Blog

  • সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ জনকে আজ হাজির করা হচ্ছে ট্রাইব্যুনালে

    সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ জনকে আজ হাজির করা হচ্ছে ট্রাইব্যুনালে

    জুলাই-আগস্টের গণহত্যার মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হচ্ছে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ আসামিকে। 

    আজ সোমবার সকালে কড়া নিরাপত্তায় তাদেরকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হবে। এদিকে গণহত্যার মামলার তদন্তের সময় বৃদ্ধির জন্য আবেদন জানাবে তদন্ত সংস্থা। সংস্থার পক্ষে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট এম তাজুল ইসলাম আজ এ আবেদন জানাবেন। বিচারপতি মো. গোলাম মূর্তজা মজুমদারের সভাপতিত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালে আবেদনের উপর শুনানি হবে। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

    ট্রাইব্যুনালে যাদেরকে হাজির করা হচ্ছে এরা হলেন: আনিসুল হক, ড. আব্দুর রাজ্জাক, শাজাহান খান, সালমান এফ রহমান, গোলাম দস্তগীর গাজী, কামাল আহমেদ মজুমদার, লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান, ড. দীপু মনি, রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু, জুনাইদ আহমেদ পলক, তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী (বীর বিক্রম), সাবেক বিচারপতি এইচ এম শামসুদ্দীন চৌধুরী মানিক ও সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিব জাহাঙ্গীর আলম।

    এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট এম তাজুল ইসলাম ইত্তেফাককে বলেন, গণহত্যার মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারিকৃতদের মধ্যে গ্রেফতার হওয়া ১৪ অভিযুক্তকে আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করার জন্য আদেশ রয়েছে। ঐ আদেশ মোতাবেক কারা কর্তৃপক্ষ তাদেরকে হাজির করবে। তিনি বলেন, গণহত্যার মামলা তদন্তের জন্য সময় দিয়েছিল ট্রাইব্যুনাল। যেহেতু তদন্ত শেষ হয়নি সেহেতু সময় বৃদ্ধির আবেদন দেওয়া হবে। কোটা সংস্কার ও সরকার পতনের আন্দোলন দমাতে নিরস্ত্র ছাত্র-জনতাকে সমূলে বা আংশিক নির্মূলের লক্ষ্যে হত্যা, গণহত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের মামলায় গত ১৭ অক্টোবর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সরকারের সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে ট্রাইব্যুনাল। ২৭ অক্টোবর পরোয়ানাভুক্তদের মধ্যে ২০ জনকে ট্রাইব্যুনালের মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। এদের মধ্যে ১৪ জনকে আজ এবং ছয় পুলিশ কর্মকর্তা সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন, বরখাস্ত মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, সাবেক ঢাকা জেলার এডিসি (এসপি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত ছিলেন) আব্দুল্লাহ হিল কাফী, সাবেক এডিসি আরাফাতুল ইসলাম, যাত্রাবাড়ী থানার সাবেক ওসি আবুল হাসান এবং গুলশান থানার সাবেক ওসি মাজহারুল ইসলামকে ২০ নভেম্বর ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ রয়েছে। এদিকে ২৭ অক্টোবর ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, র‍্যাবের সাবেক ডিজি হারুন-অর রশিদ, এসবির সাবেক প্রধান মনিরুল ইসলাম, ডিবির সাবেক প্রধান হারুনুর রশিদ, বিপ্লব কুমার সরকার, সাবেক এডিসি ইকবাল হোসেনসহ আরো ১৭ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করা হয়।

    তদন্ত সংস্থা ও প্রসিকিউশনের অভিযোগে যা বলা হয়েছে : কোটা সংস্কারের অহিংস আন্দোলন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সহিংস হয়ে উঠে। একই সঙ্গে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরস্ত্র ছাত্র-ছাত্রীদের ওপর নির্মমভাবে হামলা চালায়। এই হামলার ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকাসহ দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামে। সংঘর্ষ হয় ছাত্রলীগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে। ১৬ জুলাই রংপুরে পুলিশের গুলিতে শিক্ষার্থী আবু সাঈদসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আরও ছয় জন মারা যান। ফলে কোটা সংস্কার আন্দোলন সরকার পতনের আন্দোলনে রূপ নেয়। এই আন্দোলনে একসময় শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ যোগ দেয়। কমপ্লিট শাটডাউন, অসহযোগ আন্দোলন দমাতে জারি করা হয় কারফিউ। কিন্তু তাতে দমে যায়নি ছাত্র-জনতা। এই ছাত্র-জনতাকে সমূলে বা আংশিক নির্মূলের উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ নির্দেশনায় নির্বিচারে গুলি চালায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এর সঙ্গে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠন এবং ১৪ দলীয় জোটের ক্যাডার বাহিনী যোগ দেয়। এতে দেড় সহস্রাধিক ছাত্র-জনতাকে হত্যা করা হয়। আহত হয় ২৩ হাজারের অধিক শিক্ষার্থী ও জনতা। আহত অনেকে চিরতরে পঙ্গু ও দৃষ্টি শক্তি হারিয়েছেন।

    এর পরেও দমানো যায়নি আন্দোলনকারীদের। তারা ৫ আগস্ট গণভবনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। পদত্যাগ করে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পরেও পূর্ব নির্দেশনা অনুযায়ী ঐদিন গভীর রাত পর্যন্ত হত্যা, গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী এবং ১৪ দলীয় জোটের ক্যাডাররা। এসব অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে জুলাই-আগস্ট গণহত্যার মামলায়।

    প্রসঙ্গত গণঅভ্যুত্থানের মুখে গত ৫ আগস্ট দেশত্যাগ করেন শেখ হাসিনা। ৮ আগস্ট নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যাত্রা শুরু করে। এরপর ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, এমপি, বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে শত শত হত্যা মামলা দায়ের হয়। এর মধ্যে বেশ কিছু মামলায় গ্রেফতার হয়ে আগস্ট মাস থেকে কারাগারে আছেন ট্রাইব্যুনালের পরোয়ানাভুক্ত আসামিরা। অক্টোবর মাসে সরকার পুনর্গঠন করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। শেখ হাসিনাসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির মধ্য দিয়ে গত ১৭ অক্টোবর যাত্রা শুরু করে ট্রাইব্যুনাল। ইতিমধ্যে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রেড অ্যালার্ট জারি করতে ইন্টারপোলের কাছে চিঠি দিয়েছে চিফ প্রসিকিউটর।

  • দীপু মনির সুপারিশে মাউশিতে তিন হাজার পদায়ন

    দীপু মনির সুপারিশে মাউশিতে তিন হাজার পদায়ন

    সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির ইশারায় নিয়োগ পান প্রায় তিন হাজার ১৮৩ কর্মকর্তা-কর্মচারী। দীপু মনি সিন্ডিকেটের বলয়ে তারা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) চাকরি পান। এর জন্য উচ্চ মহলের সুপারিশসহ তাদের দিতে হয়েছে ৫ থেকে ১৫ লাখ টাকা। নিয়োগের জন্য যাচ্ছেতাইভাবে পরীক্ষা নেয়া হয় তাদের জন্য। দীপু মনির আমলে চার হাজার ১০৯ জনকে নিয়োগ দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। এখনো চাকরির অপেক্ষায় রয়েছেন ৬১০ জন।

    মাউশি’র এই নিয়োগ পুরোটা সামলেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনির ভাই ডা. জে আর ওয়াদুদ টিপু ও চাঁদপুর পুরান বাজার ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ রতন কুমার মজুমদার। অভিযোগ রয়েছে এই চক্রটির খাতা কলমে বৈধতা দেয়ার কাজ করে গেছেন মাউশি’র কলেজ ও প্রশাসন শাখার পরিচালক শাহেদুল খবির চৌধুরী, প্রশাসন শাখার উপ-পরিচালক বিপুল চন্দ্র বিশ্বাস। বর্তমানে এই দুই কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। টাকার বিনিময়ে নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তারা ২০২৩ সালে দু’দফায় (আগস্ট ও নভেম্বরে) যোগদান করেন।

    মাউশি’র একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীপু মনি শিক্ষার দায়িত্ব হাতে পাবার পরই গড়ে তোলেন সিন্ডিকেট। মাউশিতে নিয়ে আসেন পছন্দের লোকদের। জনপ্রশাসন থেকে নিয়োগের ছাড়পত্র এনে তার আমলে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করেন। এই চক্র এতটাই শক্তিশালী ছিল যে, কেউ প্রশ্ন করার সাহস পর্যন্ত ছিল না। পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন অনেকেই। পরীক্ষায় এমসিকিউ বাতিল করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ’র অধীনে লিখিত পরীক্ষা নেয়ার দাবি তোলা হয়েছিল। কিন্তু তা আমলেই নেয়া হয়নি। এমনকি ভাইবার আগেই এসব প্রার্থীদের দেয়া হয়েছিল চাকরির নিশ্চয়তা।

    সুপারিশের প্রেক্ষিতে চার হাজার ১০৯ জনকে নিয়োগ দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু নানা জটিলতায় আটকে যায় ৬১০ জনের পদায়ন। তবে তাদের পদায়নের জন্য চলতি বছরের জুনে ফল প্রকাশ করা হয়। কিন্তু ছাত্র-জনতার আন্দোলনের তোড়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। যার কারণে আটকে আছে তাদের নিয়োগ। নিয়ম অনুযায়ী দশম থেকে দ্বাদশ গ্রেড পর্যন্ত দ্বিতীয় শ্রেণির পদ, কিন্তু মাউশি’র নিয়োগবিধিতে এই পদগুলোকে তৃতীয় শ্রেণির দেখিয়ে শুধু এমসিকিউ পরীক্ষা নেয়া হয়। ২০২০ সালের অক্টোবরে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে ২৮টি ক্যাটাগরির বিভিন্ন পদের মধ্যে প্রদর্শক পদে ৫১৪টি, গবেষণা সহকারী (কলেজ) পদে ২১টি, সহকারী গ্রন্থাগারিক কাম ক্যাটালগার পদে ৬৯টি এবং ল্যাবরেটরি সহকারী পদে ৬টি পদ উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এসব পদের বিপরীতে পরীক্ষা ২০২১ সালের আগস্ট ও অক্টোবরে অনুষ্ঠিত হয়। পরিদর্শক পদের ফল অনিবার্যকারণবশত স্থগিত করা হয়েছিল। সেই পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয় ২০২৪ সালের এপ্রিলে। এতে প্রায় আট হাজার প্রার্থী উত্তীর্ণ হন। মে মাসে ভাইবা শেষে জুনে নির্বাচিতদের ফল প্রকাশ করা হয়। কিন্তু পরবর্তীতে পরিস্থিতির কারণে আটকে আছে এই ৬১০ জনের নিয়োগ। চাকরি পাওয়াদের মধ্যে রয়েছেন কম্পিউটার অপারেটর ৯ জন, উচ্চমান সহকারী ৮৫ জন, ক্যাশিয়ার ১১৯ জন, স্টোরকিপার ৫০ জন, হিসাব সহকারী ১০৬ জন, অফিস সহকারী ৫১৩ জন, মেকানিক ৩৩ জন, গাড়িচালক ১১ জন, বুক সর্টার ৪৬ জন, অফিস সহায়ক ১৭০৪ জন, নিরাপত্তা প্রহরী ২৪৭ জন, মালী ৯৭ জন, পরিচ্ছন্নকর্মী ১৬৩ জন। অন্যদিকে তালিকায় নিয়োগের অপেক্ষায় রয়েছেন প্রদর্শক পদে পদার্থবিদ্যায় ১০৯ জন, রসায়নে ১২০ জন, জীববিজ্ঞানে ৩১ জন, প্রাণিবিদ্যায় ১০৯ জন, উদ্ভিদবিদ্যায় ৯৬ জন, ভূগোলে ১৩ জন, মৃত্তিকায় ৫ জন, গণিতে ২২ জন, গার্হস্থ্য বিজ্ঞানে ৮ জন, কৃষিতে একজন, গবেষণা সহকারী (কলেজ) ২১ জন, সহকারী গ্রন্থাগারিক ৬৯ জন এবং ল্যাবরেটরি সহকারী ৬ জন।

    এই নিয়োগের বিষয়ে জানতে চাইলে মাউশি মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর এবিএম রেজাউল করীম বলেন, তালিকা ধরে নিয়োগের বিষয়টি আমার জানা নেই। আমি নিয়োগ প্রক্রিয়ার সময়ে দায়িত্বেও ছিলাম না। এটা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন। মন্ত্রণালয় থেকে কোনো নির্দেশনা দেয়া হলে সেটি বাস্তবায়ন করা হবে।

  • ব্যক্তিগত সফরে সরকারি সেবা নিলে খরচ নিজে পরিশোধ করতে হবে: মন্ত্রিপরিষদ

    ব্যক্তিগত সফরে সরকারি সেবা নিলে খরচ নিজে পরিশোধ করতে হবে: মন্ত্রিপরিষদ

    মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানিয়েছে, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা ব্যক্তিগত সফরে সরকারি যানবাহন, আবাসন বা অন্যান্য সরকারি সেবা গ্রহণ করলে তার মূল্য নিজে পরিশোধ করতে হবে। নির্দেশনাটি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব নাসিমুল গনির স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে দেওয়া হয়েছে।

    চিঠিতে বলা হয়েছে, কোনো সফর সরকারি না ব্যক্তিগত—এটি স্পষ্টভাবে সফরসূচি বা সফরের চিঠিতে উল্লেখ করতে হবে। সরকারি সফর হলে চলাচল ও আবাসনের দায়ভার সরকার বহন করবে; কিন্তু ব্যক্তিগত সফরে যদি সরকারি সুবিধা নেওয়া হয়, তাহলে বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট ব্যয় মন্ত্রণালয় বা ব্যক্তিকে নিজে বহন করতে হবে।

    নির্দেশনায় মন্ত্রিসভার সদস্যদের যাত্রা-বিষয়ক প্রটোকলও সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। বিমানবন্দরে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী বা উপমন্ত্রীর আগমন ও প্রস্থানে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব বা যুগ্ম সচিব উপস্থিত থাকবেন। দেশের ভেতরকার সফরে ঢাকায় যাত্রা ও প্রত্যাবর্তনের সময় তাদের একান্ত সচিব উপস্থিত থাকবেন।

    জেলা পর্যায়ে সফরের সময় যথাসম্ভব জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আগমন ও বিদায়ের সময় অভ্যর্থনা ও বিদায় জানাবেন। প্রয়োজনে জেলা প্রশাসক বা পুলিশ সুপার নিজ দায়িত্বে নির্ধারিত সরকারি সফর পরিবর্তন না করে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বা অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে দায়িত্ব দিয়ে কাজ চালিয়ে নিতে পারবেন। মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী চাইলে তাদের ব্যক্তিগত সফরসূচি পরিবর্তন করতেও পারবেন।

    উপজেলা পর্যায়ে সফরের দায়িত্ব পালন করবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সহকারী পুলিশ সুপার ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। অপ্রয়োজনে জেলা প্রশাসক বা পুলিশ সুপারের সরাসরি উপস্থিতি বাধ্যতামূলক নয়। বিমানবন্দর বা রেলস্টেশনে আগমন ও প্রস্থানের সময়ও প্রয়োজন না হলে জেলা প্রশাসক বা পুলিশ সুপারের উপস্থিতির বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়নি; তবে ট্রানজিট ব্যবহারের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট জেলার প্রশাসনের প্রতিনিধি উপস্থিত থাকবেন।

    নির্দেশনায় পুলিশকে সফরসূচি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রেলপথে গেলে রেলওয়ে পুলিশ সংশ্লিষ্ট স্টেশনগুলোকে অবহিত করবে এবং গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনগুলোতে পুলিশ কর্মকর্তার উপস্থিতি নিশ্চিত করবে। এছাড়া সফরসূচি সময়মতো সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো এবং কোনো পরিবর্তন হলে দ্রুত জানানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

    চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, সার্কিট হাউজ বা সরকারি রেস্ট হাউজের বাইরে অবস্থান করলেও নিরাপত্তা সংক্রান্ত নিয়মাবলি প্রযোজ্য থাকবে। নির্দেশনাটি সব বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদেরও পাঠানো হয়েছে এবং এর মাধ্যমে ২০২৪ সালের ২৭ আগস্টে জারি করা আগের নির্দেশনাটি বাতিল করা হয়েছে।

    সূত্র: বাসস

  • বিগত আওয়ামী লীগ সরকার গ্যাস উত্তোলনে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি: তথ্যমন্ত্রী

    বিগত আওয়ামী লীগ সরকার গ্যাস উত্তোলনে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি: তথ্যমন্ত্রী

    তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ভঙ্গুর স্বাস্থ্যব্যবস্থা ও কট্টর অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখে দায়িত্বভার নিয়ে রাষ্ট্র সংস্কারের কাজ চলছে। তিনি বলেন, চলমান কাজের লক্ষ্য একটি শক্তিশালী ও টেকসই রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলা।

    সোমবার (২০ এপ্রিল) সকালে বরিশালের গৌরনদী উপজেলা কেএ অনুষ্ঠেয় দেশের টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পরে সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    তথ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, দেশের মাটির নিচে পর্যাপ্ত গ্যাস মজুদ থাকা সত্ত্বেও বিগত আওয়ামী লীগ সরকার তা উত্তোলনে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। পরিকল্পনার ঘাটতি ও স্বার্থসংরক্ষণের কারণে গ্যাসক্ষেতে স্বনির্ভরতা প্রতিষ্ঠা সম্ভব হয়নি, ফলে আমদানি নির্ভর জ্বালানি ব্যবস্থার ওপর নির্ভরতা তৈরি হয়ে বর্তমান জ্বালানি সংকটের জন্ম হয়েছে—এই পরিস্থিতির জন্য পুরোনো সরকারকে দায়ী করেন তিনি।

    সরকারি উদ্যোগ সম্পর্কে স্বপন জানান, জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার ইতোমধ্যে বহুমুখী পদক্ষেপ নিয়েছে। দেশীয় সম্পদ সর্বোচ্চভাবে কাজে লাগানো, নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধান, বিকল্প জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

    স্বাস্থ্য খাত নিয়ে মন্ত্রী বলেন, কোভিড-১৯সহ বিভিন্ন সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। দেশে টিকাদান কার্যক্রমকে জোরদার করে জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করাই সরকারের অগ্রাধিকার। তিনি সবাইকে টিকাদান কার্যক্রমে 적극 অংশগ্রহণ ও সহযোগিতার আহ্বান জানান।

    একই সঙ্গে তিনি গণমাধ্যমকে সতর্ক করে বলেন, অবাধ তথ্যপ্রবাহের এই যুগে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা অপরিহার্য। অনির্ভরযোগ্য তথ্য ও গুজব যাতে ছড়ায় না, তা নিশ্চিত করতে সংবাদকর্মীদের সতর্ক থাকার ওপর জোর দেন। সঠিক ও বিশ্বাসযোগ্য সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে উল্লেখ করেন।

    অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা টিকাদান কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নে সমাজের সব স্তরের সম্মিলিত প্রচেষ্টার গুরুত্ব অনুধাবন করার পরামর্শ দেন।

  • নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন ছাত্রদল নেত্রী মানসুরা আক্তার

    নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন ছাত্রদল নেত্রী মানসুরা আক্তার

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের চূড়ান্ত প্রার্থীর তালিকায় নাম পেয়েছেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেত্রী মানসুরা আক্তার। সোমবার (২০ এপ্রিল) নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তার মনোনয়নের সংবাদ কার্যকরভাবে ঘোষণা করেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

    মানসুরা আক্তার বর্তমানে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ২০১২–১৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। দীর্ঘসময় ধরে ছাত্রদলের কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত থেকে বিএনপির রাজপথ আন্দোলনে তিনি সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন।

    আক্রমণ ও মামলা থেকে মুক্ত ছিলেন না—আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বিভিন্ন সময়ে তিনি হামলা ও মামলা লক্ষ্য হয়ে পড়েছেন। ২০২২ সালের মে মাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রদলের এক মিছিলে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের হামলায় তিনি গুরুতর আহত হন; এ ঘটনায় তার হাত ভেঙে যায় এবং সহকর্মীরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করায়। পরে তিনি এ ঘটনায় ছাত্রলীগের ৩৩ জন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন।

    এর আগে ২০২৩ সালের এপ্রিলেও মানসুরা আক্তার পুনরায় ছাত্রলীগের হামলার শিকার হন। ঢাকা মেডিকেল কলেজের বহির্বিভাগের গেটের সামনে অবস্থানকালে হামলায় তার পাশাপাশি ছাত্রদলের আরও কয়েকজন নেতা আহত হন।

    বিএনপির মনোনয়ন পেলে সংরক্ষিত নারী আসন থেকেই তিনি সংসদে পরিবেশ করার সম্ভাবনা পাবেন। দলীয় পদের পাশাপাশি রাজপথে তার দীর্ঘ কার্যক্রম এবং অভিজ্ঞতা তাকে দলের নারীতন্ত্রে নতুন ভূমিকা দিতে পারে।

  • সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপি: ২৮ নতুন মুখ, ৮ অভিজ্ঞ

    সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপি: ২৮ নতুন মুখ, ৮ অভিজ্ঞ

    তৃতীয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপি ৩৬ জনকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দিয়েছে। সোমবার (২০ এপ্রিল) নয়াপল্টনের বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এই তালিকা প্রকাশ করেন।

    বিএনপির ঘোষিত তালিকা পর্যালোচনায় দেখা গেছে, দলের মনোনীত ৩৬ জনের মধ্যে নতুনদের প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। ২৮ জন প্রথমবার সংসদ সদস্য হচ্ছেন, আর ৮ জনই পূর্বে সংরক্ষিত কোটায় সংসদ সদস্য ছিলেন। পুরনো পর্যায়ের এই आठজন হলেন: সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান, রেহান আক্তার রানু, রাশেদা বেগম হীরা, বিলকিস ইসলাম, হেলেন জেরিন খান, নিলুফার চৌধুরী মনি, সুলতানা আহমেদ এবং নেওয়াজ হালিমা আর্লি।

    তালিকায় এমন দু’জন নারীর নামও রয়েছে যাদের পরিবারের সদস্যরাও রাজনীতিতে সম্মানজনক পোস্টে আছেন। ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও দলীয় নির্বাহী সদস্য নিপুন রায় চৌধুরীর বাবা সাংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী এবং শ্বশুর বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। অন্যদিকে শিরিন সুলতানার স্বামী বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন।

    তালিকায় অনেকে রাজনৈতিক পরিবার ও সংস্থার সঙ্গে যুক্ত; এক নমুনা হিসেবে দেশের স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রয়াত সভাপতি শফিউল বারী বাবুর স্ত্রী বিথিকা বিনতে হোসাইন রয়েছেন।

    এছাড়া সরাসরি নির্বাচনে অংশ নিয়ে পরাজিত হলেও সংরক্ষিত কোটায় জায়গা পেয়েছেন তিনজন— ঢাকা-১৪ আসনের সানজিদা ইসলাম তুলি, যশোর-২ আসনের সাবিরা সুলতানা এবং শেরপুর-১ আসনের সানসিলা জেবরিন।

    মহিলা দলের সম্ভ্রান্ত নেতৃত্ব থেকেও মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে; সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ এবং সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হেলেন জেরিন খান যেন সেই অংশ। বিএনপির মিডিয়া সেল থেকেও মনোনয়ন পেয়েছেন মাহমুদা হাবিবা ও শাম্মী আক্তার। ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের কমিটি থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন ফেরদৌস আহমেদ, আরিফা সুলতানা ও নাদিয়া পাঠান।

    বর্তমান ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মানসুরা আক্তারও সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন; তিনি এ তালিকার সর্বকনিষ্ঠ সদস্য এবং তার বাবা প্রয়াত অ্যাডভোকেট এবাদুর রহমান চৌধুরী। তালিকায় এমন কয়েক জনও আছেন যারা দলীয় রাজনীতিতে খুব সক্রিয় নন— এর মধ্যে রয়েছেন মোবাইল অপারেটর বাংলা লিংকের সিইও জহরত আবিদ চৌধুরী।

    বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বলেন, ‘অভিজ্ঞ রাজপথে নিপীড়িত ও নির্যাতিত যারা আছেন, তাদের মূল্যায়ন করা হয়েছে; এটি দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত।’ তিনি আরও বলেন, বিএনপি চেয়ারম্যান ও রাষ্ট্রবিক্ত হিসেবে তরিক রহমান এবং দলের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে সমন্বয় করে এই মনোনয়ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।

    বিএনপির এই তালিকা নতুন মুখের উত্থান ও অভিজ্ঞ নেতাদের সংমিশ্রণ দেখায়— দলটি সংরক্ষিত নারী আসনে তরুণ নেতৃত্বকে সুযোগ দিতে চায়, একই সঙ্গে পূর্বের অভিজ্ঞতাও কাজে লাগাতে আগ্রহী।

  • এসএসসি: সিসি ক্যামেরা আইডি ও প্রশ্নপত্র গ্রহণকারীর তথ্য জমা দেওয়ার ‘অতীব জরুরি’ নির্দেশ

    এসএসসি: সিসি ক্যামেরা আইডি ও প্রশ্নপত্র গ্রহণকারীর তথ্য জমা দেওয়ার ‘অতীব জরুরি’ নির্দেশ

    ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড আসন্ন এসএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে কেন্দ্রগুলোর জন্য ‘অতীব জরুরি’ নির্দেশনা জারি করেছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রত্যেক কেন্দ্রে ব্যবহৃত সিসি ক্যামেরার আইডি ও পাসওয়ার্ডের পাশাপাশি ট্রেজারি থেকে যে শিক্ষক বা কর্মচারীরা প্রশ্নপত্র গ্রহণ করবেন তাদের নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর বিস্তারিতভাবে পাঠাতে হবে। শিক্ষাবোর্ড এসব তথ্য জোরদার পর্যবেক্ষণ এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য চাইছে।

    বোর্ডের বিজ্ঞপ্তি রোববার (১৯ এপ্রিল) জারি করা হয়েছিল। নির্দেশনায় বলা হয়েছে যে এসব তথ্য আজ রোববার অফিস সময়ের মধ্যেই নির্ধারিত ই-মেইল ঠিকানায় পাঠাতে হবে। কেন্দ্রগুলোকে তাৎক্ষণিকভাবে এসব তথ্য জমা দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

    এছাড়া বোর্ড স্মরণ করিয়েছে যে, প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হবে আগামী ২১ এপ্রিল, প্রথম দিনে বাংলা প্রথমপত্র অনুষ্ঠিত হবে। লিখিত পরীক্ষা ২০ মে পর্যন্ত চলবে। ব্যবহারিক পরীক্ষা ৭ জুন থেকে শুরু হয়ে ১৪ জুন পর্যন্ত চলবে।

    কেন্দ্র পরিচালক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নির্দেশনা মেনে সময় মতো তথ্য পাঠিয়ে পরীক্ষার নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে গুরুত্ব দেবেন বলে বোর্ড অনুরোধ করেছে।

  • এপ্রিলের প্রথম ১৮ দিনে রেমিট্যান্স ১৮০ কোটি ডলার

    এপ্রিলের প্রথম ১৮ দিনে রেমিট্যান্স ১৮০ কোটি ডলার

    এপ্রিলের প্রথম ১৮ দিনে বৈধ পথে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশে পাঠিয়েছে ১৮০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স। প্রতি ডলার ১২৩ টাকা ধরে এটিকে স্থানীয় মুদ্রায় হিসাব করলে পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ২২ হাজার ১৪০ কোটি টাকা, জানায় বাংলাদেশ ব্যাংক। এই রেমিট্যান্স গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৬.২ শতাংশ বেশি—রোববার নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য দিয়েছেন।

    চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৮১৭ কোটি ৭০ লাখ ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স ছিল ২ হাজার ৩৪৭ কোটি ৯০ লাখ ডলার। ফলে আলোচ্য সময়ে রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২০.২ শতাংশ।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, হুন্ডি প্রতিরোধে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উদ্যোগ, প্রণোদনা এবং ব্যাংকিং চ্যানেলের কার্যকারিতা বৃদ্ধিই রেমিট্যান্স আয় বাড়াতে প্রধান ভূমিকা রেখেছে।

    ব্যাংকটির মাসভিত্তিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী চলতি অর্থবছরে প্রবাসী আয় ছিল— জুলাই: ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ ডলার; আগস্ট: ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ডলার; সেপ্টেম্বর: ২৬৮ কোটি ৫৫ লাখ ডলার; অক্টোবর: ২৫৬ কোটি ২৪ লাখ ডলার; নভেম্বর: ২৮৮ কোটি ৯৭ লাখ ডলার; ডিসেম্বরে: ৩২২ কোটি ৩৬ লাখ ডলার; জানুয়ারি: ৩১৭ কোটি ১৬ লাখ ডলার; ফেব্রুয়ারি: ৩০২ কোটি ডলার; এবং মার্চ: ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক আশা করছে, ব্যাংকিং ব্যবস্থার উন্নতি ও প্রণোদনা অব্যাহত থাকলে রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও স্থিতিশীলভাবে বৃদ্ধি পাবে।

  • জাপানে ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্প; সুনামি সতর্কতা জারি

    জাপানে ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্প; সুনামি সতর্কতা জারি

    জাপানের উত্তর উপকূলীয় এলাকা শক্তভাবে কেঁপে উঠেছে—দেশটির আবহাওয়া সংস্থা সুনামি সতর্কতা জারি করেছে।

    সোমবার (২০ এপ্রিল) স্থানীয় সময় ভোর ৪টা ৫৩ মিনিটে উত্তরাঞ্চলের সানরিকু উপকূলের কাছে সমুদ্র তলের মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়। জাপানি সংবাদমাধ্যম এনএইচকে জানিয়েছে, ওই অঞ্চলে অল্প সময়ের মধ্যে তিন মিটার বা তার বেশি উচ্চতার সুনামি আঘাত হানতে পারে।

    ভূমিকম্পটি এতটাই প্রবল ছিল যে কয়েকশ কিলোমিটার দূরে রাজধানী টোকিওতেও ঝটকা অনুভূত হয়েছে। বজায় রাখা হচ্ছে জরুরি প্রচারণা—ওনাগাওয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে কোনো অস্বাভাবিকতা দেখা যাচ্ছে কি না তা দ্রুত পরীক্ষার মধ্যে রয়েছে।

    আবহাওয়া সংস্থা উত্তরাঞ্চলের বিস্তর এলাকায় সুনামি সতর্কতা জারি করেছে; বিশেষত হোক্কাইদো ও ইওয়াতে জেলার কিছু অংশকে উচ্চ ঝুঁকির হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রথম দিকে ভূমিকম্পটির মাত্রা ৭.৯ রিপোর্ট করা হয়েছিল, পরে তা সংশোধন করে ৭.৪ করা হয়।

    এখন পর্যন্ত কোনো নিহত বা আহত হওয়া বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। তবে কর্তৃপক্ষ ও উদ্ধারবাহিনী বর্তমানে সম্ভাব্য সুনামির প্রভাবকে কেন্দ্র করে সতর্কতা অব্যাহত রেখেছে এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে অবস্থান ও সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার আহবান জানানো হয়েছে।

  • ইরান যুদ্ধে ৫০ দিনে তেলের ক্ষতি ৫০ বিলিয়ন ডলার

    ইরান যুদ্ধে ৫০ দিনে তেলের ক্ষতি ৫০ বিলিয়ন ডলার

    ইরান যুদ্ধে চলমান সংঘর্ষের প্রথম ৫০ দিনে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের সরবরাহের ক্ষতি প্রায় ৫০ বিলিয়ন ডলারের বেশি হয়েছে, জানিয়েছে বিশ্লেষকরা ও ডাটা সংস্থা। আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্স এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

    বৈশ্বিক পণ্য ও বাণিজ্যের লাইভ ডাটা প্রদানকারী কেপলার ডাটা অনুসারে, ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে সংকট শুরুর পর থেকে বাজারে পঞ্চাশ কোটি (৫০০ মিলিয়ন) ব্যারেলের বেশি অপরিশোধিত তেল ও কনডেনসেট সরবরাহ কমে গেছে। কেপলার এটিকে আধুনিক ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়া ঘটনাগুলোর একটি হিসেবে দেখছে।

    বিশ্লেষকদের হিসাব অনুযায়ী, এত তেল দিয়ে গোটা বিশ্বের প্রায় পাঁচ দিনের অর্থনৈতিক কার্যক্রম চালানো যেত। এই ঘাটতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় এক মাসের তেল চাহিদা বা ইউরোপের এক মাসের বেশি জ্বালানি চাহিদার সমান বলে তারা জানায়।

    বিশেষ করে গত মার্চে উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর দৈনিক উৎপাদন প্রায় ৮০ লাখ ব্যারেল (প্রায় ৮ মিলিয়ন ব্যারেল) কমে যায় — যা পৃথিবীর বৃহৎ তেল কোম্পানি এক্সন মবিলের সম্মিলিত উৎপাদনের কাছাকাছি পরিমাণ। তৎসহ সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, বাহরাইন ও ওমান থেকে জেট ফুয়েল রফতানি গত ফেব্রুয়ারি মাসে মোট প্রায় ১ কোটি ৯৬ লাখ ব্যারেল (প্রায় ১৯.৬ মিলিয়ন ব্যারেল) ছিল, যা মার্চ ও এপ্রিল মিলিয়ে মাত্র ৪১ লাখ ব্যারেলে (প্রায় ৪.১ মিলিয়ন ব্যারেল) নেমে আসে।

    কেপলারের গবেষক জোহানেস রাউবল জানান, তেলের গড় দর প্রতি ব্যারেল ১০০ ডলার ধরে এই সরবরাহঘাটতির আর্থিক মূল্য প্রায় ৫০ বিলিয়ন ডলার দাঁড়িয়েছে।

    তবে বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলছেন হরমুজ প্রণালী খোলা গেলেও তাত্ক্ষণিকভাবে উৎপাদন ও সরবরাহ স্বাভাবিক হবে না। কুয়েত ও ইরাকের ভারী তেলক্ষেত্রগুলোর উৎপাদন স্বাভাবিক মাত্রায় ফিরতে চার থেকে পাঁচ মাস সময় লাগতে পারে। পাশাপাশি বিভিন্ন রিফাইনারি ও কাতারের রাস লাফান এলএনজি কমপ্লেক্সের ক্ষয়ক্ষতির কারণে আঞ্চলিক জ্বালানি অবকাঠামো পুরোপুরি পুনরুদ্ধারে কয়েক বছরও লাগতে পারে বলে তারা মনে করছেন।

    সংক্ষেপে, চলমান সংঘাত বিশ্ব জ্বালানি বাজারে দীর্ঘমেয়াদী অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে এবং এর প্রভাব আগামী কয়েক মাস থেকে কয়েক বছর ধরে অনুভূত হতে পারে।

  • খুলনায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন

    খুলনায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন

    খুলনা সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে সোমবার (২০ এপ্রিল ২০২৬) খুলনা সিটির ২২নং ওয়ার্ডের কাস্টমঘাট আমিরাবানু বেগম নগর মাতৃসদনে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৬-এর উদ্বোধন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু।

    উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, হামের প্রাদুর্ভাবের কারণে ইতোমধ্যে অনেক শিশু আক্রান্ত ও মৃত‌্যুকাণ্ড ঘটেছে, তাই শিশুসহ পরিবারের সবাইকে টিকাদানে আরও তৎপর হতে হবে। তিনি আলোকপাত করেন যে সরকার শিশুদের টিকার আওয়ায় আনার জন্য সব প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে এবং আজ থেকেই এই ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, হাম ভাইরাসজনিত রোগকে করোনার মতোই গুরুত্ব দিয়ে দেখা দরকার; যাতে কোনো শিশু টিকা থেকে বঞ্চিত না হয়, সেই দিকে বিশেষ মনোযোগ রাখার অনুরোধও করেন। মায়েদের বেশি সচেতন হয়ে তাদের সন্তানদের টিকাদান কেন্দ্রে নিয়ে আসার আহ্বান তিনি জানান।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজীব আহমেদের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন খুলনার উপপুলিশ কমিশনার (অপারেশন) আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, খুলনা স্থানীয় সরকার দফতরের উপপরিচালক মো. আরিফুল ইসলাম, খুলনা সিভিল সার্জন ডা. মোছা. মাহফুজা খানম, মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. সুজাত আহমেদ, খুলনা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম, থানা শিক্ষা অফিসার মো. শাহজাহানসহ ইউনিসেফের ন্যাশনাল ইপিআই স্পেশালিস্টের প্রতিনিধি। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপন করেন কেসিসি’র প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শরীফ শাম্মীউল ইসলাম।

    অনুষ্ঠান থেকে জানানো হয়, খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ৩১টি ওয়ার্ডে ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী মোট ৯৩,৭৮৮ জন শিশুকে এক ডোজ হাম-রুবেলা টিকা দেওয়া লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে স্কুলভিত্তিক লক্ষ্য ১৩,৩৮৮ জন এবং কমিউনিটি-ভিত্তিক লক্ষ্য ৮০,৪০৪ জন। টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ৩১টি ওয়ার্ডে ২৫৬টি টিকা কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে কাজ করবে ১৪৪ জন টিকাদান কর্মী, ২০৬ জন স্বেচ্ছাসেবী এবং ৬২ জন ফ্রন্টলাইনের সুপারভাইজার—মোট ৮২টি টিম দায়িত্ব পালন করবে।

    ক্যাম্পেইনটি ছুটির দিন ব্যতীত প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে। হাম-রুবেলা সংক্রমণ প্রতিরোধে ২০ এপ্রিল থেকে ১০ মে ২০২৬ পর্যন্ত ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী (পূর্বে এমআর টিকা গ্রহণ করা শিশুসহ) সকল শিশুকে এক ডোজ হাম-রুবেলা টিকা প্রদান করা হবে। খুলনার সকল স্থায়ী ও অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্রে এই কার্যক্রম চলমান থাকবে।

    অবশেষে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সকলকে টিকাদানে অংশগ্রহণ করার আহ্বান জানানো হয় যাতে শহরের শিশুদের মধ্যে হাম-রুবেলা সংক্রমণ রোধ করা যায় এবং সমাজকে বড় ধরনের জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি থেকে রক্ষা করা সম্ভব হয়।

  • চিতলমারীতে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন

    চিতলমারীতে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন

    বাগেরহাটের চিতলমারীতে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করা হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাদিজা আক্তার প্রধান অতিথি হিসেবে উদ্যোগটি শুরু করেন।

    এ বছর চিতলমারীতে মোট ১৫,০৬৭ জন শিশু হাম ও রুবেলা সংক্রমণ থেকে রক্ষার উদ্দেশ্যে টিকা পাবে। ইতিমধ্যে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ হাজার টিকা এসে পৌঁছেছে; বাকিগুলো পর্যায়ক্রমে আনা হবে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ ৬৩টি ইপিআই কেন্দ্রে ২০ এপ্রিল থেকে আগামী ১০ মে পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত টিকাদান কার্যক্রম চলবে।

    উপজিলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শর্মী রায়ের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মেডিকেল অফিসার এম আর ফরাজী, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অচ্যুতানন্দ দাস, থানার প্রতিনিধি এসআই সুজয় কুমার মল্লিক, চিতলমারী প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ একরামুল হক মুন্সি, চিতলমারী উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সেলিম সুলতান সাগর ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ফার্মাসিস্ট শিশির মজুমদারসহ অন্যান্য অভিভাবক ও স্থানীয় প্রতিনিধিরা।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাদিজা আক্তার বলেন, ‘‘হাম-রুবেলা টিকা শিশুদের হাম ও রুবেলা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে। উপজেলা পর্যায়ে ছয় মাস থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে যারা সকল শিশু রয়েছে, তাদের বিনামূল্যে টিকা দেওয়া হবে। অভিভাবকদের সচেতনতার সঙ্গে তাদের শিশুদের নির্ধারিত সময়ে নিকটস্থ কেন্দ্রে নিয়ে এসে টিকাদানে অংশ নিতে অনুরোধ করি।’’

    স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে möglichst সকল শিশুকে টিকা দেয়ার চেষ্টা করা হবে যাতে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এবং মহামারীজনিত ঝুঁকি কমে। অভিভাবকদের মাঝে সময়মতো টিকা গ্রহণে গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।