Blog

  • সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ জনকে আজ হাজির করা হচ্ছে ট্রাইব্যুনালে

    সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ জনকে আজ হাজির করা হচ্ছে ট্রাইব্যুনালে

    জুলাই-আগস্টের গণহত্যার মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হচ্ছে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ আসামিকে। 

    আজ সোমবার সকালে কড়া নিরাপত্তায় তাদেরকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হবে। এদিকে গণহত্যার মামলার তদন্তের সময় বৃদ্ধির জন্য আবেদন জানাবে তদন্ত সংস্থা। সংস্থার পক্ষে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট এম তাজুল ইসলাম আজ এ আবেদন জানাবেন। বিচারপতি মো. গোলাম মূর্তজা মজুমদারের সভাপতিত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালে আবেদনের উপর শুনানি হবে। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

    ট্রাইব্যুনালে যাদেরকে হাজির করা হচ্ছে এরা হলেন: আনিসুল হক, ড. আব্দুর রাজ্জাক, শাজাহান খান, সালমান এফ রহমান, গোলাম দস্তগীর গাজী, কামাল আহমেদ মজুমদার, লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান, ড. দীপু মনি, রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু, জুনাইদ আহমেদ পলক, তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী (বীর বিক্রম), সাবেক বিচারপতি এইচ এম শামসুদ্দীন চৌধুরী মানিক ও সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিব জাহাঙ্গীর আলম।

    এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট এম তাজুল ইসলাম ইত্তেফাককে বলেন, গণহত্যার মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারিকৃতদের মধ্যে গ্রেফতার হওয়া ১৪ অভিযুক্তকে আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করার জন্য আদেশ রয়েছে। ঐ আদেশ মোতাবেক কারা কর্তৃপক্ষ তাদেরকে হাজির করবে। তিনি বলেন, গণহত্যার মামলা তদন্তের জন্য সময় দিয়েছিল ট্রাইব্যুনাল। যেহেতু তদন্ত শেষ হয়নি সেহেতু সময় বৃদ্ধির আবেদন দেওয়া হবে। কোটা সংস্কার ও সরকার পতনের আন্দোলন দমাতে নিরস্ত্র ছাত্র-জনতাকে সমূলে বা আংশিক নির্মূলের লক্ষ্যে হত্যা, গণহত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের মামলায় গত ১৭ অক্টোবর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সরকারের সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে ট্রাইব্যুনাল। ২৭ অক্টোবর পরোয়ানাভুক্তদের মধ্যে ২০ জনকে ট্রাইব্যুনালের মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। এদের মধ্যে ১৪ জনকে আজ এবং ছয় পুলিশ কর্মকর্তা সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন, বরখাস্ত মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, সাবেক ঢাকা জেলার এডিসি (এসপি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত ছিলেন) আব্দুল্লাহ হিল কাফী, সাবেক এডিসি আরাফাতুল ইসলাম, যাত্রাবাড়ী থানার সাবেক ওসি আবুল হাসান এবং গুলশান থানার সাবেক ওসি মাজহারুল ইসলামকে ২০ নভেম্বর ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ রয়েছে। এদিকে ২৭ অক্টোবর ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, র‍্যাবের সাবেক ডিজি হারুন-অর রশিদ, এসবির সাবেক প্রধান মনিরুল ইসলাম, ডিবির সাবেক প্রধান হারুনুর রশিদ, বিপ্লব কুমার সরকার, সাবেক এডিসি ইকবাল হোসেনসহ আরো ১৭ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করা হয়।

    তদন্ত সংস্থা ও প্রসিকিউশনের অভিযোগে যা বলা হয়েছে : কোটা সংস্কারের অহিংস আন্দোলন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সহিংস হয়ে উঠে। একই সঙ্গে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরস্ত্র ছাত্র-ছাত্রীদের ওপর নির্মমভাবে হামলা চালায়। এই হামলার ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকাসহ দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামে। সংঘর্ষ হয় ছাত্রলীগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে। ১৬ জুলাই রংপুরে পুলিশের গুলিতে শিক্ষার্থী আবু সাঈদসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আরও ছয় জন মারা যান। ফলে কোটা সংস্কার আন্দোলন সরকার পতনের আন্দোলনে রূপ নেয়। এই আন্দোলনে একসময় শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ যোগ দেয়। কমপ্লিট শাটডাউন, অসহযোগ আন্দোলন দমাতে জারি করা হয় কারফিউ। কিন্তু তাতে দমে যায়নি ছাত্র-জনতা। এই ছাত্র-জনতাকে সমূলে বা আংশিক নির্মূলের উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ নির্দেশনায় নির্বিচারে গুলি চালায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এর সঙ্গে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠন এবং ১৪ দলীয় জোটের ক্যাডার বাহিনী যোগ দেয়। এতে দেড় সহস্রাধিক ছাত্র-জনতাকে হত্যা করা হয়। আহত হয় ২৩ হাজারের অধিক শিক্ষার্থী ও জনতা। আহত অনেকে চিরতরে পঙ্গু ও দৃষ্টি শক্তি হারিয়েছেন।

    এর পরেও দমানো যায়নি আন্দোলনকারীদের। তারা ৫ আগস্ট গণভবনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। পদত্যাগ করে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পরেও পূর্ব নির্দেশনা অনুযায়ী ঐদিন গভীর রাত পর্যন্ত হত্যা, গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী এবং ১৪ দলীয় জোটের ক্যাডাররা। এসব অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে জুলাই-আগস্ট গণহত্যার মামলায়।

    প্রসঙ্গত গণঅভ্যুত্থানের মুখে গত ৫ আগস্ট দেশত্যাগ করেন শেখ হাসিনা। ৮ আগস্ট নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যাত্রা শুরু করে। এরপর ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, এমপি, বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে শত শত হত্যা মামলা দায়ের হয়। এর মধ্যে বেশ কিছু মামলায় গ্রেফতার হয়ে আগস্ট মাস থেকে কারাগারে আছেন ট্রাইব্যুনালের পরোয়ানাভুক্ত আসামিরা। অক্টোবর মাসে সরকার পুনর্গঠন করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। শেখ হাসিনাসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির মধ্য দিয়ে গত ১৭ অক্টোবর যাত্রা শুরু করে ট্রাইব্যুনাল। ইতিমধ্যে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রেড অ্যালার্ট জারি করতে ইন্টারপোলের কাছে চিঠি দিয়েছে চিফ প্রসিকিউটর।

  • দীপু মনির সুপারিশে মাউশিতে তিন হাজার পদায়ন

    দীপু মনির সুপারিশে মাউশিতে তিন হাজার পদায়ন

    সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির ইশারায় নিয়োগ পান প্রায় তিন হাজার ১৮৩ কর্মকর্তা-কর্মচারী। দীপু মনি সিন্ডিকেটের বলয়ে তারা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) চাকরি পান। এর জন্য উচ্চ মহলের সুপারিশসহ তাদের দিতে হয়েছে ৫ থেকে ১৫ লাখ টাকা। নিয়োগের জন্য যাচ্ছেতাইভাবে পরীক্ষা নেয়া হয় তাদের জন্য। দীপু মনির আমলে চার হাজার ১০৯ জনকে নিয়োগ দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। এখনো চাকরির অপেক্ষায় রয়েছেন ৬১০ জন।

    মাউশি’র এই নিয়োগ পুরোটা সামলেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনির ভাই ডা. জে আর ওয়াদুদ টিপু ও চাঁদপুর পুরান বাজার ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ রতন কুমার মজুমদার। অভিযোগ রয়েছে এই চক্রটির খাতা কলমে বৈধতা দেয়ার কাজ করে গেছেন মাউশি’র কলেজ ও প্রশাসন শাখার পরিচালক শাহেদুল খবির চৌধুরী, প্রশাসন শাখার উপ-পরিচালক বিপুল চন্দ্র বিশ্বাস। বর্তমানে এই দুই কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। টাকার বিনিময়ে নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তারা ২০২৩ সালে দু’দফায় (আগস্ট ও নভেম্বরে) যোগদান করেন।

    মাউশি’র একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীপু মনি শিক্ষার দায়িত্ব হাতে পাবার পরই গড়ে তোলেন সিন্ডিকেট। মাউশিতে নিয়ে আসেন পছন্দের লোকদের। জনপ্রশাসন থেকে নিয়োগের ছাড়পত্র এনে তার আমলে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করেন। এই চক্র এতটাই শক্তিশালী ছিল যে, কেউ প্রশ্ন করার সাহস পর্যন্ত ছিল না। পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন অনেকেই। পরীক্ষায় এমসিকিউ বাতিল করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ’র অধীনে লিখিত পরীক্ষা নেয়ার দাবি তোলা হয়েছিল। কিন্তু তা আমলেই নেয়া হয়নি। এমনকি ভাইবার আগেই এসব প্রার্থীদের দেয়া হয়েছিল চাকরির নিশ্চয়তা।

    সুপারিশের প্রেক্ষিতে চার হাজার ১০৯ জনকে নিয়োগ দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু নানা জটিলতায় আটকে যায় ৬১০ জনের পদায়ন। তবে তাদের পদায়নের জন্য চলতি বছরের জুনে ফল প্রকাশ করা হয়। কিন্তু ছাত্র-জনতার আন্দোলনের তোড়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। যার কারণে আটকে আছে তাদের নিয়োগ। নিয়ম অনুযায়ী দশম থেকে দ্বাদশ গ্রেড পর্যন্ত দ্বিতীয় শ্রেণির পদ, কিন্তু মাউশি’র নিয়োগবিধিতে এই পদগুলোকে তৃতীয় শ্রেণির দেখিয়ে শুধু এমসিকিউ পরীক্ষা নেয়া হয়। ২০২০ সালের অক্টোবরে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে ২৮টি ক্যাটাগরির বিভিন্ন পদের মধ্যে প্রদর্শক পদে ৫১৪টি, গবেষণা সহকারী (কলেজ) পদে ২১টি, সহকারী গ্রন্থাগারিক কাম ক্যাটালগার পদে ৬৯টি এবং ল্যাবরেটরি সহকারী পদে ৬টি পদ উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এসব পদের বিপরীতে পরীক্ষা ২০২১ সালের আগস্ট ও অক্টোবরে অনুষ্ঠিত হয়। পরিদর্শক পদের ফল অনিবার্যকারণবশত স্থগিত করা হয়েছিল। সেই পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয় ২০২৪ সালের এপ্রিলে। এতে প্রায় আট হাজার প্রার্থী উত্তীর্ণ হন। মে মাসে ভাইবা শেষে জুনে নির্বাচিতদের ফল প্রকাশ করা হয়। কিন্তু পরবর্তীতে পরিস্থিতির কারণে আটকে আছে এই ৬১০ জনের নিয়োগ। চাকরি পাওয়াদের মধ্যে রয়েছেন কম্পিউটার অপারেটর ৯ জন, উচ্চমান সহকারী ৮৫ জন, ক্যাশিয়ার ১১৯ জন, স্টোরকিপার ৫০ জন, হিসাব সহকারী ১০৬ জন, অফিস সহকারী ৫১৩ জন, মেকানিক ৩৩ জন, গাড়িচালক ১১ জন, বুক সর্টার ৪৬ জন, অফিস সহায়ক ১৭০৪ জন, নিরাপত্তা প্রহরী ২৪৭ জন, মালী ৯৭ জন, পরিচ্ছন্নকর্মী ১৬৩ জন। অন্যদিকে তালিকায় নিয়োগের অপেক্ষায় রয়েছেন প্রদর্শক পদে পদার্থবিদ্যায় ১০৯ জন, রসায়নে ১২০ জন, জীববিজ্ঞানে ৩১ জন, প্রাণিবিদ্যায় ১০৯ জন, উদ্ভিদবিদ্যায় ৯৬ জন, ভূগোলে ১৩ জন, মৃত্তিকায় ৫ জন, গণিতে ২২ জন, গার্হস্থ্য বিজ্ঞানে ৮ জন, কৃষিতে একজন, গবেষণা সহকারী (কলেজ) ২১ জন, সহকারী গ্রন্থাগারিক ৬৯ জন এবং ল্যাবরেটরি সহকারী ৬ জন।

    এই নিয়োগের বিষয়ে জানতে চাইলে মাউশি মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর এবিএম রেজাউল করীম বলেন, তালিকা ধরে নিয়োগের বিষয়টি আমার জানা নেই। আমি নিয়োগ প্রক্রিয়ার সময়ে দায়িত্বেও ছিলাম না। এটা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন। মন্ত্রণালয় থেকে কোনো নির্দেশনা দেয়া হলে সেটি বাস্তবায়ন করা হবে।

  • সপ্তাহে তিন দিন অনলাইন ক্লাস চালুর প্রস্তাব

    সপ্তাহে তিন দিন অনলাইন ক্লাস চালুর প্রস্তাব

    মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবের মধ্যে পড়াশোনার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সপ্তাহে তিন দিন অনলাইন ক্লাস নেওয়ার প্রস্তাব করেছে। ওই প্রস্তাব আগামী বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদে উপস্থাপন করা হবে বলে সোমবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিলে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন যে কোনো সময় জারি করতে পারে।

    প্রস্তাব অনুযায়ী সপ্তাহে মোট ছয় দিন ক্লাস হবে। এর মধ্যে তিন দিন শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ভিত্তিকভাবে সরাসরি উপস্থিত থেকে ক্লাস করবে এবং বাকি তিন দিন অনলাইনের মাধ্যমে পাঠদান চালানো হবে। অনলাইন দিন নির্ধারণে জোড়–বিজোড় তারিখ বা রোল নম্বরভিত্তিক পদ্ধতি অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, যাতে উপস্থিতি ও শ্রেণি পরিচালনা সুশৃঙ্খলভাবে করা যায়।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয় নির্দিষ্ট করেছে যে অনলাইন ক্লাসের দিনেও শিক্ষকরা সশরীরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উপস্থিত থেকে প্রতিষ্ঠান থেকেই ক্লাস পরিচালনা করবেন। বিজ্ঞানসহ ব্যবহারিক বিষয়ের ল্যাবের কক্ষগুলোর ক্লাস অবশ্যই অফলাইনে ল্যাবে সম্পন্ন করতে হবে।

    মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দীর্ঘ ছুটির ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে যে শিখন ঘাটতি তৈরি হয়েছে তা পুষিয়ে নেয়া ও পাঠদানের গতি ধরে রাখতেই সপ্তাহে ছয় দিন ক্লাসের এই পরিকল্পনা। একই সঙ্গে জ্বালানি সংকট ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের প্রেক্ষাপটে প্রতিদিন যাতায়াত কমাতে তিন দিন অনলাইন ক্লাস নেওয়ার সিদ্ধান্ত প্রস্তাব করা হয়েছে। আপাতত এটি পরীক্ষামূলকভাবে চালু করার কথা বলা হয়েছে।

    গত রোববার — রমজান, ঈদ ও বিশেষ ছুটির পরে প্রায়৪০ দিন পর— বিদ্যালয়-কলেজ খুললেও উপস্থিতি প্রথম দিন আশঙ্কাজনকভাবে কম দেখা যায়; বিশেষ করে ধানমন্ডি, গুলশান ও উত্তরা অঞ্চলের স্কুল-কলেজগুলোতে উপস্থিতি আরও কম ছিল। ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাজেদা খাতুন বলেন, জ্বালানি সংকটে অনেক অভিভাবক গাড়ি ব্যবহার করতে না পারায় আগেই স্কুলকে ছুটির কথা জানায়েছেন।

    ঈদের পর খুলে যাওয়ার পর পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার তিনধরনের বিকল্প পরিকল্পনা খতিয়ে দেখেছিল: একেবারে পূর্ণাঙ্গ অনলাইন ক্লাস, সরাসরি ও অনলাইন—উভয় মাধ্যমে হাইব্রিড পদ্ধতি, এবং দিন ভাগ করে সমন্বিত রুটিনে ক্লাস নেওয়া। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক বি এম হান্নান জানান, শিক্ষামন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে হাইব্রিড পদ্ধতিতে শিক্ষাক্রম পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    পরীক্ষামূলক এই পরিকল্পনা কার্যকর হলে তার বাস্তবচিত্র, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি এবং শিক্ষাদানের মান পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনীয় সমন্বয় করা হবে বলে মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে।

  • ইরাকে বাংলাদেশি হত্যা: অভিযুক্ত ইরাকি নাগরিককে যাবজ্জীবন

    ইরাকে বাংলাদেশি হত্যা: অভিযুক্ত ইরাকি নাগরিককে যাবজ্জীবন

    বাগদাদের একটি আদালত ইরাকে একজন বাংলাদেশি নাগরিককে নৃশংসভাবে হত্যার দায়ে অভিযুক্ত ইরাকি নাগরিককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে। ইরাকের বাংলাদেশ দূতাবাস মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) এক বার্তায় এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

    দূতাবাস জানিয়েছে, গত ১১ সেপ্টেম্বর কাজে কাজিমিয়া এলাকায় বাংলাদেশি নাগরিক আজাদ আলীকে নিহত করার অভিযোগে মুসা জাসিম নামের এক ইরাকি নাগরিককে অভিযুক্ত করা হয়। হত্যা সংক্রান্ত ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট থানা-আদালতে মামলা দায়ের ও প্রয়োজনীয় সকল আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।

    বাগদাদের ফৌজদারি আদালত গঠন করা সাক্ষ্য ও প্রমাণাদি পর্যবেক্ষণ করে গত ২৯ মার্চ অভিযুক্ত মুসা জাসিমের বিরুদ্ধে সম্পর্কিত অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়। পাশাপাশি, অভিযুক্তের পরিবারের কাছ থেকে আদায় করা ২৫ হাজার মার্কিন ডলার নিহত আজাদ আলীর পরিবারে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে দূতাবাস জানায়।

    দূতাবাসের বরাত দিয়ে খবরটি জানানো হলেও তদন্ত এবং বিচার প্রক্রিয়া সম্পর্কে প্রয়োজনীয় অন্যান্য তথ্য বিশ্বস্ত সূত্র থেকে পাওয়া না যাওয়া পর্যন্ত সংরক্ষিত আছে।

  • ৫ সিটি করপোরেশনে এনসিপি ঘোষণা করল মেয়র প্রার্থীদের নাম

    ৫ সিটি করপোরেশনে এনসিপি ঘোষণা করল মেয়র প্রার্থীদের নাম

    চব্বিশের জুলাই আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) দেশের পাঁচটি সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে।

    রোববার (২৯ মার্চ) রাতেই রাজধানীর বাংলামটরের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে দলটি প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করে। সংবাদ সম্মেলনে দলের আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এ তথ্য জানান।

    ঘোষিত তালিকায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া এবং ঢাকা উত্তর সিটিতে দলের ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। কুমিল্লা সিটিতে জাতীয় যুবশক্তির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম, সিলেটে মহানগর আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মো. আব্দুর রহমান আফজল এবং রাজশাহীতে দলের রাজশাহী মহানগরের আহ্বায়ক মো. মোবাশ্বের আলী মেয়র প্রার্থী হিসেবে নাম উঠেছে।

    এনসিপি জানায়, বাকি সাতটি সিটি করপোরেশনের প্রার্থী ঘোষণাও সম্ভবত এপ্রিলের মধ্যেই করা হবে।

    সংবাদ সম্মেলনে নাহিদ ইসলাম সরকারের বিরুদ্ধে স্থানীয় প্রশাসনকে দলীয়ভাবে নিয়ন্ত্রণ করার অভিযোগ তুলেছেন। তিনি বলেন, ‘সরকার বিভিন্ন সিটিতে প্রশাসক নিয়োগ করে প্রশাসনকে দলীয়করণ করেছে। প্রশাসকদের মধ্যে কেউ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবে না এবং কোনো দলীয় প্রতীকে নির্বাচন করা যাবে না’। এছাড়া তিনি আগামী ছয় মাসের মধ্যে সকল স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করার দাবি জানান।

    সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির মনোনীত পাঁচ মেয়র প্রার্থীর পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন দলের সদস্য সচিব আখতার হোসেন, কেন্দ্রীয় নেতা সারজিস আলম, আব্দুল হান্নান মাসউদসহ অনেকে।

    এনসিপির এই ঘোষণায় স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলের প্রস্তুতি ও মনোবল বাড়ার ইঙ্গিত মিলেছে, আর প্রতিদ্বন্দ্বীরা এখন লক্ষ্যমাত্রা সাজাচ্ছেন নির্বাচনী মাঠে নামার জন্য।

  • গণরায়ের বিরুদ্ধে গেলে মানুষই তাদের প্রত্যাখ্যান করবে: আসিফ মাহমুদ

    গণরায়ের বিরুদ্ধে গেলে মানুষই তাদের প্রত্যাখ্যান করবে: আসিফ মাহমুদ

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, গণরায় উপেক্ষা করে সরকার যদি অগ্রসর হতে চায়, তা জনগণ মেনে নেবে না — ইতিহাসেও এমনটা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) স্বাধীনতা দিবসে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে এসব কথা বলেন।

    আসিফ বলেন, ‘‘বাংলাদেশের ইতিহাসে অনেক সরকার ছিলেন যাদের ক্ষমতা দৃঢ়স্বভাবে মনে রাখা হয়, তবু যখনই তারা গণরায়ের বিপরীতে অবস্থান নিয়েছে, তারা ইতিহাসের পাতায় হারিয়ে গেছেন।’’

    তিনি আরও স্মরণ করান যে ১৯৭০ সালের নির্বাচনে জনগণের রায় সত্ত্বেও ক্ষমতা হস্তান্তর না করায় ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পথ প্রশস্ত হয়েছিল। তেমনি ১৯৯০ সালে স্বৈরাচ্যের বিরুদ্ধে গণআন্দোলনে যে পরিবর্তন এসেছে, তা থেকেও শিক্ষা নিতে হবে। দীর্ঘ ১৭ বছরের দমনপীড়নের পরও যদি কেউ জনগণের রায়ের বিরুদ্ধে শাসন কায়েমের চেষ্টা করে, তখনও সাধারণ মানুষের আন্দোলন সেটাকে নাকচ করেছে, উল্লেখ করেন তিনি।

    তিনি বলেন, ‘‘এখনও যদি গণরায় ও গণভোটের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করা হয় এবং তা উপেক্ষা করে সরকার এগিয়ে যেতে চায়, তাহলে জনগণ তা মেনে নেবে না।’’

    গণভোটে বিপুলসংখ্যক মানুষ ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছে উল্লেখ করে আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘‘এত রক্তের বিনিময়ে যে সংস্কার এবং নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন আমাদের শহীদের পরিবাররা, বাবা-মা ও আহত যোদ্ধারা দেখেছেন, সেটাই বাস্তবায়ন করতে হবে। যদি এই জনরায় বাস্তবায়ন না করা হয়, তাহলে দেশের যে প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দিয়েছেন, তারা রাস্তায় নামতে দ্বিধা করবে না।’’

    শেষে তিনি সবাইকে সংস্কারের পক্ষে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান: ‘‘আপনারা জনগণের পক্ষে আসুন, যাতে আমরা একসাথে সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারি। জনগণের বিপক্ষে গেলে আমাদের আবার স্বাধীনতা রক্ষার জন্য মাঠে নামতে হতে পারে।’’

    তার এই মন্তব্যগুলো স্বাধীনতা দিবসের ফলে দায়িত্ববোধ ও ইতিহাসের পাঠকে সামনে রেখে করা হয়েছে, যেখানে তিনি বর্তমান নেতৃত্বকে জনগণের মুল্যায়ন ও সিদ্ধান্তকে সম্মান করতে জোর দেন।

  • সিপিডি: রাজস্ব আহরণে দীর্ঘদিনের দুর্বলতা বাজেট বাস্তবায়নের প্রধান বাধা

    সিপিডি: রাজস্ব আহরণে দীর্ঘদিনের দুর্বলতা বাজেট বাস্তবায়নের প্রধান বাধা

    সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) মনে করে, রাজস্ব আহরণে দীর্ঘদিন ধরে দেখা দিচ্ছে দুর্বলতা যা দেশের বাজেট বাস্তবায়নে বড় বাধা হিসেবে কাজ করছে। নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী রাজস্ব আদায় না হলে উন্নয়ন খাতে বরাদ্দ এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিকল্পনায় চাপ আরও বৃদ্ধি পাবে।

    মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাজধানীর ধানমন্ডিতে এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম আয়োজিত ‘‘নতুন সরকারের প্রথম বাজেট নিয়ে ভাবনা’’ শীর্ষক আলোচনায় এসব মতামত জানানো হয়। অনুষ্ঠানটিতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।

    ড. দেবপ্রিয় বলেন, জ্বালানি আমদানি ব্যয় বাড়লে চলতি হিসাবের ঘাটতি বেড়ে যেতে পারে এবং বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এসব ঝুঁকি মাথায় রেখে বাজেট প্রণয়নে সতর্ক ও বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন আছে।

    তিনি আরও বলেন, রাজস্ব সংগ্রহে দীর্ঘমেয়াদি দুর্বলতা বাজেট বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেই বড় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। নির্ধারিত রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হলে উন্নয়ন ব্যয় কমানো বা পুনর্বিন্যাস করতে হতে পারে, যা উন্নয়ন কর্মসূচিকে স্তব্ধ করতে পারে।

    সিপিডিরfellো বলেন, পূর্ববর্তী ঋণের বোঝা ও চলমান জ্বালানিসংকটের প্রেক্ষাপটে নতুন করে ঋণ নিয়ে অর্থনীতি সচল রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে; একই সঙ্গে মূল্যস্ফীতি বাড়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা ও আমদানি ব্যয়ের বৃদ্ধিও দেশের সামষ্টিক অর্থনীতিতে নতুন চাপ সৃষ্টি করেছে। এই অবস্থায় নতুন সরকারের প্রথম বাজেটকে বাস্তবসম্মত ও সংস্কারভিত্তিক করা জরুরি।

    কর ব্যবস্থার বিষয়ে তিনি প্রস্তাব করেন, এখনো যাদের করের আওতায় আনেনি তাদের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। তবুও করের আওতা বাড়ানোর সময় সাধারণ মানুষের ওপর করের বোঝা বাড়বে না—এ দিকটিও নিশ্চিত করতে হবে।

    সরকারি ব্যাংক ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর আয় বৃদ্ধি করাও প্রয়োজন হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এসব প্রতিষ্ঠান যদি নিজস্ব আয় বাড়াতে ব্যর্থ হয়, তাহলে অবিরত ভর্তুকি দিয়ে তাদের চালিয়ে নেওয়ার যৌক্তিকতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে।

    সিপিডি’র বক্তব্য থেকে উঠে আসে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে রাজস্ব সংগ্রহ জোরদার, বাজেট বাস্তবসম্মত করা এবং কাঠামোগত সংস্কার গ্রহণ করাই সবচেয়ে জরুরি।

  • বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়লো, ৩০ মার্চ পর্যন্ত ৩৪.০৫ বিলিয়ন ডলার

    বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়লো, ৩০ মার্চ পর্যন্ত ৩৪.০৫ বিলিয়ন ডলার

    দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়েছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ৩০ মার্চ পর্যন্ত গ্রস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৪,০৫৭.৪৮ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৩৪.০৫ বিলিয়ন ডলার) — এ তথ্য সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানিয়েছেন।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) নির্ধারিত BPM6 পদ্ধতি অনুযায়ী রিজার্ভের পরিমাণ এখন ২৯,৩৫৯.০৭ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ২৯.৩৫ বিলিয়ন ডলার)। গত ২৯ মার্চের সঙ্গে তুলনায় গ্রস রিজার্ভ সামান্য বেড়েছে; তখন তা ছিল ৩৩.৯৯ বিলিয়ন ডলার এবং BPM6 পদ্ধতিতে ছিল ২৯.২৯ বিলিয়ন ডলার।

    আইএমএফের BPM6 পদ্ধতি অনুসারে নিট রিজার্ভ হিসাব করা হয়—মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদি দায় বাদ দিয়ে প্রকৃত রিজার্ভ নিরূপণ করা হয়। রিজার্ভ বাড়া সাধারণত আমদানি খরচ মেটানো, বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ এবং মুদ্রানীতি স্থিতিশীল রাখার সক্ষমতা বাড়ায়, বলে অর্থনীতিবিদরা মনে করেন।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই রিজার্ভ সম্পর্কিত তথ্য নিয়মিতভাবে আপডেট করে থাকে এবং সংশ্লিষ্ট অর্থনৈতিক অবস্থার সঙ্গে মিলিয়ে পর্যবেক্ষণ চালিয়ে যাচ্ছে।

  • প্রেস টিভি: যুক্তরাষ্ট্র স্থল অভিযান করলে ইরানে মোতায়েন হবে চেচেন যোদ্ধারা

    প্রেস টিভি: যুক্তরাষ্ট্র স্থল অভিযান করলে ইরানে মোতায়েন হবে চেচেন যোদ্ধারা

    ইরানে যদি যুক্তরাষ্ট্র স্থল অভিযান শুরু করে, তখন দেশটিতে নিজ সশস্ত্র বাহিনীকে সমর্থন দিতে মোতায়েন হতে প্রস্তুত রয়েছে রমজান কাদিরভের অনুগত চেচেন ইউনিটগুলো — এমন দাবি করেছে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভি।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাশিয়ার চেচেন প্রজাতন্ত্রের কাদিরভ অনুরাগী বাহিনীগুলো ইরানকে লক্ষ্য করে চলা মার্কিন-ইসরাইলি অভিযানে অংশগ্রহণকে ধর্মীয় লড়াই হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। তারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সরাসরি হস্তক্ষেপকে ‘জিহাদ’ হিসেবে উল্লেখ করে, ইরানকে রক্ষার উদ্দেশ্যে নিজেদের যোদ্ধাদের পাঠাতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

    চেচেন বাহিনীর বিবৃতি ও প্রতিক্রিয়াকে মাধ্যমিক সূত্র হিসেবে তুলে ধরে প্রেস টিভি বলেছে, এই ঘোষণা এমন এক পর্যায়ে এসেছে যখন ইরানের বিরুদ্ধে সংঘাত আরও তীব্র আকার ধারণ করছে। প্রতিবেদনে যোগ করা হয়েছে যে গত কয়েক সপ্তাহের বিমান অভিযানের পর মার্কিন বাহিনী স্থল অভিযান বিবেচনা করছে।

    রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে উত্তেজনা বাড়ে; ওই সময় তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে পরোক্ষ পারমাণবিক আলোচনা চলছিল বলে উল্লেখ করা হয়েছে। সেই পর্যায়েই ইসলামি বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি, কয়েকজন শীর্ষ কমান্ডার ও দক্ষিণ ইরানের মিনাব এলাকায় স্কুলসহ সাধারণ নাগরিকদের বিরুদ্ধে গণহত্যার ঘটনা ঘটেছে — প্রেস টিভির বরাতানুসারে ওই হামলায় ১৭০-এরও বেশি শিশুসহ বহু মানুষ নিহত হয়।

    প্রেস টিভি আরও দাবি করেছে, এর জবাবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী এ পর্যন্ত ৮৬টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা পরিচালনা করেছে; এগুলো ইসরাইলের সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনা এবং পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি ও সম্পদের বিরুদ্ধে লক্ষ্যভিত্তিক আঘাত ছিল।

    আরও বলা হয়েছে যে ইউক্রেনীয় বাহিনীর কোনো পর্যায়ের সমর্থন বা সম্পৃক্ততা সম্পর্কে প্রতিবেদনগুলো যুদ্ধকে আরও বিস্তার লাভের ঝুঁকিতে ফেলেছে এবং পরিস্থিতির সম্ভাব্য প্রভাব মস্কো-কিয়েভ সংঘাতের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ার আশংকা বাড়িয়েছে।

    উল্লেখ্য, এই বিবরণগুলো মূলত প্রেস টিভির প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে প্রকাশিত; স্বাধীন ও তৃতীয় পক্ষের যাচাই-বাছাই সব দাবিকে সমর্থন করে কি না, সে বিষয়ে আলাদা তথ্য নেই।

  • নিউইয়র্কে ময়লার ট্রাকচাপায় ১৯ বছর বয়সী বাংলাদেশি তরুণী নিশাত নিহত

    নিউইয়র্কে ময়লার ট্রাকচাপায় ১৯ বছর বয়সী বাংলাদেশি তরুণী নিশাত নিহত

    যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে রোববার রাত ভবঘুরে এক ট্রাকের ধাক্কায় বাংলাদেশি তরুণী নিশাত জান্নাত নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় রাত ১২টার দিকে উডসাইডে, জ্যাকসন হাইটসের কাছে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।

    পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনায় ব্যবহার করা ময়লার ট্রাকটি রুজভেল্ট অ্যাভিনিউ ধরে পশ্চিমমুখী ছিল। ৬২ স্ট্রিটের দিকে ডান দিকে মোড় নেওয়ার সময় ট্রাকটি নিশাতকে ধাক্কা দেয়। দ্রুত ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হলে জরুরি চিকিৎসা (ইএমএস) কর্মীরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    নিহত নিশাত জান্নাত ১৯ বছর বয়সী। তিনি নিউ ইয়র্ক সিটি কলেজে (City College of New York) অধ্যয়নরত ছিলেন এবং জ্যামাইকায় পারসন্স বুলেভার্ডের একটি পার্কিং গ্যারেজে রিসেপশনিস্ট হিসেবে কাজ করতেন।

    নিশাত দুই ছোট বোন—৪ ও ৯ বছরের—সাহিত্য রেখে গেছেন। তার বড় বোন নওশিন জান্নাত বলেন, “আমার বোন খুবই আশাবাদী ছিল। সবাইকে কথা বলত, সবসময় আল্লাহর ওপর ভরসা রাখতে বলত।”

    নিশাতের পরিবার সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার উত্তর ঘরগাঁওয়ের বাসিন্দা। তার পিতা হেলাল উদ্দিন উডসাইডে বায়তুল জান্নাহ মসজিদের ইমাম। তিনি জানান, আট বছর আগে পরিবারের সুন্দর ভবিষ্যৎ আশায় নিউ ইয়র্কে এসেছিলেন। তিনি আরও বলেন নিশাত সিটি কলেজে পড়াশোনার পাশাপাশি কাজ করছিল।

    হেলাল উদ্দিন জানান, মঙ্গলবার বাদ জোহর বায়তুল জান্নাহ মসজিদে নিশাতের জানাজা পড়ানো হবে এবং এরপর তাকে নিউইয়র্কেই দাফন করা হবে।

    ট্রাকটির চালক একজন ৩৮ বছর বয়সী নারী, যাকে ঘটনাস্থলে পাওয়া যায় এবং তিনি সামান্য আঘাত নিয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। নিউইয়র্ক পুলিশের হাইওয়ে ডিস্ট্রিক্টের কলিশন ইনভেস্টিগেশন স্কোয়াড ঘটনার তদন্ত করছে।

    ট্রাকের মালিক প্রতিষ্ঠান রয়্যাল ওয়েস্ট সার্ভিসেস একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা তদন্তে পুলিশকে সহযোগিতা করছে। প্রতিষ্ঠানটির মূল কোম্পানি ওয়েস্ট কানেকশন্সের এক মুখপাত্র বলেন, কুইন্সে ঘটে যাওয়া এই মর্মান্তিক ঘটনায় আমরা গভীরভাবে শোকাহত ও নিহতের পরিবার ও শোকসন্তপ্ত স্বজনদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা প্রকাশ করছি।

  • মৌমিতার মৃত্যু: ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি

    মৌমিতার মৃত্যু: ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ডিসিপ্লিনের মাস্টার্স শিক্ষার্থী মৌমিতা হালদারের সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর প্রতিবাদে সাধারণ ছাত্রদের উদ্যোগে ঢ্যাংচত্বরে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। আজ মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুর ১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের হাদী চত্বরে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা ঘটনাটির সত্যতা উদঘাটন এবং ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দোষীদের আইনের আওতায় আনার তীব্র দাবি জানান।

    মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা পাশাপাশি খুলনা শহরে লাইসেন্স ও ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল বন্ধ, বিশ্ববিদ্যালয়ের হল রোড দ্রুত সংস্কার, ভারী যানবাহল নিয়ন্ত্রণ ও গল্লামারী সেতুর নির্মাণ কাজ দ্রুত শেষ করারও দাবি তুলেছেন। ছাত্ররা বলেন, নিরাপদ সড়ক ও দ্রুত বিচার না হলে তাদের আন্দোলন জোরদার হবে।

    সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম। তিনি বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আমাদের সন্তানসন্তোষ্যের মতো। কোনো শিক্ষার্থীর এমন আকস্মিক মৃত্যু শিক্ষক ও সহপাঠীদের জন্য অত্যন্ত শোকের বিষয়। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের দ্রুত শাস্তির দাবি করা হবে।”

    উপাচার্য জানান, প্রধান ফটকের সামনের স্পিড ব্রেকার মেরামত নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস পাওয়া গেছে। গল্লামারী সেতু নির্মাণ কাজে গতিশীলতা আনার ব্যাপারেও প্রশাসনের সঙ্গে বারবার বৈঠক হয়েছে, তবে এখনও দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই; সর্বশেষ দুই মাসের মধ্যে কাজের একটি অংশ শেষ করার প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, হল রোডের বেহাল অবস্থার বিষয়ে কেডিএ ও জেলা প্রশাসনকে mehrfach জানানো হয়েছে, তবু কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি — এসব সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্টদের আরও সক্রিয় হতে হবে।

    ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ নূরুন্নবী মানববন্ধনে বলেন, জেলা পরিষদ ভবনের সামনে সংঘটিত দুর্ঘটনা শংকাজনক, কারণ সেখানে সাধারণত যানবহরের চাপ কম থাকে; সেখানেই কীভাবে এ রকম ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখা জরুরি। তিনি সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের দাবি করেন।

    মানববন্ধনে ট্রেজারার, আইন স্কুলের ভারপ্রাপ্ত ডিন প্রফেসর শেখ মাহমুদুল হাসান, ছাত্র বিষয়ক পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ নাজমুস সাদাত, আইন ডিসিপ্লিনের প্রধান পুনম চক্রবর্তী, সহকারী অধ্যাপক তানিয়া সুলতানাসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। শিক্ষার্থীদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন মোঃ রেজোয়ানুল হক রাদ, তৌকির জোয়ার্দার, মেহরাব হোসেন রাকিব, মারুফ ও মুরছালীন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মাহবুবুর রহমান আকাশ।

    উল্লেখ্য, আজ সকাল সাড়ে ১০টায় ডুমুরিয়ার চুকনগরে মৌমিতা হালদারের অন্তেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হয়। গত সোমবার সন্ধ্যায় নগরীর জেলা পরিষদ ভবনের সামনে একটি প্রাইভেট কারের ধাক্কায় রিকশা থেকে পড়ে তিনি গুরুতরভাবে আহত হন এবং অপরপরে মারা যান। মৌমিতা আইন ডিসিপ্লিনের ২০২১ ব্যাচের শিক্ষার্থী; তিনি স্নাতক সম্পন্ন করে বর্তমানে মাস্টার্সে অধ্যয়নরত ছিলেন।

  • খুলনায় চলন্ত অ্যাম্বুলেন্সে অগ্নিকাণ্ড, প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষতি

    খুলনায় চলন্ত অ্যাম্বুলেন্সে অগ্নিকাণ্ড, প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষতি

    খুলনার শিববাড়ি মোড়ে মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে চলন্ত একটি অ্যাম্বুলেন্সে আগুন লেগে গাড়িটি সম্পূর্ণভাবে পুড়ে গেছে। ঘটনায় কোনো রোগী ছিলেন না; অ্যাম্বুলেন্সটিতে একাই ছিলেন চালক মোল্লা সোহাগ।

    চালক মোল্লা সোহাগ ঘটনাস্থল থেকেই জানান, ‘‘আদ-দ্বীন হাসপাতাল থেকে ময়লাপোতা মোড় হয়ে অফিস যাওয়ার পথে শিববাড়ি মোড়ে গাড়িটি হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়। বামে তাকালে গাড়ির পেছন থেকে তাপবৃদ্ধি অনুভব করি, তারপর মাথার দিকে আগুনের তাপ আসে। দ্রুত গাড়ি থেকে নেমে যাই; পেছনের অংশ থেকে কিছু চুল পুড়ে যায়, কিন্তু কোনো গুরুতর আঘাত হয়নি। এরপর অফিসকে ফোন করে জানালে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়া হয়।’’

    খবর পেয়ে খুলনা ফায়ার সার্ভিস দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় ৫–১০ মিনিটের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। সিনিয়র স্টেশন অফিসার আরিফ উল হক বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ইঞ্জিনে ওভারহিট হওয়ার কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে এবং গাড়িটি চলাচলের সময় ভিতর থেকে গ্রাস করে আগুন ছড়ায়।

    আদ-দ্বীন হাসপাতালের ম্যানেজার মো. হোসেন বলেন, অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঘটনার সঠিক কারণ নিশ্চিতভাবে জানার জন্য তদন্ত চলছে।

    এই অগ্নিকাণ্ডে বড় কোনো মানবিক ক্ষতি এড়াতে পেরে স্থানীয়রা এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ স্বস্তি ব্যক্ত করেছেন। ফায়ার সার্ভিস ও সংশ্লিষ্টরা আরও বিস্তারিত তদন্ত করে প্রকৃত কারণ নির্ণয় করবেন।