Blog

  • সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ জনকে আজ হাজির করা হচ্ছে ট্রাইব্যুনালে

    সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ জনকে আজ হাজির করা হচ্ছে ট্রাইব্যুনালে

    জুলাই-আগস্টের গণহত্যার মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হচ্ছে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ আসামিকে। 

    আজ সোমবার সকালে কড়া নিরাপত্তায় তাদেরকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হবে। এদিকে গণহত্যার মামলার তদন্তের সময় বৃদ্ধির জন্য আবেদন জানাবে তদন্ত সংস্থা। সংস্থার পক্ষে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট এম তাজুল ইসলাম আজ এ আবেদন জানাবেন। বিচারপতি মো. গোলাম মূর্তজা মজুমদারের সভাপতিত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালে আবেদনের উপর শুনানি হবে। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

    ট্রাইব্যুনালে যাদেরকে হাজির করা হচ্ছে এরা হলেন: আনিসুল হক, ড. আব্দুর রাজ্জাক, শাজাহান খান, সালমান এফ রহমান, গোলাম দস্তগীর গাজী, কামাল আহমেদ মজুমদার, লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান, ড. দীপু মনি, রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু, জুনাইদ আহমেদ পলক, তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী (বীর বিক্রম), সাবেক বিচারপতি এইচ এম শামসুদ্দীন চৌধুরী মানিক ও সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিব জাহাঙ্গীর আলম।

    এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট এম তাজুল ইসলাম ইত্তেফাককে বলেন, গণহত্যার মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারিকৃতদের মধ্যে গ্রেফতার হওয়া ১৪ অভিযুক্তকে আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করার জন্য আদেশ রয়েছে। ঐ আদেশ মোতাবেক কারা কর্তৃপক্ষ তাদেরকে হাজির করবে। তিনি বলেন, গণহত্যার মামলা তদন্তের জন্য সময় দিয়েছিল ট্রাইব্যুনাল। যেহেতু তদন্ত শেষ হয়নি সেহেতু সময় বৃদ্ধির আবেদন দেওয়া হবে। কোটা সংস্কার ও সরকার পতনের আন্দোলন দমাতে নিরস্ত্র ছাত্র-জনতাকে সমূলে বা আংশিক নির্মূলের লক্ষ্যে হত্যা, গণহত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের মামলায় গত ১৭ অক্টোবর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সরকারের সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে ট্রাইব্যুনাল। ২৭ অক্টোবর পরোয়ানাভুক্তদের মধ্যে ২০ জনকে ট্রাইব্যুনালের মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। এদের মধ্যে ১৪ জনকে আজ এবং ছয় পুলিশ কর্মকর্তা সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন, বরখাস্ত মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, সাবেক ঢাকা জেলার এডিসি (এসপি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত ছিলেন) আব্দুল্লাহ হিল কাফী, সাবেক এডিসি আরাফাতুল ইসলাম, যাত্রাবাড়ী থানার সাবেক ওসি আবুল হাসান এবং গুলশান থানার সাবেক ওসি মাজহারুল ইসলামকে ২০ নভেম্বর ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ রয়েছে। এদিকে ২৭ অক্টোবর ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, র‍্যাবের সাবেক ডিজি হারুন-অর রশিদ, এসবির সাবেক প্রধান মনিরুল ইসলাম, ডিবির সাবেক প্রধান হারুনুর রশিদ, বিপ্লব কুমার সরকার, সাবেক এডিসি ইকবাল হোসেনসহ আরো ১৭ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করা হয়।

    তদন্ত সংস্থা ও প্রসিকিউশনের অভিযোগে যা বলা হয়েছে : কোটা সংস্কারের অহিংস আন্দোলন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সহিংস হয়ে উঠে। একই সঙ্গে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরস্ত্র ছাত্র-ছাত্রীদের ওপর নির্মমভাবে হামলা চালায়। এই হামলার ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকাসহ দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামে। সংঘর্ষ হয় ছাত্রলীগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে। ১৬ জুলাই রংপুরে পুলিশের গুলিতে শিক্ষার্থী আবু সাঈদসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আরও ছয় জন মারা যান। ফলে কোটা সংস্কার আন্দোলন সরকার পতনের আন্দোলনে রূপ নেয়। এই আন্দোলনে একসময় শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ যোগ দেয়। কমপ্লিট শাটডাউন, অসহযোগ আন্দোলন দমাতে জারি করা হয় কারফিউ। কিন্তু তাতে দমে যায়নি ছাত্র-জনতা। এই ছাত্র-জনতাকে সমূলে বা আংশিক নির্মূলের উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ নির্দেশনায় নির্বিচারে গুলি চালায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এর সঙ্গে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠন এবং ১৪ দলীয় জোটের ক্যাডার বাহিনী যোগ দেয়। এতে দেড় সহস্রাধিক ছাত্র-জনতাকে হত্যা করা হয়। আহত হয় ২৩ হাজারের অধিক শিক্ষার্থী ও জনতা। আহত অনেকে চিরতরে পঙ্গু ও দৃষ্টি শক্তি হারিয়েছেন।

    এর পরেও দমানো যায়নি আন্দোলনকারীদের। তারা ৫ আগস্ট গণভবনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। পদত্যাগ করে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পরেও পূর্ব নির্দেশনা অনুযায়ী ঐদিন গভীর রাত পর্যন্ত হত্যা, গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী এবং ১৪ দলীয় জোটের ক্যাডাররা। এসব অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে জুলাই-আগস্ট গণহত্যার মামলায়।

    প্রসঙ্গত গণঅভ্যুত্থানের মুখে গত ৫ আগস্ট দেশত্যাগ করেন শেখ হাসিনা। ৮ আগস্ট নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যাত্রা শুরু করে। এরপর ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, এমপি, বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে শত শত হত্যা মামলা দায়ের হয়। এর মধ্যে বেশ কিছু মামলায় গ্রেফতার হয়ে আগস্ট মাস থেকে কারাগারে আছেন ট্রাইব্যুনালের পরোয়ানাভুক্ত আসামিরা। অক্টোবর মাসে সরকার পুনর্গঠন করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। শেখ হাসিনাসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির মধ্য দিয়ে গত ১৭ অক্টোবর যাত্রা শুরু করে ট্রাইব্যুনাল। ইতিমধ্যে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রেড অ্যালার্ট জারি করতে ইন্টারপোলের কাছে চিঠি দিয়েছে চিফ প্রসিকিউটর।

  • দীপু মনির সুপারিশে মাউশিতে তিন হাজার পদায়ন

    দীপু মনির সুপারিশে মাউশিতে তিন হাজার পদায়ন

    সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির ইশারায় নিয়োগ পান প্রায় তিন হাজার ১৮৩ কর্মকর্তা-কর্মচারী। দীপু মনি সিন্ডিকেটের বলয়ে তারা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) চাকরি পান। এর জন্য উচ্চ মহলের সুপারিশসহ তাদের দিতে হয়েছে ৫ থেকে ১৫ লাখ টাকা। নিয়োগের জন্য যাচ্ছেতাইভাবে পরীক্ষা নেয়া হয় তাদের জন্য। দীপু মনির আমলে চার হাজার ১০৯ জনকে নিয়োগ দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। এখনো চাকরির অপেক্ষায় রয়েছেন ৬১০ জন।

    মাউশি’র এই নিয়োগ পুরোটা সামলেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনির ভাই ডা. জে আর ওয়াদুদ টিপু ও চাঁদপুর পুরান বাজার ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ রতন কুমার মজুমদার। অভিযোগ রয়েছে এই চক্রটির খাতা কলমে বৈধতা দেয়ার কাজ করে গেছেন মাউশি’র কলেজ ও প্রশাসন শাখার পরিচালক শাহেদুল খবির চৌধুরী, প্রশাসন শাখার উপ-পরিচালক বিপুল চন্দ্র বিশ্বাস। বর্তমানে এই দুই কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। টাকার বিনিময়ে নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তারা ২০২৩ সালে দু’দফায় (আগস্ট ও নভেম্বরে) যোগদান করেন।

    মাউশি’র একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীপু মনি শিক্ষার দায়িত্ব হাতে পাবার পরই গড়ে তোলেন সিন্ডিকেট। মাউশিতে নিয়ে আসেন পছন্দের লোকদের। জনপ্রশাসন থেকে নিয়োগের ছাড়পত্র এনে তার আমলে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করেন। এই চক্র এতটাই শক্তিশালী ছিল যে, কেউ প্রশ্ন করার সাহস পর্যন্ত ছিল না। পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন অনেকেই। পরীক্ষায় এমসিকিউ বাতিল করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ’র অধীনে লিখিত পরীক্ষা নেয়ার দাবি তোলা হয়েছিল। কিন্তু তা আমলেই নেয়া হয়নি। এমনকি ভাইবার আগেই এসব প্রার্থীদের দেয়া হয়েছিল চাকরির নিশ্চয়তা।

    সুপারিশের প্রেক্ষিতে চার হাজার ১০৯ জনকে নিয়োগ দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু নানা জটিলতায় আটকে যায় ৬১০ জনের পদায়ন। তবে তাদের পদায়নের জন্য চলতি বছরের জুনে ফল প্রকাশ করা হয়। কিন্তু ছাত্র-জনতার আন্দোলনের তোড়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। যার কারণে আটকে আছে তাদের নিয়োগ। নিয়ম অনুযায়ী দশম থেকে দ্বাদশ গ্রেড পর্যন্ত দ্বিতীয় শ্রেণির পদ, কিন্তু মাউশি’র নিয়োগবিধিতে এই পদগুলোকে তৃতীয় শ্রেণির দেখিয়ে শুধু এমসিকিউ পরীক্ষা নেয়া হয়। ২০২০ সালের অক্টোবরে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে ২৮টি ক্যাটাগরির বিভিন্ন পদের মধ্যে প্রদর্শক পদে ৫১৪টি, গবেষণা সহকারী (কলেজ) পদে ২১টি, সহকারী গ্রন্থাগারিক কাম ক্যাটালগার পদে ৬৯টি এবং ল্যাবরেটরি সহকারী পদে ৬টি পদ উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এসব পদের বিপরীতে পরীক্ষা ২০২১ সালের আগস্ট ও অক্টোবরে অনুষ্ঠিত হয়। পরিদর্শক পদের ফল অনিবার্যকারণবশত স্থগিত করা হয়েছিল। সেই পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয় ২০২৪ সালের এপ্রিলে। এতে প্রায় আট হাজার প্রার্থী উত্তীর্ণ হন। মে মাসে ভাইবা শেষে জুনে নির্বাচিতদের ফল প্রকাশ করা হয়। কিন্তু পরবর্তীতে পরিস্থিতির কারণে আটকে আছে এই ৬১০ জনের নিয়োগ। চাকরি পাওয়াদের মধ্যে রয়েছেন কম্পিউটার অপারেটর ৯ জন, উচ্চমান সহকারী ৮৫ জন, ক্যাশিয়ার ১১৯ জন, স্টোরকিপার ৫০ জন, হিসাব সহকারী ১০৬ জন, অফিস সহকারী ৫১৩ জন, মেকানিক ৩৩ জন, গাড়িচালক ১১ জন, বুক সর্টার ৪৬ জন, অফিস সহায়ক ১৭০৪ জন, নিরাপত্তা প্রহরী ২৪৭ জন, মালী ৯৭ জন, পরিচ্ছন্নকর্মী ১৬৩ জন। অন্যদিকে তালিকায় নিয়োগের অপেক্ষায় রয়েছেন প্রদর্শক পদে পদার্থবিদ্যায় ১০৯ জন, রসায়নে ১২০ জন, জীববিজ্ঞানে ৩১ জন, প্রাণিবিদ্যায় ১০৯ জন, উদ্ভিদবিদ্যায় ৯৬ জন, ভূগোলে ১৩ জন, মৃত্তিকায় ৫ জন, গণিতে ২২ জন, গার্হস্থ্য বিজ্ঞানে ৮ জন, কৃষিতে একজন, গবেষণা সহকারী (কলেজ) ২১ জন, সহকারী গ্রন্থাগারিক ৬৯ জন এবং ল্যাবরেটরি সহকারী ৬ জন।

    এই নিয়োগের বিষয়ে জানতে চাইলে মাউশি মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর এবিএম রেজাউল করীম বলেন, তালিকা ধরে নিয়োগের বিষয়টি আমার জানা নেই। আমি নিয়োগ প্রক্রিয়ার সময়ে দায়িত্বেও ছিলাম না। এটা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন। মন্ত্রণালয় থেকে কোনো নির্দেশনা দেয়া হলে সেটি বাস্তবায়ন করা হবে।

  • অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত, অস্ত্রোপচার সম্পন্ন

    অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত, অস্ত্রোপচার সম্পন্ন

    বাংলা ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি সম্প্রতি ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত হন। তাকে ঢাকার উত্তরার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, যেখানে তার সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। এই খবর প্রথম তিনি নিজেই জানান তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

    গত শুক্রবার তিনি একটি ফেসবুক পোস্টে জানান, অসুস্থতার কারণে তিনি শারীরিকভাবে খুবই দুর্বল। তিনি ভক্তদের কাছে দোয়াতে বলেছিলেন, ‘আমাদের সবার প্রিয় তানিয়া বৃষ্টি বর্তমানে শারীরিকভাবে বেশ অসুস্থ। এখন তার সম্পূর্ণ বিশ্রাম এবং চিকিৎসা জরুরি। অনুরোধ করছি, শুটিং বা কাজ সম্পর্কিত কোনো আলোচনা বা যোগাযোগ আপাতত এড়িয়ে চলুন। সুস্থ হয়ে উঠলে নিজেরাই সবাইকে জানাবো। আপনারা দোয়া ও ভালোবাসাই এখন আমার সবচেয়ে বড় শক্তি।’ এর কিছুক্ষণ পর তিনি আরও একটি পোস্টে বলেন, ‘ভালোবাসা দিবসের শুভেচ্ছা। আমার পরিবারের পক্ষ থেকে ফুল। ভালোবাসি। কাল (রোববার) আমার মাথায় অস্ত্রোপচার হবে, দোয়া করবেন সবাই। আমার ব্রেন টিউমার ہے।’

    জানা গেছে, গতকাল বিকেলে রাজধানীর শ্যামলীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে তার মাথার অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়। পরিচালক রাশেদ মামুন অপু জানান, তানিয়া বৃত্তির ব্রেন টিউমারের অপারেশন সফলভাবে হয়েছে। চিকিৎসকেরা বলছেন, বিকেল সাড়ে ৪টায় অপারেশন শুরু হয় এবং রাত সাড়ে ৮টার মধ্যে শেষ হয়। বর্তমানে তাকে পোস্ট অপারেটিভ ইউনিটে রাখা হয়েছে এবং তার জ্ঞান ফিরেছে। আগামীকাল (সোমবার) তার শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ শেষে কেবিনে স্থানান্তর করা হতে পারে।

    পরিচালক সকাল আহমেদ বলেছেন, বেশ কিছুদিন ধরে তানিয়া শারীরিক অসুস্থতা অনুভব করছিলেন। কখনো তীব্র মাথাব্যথা, কখনো জ্বর-ঠান্ডা অনুভব করতেন তিনি। এই পরিস্থিতি গুরুত্বের সঙ্গে না নেয়ার ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে দাঁড়ায়। কিছুদিন আগে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উত্তরার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে জানা যায়, তার ব্রেন টিউমার ধরা পড়েছে। এরপর তাকে আরও হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয় এবং রোববারের অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    উল্লেখ্য, বেশ কিছুদিন ধরেই তার শারীরিক সমস্যা দেখা দিচ্ছিল। বিশেষ করে মাথাব্যথা ও জ্বর-ঠান্ডা অনুভব করছিলেন তিনি। পরে পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হয় যে, তার ব্রেন টিউমার হয়েছে। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, তার অঙ্গার সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং তিনি বর্তমানে সুস্থ হয়ে উঠছেন।

  • বলিউডের জনপ্রিয় কমেডি অভিনেতা রাজপাল যাদব জামিন পেলেন

    বলিউডের জনপ্রিয় কমেডি অভিনেতা রাজপাল যাদব জামিন পেলেন

    বলিউডের জনপ্রিয় কমেডি অভিনেতা রাজপাল যাদব ৯ কোটি টাকার চেক বাউন্স মামলার দীর্ঘক্রমে চলা আইনি লড়াই শেষে অবশেষে অন্তর্বতী জামিন পেয়েছেন। সোমবার দিল্লি হাইকোর্টে এই মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। আদালত রাজপালকে জামিনের শর্ত হিসেবে দুপুর ৩টার মধ্যে ডিমান্ড ড্রাফটের মাধ্যমে ১.৫ কোটি টাকা জামানত হিসেবে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন। এই শর্ত পূরণ করার পরই তার জামিন অনুমোদিত হয়। এর আগে, চেক বাউন্সের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়ে আত্মসমর্পণ করে দিল্লির তিহার জেলে বন্দি ছিলেন তিনি। তবে তার এই দুর্দিনে অনেক বলিউড তারকা তাকে সহযোগিতা করেছেন। সোনু সুদ, গুরমিত চৌধুরী, মিকা সিং, অনুপ জালোটা, বলিউডের তারকা সালমান খান, অজয় দেবগন, বরুণ ধাওয়ান, ডেভিড ধাওয়ান ছাড়াও নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকি এবং আরও অনেকেই তার পাশে দাঁড়িয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় সোশ্যাল মিডিয়ায় রাজপাল যাদবের একটি পুরানো ভিডিও ভাইরাল হয়, যেখানে তাকে জামিন পাওয়ার পর সালমান খানকে বড় ভাই বলে সম্বোধন করে ধন্যবাদ জানাতে দেখা গেছে। তবে এই ভাইরাল ভিডিওটি আসলে সম্প্রতি নয়, এটি ২০১৮ সালের একটি পুরনো ক্লিপ। তখন তিনি প্রায় তিন মাস জেলে ছিলেন।

  • সেলিম খানের গুরুতর অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি

    সেলিম খানের গুরুতর অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি

    খান পরিবারের জন্য এই সময়টা খুবই কঠিনের মুখে পড়েছে। গত বছর থেকেই সালমান খানকে ঘিরে একের পর এক হত্যার হুমকি ও হুমকি বার্তা তৈরি হয়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছিল। বিষ্ণোই গ্যাংয়ের হামলার পর থেকে এর নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয় এই বলিউড তারকার জন্য। এর মধ্যে কিছু দিন আগে তার বোনের স্বামী এবং তার সহঅভিনেতা আয়ুষ শর্মাকেও হুমকি বার্তা পাওয়া গেছে।

    এমনই এক গভীর উদ্বেগের মুহূর্তে নতুন খবর আসে, জানা যায় বলিউডের এই জনপ্রিয় এবং প্রিয় চিত্রনাট্যকার সেলিম খান গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। দ্রুত তাকে মুম্বাইয়ের লীলাবতী হাসপাতাল ভর্তি করা হয়। এই মুহূর্তে তার ছেলে সালমান খান নিজে দ্রুত হাসপাতালে যান বাবার খোঁজ নিতে।

    পরিবারের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কিছু জানানো না হয়েও জানা গেছে, বয়সজনিত রোগের কারণে সেলিম খান এই অসুস্থতায় ভুগছেন। হাসপাতালে যাওয়ার পথে তিনি কোনও কথা বলেননি, শুধুমাত্র কালো টি-শার্ট ও প্যান্ট পড়ে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে দ্রুত বেরিয়ে যান। এই ঘটনা ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয় এবং ভক্তদের মধ্যেও উদ্বেগের সৃষ্টি করে।

    প্রখ্যাত বলিউডের স্বর্ণযুগের অন্যতম সফল চিত্রনাট্যকার সেলিম খান। তিনি জাভেদ আখতারের সঙ্গে যৌথভাবে অনেক জনপ্রিয় সিনেমা লিখেছেন, যাদের মধ্যে শোলে, জঞ্জির, দিওয়ার এবং ডন উল্লেখযোগ্য। তাদের লেখা সিনেমাগুলি বলিউডের ইতিহাসে এক যুগান্তকারী মুহূর্তের যে কারণে আজও স্মরণীয়।

    বিশেষ করে তার অসুস্থতার খবর প্রকাশের পরে বলিউডের তারকারা ও ভক্তরা তার দ্রুত সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করছেন। সবাই আশা করছেন, খুব দ্রুত তিনি সুস্থ হয়ে উঠবেন এবং আবারও সুখকর সময় কাটাবেন।

  • বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগে হিরো আলম গ্রেপ্তার

    বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগে হিরো আলম গ্রেপ্তার

    কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল আলম, যিনি হিরো আলম নামে পরিচিত, তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন ও ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে, যার পরিপ্রেক্ষিতে আদালতে তাকে হাজির করা হয়।

    গবেষণাটি ঘটে বগুড়ায়, বুধবার ১৯ ফেব্রুয়ারি। এর আগে ১০ ফেব্রুয়ারি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২-এর বিচারক আনোয়ারুল হক তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে হিরো আলমের ফোন নম্বরে যোগাযোগ করলে তার বিষয়টি নিশ্চিত করেন তার সহযোগী পরিচালক রবিন খান। তিনি জানান, বগুড়ার বনানী এলাকা থেকে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।

    একটি সূত্র বলছে, হিরো আলম নিজ এলাকা থেকে স্বাভাবিকভাবে অবস্থান করছিলেন। তবে যখন পুলিশ তার খোঁজে যায়, তখন তিনি ঢাকায় পালানোর চেষ্টা করেন। শেষমেশ গাড়ি চালিয়ে শাজাহানপুর থানার কাছাকাছি এলাকায় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। এরপর তাকে আদালতে হাজির করা হয়।

    বগুড়া সদর থানার পুলিশ সূত্র জানায়, গত বছরের ৬ মে এক নারীরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ করেন। ওই সময় অভিযোগকারিনী বগুড়ার নারী ও শিশুশিল্প নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল-১-এ মামলায় অন্তর্ভুক্ত হন। আদালত তার জবানবন্দি রেকর্ড করে তদন্তের জন্য পিবিআইয়ের পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দেন। তদন্ত শেষে ১০ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল হয়। তবে অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ায় মামলার অন্য পাঁচ আসামিকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

    অভিযোগের বিশদে জানা গেছে, হিরো আলম বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এবং নায়িকা বানানোর আশ্বাসে ওই নারীকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। পাশাপাশি তিনি একজন মৌলভী ডেকে তাঁর স্বীকারোক্তি করান এবং বিয়ের কথা বলে নানা স্থানে বাসা ভাড়া করে একসঙ্গে বসবাস শুরু করেন। এ সময় মহিলার অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে, গত বছরের ১৮ এপ্রিল তার নিজ বাড়িতে গর্ভপাতের জন্য চাপ দেওয়া হয়। কিন্তু তিনি রাজি না হলে, ২১ এপ্রিল হিরো আলম ও অন্যান্য অভিযুক্ত তাকে মারধর করে। ঘটে গুরুতর রক্তক্ষরণ, ফলে তাকে শহরের একটি ক্লিনিকে ভর্তি করা হয় এবং গর্ভপাত সম্পন্ন হয়। পরবর্তীতে ২৪ থেকে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত তাকে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়।

    অন্য এক অভিযোগে বলা হয়, সিনেমা তৈরির কথা দিয়ে হিরো আলম ওই নারীর কাছ থেকে প্রায় ১৫ লাখ টাকা দর করেন।

  • স্বামীসহ নায়িকা রুবিনা নিঝুমের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

    স্বামীসহ নায়িকা রুবিনা নিঝুমের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

    চিত্রনায়িকা রুবিনা আক্তার নিঝুম, তার স্বামী মামূনুর রশীদ রাহুল এবং তার ভাই নান্নু মিঞা ও বোন মহিমা বিবির বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আদালত গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন। এই নির্দেশনা দেওয়া হয় বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে। বাদী পক্ষের আইনজীবী কায়েশ আহমেদ অর্ণব এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    অভিযোগ মতে, মোছাম্মৎ সুরভী বেগম নামের এক নারী ২৯ জানুয়ারি এই মামলা দায়ের করেন। মামলার প্রেক্ষিতে আদালত সেই দিনই আসামিদের ১৯ ফেব্রুয়ারি হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করে। তবে, অর্ণব জানান, আজ তারা আদালতে হাজির হননি, তাই তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদন করেন। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন।

    মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, সুরভী বেগম ও নিঝুম পূর্ব পরিচিত। রুবিনা ও রাহুল সুরভীর বিশ্বাসযোগ্য ও বিশ্বস্ত ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তারা বিভিন্ন সময়ে সুরভীর কাছ থেকে অর্থ ধার নিয়ে সেগুলো সময়মতো ফেরত দেন। ২০২০ সালের ১অক্টোবর থেকে তারা সুরভীর কাছ থেকে মোট সাড়ে ১২ লাখ টাকা ধার করে। ওই টাকা তিন দফায়, ১১ থেকে ২০ অক্টোবর, সুরভীর কাছ থেকে নেন। চুক্তি অনুযায়ী, দুই মাসের মধ্যে টাকা ফেরত দেয়ার কথা ছিল, এবং রাহুলের টাকা ফেরত দিতে অক্ষম হলে তার ভাই নান্নু টাকার ভার নেবেন বলে চুক্তি হয়।

    পরবর্তীতে, সুরভী গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং অর্থের চাহিদা বেড়ে যায়। গত বছরের ১ মে, জরুরি প্রয়োজনের জন্য, আবার টাকা ফেরত চান। কিন্তু রুবিনা ও রাহুল টাকা ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানায়। ২২ সেপ্টেম্বর, সুরভীর সমর্থনে রামপুরার বনশ্রীস্থ রুবিনার বাসায় গিয়ে টাকা ফেরত দাবি করলে, তাদের সঙ্গে ঝগড়া বাধে। টাকার দাবি অস্বীকার করে রুবিনা ও অন্যরা সুরভীকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এই ঘটনার কারণে সুরভী রামপুরা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

  • বিশ্বকাপজয়ী ফুটবলার মেসুত ওজিল এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে

    বিশ্বকাপজয়ী ফুটবলার মেসুত ওজিল এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে

    আজ বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি), বিশ্বকাপজয়ী জার্মান ফুটবল তারকা মেসুত ওজিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে উপস্থিত হয়েছেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘শহিদ বুদ্ধিজীবী ডা. মোহাম্মদ মোর্তজা মেডিকেল সেন্টার’-এর আধুনিকায়ন এবং নতুন একটি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যোগ দেন। বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক মিনহাজ উদ্দীন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের ছেলে বিলাল এরদোয়ান, তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিস সেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খানসহ অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। মিনহাজ উদ্দীন বলেন, মেসুত ওজিল আগামীকাল কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ইফতার করবেন।

  • আইসিসি নিশ্চিত করেছে, ২০২৮ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলবে বাংলাদেশ

    আইসিসি নিশ্চিত করেছে, ২০২৮ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলবে বাংলাদেশ

    বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের অংশগ্রহণের ভবিষ্যৎ এখন পরিষ্কার হয়েছে। ভারতের শ্রীলঙ্কায় চলা অন্যান্য আসরের মতো, বাংলাদেশ গত বুধবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) আনুষ্ঠানিক ঘোষণা পাওয়ার পর নিশ্চিত করেছে যে, ২০২৮ সালে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পাবে তারা। আইসিসির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থান র‌্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত হয়েছে।

    বর্তমানে চলা বিভিন্ন ম্যাচের ফলাফলের মাধ্যমে বিশ্বকাপের সুপার এইটের চূড়ান্ত লাইনআপ ইতিমধ্যে ঘোষণা করা হয়েছে। এতে পাকিস্তান, ভারত, শ্রীলঙ্কা, জিম্বাবুয়ে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা ও নিউজিল্যান্ড অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই সুপার এইট একসঙ্গে চূড়ান্ত হয়ে যাওয়ায়, এরা সরাসরি ২০২৮ আসরে খেলার প্রত্যাশী। বিশেষ করে, নিউজিল্যান্ডটি স্বাগতিক হিসেবে ইতিমধ্যেই নিশ্চিত হয়েছে। অন্যদিকে, অস্ট্রেলিয়া এই আসরে সরাসরি जगह পেলেও, তারা এই সুপার এইটে উঠতে পারেনি।

    আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, ২০ দলীয় বিশ্বকাপে বাছাই প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত হবে আরও ৮টি দেশ। এর মধ্যে, ইতোমধ্যে ঠিক হয়ে গেছে যে, ৯টি দল পারফরম্যান্স ও স্বাগতিকতা (অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড) এর ভিত্তিতে জায়গা করে নেবে। বাকি তিনটি দল হবে র‌্যাঙ্কিংয়ের ওপর ভিত্তি করে। ৯ মার্চ, ফাইনালে শেষ হওয়ার দিন, এই র‌্যাঙ্কিংৰ তালিকা চূড়ান্ত হবে।

    বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও আয়ারল্যান্ডের অবস্থান যথাক্রমে ৯, ১০ ও ১২ নম্বরে। এই তিন দলের জন্য বড় খবর হলো, ৯ মার্চের মধ্যে কোনও আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচ হওয়া নেই যেগুলো র‌্যাঙ্কিংয়ে পরিবর্তন আনতে পারে। ফলে, এই তিন দল সরাসরি ২০২৮ সালের বিশ্বকাপে খেলতে পারবে, যা তাদের জন্য এক বড় সাফল্য। বাংলাদেশ এখনই নিশ্চিত হয়েছে যে, আগামী আসরে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে।

  • বিসিবির কেন্দ্রীয় চুক্তিতে ২৮ ক্রিকেটার, জানুন বেতন কত

    বিসিবির কেন্দ্রীয় চুক্তিতে ২৮ ক্রিকেটার, জানুন বেতন কত

    বাংলাদেশ Cricket Board (বিসিবি) সম্প্রতি চলতি বছরের (২০২৬) জন্য ক্রিকেটারদের কেন্দ্রীয় চুক্তির তালিকা প্রকাশ করেছে। এতে মোট ২৮ জন ক্রিকেটার স্থান পেয়েছেন। এবারের চুক্তিতে ‘এ’ ক্যাটাগরি থাকছে না, যা আগে থেকে জানা গিয়েছিল। প্রথমবারের মতো এই চুক্তিতে স্থান পেয়েছেন পারভেজ ইমন, তানভীর ইসলাম, হাসান মুরাদ। বরং, অনেক পুরনো ক্রিকেটার তারই সঙ্গে আবারো চুক্তিতে ফিরেছেন, যেমন সাইফ হাসান, নুরুল হাসান সোহান, নাঈম হাসান, শামীম হোসেন। কোন ক্রিকেটারই এই বার চুক্তি থেকে বাদ পড়েননি।

    চুক্তির গ্রেড অনুসারে ক্রিকেটারদের বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে।

    এ গ্রেডে রয়েছেন (প্রতি মাসে ৮ লাখ টাকা বেতন) – নাজমুল হোসেন শান্ত, লিটন কুমার দাস, তাসকিন আহমেদ, মেহেদী হাসান মিরাজ।

    বি গ্রেডে রয়েছেন (প্রতি মাসে ৬ লাখ টাকা) – মুশফিকুর রহিম, মুমিনুল হক, তাওহীদ হৃদয়, হাসান মাহমুদ, মেহেদী হাসান, নাহিদ রানা, সাদমান ইসলাম, তানজিদ হাসান, তামিম, রিশাদ হোসেন, শেখ মেহেদী হাসান।

    সি গ্রেডে রয়েছেন (প্রতি মাসে ৪ লাখ টাকা) – সৌম্য সরকার, জাকের আলি অনিক, শরিফুল ইসলাম, নাসুম আহমেদ, খালেদ আহমেদ, তানজিম হাসান সাকিব।

    ডি গ্রেডে রয়েছেন (প্রতি মাসে ২ লাখ টাকা) – পারভেজ হোসেন ইমন, সাইফ হাসান, নাঈম হাসান, তানভীর ইসলাম, হাসান মুরাদ, নুরুল হাসান সোহান, শামীম হোসেন। এই তালিকা অনুযায়ী, ক্রিকেটারদের বেতন ও গ্রেড নির্ধারিত হয়েছে, যা তাদের পারফরমেন্স ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে নির্ণয় করা হয়েছে।

  • রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে ফেরার পথে ওজিলের গাড়িবহর দুর্ঘটনায় পড়ল

    রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে ফেরার পথে ওজিলের গাড়িবহর দুর্ঘটনায় পড়ল

    রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে ফেরার পথে গুরুতর একটি দুর্ঘটনায় পতিত হয়েছে জার্মানির সাবেক ফুটবল তারকা মেসুত ওজিল এবং তুরস্কের প্রেসিডেন্টের পুত্র নেকমেতিন বিলাল এরদোয়ানের গাড়িবহর। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কের উখিয়া কুতুপালং এলাকায়।

    বিশেষ সূত্র জানিয়েছে, এতে ওজিল বা তার দলের কেউ এখনও পর্যন্ত আহত হননি। তবে দুর্ঘটনার শিকার হয় একটি অটোরিকশা, যেটি বহরটির সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। সংঘর্ষের ফলস্বরূপ অটোরিকশাটি সম্পূর্ণ দুমড়ে-মুচড়ে যায়, এবং এর চালক গুরুতর আহত হন। আহত চালকের নাম-পরিচয় এখনো জানা যায়নি।

    উখিয়ার শাহপুরী হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে ফেরার পথে সাবেক ফুটবলার মেসুত ওজিল ও নেকমেতিন বিলাল এরদোয়ানের গাড়ির বহরটি ভিআইপি প্রোটোকল ভেঙে একটি অটোরিকশার সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।’ তিনি আরও জানান, দুর্ঘটনায় জব্দ করা হয়েছে অটোরিকশাটিকে।

    অটোরিকশাটি ভেঙে গেছে এবং এর চালক আহত অবস্থায় স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। পুলিশ পরিস্থিতি তদন্ত করছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নিচ্ছে।

    উল্লেখ্য, এর আগে ওজিল ও তার দলের সদস্যরা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেছিলেন। বিকেলে ৪ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে ফুটবল খেলেন ওজিল, আর সন্ধ্যায় ইফতারে অংশ নেন, যা স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে।

  • বিশ্বকাপ ইস্যুতে আসিফ নজরুলকে ‘মিথ্যুক’ বলে সালাউদ্দিনের ক্ষোভ

    বিশ্বকাপ ইস্যুতে আসিফ নজরুলকে ‘মিথ্যুক’ বলে সালাউদ্দিনের ক্ষোভ

    ভারত ও শ্রীলঙ্কার যৌথ উদ্যোগে অব্যাহত থাকা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ দল এবারের আসরে অংশ নিতে পারেনি। ভারতের মাঠে খেলতে না যাওয়ার কারণে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিশ্চিতভাবে হয়নি, যা খুবই রাজনৈতিক ও নাটকীয় মুহূর্ত সৃষ্টি করে।

    বিশ্বকাপের শুরু আগেই সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেছিলেন, বাংলাদেশ দলের বিশ্বকাপে না খেলা সরকারের সিদ্ধান্ত। তবে কিছুদিন পরে তিনি তাঁর ভাষ্য পাল্টে বলেন, এই সিদ্ধান্ত আসলে সরকারের নয়, বরং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এবং খেলোয়াড়দের সিদ্ধান্ত ছিল।

    এই বিষয়টি নিয়ে এবার মুখ খুলেছেন বিসিবির সিনিয়র সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। শুক্রবার মিরপুরে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি দুর্ভাবনার সঙ্গে জানান, তিনি অবাক হয়েছেন যে কেউ এমন মিথ্যা কথা বলতে পারেন। তিনি বলেন, ‘উনি (আসিফ নজরুল) খাঁড়ার ওপর এভাবে নিজের সত্যতা না যাচাই করে মিথ্যা কথা বলছেন, আমি ভাবতেও পারছি না। আমি কিভাবে আমার খেলোয়াড়দের সামনে মুখ দেখাবো? উনি একজন শিক্ষকের মানুষ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। দেশের শীর্ষ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের একজন শিক্ষক এইভাবে মিথ্যা বলবেন — এটা মানতে পারছি না।’

    সালাউদ্দিন আরও যোগ করেন, ‘আমি জানি আমার দুই খেলোয়াড় কোমায় চলে গিয়েছিল। পাঁচ দিন কোথায় যেন হারিয়ে গিয়েছিল তারা। আমরা তাদের (অদম্য কাপ) টুর্নামেন্টে মাঠে ফিরে আনার জন্য অনেক কষ্ট করেছি। এইটাই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় সাফল্য। তবে, আপনি যদি এক সেকেন্ডে দলের বেশ কিছু কিছুকে ধ্বংস করে দেন, সেটিই বড় দুর্ভাগ্য।’

    এর আগে, ফেব্রুয়ারি মাসের ১০-এ তিনি বলেছিলেন— দল বিশ্বকাপে না খেলার সিদ্ধান্তের পেছনে বাংলাদেশের বোর্ড ও খেলোয়াড়ের সিদ্ধান্ত ছিল। তিনি উল্লেখ করেছিলেন, ‘আমরা দেশের ক্রিকেটের জন্য নিজেদের ত্যাগ স্বীকার করেছি, দেশের মানুষের নিরাপত্তার জন্য। মানুষের মর্যাদার জন্য আমাদের ভূমিকা রেখেছি।’ তবে, সেই বক্তব্যে সমালোচনার মুখে পরে তিনি নিজেও নিজের অবস্থান থেকে সরে আসেন।