Blog

  • সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ জনকে আজ হাজির করা হচ্ছে ট্রাইব্যুনালে

    সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ জনকে আজ হাজির করা হচ্ছে ট্রাইব্যুনালে

    জুলাই-আগস্টের গণহত্যার মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হচ্ছে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ আসামিকে। 

    আজ সোমবার সকালে কড়া নিরাপত্তায় তাদেরকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হবে। এদিকে গণহত্যার মামলার তদন্তের সময় বৃদ্ধির জন্য আবেদন জানাবে তদন্ত সংস্থা। সংস্থার পক্ষে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট এম তাজুল ইসলাম আজ এ আবেদন জানাবেন। বিচারপতি মো. গোলাম মূর্তজা মজুমদারের সভাপতিত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালে আবেদনের উপর শুনানি হবে। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

    ট্রাইব্যুনালে যাদেরকে হাজির করা হচ্ছে এরা হলেন: আনিসুল হক, ড. আব্দুর রাজ্জাক, শাজাহান খান, সালমান এফ রহমান, গোলাম দস্তগীর গাজী, কামাল আহমেদ মজুমদার, লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান, ড. দীপু মনি, রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু, জুনাইদ আহমেদ পলক, তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী (বীর বিক্রম), সাবেক বিচারপতি এইচ এম শামসুদ্দীন চৌধুরী মানিক ও সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিব জাহাঙ্গীর আলম।

    এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট এম তাজুল ইসলাম ইত্তেফাককে বলেন, গণহত্যার মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারিকৃতদের মধ্যে গ্রেফতার হওয়া ১৪ অভিযুক্তকে আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করার জন্য আদেশ রয়েছে। ঐ আদেশ মোতাবেক কারা কর্তৃপক্ষ তাদেরকে হাজির করবে। তিনি বলেন, গণহত্যার মামলা তদন্তের জন্য সময় দিয়েছিল ট্রাইব্যুনাল। যেহেতু তদন্ত শেষ হয়নি সেহেতু সময় বৃদ্ধির আবেদন দেওয়া হবে। কোটা সংস্কার ও সরকার পতনের আন্দোলন দমাতে নিরস্ত্র ছাত্র-জনতাকে সমূলে বা আংশিক নির্মূলের লক্ষ্যে হত্যা, গণহত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের মামলায় গত ১৭ অক্টোবর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সরকারের সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে ট্রাইব্যুনাল। ২৭ অক্টোবর পরোয়ানাভুক্তদের মধ্যে ২০ জনকে ট্রাইব্যুনালের মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। এদের মধ্যে ১৪ জনকে আজ এবং ছয় পুলিশ কর্মকর্তা সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন, বরখাস্ত মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, সাবেক ঢাকা জেলার এডিসি (এসপি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত ছিলেন) আব্দুল্লাহ হিল কাফী, সাবেক এডিসি আরাফাতুল ইসলাম, যাত্রাবাড়ী থানার সাবেক ওসি আবুল হাসান এবং গুলশান থানার সাবেক ওসি মাজহারুল ইসলামকে ২০ নভেম্বর ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ রয়েছে। এদিকে ২৭ অক্টোবর ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, র‍্যাবের সাবেক ডিজি হারুন-অর রশিদ, এসবির সাবেক প্রধান মনিরুল ইসলাম, ডিবির সাবেক প্রধান হারুনুর রশিদ, বিপ্লব কুমার সরকার, সাবেক এডিসি ইকবাল হোসেনসহ আরো ১৭ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করা হয়।

    তদন্ত সংস্থা ও প্রসিকিউশনের অভিযোগে যা বলা হয়েছে : কোটা সংস্কারের অহিংস আন্দোলন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সহিংস হয়ে উঠে। একই সঙ্গে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরস্ত্র ছাত্র-ছাত্রীদের ওপর নির্মমভাবে হামলা চালায়। এই হামলার ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকাসহ দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামে। সংঘর্ষ হয় ছাত্রলীগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে। ১৬ জুলাই রংপুরে পুলিশের গুলিতে শিক্ষার্থী আবু সাঈদসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আরও ছয় জন মারা যান। ফলে কোটা সংস্কার আন্দোলন সরকার পতনের আন্দোলনে রূপ নেয়। এই আন্দোলনে একসময় শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ যোগ দেয়। কমপ্লিট শাটডাউন, অসহযোগ আন্দোলন দমাতে জারি করা হয় কারফিউ। কিন্তু তাতে দমে যায়নি ছাত্র-জনতা। এই ছাত্র-জনতাকে সমূলে বা আংশিক নির্মূলের উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ নির্দেশনায় নির্বিচারে গুলি চালায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এর সঙ্গে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠন এবং ১৪ দলীয় জোটের ক্যাডার বাহিনী যোগ দেয়। এতে দেড় সহস্রাধিক ছাত্র-জনতাকে হত্যা করা হয়। আহত হয় ২৩ হাজারের অধিক শিক্ষার্থী ও জনতা। আহত অনেকে চিরতরে পঙ্গু ও দৃষ্টি শক্তি হারিয়েছেন।

    এর পরেও দমানো যায়নি আন্দোলনকারীদের। তারা ৫ আগস্ট গণভবনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। পদত্যাগ করে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পরেও পূর্ব নির্দেশনা অনুযায়ী ঐদিন গভীর রাত পর্যন্ত হত্যা, গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী এবং ১৪ দলীয় জোটের ক্যাডাররা। এসব অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে জুলাই-আগস্ট গণহত্যার মামলায়।

    প্রসঙ্গত গণঅভ্যুত্থানের মুখে গত ৫ আগস্ট দেশত্যাগ করেন শেখ হাসিনা। ৮ আগস্ট নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যাত্রা শুরু করে। এরপর ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, এমপি, বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে শত শত হত্যা মামলা দায়ের হয়। এর মধ্যে বেশ কিছু মামলায় গ্রেফতার হয়ে আগস্ট মাস থেকে কারাগারে আছেন ট্রাইব্যুনালের পরোয়ানাভুক্ত আসামিরা। অক্টোবর মাসে সরকার পুনর্গঠন করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। শেখ হাসিনাসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির মধ্য দিয়ে গত ১৭ অক্টোবর যাত্রা শুরু করে ট্রাইব্যুনাল। ইতিমধ্যে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রেড অ্যালার্ট জারি করতে ইন্টারপোলের কাছে চিঠি দিয়েছে চিফ প্রসিকিউটর।

  • দীপু মনির সুপারিশে মাউশিতে তিন হাজার পদায়ন

    দীপু মনির সুপারিশে মাউশিতে তিন হাজার পদায়ন

    সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির ইশারায় নিয়োগ পান প্রায় তিন হাজার ১৮৩ কর্মকর্তা-কর্মচারী। দীপু মনি সিন্ডিকেটের বলয়ে তারা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) চাকরি পান। এর জন্য উচ্চ মহলের সুপারিশসহ তাদের দিতে হয়েছে ৫ থেকে ১৫ লাখ টাকা। নিয়োগের জন্য যাচ্ছেতাইভাবে পরীক্ষা নেয়া হয় তাদের জন্য। দীপু মনির আমলে চার হাজার ১০৯ জনকে নিয়োগ দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। এখনো চাকরির অপেক্ষায় রয়েছেন ৬১০ জন।

    মাউশি’র এই নিয়োগ পুরোটা সামলেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনির ভাই ডা. জে আর ওয়াদুদ টিপু ও চাঁদপুর পুরান বাজার ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ রতন কুমার মজুমদার। অভিযোগ রয়েছে এই চক্রটির খাতা কলমে বৈধতা দেয়ার কাজ করে গেছেন মাউশি’র কলেজ ও প্রশাসন শাখার পরিচালক শাহেদুল খবির চৌধুরী, প্রশাসন শাখার উপ-পরিচালক বিপুল চন্দ্র বিশ্বাস। বর্তমানে এই দুই কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। টাকার বিনিময়ে নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তারা ২০২৩ সালে দু’দফায় (আগস্ট ও নভেম্বরে) যোগদান করেন।

    মাউশি’র একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীপু মনি শিক্ষার দায়িত্ব হাতে পাবার পরই গড়ে তোলেন সিন্ডিকেট। মাউশিতে নিয়ে আসেন পছন্দের লোকদের। জনপ্রশাসন থেকে নিয়োগের ছাড়পত্র এনে তার আমলে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করেন। এই চক্র এতটাই শক্তিশালী ছিল যে, কেউ প্রশ্ন করার সাহস পর্যন্ত ছিল না। পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন অনেকেই। পরীক্ষায় এমসিকিউ বাতিল করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ’র অধীনে লিখিত পরীক্ষা নেয়ার দাবি তোলা হয়েছিল। কিন্তু তা আমলেই নেয়া হয়নি। এমনকি ভাইবার আগেই এসব প্রার্থীদের দেয়া হয়েছিল চাকরির নিশ্চয়তা।

    সুপারিশের প্রেক্ষিতে চার হাজার ১০৯ জনকে নিয়োগ দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু নানা জটিলতায় আটকে যায় ৬১০ জনের পদায়ন। তবে তাদের পদায়নের জন্য চলতি বছরের জুনে ফল প্রকাশ করা হয়। কিন্তু ছাত্র-জনতার আন্দোলনের তোড়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। যার কারণে আটকে আছে তাদের নিয়োগ। নিয়ম অনুযায়ী দশম থেকে দ্বাদশ গ্রেড পর্যন্ত দ্বিতীয় শ্রেণির পদ, কিন্তু মাউশি’র নিয়োগবিধিতে এই পদগুলোকে তৃতীয় শ্রেণির দেখিয়ে শুধু এমসিকিউ পরীক্ষা নেয়া হয়। ২০২০ সালের অক্টোবরে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে ২৮টি ক্যাটাগরির বিভিন্ন পদের মধ্যে প্রদর্শক পদে ৫১৪টি, গবেষণা সহকারী (কলেজ) পদে ২১টি, সহকারী গ্রন্থাগারিক কাম ক্যাটালগার পদে ৬৯টি এবং ল্যাবরেটরি সহকারী পদে ৬টি পদ উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এসব পদের বিপরীতে পরীক্ষা ২০২১ সালের আগস্ট ও অক্টোবরে অনুষ্ঠিত হয়। পরিদর্শক পদের ফল অনিবার্যকারণবশত স্থগিত করা হয়েছিল। সেই পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয় ২০২৪ সালের এপ্রিলে। এতে প্রায় আট হাজার প্রার্থী উত্তীর্ণ হন। মে মাসে ভাইবা শেষে জুনে নির্বাচিতদের ফল প্রকাশ করা হয়। কিন্তু পরবর্তীতে পরিস্থিতির কারণে আটকে আছে এই ৬১০ জনের নিয়োগ। চাকরি পাওয়াদের মধ্যে রয়েছেন কম্পিউটার অপারেটর ৯ জন, উচ্চমান সহকারী ৮৫ জন, ক্যাশিয়ার ১১৯ জন, স্টোরকিপার ৫০ জন, হিসাব সহকারী ১০৬ জন, অফিস সহকারী ৫১৩ জন, মেকানিক ৩৩ জন, গাড়িচালক ১১ জন, বুক সর্টার ৪৬ জন, অফিস সহায়ক ১৭০৪ জন, নিরাপত্তা প্রহরী ২৪৭ জন, মালী ৯৭ জন, পরিচ্ছন্নকর্মী ১৬৩ জন। অন্যদিকে তালিকায় নিয়োগের অপেক্ষায় রয়েছেন প্রদর্শক পদে পদার্থবিদ্যায় ১০৯ জন, রসায়নে ১২০ জন, জীববিজ্ঞানে ৩১ জন, প্রাণিবিদ্যায় ১০৯ জন, উদ্ভিদবিদ্যায় ৯৬ জন, ভূগোলে ১৩ জন, মৃত্তিকায় ৫ জন, গণিতে ২২ জন, গার্হস্থ্য বিজ্ঞানে ৮ জন, কৃষিতে একজন, গবেষণা সহকারী (কলেজ) ২১ জন, সহকারী গ্রন্থাগারিক ৬৯ জন এবং ল্যাবরেটরি সহকারী ৬ জন।

    এই নিয়োগের বিষয়ে জানতে চাইলে মাউশি মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর এবিএম রেজাউল করীম বলেন, তালিকা ধরে নিয়োগের বিষয়টি আমার জানা নেই। আমি নিয়োগ প্রক্রিয়ার সময়ে দায়িত্বেও ছিলাম না। এটা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন। মন্ত্রণালয় থেকে কোনো নির্দেশনা দেয়া হলে সেটি বাস্তবায়ন করা হবে।

  • ইরাকে সমর্থনের জন্য জনগণকে ধন্যবাদ জানালেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি

    ইরাকে সমর্থনের জন্য জনগণকে ধন্যবাদ জানালেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি

    লিখিত এক বার্তায় ইরাকের জনগণকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সমর্থন জানানোর জন্য ধন্যবাদ দিয়েছেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি।

    ইরানি সরকারি ও বেসরকারি গণমাধ্যম রোববার (২৯ মার্চ) এ তথ্য জানিয়েছে; এ প্রতিবেদনে ব্যবহার করা সূত্র হিসেবে এএফপিকে উদ্ধৃত করে এনডিটিভি কেও দেখানো হয়েছে।

    খামেনির প্রকাশ্যে না থাকার কারণে তার শারীরিক অবস্থা ও অবস্থান সম্পর্কে তীব্র জল্পনা গেল সপ্তাহ থেকে বজায় আছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ও কয়েকজন কর্মকর্তা ইঙ্গিত দিয়েছেন যে তিনি বিমান হামলায় আহত হয়েছিলেন, তবে বর্তমানে তিনি ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন। এ খবর পুরোপুরি স্বতন্ত্রভাবে যাচাই করা যায়নি।

    ইরানের সংবাদ সংস্থা আইএসএনএ জানিয়েছে, খামেনি ইরানের বিরুদ্ধে আগ্রাসনের মোকাবিলায় স্পষ্ট অবস্থান নেয়া এবং তেহরানের প্রতি সমর্থন জানানোর জন্য ইরাকের সর্বোচ্চ ধর্মীয় কর্তৃপক্ষ ও সাধারণ জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। সংবাদটিতে বিশেষভাবে গ্র্যান্ড আয়াতুল্লাহ আলী সিস্তানির নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

    আইএসএনএ বলেছে, এই বার্তাটি প্রকাশের আগে বাগদাদের সাম্প্রতিক একটি বৈঠকে শিয়া দল ইসলামিক সুপ্রিম কাউন্সিল অব ইরাক এবং ইরানের বাগদাদে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূতের মধ্যে আলোচনাও হয়েছিল। তবে বার্তাটি কীভাবে পাঠানো হয় বা বিতর্কিত অনুপস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত কোনো তথ্য শেয়ার করা হয়নি।

  • কুয়েতে বিদ্যুৎকেন্দ্র ও পানিশোধনাগারে হামলার অভিযোগ, এক ভারতীয় নিহত

    কুয়েতে বিদ্যুৎকেন্দ্র ও পানিশোধনাগারে হামলার অভিযোগ, এক ভারতীয় নিহত

    কুয়েতের একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও তৎসংশ্লিষ্ট পানিশোধনাগারে হামলার দায় কেড়ে নিয়েছে কুয়েতি কর্তৃপক্ষ — তাদের বরাতেই জানানো হয়েছে যে হারানো প্রাণের মধ্যে একজন ভারতীয় কর্মী রয়েছেন এবং স্থাপনার একটি ভবন ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কুয়েতের বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয় সোমবার এক বিবৃতিতে বলেছে, এটি ইরানি আগ্রাসনের অংশ হিসেবে ধরা হচ্ছে।

    বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হামলার সঙ্গে সঙ্গে প্রাতিষ্ঠানিক টেকনিক্যাল ও জরুরি সাড়া দল ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ওই টিমগুলো কেন্দ্রের কার্যক্রম পুনরায় সচল রাখতে এবং অতিরিক্ত ক্ষতি রোধে কাজ করছে।

    আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান এখনো ঘটনার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেনি। তবে ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত কিছু গণমাধ্যম কুয়েতি মন্ত্রণালয়ের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, পানিশোধনাগারটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে — এইসব তথ্য উত্তেজনা আরও বাড়িয়েছে।

    কুয়েতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও সূত্র অনুযায়ী জানিয়েছে, রবিবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় তাদের আকাশে ১৪টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ১২টি ড্রোন শনাক্ত করা হয়েছিল; এসবের কিছু একটি সামরিক শিবিরে আঘাত করায় ১০ জন সেনা আহত হয়েছেন এবং তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    নির্দিষ্টভাবে কে দায়ী, তা এখনই নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না — কুয়েতি কর্তৃপক্ষের দাবি এবং আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টগুলো অনুসারে ঘটনার তদন্ত ও পরিস্থিতি মোকাবিলায় কাজ চলছে। সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়ার প্রেক্ষাপটে কুয়েতেও সামরিক ও অবকাঠামোগত হামলার ঘটনা ঘনীভূত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে, যা নিয়ে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

  • খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যের সঙ্গে ঈদ-পরবর্তী একাডেমিক ও প্রশাসনিক মতবিনিময়

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যের সঙ্গে ঈদ-পরবর্তী একাডেমিক ও প্রশাসনিক মতবিনিময়

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম ঈদ-পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময় ও পারোয়াজিত বিষয়ে আলোচনা করতে একাডেমিক ও প্রশাসনিক প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন। সভাটি সোমবার, ৩০ মার্চ বেলা ১১টায় প্রশাসনিক ভবনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

    সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন, একাডেমিক কার্যক্রমের গতিশীলতা বৃদ্ধি এবং প্রশাসনিক শৃঙ্খলা জোরদারের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট নিরসন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে উন্নয়ন কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা প্রয়োজনীয় তাগিদ দেওয়া হয়।

    সভায় বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মোঃ আব্দুল-আওয়ালকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এসডিজি সংক্রান্ত মুখ্য সমন্বয়ক পদে নিয়োগ পাওয়ার জন্য গান্ধর্ব অভিনন্দন জানানো হয়। এছাড়া প্রথম বর্ষের ভর্তি কার্যক্রমে মাইগ্রেশন প্রক্রিয়া, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য সরকারের ১১ দফা নির্দেশনা বাস্তবায়নসহ একাডেমিক ও প্রশাসনিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা চলে।

    উপাচার্য সভায় জানান, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়কে নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছে দিতে সকলকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। শিক্ষার্থীদের আবাসন সমস্যার সমাধানে প্রায় ৭০০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প বর্তমানে সবুজ পাতায় যাওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছে, যা বাস্তবায়িত হলে আবাসন ব্যবস্থা নাটকীয়ভাবে উন্নত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। উন্নয়ন কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখতে আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়ে বলেন যে, বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) এর সঙ্গে আলোচনা চলমান রয়েছে।

    উপাচার্য সরকারের নির্দেশনার আলোকে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত অফিস সময় মেনে চলা ও জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বানও জানান। তিনি কর্মানুষ্ঠান ও শৃঙ্খলা জোরদারের মাধ্যমে একাডেমিক কার্যক্রমের মান ও গতি বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।

    সভায় উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুনর রশীদ খান ও ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ নূরুন্নবী বক্তব্য রাখেন। এ সময় বিভিন্ন স্কুলের ডিন, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার, ডিসিপ্লিন প্রধান, ছাত্র বিষয়ক পরিচালক, প্রভোস্ট, ভারপ্রাপ্ত গ্রন্থাগারিক এবং বিভিন্ন দপ্তরের পরিচালক ও বিভাগীয় প্রধানরা উপস্থিত থেকে মতামত ও সুপারিশ তুলে ধরেন।

    সভা শেষে উপস্থিতরা মিলিতভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রগতির জন্য সমন্বয় ও দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন এবং ভবিষ্যতে নিয়মিত অগ্রগতি পর্যালোচনার সীমা নির্ধারণ করার প্রস্তাব করেন।

  • খুলনাকে পরিচ্ছন্ন ও সবুজ শহরে পরিণত করতে হবে: কেসিসি প্রশাসক

    খুলনাকে পরিচ্ছন্ন ও সবুজ শহরে পরিণত করতে হবে: কেসিসি প্রশাসক

    খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, খুলনা শহরকে পরিচ্ছন্ন ও সবুজ পরিবেশে পরিণত করতে হবে। পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা না হলে মশা ও মশাবাহিত রোগের সমস্যা বাড়বে—এই চিন্তা থেকেই তারা কাজ শুরু করেছেন। তিনি জানান, বিভিন্ন ওয়ার্ড পরিদর্শন করে পরিচ্ছন্নতার পথে বাধা সৃষ্টি করছে এমন বিষয়গুলো সনাক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এসব বাধা দূর করা ছাড়া জলাবদ্ধতার সমস্যা সমাধান অসম্ভব হবে।

    কেসিসি প্রশাসক রোববার বিকেলে নগর ভবনের জিআইজেড মিলনায়তনে ‘‘খুলনা সিটি কর্পোরেশনে পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণে স্বেচ্ছাসেবিতা’’ শীর্ষক সভায় এসব কথা বলেন। খুলনা পরিবেশ সুরক্ষা মঞ্চ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত ধারণাপত্রটি তৈরি করেছে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেস্ট্রি এন্ড উড টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ড. মোঃ ওয়াসিউল ইসলাম পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে ওই ধারণাপত্র উপস্থাপন করেন।

    সভায় বলা হয় পানি, বাতাস, শব্দ ও পলিথিন দূষণসহ পরিবেশগত দূষণের সঙ্গে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সরাসরি জড়িত। বিশেষ করে পলিথিন ড্রেন ও নালায় আটকে গেলে বর্ষায় জলাবদ্ধতা তৈরি হয়। মহানগরীর সংলগ্ন ২২টি খাল থাকলেও দখলবিড়ম্বনা ও নানা কারণে নিষ্কাশন কার্যক্রম সম্পূর্ণ কার্যকর হচ্ছে না।

    স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করতে জনসচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি উল্লেখ করে সভায় প্রস্তাব করা হয়—কালচারাল প্রোগ্রামের মাধ্যমে পরিবেশগত সচেতনতা তৈরী, শিক্ষক ও ইমামদের সাহায্যে সামাজিক ও পরিবেশগত শিক্ষা দেওয়া এবং ব্যাপকভাবে ভলান্টিয়ার নিয়োগ করা। নাগরিকদের আচরণগত পরিবর্তনেও দূষণ অনেকাংশে কমানো সম্ভব হবে। ধারণাপত্রটি বাস্তবায়নের জন্য ২৭নং ওয়ার্ডকে পাইলট ওয়ার্ড হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।

    কেসিসি প্রশাসক আরও জানান, চলতি বছরে সারাদেশে ব্যাপক বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে; খুলনাকেও সবুজায়নে গুরুত্বক দিয়ে ব্যাপকভাবে বৃক্ষরোপণ করা হবে। শিগগিরই ‘কেমন খুলনা চাই’ বিষয়ক কর্মশালা/আলোচনা আয়োজন করে নাগরিক প্রতিনিধি, শিক্ষক ও ব্যবসায়ীদের মতামত গ্রহণ করে বাস্তবায়ন শুরু করা হবে। খুলনা পরিবেশ সুরক্ষা মঞ্চের যে কোনো উদ্যোগে কেসিসি সহযোগিতা করবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    সভায় খুলনা পরিবেশ সুরক্ষা মঞ্চের সভাপতি এডভোকেট কুদরত-ই-খুদা, ট্রেজারার অজান্তা দাস, সদস্য এস কে এম তাছাদুজ্জামান, এডভোকেট জাহাঙ্গীর সিদ্দিকী, খলিলুর রহমান সুমন, নাগরিক নেতা শাহিন জামান পন, উন্নয়ন কর্মী এম নাজমুল আজম ডেভিড, পরিবেশ কর্মী শরিফুল ইসলাম সেলিম, পরিবর্তন-খুলনার সমন্বয়কারী শাহালা হাবিবি সহ কেসিসি’র কনজারভেন্সি অফিসার প্রকৌশলী মোঃ আনিসুর রহমান, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোল্লা মারুফ রশীদ, সিনিয়র লাইসেন্স অফিসার মোঃ মনিরুজ্জামান রহিম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন।

  • পিএসএলে সরফরাজ ও ওয়াহাবের ফ্র্যাঞ্চাইজি দায়িত্ব নিষিদ্ধ করল পিসিবি

    পিএসএলে সরফরাজ ও ওয়াহাবের ফ্র্যাঞ্চাইজি দায়িত্ব নিষিদ্ধ করল পিসিবি

    পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) স্বার্থ সংঘাত এড়াতে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়ে ঘোষণা করেছে যে ওয়াহাব রিয়াজ ও সরফরাজ আহমেদ পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল)–এ কোনো ধরণের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না। এই নির্দেশের ফলে তাঁদের কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্সের সঙ্গে যে কোনো অফিসিয়াল সম্পৃক্ততা স্থগিত রাখা হয়েছে।

    পিসিবি জানিয়েছে সিদ্ধান্তটি নিয়েছে স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং দ্বৈত দায়িত্ব থেকে সৃষ্ট সম্ভাব্য স্বার্থ সংঘাত রোধ করার উদ্দেশ্যেই। বোর্ডের ভিতরে ও বাইরে থেকেই অভিযোগ উঠছিল যে একই ব্যক্তি যদি বোর্ডে দায়িত্ব পালন করে এবং একই সঙ্গে কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজির সঙ্গে যুক্ত থাকে, তাহলে সিদ্ধান্ত গ্রহণে নিরপেক্ষতা প্রভাবিত হতে পারে। এসব উদ্বেগের প্রেক্ষিতে বোর্ড কড়া অবস্থান গ্রহণ করেছে।

    আগে কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্সের দল ব্যবস্থাপনায় ওয়াহাব রিয়াজ ও সরফরাজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতেন। পিসিবির নতুন নির্দেশনায় তাদেরকে ওই ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্ষেত্রে থেকে সরে দাঁড়াতে বলা হয়েছে—বোর্ডের সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে আর ফ্র্যাঞ্চাইজি পর্যায়ে কোনো দায়িত্ব রাখা সম্ভব নয়।

    পিসিবির ভেতরে বর্তমান সময়ে দুজনেরই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব আছে: সরফরাজ আহমেদ জাতীয় দলের নির্বাচক প্যানেলের সদস্য এবং টেস্ট দলের প্রধান কোচ হিসেবে কাজ করছেন, আর ওয়াহাব রিয়াজ পাকিস্তান নারী দলের মেন্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এই দ্বৈত দায়িত্ব বজায় রাখলে নির্বাচন, খেলোয়াড় ব্যবস্থাপনা বা টুর্নামেন্ট পরিচালনার মতো ইস্যুতে পক্ষপাতের আশঙ্কা দেখা দিতে পারে—এই কারণেই বোর্ড তাদের ফ্র্যাঞ্চাইজি সংযুক্তি বন্ধের সিদ্ধান্ত নিল।

    পিসিবির কয়েকজন কর্মকর্তা মনে করেন আগেভাগে এই সীমাবদ্ধতা আরোপ করা প্রয়োজন ছিল, যাতে ভবিষ্যতে সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় থাকে। ক্রিকেট বিশ্লেষকরা বলছেন, এই পদক্ষেপটি ঘরোয়া ক্রিকেটে সুশাসন জোরদারের এবং আন্তর্জাতিক নজরকাড়া টুর্নামেন্টগুলোর প্রতি আস্থার মেয়াদ বাড়ানোর একটি বার্তা বহন করে।

    বিশ্লেষকদের ধারনা, পিসিবির এই উদ্যোগ ভবিষ্যতে আরও পেশাদার ও জবাবদিহিমূলক কাঠামো গড়ে তোলায় সহায়ক হবে। বোর্ডের ঘোষণা অনুযায়ী, এখন থেকে এসব ইস্যু কড়াকড়িভাবে নজরে রাখা হবে যাতে ক্রিকেট পরিচালনায় স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা বজায় থাকে।

  • রাহুলের ময়নাতদন্তে উঠে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য: ফুসফুসে বালি ও নোনা পানি

    রাহুলের ময়নাতদন্তে উঠে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য: ফুসফুসে বালি ও নোনা পানি

    টলিউড অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুকে ঘিরে ময়নাতদন্তে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর খবর। রোববার ‘ভোলে বাবা পার করেগা’ ধারাবাহিকের শুটিংয়ের সময় পানিতে নামার পরে তিনি আর উঠতে পারেননি—তলিয়ে যান অরুণোদয়।

    সোমবার (৩০ মার্চ) সকাল সাড়ে ১১টায় তমলুক হাসপাতালে তার মরদেহে ময়নাতদন্ত শুরু হয়। প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মৃত্যুর কারণ ‘পানি ভয়ঙ্করভাবে নিঃশ্বাসনালীতে প্রবেশ’ বা ডুবে মৃত্যু। ময়নাতদন্তে দেখা গেছে তার ফুসফুস ফুলে দ্বিগুণ আকার ধারণ করেছে এবং ফুসফুসের ভেতরে প্রচুর পরিমাণে বালি ও নোনা পানি পাওয়া গেছে।

    রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, সাধারণত অল্প সময় পানির নিচে থাকলে ফুসফুসে এত পরিমাণ বালি জমতে পারে না। সেই হিসেবে ধারণা করা হচ্ছে যে রাহুলের মরদেহ ঘন্টার বেশি সময় পানির নিচে ছিল। পানিতে ডুবে থাকার কারণেই তার খাদ্যনালিতেও বালি ও নোনা জল প্রবেশ করেছে বলে উল্লেখ আছে।

    অভিনেতার মৃত্যুতে অনেকে পুলিশের উপর বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন। তাঁদের দাবি—প্রাসঙ্গিক অনুমতি ছাড়া শুটিং করে এ ধরনের বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছে। পুলিশি বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়া এখনো পাওয়া যায়নি।

    রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায় ১৯৮৩ সালের ১৬ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন। অভিনয়ে his যাত্রা শুরু করেন বাবার সঙ্গে ‘রাজ দর্শন’ নামের একটি নাটকে বিজয়গড় থিয়েটার দলের মাধ্যমে। এরপর থেকে তিনি প্রায় ৪৫০টিরও বেশি নাটকে অভিনয় করেছেন এবং টলিপাড়ার পরিচিত মুখ হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন।

  • শ্যুটিং চলাকালীন সমুদ্রে তলিয়ে মারা গেলেন টালিউড অভিনেতা রাহুল অরুণোদয়

    শ্যুটিং চলাকালীন সমুদ্রে তলিয়ে মারা গেলেন টালিউড অভিনেতা রাহুল অরুণোদয়

    পশ্চিমবঙ্গের তালসারি সৈকতে শুটিং চলাকালীন সমুদ্রে ডুবে মারা গেছেন জনপ্রিয় টালিউড অভিনেতা রাহুল অরুণোদয়। তাঁর মৃত্যুর খবর বিভিন্ন ভারতীয় গণমাধ্যম নিশ্চিত করেছে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার তালসারিতে টিভি ধারাবাহিক ‘ভোলে বাবা পার করেগা’–র এক পর্বের শুটিং চলছিল। ৪৩ বছর বয়সী রাহুল শুটিংয়ের এক সময়ে সমুদ্রে নামেন। কিছুক্ষণ পরই হঠাৎ তিনি তলিয়ে যান। পাশে থাকা টেকনিশিয়ানরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা প্রাণরক্ষা করার চেষ্টা করেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাঁকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে মৃত্যু হয়েছে পানিতে ডুবে যাওয়ার ফলে।

    ধারাবাহিকের সহঅভিনেতা ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায় ঘটনাটি mর্মান্তিক বলে উল্লেখ করে জানান, পুরো ইউনিট সেখানে শুটিং করছিল। শুটিং শেষের পর একাংশ ক্রু মধ্যাহ্নভোজে ব্যস্ত ছিল; ওই সময় রাহুল আরও কয়েকটি শট নিয়ে আসবেন বলে জানিয়েছিলেন। ভাস্কর বলেন, ‘জলে ডুবে মৃত্যু হয়েছে তার। ঠিক কীভাবে এটি ঘটল, তা এখনও পরিষ্কার নয়। সুস্থ-স্বাভাবিক একজন হঠাৎ এভাবে চলে গেলে তা মেনে নেওয়া কঠিন।’

    রাহুল অরুণোদয়ের জন্ম ১৯৮৩ সালের ১৬ অক্টোবর। অভিনয়জীবনে তিনি প্রায় ৪৫০টি নাটকে কাজ করেছেন। তাঁর স্বীকৃত চলচ্চিত্র ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’ বক্স অফিসে ব্যাপক সাফল্য পায় এবং তিনি বাণিজ্যিক ও মূলধারার সিনেমা—দুই ধারায়ই নিজের অবস্থান নিশ্চিত করেছিলেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য ছবির মধ্যে রয়েছে ‘জ্যাকপট’, ‘পরান যায় জ্বলিয়া রে’, ‘কাগজের বউ’ ও ‘আকাশ অংশত মেঘলা’।

    ব্যক্তিগত জীবনে রাহুল ২০১০ সালে অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকারকে বিয়ে করেন। ২০১৭ সাল থেকে তারা আলাদা থাকেন এবং পরবর্তীতে বিচ্ছেদ ঘটে। তাঁদের একমাত্র এক ছেলে রয়েছে, নাম সহজ। সম্প্রতি রাহুল ‘সহজকথা’ নামে একটি পডকাস্ট শুরু করেছিলেন, যা দর্শকদের মধ্যে আলোচনা সৃষ্টি করেছিল।

    নিহতের পরিবারের সদস্য ও অনুষ্ঠান সূত্র থেকে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়া গেলে তা জানানো হবে।

  • ১০ এপ্রিলের মধ্যে এমপিদের বাসা বরাদ্দ, সংসদের অডিও বিভ্রাটে তদন্ত হবে

    ১০ এপ্রিলের মধ্যে এমপিদের বাসা বরাদ্দ, সংসদের অডিও বিভ্রাটে তদন্ত হবে

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের কার্যক্রম গতিশীল করতে জাতীয় সংসদ কমিটির প্রথম বৈঠকে সংসদ সদস্যদের আবাসন বরাদ্দ এবং অধিবেশন চলাকালীন ঘটে যাওয়া অডিও সমস্যার তদন্ত নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সভায় বলা হয়, আগামী ১০ এপ্রিলের মধ্যে সকল সংসদ সদস্যকে বাসা বরাদ্দ করার চেষ্টা চালানো হবে এবং অডিও বিভ্রাটের কারণ জানতে আলাদা তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    শনিবার (২৮ মার্চ) বেলা ১১টায় জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের কেবিনেট কক্ষে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সরকারদলীয় চিফ হুইপ মো. নুরুল ইসলাম মনি। বৈঠকে বিরোধী দলীয় উপনেতা ডা. আবদুল্লাহ তাহেরসহ কমিটির ১১ সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

    বৈঠক শেষে সরকারের চিফ হুইপ মনি জানান, সংসদ সদস্যদের কাজের সুবিধা বিবেচনায় তাদের সংসদের কাছাকাছি রাখা প্রয়োজন, তাই দ্রুতবাসস্থানের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ১০ এপ্রিলের মধ্যে বাসা বরাদ্দের কাজ শেষ হয়ে যাবে। এছাড়া আগামী ৩০ মার্চ হাউজ কমিটির আরেকটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বাসা বরাদ্দ নিয়ে এমপিরাও সেই বাসা নিজস্বভাবে ব্যবহার করবেন বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়েছে।

    অডিও বিভ্রাটের বিষয়ে মনি বলেন, সংসদ অধিবেশনে সাউন্ডের ত্রুটি ও গরমিলের অভিযোগ পাওয়া গেছে; ঘটনার সঠিক কারণ বের করতে যে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে, সে কমিটি ৩ এপ্রিল প্রতিবেদন জমা দেবে। স্মরণীয়, ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনের দিন স্পিকারটি মাইকে কথা বলার সময় বিব্রতকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হন এবং অনেক সংসদ সদস্য কানে লাগানো হেডফোনে সঠিকভাবে শব্দ শুনতে না পারায় সমালোচনা উঠেছে।

    একই দিন বিকেল ৪টায় সংসদ ভবনের সরকার দলীয় সভাকক্ষে সরকারি দলের সংসদীয় সভা অনুষ্ঠিত হবে। এদিকে বিএনপির সংসদীয় দলের বৈঠকে সম্ভবত অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ নিয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    উল্লেখ্য, গত ১২ মার্চ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হওয়ায় এরপর থেকে সংসদের কার্যক্রম নিয়মিত ও গতিশীল করতে নানা প্রস্তুতি চালানো হচ্ছিল। আজকের বৈঠকের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে সংসদীয় কমিটিগুলোর কার্যক্রমও শুরু হয়েছে।

  • অতিরিক্ত আইজিপি আহসান হাবীব পলাশ র‍্যাবের ১২তম মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নিলেন

    অতিরিক্ত আইজিপি আহসান হাবীব পলাশ র‍্যাবের ১২তম মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নিলেন

    অতিরিক্ত আইজিপি মো. আহসান হাবীব পলাশ র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) মোটরপরিচালক (ডিজি) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। তিনি র‍্যাবের ১২তম মহাপরিচালক হিসেবে পদে যোগ দেন।

    শনিবার (২৮ মার্চ) র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী আনুষ্ঠানিকভাবে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    আহসান হাবীব পলাশ পুলিশি ক্যারিয়ারে দীর্ঘসময় ধরে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং সুনামের সঙ্গে কাজ করেছেন। তাঁর দায়িত্বের তালিকায় রয়েছে এপিবিএন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি), চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি), এসএমপি ও রাঙামাটি, শরীয়তপুর ও নারায়ণগঞ্জ জেলা। এছাড়া তিনি পিবিআই সদরদপ্তরে প্রশাসনিক ও তদন্ত সংক্রান্ত কাজে দীর্ঘদিন নিয়োজিত ছিলেন।

    পলাশ ১৯৯৫ সালে বিসিএস ১৫তম ব্যাচে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে পুলিশে যোগদান করেন এবং বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি সারদা থেকে এক বছর মেয়াদি মৌলিক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেন। পরে পদোন্নতির মাধ্যমে তিনি চট্টগ্রাম রেঞ্জে ডিআইজি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

    অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ এই পুলিশের কর্মকর্তা জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে কসোভো, লাইবেরিয়া, সুদান ও দক্ষিণ সুদানে কাজে যোগ দেন, যা তার আন্তর্জাতিক পরিসরে প্রশিক্ষণ ও অভিজ্ঞতার সাক্ষ্য বহন করে। পুলিশের সেবা ও দায়িত্বপরায়ণতার স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে বাংলাদেশ পুলিশ মেডেল (বিপিএম-সেবা) পদকে ভূষিত করা হয়।

    শিক্ষাগতভাবে আহসান হাবীব পলাশ বিএসএস (সম্মান) ও এমএসসি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, ভিয়েতনাম ও মালয়েশিয়া সহ বিভিন্ন দেশে পেশাগত প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন, যা তাঁর নেতৃত্বগুণ ও কৌশলগত দক্ষতায় যোগ করেছে।

    র‍্যাবের নতুন ডিজি হিসেবে পলাশ কবে থেকে কার্যনির্বাহী দায়িত্ব গ্রহণ করবেন এবং আগামী দিনগুলোতে র‍্যাবের কার্যক্রমে কি ধরনের নতুন উদ্যোগ দেখা যাবে—এসব নিয়ে আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে।

  • জাতীয় স্মৃতিসৌধে জামায়াত আমির: ‘নৈতিক দায়িত্ব পালন করতে এসেছি’

    জাতীয় স্মৃতিসৌধে জামায়াত আমির: ‘নৈতিক দায়িত্ব পালন করতে এসেছি’

    বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা এখানে একটি নৈতিক দায়িত্ব পালন করতে এসেছি। এটি একটি রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ আচার-অনুষ্ঠান, সবার মতো আমরাও শ্রদ্ধা জানাতে এসেছিলাম।

    জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণে মোনাজাত শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি। তিনি জানান, তারা বীর শহীদদের জন্য আল্লাহর দরবারে দোয়া করেছেন।

    ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতা রক্ষার জন্য এবং দেশের ওপর আল্লাহর শান্তি ও রহমত বর্ষণ করার জন্য বিশেষ দোয়া করা হয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, ‘‘আমরা সবাই মিলে একটা অহিংস, দুর্নীতিমুক্ত ও বৈষম্যহীন মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই।’ ’ ডা. শফিকুর রহমান নিবিড়ভাবে দেশের মানুষকে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের শুভেচ্ছাও জানান।

    এই সময় নিজেদের মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম এমপি, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান এমপি, নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি কামাল হোসেন এমপি উপস্থিত ছিলেন।