Blog

  • সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ জনকে আজ হাজির করা হচ্ছে ট্রাইব্যুনালে

    সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ জনকে আজ হাজির করা হচ্ছে ট্রাইব্যুনালে

    জুলাই-আগস্টের গণহত্যার মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হচ্ছে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ আসামিকে। 

    আজ সোমবার সকালে কড়া নিরাপত্তায় তাদেরকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হবে। এদিকে গণহত্যার মামলার তদন্তের সময় বৃদ্ধির জন্য আবেদন জানাবে তদন্ত সংস্থা। সংস্থার পক্ষে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট এম তাজুল ইসলাম আজ এ আবেদন জানাবেন। বিচারপতি মো. গোলাম মূর্তজা মজুমদারের সভাপতিত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালে আবেদনের উপর শুনানি হবে। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

    ট্রাইব্যুনালে যাদেরকে হাজির করা হচ্ছে এরা হলেন: আনিসুল হক, ড. আব্দুর রাজ্জাক, শাজাহান খান, সালমান এফ রহমান, গোলাম দস্তগীর গাজী, কামাল আহমেদ মজুমদার, লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান, ড. দীপু মনি, রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু, জুনাইদ আহমেদ পলক, তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী (বীর বিক্রম), সাবেক বিচারপতি এইচ এম শামসুদ্দীন চৌধুরী মানিক ও সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিব জাহাঙ্গীর আলম।

    এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট এম তাজুল ইসলাম ইত্তেফাককে বলেন, গণহত্যার মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারিকৃতদের মধ্যে গ্রেফতার হওয়া ১৪ অভিযুক্তকে আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করার জন্য আদেশ রয়েছে। ঐ আদেশ মোতাবেক কারা কর্তৃপক্ষ তাদেরকে হাজির করবে। তিনি বলেন, গণহত্যার মামলা তদন্তের জন্য সময় দিয়েছিল ট্রাইব্যুনাল। যেহেতু তদন্ত শেষ হয়নি সেহেতু সময় বৃদ্ধির আবেদন দেওয়া হবে। কোটা সংস্কার ও সরকার পতনের আন্দোলন দমাতে নিরস্ত্র ছাত্র-জনতাকে সমূলে বা আংশিক নির্মূলের লক্ষ্যে হত্যা, গণহত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের মামলায় গত ১৭ অক্টোবর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সরকারের সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে ট্রাইব্যুনাল। ২৭ অক্টোবর পরোয়ানাভুক্তদের মধ্যে ২০ জনকে ট্রাইব্যুনালের মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। এদের মধ্যে ১৪ জনকে আজ এবং ছয় পুলিশ কর্মকর্তা সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন, বরখাস্ত মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, সাবেক ঢাকা জেলার এডিসি (এসপি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত ছিলেন) আব্দুল্লাহ হিল কাফী, সাবেক এডিসি আরাফাতুল ইসলাম, যাত্রাবাড়ী থানার সাবেক ওসি আবুল হাসান এবং গুলশান থানার সাবেক ওসি মাজহারুল ইসলামকে ২০ নভেম্বর ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ রয়েছে। এদিকে ২৭ অক্টোবর ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, র‍্যাবের সাবেক ডিজি হারুন-অর রশিদ, এসবির সাবেক প্রধান মনিরুল ইসলাম, ডিবির সাবেক প্রধান হারুনুর রশিদ, বিপ্লব কুমার সরকার, সাবেক এডিসি ইকবাল হোসেনসহ আরো ১৭ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করা হয়।

    তদন্ত সংস্থা ও প্রসিকিউশনের অভিযোগে যা বলা হয়েছে : কোটা সংস্কারের অহিংস আন্দোলন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সহিংস হয়ে উঠে। একই সঙ্গে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরস্ত্র ছাত্র-ছাত্রীদের ওপর নির্মমভাবে হামলা চালায়। এই হামলার ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকাসহ দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামে। সংঘর্ষ হয় ছাত্রলীগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে। ১৬ জুলাই রংপুরে পুলিশের গুলিতে শিক্ষার্থী আবু সাঈদসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আরও ছয় জন মারা যান। ফলে কোটা সংস্কার আন্দোলন সরকার পতনের আন্দোলনে রূপ নেয়। এই আন্দোলনে একসময় শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ যোগ দেয়। কমপ্লিট শাটডাউন, অসহযোগ আন্দোলন দমাতে জারি করা হয় কারফিউ। কিন্তু তাতে দমে যায়নি ছাত্র-জনতা। এই ছাত্র-জনতাকে সমূলে বা আংশিক নির্মূলের উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ নির্দেশনায় নির্বিচারে গুলি চালায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এর সঙ্গে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠন এবং ১৪ দলীয় জোটের ক্যাডার বাহিনী যোগ দেয়। এতে দেড় সহস্রাধিক ছাত্র-জনতাকে হত্যা করা হয়। আহত হয় ২৩ হাজারের অধিক শিক্ষার্থী ও জনতা। আহত অনেকে চিরতরে পঙ্গু ও দৃষ্টি শক্তি হারিয়েছেন।

    এর পরেও দমানো যায়নি আন্দোলনকারীদের। তারা ৫ আগস্ট গণভবনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। পদত্যাগ করে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পরেও পূর্ব নির্দেশনা অনুযায়ী ঐদিন গভীর রাত পর্যন্ত হত্যা, গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী এবং ১৪ দলীয় জোটের ক্যাডাররা। এসব অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে জুলাই-আগস্ট গণহত্যার মামলায়।

    প্রসঙ্গত গণঅভ্যুত্থানের মুখে গত ৫ আগস্ট দেশত্যাগ করেন শেখ হাসিনা। ৮ আগস্ট নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যাত্রা শুরু করে। এরপর ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, এমপি, বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে শত শত হত্যা মামলা দায়ের হয়। এর মধ্যে বেশ কিছু মামলায় গ্রেফতার হয়ে আগস্ট মাস থেকে কারাগারে আছেন ট্রাইব্যুনালের পরোয়ানাভুক্ত আসামিরা। অক্টোবর মাসে সরকার পুনর্গঠন করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। শেখ হাসিনাসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির মধ্য দিয়ে গত ১৭ অক্টোবর যাত্রা শুরু করে ট্রাইব্যুনাল। ইতিমধ্যে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রেড অ্যালার্ট জারি করতে ইন্টারপোলের কাছে চিঠি দিয়েছে চিফ প্রসিকিউটর।

  • দীপু মনির সুপারিশে মাউশিতে তিন হাজার পদায়ন

    দীপু মনির সুপারিশে মাউশিতে তিন হাজার পদায়ন

    সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির ইশারায় নিয়োগ পান প্রায় তিন হাজার ১৮৩ কর্মকর্তা-কর্মচারী। দীপু মনি সিন্ডিকেটের বলয়ে তারা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) চাকরি পান। এর জন্য উচ্চ মহলের সুপারিশসহ তাদের দিতে হয়েছে ৫ থেকে ১৫ লাখ টাকা। নিয়োগের জন্য যাচ্ছেতাইভাবে পরীক্ষা নেয়া হয় তাদের জন্য। দীপু মনির আমলে চার হাজার ১০৯ জনকে নিয়োগ দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। এখনো চাকরির অপেক্ষায় রয়েছেন ৬১০ জন।

    মাউশি’র এই নিয়োগ পুরোটা সামলেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনির ভাই ডা. জে আর ওয়াদুদ টিপু ও চাঁদপুর পুরান বাজার ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ রতন কুমার মজুমদার। অভিযোগ রয়েছে এই চক্রটির খাতা কলমে বৈধতা দেয়ার কাজ করে গেছেন মাউশি’র কলেজ ও প্রশাসন শাখার পরিচালক শাহেদুল খবির চৌধুরী, প্রশাসন শাখার উপ-পরিচালক বিপুল চন্দ্র বিশ্বাস। বর্তমানে এই দুই কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। টাকার বিনিময়ে নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তারা ২০২৩ সালে দু’দফায় (আগস্ট ও নভেম্বরে) যোগদান করেন।

    মাউশি’র একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীপু মনি শিক্ষার দায়িত্ব হাতে পাবার পরই গড়ে তোলেন সিন্ডিকেট। মাউশিতে নিয়ে আসেন পছন্দের লোকদের। জনপ্রশাসন থেকে নিয়োগের ছাড়পত্র এনে তার আমলে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করেন। এই চক্র এতটাই শক্তিশালী ছিল যে, কেউ প্রশ্ন করার সাহস পর্যন্ত ছিল না। পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন অনেকেই। পরীক্ষায় এমসিকিউ বাতিল করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ’র অধীনে লিখিত পরীক্ষা নেয়ার দাবি তোলা হয়েছিল। কিন্তু তা আমলেই নেয়া হয়নি। এমনকি ভাইবার আগেই এসব প্রার্থীদের দেয়া হয়েছিল চাকরির নিশ্চয়তা।

    সুপারিশের প্রেক্ষিতে চার হাজার ১০৯ জনকে নিয়োগ দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু নানা জটিলতায় আটকে যায় ৬১০ জনের পদায়ন। তবে তাদের পদায়নের জন্য চলতি বছরের জুনে ফল প্রকাশ করা হয়। কিন্তু ছাত্র-জনতার আন্দোলনের তোড়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। যার কারণে আটকে আছে তাদের নিয়োগ। নিয়ম অনুযায়ী দশম থেকে দ্বাদশ গ্রেড পর্যন্ত দ্বিতীয় শ্রেণির পদ, কিন্তু মাউশি’র নিয়োগবিধিতে এই পদগুলোকে তৃতীয় শ্রেণির দেখিয়ে শুধু এমসিকিউ পরীক্ষা নেয়া হয়। ২০২০ সালের অক্টোবরে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে ২৮টি ক্যাটাগরির বিভিন্ন পদের মধ্যে প্রদর্শক পদে ৫১৪টি, গবেষণা সহকারী (কলেজ) পদে ২১টি, সহকারী গ্রন্থাগারিক কাম ক্যাটালগার পদে ৬৯টি এবং ল্যাবরেটরি সহকারী পদে ৬টি পদ উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এসব পদের বিপরীতে পরীক্ষা ২০২১ সালের আগস্ট ও অক্টোবরে অনুষ্ঠিত হয়। পরিদর্শক পদের ফল অনিবার্যকারণবশত স্থগিত করা হয়েছিল। সেই পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয় ২০২৪ সালের এপ্রিলে। এতে প্রায় আট হাজার প্রার্থী উত্তীর্ণ হন। মে মাসে ভাইবা শেষে জুনে নির্বাচিতদের ফল প্রকাশ করা হয়। কিন্তু পরবর্তীতে পরিস্থিতির কারণে আটকে আছে এই ৬১০ জনের নিয়োগ। চাকরি পাওয়াদের মধ্যে রয়েছেন কম্পিউটার অপারেটর ৯ জন, উচ্চমান সহকারী ৮৫ জন, ক্যাশিয়ার ১১৯ জন, স্টোরকিপার ৫০ জন, হিসাব সহকারী ১০৬ জন, অফিস সহকারী ৫১৩ জন, মেকানিক ৩৩ জন, গাড়িচালক ১১ জন, বুক সর্টার ৪৬ জন, অফিস সহায়ক ১৭০৪ জন, নিরাপত্তা প্রহরী ২৪৭ জন, মালী ৯৭ জন, পরিচ্ছন্নকর্মী ১৬৩ জন। অন্যদিকে তালিকায় নিয়োগের অপেক্ষায় রয়েছেন প্রদর্শক পদে পদার্থবিদ্যায় ১০৯ জন, রসায়নে ১২০ জন, জীববিজ্ঞানে ৩১ জন, প্রাণিবিদ্যায় ১০৯ জন, উদ্ভিদবিদ্যায় ৯৬ জন, ভূগোলে ১৩ জন, মৃত্তিকায় ৫ জন, গণিতে ২২ জন, গার্হস্থ্য বিজ্ঞানে ৮ জন, কৃষিতে একজন, গবেষণা সহকারী (কলেজ) ২১ জন, সহকারী গ্রন্থাগারিক ৬৯ জন এবং ল্যাবরেটরি সহকারী ৬ জন।

    এই নিয়োগের বিষয়ে জানতে চাইলে মাউশি মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর এবিএম রেজাউল করীম বলেন, তালিকা ধরে নিয়োগের বিষয়টি আমার জানা নেই। আমি নিয়োগ প্রক্রিয়ার সময়ে দায়িত্বেও ছিলাম না। এটা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন। মন্ত্রণালয় থেকে কোনো নির্দেশনা দেয়া হলে সেটি বাস্তবায়ন করা হবে।

  • প্রতিমন্ত্রীর ঘোষণা: জাতীয় ঈদগাহে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী একসঙ্গে নামাজ পড়বেন

    প্রতিমন্ত্রীর ঘোষণা: জাতীয় ঈদগাহে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী একসঙ্গে নামাজ পড়বেন

    স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছেন, জাতীয় ঈদগাহে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একসঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করবেন। তিনি এই তথ্যটি জানিয়েছেন বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) জাতীয় ঈদগাহ পরিদর্শনের পর গণমাধ্যমের কাছে।

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রপতি জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজে অংশ নেবেন এবং প্রধানমন্ত্রীও নামাজে যোগদানের সম্মতি দিয়েছেন। ‘‘একসঙ্গে দুই ভিভিআইপি নামাজ পড়তে দেখা যাবে,’’ যোগ করেছেন তিনি।

    তিনি আরও জানান, জাতীয় ঈদগাহে মোট ৪০ হাজার মুসল্লি নামাজে অংশগ্রহণ করতে পারবেন এবং নারী ধর্মপ্রাণদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা থাকবে।

    দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সকাল সাড়ে আটটায় প্রতিষ্ঠিত সময় অনুযায়ী তাদের সঙ্গে নামাজ পড়বেন।

    পরিদর্শনকালে নিরাপত্তা, বসার ব্যবস্থা ও নারীদের পৃথক স্থান নিশ্চিত করার বিষয়গুলো নিয়ে প্রস্তুতি দেখা হয়েছে বলে প্রতিমন্ত্রী জানান।

  • অনিচ্ছাকৃত কষ্ট হলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    অনিচ্ছাকৃত কষ্ট হলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    ঢাকা-৮ আসনে নির্বাচনে অংশগ্রহণের পর থেকেই নানা বিষয়ে আলোচিত ও সমালোচিত হয়ে জনপ্রিয়তা পেয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর কিছু মন্তব্য দ্রুত ভাইরাল হয়ে ওঠে এবং বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।

    আজ বুধবার সকালে এক পোস্টে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, তাঁর কোনো কথা বা কাজে অনিচ্ছাকৃতভাবে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে তিনি আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছেন। পোস্টে তিনি জানান, ‘‘গত কয়েক দিনে বয়োজ্যেষ্ঠ বন্ধু, রাজনৈতিক শুভাকাঙ্ক্ষী, মন্ত্রী-এমপি ও প্রিয় সহযোদ্ধাদের সঙ্গে কিছু আন্তরিক কথা বলার সুযোগ হয়েছে। সবার কাছ থেকেই একটি সুন্দর দিকনির্দেশনা পেয়েছি—ব্যক্তিগত আক্রমণ এড়িয়ে চলা, অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা থেকে দূরে থাকা এবং গঠনমূলক আলোচনায় মনোযোগ দেওয়া।’’

    পাটওয়ারী আরও বলছেন, তিনি বিনয়ের সঙ্গে এই পরামর্শগুলো গ্রহণ করছেন এবং আগামীতে আরও শান্ত ও দায়িত্বশীলভাবে পথ চলার চেষ্টা করবেন। রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অগ্রগতির জন্য নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী কাজ করে যেতে চান তিনি।

    তিনি সবাইকে অনুরোধ করেছেন—দোয়া, ভালোবাসা ও পরামর্শেই তাঁর শক্তি। পাটওয়ারী উল্লেখ করেছেন, ‘‘যদি আমার কোনো কথা বা কাজে অনিচ্ছাকৃতভাবে কারও কষ্ট হয়ে থাকে, আমি তার জন্য আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইছি।’’

    এনসিপির এই নেতা জানান, গতকাল ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে কিয়ামুল লাইল আয়োজনের মাধ্যমে তিনি তাঁর আত্মিক যাত্রা নীরবে শুরু করেছেন এবং আল্লাহর কাছে সঠিক পথে পরিচালনার দোয়া চেয়েছেন।

  • জামায়াত-এনসিপি নিয়ে প্রশ্ন তুললেন বিএনপি এমপি মনিরুল হক চৌধুরী

    জামায়াত-এনসিপি নিয়ে প্রশ্ন তুললেন বিএনপি এমপি মনিরুল হক চৌধুরী

    জাতীয় সংসদের অধিবেশনে জামায়াত ও এনসিপি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপি নেতা ও সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী। রবিবার রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিলে তিনি গত রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহ ও দলের সহযোগিতা নিয়ে সংশয় ও স্মৃতিচারণ করেছেন।

    স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, স্বাধীনতার পর এক সময় মেধাবী কিছু সামাজিক-রাজনৈতিক শ্রেণি গঠিত হয়েছিল, যারা জাসদ গড়ে তুলেছিল। কিন্তু দায়িত্ব ও সীমা ছাড়িয়ে যাওয়ার কারণে তাতে দেশ-জাতি ও মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, এবং সেই অনুশীলন শেষ পর্যন্ত তাদের ও ক্ষতি করেছে। তিনি সবাইকে ধৈর্য ও সহনশীলতা রাখার আহ্বান জানান।

    বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে জামায়াতের ঐকমত্য প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ১৯৯১ সালের সংসদে তিনি তখনকার দলের সঙ্গে কাজ করেছেন—দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে। তৎকালীন জোট ও হিসাবকে বিবেচনা করে বসতে হয়; বেগম খালেদা জিয়া অনেকসময় জাতি-দেশের স্বার্থ সামনে রেখে বিরোধী রাজনৈতিক গোষ্ঠীর সঙ্গেও কাজ করেছেন। যে ক্রমে জামায়াত আজকের পর্যায়ে এসেছে, তার পেছনে বেগম খালেদা জিয়ার অবদানও স্মরণীয় হওয়া উচিত, এমন দাবি রাখেন তিনি।

    এ সময় তিনি বলেন, অনেকেই মনে করেন বাংলাদেশে ১৫-২০ বছর বিএনপি ছিল না—এই ধারণা ভুল। কেউ যদি বিএনপিকে প্রতিপক্ষ ভাবেন, অন্যদের মনে আছে কখনো জাসদ আওয়ামী লীগের প্রতিপক্ষ ছিল। ইতিহাস ও সময়ের প্রেক্ষিতে এসব বিষয় বিচার-বিশ্লেষণ করার বুদ্ধি-বিদ্যা সব পক্ষেই থাকা উচিত বলে তিনি মন্তব্য করেন।

    মনিরুল বলেন, তিনি সংসদে দাঁড়িয়ে কখনো কোনও ভাষায় কথা বললে কী হবে—এ ধরনের ভয় পান। আগে যখন বিরোধী দলে ছিলেন, তিনি তাদের চিনতেন; কিন্তু এখন যারা বিরোধী দল, তাদের তিনি ঠিক মতো চেনেন না। তিনি টারেক রহমানের কথাও স্মরণ করে বলেন, ‘‘কঠিন নির্বাচন’’—সেবার অনেকেই সেটা বুঝতে পারেননি, কিন্তু পরে নির্বাচনে গিয়ে তাদের কষ্ট বুঝতে হয়েছে।

    এছাড়া তিনি বলেন, এত সংখ্যক সদস্য নিয়ে সংসদে আসার পর যাদের কৃতজ্ঞতা জানানো উচিত, তাদের মধ্যে একজন ছিল জামায়াতে ইসলামী, কিন্তু এখন আমাদের সম্পর্কে নানা প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে জীবিত মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে—এ বিষয়ে সমান বিবেচনা ও ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেন তিনি।

    ফ্যাসিস্ট আমলের বিচারের নামে কোনো অন্যায় করা হয়ে থাকলে সেটি খণ্ডনীয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি, এবং বলেন তিনি মহান সংসদে এই বিষয়টি উত্থাপন করছেন। তিনি শেষ পর্যন্ত জামায়াতকে এক কথায় নির্দেশ দেন এবং এনসিপি প্রসঙ্গে বলেন, স্বাধীনতার পর বা এনসিপির নেতারা বয়সে কম হলেও তিনি তাদের শ্রদ্ধা করেন—কারণ তারা সাহসী, এবং এ যুগের চাহিদা পূরণে এগিয়ে এসেছে।

  • ক্রেডিট কার্ড গাইডলাইনে বড় পরিবর্তন: সর্বোচ্চ ঋণসীমা ৪০ লাখ, অনিরাপদ ঋণ ২০ লাখ

    ক্রেডিট কার্ড গাইডলাইনে বড় পরিবর্তন: সর্বোচ্চ ঋণসীমা ৪০ লাখ, অনিরাপদ ঋণ ২০ লাখ

    ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড সংক্রান্ত কার্যক্রম আরও সুশৃঙ্খল, স্বচ্ছ ও গ্রাহকবান্ধব করতে বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন জারি করেছে। রোববার এই তথ্য জানান ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসাইন খান।

    দৈনন্দিন জীবনে নগদ বহনের বিকল্প হিসেবে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার দ্রুত বাড়ায় এবং সেবার পরিধি প্রসারিত হায়। এই পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে বিদ্যমান জটিলতা কমানো এবং খাতে নতুন নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থা যোগ করার প্রয়োজন দেখা দেয়। সেই লক্ষ্যেই পূর্বের নীতিমালা হালনাগাদ করে নতুন নির্দেশনা প্রকাশ করা হয়েছে।

    নতুন গাইডলাইনে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা জোরদার করা হয়েছে, গ্রাহকের অধিকার সুরক্ষা ও বিরোধ নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া শক্ত পর্যবেক্ষণে নেওয়া হয়েছে এবং দায়িত্বশীল ঋণ প্রদানকে উৎসাহিত করে নগদবিহীন লেনদেনের জন্য স্বচ্ছ পরিবেশ কায়েম করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। গাইডলাইনে অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে — প্রযোজ্যতা ও সংজ্ঞা, ক্রেডিট কার্ডের প্রকারভেদ, গ্রাহকের যোগ্যতার মানদণ্ড, ঋণসীমা ও সুদের হার নির্ধারণ, কার্ড ইস্যু ও বিপণন নীতি, বিলিং ও আদায় প্রক্রিয়া, গ্রাহকের তথ্যের গোপনীয়তা ও অধিকার সুরক্ষা, বিরোধ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা, এবং অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

    নতুন নির্দেশনায় ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে বিতরণযোগ্য সর্বোচ্চ ঋণসীমা বাড়িয়ে ৪০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে; আগে এই সীমা ছিল ২৫ লাখ টাকা। একই সঙ্গে অনিরাপদ (আনসিকিউর্ড) ঋণের সর্বোচ্চ সীমা ১০ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ লাখ টাকা করা হয়েছে।

    প্রয়োজনে ক্রেডিট কার্ড সংক্রান্ত গ্রাহকের অভিযোগ, অনিয়ম বা জালিয়াতির ঘটনা, কার্ডের মাধ্যমে সংঘটিত লেনদেনের পরিশোধে জটিলতা ও বিরোধ নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করে গাইডলাইনে প্রয়োজনীয় সংশোধন আনা হয়েছে বলে গাইডলাইনে বলা হয়েছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংক আশা করছে, এই নির্দেশনা প্রয়োগ হলে ক্রেডিট কার্ড খাতের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পাবে, গ্রাহক সুরক্ষা মজবুত হবে এবং ডিজিটাল লেনদেন আরও উৎসাহিত হবে।

  • চট্টগ্রাম-মোংলা বন্দর ও শিপিং করপোরেশনের প্রকল্পে অনিয়ম তদন্তে দুদক

    চট্টগ্রাম-মোংলা বন্দর ও শিপিং করপোরেশনের প্রকল্পে অনিয়ম তদন্তে দুদক

    দুর্নীতি ও নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে চট্টগ্রাম বন্দর, মোংলা বন্দর এবং বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের বিভিন্ন প্রকল্পে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তদন্ত কার্যক্রমের জন্য উপ-পরিচালক নাজমুচ্ছায়াদাতকে প্রধান করে চারটি অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    রোববার (১৫ মার্চ) দুদক সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

    দুদকের প্রাথমিক তথ্যে বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের বর্তমান চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে একাধিক আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ আছে। যেসব অভিযোগের মধ্যে বিশেষভাবে দেখা গেছে: তিনি শিপিং করপোরেশনের এমডি থাকাকালে ২ হাজার ৪৮৬ কোটি টাকার বাজেটে ছয়টি জাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত চারটি জাহাজই কেনা হয়। এ প্রক্রিয়ায় প্রায় ৪৮৬ কোটি টাকার আর্থিক অসঙ্গতি সুস্পষ্ট হয়েছে।

    এছাড়া মোংলা বন্দরের ‘পশুর চ্যানেল সংরক্ষণ’ ড্রেজিং প্রকল্পে ১ হাজার ৫৩৮ কোটি টাকার বরাদ্দ সংক্রান্তও বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। দুদক এসব অভিযোগ খতিয়ে দেখছে; সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো থেকে নথিপত্র তলব করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

    দুদক জানিয়েছে, তদন্ত চলাকালে সব প্রাসঙ্গিক দলিল যাচাই করা হবে এবং পাওয়া মুল্যবান তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • কাতারের গ্যাস স্থাপনায় হামলা — দক্ষিণ এশিয়ার তিন দেশ সবচেয়ে ঝুঁকিতে

    কাতারের গ্যাস স্থাপনায় হামলা — দক্ষিণ এশিয়ার তিন দেশ সবচেয়ে ঝুঁকিতে

    গত বুধবার ইসরায়েল ইরানের পার্স গ্যাসক্ষেত্রে হামলা চালায় বলে খবর পাওয়া গেছে। জবাবে ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে প্রতিরোধ হিসেবে সৌদি আরব, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের কিছু জ্বালানি স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। ওই সংঘর্ষে কাতারের প্রধান গ্যাস কেন্দ্র রাস লাফানকে উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছে বলে সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে।

    সিএনএনের খবরে বলা হয়েছে, ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র দুই দফায় রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটিতে আঘাত হানে। ফলে উপসাগরীয় এই রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবস্থানে ‘ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি’ হলো এবং এর প্রভাব ওই অঞ্চলের সীমা ছাড়িয়ে বিশ্ব বাজারেও বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে।

    রাস লাফান, যা রাষ্ট্রায়ত্ত কাতার এনার্জি পরিচালিত, বিশ্বসেরা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কেন্দ্রগুলোর মধ্যে অন্যতম। এখানে গ্যাস সংগ্রহ, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বন্দরের সুবিধা একসঙ্গে রয়েছে। কাতার বৈশ্বিক এলএনজি সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ রপ্তানি করে—যুক্তরাষ্ট্রের পর এটি সবচেয়ে বেশি। বিশ্ববাজারে কাতারের সরবরাহে কোন ধরনের বিঘ্ন ঘটলে তা দ্রুত মূল্য ও যোগান শৃঙ্খলে ছাপ ফেলতে পারে।

    হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর থেকে মার্চের শুরু থেকে ওই অঞ্চলে অনেক এলএনজি ও অন্যান্য পণ্যের উৎপাদন স্থগিত রয়েছে। উৎপাদন স্থাপনাগুলোর যে বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে, তাতে কেন্দ্রটি পুরোপুরি পুনরায় চালু করতে সময় লাগতে পারে এবং এই বিরতি বিশ্ববাজারে সরবরাহ সংকট বাড়াবে।

    দক্ষিণ এশিয়ার কয়েকটি দেশ—বিশেষ করে পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও ভারত—এক্ষত্র সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পড়বে। তাদের এলএনজি আমদানি-চাহিদার অর্ধেকেরও বেশি কাতার থেকে আসে এবং মজুত ক্ষমতাও সীমিত, ফলে সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হলে দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া কঠিন হবে। এ ছাড়া এশিয়া, ইউরোপ ও আফ্রিকা থেকেও অনেক দেশ সরবরাহ বিঘ্নের প্রভাব অনুভব করবে।

    রাস লাফানে কেবল এলএনজি নয়; এখানে সার উৎপাদন (ইউরিয়া ও অ্যামোনিয়া), সালফার এবং হিলিয়ামও তৈরি হয়—যা কৃষি ও আধুনিক প্রযুক্তি উভয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। হিলিয়াম মাইক্রোচিপ তৈরিতে অপরিহার্য; কাতার এনার্জির তথ্য অনুযায়ী বিশ্ববর্ষের প্রায় ২৫ শতাংশ হিলিয়াম সরবরাহের সক্ষমতা এই কেন্দ্রে রয়েছে।

    ভৌগোলিকভাবে রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটি কাতারের উপদ্বীপের উত্তর-পূর্ব প্রান্তে, রাজধানী দোহার থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার উত্তর দিকে অবস্থিত। এটি পার্স উপসাগরের বিশাল একটি গ্যাসক্ষেত্র থেকে গ্যাস প্রক্রিয়াজাত করে—যেটি কাতার ও ইরান যৌথভাবে ভাগ করে নেয়; কাতার তাদের অংশকে নর্থ ডোম বলে, আর ইরান সেই একই ক্ষেত্রকে সাউথ পার্স নামে চেনে।

    এই ঘটনার মাধ্যমে প্রমাণ হল যে মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি অবকাঠামোর উপর সামান্য আঘাতও দ্রুত বিশ্ব বাজারে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এখন পরিস্থিতি কীভাবে স্থিতিস্থাপক হবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলো কবে পূর্ণ কার্যকারিতায় ফিরবে, সেটাই আগামী দিনগুলোতে নজরের কেন্দ্রে থাকবে।

  • ট্রাম্প বললেন—ইসরাইল আর সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রে হামলা করবে না

    ট্রাম্প বললেন—ইসরাইল আর সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রে হামলা করবে না

    যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রে ইসরাইলের হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে মন্তব্য করেছেন। তিনি প্রকাশ্যভাবে বলেছেন, ভবিষ্যতে ইসরাইল সেখানে আর কোনো হামলা চালাবে না। একই সঙ্গে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, যদি ইরান কাতারের জ্বালানি স্থাপনায় পুনরায় হামলা করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওই প্রধান গ্যাসক্ষেত্রকে ভয়াবহভাবে ধ্বংস করতে পিছপা হবে না।

    ঘটনাক্রম অনুযায়ী, গত বুধবার (১৮ মার্চ) ইরানের বুশেহর অঞ্চলে আসালুয়েহ বন্দরের উপকূলে সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রে এবং দেশের উত্তরাঞ্চলের আনজালি এলাকার কাছে নৌবাহিনীর ওপর হামলা চালায় ইসরাইল। সাউথ পার্সকে সাধারণত বিশ্বের বৃহত্তম প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্রগুলোর মধ্যে ধরা হয়; এখানে ইরান ও কাতার—দুই দেশের গ্যাস উত্তোলন ও শিল্পস্থাপনা রয়েছে।

    এর প্রতিশোধ হিসেবে ইরান কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের গ্যাস ও তেল সম্পর্কিত কিছু স্থাপনা লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। কাতার দ্রুততম কার্যক্রমে তাদের নিরাপত্তা পদক্ষেপ জোরদার করে: দেশটির ইরান শান্তদূতাবাসের মিলিটারি ও সিকিউরিটি অ্যাটাশে এবং তাদের স্টাফদের ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা করে দ্রুত কাতার ত্যাগের নির্দেশ দেয়া হয়। সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতও কট্টর প্রতিক্রিয়া ও সতর্কতা ব্যক্ত করেছে।

    টুইটরের পরিবর্তে ট্রুথ সোস্যালে দেয়া এক পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইসরাইল সাউথ পার্সে হামলা চালানোর আগে যুক্তরাষ্ট্র ‘কিছুই জানত না’। তবে সিএনএন সেই রিপোর্ট প্রকাশ করে যে, এই হামলায় ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কিছু ধরনের সমন্বয় ছিল।

    ট্রাম্প পোস্টে বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়ায় ইসরাইল সাউথ পার্স নামের এক বৃহৎ স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। তবে আঘাত হানার অংশটি মোট এলাকার তুলনায় অপেক্ষাকৃত ছোট ছিল।’ তিনি কাতারের রাস লাফান এলএনজি স্থাপনায় ইরানের প্রতিশোধমূলক হামলাকে ‘অন্যায় ও অযৌক্তিক’ আখ্যা দিয়েছেন এবং সাউথ পার্সকে ‘অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও মূল্যবান’ ধরে সেখানে আর ইসরাইল হামলা চালাবে না বলেও উল্লেখ করেছেন।

    তারপরেই ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘যদি ইরান পুনরায় কাতারের বিরুদ্ধে হামলা চালায়, তবে আমি তাদের এই গ্যাসক্ষেত্রটিকে এমনভাবে ধ্বংস করার নির্দেশ দিতে প্রস্তুত আছি—যা ইরান পূর্বে কখনো দেখেনি বা কল্পনাও করেনি।’ তিনি যোগ করেন, এমন ধ্বংসযজ্ঞের অনুমতি দিতে তিনি স্বেচ্ছায় নয় কারণ এর দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব থাকবে, তবু কাতারের এলএনজি স্থাপনায় যদি আবার আক্রমণ হয়, তবে তিনি তা করতে দ্বিধা করবেন না।

    এর আগে কাতারএনার্জি জানিয়েছিল, রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ফলে সেখানে ব্যাপক আগুন লেগে এবং বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। পরিস্থিতির কথা বিবেচনায় কয়েক ঘণ্টা আগেই ওই স্থানটি খালি করা হয়েছিল। কাতারের পক্ষ বলেন, ইরান আগে থেকেই ঘোষণা করেছিল যে, তাদের সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রের ওপর চালানো হামলার জবাবে উপসাগরীয় কো-অপারেশন কাউন্সিল (জিসিসি) অঞ্চলের কয়েকটি জ্বালানি স্থাপনায় আক্রমণ করা হবে।

    এ ঘটনা উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা ও জ্বালানি সরবরাহকে নতুনভাবে অনিশ্চয়তার মুখে ফেলেছে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কূটনৈতিক চাপ বাড়ার পাশাপাশি এলাকার দেশগুলোর মধ্যে উত্তেজনা বেড়েই চলেছে, যা ভবিষ্যতে আরও জটিল কূটনৈতিক ও নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।

  • কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু সার্কিট হাউজ মাঠে ঈদজামাতের প্রস্তুতি পরিদর্শন

    কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু সার্কিট হাউজ মাঠে ঈদজামাতের প্রস্তুতি পরিদর্শন

    খুলনা: খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু আজ বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) খুলনা সার্কিট হাউজ মাঠে আসন্ন ঈদ-উল-ফিতরের প্রধান জামাত আয়োজনের প্রস্তুতি পরিদর্শন করেন।

    নার-পরিদর্শনে তিনি মাঠের সার্বিক প্রস্তুতি, সিটিং ব্যবস্থা, জনসমাগম নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তাসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য বিষয় খতিয়ে দেখেন। পরিদর্শন শেষে কেসিসি প্রশাসক জানান, সার্কিট হাউজ মাঠটি ঐতিহ্যবাহী একটি ময়দান যেখানে প্রতিবারই হাজার হাজার নগরবাসী ঈদের নামাজ আদায় করেন। মুসুল্লাদের যাতে সুষ্ঠু ও নিরাপদভাবে প্রধান জামাতে নামাজ আদায় করতে অসুবিধা না হয় সেটাই বড় লক্ষ্য। তিনি জানান, মাঠের প্রস্তুতির কাজ আজ সন্ধ্যার মধ্যে প্রায় শেষ হবে এবং খুলনা সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। প্রশাসক আশা করেন, নগরবাসী স্বাচ্ছন্দ্যে ও নিরাপত্তামতো অংশগ্রহণ করে পবিত্র ঈদ উৎসব উদযাপন করবেন।

    পরিদর্শনকালে খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মোঃ মোখতার আহমেদ, রেঞ্জ ডিআইজি মোঃ রেজাউল হক, কেএমপি পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান, কেসিসি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ, জেলা প্রশাসক আ. স. ম. জামশেদ খোন্দকার, কেসিসি প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, জেলা প্রশাসন, কেসিসি ও কেএমপির অন্যান্য কর্মকর্তা এবং সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    ঈদ জামাতের সময়সূচি ও স্থান:

    – খুলনা সার্কিট হাউজ মাঠে প্রধান জামাত সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে। দ্বিতীয় জামাত সকাল ৯টায় এবং তৃতীয় জামাত সকাল ১০টায় খুলনা টাউন জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে।

    – আবহাওয়া প্রতিকূল হলে খুলনা টাউন জামে মসজিদে সকাল ৮টায় প্রথম জামাত, সকাল ৯টায় দ্বিতীয় এবং সকাল ১০টায় তৃতীয় জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

    – খুলনা আলিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন মডেল মসজিদ ও বয়রা মডেল মসজিদে ঈদের জামাত সকাল সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে।

    – খালিশপুর ঈদগাহ ময়দান এবং বসুপাড়া ইসলামাবাদ ঈদগাহ ময়দানে ঈদের জামাত সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে।

    – বায়তুন নূর জামে মসজিদে দুইটি জামাত; সকাল ৮টার প্রথম জামাতে ইমামতি করবেন খতিব হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ ইমরান উল্লাহ এবং সকাল ৯টায় দ্বিতীয় জামাতে ইমামতি করবেন মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা মোঃ জাকির হোসেন।

    – খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে জামাত সকাল সাড়ে ৭টায়; এবারে এতে মহিলাদের জন্য পৃথক নামাজের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

    – খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে ঈদের জামাত সকাল সাড়ে ৭টায় অনুষ্ঠিত হবে।

    কেসিসি প্রশাসক ও সংশ্লিষ্টরা সকল ধর্মপ্রাণ মুসল্লিকে সর্তক ও শান্তিপূর্ণভাবে জামাতে অংশগ্রহণ করার আহ্বান জানান এবং অনুষ্ঠান সুষ্ঠু ও নিরাপদভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণের কথা নিশ্চিত করেন।

  • দৌলতপুরে যুবদল নেতা রাসু হত্যায় একজন গ্রেফতার

    দৌলতপুরে যুবদল নেতা রাসু হত্যায় একজন গ্রেফতার

    দৌলতপুরে যুবদল নেতা রাশিকুল আনাম ‘রাসু’ হত্যা মামলায় এক যুবককে গ্রেফতার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বুধবার সন্ধ্যায় দিঘলিয়া উপজেলার সেনহাটি ইউনিয়ন থেকে ইসমাঈল হোসেনকে আটক করা হয়। পরে তাকে ডিবি কার্যালয়ে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

    মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ তৈমুর ইসলাম বলেন, হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই আমরা বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আসছিলাম। তদন্তের অংশ হিসেবে বিভিন্ন জায়গায় গোপন সূত্রও ব্যবহার করা হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার সন্ধ্যায় সেনহাটি ইউনিয়ন থেকে ইসমাঈলকে আটক করা হয় এবং কার্যালয়ে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তিনি জিজ্ঞাসাবাদে বেশ কিছু তথ্য দিয়েছেন, তবে তদন্তের স্বার্থে এখনই সবকিছু প্রকাশ করা যাচ্ছে না।

    আটকের পরে হত্যাকাণ্ডের সময় উপস্থিত থাকার সন্দেহ থাকা কয়েক ব্যক্তিকে ডিবি কার্যালয়ে আনা হয় এবং তারা অভিযুক্তকে শনাক্ত করেছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ইসমাঈলকে দৌলতপুর থানা হস্তান্তর করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, তার বিরুদ্ধে খুলনার বিভিন্ন থানায় হত্যা, অস্ত্র ও মারামারিসহ ছয়টি মামলা রয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে।

  • জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার, সহকারী নির্বাচক নাঈম

    জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার, সহকারী নির্বাচক নাঈম

    বিসিবি জাতীয় দলের নতুন নির্বাচক প্যানেলে প্রধান নির্বাচক হিসেবে হাবিবুল বাশারকে এবং সহকারী নির্বাচক হিসেবে নাঈম ইসলামকে চূড়ান্ত করেছে। গাজী আশরাফ হোসেন লিপুর মেয়াদ চলতি মাসেই শেষ হওয়া সত্ত্বেও নতুন নির্বাচক ঘোষণা করে বিসিবি। লিপু পাকিস্তান সিরিজ জয়ের পর খেলোয়াড়দের কাছ থেকেও বিদায় নিয়েছিলেন।

    নির্বাচক নিয়োগের আগেই বিসিবি একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিল। জাতীয় দলের নির্বাচক পদে আবেদন গ্রহণ বন্ধ করা হয়েছিল ৮ মার্চ; মোট ১৬ জন প্রাক্তন ক্রিকেটার এ পদের জন্য আবেদন করেছিলেন। আবেদনকারীদের সাক্ষাৎকার নিয়ে তাদের মধ্যে থেকে নির্বাচন সম্পন্ন করা হয়েছে।

    সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাশার, যিনি আগে সহকারী নির্বাচকের দায়িত্ব পালন করেছেন, প্রধান নির্বাচক হিসেবে নিয়োগ পেলেন। সহকারী নির্বাচক পদের ক্ষেত্রে তুষার ইমরান ও নাঈম ইসলাম ছিলেন প্রধান দুই প্রত্যাশী; সূত্রের খবর অনুযায়ী বিসিবি শেষ পর্যন্ত নাঈমকে চূড়ান্ত করেছে। তবে বিষয়টি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়নি বোর্ড।

    নির্বাচক প্যানেল বাছাইয়ে বিসিবির চার পরিচালক জড়িত ছিলেন—ফারুক আহমেদ, খালেদ মাসুদ পাইলট, নাজমুল আবেদিন ফাহিম ও আব্দুর রাজ্জাক। পারিশ্রমিক সংক্রান্ত খবর অনুযায়ী প্রধান নির্বাচকের মাসিক বেতন রাখা হয়েছে ৪ লাখ টাকা, আর সহকারী নির্বাচকের বেতন হতে পারে ৩ লাখ টাকা। একই বেতন আগেই সহকারী নির্বাচকের দায়িত্বে থাকা হাসিবুল ইসলাম শান্তের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হতে পারে।

    আধিকারিক ঘোষণার অপেক্ষায় রয়েছে ক্রিকেট ভক্ত ও সংশ্লিষ্টরা; টেকনیکی দল ও নির্বাচক প্যানেলের চূড়ান্ত গঠন সামনে রেখে ভবিষ্যৎ দল নির্বাচন এবং প্রস্তুতি কাজগুলোকে গতি দেওয়ার লক্ষ্য রাখছে বিসিবি।