Blog

  • সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ জনকে আজ হাজির করা হচ্ছে ট্রাইব্যুনালে

    সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ জনকে আজ হাজির করা হচ্ছে ট্রাইব্যুনালে

    জুলাই-আগস্টের গণহত্যার মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হচ্ছে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ আসামিকে। 

    আজ সোমবার সকালে কড়া নিরাপত্তায় তাদেরকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হবে। এদিকে গণহত্যার মামলার তদন্তের সময় বৃদ্ধির জন্য আবেদন জানাবে তদন্ত সংস্থা। সংস্থার পক্ষে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট এম তাজুল ইসলাম আজ এ আবেদন জানাবেন। বিচারপতি মো. গোলাম মূর্তজা মজুমদারের সভাপতিত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালে আবেদনের উপর শুনানি হবে। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

    ট্রাইব্যুনালে যাদেরকে হাজির করা হচ্ছে এরা হলেন: আনিসুল হক, ড. আব্দুর রাজ্জাক, শাজাহান খান, সালমান এফ রহমান, গোলাম দস্তগীর গাজী, কামাল আহমেদ মজুমদার, লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান, ড. দীপু মনি, রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু, জুনাইদ আহমেদ পলক, তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী (বীর বিক্রম), সাবেক বিচারপতি এইচ এম শামসুদ্দীন চৌধুরী মানিক ও সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিব জাহাঙ্গীর আলম।

    এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট এম তাজুল ইসলাম ইত্তেফাককে বলেন, গণহত্যার মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারিকৃতদের মধ্যে গ্রেফতার হওয়া ১৪ অভিযুক্তকে আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করার জন্য আদেশ রয়েছে। ঐ আদেশ মোতাবেক কারা কর্তৃপক্ষ তাদেরকে হাজির করবে। তিনি বলেন, গণহত্যার মামলা তদন্তের জন্য সময় দিয়েছিল ট্রাইব্যুনাল। যেহেতু তদন্ত শেষ হয়নি সেহেতু সময় বৃদ্ধির আবেদন দেওয়া হবে। কোটা সংস্কার ও সরকার পতনের আন্দোলন দমাতে নিরস্ত্র ছাত্র-জনতাকে সমূলে বা আংশিক নির্মূলের লক্ষ্যে হত্যা, গণহত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের মামলায় গত ১৭ অক্টোবর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সরকারের সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে ট্রাইব্যুনাল। ২৭ অক্টোবর পরোয়ানাভুক্তদের মধ্যে ২০ জনকে ট্রাইব্যুনালের মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। এদের মধ্যে ১৪ জনকে আজ এবং ছয় পুলিশ কর্মকর্তা সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন, বরখাস্ত মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, সাবেক ঢাকা জেলার এডিসি (এসপি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত ছিলেন) আব্দুল্লাহ হিল কাফী, সাবেক এডিসি আরাফাতুল ইসলাম, যাত্রাবাড়ী থানার সাবেক ওসি আবুল হাসান এবং গুলশান থানার সাবেক ওসি মাজহারুল ইসলামকে ২০ নভেম্বর ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ রয়েছে। এদিকে ২৭ অক্টোবর ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, র‍্যাবের সাবেক ডিজি হারুন-অর রশিদ, এসবির সাবেক প্রধান মনিরুল ইসলাম, ডিবির সাবেক প্রধান হারুনুর রশিদ, বিপ্লব কুমার সরকার, সাবেক এডিসি ইকবাল হোসেনসহ আরো ১৭ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করা হয়।

    তদন্ত সংস্থা ও প্রসিকিউশনের অভিযোগে যা বলা হয়েছে : কোটা সংস্কারের অহিংস আন্দোলন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সহিংস হয়ে উঠে। একই সঙ্গে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরস্ত্র ছাত্র-ছাত্রীদের ওপর নির্মমভাবে হামলা চালায়। এই হামলার ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকাসহ দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামে। সংঘর্ষ হয় ছাত্রলীগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে। ১৬ জুলাই রংপুরে পুলিশের গুলিতে শিক্ষার্থী আবু সাঈদসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আরও ছয় জন মারা যান। ফলে কোটা সংস্কার আন্দোলন সরকার পতনের আন্দোলনে রূপ নেয়। এই আন্দোলনে একসময় শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ যোগ দেয়। কমপ্লিট শাটডাউন, অসহযোগ আন্দোলন দমাতে জারি করা হয় কারফিউ। কিন্তু তাতে দমে যায়নি ছাত্র-জনতা। এই ছাত্র-জনতাকে সমূলে বা আংশিক নির্মূলের উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ নির্দেশনায় নির্বিচারে গুলি চালায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এর সঙ্গে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠন এবং ১৪ দলীয় জোটের ক্যাডার বাহিনী যোগ দেয়। এতে দেড় সহস্রাধিক ছাত্র-জনতাকে হত্যা করা হয়। আহত হয় ২৩ হাজারের অধিক শিক্ষার্থী ও জনতা। আহত অনেকে চিরতরে পঙ্গু ও দৃষ্টি শক্তি হারিয়েছেন।

    এর পরেও দমানো যায়নি আন্দোলনকারীদের। তারা ৫ আগস্ট গণভবনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। পদত্যাগ করে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পরেও পূর্ব নির্দেশনা অনুযায়ী ঐদিন গভীর রাত পর্যন্ত হত্যা, গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী এবং ১৪ দলীয় জোটের ক্যাডাররা। এসব অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে জুলাই-আগস্ট গণহত্যার মামলায়।

    প্রসঙ্গত গণঅভ্যুত্থানের মুখে গত ৫ আগস্ট দেশত্যাগ করেন শেখ হাসিনা। ৮ আগস্ট নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যাত্রা শুরু করে। এরপর ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, এমপি, বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে শত শত হত্যা মামলা দায়ের হয়। এর মধ্যে বেশ কিছু মামলায় গ্রেফতার হয়ে আগস্ট মাস থেকে কারাগারে আছেন ট্রাইব্যুনালের পরোয়ানাভুক্ত আসামিরা। অক্টোবর মাসে সরকার পুনর্গঠন করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। শেখ হাসিনাসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির মধ্য দিয়ে গত ১৭ অক্টোবর যাত্রা শুরু করে ট্রাইব্যুনাল। ইতিমধ্যে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রেড অ্যালার্ট জারি করতে ইন্টারপোলের কাছে চিঠি দিয়েছে চিফ প্রসিকিউটর।

  • দীপু মনির সুপারিশে মাউশিতে তিন হাজার পদায়ন

    দীপু মনির সুপারিশে মাউশিতে তিন হাজার পদায়ন

    সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির ইশারায় নিয়োগ পান প্রায় তিন হাজার ১৮৩ কর্মকর্তা-কর্মচারী। দীপু মনি সিন্ডিকেটের বলয়ে তারা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) চাকরি পান। এর জন্য উচ্চ মহলের সুপারিশসহ তাদের দিতে হয়েছে ৫ থেকে ১৫ লাখ টাকা। নিয়োগের জন্য যাচ্ছেতাইভাবে পরীক্ষা নেয়া হয় তাদের জন্য। দীপু মনির আমলে চার হাজার ১০৯ জনকে নিয়োগ দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। এখনো চাকরির অপেক্ষায় রয়েছেন ৬১০ জন।

    মাউশি’র এই নিয়োগ পুরোটা সামলেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনির ভাই ডা. জে আর ওয়াদুদ টিপু ও চাঁদপুর পুরান বাজার ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ রতন কুমার মজুমদার। অভিযোগ রয়েছে এই চক্রটির খাতা কলমে বৈধতা দেয়ার কাজ করে গেছেন মাউশি’র কলেজ ও প্রশাসন শাখার পরিচালক শাহেদুল খবির চৌধুরী, প্রশাসন শাখার উপ-পরিচালক বিপুল চন্দ্র বিশ্বাস। বর্তমানে এই দুই কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। টাকার বিনিময়ে নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তারা ২০২৩ সালে দু’দফায় (আগস্ট ও নভেম্বরে) যোগদান করেন।

    মাউশি’র একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীপু মনি শিক্ষার দায়িত্ব হাতে পাবার পরই গড়ে তোলেন সিন্ডিকেট। মাউশিতে নিয়ে আসেন পছন্দের লোকদের। জনপ্রশাসন থেকে নিয়োগের ছাড়পত্র এনে তার আমলে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করেন। এই চক্র এতটাই শক্তিশালী ছিল যে, কেউ প্রশ্ন করার সাহস পর্যন্ত ছিল না। পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন অনেকেই। পরীক্ষায় এমসিকিউ বাতিল করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ’র অধীনে লিখিত পরীক্ষা নেয়ার দাবি তোলা হয়েছিল। কিন্তু তা আমলেই নেয়া হয়নি। এমনকি ভাইবার আগেই এসব প্রার্থীদের দেয়া হয়েছিল চাকরির নিশ্চয়তা।

    সুপারিশের প্রেক্ষিতে চার হাজার ১০৯ জনকে নিয়োগ দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু নানা জটিলতায় আটকে যায় ৬১০ জনের পদায়ন। তবে তাদের পদায়নের জন্য চলতি বছরের জুনে ফল প্রকাশ করা হয়। কিন্তু ছাত্র-জনতার আন্দোলনের তোড়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। যার কারণে আটকে আছে তাদের নিয়োগ। নিয়ম অনুযায়ী দশম থেকে দ্বাদশ গ্রেড পর্যন্ত দ্বিতীয় শ্রেণির পদ, কিন্তু মাউশি’র নিয়োগবিধিতে এই পদগুলোকে তৃতীয় শ্রেণির দেখিয়ে শুধু এমসিকিউ পরীক্ষা নেয়া হয়। ২০২০ সালের অক্টোবরে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে ২৮টি ক্যাটাগরির বিভিন্ন পদের মধ্যে প্রদর্শক পদে ৫১৪টি, গবেষণা সহকারী (কলেজ) পদে ২১টি, সহকারী গ্রন্থাগারিক কাম ক্যাটালগার পদে ৬৯টি এবং ল্যাবরেটরি সহকারী পদে ৬টি পদ উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এসব পদের বিপরীতে পরীক্ষা ২০২১ সালের আগস্ট ও অক্টোবরে অনুষ্ঠিত হয়। পরিদর্শক পদের ফল অনিবার্যকারণবশত স্থগিত করা হয়েছিল। সেই পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয় ২০২৪ সালের এপ্রিলে। এতে প্রায় আট হাজার প্রার্থী উত্তীর্ণ হন। মে মাসে ভাইবা শেষে জুনে নির্বাচিতদের ফল প্রকাশ করা হয়। কিন্তু পরবর্তীতে পরিস্থিতির কারণে আটকে আছে এই ৬১০ জনের নিয়োগ। চাকরি পাওয়াদের মধ্যে রয়েছেন কম্পিউটার অপারেটর ৯ জন, উচ্চমান সহকারী ৮৫ জন, ক্যাশিয়ার ১১৯ জন, স্টোরকিপার ৫০ জন, হিসাব সহকারী ১০৬ জন, অফিস সহকারী ৫১৩ জন, মেকানিক ৩৩ জন, গাড়িচালক ১১ জন, বুক সর্টার ৪৬ জন, অফিস সহায়ক ১৭০৪ জন, নিরাপত্তা প্রহরী ২৪৭ জন, মালী ৯৭ জন, পরিচ্ছন্নকর্মী ১৬৩ জন। অন্যদিকে তালিকায় নিয়োগের অপেক্ষায় রয়েছেন প্রদর্শক পদে পদার্থবিদ্যায় ১০৯ জন, রসায়নে ১২০ জন, জীববিজ্ঞানে ৩১ জন, প্রাণিবিদ্যায় ১০৯ জন, উদ্ভিদবিদ্যায় ৯৬ জন, ভূগোলে ১৩ জন, মৃত্তিকায় ৫ জন, গণিতে ২২ জন, গার্হস্থ্য বিজ্ঞানে ৮ জন, কৃষিতে একজন, গবেষণা সহকারী (কলেজ) ২১ জন, সহকারী গ্রন্থাগারিক ৬৯ জন এবং ল্যাবরেটরি সহকারী ৬ জন।

    এই নিয়োগের বিষয়ে জানতে চাইলে মাউশি মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর এবিএম রেজাউল করীম বলেন, তালিকা ধরে নিয়োগের বিষয়টি আমার জানা নেই। আমি নিয়োগ প্রক্রিয়ার সময়ে দায়িত্বেও ছিলাম না। এটা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন। মন্ত্রণালয় থেকে কোনো নির্দেশনা দেয়া হলে সেটি বাস্তবায়ন করা হবে।

  • অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত, সফল অস্ত্রোপচারের পূর্বে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন ভালো খবর

    অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত, সফল অস্ত্রোপচারের পূর্বে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন ভালো খবর

    ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যায় আক্রান্ত হয়েছেন। সম্প্রতি ঢাকার উত্তরার এক হাসপাতালে তিনি ভর্তি হয়েছিলেন যেখানে তার ব্রেন টিউমারের অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। এর আগে তিনি ফেসবুকে একটি পোস্টে তার অসুস্থতার খবর জানিয়ে ভক্তদের দোয়া চেয়েছিলেন। সেখানে তিনি লিখেছিলেন, ‘আমাদের সবার প্রিয় তানিয়া বৃষ্টি বর্তমানে শারীরিকভাবে বেশ অসুস্থ। এই মুহূর্তে তার সম্পূর্ণ বিশ্রাম ও চিকিৎসা জরুরি। অনুরোধ রইল, শুটিং বা অন্য কোনো কাজের ব্যাপারে ফোন বা খুদে বার্তা দিয়ে বিরক্ত করবেন না। সুস্থ হয়ে উঠলে নিজে থেকেই সবাইকে জানানো হবে। আপনারা দোয়া ও ভালোবাসাই এখন আমার সবচেয়ে বড় শক্তি।’ তিনি আরও বলেন, ‘ভালোবাসা দিবসের শুভেচ্ছা। আমার পরিবারের পক্ষ থেকে ফুল। ভালোবাসি। রোববার আমার মাথায় অস্ত্রোপচার হবে, দোয়া করবেন সবাই।’ কিছুদিন ধরে তিনি বেশ অসুস্থ বোধ করছিলেন, বিশেষ করে তীব্র মাথাব্যথা ও জ্বর-ঠান্ডা অনুভব করেন। পরীক্ষাগার প্রতিবেদনের মাধ্যমে জানা গেছে, তাকে গুরুতর কোনও রোগের জন্যই হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল। সোমবার সকালে রাজধানীর শ্যামলীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে তার ব্রেন টিউমার অপারেশন সম্পন্ন হয়। ডাক্তাদের মতে, অস্ত্রোপচারটি সফল হয়েছে। বিকেল সাড়ে ৪টায় শুরু হওয়া এই অপারেশন রাতে সাড়ে ৮টায় সমাপ্ত হয় এবং বর্তমানে তাকে পোস্ট অপারেটিভ ইউনিটে রাখা হয়েছে। তার শারীরিক অবস্থা ইতিমধ্যে উন্নতি হওয়ায় চিকিৎসকেরা আগামীকাল তাকে কেবিনে স্থানান্তর করার পরিকল্পনা করেছেন। পরিচালক সকাল আহমেদ জানান, বেশ কিছুদিন ধরেই তানিয়া শারীরিক অসুস্থতা অনুভব করছিলেন। কখনো তীব্র মাথাব্যথা, কখনো জ্বর-ঠান্ডা, এসবের জন্য অনেক সময়ই পাত্তা দেননি তিনি। তবে পরিস্থিতি গুরুতর হয়ে ওঠায় উত্তরার একটি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়, যেখানে পরে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ব্রেন টিউমার ধরা পড়ে। হাসপাতালে ভর্তি থাকাকালীন তার চিকিৎসা চলতে থাকে এবং অবশেষে রোববার তার অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। চিকিৎসকদের মতে, এই সফল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তার পরিস্থিতি অনেকটাই সুস্থ হওয়ার পথ প্রশস্ত হয়েছে। ডিজিটাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া এই খবরের মাধ্যমে তার শুভচেতনা ও দ্রুত সুস্থতার জন্য সকলের দোয়া চেয়েছেন তার পরিবারের পক্ষ থেকে।

  • বলিউডের জনপ্রিয় কমেডি অভিনেতা রাজপাল যাদব জামিন পেলেন

    বলিউডের জনপ্রিয় কমেডি অভিনেতা রাজপাল যাদব জামিন পেলেন

    ৯ কোটি টাকার চেক বাউন্স মামলায় দীর্ঘদিন ধরে চলমান টানাপড়েনের পর অবশেষে বলিউডের জনপ্রিয় কমেডি অভিনেতা রাজপাল যাদব জামিন পেয়েছেন। সোমবার দিল্লি হাইকোর্টে এই মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। আদালত তাকে জামিনের শর্ত হিসেবে দুপুর ৩টার মধ্যে ডিমান্ড ড্রাফটের মাধ্যমে ১.৫ কোটি টাকা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন। এই শর্ত পূরণ করেই তার জামিন মঞ্জুর হয়।

    উল্লেখ্য, এই চেক বাউন্স মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়ে সামনাসামনি আত্মসমর্পণের পর থেকে রাজপাল যাদব দিল্লির তিহার জেলে ছিলেন। তার এই কঠিন সময়ে অনেক বলিউড তারকা তার পাশে দাঁড়িয়ে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন। তাদের মধ্যে ছিলেন সোনু সুদ, গুরমিত চৌধুরী, মিকা সিং, অনুপ জালোটা, সালমান খান, অজয় দেবগন, বরুণ ধাওয়ান, ডেভিড ধাওয়ান, এমনকি নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকি ও কেআর।

    এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে রাজপাল যাদবের একটি ভিডিও, যেখানে তাকে জামিন পাওয়ার পর সালমান খানকে বড় ভাই বলে সম্বোধন করে ধন্যবাদ জানাতে দেখা গেছে। তবে এই ভিডিওটি নতুন নয়, এটি মূলত ২০১৮ সালের পুরনো একটি ক্লিপ। সেই সময় প্রায় তিন মাস তিনি কারাবাস করেছিলেন। এই ভিডিওর বিভ্রান্তি ছড়িয়ে পড়ায় অনেকে মনে করছেন এটি সাম্প্রতিক নয়।

  • সেলিম খান গুরুতর অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি

    সেলিম খান গুরুতর অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি

    খান পরিবারের জন্য এই সময়টা বেশ কঠিন করে তুলেছে নানা অপ্রত্যাশিত ঘটনা। গত বছর সালমান খানের ওপর একের পর এক হত্যার হুমকি দেয়ার ঘটনা স্বাভাবিক ভাবেই উদ্বেগ সৃষ্টি করেছিল সবার জন্য। বিষ্ণোই গ্যাংয়ের হামলার পর থেকে বলিউডের এই জনপ্রিয় তারকা আরও বেশি নিরাপত্তার মধ্যেই থাকছেন। সম্প্রতি খবর আসে যে, সালমানের বোনের স্বামী ও এক জনপ্রিয় অভিনেতা আয়ুষ শর্মাকেও হুমকি বার্তা পাঠানো হয়েছে।

    এরই মধ্যে বড় ধরনের চিন্তার খবর প্রকাশ্যে এসেছে। বলিউডের বেশ কয়েকটি সূত্র জানিয়েছে, প্রবীণ চিত্রনাট্যকার সেলিম খান গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তার দ্রুত চিকিৎসার জন্য মুম্বাইয়ের লীলাবতী হাসপাতাল ভর্তি করা হয়েছে। জানা গেছে, হাসপাতালে পৌঁছানোর সময় নিজের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেননি সালমান খান। তিনি কালো টি-শার্ট ও প্যান্ট পরনে ছিলেন, নিরাপত্তার ব্যবস্থা খুব কড়া করে রাখা হয়েছিল। হাসপাতাল থেকে বের হওয়ার সময় তিনি কোনো কথা বলেননি সাংবাদিক ও ফটোগ্রাফারদের সঙ্গে। ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই ভক্তদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়তে শুরু করে।

    বিশেষ করে উল্লেখ্য, বলিউডের স্বর্ণযুগের অন্যতম সফল এবং প্রভাবশালী চিত্রনাট্যকার সেলিম খান। তার লেখা সিনেমাগুলোর মধ্যে রয়েছে জুলফিকার আলি ভুট্টো পরিচালিত সিনেমাগুলো; জুলফিকার রহমানের অন্যতম জনপ্রিয় সিনেমা ‘শোলে’, ‘জঞ্জির’, ‘দিওয়ার’ এবং ‘ডন’ – এই সব সিনেমা বলিউডের ইতিহাসে এক বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে।

    সেলিম খানের অসুস্থতার খবর জানাজানি হওয়ায় বলিউডের তারকারা ও ভক্তরা দ্রুত তার সুস্থতা কামনা করছেন। আপদকালীন এই সময়টায় তার দ্রুত আরোগ্য কামনা করছেন সবাই।

  • বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগে হিরো আলম গ্রেপ্তার

    বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগে হিরো আলম গ্রেপ্তার

    কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল আলম, যিনি পরিচিতজনদের কাছে হিরো আলম নামে খ্যাত, তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি বিপুল ধরণের অভিযোগের মধ্যে অবর্তমান, এর মধ্যে অন্যতম হলো বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ ও শারীরিক নির্যাতন। গত বুধবার ১৯ ফেব্রুয়ারি বগুড়া থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে, ১০ ফেব্রুয়ারি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২-এর বিচারক আনোয়ারুল হক অভিযোগপত্র অনুমোদন করে, অভিযোগের ভিত্তিতে হিরো আলমের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে তার ফোনে যোগাযোগ করলে জানা যায়, এই ঘটনার সম্পূর্ণ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বগুড়ার একাধিক সূত্র। পরিচালক রবিন খান বলেন, হিরো আলমকে পুলিশ বনানী এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে এবং তাঁকে আদালত প্রাঙ্গণে হাজির করা হয়। অন্য এক সূত্র জানায়, হিরো আলম তার নিজ এলাকায় অবস্থান করছিলেন, এমন খবর পেয়ে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করতে গেলে তিনি ঢাকায় পালানোর চেষ্টা করেন। পরে গাড়ি নিয়ে ধাওয়া করে শাজাহানপুর থানার কাছে তাকে আটক করা হয়।

    বগুড়া জেলা পুলিশ সূত্র বলছে, এই মামলার পাশে ২০২২ সালের মে মাসে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে একটি অভিযোগ দায়ের হয়। ওইদিনের এক জবানবন্দিতে অভিযোগপত্র দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়। তদন্ত শেষে পিবিআই অভিযোগপত্র দাখিল করে, তবে প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রাথমিকভাবে পাওয়া যায়নি এ জন্য অন্য পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

    অভিযোগপত্রের বয়ান অনুযায়ী, হিরো আলম একজন নারীকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন। এর পাশাপাশি, ওই নারীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার শারীরিক নির্যাতন করেন। পরে, তিনি একজন মৌলভী ডেকে ওই নারীর স্বীকারোক্তি নেন ও বিয়ের কথা বলে তাকে বিভিন্ন স্থানে বাসা ভাড়া করে একসাথে থাকেন। এরপর, যখন ওই নারী গর্ভবতী হয়ে পড়েন, ২০২২ সালের ১৮ এপ্রিল তার গর্ভপাতের জন্য চাপ দেন। এই সময় তাকে মারধর করা হয়, যার ফলে গুরুতর রক্তক্ষরণে শহরের একটি ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। সেখানে গর্ভপাত সম্পন্ন হয়। পরে তিনি গুরুতর আহত হয়ে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এছাড়া সিনেমা তৈরির নাম করে হিরো আলম ওই নারعبন্ধুক প্রায় ১৫ লাখ টাকা ধার নিয়েছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

  • স্বামীসহ নায়িকা রুবিনা নিঝুমের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

    স্বামীসহ নায়িকা রুবিনা নিঝুমের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

    প্রতারণা করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে চিত্রনায়িকা রুবিনা আক্তার নিঝুম, তার স্বামী মামূনুর রশীদ রাহুল, ভাই নান্নু মিঞা ও বোন মহিমা বিবির বিরুদ্ধে আদালত গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন। এটি ঘটে বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি), যখন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিলরুবা আফরোজ তিথি এই আদেশ দেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী কায়েশ আহমেদ অর্ণব বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন।

  • গোলপোস্ট থেকে রাজপথের সৈনিক, এখন ক্রীড়াঙ্গণের শীর্ষে: আমিনুলের অনন্য যাত্রা

    গোলপোস্ট থেকে রাজপথের সৈনিক, এখন ক্রীড়াঙ্গণের শীর্ষে: আমিনুলের অনন্য যাত্রা

    সুসংবাদটি ছিল আজকের দুপুরে। বাংলাদেশি ফুটবল প্রেমীদের জন্য এক বড় সুখবর, যখন জানা গেছে যে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ক্রীড়া সম্পাদক ও ঢাকা উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হককে নবগঠিত সরকারের মন্ত্রিসভায় টেকনোক্র্যাট কোটায় শপথ নেওয়ার জন্য ডাকা হয়েছে। এই খবর শুনে অনেকের মনই আনন্দে ফেটে পড়েছে।

    আমিনুলের পরিচয় শুধু রাজনীতিরই নয়, তিনি দেশের ফুটবল ইতিহাসের এক স্মরণীয় নাম। বাংলাদেশের জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক হিসেবে তিনি দেশ সেবা করেছেন দীর্ঘ সময়। ২০০৩ সালে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ট্রফি জয়ে তাঁর অবদান ছিল অপরিসীম। সেই সাফল্যের মুকুটে এবার যোগ হলো নতুন এক পালক, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়া। এখন তিনি গোলপোস্টের নিচে অতন্দ্র প্রহরী থেকে রাজপথের লড়াকু সৈনিক, দেশের ক্রীড়াঙ্গণের প্রধান দায়িত্বে আছেন।

    ১৯৯৮ সালে কাতারের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ দিয়ে জাতীয় দলে অভিষেক হয় তার। এরপর ২০১১ সাল পর্যন্ত নিয়মিত ছিলেন দলে; চোট বা অন্য কোন কারণে খুব কম সময়ই একাদশের বাইরে থাকতে হয়েছে তাকে। ২০০৩ সালে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ট্রফি জয়ের পাশাপাশি ২০১০ সালে এসএ গেমসের স্বর্ণজয়ী দলের সদস্য ছিলেন তিনি, যেখানে তার জালে বল আটবার জড়ায়নি।

    ২০১১ সালে খেলাধুলা থেকে সরে দাঁড়িয়ে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন আমিনুল। শুরুটা ছিল সীমিত পরিসরে, কিন্তু ধীরে ধীরে তিনি গড়েন নিজস্ব পরিচয়। রাজপথের আন্দোলন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে তিনি একটি নতুন অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছেন। রাজনীতির এই পথে হাঁটতে গিয়ে তাকে কারাদণ্ডও ভোগ করতে হয়েছে, এমনকি পুলিশি হয়রানির ঘটনাও ঘটেছে।

    রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর তিনি মূলত ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নে মনোযোগ দেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের সঙ্গে কাজ করে চলেছেন, পিছিয়ে পড়া ক্রীড়াবিদদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। সেই ধারাবাহিকতায় এবার তার কাঁধে বড় দায়িত্ব। সংস্কারে ব্যাপকভাবে সচেতন ও সক্রিয় তিনি। সামনে রয়েছে কঠিন পরীক্ষা, যেখানে তাকে নিজের ক্ষমতাকে প্রমাণ করতে হবে।

    দায়িত্ব গ্রহণের মুহূর্ত থেকেই তিনি খুব স্বপ্ন দেখাতে শুরু করেছেন। তার পরিকল্পনা অনুযায়ী, দেশের ২৯৫টি উপজেলাতে একজন করে ক্রীড়া অফিসার নিয়োগ করবেন। প্রতিটি উপজেলায় পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট বাধ্যতামূলক করতে পরিকল্পনা রয়েছে, যেখানে তিনজন করে ক্রীড়া শিক্ষক থাকবেন। এর ফলে প্রতিটি অঞ্চলে একজন ক্রীড়া কর্মকর্তা ও অন্তত ১৫ জন ক্রীড়া শিক্ষক থাকবেন। পাশাপাশি, দেশের ক্রীড়াঙ্গণে স্বনির্ভরতা আনার লক্ষ্য নিয়ে তিনি কথা বলেছেন। নিজেরা প্রয়োজনীয় স্পোর্টস ইকুইপমেন্ট তৈরি এবং রপ্তানি করার পরিকল্পনাও রয়েছে।

    আমিনুল বিশ্বাস করেন, ক্রীড়াঙ্গন হবে গুণগত পরিবর্তনের অন্যতম মাধ্যম। তার এই প্রয়াস দেশের ক্রীড়াঙ্গণকে আরও সমৃদ্ধ ও সুনামের পথ ধরে এগিয়ে নিয়ে যাবে—এমনটাই প্রত্যাশা সবার।

  • বিসিবির নতুন প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার

    বিসিবির নতুন প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার

    বিসিবি এবার নতুন প্রধান নির্বাচক হিসেবে হাবিবুল বাশারকে নিয়োগের পরিকল্পনা করছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে গাজী আশরাফ হোসেন লিপু দুই বছরের জন্য প্রধান নির্বাচক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। ওই সময় তিনি চুক্তি করেন যার মেয়াদ শেষ হবে এই মাসে। গত দুই বছর তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন, তবে ব্যক্তিগত কারণের কারণে তিনি এখন আর এই দায়িত্বে থাকতে আগ্রহী নন। সম্প্রতি তিনি বিসিবিকে চিঠি দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এই পদে থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন।

    চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, লিপুর মেয়াদ এই মাসে শেষ হচ্ছে। বিসিবি তার মেয়াদ আরও বাড়াতে চেয়েছিল, তবে পারিবারিক কারণে তিনি দীর্ঘ সময়ের জন্য চুক্তিতে আগ্রহী না হওয়ায় বিষয়টি জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুতই এই পদে নতুন নেতৃত্বের প্রয়োজন চলমান পরিস্থিতিতে।

    খবর অনুযায়ী, বিসিবি সাবেক নির্বাচক ও দেশের সেরা অধিনায়ক হাবিবুল বাশারকে প্রধান নির্বাচকের দায়িত্ব দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিসিবির কাছ থেকে। তবে এখনই এই প্রস্তাব গ্রহণ করছেন না বলে জানা গেছে। তিনি আরো কিছু দিন সময় চেয়েছেন। তবে তিনি এই দায়িত্ব নিতে আগ্রহী। ফলে শিগগিরই নিশ্চিত হতে পারে, দেশের ক্রিকেটের দায়িত্বে থাকছেন হাবিবুল বাশার।

  • বিশ্বকাপজয়ী ফুটবলার মেসুত ওজিল এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে

    বিশ্বকাপজয়ী ফুটবলার মেসুত ওজিল এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে

    আজ বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে উপস্থিত হন জার্মানির সাবেক বিশ্বকাপ জয়ী ফুটবল তারকা মেসুত ওজিল। তিনি বর্তমানে একটি আধুনিকায়ন ও নতুন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছেন। এই অনুষ্ঠানে তিনি ‘শহিদ বুদ্ধিজীবী ডা. মোহাম্মদ মোর্তজা মেডিকেল সেন্টার’-এর উন্নয়ন কাজের শুভ সূচনা করেন। নিশ্চিত করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক মিনহাজ উদ্দীন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের ছেলে বিলাল এরদোয়ান, তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিস সেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খানসহ অন্য বিশিষ্ট অতিথিরা। মিনহাজ উদ্দীন জানান, এর পরের দিন অর্থাৎ আগামীকাল, মেসুত ওজিল কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ইফতার করবেন।

  • বাংলাদেশ ২০২৮ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলবে, আইসিসির ঘোষণা

    বাংলাদেশ ২০২৮ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলবে, আইসিসির ঘোষণা

    বাংলাদেশ কি ২০২৮ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি অংশ নিতে পারবে? এ প্রশ্ন অনেকের মনেই ছিল, বিশেষ করে যখন এবারের বিশ্বকাপটি ভারতে এবং শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে। অবশেষে, এই প্রশ্নের উত্তর দিলেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। মঙ্গলবার প্রকাশিত এক অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তিতে আইসিসি জানিয়েছে, বাংলাদেশ ২০২৮ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলবে। এই আসরটি অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়েছে র‌্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে।

    বিশ্বকাপের যোগ্যতা নিশ্চিত করতে বর্তমানে চলমান সুপার এইটের লাইনের খেলোয়াড়রা এই নিশ্চিত করেছে। বুধবার কলম্বোতে নামিবিয়ার বিপক্ষে পাকিস্তানের জয় এই নিশ্চিতকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই জয়ের মাধ্যমে পাকিস্তান, ভারত, শ্রীলঙ্কা, জিম্বাবুয়ে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং নিউজিল্যান্ড সবাই সুপার এইটে পৌঁছেছে।

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাইপ্রক্রিয়া অনুযায়ী, সুপার এইটে থাকা সব দলই ২০২৮ সালের বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার অধিকার পায়। এর মধ্যে নিউজিল্যান্ড অগ্রাধিকার হিসেবে আগে থেকেই নিশ্চিত ছিল, কারণ তারা আসরের একজন আয়োজক। অস্ট্রেলিয়া ও স্বাগতিক হিসেবে খেলা নিশ্চিত করেছে, তবে এইবার তারা সুপার এইটে যায়নি।

    আইসিসি জানিয়েছে, ২০ দলীয় বিশ্বকাপে মোট ৮টি দল বাছাইপর্বের মাধ্যমে আসবে। এর মধ্যে ৯টি দল পারফরম্যান্স এবং স্বাগতিক হওয়ার ভিত্তিতে নিশ্চিত হয়েছে, আর ছাড়া ৩টি দল র‌্যাঙ্কিংয়ের ওপর নির্ভর করে জায়গা পাবে। আগামী ৯ মার্চ, ফাইনালের পরদিন, র‌্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে এই তালিকা চূড়ান্ত করা হবে।

    বাংলাদেশের র‌্যাঙ্কিং ৯ নম্বর, আফগানিস্তান ১০ এবং আয়ারল্যান্ড ১২ নম্বরে অবস্থান করছে। এই তিন দলের জন্য ৯ মার্চের পর কোনও আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচের ফল তাদের র‌্যাঙ্কিংয়ে প্রভাব ফেলবে না, অর্থাৎ তারা আগামী আসরে খেলার জন্য অবিলম্বে নিশ্চিত। ফলে, বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও আয়ারল্যান্ডের ভবিষ্যত নিশ্চিত মনে করা হচ্ছে।

  • বিসিবির কেন্দ্রীয় চুক্তিতে ২৮ ক্রিকেটার, কীভাবে বেতন নির্ধারিত হলো দেখুন বিস্তারিত

    বিসিবির কেন্দ্রীয় চুক্তিতে ২৮ ক্রিকেটার, কীভাবে বেতন নির্ধারিত হলো দেখুন বিস্তারিত

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এই বছরও তার নিয়মিত কেন্দ্রীয় ক্রিকেট চুক্তির তালিকা প্রকাশ করেছে। আজ (বৃহস্পতিবার) এক আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ২০২৬ সালের জন্য বিসিবির কেন্দ্রীয় চুক্তির আওতায় থাকা ক্রিকেটারদের নামের তালিকা প্রকাশ করা হয়। এই বছর মোট ২৮ জন ক্রিকেটার এই চুক্তিতে সই করেছেন। উল্লেখ্য, এবারের চুক্তিতে ‘এ’ গ্রেড নেই, যা আগে থেকেই জানা ছিল। নতুন যুক্ত হয়েছেন পারভেজ ইমন, তানভীর ইসলাম ও হাসান মুরাদ। অন্যদিকে, সাইফ হাসান, নুরুল হাসান সোহান, নাঈম হাসান ও শামীম হোসেন আবার চুক্তিতে ফিরে এসেছেন। আগের চুক্তি থেকে কেউই বাদ পড়েনি।

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বর্তমান চুক্তির ধরন অনুযায়ী বিভিন্ন গ্রেডে ক্রিকেটারদের বেতন নির্ধারিত হয়েছে। ‘এ’ গ্রেডে রয়েছেন (প্রতি মাসে ৮ লাখ টাকা বেতন) – নাজমুল হোসেন শান্ত, লিটন কুমার দাস, তাসকিন আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিরাজ।

    ‘বি’ গ্রেডে রয়েছেন (৬ লাখ টাকা) – মুশফিকুর রহিম, মুমিনুল হক, তাইজুল ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান, তাওহীদ হৃদয়, হাসান মাহমুদ, নাহিদ রানা, সাদমান ইসলাম, তানজিদ হাসান, তামিম ইকবাল, রিশাদ হোসেন ও শেখ মেহেদী হাসান।

    ‘সি’ গ্রেডে (৪ লাখ টাকা) আছেন – সৌম্য সরকার, জাকের আলি অনিক, শরিফুল ইসলাম, নাসুম আহমেদ, খালেদ আহমেদ ও তানজিম হাসান সাকিব।

    অন্যদিকে, ‘ডি’ গ্রেডে (২ লাখ টাকা) আছেন – পারভেজ হোসেন ইমন, সাইফ হাসান, নাঈম হাসান, তানভীর ইসলাম, হাসান মুরাদ, নুরুল হাসান সোহান ও শামীম হোসেন। এই বিভাগে থাকা ক্রিকেটাররা প্রত্যেকেই দেশের জন্য আগামী দিনে সফলতার প্রত্যাশায় এগিয়ে চলছেন।