজনীতি করুন, আমি পুরো বাংলাদেশ নিয়েই রাজনীতি করি। আমি শান্তি চাই; আমার চুপ থাকা দুর্বলতা নয়।’ তিনি আরও বলেন, নির্বাচিত হওয়ার পর তার নেতৃত্বের কেউ কাউকে হুমকি-ধমকি দেয়নি, বিদেশি, স্থানীয় ও বিভিন্ন স্তরের মানুষের সমর্থনে তিনি জিতেছেন এবং তাই রাজনৈতিকভাবে দায়িত্বশীলভাবে কাজ করতে চান।

    ভিডিওতে হানজালা তেমনকিছু ব্যক্তির সামাজিক মাধ্যমে লেখালেখি ও কঠোর ভাষার কটাক্ষের কথাও তুলে ধরেন এবং বলেন, তিনি শিবচরের মানুষের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছেন—যারা তার নামে লিখবে, সেই স্বাধীনতাই তিনি দিয়েছেন।

    বক্তব্য সংক্রান্ত প্রশ্নে হানজালা বলছেন, তার মন্তব্যে দেশের সর্বত্র বিএনপিকে উদ্দেশ্য করা হয়নি; তিনি মূলত শিবচর উপজেলা বিএনপিকেই বোঝাতে এই কথাগুলো বলেছেন। তিনি দাবি করেন, কিছু মানুষ তার কথাগুলো কেটে কেটে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছেন। এছাড়া তিনি বলেন, বিএনপির নাদিরা আক্তার নামের এক নেত্রী এক অনুষ্ঠানে তাকে উদ্দেশ্য করে জানিয়েছেন যে তিনি বিএনপিকে নিয়েই খোঁচাখুঁচি করেন—সেই মন্তব্যের প্রতিবাদগত প্রেক্ষাপটেই তিনি প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন।

    শিবচর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মোঃ সোহেল রানা এই মন্তব্যকে তীব্র আপত্তিকর হিসেবে দেখেন। তিনি বলেন, হানজালা ও তার পরিবারের আচরণ শিবচরের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ অস্বাভাবিক করবার চেষ্টা করছে; আশা করা হচ্ছে তিনি তার বক্তব্য প্রত্যাহার করবেন এবং উপজেলা বিএনপি শান্তিপূর্ণভাবে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ করবেন।

    প্রসঙ্গত, এবারের নির্বাচনে সাইদ উদ্দিন আহমাদ হানজালা বিএনপি প্রার্থী নাদিরা চৌধুরীকে পরাজিত করে জয়ী হন—মাত্র ৩৮৫ ভোটে, যা দেশের মধ্যে সবচেয়ে কম ভোট ব্যবধানে জেতার ঘটনা হিসেবে নজিরবিহীন। তিনি হাজী শরীয়ত উল্লাহ (র:)–এর সপ্তম পুরুষ।

  • চট্টগ্রাম–মোংলা বন্দর ও শিপিং করপোরেশনে অনিয়ম: দুদকের চার অনুসন্ধান কমিটি

    চট্টগ্রাম–মোংলা বন্দর ও শিপিং করপোরেশনে অনিয়ম: দুদকের চার অনুসন্ধান কমিটি

    দুর্নীতি ও নিয়োগ সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগে চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দরসহ বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের কয়েকটি প্রকল্প তদন্তে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। উপ-পরিচালক নাজমুচ্ছায়াদাতকে প্রধান করে চারটি অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    রোববার (১৫ মার্চ) দুদক সূত্রে জানানো হয়েছে, প্রাথমিক অনুসন্ধানে বিভিন্ন আর্থিক ও প্রশাসনিক অনিয়মের প্রমাণ উঠেছে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের বর্তমান চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে একাধিক আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। তদন্তে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, তিনি শিপিং করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক থাকাকালীন ২,৪৮৬ কোটি টাকার বাজেটে ছয়টি জাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়; কিন্তু শেষ পর্যন্ত চারটিই কেনা হয়। এতে প্রায় ৪৮৬ কোটি টাকার আর্থিক অসঙ্গতি শনাক্ত করা হয়েছে বলে দুদক জানিয়েছে।

    এছাড়া মোংলা বন্দরের ‘পশুর চ্যানেল সংরক্ষণ ড্রেজিং’ প্রকল্পে ১,৫৩৮ কোটি টাকার বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। দুর্নীতির এ ধরনের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে নথিপত্র তলব করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

    দুদকের অনুসন্ধানকারীরা বিষয়গুলো দ্রুত ও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে বলে কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানানো হয়েছে। তদন্ত এখনও চলমান; প্রয়োজন অনুসারে আরও তথ্য সংগ্রহ ও সাক্ষ্যগ্রহণ করা হবে।

  • খেলাপি ঋণ দ্রুত আদায়ে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগের নির্দেশ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

    খেলাপি ঋণ দ্রুত আদায়ে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগের নির্দেশ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

    খেলাপি ঋণ সংক্রান্ত বিরোধ দ্রুত নিরসন এবং আদালতে মামলা দায়েরের আগেই ‘প্রাক-মামলা মধ্যস্থতা’ পদ্ধতিতে समाधान নিশ্চিত করতে তফসিলি ব্যাংকগুলোকে দক্ষ মধ্যস্থতাকারী নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার বুধবার জারি করেছে।

    নতুন উদ্যোগের উদ্দেশ্য হচ্ছে বিচার ব্যবস্থায় মামলা কমানো এবং অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩ ও দেউলিয়া আইন, ১৯৯৭-এর আওতায় পড়তে পারে এমন ঋণবিষয়ক বিরোধগুলো আদালতে যাওয়ার আগেই সমাধান করার সুযোগ তৈরি করা।

    সার্কুলারে বলা হয়েছে, বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) পদ্ধতির মাধ্যমে ২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে তফসিলি ব্যাংকগুলোকে তাদের মোট খেলাপি ঋণের অন্তত ১ শতাংশ নিষ্পত্তি করে দেখাতে হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই সময়সীমা নির্ধারণকে ব্যাংক খাতের তারল্য ও আর্থিক স্থিতি উন্নয়নে নিয়ন্ত্রকের গুরুত্বারোপ হিসেবে বর্ণনা করেছে। বর্তমান অনাদায়ী ঋণের পর্যাপ্ত পরিমাণের প্রেক্ষাপটে মধ্যস্থতার মাধ্যমে ১ শতাংশ আদায়কে জাতীয় পর্যায়ের ঋণ পুনরুদ্ধার কর্মসূচিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    এ নির্দেশনার ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের ২২ মে জারি করা বিএরপিডি সার্কুলার নং-১১-এর ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হলেও এবার বিশেষভাবে আদালতে যাওয়ার আগেই বিরোধ নিষ্পত্তির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

    মধ্যস্থতা প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও মান নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ব্যাংক নির্দেশ দিয়েছেন যে, Banks must select mediators from panels constituted by specialised dispute-resolution service providers in accordance with existing law. এসব প্যানেলে সাধারণত অবসরপ্রাপ্ত বিচারক, ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং অন্যান্য অভিজ্ঞ পেশাজীবীকে রাখা যেতে পারে।

    সার্কুলারে মধ্যস্থতাকারী নির্বাচনের জন্য দশটি যোগ্যতা ও অযোগ্যতার মানদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে প্যানেল সদস্যপদ যাচাই, নিরপেক্ষতা, পেশাগত সুনাম, বিশেষজ্ঞ দক্ষতা, মধ্যস্থতা সংক্রান্ত জ্ঞান, প্রমাণিত অভিজ্ঞতা, পরিষ্কার আইনগত রেকর্ড, আর্থিক সততা, খেলাপি ঋণগ্রাহক না হওয়া এবং প্রয়োজনীয় আর্থিক সক্ষমতা।

    নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, মধ্যস্থতাকারী নিয়োগে ব্যাংকগুলোকে একটি কঠোর প্রশাসনিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে হলফনামা ও অঙ্গীকারপত্র গ্রহণ করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এছাড়া তফসিলি ব্যাংকগুলোকে গ্রাহকদের কাছে এই মধ্যস্থতা সুবিধা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধিতে সক্রিয় হতে বলা হয়েছে, যাতে গ্রাহকরা আদালতের বাইরে দ্রুত সমঝোতার সুবিধা বুঝে তা গ্রহণ করতে পারে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলেন, আদালতের বাইরে দ্রুত ও স্বল্পখরচে বিরোধ নিষ্পত্তি করে দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার বিকল্প একটি কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলা এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ কমলে না শুধু মামলার জট কমবে, বরং ব্যাংক খাতের আর্থিক চাপও হালকা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • রিয়াদ ও আল-ধাফরা লক্ষ্য করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন হামলার অভিযোগ

    রিয়াদ ও আল-ধাফরা লক্ষ্য করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন হামলার অভিযোগ

    সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল-ধাফরা সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ করে ইরানের বিরুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার অভিযোগ উঠেছে। সৌদি কর্তৃপক্ষ বলছে, রিয়াদের আকাশে পৌঁছানোর আগেই বেশ কয়েকটি ড্রোন ধ্বংস করা হয়।

    সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে রোববার (১৫ মার্চ) জানানো হয়েছে, রিয়াদ মহানগর এলাকায় চারটি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। সৌদি কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, ইরানি হামলার কারণে দেশটিতে এখন পর্যন্ত অন্তত দুইজন নিহত ও ১২ জন আহত হয়েছেন।

    ইরানের ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে, আল-ধাফরা বিমানঘাঁটিকে লক্ষ্য করে তারা ১০টি ক্ষেপণাস্ত্র ও একাধিক ড্রোন ব্যবহার করেছে। ওই ঘাঁটিতে অবস্থানরত মার্কিন বাহিনীকে নিশানা করার কথা বলা হয়েছে। এসব দাবির বিষয়ে তিন পক্ষের আলাদা বক্তব্য পাওয়া গেলেও ঘটনা সম্পর্কে নিরপেক্ষভাবে তদন্তের দাবি উঠেছে।

    বিশ্বব্যাপী উত্তেজনা বাড়ার সঙ্গে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে সংঘাত এবং প্রতিশোধের পালা শুরু হওয়ার পর থেকে সৌদি আরবকে বারবার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার হুমকির মুখে থাকতে দেখা গেছে। সম্ভাব্য লক্ষ্য হিসেবে জ্বালানি অবকাঠামো, মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনা, সামরিক ঘাঁটি ও জনবসতি চিহ্নিত করা হয়েছে।

    একই সময়ে ইসরায়েলে গত ২৪ ঘণ্টায় শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন বলে দেশীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অফ ইস্রায়েল জানিয়েছে; প্রতিবেদনে বলা হয়েছে আহত ১০৮ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ইসরায়েলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আহতদের সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করেনি; ধারণা করা হচ্ছে কেউ ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কিংবা লিবানন থেকে নিক্ষিপ্ত রকেটের আঘাতে আহত হয়েছেন, আবার নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার সময়ে হুড়োহুড়িতেও অনেকে আহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    রোববার একটি এক্স (টুইটার) পোস্টে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে রোববার সকাল পর্যন্ত মোট ৩ হাজার ১৯৫ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, যাদের মধ্যে ৮১ জন তখনও চিকিৎসাধীন ছিলেন। ঘটনাগুলো সম্পর্কে আরও তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই চলছে। সূত্র: আল জাজিরা, এএফপি।

  • ইসফাহানে হামলা: ধোঁয়ার কুণ্ডলী, নিহত কমপক্ষে ১৫

    ইসফাহানে হামলা: ধোঁয়ার কুণ্ডলী, নিহত কমপক্ষে ১৫

    ইরানের মধ্যাঞ্চলীয় শহর ইসফাহানের একটি শিল্প এলাকায় বিমান হামলার পর ঘন ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা গেছে; স্থানীয় গণমাধ্যম বলছে হতাহতদের মধ্যে কারখানায় কাজ করা শ্রমিকও রয়েছেন এবং কমপক্ষে ১৫ জন নিহত হয়েছে।

    ইরানি বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ জানায়, শনিবার (১৪ মার্চ) রাতে শহরের একটি হিটিং ও কুলিং সরঞ্জাম উৎপাদনকারী কারখানায় আঘাত লাগে। সংস্থাটির উদ্ধৃত সূত্রগুলোতে বলা হয়েছে যে হামলা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ক্ষেপণাস্ত্র বা বিমান হামলার মাধ্যমে হয়েছে, তবে এই দাবির স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি।

    আল জাজিরার ভেরিফায়েড করা ছবিও ভিডিওতে দেখা যায় ভোরের আলো ফোটা শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আকাশে ঘন ধোঁয়া উত্থিত হচ্ছে এবং একাধিক মুহূর্তে খুব নিচু উচ্চতায় একটি যুদ্ধবিমান উড়ন্ত অবস্থায় ধরা পড়ে।

    ইসফাহানকে ইরানের অন্যতম প্রধান জনবহুল ও শিল্পকেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়; এখানে বহু শিল্প-প্রতিষ্ঠান ও সামরিক কমপ্লেক্স রয়েছে। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে তেহরান ছাড়াও ২০০-টিরও বেশি শহরকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে বলা হচ্ছে এবং ইসফাহানও ঐ তালিকায় অন্যতম।

    এদিকে ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের সাম্প্রতিক সংঘাতে মোট ১,৪৪৪ জন মারা গেছেন এবং আহত হয়েছেন সাড়ে ১৮ হাজারেরও বেশি মানুষ (প্রায় ১৮,৫০০)। পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে এবং দায়িত্বরত সূত্র থেকেই আরও তথ্য পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • খুলনায় কোস্টগার্ডের ভোর অভিযানে ককটেল-বোমা ও অস্ত্রসহ সাতজন গ্রেফতার

    খুলনায় কোস্টগার্ডের ভোর অভিযানে ককটেল-বোমা ও অস্ত্রসহ সাতজন গ্রেফতার

    খুলনার দিঘলিয়ায় কোস্টগার্ডের এক বিশেষ অভিযানে ককটেল-বোমা, দেশীয় ও একনলা বন্দুকসহ খবির মোল্লা নামের সন্ত্রাসী গ্রুপের সাত সদস্যকে আটক করা হয়েছে। রোববার (১৫ মার্চ) ভোর ৫টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্টগার্ড স্টেশন রূপসা যৌথভাবে গাজীরহাট এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে অভিযানটি পরিচালনা করে।

    কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান, অভিযানে একটি একনলা বন্দুক, একটি দেশীয় ওয়ান-শুটার অস্ত্র, তিন রাউন্ড তাজা কার্তুজ এবং একটি ককটেল-বোমা জব্দ করা হয়েছে। এই ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— মো. সিরাজ মোল্লা (৫৫), মো. মিজানুর ফকির (৫৫), তুহিন মোল্লা (২৪), ইমরান মোল্লা (২৩), আশিক মোল্লা (২০), নাছিম শেখ (২১) ও জনি মোল্লা (৩৭)। প্রত্যেকের বাড়ি নড়াইল জেলার কালিয়া থানার সীমান্তভুক্ত এলাকায়।

    সাব্বির আলম সুজন আরও জানান, জব্দকৃত অস্ত্র ও গোলাগুলির আলামত সংরক্ষণ করে আটকৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। তিনি বলেন, দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য কোস্টগার্ড এই ধরনের অভিযান অব্যাহত রেখেছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।

    স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ওই এলাকায় গত কয়েক দিন ধরে সন্দেহজনক তাল মিলানোর ঘটনা লক্ষ্য করা যাচ্ছিল, যা কোস্টগার্ডের গোপন সংবাদের সঙ্গে মিল রেখে তৎপরতা বাড়ায়। ঘটনার তদন্ত ও ধরপকড় কার্যক্রম প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে চলছে।

  • পিএসএল ছেড়ে আইপিএলে মুজারাবানি, পিসিবি আইনি পদক্ষেপ ভেবে দেখছে

    পিএসএল ছেড়ে আইপিএলে মুজারাবানি, পিসিবি আইনি পদক্ষেপ ভেবে দেখছে

    ইসলামাবাদ ইউনাইটেডের হয়ে পিএসএলের অংশ নেওয়ার কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) কলকাতা নাইট রাইডার্সে যোগ দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। জিও সুপার জানায়, দেরিতে নাম প্রত্যাহারের জন্য মুজারাবানির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় আছে।

    পিএসএলের এগারোতম আসরের জন্য ইসলামাবাদ ইউনাইটেড মুজারাবানিকে ১ কোটি ১০ লাখ পাকিস্তানি রুপিতে দলে নিয়েছিল। টুর্নামেন্টের শুরুর দিন ধার্য ছিল ২৬ মার্চ। তার মাত্র দুই সপ্তাহ আগে কলকাতার প্রস্তাবে ইসলামাবাদের সঙ্গে থাকা চুক্তি ভঙ্গ করে আইপিএলে খেলার সিদ্ধান্ত নেন জিম্বাবুয়ের পেসার।

    কলকাতা নাইট রাইডার্স তাকে মূলত বাঁ-হাতি পেসার মোস্তাফিজুর রহমানের বদলি হিসেবে নিয়েছে। বিসিসিআইয়ের নির্দেশে মোস্তাফিজকে দল থেকে বাদ দেওয়ার পর তিনবারের চ্যাম্পিয়নরা মুজারাবানির সঙ্গে চুক্তি করেছে—এই তথ্যও কলকাতা কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে।

    পিসিবি সূত্রে বলা হচ্ছে, পিএসএল থেকে শেষ মুহূর্তে সরে যাওয়া নতুন ঘটনা নয়, কিন্তু সংগঠনের কাছে এ ধরনের আচরণ অনাকাঙ্ক্ষিত ও সমস্যা তৈরি করে। গত বছরও একই ধরনের ঘটনার উদাহরণ ছিল—দক্ষিণ আফ্রিকার অলরাউন্ডার করবিন বশ পেশোয়ার জালমির হয়ে নির্বাচিত হওয়ার পর চুক্তি বাতিল করে আইপিএলের মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সে যোগ দেন এবং তাকে এক বছর পিএসএল থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।

    সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে মুজারাবানি বল হাতে দারুন ছন্দে ছিলেন। ১৩ উইকেট নিয়ে তিনি যৌথভাবে তৃতীয় সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি ছিলেন এবং জিম্বাবুয়েকে সুপার এইটে পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। ৬ ফুট ৮ ইঞ্চি উচ্চতার এই পেসারের বাউন্স ও নির্ধারণী সময়ে উইকেট নেওয়ার ক্ষমতা তাকে টি-টোয়েন্টিতে তুলনীয় করে তুলেছে।

    অবশেষে জিম্বাবুয়ের জার্সিতে মুজারাবানি ৮৯টি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন; ৮৬ ইনিংসে বল হাতে তার শিকার ১০৬ উইকেট এবং ওভারপ্রতি খরচ করেছেন গড়ে ৭.২৪ রান। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, তার অভিজ্ঞতা ও গতিবেগ কলকাতার পেস আক্রমণকে আরও শক্তিশালী করবে।

    ঘটনাটির সূত্রে পিসিবি কী উদ্যোগ নেবে এবং কবে তা জানাবে—এটাই এখন ক্রীড়া পেশাদারদের এবং ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর দৃষ্টি আকর্ষণের বিষয়।