Blog

  • সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ জনকে আজ হাজির করা হচ্ছে ট্রাইব্যুনালে

    সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ জনকে আজ হাজির করা হচ্ছে ট্রাইব্যুনালে

    জুলাই-আগস্টের গণহত্যার মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হচ্ছে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ আসামিকে। 

    আজ সোমবার সকালে কড়া নিরাপত্তায় তাদেরকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হবে। এদিকে গণহত্যার মামলার তদন্তের সময় বৃদ্ধির জন্য আবেদন জানাবে তদন্ত সংস্থা। সংস্থার পক্ষে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট এম তাজুল ইসলাম আজ এ আবেদন জানাবেন। বিচারপতি মো. গোলাম মূর্তজা মজুমদারের সভাপতিত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালে আবেদনের উপর শুনানি হবে। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

    ট্রাইব্যুনালে যাদেরকে হাজির করা হচ্ছে এরা হলেন: আনিসুল হক, ড. আব্দুর রাজ্জাক, শাজাহান খান, সালমান এফ রহমান, গোলাম দস্তগীর গাজী, কামাল আহমেদ মজুমদার, লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান, ড. দীপু মনি, রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু, জুনাইদ আহমেদ পলক, তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী (বীর বিক্রম), সাবেক বিচারপতি এইচ এম শামসুদ্দীন চৌধুরী মানিক ও সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিব জাহাঙ্গীর আলম।

    এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট এম তাজুল ইসলাম ইত্তেফাককে বলেন, গণহত্যার মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারিকৃতদের মধ্যে গ্রেফতার হওয়া ১৪ অভিযুক্তকে আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করার জন্য আদেশ রয়েছে। ঐ আদেশ মোতাবেক কারা কর্তৃপক্ষ তাদেরকে হাজির করবে। তিনি বলেন, গণহত্যার মামলা তদন্তের জন্য সময় দিয়েছিল ট্রাইব্যুনাল। যেহেতু তদন্ত শেষ হয়নি সেহেতু সময় বৃদ্ধির আবেদন দেওয়া হবে। কোটা সংস্কার ও সরকার পতনের আন্দোলন দমাতে নিরস্ত্র ছাত্র-জনতাকে সমূলে বা আংশিক নির্মূলের লক্ষ্যে হত্যা, গণহত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের মামলায় গত ১৭ অক্টোবর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সরকারের সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে ট্রাইব্যুনাল। ২৭ অক্টোবর পরোয়ানাভুক্তদের মধ্যে ২০ জনকে ট্রাইব্যুনালের মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। এদের মধ্যে ১৪ জনকে আজ এবং ছয় পুলিশ কর্মকর্তা সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন, বরখাস্ত মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, সাবেক ঢাকা জেলার এডিসি (এসপি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত ছিলেন) আব্দুল্লাহ হিল কাফী, সাবেক এডিসি আরাফাতুল ইসলাম, যাত্রাবাড়ী থানার সাবেক ওসি আবুল হাসান এবং গুলশান থানার সাবেক ওসি মাজহারুল ইসলামকে ২০ নভেম্বর ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ রয়েছে। এদিকে ২৭ অক্টোবর ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, র‍্যাবের সাবেক ডিজি হারুন-অর রশিদ, এসবির সাবেক প্রধান মনিরুল ইসলাম, ডিবির সাবেক প্রধান হারুনুর রশিদ, বিপ্লব কুমার সরকার, সাবেক এডিসি ইকবাল হোসেনসহ আরো ১৭ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করা হয়।

    তদন্ত সংস্থা ও প্রসিকিউশনের অভিযোগে যা বলা হয়েছে : কোটা সংস্কারের অহিংস আন্দোলন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সহিংস হয়ে উঠে। একই সঙ্গে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরস্ত্র ছাত্র-ছাত্রীদের ওপর নির্মমভাবে হামলা চালায়। এই হামলার ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকাসহ দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামে। সংঘর্ষ হয় ছাত্রলীগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে। ১৬ জুলাই রংপুরে পুলিশের গুলিতে শিক্ষার্থী আবু সাঈদসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আরও ছয় জন মারা যান। ফলে কোটা সংস্কার আন্দোলন সরকার পতনের আন্দোলনে রূপ নেয়। এই আন্দোলনে একসময় শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ যোগ দেয়। কমপ্লিট শাটডাউন, অসহযোগ আন্দোলন দমাতে জারি করা হয় কারফিউ। কিন্তু তাতে দমে যায়নি ছাত্র-জনতা। এই ছাত্র-জনতাকে সমূলে বা আংশিক নির্মূলের উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ নির্দেশনায় নির্বিচারে গুলি চালায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এর সঙ্গে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠন এবং ১৪ দলীয় জোটের ক্যাডার বাহিনী যোগ দেয়। এতে দেড় সহস্রাধিক ছাত্র-জনতাকে হত্যা করা হয়। আহত হয় ২৩ হাজারের অধিক শিক্ষার্থী ও জনতা। আহত অনেকে চিরতরে পঙ্গু ও দৃষ্টি শক্তি হারিয়েছেন।

    এর পরেও দমানো যায়নি আন্দোলনকারীদের। তারা ৫ আগস্ট গণভবনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। পদত্যাগ করে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পরেও পূর্ব নির্দেশনা অনুযায়ী ঐদিন গভীর রাত পর্যন্ত হত্যা, গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী এবং ১৪ দলীয় জোটের ক্যাডাররা। এসব অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে জুলাই-আগস্ট গণহত্যার মামলায়।

    প্রসঙ্গত গণঅভ্যুত্থানের মুখে গত ৫ আগস্ট দেশত্যাগ করেন শেখ হাসিনা। ৮ আগস্ট নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যাত্রা শুরু করে। এরপর ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, এমপি, বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে শত শত হত্যা মামলা দায়ের হয়। এর মধ্যে বেশ কিছু মামলায় গ্রেফতার হয়ে আগস্ট মাস থেকে কারাগারে আছেন ট্রাইব্যুনালের পরোয়ানাভুক্ত আসামিরা। অক্টোবর মাসে সরকার পুনর্গঠন করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। শেখ হাসিনাসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির মধ্য দিয়ে গত ১৭ অক্টোবর যাত্রা শুরু করে ট্রাইব্যুনাল। ইতিমধ্যে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রেড অ্যালার্ট জারি করতে ইন্টারপোলের কাছে চিঠি দিয়েছে চিফ প্রসিকিউটর।

  • দীপু মনির সুপারিশে মাউশিতে তিন হাজার পদায়ন

    দীপু মনির সুপারিশে মাউশিতে তিন হাজার পদায়ন

    সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির ইশারায় নিয়োগ পান প্রায় তিন হাজার ১৮৩ কর্মকর্তা-কর্মচারী। দীপু মনি সিন্ডিকেটের বলয়ে তারা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) চাকরি পান। এর জন্য উচ্চ মহলের সুপারিশসহ তাদের দিতে হয়েছে ৫ থেকে ১৫ লাখ টাকা। নিয়োগের জন্য যাচ্ছেতাইভাবে পরীক্ষা নেয়া হয় তাদের জন্য। দীপু মনির আমলে চার হাজার ১০৯ জনকে নিয়োগ দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। এখনো চাকরির অপেক্ষায় রয়েছেন ৬১০ জন।

    মাউশি’র এই নিয়োগ পুরোটা সামলেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনির ভাই ডা. জে আর ওয়াদুদ টিপু ও চাঁদপুর পুরান বাজার ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ রতন কুমার মজুমদার। অভিযোগ রয়েছে এই চক্রটির খাতা কলমে বৈধতা দেয়ার কাজ করে গেছেন মাউশি’র কলেজ ও প্রশাসন শাখার পরিচালক শাহেদুল খবির চৌধুরী, প্রশাসন শাখার উপ-পরিচালক বিপুল চন্দ্র বিশ্বাস। বর্তমানে এই দুই কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। টাকার বিনিময়ে নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তারা ২০২৩ সালে দু’দফায় (আগস্ট ও নভেম্বরে) যোগদান করেন।

    মাউশি’র একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীপু মনি শিক্ষার দায়িত্ব হাতে পাবার পরই গড়ে তোলেন সিন্ডিকেট। মাউশিতে নিয়ে আসেন পছন্দের লোকদের। জনপ্রশাসন থেকে নিয়োগের ছাড়পত্র এনে তার আমলে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করেন। এই চক্র এতটাই শক্তিশালী ছিল যে, কেউ প্রশ্ন করার সাহস পর্যন্ত ছিল না। পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন অনেকেই। পরীক্ষায় এমসিকিউ বাতিল করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ’র অধীনে লিখিত পরীক্ষা নেয়ার দাবি তোলা হয়েছিল। কিন্তু তা আমলেই নেয়া হয়নি। এমনকি ভাইবার আগেই এসব প্রার্থীদের দেয়া হয়েছিল চাকরির নিশ্চয়তা।

    সুপারিশের প্রেক্ষিতে চার হাজার ১০৯ জনকে নিয়োগ দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু নানা জটিলতায় আটকে যায় ৬১০ জনের পদায়ন। তবে তাদের পদায়নের জন্য চলতি বছরের জুনে ফল প্রকাশ করা হয়। কিন্তু ছাত্র-জনতার আন্দোলনের তোড়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। যার কারণে আটকে আছে তাদের নিয়োগ। নিয়ম অনুযায়ী দশম থেকে দ্বাদশ গ্রেড পর্যন্ত দ্বিতীয় শ্রেণির পদ, কিন্তু মাউশি’র নিয়োগবিধিতে এই পদগুলোকে তৃতীয় শ্রেণির দেখিয়ে শুধু এমসিকিউ পরীক্ষা নেয়া হয়। ২০২০ সালের অক্টোবরে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে ২৮টি ক্যাটাগরির বিভিন্ন পদের মধ্যে প্রদর্শক পদে ৫১৪টি, গবেষণা সহকারী (কলেজ) পদে ২১টি, সহকারী গ্রন্থাগারিক কাম ক্যাটালগার পদে ৬৯টি এবং ল্যাবরেটরি সহকারী পদে ৬টি পদ উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এসব পদের বিপরীতে পরীক্ষা ২০২১ সালের আগস্ট ও অক্টোবরে অনুষ্ঠিত হয়। পরিদর্শক পদের ফল অনিবার্যকারণবশত স্থগিত করা হয়েছিল। সেই পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয় ২০২৪ সালের এপ্রিলে। এতে প্রায় আট হাজার প্রার্থী উত্তীর্ণ হন। মে মাসে ভাইবা শেষে জুনে নির্বাচিতদের ফল প্রকাশ করা হয়। কিন্তু পরবর্তীতে পরিস্থিতির কারণে আটকে আছে এই ৬১০ জনের নিয়োগ। চাকরি পাওয়াদের মধ্যে রয়েছেন কম্পিউটার অপারেটর ৯ জন, উচ্চমান সহকারী ৮৫ জন, ক্যাশিয়ার ১১৯ জন, স্টোরকিপার ৫০ জন, হিসাব সহকারী ১০৬ জন, অফিস সহকারী ৫১৩ জন, মেকানিক ৩৩ জন, গাড়িচালক ১১ জন, বুক সর্টার ৪৬ জন, অফিস সহায়ক ১৭০৪ জন, নিরাপত্তা প্রহরী ২৪৭ জন, মালী ৯৭ জন, পরিচ্ছন্নকর্মী ১৬৩ জন। অন্যদিকে তালিকায় নিয়োগের অপেক্ষায় রয়েছেন প্রদর্শক পদে পদার্থবিদ্যায় ১০৯ জন, রসায়নে ১২০ জন, জীববিজ্ঞানে ৩১ জন, প্রাণিবিদ্যায় ১০৯ জন, উদ্ভিদবিদ্যায় ৯৬ জন, ভূগোলে ১৩ জন, মৃত্তিকায় ৫ জন, গণিতে ২২ জন, গার্হস্থ্য বিজ্ঞানে ৮ জন, কৃষিতে একজন, গবেষণা সহকারী (কলেজ) ২১ জন, সহকারী গ্রন্থাগারিক ৬৯ জন এবং ল্যাবরেটরি সহকারী ৬ জন।

    এই নিয়োগের বিষয়ে জানতে চাইলে মাউশি মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর এবিএম রেজাউল করীম বলেন, তালিকা ধরে নিয়োগের বিষয়টি আমার জানা নেই। আমি নিয়োগ প্রক্রিয়ার সময়ে দায়িত্বেও ছিলাম না। এটা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন। মন্ত্রণালয় থেকে কোনো নির্দেশনা দেয়া হলে সেটি বাস্তবায়ন করা হবে।

  • হবিগঞ্জ ও চুয়াডাঙ্গায় নতুন পুলিশ সুপার নিয়োগ

    হবিগঞ্জ ও চুয়াডাঙ্গায় নতুন পুলিশ সুপার নিয়োগ

    সরকার দেশের দুই জেলায় নতুন পুলিশ সুপার নিয়োগ করেছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ–১ শাখার একটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়; প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেছেন উপসচিব তৌছিফ আহমেদ।

    প্রজ্ঞাপনের বিবরণে বলা হয়েছে, ডিএমপি (ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ)-র উপপুলিশ কমিশনার মো. তারেক মাহমুদকে হবিগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অপর দিকে পিবিআই (পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন)-র পুলিশ সুপার মো. রুহুল কবীর খানকে চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।

    একই সঙ্গে জরুরি বদলিও করা হয়েছে—হবিগঞ্জের বর্তমান পুলিশ সুপার মোছা. ইয়াছমিন খাতুনকে পিবিআই-র পুলিশ সুপার হিসেবে এবং চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলামকে এসবি (স্পেশাল ব্রাঞ্চ) বিভাগে বদলি করা হয়েছে।

    নিয়োগ ও বদলির এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট জেলা ও বিভাগের অফিসিয়াল কার্যক্রম দ্রুত শুরুর নির্দেশ রয়েছে।

  • ঢাবি ফজলুল হক মুসলিম হলে তোফাজ্জল হত্যায় পলাতক ২২ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

    ঢাবি ফজলুল হক মুসলিম হলে তোফাজ্জল হত্যায় পলাতক ২২ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ফজলুল হক মুসলিম হলে চোর সন্দেহে মানসিক ভারসাম্যহীন তোফাজ্জল হোসেনকে পিটিয়ে হত্যা মামলায় পিবিআইয়ের দায়ের করা ২৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র আদালত গ্রহণ করেছে এবং পলাতক ২২ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে।

    মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ঢাকার মহানগর হাকিম জুয়েল রানা অভিযোগপত্র গ্রহণের পাশাপাশি এই আদেশ দেন। পিবিআই (পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন) গত ঘটনার তদন্ত করে ওই অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করে।

    আসামিদের মধ্যে যারা নাম উল্লেখযোগ্য তারা হলেন: জালাল মিয়া, আহসান উল্লাহ (বিপুল), আল হোসাইন সাজ্জাদ, মোত্তাকিন সাকিন শাহ, সুমন মিয়া, ওয়াজিবুল আলম, ফিরোজ কবির, আব্দুস সামাদ, সাকিব রায়হান, ইয়াছিন আলী, ইয়ামুজ্জামান (ইয়াম), ফজলে রাব্বি, শাহরিয়ার কবির শোভন, মেহেদী হাসান ইমরান, রাতুল হাসান, সুলতান মিয়া, নাসির উদ্দিন, মোবাশ্বের বিল্লাহ, শিশির আহমেদ, মহসিন উদ্দিন (শাফি), আব্দুল্লাহিল কাফী, শেখ রমজান আলী রকি, রাশেদ কামাল অনিক, মনিরুজ্জামান সোহাগ, আবু রায়হান, রেদোয়ানুর রহমান পারভেজ, রাব্বিকুল রিয়াদ ও আশরাফ আলী মুন্সী।

    আদালতে জানানো হয়েছে, আসামিদের মধ্যে আহসান উল্লাহ (বিপুল) ও ওয়াজিবুল আলম জামিনে আছেন। জালাল মিয়া, আল হোসাইন সাজ্জাদ, মোত্তাকিন সাকিন শাহ ও সুমন মিয়া বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। বাকি ২২ জন পলাতক আছেন এবং তাদের খুঁজে পাওয়ার জন্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

    প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই জিন্নাত আলী বলেন, মামলার বাদী মোহাম্মদ আমানুল্লাহ অভিযোগপত্রে নারাজি জানাবেন বলে জানিয়েছেন, তবে এখনও তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে নারাজি দাখিল করেননি।

    অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর ফজলুল হক মুসলিম হলের ৩৫ বছর বয়সী তোফাজ্জল হোসেনকে নির্মমভাবে মারধর করার আগে হামলাকারীরা চুরি হওয়া মোবাইলের ক্ষতিপূরণ হিসেবে তার পরিবারের কাছ থেকে ৩৫ হাজার টাকা দাবি করে। তোফাজ্জলের চাচা আব্দুর রব মিয়া টাকা দিতে অস্বীকার করলে অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হয় এবং মানসিক ভারসাম্যহীন ওই ব্যক্তিকে ক্রিকেট স্টাম্প ও বাঁশের লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করে। গুরুতর আঘাত ও রক্তক্ষরণের Folge তে তোফাজ্জলের মৃত্যু হয়। এই বিবরণ অভিযোগপত্রে বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

    ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শাহবাগ থানায় অজ্ঞাত দুষ্কৃতকারীদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করে এবং পরে ১৯ সেপ্টেম্বর ওই মামলায় ঢাবির ২১ শিক্ষার্থীকে আসামি করা হয়।另一方面, ঢাবির প্রক্টোরিয়াল টিম অভিযোগপত্রের জবাব দিতে বিলম্বের বিষয়টি উল্লেখ করেনি।

    মামলার পরবর্তী কার্যক্রমে আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করার নির্দেশ দিয়েছেন এবং পলাতক আসামিদের ধরিয়ে আনার জন্য পুলিশকে তৎপর থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

  • জামায়াত আমিরের চিঠি: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মাহমুদুল হাসানকে মন্ত্রীর মর্যাদায় নিয়োগের আবেদন

    জামায়াত আমিরের চিঠি: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মাহমুদুল হাসানকে মন্ত্রীর মর্যাদায় নিয়োগের আবেদন

    জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান পররাষ্ট্র মন্ত্রী খলিলুর রহমানকে চিঠি দিয়ে তার পররাষ্ট্র-বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসানকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর পদমর্যাদায় নিয়োগ করার অনুরোধ জানিয়েছেন। চিঠিটি তার দফতর থেকে গত ২২ ফেব্রুয়ারি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়, যা মন্ত্রণালয়ের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন।

    জামায়াত আমির তার চিঠিতে উল্লেখ করেছেন যে অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান কূটনীতিতে দক্ষ এবং আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কের মাধ্যমে জাতিসংঘ, কমনওয়েলথ, আসিয়ান, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ এশিয়া, আফ্রিকা, ওশেনিয়া, আমেরিকা ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে সম্পর্ক উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম। তিনি দাবি করেছেন যে এ ধরনের পদায়ন বিরোধী দলের পররাষ্ট্রনীতিসমূহ সরকারকে উপস্থাপন ও পর্যালোচনা করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক স্তরে ভারসাম্য রক্ষায় সহায়ক হবে। চিঠিতে ভূরাজনৈতিক গতিশীলতা এবং দেশের পররাষ্ট্রনীতি সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে এ প্রস্তাব সরকারের বিবেচনার জন্য সুপারিশ করা হয়।

    অন্যদিকে, সাবেক ও বর্তমান বেশ কয়েকজন পররাষ্ট্র সচিব ও পেশাদার কূটনীতিক এই ধরনের পদায়নের নজির বাংলাদেশে নেই বলে মন্তব্য করেছেন। তারা জানিয়েছেন, এ অঞ্চলের দেশগুলোতেও এর মতো পদায়নের কোনো প্রচলিত উদাহরণ দেখা যায় না। কিছু পশ্চিমা দেশ এবং যুক্তরাজ্যে বিরোধী দলের ছায়া মন্ত্রিসভা থাকার রীতি থাকলেও প্রতিবেশী ভারতের ও পাকিস্তানের মতো দেশেও শুধুমাত্র বড় সংকট বা বিশেষ প্রয়োজনে দলগুলো একসঙ্গে কাজ করার নজির আছে।

    কূটনীতিকরা আরও অভিমত দিয়েছেন যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংবেদনশীল ও সমন্বয়কেন্দ্রিক হওয়ায় সেখানে দায়িত্ব দিলে দেশের স্বার্থ, সরকারের অগ্রাধিকার এবং ক্ষমতাসীন দলের নীতিকে বিবেচনায় রেখে কাজ করা প্রয়োজন; অন্যথায় জটিলতা ও বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা থাকতে পারে।

    জামায়াত আমিরের একান্ত সচিব মো. নজরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান নিজেই আমিরকে বিষয়টি অবহিত করেছিলেন এবং আমির মৌখিক সম্মতিও দিয়েছিলেন; তবে মন্ত্রীর পদমর্যাদায় নিয়োগের ব্যাপারে জামায়াত আমির সরাসরি সম্মত ছিলেন না। এরপর শফিকুর রহমান মাহমুদুল হাসানের সঙ্গে কথা বলেন এবং পরে মাহমুদুল হাসানকে বাদ দিয়ে ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য মীর আহমাদ বিন কাসেমকে জামায়াত আমিরের নতুন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এ নিয়োগ সম্পর্কে পররাষ্ট্র সচিবকে জানানো হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

    চিঠি ও মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের তথ্য মিলিয়ে দেখা যাচ্ছে, বিষয়টি সরকারের বিবেচনার জন্য উঠেছে এবং তা নিয়ন্ত্রণকারী ও পরামর্শদাতা পর্যায়ে আলোচনা হচ্ছে। তবে এখনো মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত বা প্রতিক্রিয়া প্রকাশ হয়নি।

  • জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করে নতুন বাংলাদেশ গড়ার পথে এগোবো: নাহিদ ইসলাম

    জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করে নতুন বাংলাদেশ গড়ার পথে এগোবো: নাহিদ ইসলাম

    জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক ও বিরোধী দলের চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করে নতুন বাংলাদেশ গঠন করা হবে। তিনি বলেন, আজ ইফতার মাহফিলে যেভাবে সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়েছি, সংসদেও একইভাবে ঐক্য বজায় রেখে অন্তর্বর্তী সরকারের সব অধ্যাদেশ কার্যকর করবো।

    সোমবার সন্ধ্যায় খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে এনসিপির আয়োজিত বিভাগীয় ইফতার ও দোয়া মাহফিলে নাহিদ এসব কথা বলেন। তিনি বর্তমান নির্বাচিত সরকারের বৈধতা নিয়েও মন্তব্য করে বলেন, এই সরকার কোনও স্বাভাবিক নিয়মে বা নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আসে নি; তাদের বৈধতা এসেছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান থেকে এবং অন্তর্বর্তী সরকারের আয়োজিত নির্বাচনের মাধ্যমেই। তিনি বলেন, জুলাই সনদ সেই বৈধতার প্রকাশ—এটি কেউ ভুলে যেতে পারবে না।

    নাহিদ আরও বলেন, পুরনো সংবিধানের আড়ালে যদি সংস্কারের কাজ থেকে গড়িমসি করা হয় বা জুলাই সনদ বাস্তবায়নে অবহেলা করা হয়, তা হলে তিনি সতর্ক করে বলেন যে এটি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মার প্রতি, হাজারও মানুষের রক্তের প্রতি বিশ্বাসঘাতকি হবে।

    তিনি আরও বলেন, জাতীয় সংসদ যদি আবারও পুরনো সংবিধানের দোহাই দিয়ে সংস্কার সভা থেকে পিছু হটে বা শপথ গ্রহণ থেকে বিরত থাকে, তাহলে সেই সংসদের ওপর জুলাই গণঅভ্যুত্থান, নির্বাচন ও অন্তর্বর্তী সরকারের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠার সম্ভাবনা তৈরি হবে।

    নাহিদ বলেন, আজকের এই ঐক্যশীল মুহূর্তটি সম্ভব হয়েছে তাদের হাজারো ভাই-বোনের আত্মত্যাগের কারণে। ‘‘তারা রক্ত দিয়েছেন, আপনাদের রাজপথে থাকার ফলে জুলাই গণঅভ্যুত্থান সম্ভব হয়েছে—এসবের ফলেই আজকের রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে,’’ তিনি বলেন।

    অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, খুলনা-২ সংসদ সদস্য শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন হেলাল, এনসিপির মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ, এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী প্রমুখ।

  • বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশ: ঈদের ছুটিতে নির্দিষ্ট এলাকায় সীমিতভাবে ব্যাংক খোলা রাখার সিদ্ধান্ত

    বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশ: ঈদের ছুটিতে নির্দিষ্ট এলাকায় সীমিতভাবে ব্যাংক খোলা রাখার সিদ্ধান্ত

    বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, আসন্ন ঈদের ছুটির মাঝে কিছু ক্ষেত্রে সীমিত পরিসরে ব্যাংকিং পরিষেবা চালু রাখা হবে। সরকারি ছুটির নির্দেশনা অনুযায়ী ১৮ মার্চ (বুধবার) তফসিলি ব্যাংকের সাধারণ শাখা-উপশাখা বন্ধ থাকলেও পোশাক শিল্প ও রফতানি লেনদেন সহজ করতে নির্দিষ্ট এলাকায় সীমিত সংখ্যক শাখা খোলা রাখা যাবে।

    মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সুপারভাইজরি ডেটা ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড অ্যানালিটিক্স ডিপার্টমেন্ট (এসডিএডি) এই সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ঈদুল ফিতরের আগে প্রস্তুত পোশাক শিল্পের শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন, বোনাস ও অন্যান্যভাতা পরিশোধ এবং রফতানি বিল ক্রয়ের প্রয়োজন বিধানে ব্যাংকগুলোর নির্দিষ্ট শাখায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করে সীমিত কর্মী নিয়ে সীমিত পরিসরে সার্ভিস চালু রাখার অনুমতি দেয়া হয়েছে।

    খোলা রাখার সুযোগটি শুধু ঢাকা মহানগরী, আশুলিয়া, টঙ্গী, গাজীপুর, সাভার, ভালুকা, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রাম এলাকায় অবস্থিত পোশাক শিল্প সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কিং শাখাগুলোর জন্য প্রযোজ্য। এসব শাখা ১৮ ও ১৯ মার্চ যথাক্রমে বুধবার ও বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকেই অফিস খোলা রাখবে এবং দুপুর ২টা পর্যন্ত কার্যক্রম চলবে। কার্যক্রমের মধ্যে যোহরের নামাজের জন্য সকাল সোয়া ১টা (১:১৫) থেকে দেড়টা (১:৩০) পর্যন্ত বিরতি থাকবে। লেনদেনের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত।

    এ ছাড়া বন্দর ও কাস্টমস এলাকায়—সমুদ্র, স্থল ও বিমান বন্দর সংলগ্ন তফসিলি ব্যাংকের শাখা, উপশাখা ও বুথগুলো চলমান নির্দেশনা অনুযায়ী সপ্তাহে ৭ দিন ২৪ ঘণ্টা চালু রাখার ক্ষেত্রে সুবিধা পাবে। বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, ১৭ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত (ঈদের দিন ব্যতীত) আমদানি-রফতানি সম্পর্কিত জরুরি কার্যক্রম সীমিত আকারে বজায় রাখার জন্য স্থানীয় প্রশাসন, বন্দর ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে ব্যাংকগুলো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

    ছুটি উপলক্ষে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা সরকারি বিধিমালা অনুযায়ী ভাতা পাবেন। বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় আনা জনস্বার্থজনিত এই নির্দেশনা দেশের সব তফসিলি ব্যাঙ্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহীর কাছে পাঠানো হয়েছে।

  • ভরিতে সোনার দাম কমল ৩,২৬৬ টাকা

    ভরিতে সোনার দাম কমল ৩,২৬৬ টাকা

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) ঘোষণা দিয়েছে, প্রতি ভরিতে সোনার দাম সর্বোচ্চ ৩ হাজার ২৬৬ টাকা পর্যন্ত কমানো হয়েছে। ফলে ভালো মানের ২২ ক্যারেট সোনার এক ভরির দাম দুই লাখ ৬৫ হাজার টাকার নিচে নেমে এসে নির্ধারিত হয়েছে দুই লাখ ৬৪ হাজার ৯৪৮ টাকা।

    বাজুস প্রথমে আজ সোমবার (০৯ মার্চ) এক বিজ্ঞপ্তিতে এই পরিবর্তনের কথা জানায়। নতুন দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকরি হয়েছে। সংগঠনটি জানিয়েছে, তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার আন্তর্জাতিক দর কমায় স্থানীয় বাজারে দাম সমন্বয় করা হয়েছে।

    নির্ধারিত নতুন দরগুলো হলো:

    – ২২ ক্যারেট: ২,৬৪,৯৪৮ টাকা (প্রতি ভরি)

    – ২১ ক্যারেট: ২,৫২,৮৭৬ টাকা (প্রতি ভরি)

    – ১৮ ক্যারেট: ২,১৬,৭৭৫ টাকা (প্রতি ভরি)

    – সনাতন পদ্ধতি: ১,৭৬,৯৪৩ টাকা (প্রতি ভরি)

    সোনা ছাড়াও রুপার দামও কমেছে। নতুন রুপার দরগুলো হল:

    – ২২ ক্যারেট: ৬,৩৫৭ টাকা (প্রতি ভরি)

    – ২১ ক্যারেট: ৬,০৬৫ টাকা (প্রতি ভরি)

    – ১৮ ক্যারেট: ৫,১৯০ টাকা (প্রতি ভরি)

    – সনাতন পদ্ধতি: ৩,৯০৭ টাকা (প্রতি ভরি)

    আন্তর্জাতিক বাজারে সম্প্রতি উত্তেজনার কারণে (ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল সম্পর্কিত পরিস্থিতি) সোনার দর বেড়ে গিয়েছিল। তবে গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি-র তথ্য অনুযায়ী এখন প্রতি আউন্স সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ৫,০৯০ ডলার, যা গতকাল ছিল ৫,১৭০ ডলার। এর আগের দিনগুলোতে ৩০ জানুয়ারিতে দর ছিল ৫,২০০ ডলার এবং ২৯ জানুয়ারিতে এটি ৫,৫৫০ ডলার পর্যন্ত উঠেছিল।

    উল্লেখ্য, গত মাসের শেষের দিকে বিশ্ববাজারে সোনার দর দ্রুত বাড়ায় দেশের বাজারেও বড় হারে মূল্য বাড়ে। ২৯ জানুয়ারি সকালে বাজুস একবারে ভরিপ্রতি ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেট সোনার দাম ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকায় পৌঁছে দেয়— যা দেশের ইতিহাসে রেকর্ড এবং এক ধাক্কায় এত বেশি বেড়েছিল কখনও হয়নি। বর্তমানে আন্তর্জাতিক দর কিছুটা নেমে আসায় স্থানীয় বাজারেও মূল্য সমন্বয় দেখা যাচ্ছে।

  • ইরান সংঘাত: উপদেষ্টা ট্রাম্পকে ‘প্রস্থানপথ’ খুঁজতে বলছেন

    ইরান সংঘাত: উপদেষ্টা ট্রাম্পকে ‘প্রস্থানপথ’ খুঁজতে বলছেন

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘর্ষটি দ্রুত শেষ করতে চান। একই সঙ্গে তাঁর কিছু শীর্ষ উপদেষ্টা ব্যক্তিগতভাবে তাঁকে একটি ‘এক্সিট র‍্যাম্প’ বা প্রস্থানপথ খুঁজে দেখার পরামর্শ দিয়েছেন — কারণ তেলের দাম দ্রুত উঠেছে এবং দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত রাজনৈতিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে。

    ফ্লোরিডায় সোমবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথোপকথনে ট্রাম্প বলেন, সামরিক অভিযানের নির্দিষ্ট অনেক লক্ষ্য ইতিমধ্যেই অর্জিত হয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই এগিয়ে আছি” এবং আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এই যুদ্ধ “খুব শিগগির শেষ হয়ে যাবে।” তবু তিনি কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা দেননি।

    প্রেসিডেন্টের বক্তব্য থেকে বোঝা যায়—তিনি দ্রুত সংঘাত সমাপ্তি চান এবং নেতৃত্ব বদলের জন্য ততটা জোর দিচ্ছেন না। ট্রাম্প আরও বলেন, তারা এমন একটি সমাধান চান যা বহু বছরের শান্তির পথ খুলে দেবে; যদি তা সম্ভব না হয়, তিনি বলেন, “এখনই বিষয়টা শেষ করে ফেলা ভালো।”

    ট্রাম্প ইরানের অভ্যন্তরীণ ঘটনার জন্য হতাশা প্রকাশ করেছেন, বিশেষ করে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছেলে মুজতবা খামেনিকে অর্জিত নেতৃত্বপদে নিয়োগ দেয়াকে তিনি নিন্দা করেছেন। তাঁর ভাষ্য, এই সিদ্ধান্ত ইঙ্গিত দেয় তেহরান সহজে পিছু হটবে না।

    অন্য দিকে, প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তা সতর্ক করে বলেছেন—যদি ইরান আঞ্চলিক দেশে হামলা বজায় রাখে বা ইসরায়েল ইরানি লক্ষ্যবস্তুতে বড় ধরনের হামলা চালাতে চায়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে সহজে সরে আসা কঠিন হবে। ট্রাম্প বলেন, যদি ইরান হরমুজ প্রণালীতে তেলের প্রবাহ বাধাগ্রস্ত করে, তবে তিনি প্রয়োজন হলে ইরানের বিরুদ্ধে হামলা চালিয়ে যেতে প্রস্তুত। হরমুজ প্রণালী বিশ্ববাজারে তেলের এক গুরুত্বপূর্ণ পথ।

    হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট কিছু প্রতিবেদনের সমালোচনা করে বলেন, “এই গল্পগুলো অজ্ঞাত সূত্র থেকে আসে এবং অস্পষ্ট তথ্য দিয়ে ভরা।” তিনি জোর দিয়ে বলেন, প্রেসিডেন্টের শীর্ষ উপদেষ্টারা দিনরাত অপারেশন ‘এপিক ফিউরি’ সফল রাখতে কাজ করছেন, আর শেষ সিদ্ধান্ত সর্বাধিনায়কের কাছেই থাকবে।

    ট্রাম্পের বক্তব্যে অসামঞ্জস্যও দেখা গেছে। গত সপ্তাহে তিনি ইরানের ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’ চাওয়ার কথা বলেছিলেন এবং স্থলবাহিনী পাঠানোর বিষয়ে খোলামেলাভাবে আলোচনা করেছিলেন; কিন্তু পরের দিন নিউইয়র্ক পোস্টকে তিনি বললেন, এমন নির্দেশ দেয়ার কাছাকাছিও নন। একই সময়ে তিনি আবার বলেছেন, “আমরা আরও এগোতে পারি এবং আমরা আরও এগোব।” এগুলো প্রকাশ্যে মিশ্র সঙ্কেত দেয়।

    সূত্র জানায়, ট্রাম্প কিছু উপদেষ্টা ব্যক্তিগতভাবে যুদ্ধ থেকে বের হওয়ার কৌশল প্রকাশ্যে তুলে ধরার পরামর্শ দিয়েছেন—তার যুক্তি, সামরিক বাহিনী ইতিমধ্যে অনেক লক্ষ্য অর্জন করেছে এবং সেটাই জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে। কিছু উপদেষ্টা উদ্বিগ্ন যে, সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে প্রেসিডেন্টের রক্ষণশীল সমর্থন ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

    অর্থনীতিক ও রাজনৈতিক চাপও বাড়ছে। তেলের দাম কিছু সময় বারেলপ্রতি ১০০ ডলারের উপরে উঠে গিয়ে পরে নেমে এসেছে; এতে সাধারণ নাগরিকদের জীবনে মূল্যস্ফীতি বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। ট্রাম্পের অর্থনৈতিক উপদেষ্টা স্টিফেন মুর সতর্ক করেছেন যে জ্বালানি-দামের উত্থান সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি বাড়িয়ে দিচ্ছে, আর রিপাবলিকান নেতারাও মধ্যবর্তী নির্বাচনকে মাথায় রেখে উদ্বেগ জানাচ্ছেন। প্রশাসন জনমত জরিপগুলো দেখছে, যেগুলোতে উল্লেখ পাওয়া গেছে অধিকাংশ আমেরিকান এই সংঘাতের বিরোধী—তা নিয়েও চিন্তা রয়েছে।

    প্রতিবন্ধকতা মোকাবেলায় দলের একটি অংশ আরও আক্রমণাত্মক যোগাযোগ নীতি নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে যাতে সাধারণ ভোটারের সমর্থন বজায় রাখা যায়। তেলের দাম কমাতে ট্রাম্প বলেছেন কিছু দেশের ওপর আরোপিত তেল-সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হবে—কোন কোন দেশ তা তিনি ঠিক করেননি। এছাড়া তিনি ঘোষণা দিয়েছেন যে যুক্তরাষ্ট্র অঞ্চলভিত্তিক তেলবাহী জাহাজগুলোর জন্য ‘ঝুঁকিবিমা’ দেবে এবং প্রয়োজন হলে মার্কিন নৌবাহিনী ও মিত্ররা হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাওয়া ট্যাংকারগুলোকে সুরক্ষা দেবে।

    সংক্ষিপ্তভাবে—ট্রাম্প দ্রুত সংঘাত শেষ করতে চান, কিন্তু কৌশল ও কথাবার্তায় মিল নেই; তাঁর কর্মকাণ্ড ও উপদেষ্টাদের পরামর্শের মধ্যে ভারসাম্য রেখে সিদ্ধান্ত নেয়ার চাপ বাড়ছে। তেলের দাম ও নির্বাচনী চিন্তা এই সিদ্ধান্তকে আরও জটিল করে তুলছে।

  • ইরানের হামলায় ইসরায়েলে আহত ২,৩৩৯ — হাসপাতালে ভর্তি ৯৫, ১ জন আশঙ্কাজনক

    ইরানের হামলায় ইসরায়েলে আহত ২,৩৩৯ — হাসপাতালে ভর্তি ৯৫, ১ জন আশঙ্কাজনক

    গত ১০ দিনে ইরানের নিক্ষিপ্ত ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ইস্রায়েলে মোট ২,৩৩৯ জন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। ইসরায়েলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এদের মধ্যে বর্তমানে ৯৫ জন এখনও হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন এবং তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

    মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে আরও জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ইরানের হামলায় ইসরায়েলে আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন ১৯১ জন।

    পটভূমি হিসেবে বলা হয়, ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ হয়েছে; কিন্তু ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো সমঝোতা ছাড়াই সেই আলোচনা শেষ হয়।

    এরপর ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে সামরিক অভিযান চালায়, এবং একই সময় ইসরায়েলও তৎপর হয়ে ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরুর ঘোষণা দেয়।

    সংঘাত শুরু হওয়ার প্রথম দিন হিসেবে গণ্য করা ২৮ অক্টোবর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি-সহ অন্তত ৪০ জন সামরিক ও বেসামরিক শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তার মৃত্যুর খবর মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

    ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ১০ দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানে প্রায় ১,৩০০ জন নিহত এবং ১০ হাজারেরও বেশি আহত হয়েছেন।

    সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

  • খুলনায় জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিত

    খুলনায় জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিত

    ‘দুর্যোগ প্রস্তুতিতে লড়ব, তারুণ্যের বাংলাদেশ গড়ব’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে মঙ্গলবার (১০ মার্চ) খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও অগ্নিকান্ড ও ভূমিকম্প থেকে আত্মরক্ষার মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মোঃ আরিফুল ইসলাম।

    প্রধান অতিথি মোঃ আরিফুল ইসলাম বলেন, জনসচেতনতা হল দুর্যোগ প্রস্তুতির প্রধান অস্ত্র। সঠিক প্রস্তুতি থাকলে যে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব এবং জানমাল ক্ষতি কমে আসে। তিনি জানান, ভৌগোলিক কারণে বাংলাদেশ দুর্যোগপ্রবণ এলাকায় অবস্থান করছে, তাই প্রত্যেককে সবসময় প্রস্তুত থাকতে হবে। তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, সাহস ও সক্রিয় অংশগ্রহণ নিয়ে এগোলে দুর্যোগ মোকাবিলা করা সহজ হবে এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় পর্যাপ্ত বৃক্ষরোপণ করলে একটি নিরাপদ ও ঝুঁকিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

    অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল করিম। অনুষ্ঠানে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ মাসুদ সরদারসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও এলাকার বিভিন্ন এনজিওর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

    দিবসটিকে কেন্দ্র করে খুলনা কালেক্টরেট চত্ত্বরে অগ্নিকান্ড ও ভূমিকম্প থেকে আত্মরক্ষার কার্যকর পদ্ধতি প্রদর্শন করে মহড়া প্রদর্শন করা হয়, যাতে সাধারণ মানুষ কীভাবে নিজে নিজে সতর্কতা নেবে ও জরুরি অবস্থায় কীভাবে নিরাপদ থাকবে তা বাস্তবে দেখানো হয়।

    এর আগে জেলা প্রশাসক আ. স. ম. জামশেদের নেতৃত্বে শহিদ হাদিস পার্ক থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে কালেক্টরেট প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়। এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লোকজন অংশগ্রহণ করেন এবং তারা দুর্যোগ প্রস্তুতির গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

    অনুষ্ঠানটি জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে একটি কার্যকর উদ্যোগ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে, যেখানে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

  • খুলনায় নির্মাণাধীন ক্যান্সার হাসপাতালের ১৫তলা থেকে শ্রমিকের পড়ে মৃত্যু

    খুলনায় নির্মাণাধীন ক্যান্সার হাসপাতালের ১৫তলা থেকে শ্রমিকের পড়ে মৃত্যু

    খুলনায় নির্মাণাধীন ক্যান্সার হাসপাতালের ১৫তলা থেকে পড়ে বজলুর রহমান ওরফে বজুল (৪৫) নামে এক শ্রমিক নিহত হয়েছেন।

    ঘটনাটি ঘটে মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বেলা পৌনে ১২টার দিকে, খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অভ্যন্তরে নির্মাণাধীন ক্যান্সার হাসপাতালের সাইটে।

    নিহত বজলু সাতক্ষীরা জেলার কুশখালী গ্রামের বাবর আলীর ছেলে। তিনি ওই নির্মাণস্থলে সিনিয়র রড মিস্ত্রি হিসেবে কাজ করছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে যে, কাজ করার সময় হঠাৎ তিনি নিচে আছড়ে পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।

    সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম মৃতের তথ্য নিশ্চিত করেন এবং জানান, খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। পুলিশ ঘটনার সঠিক কারণ выяс করার চেষ্টা করছে।