Blog

  • সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ জনকে আজ হাজির করা হচ্ছে ট্রাইব্যুনালে

    সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ জনকে আজ হাজির করা হচ্ছে ট্রাইব্যুনালে

    জুলাই-আগস্টের গণহত্যার মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হচ্ছে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ আসামিকে। 

    আজ সোমবার সকালে কড়া নিরাপত্তায় তাদেরকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হবে। এদিকে গণহত্যার মামলার তদন্তের সময় বৃদ্ধির জন্য আবেদন জানাবে তদন্ত সংস্থা। সংস্থার পক্ষে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট এম তাজুল ইসলাম আজ এ আবেদন জানাবেন। বিচারপতি মো. গোলাম মূর্তজা মজুমদারের সভাপতিত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালে আবেদনের উপর শুনানি হবে। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

    ট্রাইব্যুনালে যাদেরকে হাজির করা হচ্ছে এরা হলেন: আনিসুল হক, ড. আব্দুর রাজ্জাক, শাজাহান খান, সালমান এফ রহমান, গোলাম দস্তগীর গাজী, কামাল আহমেদ মজুমদার, লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান, ড. দীপু মনি, রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু, জুনাইদ আহমেদ পলক, তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী (বীর বিক্রম), সাবেক বিচারপতি এইচ এম শামসুদ্দীন চৌধুরী মানিক ও সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিব জাহাঙ্গীর আলম।

    এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট এম তাজুল ইসলাম ইত্তেফাককে বলেন, গণহত্যার মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারিকৃতদের মধ্যে গ্রেফতার হওয়া ১৪ অভিযুক্তকে আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করার জন্য আদেশ রয়েছে। ঐ আদেশ মোতাবেক কারা কর্তৃপক্ষ তাদেরকে হাজির করবে। তিনি বলেন, গণহত্যার মামলা তদন্তের জন্য সময় দিয়েছিল ট্রাইব্যুনাল। যেহেতু তদন্ত শেষ হয়নি সেহেতু সময় বৃদ্ধির আবেদন দেওয়া হবে। কোটা সংস্কার ও সরকার পতনের আন্দোলন দমাতে নিরস্ত্র ছাত্র-জনতাকে সমূলে বা আংশিক নির্মূলের লক্ষ্যে হত্যা, গণহত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের মামলায় গত ১৭ অক্টোবর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সরকারের সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে ট্রাইব্যুনাল। ২৭ অক্টোবর পরোয়ানাভুক্তদের মধ্যে ২০ জনকে ট্রাইব্যুনালের মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। এদের মধ্যে ১৪ জনকে আজ এবং ছয় পুলিশ কর্মকর্তা সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন, বরখাস্ত মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, সাবেক ঢাকা জেলার এডিসি (এসপি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত ছিলেন) আব্দুল্লাহ হিল কাফী, সাবেক এডিসি আরাফাতুল ইসলাম, যাত্রাবাড়ী থানার সাবেক ওসি আবুল হাসান এবং গুলশান থানার সাবেক ওসি মাজহারুল ইসলামকে ২০ নভেম্বর ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ রয়েছে। এদিকে ২৭ অক্টোবর ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, র‍্যাবের সাবেক ডিজি হারুন-অর রশিদ, এসবির সাবেক প্রধান মনিরুল ইসলাম, ডিবির সাবেক প্রধান হারুনুর রশিদ, বিপ্লব কুমার সরকার, সাবেক এডিসি ইকবাল হোসেনসহ আরো ১৭ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করা হয়।

    তদন্ত সংস্থা ও প্রসিকিউশনের অভিযোগে যা বলা হয়েছে : কোটা সংস্কারের অহিংস আন্দোলন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সহিংস হয়ে উঠে। একই সঙ্গে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরস্ত্র ছাত্র-ছাত্রীদের ওপর নির্মমভাবে হামলা চালায়। এই হামলার ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকাসহ দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামে। সংঘর্ষ হয় ছাত্রলীগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে। ১৬ জুলাই রংপুরে পুলিশের গুলিতে শিক্ষার্থী আবু সাঈদসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আরও ছয় জন মারা যান। ফলে কোটা সংস্কার আন্দোলন সরকার পতনের আন্দোলনে রূপ নেয়। এই আন্দোলনে একসময় শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ যোগ দেয়। কমপ্লিট শাটডাউন, অসহযোগ আন্দোলন দমাতে জারি করা হয় কারফিউ। কিন্তু তাতে দমে যায়নি ছাত্র-জনতা। এই ছাত্র-জনতাকে সমূলে বা আংশিক নির্মূলের উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ নির্দেশনায় নির্বিচারে গুলি চালায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এর সঙ্গে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠন এবং ১৪ দলীয় জোটের ক্যাডার বাহিনী যোগ দেয়। এতে দেড় সহস্রাধিক ছাত্র-জনতাকে হত্যা করা হয়। আহত হয় ২৩ হাজারের অধিক শিক্ষার্থী ও জনতা। আহত অনেকে চিরতরে পঙ্গু ও দৃষ্টি শক্তি হারিয়েছেন।

    এর পরেও দমানো যায়নি আন্দোলনকারীদের। তারা ৫ আগস্ট গণভবনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। পদত্যাগ করে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পরেও পূর্ব নির্দেশনা অনুযায়ী ঐদিন গভীর রাত পর্যন্ত হত্যা, গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী এবং ১৪ দলীয় জোটের ক্যাডাররা। এসব অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে জুলাই-আগস্ট গণহত্যার মামলায়।

    প্রসঙ্গত গণঅভ্যুত্থানের মুখে গত ৫ আগস্ট দেশত্যাগ করেন শেখ হাসিনা। ৮ আগস্ট নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যাত্রা শুরু করে। এরপর ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, এমপি, বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে শত শত হত্যা মামলা দায়ের হয়। এর মধ্যে বেশ কিছু মামলায় গ্রেফতার হয়ে আগস্ট মাস থেকে কারাগারে আছেন ট্রাইব্যুনালের পরোয়ানাভুক্ত আসামিরা। অক্টোবর মাসে সরকার পুনর্গঠন করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। শেখ হাসিনাসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির মধ্য দিয়ে গত ১৭ অক্টোবর যাত্রা শুরু করে ট্রাইব্যুনাল। ইতিমধ্যে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রেড অ্যালার্ট জারি করতে ইন্টারপোলের কাছে চিঠি দিয়েছে চিফ প্রসিকিউটর।

  • দীপু মনির সুপারিশে মাউশিতে তিন হাজার পদায়ন

    দীপু মনির সুপারিশে মাউশিতে তিন হাজার পদায়ন

    সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির ইশারায় নিয়োগ পান প্রায় তিন হাজার ১৮৩ কর্মকর্তা-কর্মচারী। দীপু মনি সিন্ডিকেটের বলয়ে তারা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) চাকরি পান। এর জন্য উচ্চ মহলের সুপারিশসহ তাদের দিতে হয়েছে ৫ থেকে ১৫ লাখ টাকা। নিয়োগের জন্য যাচ্ছেতাইভাবে পরীক্ষা নেয়া হয় তাদের জন্য। দীপু মনির আমলে চার হাজার ১০৯ জনকে নিয়োগ দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। এখনো চাকরির অপেক্ষায় রয়েছেন ৬১০ জন।

    মাউশি’র এই নিয়োগ পুরোটা সামলেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনির ভাই ডা. জে আর ওয়াদুদ টিপু ও চাঁদপুর পুরান বাজার ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ রতন কুমার মজুমদার। অভিযোগ রয়েছে এই চক্রটির খাতা কলমে বৈধতা দেয়ার কাজ করে গেছেন মাউশি’র কলেজ ও প্রশাসন শাখার পরিচালক শাহেদুল খবির চৌধুরী, প্রশাসন শাখার উপ-পরিচালক বিপুল চন্দ্র বিশ্বাস। বর্তমানে এই দুই কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। টাকার বিনিময়ে নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তারা ২০২৩ সালে দু’দফায় (আগস্ট ও নভেম্বরে) যোগদান করেন।

    মাউশি’র একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীপু মনি শিক্ষার দায়িত্ব হাতে পাবার পরই গড়ে তোলেন সিন্ডিকেট। মাউশিতে নিয়ে আসেন পছন্দের লোকদের। জনপ্রশাসন থেকে নিয়োগের ছাড়পত্র এনে তার আমলে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করেন। এই চক্র এতটাই শক্তিশালী ছিল যে, কেউ প্রশ্ন করার সাহস পর্যন্ত ছিল না। পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন অনেকেই। পরীক্ষায় এমসিকিউ বাতিল করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ’র অধীনে লিখিত পরীক্ষা নেয়ার দাবি তোলা হয়েছিল। কিন্তু তা আমলেই নেয়া হয়নি। এমনকি ভাইবার আগেই এসব প্রার্থীদের দেয়া হয়েছিল চাকরির নিশ্চয়তা।

    সুপারিশের প্রেক্ষিতে চার হাজার ১০৯ জনকে নিয়োগ দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু নানা জটিলতায় আটকে যায় ৬১০ জনের পদায়ন। তবে তাদের পদায়নের জন্য চলতি বছরের জুনে ফল প্রকাশ করা হয়। কিন্তু ছাত্র-জনতার আন্দোলনের তোড়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। যার কারণে আটকে আছে তাদের নিয়োগ। নিয়ম অনুযায়ী দশম থেকে দ্বাদশ গ্রেড পর্যন্ত দ্বিতীয় শ্রেণির পদ, কিন্তু মাউশি’র নিয়োগবিধিতে এই পদগুলোকে তৃতীয় শ্রেণির দেখিয়ে শুধু এমসিকিউ পরীক্ষা নেয়া হয়। ২০২০ সালের অক্টোবরে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে ২৮টি ক্যাটাগরির বিভিন্ন পদের মধ্যে প্রদর্শক পদে ৫১৪টি, গবেষণা সহকারী (কলেজ) পদে ২১টি, সহকারী গ্রন্থাগারিক কাম ক্যাটালগার পদে ৬৯টি এবং ল্যাবরেটরি সহকারী পদে ৬টি পদ উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এসব পদের বিপরীতে পরীক্ষা ২০২১ সালের আগস্ট ও অক্টোবরে অনুষ্ঠিত হয়। পরিদর্শক পদের ফল অনিবার্যকারণবশত স্থগিত করা হয়েছিল। সেই পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয় ২০২৪ সালের এপ্রিলে। এতে প্রায় আট হাজার প্রার্থী উত্তীর্ণ হন। মে মাসে ভাইবা শেষে জুনে নির্বাচিতদের ফল প্রকাশ করা হয়। কিন্তু পরবর্তীতে পরিস্থিতির কারণে আটকে আছে এই ৬১০ জনের নিয়োগ। চাকরি পাওয়াদের মধ্যে রয়েছেন কম্পিউটার অপারেটর ৯ জন, উচ্চমান সহকারী ৮৫ জন, ক্যাশিয়ার ১১৯ জন, স্টোরকিপার ৫০ জন, হিসাব সহকারী ১০৬ জন, অফিস সহকারী ৫১৩ জন, মেকানিক ৩৩ জন, গাড়িচালক ১১ জন, বুক সর্টার ৪৬ জন, অফিস সহায়ক ১৭০৪ জন, নিরাপত্তা প্রহরী ২৪৭ জন, মালী ৯৭ জন, পরিচ্ছন্নকর্মী ১৬৩ জন। অন্যদিকে তালিকায় নিয়োগের অপেক্ষায় রয়েছেন প্রদর্শক পদে পদার্থবিদ্যায় ১০৯ জন, রসায়নে ১২০ জন, জীববিজ্ঞানে ৩১ জন, প্রাণিবিদ্যায় ১০৯ জন, উদ্ভিদবিদ্যায় ৯৬ জন, ভূগোলে ১৩ জন, মৃত্তিকায় ৫ জন, গণিতে ২২ জন, গার্হস্থ্য বিজ্ঞানে ৮ জন, কৃষিতে একজন, গবেষণা সহকারী (কলেজ) ২১ জন, সহকারী গ্রন্থাগারিক ৬৯ জন এবং ল্যাবরেটরি সহকারী ৬ জন।

    এই নিয়োগের বিষয়ে জানতে চাইলে মাউশি মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর এবিএম রেজাউল করীম বলেন, তালিকা ধরে নিয়োগের বিষয়টি আমার জানা নেই। আমি নিয়োগ প্রক্রিয়ার সময়ে দায়িত্বেও ছিলাম না। এটা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন। মন্ত্রণালয় থেকে কোনো নির্দেশনা দেয়া হলে সেটি বাস্তবায়ন করা হবে।

  • মেহজাবীন ঘোষণা করলেন, আইনি ব্যবস্থা নিবেন আর.false বিজ্ঞাপন ও মানহানি অপপ্রচার চালানো হচ্ছে

    মেহজাবীন ঘোষণা করলেন, আইনি ব্যবস্থা নিবেন আর.false বিজ্ঞাপন ও মানহানি অপপ্রচার চালানো হচ্ছে

    অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী সম্প্রতি বিমানবন্দরে অবৈধ পণ্যসহ আটকের খবরের বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ছড়িয়ে পড়া প্রবঞ্চনা মোকাবেলায় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। সোমবার দুপুরে তিনি তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি বিস্তারিত পোস্ট করেছেন, যেখানে বলেছেন, তাকে জড়িয়ে অপরাধের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, যার জন্য তিনি ইতোমধ্যে আদালতে মোকাবেলার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

    ফেসবুক পোস্টে মেহজাবীন স্পষ্ট করে বলেন, এই কল্পিত ঘটনাটির সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। তিনি বলেন, আমি কখনোই বিমানবন্দরে আমাকে থামানো হয়নি, আমার কোনো হ্যান্ডব্যাগ বা লাগেজও আটকানো হয়নি। যেখানে অভিযোগ করা হয়েছে সেখানে আমি উপস্থিতই ছিলাম না। এমনকি আমার লাগেজ বা ব্যক্তিগত জিনিসের মধ্যে কিছু অবৈধ পাওয়ার সম্ভাবনাও নেই। অনেক ছড়ানো খবরের মতোই, এই ঘটনাটির সঙ্গে আমার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। বিমানবন্দরের কোনো কর্মকর্তা আমার সাথে জিজ্ঞাসাবাদ করেননি বা আমার সঙ্গে কোনো অসুবিধার মুখোমুখি হইনি।

    অভিনেত্রী আরও প্রশ্ন করেন, যদি এমন কোনও ঘটনার সত্যতা থাকত, তাহলে এর প্রমাণ কি রয়েছে? তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দুর্ভাগ্যবশত আজকাল মানহানি যেন সাধারণ ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে, এই ধরনের অভিযোগে কেউই কোন সত্য প্রমাণ দেখাতে পারেননি। আমার লাগেজে কিছু পাওয়া গেছে এমন অভিযোগ কি কেউ প্রমাণ করতে পারবে? বরং আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচারে ছবি ব্যবহার করা হয়েছে, যা সত্যের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।

    মেহজাবীন এ ধরনের পরিস্থিতি খুবই উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করেন, এজন্য আমি পুনরায় জানাচ্ছি, এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং আমি এই বিষয়ে আমার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। তিনি দৃঢ়ভাবে জানান, এ ধরনের অপ্রয়োজনীয় অপপ্রচার ও মানহানি থেকে তিনি আইনি পথে যাবেন।

    প্রসঙ্গত, এর আগে রোববার তিনি একটি পোস্টে জানিয়েছিলেন যে, সম্প্রতি কিছু সময় ধরে তাকে নানা ভাবে ‘টার্গেট’ করে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। উল্লেখ্য, গত তিন মাস আগে তিনি পারিবারিক ব্যবসায় আর্থিক প্রতারণার অভিযোগে জটিলতার মধ্যে পড়লেও পরে আদালত থেকে এই অভিযোগ থেকে মুক্তি পান।

    বিতর্কের মূল সূত্রপাত হয় এক সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে, যেখানে বলা হলো যে, ১৭ আগস্ট ব্যাংকক থেকে ফেরার সময় মেহজাবীন ও তার স্বামীকে বিমানবন্দরে মদের বোতলসহ আটক করা হয়েছে। তবে এই তথ্যের সত্যতা পাওয়া যায়নি। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে, তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে, এই ধরনের খবরের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই এবং তিনি মানহানির অভিযোগে আইনি পদক্ষেপ নিবেন।

  • প্রথমবার টেলিভিশনে আসছে জনপ্রিয় সিনেমা ‘উৎসব’

    প্রথমবার টেলিভিশনে আসছে জনপ্রিয় সিনেমা ‘উৎসব’

    প্রথমবারের মতো টেলিভিশনের পর্দায় আসছে বহুল আলোচিত সিনেমা ‘উৎসব’। ঈদুল ফিতর উপলক্ষে এই সিনেমাটি দেখে নেওয়ার সুযোগ পাবেন দর্শকেরা। মাছরাঙা টেলিভিশন এই সিনেমাটি ঈদের দিন দুপুর ২:২০ মিনিটে প্রচার করবে, যেখানে দেখা যাবে তারকাখচিত এক অসাধারণ কাস্ট।

    তানিম নূর পরিচালিত এই সিনেমায় অভিনয় করেছেন দেশের স্বনামধন্য তারকারা, যেমন জাহিদ হাসান, চঞ্চল চৌধুরী, জয়া আহসান, অপি করিম, আফসানা মিমি, তারিক আনাম খান, আজাদ আবুল কালাম, ইন্তেখাব দিনার, সুনেরাহ বিনতে কামাল, সৌম্যজ্যোতি, সাদিয়া আয়মানসহ আরও অনেক অভিনেতা।

    সিনেমাটি গত বছরের ঈদুল আজহায় প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়, এবং মুক্তির পর থেকেই দর্শকরা এবং সমালোচকরা এর ব্যাপক প্রশংসা করেন। দেশের পাশাপাশি ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহেও সিনেমাটি দর্শকদের উপচেপড়া ভিড় সৃষ্টি করেছিল।

    যদিও এটি ওটিটি প্ল্যাটফর্ম ‘চরকি’তে মুক্তি পেয়েছে, কিন্তু এখনও অনেক দর্শক টেলিভিশনে সেটি উপভোগের সুযোগ পাননি। এবার এ সে সুযোগ করে দিলো মাছরাঙা টেলিভিশন।

    ‘উৎসব’ সিনেমাটি নব্বই দশকের আবহে নির্মিত, যা গভীর হাস্যরস ও নাটকীয়তায় পরিপূর্ণ। এই সিনেমা অবলম্বন করা হয়েছে কিংবদন্তি ঔপন্যাসিক চার্লস ডিকেন্সের বিখ্যাত গল্প ‘এ ক্রিস্টমাস ক্যারল’-এর। এই অসাধারণ সাহিত্যকথা যেন নতুন করে জীবন পেয়েছে এই চলচ্চিত্রে, যা দর্শকদের মনে দাগ কাটবে।

  • ইত্যাদির মঞ্চে দর্শকদের সঙ্গে অভিনয় করলেন মোশাররফ করিম

    ইত্যাদির মঞ্চে দর্শকদের সঙ্গে অভিনয় করলেন মোশাররফ করিম

    ঈদে প্রত্যাশিত ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’ আবারও অনুষ্ঠিত হলো বর্ণিল ও সৌন্দর্যময় আয়োজনের সঙ্গে। এবারের পর্বে দেখা গেছে অসাধারণ নানা চমক, হয়েছে নতুনত্বের ছোঁয়া। এই বিশেষ পর্বে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রিয় অভিনেতা মোশাররফ করিম, যিনি নির্বাচিত চারজন দর্শকের সঙ্গে সরাসরি মঞ্চে অভিনয় করেন।

    হানিফ সংকেতের ‘ইত্যাদি’ অনুষ্ঠানে সাধারণত থাকেন নানা রকম চমক ও মনোরম দৃশ্য। তবে এবারের উৎসবে মোশাররফ করিমের উপস্থিতি ছিল বিশেষ। তিনি দর্শকদের জন্য বিভিন্ন পর্যায়ে প্রস্তুত হয়ে অঙ্কিত করেছেন তিনটি ভিন্ন ভিন্ন চরিত্র। এই অভিনয় শুধু বিনোদনই দেয়নি, বরং সমাজে সচেতনতা বৃদ্ধির বার্তা পৌঁছে দেয়।

    অভিনয়ের পাশাপাশি এবারের ‘ইত্যাদি’ আরও আলাদা হয়েছে। মূল নিয়মে দর্শকদের প্রশ্নোত্তর পর্বে নির্বাচন করা হলেও, এই বিশেষ পর্বে দর্শকদের বাছাই কাজ সম্পন্ন হয় বিভিন্ন উপকরণের মাধ্যমে। সেই পর্যায়ে নির্বাচিত চারজন দর্শককে মঞ্চে নেওয়া হয়।

    উল্লেখ্য, ঈদের পরের দিন রাত ৮টার বাংলা সংবাদের পর বিটিভিতে এই বিশেষ পর্বের সম্প্রচার হবে। অনুষ্ঠানটি রচনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেছেন হানিফ সংকেত, যা নির্মাণ করেছে ফাগুন অডিও ভিশন। এই অনুষ্ঠানটি দর্শকদের জন্য এক স্মরণীয় মুহূর্তের সৃষ্টি করেছে।

  • বিজয়ের স্ত্রীর আসল অনুভূতি: আমি ধন্য

    বিজয়ের স্ত্রীর আসল অনুভূতি: আমি ধন্য

    দক্ষিণী চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা বিজয় দেবেরাকোন্ডার সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধলেন রাশমিকা মান্দানা। সামাজিক মাধ্যমে বিয়ের কিছু ছবি প্রকাশ করে তারা নিজেদের সম্পর্কের আনুষ্ঠানিকতা সবাইকে জানিয়ে দেন। দীর্ঘ সাত বছর প্রেমের পর এই সফরে তাদের নতুন জীবনের শুরু হয়েছে।

    রাশমিকা লিখেছেন, ‘মানুষটি আমাকে সত্যিকারের ভালোবাসা কীভাবে হয় তা শিখিয়েছে। তিনি আমাকে শান্তিতে থাকার পথ দেখিয়েছেন। প্রতিদিন তিনি আমাকে বড় স্বপ্ন দেখতে শেখান এবং নিজের ক্ষমতায় বিশ্বাস করতে অনুপ্রেরণা দেন। আমি যা ভাবতে পারি তার থেকেও অনেক বেশি কিছু পেতে সক্ষম হয়েছি আমি।’

    তিনি আরও বলেছেন, ‘এই মানুষটি আমাকে কখনো এমনভাবে নাচতে বাধা দেননি যেন কেউ দেখছে না। তিনি আমাকে বোঝান বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরে বেড়ানো জীবনের সবচেয়ে সুন্দর অভিজ্ঞতা। আমিদের এই সম্পর্কের মধ্যে আমি এতটাই খুশি যে বলতে পারি, আমি সেই নারী হতে পেরেছি যা আমি সবসময় হতে চেয়েছিলাম। আমি নিজেকে অত্যন্ত ভাগ্যবান মনে করি।’

    নিজের জীবনে বিভিন্ন সাফল্য, সংগ্রাম ও সুখ-দুঃখের সময় বিজয়ের পাশে থেকে তিনি নিজের প্রতিষ্ঠা পেয়েছেন। বিজয়ের স্ত্রীরূপে নিজেকে দেখার জন্য তিনি সত্যিই কৃতজ্ঞ ও ধন্য। তিনি সবার কাছে দোয়া ও শুভকামনা চেয়েছেন, যেন এই নতুন যাত্রায় তাদের ভালোবাসা ও ঐক্য আরও দৃঢ় হয়।

  • কসমেটিক সার্জারির মাত্র কয়েকদিন পর ব্রাজিলিয়ান কন্টেন্ট ক্রিয়েটর অকাল মৃত্যুবরণ করেছেন

    কসমেটিক সার্জারির মাত্র কয়েকদিন পর ব্রাজিলিয়ান কন্টেন্ট ক্রিয়েটর অকাল মৃত্যুবরণ করেছেন

    ব্রাজিলিয়ান কন্টেন্ট ক্রিয়েটর ও ইনফ্লুয়েন্সার বিয়াঙ্কা ডিয়াস কসমেটিক সার্জারির কিছুদিনের মধ্যেই ফুসফুসে রক্ত জমাট বাধার কারণে প্রাণ হারিয়েছেন। তার মৃত্যু গত বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ঘটে, তখন তার বয়স ছিল মাত্র ২৭ বছর।

    ডিয়াসের প্রিয়জনরা জানিয়েছেন, তিনি সর্বশেষ ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে লন্ডনে এক ট্রিপের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেছিলেন। এটাই ছিল তার শেষ পোস্ট।

    তার বন্ধু জেফ কার্লোস ইনস্টাগ্রামে লিখেছেন, ‘মৃত্যু কিছুই নয়। আমাদের বন্ধন এখনো অটুট।’

    কনটেন্ট ক্রিয়েটর প্যাট্রিসিয়া গানডেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলছেন, ‘আমি জানি আমরা কিছু সুন্দর মুহূর্ত কাটিয়েছি, অসাধারণ আড্ডা দিয়েছি। ঈশ্বর তার পরিবারের দিকে শান্তি ও সাহস দিক।’

    স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলছেন ডিয়াসের বন্ধু জিওভানা বার্গেস। তিনি নিশ্চিত করেছেন, ডিয়া বেশ কিছুদিন ধরেই কসমেটিক সার্জারি করিয়েছিলেন। সার্জারির পরে তিনি বাড়িতে ফিরে সুস্থ হয়ে উঠার প্রক্রিয়ায় ছিলেন। তবে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে গেলে, তিনি মৃগী রোগের মতো তীব্র ঝাঁকুনি শুরু করেছিলেন। ডাক্তাররা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    বার্গেস আরও জানান, তিনি অসংখ্য প্রার্থনা ও শুভকামনা প্রকাশের জন্য সকলকে ধন্যবাদ জানাচ্ছেন। যারা ধর্ম নির্বিশেষে পরিবারের জন্য প্রার্থনা করে থাকবেন, তার জন্য তিনি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

    ডিয়াসের অকাল মৃত্যু ঘটায় ব্রাজিলে গত ২০ ফেব্রুয়ারি সাও পাওলোতে একটি শোক সভাও অনুষ্ঠিত হয়।

  • বিশ্বকাপে অনুপস্থিত থাকলেও বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের র‍্যাংকিং বেড়েছে

    বিশ্বকাপে অনুপস্থিত থাকলেও বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের র‍্যাংকিং বেড়েছে

    নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ না করলেও বাংলাদেশের তিনজন ক্রিকেটার আইসিসি র‍্যাংকিংয়ে উল্লেখযোগ্য উন্নতি করেছেন। তারা হলেন পারভেজ হোসেন ইমন, সাইফ হাসান ও জাকের আলি অনিক। বুধবার প্রকাশিত আইসিসির সাপ্তাহিক র‍্যাংকিং আপডেটে দেখা গেছে, এই তিন ক্রিকেটার ঘরোয়া ক্রিকেটে ব্যস্ত থাকলেও আন্তর্জাতিক র‍্যাংকিংয়ে তাদের অবস্থান শক্তি অর্জন করেছে। পারভেজ হোসেন ইমন টি-টোয়েন্টি ব্যাটিংয়ে দুই ধাপ এগিয়ে এখন ৪১ নম্বরে পৌঁছালেন, যা তার ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ স্থান। তাকে রেটিং পয়েন্টে ৫৪২ পয়েন্টের সম্মানজনক অবস্থানে দেখা যাচ্ছে। পাশাপাশি, সাইফ হাসান দুই ধাপ উন্নতি করে যৌথভাবে ৪২ নম্বরে উঠেছেন, আর জাকের আলি তিন ধাপ এগিয়ে ৭২তম স্থানে অবস্থান করছেন। অন্যদিকে, কিছু ক্রিকেটারের অবনতি হয়েছে। তানজিদ হাসান তামিম ২১ নম্বর থেকে পিছিয়ে যান এবং লিটন দাস ৫৪ নম্বরে আছেন। তোহাঈদ হৃদয় রেটিংয়ে অপরিবর্তিত থাকলেও তার অবস্থান ৪৭ নম্বরে। বলার মতো বিষয়, বাংলাদেশের আরও কিছু খেলোয়াড়ের র‍্যাংকিংয়ে পতন হয়েছে। মোস্তাফিজুর রহমান টেবিলের ৯ নম্বর স্থানে থাকা অবস্থায় অপরিবর্তিত থাকলেও, শেখ মেহেদি (২১), রিশাদ হোসেন (২৭), নাসুম আহমেদ (৩৫) ও তানজিম সাকিবের (৪৯) র‍্যাংকিংয়ে বড় দরার পতন হয়েছে। অলরাউন্ডারদের তালিকায় বাংলাদেশের কেউ শীর্ষ চল্লিশের মধ্যে নেই; শেখ মেহেদি ৪৫ নম্বরে নেমে গিয়েছেন। অন্যদিকে, জিম্বাবুয়ের দারুণ পারফরম্যান্সের কারণে অলরাউন্ডার র‍্যাংকিংয়ে শীর্ষে ফিরে এসেছেন সিকান্দার রাজা, তিনি পাকিস্তানের সাইম আইয়ুবকে টপকে এক নম্বর স্থান দখল করেছেন। ব্যাটিং র‍্যাংকিংয়ে শীর্ষে রয়েছেন ভারতের অভিষেক শর্মা (৮৭৭ পয়েন্ট), দ্বিতীয় স্থানে ফিল সল্ট এবং তৃতীয় স্থান অধিকার করেছেন পাকিস্তানের সাহিবজাদা ফারহান। বলিংয়ে শীর্ষে আছেন ভারতের বরুণ চক্রবর্তী, তার সঙ্গে রয়েছেন রশিদ খান। সবচেয়ে বড় চমক হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকার করবিন বশ ২১ ধাপ উন্নতি করে ৩ নম্বরে উঠে এসেছেন। এরপর জাসপ্রিত বুমরাহ ৭ ধাপ এগিয়ে ৮ম স্থানে অবস্থান করছেন।

  • নিউজিল্যান্ডের জয় নিশ্চিত করে শ্রীলঙ্কাকে বিদায় করে সেমিফাইনালের দৌড়ে টিকে থাকছে নিউজিল্যান্ড

    নিউজিল্যান্ডের জয় নিশ্চিত করে শ্রীলঙ্কাকে বিদায় করে সেমিফাইনালের দৌড়ে টিকে থাকছে নিউজিল্যান্ড

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম পর্বে সেমিফাইনালে উঠে যাওয়ার জন্য শ্রীলঙ্কার কাছে জিততেই হতো নিউজিল্যান্ডকে। তবে এ কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়ে তারা শ্রীলঙ্কার কাছে ৬১ রানের বিশাল ব্যবধানে হেরে যায়, যার ফলে তাদের আসর থেকে ছিটকে যেতে হয়। এর সঙ্গে সঙ্গে শ্রীলঙ্কাও বিদায়ের আসরে চলে যায়, তবে নিউজিল্যান্ডের জন্য এটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ এক জয় যা তাদের সেমিফাইনালের পথে আরো কাছাকাছি নিয়ে এসেছে। বর্তমানে তারা দুটি ম্যাচে ৩ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছে। শীর্ষে রয়েছে ইংল্যান্ড, যাদের পয়েন্ট ৪। পাকিস্তান রয়েছে তৃতীয় স্থানে, যদিও তাদের পয়েন্টও একটাই। হেরেছে জানিয়ে শ্রীলঙ্কার অবস্থান এখন সবার নিচে, কোনও পয়েন্ট ছাড়াই।

    কলম্বোতে অনুষ্ঠিত সেই ম্যাচে, নিউজিল্যান্ড ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখায়। জবাবে শ্রীলঙ্কার ব্যাটাররা শুরুতেই প্রান্তে 빠ড়ে, প্রথম ওভারে পাওয়ার প্লেতে দুই ব্যাটারকেই ফেরান কিউই পেসার ম্যাট হেনরি। প্রথম বলেই আউট হন পাথুম নিশাঙ্কা, তার পরে চতুর্থ ওভারে আউট করেন আসালাঙ্কাকে, যিনি মাত্র ৫ রান করে আউট হন।

    এরপর স্পিনের জাদুতে শ্রীলঙ্কাকে ধাক্কা দেয়েন রাচিন রবীন্দ্র। তার স্পিনে একের পর এক ব্যাটার সাজঘরে ফেরে, যার ফলে পুরো দল বাজে পরিস্থিতিতে পড়ে। আউট হওয়ার আগে কুশল মেন্ডিস ১১, পাভান রতœায়েক ১০, দলের নেতা দাসুন শানাকা ৩ ও দুশান হেমন্ত ৩ রান করেন।

    অন্যদিকে, ব্যাটে লড়াই চালিয়ে যান কামিন্দু মেন্ডিস। যদিও এটি ছিল তার জন্য একপ্রকার লড়াই, তিনি ২৩ বলে ৩১ রান করে আউট হন। ভেল্লালাগে ২৯ রানে থেমে যান। শেষ দিকে চামিরা ও থিকসানা অপরাজিত থাকেন যথাক্রমে ৭ ও ২ রানে। সবমিলিয়ে শ্রীলঙ্কা ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১০৭ রান করতে সক্ষম হয়।

    নিউজিল্যান্ডের জন্য সর্বোচ্চ চারটি উইকেট নেন রাচিন রবীন্দ্র, যা তার আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা পারফরম্যান্স। ম্যাট হেনরিও দুটি উইকেট নিতে সক্ষম হন।

    প্রথমে টস জিতে লঙ্কান দলের ক্যাপটেন দাসুন শানাকা নিউজিল্যান্ডকে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানায়। শুরুতেই ওপেনার ফিল অ্যালেন ঝোড়ো ব্যাটিং শুরু করেন, তবে চতুর্থ ওভারে থিকসানা তার ওপেনিং ইনিংস শেষ করে দেন। অ্যালেন ১৩ বলে ২৩ রান করেন। এরপর অপর ওপেনার টিম সেথফোর্ড খুব বেশি দূরে যেতে পারেননি, মাত্র ৮ রানে আউট হন।

    তবে, রাচিন রবীন্দ্র ও গ্লেন ফিলিপসের মধ্যে জুটি গড়ে খেলতে থাকেন। তারা ৪৩ রানের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশীদারিত্ব করে ড্রাইভ করেন। কিন্তু এই দুজনই আউটের পরে রান ধীর হয়ে যায়। ১২ থেকে ১৬ ওভার পর্যন্ত পুরো সময়ে দল মাত্র ১৫ রান যোগ করে। রাচিন ৩২, ফিলিপস ১৮, মিচেল ৩, ও চ্যাপম্যান শূন্য রান করেন।

    শেষ চার ওভারে চাপ কাটিয়ে পরিস্থিতি বদলে দেন দলের অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার ও কোল ম্যাককঞ্চি। তারা এক সাথে ৮৪ রান যোগ করেন, যেখানে স্যান্টনার ২৬ বলে ৪৭ রান করেন, যার মধ্যে চারটি চার ও চারটি ছয়ে। ম্যাককঞ্চি ৩১ রান করে অপরাজিত থাকেন।

    শ্রীলঙ্কার হয়ে তিনটি করে উইকেট পান মহেশ থিকসানা ও দুশমান্থা চামিরা, আর দুনিথ ভেল্লালাগে একটি উইকেট নেন। সাধারণত এই পারফরম্যান্স তার ক্যারিয়ারের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বলিং দিক হিসেবে গণ্য হচ্ছে।

    এর আগে কলম্বোতে এই ম্যাচের প্রথম অংশে, টস জিতে শ্রীলঙ্কা শুরুতেই নিউজিল্যান্ডকে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানায়। ওপেনার ফিল অ্যালেন শুরুতে ঝলক দেখালেও চতুর্থ ওভারে থিকসানা তাকে ফেরান। অ্যালেন ১৩ বলে ২৩ রান করেন। অন্য ওপেনার টিম সেথফোর্ড মাত্র ৮ রানে আউট হন।

    তৃতীয় উইকেট জুটিতে রবীন্দ্র ও ফিলিপসের মধ্যে দ্রুত রান যোগ হয়, তবে এরপর আর গতি বাড়েনি। ১২ থেকে ১৬ ওভার পর্যন্ত দলের রান আসে খুব ধীরেসুস্থে। সুযোগের মধ্যে খেলতে থাকেন দলনেতা স্যান্টনার ও ম্যাককঞ্চি। দুজনের মধ্যে ৮৪ রানের এক অসাধারণ জুটি গড়ে ওঠে। এই জুটিতে, স্যান্টনার মাত্র ২৬ বলে ৪৭ রান করেন, যেখানে চারটি চার ও চারটি ছয়ে দারুণ ব্যাটিং করেন। ম্যাককঞ্চি ৩১ রান করে অপরাজিত থাকেন।

    অধিনায়কের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের সঙ্গে, দলের অন্য সদস্যরাও যথেষ্ট পারফরম্যান্স দেখায়। শ্রীলঙ্কার হয়ে সবচেয়ে বেশি উইকেট নেন মহেশ থিকসানা ও দুশমান্থা চামিরা, উভয়ই তিনটি করে উইকেট।

  • বিচারের জন্য মাঠে বিশেষ রাসায়নিক ব্যবহার করছে ভারত

    বিচারের জন্য মাঠে বিশেষ রাসায়নিক ব্যবহার করছে ভারত

    চেন্নাইয়ের এম এ চিদাম্বরম স্টেডিয়ামে সন্ধ্যার পর থেকে শিশির জমা হওয়ার সমস্যা নিয়ে গুঞ্জন ছিল। তাই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে ভারত বিশেষ ব্যবস্থা নেয়। যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা এক ধরনের রাসায়নিক ব্যবহার করা হচ্ছে মাঠের আউটফিল্ডে। ‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’ আকর অনুযায়ী, এই রাসায়নিকের নাম ‘ডিউ কিউর’। তামিলনাড়ু ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন (টিএনসিএ) আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য নতুন করে মাঠের প্রস্তুতি নেওয়ার সময় এই রাসায়নিক আমদানি করে। এটি যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ বেসবলের বিভিন্ন ভেন্যুতে নিয়মিত ব্যবহৃত হয়। মঙ্গলবার ও বুধবার দুপুরে মাঠের আউটফিল্ডে পানি মিশিয়ে এই রাসায়নিক স্প্রে করা হয়েছে, এবং আজ (বৃহস্পতিবার) সকালেও একই প্রক্রিয়া চলবে, যাতে ম্যাচ শুরুর সময় পর্যন্ত এর কার্যকারিতা বজায় থাকে। এই পদ্ধতিতে মিশ্রণের সূত্র বলছে, একবার স্প্রে করার পরে ঘাসের পাতা থেকে আর্দ্রতা শোষিত হয় না। ভেজা ভাব থাকলে তা দ্রুত শুকিয়ে যায়, ফলে শিশিরের প্রভাব কমে যায়, যা ম্যাচের ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। ভারতের ক্রিকেটাররা দীর্ঘ অনুশীলন শেষে মাঠে পরিস্থিতি পরীক্ষা করেন এবং তারা উইকেট ও আউটফিল্ডের অবস্থা দেখে সন্তুষ্ট হয়েছেন। ভবিষ্যতে সেমিফাইনাল ও ফাইনাল ম্যাচেও এই রাসায়নিক ব্যবহার করা হতে পারে বলে সূত্র জানিয়েছে। তবে, এখনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। এছাড়া, আইপিএল শুরু হলে সব ভেন্যুতেই এই নিয়ম বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা নিয়েছে বোর্ড। অতীতে শিশিরের কারণে অনেক ম্যাচের ফলাফলে বড় প্রভাব পড়ায় भारतीय ক্রিকেট বোর্ড এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

  • নাহিদ-লিটনের ব্যাটে নর্থ জোনের বড় জয়, ১৪০ বল হাতে রেখেই টানা দুই জয়

    নাহিদ-লিটনের ব্যাটে নর্থ জোনের বড় জয়, ১৪০ বল হাতে রেখেই টানা দুই জয়

    নিজেদের প্রথম ম্যাচে দাপুটে জয় ছড়িয়ে দেয়া সাউথ জোন এবার দাঁড়াতেই পারল না নাজমুল হোসেনের নর্থ জোনের সামনে। আফিফ হোসেন ও সৌম্য সরকারের ব্যাটিং ব্যর্থতার দিনে উজ্জীবিত হয়ে উঠেছেন লিটন দাস ও তৌহিদ হৃদয়। এর ফলে টানা দুই ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে বেধেছে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে অবস্থান।

    রাজশাহী বিভাগীয় স্টেডিয়ামে আজ (২৬ ফেব্রুয়ারি) সাউথ জোনকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে নর্থ জোন। শুরুতে ব্যাটিং করে ৩০ ওভার ৫ বলে ১৪৪ রান করে সাউথ জোন। জবাবে নর্থ জোন ১৪০ বল হাতে রেখে সহজেই জয় নিশ্চিত করে।

    এই জয়ে দুই ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে ফাইনালে ওঠার পথে বেশ এগিয়ে গেছে নর্থ জোন। অন্যদিকে, দুই ম্যাচে দুই পয়েন্ট পেয়ে সাউথ জোনকে এবার ফাইনালে উঠতে হলে শেষ ম্যাচে ইস্ট জোনের বিরুদ্ধে অবশ্যই জিততেই হবে।

    টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে সাউথ জোন। ওপেনার আনিসুল ইসলাম কোনো রান তোলার আগেই ফিরে যান, ardından আউট হন জাওয়াদ আবরারও। একই সময়ে সৌম্য সরকার ও আফিফ হোসেন ধ্রুবও ফিরলে বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি হয় দলটির উপর।

    ১৯ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বসে থাকা সাউথ জোনের জন্য পরিস্থিতি আরো খারাপ হয়। এরপর মোহাম্মদ মিথুন তার সঙ্গী নুরুল হাসান সোহানের সঙ্গে ৫০ রানের জুটি গড়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। তবে ব্যক্তিগত ২৪ রানে নাহিদ রানাকে উড়িয়ে দিয়ে নুরুল হাসান সোহান ফিরে যান।

    সাত নম্বরে নামা রবিউল হককে নিয়ে আবারও দাঁড়িয়ে যান মিথুন। ২২ বলে ২৯ রান করে ফিরে যান রবিউল। এরপর আর বেশি দূর এগোতে পারেনি টিমের টেলেন্টেড ব্যাটসম্যানরা। নিজে ফিফটি পূর্ণ করে অপরাজিত থাকেন ৫৫ রানে। অন্যদিকে, দলের কোনো সহযোগিতা না থাকায় ১৯ ওভার ১ বল খেলেই অলআউট হয় সাউথ জোন।

    নর্থ জোনের হয়ে তিনটি করে উইকেট নিয়েছেন এস এম মেহরব ও নাহিদ রানা। গুরুত্বপূর্ণ তিন উইকেট পাওয়ায় ম্যাচের সেরা হয়েছেন নাহিদ।

    জবাব দিতে নেমে প্রথমেই দলীয় ২৮ রানে হাবিবুর রহমান সোহানের উইকেট হারায় নর্থ জোন। এরপর ৯ রানে ফেরেন তানজিদ হাসান তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্তও। চতুর্থ উইকেটে বিদায় নেন তাওহীদ হৃদয় ও লিটন কুমার দাস। হৃদয় ৩৩ রান করে আউট হন, কিন্তু লিটন দাস ফিফটি পূর্ণ করে দলের জয় নিশ্চিত করেন। তিনি ৬৫ বলে ৫৫ রান করে অপরাজিত থাকেন।

    সাউথ জোনের হয়ে ৫টি ওভারে ২৩ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন মুস্তাফিজুর রহমান।

  • ইন্ডিয়াকে বিদায় করে সেমির স্বপ্ন জিইয়ে রাখলো জিম্বাবুয়ে

    ইন্ডিয়াকে বিদায় করে সেমির স্বপ্ন জিইয়ে রাখলো জিম্বাবুয়ে

    সুপার ৮পর্বের প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে বড় ব্যবধানে হেরে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে পড়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছিল ভারতের। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৭২ রানের বিশাল ব্যবধানের জয়ে তারা আবারো স্বপ্ন দেখার সুযোগ পায়, এবং সেমিফাইনালে ওঠার দৌড়ে টিকে থাকে। অন্যদিকে, টানা দুটো ম্যাচ হেরে বদলে যায় দলের পরিস্থিতি, আর সিকান্দার রাজা ও তার দল বাদ পড়েছে টুর্নামেন্ট থেকে।

    জিম্বাবুয়ে লক্ষ্য টা নিয়েছিল ২৫৭ রান। শুরুতেই দুই ওপেনার ভালো সূচনা দেয়, যার ফলে প্রথম পাওয়ার প্লেতে তারা সংগ্রহ করে ৮০ রান। তবে পরে ব্যাটাররা ধারাবাহিকতা দেখাতে পারেননি, তবে প্রত্যাশার চেয়ে একটু কম রান করলেও, মূলত ওপেনার ব্রায়ান বেনেটের অসাধারণ ব্যাটিং ম্যাচে দারুণ আলোড়ন সৃষ্টি করে। তিনি ফিফটি পূর্ণ করেন এবং ইনিংসের শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন। তার ৯৭ রানের এই ইনিংসটি ৫৯ বলে খেলা, যেখানে আটটি চার ও ছয়টি ছয়ে তিনি জ্বলে ওঠেন।

    অন্যদিকে, মারুমানি ২০ বলে ২০ রান করেন, আর দলনেতা সিকান্দার রাজা ২১ বলে ৩১ রান করে দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। রানের খাতা খলতে পারেননি রায়ান বার্ল বা অন্যান্য ব্যাটাররা। জিম্বাবুয়ের ইনিংস শেষ হয় ১৮৪ রানে।

    ভারতের জন্য সফল বোলার ছিলেন অর্শদিপ সিং, যিনি তিনটি উইকেট নেন। ম্যাচ শুরুর শুরুতে টস জিতে জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক সিকান্দার রাজা প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন। ভারতীয় পক্ষে বল হাতে দুজন বোলার খেলেন বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা, যেখানে হার্দিক পান্ডিয়া ৫০ রানে তিন উইকেট তুলে নেন।

    প্রথমে ব্যাট করতে নেমে দুই ভারতীয় ওপেনার বেশ শক্তিশালী শুরু করেন। ১৫ বলে ২৪ রান করে স্যাঞ্জু স্যামসন আউট হলেও পাওয়ার প্লেতে তারা সংগ্রহ করে ৮০ রান। দ্বিতীয় উইকেটে ৭২ রানের জুটি গড়ে ওঠে। অভিষেক শর্মা ২৬ বলে ৫০ রান করে ক্রিজে থাকেন, এরপরই দ্রুত আউট হন। সূর্যকুমার যাদব ১৩ বলে ৩৩ রান করেন।

    পঞ্চম উইকেটে হার্দিক পান্ডিয়া ও তিলক ভার্মা জোড়া ব্যাট করেন, যেখানে তারা গড়েন ৩১ বলে ৮৪ রানের জুটি। হার্দিক ২৩ বলে ৫০ রান করেন, আর তিলক ১৬ বলে ৪৪ রান। এর ফলে ভারতের স্কোর দাঁড়ায় ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ২৫৬ রান।

    জিম্বাবুয়ের পক্ষে চারজন বোলার একটি করে উইকেট পান, যা ম্যাচের উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে দেয়।