Blog

  • সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ জনকে আজ হাজির করা হচ্ছে ট্রাইব্যুনালে

    সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ জনকে আজ হাজির করা হচ্ছে ট্রাইব্যুনালে

    জুলাই-আগস্টের গণহত্যার মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হচ্ছে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ আসামিকে। 

    আজ সোমবার সকালে কড়া নিরাপত্তায় তাদেরকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হবে। এদিকে গণহত্যার মামলার তদন্তের সময় বৃদ্ধির জন্য আবেদন জানাবে তদন্ত সংস্থা। সংস্থার পক্ষে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট এম তাজুল ইসলাম আজ এ আবেদন জানাবেন। বিচারপতি মো. গোলাম মূর্তজা মজুমদারের সভাপতিত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালে আবেদনের উপর শুনানি হবে। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

    ট্রাইব্যুনালে যাদেরকে হাজির করা হচ্ছে এরা হলেন: আনিসুল হক, ড. আব্দুর রাজ্জাক, শাজাহান খান, সালমান এফ রহমান, গোলাম দস্তগীর গাজী, কামাল আহমেদ মজুমদার, লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান, ড. দীপু মনি, রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু, জুনাইদ আহমেদ পলক, তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী (বীর বিক্রম), সাবেক বিচারপতি এইচ এম শামসুদ্দীন চৌধুরী মানিক ও সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিব জাহাঙ্গীর আলম।

    এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট এম তাজুল ইসলাম ইত্তেফাককে বলেন, গণহত্যার মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারিকৃতদের মধ্যে গ্রেফতার হওয়া ১৪ অভিযুক্তকে আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করার জন্য আদেশ রয়েছে। ঐ আদেশ মোতাবেক কারা কর্তৃপক্ষ তাদেরকে হাজির করবে। তিনি বলেন, গণহত্যার মামলা তদন্তের জন্য সময় দিয়েছিল ট্রাইব্যুনাল। যেহেতু তদন্ত শেষ হয়নি সেহেতু সময় বৃদ্ধির আবেদন দেওয়া হবে। কোটা সংস্কার ও সরকার পতনের আন্দোলন দমাতে নিরস্ত্র ছাত্র-জনতাকে সমূলে বা আংশিক নির্মূলের লক্ষ্যে হত্যা, গণহত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের মামলায় গত ১৭ অক্টোবর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সরকারের সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে ট্রাইব্যুনাল। ২৭ অক্টোবর পরোয়ানাভুক্তদের মধ্যে ২০ জনকে ট্রাইব্যুনালের মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। এদের মধ্যে ১৪ জনকে আজ এবং ছয় পুলিশ কর্মকর্তা সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন, বরখাস্ত মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, সাবেক ঢাকা জেলার এডিসি (এসপি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত ছিলেন) আব্দুল্লাহ হিল কাফী, সাবেক এডিসি আরাফাতুল ইসলাম, যাত্রাবাড়ী থানার সাবেক ওসি আবুল হাসান এবং গুলশান থানার সাবেক ওসি মাজহারুল ইসলামকে ২০ নভেম্বর ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ রয়েছে। এদিকে ২৭ অক্টোবর ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, র‍্যাবের সাবেক ডিজি হারুন-অর রশিদ, এসবির সাবেক প্রধান মনিরুল ইসলাম, ডিবির সাবেক প্রধান হারুনুর রশিদ, বিপ্লব কুমার সরকার, সাবেক এডিসি ইকবাল হোসেনসহ আরো ১৭ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করা হয়।

    তদন্ত সংস্থা ও প্রসিকিউশনের অভিযোগে যা বলা হয়েছে : কোটা সংস্কারের অহিংস আন্দোলন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সহিংস হয়ে উঠে। একই সঙ্গে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরস্ত্র ছাত্র-ছাত্রীদের ওপর নির্মমভাবে হামলা চালায়। এই হামলার ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকাসহ দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামে। সংঘর্ষ হয় ছাত্রলীগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে। ১৬ জুলাই রংপুরে পুলিশের গুলিতে শিক্ষার্থী আবু সাঈদসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আরও ছয় জন মারা যান। ফলে কোটা সংস্কার আন্দোলন সরকার পতনের আন্দোলনে রূপ নেয়। এই আন্দোলনে একসময় শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ যোগ দেয়। কমপ্লিট শাটডাউন, অসহযোগ আন্দোলন দমাতে জারি করা হয় কারফিউ। কিন্তু তাতে দমে যায়নি ছাত্র-জনতা। এই ছাত্র-জনতাকে সমূলে বা আংশিক নির্মূলের উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ নির্দেশনায় নির্বিচারে গুলি চালায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এর সঙ্গে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠন এবং ১৪ দলীয় জোটের ক্যাডার বাহিনী যোগ দেয়। এতে দেড় সহস্রাধিক ছাত্র-জনতাকে হত্যা করা হয়। আহত হয় ২৩ হাজারের অধিক শিক্ষার্থী ও জনতা। আহত অনেকে চিরতরে পঙ্গু ও দৃষ্টি শক্তি হারিয়েছেন।

    এর পরেও দমানো যায়নি আন্দোলনকারীদের। তারা ৫ আগস্ট গণভবনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। পদত্যাগ করে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পরেও পূর্ব নির্দেশনা অনুযায়ী ঐদিন গভীর রাত পর্যন্ত হত্যা, গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী এবং ১৪ দলীয় জোটের ক্যাডাররা। এসব অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে জুলাই-আগস্ট গণহত্যার মামলায়।

    প্রসঙ্গত গণঅভ্যুত্থানের মুখে গত ৫ আগস্ট দেশত্যাগ করেন শেখ হাসিনা। ৮ আগস্ট নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যাত্রা শুরু করে। এরপর ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, এমপি, বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে শত শত হত্যা মামলা দায়ের হয়। এর মধ্যে বেশ কিছু মামলায় গ্রেফতার হয়ে আগস্ট মাস থেকে কারাগারে আছেন ট্রাইব্যুনালের পরোয়ানাভুক্ত আসামিরা। অক্টোবর মাসে সরকার পুনর্গঠন করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। শেখ হাসিনাসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির মধ্য দিয়ে গত ১৭ অক্টোবর যাত্রা শুরু করে ট্রাইব্যুনাল। ইতিমধ্যে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রেড অ্যালার্ট জারি করতে ইন্টারপোলের কাছে চিঠি দিয়েছে চিফ প্রসিকিউটর।

  • দীপু মনির সুপারিশে মাউশিতে তিন হাজার পদায়ন

    দীপু মনির সুপারিশে মাউশিতে তিন হাজার পদায়ন

    সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির ইশারায় নিয়োগ পান প্রায় তিন হাজার ১৮৩ কর্মকর্তা-কর্মচারী। দীপু মনি সিন্ডিকেটের বলয়ে তারা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) চাকরি পান। এর জন্য উচ্চ মহলের সুপারিশসহ তাদের দিতে হয়েছে ৫ থেকে ১৫ লাখ টাকা। নিয়োগের জন্য যাচ্ছেতাইভাবে পরীক্ষা নেয়া হয় তাদের জন্য। দীপু মনির আমলে চার হাজার ১০৯ জনকে নিয়োগ দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। এখনো চাকরির অপেক্ষায় রয়েছেন ৬১০ জন।

    মাউশি’র এই নিয়োগ পুরোটা সামলেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনির ভাই ডা. জে আর ওয়াদুদ টিপু ও চাঁদপুর পুরান বাজার ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ রতন কুমার মজুমদার। অভিযোগ রয়েছে এই চক্রটির খাতা কলমে বৈধতা দেয়ার কাজ করে গেছেন মাউশি’র কলেজ ও প্রশাসন শাখার পরিচালক শাহেদুল খবির চৌধুরী, প্রশাসন শাখার উপ-পরিচালক বিপুল চন্দ্র বিশ্বাস। বর্তমানে এই দুই কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। টাকার বিনিময়ে নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তারা ২০২৩ সালে দু’দফায় (আগস্ট ও নভেম্বরে) যোগদান করেন।

    মাউশি’র একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীপু মনি শিক্ষার দায়িত্ব হাতে পাবার পরই গড়ে তোলেন সিন্ডিকেট। মাউশিতে নিয়ে আসেন পছন্দের লোকদের। জনপ্রশাসন থেকে নিয়োগের ছাড়পত্র এনে তার আমলে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করেন। এই চক্র এতটাই শক্তিশালী ছিল যে, কেউ প্রশ্ন করার সাহস পর্যন্ত ছিল না। পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন অনেকেই। পরীক্ষায় এমসিকিউ বাতিল করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ’র অধীনে লিখিত পরীক্ষা নেয়ার দাবি তোলা হয়েছিল। কিন্তু তা আমলেই নেয়া হয়নি। এমনকি ভাইবার আগেই এসব প্রার্থীদের দেয়া হয়েছিল চাকরির নিশ্চয়তা।

    সুপারিশের প্রেক্ষিতে চার হাজার ১০৯ জনকে নিয়োগ দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু নানা জটিলতায় আটকে যায় ৬১০ জনের পদায়ন। তবে তাদের পদায়নের জন্য চলতি বছরের জুনে ফল প্রকাশ করা হয়। কিন্তু ছাত্র-জনতার আন্দোলনের তোড়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। যার কারণে আটকে আছে তাদের নিয়োগ। নিয়ম অনুযায়ী দশম থেকে দ্বাদশ গ্রেড পর্যন্ত দ্বিতীয় শ্রেণির পদ, কিন্তু মাউশি’র নিয়োগবিধিতে এই পদগুলোকে তৃতীয় শ্রেণির দেখিয়ে শুধু এমসিকিউ পরীক্ষা নেয়া হয়। ২০২০ সালের অক্টোবরে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে ২৮টি ক্যাটাগরির বিভিন্ন পদের মধ্যে প্রদর্শক পদে ৫১৪টি, গবেষণা সহকারী (কলেজ) পদে ২১টি, সহকারী গ্রন্থাগারিক কাম ক্যাটালগার পদে ৬৯টি এবং ল্যাবরেটরি সহকারী পদে ৬টি পদ উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এসব পদের বিপরীতে পরীক্ষা ২০২১ সালের আগস্ট ও অক্টোবরে অনুষ্ঠিত হয়। পরিদর্শক পদের ফল অনিবার্যকারণবশত স্থগিত করা হয়েছিল। সেই পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয় ২০২৪ সালের এপ্রিলে। এতে প্রায় আট হাজার প্রার্থী উত্তীর্ণ হন। মে মাসে ভাইবা শেষে জুনে নির্বাচিতদের ফল প্রকাশ করা হয়। কিন্তু পরবর্তীতে পরিস্থিতির কারণে আটকে আছে এই ৬১০ জনের নিয়োগ। চাকরি পাওয়াদের মধ্যে রয়েছেন কম্পিউটার অপারেটর ৯ জন, উচ্চমান সহকারী ৮৫ জন, ক্যাশিয়ার ১১৯ জন, স্টোরকিপার ৫০ জন, হিসাব সহকারী ১০৬ জন, অফিস সহকারী ৫১৩ জন, মেকানিক ৩৩ জন, গাড়িচালক ১১ জন, বুক সর্টার ৪৬ জন, অফিস সহায়ক ১৭০৪ জন, নিরাপত্তা প্রহরী ২৪৭ জন, মালী ৯৭ জন, পরিচ্ছন্নকর্মী ১৬৩ জন। অন্যদিকে তালিকায় নিয়োগের অপেক্ষায় রয়েছেন প্রদর্শক পদে পদার্থবিদ্যায় ১০৯ জন, রসায়নে ১২০ জন, জীববিজ্ঞানে ৩১ জন, প্রাণিবিদ্যায় ১০৯ জন, উদ্ভিদবিদ্যায় ৯৬ জন, ভূগোলে ১৩ জন, মৃত্তিকায় ৫ জন, গণিতে ২২ জন, গার্হস্থ্য বিজ্ঞানে ৮ জন, কৃষিতে একজন, গবেষণা সহকারী (কলেজ) ২১ জন, সহকারী গ্রন্থাগারিক ৬৯ জন এবং ল্যাবরেটরি সহকারী ৬ জন।

    এই নিয়োগের বিষয়ে জানতে চাইলে মাউশি মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর এবিএম রেজাউল করীম বলেন, তালিকা ধরে নিয়োগের বিষয়টি আমার জানা নেই। আমি নিয়োগ প্রক্রিয়ার সময়ে দায়িত্বেও ছিলাম না। এটা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন। মন্ত্রণালয় থেকে কোনো নির্দেশনা দেয়া হলে সেটি বাস্তবায়ন করা হবে।

  • নারায়ণগঞ্জ হত্যাকাণ্ড: শামীম ওসমানসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন, বিচার শুরু

    নারায়ণগঞ্জ হত্যাকাণ্ড: শামীম ওসমানসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন, বিচার শুরু

    আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মঙ্গলবার (১৩ মে) সাবেক এমপি শামীম ওসমান, তাঁর ছেলে অয়ন ওসমান ও ভাতিজা আজমেরী ওসমানসহ মোট ১২ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করেছেন। এzzel ঘটনায় বিচার কার্যক্রম এবার শুরু হলো।

    প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুসারে, ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানের সময়ে নারায়ণগঞ্জের সদর ও ফতুল্লা এলাকায় পৃথক ঘটনায় শিশু গোপসহ মোট ১০ জনকে হত্যা করা হয়। ঘটনার সময়কার বিভিন্ন অবস্থার ওপর ভিত্তি করে তিনটি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

    ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারি প্যানেল বুধবার ওই অভিযোগ গঠনের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে আদালত আগামী ১০ জুন ওই মামলায় ওপেনিং স্টেটমেন্ট অর্থাৎ সূচনা বক্তব্য উপস্থাপনের দিন নির্ধারণ করেছে।

    প্রসিকিউশনের ব্যাখ্যায় বলা হয়, ঘটনাগুলি মূলত ২০২৪ সালের ১৯ ও ২১ জুলাই এবং ৫ আগস্ট—এই তিন দিনে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা ও সাইনবোর্ড এলাকায় সংঘটিত হয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, ওই সময় আসামিরা অস্ত্রধারী ছিলেন এবং গোলাবারুদ ও দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করে হামলা চালানো হয়, ফলে বহু মানুষ আহত হন।

    প্রসিকিউশন দাবি করেছে, এসব হত্যাকাণ্ডে শামীম ওসমান অন্যতম প্রধান পরিকল্পনাকারী। তারা জানায়, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে মোবাইল ফোনে নিয়মিত যোগাযোগের রেকর্ড ও সিডিআর ট্রাইব্যুনালে জমা দেওয়া হয়েছে।

    অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, নারায়ণগঞ্জে হামলা ও হত্যাকাণ্ড একাধিক স্থানে ছড়িয়ে পড়ে—শুরুতে ফতুল্লা ও শহর এলাকায়, পরে সিদ্ধিরগঞ্জ ও চিটাগং রোড পর্যন্ত সহিংসতা বিস্তৃত হয়।

    ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ গঠনের সঙ্গে বিচার কার্যক্রম formally শুরু হলেও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তাদের অপরাধী ধরা হবে না—এটি আইনগত প্রক্রিয়ার অংশ। আগামী ১০ জুন ওপেনিং স্টেটমেন্টের সময় মামলার পরবর্তী ধরন ও সাক্ষ্য গ্রহণ সংক্রান্ত কর্মপদ্ধতি বিস্তারিতভাবে চিহ্নিত হবে।

  • আসন্ন বাজেটে স্বাস্থ্যখাতে জিডিপির ১ শতাংশ বরাদ্দ নিশ্চিত

    আসন্ন বাজেটে স্বাস্থ্যখাতে জিডিপির ১ শতাংশ বরাদ্দ নিশ্চিত

    প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার জানিয়েছেন, আসন্ন বাজেটে স্বাস্থ্যখাতে জিডিপির ১ শতাংশ বরাদ্দ করা হবে। তিনি বললেন, বর্তমানে এই খাতে বরাদ্দ অপ্রতুল; গত অর্থবছরে তা ছিল জিডিপির মাত্র 0.67 শতাংশ।

    বুধবার (১৩ মে) দুপুর ২টায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে, দেশব্যাপী হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬ সম্পর্কিত অনুষ্ঠানে এসব কথা জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় স্বাস্থ্যব্যবস্থা শক্তিশালী করতে ইতোমধ্যে বিভিন্ন কর্মপন্থা গ্রহন করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।

    ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, বিশেষভাবে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে (প্রাইমারি হেলথকেয়ার) কার্যকর ও সমন্বিত কাঠামোয় রূপ দেওয়ার লক্ষ্যে ব্যাপক পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। প্রতিটি ইউনিয়ন ও শহরের প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে প্রাইমারি হেলথকেয়ার ইউনিট গড়ে তোলার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং এ কাজ বাস্তবায়নের জন্য এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

    নতুন এই প্রতিষ্ঠার ফলে প্রতিটি পরিবার মাসে অন্তত একবার স্বাস্থ্যকর্মীর সেবা পাবে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে স্বাস্থ্যকর্মীরা পরিবারের সদস্যদের স্বাস্থ্য পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবেন—এর মধ্যে থাকবে রক্তে শর্করা (ব্লাড সুগার) ও রক্তচাপ পরিমাপ, মানসিক স্বাস্থ্য মূল্যায়ন, গর্ভবতী নারীদের কাউন্সেলিং, পাঁচ বছরের নিচের শিশুদের শারীরিক বিকাশ পর্যবেক্ষণ এবং টিকাদান কার্যক্রম।

    প্রতিটি নাগরিককে ইলেকট্রনিক হেলথ কার্ড প্রদান করা হবে। রোগীর শারীরিক অবস্থার ভিত্তিতে তাকে সংশ্লিষ্ট প্রাইমারি হেলথকেয়ার ইউনিটে পাঠানো হবে; সেখানে চিকিৎসা সম্ভব না হলে উপজেলা বা তৃতীয় পর্যায়ের হাসপাতালে রেফার করা হবে বলে জানান তিনি।

    হামের সংক্রমণের সাম্প্রতিক বৃদ্ধির প্রসঙ্গে ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার অভিযোগ করেন, অতীতের অব্যবস্থাপনা এবং ২০২০ সালের পর থেকে হামবিরোধী ক্যাম্পেইন না চালানোর কারণেই বর্তমান পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আগের সরকারের টিকাদান কভারেজ সংক্রান্ত তথ্য বিকৃত হওয়ায় বাস্তবে অনেক শিশু টিকার বাইরে থেকে গেছে।

    সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস জানান, হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন দেশের বিভিন্ন ধাপে চলছে। ৫ এপ্রিল থেকে উচ্চ সংক্রমণপ্রবণ ১৮ জেলার ৩০টি উপজেলা ও ১৩টি পৌরসভার প্রথম ধাপ শুরু হয়; দ্বিতীয় ধাপে ১২ এপ্রিল থেকে ঢাকা উত্তর, ঢাকা দক্ষিণ, ময়মনসিংহ ও বরিশাল সিটি করপোরেশনে কার্যক্রম পরিচালিত হয়; এরপর ২০ এপ্রিল থেকে তা দেশব্যাপী সম্প্রসারণ করা হয়েছে।

    ডিজিএইচএসের সর্বশেষ তথ্যমতে, প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ শিশুকে টিকার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে, যা নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার প্রায় শতভাগের অনুরূপ। প্রথম ধাপে অন্তর্ভুক্ত এলাকায় হামের সংক্রমণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে বলে তিনি জানান।

    প্রফেসর প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস সতর্ক করে বলেন, হাম-রুবেলা টিকা গ্রহণের পর শরীরে রোগপ্রতিরোধী অ্যান্টিবডি গঠনে সাধারণত প্রায় তিন সপ্তাহ সময় লাগে; তাই খুব শিগগিরই দেশের সংক্রমণ হ্রাস পাওয়ার আশা করা যায়।

    তিনি অভিভাবকদের প্রতি অনুরোধ জানান—যেসব শিশু এখনও টিকা পাননি, কিংবা নিয়মিত ইপিআই কার্যক্রমের আওতায় এক-দুই ডোজ টিকা পেয়েও কেউ বাদ পরে থাকলে তারা অবশ্যই ক্যাম্পেইনের আওতায় হাম-রুবেলা টিকা গ্রহণ করুক। টিকাদান দেশের শিশুদের সুরক্ষায় সবচেয়ে কার্যকর উপায় বলে তারা উভয়েই জোর দেন।

  • এনসিপি ঘোষণা করেছে ১০০ উপজেলা ও পৌরসভা প্রার্থী

    এনসিপি ঘোষণা করেছে ১০০ উপজেলা ও পৌরসভা প্রার্থী

    জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আসন্ন স্থানীয় সরকারের নির্বাচনের জন্য প্রাথমিকভাবে ১০০ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে। রোববার (১০ মে) বিকেলে দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

    সারজিস আলম বলেন, হাজারের বেশি দরখাস্তের মধ্য থেকে যাচাই-বাছাই করে প্রথম ধাপে ৫০ জন উপজেলা চেয়ারম্যান ও ৫০ জন পৌরসভা মেয়র প্রার্থীর তালিকা ঘোষণা করা হচ্ছে। তিনি জানান, আগামী ঈদের আগে—এই মাসের ২০ তারিখে—দ্বিতীয় ধাপে আরও ১০০ জনের নাম ঘোষণার পরিকল্পনা রয়েছে এবং নাম ঘোষণা পরবর্তীও প্রক্রিয়া চলমান থাকবে।

    তিনি আরও বলেন, এনসিপি যে কোনো রাজনৈতিক দলের থেকে যোগ দিতে ইচ্ছুক, গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ নেতৃত্বকে সুযোগ দেবে, তবে সেগুলোকে সারা দেশব্যাপী যাচাই-বাছাই করা হবে। যারা মানুষের প্রতি জুলুমে জড়িত নয়, অপরাধ বা ফ্যাসিবাদী সম্পর্ক নেই—এমন প্রার্থীদের এ আবেদন উপযুক্ত বিবেচিত হবে।

    চেয়ারম্যান ও মেয়র পদে ঘোষিত ১০০ প্রার্থীর মধ্যে ৫০ জন উপজেলা চেয়ারম্যান এবং ৫০ জন পৌরসভা মেয়র প্রার্থী রয়েছেন। নিচে বিভাগভিত্তিক প্রার্থীদের নাম দেওয়া হলো—

    খুলনা বিভাগ:

    কুষ্টিয়ার কুমারখালী — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: অ্যাডভোকেট আবুল হাশেম বাদশা

    ভেড়ামারা — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: জান্নাতুল ফেরদৌস টনি

    বাগেরহাট, চিতলমারি — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: ইশতিয়াক হোসেন

    ফকিরমারা — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: লাবিব আহমেদ

    মোংলা পৌরসভা — মেয়র প্রার্থী: মো. রহমত উল্লাহ

    বাগেরহাট পৌরসভা — মেয়র প্রার্থী: সৈয়দ মোর্শেদ আনোয়ার

    যশোর, বাঘারপাড়া — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: ইয়াহিয়া জিসান

    নোয়াপাড়া পৌরসভা — মেয়র প্রার্থী: শাহজাহান কবির

    খুলনা, চালনা — মেয়র প্রার্থী: এস এম এ রশিদ

    চুয়াডাঙ্গা সদর — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: খায়রুল বাশার বিপ্লব

    জীবননগর পৌরসভা — মেয়র প্রার্থী: সোহেল পারভেজ

    মেহেরপুর, গাংনী — পৌরসভা মেয়র প্রার্থী: শাকিল আহমেদ

    ঝিনাইদহ পৌরসভা — মেয়র প্রার্থী: তারেকুল ইসলাম

    রংপুর বিভাগ:

    পঞ্চগড়, তেঁতুলিয়া — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: মো. হাবিবুর রহমান হাবিব

    পঞ্চগড়, বোদা — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: শিশির আসাদ

    দিনাজপুর, দেবীগঞ্জ — পৌর মেয়র প্রার্থী: মাসুদ পারভেজ

    ঠাকুরগাঁও, রাণীশংকৈল — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: গোলাম মর্তুজা সেলিম

    দিনাজপুর, ফুলবাড়ি — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: ইমরান চৌধুরী নিশাত

    বগুড়ার বোচাগঞ্জ — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: মাওলানা এম এ তাফসির হাসান

    ফুলবাড়ি পৌরসভা — পৌর মেয়র প্রার্থী: শিহাব হোসেন

    ঘোড়াঘাট — পৌর মেয়র পদপ্রার্থী: মো. আব্দুল মান্নান

    হাকিমপুর — পৌর মেয়র প্রার্থী: রায়হান কবির

    নীলফামারি, জলঢাকা — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: আবু সাইদ লিয়ন

    নীলফামারি সদর — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: ড. কামরুল ইসলাম

    কুড়িগ্রাম সদর — পৌর মেয়র প্রার্থী: মো. মাসুম মিয়া

    লালমনিরহাট, কালীগঞ্জ — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: শাহ সুলতান নাসির উদ্দিন আহমেদ

    রংপুর সদর — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: কৃষ্ণ চন্দ্র বর্মণ

    গাইবান্ধা, সাদুল্লাপুর — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: খাদিমুল ইসলাম

    রাজশাহী বিভাগ:

    রাজশাহী, গোদাগাড়ি — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: মো. আতিকুল রহমান

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ, গোমস্তাপুর — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: আবু মাসুদ

    নওগাঁ, নেয়ামতপুর — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: বিশাল আহমেদ

    নওগাঁ, বাদলগাছী — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: আসাদ মোর্শেদ আজম

    পাবনার ধামুরহাট — পৌর মেয়র প্রার্থী: মাহফুজার রহমান চৌধুরী রুবেল

    বগুড়া, শিবগঞ্জ — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: মো. জাহাঙ্গীর আলম

    দুপচাঁচিয়া পৌরসভা — মেয়র প্রার্থী: আবু বক্কর সিদ্দিক

    বগুড়া সদর — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: এ এম জেড শাহরিয়ার

    নাটোর সদর পৌরসভা — মেয়র প্রার্থী: আব্দুল মান্নান

    পাবনা, চাটমোহর — পৌর মেয়র প্রার্থী: খন্দকার আক্তার হোসেন

    সিরাজগঞ্জ, উল্লাপাড়া — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: ইঞ্জিনিয়ার মোশারফ আদনান

    উল্লাপাড়া পৌরসভা — মেয়র প্রার্থী: ইঞ্জিনিয়ার আল-মামুন লিয়ন

    সিলেট বিভাগ:

    হবিগঞ্জ, আজমিরিগঞ্জ — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: মো. কামাল আহমেদ

    হবিগঞ্জ সদর পৌরসভা — মেয়র প্রার্থী: মাহবুবুল বারী চৌধুরী

    মৌলভীবাজার, রাজনগর — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: খালেদ হাসান

    কুলাউড়া — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: আবু রুকিয়ান

    সিলেট, কোম্পানিগঞ্জ — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: ওবায়েদ আহমেদ

    কানাইঘাট — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: বোরহান উদ্দিন ইউনূস

    ওসমানীনগর — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: হাজি মো. মোশাহিদ আলী

    জৈন্তাপুর — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: জাকারিয়া

    গোয়াইনঘাট — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: মনসুরুল হাসান

    ময়মনসিংহ বিভাগ:

    শেরপুর সদর — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: ইঞ্জিনিয়ার মো. লিখন মিয়া

    শেরপুর সদর পৌর — মেয়র প্রার্থী: নূর ইসলাম

    জামালপুর সদর — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: অ্যাডভোকেট আবু সাইদ মো. শামিম

    নেত্রকোণা, খালিয়াজুড়ি — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: মো. মুশফিকুর রহমান মিন্টু

    বারহাট্টা — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: শফিকুল হক চৌধুরী বাবলু

    নেত্রকোণা সদর পৌরসভা — মেয়র প্রার্থী: সোহাগ মিয়া প্রিতম

    ময়মনসিংহ, তারাকান্দা — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: ইঞ্জিনিয়ার শহিদুল ইসলাম

    ভালুকা — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: নূরুল ইসলাম

    হালুয়াঘাট — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: আবু হেলাল

    ধোবাউড়া — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: মো. সাইফুল্লাহ

    ঢাকা বিভাগ (উত্তর):

    কিশোরগঞ্জ সদর — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: আহনাফ সাইদ খান

    তাড়াইল — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: ইকরাম হোসেন

    করিমগঞ্জ পৌরসভা — মেয়র প্রার্থী: খায়রুল কবির

    সাভার — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: শাহাবদুল্লাহ রনি

    মানিকগঞ্জ সদর — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: আরিফুল ইসলাম

    দৌলতপুর — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: আবু عبدالله

    টাঙ্গাইল, কালিহাতি — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: মেহদী হাসান

    টাঙ্গাইল পৌরসভা — মেয়র প্রার্থী: মাসুদুর রহমান রাসেল

    ভুঞাপুর পৌরসভা — মেয়র প্রার্থী: হাসান ইমাম তালুকদার

    শফিপুর পৌরসভা — মেয়র প্রার্থী: মাওলানা আনসার আলী

    নরসিংদী সদর — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: সাইফ ইবনে সারওয়ার

    গাজীপুর, কালীগঞ্জ — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: শোয়েব মিয়া

    ঢাকা বিভাগ (দক্ষিণ):

    নারায়ণগঞ্জ, সেনারগাঁও — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: তুহিন মাহবুব

    মুন্সিগঞ্জ, সিরাজদিখান — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: আলী নেওয়াজ

    ফরিদপুর বিভাগ:

    ফরিদপুর, নগরকান্দা — উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী: রেজাউল করিম সবুজ

    নগরকান্দা পৌরসভা — মেয়র প্রার্থী: নাজমুল হুদা

    ফরিদপুর পৌরসভা — মেয়র প্রার্থী: সাইদ খান

    মাদারীপুর পৌরসভা — মেয়র প্রার্থী: মো. হাসিবুল্লাহ

    গোপালগঞ্জ পৌরসভা — মেয়র প্রার্থী: ফেরদৌম আমেনা

    এনসিপি আরও জানিয়েছে যে প্রার্থীর যোগ্যতা ও গ্রহণযোগ্যতা যাচাই করে অন্য রাজনৈতিক দল থেকে আগ্রহী প্রার্থী থাকলে তাদেরও সুযোগ দেয়ার চেষ্টা করা হবে। দল পর্যায়ক্রমে আরও প্রার্থী ঘোষণা করবে বলে অফিস সূত্রে জানা গেছে।

  • গণতান্ত্রিক উন্নয়নে বৈষম্য করছে সরকার: মিয়া গোলাম পরওয়ার

    গণতান্ত্রিক উন্নয়নে বৈষম্য করছে সরকার: মিয়া গোলাম পরওয়ার

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, সরকার উন্নয়নের ক্ষেত্রে চরম বৈষম্যমূলক আচরণ করছে। তিনি আরও বলেন, উত্তরাঞ্চলের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক করার সিদ্ধান্তটি সবচেয়ে যৌক্তিক ও ন্যায়সঙ্গত। বৃহত্তর রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলের দীর্ঘদিনের দাবি মেনে এটি আন্তর্জাতিক হলে লোকাল ও অঞ্চলের উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখবে বলে তাঁর দাবি।

    শনিবার সকালে পঞ্চগড় যাওয়ার পথে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে নেমে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় তিনি এসব কথা বলেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুল হালিম, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি অ্যাড. আতিকুর রহমান এবং সহ-সভাপতি গোলাম রব্বানী।

    গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘‘কোন শিল্প-প্রতিষ্ঠান, উপবিভাগ বা বিশ্ববিদ্যালয় শুধু নির্দিষ্ট কোনো নেতার নির্বাচনী এলাকাকেই কেন্দ্র করে করা হলে তা অন্যায়। সার্বিক জাতীয় গুরুত্ব বিবেচনায় উন্নয়ন ভিন্ন ভিন্ন অঞ্চলে বিস্তৃত হওয়া উচিত।’’

    তিনি বিএনপি ও সরকারের সম্পর্ক নিয়ে তীব্র সমালোচনা করে বলেন, ‘‘প্রবাদ আছে, যে যায় লঙ্কায় সেই হয় রাবণ—এখন বাস্তবেও তা-ই দেখা যাচ্ছে। বিএনপি ক্ষমতায় এসে এভাবেই কাজ করছে। তারা ৭০ শতাংশ জনমতকে উপেক্ষা করে প্রতারণার রাজনীতি চালাচ্ছে। নির্বাচনের আগে যারা ‘হ্যাঁ’ বলেছিলেন, তারা এখন গণভোটের রায় অস্বীকার করছেন। জুলাই সনদ বাস্তবায়নের কথা থাকলেও তারা বাস্তবেই গণভোটের রায় মানছে না; এটি জনগণের সঙ্গে মহাপ্রতারণা।’’

    তিনি আরও বলেন, ‘‘বিএনপি যদি জনস্বার্থের বিপরীতে ব্যাকপাস খেলে, তার ফলস্বরূপ উল্টো ক্ষতি হতে পারে—এটি শুধু বিএনপির জন্য নয়, দেশের জন্যও জটিলতা তৈরি করবে।’’

    গণমাধ্যম প্রসঙ্গে গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করেন, ‘‘ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনের সময় যারা স্বাধীন সাংবাদিকতার কথা বলেছিল, তাদেরই এখন বিভিন্ন গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার, সাংবাদিকদের চাকরিচ্যুত করার ও হয়রানির মতো কাজে জড়িত হওয়ার অভিযোগ আছে। বিশেষ করে সরকারের সমালোচনাকারী সাংবাদিকরা টার্গেট করা হচ্ছে।’’

    এর আগে বিমানবন্দরে গোলাম পরওয়ার ও তাঁর সফরসঙ্গীদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানান নীলফামারী-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাফেজ মাওলানা আব্দুল মুনতাকিম, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আন্তাজুল ইসলাম এবং জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মনিরুজ্জামান জুয়েল। সৈয়দপুর উপজেলা জামায়াতের আমির শফিকুল ইসলাম, সেক্রেটারি মাজহারুল ইসলাম, শহর আমির শরফুদ্দিন খান, সেক্রেটারি মাওলানা ওয়াজেদ আলী, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের শহর সভাপতি আব্দুল মোমিনসহ শতাধিক নেতা-কর্মীও উপস্থিত ছিলেন।

    মাধ্য্যমিক আচরণ ও উন্নয়নের ন্যায়বিচার নিয়ে তাঁর বক্তব্য শেষে তিনি সফরসঙ্গীদের নিয়ে সড়কপথে পঞ্চগড়ের উদ্দেশ্যে রওনা দেন।

  • অর্থমন্ত্রী: আর্থিক খাতে কোনো রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থাকবে না

    অর্থমন্ত্রী: আর্থিক খাতে কোনো রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থাকবে না

    অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, আর্থিক খাতসহ সংশ্লিষ্ট সব অর্থনৈতিক সেক্টরে কোনো রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থাকবে না এবং এসব প্রতিষ্ঠান শতভাগ পেশাদারভাবে পরিচালিত হবে। তিনি এসব কথা বলেন মঙ্গলবার (১২ মে) রাজধানীর হোটেল রেডিসন ব্লুতে ‘বাংলাদেশ স্টার্টআপ ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে।

    অনুষ্ঠানটি বিএসআইসির চেয়ারম্যান মাসরুর আরেফিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। বিপন বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান ও বিএবির চেয়ারম্যান আব্দুল হাই সরকার।

    মন্ত্রী বলেন, সরকারের কোনো রাজনৈতিক নিয়োগ বা প্রভাব এখানে কাজ করবে না; প্রতিষ্ঠানটি হবে পুরোপুরি পেশাদার সার্ভিস প্রদানে নিবেদিত। তিনি আরো বলেন, কোম্পানিটি যেভাবে মূলধন নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে, ভবিষ্যতে তা আরও বাড়বে এবং এটি কেবল একটি বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান নয় — দেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমকে দৃশ্যমান করে তোলার একটি মঞ্চও হবে।

    আমির খসরু স্মরণ করিয়ে দেন, তরুণ প্রজন্মের সামনে প্রধান দুটি প্রতিবন্ধকতা হলো ফান্ডের অভাব এবং জামানত দিতে অক্ষমতা। এই উদ্যোগের মাধ্যমে দুইটি সমস্যার সমাধান ও বাধা সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে বিনিয়োগ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ হবে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ, দক্ষ ও পেশাদারিভিত্তিক।

    মন্ত্রী আরও বলেন, এই উদ্যোগটি তাদের রাজনৈতিক ম্যানিফেস্টো’র সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত এবং ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড কাজে লাগিয়ে এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। বিশেষত ক্রিয়েটিভ ইকোনমির মাধ্যমে গ্রামীণ ও শহরের তরুণদের অর্থনীতির প্রধান ধারাে পরিণত করতে কাজ করা হবে।

    আর্থিক খাতের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার প্রসঙ্গে তিনি জানান, বর্তমানে দেশে কঠিন সময় পার হচ্ছে, তাই পুঁজিবাজার সংস্কার ও প্রয়োজনীয় ডিরেগুলেশনের পথে এগোচ্ছে সরকার। বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজারে দক্ষতার জন্য বিশেষ উপদেষ্টা নিয়োগ করা হয়েছে। দেশি-বিদেশি বড় ইনভেস্টমেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন দাতা সংস্থা ইতোমধ্যে এ কাজে যুক্ত হয়েছেন। এছাড়া দেশের ব্যাংক ও প্রাইভেট সেক্টরের আন্ডার-ক্যাপিটালাইজেশন দূর করতেও উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

    অবশেষে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এই স্টার্টআপ কোম্পানিটি শুধুমাত্র ব্যাংকিং খাতের বিনিয়োগে সীমাবদ্ধ থাকবে না; এটি আন্তর্জাতিক ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগে উৎসাহিত করবে। অর্থ মন্ত্রণালয় এই প্রকল্প সফল করতে সব ধরনের নীতি-সহায়তা প্রদান করবে। দেশের কয়েকটি ব্যাংকের একযোগিতায় নেওয়া এই ভেঞ্চার ক্যাপিটাল উদ্যোগ বাংলাদেশের অর্থনীতিতে নতুন দিগন্ত খুলে দেবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

  • ২৮ ব্যাংক ক্ষতিগ্রস্ত: বাংলাদেশ ব্যাংক দায়ী করছে ৬ ব্যক্তি ও শিল্পগোষ্ঠী

    ২৮ ব্যাংক ক্ষতিগ্রস্ত: বাংলাদেশ ব্যাংক দায়ী করছে ৬ ব্যক্তি ও শিল্পগোষ্ঠী

    বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ২৮টি ব্যাংকের ক্ষতির পেছনে দায়ী রয়েছেন ছয়জন ব্যক্তি ও কয়েকটি বড় শিল্পগোষ্ঠী। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদনে সরাসরি উল্লেখ রয়েছে এস আলম, বেক্সিমকো, ওরিয়ন ও নাসা গ্রুপের নামসহ সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী ও সিকদারের নাম।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, এসব ব্যক্তি ও গোষ্ঠীর অনৈতিক সুবিধা ও লেনদেনের ফলে জনতা ও অগ্রণীসহ কয়েকটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকসহ ইসলামী ব্যাংক, এসআইবিএল, ফার্স্ট সিকিউরিটি, আল-আরাফাহ ইসলামি ব্যাংক এবং বেসরকারি খাতের ইউসিবি, আইএফআইসি, ন্যাশনাল ব্যাংকও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ব্যাংকিং খাতে ঋণের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও বিদেশে পাচারের বড় অংশ রয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, এসব অনিয়মের দিকে নজর রেখে পাচার করা অর্থ ফিরে আনার জন্য প্রয়োজনীয় কাজ শুরু করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিশ্লেষকরা বলছেন, শুধু টাকা ফেরানোই নয় — দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক বিচার ও শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে যাতে ভবিষ্যতে একই ধরনের কাণ্ড রোখা যায়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কোনো কর্মকর্তা যদি অনিয়মে জড়িত থাকেন, তাদেরও আইনের আওতায় আনা জরুরি, বলেছে তারা।

    বিআইবিএমের সাবেক মহাপরিচালক ড. তৌফিক আহমদ চৌধুরী বলেন, ঋণ নেওয়া ও ঋণসীমা সম্পর্কিত নীতিমালা স্পষ্টভাবে আছে। যদি এসব নীতিমালা জানতেও কোনো সুবিধা বা ওয়েভার দেওয়া হয়ে থাকে, তাহলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকও তার দায়িত্ব স্বীকার করবে। এই নিয়ন্ত্রণ ও তদারকি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাজ, তাই বড় শিল্পগোষ্ঠী বা ব্যাংকগুলোর ওপর একা দায়িত্ব ছুঁড়ে দেওয়া যায় না।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, বিভিন্ন সময়ে বাইরে থেকে চাপ, এমনকি রাষ্ট্রের উচ্চ পর্যায় থেকেও প্রভাব পড়েছে; ফলে কিছু ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাধ্য হয়ে সুবিধা দিতে হয়েছে। তিনি বলেছেন, কোন প্রেক্ষাপটে কর্মকর্তারা সেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বা বাধ্য হয়েছিল তা অনুসন্ধান করা হচ্ছে।

    বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলেছেন, দোষীদের অব্যাহতভাবে খোলা ছাড় দিলে জনগণের ব্যাংকিং খাতে আস্থাহীনতা বাড়বে। তাই দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করে যারা দায়িত্বহীনতা বা দুর্নীতিতে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে বিচার ও যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করে দেশের আর্থিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনাই এখন প্রধান লক্ষ্য হওয়া প্রয়োজন।

  • আস্থা ভোটে প্রখর জয় — মুখ্যমন্ত্রী হলেন থালাপতি বিজয়

    আস্থা ভোটে প্রখর জয় — মুখ্যমন্ত্রী হলেন থালাপতি বিজয়

    দক্ষিণ ভারতের তামিলনাড়ুর বিধানসভায় আস্থা ভোটে জয়ী হয়ে নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে পদ নিশ্চিত করলেন থালাপতি বিজয়। বুধবার অনুষ্ঠিত ওই ভোটে মোট ১৪৪জন বিধায়ক তাকে সমর্থন জানান, বিরোধীভাবে ভোট পড়ে ২২টি এবং ৫জন বিধায়ক ভোটদান থেকে বিরত থাকেন।

    গত মাসের নির্বাচনে তার নেতৃত্বে তামিলাগা ভেত্রি কাজাগম (টিভিকে) দলটি ঐতিহাসিক সাফল্য পেয়েছিল, যার ফলে রাজ্যের দীর্ঘদিনের দুই প্রধান শক্তি—ডিএমকে ও এআইএডিএমকে—এর প্রায় ৬২ বছরের রাজনৈতিক আধিপত্য ভেঙে পড়ে।

    আস্থা ভোটের ফলাফল ঘোষণা হওয়ার পর বিজয় বলেন, ‘হুইসেল ইতিহাস বদলে দিয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা নিজেদের সংখ্যালঘু সরকার বলব। আমরা এমন একটি সরকার গড়তে চাই, যা সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষা করবে।’ টিভিকের নির্বাচনী প্রতীক ছিল ‘হুইসেল’।

    ভোটাভুটির আগে ডিএমকে তাদের ৫৯জন বিধায়ক নিয়ে বিধানসভা থেকে ওয়াকআউট করে। এদিকে এআইএডিএমকের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বও আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়ের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল।

    তবে বড় চমক আসে এআইএডিএমকের ভেতর থেকেই। দলটির ২৪জন বিধায়ক দলীয় প্রধান এডাপ্পাদি ক. পালানিস্বামীর নির্দেশ অমান্য করে থালাপতি বিজয়ের পক্ষে ভোট দেন—যাতে দলের অভ্যন্তরীণ বিভেদ প্রকাশ্যে আসে।

    এই বিদ্রোহী আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন দলের জ্যেষ্ঠ নেতা সি. ভি. শানমুগম ও এস. পি. ভেলুমানি। গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই তাদের নেতৃত্বে একটি অংশ টিভিকে-কে সমর্থন করার দাবি নিয়ে চাপ তৈরি করছিল। স্থানীয় গণমাধ্যমে খবর এসেছে যে দলের কয়েকজন বিধায়ক পুদুচেরির একটি রিসোর্টে অবস্থান নিয়ে নেতৃত্ব পরিবর্তন ও টিভিকের প্রতি সমর্থন চর্চা করছিলেন।

    শানমুগম সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘তিনবার ডিএমকের কাছে ও সর্বশেষ টিভিকের কাছে টানা চারটি নির্বাচনী পরাজয় দলের অবস্থাকে সংকটগ্রস্ত করে তুলেছে।’ তিনি বলেন, দলের ভাঙনের ইচ্ছা তার নেই, তবে এই ঘটনা এআইএডিএমকের ভেতরে নতুন ক্ষমতার লড়াইয়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

    এদিকে এআইএডিএমক কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে অভিযোগ করেছে যে শানমুগম, ভেলুমানি ও আরও কয়েক বিদ্রোহী নেতা টিভিকের কাছে মন্ত্রীত্বের পদ চেয়েছিলেন। দলের এই অভিযোগ রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়েছে।

    সংক্ষিপ্ত সময়ের এই পালাবদল ও অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েনের মধ্যেই থালাপতি বিজয় এখন নতুন প্রশাসন গঠন ও সরকারের কর্মকাণ্ড শুরুর দিকে নজর দেবেন। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, আগামী কয়েক সপ্তাহে রাজ্যের রাজনৈতিক মানচিত্রে আরও পরিবর্তন দেখা যেতে পারে।

  • হরমুজ প্রণালিতে টোল আরোপের বিরোধিতা জানাল যুক্তরাষ্ট্র ও চীন

    হরমুজ প্রণালিতে টোল আরোপের বিরোধিতা জানাল যুক্তরাষ্ট্র ও চীন

    যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা একমত হয়েছেন যে হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে চলাচলকারী জাহাজের ওপর কোনো দেশ বা সংস্থা টোল আরোপ করতে পারবে না। বিষয়টি মঙ্গলবার রয়টার্সের সংবাদ হিসেবে জানিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

    চলতি সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মধ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। ওই বৈঠকের আগে দুই দেশের এই নীতি পরিষ্কার হওয়ায় ধারণা করা হচ্ছে হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা ও চলাচল বিষয়টি আলোচ্যসূচির গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হবে।

    মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, এপ্রিল মাসে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই ও যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ফোনালাপে এই বিষয়টি আলোচনা করেন। মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র টমি পিগোট রয়টার্সকে বলেন, তারা একমত হয়েছেন যে আন্তর্জাতিক জলপথ হরমুজ প্রণালির মতো এলাকায় চলাচলের জন্য কোনো দেশ বা সংস্থাকে টোল আদায়ের অধিকার থাকা যাবে না।

    চীনা দূতাবাসও যুক্তরাষ্ট্রের এ বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করেনি। তারা জানিয়েছে, সব পক্ষ একযোগে কাজ করলে প্রণালিটিতে স্বাভাবিক নৌ চলাচল পুনরায় চালু করা সম্ভব হবে—এটাই তাদের প্রত্যাশা।

    দুটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগত প্রাসঙ্গিকতা রয়েছে: যুদ্ধের আগ পর্যন্ত হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হতো। কিন্তু গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলার পর ইরান এই গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যপথ প্রায় পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের ধাক্কা এসে পড়ে।

  • খুলনা জেলা ছাত্রদলের আহবায়ক ফিরোজ আহমেদকে অব্যাহতি; আবু জাফরকে ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক

    খুলনা জেলা ছাত্রদলের আহবায়ক ফিরোজ আহমেদকে অব্যাহতি; আবু জাফরকে ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্তে খুলনা জেলা শাখার আহবায়ক ফিরোজ আহমেদকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে এবং সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আবু জাফরকে ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক করে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এ ঘটনা ঘটে জেলা কমিটি ঘোষণার মাত্র ১৫ ঘন্টার মধ্যে।

    কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি মো. রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির বুধবার (১৩ মে) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় সংসদ এই পরিবর্তন করেছে এবং সিদ্ধান্তটি অবিলম্বে কার্যকর করা হবে।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সংগঠনের ধারাবাহিকতা ও গতিশীলতা রক্ষার স্বার্থে এমন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব আশা করে যে নতুন দায়িত্বপ্রাপ্তরা জেলার কার্যক্রমকে গতিশীল রাখবেন।

    গতকাল মঙ্গলবার রাতে খুলনা মহানগর ও জেলা ছাত্রদলের আহবায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছিল। ওই অনুমোদিত তালিকায় খুলনা মহানগর আহবায়ক কমিটিতে তাজিম বিশ্বাসকে আহবায়ক, আরিফুর রহমান আরিফকে সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও হাবিবুর রহমান খান বিপ্লবকে সদস্য সচিব করে ৪৩ সদস্যের কমিটি রাখা হয়েছিল।

    একইভাবে খুলনা জেলা আহবায়ক কমিটিতে ফিরোজ আহমেদকে আহবায়ক, আবু জাফরকে সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও খান ইসমাইল হোসেনকে সদস্য সচিব করে ৩০ সদস্যের কমিটি অনুমোদিত হয়েছিল। তবে কেন্দ্রীয় সংসদের সাম্প্রতিক নির্দেশনায় ফিরোজকে অব্যাহতি দিয়ে আবু জাফরকে প্রশাসনিকভাবে ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক করে দায়িত্ব হস্তান্তর করা হয়েছে।

    কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব জানায়, এই পরিবর্তন থেকে জেলা সংগঠনের কার্যক্রমে কোনও বিকৃতি না ঘটিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম বজায় রাখা লক্ষ্য।

  • খুলনায় নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়ন নিয়ে প্রেস ব্রিফিং

    খুলনায় নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়ন নিয়ে প্রেস ব্রিফিং

    খুলনা: খুলনা বিভাগীয় জেলা তথ্য অফিসের আয়োজনে বুধবার (১৩ মে) খুলনা প্রেসক্লাবের হুমায়ুন কবির বালু মিলনায়তনে বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন সংক্রান্ত একটি প্রেসব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়। ব্রিফিং করেন খুলনা বিভাগীয় জেলা তথ্য অফিসের পরিচালক গাজী জাকির হোসেন।

    প্রেসব্রিফিংয়ে সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার কর্মসূচি–ফ্যামিলি কার্ড, খাল খনন ও পুনঃখনন, বৃক্ষরোপণ, নারী সাশ্রয়ী পরিবহন, কৃষক কার্ড এবং কৃষি ঋণ মওকুফের ওপর প্রস্তুতকৃত পরিকল্পনা ও প্রচারণা কার্যক্রম তুলে ধরা হয়।

    ফ্যামিলি কার্ড সম্পর্কে প্রেসব্রিফিংয়ে বলা হয়, এটি বর্তমান সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় চালু করা একটি স্মার্ট কার্ড। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১০ মার্চ রাজধানীর কড়াইল বস্তি সংলগ্ন টিএন্ডটি মাঠে ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধন করেন। প্রথম পর্যায়ে দেশের ১৪টি উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নের ৩৭,৫৬৭টি হতদরিদ্র পরিবার মাসিক দুই হাজার পাঁচশত টাকা ভাতা পাচ্ছে। খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ১০ নম্বর ওয়ার্ডে প্রথম ধাপে ৫,২৭৫ জন উপকারভোগীর মধ্যে ৪,১৫৮ জনকে কার্ড বিতরণ করা হয়েছে। পরবর্তীতে প্রাথমিকভাবে সারাদেশে ৫০ লাখ দরিদ্র পরিবারের জন্য ফ্যামিলি কার্ড চালু করা হবে।

    খাল খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচির আওতায় সরকার আগামী পাঁচ বছরে সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী, খাল খনন, পুনঃখনন ও উদ্ধার করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১৬ মার্চ দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার সাহাপাড়া খাল খননের মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে ৫৪টি জেলায় ওই কর্মসূচি উদ্বোধন করেন। এর ধারাবাহিকতায় যশোর-শার্শা উপজেলার উলাশী খালসহ খুলনার ডুমুরিয়া, বটিয়াঘাটা, দাকোপ, দিঘলিয়া, তেরখাদা, রূপসা, পাইকগাছা ও কয়রা উপজেলায় খাল খননের কাজ চলমান রয়েছে।

    বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশ সংরক্ষণে আগামী পাঁচ বছরে দেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য বলা হয়। এই কর্মসূচির মাধ্যমে সরাসরি ও পরোক্ষভাবে প্রায় ৩.৫ লক্ষাধিক সবুজ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, যেখানে নারী, যুবক-যুবতী ও গ্রামীণ জনগণ সমানভাবে অংশগ্রহণ করবে। পাশাপাশি ১০ হাজার নতুন উদ্যোক্তা গড়ে তোলা হবে, যা আনুমানিক আড়াই লক্ষাধিক কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহায়ক হবে। নারী চলাচলে স্বাচ্ছন্দ্য ও নিরাপত্তা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে বিআরটিসির মাধ্যমে মহিলা বাস সার্ভিস চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

    কৃষক কার্ড নিয়ে জানানো হয়, ভূমিহীন ও প্রান্তিক কৃষকরা ওই কার্ডের মাধ্যমে ভর্তুকি, সহজঋণ, বীজ ও সারসহ মোট ১০ ধরনের বিশেষ সুবিধা পাবেন। প্রধানমন্ত্রী ১৪ এপ্রিল টাঙ্গাইলের শহিদ মারুফ স্টেডিয়ামে কৃষক কার্ডের প্রথম পর্যায়ের উদ্বোধন করেন। কার্ডধারীরা বার্ষিক দুই হাজার পাঁচশত টাকা নগদ সুবিধা পাবেন। পরীক্ষামূলকভাবে ১০টি জেলার ১১টি উপজেলায় মোট ২২,০৬৫ জন ভূমিহীন, ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষককে কার্ড প্রদান করা হয়েছে। ভবিষ্যতে দেশের একশত ৬৫ লাখ কৃষক এই সুবিধার আওতায় আসবে।

    গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের কার্যক্রম হিসেবে গত ১৮০ দিনে এক হাজার ২১টি উঠান বৈঠক/কমিউনিটি সভা, ২০২টি নারী সমাবেশ, ১১,০৬০টি চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, ৩,২৪৮ ইউনিট সড়ক প্রচার, ১৪টি কৃষক সমাবেশ, ২২টি ফ্যামিলি সমাবেশ, ৩৪০টি প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত অগ্রাধিকার কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠান লাইভ সম্প্রচার এবং ২,৩৬১টি অনলাইন প্রচারণা পরিচালনা করা হয়েছে। খুলনা বিভাগীয় জেলা তথ্য অফিস ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ১৫২টি চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, ৬৫টি সড়ক প্রচার, ১০টি উঠান বৈঠক, ২টি নারী সমাবেশ, ১টি ফ্যামিলি সমাবেশ ও ৪টি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের লাইভ প্রচার বাস্তবায়ন করেছে। এই প্রচারণা চলমান থাকবে বলা হয়।

    প্রেসব্রিফিংয়ে খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোস্তফা সরোয়ার ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ তারিকুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন। খুলনার প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। বিভাগীয় জেলা তথ্য অফিসের উপপরিচালক মোঃ ইব্রাহিম-আল-মামুন সরকারি নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন সম্পর্কে ধারণাপত্র উপস্থাপন করেন।

    উল্লেখ্য, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের গণযোগাযোগ অধিদপ্তরাধীন ৬৪টি জেলা ও ৪টি উপজেলা তথ্য অফিসে সমন্বিতভাবে নিয়মিতভাবে নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন সংক্রান্ত প্রচার কার্যক্রম চলছে এবং একযোগে প্রেসব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়েছে।