Blog

  • সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ জনকে আজ হাজির করা হচ্ছে ট্রাইব্যুনালে

    সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ জনকে আজ হাজির করা হচ্ছে ট্রাইব্যুনালে

    জুলাই-আগস্টের গণহত্যার মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হচ্ছে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ আসামিকে। 

    আজ সোমবার সকালে কড়া নিরাপত্তায় তাদেরকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হবে। এদিকে গণহত্যার মামলার তদন্তের সময় বৃদ্ধির জন্য আবেদন জানাবে তদন্ত সংস্থা। সংস্থার পক্ষে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট এম তাজুল ইসলাম আজ এ আবেদন জানাবেন। বিচারপতি মো. গোলাম মূর্তজা মজুমদারের সভাপতিত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালে আবেদনের উপর শুনানি হবে। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

    ট্রাইব্যুনালে যাদেরকে হাজির করা হচ্ছে এরা হলেন: আনিসুল হক, ড. আব্দুর রাজ্জাক, শাজাহান খান, সালমান এফ রহমান, গোলাম দস্তগীর গাজী, কামাল আহমেদ মজুমদার, লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান, ড. দীপু মনি, রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু, জুনাইদ আহমেদ পলক, তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী (বীর বিক্রম), সাবেক বিচারপতি এইচ এম শামসুদ্দীন চৌধুরী মানিক ও সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিব জাহাঙ্গীর আলম।

    এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট এম তাজুল ইসলাম ইত্তেফাককে বলেন, গণহত্যার মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারিকৃতদের মধ্যে গ্রেফতার হওয়া ১৪ অভিযুক্তকে আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করার জন্য আদেশ রয়েছে। ঐ আদেশ মোতাবেক কারা কর্তৃপক্ষ তাদেরকে হাজির করবে। তিনি বলেন, গণহত্যার মামলা তদন্তের জন্য সময় দিয়েছিল ট্রাইব্যুনাল। যেহেতু তদন্ত শেষ হয়নি সেহেতু সময় বৃদ্ধির আবেদন দেওয়া হবে। কোটা সংস্কার ও সরকার পতনের আন্দোলন দমাতে নিরস্ত্র ছাত্র-জনতাকে সমূলে বা আংশিক নির্মূলের লক্ষ্যে হত্যা, গণহত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের মামলায় গত ১৭ অক্টোবর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সরকারের সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে ট্রাইব্যুনাল। ২৭ অক্টোবর পরোয়ানাভুক্তদের মধ্যে ২০ জনকে ট্রাইব্যুনালের মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। এদের মধ্যে ১৪ জনকে আজ এবং ছয় পুলিশ কর্মকর্তা সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন, বরখাস্ত মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, সাবেক ঢাকা জেলার এডিসি (এসপি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত ছিলেন) আব্দুল্লাহ হিল কাফী, সাবেক এডিসি আরাফাতুল ইসলাম, যাত্রাবাড়ী থানার সাবেক ওসি আবুল হাসান এবং গুলশান থানার সাবেক ওসি মাজহারুল ইসলামকে ২০ নভেম্বর ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ রয়েছে। এদিকে ২৭ অক্টোবর ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, র‍্যাবের সাবেক ডিজি হারুন-অর রশিদ, এসবির সাবেক প্রধান মনিরুল ইসলাম, ডিবির সাবেক প্রধান হারুনুর রশিদ, বিপ্লব কুমার সরকার, সাবেক এডিসি ইকবাল হোসেনসহ আরো ১৭ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করা হয়।

    তদন্ত সংস্থা ও প্রসিকিউশনের অভিযোগে যা বলা হয়েছে : কোটা সংস্কারের অহিংস আন্দোলন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সহিংস হয়ে উঠে। একই সঙ্গে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরস্ত্র ছাত্র-ছাত্রীদের ওপর নির্মমভাবে হামলা চালায়। এই হামলার ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকাসহ দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামে। সংঘর্ষ হয় ছাত্রলীগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে। ১৬ জুলাই রংপুরে পুলিশের গুলিতে শিক্ষার্থী আবু সাঈদসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আরও ছয় জন মারা যান। ফলে কোটা সংস্কার আন্দোলন সরকার পতনের আন্দোলনে রূপ নেয়। এই আন্দোলনে একসময় শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ যোগ দেয়। কমপ্লিট শাটডাউন, অসহযোগ আন্দোলন দমাতে জারি করা হয় কারফিউ। কিন্তু তাতে দমে যায়নি ছাত্র-জনতা। এই ছাত্র-জনতাকে সমূলে বা আংশিক নির্মূলের উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ নির্দেশনায় নির্বিচারে গুলি চালায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এর সঙ্গে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠন এবং ১৪ দলীয় জোটের ক্যাডার বাহিনী যোগ দেয়। এতে দেড় সহস্রাধিক ছাত্র-জনতাকে হত্যা করা হয়। আহত হয় ২৩ হাজারের অধিক শিক্ষার্থী ও জনতা। আহত অনেকে চিরতরে পঙ্গু ও দৃষ্টি শক্তি হারিয়েছেন।

    এর পরেও দমানো যায়নি আন্দোলনকারীদের। তারা ৫ আগস্ট গণভবনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। পদত্যাগ করে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পরেও পূর্ব নির্দেশনা অনুযায়ী ঐদিন গভীর রাত পর্যন্ত হত্যা, গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী এবং ১৪ দলীয় জোটের ক্যাডাররা। এসব অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে জুলাই-আগস্ট গণহত্যার মামলায়।

    প্রসঙ্গত গণঅভ্যুত্থানের মুখে গত ৫ আগস্ট দেশত্যাগ করেন শেখ হাসিনা। ৮ আগস্ট নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যাত্রা শুরু করে। এরপর ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, এমপি, বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে শত শত হত্যা মামলা দায়ের হয়। এর মধ্যে বেশ কিছু মামলায় গ্রেফতার হয়ে আগস্ট মাস থেকে কারাগারে আছেন ট্রাইব্যুনালের পরোয়ানাভুক্ত আসামিরা। অক্টোবর মাসে সরকার পুনর্গঠন করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। শেখ হাসিনাসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির মধ্য দিয়ে গত ১৭ অক্টোবর যাত্রা শুরু করে ট্রাইব্যুনাল। ইতিমধ্যে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রেড অ্যালার্ট জারি করতে ইন্টারপোলের কাছে চিঠি দিয়েছে চিফ প্রসিকিউটর।

  • দীপু মনির সুপারিশে মাউশিতে তিন হাজার পদায়ন

    দীপু মনির সুপারিশে মাউশিতে তিন হাজার পদায়ন

    সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির ইশারায় নিয়োগ পান প্রায় তিন হাজার ১৮৩ কর্মকর্তা-কর্মচারী। দীপু মনি সিন্ডিকেটের বলয়ে তারা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) চাকরি পান। এর জন্য উচ্চ মহলের সুপারিশসহ তাদের দিতে হয়েছে ৫ থেকে ১৫ লাখ টাকা। নিয়োগের জন্য যাচ্ছেতাইভাবে পরীক্ষা নেয়া হয় তাদের জন্য। দীপু মনির আমলে চার হাজার ১০৯ জনকে নিয়োগ দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। এখনো চাকরির অপেক্ষায় রয়েছেন ৬১০ জন।

    মাউশি’র এই নিয়োগ পুরোটা সামলেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনির ভাই ডা. জে আর ওয়াদুদ টিপু ও চাঁদপুর পুরান বাজার ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ রতন কুমার মজুমদার। অভিযোগ রয়েছে এই চক্রটির খাতা কলমে বৈধতা দেয়ার কাজ করে গেছেন মাউশি’র কলেজ ও প্রশাসন শাখার পরিচালক শাহেদুল খবির চৌধুরী, প্রশাসন শাখার উপ-পরিচালক বিপুল চন্দ্র বিশ্বাস। বর্তমানে এই দুই কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। টাকার বিনিময়ে নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তারা ২০২৩ সালে দু’দফায় (আগস্ট ও নভেম্বরে) যোগদান করেন।

    মাউশি’র একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীপু মনি শিক্ষার দায়িত্ব হাতে পাবার পরই গড়ে তোলেন সিন্ডিকেট। মাউশিতে নিয়ে আসেন পছন্দের লোকদের। জনপ্রশাসন থেকে নিয়োগের ছাড়পত্র এনে তার আমলে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করেন। এই চক্র এতটাই শক্তিশালী ছিল যে, কেউ প্রশ্ন করার সাহস পর্যন্ত ছিল না। পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন অনেকেই। পরীক্ষায় এমসিকিউ বাতিল করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ’র অধীনে লিখিত পরীক্ষা নেয়ার দাবি তোলা হয়েছিল। কিন্তু তা আমলেই নেয়া হয়নি। এমনকি ভাইবার আগেই এসব প্রার্থীদের দেয়া হয়েছিল চাকরির নিশ্চয়তা।

    সুপারিশের প্রেক্ষিতে চার হাজার ১০৯ জনকে নিয়োগ দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু নানা জটিলতায় আটকে যায় ৬১০ জনের পদায়ন। তবে তাদের পদায়নের জন্য চলতি বছরের জুনে ফল প্রকাশ করা হয়। কিন্তু ছাত্র-জনতার আন্দোলনের তোড়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। যার কারণে আটকে আছে তাদের নিয়োগ। নিয়ম অনুযায়ী দশম থেকে দ্বাদশ গ্রেড পর্যন্ত দ্বিতীয় শ্রেণির পদ, কিন্তু মাউশি’র নিয়োগবিধিতে এই পদগুলোকে তৃতীয় শ্রেণির দেখিয়ে শুধু এমসিকিউ পরীক্ষা নেয়া হয়। ২০২০ সালের অক্টোবরে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে ২৮টি ক্যাটাগরির বিভিন্ন পদের মধ্যে প্রদর্শক পদে ৫১৪টি, গবেষণা সহকারী (কলেজ) পদে ২১টি, সহকারী গ্রন্থাগারিক কাম ক্যাটালগার পদে ৬৯টি এবং ল্যাবরেটরি সহকারী পদে ৬টি পদ উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এসব পদের বিপরীতে পরীক্ষা ২০২১ সালের আগস্ট ও অক্টোবরে অনুষ্ঠিত হয়। পরিদর্শক পদের ফল অনিবার্যকারণবশত স্থগিত করা হয়েছিল। সেই পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয় ২০২৪ সালের এপ্রিলে। এতে প্রায় আট হাজার প্রার্থী উত্তীর্ণ হন। মে মাসে ভাইবা শেষে জুনে নির্বাচিতদের ফল প্রকাশ করা হয়। কিন্তু পরবর্তীতে পরিস্থিতির কারণে আটকে আছে এই ৬১০ জনের নিয়োগ। চাকরি পাওয়াদের মধ্যে রয়েছেন কম্পিউটার অপারেটর ৯ জন, উচ্চমান সহকারী ৮৫ জন, ক্যাশিয়ার ১১৯ জন, স্টোরকিপার ৫০ জন, হিসাব সহকারী ১০৬ জন, অফিস সহকারী ৫১৩ জন, মেকানিক ৩৩ জন, গাড়িচালক ১১ জন, বুক সর্টার ৪৬ জন, অফিস সহায়ক ১৭০৪ জন, নিরাপত্তা প্রহরী ২৪৭ জন, মালী ৯৭ জন, পরিচ্ছন্নকর্মী ১৬৩ জন। অন্যদিকে তালিকায় নিয়োগের অপেক্ষায় রয়েছেন প্রদর্শক পদে পদার্থবিদ্যায় ১০৯ জন, রসায়নে ১২০ জন, জীববিজ্ঞানে ৩১ জন, প্রাণিবিদ্যায় ১০৯ জন, উদ্ভিদবিদ্যায় ৯৬ জন, ভূগোলে ১৩ জন, মৃত্তিকায় ৫ জন, গণিতে ২২ জন, গার্হস্থ্য বিজ্ঞানে ৮ জন, কৃষিতে একজন, গবেষণা সহকারী (কলেজ) ২১ জন, সহকারী গ্রন্থাগারিক ৬৯ জন এবং ল্যাবরেটরি সহকারী ৬ জন।

    এই নিয়োগের বিষয়ে জানতে চাইলে মাউশি মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর এবিএম রেজাউল করীম বলেন, তালিকা ধরে নিয়োগের বিষয়টি আমার জানা নেই। আমি নিয়োগ প্রক্রিয়ার সময়ে দায়িত্বেও ছিলাম না। এটা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন। মন্ত্রণালয় থেকে কোনো নির্দেশনা দেয়া হলে সেটি বাস্তবায়ন করা হবে।

  • কোন আসনে কে জিতেছেন?

    কোন আসনে কে জিতেছেন?

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর ২৯৯টি আসনের বেসরকারিভাবে ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। সাধারণ মানুষের মনে এখন একটাই প্রশ্ন—আগামী বাংলাদেশের নেতৃত্ব কার হাতে উঠবে? বিশেষত কোন আসনে কোন হেভিওয়েট প্রার্থী জেতেছেন, তা এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

    নিচে সারাদেশ থেকে পাওয়া বেসরকারি ফলাফল ও বিজয়ীদের সম্পূর্ণ তালিকা দেওয়া হলো—

    আসন নং ১ : পঞ্চগড়-১ : মুহাম্মদ নওশাদ জমির (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২ : পঞ্চগড়-২ : ফরহাদ হোসেন আজাদ (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ৩ : ঠাকুরগাঁও-১ : মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ৪ : ঠাকুরগাঁও-২ : ডা. আব্দুস সালাম (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ৫ : ঠাকুরগাঁও-৩ : জাহিদুর রহমান জাহিদ (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ৬ : দিনাজপুর-১ : মঞ্জুরুল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ৭ : দিনাজপুর-২ : সাদিক রিয়াজ চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ৮ : দিনাজপুর-৩ : সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ৯ : দিনাজপুর-৪ : আখতারুজ্জামান মিয়া (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১০ : দিনাজপুর-৫ : এ, জেড, এম, রেজওয়ানুল হক (স্বতন্ত্র-তালা)

    আসন নং ১১ : দিনাজপুর-৬ : ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১২ : নীলফামারী-১ : অধ্যক্ষ মাওলানা মো. আব্দুস সাত্তার (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ১৩ : নীলফামারী-২ : আল ফারুক আব্দুল লতিফ (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ১৪ : নীলফামারী-৩ : মাওলানা ওবায়দুল্লাহ সালাফী (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ১৫ : নীলফামারী-৪ : হাফেজ আব্দুল মুনতাকিম (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ১৬ : লালমনিরহাট-১ : ব্যারিস্টার হাসান রাজীব প্রধান (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১৭ : লালমনিরহাট-২ : রোকন উদ্দিন বাবুল (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১৮ : লালমনিরহাট-৩ : আসাদুল হাবিব দুলু (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১৯ : রংপুর-১ : রায়হান সিরাজী (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ২০ : রংপুর-২ : এটিএম আজাহারুল ইসলাম (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ২১ : রংপুর-৩ : মাহবুবুর রহমান বেলাল (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ২২ : রংপুর-৪ : আখতার হোসেন (এনসিপি-শাপলা কলি)

    আসন নং ২৩ : রংপুর-৫ : অধ্যাপক গোলাম রব্বানী (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ২৪ : রংপুর-৬ : নুরুল আমিন (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ২৫ : কুড়িগ্রাম-১ : আনোয়ারুল ইসলাম (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ২৬ : কুড়িগ্রাম-২ : ড. আতিক মুজাহিদ (এনসিপি-শাপলা কলি)

    আসন নং ২৭ : কুড়িগ্রাম-৩ : ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহী (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ২৮ : কুড়িগ্রাম-৪ : মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ২৯ : গাইবান্ধার-১ : মাজেদুর রহমান (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ৩০ : গাইবান্ধার-২ : আব্দুল করিম (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ৩১ : গাইবান্ধার-৩ : নজরুল ইসলাম (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ৩২ : গাইবান্ধার-৪ : শামীম কায়সার (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ৩৩ : গাইবান্ধার-৫ : আব্দুল ওয়ারেছ (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ৩৪ : জয়পুরহাট-১ : ফজলুর রহমান সাঈদ (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ৩৫ : জয়পুরহাট-২ : আব্দুল বারী (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ৩৬ : বগুড়া-১ : কাজী রফিকুল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ৩৭ : বগুড়া-২ : মীর শাহে আলম (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ৩৮ : বগুড়া-৩ : আব্দুল মোহিত তালুকদার (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ৩৯ : বগুড়া-৪ : মো. মোশারফ হোসেন (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ৪০ : বগুড়া-৫ : গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ৪১ : বগুড়া-৬ : তারেক রহমান (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ৪২ : বগুড়া-৭ : মোরশেদ মিলটন (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ৪৩ : চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ : মো. কেরামত আলী (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ৪৪ : চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ : মু. মিজানুর রহমান (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ৪৫ : চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ : নরুল ইসলাম বুলবুল (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ৪৬ : নওগাঁ-১ : মো. মোস্তাফিজুর রহমান (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ৪৭ : নওগাঁ-২ : ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ৪৮ : নওগাঁ-৩ : মো. ফজলে হুদা (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ৪৯ : নওগাঁ-৪ : ডা. ইকরামুল বারী টিপু (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ৫০ : নওগাঁ-৫ : জাহিদুল ইসলাম ধলু (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ৫১ : নওগাঁ-৬ : শেখ মো. রেজাউল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ৫২ : রাজশাহী-১ : অধ্যাপক মুজিবুর রহমান (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ৫৩ : রাজশাহী-২ : মিজানুর রহমান মিনু (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ৫৪ : রাজশাহী-৩ : অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ৫৫ : রাজশাহী-৪ : আব্দুল বারী সরদার (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ৫৬ : রাজশাহী-৫ : অধ্যাপক নজরুল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ৫৭ : রাজশাহী-৬ : আবু সাঈদ (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ৫৮ : নাটোর-১ : ফারজানা শারমীন (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ৫৯ : নাটোর-২ : এম. রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ৬০ : নাটোর-৩ : মো. আনোয়ারুল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ৬১ : নাটোর-৪ : অ্যাড. এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ৬২ : সিরাজগঞ্জ-১ : সেলিম রেজা (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ৬৩ : সিরাজগঞ্জ-২ : ইকবাল হাসান মাহ্‌মুদ (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ৬৪ : সিরাজগঞ্জ-৩ : আইনুল হক (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ৬৫ : সিরাজগঞ্জ-৪ : রফিকুল ইসলাম খান (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ৬৬ : সিরাজগঞ্জ-৫ : আমিরুল ইসলাম খান আলীম (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ৬৭ : সিরাজগঞ্জ-৬ : এম এ মুহিত (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ৬৮ : পাবনা-১ : নাজিবুর রহমান মোমেন (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ৬৯ : পাবনা-২ : এ কে এম সেলিম রেজা হাবিব (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ৭০ : পাবনা-৩ : মাওলানা আলী (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ৭১ : পাবনা-৪ : আবু তালেব মন্ডল (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ৭২ : পাবনা-৫ : শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ৭৩ : মেহেরপুর-১ : মো. তাজউদ্দীন খান (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ৭৪ : মেহেরপুর-২ : নাজমুল হুদা (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ৭৫ : কুষ্টিয়া-১ : রেজা আহমেদ বাচ্চু (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ৭৬ : কুষ্টিয়া-২ : মো. আব্দুল গফুর (জামায়اتے ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ৭৭ : কুষ্টিয়া-৩ : মুফতি আমির হামজা (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ৭৮ : কুষ্টিয়া-৪ : মো. আফজাল হোসেন (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ৭৯ : চুয়াডাঙ্গা-১ : অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ৮০ : চুয়াডাঙ্গা-২ : মো. রুহুল আমিন (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ৮১ : ঝিনাইদহ-১ : মো. আসাদুজ্জামান (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ৮২ : ঝিনাইদহ-২ : আলী আজম মো. আবু বকর (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ৮৩ : ঝিনাইদহ-৩ : মতিয়ার রহমান (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ৮৪ : ঝিনাইদহ-৪ : মাওলানা আবু তালিব (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ৮৫ : যশোর-১ : মুহাম্মাদ আজীজুর রহমান (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ৮৬ : যশোর-২ : মোহাম্মদ মোসলেহউদ্দিন ফরিদ (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ৮৭ : যশোর-৩ : অনিন্দ্য ইসলাম অমিত (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ৮৮ : যশোর-৪ : মো. গোলাম রছুল (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ৮৯ : যশোর-৫ : গাজী এনামুল হক (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ৯০ : যশোর-৬ : মো. মোক্তার আলী (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ৯১ : মাগুরা-১ : মনোয়ার হোসেন খান (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ৯২ : মাগুরা-২ : নিতাই রায় চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ৯৩ : নড়াইল-১ : বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ৯৪ : নড়াইল-১ : মো. আতাউর রহমান (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ৯৫ : বাগেরহাট-১ : মাওলানা মশিউর রহমান (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ৯৬ : বাগেরহাট-২ : শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ৯৭ : বাগেরহাট-৩ : শেখ ফরিদুল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ৯৮ : বাগেরহাট-৪ : আব্দুল আলিম (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ৯৯ : খুলনা-১ : আমির এজাজ খান (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১০০ : খুলনা-২ : শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন হেলাল (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ১০১ : খুলনা-৩ : রকিবুল ইসলাম বকুল (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ১০২ : খুলনা-৪ : এস কে আজিজুল বারী হেলাল (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১০৩ : খুলনা-৫ : আলি আসগর লবি (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১০৪ : খুলনা-৬ : আবুল কালাম আজাদ (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ১০৫ : সাতক্ষীরা-১ : মো. ইজ্জত উল্লাহ (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ১০৬ : সাতক্ষীরা-২ : আব্দুল খালেক (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ১০৭ : সাতক্ষীরা-৩ : রবিউল বাসার (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ১০৮ : সাতক্ষীরা-৪ : গাজী নজরুল ইসলাম (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ১০৯ : বরগুনা-১ : মো. অলি উল্লাহ (ইসলামী আন্দোলন-হাতপাখা)

    আসন নং ১১০ : বরগুনা-২ : মো. নূরুল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১১১ : পটুয়াখালী-১ : আলতাফ হোসেন চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১১২ : পটুয়াখালী-২ : ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ১১৩ : পটুয়াখালী-৩ : মো. নুরুল হক (গণঅধিকার পরিষদ ট্রাক) (বিএনপি সমর্থিত)

    আসন নং ১১৪ : পটুয়াখালী-৪ : মোশাররফ হোসেন (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১১৫ : ভোলা-১ : আন্দালিভ রহমান পার্থ (বিজেপি-গরুর গাড়ি)

    আসন নং ১১৬ : ভোলা-২ : মো. হাফিজ ইব্রাহিম (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১১৭ : ভোলা-৩ : হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১১৮ : ভোলা-৪ : মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১১৯ : বরিশাল-১ : জহিরুদ্দিন স্বপন (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১২০ : বরিশাল-২ : সরফুদ্দিন সরদার সান্টু (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১২১ : বরিশাল-৩ : অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১২২ : বরিশাল-৪ : রাজীব আহসান (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১২৩ : বরিশাল-৫ : মজিবর রহমান সরোয়ার (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১২৪ : বরিশাল-৬ : আবুল হোসেন খান (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১২৫ : ঝালকাঠী-১ : রফিকুল ইসলাম জামাল (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১২৬ : ঝালকাঠি-২ : ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১২৭ : পিরোজপুর-১ : মাসুদ সাঈদী (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ১২৮ : পিরোজপুর-২ : আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১২৯ : পিরোজপুর-৩ : রুহুল আমিন দুলাল (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১৩০ : টাঙ্গাইল-১ : ফকির মাহবুব আনাম (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১৩১ : টাঙ্গাইল-২ : আব্দুস সালাম পিন্টু (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১৩২ : টাঙ্গাইল-৩ : লুৎফর রহমান খান আজাদ (স্বতন্ত্র/বিএনপি বিদ্রোহী)

    আসন নং ১৩৩ : টাঙ্গাইল-৪ : লুৎফর রহমান মতিন (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১৩৪ : টাঙ্গাইল-৫ : সুলতান সালাউদ্দিন টুকু (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১৩৫ : টাঙ্গাইল-৬ : মো. রবিউল আওয়াল (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১৩৬ : টাঙ্গাইল-৭ : আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১৩৭ : টাঙ্গাইল-৮ : আহমেদ আযম খান (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১৩৮ : জামালপুর-১ : রশিদুজ্জামান মিল্লাত (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১৩৯ : জামালপুর-২ : সুলতান মাহমুদ বাবু (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১৪০ : জামালপুর-৩ : মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১৪১ : জামালপুর-৪ : ফরিদুল কবীর তালুকদার শামীম (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১৪২ : জামালপুর-৫ : অ্যাডভোকেট শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১৪৩ : শেরপুর-১ : হাফেজ রাশেদুল ইসলাম রাশেদ (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ১৪৪ : শেরপুর-২ : মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১৪৫ : শেরপুর-৩ : নির্বাচন স্থগিত

    আসন নং ১৪৬ : ময়মনসিংহ-১ : সালমান ওমর রুবেল (স্বতন্ত্র প্রার্থী)

    আসন নং ১৪৭ : ময়মনসিংহ-২ : মোহাম্মদুল্লাহ (বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস-রিকশা)

    আসন নং ১৪৮ : ময়মনসিংহ-৩ : প্রকৌশলী মো. ইকবাল হোসেইন (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১৪৯ : ময়মনসিংহ-৪ : আবু ওয়াহাব আকন্দ (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১৫০ : ময়মনসিংহ-৫ : জাকির হোসেন বাবলু (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১৫১ : ময়মনসিংহ-৬ : কামরুল হাসান মিলন (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ১৫২ : ময়মনসিংহ-৭ : ডা. মো. মাহাবুবুর রহমান (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১৫৩ : ময়মনসিংহ-৮ : লুৎফুল্লাহেল মাজেদ (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১৫৪ : ময়মনসিংহ-৯ : ইয়াসের খান চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১৫৫ : ময়মনসিংহ-১০ : আখতারুজ্জামান বাচ্চু (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১৫৬ : ময়মনসিংহ-১১ : ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চু (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১৫৭ : নেত্রকোণা-১ : ব্যারিস্টার কায়সার কামাল (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১৫৮ : নেত্রকোণা-২ : ডা. মো. আনোয়ারুল হক (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১৫৯ : নেত্রকোণা-৩ : ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১৬০ : নেত্রকোণা-৪ : মো. লুৎফুজ্জামান বাবর (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১৬১ : নেত্রকোণা-৫ : অধ্যাপক মাসুম মোস্তফা (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ১৬২ : কিশোরগঞ্জ-১ : মাজহারুল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১৬৩ : কিশোরগঞ্জ-২ : অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দীন (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১৬৪ : কিশোরগঞ্জ-৩ : ড. মুহাম্মদ ওসমান ফারুক (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১৬৫ : কিশোরগঞ্জ-৮ : মো. ফজলুর রহমান (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১৬৬ : কিশোরগঞ্জ-৫ : শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল (স্বতন্ত্র-হাঁস)

    আসন নং ১৬৭ : কিশোরগঞ্জ-৬ : মো. শরীফুল আলম (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১৬৮ : মানিকগঞ্জ-১ : এস এ কবির জিন্নাহ (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১৬৯ : মানিকগঞ্জ-২ : মইনুল ইসলাম খান শান্ত (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১৭০ : মানিকগঞ্জ-৩ : আফরোজা খানম রিতা (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১৭১ : মুন্সীগঞ্জ-১ : শেখ মো. আব্দুল্লাহ (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১৭২ : মুন্সীগঞ্জ-২ : শেখ মো. আব্দুল্লাহ (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১৭৩ : মুন্সীগঞ্জ-৩ : মো. কামরুজ্জামান রতন (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১৭৪ : ঢাকা-১ : আবু আশফাক (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১৭৫ : ঢাকা-২ : আমানউল্লাহ আমান (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১৭৬ : ঢাকা-৩ : গয়েশ্বর চন্দ্র রায় (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১৭৭ : ঢাকা-৪ : সৈয়দ জয়নুল আবেদীন (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ১৭৮ : ঢাকা-৫ : মোহাম্মদ কামাল হোসেন (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ১৭৯ : ঢাকা-৬ : ইশরাক হোসেন (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১৮০ : ঢাকা-৭ : হামিদুর রহমান (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১৮১ : ঢাকা-৮ : মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১৮২ : ঢাকা-৯ : হাবিবুর রশিদ (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১৮৩ : ঢাকা-১০ : শেখ রবিউল আলম (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১৮৪ : ঢাকা-১১ : মো. নাহিদ ইসলাম (এনসিপি-শাপলা কলি)

    আসন নং ১৮৫ : ঢাকা-১২ : সাইফুল আলম (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ১৮৬ : ঢাকা-১৩ : ববি হাজ্জাজ (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১৮৭ : ঢাকা-১৪ : মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ১৮৮ : ঢাকা-১৫ : ডা. শফিকুর রহমান (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ১৮৯ : ঢাকা-১৬ : অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল মো. আব্দুল বাতেন (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ১৯০ : ঢাকা-১৭ : তারেক রহমান (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১৯১ : ঢাকা-১৮ : এস. এম. জাহাঙ্গীর হোসেন (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১৯২ : ঢাকা-১৯ : দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১৯৩ : ঢাকা-২০ : মো. তমিজ উদ্দিন (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১৯৪ : গাজীপুর-১ : মো. মজিবুর রহমান (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১৯৫ : গাজীপুর-২ : এম মঞ্জুরুল করিম রনি (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১৯৬ : গাজীপুর-৩ : ডা. এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১৯৭ : গাজীপুর-৪ : সালাহউদ্দিন আইউবি (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ১৯৮ : গাজীপুর-৫ : এ কে এম ফজলুল হক মিলন (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ১৯৯ : নরসিংদী-১ : খায়রুল কবির খোকন (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২০০ : নরসিংদী-২ : ড. আবদুল মঈন খান (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২০১ : নরসিংদী-৩ : মনজুর এলাহী (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২০২ : নরসিংদী-৪ : সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২০৩ : নরসিংদী-৫ : মো. আশরাফ উদ্দিন (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২০৪ : নারায়ণগঞ্জ-১ : মোস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া (দিপু)

    আসন নং ২০৫ : নারায়ণগঞ্জ-২ : নজরুল ইসলাম আজাদ (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২০৬ : নারায়ণগঞ্জ-৩ : আজহারুল ইসলাম (মান্নান) (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২০৭ : নারায়ণগঞ্জ-৪ : আবদুল্লাহ আল আমিন (এনসিপি-শাপলা কলি)

    আসন নং ২০৮ : নারায়ণগঞ্জ-৫ : আবুল কালাম (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২০৯ : রাজবাড়ী-১ : নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২১০ : রাজবাড়ী-২ : হারুন-অর-রশিদ (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২১১ : ফরিদপুর-১ : ড. ইলিয়াস মোল্যা (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ২১২ : ফরিদপুর-২ : শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২১৩ : ফরিদপুর-৩ : চৌধুরী নায়াব ইউসুফ আহমেদ (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২১৪ : ফরিদপুর-৪ : শহিদুল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২১৫ : গোপালগঞ্জ-১ : সেলিমুজ্জামান মোল্যা (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২১৬ : গোপালগঞ্জ-২ : কে এম বাবর (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২১৭ : গোপালগঞ্জ-৩ : এস এম জিলানী (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২১৮ : মাদারীপুর-১ : সাইদ উবিন আহমাদ হানজালা (বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস-রিকশা)

    আসন নং ২১৯ : মাদারীপুর-২ : জাহান্দার আলী মিয়া (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২২০ : মাদারীপুর-৩ : আনিসুর রহমান খোকন তালুকদার (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২২১ : শরীয়তপুর-১ : সাঈদ আহমেদ (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২২২ : শরীয়তপুর-২ : মো. সফিকুর রহমান (কিরন) (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২২৩ : শরীয়তপুর-৩ : মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২২৫ : সুনামগঞ্জ-২ : মো. নাছির চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২২৭ : সুনামগঞ্জ-৪ : নূরুল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২২৮ : সুনামগঞ্জ-৫ : কলিম উদ্দিন আহমেদ (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২২৯ : সিলেট-১ : খন্দকার আবদুল মুক্তাদির (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২৩০ : সিলেট-২ : তাহসিনা রুশদীর লুনা (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২৩১ : সিলেট-৩ : মোহাম্মদ আবদুল মালিক (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২৩২ : সিলেট-৪ : আরিফুল হক চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২৩৩ : সিলেট-৫ : মুফতি আবুল হাসান (খেলাফত মজলিস-দেয়াল ঘড়ি)

    আসন নং ২৩৪ : সিলেট-৬ : এমরান আহমদ চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২৩৫ : মৌলভীবাজার-১ : নাসির উদ্দিন আহমেদ (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২৩৬ : মৌলভীবাজার-২ : মো. শওকতুল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২৩৭ : মৌলভীবাজার-৩ : এম. নাসের রহমান (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২৩৮ : মৌলভীবাজার-৪ : মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২৩৯ : হবিগঞ্জ-১ : ড. রেজা কিবরিয়া (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২৪০ : হবিগঞ্জ-২ : ডা. আবু মনসুর সাখাওয়াত হাসান (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২৪১ : হবিগঞ্জ-৩ : আলহাজ মো. জি কে গউছ (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২৪২ : হবিগঞ্জ-৪ : সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়সল (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২৪৩ : ব্রাহ্মাণবাড়িয়া-১ : এম এ হান্নান (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২৪৪ : ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ : রুমিন ফারহানা (স্বতন্ত্র-হাঁস)

    আসন নং ২৪৫ : ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ : মো. খালেদ হোসেন মাহবুব (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২৪৬ : ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ : মুশফিকুর রহমান (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২৪৭ : ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ : এম এ মান্নান (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২৪৮ : ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ : মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি (গণসংহতি আন্দোলন-মাথাল) (বিএনপি সমর্থিত)

    আসন নং ২৪৯ : কুমিল্লা-১ : ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২৫০ : কুমিল্লা-২ : সেলিম ভুইয়া (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২৫১ : কুমিল্লা-৩ : শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২৫২ : কুমিল্লা-৪ : মো. আবুল হাসনাত (এনসিপি-শাপলা কলি)

    আসন নং ২৫৩ : কুমিল্লা-৫ : জসিম উদ্দিন (বিএনপি-धानের শীষ)

    আসন নং ২৫৪ : কুমিল্লা-৬ : মনিরুল হক চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২৫৫ : কুমিল্লা-৭ : আতিকুল আলম শাওন (স্বতন্ত্র-কলস)

    আসন নং ২৫৬ : কুমিল্লা-৮ : জাকারিয়া তাহের সুমন (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২৫৭ : কুমিল্লা-৯ : আবুল কালাম (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২৫৮ : কুমিল্লা-১০ : মোবাশ্বের আলম ভুইয়া (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২৫৯ : কুমিল্লা-১১ : ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ২৬০ : চাঁদপুর-১ : আ ন ম এহছানুল হক মিলন (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২৬১ : চাঁদপুর-২ : মো. জালাল উদ্দিন (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২৬২ : চাঁদপুর-৩ : শেখ ফরিদ আহমেদ (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২৬৩ : চাঁদপুর-৪ : এম এ হান্নান (স্বতন্ত্র-চিংড়ি মাছ)

    আসন নং ২৬৪ : চাঁদপুর-৫ : মো. মমিনুল হক (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২৬৫ : ফেনী-১ : মুন্সি রফিকুল আলম মজনু (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২৬৬ : ফেনী-২ : অধ্যাপক জয়নাল আবদিন (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২৬৭ : ফেনী-৩ : আবদুল আউয়াল মিন্টু (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২৬৮ : নোয়াখালী-১ : এ এম মাহবুব উদ্দিন (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২৬৯ : নোয়াখালী-২ : জয়নুল আবদিন ফারুক (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২৭০ : নোয়াখালী-৩ : মো. বরকত উল্লাহ বুলু (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২৭১ : নোয়াখালী-৪ : মো. শাহজাহান (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২৭২ : নোয়াখালী-৫ : মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২৭৩ : নোয়াখালী-৬ : আব্দুল হান্নান মাসউদ (এনসিপি-শাপলা কলি)

    আসন নং ২৭৪ : লক্ষ্মীপুর-১ : শাহাদাত হোসেন সেলিম (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২৭৫ : লক্ষ্মীপুর-২ : আবুল খায়ের ভূঁইয়া (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২৭৬ : লক্ষ্মীপুর-৩ : শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২৭৭ : লক্ষ্মীপুর-৪ : এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২৭৮ : চট্টগ্রাম-১ : নুরুল আমিন (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২৭৯ : চট্টগ্রাম-২ : সরওয়ার আলমগীর (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২৮০ : চট্টগ্রাম-৩ : মোস্তফা কামাল পাশা (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২৮১ : চট্টগ্রাম-৪ : মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২৮২ : চট্টগ্রাম-৫ : মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২৮৩ : চট্টগ্রাম-৬ : গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২৮৪ : চট্টগ্রাম-৭ : হুম্মাম কাদের চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২৮৫ : চট্টগ্রাম-৮ : এরশাদ উল্লাহ (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২৮৬ : চট্টগ্রাম-৯ : আবু সুফিয়ান (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২৮৭ : চট্টগ্রাম-১০ : সাঈদ আল নোমান (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২৮৮ : চট্টগ্রাম-১১ : আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২৮৯ : চট্টগ্রাম-১২ : এনামুল হক (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২৯০ : চট্টগ্রাম-১৩ : সরওয়ার জামাল নিজাম (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২৯১ : চট্টগ্রাম-১৪ : জসিম উদ্দিন আহমেদ (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২৯২ : চট্টগ্রাম-১৫ : শাহজাহান চৌধুরী (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ২৯৩ : চট্টগ্রাম-১৬ : মো. জহিরুল ইসলাম (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)

    আসন নং ২৯৪ : কক্সবাজার-১ : সালাহউদ্দিন আহমদ (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২৯৫ : কক্সবাজার-২ : মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২৯৬ : কক্সবাজার-৩ : লুৎফুর রহমান (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২৯৭ : কক্সবাজার-৪ : শাহজাহান চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২৯৮ : খাগড়াছড়ি : আব্দুল ওয়াদুদ ভুঁইয়া (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ২৯৯ : রাঙামাটি : দীপেন দেওয়ান (বিএনপি-ধানের শীষ)

    আসন নং ৩০০ : বান্দরবান : সাচিং প্রু জেরী (বিএনপি-ধানের শীষ)

    উল্লেখ্য, এখানে দেওয়া তালিকাটি বেসরকারিভাবে সংগ্রহ করা ফলাফল অবলম্বনে তৈরি। সরকারের চূড়ান্ত ঘোষণার সঙ্গে পার্থক্য থাকতে পারে। বিস্তারিত ও চূড়ান্ত ফলাফল জানতে নির্বাচন কমিশনের পরবর্তী বিজ্ঞপ্তি দেখুন।

  • শেরপুর-২, চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের ফলাফল ঘোষণা স্থগিত: ইসি

    শেরপুর-২, চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের ফলাফল ঘোষণা স্থগিত: ইসি

    নির্বাচন কমিশন (ইসি) তিনটি আসনের — শেরপুর-২, চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ — ফলাফল আপিল বিভাগে দায়েরকৃত মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত প্রকাশ করবে না। এ সংক্রান্ত পৃথক তিনটি চিঠি বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) জারি করা হয়েছে।

    চিঠিগুলোতে বলা হয়েছে, আপিল বিভাগের ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখের আদেশ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট তিন প্রার্থীকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার অধিকার রয়েছে। কিন্তু প্রতিটি বিষয়ে আপিল বিভাগে দায়েরকৃত সিপিএলএ (CPLA) নং-এর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত তাদের নির্বাচনী ফলাফল প্রকাশ করা যাবে না — এটাই ইসির আইনগত বাধ্যবাধকতা।

    চট্টগ্রাম-৪ (নির্বাচনী এলাকা ২৮১) আসনের প্রার্থী মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরীর ক্ষেত্রে আপিল বিভাগে দায়ের করা সিপিএলএ নং ৪৪১/২০২৬ (উদ্বৃত: হাইকোর্ট বিভাগের রিট পিটিশন নং ১১৭৪/২০২৬) চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তার ফলাফল স্থগিত থাকবে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

    চট্টগ্রাম-২ (নির্বাচনী এলাকা ২৭৯) আসনের প্রার্থী সরোয়ার আলমগীর সম্পর্কেও একই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে; এখানে আপিল বিভাগে দায়েরকৃত সিপিএলএ নং ৪৪০/২০২৬ (উদ্বৃত: হাইকোর্ট বিভাগের রিট পিটিশন নং ১০৫৩/২০২৬) চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত তার ফলাফল প্রকাশ করা হবে না।

    শেরপুর-২ (নির্বাচনী এলাকা ১৪৪) আসনের প্রার্থী মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরীর ফলাফলও আপিল বিভাগে দায়েরকৃত সিপিএলএ নং ৪৪২/২০২৬-এর চূড়ান্ত আদেশের ওপর নির্ভরশীল বলে চিঠিতে বলা হয়েছে।

    চিঠিগুলোতে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তাদের এই সিদ্ধান্ত অনুধ্যায়ী প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ইসি জানিয়েছে, আপিল বিভাগের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের পরই ওই আসনগুলোর ফলাফল চূড়ান্তভাবে ঘোষণা করা হবে।

  • জনগণ আগামী পাঁচ বছরের দায়িত্ব বিএনপিকে দিয়েছে: নজরুল ইসলাম খান

    জনগণ আগামী পাঁচ বছরের দায়িত্ব বিএনপিকে দিয়েছে: নজরুল ইসলাম খান

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, ভোটের মাধ্যমে আগামী পাঁচ বছরের দায়িত্ব জনগণ বিএনপিকে অর্পণ করেছেন। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় আগারগাঁওয়ে নির্বাচনcommissionের প্রধান কার্যালয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফল ঘোষণা সম্পন্ন হওয়ার পর এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

    নজরুল ইসলাম জানান, গত রাত থেকেই ভোটের ফল ঘোষণা শুনছেন এবং তাদের অনেকে সারারাত কর্মস্থলে অবস্থান করেছেন। ধারা থেকে দেখা গেছে বিএনপি দুই তৃতীয়াংশেরও বেশি আসনে বিজয়ী হয়েছে এবং জোটসঙ্গী প্রার্থীগুলোরও অনেকেই জিতেছেন। এসব ফলাফলের ভিত্তিতে জনগণ দেশের আগামী পাঁচ বছরের কল্যাণের দায়িত্ব বিএনপি ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ওপর চাপিয়ে দিয়েছেন বলে তিনি মন্তব্য করেন।

    নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, আগের কয়েকটি নির্বাচনে অনেক প্রাণহানি ও বৃহৎ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদেরও ক্ষতি ঘটেছে। আর এইবার আল্লাহর অশেষ রহমতে তেমন কোনো বড় ধরনের দুর্ঘটনা বা ক্ষতি ঘটেনি, যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবু দীর্ঘদিন ভোটবর্জনের কারণে মানুষের মাঝে ভোটে অনাগ্রহের একটি সংস্কৃতি গড়ে উঠেছিল, সেটি পুরোপুরি আমরা ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হইনি। আগামী দিনে জনগণকে ভোটের প্রতি আরও উৎসাহী করে তুলতে তারা কাজ করবে, যাতে সবাই ভোটকেন্দ্রে এসে রাষ্ট্র পরিচালনায় নিজেদের অধিকার প্রয়োগ করে।

    চট্টগ্রামের দুই আসনের ফলাফল আপিল বিভাগের আদেশের কারণে ঘোষণা না করার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আদালত যখন সিদ্ধান্ত দেবেন, তখন নির্বাচন কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করবে। এই দু’টিকে ছাড়া বিএনপির পক্ষে সরকার গঠন করতে কোনো সমস্যা নেই বলে তিনি আশ্বাস দেন।

    বিএনপির প্রত্যাশা সম্পর্কে জানতে চাইলে নজরুল ইসলাম বলেন, আমরা ২৯২টি আসনে প্রার্থীদের মনোনয়ন দিয়েছিলাম এবং প্রত্যাশা ছিল সকলেই জয় লাভ করবেন। এমনকি যারা তুলনামূলকভাবে কম ভোট পেয়েছেন,তারাও বিজয়ের আশায় নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন। তিনি বলেন, ইনশাল্লাহ ভবিষ্যতে আমাদের ফলাফল আরও ভালো হবে।

  • ২০ বছর পর সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি; প্রথমবার প্রধান বিরোধী দলে জামায়াত

    ২০ বছর পর সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি; প্রথমবার প্রধান বিরোধী দলে জামায়াত

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বেসরকারি ফলাফলের আলোকেই দীর্ঘ দুই দশক পর চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি। মোট ২৯৯টি আসনের মধ্যে এখন পর্যন্ত পাওয়া অপ্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী বিএনপির ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের প্রার্থীরা ১৭৫টি আসনে জয়ী হয়েছেন।

    জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা এইবার ৫৬টি আসনে জয় লাভ করেছেন। আর জাতীয় নাগরিক পার্টি ৬টি ও স্বতন্ত্র এবং অন্যান্য দল মিলিয়ে ১১টি আসনে সফল হয়েছে। বাকি ৪২টি আসনের ফলাফল এখনও যাচাই প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

    বড় জয়লাভে নজর কাড়ছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান, তিনি ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬ আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। অন্যদিকে, ঢাকা-১৫ আসনে জয় পেয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

    আইনীভাবে সরকার গঠনের জন্য ৩০০ সদস্যবিশিষ্ট সংসদের অর্ধেক চেয়ে এক সদস্য বেশি, অর্থাৎ অন্তত ১৫১টি আসনে জয় প্রয়োজন। বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী বিএনপি এককভাবে সেই সংখ্যাকে অতিক্রম করেছে বলে দলীয় পক্ষ থেকে অভিমত প্রকাশিত হয়েছে।

    ইতিমধ্যে এই নির্বাচনে বিশেষ একটি দিককে ইতিহাস বলতেই হচ্ছে—জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট এবার প্রথমবারের মতো প্রধান বিরোধী দলের মর্যাদা পেতে যাচ্ছে। পূর্বের কয়েক দফায় জামায়াত বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের অংশ হলেও কখনো তারা প্রধান বিরোধী দল হিসেবে স্থান পায়নি।

    বিএনপির ক্ষমতার সাম্প্রতিক ইতিহাসে সর্বশেষ তাদের একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা ছিল ২০০১ সালের নির্বাচনে। পরবর্তীতে ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিলে ওই মেয়াদ শেষ হয়। বেগম খালেদা জিয়াই দলকে জনপ্রিয়তার শীর্ষে নিয়ে গেছেন এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের গড়া এই দলটিকে শক্তভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। দীর্ঘ সময়ের রাজনীতি-সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে ১৯৯১ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন তিনি; ১৯৯৬ সালেও স্বল্প সময়ের জন্য বিএনপি সরকার গঠন করেছিল।

    এই নির্বাচনে দলের নতুন নেতৃত্ব হিসেবে নজর কাড়া ব্যক্তিত্ব তারেক রহমান—দলের পক্ষ থেকে আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল, ক্ষমতায় গেলে প্রধানমন্ত্রী হবেন তিনি। এবারে তিনি প্রথমবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬—উভয় আসনেই জয়ী হয়েছেন। গত বছরের ২৫ নভেম্বর দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন শেষে তিনি দেশে ফিরেন এবং ২৭ নভেম্বর ভোটার তালিকায় নাম যুক্ত করা হয়।

    তারেক রহমানের রাজনৈতিক যাত্রা আশির দশকেই শুরু; এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সময় থেকেই তিনি সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন। ১৯৮৮ সালে গাবতলী (বগুড়া) উপজেলা বিএনপির সদস্য হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনীতিতে প্রবেশ এবং পরবর্তীতে ১৯৯৩ সালে গোপন ব্যালটের মাধ্যমে স্থানীয় নেতা নির্বাচনের সংস্কৃতি চালু করেও তিনি তৃণমূল রাজনীতিতে সাড়া ফেলেন। ২০০২ সালে তিনি দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এবং ২০০৯ সালে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ২০১৮ সালে বেগম খালেদা জিয়ার কারাবাসের সময় তিনি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নেন এবং পরবর্তীতে সরকারের বিরুদ্ধে বহু আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন।

    আবার উল্লেখ্য, গত ৩০ ডিসেম্বর বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া মৃত্যুবরণ করেন। এরপর ৯ জানুয়ারি দলের স্থায়ী কমিটি তারেক রহমানকে চেয়ারম্যান হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয়।

    দেশীয় পার্লামেন্টারি শৃঙ্খলা ও ক্ষমতার পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে এই ফলাবলি রাজনৈতিক দলে—দলে বিবর্তন ও নতুন সমীকরণ তৈরি করবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। আনুষ্ঠানিক ফলাফল প্রকাশ ও ভোট গণনার চূড়ান্ত জবাবদিহি পর্বের পরই সরকার গঠন-কায়দা ও বিরোধী দলের ক্ষমতা বিস্তারের চূড়ান্ত রূপ সামনে আসবে।

  • ত্রয়োদশ নির্বাচনে সুরক্ষার কারণে বেনাপোল-পেট্রাপোল ইমিগ্রেশনে যাত্রী চলাচল বন্ধ; বন্দর ব্যবসা ৩ দিন স্থগিত

    ত্রয়োদশ নির্বাচনে সুরক্ষার কারণে বেনাপোল-পেট্রাপোল ইমিগ্রেশনে যাত্রী চলাচল বন্ধ; বন্দর ব্যবসা ৩ দিন স্থগিত

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বেনাপোল-পেট্রাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্টে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের চলাচল সীমিত ও স্থলবন্দরের বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এতে বৃহস্পতিবার ১২ ফেব্রুয়ারি ভোর ৬টা থেকে শুক্রবার ১৩ ফেব্রুয়ারি ভোর ৬টা পর্যন্ত বেনাপোল-পেট্রাপোল ইমিগ্রেশনের মাধ্যমে পাসপোর্টধারী যাত্রী পারাপার বন্ধ থাকবে।

    একই সঙ্গে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে সব ধরনের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম তিন দিন (১১ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত) স্থগিত রাখা হবে। নির্বাচন শেষ হয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে গিয়ে আগামী শনিবার বন্দরের কার্যক্রম পুনরায় চালু হবে।

    বেনাপোল সি অ্যান্ড এফ স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান জানিয়েছেন, নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, স্বাধীনতার ৫৫ বছর পর প্রথমবারের মত নির্বাচনের সময় বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে পাসপোর্টভিত্তিক যাত্রী চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    বেনাপোল চেকপোস্ট পুলিশ ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম শাখাওয়াত হোসেন জানান, সরকারের নির্দেশনায় এ সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করা হয়েছে। আগামী নির্বাচনী দিনে বেনাপোল-পেট্রাপোল ইমিগ্রেশনে পাসপোর্টধারী যাত্রী চলাচল বন্ধ থাকবে এবং শুক্রবার সকাল ৬টার পর থেকে পুনরায় পারাপার স্বাভাবিক হবে। তিনি আরও জানান, অন্যান্য সময় সাধারণত অসুস্থ বা জরুরি রোগীদের জন্য ইমিগ্রেশন খোলা রাখা হতো, কিন্তু এবার পুরোপুরি বন্ধ রাখা হবে—অর্থাৎ সাধারণ কোনো ব্যতিক্রম করা হবে না।

    বেনাপোল স্থলবন্দরের সহকারি পরিচালক (ট্রাফিক) কাজী রতন নিশ্চিত করে জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কারণে বেনাপোল বন্দর দিয়ে দুই দেশের মধ্যে যাত্রী পারাপার ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বন্ধ রাখার নির্দেশনা তার দপ্তরে এসেছে।

    বেনাপোল সি অ্যান্ড এফ স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান আরও বলেন, আমদানি-রপ্তানির সঙ্গে যুক্ত সি অ্যান্ড এফ মালিক, কর্মচারী, হ্যান্ডলিং শ্রমিক ও ট্রাকচালকরা ভোট প্রয়োগের জন্য নিজ নিজ এলাকায় যাবেন—এই কারণেও বন্দর কার্যক্রম তিন দিন বন্ধ রাখা হয়েছে।

    বেনাপোল স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক (ট্রাফিক) শামীম হোসেন বলেন, দেশের জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে আগামী তিন দিন এখান দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ থাকবে এবং নির্ধারিত সময়ের পর আবার কার্যক্রম স্বাভাবিক হবে।

  • নির্বাচন উপলক্ষে ৯৬ ঘণ্টার এমএফএস কড়াকড়ি: ক্যাশ-ইন ও ক্যাশ-আউট বন্ধ

    নির্বাচন উপলক্ষে ৯৬ ঘণ্টার এমএফএস কড়াকড়ি: ক্যাশ-ইন ও ক্যাশ-আউট বন্ধ

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) খাতে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বিকাশ, নগদ, রকেটসহ সব জনপ্রিয় এমএফএসে এই নির্দেশনা সোমবার দিবাগত রাত ১২টা থেকে কার্যকর করা হয়েছে এবং এটি ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত থাকবে — মোট ৯৬ ঘণ্টা।

    সব ধরনের পার্সোনাল এমএফএস অ্যাকাউন্টে ক্যাশ-ইন ও ক্যাশ-আউট সেবা সম্পূর্ণভাবে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। নির্দেশনা কার্যকর থাকা কালীন কোনো গ্রাহক এজেন্ট পয়েন্ট থেকে টাকা জমা দিতে বা নগদ উত্তোলন করতে পারবেন না; ফলে এমএফএস অ্যাপে ক্যাশ-ইন ও ক্যাশ-আউট অপশন দেখালেও তা কাজ করবে না।

    জরুরি লেনদেনের জন্য ‘‘সেন্ড মানি’’ ব্যবস্থা সীমিত রেখে দেয়া হয়েছে। প্রতিটি লেনদেনে সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকা পাঠানো যাবে এবং একজন গ্রাহক দিনে সর্বোচ্চ ১০ বার লেনদেন করতে পারবেন — অর্থাৎ দৈনিক সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকা। এই শর্তের বাইরে ব্যক্তিগত টাকা পাঠানো সম্ভব হবে না।

    তবে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন প্রয়োজন বিবেচনা করে মোবাইল রিচার্জ, ইউটিলিটি বিল (বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি) পরিশোধ এবং কেনাকাটা সংক্রান্ত পেমেন্ট আগের মতোই চালু থাকবে; এসব সেবার ওপর কোনো নতুন সীমা আরোপ করা হয়নি। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ফি এবং অন্যান্য সরকারি জরুরি সেবার ফি প্রদানের ক্ষেত্রে বাধা নেই — এগুলো প্রচলিত প্রক্রিয়ায় চলতে থাকবে।

    বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, ভোট কেনাবেচা ও নির্বাচনী প্রভাব বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে নগদ অর্থের অবৈধ চলাচল রোধ করতেই এই বিধিনিষেধ আনা হয়েছে। নির্দেশনার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর এমএফএস সেবাগুলি পুনরায় সচল করা হবে বলে বলা হয়েছে।

    সাময়িক এই অসুবিধার জন্য বিভিন্ন এমএফএস প্রতিষ্ঠান তাদের গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে এবং সরকারী নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ জানিয়েছে। গ্রাহকদেরকে বলা হয়েছে, জরুরি লেনদেন ও বিল পরিশোধে পূর্বপরিকল্পনা করে চলতে এবং অফিসিয়াল চ্যানেলে প্রকাশিত নির্দেশনা খেয়াল রাখতে।

  • ইমরান খানের ডান চোখে ৮৫% দৃষ্টিহ্রাস

    ইমরান খানের ডান চোখে ৮৫% দৃষ্টিহ্রাস

    পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পিটিআই প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খান তার ডান চোখের দৃষ্টিশক্তির প্রায় ৮৫% হারিয়ে ফেলেছেন — এমন তথ্য একটি মেডিকেল রিপোর্টে উঠে এসেছে, যা বুধবার (১১ জানুয়ারি) তার আইনজীবী সুপ্রিম কোর্টে জমা দেন।

    আইনজীবী ব্যারিস্টার সালমান সফদার আদিয়ালা সাত পাতার वह প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করেন। আদালত তাকে অ্যামিকাস কিউরি (আদালতের বন্ধু) হিসেবে নিয়োগ করে এবং কারাগারে ইমরানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আগামী ১১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয়।

    রিপোর্টে বলা হয়েছে, ইমরান রক্ত জমাট বাঁধার সম্পর্কিত সমস্যায় ভুগছিলেন। কারা কর্তৃপক্ষ ইনজেকশনসহ চিকিৎসা দিলেও তার ডান চোখে মাত্র ১৫% দৃষ্টি রয়েছে। পেশাদার একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞ, ডা. মুহাম্মদ আরিফ, পিমসে পরীক্ষায় বলেছিলেন, ডান চোখে রক্ত জমাট বাঁধা (ক্লট) শনাক্ত করা গেছে, যা উল্লেখযোগ্য ক্ষতি করেছে।

    তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার দাবি, সাবেক প্রধামন্ত্রীকে গত ২৪ জানুয়ারী রাতে ‘২০ মিনিটের’ চোখের চিকিৎসার জন্য রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগার থেকে বিশেষ নিরাপত্তায় ইসলামাবাদের পিমসে নেওয়া হয়েছিল। তবে ইমরানের পরিবার বলেছে, তারা আগে থেকে এ বিষয়ে অবহিত করা হয়নি।

    জামিনের বাইরে থাকা জীবন এবং ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যের বিষয় আগে কখনো উত্থাপন না করার কথা উল্লেখ করে ইমরান রিপোর্টে বলছেন, ৭৩ বছর বয়স এবং নানা মামলায় জড়িত থাকা সত্ত্বেও তিনি আগে কখনও ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যের ব্যাপারে অভিযোগ করেননি। কিন্তু সম্প্রতি তার উদ্বেগকে সংশ্লিষ্ট কারা কর্তৃপক্ষ গুরুত্ব দেয়নি বা সমাধান করেনি।

    রিপোর্টে ইমরান জানান, প্রায় তিন থেকে চার মাস আগে, ২০২৫ সালের অক্টোবর পর্যন্ত, তার উভয় চোখেই স্বাভাবিক ৬ x ৬ দৃষ্টিশক্তি ছিল। এরপর ধীরে ধীরে ঝাপসা দেখা দিতে শুরু করে এবং তিনি mehrfach জেল সুপারিনটেন্ডেন্টকে এ বিষয়টি জানালেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। পরে হঠাৎ করেই তার ডান চোখের দৃষ্টি প্রায় পুরোপুরি চলে যায়।

    ব্যারিস্টার সালমান সফদার সাক্ষাৎকালে ব্যক্তিগতভাবে দেখেন, ইমরান দৃষ্টিশক্তি হারানোর ফলে উদ্বিগ্ন ও কষ্টগ্রস্ত ছিলেন; তার চোখ জলে ভরা ছিল এবং বারবার টিস্যু দিয়ে চোখ মুছছিলেন।

    ইমরানের দল পিটিআই বলেছে, তাদের বিশ্বাসযোগ্য সূত্রে জানা গেছে ডান চোখে সেন্ট্রাল রেটিনাল ভেইন অক্লুশন (CRVO) ধরা পড়েছে, যা সময়মত সঠিক চিকিৎসা না পেলে স্থায়ী দৃষ্টিহীনতা বন্ধ করতে পারে।

    প্রসঙ্গত, ইমরান খান বহু মামলায় অভিযুক্ত এবং ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে কারাগারে রয়েছেন। গত ডিসেম্বরে পাকিস্তান সরকার জাতীয় নিরাপত্তার কারণে কারাগারে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করে দিয়েছে। (সূত্র: জিও নিউজ)

  • সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য দেশকে এবং বিশাল জয়ের জন্য তারেক রহমানকে পাকিস্তানের অভিনন্দন

    সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য দেশকে এবং বিশাল জয়ের জন্য তারেক রহমানকে পাকিস্তানের অভিনন্দন

    পাকিস্তান বিএনপি ও দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিশাল জয়ের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং বাংলাদেশের প্রতি সুষ্ঠু নির্বাচন সম্পন্ন করার জন্য শুভেচ্ছা জানিয়েছে। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দেশটির প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি ও প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ পৃথকভাবে এক্সে বার্তা প্রকাশ করে এই শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

    আসিফ আলী জারদারি তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, বাংলাদেশের ৩০০ আসনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি দেশটির সরকার ও জনগণের প্রতি শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। জারদারি আশা প্রকাশ করেছেন এই নির্বাচন প্রক্রিয়া বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও শক্তিশালী করবে এবং দেশের শান্তি, স্থিতিশীলতা ও ধারাবাহিক উন্নয়নে বাস্তব অবদান রাখবে। এছাড়া তিনি বাংলাদেশের জনগণ ও তাদের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার প্রতি পাকিস্তানের সদিচ্ছা ও সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

    অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ তাঁর এক্স হ্যান্ডলে বিএনপিকে বিশাল জয় এনে দেওয়ায় তারেক রহমানকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং একটি সফল নির্বাচন সম্পন্ন করার জন্য বাংলাদেশের জনগণকে শুভেচ্ছা জানিয়েছন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে ঐতিহাসিক, ভ্রাতৃপ্রতিম ও বহুমাত্রিক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও জোরদার করা এবং দক্ষিণ এশিয়া ও এর বাইরে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের অভিন্ন লক্ষ্য এগিয়ে নেওয়া তাঁর আগ্রহের বিষয়।

    উভয় নেতার এসব বার্তায় দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সংযুক্তি বজায় রাখার এবং ভূমিকা সহযোগিতার ইচ্ছা প্রতিফলিত হয়েছে।

  • যশোরে পাঁচ আসনে জামায়াত জয়ী, একটিতে বিএনপি

    যশোরে পাঁচ আসনে জামায়াত জয়ী, একটিতে বিএনপি

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বেসরকারিভাবে ঘোষণা করা ফলাফলে যশোরের ছয়টি আসনের মধ্যে পাঁচটিতে জামায়াত এবং একটিতে বিএনপি বিজয়ী হয়েছে। নিচে প্রতিটি আসনের ফলাফল সংক্ষেপে দেওয়া হলো।

    যশোর-১ (শার্শা): মাওলানা আজীজুর রহমান (জামায়াত, দাঁড়িপাল্লা) নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন এক লাখ ১৮ হাজার ২৫৫ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির নুরুজ্জামান লিটন (ধানের শীষ) পেয়েছেন ৯২ হাজার ৯০৯ ভোট। জয় ব্যবধান ২৫ হাজার ৩৪৬ ভোট।

    যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা): ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ (জামায়াত, দাঁড়িপাল্লা) নির্বাচিত হয়েছেন, তাঁর ভোট সংখ্যা এক লাখ ৭১ হাজার ৯৯১। বিএনপির সাবিরা সুলতানা (ধানের শীষ) পেয়েছেন এক লাখ ৪৪ হাজার ৯৩১ ভোট। জয় ব্যবধান ২৭ হাজার ৬০ ভোট।

    যশোর-৩ (সদর): এই আসনে বিএনপির অনিন্দ্য ইসলাম অমিত (ধানের শীষ) বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৯৯ হাজার ৬৪৭ ভোট। জামায়াতের আব্দুল কাদের ওরফে ভিপি কাদের (দাঁড়িপাল্লা) পেয়েছেন ১ লাখ ৮৪ হাজার ৪৫৯ ভোট ও ফনিশ করেছেন; জয় ব্যবধান ১৫ হাজার ১৮৮ ভোট।

    যশোর-৪ (বাঘারপাড়া-অভয়নগর-সদরের বসুন্দিয়া ইউনিয়ন): জামায়াতের অধ্যাপক গোলাম রসুল (দাঁড়িপাল্লা) এই আসনে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ৭৭ হাজার ৫৩৩। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মতিয়ার রহমান ফারাজী (ধানের শীষ) পেয়েছেন এক লাখ ২৭ হাজার ৩০৬ ভোট। জয় ব্যবধান ৫০ হাজার ২২৭ ভোট।

    যশোর-৫ (মণিরামপুর): গাজী এনামুল হক (জামায়াত, দাঁড়িপাল্লা) ১ লাখ ৩২ হাজার ৯৭৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী (বিএনপির বিদ্রোহী) অ্যাডভোকেট শহীদ মো. ইকবাল হোসেন (কলস), যারা পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৪৫ ভোট; জয় ব্যবধান ৪৭ হাজার ৯৩১ ভোট। বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রার্থী রশীদ আহমাদ পেয়েছেন ৫৪ হাজার ৮৭৫ ভোট।

    যশোর-৬ (কেশবপুর): জামায়াতের অধ্যাপক মোক্তার আলী (দাঁড়িপাল্লা) নির্বাচিত হয়েছেন; তিনি পেয়েছেন ৯২ হাজার ২৫৩ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আবুল হোসেন আজাদ (ধানের শীষ) পেয়েছেন ৭৯ হাজার ৯৫৯ ভোট। জয় ব্যবধান ১২ হাজার ২৯৪ ভোট।

    উল্লেখ্য, এখানে বর্ণিত ফলাফলগুলো বেসরকারিভাবে ঘোষিত; চূড়ান্ত ফলাফল নির্বাচন কমিশন ঘোষণা করবে।

  • ত্রয়োদশ সংসদ: খুলনার ৬ আসনের মধ্যে বিএনপি ৪, জামায়াত ২-সিটে জয়

    ত্রয়োদশ সংসদ: খুলনার ৬ আসনের মধ্যে বিএনপি ৪, জামায়াত ২-সিটে জয়

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফলে খুলনার ছয়টি কেন্দ্রের মধ্যে চারটিতে বিএনপি এবং দুইটিতে জামায়াতে ইসলামের প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। যারা জিতে স্বীকৃতি পেয়েছেন তারা হলেন—খুলনা-১: বিএনপি মনোনীত আমীর এজাজ খান, খুলনা-২: জামায়াতে ইসলামী মনোনীত শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল, খুলনা-৩: বিএনপি মনোনীত রকিবুল ইসলাম বকুল, খুলনা-৪: বিএনপি মনোনীত আজিজুল বারী হেলাল, খুলনা-৫: মোহাম্মদ আলি আসগর লবি এবং খুলনা-৬: জামায়াতে ইসলামী মনোনীত আবুল কালাম আজাদ।

    খুলনা-১ আসনে বিএনপির আমীর এজাজ খান ১ লাখ ২১ হাজার ৩৫২ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত মনোনীত কৃষ্ণ নন্দী পেয়েছেন ৭০ হাজার ৩৪৬ ভোট—এর ফলে জয়ী প্রার্থীর ভোটের ব্যবধান দাঁড়িয়েছে ৫১,০০৬ ভোট।

    খুলনা-২ আসনে জামায়াতের শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল ৯৩ হাজার ৭৮৯ ভোট নিয়ে জিতেছেন। এখানে দ্বিতীয় হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু, তিনি পেয়েছেন ৮৮ হাজার ১৯৭ ভোট; ভোটের ব্যবধান ছিল ৫,৫৯২ ভোট, ফলে এটি তুলনামূলকভাবে ঘনিষ্ঠ প্রতিযোগিতা ছিল।

    খুলনা-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত রকিবুল ইসলাম বকুল ৭৮ হাজার ৮৪৫ ভোট নিয়ে জয়ের হাসি দেখেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান পেয়েছেন ৬৬ হাজার ১০ ভোট; দুই প্রার্থীর ব্যবধান ছিল ১২,৮৩৫ ভোট।

    খুলনা-৪ আসনে বিএনপির আজিজুল বারী হেলাল ১ লাখ ২৩ হাজার ১৬২ ভোট অর্জন করে বিজয়ী হয়েছেন। এখানে খেলাফত মজলিস মনোনীত মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন পেয়েছেন ১ লাখ ৯ হাজার ৫৩০ ভোট; ব্যবধান ছিল ১৩,৬৩২ ভোট।

    খুলনা-৫ আসনে মোহাম্মদ আলি আসগর লবি ১ লাখ ৪৮ হাজার ৮৫৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার পেয়েছেন ১ লাখ ৪৬ হাজার ২৪৬ ভোট—এ কেন্দ্রে জয়ী ও পরাজিত প্রার্থীর মধ্যে পার্থক্য মাত্র ২,৬০৮ ভোট, যা খুবই কাছে কাছি লড়াই ছিল।

    খুলনা-৬ আসনে জামায়াতে ইসলামের আবুল কালাম আজাদ ১ লাখ ৫০ হাজার ৭২৪ ভোট নিয়ে জয়ী হয়েছেন। এখানে বিএনপি মনোনীত মনিরুল হাসান বাপ্পি পেয়েছেন ১ লাখ ২৪ হাজার ৭১০ ভোট; ব্যবধান ছিল ২৬,০১৪ ভোট।

    বেসরকারিভাবে প্রাপ্ত এই ফলাফলে দেখা যাচ্ছে খেলা বারবার ঘনিষ্ঠতার সঙ্গে লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে হয়েছে—বিশেষ করে খুলনা-২ ও খুলনা-৫ আসনে ভোটের ব্যবধান কম ছিল। অফিসিয়াল বা চূড়ান্ত ফলাফল নির্বাচন কমিশন প্রদত্ত হিসেবে প্রকাশ হলে তা এ তথ্য আরও নিশ্চিত হবে।