Blog

  • সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ জনকে আজ হাজির করা হচ্ছে ট্রাইব্যুনালে

    সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ জনকে আজ হাজির করা হচ্ছে ট্রাইব্যুনালে

    জুলাই-আগস্টের গণহত্যার মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হচ্ছে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ আসামিকে। 

    আজ সোমবার সকালে কড়া নিরাপত্তায় তাদেরকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হবে। এদিকে গণহত্যার মামলার তদন্তের সময় বৃদ্ধির জন্য আবেদন জানাবে তদন্ত সংস্থা। সংস্থার পক্ষে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট এম তাজুল ইসলাম আজ এ আবেদন জানাবেন। বিচারপতি মো. গোলাম মূর্তজা মজুমদারের সভাপতিত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালে আবেদনের উপর শুনানি হবে। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

    ট্রাইব্যুনালে যাদেরকে হাজির করা হচ্ছে এরা হলেন: আনিসুল হক, ড. আব্দুর রাজ্জাক, শাজাহান খান, সালমান এফ রহমান, গোলাম দস্তগীর গাজী, কামাল আহমেদ মজুমদার, লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান, ড. দীপু মনি, রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু, জুনাইদ আহমেদ পলক, তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী (বীর বিক্রম), সাবেক বিচারপতি এইচ এম শামসুদ্দীন চৌধুরী মানিক ও সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিব জাহাঙ্গীর আলম।

    এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট এম তাজুল ইসলাম ইত্তেফাককে বলেন, গণহত্যার মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারিকৃতদের মধ্যে গ্রেফতার হওয়া ১৪ অভিযুক্তকে আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করার জন্য আদেশ রয়েছে। ঐ আদেশ মোতাবেক কারা কর্তৃপক্ষ তাদেরকে হাজির করবে। তিনি বলেন, গণহত্যার মামলা তদন্তের জন্য সময় দিয়েছিল ট্রাইব্যুনাল। যেহেতু তদন্ত শেষ হয়নি সেহেতু সময় বৃদ্ধির আবেদন দেওয়া হবে। কোটা সংস্কার ও সরকার পতনের আন্দোলন দমাতে নিরস্ত্র ছাত্র-জনতাকে সমূলে বা আংশিক নির্মূলের লক্ষ্যে হত্যা, গণহত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের মামলায় গত ১৭ অক্টোবর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সরকারের সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে ট্রাইব্যুনাল। ২৭ অক্টোবর পরোয়ানাভুক্তদের মধ্যে ২০ জনকে ট্রাইব্যুনালের মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। এদের মধ্যে ১৪ জনকে আজ এবং ছয় পুলিশ কর্মকর্তা সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন, বরখাস্ত মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, সাবেক ঢাকা জেলার এডিসি (এসপি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত ছিলেন) আব্দুল্লাহ হিল কাফী, সাবেক এডিসি আরাফাতুল ইসলাম, যাত্রাবাড়ী থানার সাবেক ওসি আবুল হাসান এবং গুলশান থানার সাবেক ওসি মাজহারুল ইসলামকে ২০ নভেম্বর ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ রয়েছে। এদিকে ২৭ অক্টোবর ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, র‍্যাবের সাবেক ডিজি হারুন-অর রশিদ, এসবির সাবেক প্রধান মনিরুল ইসলাম, ডিবির সাবেক প্রধান হারুনুর রশিদ, বিপ্লব কুমার সরকার, সাবেক এডিসি ইকবাল হোসেনসহ আরো ১৭ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করা হয়।

    তদন্ত সংস্থা ও প্রসিকিউশনের অভিযোগে যা বলা হয়েছে : কোটা সংস্কারের অহিংস আন্দোলন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সহিংস হয়ে উঠে। একই সঙ্গে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরস্ত্র ছাত্র-ছাত্রীদের ওপর নির্মমভাবে হামলা চালায়। এই হামলার ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকাসহ দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামে। সংঘর্ষ হয় ছাত্রলীগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে। ১৬ জুলাই রংপুরে পুলিশের গুলিতে শিক্ষার্থী আবু সাঈদসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আরও ছয় জন মারা যান। ফলে কোটা সংস্কার আন্দোলন সরকার পতনের আন্দোলনে রূপ নেয়। এই আন্দোলনে একসময় শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ যোগ দেয়। কমপ্লিট শাটডাউন, অসহযোগ আন্দোলন দমাতে জারি করা হয় কারফিউ। কিন্তু তাতে দমে যায়নি ছাত্র-জনতা। এই ছাত্র-জনতাকে সমূলে বা আংশিক নির্মূলের উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ নির্দেশনায় নির্বিচারে গুলি চালায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এর সঙ্গে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠন এবং ১৪ দলীয় জোটের ক্যাডার বাহিনী যোগ দেয়। এতে দেড় সহস্রাধিক ছাত্র-জনতাকে হত্যা করা হয়। আহত হয় ২৩ হাজারের অধিক শিক্ষার্থী ও জনতা। আহত অনেকে চিরতরে পঙ্গু ও দৃষ্টি শক্তি হারিয়েছেন।

    এর পরেও দমানো যায়নি আন্দোলনকারীদের। তারা ৫ আগস্ট গণভবনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। পদত্যাগ করে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পরেও পূর্ব নির্দেশনা অনুযায়ী ঐদিন গভীর রাত পর্যন্ত হত্যা, গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী এবং ১৪ দলীয় জোটের ক্যাডাররা। এসব অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে জুলাই-আগস্ট গণহত্যার মামলায়।

    প্রসঙ্গত গণঅভ্যুত্থানের মুখে গত ৫ আগস্ট দেশত্যাগ করেন শেখ হাসিনা। ৮ আগস্ট নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যাত্রা শুরু করে। এরপর ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, এমপি, বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে শত শত হত্যা মামলা দায়ের হয়। এর মধ্যে বেশ কিছু মামলায় গ্রেফতার হয়ে আগস্ট মাস থেকে কারাগারে আছেন ট্রাইব্যুনালের পরোয়ানাভুক্ত আসামিরা। অক্টোবর মাসে সরকার পুনর্গঠন করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। শেখ হাসিনাসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির মধ্য দিয়ে গত ১৭ অক্টোবর যাত্রা শুরু করে ট্রাইব্যুনাল। ইতিমধ্যে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রেড অ্যালার্ট জারি করতে ইন্টারপোলের কাছে চিঠি দিয়েছে চিফ প্রসিকিউটর।

  • দীপু মনির সুপারিশে মাউশিতে তিন হাজার পদায়ন

    দীপু মনির সুপারিশে মাউশিতে তিন হাজার পদায়ন

    সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির ইশারায় নিয়োগ পান প্রায় তিন হাজার ১৮৩ কর্মকর্তা-কর্মচারী। দীপু মনি সিন্ডিকেটের বলয়ে তারা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) চাকরি পান। এর জন্য উচ্চ মহলের সুপারিশসহ তাদের দিতে হয়েছে ৫ থেকে ১৫ লাখ টাকা। নিয়োগের জন্য যাচ্ছেতাইভাবে পরীক্ষা নেয়া হয় তাদের জন্য। দীপু মনির আমলে চার হাজার ১০৯ জনকে নিয়োগ দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। এখনো চাকরির অপেক্ষায় রয়েছেন ৬১০ জন।

    মাউশি’র এই নিয়োগ পুরোটা সামলেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনির ভাই ডা. জে আর ওয়াদুদ টিপু ও চাঁদপুর পুরান বাজার ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ রতন কুমার মজুমদার। অভিযোগ রয়েছে এই চক্রটির খাতা কলমে বৈধতা দেয়ার কাজ করে গেছেন মাউশি’র কলেজ ও প্রশাসন শাখার পরিচালক শাহেদুল খবির চৌধুরী, প্রশাসন শাখার উপ-পরিচালক বিপুল চন্দ্র বিশ্বাস। বর্তমানে এই দুই কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। টাকার বিনিময়ে নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তারা ২০২৩ সালে দু’দফায় (আগস্ট ও নভেম্বরে) যোগদান করেন।

    মাউশি’র একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীপু মনি শিক্ষার দায়িত্ব হাতে পাবার পরই গড়ে তোলেন সিন্ডিকেট। মাউশিতে নিয়ে আসেন পছন্দের লোকদের। জনপ্রশাসন থেকে নিয়োগের ছাড়পত্র এনে তার আমলে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করেন। এই চক্র এতটাই শক্তিশালী ছিল যে, কেউ প্রশ্ন করার সাহস পর্যন্ত ছিল না। পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন অনেকেই। পরীক্ষায় এমসিকিউ বাতিল করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ’র অধীনে লিখিত পরীক্ষা নেয়ার দাবি তোলা হয়েছিল। কিন্তু তা আমলেই নেয়া হয়নি। এমনকি ভাইবার আগেই এসব প্রার্থীদের দেয়া হয়েছিল চাকরির নিশ্চয়তা।

    সুপারিশের প্রেক্ষিতে চার হাজার ১০৯ জনকে নিয়োগ দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু নানা জটিলতায় আটকে যায় ৬১০ জনের পদায়ন। তবে তাদের পদায়নের জন্য চলতি বছরের জুনে ফল প্রকাশ করা হয়। কিন্তু ছাত্র-জনতার আন্দোলনের তোড়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। যার কারণে আটকে আছে তাদের নিয়োগ। নিয়ম অনুযায়ী দশম থেকে দ্বাদশ গ্রেড পর্যন্ত দ্বিতীয় শ্রেণির পদ, কিন্তু মাউশি’র নিয়োগবিধিতে এই পদগুলোকে তৃতীয় শ্রেণির দেখিয়ে শুধু এমসিকিউ পরীক্ষা নেয়া হয়। ২০২০ সালের অক্টোবরে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে ২৮টি ক্যাটাগরির বিভিন্ন পদের মধ্যে প্রদর্শক পদে ৫১৪টি, গবেষণা সহকারী (কলেজ) পদে ২১টি, সহকারী গ্রন্থাগারিক কাম ক্যাটালগার পদে ৬৯টি এবং ল্যাবরেটরি সহকারী পদে ৬টি পদ উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এসব পদের বিপরীতে পরীক্ষা ২০২১ সালের আগস্ট ও অক্টোবরে অনুষ্ঠিত হয়। পরিদর্শক পদের ফল অনিবার্যকারণবশত স্থগিত করা হয়েছিল। সেই পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয় ২০২৪ সালের এপ্রিলে। এতে প্রায় আট হাজার প্রার্থী উত্তীর্ণ হন। মে মাসে ভাইবা শেষে জুনে নির্বাচিতদের ফল প্রকাশ করা হয়। কিন্তু পরবর্তীতে পরিস্থিতির কারণে আটকে আছে এই ৬১০ জনের নিয়োগ। চাকরি পাওয়াদের মধ্যে রয়েছেন কম্পিউটার অপারেটর ৯ জন, উচ্চমান সহকারী ৮৫ জন, ক্যাশিয়ার ১১৯ জন, স্টোরকিপার ৫০ জন, হিসাব সহকারী ১০৬ জন, অফিস সহকারী ৫১৩ জন, মেকানিক ৩৩ জন, গাড়িচালক ১১ জন, বুক সর্টার ৪৬ জন, অফিস সহায়ক ১৭০৪ জন, নিরাপত্তা প্রহরী ২৪৭ জন, মালী ৯৭ জন, পরিচ্ছন্নকর্মী ১৬৩ জন। অন্যদিকে তালিকায় নিয়োগের অপেক্ষায় রয়েছেন প্রদর্শক পদে পদার্থবিদ্যায় ১০৯ জন, রসায়নে ১২০ জন, জীববিজ্ঞানে ৩১ জন, প্রাণিবিদ্যায় ১০৯ জন, উদ্ভিদবিদ্যায় ৯৬ জন, ভূগোলে ১৩ জন, মৃত্তিকায় ৫ জন, গণিতে ২২ জন, গার্হস্থ্য বিজ্ঞানে ৮ জন, কৃষিতে একজন, গবেষণা সহকারী (কলেজ) ২১ জন, সহকারী গ্রন্থাগারিক ৬৯ জন এবং ল্যাবরেটরি সহকারী ৬ জন।

    এই নিয়োগের বিষয়ে জানতে চাইলে মাউশি মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর এবিএম রেজাউল করীম বলেন, তালিকা ধরে নিয়োগের বিষয়টি আমার জানা নেই। আমি নিয়োগ প্রক্রিয়ার সময়ে দায়িত্বেও ছিলাম না। এটা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন। মন্ত্রণালয় থেকে কোনো নির্দেশনা দেয়া হলে সেটি বাস্তবায়ন করা হবে।

  • পুলিশ-প্রশাসনের সহায়তায় পেট্রোল পাম্প চালু রাখার আহ্বান

    পুলিশ-প্রশাসনের সহায়তায় পেট্রোল পাম্প চালু রাখার আহ্বান

    জ্বালানি সরবরাহ ঝুঁকি ও ভোক্তাদের চাপ বৃদ্ধির মধ্যে পেট্রোল পাম্প খোলা রাখতে স্থানীয় পুলিশ-প্রশাসনের সহায়তা চাওয়া হয়েছে। সোমবার (২৩ মার্চ) বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটর্স, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল এ আহ্বান জানান।

    বার্তায় তিনি জানান, বিশ্বব্যাপী ইরানকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট যুদ্ধ-পরিস্থিতির প্রভাব থেকে ডিপোগুলোতে পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ হচ্ছে না এবং সাময়িকভাবে সরবরাহ আরও ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ফলে চাহিদা থাকলেও প্রয়োজনীয় পরিমাণ তেল ডিপো থেকে পাওয়া যাচ্ছে না। একই সময়ে দেশের ফিলিং স্টেশনগুলোতে মোটরসাইকেল চালকসহ সাধারণ ভোক্তাদের ভিড় বেড়ে যাওয়ায় নিরাপত্তাজনিত সমস্যা দেখা দিচ্ছে; কিছু স্থানে স্টাফদের মারধর ও স্টেশন ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে বলে সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে।

    এই পরিস্থিতিতে অচিরেই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে স্থানীয় পুলিশ ও প্রশাসনকে সম্মিলিতভাবে কাজে যুক্ত করে পাম্পগুলো চালু রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে। কর্মরতরা যেন কেউ কারো নির্দেশের অপেক্ষায় না থেকে নিজ নিরাপত্তা নিশ্চিত করে কাজ চালিয়ে যেতে পারে, তাও বার্তায় স্পষ্ট করা হয়েছে। বার্তার কপি সকল জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকে পাঠানো হয়েছে।

    আবার একটি পৃথক চিঠিতে রাজশাহী বিভাগীয় পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, বাঘাবাড়ি সহ বিভিন্ন ডিপো থেকে বরাদ্দকৃত পেট্রোল ও অকটেন অনেক সময় ট্যাংক লরির প্রকৃত ধারণক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ন হচ্ছে না। সাধারণত প্রতিটি চেম্বারে প্রায় ৪,৫০০ লিটার ধারণক্ষমতার ট্যাংক লরিতে অনেক ক্ষেত্রে প্রতি চেম্বারে মাত্র ২–৩ হাজার লিটার করে তেল বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। এতে ডিপো থেকে পাম্প পর্যন্ত পরিবহন খরচ বেড়ে যাচ্ছে এবং পাম্প মালিকদের আর্থিক ক্ষতিও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

    চিঠিতে আরও বলা হয়, কিছু পাম্প মালিক তেল উত্তোলনে অক্ষম হলে সংশ্লিষ্ট তেল বিভিন্ন এজেন্সির মাধ্যমে সরবরাহ করা হচ্ছে, যা পরে কালোবাজারে বিক্রয়ের আশঙ্কা তৈরি করছে এবং ভবিষ্যতে বাজার অস্থিরতা ও মূল্যবৃদ্ধির কারণ হতে পারে। সরকারী কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোকে ট্যাংক লরির প্রকৃত ধারণক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে তেল বরাদ্দ নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

    সংগঠনের কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান রতন স্বাক্ষরিত চিঠিটি যমুনা, মেঘনা ও পদ্মা অয়েল কোম্পানির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

  • ভারতে কারাভোগ শেষে ৩৩ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন

    ভারতে কারাভোগ শেষে ৩৩ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন

    ভারতে কারাভোগ শেষে পাচারের শিকার হওয়া ৩৩ জন বাংলাদেশি—৪ জন শিশু, ৪ জন নারী ও ২৫ জন পুরুষ—রোববার (২২ মার্চ) সন্ধ্যায় বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে দেশে ফেরত এসেছে।

    এদের ফিরিয়ে আনার পেছনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, কলকাতার বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন এবং পশ্চিমবঙ্গের নারী-শিশু পাচার রোধ টাস্কফোর্সের সমন্বিত প্রচেষ্টাই কার্যকর ভূমিকা রেখেছে।

    যশোর জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ারের বেনাপোলে দায়িত্বে থাকা শফিকুল ইসলাম জানান, দালালদের মাধ্যমে পাচারের শিকার এসব বাংলাদেশিকে ভারতীয় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ হস্তান্তর করে। এরপর বেনাপোল ইমিগ্রেশনের মাধ্যমে তাদের পোর্ট থানায় দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার তাদের গ্রহণ করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করবে।

    বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের পরিদর্শক সৈয়দ মোর্তজা বলেন, ট্রাভেল পারমিটে দেশে ফেরত আসা এসব নারী-পুরুষ ও শিশুদের ইমিগ্রেশন সংক্রান্ত সমস্ত কার্যক্রম শেষ করে পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

    প্রত্যাশিতভাবে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানদের সঙ্গে সমন্বয় করে তাদের পরিবারের সঙ্গে পুনর্মিলন এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করা হবে।

  • যদি কারও কষ্ট হয়ে থাকে, আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইছি: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    যদি কারও কষ্ট হয়ে থাকে, আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইছি: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    ঢাকা-৮ আসনে নির্বাচন করে নামার পর থেকেই নানা কারণে প্রকাশ্য আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিধ্বনি ফেলে চলেছেন। কিছু মন্তব্য ভাইরাল হওয়ায় তিনি সমালোচনার মুখেও পড়েছেন।

    বুধবার সকালে একটি পোস্টে পাটওয়ারী লেখেন, তাঁর কোনো কথা বা কাজ অনিচ্ছাকৃতভাবে কারো কষ্টের কারণ হয়ে থাকলে তিনি আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছেন।

    পোস্টে তিনি জানান, ‘‘গত কয়েক দিনে বয়োজ্যেষ্ঠ বন্ধু, রাজনৈতিক শুভাকাঙ্ক্ষী, মন্ত্রী-এমপি ও প্রিয় সহযোদ্ধাদের সঙ্গে কিছু আন্তরিক কথোপকথনের সুযোগ হয়েছে। সবার কাছ থেকেই আমি সুন্দর দিকনির্দেশনা পেয়েছি — ব্যক্তিগত আক্রমণ থেকে বিরত থাকা, অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা এড়িয়ে চলা এবং গঠনমূলক আলোচনায় মনোযোগ দেওয়া।’’

    পাটওয়ারী বলেন, তিনি বিনয়ের সঙ্গে দেওয়া পরামর্শগুলো গ্রহণ করছেন এবং bundan থেকে আরও শান্ত ও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, ‘‘রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অগ্রগতির জন্য আমার যেটুকু সক্ষমতা আছে, সেই অনুযায়ী কাজ করে যেতে চাই।’’

    তিনি অনুরোধ করেন, মানুষ তাঁর প্রতি দোয়া, ভালোবাসা ও পরামর্শ দিয়ে পাশে দাঁড়ান, কারণ সেগুলোই তাঁর পথচলার শক্তি।

    এনসিপির এই নেতা জানান, গতকাল ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে কিয়ামুল লাইলের মাধ্যমে তিনি এই অন্তর্মুখী যাত্রার নীরব সূচনা করেছেন এবং আল্লাহর কাছে সঠিক পথে পরিচালনার দুয়াও চেয়েছেন।

  • চট্টগ্রাম-মোংলা বন্দর ও শিপিং করপোরেশনে অনিয়ম: দুদক চারটি তদন্ত কমিটি গঠন

    চট্টগ্রাম-মোংলা বন্দর ও শিপিং করপোরেশনে অনিয়ম: দুদক চারটি তদন্ত কমিটি গঠন

    দুর্নীতি ও নিয়োগভিত্তিক অনিয়মের অভিযোগে চট্টগ্রাম বন্দর, মোংলা বন্দর এবং বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের বিভিন্ন প্রকল্পে অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। রোববার (১৫ মার্চ) দুদক সূত্রে জানা গেছে, উপ-পরিচালক নাজমুচ্ছায়াদাতকে প্রধান করে চারটি অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    দুদকের প্রাথমিক তথ্যে বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের বর্তমান চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে একাধিক আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে তিনি শিপিং করপোরেশনের ম্যানেজিং ডিরেক্টর থাকাকালে ৬টি জাহাজ কেনার সিদ্ধান্তে প্রায় ২,৪৮৬ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল; কিন্তু বাস্তবে মাত্র ৪টি জাহাজ কেনায় প্রকল্পে প্রায় ৪৮৬ কোটি টাকার আর্থিক অসঙ্গতি ধরা পড়ে।

    এছাড়া মোংলা বন্দরের ‘পশুর চ্যানেল সংরক্ষণ’ ড্রেজিং প্রকল্পে ১,৫৩৮ কোটি টাকার বরাদ্দ সংক্রান্তও বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এই মামলাগুলো খতিয়ে দেখতে দুদকের অনুসন্ধানকারী দল সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো থেকে নথিপত্র তলব করেছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।

    দুদক জানিয়েছে, অনুসন্ধান শেষে প্রমাণের ওপর ভিত্তি করে দায়িত্বপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে পরবর্তীতে বিস্তারিত জানা দেওয়া হবে।

  • নতুন গাইডলাইনে ক্রেডিট কার্ডের সর্বোচ্চ ঋণসীমা বেড়ে ৪০ লাখ

    নতুন গাইডলাইনে ক্রেডিট কার্ডের সর্বোচ্চ ঋণসীমা বেড়ে ৪০ লাখ

    বাংলাদেশ ব্যাংক ক্রেডিট কার্ড পরিচালনা আরও সুশৃঙ্খল, স্বচ্ছ ও গ্রাহকবান্ধব করতে নতুন একটি পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন জারি করেছে। রোববার ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানান।

    দৈনন্দিন জীবে নগদ বহনের বিকল্প হিসেবে ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। ব্যবহার ও সেবার পরিধি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এ ক্ষেত্রে জটিলতা, ঝুঁকি এবং গ্রাহক সুরক্ষার চাহিদাও বেড়েছে। তাই পূর্বের নীতিমালা হালনাগাদ করে এক সেট সমন্বিত নির্দেশনা চালু করা হয়েছে।

    নতুন গাইডলাইনে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা জোরদার করা হয়েছে, গ্রাহক অধিকার রক্ষা ও বিরোধ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ করতে নানা বিধান যোগ করা হয়েছে এবং দায়িত্বশীল ঋণদান উৎসাহিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। গাইডলাইনে ক্রেডিট কার্ডের প্রযোজ্যতা ও সংজ্ঞা, কার্ডের প্রকারভেদ, গ্রাহক যোগ্যতার মানদণ্ড, ঋণসীমা ও সুদের হার নির্ধারণ, কার্ড ইস্যু ও বিপণন, বিলিং ও আদায় প্রক্রিয়া, গ্রাহকের তথ্য গোপনীয়তা, অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা সহ বিবিধ দিক সমন্বিত করা হয়েছে।

    নীতিতে একটি বড় পরিবর্তন হচ্ছে ঋণসীমা বিষয়ে শিথিলতা। আগে যেখানে কোনো গ্রাহকের জন্য সর্বোচ্চ ক্রেডিট সীমা ছিল ২৫ লাখ টাকা, তা এখন বাড়িয়ে ৪০ লাখ টাকা করা হয়েছে। অনিরাপদ (আনসিকিউর্ড) ঋণের সীমাও ১০ লাখ থেকে বাড়িয়ে ২০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    এছাড়া গ্রাহকের অভিযোগ, অনিয়ম বা জালিয়াতি প্রতিরোধ ও তদন্ত, কার্ডের মাধ্যমে হওয়া লেনদেন পরিশোধে জটিলতা কমানো এবং বিরোধ নিষ্পত্তির কার্যকারিতা বাড়াতে প্রয়োজনীয় সংশোধনসমূহ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ব্যাংকগুলোকে তথ্য সুরক্ষা ও অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ কড়া রাখতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যাতে গ্রাহকের অর্থ ও ব্যক্তিগত তথ্য নিরাপদ থাকে।

    বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, এই গাইডলাইন নগদবিহীন লেনদেনের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বাড়াবে এবং ক্রেডিট কার্ড খাতকে আরও দায়িত্বশীল ও স্থিতিশীল করে তুলবে। একই সঙ্গে গ্রাহকদের জন্য সুবিধা বাড়লেও ব্যাংক-কার্ড ইস্যুকারীদের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করার গুরুত্ব অপরিবর্তিত থাকবে।

  • ট্রাম্পের পাঁচ দিনের হামলা স্থগিত ঘোষণায় তেলের দামে বড় ধস

    ট্রাম্পের পাঁচ দিনের হামলা স্থগিত ঘোষণায় তেলের দামে বড় ধস

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ জ্বালানি অবকাঠামোর বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক অভিযান পাঁচদিনের জন্য স্থগিত রাখার ঘোষণা দেওয়ার পরে আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচা তেলের মূল্য ব্যাপকভাবে পড়ে গেছে।

    আলজাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার (২৩ মার্চ) গ্রিনিচ মান সময় সকাল ১১টা ৮ মিনিটে ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারসের দাম প্রায় ১৫ শতাংশ বা আনুমানিক ১৭ ডলার কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৬ ডলারে নেমে আসে। একই সময় যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুড ফিউচারস দর প্রায় ১৩ ডলার বা ১৩.৫ শতাংশ কমে ৮৫.২৮ ডলারে লেনদেন হচ্ছিল।

    ট্রাম্প নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, ‘‘আমি আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, গত দুই দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে খুব ভালো আলোচনা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে আমাদের মধ্যকার শত্রুতা পূর্ণ ও সার্বিক সমাধানের পথে অনেক দূর এগিয়েছে।’’ তিনি আরও বলেছেন, ‘‘তেহরানের সঙ্গে এই গভীর, বিশদ এবং গঠনমূলক আলোচনার আলোকে—যা সপ্তাহজুড়ে চলবে—আমি যুদ্ধ মন্ত্রণালয়কে ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং জ্বালানি অবকাঠামোর বিরুদ্ধে যেকোনো সামরিক হামলা পাঁচ দিনের জন্য স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছি।’’

    অন্যদিকে ইরানি গণমাধ্যম ফার্স নিউজে নাম না প্রকাশের শর্তে এক সরকারি কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের সঙ্গে কোনো সরাসরি বা পরোক্ষ যোগাযোগ হয়নি। ওই কর্মকর্তা দাবি করেছেন, ‘‘মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ হয়নি, এমনকি কোনো মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমেও নয়।’’ তিনি আরও বলেন, এমন একটি সতর্কবার্তা পাওয়ার পরে ট্রাম্প পিছু হটেছেন যে ইরান উপসাগরীয় অঞ্চল এবং ইসরায়েলের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে হামলা চালাতে পারে। এই দাবিটি ইরানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।

    বিশ্ববাজারে দাম পড়ার পেছনে মূলত নিরাপত্তা সংশয় ও সরবরাহ-আশঙ্কা কাজ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনার জেরে উপসাগরীয় অঞ্চলের কয়েকটি প্রধান তেল উৎপাদনকারী দেশ—সৌদি আরব, ইরাক, আরব সংযুক্ত আমিরাত ও কুয়েত—অল্প কিছু উৎপাদন কমিয়েছে। তাছাড়া ইরান হরমুজ প্রণালী বন্ধ করার হুমকি দিয়েছে বলে উদ্বেগ সৃষ্টি হওয়ায় জাহাজ চলাচল ও তেল পরিবহনে অনিশ্চয়তা বেড়ে গেছে, যা বাজারকে আরও অস্থিতিশীল করেছে।

    টানাদের শুরুর দিকে ব্রেন্টের দাম এক সময় ব্যারেলপ্রতি ১১৯.৫০ ডলারের কাছাকাছি এবং ডব্লিউটিআই প্রায় ১১৯.৪৮ ডলারে উঠেছিল; পরে পরিস্থিতি কিছুটা শিথিল হয়ে দাম কমে আসে।

    সূত্র: আলজাজিরা

  • ইরানের ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইসরায়েলে, তেহরানে শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ

    ইরানের ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইসরায়েলে, তেহরানে শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ

    ইসরায়েলের বিভিন্ন এলাকায় ইরানের ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর পাওয়া গেছে। সোমবার (২৩ মার্চ) আল জাজিরা এবং অন্যান্য সূত্রে বলা হয়, জেরুজালেমসহ মধ্য ও দক্ষিণ ইসরায়েলে একাধিক সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে এবং বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী হামলার পর বিভিন্ন স্থানে বিস্ফোরণের শব্দ ও ধ্বংসাবশেষ দেখা গেছে। কিছু প্রাথমিক তথ্য থেকে ধারণা করা হচ্ছে যে গুচ্ছ বোমা (ক্লাস্টার মিউনিশন) ব্যবহৃত হতে পারে, যা বিস্ফোরণের সময় ছোট ছোট অংশে বিভক্ত হয়ে বিস্তার করে। মধ্য ইসরায়েলের অন্তত আটটি স্থানে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ বা বিস্ফোরণের আঘাত দেখা গেছে; সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো ভিডিও ও ছবিতে বিভিন্ন স্থাপনার ক্ষয়ক্ষতির চিত্রও প্রকাশিত হয়েছে।

    রোববার থেকে অঞ্চলে ধারাবাহিক হামলার খবর পাওয়া যাচ্ছে। শুধু ইরান নয়, লেবাননের সীমান্ত ঘেঁষা এলাকায় হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকেও আঘাত চালানোর ঘটনা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় সূত্র। এই পরিস্থিতির মধ্যেই ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী তেহরানে ‘বড় ধরনের হামলা’ চালানোর ঘোষণা দিয়েছে এবং বলেছে যে সরকারি অবকাঠামোকে লক্ষ্য করা হবে।

    অন্যদিকে, একই ঘটনায় তেহরানেও কিছুক্ষণ আগে পূর্বাঞ্চলে শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। আল জাজিরার প্রতিনিধি সুহাইব আল-আসা জানান, বিস্ফোরণের তীব্রতা নজিরবিহীন ছিল। বিস্ফোরণের পর তেহরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দ্রুত সক্রিয় হয়ে ওঠে, যা সাধারণত আকাশে থাকা শত্রুপক্ষের ড্রোন বা যেকোনো আক্রমণ প্রতিহত করার ইঙ্গিত দেয়।

    ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ফারস নিউজ জানিয়েছে, শহীদ বাবায়ী এক্সপ্রেসওয়ে সংলগ্ন অন্তত দুটি এলাকা এবং পূর্ব উপকণ্ঠের গরমদারেহ এলাকায় হামলার ঘটনা ঘটেছে। তেমনি হাফেজ ও জমহুরি স্ট্রিট সংলগ্ন ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায়ও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছে।

    পরিস্থিতি সম্পর্কে এখনো উভয় পক্ষ থেকে বিস্তৃত ক্ষয়ক্ষতির তথ্য প্রকাশ করা হয়নি, তবে উত্তেজনা দ্রুত বাড়ছে। পর্যবেক্ষকরা আশঙ্কা করছেন যে সাম্প্রতিক এই ঘটনার পরে পরিস্থিতি আরও জটিল ও উত্তপ্ত হতে পারে।

  • সুন্দরবনের ‘ছোট সুমন’ বাহিনীর সদস্য ইয়াছিন শেখ আটক, অস্ত্র-কার্তুজ জব্দ

    সুন্দরবনের ‘ছোট সুমন’ বাহিনীর সদস্য ইয়াছিন শেখ আটক, অস্ত্র-কার্তুজ জব্দ

    মোংলা কোস্ট গার্ডের পশ্চিম জোন সোমবার গভীর রাতে সুন্দরবন সংলগ্ন চিলা ইউনিয়নের ফেলুর খণ্ড এলাকার বৈধমারি বাজারসংলগ্ন এলাকা থেকে বনদস্যু দলের এক সদস্য ইয়াছিন শেখকে আটক করেছে। কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, তিনি ঈদের সময় সুন্দরবন থেকে এসে বৈধমারি বাজার সংলগ্ন এলাকায় আত্মগোপন করে ছিলেন।

    গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মোংলা ও হারবাড়িয়া কোস্ট গার্ডের পৃথক দুটি টিম ওই এলাকায় অভিযান চালায়। কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে ইয়াছিন দৌড় দিয়ে পালাতে চেষ্টা করলে তাকে ধাওয়া করে আটক করা হয়।

    আটককৃত ইয়াছিনের দেওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে পরবর্তীতে সোমবার (২৩ মার্চ) সকালে সুন্দরবনের ধানসিঁদ্দির চর সংলগ্ন এলাকায় তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশিতে ১টি একনলা বন্দুক, ৪ রাউন্ড তাজা কার্তুজ ও ৪ রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

    আটক ইয়াছিন শেখ (৪০) বাগেরহাট জেলার মোংলা থানার বাসিন্দা। তিনি ২০১৭ সালে ব্যাপক পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ ‘ছোট সুমন’ বাহিনীর অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে র‌্যাবের সামনে আত্মসমর্পণ করেছিলেন। তবে কর্তৃপক্ষ জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে ছোট সুমন তাঁর পুরনো সদস্যদের নিয়ে আবার সুন্দরবনে নেমে দস্যুতা শুরু করেছেন। বর্তমানে ছোট সুমনের সঙ্গে অস্ত্রধারী প্রায় ১৮–২০ জন সদস্য রয়েছে বলে জেলেরা জানিয়েছে।

    কোস্ট গার্ডের তদন্তে উঠে এসেছে, ইয়াছিন দীর্ঘদিন ধরে ‘ছোট সুমন’ বাহিনীর সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তিনি অস্ত্র, গোলাবারুদ ও রসদ সরবরাহের মাধ্যমে দস্যুদলের কার্যক্রমে জৈথ্য্যতা দিয়ে আসছিলেন; জেলেদের অপহরণ, মুক্তিপণ আদায় এবং অন্যান্য ডাকাতি-আক্রমণে সহায়তা করতেন।

    জব্দকৃত অস্ত্র, গুলি এবং আটককৃত ব্যক্তিকে হাতে রেখে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে বলে কোস্ট গার্ড জানায়। বিসিজিএস তৌফিকের নির্বাহী কর্মকর্তা লে. আশিকুল ইসলাম ইমন বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে সুন্দরবনে কয়েকটি দস্যু বাহিনী জেলেদের অপহরণ, মুক্তিপণ আদায় ও বিভিন্ন অপরাধ করছে এবং কোস্ট গার্ড এ ধরনের সদস্যদের অস্ত্রসহ আটক করে আসছে। সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত রাখতে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।

  • বাগেরহাটে তেল পাম্পে হামলার মামলায় যুবদল নেতা গ্রেপ্তার

    বাগেরহাটে তেল পাম্পে হামলার মামলায় যুবদল নেতা গ্রেপ্তার

    বাগেরহাট শহরের খানজাহান আলী ফিলিং স্টেশনে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনার একজন যুবদল নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার রাত প্রায় নয়টার সময় শহীদ মিনার সংলগ্ন এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় ৪০ বছরের সুমন পাইককে। তিনি বাগেরহাট পৌর যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক ও খারদ্বার এলাকার বাসিন্দা।

    ঘটনাটি ঘটেছিল গত ২০ মার্চ—ঈদের আগের দিন সন্ধ্যার আগে—খানজাহান আলী ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেলে তেল দেওয়ার বিষয়কে কেন্দ্র করে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে ঈদের দিন থেকেই বাগেরহাট শহরের দুটি তেল পাম্প বন্ধ রাখা হয়। রোববার বিকেলে ওই পাম্পের সামনায় প্রতিবাদ स्वरূপ ‘‘অনির্দিষ্টকালের জন্য পাম্প বন্ধ’’ শিরোনামে বিশেষ একটি নোটিশ টাঙিয়ে দেওয়া হয়।

    নোটিশে অভিযোগ করা হয়েছে যে শহরের খারদ্বার এলাকার খানজাহান আলী ফিলিং স্টেশনে চিহ্নিত কিছু সন্ত্রাসী বাহিনী লুটপাট, ভাঙচুর ও কর্মচারী ও মালিকদের প্রাণহানির উদ্দেশ্যে সংরক্ষিত স্থানে অনধিকারে ঢুকেছে। নোটিশে আরও বলা হয়, অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হলে স্টেশন বন্ধ থাকবে।

    পাম্পের অন্যতম মালিক মুর্শিদ কুলি খান রোববার বাগেরহাট সদর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় তিনি চারজনকে নামজাদা ও অজ্ঞাত আরো ১০-১২ জনকে আসামি করেছেন। গ্রেপ্তার সুমন পাইক সেই মামলায় নম্বর-১ এজাহারনামীয় আসামি হিসেবে চিহ্নিত।

    এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, তেলের ঘাটতি ও নিয়ম-নিষেধ থাকায় মোটরসাইকেল প্রতি ২০০ টাকা মূল্যমানের তেল দেওয়া হচ্ছিল। ২০ মার্চ সন্ধ্যে পৌনে ৬টার দিকে তেল দেওয়ার সময় অভিযুক্তরা অনধিকারে ফিলিং স্টেশনে প্রবেশ করে নিয়ম ভঙ্গ করে অতিরিক্ত তেল দাবি এবং কর্মচারীদের অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে। বাধা দিলে, সুমন পাইকের নির্দেশে অভিযুক্তরা চলতি কর্মচারীদের ওপর হামলা চালায়। কর্মচারী তানভীর মল্লিক, মোঃ সাইফুল ইসলাম ও মোঃ রেজোয়ান উদ্ধার করতে গেলে তাদেরকেও মারধর করা হয়। এ ঘটনায় মালিকসহ তিনজন গুরুতর আহত হন। এছাড়া অভিযুক্তরা কর্মচারীদের কাছে থাকা বিক্রয় নগদ অর্থ প্রায় ৫ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায়—এই অভিযোগও এজাহারে উল্লেখ আছে।

    মুর্শিদ কুলি খান বলেন, পুলিশ প্রধান আসামীকে গ্রেফতার করেছে, বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ তৎপর রয়েছে। ডিপো থেকে তেল সরবরাহ পাওয়ার পর পাম্প খোলার প্রস্তুতি নেওয়া হবে।

    বাগেরহাট মডেল থানা থেকে উপ-পরিদর্শক (এসআই) শহিদুল ইসলাম বলেন, খানজাহান আলী ফিলিং স্টেশনে সংঘটিত মারধরের মামলায় নমুনা এজাহারনামীয় এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের ধরতে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে এবং দ্রুত গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

  • বিসিবি ঘোষণা নতুন নির্বাচক প্যানেল: প্রধান নির্বাচক কাজী হাবিবুল বাশার

    বিসিবি ঘোষণা নতুন নির্বাচক প্যানেল: প্রধান নির্বাচক কাজী হাবিবুল বাশার

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সোমবার নতুন জাতীয় দলের নির্বাচক প্যানেল ঘোষণা করেছে। পরিচালনা বিভাগের এক বিজ্ঞপ্তিতে সাবেক অধিনায়ক কাজী হাবিবুল বাশারকে প্রধান নির্বাচক হিসেবে নিয়োগের খবর জানানো হয়।

    ৫৩ বছর বয়সী বাশার আগে বাংলাদেশের পুরুষ ও নারী দলের নির্বাচক হিসেবে কাজ করেছেন। খেলোয়াড়ি জীবনে তিনি দলের একজন ভরসাযোগ্য ব্যাটসম্যান হিসেবে পরিচিত ছিলেন এবং টেস্ট ক্রিকেটে উল্লেখযোগ্য রান করেছিলেন।

    নতুন প্যানেলে বাশারের সঙ্গে রয়েছেন সাবেক পেসার হাসিবুল হোসেন। হাসিবুল ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর থেকে গাজী আশরাফ হোসেনের নেতৃত্বাধীন পূর্ববর্তী নির্বাচক প্যানেলের সদস্য ছিলেন এবং সময়ের সঙ্গে তিনি নির্বাচনী কাজের অভিজ্ঞতা জমিয়েছেন।

    প্যানেলে আরও যুক্ত হয়েছেন নাঈম ইসলাম ও নাদিফ চৌধুরী। ৩৯ বছর বয়সী নাঈম ইসলামের ক্যারিয়ার প্রায় দুই দশক ধরে চলে এসেছে; সব ফরম্যাট মিলিয়ে তিনি ব্যাপক রান করেছেন এবং প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ৩৪টি সেঞ্চুরি তুলেছেন, যা দেশের খেলোয়াড়দের মধ্যে নজরকাড়া এক রেকর্ড।

    অপরদিকে ৩৮ বছর বয়সী নাদিফ চৌধুরীরও রয়েছে দুই দফা দশকের দীর্ঘ আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় ক্রিকেট অভিজ্ঞতা। তিনি দেশের হয়ে টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন এবং বিদায়ের পর বয়সভিত্তিক স্তরে নির্বাচক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে চলেছেন।

    নতুন এই নির্বাচক প্যানেলের মেয়াদ নির্দিষ্ট করা হয়েছে আগামী ২০২৭ সালের আইসিসি পুরুষ ক্রিকেট বিশ্বকাপের দল চূড়ান্ত করা পর্যন্ত। বিসিবি আশা করছে, এই শক্তিশালী ও অভিজ্ঞ প্যানেল দেশের টপ স্তরের দল গঠন ও প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটকে আরও মজবুত করবে।