Blog

  • সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ জনকে আজ হাজির করা হচ্ছে ট্রাইব্যুনালে

    সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ জনকে আজ হাজির করা হচ্ছে ট্রাইব্যুনালে

    জুলাই-আগস্টের গণহত্যার মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হচ্ছে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ আসামিকে। 

    আজ সোমবার সকালে কড়া নিরাপত্তায় তাদেরকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হবে। এদিকে গণহত্যার মামলার তদন্তের সময় বৃদ্ধির জন্য আবেদন জানাবে তদন্ত সংস্থা। সংস্থার পক্ষে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট এম তাজুল ইসলাম আজ এ আবেদন জানাবেন। বিচারপতি মো. গোলাম মূর্তজা মজুমদারের সভাপতিত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালে আবেদনের উপর শুনানি হবে। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

    ট্রাইব্যুনালে যাদেরকে হাজির করা হচ্ছে এরা হলেন: আনিসুল হক, ড. আব্দুর রাজ্জাক, শাজাহান খান, সালমান এফ রহমান, গোলাম দস্তগীর গাজী, কামাল আহমেদ মজুমদার, লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান, ড. দীপু মনি, রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু, জুনাইদ আহমেদ পলক, তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী (বীর বিক্রম), সাবেক বিচারপতি এইচ এম শামসুদ্দীন চৌধুরী মানিক ও সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিব জাহাঙ্গীর আলম।

    এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট এম তাজুল ইসলাম ইত্তেফাককে বলেন, গণহত্যার মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারিকৃতদের মধ্যে গ্রেফতার হওয়া ১৪ অভিযুক্তকে আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করার জন্য আদেশ রয়েছে। ঐ আদেশ মোতাবেক কারা কর্তৃপক্ষ তাদেরকে হাজির করবে। তিনি বলেন, গণহত্যার মামলা তদন্তের জন্য সময় দিয়েছিল ট্রাইব্যুনাল। যেহেতু তদন্ত শেষ হয়নি সেহেতু সময় বৃদ্ধির আবেদন দেওয়া হবে। কোটা সংস্কার ও সরকার পতনের আন্দোলন দমাতে নিরস্ত্র ছাত্র-জনতাকে সমূলে বা আংশিক নির্মূলের লক্ষ্যে হত্যা, গণহত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের মামলায় গত ১৭ অক্টোবর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সরকারের সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে ট্রাইব্যুনাল। ২৭ অক্টোবর পরোয়ানাভুক্তদের মধ্যে ২০ জনকে ট্রাইব্যুনালের মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। এদের মধ্যে ১৪ জনকে আজ এবং ছয় পুলিশ কর্মকর্তা সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন, বরখাস্ত মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, সাবেক ঢাকা জেলার এডিসি (এসপি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত ছিলেন) আব্দুল্লাহ হিল কাফী, সাবেক এডিসি আরাফাতুল ইসলাম, যাত্রাবাড়ী থানার সাবেক ওসি আবুল হাসান এবং গুলশান থানার সাবেক ওসি মাজহারুল ইসলামকে ২০ নভেম্বর ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ রয়েছে। এদিকে ২৭ অক্টোবর ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, র‍্যাবের সাবেক ডিজি হারুন-অর রশিদ, এসবির সাবেক প্রধান মনিরুল ইসলাম, ডিবির সাবেক প্রধান হারুনুর রশিদ, বিপ্লব কুমার সরকার, সাবেক এডিসি ইকবাল হোসেনসহ আরো ১৭ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করা হয়।

    তদন্ত সংস্থা ও প্রসিকিউশনের অভিযোগে যা বলা হয়েছে : কোটা সংস্কারের অহিংস আন্দোলন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সহিংস হয়ে উঠে। একই সঙ্গে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরস্ত্র ছাত্র-ছাত্রীদের ওপর নির্মমভাবে হামলা চালায়। এই হামলার ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকাসহ দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামে। সংঘর্ষ হয় ছাত্রলীগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে। ১৬ জুলাই রংপুরে পুলিশের গুলিতে শিক্ষার্থী আবু সাঈদসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আরও ছয় জন মারা যান। ফলে কোটা সংস্কার আন্দোলন সরকার পতনের আন্দোলনে রূপ নেয়। এই আন্দোলনে একসময় শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ যোগ দেয়। কমপ্লিট শাটডাউন, অসহযোগ আন্দোলন দমাতে জারি করা হয় কারফিউ। কিন্তু তাতে দমে যায়নি ছাত্র-জনতা। এই ছাত্র-জনতাকে সমূলে বা আংশিক নির্মূলের উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ নির্দেশনায় নির্বিচারে গুলি চালায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এর সঙ্গে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠন এবং ১৪ দলীয় জোটের ক্যাডার বাহিনী যোগ দেয়। এতে দেড় সহস্রাধিক ছাত্র-জনতাকে হত্যা করা হয়। আহত হয় ২৩ হাজারের অধিক শিক্ষার্থী ও জনতা। আহত অনেকে চিরতরে পঙ্গু ও দৃষ্টি শক্তি হারিয়েছেন।

    এর পরেও দমানো যায়নি আন্দোলনকারীদের। তারা ৫ আগস্ট গণভবনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। পদত্যাগ করে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পরেও পূর্ব নির্দেশনা অনুযায়ী ঐদিন গভীর রাত পর্যন্ত হত্যা, গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী এবং ১৪ দলীয় জোটের ক্যাডাররা। এসব অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে জুলাই-আগস্ট গণহত্যার মামলায়।

    প্রসঙ্গত গণঅভ্যুত্থানের মুখে গত ৫ আগস্ট দেশত্যাগ করেন শেখ হাসিনা। ৮ আগস্ট নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যাত্রা শুরু করে। এরপর ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, এমপি, বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে শত শত হত্যা মামলা দায়ের হয়। এর মধ্যে বেশ কিছু মামলায় গ্রেফতার হয়ে আগস্ট মাস থেকে কারাগারে আছেন ট্রাইব্যুনালের পরোয়ানাভুক্ত আসামিরা। অক্টোবর মাসে সরকার পুনর্গঠন করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। শেখ হাসিনাসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির মধ্য দিয়ে গত ১৭ অক্টোবর যাত্রা শুরু করে ট্রাইব্যুনাল। ইতিমধ্যে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রেড অ্যালার্ট জারি করতে ইন্টারপোলের কাছে চিঠি দিয়েছে চিফ প্রসিকিউটর।

  • দীপু মনির সুপারিশে মাউশিতে তিন হাজার পদায়ন

    দীপু মনির সুপারিশে মাউশিতে তিন হাজার পদায়ন

    সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির ইশারায় নিয়োগ পান প্রায় তিন হাজার ১৮৩ কর্মকর্তা-কর্মচারী। দীপু মনি সিন্ডিকেটের বলয়ে তারা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) চাকরি পান। এর জন্য উচ্চ মহলের সুপারিশসহ তাদের দিতে হয়েছে ৫ থেকে ১৫ লাখ টাকা। নিয়োগের জন্য যাচ্ছেতাইভাবে পরীক্ষা নেয়া হয় তাদের জন্য। দীপু মনির আমলে চার হাজার ১০৯ জনকে নিয়োগ দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। এখনো চাকরির অপেক্ষায় রয়েছেন ৬১০ জন।

    মাউশি’র এই নিয়োগ পুরোটা সামলেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনির ভাই ডা. জে আর ওয়াদুদ টিপু ও চাঁদপুর পুরান বাজার ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ রতন কুমার মজুমদার। অভিযোগ রয়েছে এই চক্রটির খাতা কলমে বৈধতা দেয়ার কাজ করে গেছেন মাউশি’র কলেজ ও প্রশাসন শাখার পরিচালক শাহেদুল খবির চৌধুরী, প্রশাসন শাখার উপ-পরিচালক বিপুল চন্দ্র বিশ্বাস। বর্তমানে এই দুই কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। টাকার বিনিময়ে নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তারা ২০২৩ সালে দু’দফায় (আগস্ট ও নভেম্বরে) যোগদান করেন।

    মাউশি’র একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীপু মনি শিক্ষার দায়িত্ব হাতে পাবার পরই গড়ে তোলেন সিন্ডিকেট। মাউশিতে নিয়ে আসেন পছন্দের লোকদের। জনপ্রশাসন থেকে নিয়োগের ছাড়পত্র এনে তার আমলে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করেন। এই চক্র এতটাই শক্তিশালী ছিল যে, কেউ প্রশ্ন করার সাহস পর্যন্ত ছিল না। পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন অনেকেই। পরীক্ষায় এমসিকিউ বাতিল করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ’র অধীনে লিখিত পরীক্ষা নেয়ার দাবি তোলা হয়েছিল। কিন্তু তা আমলেই নেয়া হয়নি। এমনকি ভাইবার আগেই এসব প্রার্থীদের দেয়া হয়েছিল চাকরির নিশ্চয়তা।

    সুপারিশের প্রেক্ষিতে চার হাজার ১০৯ জনকে নিয়োগ দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু নানা জটিলতায় আটকে যায় ৬১০ জনের পদায়ন। তবে তাদের পদায়নের জন্য চলতি বছরের জুনে ফল প্রকাশ করা হয়। কিন্তু ছাত্র-জনতার আন্দোলনের তোড়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। যার কারণে আটকে আছে তাদের নিয়োগ। নিয়ম অনুযায়ী দশম থেকে দ্বাদশ গ্রেড পর্যন্ত দ্বিতীয় শ্রেণির পদ, কিন্তু মাউশি’র নিয়োগবিধিতে এই পদগুলোকে তৃতীয় শ্রেণির দেখিয়ে শুধু এমসিকিউ পরীক্ষা নেয়া হয়। ২০২০ সালের অক্টোবরে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে ২৮টি ক্যাটাগরির বিভিন্ন পদের মধ্যে প্রদর্শক পদে ৫১৪টি, গবেষণা সহকারী (কলেজ) পদে ২১টি, সহকারী গ্রন্থাগারিক কাম ক্যাটালগার পদে ৬৯টি এবং ল্যাবরেটরি সহকারী পদে ৬টি পদ উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এসব পদের বিপরীতে পরীক্ষা ২০২১ সালের আগস্ট ও অক্টোবরে অনুষ্ঠিত হয়। পরিদর্শক পদের ফল অনিবার্যকারণবশত স্থগিত করা হয়েছিল। সেই পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয় ২০২৪ সালের এপ্রিলে। এতে প্রায় আট হাজার প্রার্থী উত্তীর্ণ হন। মে মাসে ভাইবা শেষে জুনে নির্বাচিতদের ফল প্রকাশ করা হয়। কিন্তু পরবর্তীতে পরিস্থিতির কারণে আটকে আছে এই ৬১০ জনের নিয়োগ। চাকরি পাওয়াদের মধ্যে রয়েছেন কম্পিউটার অপারেটর ৯ জন, উচ্চমান সহকারী ৮৫ জন, ক্যাশিয়ার ১১৯ জন, স্টোরকিপার ৫০ জন, হিসাব সহকারী ১০৬ জন, অফিস সহকারী ৫১৩ জন, মেকানিক ৩৩ জন, গাড়িচালক ১১ জন, বুক সর্টার ৪৬ জন, অফিস সহায়ক ১৭০৪ জন, নিরাপত্তা প্রহরী ২৪৭ জন, মালী ৯৭ জন, পরিচ্ছন্নকর্মী ১৬৩ জন। অন্যদিকে তালিকায় নিয়োগের অপেক্ষায় রয়েছেন প্রদর্শক পদে পদার্থবিদ্যায় ১০৯ জন, রসায়নে ১২০ জন, জীববিজ্ঞানে ৩১ জন, প্রাণিবিদ্যায় ১০৯ জন, উদ্ভিদবিদ্যায় ৯৬ জন, ভূগোলে ১৩ জন, মৃত্তিকায় ৫ জন, গণিতে ২২ জন, গার্হস্থ্য বিজ্ঞানে ৮ জন, কৃষিতে একজন, গবেষণা সহকারী (কলেজ) ২১ জন, সহকারী গ্রন্থাগারিক ৬৯ জন এবং ল্যাবরেটরি সহকারী ৬ জন।

    এই নিয়োগের বিষয়ে জানতে চাইলে মাউশি মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর এবিএম রেজাউল করীম বলেন, তালিকা ধরে নিয়োগের বিষয়টি আমার জানা নেই। আমি নিয়োগ প্রক্রিয়ার সময়ে দায়িত্বেও ছিলাম না। এটা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন। মন্ত্রণালয় থেকে কোনো নির্দেশনা দেয়া হলে সেটি বাস্তবায়ন করা হবে।

  • মির্জা আব্বাসকে আপাতত সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে না

    মির্জা আব্বাসকে আপাতত সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে না

    উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুর পাঠানোর পরিকল্পনা আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। চিকিৎসকদের মতে বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থা বিদেশে নেওয়ার উপযুক্ত নয়, এ কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, বর্তমানে তাঁকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে না। পরিবার দেশের চিকিৎসার প্রতি আস্থাশীল থাকায় প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা চালানো হবে; ভবিষ্যতে মেডিকেল বোর্ড যদি পরামর্শ দেন, তখন উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

    ডা. রফিকুল আরও জানান, আজ মির্জা আব্বাসের চিকিৎসায় একটি ভার্চুয়াল মেডিকেল বোর্ড বসে সব বিষয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে অস্ত্রোপচারের অনুমতি দিয়েছে। পরিবারের সম্মতিতে তাঁর মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়েছে এবং বর্তমানে তিনি আইসিইউতে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে আছেন।

    এর আগে জুমার নামাজের পর বিএনপির নেতা তারেক রহমান বসুন্ধরার এভারকেয়ার হাসপাতালে গিয়ে মির্জা আব্বাসকে দেখতে যান। ঐ সময় মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা তাকে রোগীর সাম্প্রতিক অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত জানায়।

    ডা. রফিকুল জানান, মির্জা আব্বাসের দ্রুত সুস্থতা কামনায় পরিবার এবং চিকিৎসক দল দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।

    উল্লেখ্য, গত বুধবার ইফতার শেষে অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারালে তাকে রাজধানীর বসুন্ধরায় অবস্থিত এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

  • স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা

    স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নবনির্বাচিত স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম ও ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল শুক্রবার (১৩ মার্চ) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম) ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানান।

    স্থানীয় সময় বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তারা ফাতেহা পাঠ, দোয়া ও পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। এসময় জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও উপস্থিত ছিলেন।

    এর আগে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তারা সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে স্মৃতিতে গভীর শ্রদ্ধা জানান।

  • নাহিদ ইসলাম: আসিফের বিরুদ্ধে মামলা-চেষ্টা পরিকল্পিত রাজনৈতিক আঘাত

    নাহিদ ইসলাম: আসিফের বিরুদ্ধে মামলা-চেষ্টা পরিকল্পিত রাজনৈতিক আঘাত

    জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম বলেছেন, আসিফ মাহমুদকে প্রধান আসামি করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের চেষ্টা উদ্বেগজনক ও নিন্দনীয় এবং এটি পরিকল্পিত রাজনৈতিক আঘাত। তিনি আজ শুক্রবার একটি বিবৃতিতে এ মন্তব্য করেন।

    নাহিদ জানান, জুলাই বিপ্লবের নেতৃত্বদানকারী এই ছাত্র আন্দোলনের বিরুদ্ধে ‘অভ্যুত্থানকালীন ভূমিকার’ অভিযোগে মামলা দেয়ার অপচেষ্টা করা হয়েছে। তবে আদালত ওই মামলা গ্রহণ করেনি। তিনি এই ঘটনার পাশাপাশি এমন অপচেষ্টাকে নতুন বাংলাদেশের জন্য হুমকিস্বরূপ উল্লেখ করেন।

    তিনি বলেন, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন উদ্যোগ নয়; বরং জুলাই বিপ্লবের চেতনার, ফ্যাসিবাদবিরোধী সংগ্রামের এবং তরুণ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক আঘাতের অংশ। গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়কে লক্ষ্য করে ilyen ধরনের কৌশল গ্রহণ করা উদ্বেগের কারণ।

    নাহিদ আরও বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এখন দেশের তরুণ প্রজন্মের সাম্য, ন্যায়বিচার, মানবিক মর্যাদা, গণতন্ত্র ও ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ের প্রতীক। আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছে এমন ছাত্রদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা-চেষ্টা প্রমাণ করে যে ৫ আগস্ট পরাজিত শক্তির শত্রুতা ও ষড়যন্ত্র এখনও অব্যাহত আছে।

    তিনি জোর দিয়ে বলেন, মামলা বা ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে এই তরুণ নেতাদের দমন করা যাবে না; অতীতে এমন সব অপচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও ব্যর্থ হবে।

    নাহিদ সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আহ্বান জানিয়েছেন, এসব অপচেষ্টা রুখতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে এবং পরাজিত অপশক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে। তিনি বলেছেন, ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠীর যেকোনো অপতৎপরতা প্রতিহত করতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

  • ১৭ বছরের জঞ্জাল পরিষ্কার করতে হবে: শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি

    ১৭ বছরের জঞ্জাল পরিষ্কার করতে হবে: শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি

    লক্ষ্মীপুর: পানিসমদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, দীর্ঘ ১৭ বছরের জমে থাকা জঞ্জাল বিএনপি সরকারকে পরিষ্কার করে দিতে হবে। বর্জ্য-আবর্জনা সরানো আমাদের দায়িত্ব, এই কাজ অব্যাহত থাকবে।

    শুক্রবার (১৩ মার্চ) বেলা এগারোটার দিকে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার মান্দারি বাজার এলাকায় খাল খনন কার্যক্রম পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী জানালেন, তারা এখন নির্বাচিত সরকার হিসেবে সব কাজ শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে এগিয়ে নেবে এবং প্রতিটি বিভাগের কর্মকর্তাদের সম্মান রাখা হবে।

    তিনি আরও বলেন, খালগুলো অবৈধ দখলমুক্ত করতে হবে এবং খাল খনন শুরু হলে সচেতন নাগরিক ও সংশ্লিষ্টদের বিশেষ সহযোগিতা দরকার। ‘‘দেশপ্রেমিক সরকার হিসেবে আমরা জনগণের সহযোগিতা চাই,’’ মন্ত্রী যোগ করেন।

    মন্ত্রী জানান, সারা বাংলাদেশে খাল খনন কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে; লক্ষ্মীপুরে তিনি ইতোমধ্যে তিনটি খাল পরিদর্শন করেছেন। তিনি বলেন, খালগুলোতে জমে থাকা বর্জ্য প্রথমেই পরিষ্কার করা এবং দখলমুক্ত করা না হলে জনগণ প্রকৃত সুফল পাবে না।

    এছাড়া মন্ত্রী জানান, ১৬ মার্চ দিনাজপুরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কাহারোল উপজেলার বলরামপুরে প্রায় সাড়ে ১২ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের সাহাপাড়া খালের আনুষ্ঠানিক খনন কাজের সূত্রপাত করবেন।

  • সোনার দাম ভরি ২ লাখ ৭০ হাজার ছাড়াল

    সোনার দাম ভরি ২ লাখ ৭০ হাজার ছাড়াল

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) টানা দ্বিতীয় দিনের মতো সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। বুধবার (১১ মার্চ) সকালে প্রকাশ করা বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, ২২ ক্যারেটের এক ভরির দাম ২ হাজার টাকারও বেশি বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০ টাকা; এটি সকাল ১০টায় থেকে কার্যকর হয়েছে।

    সংগঠনের বক্তব্য অনুযায়ী, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়ে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে নতুন দর নির্ধারণ করা হয়েছে।

    নতুন মূল্য অনুযায়ী প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম: ২২ ক্যারেট — ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০ টাকা; ২১ ক্যারেট — ২ লাখ ৫৮ হাজার ১২৪ টাকা; ১৮ ক্যারেট — ২ লাখ ২১ হাজার ২৬৬ টাকা; এবং সনাতনী পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম — ১ লাখ ৮০ হাজার ৬১৭ টাকা।

    সোনার সঙ্গে রূপার মূল্যও বাড়ানো হয়েছে। ভরিতে ১৭৫ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরির রূপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৭০৭ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৬ হাজার ৪১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৪৮২ টাকা এবং সনাতনী পদ্ধতির প্রতি ভরি রূপার দাম ৪ হাজার ৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    এই নতুন দাম সম্পর্কে বিস্তারিত ও কার্যকারিতা সম্পর্কিত তথ্য বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে পাওয়া গেছে।

  • খেলাপি ঋণ আদায় ত্বরান্বিত করতে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগে নির্দেশনা জারি

    খেলাপি ঋণ আদায় ত্বরান্বিত করতে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগে নির্দেশনা জারি

    বাংলাদেশ ব্যাংক খেলাপি ঋণ সম্পর্কিত বিরোধ দ্রুত ও কার্যকরভাবে সমাধান করার লক্ষ্যে তফসিলি ব্যাংকগুলোকে দক্ষ মধ্যস্থতাকারী (মেডিয়েটর) নিয়োগের নির্দেশনা জারি করেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বুধবার এই নির্দেশনা সংবলিত একটি সার্কুলার প্রকাশ করে বলেছে, আদালতে মামলা দায়েরের আগেই ‘প্রাক-মামলা মধ্যস্থতা’ পদ্ধতির মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।

    সার্কুলারে বলা হয়েছে, বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) পদ্ধতির মাধ্যমে ২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে তফসিলি ব্যাংকগুলোকে তাদের মোট খেলাপি ঋণের কমপক্ষে এক শতাংশ পরিমাণ নিষ্পত্তি করতে হবে। ব্যাংক খাতের আর্থিক স্থিতি ও তারল্য উন্নয়নে চলতি অর্থবছরের শেষ দিন হিসাবে এ লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমানে অনাদায়ী ঋণের পরিমাণ বেশি হওয়ায় এই এক শতাংশ আদায়ের লক্ষ্যকে জাতীয় পর্যায়ের ঋণ পুনরুদ্ধার কার্যক্রমে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    নতুন নির্দেশনা ২০২৪ সালের ২২ মে জারি করা বিএরপিডি সার্কুলার-১১-এর ধারাবাহিকতাই বজায় রাখলেও এবার আদালতে মামলা দায়েরের আগেই বিরোধ নিষ্পত্তির ওপর বিশেষ জোর দেয়া হয়েছে। এডিআর প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ব্যাংক নির্দেশ দিয়েছে যে মধ্যস্থতাকারীদের নির্বাচন করতে হবে বিদ্যমান আইন অনুযায়ী গঠিত বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানের প্যানেল থেকে।

    সামর্থ্যপূর্ণ ও নিরপেক্ষ প্যানেল নিশ্চিত করতে এমন প্যানেলে অবসরপ্রাপ্ত বিচারক, ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও অভিজ্ঞ পেশাজীবীদের অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। সার্কুলারে মধ্যস্থতাকারী নির্বাচনের জন্য দশটি যোগ্যতা ও অযোগ্যতার শর্ত নির্ধারণ করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে—প্যানেল সদস্যপদ যাচাই, নিরপেক্ষতা, পেশাগত সুনাম, বিশেষজ্ঞ দক্ষতা, মধ্যস্থতা সম্পর্কিত জ্ঞান, প্রমাণিত অভিজ্ঞতা, পরিষ্কার আইনি রেকর্ড, আর্থিক সততা, খেলাপি না থাকা এবং প্রয়োজনীয় আর্থিক সক্ষমতা।

    নতুন নিয়মে ব্যাংকগুলোকে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগের সময় কঠোর প্রশাসনিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে হলফনামা ও অঙ্গীকারপত্র গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পাশাপাশি এসব মধ্যস্থতা সুবিধা সম্পর্কে গ্রাহকদের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যোগাযোগ করে তাদের সচেতন করতেও ব্যাংকগুলিকে বলা হয়েছে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, আদালতের বাইরে দ্রুত সমঝোতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির সুযোগ সৃষ্টি করে দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার বদলে দ্রুত ও কার্যকর বিকল্প কৌশল গড়ে তোলা এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। এ উদ্যোগ চালুর মাধ্যমে বিচার ব্যবস্থায় মামলার চাপ কমবে এবং খেলাপি ঋণের দ্রুত সমাধানের মাধ্যমে ব্যাংক খাতের স্থিতিশীলতা ও ত্রাণশীলতা বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • ইরাকে কেসি-১৩৫ রিফুয়েলিং বিমানের বিধ্বস্তে ৪ মার্কিন সেনা নিহত

    ইরাকে কেসি-১৩৫ রিফুয়েলিং বিমানের বিধ্বস্তে ৪ মার্কিন সেনা নিহত

    ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলে একটি মার্কিন কেসি-১৩৫ রিফুয়েলিং (স্ট্রাটোট্যাংকার) বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে; মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে বিমানে থাকা ছয়জন ক্রুর মধ্যে চারজনই মারা গেছেন এবং বাকি দুজন গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন।

    ঘটনার সঙ্গে জড়িত দায়দেনার ব্যাপারে তাত্ত্বিক বিবাদ শুরু হয়েছে। ইরানভিত্তিক রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ও ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, পশ্চিম ইরাকের আকাশে কেসি-১৩৫ বিমানটিকে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত করে ভূপাতিত করা হয়। একই সঙ্গে ইরান সমর্থিত ‘ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক’ নামের গোষ্ঠী হামলার দায় স্বীকার করে ও দাবি করে, হামলায় বিমানে থাকা সব ছয়জনই নিহত হয়েছেন।

    দ্বিপক্ষীয় এই দাবির জবাবে যুক্তরাষ্ট্র তা সরাসরি নাকচ করেছে। সেন্টকম জানিয়েছে, বিমানটি যান্ত্রিক ত্রুটি বা অন্য কোনও কারণে বিধ্বস্ত হয়ে থাকতে পারে এবং এটি কোনো শত্রুপক্ষীয় হামলা বা ‘ফ্রেন্ডলি ফায়ার’—এর ফল নয়। সেন্টকমের কথায়, চারজন নিহত, দুজন গুরুতর আহত এবং তাদের ওপর চিকিৎসা চলছে।

    ঘটনাটি মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনার পরিবেশে ঘটেছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ অভিযানের নামে শুরু হওয়া ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’–র পর থেকেই এই অঞ্চলে সহিংসতা ও আক্রমণের ধারা তীব্রতা পেয়েছে; ওই অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে কয়েকজন মার্কিন সৈন্য নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে এবং বিভিন্ন রিপোর্টে বলা হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে।

    কেসি-১৩৫ হলো বোয়িং নির্মিত একটি দীর্ঘকাল পরিক্ষিত জ্বালানিবাহী বিমান—অতীত থেকে আজও মার্কিন বিমানবাহিনীর রক্ষণশীল মেরুদণ্ড হিসেবে ব্যবহৃত। আকাশে থাকা স্থায়ী বিমানগুলোর মধ্যে এটি যুদ্ধবিমান বা বোমারুদ্বারী বিমানে জ্বালানি সরবরাহে অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে।

    ঘটনাটি ইরাক ও সিরিয়ায় অবস্থানরত মার্কিন বাহিনীর জন্য নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ বাড়িয়েছে। পেন্টাগন ইতোমধ্যেই ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত শুরু করার ঘোষণা দিয়েছে, আর সেই তদন্ত থেকেই ভবিষ্যতে মামলা ও কূটনৈতিক প্রতিক্রিয়া নিরূপিত হবে।

  • পাকিস্তানের বিমান হামলায় কাবুলে নিহত ৪, আহত ১৫

    পাকিস্তানের বিমান হামলায় কাবুলে নিহত ৪, আহত ১৫

    আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলসহ সীমান্তবর্তী কয়েকটি প্রদেশে পাকিস্তান রাতভর বিমান হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছে আফগান কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার (১৩ মার্চ) সকাল পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী কাবুলে অন্তত চারজন নিহত এবং ১৫ জন আহত হয়েছেন। কাবুল পুলিশের মুখপাত্র খলিল জাদরান হতাহতের খবর নিশ্চিত করেছেন এবং জানান, নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছেন। স্থানীয় আবাসিক এলাকা ও বসতবাড়িতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি দেখা গেছে।

    পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী বলেছে, তারা মূলত তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) গ্রুপকে লক্ষ করে এসব অভিযান চালিয়েছে। ইসলামাবাদ দাবি করছে, দেশের অভ্যন্তরে জঙ্গি হামলা বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষিতে গত মাস থেকেই আফগানিস্তানের ভেতরে বিভিন্ন স্থানে বিমান হামলা জোরদার করেছে।

    তবে আফগানিস্তানে ক্ষমতায় থাকা তালেবান সরকার এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তালেবান সরকারের মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানিয়েছেন, কাবুলের পাশাপাশি দক্ষিণাঞ্চলের কান্দাহার ও পাকিস্তান সীমান্তবর্তী পাকতিয়া ও পাকতিকা প্রদেশেও পাকিস্তানের বিমান হামলা হয়েছে।

    কান্দাহারে বিমানবন্দরের কাছে বেসরকারি বিমানসংস্থা ‘কাম এয়ার’-এর জ্বালানি ডিপোতেও আঘাত সম্পর্কে রিপোর্ট পাওয়া গেছে। ওই ডিপো থেকে বেসামরিক বিমান ও জাতিসংঘের উড়োজাহাজকে জ্বালানি সরবরাহ করা হয়। পাকিস্তান পক্ষ দাবি করেছে, ওই অভিযানে কোনো বেসামরিক হতাহত হয়নি।

    বিভিন্ন সূত্র বলছে, দুই পক্ষের দেওয়া হতাহতের তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা কঠিন। হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ও আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে, আর স্থানীয়রা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছেন। এই সংঘর্ষ নতুন করে উত্তেজনা বাড়ানোর শঙ্কা তৈরি করেছে এবং আরও স্বাধীন তদন্ত ও পরিস্থিতি নিরসনের আহ্বান জোরদার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

  • রামপালের সড়ক দুর্ঘটনায় বর সাব্বিরসহ একই পরিবারের ৯ জনের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন

    রামপালের সড়ক দুর্ঘটনায় বর সাব্বিরসহ একই পরিবারের ৯ জনের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন

    খুলনা-মোংলা মহাসড়কের বেলাই ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় গত বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বাস ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত বর সাব্বিরসহ একই পরিবারের ৯ জনের জানাজা ও দাফন শুক্রবার (১৩ মার্চ) সম্পন্ন হয়েছে। ওই দুর্ঘটনায় মোট ১৪ জন প্রাণ হারিয়েছে।

    জুম্মার নামাজের পর মোংলা উপজেলা পরিষদ মাঠে শুক্রবার অনুষ্ঠিত জানাজায় মরদেহগুলো রাখা ও জানাজা শেষে তাদের মোংলা পৌরসভার কবরস্থানে দাফন করা হয়। মরদেহ সকাল থেকেই খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও রামপাল হাসপাতাল থেকে এনে গোসল সম্পন্ন করে উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন মাঠে রাখা হয়েছিল। পরে বর-কনেপক্ষের কয়েকজনকে তাদের নিজ নিজ বাড়ি কয়রা ও রামপালে দাফন করা হয়।

    নিহতদের মধ্যে ৯ জনই মোংলা পোর্ট পৌরসভা ৮ নং ওয়ার্ডের বিএনপি নেতা আব্দুর রাজ্জাকের পরিবারের সদস্য। নিহতদের নামসমূহ — আব্দুর রাজ্জাক, তার দুই ছেলে সাব্বির ও আব্দুল্লাহ, এক কন্যা ঐশী, চার নাতি-নাতনি আরফা, ইরান, ফাহিম ও আলিফ এবং পুতুল বেগম। এছাড়া কয়রার কনের দাদি, নানী, বোন ও কনে এবং রামপালের মাইক্রোবাস চালকও দুর্ঘটনায় মারা যান।

    মোংলায় মরদেহ পৌঁছালে শহরজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। জানাজার নামাজে মোংলা-রামপাল (বাগেরহাট-৩) আসনের সংসদ সদস্য ও পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম, বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাত, বাগেরহাট জেলা প্রশাসক, জেলা পুলিশ সুপারসহ জেলা ও স্থানীয় প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। প্রায় অর্ধ লাখের মতো মানুষ জানাজায় অংশ নেয়।

    প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, মোংলা-খুলনা সড়কে এ ধরনের দুর্ঘটনা দুঃখজনক; জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে এবং ভবিষ্যতে সড়ক নিরাপত্তা বাড়াতে কঠোর উদ্যোগ নেওয়া হবে। আহত ও নিহতদের পরিবারের জন্য বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) প্রত্যেককে ৫ লাখ টাকা করে অনুদান দিয়েছে; এছাড়া জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে ও নৌবাহিনীর পক্ষ থেকেও সহায়তা দেওয়া হবে বলে জানান তিনি। মোংলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে আবেদনপত্র জমা দিলে অনুদানগ্রহণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে।

    দুর্ঘটনায় নিহত মোট ১৪ জনের মধ্যে কনেপক্ষের মরদেহগুলো খুলনার কয়রা উপজেলার নাকশা গ্রামে নিয়ে গিয়ে সেখানে কনের দাদি, নানী, বোন ও কনের দাফন সম্পন্ন করা হয়। মাইক্রোবাস চালককে রামপালের নিজ বাড়িতে দাফন করা হয়েছে।

    স্থানীয় পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, বৃহস্পতিবার বিকেলে মোংলা থেকে খুলনার উদ্দেশে যাচ্ছিল একটি স্টাফবাহী বাসের সঙ্গে বরযাত্রীবাহী মাইক্রোবাস মুখোমুখি সংঘর্ষে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে; শুরুতে ঘটনাস্থলেই বেশ কয়েকজন নিহত হন এবং হাসপাতালে নেওয়ার পথে বাকিরা মারা যান। তদনেৎ তদন্ত করে নির্দিষ্ট কারণ 밝혀 হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

  • খুলনায় প্রতি ৫০০ টন বর্জ্যে ১৫% প্লাস্টিক ও ১০% ই-বর্জ্য: ই-বর্জ্য ঝুঁকি নিয়ে কেসিসির জরুরি আলোচনা

    খুলনায় প্রতি ৫০০ টন বর্জ্যে ১৫% প্লাস্টিক ও ১০% ই-বর্জ্য: ই-বর্জ্য ঝুঁকি নিয়ে কেসিসির জরুরি আলোচনা

    খুলনা নগরীর ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক বর্জ্য (ই-বর্জ্য) ব্যবস্থাপনা নিয়ে উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তুলে ধরে কেসিসি আয়োজিত এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় নগর ভবনের জিআইজেড মিলনায়তনে সভার সভাপতিত্ব করেন কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু। কাজে মিলিয়ে নেওয়া ‘ডিমান্ড ফর জাস্টিস’ শীর্ষক নোটিশের প্রতিক্রিয়ায় বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) কর্তৃক প্রস্তাবিত বিষয়ে কেসিসি এ কর্মশালার আয়োজন করে।

    সভায় উপস্থিত ছিলেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. মোঃ মুজিবুর রহমান, পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রতিনিধিগণ, পরিবেশবাদী সংগঠন বেলা ও অন্যান্য বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা। গবেষণায় দেখা গেছে, খুলনায় প্রতি ৫০০ টন নগর বর্জ্যের মধ্যে প্রায় ১৫ শতাংশ প্লাস্টিক (প্রায় ৭৫ টন) এবং ১০ শতাংশ ই-বর্জ্য (প্রায় ৫০ টন) রয়েছে। এ অনুপাতে ই-বর্জ্যের পরিমাণ বছরে প্রায় ২০–৩০ শতাংশ করে বাড়ছে বলে গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে।

    সভায় বলা হয়, নির্দিষ্টভাবে আলাদা করে ই-বর্জ্য সংগ্রহ করা না হলে মাটি, পানি ও বাতাস দূষণের পাশাপাশি কৃষি জমির উৎপাদন হ্রাস, শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত সমস্যা এবং দীর্ঘমেয়াদে ক্যান্সারসহ গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হবে। এই কারণেই স্থানীয়ভাবে সুসংগঠিত ব্যবস্থাপনা এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে তৎপরতা জরুরি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

    প্রস্তাবিত কর্মপরিকল্পনায় জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। নগরবাসীর মাঝে ই-বর্জ্যের ক্ষতিকর দিকগুলো বোঝাতে প্রচারপত্র বিতরণ, বিলবোর্ড ও পোস্টারের মাধ্যমে প্রচার, কেসিসি ছাড়াও সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থাকে সচেতনতা কাজে যুক্ত করার অনুরোধ এবং ওয়ার্ড পর্যায়ে দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের মাধ্যমে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পাশাপাশি পরবর্তী করণীয় নির্ধারণে বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করার সিদ্ধান্তও নেয়া হয়েছে।

    সভায় আরও সুপারিশ করা হয়—ইলেকট্রনিক পণ্যের অতিরিক্ত ব্যবহার কমানো, প্রতিটি পণ্য দীর্ঘ সময় ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং সম্ভব হলে নির্মাণাধীন বর্জ্য রিসাইক্লিং প্ল্যান্টে ই-বর্জ্য রিসাইক্লিংয়ের সুব্যবস্থা রাখার জন্য পরিকল্পনা নেওয়া।

    সভায় বক্তৃতায় কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, মহানগরকে ঝুঁকিমুক্ত ও স্বাস্থ্যসম্মত করে তোলা আমাদের মৌলিক দায়িত্ব। গ্রীন, ক্লীন ও হেলদি সিটি গড়ার প্রথম ধাপ হচ্ছে সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ। বর্জ্য সংগ্রহকারী থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট সব অংশীদারকে পরিকল্পনার আওতায় নিয়ে এনে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করতে হবে।

    সভায় কেসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ, প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, চীফ প্লানিং অফিসার আবির উল জব্বার, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ শরীফ শাম্মিউল ইসলাম, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুশরা, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কোহিনুর জাহান, নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আনিচুজ্জামান, শেখ মোঃ মাসুদ করিম, কঞ্জারভেন্সী অফিসার প্রকৌশলী মোঃ আনিসুর রহমান, প্রকৌশলী মোঃ অহিদুজ্জামান খান, আর্কিটেক্ট রেজবিনা খানম, ভেটেরিনারি সার্জন ড. পেরু গোপাল বিশ্বাস, আইটি ম্যানেজার শেখ হাসান হাসিবুল হক, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোল্লা মারুফ রশীদ, এস্টেট অফিসার গাজী সালাউদ্দিনসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

    বিকেলে কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু নগর ভবনের শহিদ আলতাফ মিলনায়তনে কেসিসি’র পুঙ্খানুপুঙ্খ পূর্ত বিভাগীয় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে এক সভায় মিলিত হন। সেখানে তিনি নগরীতে চলমান বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতি দেখে নির্দেশনা দেন। জলাবদ্ধতা নিরসনকে সর্বোচ্চ চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে বিদ্যমান ড্রেন, নদী পাঠরোধ ও অবকাঠামো ব্যবহার করে সমস্যার সমাধান করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি নগর সম্প্রসারণ, ময়ূর নদী সংস্কার, রিভারসাইড সড়ক নির্মাণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত শহর রক্ষা বাঁধগুলো মেরামতের জন্য পরিপূর্ণ পরিকল্পনা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

    অবশেষে সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে: ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ, সচেতনতা বৃদ্ধির পরিকল্পনা বাস্তবায়ন, একটি কর্মদল গঠন করে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ এবং সম্ভাব্য রিসাইক্লিং সুবিধা দ্রুত চালু করা। এ উদ্যোগই হবে খুলনাকে একটি স্বাস্থ্যকর ও টেকসই নগর ঘোষণা করার পথে প্রথম ধাপ।