Blog

  • সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ জনকে আজ হাজির করা হচ্ছে ট্রাইব্যুনালে

    সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ জনকে আজ হাজির করা হচ্ছে ট্রাইব্যুনালে

    জুলাই-আগস্টের গণহত্যার মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হচ্ছে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ আসামিকে। 

    আজ সোমবার সকালে কড়া নিরাপত্তায় তাদেরকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হবে। এদিকে গণহত্যার মামলার তদন্তের সময় বৃদ্ধির জন্য আবেদন জানাবে তদন্ত সংস্থা। সংস্থার পক্ষে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট এম তাজুল ইসলাম আজ এ আবেদন জানাবেন। বিচারপতি মো. গোলাম মূর্তজা মজুমদারের সভাপতিত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালে আবেদনের উপর শুনানি হবে। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

    ট্রাইব্যুনালে যাদেরকে হাজির করা হচ্ছে এরা হলেন: আনিসুল হক, ড. আব্দুর রাজ্জাক, শাজাহান খান, সালমান এফ রহমান, গোলাম দস্তগীর গাজী, কামাল আহমেদ মজুমদার, লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান, ড. দীপু মনি, রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু, জুনাইদ আহমেদ পলক, তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী (বীর বিক্রম), সাবেক বিচারপতি এইচ এম শামসুদ্দীন চৌধুরী মানিক ও সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিব জাহাঙ্গীর আলম।

    এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট এম তাজুল ইসলাম ইত্তেফাককে বলেন, গণহত্যার মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারিকৃতদের মধ্যে গ্রেফতার হওয়া ১৪ অভিযুক্তকে আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করার জন্য আদেশ রয়েছে। ঐ আদেশ মোতাবেক কারা কর্তৃপক্ষ তাদেরকে হাজির করবে। তিনি বলেন, গণহত্যার মামলা তদন্তের জন্য সময় দিয়েছিল ট্রাইব্যুনাল। যেহেতু তদন্ত শেষ হয়নি সেহেতু সময় বৃদ্ধির আবেদন দেওয়া হবে। কোটা সংস্কার ও সরকার পতনের আন্দোলন দমাতে নিরস্ত্র ছাত্র-জনতাকে সমূলে বা আংশিক নির্মূলের লক্ষ্যে হত্যা, গণহত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের মামলায় গত ১৭ অক্টোবর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সরকারের সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে ট্রাইব্যুনাল। ২৭ অক্টোবর পরোয়ানাভুক্তদের মধ্যে ২০ জনকে ট্রাইব্যুনালের মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। এদের মধ্যে ১৪ জনকে আজ এবং ছয় পুলিশ কর্মকর্তা সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন, বরখাস্ত মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, সাবেক ঢাকা জেলার এডিসি (এসপি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত ছিলেন) আব্দুল্লাহ হিল কাফী, সাবেক এডিসি আরাফাতুল ইসলাম, যাত্রাবাড়ী থানার সাবেক ওসি আবুল হাসান এবং গুলশান থানার সাবেক ওসি মাজহারুল ইসলামকে ২০ নভেম্বর ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ রয়েছে। এদিকে ২৭ অক্টোবর ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, র‍্যাবের সাবেক ডিজি হারুন-অর রশিদ, এসবির সাবেক প্রধান মনিরুল ইসলাম, ডিবির সাবেক প্রধান হারুনুর রশিদ, বিপ্লব কুমার সরকার, সাবেক এডিসি ইকবাল হোসেনসহ আরো ১৭ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করা হয়।

    তদন্ত সংস্থা ও প্রসিকিউশনের অভিযোগে যা বলা হয়েছে : কোটা সংস্কারের অহিংস আন্দোলন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সহিংস হয়ে উঠে। একই সঙ্গে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরস্ত্র ছাত্র-ছাত্রীদের ওপর নির্মমভাবে হামলা চালায়। এই হামলার ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকাসহ দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামে। সংঘর্ষ হয় ছাত্রলীগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে। ১৬ জুলাই রংপুরে পুলিশের গুলিতে শিক্ষার্থী আবু সাঈদসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আরও ছয় জন মারা যান। ফলে কোটা সংস্কার আন্দোলন সরকার পতনের আন্দোলনে রূপ নেয়। এই আন্দোলনে একসময় শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ যোগ দেয়। কমপ্লিট শাটডাউন, অসহযোগ আন্দোলন দমাতে জারি করা হয় কারফিউ। কিন্তু তাতে দমে যায়নি ছাত্র-জনতা। এই ছাত্র-জনতাকে সমূলে বা আংশিক নির্মূলের উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ নির্দেশনায় নির্বিচারে গুলি চালায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এর সঙ্গে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠন এবং ১৪ দলীয় জোটের ক্যাডার বাহিনী যোগ দেয়। এতে দেড় সহস্রাধিক ছাত্র-জনতাকে হত্যা করা হয়। আহত হয় ২৩ হাজারের অধিক শিক্ষার্থী ও জনতা। আহত অনেকে চিরতরে পঙ্গু ও দৃষ্টি শক্তি হারিয়েছেন।

    এর পরেও দমানো যায়নি আন্দোলনকারীদের। তারা ৫ আগস্ট গণভবনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। পদত্যাগ করে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পরেও পূর্ব নির্দেশনা অনুযায়ী ঐদিন গভীর রাত পর্যন্ত হত্যা, গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী এবং ১৪ দলীয় জোটের ক্যাডাররা। এসব অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে জুলাই-আগস্ট গণহত্যার মামলায়।

    প্রসঙ্গত গণঅভ্যুত্থানের মুখে গত ৫ আগস্ট দেশত্যাগ করেন শেখ হাসিনা। ৮ আগস্ট নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যাত্রা শুরু করে। এরপর ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, এমপি, বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে শত শত হত্যা মামলা দায়ের হয়। এর মধ্যে বেশ কিছু মামলায় গ্রেফতার হয়ে আগস্ট মাস থেকে কারাগারে আছেন ট্রাইব্যুনালের পরোয়ানাভুক্ত আসামিরা। অক্টোবর মাসে সরকার পুনর্গঠন করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। শেখ হাসিনাসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির মধ্য দিয়ে গত ১৭ অক্টোবর যাত্রা শুরু করে ট্রাইব্যুনাল। ইতিমধ্যে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রেড অ্যালার্ট জারি করতে ইন্টারপোলের কাছে চিঠি দিয়েছে চিফ প্রসিকিউটর।

  • দীপু মনির সুপারিশে মাউশিতে তিন হাজার পদায়ন

    দীপু মনির সুপারিশে মাউশিতে তিন হাজার পদায়ন

    সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির ইশারায় নিয়োগ পান প্রায় তিন হাজার ১৮৩ কর্মকর্তা-কর্মচারী। দীপু মনি সিন্ডিকেটের বলয়ে তারা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) চাকরি পান। এর জন্য উচ্চ মহলের সুপারিশসহ তাদের দিতে হয়েছে ৫ থেকে ১৫ লাখ টাকা। নিয়োগের জন্য যাচ্ছেতাইভাবে পরীক্ষা নেয়া হয় তাদের জন্য। দীপু মনির আমলে চার হাজার ১০৯ জনকে নিয়োগ দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। এখনো চাকরির অপেক্ষায় রয়েছেন ৬১০ জন।

    মাউশি’র এই নিয়োগ পুরোটা সামলেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনির ভাই ডা. জে আর ওয়াদুদ টিপু ও চাঁদপুর পুরান বাজার ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ রতন কুমার মজুমদার। অভিযোগ রয়েছে এই চক্রটির খাতা কলমে বৈধতা দেয়ার কাজ করে গেছেন মাউশি’র কলেজ ও প্রশাসন শাখার পরিচালক শাহেদুল খবির চৌধুরী, প্রশাসন শাখার উপ-পরিচালক বিপুল চন্দ্র বিশ্বাস। বর্তমানে এই দুই কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। টাকার বিনিময়ে নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তারা ২০২৩ সালে দু’দফায় (আগস্ট ও নভেম্বরে) যোগদান করেন।

    মাউশি’র একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীপু মনি শিক্ষার দায়িত্ব হাতে পাবার পরই গড়ে তোলেন সিন্ডিকেট। মাউশিতে নিয়ে আসেন পছন্দের লোকদের। জনপ্রশাসন থেকে নিয়োগের ছাড়পত্র এনে তার আমলে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করেন। এই চক্র এতটাই শক্তিশালী ছিল যে, কেউ প্রশ্ন করার সাহস পর্যন্ত ছিল না। পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন অনেকেই। পরীক্ষায় এমসিকিউ বাতিল করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ’র অধীনে লিখিত পরীক্ষা নেয়ার দাবি তোলা হয়েছিল। কিন্তু তা আমলেই নেয়া হয়নি। এমনকি ভাইবার আগেই এসব প্রার্থীদের দেয়া হয়েছিল চাকরির নিশ্চয়তা।

    সুপারিশের প্রেক্ষিতে চার হাজার ১০৯ জনকে নিয়োগ দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু নানা জটিলতায় আটকে যায় ৬১০ জনের পদায়ন। তবে তাদের পদায়নের জন্য চলতি বছরের জুনে ফল প্রকাশ করা হয়। কিন্তু ছাত্র-জনতার আন্দোলনের তোড়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। যার কারণে আটকে আছে তাদের নিয়োগ। নিয়ম অনুযায়ী দশম থেকে দ্বাদশ গ্রেড পর্যন্ত দ্বিতীয় শ্রেণির পদ, কিন্তু মাউশি’র নিয়োগবিধিতে এই পদগুলোকে তৃতীয় শ্রেণির দেখিয়ে শুধু এমসিকিউ পরীক্ষা নেয়া হয়। ২০২০ সালের অক্টোবরে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে ২৮টি ক্যাটাগরির বিভিন্ন পদের মধ্যে প্রদর্শক পদে ৫১৪টি, গবেষণা সহকারী (কলেজ) পদে ২১টি, সহকারী গ্রন্থাগারিক কাম ক্যাটালগার পদে ৬৯টি এবং ল্যাবরেটরি সহকারী পদে ৬টি পদ উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এসব পদের বিপরীতে পরীক্ষা ২০২১ সালের আগস্ট ও অক্টোবরে অনুষ্ঠিত হয়। পরিদর্শক পদের ফল অনিবার্যকারণবশত স্থগিত করা হয়েছিল। সেই পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয় ২০২৪ সালের এপ্রিলে। এতে প্রায় আট হাজার প্রার্থী উত্তীর্ণ হন। মে মাসে ভাইবা শেষে জুনে নির্বাচিতদের ফল প্রকাশ করা হয়। কিন্তু পরবর্তীতে পরিস্থিতির কারণে আটকে আছে এই ৬১০ জনের নিয়োগ। চাকরি পাওয়াদের মধ্যে রয়েছেন কম্পিউটার অপারেটর ৯ জন, উচ্চমান সহকারী ৮৫ জন, ক্যাশিয়ার ১১৯ জন, স্টোরকিপার ৫০ জন, হিসাব সহকারী ১০৬ জন, অফিস সহকারী ৫১৩ জন, মেকানিক ৩৩ জন, গাড়িচালক ১১ জন, বুক সর্টার ৪৬ জন, অফিস সহায়ক ১৭০৪ জন, নিরাপত্তা প্রহরী ২৪৭ জন, মালী ৯৭ জন, পরিচ্ছন্নকর্মী ১৬৩ জন। অন্যদিকে তালিকায় নিয়োগের অপেক্ষায় রয়েছেন প্রদর্শক পদে পদার্থবিদ্যায় ১০৯ জন, রসায়নে ১২০ জন, জীববিজ্ঞানে ৩১ জন, প্রাণিবিদ্যায় ১০৯ জন, উদ্ভিদবিদ্যায় ৯৬ জন, ভূগোলে ১৩ জন, মৃত্তিকায় ৫ জন, গণিতে ২২ জন, গার্হস্থ্য বিজ্ঞানে ৮ জন, কৃষিতে একজন, গবেষণা সহকারী (কলেজ) ২১ জন, সহকারী গ্রন্থাগারিক ৬৯ জন এবং ল্যাবরেটরি সহকারী ৬ জন।

    এই নিয়োগের বিষয়ে জানতে চাইলে মাউশি মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর এবিএম রেজাউল করীম বলেন, তালিকা ধরে নিয়োগের বিষয়টি আমার জানা নেই। আমি নিয়োগ প্রক্রিয়ার সময়ে দায়িত্বেও ছিলাম না। এটা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন। মন্ত্রণালয় থেকে কোনো নির্দেশনা দেয়া হলে সেটি বাস্তবায়ন করা হবে।

  • সাউন্ড সমস্যায় সংসদ অধিবেশন ৪০ মিনিট মুলতবি

    সাউন্ড সমস্যায় সংসদ অধিবেশন ৪০ মিনিট মুলতবি

    রোববার (৫ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের সাউন্ড সিস্টেমে ত্রুটি দেখা যাওয়ায় অধিবেশন ৪০ মিনিটের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। বিকাল সাড়ে ৩টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমাদের সভাপতিত্বে শুরু হওয়া অধিবেশন চলাকালীনই মাইকে সমস্যা দেখা দেয়।

    স্পিকার ৫টা ৫৬ মিনিটে সংসদ মুলতবি ঘোষণা করেন। তখন স্পিকার ও সংসদ সদস্যরা একে অপরের কথা ঠিকভাবে শুনতে পারছিলেন না। চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি মাইক সমস্যার প্রতি স্পিকারকে উদ্যোগ নেওয়ার অনুরোধ করেন।

    স্পিকার মাইকে বিভ্রাটের কথা জানিয়ে বলেন, সেজন্য অধিবেশন ৪০ মিনিটের জন্য স্থগিত রাখা হল — এর মধ্যে ২০ মিনিট মাগরিবের আজানের জন্য এবং বাকিটা মাইকের সমস্যা ঠিক করার জন্য।

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের অষ্টম এই দিনেই সাউন্ড সিস্টেমে পুনরায় গোলযোগ দেখা গেল। জানতে চাওয়া যায়, এ অধিবেশন ১২ মার্চ শুরু হওয়া থেকে প্রথম দিন থেকেই মাইকে সমস্যা দেখা দিয়েছে এবং আগের দিনেও অধিবেশন কিছু সময়ের জন্য মুলতবি করেছিল।

    সংসদ কার্যক্রম স্বাভাবিক হলে অধিবেশন পুনরায় শুরু করা হবে বলে স্পিকার জানান।

  • হতদরিদ্রদের জন্য চাল ১৫ টাকা প্রতি কেজি দরে দেওয়া হবে: খাদ্য প্রতিমন্ত্রী

    হতদরিদ্রদের জন্য চাল ১৫ টাকা প্রতি কেজি দরে দেওয়া হবে: খাদ্য প্রতিমন্ত্রী

    হতদরিদ্র জনগোষ্ঠীর খাদ্যনিরাপত্তা জোরদার করতে ১৫ টাকা প্রতি কেজি দরে চাল বিতরণ করা হবে—এই তথ্য জানিয়েছেন জনপ্রশাসন ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. আবদুল বারী।

    আজ রোববার (৫ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে নীলফামারী-৩ আসনের সংসদ সদস্য ওবায়দুল্লাহ সালাফীর লিখিত প্রশ্নের জবাবে এসব তথ্য দেন প্রতিমন্ত্রী। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের অষ্টম দিনে স্পিকার হিসেবে সভাপতিত্ব করছেন হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।

    প্রতিমন্ত্রী জানান, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ৪৯৫টি উপজেলায় প্রায় ৫৫ লাখ পরিবারকে বছরের ছয় মাস (আগস্ট থেকে নভেম্বর এবং মার্চ ও এপ্রিল) প্রতিমাসে পরিবারপ্রতি ৩০ কেজি করে চাল দেওয়া হবে। উপকারভোগীদের জন্য চালের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫ টাকা প্রতি কেজি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এ ব্যবস্থাপনার জন্য বাজেটে মোট ১০ লাখ মেট্রিক টন চাল সংরক্ষণ করা হয়েছে।

    মো. আবদুল বারী বলেন, বর্তমান সরকার হতদরিদ্র মানুষের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং সেই লক্ষ্যে কার্যক্রমগুলো চালু রয়েছে।

    পুষ্টিগত চাহিদা পূরণে একই কর্মসূচির আওতায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ২৪৮টি উপজেলায় ভিটামিন এ, ভিটামিন বি-১, ভিটামিন বি-১২, ভিটামিন বি-৯ (ফলিক অ্যাসিড), আয়রন ও জিংক সমৃদ্ধ পুষ্টি চাল সরবরাহ করা হবে; এর পরিমাণ পাঁচ মাসে মোট প্রায় ৩.৭ লাখ মেট্রিক টন রাখা হয়েছে।

    ওএমএস (সাধারণ) কর্মসূচির মাধ্যমে নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠীর বাজার দর নিয়ন্ত্রণ ও খাদ্যসুবিধা নিশ্চিত করাও চলমান আছে। প্রতিমন্ত্রী জানান, ১২টি সিটি করপোরেশন, ১৪টি শ্রমঘন জেলা ও ৫২টি জেলা সদরে ১,০৯১টি বিক্রয়কেন্দ্রের মাধ্যমে ভোক্তাদের প্রতি কেজি চাল ৩০ টাকা, খোলা আটা ২৪ টাকা এবং ২ কেজি প্যাকেট আটা ৫৫ টাকায় সরবরাহ করা হচ্ছে। বর্তমানে দৈনিক গড়ে ১,১৮৫ মেট্রিক টন চাল ও ১,৪৩২ মেট্রিক টন আটা বিক্রি হচ্ছে।

    চালের মূল্য বৃদ্ধির বাজারগত নিয়ন্ত্রণের জন্য বিশেষ কার্যক্রমে ৪১৮টি উপজেলায় ৮৩৬টি বিক্রয়কেন্দ্রের মাধ্যমে প্রতিকেজি ৩০ টাকায় দৈনিক ৪০৬ মেট্রিক টন চাল স্থানীয় বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে।

    ওএমএস খাতে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৩ লাখ মেট্রিক টন চাল ও ৫.২৫ লাখ মেট্রিকটন গমের বাজেট বরাদ্দ রয়েছে। ২০২৬ সালের ১৯ মার্চ পর্যন্ত এ খাতে মোট ২.০৯ লাখ মেট্রিক টন চাল এবং ৩.২৭ লাখ মেট্রিক টন গমের ফলিত আটা বিক্রি করা হয়েছে; যা বরাদ্দ বাজেটের প্রায় ৭০ শতাংশের সমপরিমাণ।

    টিসিবি সম্পর্কেও প্রতিমন্ত্রী জানান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের চাহিদা অনুযায়ী খাদ্য অধিদপ্তর টিসিবির মাধ্যমে প্রতি মাসে ৬,৭৬৬,৬৬৭টি পরিবারের মাঝে ৩০ টাকা প্রতি কেজি দরে মোট ৩৩,৮৩৩ মেট্রিক টন চাল বিক্রি করছে।

    প্রতিমন্ত্রী তার বক্তব্যে পুনরায় জোর দিয়ে বলেন যে, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি ও ওএমএসের মাধ্যমে সরকার নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠীর খাদ্য নিরাপত্তা বজায় রাখার লক্ষ্যে কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।

  • গণভোট ইস্যুতে সরকারকে হুঁশিয়ারি দিল ১১ দলীয় ঐক্য

    গণভোট ইস্যুতে সরকারকে হুঁশিয়ারি দিল ১১ দলীয় ঐক্য

    গণভোটের রায়ের বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থানের প্রতিবাদ ও সেই রায় অবিলম্বে বাস্তবায়নের দাবি নিয়ে শনিবার বিকেলে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম ময়দানে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে ১১ দলীয় ঐক্য। সমাবেশে অংশগ্রহণকারীরা বলেছিলেন, সরকারের এই অবস্থান দেশকে ফ্যাসিবাদী পথে ঠেলে দিতে পারে এবং তা প্রতিহত করা হবে।

    দুপুরের পর থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে নেতাকর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল করে সমাবেশস্থলে পৌঁছতে থাকেন। তাদের হাতে ছিল ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন চাই’, ‘গণভোট মানতে হবে’—এমন বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড। জমায়েতটি শুরুর পর উপস্থিতরা সরকারের বিরুদ্ধে এবং গণভোটের পক্ষে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

    সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতে ইসলামের নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম। জোটের শীর্ষস্থানীয় নেতারা পরপর বক্তব্যে সরকারকে সমালোচনা করে বলেন, জনগণের আকাঙ্ক্ষা উপেক্ষা করে গণভোটের রায়ের বিরুদ্ধেই অবস্থান নেওয়া অনৈতিক। তারা অভিযোগ করেন, রাষ্ট্রের সংবিধান ও জনগণের ভোটাধিকারকে মর্যাদা দিতে সরকার গঠিত সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়ন করতে ব্যর্থ হচ্ছে।

    বক্তারা কঠোর সুরে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি সরকার ফ্যাসিবাদী নীতি কায়েম করতে চায় তবে বিএনপিকেও অতীতের মতোই কঠোর পরিণতির সম্মুখীন হতে হবে। তারা সতর্ক করে বলেন, রায় দ্রুত কার্যকর না হলে তীব্র আন্দোলনের ঘোষণাও দিতে পারে ঐক্য।

    একই সঙ্গে সমাবেশে বক্তারা সংবিধান সংস্কারের ওপর জোর দেন যাতে ভবিষ্যতে জনগণের ভোটাধিকার ও মতামত প্রতিফলিত হয়। তারা বলেছিলেন, শুধুমাত্র প্রতিবাদেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, ন্যায়সঙ্গত ব্যবস্থার দাবিতে সংগঠিত কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়া হবে।

    সমাবেশটি শান্তিপূর্ণভাবে পরিচালিত হয়; নেতৃত্ব প্রতিনিধি ও কর্মীরা আগামী দিনের কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করেন।

  • খেলাপি ঋণ ও অন্যান্য ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশ

    খেলাপি ঋণ ও অন্যান্য ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশ

    বাংলাদেশ ব্যাংক খেলাপি ঋণসহ বিভিন্ন আর্থিক ঝুঁকি আগে থেকেই শনাক্ত করার লক্ষ্যে তদারকি জোরদার করেছে। এ প্রেক্ষিতে তফসিলি ব্যাংকগুলোকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিরীক্ষা-সংক্রান্ত অন্তর্বতী প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-২ থেকে এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করা হয়েছে। সার্কুলারে বলা হয়েছে, ‘ব্যাংক-কোম্পানি বহিঃনিরীক্ষণ বিধিমালা, ২০২৪’ অনুযায়ী নিরীক্ষা বছরের নবম মাসভিত্তিক একটি অন্তর্বতীকালীন প্রতিবেদন প্রস্তুত করে তা নিরীক্ষা বছরের শেষ তারিখের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দিতে হবে। ২০২৫ সালভিত্তিক এবং পরবর্তী বছরের জন্যও একই নিয়ম বলবৎ থাকবে।

    সার্কুলারে আরও বলা হয়েছে যে ব্যাংকিং তদারকি আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার অংশ হিসেবে ঝুঁকিভিত্তিক সুপারভিশন (রিস্ক বেইজড সুপারভিশন বা আরবিএস) চালু করা হয়েছে। এর ফলে সব ব্যাংককে একভাবে না দেখে যেসব প্রতিষ্ঠানে ঝুঁকি বেশি, সেখানগুলোতে নজরদারি বাড়ানো হবে।

    সংশ্লিষ্টরা মনে করেন নতুন ব্যবস্থায় সম্ভাব্য আর্থিক দুর্বলতা ও অনিয়ম আগেভাগেই চিহ্নিত করা সম্ভব হবে। ফলে ব্যাংকগুলোর আর্থিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে ঋণঝুঁকি ও খেলাপি ঋণের প্রবণতা আরও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা যাবে। পাশাপাশি এই ব্যবস্থা কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হলে খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা পাওয়া ছাড়াও ব্যাংকিং খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়বে।

  • জ্বালানি সাশ্র্যে ব্যাংকের লেনদেন এক ঘণ্টা কমানোর নতুন সময় ঘোষণা

    জ্বালানি সাশ্র্যে ব্যাংকের লেনদেন এক ঘণ্টা কমানোর নতুন সময় ঘোষণা

    জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের অংশ হিসেবে ব্যাংক লেনদেনের সময় এক ঘণ্টা কমিয়ে নতুন সময়সূচি জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনায় জানানো হয়েছে, ব্যাংকে লেনদেন চলবে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত। ব্যাংকের অফিস সময় নির্ধারণ করা হয়েছে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

    এই নির্দেশনা শনিবার (৪ এপ্রিল) জারি করা হয় এবং তা ৫ এপ্রিল থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। সাধারণত ব্যাংক লেনদেন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত হত, আর অফিস সময় ছিল সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত।

    নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, সমুদ্র, স্থল ও বিমান বন্দর—পোর্ট ও কাস্টমস এলাকাসহ—যেসব শাখা বা বুথ জরুরি সেবা দিয়ে থাকে সেগুলি সপ্তাহের সাত দিন ২৪ ঘণ্টাই খোলা রাখার পূর্ববর্তী নিয়ম বজায় থাকবে।

    গত ২ এপ্রিল মন্ত্রিসভার বৈঠকে চলমান জ্বালানি সংকট বিবেচনায় সরকারি ও বেসরকারি অফিসের সময়সীমা পুনর্নির্ধারণ করা হয়। সরকার ঘোষিত নতুন সময়সূচি অনুযায়ী সরকারি ও বেসরকারি অফিস সাধারণত সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে এবং সন্ধ্যা ৬টার পরে শপিংমল ও দোকানপাট বন্ধ রাখার sowie বিয়েবাড়িতে আলোকসজ্জা বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    বাড়তি ভোগান্তি এড়াতে গ্রাহকদের ব্যাংকিং প্রয়োজন আগামী থেকে সাধারণত সকাল ১০টা থেকে দুপুর বা বিকেল ৩টার মধ্যে মিটিয়ে নেওয়া ও আগাম পরিকল্পনা করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

  • পাইলট উদ্ধারে গিয়ে আরও একটি মার্কিন বিমান ভূপাতিত: আইআরজিসি দাবি

    পাইলট উদ্ধারে গিয়ে আরও একটি মার্কিন বিমান ভূপাতিত: আইআরজিসি দাবি

    ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, নিখোঁজ মার্কিন পাইলটকে উদ্ধারে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের আরও একটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করা হয়েছে। এই দাবির খবর প্রকাশ করেছে ফার্স নিউজ এজেন্সি এবং তা অনাদোলু, রয়টার্স ও আল-জাজিরা রিপোর্টেও তুলে ধরা হয়েছে।

    আইআরজিএসসি বলছে, গত ৩ এপ্রিল ইরানে ভূপাতিত হওয়া এক এফ-১৫ জেটের নিখোঁজ পাইলটকে উদ্ধারে পাঠানো হয়েছিল একটি মার্কিন সি-১৩০ বিমান। উদ্ধার অভিযানে যুক্ত এই ওই সি-১৩০ যুদ্ধবিমানটিকে লক্ষ্যবস্তু করে ভূপাতিত করা হয়েছে বলে ফার্স নিউজ জানিয়েছে।

    ঘটনাস্থল হিসেবে বলা হচ্ছে ইসফাহানের দক্ষিণাঞ্চল, যেখানে ওই পাইলটের সন্ধানে বিমানটি কাজ করছিল। সংবাদ সংস্থা একটি ছবি প্রকাশ করেছে, যেটিতে একটি মাঠ থেকে ঘন ধোঁয়া ওঠার দৃশ্য দেখা যাচ্ছে।

    আইআরজিসি এই হামলাকে ব্যাখ্যা করে বলেছেন, এটি ছিল ‘‘একটি বিশাল পরাজয় ঢাকিয়ে দেয়ার জন্য ট্রাম্পের মরিয়া চেষ্টা’’—এমনভাবে তারা ওই ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন।

    এই খবরটি আসে ঠিক তখন, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন যে নিখোঁজ ক্রু সদস্যদের মধ্যে একজনকে উদ্ধার করা হয়েছে।

    এর আগে ৩ এপ্রিলই নিখোঁজ পাইলটদের উদ্ধারে গেলে আইআরজিসির হামলায় একটি মার্কিন এ-১০ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয় এবং একই সময় দুইটি ব্ল্যাকহক হেলিকপ্টারও মারাত্মকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছিল বলে রিপোর্ট করা হয়েছিল।

    দাবিগুলো স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি এবং সেগুলো নিয়ে міжнарод সংবাদমাধ্যমগুলো প্রতিবেদনে বিভিন্ন সূত্রের ওপর নির্ভর করেছে। পরিস্থিতি সম্পর্কে আরও নিশ্চিত তথ্য না পাওয়া পর্যন্ত বিষয়টি অনিশ্চিতই বলা যেতে পারে।

  • তরুণ উদ্যোক্তারা গড়ে উঠলে দেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে

    তরুণ উদ্যোক্তারা গড়ে উঠলে দেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে

    বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা ও সৃজনশীল স্টার্টআপ ধারণা প্রসারের লক্ষ্য নিয়ে ‘ইয়ুথ এন্টারপ্রেনিউরশিপ অ্যান্ড স্টার্টআপ ফর স্টুডেন্টস’ শীর্ষক একটি কর্মশালা আজ রোববার (৫ এপ্রিল) খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে এসএমই ফাউন্ডেশন এ কর্মশালার আয়োজক ছিল। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ও খুলনা ইউনিভার্সিটি ক্যারিয়ার ক্লাব সামগ্রিক সহযোগিতা প্রদান করেছে।

    সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের লিয়াকত আলী মিলনায়তনে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম। তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখন নতুন সম্ভাবনার দিকে ধাবিত হচ্ছে এবং বর্তমান সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি যুবকদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে কার্যকরভাবে কার্যকর হচ্ছে।

    উপাচার্য আরও বলেন, দেশে চাকরির বাজার সীমিত হওয়ায় প্রত্যেককে কেবল চাকরির জন্য অপেক্ষা না করে নিজেই কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর জাতীয় প্রত্যাশা অনেক। তারা যদি উদ্যোক্তা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারে, তবে দেশের অর্থনীতি আরও সুদৃঢ় হবে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের মাধ্যমে গণভিত্তিক উন্নয়ন সম্ভব হবে। এজন্য এ ধরণের কার্যক্রম অত্যন্ত জরুরি।

    তিনি জানান, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ‘ইউনিভার্সিটি ইনোভেশন হাব’ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এ হাবের মাধ্যমে নিয়মিত প্রশিক্ষণ প্রদত্ত হচ্ছে এবং প্রশিক্ষণ শেষে সিডমানি (প্রারম্ভিক তহবিল) দিয়ে উদ্যোক্তা হওয়ার পথকে আরও সুগম করা হচ্ছে। তিনি শিক্ষার্থীদের সফট স্কিল উন্নয়নেও গুরুত্বারোপ করেন এবং বলেন, বাস্তবসম্মত ও যুগোপযোগী আইডিয়া থাকলে বিনিয়োগকারীরা আকৃষ্ট হওয়া সহজ।

    অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ আনোয়ার হোসেন চৌধুরি। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুনর রশীদ খান, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ নূরুন্নবী, বাংলাদেশ ব্যাংক খুলনা কার্যালয়ের নির্বাহী পরিচালক মোঃ রুকনুজ্জামান এবং স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুরুল হাই। স্বাগত বক্তব্য রাখেন এসএমই ফাউন্ডেশনের জেনারেল ম্যানেজার আব্দুস সালাম সরদার। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ক্যারিয়ার ক্লাবের তাসমিয়া ইসলাম তিশা ও ফাহিম খান।

    বক্তারা সমাজে নতুন ধাঁচের কর্মসংস্থান গঠনে তরুণ উদ্যোক্তাদের ভূমিকার ওপর জোর দেন। তারা বলেন, আজকের তরুণদের সামনে অসীম সম্ভাবনা রয়েছে; শুধু চাকরি নয়, সফল উদ্যোক্তা হয়ে নিজে ও অন্যদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে সমাজকে এগোতে সাহায্য করা সম্ভব। উদ্যোক্তা তৈরিতে ইতোমধ্যেই নানা প্রতিষ্ঠান কাজ করছে; তাই শিক্ষার্থীদের ইনোভেটিভ আইডিয়া তৈরি করে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়।

    অতিথিরা আরও বলেন, বাংলাদেশের মতো উদীয়মান দেশে শক্তিশালী স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা জরুরি। এতে বড় প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি ক্ষুদ্র বেসরকারি কোম্পানিগুলোরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বিনিয়োগ ও মেন্টরশিপে সমন্বয় থাকলে তরুণদের উদ্ভাবনী উদ্যোগ দ্রুত বাস্তবে পরিণত করা সম্ভব।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে তিনটি প্লেনারি সেশনে উদ্যোক্তা উন্নয়ন, স্টার্টআপ গঠন, মেন্টরশিপ ও ব্যবসায়িক প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত বিষয়ের ওপর বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ আর্মি ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি খুলনার প্রায় তিনশত শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।

  • খুলনায় অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমন গ্রেপ্তার

    খুলনায় অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমন গ্রেপ্তার

    খুলনা মহানগর পুলিশের (কেএমপি) দৌলতপুর থানা পুলিশ ও মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যৌথ অভিযানে পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমন হাওলাদার ওরফে গজাল ইমন (২৩) গ্রেপ্তার হয়েছেন।

    আটক ইমন দৌলতপুর থানার মহেশ্বরপাশা বুচিতলা এলাকার বাসিন্দা এবং আলমগীর হোসেনের ছেলে।

    কেএমপির মিডিয়া সেলের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার দিবাগত ভোররাতে গোপনসংবাদের ভিত্তিতে নগরীর রায়েরমহল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

    পরে ইমন যে তথ্য দিয়েছেন তা অনুযায়ী মহেশ্বরপাশার কার্তিককূল উত্তর ঘোষপাড়া এলাকায় আক্রমণাত্মক তল্লাশি চালিয়ে পুলিশ কয়েক ধরনের অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করে। উদ্ধারে রয়েছে ২টি ওয়ান-শুটার গান, ১টি পিস্তল, ১টি ম্যাগাজিন, ১ রাউন্ড পিস্তলের গুলি এবং ৪ রাউন্ড ওয়ান-শুটার গানটির কার্তুজ।

    পুলিশ জানায়, প্রাথমিক অনুসন্ধানে ইমন হাওলাদারের বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র, দস্যুতা ও চুরিসহ মোট সাতটি মামলা রয়েছে। তিনি পুলিশের তালিকাভুক্ত একজন শীর্ষ সন্ত্রাসী।

    ঘটনার পর থেকে কেএমপি তদন্ত চালাচ্ছে এবং গ্রেপ্তার ও উদ্ধারকৃত সামগ্রীর বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

  • তদন্ত কমিটির ডাকে সাড়া না দেওয়ার কারণ জানালেন সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ

    তদন্ত কমিটির ডাকে সাড়া না দেওয়ার কারণ জানালেন সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ

    জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) গত মাসে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সর্বশেষ নির্বাচনের স্বচ্ছতা যাচাইয়ের জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল। আজ সেই কমিটি তাদের প্রতিবেদন এনএসসিতে জমা দিলেও, সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া তদন্তকারীদের সাক্ষাৎকারে উপস্থিত হননি।

    অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি অনাস্থা-ভিত্তিক কারণগুলো ব্যাখ্যা করেছেন। বক্তব্যের সারসংক্ষেপে তিনি বলেন—

    ১) বিসিবি একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হওয়ায় মন্ত্রণালয় সীমা ছাড়িয়ে গিয়ে তার ওপর তদন্ত করছে যা গ্রহণযোগ্য না।

    ২) তদন্ত কমিটির প্রজ্ঞাপনে কথিতভাবে সিদ্ধান্ত আগেই নির্ধারণ হয়ে রাখা হয়েছে, ফলে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত হবে না বলে তার সন্দেহ রয়েছে।

    ৩) তদন্ত বিষয়টি উচ্চ আদালতে বিচারাধীন; সেই পরিস্থিতিতে তদন্ত চালালে তা আদালত অবমাননার শামিল হতে পারে।

    ৪) ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে বোর্ড পরিচালকদের পরবর্তী বোর্ডে পরিচালক পদ দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে লোভ দেখানো এবং রাজি না হলে ভয় দেখিয়ে পদত্যাগ করানোর অভিযোগ তুলে আছেন তিনি।

    আসিফ আরও লিখেছেন যে, তাঁকে জানানো হয়েছিল বিষয়টি উচ্চ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে এবং স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের বিচারাধীন বিষয় তদন্ত করা যায় কিনা সে বিষয়ে সন্তোষজনক কোনো জবাব পাননি। ফলে তিনি নিয়মবহির্ভূত বা আদালত অবমাননার মতো কোনো কর্মকাণ্ডে অংশ নেবেন না বলে তদন্ত কমিটির নোটিশে সাড়া দেননি।

    এনএসসি ১১ মার্চ সাবেক বিচারপতির নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটির মূল দায়িত্ব ছিল নজরদারি করা যে নির্বাচন প্রক্রিয়াটি সুষ্ঠু ও স্বচ্ছভাবে হয়েছে কি না। কমিটির কাজ শেষের জন্য ১৫ কার্যদিবস সময় দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তারা নির্ধারিত সময়ের আগেই প্রতিবেদন জমা করেছে।

    পটভূমিতে থাকা বিষয়টি হচ্ছে—গত বছরের ৬ অক্টোবর ঢাকার কিছু ক্লাব সংগঠন বিসিবির নির্বাচন বর্জন করে। সেই ঘটনায় দেশের ক্লাব ক্রিকেট স্থবির হয়ে গেছে। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ (ডিপিএল) এখনও মাঠে গড়ায়নি এবং খেলোয়াড়রা সামাজিক মাধ্যমে তাদের হতাশা প্রকাশ করেছেন।

  • আসিফ নজরুল ইস্যুতে বিসিবির স্পষ্ট অভিযোগ: রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তই বিশ্বকাপ থেকে সরিয়েছে বাংলাদেশ

    আসিফ নজরুল ইস্যুতে বিসিবির স্পষ্ট অভিযোগ: রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তই বিশ্বকাপ থেকে সরিয়েছে বাংলাদেশ

    বাংলাদেশ ক্রিকেটে দীর্ঘদিন জমে থাকা বিষয়টি এবার আলোচনায় এল—টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-বিষয়ক সিদ্ধান্তটিতে খেলোয়াড় ও বোর্ডই অংশ নিতে চেয়েছিলেন, কিন্তু তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকারের রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তই তাদের হাত-পা বেঁধে দেয়। শনিবার মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে বাবস্থাপক সূত্রে এসব তথ্য জানিয়েছেন বিসিবি পরিচালকরা।

    ঘটনার সূত্রপাত ছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স থেকে মুস্তাফিজুর রহমানকে হঠাৎ করে রিলিজ করার সিদ্ধান্ত থেকে। আইপিএল ২০২৬-এ কেনা এই পেসারের 갑작িত রিলিজে উত্তেজনা তৈরি হলে নিরাপত্তার আভাস টেনে তৎকালীন সরকার সিদ্ধান্ত নেন যে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ভারতে যাবে না। তখনকার ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল এই ইস্যুতে সবচেয়ে সক্রিয় ছিলেন এবং বিভিন্ন মন্তব্য করেছিলেন; তবে এখন বিসিবি কর্তারা সেই বক্তব্যের অনেক দাবি সরাসরি খারিজ করেছেন।

    বিসিবি পরিচালক ইফতেখার রহমান মিঠু সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘খেলোয়াড়দের কাছ থেকেই আমরা পরিষ্কার সিগনাল পেয়েছিলাম।’ পরবর্তীভাবে নাজমুল আবেদিন ফাহিম পরিস্থিতি বিশদভাবে ব্যাখ্যা করে বলেন, মুস্তাফিজ ইস্যুর পর বোর্ড প্রথমে প্রতিক্রিয়া দেখায় এবং মনে করেছিল আলাপ-আলোচনা, দরকষাকষি কিংবা বিভিন্ন সমাধানের পথ খোলা থাকবে। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে আগত এক সহস্রবর্তী রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তের ফলে আর কোনো পথ খোলা ছিল না।

    ফাহিম আরো জানান, ‘বিপিএল ফাইনালের পর সময়সূচি ও আনুষ্ঠানিক জটিলতার কারণে আমরা কৌশলগতভাবে কিছু পরিবর্তন করতে পারতাম—সম্ভবত কয়েক দিন শিডিউল সামলে পরে যেতাম—কিন্তু যখন সরকার নিরাপদ নয় বলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দিলো, তখন বোর্ডের কোনও বিকল্প ছিল না। আমাদের মতামত সেই মুহূর্তে ততটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল না।’

    অন্য একজন পরিচালক মোখসেদুল কামাল বাবু সরাসরি বলেন, ‘বোর্ড অবশ্যই বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার পক্ষে ছিল।’ পরিচালকরা বারবার জোর দিয়ে বলেছেন, কোনও পরিচালক বা কর্মকর্তাই বিশ্বকাপ খেলতে অস্বীকৃতি জানায়নি; খেলোয়াররাও যেতে চেয়েছিলেন।

    বিসিবি জানায়, ক্রিকেটারদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি—সরকারের নির্দেশ এলেই বোর্ডকে তা মেনে নিতে হয়েছিল। এরপর আইসিসিকে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারত থেকে অন্যত্র সরানোর জন্য করা আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হয় এবং শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশকে বিশ্বকাপের টিকিট থেকে সরিয়ে স্কটল্যান্ডকে তার স্থানে রাখা হয়।

    সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া এই ব্যাখ্যা থেকে স্পষ্ট—মুস্তাফিজর প্রেক্ষাপট এবং তৎকালীন নিরাপত্তার অজুহাত মিলিয়ে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, সেটি বোর্ড বা খেলোয়াড়দের ইচ্ছার বাইরে ছিল এবং বিসিবি সেই সময় রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত কারণ হিসেবে দেখাচ্ছে।