Blog

  • সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ জনকে আজ হাজির করা হচ্ছে ট্রাইব্যুনালে

    সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ জনকে আজ হাজির করা হচ্ছে ট্রাইব্যুনালে

    জুলাই-আগস্টের গণহত্যার মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হচ্ছে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ আসামিকে। 

    আজ সোমবার সকালে কড়া নিরাপত্তায় তাদেরকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হবে। এদিকে গণহত্যার মামলার তদন্তের সময় বৃদ্ধির জন্য আবেদন জানাবে তদন্ত সংস্থা। সংস্থার পক্ষে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট এম তাজুল ইসলাম আজ এ আবেদন জানাবেন। বিচারপতি মো. গোলাম মূর্তজা মজুমদারের সভাপতিত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালে আবেদনের উপর শুনানি হবে। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

    ট্রাইব্যুনালে যাদেরকে হাজির করা হচ্ছে এরা হলেন: আনিসুল হক, ড. আব্দুর রাজ্জাক, শাজাহান খান, সালমান এফ রহমান, গোলাম দস্তগীর গাজী, কামাল আহমেদ মজুমদার, লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান, ড. দীপু মনি, রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু, জুনাইদ আহমেদ পলক, তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী (বীর বিক্রম), সাবেক বিচারপতি এইচ এম শামসুদ্দীন চৌধুরী মানিক ও সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিব জাহাঙ্গীর আলম।

    এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট এম তাজুল ইসলাম ইত্তেফাককে বলেন, গণহত্যার মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারিকৃতদের মধ্যে গ্রেফতার হওয়া ১৪ অভিযুক্তকে আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করার জন্য আদেশ রয়েছে। ঐ আদেশ মোতাবেক কারা কর্তৃপক্ষ তাদেরকে হাজির করবে। তিনি বলেন, গণহত্যার মামলা তদন্তের জন্য সময় দিয়েছিল ট্রাইব্যুনাল। যেহেতু তদন্ত শেষ হয়নি সেহেতু সময় বৃদ্ধির আবেদন দেওয়া হবে। কোটা সংস্কার ও সরকার পতনের আন্দোলন দমাতে নিরস্ত্র ছাত্র-জনতাকে সমূলে বা আংশিক নির্মূলের লক্ষ্যে হত্যা, গণহত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের মামলায় গত ১৭ অক্টোবর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সরকারের সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে ট্রাইব্যুনাল। ২৭ অক্টোবর পরোয়ানাভুক্তদের মধ্যে ২০ জনকে ট্রাইব্যুনালের মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। এদের মধ্যে ১৪ জনকে আজ এবং ছয় পুলিশ কর্মকর্তা সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন, বরখাস্ত মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, সাবেক ঢাকা জেলার এডিসি (এসপি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত ছিলেন) আব্দুল্লাহ হিল কাফী, সাবেক এডিসি আরাফাতুল ইসলাম, যাত্রাবাড়ী থানার সাবেক ওসি আবুল হাসান এবং গুলশান থানার সাবেক ওসি মাজহারুল ইসলামকে ২০ নভেম্বর ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ রয়েছে। এদিকে ২৭ অক্টোবর ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, র‍্যাবের সাবেক ডিজি হারুন-অর রশিদ, এসবির সাবেক প্রধান মনিরুল ইসলাম, ডিবির সাবেক প্রধান হারুনুর রশিদ, বিপ্লব কুমার সরকার, সাবেক এডিসি ইকবাল হোসেনসহ আরো ১৭ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করা হয়।

    তদন্ত সংস্থা ও প্রসিকিউশনের অভিযোগে যা বলা হয়েছে : কোটা সংস্কারের অহিংস আন্দোলন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সহিংস হয়ে উঠে। একই সঙ্গে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরস্ত্র ছাত্র-ছাত্রীদের ওপর নির্মমভাবে হামলা চালায়। এই হামলার ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকাসহ দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামে। সংঘর্ষ হয় ছাত্রলীগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে। ১৬ জুলাই রংপুরে পুলিশের গুলিতে শিক্ষার্থী আবু সাঈদসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আরও ছয় জন মারা যান। ফলে কোটা সংস্কার আন্দোলন সরকার পতনের আন্দোলনে রূপ নেয়। এই আন্দোলনে একসময় শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ যোগ দেয়। কমপ্লিট শাটডাউন, অসহযোগ আন্দোলন দমাতে জারি করা হয় কারফিউ। কিন্তু তাতে দমে যায়নি ছাত্র-জনতা। এই ছাত্র-জনতাকে সমূলে বা আংশিক নির্মূলের উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ নির্দেশনায় নির্বিচারে গুলি চালায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এর সঙ্গে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠন এবং ১৪ দলীয় জোটের ক্যাডার বাহিনী যোগ দেয়। এতে দেড় সহস্রাধিক ছাত্র-জনতাকে হত্যা করা হয়। আহত হয় ২৩ হাজারের অধিক শিক্ষার্থী ও জনতা। আহত অনেকে চিরতরে পঙ্গু ও দৃষ্টি শক্তি হারিয়েছেন।

    এর পরেও দমানো যায়নি আন্দোলনকারীদের। তারা ৫ আগস্ট গণভবনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। পদত্যাগ করে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পরেও পূর্ব নির্দেশনা অনুযায়ী ঐদিন গভীর রাত পর্যন্ত হত্যা, গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী এবং ১৪ দলীয় জোটের ক্যাডাররা। এসব অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে জুলাই-আগস্ট গণহত্যার মামলায়।

    প্রসঙ্গত গণঅভ্যুত্থানের মুখে গত ৫ আগস্ট দেশত্যাগ করেন শেখ হাসিনা। ৮ আগস্ট নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যাত্রা শুরু করে। এরপর ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, এমপি, বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে শত শত হত্যা মামলা দায়ের হয়। এর মধ্যে বেশ কিছু মামলায় গ্রেফতার হয়ে আগস্ট মাস থেকে কারাগারে আছেন ট্রাইব্যুনালের পরোয়ানাভুক্ত আসামিরা। অক্টোবর মাসে সরকার পুনর্গঠন করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। শেখ হাসিনাসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির মধ্য দিয়ে গত ১৭ অক্টোবর যাত্রা শুরু করে ট্রাইব্যুনাল। ইতিমধ্যে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রেড অ্যালার্ট জারি করতে ইন্টারপোলের কাছে চিঠি দিয়েছে চিফ প্রসিকিউটর।

  • দীপু মনির সুপারিশে মাউশিতে তিন হাজার পদায়ন

    দীপু মনির সুপারিশে মাউশিতে তিন হাজার পদায়ন

    সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির ইশারায় নিয়োগ পান প্রায় তিন হাজার ১৮৩ কর্মকর্তা-কর্মচারী। দীপু মনি সিন্ডিকেটের বলয়ে তারা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) চাকরি পান। এর জন্য উচ্চ মহলের সুপারিশসহ তাদের দিতে হয়েছে ৫ থেকে ১৫ লাখ টাকা। নিয়োগের জন্য যাচ্ছেতাইভাবে পরীক্ষা নেয়া হয় তাদের জন্য। দীপু মনির আমলে চার হাজার ১০৯ জনকে নিয়োগ দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। এখনো চাকরির অপেক্ষায় রয়েছেন ৬১০ জন।

    মাউশি’র এই নিয়োগ পুরোটা সামলেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনির ভাই ডা. জে আর ওয়াদুদ টিপু ও চাঁদপুর পুরান বাজার ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ রতন কুমার মজুমদার। অভিযোগ রয়েছে এই চক্রটির খাতা কলমে বৈধতা দেয়ার কাজ করে গেছেন মাউশি’র কলেজ ও প্রশাসন শাখার পরিচালক শাহেদুল খবির চৌধুরী, প্রশাসন শাখার উপ-পরিচালক বিপুল চন্দ্র বিশ্বাস। বর্তমানে এই দুই কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। টাকার বিনিময়ে নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তারা ২০২৩ সালে দু’দফায় (আগস্ট ও নভেম্বরে) যোগদান করেন।

    মাউশি’র একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীপু মনি শিক্ষার দায়িত্ব হাতে পাবার পরই গড়ে তোলেন সিন্ডিকেট। মাউশিতে নিয়ে আসেন পছন্দের লোকদের। জনপ্রশাসন থেকে নিয়োগের ছাড়পত্র এনে তার আমলে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করেন। এই চক্র এতটাই শক্তিশালী ছিল যে, কেউ প্রশ্ন করার সাহস পর্যন্ত ছিল না। পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন অনেকেই। পরীক্ষায় এমসিকিউ বাতিল করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ’র অধীনে লিখিত পরীক্ষা নেয়ার দাবি তোলা হয়েছিল। কিন্তু তা আমলেই নেয়া হয়নি। এমনকি ভাইবার আগেই এসব প্রার্থীদের দেয়া হয়েছিল চাকরির নিশ্চয়তা।

    সুপারিশের প্রেক্ষিতে চার হাজার ১০৯ জনকে নিয়োগ দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু নানা জটিলতায় আটকে যায় ৬১০ জনের পদায়ন। তবে তাদের পদায়নের জন্য চলতি বছরের জুনে ফল প্রকাশ করা হয়। কিন্তু ছাত্র-জনতার আন্দোলনের তোড়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। যার কারণে আটকে আছে তাদের নিয়োগ। নিয়ম অনুযায়ী দশম থেকে দ্বাদশ গ্রেড পর্যন্ত দ্বিতীয় শ্রেণির পদ, কিন্তু মাউশি’র নিয়োগবিধিতে এই পদগুলোকে তৃতীয় শ্রেণির দেখিয়ে শুধু এমসিকিউ পরীক্ষা নেয়া হয়। ২০২০ সালের অক্টোবরে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে ২৮টি ক্যাটাগরির বিভিন্ন পদের মধ্যে প্রদর্শক পদে ৫১৪টি, গবেষণা সহকারী (কলেজ) পদে ২১টি, সহকারী গ্রন্থাগারিক কাম ক্যাটালগার পদে ৬৯টি এবং ল্যাবরেটরি সহকারী পদে ৬টি পদ উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এসব পদের বিপরীতে পরীক্ষা ২০২১ সালের আগস্ট ও অক্টোবরে অনুষ্ঠিত হয়। পরিদর্শক পদের ফল অনিবার্যকারণবশত স্থগিত করা হয়েছিল। সেই পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয় ২০২৪ সালের এপ্রিলে। এতে প্রায় আট হাজার প্রার্থী উত্তীর্ণ হন। মে মাসে ভাইবা শেষে জুনে নির্বাচিতদের ফল প্রকাশ করা হয়। কিন্তু পরবর্তীতে পরিস্থিতির কারণে আটকে আছে এই ৬১০ জনের নিয়োগ। চাকরি পাওয়াদের মধ্যে রয়েছেন কম্পিউটার অপারেটর ৯ জন, উচ্চমান সহকারী ৮৫ জন, ক্যাশিয়ার ১১৯ জন, স্টোরকিপার ৫০ জন, হিসাব সহকারী ১০৬ জন, অফিস সহকারী ৫১৩ জন, মেকানিক ৩৩ জন, গাড়িচালক ১১ জন, বুক সর্টার ৪৬ জন, অফিস সহায়ক ১৭০৪ জন, নিরাপত্তা প্রহরী ২৪৭ জন, মালী ৯৭ জন, পরিচ্ছন্নকর্মী ১৬৩ জন। অন্যদিকে তালিকায় নিয়োগের অপেক্ষায় রয়েছেন প্রদর্শক পদে পদার্থবিদ্যায় ১০৯ জন, রসায়নে ১২০ জন, জীববিজ্ঞানে ৩১ জন, প্রাণিবিদ্যায় ১০৯ জন, উদ্ভিদবিদ্যায় ৯৬ জন, ভূগোলে ১৩ জন, মৃত্তিকায় ৫ জন, গণিতে ২২ জন, গার্হস্থ্য বিজ্ঞানে ৮ জন, কৃষিতে একজন, গবেষণা সহকারী (কলেজ) ২১ জন, সহকারী গ্রন্থাগারিক ৬৯ জন এবং ল্যাবরেটরি সহকারী ৬ জন।

    এই নিয়োগের বিষয়ে জানতে চাইলে মাউশি মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর এবিএম রেজাউল করীম বলেন, তালিকা ধরে নিয়োগের বিষয়টি আমার জানা নেই। আমি নিয়োগ প্রক্রিয়ার সময়ে দায়িত্বেও ছিলাম না। এটা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন। মন্ত্রণালয় থেকে কোনো নির্দেশনা দেয়া হলে সেটি বাস্তবায়ন করা হবে।

  • মন্ত্রণালয়ে দুর্নীতি ২৪ ঘণ্টাও বরদাশত করব না: শিক্ষামন্ত্রী

    মন্ত্রণালয়ে দুর্নীতি ২৪ ঘণ্টাও বরদাশত করব না: শিক্ষামন্ত্রী

    শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, তার আগের মন্ত্রণালয়কাল (২০০১–২০০৬) কেউ দুর্নীতি করে ২৪ ঘণ্টাও বাঁচেনি এবং তিনি বর্তমানে সেই নীতিই বজায় রেখেছেন। সোমবার (২০ এপ্রিল) সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি জানান, আজও তিনি একজনকে দায়িত্বমুক্ত করেছেন।

    মন্ত্রী বলেন, পরীক্ষাসময়সূচি ও সিলেবাস নির্ধারিত সময়ে হবে। তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন তোলেন, ‘‘আপনারা কি চান আমরা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নিয়ে প্রতিটি ছাত্রছাত্রীর জীবন থেকে এক বছর কেটে নিয়ে আসি—এসএসসি বা এইচএসসি পাস করার সময় বছর বাড়াই?’’ তার বক্তব্য ছিল, কোর্স যেখানে শুরু হবে সেখানে ঠিক সময়েই শেষ হবে এবং তাতে কোনও ছুটি বা বিলম্ব হবে না।

    সাংবাদিকদের যখন বলা হয় যদি কোর্স ডিসেম্বরে শেষ হয় তাহলে পরীক্ষা কবে হবে, মন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, ‘‘আমি জানুয়ারিতে কোর্স শুরু করে ডিসেম্বরে শেষ করাই বলেছি, তাই কোর্স শেষ হলে পরীক্ষা নেয়াই হবে। এটা আমি স্পষ্টভাবে বলেছি।’’

    বোর্ডগুলোর সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন উঠলে তিনি বলেন, ‘‘আমি বোর্ডের সক্ষমতার উপর টিকে কাজ করি না; আমি দেখছি ছাত্রছাত্রীরা লেখাপড়া করছে কি না। বোর্ডের কোনো কারণে পরীক্ষা পেছাব না। কি করে বোর্ডের কারণে ২০ লাখ ছাত্রছাত্রীর জীবন থেকে এক বছর নষ্ট করা যায়?” তিনি উদাহরণ বলেন—এমনটা হতে দেয়া হবে না।

    মন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান শিক্ষাবর্ষ যেখান থেকে শুরু হবে, তাদের কোর্স ঠিক সেইভাবেই শেষ করে পরীক্ষাসময়সূচি ঘোষণা করা হবে। তিনি সবার জন্য সিলেবাস এমনভাবে সাজাবেন যাতে বোর্ড পরীক্ষা নেওয়ার জন্য সময় নষ্ট না হয়।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরীক্ষার রুটিন ‘পরীক্ষার দিন’ দেওয়ার আভাস নিয়ে ট্রলিং হওয়া প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এটি সঠিক নয়। তিনি জানান, সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন তাকে ফোন করে পরীক্ষার রুটিন কবে দেবেন—এমন প্রশ্ন করেছেন। মন্ত্রী বলছেন, রেজাল্ট বের হওয়ার পর রুটিন প্রকাশ করা হবে; সামাজিক মিডিয়ার কল্পকাহিনি শিশুদের ভয়ে ফেলে দিচ্ছে।

    সম্প্রতি দেশে বিভিন্ন স্থানে হেলিকপ্টার ভ্রমণে শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন মন্ত্রী। সেই সফরকে কেন্দ্র করে দুর্নীতির অভিযোগ উঠলে তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে挑েঞ্জ ছুঁড়েন—যে সাংবাদিকরা তাঁর সঙ্গে সফরে গিয়েছিলেন তারা যদি দুর্নীতির সাক্ষী হয়ে থাকেন তবে প্রমাণ দেখাক। তিনি বলেন, তিনি যাদের সঙ্গে যাতায়াত করবেন তা তাঁর ব্যক্তিগত ব্যাপার; এটিকে দুর্নীতির সংগে মিলিয়ে দেখাই দোষসিদ্ধ করা হয়েছে।

    শেষে মন্ত্রী পুনরায় বললেন, ‘‘আমি ওই মন্ত্রী—এই মন্ত্রণালয়ে কেউ দুর্নীতি করলে ২৪ ঘণ্টাও থাকতে পারবে না। আমি এ নীতি অব্যাহত রেখেছি, আজকেও একজনকে বিদায় দিয়েছি।’’

  • বাণিজ্যমন্ত্রী: জ্বালানির দাম বাড়লেও পণ্যমূল্য বড়সড়ভাবে বাড়বে না

    বাণিজ্যমন্ত্রী: জ্বালানির দাম বাড়লেও পণ্যমূল্য বড়সড়ভাবে বাড়বে না

    বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে পণ্যমূল্য ব্যাপকভাবে বাড়বে না বলে বলেছেন বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, আমাদের প্রতিদিন যা খাব তা সরাসরি জ্বালানি তেলে তৈরি হয় না; পণ্যের দাম নির্ধারণে উৎপাদন খরচ ও পরিবহন ব্যয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ম্যানুফ্যাকচারিং শিল্পে জ্বালানির অংশ মোট উৎপাদন খরচের মাত্র ৭–৮ শতাংশ হওয়ায় এই মূল্যবৃদ্ধি পণ্যমূল্যে বড় ধাক্কা দেবে না।

    সোমবার সকাল সিলেট নগরের অগ্রগামী বালিকা উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজে মাসব্যাপী হাম-রুবেলা (মিজলস-রুবেলা) টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।

    জ্বালানি তেলের সাম্প্রতিক মূল্যউৎকোচকে যৌক্তিকতার দিক তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, সামগ্রিক ও আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কারণে তেলের দাম কিছুটা বেড়েছে এবং তা প্রতিরোধ করা যাচ্ছে না। আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি পেলে ভোক্তা পর্যায়ে মূল্য বৃদ্ধিও স্বাভাবিক। তিনি বলেন, ‘‘পুরো বিশ্বজুড়ে তেলের দাম বেড়েছে; উন্নত দেশগুলোর ক্ষেত্রেও একই চিত্র দেখা যাচ্ছে।’’

    মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরকার সচেতন এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে—এমন আশ্বাসও দেন মন্ত্রী। কৃষকদের জন্য সরকারের ডিজেল ভর্তুকি ছাড়া ভিন্ন ক্ষেত্রেও প্রয়োজনমতো উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে, যাতে জ্বালানির দাম বৃদ্ধির অনুপযুক্ত প্রভাব বিভিন্ন সেক্টরে না পড়ে।

    উক্ত অনুষ্ঠানে তিনি সিলেটের সামাজিক সূচকে উন্নতি না হওয়াকে নির্দেশ করে বলেন, সিলেট এখনও অনেক ক্ষেত্রে অন্য অঞ্চলের তুলনায় পিছিয়ে আছে এবং সরকার আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে এসব বৈষম্য কমানোর লক্ষ্যে কাজ করছে।

    জনস্বাস্থ্যে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, টিকাদান কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে চললে অচিরেই দেশের নানা অঞ্চলে হাম রোগের প্রকোপ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য দেন সিসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম। সভাপতিত্ব করেন সহকারী পরিচালক ডা. নূরে আলম শামীম। বিশেষ অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. জিয়াউর রহমান চৌধুরী, জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম, বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার কর্মকর্তা ডা. সুফি মো. খালিদ বিন লুৎফুর, সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী এবং ইউনিসেফ সিলেট ফিল্ড অফিসের প্রধান মির্জা ফজলে এলাহী প্রমুখ।

  • নারী আসনে বিএনপি মনোনয়ন দিয়েছে ছাত্রদল নেত্রী মানছুরা আক্তারকে

    নারী আসনে বিএনপি মনোনয়ন দিয়েছে ছাত্রদল নেত্রী মানছুরা আক্তারকে

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের চূড়ান্ত মনোনয়ন তালিকায় স্থান পেয়েছেন বিএনপি’র কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের নেত্রী মানছুরা আক্তার। সোমবার (২০ এপ্রিল) নয়াপল্টনের বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী তার নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন।

    মানছুরা আক্তার বর্তমানে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

    ছাত্রদলের সক্রিয় কর্মী হিসেবে দীর্ঘদিন রাজপথের বিভিন্ন আন্দোলনে অগ্রভাগে ছিলেন মানছুরা। তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিভিন্ন সময়ে হামলা ও মামলা-সহ নানা ধরনের প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন বলে দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

    ২০২২ সালের মে মাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রদলের একটি মিছিলে তাকালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের হামলায় তিনি গুরুতরভাবে আহত হন; তখন তার হাত ভেঙে যায় এবং সহকর্মীরা তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। ওই ঘটনার পর তিনি ছাত্রলীগের ৩৩ জন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

    এর আগে ২০২৩ সালের এপ্রিলেও মানছুরা আক্তারকে পুনরায় ছাত্রলীগের হামলার শিকার হতে হয়েছে। ওই সময় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বহির্বিভাগের গেটের সামনে অবস্থানকালে ছাত্রলীগের কর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালায়, এতে তিনি এবং আরও কয়েকজন ছাত্রদলের নেতা আহত হন।

    বিএনপি কর্তৃপক্ষের এই মনোনয়ন দলীয় রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে এবং ছাত্র রাজনীতিতে মানছুরার সক্রিয় ভূমিকা ও বলিষ্ঠ উপস্থিতিকে বিবেচনায় নিয়ে নেওয়া বলে দলের অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে।

  • সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপি: ২৮ নতুন, ৮ পুনরায় মনোনীত

    সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপি: ২৮ নতুন, ৮ পুনরায় মনোনীত

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপি ৩৬ জনকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দিয়েছে। সোমবার (২০ এপ্রিল) নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এই তালিকা ঘোষণা করেন।

    ঘোষিত তালিকা বিশ্লেষণে দেখা যায়, এবার নতুনদের প্রাধান্য দিয়েছেন দল; মোট ৩৬ জনের মধ্যে ২৮ জন প্রথমবারের মতো সংরক্ষিত আসনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় সংসদে বিএনপির মনোনীত সংসদ সদস্য হচ্ছেন। অপরদিকে ৮ জন এমপি হিসেবে পূর্বেও সংরক্ষিত কোটায় ছিলেন।

    পূর্বে সংসদে ছিলেন এমন সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান, রেহান আক্তার রানু, রাশেদা বেগম হীরা, বিলকিস ইসলাম, হেলেন জেরিন খান, নিলুফার চৌধুরী মনি, সুলতানা আহমেদ এবং নেওয়াজ হালিমা আর্লি।

    তালিকায় দুই নির্বাচিত প্রার্থীর পারিবারিক রাজনৈতিক যোগসূত্রও বিশেষভাবে নজর কাড়ে। বিএনপি নির্বাহী সদস্য ও ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নিপুন রায় চৌধুরীর বাবাই সাংস্কৃতিক বিষয়ের মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, আর তার শ্বশুর বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। অন্য একজন শিরিন সুলতানা; তার স্বামী বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন।

    স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি প্রয়াত শফিউল বারী বাবুর স্ত্রী বিথিকা বিনতে হোসাইনও এই তালিকায় রয়েছেন। পাশাপাশি সরাসরি নির্বাচনে অংশ নিয়ে পরাজিত তিনজনকেও সংরক্ষিত কোটায় স্থান দেওয়া হয়েছে— ঢাকা-১৪ আসনের সানজিদা ইসলাম তুলি, যশোর-২ আসনের সাবিরা সুলতানা ও শেরপুর-১ আসনের সানসিলা জেবরিন।

    দলের বিভিন্ন ওয়ার্ম ও সংগঠন থেকে মনোনয়নপ্রাপ্তদের মধ্যে মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ ও সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হেলেন জেরিন খান আছেন। মিডিয়া সেল থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন মাহমুদা হাবিবা ও শাম্মী আক্তার। ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের কমিটি থেকে জায়গা পেয়েছেন ফেরদৌস আহমেদ, আরিফা সুলতানা ও নাদিয়া পাঠান। ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মানসুরা আক্তার; তিনি মনোনীতদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ এবং তার বাবা ছিলেন প্রয়াত অ্যাডভোকেট এবাদুর রহমান চৌধুরী।

    তালিকায় এমন কয়েকজনও রয়েছেন যারা ততটা সক্রিয় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত নয়— তাদের মধ্যে জহরত আবিদ চৌধুরী, যিনি মোবাইল অপারেটর বাংলা লিংকের সিইও।

    বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বলেন, ‘‘অভিজ্ঞ, রাজপথে দীর্ঘদিন নিপীড়ন-নির্যাতনভোগী নেত্রীদের মূল্যায়ন করা হয়েছে। দল তাদের সহজভাবে মূল্যায়ন করেছে।’’ তিনি আরও বলেন, বিএনপি চেয়ারম্যান ও ‘প্রধানমন্ত্রী’ তারেক রহমান দলের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে সমন্বয় করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

    মনোনীতদের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি ও শপথ গ্রহণের পর ভবিষ্যতে তারা কী ভূমিকা রাখবেন— তা রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক ও দলের ভিতরের কার্যক্রমের ওপর নির্ভর করবে। বর্তমানে ঘোষিত এই তালিকাই দলীয় পরিকল্পনার প্রথম ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

  • এপ্রিলে ১৮ দিনে রেমিট্যান্স হয়েছে ১৮০ কোটি ডলার

    এপ্রিলে ১৮ দিনে রেমিট্যান্স হয়েছে ১৮০ কোটি ডলার

    এপ্রিলের প্রথম ১৮ দিনে বৈধ পথে প্রবাসী বাংলাদেশিরা পাঠিয়েছে ১৮০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স, যা প্রতি ডলার ১২৩ টাকা ধার্যে প্রায় ২২,১৪০ কোটি টাকার সমপরিমাণ। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এই প্রবাহ বেড়েছে ১৬.২ শতাংশ — রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এই তথ্য জানান।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২,৮১৭ কোটি ৭০ লাখ ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স ছিল ২,৩৪৭ কোটি ৯০ লাখ ডলার; ফলে আলোচ্য সময়ে প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ২০.২ শতাংশ।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও সরকারের হুন্ডি প্রতিরোধে নেওয়া উদ্যোগ, প্রণোদনা এবং ব্যাংকিং চ্যানেলের উন্নতি রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়াতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে—এমনটাই জানান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা। অনলাইনে রেমিট্যান্স সেবার বিস্তার ও চ্যানেলগুলোর সহজলভ্যতাও寄ানায় ভুমিকা রেখেছে।

    মাসভিত্তিক রেমিট্যান্স প্রবাহ (বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে) ছিল: জুলাইয়ে ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ ডলার, আগস্টে ২৪২ কোটি ১৮ লাখ, সেপ্টেম্বর ২৬৮ কোটি ৫৫ লাখ, অক্টোবর ২৫৬ কোটি ২৪ লাখ, নভেম্বর ২৮৮ কোটি ৯৭ লাখ, ডিসেম্বর ৩২২ কোটি ৩৬ লাখ, জানুয়ারি ৩১৭ কোটি ১৬ লাখ, ফেব্রুয়ারি ৩০২ কোটি এবং মার্চে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার।

    রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়লে বৈদেশিক মুদ্রার আয় বাড়ে এবং মুদ্রানীতি ও রিজার্ভ ব্যবস্থাপনায় সুদৃঢ়তা আসে, যা দেশের অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক সংকেত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

  • এসএসসি পরীক্ষা: সিসি ক্যামেরার তথ্য ও প্রশ্নপত্র গ্রহণকারীদের বিস্তারিত জমা দেওয়ার ‘অতি জরুরি’ নির্দেশ

    এসএসসি পরীক্ষা: সিসি ক্যামেরার তথ্য ও প্রশ্নপত্র গ্রহণকারীদের বিস্তারিত জমা দেওয়ার ‘অতি জরুরি’ নির্দেশ

    ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড কেন্দ্রগুলোকে এসএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কেন্দ্রসমূহকে সিসি টিভি ক্যামেরার সকল তথ্য ও প্রশ্নপত্র গ্রহণকারী সংশ্লিষ্টদের বিস্তারিত তফসিল দ্রুত পাঠাতে হবে।

    রোববার (১৯ এপ্রিল) জারিকৃত বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টিকে ‘অতীব জরুরি’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বোর্ড নির্দেশ দিয়েছে, কেন্দ্রে ব্যবহৃত সিসি ক্যামেরার আইডি ও পাসওয়ার্ডসহ ক্যামেরার অবস্থান সম্পর্কিত প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করতে হবে। পাশাপাশি, ট্রেজারি থেকে যারা প্রশ্নপত্র গ্রহণ করবেন তাদের নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নম্বরের পূর্ণ তালিকা পাঠাতে বলা হয়েছে।

    এসব তথ্য বোর্ড নির্ধারিত ই-মেইল ঠিকানায় আজ রোববার অফিস সময়ের মধ্যে পাঠাতে হবে বলে নির্দেশে উল্লেখ আছে। নির্দেশনায় স্পষ্ট করা হয়েছে যে তথ্য দাখিল না করা বা দেরিতে দেয়া হলে তা কেন্দ্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের কারণ হতে পারে।

    শিক্ষা বোর্ডগুলোর প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী השנה এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হবে আগামী ২১ এপ্রিল। পরীক্ষার প্রথম দিন বাংলা প্রথমপত্র অনুষ্ঠিত হবে। লিখিত পরীক্ষা ২০ মে পর্যন্ত চলবে। ব্যবহারিক পরীক্ষা শুরু হবে ৭ জুন থেকে এবং তা শেষ হবে ১৪ জুন পর্যন্ত।

    বোর্ডের এই সতর্কতামূলক নির্দেশনার উদ্দেশ্য—পরীক্ষা প্রক্রিয়াকে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তার সঙ্গে পরিচালনা করা এবং প্রশ্নপত্র ফাঁস ও অনৈতিক ঘটনার সম্ভাবনা কমানো। কেন্দ্রগুলোকে বলা হয়েছে নির্দেশনা কঠোরভাবে মানার জন্য এবং যে কোনো সমস্যার দ্রুত তথ্য জানাতে।

  • আসিম মুনির ট্রাম্পকে জানালেন: ইরানবন্দরে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ শান্তি আলোচনা আটকে দিচ্ছে

    আসিম মুনির ট্রাম্পকে জানালেন: ইরানবন্দরে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ শান্তি আলোচনা আটকে দিচ্ছে

    পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর প্রধান আসিম মুনির যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলে জানিয়েছেন ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনা শুরু করতে ইরানের বন্দরে যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত অবরোধ বড় বাধা তৈরি করেছে। এ কথা সোমবার পাকিস্তানের একটি নিরাপত্তা সূত্রকে উদ্ধৃত করে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে।

    টেলিফোনালাপে মুনির ট্রাম্পকে বলেন, ইরানের বিভিন্ন বন্দরগুলোতে চলমান অবরোধই পুনরায় সংলাপ শুরু করার পথে প্রধান প্রতিবন্ধকতা। তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে এসব অবরোধের প্রভাব সম্পর্কে জানিয়ে আলোচনার সুযোগ তৈরি করার অনুরোধ জানান।

    সূত্র জানিয়েছে, ট্রাম্প মুনিরের কথাগুলো গ্রহণ করে এ বিষয়ে বিবেচনা করবেন বলে উত্তর দিয়েছেন। একই সময়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা—না, মাধ্যমিকভাবে—শেখ শেহবাজ শোরিফই (Shehbaz Sharif) ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ানের কাছে একটি প্রতিনিধি দল পাঠানোর অনুরোধ করেছে। তবে পেজেশকিয়ান জানিয়েছেন, অবরোধ প্রত্যাহার না করা হলে ইরান কোনো প্রতিনিধি দল পাঠাবে না।

    ঘটনাচক্রে, ওমান সাগরে একটি ইরানি বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র বা আগ্রাসনের দাবি ওঠার পর ইরানের সামরিক বাহিনী যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে মোকাবিলার প্রস্তুতি নেওয়ার কথা জানিয়েছে। রোববার ইরানের পতাকাবাহী তুসকা নামের একটি কার্গো জাহাজ আব্বাস বন্দর অভিমুখে যাচ্ছিল বলে এবং মার্কিন বাহিনী পরে ওই জাহাজে গুলি চালিয়ে সেটি জব্দ করার দাবি করেছে।

    ইরানের সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র বলেছেন, তুসকা জাহাজে ক্রু ও তাদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত থাকায় সামরিক বাহিনী তখন সংযত ছিল। তারা জানিয়েছেন, ক্রুদের নিরাপদ অবস্থায় পৌঁছে দেওয়ার পর প্রয়োজন হলে মার্কিন বাহিনীর বিরুদ্ধে উপযুক্ত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

    এই সব ঘটনার প্রেক্ষিতে পাকিস্তান ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ এবং যুক্তরাষ্ট্রের নীতি চূড়ান্তভাবে কী প্রভাব ফেলবে, তা নজরে রাখা হচ্ছে। বিষয়গুলো সম্পর্কে আরো তথ্য-তথ্যসূত্র সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ চলছে।

    সূত্র: রয়টার্স।

  • ইরান সংঘাতের ৫০ দিনে তেলের ক্ষতি ৫০ বিলিয়ন ডলার

    ইরান সংঘাতের ৫০ দিনে তেলের ক্ষতি ৫০ বিলিয়ন ডলার

    প্রায় ৫০ দিন ধরে চলে আসা ইরান-সম্পর্কিত সংঘাত বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের সরবরাহে বড় ধরনের ভাঙ্গন ঘটিয়েছে, যার আর্থিক মূল্য প্রায় ৫০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি বলে জানিয়েছেন বিশ্লেষকরা। খবরটি প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

    বৈশ্বিক পণ্য ও বাণিজ্যের লাইভ ডাটা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান কেপলার ডাটা জানিয়েছে, সংকট শুরুর পর থেকে বিশ্বব্যাপী ৫০ কোটি (প্রায় ৫০০ মিলিয়ন) ব্যারেলের বেশি অপরিশোধিত তেল ও কনডেনসেট সরবরাহ কমে গেছে। এটি আধুনিক ইতিহাসে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার অন্যতম বৃহৎ ঘটনা হিসেবে ধরা হচ্ছে।

    বিশ্লেষকদের হিসাব অনুযায়ী, এই পরিমাণ তেল দিয়ে বিশ্বব্যাপী প্রায় পাঁচ দিনের অর্থনৈতিক কার্যক্রম চালানো সম্ভব ছিল। তুলনামূলকভাবে এটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় এক মাসের তেলের চাহিদার সমান বা ইউরোপের এক মাসের বেশিও হতে পারে।

    গত মাসে উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর দৈনিক তেল উৎপাদন সার্বিকভাবে প্রায় ৮০ লাখ ব্যারেল কমে গেছে — যা বিশ্বের বড় বড় কোম্পানি এক্সন মোবিলের সম্মিলিত উৎপাদনের কাছাকাছি একটি পরিমাণ।

    আরেকটি নজরকাড়া দিক হচ্ছে জেট ফুয়েল রফতানির বড় উত্থান-পতন; সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, বাহরাইন ও ওমান থেকে জেট ফুয়েল রফতানি ফেব্রুয়ারিতে মোট ছিল প্রায় ১ কোটি ৯৬ লাখ ব্যারেল; কিন্তু মার্চ ও এপ্রিল মিলিয়ে তা নেমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৪১ লাখ ব্যারেলে।

    তেলের গড় মূল্য প্রতি ব্যারেল ১০০ ডলার ধরে কেপলারের গবেষক জোহানেস রাউবল জানিয়েছেন, এই ঘাটতির আর্থিক মূল্য প্রায় ৫০ বিলিয়ন ডলার।

    তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, হরমুজ প্রণালী আবার খুলে দিলেও উৎপাদন ও সরবরাহ সম্পূর্ণ স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে। বিশেষ করে কুয়েত ও ইরাকের ভারী তেলক্ষেত্রকে পূর্ণ ক্ষমতায় ফিরিয়ে তুলতে চার থেকে পাঁচ মাস লাগতে পারে। এছাড়া বিভিন্ন শোধনাগার ও কাতারের রাস লাফান এলএনজি কমপ্লেক্সে যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, সেগুলো পুনরুদ্ধারে আঞ্চলিক জ্বালানি অবকাঠামো সম্পূর্ণরূপে ফিরে আসতে বছর কাটতেও পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

  • খুলনায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন

    খুলনায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন

    খুলনা সিটি কর্পোরেশনের আয়োজনে ২২নং ওয়ার্ডের কাস্টমঘাটে অবস্থিত আমিরাবানু বেগম নগর মাতৃসদনে আজ সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। উদ্বোধনী সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি জানান, হাম রোগের প্রাদুর্ভাবের কারণে ইতোমধ্যে অনেকে আক্রান্ত ও কয়েকজন শিশুও ঝরে পড়েছে। তাই সরকার দ্রুততার সঙ্গে শিশুদের নিরাপদে টিকার আওতায় আনার সব আয়োজন সম্পন্ন করেছে। আজ থেকে শুরু হওয়া এ ক্যাম্পেইনকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে বাস্তবায়ন করতে হবে। তিনি বলেন, হাম ভাইরাসজনিত রোগ করোনার মতো দ্রুত ছড়াতে পারে; এজন্য সবাইকে টিকাদানে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিতে হবে এবং কোনো শিশুকে টিকাদান থেকে বাদ পড়তে দিতে হবে না। বিশেষ করে মায়েদের আরও সচেতন হয়ে তাদের শিশুকে নির্দিষ্ট টিকাদান কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি। আর জনগণের অবশ্যই নাগরিক দায়িত্ব পালন করলে জাতিকে বড় ধরনের দুর্যোগ থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে। অনুষ্ঠানের শেষে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ক্যাম্পেইন উদ্বোধন করেন।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজীব আহমেদ সভাপতিত্ব করেন। বক্তব্য রাখেন খুলনা উপ-পুলিশ কমিশনার (অপারেশন) আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, স্থানীয় সরকার দফরের উপপরিচালক মো. আরিফুল ইসলাম, খুলনা সিভিল সার্জন ডা. মোছা. মাহফুজা খানম, মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. সুজাত আহমেদ, খুলনা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম, থানা শিক্ষা অফিসার মো. শাহজাহান এবং ইউনিসেফের ন্যাশনাল ইপিআই স্পেশালিস্টের প্রতিনিধি। অনুষ্ঠানের উপস্থাপনা করেন কেসিসি’র প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শরীফ শাম্মীউল ইসলাম।

    প্রতিষ্ঠাব্যুর তথ্য অনুযায়ী, খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ৩১টি ওয়ার্ডে এই ক্যাম্পেইনে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ মাস থেকে ৫ বছরের নিচের মোট ৯৩,৭৮৮ জন শিশুকে এক ডোজ হাম-রুবেলা টিকা প্রদানের। এর মধ্যে স্কুলভিত্তিক লক্ষ্য ১৩,৩৮৮ জন এবং কমিউনিটি ভিত্তিক লক্ষ্য ৮০,৪০৪ জন। সেবাটি ২৫৬টি টিকাদান কেন্দ্রে পরিচালিত হবে। টিকাদান কার্যক্রমে নিয়োজিত থাকবে ১৪৪ জন টিকাদান কর্মী, ২০৬ জন স্বেচ্ছাসেবী এবং ৬২ জন সুপারভাইজার—মোট ৮২টি টিম দায়িত্ব পালন করবে। ক্যাম্পেইনটি ছুটির দিন ব্যতীত প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চালু থাকবে।

    টিকাদান কর্মসূচি ২০ এপ্রিল থেকে ১০ মে ২০২৬ পর্যন্ত চলবে এবং পূর্বে এমআর টিকা গ্রহণ করা শিশু সহ সকল ৬ মাস থেকে ৫ বছরের নিচের শিশুকে এক ডোজ হাম-রুবেলা টিকা দেয়া হবে। এর আওতায় খুলনার সব স্থায়ী ও অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্রে টিকাদান কার্যক্রম চলমান থাকবে।

    খুলনা সিটি কর্পোরেশন এবং সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ অভিভাবকদের অনুরোধ করেছে দ্রুত শিশুদের টিকাদান কেন্দ্রে নিয়ে এসে এই কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার জন্য। যাতে কোনো শিশু টিকাদান থেকে বঞ্চিত না হয় এবং সম্প্রদায়ের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা দৃঢ় হয়।

  • সানজিদা ইয়াসমিন তুলি পেলেন বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন

    সানজিদা ইয়াসমিন তুলি পেলেন বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন সাতক্ষীরার পুত্রবধূ সানজিদা ইয়াসমিন তুলি। মনোনয়নের তালিকা সোমবার (২০ এপ্রিল) নয়াপল্টনের বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঘোষণা করেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

    তুলি সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার চন্দনপুর ইউনিয়নের দাঁড়কি গ্রামের বাসিন্দা। তার স্বামী ব্যাংকার ইলিয়াস হোসেন। তুলি নাটোরের আক্তার হোসেনের কন্যা। রাজনৈতিক জীবন শুরু থেকেই তিনি ছিলেন ছাত্র-রাজনীতির সঙ্গে জড়িত; ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রদলের সদস্য সচিব হিসেবে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন এবং বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে মাঠে উপস্থিত থেকেছেন।

    মনোনয়ন পাওয়ায় সাতক্ষীরা জেলা ও স্থানীয় দলীয় নেতাকর্মীরা খুশি হয়েছিলেন এবং দলের প্রধান তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। মনে করা হচ্ছে, তুলি নিজ এলাকার সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিবেশে সাড়া ফেলতে সক্ষম হবেন।