Blog

  • সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ জনকে আজ হাজির করা হচ্ছে ট্রাইব্যুনালে

    সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ জনকে আজ হাজির করা হচ্ছে ট্রাইব্যুনালে

    জুলাই-আগস্টের গণহত্যার মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হচ্ছে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ আসামিকে। 

    আজ সোমবার সকালে কড়া নিরাপত্তায় তাদেরকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হবে। এদিকে গণহত্যার মামলার তদন্তের সময় বৃদ্ধির জন্য আবেদন জানাবে তদন্ত সংস্থা। সংস্থার পক্ষে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট এম তাজুল ইসলাম আজ এ আবেদন জানাবেন। বিচারপতি মো. গোলাম মূর্তজা মজুমদারের সভাপতিত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালে আবেদনের উপর শুনানি হবে। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

    ট্রাইব্যুনালে যাদেরকে হাজির করা হচ্ছে এরা হলেন: আনিসুল হক, ড. আব্দুর রাজ্জাক, শাজাহান খান, সালমান এফ রহমান, গোলাম দস্তগীর গাজী, কামাল আহমেদ মজুমদার, লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান, ড. দীপু মনি, রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু, জুনাইদ আহমেদ পলক, তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী (বীর বিক্রম), সাবেক বিচারপতি এইচ এম শামসুদ্দীন চৌধুরী মানিক ও সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিব জাহাঙ্গীর আলম।

    এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট এম তাজুল ইসলাম ইত্তেফাককে বলেন, গণহত্যার মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারিকৃতদের মধ্যে গ্রেফতার হওয়া ১৪ অভিযুক্তকে আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করার জন্য আদেশ রয়েছে। ঐ আদেশ মোতাবেক কারা কর্তৃপক্ষ তাদেরকে হাজির করবে। তিনি বলেন, গণহত্যার মামলা তদন্তের জন্য সময় দিয়েছিল ট্রাইব্যুনাল। যেহেতু তদন্ত শেষ হয়নি সেহেতু সময় বৃদ্ধির আবেদন দেওয়া হবে। কোটা সংস্কার ও সরকার পতনের আন্দোলন দমাতে নিরস্ত্র ছাত্র-জনতাকে সমূলে বা আংশিক নির্মূলের লক্ষ্যে হত্যা, গণহত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের মামলায় গত ১৭ অক্টোবর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সরকারের সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে ট্রাইব্যুনাল। ২৭ অক্টোবর পরোয়ানাভুক্তদের মধ্যে ২০ জনকে ট্রাইব্যুনালের মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। এদের মধ্যে ১৪ জনকে আজ এবং ছয় পুলিশ কর্মকর্তা সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন, বরখাস্ত মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, সাবেক ঢাকা জেলার এডিসি (এসপি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত ছিলেন) আব্দুল্লাহ হিল কাফী, সাবেক এডিসি আরাফাতুল ইসলাম, যাত্রাবাড়ী থানার সাবেক ওসি আবুল হাসান এবং গুলশান থানার সাবেক ওসি মাজহারুল ইসলামকে ২০ নভেম্বর ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ রয়েছে। এদিকে ২৭ অক্টোবর ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, র‍্যাবের সাবেক ডিজি হারুন-অর রশিদ, এসবির সাবেক প্রধান মনিরুল ইসলাম, ডিবির সাবেক প্রধান হারুনুর রশিদ, বিপ্লব কুমার সরকার, সাবেক এডিসি ইকবাল হোসেনসহ আরো ১৭ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করা হয়।

    তদন্ত সংস্থা ও প্রসিকিউশনের অভিযোগে যা বলা হয়েছে : কোটা সংস্কারের অহিংস আন্দোলন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সহিংস হয়ে উঠে। একই সঙ্গে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরস্ত্র ছাত্র-ছাত্রীদের ওপর নির্মমভাবে হামলা চালায়। এই হামলার ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকাসহ দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামে। সংঘর্ষ হয় ছাত্রলীগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে। ১৬ জুলাই রংপুরে পুলিশের গুলিতে শিক্ষার্থী আবু সাঈদসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আরও ছয় জন মারা যান। ফলে কোটা সংস্কার আন্দোলন সরকার পতনের আন্দোলনে রূপ নেয়। এই আন্দোলনে একসময় শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ যোগ দেয়। কমপ্লিট শাটডাউন, অসহযোগ আন্দোলন দমাতে জারি করা হয় কারফিউ। কিন্তু তাতে দমে যায়নি ছাত্র-জনতা। এই ছাত্র-জনতাকে সমূলে বা আংশিক নির্মূলের উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ নির্দেশনায় নির্বিচারে গুলি চালায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এর সঙ্গে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠন এবং ১৪ দলীয় জোটের ক্যাডার বাহিনী যোগ দেয়। এতে দেড় সহস্রাধিক ছাত্র-জনতাকে হত্যা করা হয়। আহত হয় ২৩ হাজারের অধিক শিক্ষার্থী ও জনতা। আহত অনেকে চিরতরে পঙ্গু ও দৃষ্টি শক্তি হারিয়েছেন।

    এর পরেও দমানো যায়নি আন্দোলনকারীদের। তারা ৫ আগস্ট গণভবনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। পদত্যাগ করে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পরেও পূর্ব নির্দেশনা অনুযায়ী ঐদিন গভীর রাত পর্যন্ত হত্যা, গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী এবং ১৪ দলীয় জোটের ক্যাডাররা। এসব অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে জুলাই-আগস্ট গণহত্যার মামলায়।

    প্রসঙ্গত গণঅভ্যুত্থানের মুখে গত ৫ আগস্ট দেশত্যাগ করেন শেখ হাসিনা। ৮ আগস্ট নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যাত্রা শুরু করে। এরপর ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, এমপি, বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে শত শত হত্যা মামলা দায়ের হয়। এর মধ্যে বেশ কিছু মামলায় গ্রেফতার হয়ে আগস্ট মাস থেকে কারাগারে আছেন ট্রাইব্যুনালের পরোয়ানাভুক্ত আসামিরা। অক্টোবর মাসে সরকার পুনর্গঠন করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। শেখ হাসিনাসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির মধ্য দিয়ে গত ১৭ অক্টোবর যাত্রা শুরু করে ট্রাইব্যুনাল। ইতিমধ্যে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রেড অ্যালার্ট জারি করতে ইন্টারপোলের কাছে চিঠি দিয়েছে চিফ প্রসিকিউটর।

  • দীপু মনির সুপারিশে মাউশিতে তিন হাজার পদায়ন

    দীপু মনির সুপারিশে মাউশিতে তিন হাজার পদায়ন

    সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির ইশারায় নিয়োগ পান প্রায় তিন হাজার ১৮৩ কর্মকর্তা-কর্মচারী। দীপু মনি সিন্ডিকেটের বলয়ে তারা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) চাকরি পান। এর জন্য উচ্চ মহলের সুপারিশসহ তাদের দিতে হয়েছে ৫ থেকে ১৫ লাখ টাকা। নিয়োগের জন্য যাচ্ছেতাইভাবে পরীক্ষা নেয়া হয় তাদের জন্য। দীপু মনির আমলে চার হাজার ১০৯ জনকে নিয়োগ দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। এখনো চাকরির অপেক্ষায় রয়েছেন ৬১০ জন।

    মাউশি’র এই নিয়োগ পুরোটা সামলেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনির ভাই ডা. জে আর ওয়াদুদ টিপু ও চাঁদপুর পুরান বাজার ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ রতন কুমার মজুমদার। অভিযোগ রয়েছে এই চক্রটির খাতা কলমে বৈধতা দেয়ার কাজ করে গেছেন মাউশি’র কলেজ ও প্রশাসন শাখার পরিচালক শাহেদুল খবির চৌধুরী, প্রশাসন শাখার উপ-পরিচালক বিপুল চন্দ্র বিশ্বাস। বর্তমানে এই দুই কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। টাকার বিনিময়ে নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তারা ২০২৩ সালে দু’দফায় (আগস্ট ও নভেম্বরে) যোগদান করেন।

    মাউশি’র একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীপু মনি শিক্ষার দায়িত্ব হাতে পাবার পরই গড়ে তোলেন সিন্ডিকেট। মাউশিতে নিয়ে আসেন পছন্দের লোকদের। জনপ্রশাসন থেকে নিয়োগের ছাড়পত্র এনে তার আমলে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করেন। এই চক্র এতটাই শক্তিশালী ছিল যে, কেউ প্রশ্ন করার সাহস পর্যন্ত ছিল না। পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন অনেকেই। পরীক্ষায় এমসিকিউ বাতিল করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ’র অধীনে লিখিত পরীক্ষা নেয়ার দাবি তোলা হয়েছিল। কিন্তু তা আমলেই নেয়া হয়নি। এমনকি ভাইবার আগেই এসব প্রার্থীদের দেয়া হয়েছিল চাকরির নিশ্চয়তা।

    সুপারিশের প্রেক্ষিতে চার হাজার ১০৯ জনকে নিয়োগ দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু নানা জটিলতায় আটকে যায় ৬১০ জনের পদায়ন। তবে তাদের পদায়নের জন্য চলতি বছরের জুনে ফল প্রকাশ করা হয়। কিন্তু ছাত্র-জনতার আন্দোলনের তোড়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। যার কারণে আটকে আছে তাদের নিয়োগ। নিয়ম অনুযায়ী দশম থেকে দ্বাদশ গ্রেড পর্যন্ত দ্বিতীয় শ্রেণির পদ, কিন্তু মাউশি’র নিয়োগবিধিতে এই পদগুলোকে তৃতীয় শ্রেণির দেখিয়ে শুধু এমসিকিউ পরীক্ষা নেয়া হয়। ২০২০ সালের অক্টোবরে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে ২৮টি ক্যাটাগরির বিভিন্ন পদের মধ্যে প্রদর্শক পদে ৫১৪টি, গবেষণা সহকারী (কলেজ) পদে ২১টি, সহকারী গ্রন্থাগারিক কাম ক্যাটালগার পদে ৬৯টি এবং ল্যাবরেটরি সহকারী পদে ৬টি পদ উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এসব পদের বিপরীতে পরীক্ষা ২০২১ সালের আগস্ট ও অক্টোবরে অনুষ্ঠিত হয়। পরিদর্শক পদের ফল অনিবার্যকারণবশত স্থগিত করা হয়েছিল। সেই পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয় ২০২৪ সালের এপ্রিলে। এতে প্রায় আট হাজার প্রার্থী উত্তীর্ণ হন। মে মাসে ভাইবা শেষে জুনে নির্বাচিতদের ফল প্রকাশ করা হয়। কিন্তু পরবর্তীতে পরিস্থিতির কারণে আটকে আছে এই ৬১০ জনের নিয়োগ। চাকরি পাওয়াদের মধ্যে রয়েছেন কম্পিউটার অপারেটর ৯ জন, উচ্চমান সহকারী ৮৫ জন, ক্যাশিয়ার ১১৯ জন, স্টোরকিপার ৫০ জন, হিসাব সহকারী ১০৬ জন, অফিস সহকারী ৫১৩ জন, মেকানিক ৩৩ জন, গাড়িচালক ১১ জন, বুক সর্টার ৪৬ জন, অফিস সহায়ক ১৭০৪ জন, নিরাপত্তা প্রহরী ২৪৭ জন, মালী ৯৭ জন, পরিচ্ছন্নকর্মী ১৬৩ জন। অন্যদিকে তালিকায় নিয়োগের অপেক্ষায় রয়েছেন প্রদর্শক পদে পদার্থবিদ্যায় ১০৯ জন, রসায়নে ১২০ জন, জীববিজ্ঞানে ৩১ জন, প্রাণিবিদ্যায় ১০৯ জন, উদ্ভিদবিদ্যায় ৯৬ জন, ভূগোলে ১৩ জন, মৃত্তিকায় ৫ জন, গণিতে ২২ জন, গার্হস্থ্য বিজ্ঞানে ৮ জন, কৃষিতে একজন, গবেষণা সহকারী (কলেজ) ২১ জন, সহকারী গ্রন্থাগারিক ৬৯ জন এবং ল্যাবরেটরি সহকারী ৬ জন।

    এই নিয়োগের বিষয়ে জানতে চাইলে মাউশি মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর এবিএম রেজাউল করীম বলেন, তালিকা ধরে নিয়োগের বিষয়টি আমার জানা নেই। আমি নিয়োগ প্রক্রিয়ার সময়ে দায়িত্বেও ছিলাম না। এটা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন। মন্ত্রণালয় থেকে কোনো নির্দেশনা দেয়া হলে সেটি বাস্তবায়ন করা হবে।

  • সৌদি উপহারের ১২,৫০০ কার্টুন খেজুর: জেলা অনুযায়ী বরাদ্দ তালিকা

    সৌদি উপহারের ১২,৫০০ কার্টুন খেজুর: জেলা অনুযায়ী বরাদ্দ তালিকা

    সৌদি আরবের ‘কিং সালমান হিউম্যানিটারিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টার’ থেকে উপহারে পাওয়া মোট ১২,৫০০ কার্টুন খেজুর দেশের বিভিন্ন জেলায় বরাদ্দ করেছে সরকার। এসব খেজুর জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে বিতরণের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে।

    সম্প্রতি এ সংক্রান্ত নির্দেশনা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে পাঠানো হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, নির্ধারিত তালিকা অনুযায়ী জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে এসব খেজুর স্থানীয় পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়া হবে।

    বরাদ্দের বিস্তারিত জেলা অনুযায়ী নিম্নরূপ:

    ঢাকা বিভাগ: ঢাকা ২৯৭, নারায়ণগঞ্জ ১০১, গাজীপুর ১০৩, মুন্সিগঞ্জ ১৮০, মানিকগঞ্জ ১৭১, নরসিংদী ১৮৮, টাঙ্গাইল ৩১৮, কিশোরগঞ্জ ২৮৭, ফরিদপুর ২১৪, গোপালগঞ্জ ১৭৫, মাদারীপুর ১৫৭, শরীয়তপুর ১৭৩ ও রাজবাড়ী ১১০ কার্টুন।

    ময়মনসিংহ বিভাগ ও পার্শ্ববর্তী জেলা: ময়মনসিংহ ৩৮৪, নেত্রকোনা ২২৬, জামালপুর ১৭৭ ও শেরপুর ১৩৭ কার্টুন।

    চট্টগ্রাম বিভাগ ও পার্বত্য অঞ্চল: চট্টগ্রাম ৫১৮, কক্সবাজার ১৮৭, রাঙ্গামাটি ১৩০, খাগড়াছড়ি ৯৭, বান্দরবান ৯০, কুমিল্লা ৫২০, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৬৭, চাঁদপুর ২৩৫, নোয়াখালী ২৪৩, লক্ষ্মীপুর ১৫৪ ও ফেনী ১১২ কার্টুন।

    রাজশাহী বিভাগ: রাজশাহী ১৯০, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ১১৬, নওগাঁ ২৫৯, নাটোর ১৩৫, পাবনা ১৯৬, সিরাজগঞ্জ ২২১, বগুড়া ২৯১ ও জয়পুরহাট ৮১ কার্টুন।

    রংপুর বিভাগ: রংপুর ২০১, কুড়িগ্রাম ১৯২, নীলফামারী ১৬১, গাইবান্ধা ২১৪, লালমনিরহাট ১১৬, দিনাজপুর ২৭৪, ঠাকুরগাঁও ১৪১ ও পঞ্চগড় ১১২ কার্টুন।

    খুলনা বিভাগ: খুলনা ১৮২, বাগেরহাট ২০৩, সাতক্ষীরা ২০৭, যশোর ২৪৭, ঝিনাইদহ ১৭৫, মাগুরা ৯২, নড়াইল ১০১, কুষ্টিয়া ১৭৪, মেহেরপুর ৫১ ও চুয়াডাঙ্গা ১০৫ কার্টুন।

    বরিশাল ও সিলেট বিভাগ: বরিশাল ২৩৪, পটুয়াখালী ২০২, ভোলা ১৮৭, পিরোজপুর ১৩৯, বরগুনা ১১০, ঝালকাঠি ৮২; সিলেট ২৯০, হবিগঞ্জ ২০৬, মৌলভীবাজার ১৭৮ ও সুনামগঞ্জ ২৩৪ কার্টুন।

    অন্যান্য বিশেষ বরাদ্দ: ঢাকায় মাস্তুল ফাউন্ডেশনকে ১৮৫ কার্টুন, ঢাকাস্থ সৌদি আরব দূতাবাসকে ৫০ কার্টুন এবং চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষকে ১৫ কার্টুন খেজুর আলাদা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

    সরকারি সূত্র বলছে, নির্ধারিত তালিকা অনুযায়ী দ্রুত এসব খেজুর জেলা ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোতে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে, যাতে তা তৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনমত বিতরণ করা যায়।

  • মন্ত্রী ও এমপিদের চলনে মার্জিত ও সতর্ক থাকতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী

    মন্ত্রী ও এমপিদের চলনে মার্জিত ও সতর্ক থাকতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী

    বিএনপির চেয়ারম্যান, সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের চলনে-বলনে মার্জিত ও সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। বুধবার (১১ মার্চ) জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বিএনপির সংসদীয় দলের সভায় তিনি এ বক্তব্য দেন।

    সভায় উপস্থিত কয়েকজন সংসদ সদস্য জানান, গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময়ও মন্ত্রী ও এমপিদের সতর্ক থাকতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বিশেষ করে জোর দিয়ে বলেছেন, প্রত্যেকে তার দায়িত্বসীমার মধ্যে থেকে বক্তব্য দেবেন এবং ব্যক্তিগতভাবে দায়িত্ব ছেড়ে অপ্রয়োজনে মন্তব্য করবেন না।

    সভা সকাল সোয়া ১১টায় তারেক রহমানের সভাপতিত্বে শুরু হয়ে বেলা ১টায় শেষ হয়। সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন। পরে বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বক্তব্য দেন। মঞ্চে তারেক রহমানের এক পাশে ছিলেন মির্জা ফখরুল এবং অপর পাশে চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি। সভায় মোট ২০৯ জন সংসদ সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

    প্রধানমন্ত্রী সভায় দলনের নানাবিধ জনকল্যাণমুখী কর্মসূচি ও ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের নির্দেশনা দিয়েছেন। বিশেষভাবে তিনি দলের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির কথা তোলেন এবং বলেন, এ নিয়ে অনেক কথাবার্তা হয়েছে; তবু আমরা ভোটের আগেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করে দিয়েছি। এভাবেই বিএনপিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে, জনগণ এই দলটাকেই দেখতে চায়—এমনটাই তার প্রকাশ।

    প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, দ্রুত সময়ের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম শুরু করা হবে এবং পাশাপাশি সারাদেশে খাল খনন কর্মসূচি হাতে নেওয়া হবে। সামনে ডেঙ্গু মৌসুমকে বিবেচনায় রেখে পরিচ্ছন্নতায় বাড়তি যত্ন নিতে সবাইকে নির্দেশ দেন তিনি।

    সভায় তিনি জেলাগুলোর অফিস সময় ও নিয়মিত উপস্থিতির ওপরও গুরুত্ব আরোপ করেন, বিশেষ করে মন্ত্রণালয়ের তরুণ সদস্যদের নিয়ন্ত্রিত সময়ানুবর্তিতা নিশ্চিত করার দাবিতে জোর দেন। তিনি বলেন, মন্ত্রিসভায় জ্যেষ্ঠরা রয়েছেন—তবু তরুণদের সকাল নয়টার মধ্যে অফিসে প্রবেশ করতে হবে এবং অফিস যাতায়াতে ট্রাফিক আইন মেনে চলতেও সবাইকে অনুরোধ করা হয়েছে; নিজেরাও তা মানেন বলেও তিনি সভায় উল্লেখ করেন।

    জুলাইয়ের জাতীয় সনদ সংক্রান্ত প্রসঙ্গ তুলते তিনি বলেন, সনদ সংক্রান্ত কিছু বিষয়ে বিভিন্ন পক্ষের ‘নোট অব ডিসেন্ট’ আছে; যেখানে সরকার বাস্তবায়নযোগ্য মনে করবে, সেগুলো হাতে নেওয়া হবে।

    অবশেষে প্রধানমন্ত্রী দৈনন্দিন জীবনযাপনে কৃচ্ছ্রসাধনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, বিশ্ব রাজনীতিতে মধ্যপ্রাচ্য—বিশেষ করে ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের উত্তেজনার কারণে বিশ্ব অর্থনীতিতে চাপ তৈরি হচ্ছে; তাই অর্থনীতির প্রভাব মাথায় রেখে সংযমী জীবনযাপন জরুরি।

  • সোনার দাম ভরিতে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমলো

    সোনার দাম ভরিতে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমলো

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) ঘোষণা করেছে, সোনার দাম সর্বোচ্চ ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা পর্যন্ত কমানো হয়েছে। ফলে ভালো মানের ২২ ক্যারেট সোনার এক ভরির দাম দুই লাখ ৬৫ হাজার টাকার নীচে নেমে এসে দাঁড়িয়েছে — নতুন নির্ধারিত দাম এক ভরি প্রতি দুই লাখ ৬৪ হাজার ৯৪৮ টাকা।

    বাজুস সোমবার (০৯ মার্চ) এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানায় এবং উল্লেখ করে যে নতুন দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে। সংগঠনটি জানিয়েছে, তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার আন্তর্জাতিক/স্থানীয় দাম কমায় স্থানীয় বাজারে মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে।

    নির্ধারিত নতুন দামের বিবরণ ওষুধানুসারে:

    – ২২ ক্যারেট: এক ভরি ২,৬৪,৯৪৮ টাকা

    – ২১ ক্যারেট: এক ভরি ২,৫২,৮৭৬ টাকা

    – ১৮ ক্যারেট: এক ভরিতে ২,১৬,৭৭৫ টাকা

    – সনাতন পদ্ধতি অনুযায়ী: এক ভরিতে ১,৭৬,৯৪৩ টাকা

    রুপার দামও কমে গিয়েছে। প্রতি ভরির রুপার মূল্য এখন:

    – ২২ ক্যারেট: ৬,৩৫৭ টাকা

    – ২১ ক্যারেট: ৬,০৬৫ টাকা

    – ১৮ ক্যারেট: ৫,১৯০ টাকা

    – সনাতন পদ্ধতি: ৩,৯০৭ টাকা

    আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটেও ওঠানামা দেখা গেছে। গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি অনুসারে বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স সোনার দাম ৫,০৯০ ডলার; গতকাল ছিল ৫,১৭০ ডলার। এর আগে ৩০ জানুয়ারি ছিল ৫,২০০ ডলার এবং ২৯ জানুয়ারি ৫,৫৫০ ডলার।

    উল্লেখ্য, গত মাসের শেষদিকে বিশ্ববাজারে সোনার দর দ্রুত বাড়ার প্রভাবে দেশে দামও রেকর্ড পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। ২৯ জানুয়ারিতে এককভাবে ভরিপ্রতি ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বাড়িয়ে বাজুস ২২ ক্যারেট সোনার দাম এক ভরিতে ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকায় ঘোষণা করেছিল, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ছিল।

  • সোনার দাম চড়লো: এক ভরি ২২ ক্যারেট ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০ টাকা

    সোনার দাম চড়লো: এক ভরি ২২ ক্যারেট ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০ টাকা

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) টানা দ্বিতীয় দিনের মতো সোনার দাম বাড়িয়েছে। বুধবার (১১ মার্চ) সকালে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি জানিয়েছে, ভরিতে দুই হাজার টাকার বেশি বৃদ্ধি করে ২২ ক্যারেট সোনার দাম নতুনভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০ টাকা। নতুন এই দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর করা হয়েছে।

    বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্য বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে দামসমূহ পুনঃনির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন মূল্য অনুযায়ী এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম ভাগভিত্তিক হল— ২২ ক্যারেট: ২,৭০,৪৩০ টাকা; ২১ ক্যারেট: ২,৫৮,১২৪ টাকা; ১৮ ক্যারেট: ২,২১,২৬৬ টাকা; এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি: ১,৮০,৬১৭ টাকা।

    একই সঙ্গে রূপার দামও বাড়ানো হয়েছে। ভরিতে ১৭৫ টাকা বৃদ্ধি করে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ধার্য করা হয়েছে ৬,৭০৭ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেট প্রতি ভরি রুপার দাম ৬,৪১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট প্রতি ভরি ৫,৪৮২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৪,০৮২ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।

    দামের এই পরিবর্তন গ্রাহক ও ব্যবসায়ীদের বাজারে চাহিদা-সাপ্লাই ও বিক্রয়ের ওপর প্রভাব ফেলে— এমনটাই মনে করছেন বিক্রেতারা। বাজুসের ঘোষণা অনুযায়ী নতুন মূল্য নবায়িত বাজার অবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নেওয়া হয়েছে।

  • শ্রীলঙ্কার আদালত ইরানকে ৮৪ নাবিকের মরদেহ হস্তান্তর করতে নির্দেশ দিল

    শ্রীলঙ্কার আদালত ইরানকে ৮৪ নাবিকের মরদেহ হস্তান্তর করতে নির্দেশ দিল

    গত সপ্তাহে শ্রীলঙ্কার একটি আদালত দেশটির উপকূলে ইরানি যুদ্ধজাহাজে হামলায় নিহত ৮৪ নাবিকের মরদেহ ইরানীয় দূতাবাসকে হস্তান্তর করার নির্দেশ দিয়েছে। স্থানীয় গণমাধ্যম এ তথ্য বুধবার (১১ মার্চ) জানিয়েছে।

    ঘটনাস্থলে থাকা সূত্র ও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধজাহাজ আইআরআইএস ডেনা যুক্তরাষ্ট্রের একটি সাবমেরিনের টর্পেডো আঘাতের ফলে ধ্বংসর সন্ধানে পড়েছিল। জাহাজটি তখন ভারত আয়োজিত সামরিক মহড়া থেকে ফিরছিল। হামলার পর আন্তর্জাতিক তেলমূল্যের ওঠানামা দেখা গেছে ও বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডে ব্যাঘাত দেখা দিয়েছে।

    গালের কর্তৃপক্ষ (গাল হাবর পুলিশ) লাশ হস্তান্তরের জন্য আদালতে আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করে। নিহতদের মরদেহগুলো বর্তমানে গালের ন্যাশনাল হাসপাতালের মর্গে রাখা আছে। হামলায় কর্মরত আইআরআইএস ডেনা থেকেও ৩২ জন বেঁচে গেছেন।

    একই সময় শ্রীলঙ্কা আইআরআইএস বুশেহর নামে দ্বিতীয় ইরানি জাহাজের ২০৮ জন ক্রুকে ৩০ দিনের ভিসা দিয়েছে; তারা উপকূলে ইঞ্জিন সমস্যা দেখা দেওয়ার কারণে দেশটিতে ভিড়েছিল। প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমার ডিসানায়কে জানান যে দ্বিতীয় জাহাজটি পরে ত্রিঙ্কোমালিতে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। এ ছাড়া দক্ষিণ ভারতের একটি বন্দরে আইআরআইএস লাভান নামের তৃতীয় ইরানি জাহাজ ১৮৩ ক্রু নিয়ে নোঙ্গর করে আছে।

    উল্লেখ্য, শ্রীলঙ্কার জন্য উভয় দেশই — যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান — গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক অংশীদার। যুক্তরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কার পোশাক রপ্তানির প্রায় ৪০ শতাংশ ভাগীদার এবং ইরান শ্রীলঙ্কার অন্যতম প্রধান চা ক্রেতা।

  • দুবাই বিমানবন্দরের কাছে দু’টি ড্রোন বিধ্বস্ত; বাংলাদেশিসহ ৪ জন আহত

    দুবাই বিমানবন্দরের কাছে দু’টি ড্রোন বিধ্বস্ত; বাংলাদেশিসহ ৪ জন আহত

    সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ঠিক কাছে দু’টি ড্রোন বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনা ঘটে; এতে চারজন আহত হয়েছেন। দুবাই মিডিয়া অফিস এক্সে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, দুর্ঘটনায় দুইজন ঘানার নাগরিক ও একজন বাংলাদেশি সামান্য আহত হয়েছেন এবং একজন ভারতীয় নাগরিক মাঝারি পর্যায়ের আহত হয়েছেন।

    বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে আহতরা তাদের কর্মী এবং সবারই তৎক্ষণাত চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। ঘটনার পরও বিমানবন্দরের মধ্যে বিমান চলাচল আপাতত স্বাভাবিক রয়েছে। নিরাপত্তা জরুরি পরিকল্পনা অনুসরণ করে আগেই অধিকাংশ টার্মিনাল থেকে যাত্রীরা সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল বলে কর্তৃপক্ষ জানায়।

    আরও বলা হয়েছে, যাত্রীদের ফ্লাইট নিশ্চিত হওয়া না হওয়া পর্যন্ত বিমানবন্দরে এসে ভিড় না করতে অনুরোধ করা হয়েছে, কারণ যেকোনো সময় ফ্লাইটের সূচী পরিবর্তিত হতে পারে।

    প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলি হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকারের তথ্যে এসব হামলায় এখন পর্যন্ত তিন জন নিহত এবং শতাধিক লোক আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একজন বাংলাদেশি, একজন পাকিস্তানি ও একজন নেপালের নাগরিক রয়েছেন; আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

    ইরানি হামলা শুরুর পর থেকে বিশ্বের সবচেয়ে ব্যস্ততম আকাশবন্দরগুলোর এক—দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য বন্দরগুলোতেও বিমান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে। কিছু ফ্লাইট পুনরায় চালু করা হলেও এয়ারলাইনগুলো এখনও পুরো সক্ষমতায় পরিচালনা শুরু করতে পারেনি।

    সূত্র: গালফ নিউজ

  • সাতক্ষীরায় পাঁচ মন্দিরে দুঃসাহসিক চুরি, ২০ লাখ টাকার মালামাল লুট

    সাতক্ষীরায় পাঁচ মন্দিরে দুঃসাহসিক চুরি, ২০ লাখ টাকার মালামাল লুট

    সাতক্ষীরায় পুরাতন শহর এলাকায় একাধিক মন্দিরে দুর্জনদের দুঃসাহসিক চুরি ঘটেছে। বুধবার (১১ মার্চ) ভোরের দিকে প্রায় পাঁচটি মন্দিরের তালা ভেঙে নগদ টাকা ও দেবীপূজায় রাখা স্বর্ণ-রূপা সহ আনুমানিক ২০ লাখ টাকার মালামাল লুট করেছে অজ্ঞাত চোরেরা।

    জেলা মন্দির সমিতির সাধারণ সম্পাদক নিত্যানন্দ আমিন জানান, রাতে মন্দির এলাকায় ওঠা-নামা করা কিছু ছাত্র ভোর সাড়ে তিন থেকে চারটার দিকে চুরির ঘটনা তাৎক্ষণিকভাবে জানতে পারে এবং খবর দেন। মন্দির কমিটিনিরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দেখেন কালী মন্দির, অন্নপূর্ণা মন্দির, জগন্নাথ মন্দির, চৈতন্যদেব মন্দির ও রাধা-গোবিন্দ মন্দির—all মন্দিরের দরজার তালা কেটে ভেতরটি তছনছ করা হয়েছে।

    তদন্তে জানা গেছে, চোরেরা প্রায় সাত ভরি ওজনের কয়েকটি স্বর্ণদাগী গয়না, বিভিন্ন ওজনের রূপার গয়না, নগদ টাকাসহ মন্দিরের প্রতিমা ও উপস্থাপনার জন্য রাখা মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে গেছে। চুরির তালিকায় কালীমাতার স্বর্ণের জিহবা, দুটি স্বর্ণের বালা, দুটি জোড়া পেটি, দুই জোড়া শাখা, একটি স্বর্ণের চেইন, একটি নথ টানা এবং অন্যান্য রূপার গহনা রয়েছে। মন্দির সমিতি বদরাই এটি আনুমানিক মূল্যায়ন করেছেন প্রায় ২০ লাখ টাকা।

    ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পুলিশ একটি তালা কাটার মেশিন উদ্ধার করেছে। সাতক্ষীরা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং তদন্ত চলছে।

    মন্দির সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য দীপা সিন্দু তরফদার বলেন, দুই দিন আগে শহরের কাটিয়া কর্মকারপাড়া এরাকা এলাকায় ও একটি মন্দিরে চুরির ঘটনা ঘটেছিল। বারবার ঘটে যাওয়া এসব চুরির ঘটনায় স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। তিনি দ্রুত দোষীদের গ্রেফতার, চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার ও মন্দিরগুলোর নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানান।

    পুলিশের দাবি, ঘটনার সঠিক পরিধি ও দায়ীদের শনাক্ত করে দ্রুত তদন্ত শেষে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে এবং খোঁজখবর করে মালামাল উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

  • ওয়ানডেতে পাকিস্তানকে সর্বনিম্ন রানে অলআউট করে জয়ী বাংলাদেশ

    ওয়ানডেতে পাকিস্তানকে সর্বনিম্ন রানে অলআউট করে জয়ী বাংলাদেশ

    কয়েক মাসের বিরতির পরে ওয়ানডে দলে ফিরে বাংলাদেশ শুরুতেই প্রমাণ করলো কেন তারা বিপক্ষের জন্য শক্ত প্রতিপক্ষ। পাকিস্তানকে তাদের ওয়ানডে ইতিহাসে বাংলাদেশের বিপক্ষে সর্বনিম্ন স্কোরে—৩০.৪ ওভারে ১১৪ রানে—all out করে রাখে টাইগাররা। ব্যাটিং ও বোলিং—দুয়েতেই আধিপত্য ছিল বাংলাদেশের।

    পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৭ রান করেন ফাহিম আশরাফ। বাংলাদেশের নাহিদ দুর্দান্ত বোলিং করে ২৪ রানে ৫ উইকেট নিয়েছেন এবং দিনের নায়ক হয়ে উঠেন। জবাবে বাংলাদেশ মাত্র ১৫.১ ওভারে দুই উইকেট হারিয়ে ডক গুটিয়ে নেয়।

    চেজ শুরুতেই ওপেনার সাইফ হাসান মাত্র ৪ রানে ফিরলেও দ্রুতই তানজিদ হাসান তামিম নেতৃত্বে দল এগোতে থাকেন। উদ্বোধনী জুটিতে ৪১ রানের আদায় হলেও সাইফের আগে ফেরায় জুটি ভেঙেছিল। এরপর তামিম একাই ইনিংসটি তুলে নেন—খুব আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে মাত্র ৩২ বলেই ফিফটি পূরণ করেন এবং শেষে ৬৭ রানে অপরাজিত ছিলেন। তার নির্ভরযোগ্য ইনিংসে বাংলাদেশ সহজেই লক্ষ্যে পৌঁছায়।

    পাকিস্তানের ইনিংস শুরুতে তাসকিন আহমেদ ও মুস্তাফিজুর রহমান মিতব্যয়ী বোলিং করলেও উইকেট না পাওয়া একথাই তাদের দুর্ভাগ্য ছিল। সপ্তম ওভারেই স্পিন নিয়ে এসে অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ কিছুটা চাপ সৃষ্টি করলেও বড় ব্রেকথ্রু আসে তরুণ পেসার নাহিদের হাতে। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে তাসকিন সরিয়ে নাহিদ বোলিং করেছেন এবং ওভারেই দলের প্রথম বড়সড় সফলতা এনে দেন; ওভারটির শেষ বলে সাহিবজাদা ফারহানকে পয়েন্টে আফিফ হোসেনের হাতে ধরা পড়ে ফেলেন।

    এরপর নাহিদ পরপর চার ওভারেই উইকেট তুলে নিতে থাকেন—শ্যামল হোসাইন, মাজ সাদাকাত, মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলি আগাকে সাজঘরে ফেরান এই ডানহাতি পেসার। পাকিস্তানের টপ অর্ডার ভেঙে ফাইভার পূরণ করে নাহিদ; এটি তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম ফাইভ-উইকেট।

    ১৯তম ওভারে মিরাজও যোগ দেন উইকেট পার্টিতে—ওভারের শেষ বলে আব্দুল সামাদকে লিটনের গ্লাভসে ধরা দেন। পরের দিকে হোসেন তালাতকে ফেরান মিরাজ; ২৩তম ওভারের প্রথম বলে তাকে এলবিডব্লিউ করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক এবং একই ওভারের শেষ বলে শাহিন আফ্রিদিকেও ফিরিয়ে দেন মিরাজ।

    দ্বিতীয় স্পেলে ফিরে তাসকিন ওয়াসিমকে ধরিয়ে দেন—২৪তম ওভারের পঞ্চম বলে প্রথম স্লিপে নাজমুল হোসেন শান্তের হাতে ধরা পড়েন মোহাম্মদ ওয়াসিম।

    শেষ দিকে নবম উইকেট পর পর হলে (৮২ রানে) পাকিস্তান একশর আগেই অলআউট হওয়ার শঙ্কায় পড়ে, তবে ফাহিম আশরাফ কিছুটা লড়াই করে যান। আবরার আহমেদের সঙ্গে শেষ উইকেটে ৩২ রানের জুটি গড়ার সহায়তায় পাকিস্তান টিম কিছুটা রেসপেক্টেবল স্কোর পায়, কিন্তু শেষ পর্যন্ত ১১৪ রানে আলআউট হয়।

    সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশ বোলিং, ফিল্ডিং ও তামিমের ঝড়ো ব্যাটিং—এসব মিশিয়ে স্মরণীয় ভাবেই ওয়ানডেতে ফিরে শক্তিশালী জয় তুলে নিল।

  • নাহিদ রানার প্রথম ওয়ানডে ফাইভ-ফরে পাকিস্তান অলআউট ১১৪ রানে

    নাহিদ রানার প্রথম ওয়ানডে ফাইভ-ফরে পাকিস্তান অলআউট ১১৪ রানে

    মিরপুরের ধীরগতির উইকেটে সাধারণত স্পিনারদের সুবিধাই চোখে পড়ে। তবু আজ সেই মাটিতে ঝড় তুললেন তরুণ পেসার নাহিদ রানা। গতিশীলতা আর ওপারের বাউন্সকে কাজে লাগিয়ে নাহিদ যেন পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনকে ছেঁটে দিলেন; ক্যারিয়ারের প্রথম ওয়ানডে ফাইভ-ফার ঠিক করলেন তিনি।

    টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তান সবকটি উইকেট হারিয়ে ৩০.৪ ওভারে ১১৪ রানে অলআউট হয়। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৭ রানের ইনিংস খেলেন ফাহিম আশরাফ। বাংলাদেশের পক্ষে রানের বিনিময়ে পাঁচটি উইকেট পেয়েছেন নাহিদ রানা, আর অন্যান্য বোলাররাও সমানভাবে কাজ করেছেন।

    নতুন বল হাতে মিতব্যয়ী বোলিং দেখিয়েছেন তাসকিন আহমেদ ও মুস্তাফিজুর রহমান, কিন্তু প্রথম সময় তাঁদের কেউই উইকেট নিতে পারেননি। তাই ইনিংসের সপ্তম ওভার থেকে ঢাকা দল স্পিন আক্রমণ নিয়েছিল—তবে তা অনপরে ফল দেয়নি। অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ নিজে বল হাতে নামলেও প্রথম দফায় উইকেট পাননি তিনি।

    পাওয়ারপ্লের শেষ ওভারে তাসকিনকে তুলে নেন মিরাজ এবং দায়িত্বের বলটা নেওয়া হয় নাহিদের হাতে। ওভারের শেষ বলে সাহিবজাদা ফারহান কাট করতে গিয়ে পয়েন্টে আফিফ হোসেনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন—এটাই নাহিদের প্রথম সাফল্য। এরপর পরের চার ওভারের প্রতিটিতেই উইকেট নেন নাহিদ; যথাক্রমে শ্যামল হোসাইন, মাজ সাদাকাত, মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলি আগাকে সাজঘরে পাঠান তিনি এবং পাকিস্তানের টপ অর্ডার ভেঙে ফাইভ-ফার পূরণ করেন।

    ১৯তম ওভারে মিরাজও উইকেট ধারায় যোগ দেন; ওভারের শেষ বলে আব্দুল সামাদকে লিটন দাসের গ্লাভসেই ধরে ফেরান তিনি। পরের দিকে ২৩তম ওভারের প্রথম বলে হোসাইন তালতকে এলবিডব্লিউ করে ফেরান মিরাজ এবং একই ওভারের শেষ বলে তিনি শাহিন আফ্রিদিকেও পarap করেন।

    দ্বিতীয় স্পেলে ফিরে তাসকিন এক উইকেট নেন—২৪তম ওভারের পঞ্চম বলে মোহাম্মদ ওয়াসিমকে প্রথম স্লিপে নাজমুল হোসেন শান্তের হাতে ধরা পড়ান তিনি।

    পাকিস্তান ৮২ রানে নবম উইকেট হারানোর পর একশর আগেই অলআউটের ঝুঁকিতে পড়েছিল। তবু ফাহিম আশরাফ কিছুটা লড়াই করে আবরার আহমেদের সঙ্গে শেষ উইকেটে ৩২ রানের জুটি গড়ে দলের স্কোর শতাধিকে নিয়ে আসেন। ফাহিমের ৩৭ রানের ইনিংসে ভর করে পাকিস্তান শেষ পর্যন্ত ১১৪ রানে অলআউট হয়।

    শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের বলারদের মধ্যে নাহিদ রানা ছিলেন ম্যাচ প্লেয়ার—এক তরুণ পেসারের ঝড়ো বোলিংয়ে পুঁজি পেলো বাংলাদেশ।

  • ‘রাক্ষস’ ছবির আইটেম গানে দেখা যাবে বলিউড অভিনেত্রী নাতালিয়া

    ‘রাক্ষস’ ছবির আইটেম গানে দেখা যাবে বলিউড অভিনেত্রী নাতালিয়া

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি একট ছবি দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকেই দাবি করছেন এটি চরিত্রে নয়—এটি হচ্ছে আলোচিত ছবি ‘রাক্ষস’ের আইটেম গানের শুটিং সেটের একটি দৃশ্য। প্রযোজনা সংস্থা রিয়েল এনার্জি প্রডাকশন এখন সেটি স্বীকার করেছে।

    রিয়েল এনার্জির অন্যতম কর্ণধার আজিম হারুন জানান, ফ্রেমটিটি তাদের ছবির আইটেম গানের শুটিং সেট থেকেই লিক হয়েছে। তিনি বলেন, ছবিতে যাকে দেখা যাচ্ছে তিনি হলেন বলিউড অভিনেত্রী নাতালিয়া জানোসজেক। ওই গানটিতে তিনি ঢাকাই নায়ক সিয়াম আহমেদের সঙ্গে নাচ করেছেন। তাদের ধারণা, নাতালিয়া সম্ভবত প্রথমবারের মতো কোনো বাংলা ছবিতে অভিনয় করছেন।

    নাতালিয়া ইউরোপীয় বংশোদ্ভূত একজন বলিউড অভিনেত্রী; বলিউডের পাশাপাশি কিছু আন্তর্জাতিক প্রজেক্টেও তার কাজ দেখা গেছে। প্রযোজনা সংস্থার দেয়া তথ্য অনুযায়ী তাকে বিভিন্ন বড় ব্যান্ডের ছবিতে এবং জনপ্রিয় টিভি শোতে দেখা গেছে।

    প্রযোজনা সংস্থার আরেক কর্ণধার শাহরীন আখতার সুমি জানান, গানটির কোরিওগ্রাফি করছেন বলিউডের পরিচিত কোরিওগ্রাফার আদিল শেখ। সংগীত পরিচালনায় আছেন জিএম আশরাফ, এবং গায়ক হিসেবে গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন জিএম আশরাফ ও দোলা। তিনি আরও জানান, আইটেম গানটি বড় বাজেটের ও আকারে ব্যাপক; দেশের বাইরে একটি বড় আয়োজনে এর শুটিং চলছে। প্রযোজকের আশা, গানটি দর্শকদের মধ্যে ভালো সাড়া ফেলবে।

    মেহেদী হাসান হৃদয় পরিচালিত ‘রাক্ষস’এর প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন সিয়াম আহমেদ ও কলকাতার অভিনেত্রী সুস্মিতা চ্যাটার্জি। রিয়েল এনার্জি আগে ‘বরবাদ’ প্রযোজনা করেছিল, যা শাকিব খান অভিনীত ও ব্যবসায় সফল হয়েছিল—তাই তারা এবারের কাজেও উচ্চ প্রত্যাশা রাখছে।

    শুটিং সেট থেকে ফাঁস হওয়া ছবিটি নিয়ে নেটিজেনদের উৎসাহ ও কৌতূহল বেড়েই চলেছে। প্রযোজনা দল বলেছেন যে আনুষ্ঠানিক ট্রেলার ও গানের প্রকাশের মাধ্যমে সব তথ্য দ্রুতই সামনে আনা হবে। দর্শকরা এখন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন পূর্ণ গানের রিলিজ এবং ছবির মুক্তির জন্য।