Blog

  • সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ জনকে আজ হাজির করা হচ্ছে ট্রাইব্যুনালে

    সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ জনকে আজ হাজির করা হচ্ছে ট্রাইব্যুনালে

    জুলাই-আগস্টের গণহত্যার মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হচ্ছে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ আসামিকে। 

    আজ সোমবার সকালে কড়া নিরাপত্তায় তাদেরকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হবে। এদিকে গণহত্যার মামলার তদন্তের সময় বৃদ্ধির জন্য আবেদন জানাবে তদন্ত সংস্থা। সংস্থার পক্ষে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট এম তাজুল ইসলাম আজ এ আবেদন জানাবেন। বিচারপতি মো. গোলাম মূর্তজা মজুমদারের সভাপতিত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালে আবেদনের উপর শুনানি হবে। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

    ট্রাইব্যুনালে যাদেরকে হাজির করা হচ্ছে এরা হলেন: আনিসুল হক, ড. আব্দুর রাজ্জাক, শাজাহান খান, সালমান এফ রহমান, গোলাম দস্তগীর গাজী, কামাল আহমেদ মজুমদার, লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান, ড. দীপু মনি, রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু, জুনাইদ আহমেদ পলক, তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী (বীর বিক্রম), সাবেক বিচারপতি এইচ এম শামসুদ্দীন চৌধুরী মানিক ও সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিব জাহাঙ্গীর আলম।

    এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট এম তাজুল ইসলাম ইত্তেফাককে বলেন, গণহত্যার মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারিকৃতদের মধ্যে গ্রেফতার হওয়া ১৪ অভিযুক্তকে আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করার জন্য আদেশ রয়েছে। ঐ আদেশ মোতাবেক কারা কর্তৃপক্ষ তাদেরকে হাজির করবে। তিনি বলেন, গণহত্যার মামলা তদন্তের জন্য সময় দিয়েছিল ট্রাইব্যুনাল। যেহেতু তদন্ত শেষ হয়নি সেহেতু সময় বৃদ্ধির আবেদন দেওয়া হবে। কোটা সংস্কার ও সরকার পতনের আন্দোলন দমাতে নিরস্ত্র ছাত্র-জনতাকে সমূলে বা আংশিক নির্মূলের লক্ষ্যে হত্যা, গণহত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের মামলায় গত ১৭ অক্টোবর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সরকারের সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে ট্রাইব্যুনাল। ২৭ অক্টোবর পরোয়ানাভুক্তদের মধ্যে ২০ জনকে ট্রাইব্যুনালের মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। এদের মধ্যে ১৪ জনকে আজ এবং ছয় পুলিশ কর্মকর্তা সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন, বরখাস্ত মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, সাবেক ঢাকা জেলার এডিসি (এসপি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত ছিলেন) আব্দুল্লাহ হিল কাফী, সাবেক এডিসি আরাফাতুল ইসলাম, যাত্রাবাড়ী থানার সাবেক ওসি আবুল হাসান এবং গুলশান থানার সাবেক ওসি মাজহারুল ইসলামকে ২০ নভেম্বর ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ রয়েছে। এদিকে ২৭ অক্টোবর ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, র‍্যাবের সাবেক ডিজি হারুন-অর রশিদ, এসবির সাবেক প্রধান মনিরুল ইসলাম, ডিবির সাবেক প্রধান হারুনুর রশিদ, বিপ্লব কুমার সরকার, সাবেক এডিসি ইকবাল হোসেনসহ আরো ১৭ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করা হয়।

    তদন্ত সংস্থা ও প্রসিকিউশনের অভিযোগে যা বলা হয়েছে : কোটা সংস্কারের অহিংস আন্দোলন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সহিংস হয়ে উঠে। একই সঙ্গে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরস্ত্র ছাত্র-ছাত্রীদের ওপর নির্মমভাবে হামলা চালায়। এই হামলার ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকাসহ দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামে। সংঘর্ষ হয় ছাত্রলীগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে। ১৬ জুলাই রংপুরে পুলিশের গুলিতে শিক্ষার্থী আবু সাঈদসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আরও ছয় জন মারা যান। ফলে কোটা সংস্কার আন্দোলন সরকার পতনের আন্দোলনে রূপ নেয়। এই আন্দোলনে একসময় শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ যোগ দেয়। কমপ্লিট শাটডাউন, অসহযোগ আন্দোলন দমাতে জারি করা হয় কারফিউ। কিন্তু তাতে দমে যায়নি ছাত্র-জনতা। এই ছাত্র-জনতাকে সমূলে বা আংশিক নির্মূলের উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ নির্দেশনায় নির্বিচারে গুলি চালায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এর সঙ্গে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠন এবং ১৪ দলীয় জোটের ক্যাডার বাহিনী যোগ দেয়। এতে দেড় সহস্রাধিক ছাত্র-জনতাকে হত্যা করা হয়। আহত হয় ২৩ হাজারের অধিক শিক্ষার্থী ও জনতা। আহত অনেকে চিরতরে পঙ্গু ও দৃষ্টি শক্তি হারিয়েছেন।

    এর পরেও দমানো যায়নি আন্দোলনকারীদের। তারা ৫ আগস্ট গণভবনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। পদত্যাগ করে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পরেও পূর্ব নির্দেশনা অনুযায়ী ঐদিন গভীর রাত পর্যন্ত হত্যা, গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী এবং ১৪ দলীয় জোটের ক্যাডাররা। এসব অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে জুলাই-আগস্ট গণহত্যার মামলায়।

    প্রসঙ্গত গণঅভ্যুত্থানের মুখে গত ৫ আগস্ট দেশত্যাগ করেন শেখ হাসিনা। ৮ আগস্ট নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যাত্রা শুরু করে। এরপর ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, এমপি, বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে শত শত হত্যা মামলা দায়ের হয়। এর মধ্যে বেশ কিছু মামলায় গ্রেফতার হয়ে আগস্ট মাস থেকে কারাগারে আছেন ট্রাইব্যুনালের পরোয়ানাভুক্ত আসামিরা। অক্টোবর মাসে সরকার পুনর্গঠন করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। শেখ হাসিনাসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির মধ্য দিয়ে গত ১৭ অক্টোবর যাত্রা শুরু করে ট্রাইব্যুনাল। ইতিমধ্যে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রেড অ্যালার্ট জারি করতে ইন্টারপোলের কাছে চিঠি দিয়েছে চিফ প্রসিকিউটর।

  • দীপু মনির সুপারিশে মাউশিতে তিন হাজার পদায়ন

    দীপু মনির সুপারিশে মাউশিতে তিন হাজার পদায়ন

    সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির ইশারায় নিয়োগ পান প্রায় তিন হাজার ১৮৩ কর্মকর্তা-কর্মচারী। দীপু মনি সিন্ডিকেটের বলয়ে তারা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) চাকরি পান। এর জন্য উচ্চ মহলের সুপারিশসহ তাদের দিতে হয়েছে ৫ থেকে ১৫ লাখ টাকা। নিয়োগের জন্য যাচ্ছেতাইভাবে পরীক্ষা নেয়া হয় তাদের জন্য। দীপু মনির আমলে চার হাজার ১০৯ জনকে নিয়োগ দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। এখনো চাকরির অপেক্ষায় রয়েছেন ৬১০ জন।

    মাউশি’র এই নিয়োগ পুরোটা সামলেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনির ভাই ডা. জে আর ওয়াদুদ টিপু ও চাঁদপুর পুরান বাজার ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ রতন কুমার মজুমদার। অভিযোগ রয়েছে এই চক্রটির খাতা কলমে বৈধতা দেয়ার কাজ করে গেছেন মাউশি’র কলেজ ও প্রশাসন শাখার পরিচালক শাহেদুল খবির চৌধুরী, প্রশাসন শাখার উপ-পরিচালক বিপুল চন্দ্র বিশ্বাস। বর্তমানে এই দুই কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। টাকার বিনিময়ে নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তারা ২০২৩ সালে দু’দফায় (আগস্ট ও নভেম্বরে) যোগদান করেন।

    মাউশি’র একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীপু মনি শিক্ষার দায়িত্ব হাতে পাবার পরই গড়ে তোলেন সিন্ডিকেট। মাউশিতে নিয়ে আসেন পছন্দের লোকদের। জনপ্রশাসন থেকে নিয়োগের ছাড়পত্র এনে তার আমলে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করেন। এই চক্র এতটাই শক্তিশালী ছিল যে, কেউ প্রশ্ন করার সাহস পর্যন্ত ছিল না। পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন অনেকেই। পরীক্ষায় এমসিকিউ বাতিল করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ’র অধীনে লিখিত পরীক্ষা নেয়ার দাবি তোলা হয়েছিল। কিন্তু তা আমলেই নেয়া হয়নি। এমনকি ভাইবার আগেই এসব প্রার্থীদের দেয়া হয়েছিল চাকরির নিশ্চয়তা।

    সুপারিশের প্রেক্ষিতে চার হাজার ১০৯ জনকে নিয়োগ দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু নানা জটিলতায় আটকে যায় ৬১০ জনের পদায়ন। তবে তাদের পদায়নের জন্য চলতি বছরের জুনে ফল প্রকাশ করা হয়। কিন্তু ছাত্র-জনতার আন্দোলনের তোড়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। যার কারণে আটকে আছে তাদের নিয়োগ। নিয়ম অনুযায়ী দশম থেকে দ্বাদশ গ্রেড পর্যন্ত দ্বিতীয় শ্রেণির পদ, কিন্তু মাউশি’র নিয়োগবিধিতে এই পদগুলোকে তৃতীয় শ্রেণির দেখিয়ে শুধু এমসিকিউ পরীক্ষা নেয়া হয়। ২০২০ সালের অক্টোবরে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে ২৮টি ক্যাটাগরির বিভিন্ন পদের মধ্যে প্রদর্শক পদে ৫১৪টি, গবেষণা সহকারী (কলেজ) পদে ২১টি, সহকারী গ্রন্থাগারিক কাম ক্যাটালগার পদে ৬৯টি এবং ল্যাবরেটরি সহকারী পদে ৬টি পদ উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এসব পদের বিপরীতে পরীক্ষা ২০২১ সালের আগস্ট ও অক্টোবরে অনুষ্ঠিত হয়। পরিদর্শক পদের ফল অনিবার্যকারণবশত স্থগিত করা হয়েছিল। সেই পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয় ২০২৪ সালের এপ্রিলে। এতে প্রায় আট হাজার প্রার্থী উত্তীর্ণ হন। মে মাসে ভাইবা শেষে জুনে নির্বাচিতদের ফল প্রকাশ করা হয়। কিন্তু পরবর্তীতে পরিস্থিতির কারণে আটকে আছে এই ৬১০ জনের নিয়োগ। চাকরি পাওয়াদের মধ্যে রয়েছেন কম্পিউটার অপারেটর ৯ জন, উচ্চমান সহকারী ৮৫ জন, ক্যাশিয়ার ১১৯ জন, স্টোরকিপার ৫০ জন, হিসাব সহকারী ১০৬ জন, অফিস সহকারী ৫১৩ জন, মেকানিক ৩৩ জন, গাড়িচালক ১১ জন, বুক সর্টার ৪৬ জন, অফিস সহায়ক ১৭০৪ জন, নিরাপত্তা প্রহরী ২৪৭ জন, মালী ৯৭ জন, পরিচ্ছন্নকর্মী ১৬৩ জন। অন্যদিকে তালিকায় নিয়োগের অপেক্ষায় রয়েছেন প্রদর্শক পদে পদার্থবিদ্যায় ১০৯ জন, রসায়নে ১২০ জন, জীববিজ্ঞানে ৩১ জন, প্রাণিবিদ্যায় ১০৯ জন, উদ্ভিদবিদ্যায় ৯৬ জন, ভূগোলে ১৩ জন, মৃত্তিকায় ৫ জন, গণিতে ২২ জন, গার্হস্থ্য বিজ্ঞানে ৮ জন, কৃষিতে একজন, গবেষণা সহকারী (কলেজ) ২১ জন, সহকারী গ্রন্থাগারিক ৬৯ জন এবং ল্যাবরেটরি সহকারী ৬ জন।

    এই নিয়োগের বিষয়ে জানতে চাইলে মাউশি মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর এবিএম রেজাউল করীম বলেন, তালিকা ধরে নিয়োগের বিষয়টি আমার জানা নেই। আমি নিয়োগ প্রক্রিয়ার সময়ে দায়িত্বেও ছিলাম না। এটা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন। মন্ত্রণালয় থেকে কোনো নির্দেশনা দেয়া হলে সেটি বাস্তবায়ন করা হবে।

  • কলকাতায় ‘গ্যাংস্টার’ লুকে শাকিব খান, প্রকাশ্যে শুটিংয়ের ছবি

    কলকাতায় ‘গ্যাংস্টার’ লুকে শাকিব খান, প্রকাশ্যে শুটিংয়ের ছবি

    আসন্ন ঈদুল ফিতরে মুক্তি পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশের জনপ্রিয় সুপারস্টার শাকিব খানের বহু প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘প্রিন্স: ওয়ান্স আপ টু টাইম ইন ঢাকা’। এরইমধ্যে সিনেমার শুটিং চলছে কলকাতা শহরে, যেখানে শাকিব এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে কলকাতার বৌবাজার, হাওড়া, আলিপরসহ বিভিন্ন এলাকায় এই সিনেমার দৃশ্যধারণের কাজ চলছিল। সম্প্রতি ভারতীয় বাংলা মিডিয়া আনন্দবাজার অনলাইনে শাকিবের নতুন কিছু লুকের ছবি প্রকাশ পেয়েছে যা দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।

  • কণ্ঠশিল্পী নোবেল গ্রেপ্তার

    কণ্ঠশিল্পী নোবেল গ্রেপ্তার

    সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন বটতলা এলাকায় গত সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার সময় ডেমরা থানার পুলিশ অভিযান চালিয়ে বিতর্কিত কণ্ঠশিল্পী মাইনুল আহসান নোবেলকে গ্রেপ্তার করেছে। তিনি বিভিন্ন ধরনের অভিযোগের মুখোমুখি হয়েছেন, যার মধ্যে অন্যতম হলো বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক তরুণীকে আটকে রাখা, তার ওপর মানসিক হেনস্তা চালানো এবং অবৈধভাবে আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও তৈরি করার চেষ্টার অভিযোগ।

    ডিএমপির ডেমরা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মুরাদ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, নোবেলের বিরুদ্ধে একটি মামলার ভিত্তিতে আদালত থেকে ওয়ারেন্ট জারি হয়েছিল। সেই ওয়ারেন্টের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে বটতলা এলাকার স্থানীয় একটি স্টুডিও থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। বর্তমানে নোবেল থানায় রয়েছেন ও আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর তাকে আদালতে পাঠানো হবে।

    প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ভুক্তভোগী তরুণীকে বিয়ের প্রলোভনে নোবেল তার নিজস্ব স্টুডিওতে একদিন আটকে রাখেন। এ সময় জোরপূর্বক তার ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও তৈরির জন্য চাপ দেন।

    পুলিশের সূত্রে আরও জানা যায়, এই ঘটনাটি নিয়ে ভুক্তভোগী তরুণী ২০২৫ সালের ১৩ আগস্ট থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। সেই মামলার তদন্তের জন্য আদালত পিবিআইকে দায়িত্ব দেয়। ২০২৬ সালের ২ ফেব্রুয়ারি পিবিআই এসআই নুরুজ্জামান তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করেন। এরপরই আদালত নোবেলসহ চারজনের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি করে। ডেমরা থানা পুলিশের নির্দেশে আসামিদের আইনের আওতায় এনে দ্রুত আদালতে হাজির করা হবে।

  • মেহজাবীন চৌধুরীর আইনি পদক্ষেপ: অবৈধ পণ্য আটকের খবর সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন

    মেহজাবীন চৌধুরীর আইনি পদক্ষেপ: অবৈধ পণ্য আটকের খবর সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন

    অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী বিমানবন্দরে অবৈধ পণ্যসহ আটক হওয়ার খবরের বিষয়টি সম্পূর্ণই ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন। সোমবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক বিস্তারিত পোস্টে তিনি জানান, তাকে জড়িয়ে যে মানহানি ও বিভ্রান্তিকর প্রচার চালানো হয়েছে, তার বিরুদ্ধে তিনি ইতোমধ্যে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন।

    পোস্টে মেহজাবীন স্পষ্ট করে বলেন, সম্প্রতি যে ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার শুরু হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। তিনি নিশ্চিত করে জানান, কখনোই বিমানবন্দরে তাকে থামানো হয়নি, তার হ্যান্ডব্যাগ বা লাগেজও আটকানো হয়নি। এমনকি তার লাগেজ থেকে কোনও অবৈধ কোনো জিনিস পাওয়া যায়নি। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের কোনও অফিসার তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেননি বা তার সাথে কোনও ধরনের অপ্রয়োজনীয় কার্যক্রম হয়নি।

    অভিনেত্রী প্রশ্ন তোলেন, কি কোনও ছবি বা ভিডিওপ্রমাণ আছে যেখানে দেখানো হয়েছে তার লাগেজ থেকে অবৈধ কিছু উদ্ধার হয়েছে? তিনি ক্ষোভের সাথে বলেন, দুর্ভাগ্যবশত মানহানি এখন খুব সাধারণ ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। যারা এই খবর ছড়িয়েছে, তারা কোনও প্রমাণ দেখাতে পারেনি বা দিতে পারেনি যে তার লাগেজে কিছু অবৈধ ছিল। তবে ক্লিকবেইটের জন্য অপ্রয়োজনীয় ছবিতে তার ছবি ব্যবহার করা হয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, এই ধরনের ঘটনা খুবই উদ্বেগজনক ও দুশ্চিন্তার কারণ। এই ধরণের অপ্রচার ও ভুল খবরের কারণে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। নিজেকে সম্পূর্ণ নির্দোষ বলে মনে করেন মেহজাবীন, এবং স্পষ্টতই জানান, এই বিষয়ে তিনি কোনও সংশ্লিষ্টতা বা অংশিদারিত্ব রাখেন না।

    এর আগে, রোববার সকালে তিনি এক পোস্টে উল্লেখ করেছিলেন যে, কয়েকদিন ধরে তাকে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ‘টার্গেট’ করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, কয়েক মাস আগে পারিবারিক ব্যবসায় অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে তিনি এক আইনি জটিলতায় পড়ে ছিলেন, তবে পরে আদালত থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

    আবার ওই বিতর্কের সূত্রপাত হয় এক প্রতিবেদনের মাধ্যমে, যেখানে বলা হয়েছিল, ১৭ আগস্ট ব্যাংকক থেকে ফেরার পথে তাঁর সঙ্গে স্বামীর মদসহ আটক হয়েছে। তবে এই দাবি সম্পূর্ণ অমূলক ও অসত্য। এই পরিস্থিতিতে, মেহজাবীন স্পষ্ট করে দেন যে, এই সব অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিকর খবরের বিরুদ্ধে তিনি আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছেন।

  • ইত্যাদির মঞ্চে দর্শকের সঙ্গে অভিনয়ে মোশাররফ করিম

    ইত্যাদির মঞ্চে দর্শকের সঙ্গে অভিনয়ে মোশাররফ করিম

    ঈদ উপলক্ষে বিশেষভাবে সাজানো হয় বাংলাদেশের জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’। এই বছরের বিশেষ পর্বে দর্শকদের জন্য রয়েছে নানা চমক। বিশেষ এই পর্বে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রিয় অভিনেতা মোশাররফ করিম। জানা গেছে, নির্বাচিত চারজন দর্শকের সঙ্গে মঞ্চে অভিনয় করেছেন তিনি।

    হানিফ সংকেতের পরিচালনায় ‘ইত্যাদি’ অনুষ্ঠানটি সবসময়ই বর্ণিল ও রঙিন পরিবেশে সাজানো হয়। এবারের পর্বে, নির্বাচিত দর্শকদের সঙ্গে মুহূর্তের প্রস্তুতিতে মোশাররফ করিম তিনটি ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন। এই অভিনয় শুধুমাত্র বিনোদনের জন্য নয়, বরং সমাজের বিভিন্ন অনিয়ম ও সমস্যা সম্পর্কে সচেতনতা ব্রেটার করার লক্ষ্যেও আয়োজন করা হয়েছে।

    অথচ, সাধারণত ‘ইত্যাদি’র নিয়মিত পর্বে দর্শকদের অংশগ্রহণ প্রশ্নোত্তর দিয়ে নির্ধারিত হতো। কিন্তু এই বিশেষ পর্বে দর্শকদের নির্বাচন করা হয়েছে বিভিন্ন উপকরণ ব্যবহার করে। এই প্রক্রিয়ায় চারজন দর্শককে বেছে নেওয়া হয়, যারা এই অভিনয় অংশে অংশগ্রহণ করেন।

    উল্লেখ্য, এই ঈদ পরবর্তী রাত ৮টায় বিটিভিতে ‘ইত্যাদি’-এর বিশেষ এই পর্ব প্রচারিত হবে। অনুষ্ঠানটি রচনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেন হানিফ সংকেত, এবং নির্মাণ করেছেন ফাগুন অডিও ভিশন। এই আয়োজনটি দর্শকদের জন্য তৈরি এক অনন্য ও স্মরণীয় রাতের জন্য।

  • প্রথমবারের মতো টেলিভিশনে আসছে জনপ্রিয় সিনেমা ‘উৎসব’

    প্রথমবারের মতো টেলিভিশনে আসছে জনপ্রিয় সিনেমা ‘উৎসব’

    অবশেষে ইতিহাস সৃষ্টি করে প্রথমবারের মতো টেলিভিশনের পর্দায় দেখা যাবে আলোচিত সিনেমা ‘উৎসব’। ঈদুল ফিতর উপলক্ষে এই সিনেমাটি মাছরাঙা টেলিভিশনে প্রচারিত হবে, যেখানে দর্শকেরা দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষা করে ছিল। ঈদের দিন সন্ধ্যা ৭:২০ মিনিটে বিশেষ এই শোটি দর্শকদের জন্য উপভোগ্য করে তুলবে।

    ‘উৎসব’ সিনেমার পরিচালনা করেছেন তানিম নূর, যারা সিনেমাটির চরিত্রে অভিনয় করেছেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেতা-অভিনেত্রীরা। এতে দেখা যাবে জাহিদ হাসান, চঞ্চল চৌধুরী, জয়া আহসান, অপি করিম, আফসানা মিমি, তারিক আনাম খান, আজাদ আবুল কালাম, ইনথেখাব দিনার, সুনেরাহ বিনতে কামাল, সৌম্যজ্যোতি, সাদিয়া আয়মানসহ আরও অনেক তারাকণ্ঠ।

    গত বছরের ঈদুল আজহায় প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় ‘উৎসব’। সিনেমাটি দর্শকদের ও সমালোচকদের কাছ থেকে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। দেশের পাশাপাশি ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহেও এই ছবির দর্শকরা উপভোগ করেছেন।

    বর্তমানে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম ‘চরকি’ তে এই সিনেমা দেখা গেলেও, টেলিভিশনে এর প্রচার এখনো হয়নি। এবার মাছরাঙা টেলিভিশন এই সুযোগ করে দিচ্ছে দর্শকদের জন্য।

    ‘উৎসব’ সিনেমাটি নব্বই দশকের ক্ল্যাসিক অ্যাটমোসফিয়ারে নির্মিত, যা গভীর হাস্যরস এবং নাটকীয়তার মিশেলে সাজানো। এটি মূলত কিংবদন্তি ঔপন্যাসিক চার্লস ডিকেন্সের বিখ্যাত গল্প ‘এ ক্রিস্টমাস ক্যারল’ এর ওপর ভিত্তি করে তৈরি। এই সিনেমা একইসে দর্শকদের মনে একটি দাগ কাটবে এবং স্মরণীয় করে রাখবে।

  • নারী টিম বাংলাদেশের জন্য একসঙ্গে ভারতের সঙ্গে একই গ্রুপে ঢুকে করোনাকালীন রোমাঞ্চের সূচনা

    নারী টিম বাংলাদেশের জন্য একসঙ্গে ভারতের সঙ্গে একই গ্রুপে ঢুকে করোনাকালীন রোমাঞ্চের সূচনা

    জুন-জুলাইয়ে অনুষ্ঠিত হবে দশম নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। বাংলাদেশ ইতোমধ্যে বাছাইপর্বে সাতটি ম্যাচের全部 জিতে অপরাজিত থাকতে সক্ষম হয়েছে, ফলে তারা সরাসরি টিকিট পেয়েছে এই আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য। এই প্রথমবারের মতো, ১২টি দল অংশ নেবে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে, যেখানে দুইটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। মোট ম্যাচের সংখ্যা হবে ৩৩টি, এবং ১২ জুন শুরু হবে এই জেতার মহাযুদ্ধের আয়োজন। এই টুর্নামেন্ট চলবে ২৪ দিন ধরে, শেষ হবে ৫ জুলাই লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ডে বসে দুর্দান্ত ফাইনাল ম্যাচের মাধ্যমে।

    ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) মঙ্গলবার নারী বিশ্বকাপের পূর্ণাঙ্গ সূচি ঘোষণা করেছে। বাংলাদেশ রয়েছে গ্রুপ ‘এ’-তে, যেখানে তার প্রতিপক্ষ হিসেবে রয়েছে নেদারল্যান্ডস, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, ভারত ও পাকিস্তান। অন্যদিকে, গ্রুপ ‘বি’-তে থাকছে নিউজিল্যান্ড, ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, শ্রীলঙ্কা, আয়ারল্যান্ড ও স্কটল্যান্ড। এই বিশ্বকাপের সব ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে সাতটি ঐতিহাসিক ও আধুনিক ভেন্যুতে, যেখানে রয়েছে লর্ডস (লন্ডন), ওল্ড ট্রাফোর্ড (ম্যানচেস্টার), হেডিংলি (লিডস), এজবাস্টন (বার্মিংহাম), হ্যাম্পশায়ার বোল (সাউদাম্পটন), দ্য ওভাল (লন্ডন) ও ব্রিস্টল।

    বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে ১৪ জুন, এজবাস্টনে, যেখানে মুখোমুখি হবে নেদারল্যান্ডসের। ম্যাচ শুরু হবে সাড়ে দশটায়। একই বন্ধনে, ভারতের বিপক্ষে also খেলা হবে একই ভেন্যুতে। ১৭ জুন, ফেব্রুয়ারি, বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ হবে অস্ট্রেলিয়া, খেলাটি হবে হেডিংলিতে। তিন দিন পরে, ২০ জুন, হ্যাম্পশায়ার বোলের মোকাবিলা করবে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। এরপর, বিশ্রামের পর, ২৫ জুন ওল্ড ট্রাফোর্ডে ভারতের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। শেষ ম্যাচে, ২৮ জুন, লর্ডসের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলবে নিগার সুলতানা জ্যোতিরা। ২০১৪ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ছয়টি আসরে বাংলাদেশ ২৫ ম্যাচ খেলেছে, যেখানে জিতেছে তিনটি। এবার বাংলাদেশের জন্য কঠিন চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে নিজেদের দক্ষতা ও মান দেখানোর, বিশ্বমঞ্চে নিজেদের শক্তি প্রমাণের।

  • বিশ্বকাপে না থাকলেও র‍্যাংকিংয়ে ইমন-সাইফ-জাকেরের উন্নতি

    বিশ্বকাপে না থাকলেও র‍্যাংকিংয়ে ইমন-সাইফ-জাকেরের উন্নতি

    নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে এই বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করতে পারেননি বাংলাদেশ। তবে এই অপ্রত্যাশিত অবস্থার মধ্যেও আইসিসি র‍্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের তিন ক্রিকেটার ইতিবাচক অগ্রগতি দেখিয়েছে। তারা হলেন পারভেজ হোসেন ইমন, সাইফ হাসান এবং জাকের আলি অনিক।

    বুধবার প্রকাশিত আইসিসির সাপ্তাহিক র‍্যাংকিং হালনাগাদে জানা গেছে, দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে ব্যস্ত থাকলেও এই তিন ব্যাটার আন্তর্জাতিক র‍্যাংকিংয়ে উন্নতির ধারা অব্যাহত রেখেছেন।

    পারভেজ হোসেন ইমন টু-টোয়েন্টি ব্যাটিং র‍্যাংকিংয়ে দুই ধাপ এগিয়ে ৪১তম অবস্থানে পৌঁছেছেন। এই র‍্যাংকিংয়ে এটি তার ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ স্থান, যেখানে তার রেটিং পয়েন্ট ৫৪২।

    অন্যদিকে, সাইফ হাসান দুই ধাপ এগিয়ে যৌথভাবে ৪২ নম্বরে এবং জাকের আলি অনিকও দুই ধাপ উঠে ৭২তম স্থানে অবস্থান করছেন।

    বিরোধীদের মধ্যে অবনতি হয়েছে কিছু জনপ্রিয় ক্রিকেটার যেমন তানজিদ হাসান তামিম (২১তম) ও লিটন দাস (৫৪তম)। তবে তাওহিদ হৃদয় স্থিতিশীল অবস্থানে রয়েছেন এবং তার রেটিং ৪৭ নম্বর।

    বোলারদের মধ্যে মোস্তাফিজুর রহমান নিজের ৯ নম্বর স্থানটি ধরে রেখেছেন, তবে অন্যান্য প্রধান বোলারদের পারফরম্যান্স ভালো হয়নি। শেখ মেহেদি, রিশাদ হোসেন, নাসুম আহমেদ ও তানজিম সাকিবের র‍্যাংকিংয়ে বড় পতন ঘটেছে। অলরাউন্ডারদের তালিকায় বাংলাদেশের কোনও ক্রিকেটার শীর্ষ চল্লিশে জায়গা না পেয়েও, শেখ মেহেদি ৪৫ নম্বরে নেমে গেছেন।

    বিশেষ করে অলরাউন্ডারদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হলো সিকান্দার রাজা, যিনি জিম্বাবুয়ের প্রচুর পারফরম্যান্সের ফলে র‍্যাংকিংয়ের শীর্ষে ফিরে আসেছেন। তিনি পাকিস্তানের সাইম আইয়ুবকে টপকিয়ে এক নম্বরে পেঁৗছেছেন।

    ব্যাটিং র‍্যাংকিংয়ে ভারতের অভিষেক শর্মা শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন (৮৭৭ পয়েন্ট), দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন ফিল সল্ট। পাকিস্তানের সাহিবজাদা ফারহান এই স্থান দখল করেছেন তৃতীয় স্থানে উঠে এসে।

    বোলিং র‍্যাংকিংয়ে ভারতের বরুণ চক্রবর্তী নিজের স্থান ধরে রেখেছেন শীর্ষে। তার পরেই রয়েছেন রশিদ খান। এদিকে, দক্ষিণ আফ্রিকার করবিন বশ টাইমের সবচেয়ে বড় উন্নতি করেছে। তিনি ২১ ধাপ এগিয়ে তিন নম্বরে আসতে সক্ষম হয়েছেন। এছাড়া, জাসপ্রিত বুমরাহও ৭ ধাপ এগিয়ে ৮ম স্থানে অবস্থান করছেন।

  • নিউজিল্যান্ডের জয় শ্রীলঙ্কাকে বিদায় করে সেমিফাইনালের দৌড়ে প্রবেশ

    নিউজিল্যান্ডের জয় শ্রীলঙ্কাকে বিদায় করে সেমিফাইনালের দৌড়ে প্রবেশ

    বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বে টিকতে হলে শ্রীলঙ্কাকে অবশ্যই নিউজিল্যান্ডকে হারাতে হতো। কিন্তু প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক একটি ম্যাচে ৬১ রানে নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরে গেলে শ্রীলঙ্কার জন্য ইতিমধ্যে কাপ থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়। এর ফলে নিউজিল্যান্ডের সামনে এখন সেমিফাইনাল খেলার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছানোর সুযোগ এসেছে। টেবিলের দুইয়ে অবস্থান করছে নিউজিল্যান্ড, তাদের দুই ম্যাচে সংগ্রহ ৩ পয়েন্ট। অন্যদিকে, শীর্ষে রয়েছে ইংল্যান্ড, যারা দুই ম্যাচে ৪ পয়েন্ট অর্জন করেছে। পাকিস্তান একটি পয়েন্ট পেয়েও তৃতীয় স্থানে রয়েছে, আর দুই হারে শ্রীলঙ্কার দল এখন টেবিলের তলানিতে অবস্থান করছে।

    শ্রীলঙ্কার জন্য দুর্ভাগ্যজনক বিষয় হলো, ১৬৯ রানের লক্ষ্য অর্জনের জন্য ব্যাটে নামা তাদের শুরুতেই ঝুলিতে ভালো কিছু রাখার সুযোগ ছিল। কিন্তু প্রথম বল থেকেই তারা ক্রমশ কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়। কিউই পেসার ম্যাট হেনরি প্রথম ওভারে দুর্দান্ত বোলিং করে দুই লঙ্কান ব্যাটারকে ফেরান। তার মধ্যে পাথুম নিশাঙ্কা শূন্যরানে আউট হন প্রথম বলেই, আর তৃতীয় ওভারে চারিথ আসালাঙ্কাও আউট হন। এই সময়ে রানরেটের চাপ ক্রমশ বাড়তে থাকে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে।

    এরপর স্পিনার রাচিন রবীন্দ্রের দৌরাত্ম্যে শ্রীলঙ্কার ব্যাটসম্যানরা কোণঠাসা হয়ে পড়ে। তিনি একের পর এক বলের মাধ্যমে চারজন ব্যাটারকে ফিরিয়ে দলের হাল কাটেন। কুশল মেন্ডিস, পাভান রতœায়েক, দলের অধিনায়ক দাসুন শানাকা ও দুসান হেমন্ত—সবাই রানসংখ্যায় তুলনায় কম করেন। এই অঙ্কন শ্রীলঙ্কার জন্য এক ধরণের অধ:পতনের সূচনা করে।

    অন্যদিকে, দুনিথ ভেল্লালাগেকে নিয়ে প্রতিযোগিতায় থাকলেও তা নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তিনি ২৩ বলে ৩১ রান করেছেন। দলের আরও কিছু ব্যাটার যথাসাধ্য চেষ্টা করেন। ভেল্লালাগে ২৯ রানে থেকেও আউট হন। চামিরা ৭ রানে এবং থিকসানা অপরাজিত থাকেন ২ রান করে। সব মিলিয়ে, ২০ ওভারে তারা ৮ উইকেট হারিয়ে ১০৭ রান করে।

    নিউজিল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ চারটি উইকেট নেন রাচিন রবীন্দ্র, যা তার আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সেরা বোলিং। ম্যাট হেনরি দুটি উইকেট পান।

    এদিকে, ম্যাচের শুরুতে টস জিতে ব্যাটিংয়ের জন্য আমন্ত্রণ জানায় লঙ্কান দলের অধিনায়ক দাসুন শানাকা। ওপেনার ফিল অ্যালেন শক্তিশালী উপস্থিতির মাধ্যমে চেষ্টা করেন ঝড়ো সূচনা দিতে। তবে চতুর্থ ওভারে থিকসানা তাকে ফিরিয়ে দেন। অ্যালেন ১৩ বলে ২৩ রান করেন। আরেক ওপেনার টিম সেইফার্ট মাত্র ৮ রানে আউট হন।

    টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের সুবিধা কাজে লাগিয়ে রাচিন রবীন্দ্র ও গ্লেন ফিলিপস মিলে একটি ইতিবাচক জুটি গড়ে তোলেন, তবে তার পরই রান গতি মন্থর হতে থাকে। ১২ থেকে ১৬তম ওভারের মধ্যে রানের গতি খুব ধীর হয়ে যায়। এই সময়ের মধ্যে রবীন্দ্র ৩২, ফিলিপস ১৮ রান করেন। এরপর, দলের অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার ও কোল ম্যাককঞ্চি ক্রিজে ঢুকে দলকে চাপ থেকে মুক্তি দেন। দুই ব্যাটার ৮৪ রান গড়েন, যেখানে স্যান্টনার ২৬ বলে ৪৭ রান করেন, এবং ম্যাককঞ্চি অপরাজিত থাকেন ৩১ রানে।

    শ্রীলঙ্কার হয়ে মহেশ থিকসানা ও দুশমান্থা চামিরা তিনটি করে উইকেট নেন। দুনিথ ভেল্লালাগে একটি উইকেট পান। সকল দর্শক ও সমর্থকদের জন্য এই ম্যাচ ছিল হাড্ডাহাড্ডি কৌশল ও মানসিকতাবিরোধী এক লড়াই। শ্রীলঙ্কার জন্য এই হারের ফলে তাদের এখন বিদায় নিশ্চিত, তবে নিউজিল্যান্ডের লক্ষ্য এখন পরিষ্কার, তারা যেন চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে।

  • বিশেষ রাসায়নিক স্প্রে করে শিশিরের প্রভাব কমানোর চেষ্টা ভারত

    বিশেষ রাসায়নিক স্প্রে করে শিশিরের প্রভাব কমানোর চেষ্টা ভারত

    চেন্নাইয়ের এম এ চিদাম্বরম স্টেডিয়ামে সন্ধ্যার পর থেকে নদীর শিশির জমতে পারে এমন চিন্তা বেশ আগে থেকেই ছিল। সেই আশঙ্কা কাটিয়ে উঠতে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড একটি বিশেষ ব্যবস্থা গ্ৰহণ করেছে। তারা যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা এক ধরনের রাসায়নিক ব্যবহার করছে যা শিশিরের প্রভাব কমাতে সাহায্য করে। এর ফলে ম্যাচের ফলাফলে শিশিরের প্রভাব কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    এক সংবাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই রাসায়নিকের নাম ‘ডিউ কিউর’। এটি মূলত যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ বেসবলের ভেন্যুতেও নিয়মিত ব্যবহার হয়। টিএনসিএ (তামিলনাড়ু ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন) আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে এই রাসায়নিকটি আউটফিল্ডে প্রয়োগ করে থাকে।

    মঙ্গলবার ও বুধবার দুপুরে এই রাসায়নিকের সাথে পানি মিশিয়ে স্প্রে করা হয় আদর্শ পরিস্থিতি তৈরি করতে, যাতে ম্যাচের সময় তার কার্যকারিতা সর্বোচ্চ থাকে। সূত্র বলছে, একবার স্প্রে করার পর, ঘাসের পাতাগুলোVrআরদ্রতা ধরে রাখতে পারে না। ভেজা ভাব দ্রুত শুকিয়ে যায়, ফলে শিশিরের জমে যাওয়া নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং মাঠের পরিস্থিতি ম্যাচের ফলাফলকে প্রভাবিত করতে পারে না।

    ভারতীয় দলের খেলোয়াড়রাও বুধবার দীর্ঘ অনুশীলনের সময় এই বিষয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়েছে যে, উইকেট ও আউটফিল্ডের অবস্থা সন্তোষজনক। ভবিষ্যতে সেমিফাইনাল ও ফাইনাল খেলাগুলিতেও এই রাসায়নিক ব্যবহারের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। যদিও এ বিষয়ে এখনো কোন আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি, তবে বোর্ডের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী মাসে আইপিএল শুরু হলে সব ভেন্যুতেই শিশির নিয়ন্ত্রণে এই রাসায়নিক ব্যবহার বাধ্যতামূলক হতে পারে।

    অতীতে শিশিরের কারণে ম্যাচের ফলাফল বেশ প্রভাবিত হয়েছে বলার কারণে, এই নতুন পদক্ষেপটি নিয়েছে ভারত। এর ফলে খেলা আরও নিয়ন্ত্রিত ও প্রত্যাশিত ফলাফলের দিকে এগিয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

  • নাহিদ ও লিটনের অসাধারণ পারফরম্যান্সে নর্থ জোনের অভাবনীয় জয়

    নাহিদ ও লিটনের অসাধারণ পারফরম্যান্সে নর্থ জোনের অভাবনীয় জয়

    নিজেদের প্রথম ম্যাচে দাপুটে জয় দিয়ে শুরু করে সাউথ জোন, কিন্তいただা না থাকতে পারেনি নাজমুল হোসেনের নেতৃত্বে নাজমুলের দল। আফিফ হোসেন এবং সৌম্য সরকারদের ব্যাটিং ব্যর্থতার দিনে উজ্জ্বল হয়ে উঠেছেন লিটন দাস এবং তার সহযোদ্ধা তাওহীদ হৃদয়। এর ফলস্বরূপ, টানা দুই ম্যাচে জিতেছে নর্থ জোন, ফলে তারা পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে অবস্থান করছে।

    আজ (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাজশাহী বিভাগের স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে, নর্থ জোন সাউথ জোনের বিরুদ্ধে ৬ উইকেটে জিতেছে। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে সাউথ জোন ৩০ ওভার ৫ বলের মধ্যে ১৪৪ রান সংগ্রহ করে অলআউট হয়। জবাবে, নর্থ জোন ১৪০ বল হাতে রেখে প্রয়োজনীয় রান সংগ্রহ করে জয় নিশ্চিত করে।

    এই জয়ে নর্থ জোনের মোট ৪ পয়েন্ট হলো, যা তাদের ফাইনালের পথে অনেকটাই এগিয়ে দেয়। অন্যদিকে, ২ ম্যাচে ২ পয়েন্ট নিয়ে সাউথ জোনকে ফাইনালে উঠতে হলে শেষ ম্যাচে অবশ্যই জিততেই হবে।

    টস জেতা সত্ত্বেও ব্যাট করতে নামা সাউথ জোনের শুরুতেই বিপর্যয় ঘটে। ওপেনার আনিসুল ইসলাম আরেকটু আগেই ফিরে যান, এরপর জাওয়াদ আবরার ১০ রানে ফিরে যান। সৌম্য সরকার ও আফিফ হোসেন ধ্রুবরা ৯ রানে আউট হওয়ার পরে বড় চাপ তৈরি হয়।

    ১৯ রানেই ৪ উইকেট হারানো সাউথ জোনের জন্য ম্যাচের পরিস্থিতি কঠিন হয়ে ওঠে। তখন মোহাম্মদ মিথুন নুরুল হাসান সোহানকে নিয়ে ৫০ রানের জুটি গড়েন, কিন্তু ব্যক্তিগত ২৪ রানে নাহিদ রানার শিকার হন সোহান।

    এরপর রবিউল হককে সঙ্গে নিয়ে আবার জুটি বাঁধেন মিথুন, তবে ৫৫ রান করে তিনি আউট হন। শেষ পর্যন্ত ১৯ ওভার ১ বল বাকি থাকতেই অলআউট হয় সাউথ জোন।

    নর্থ জোনের জন্য তিনটি করে উইকেট পান এস এম মেহরব ও নাহিদ রানা, এবং গুরুত্বপূর্ণ তিন উইকেটের জন্য ম্যাচের সেরা হন নাহিদ রানা।

    অন্যদিকে, ব্যাটিংয়ে নেমে সাউথ জোনের হাবিবুর রহমান সোহান ২৮ রানে বিদায় নেন। পরে তানজিদ হাসান তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্তর দ্রুত উইকেট পতনের পরে দলের সংগ্রহ ৮০ রানে গিয়ে আটকে যায়। চতুর্থ উইকেটে তাওহীদ হৃদয় ও লিটন কুমার দাসের মধ্যে ৮০ রানের জুটি গড়ে, যেখানে হৃদয় ৩৩ রান করে আউট হন।

    তবে, লিটন দাসজন শেষ পর্যন্ত দলের জয় নিশ্চিত করেন। ৬৫ বলে ৫৫ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। সাউথ জোনের হয়ে ৫ ওভার বল করে ২৩ রানে ৩ উইকেট লাভ করেন মুস্তাফিজুর রহমান।