Blog

  • সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ জনকে আজ হাজির করা হচ্ছে ট্রাইব্যুনালে

    সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ জনকে আজ হাজির করা হচ্ছে ট্রাইব্যুনালে

    জুলাই-আগস্টের গণহত্যার মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হচ্ছে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ আসামিকে। 

    আজ সোমবার সকালে কড়া নিরাপত্তায় তাদেরকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হবে। এদিকে গণহত্যার মামলার তদন্তের সময় বৃদ্ধির জন্য আবেদন জানাবে তদন্ত সংস্থা। সংস্থার পক্ষে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট এম তাজুল ইসলাম আজ এ আবেদন জানাবেন। বিচারপতি মো. গোলাম মূর্তজা মজুমদারের সভাপতিত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালে আবেদনের উপর শুনানি হবে। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

    ট্রাইব্যুনালে যাদেরকে হাজির করা হচ্ছে এরা হলেন: আনিসুল হক, ড. আব্দুর রাজ্জাক, শাজাহান খান, সালমান এফ রহমান, গোলাম দস্তগীর গাজী, কামাল আহমেদ মজুমদার, লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান, ড. দীপু মনি, রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু, জুনাইদ আহমেদ পলক, তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী (বীর বিক্রম), সাবেক বিচারপতি এইচ এম শামসুদ্দীন চৌধুরী মানিক ও সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিব জাহাঙ্গীর আলম।

    এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট এম তাজুল ইসলাম ইত্তেফাককে বলেন, গণহত্যার মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারিকৃতদের মধ্যে গ্রেফতার হওয়া ১৪ অভিযুক্তকে আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করার জন্য আদেশ রয়েছে। ঐ আদেশ মোতাবেক কারা কর্তৃপক্ষ তাদেরকে হাজির করবে। তিনি বলেন, গণহত্যার মামলা তদন্তের জন্য সময় দিয়েছিল ট্রাইব্যুনাল। যেহেতু তদন্ত শেষ হয়নি সেহেতু সময় বৃদ্ধির আবেদন দেওয়া হবে। কোটা সংস্কার ও সরকার পতনের আন্দোলন দমাতে নিরস্ত্র ছাত্র-জনতাকে সমূলে বা আংশিক নির্মূলের লক্ষ্যে হত্যা, গণহত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের মামলায় গত ১৭ অক্টোবর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সরকারের সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে ট্রাইব্যুনাল। ২৭ অক্টোবর পরোয়ানাভুক্তদের মধ্যে ২০ জনকে ট্রাইব্যুনালের মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। এদের মধ্যে ১৪ জনকে আজ এবং ছয় পুলিশ কর্মকর্তা সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন, বরখাস্ত মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, সাবেক ঢাকা জেলার এডিসি (এসপি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত ছিলেন) আব্দুল্লাহ হিল কাফী, সাবেক এডিসি আরাফাতুল ইসলাম, যাত্রাবাড়ী থানার সাবেক ওসি আবুল হাসান এবং গুলশান থানার সাবেক ওসি মাজহারুল ইসলামকে ২০ নভেম্বর ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ রয়েছে। এদিকে ২৭ অক্টোবর ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, র‍্যাবের সাবেক ডিজি হারুন-অর রশিদ, এসবির সাবেক প্রধান মনিরুল ইসলাম, ডিবির সাবেক প্রধান হারুনুর রশিদ, বিপ্লব কুমার সরকার, সাবেক এডিসি ইকবাল হোসেনসহ আরো ১৭ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করা হয়।

    তদন্ত সংস্থা ও প্রসিকিউশনের অভিযোগে যা বলা হয়েছে : কোটা সংস্কারের অহিংস আন্দোলন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সহিংস হয়ে উঠে। একই সঙ্গে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরস্ত্র ছাত্র-ছাত্রীদের ওপর নির্মমভাবে হামলা চালায়। এই হামলার ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকাসহ দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামে। সংঘর্ষ হয় ছাত্রলীগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে। ১৬ জুলাই রংপুরে পুলিশের গুলিতে শিক্ষার্থী আবু সাঈদসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আরও ছয় জন মারা যান। ফলে কোটা সংস্কার আন্দোলন সরকার পতনের আন্দোলনে রূপ নেয়। এই আন্দোলনে একসময় শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ যোগ দেয়। কমপ্লিট শাটডাউন, অসহযোগ আন্দোলন দমাতে জারি করা হয় কারফিউ। কিন্তু তাতে দমে যায়নি ছাত্র-জনতা। এই ছাত্র-জনতাকে সমূলে বা আংশিক নির্মূলের উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ নির্দেশনায় নির্বিচারে গুলি চালায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এর সঙ্গে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠন এবং ১৪ দলীয় জোটের ক্যাডার বাহিনী যোগ দেয়। এতে দেড় সহস্রাধিক ছাত্র-জনতাকে হত্যা করা হয়। আহত হয় ২৩ হাজারের অধিক শিক্ষার্থী ও জনতা। আহত অনেকে চিরতরে পঙ্গু ও দৃষ্টি শক্তি হারিয়েছেন।

    এর পরেও দমানো যায়নি আন্দোলনকারীদের। তারা ৫ আগস্ট গণভবনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। পদত্যাগ করে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পরেও পূর্ব নির্দেশনা অনুযায়ী ঐদিন গভীর রাত পর্যন্ত হত্যা, গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী এবং ১৪ দলীয় জোটের ক্যাডাররা। এসব অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে জুলাই-আগস্ট গণহত্যার মামলায়।

    প্রসঙ্গত গণঅভ্যুত্থানের মুখে গত ৫ আগস্ট দেশত্যাগ করেন শেখ হাসিনা। ৮ আগস্ট নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যাত্রা শুরু করে। এরপর ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, এমপি, বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে শত শত হত্যা মামলা দায়ের হয়। এর মধ্যে বেশ কিছু মামলায় গ্রেফতার হয়ে আগস্ট মাস থেকে কারাগারে আছেন ট্রাইব্যুনালের পরোয়ানাভুক্ত আসামিরা। অক্টোবর মাসে সরকার পুনর্গঠন করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। শেখ হাসিনাসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির মধ্য দিয়ে গত ১৭ অক্টোবর যাত্রা শুরু করে ট্রাইব্যুনাল। ইতিমধ্যে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রেড অ্যালার্ট জারি করতে ইন্টারপোলের কাছে চিঠি দিয়েছে চিফ প্রসিকিউটর।

  • দীপু মনির সুপারিশে মাউশিতে তিন হাজার পদায়ন

    দীপু মনির সুপারিশে মাউশিতে তিন হাজার পদায়ন

    সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির ইশারায় নিয়োগ পান প্রায় তিন হাজার ১৮৩ কর্মকর্তা-কর্মচারী। দীপু মনি সিন্ডিকেটের বলয়ে তারা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) চাকরি পান। এর জন্য উচ্চ মহলের সুপারিশসহ তাদের দিতে হয়েছে ৫ থেকে ১৫ লাখ টাকা। নিয়োগের জন্য যাচ্ছেতাইভাবে পরীক্ষা নেয়া হয় তাদের জন্য। দীপু মনির আমলে চার হাজার ১০৯ জনকে নিয়োগ দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। এখনো চাকরির অপেক্ষায় রয়েছেন ৬১০ জন।

    মাউশি’র এই নিয়োগ পুরোটা সামলেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনির ভাই ডা. জে আর ওয়াদুদ টিপু ও চাঁদপুর পুরান বাজার ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ রতন কুমার মজুমদার। অভিযোগ রয়েছে এই চক্রটির খাতা কলমে বৈধতা দেয়ার কাজ করে গেছেন মাউশি’র কলেজ ও প্রশাসন শাখার পরিচালক শাহেদুল খবির চৌধুরী, প্রশাসন শাখার উপ-পরিচালক বিপুল চন্দ্র বিশ্বাস। বর্তমানে এই দুই কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। টাকার বিনিময়ে নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তারা ২০২৩ সালে দু’দফায় (আগস্ট ও নভেম্বরে) যোগদান করেন।

    মাউশি’র একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীপু মনি শিক্ষার দায়িত্ব হাতে পাবার পরই গড়ে তোলেন সিন্ডিকেট। মাউশিতে নিয়ে আসেন পছন্দের লোকদের। জনপ্রশাসন থেকে নিয়োগের ছাড়পত্র এনে তার আমলে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করেন। এই চক্র এতটাই শক্তিশালী ছিল যে, কেউ প্রশ্ন করার সাহস পর্যন্ত ছিল না। পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন অনেকেই। পরীক্ষায় এমসিকিউ বাতিল করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ’র অধীনে লিখিত পরীক্ষা নেয়ার দাবি তোলা হয়েছিল। কিন্তু তা আমলেই নেয়া হয়নি। এমনকি ভাইবার আগেই এসব প্রার্থীদের দেয়া হয়েছিল চাকরির নিশ্চয়তা।

    সুপারিশের প্রেক্ষিতে চার হাজার ১০৯ জনকে নিয়োগ দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু নানা জটিলতায় আটকে যায় ৬১০ জনের পদায়ন। তবে তাদের পদায়নের জন্য চলতি বছরের জুনে ফল প্রকাশ করা হয়। কিন্তু ছাত্র-জনতার আন্দোলনের তোড়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। যার কারণে আটকে আছে তাদের নিয়োগ। নিয়ম অনুযায়ী দশম থেকে দ্বাদশ গ্রেড পর্যন্ত দ্বিতীয় শ্রেণির পদ, কিন্তু মাউশি’র নিয়োগবিধিতে এই পদগুলোকে তৃতীয় শ্রেণির দেখিয়ে শুধু এমসিকিউ পরীক্ষা নেয়া হয়। ২০২০ সালের অক্টোবরে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে ২৮টি ক্যাটাগরির বিভিন্ন পদের মধ্যে প্রদর্শক পদে ৫১৪টি, গবেষণা সহকারী (কলেজ) পদে ২১টি, সহকারী গ্রন্থাগারিক কাম ক্যাটালগার পদে ৬৯টি এবং ল্যাবরেটরি সহকারী পদে ৬টি পদ উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এসব পদের বিপরীতে পরীক্ষা ২০২১ সালের আগস্ট ও অক্টোবরে অনুষ্ঠিত হয়। পরিদর্শক পদের ফল অনিবার্যকারণবশত স্থগিত করা হয়েছিল। সেই পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয় ২০২৪ সালের এপ্রিলে। এতে প্রায় আট হাজার প্রার্থী উত্তীর্ণ হন। মে মাসে ভাইবা শেষে জুনে নির্বাচিতদের ফল প্রকাশ করা হয়। কিন্তু পরবর্তীতে পরিস্থিতির কারণে আটকে আছে এই ৬১০ জনের নিয়োগ। চাকরি পাওয়াদের মধ্যে রয়েছেন কম্পিউটার অপারেটর ৯ জন, উচ্চমান সহকারী ৮৫ জন, ক্যাশিয়ার ১১৯ জন, স্টোরকিপার ৫০ জন, হিসাব সহকারী ১০৬ জন, অফিস সহকারী ৫১৩ জন, মেকানিক ৩৩ জন, গাড়িচালক ১১ জন, বুক সর্টার ৪৬ জন, অফিস সহায়ক ১৭০৪ জন, নিরাপত্তা প্রহরী ২৪৭ জন, মালী ৯৭ জন, পরিচ্ছন্নকর্মী ১৬৩ জন। অন্যদিকে তালিকায় নিয়োগের অপেক্ষায় রয়েছেন প্রদর্শক পদে পদার্থবিদ্যায় ১০৯ জন, রসায়নে ১২০ জন, জীববিজ্ঞানে ৩১ জন, প্রাণিবিদ্যায় ১০৯ জন, উদ্ভিদবিদ্যায় ৯৬ জন, ভূগোলে ১৩ জন, মৃত্তিকায় ৫ জন, গণিতে ২২ জন, গার্হস্থ্য বিজ্ঞানে ৮ জন, কৃষিতে একজন, গবেষণা সহকারী (কলেজ) ২১ জন, সহকারী গ্রন্থাগারিক ৬৯ জন এবং ল্যাবরেটরি সহকারী ৬ জন।

    এই নিয়োগের বিষয়ে জানতে চাইলে মাউশি মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর এবিএম রেজাউল করীম বলেন, তালিকা ধরে নিয়োগের বিষয়টি আমার জানা নেই। আমি নিয়োগ প্রক্রিয়ার সময়ে দায়িত্বেও ছিলাম না। এটা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন। মন্ত্রণালয় থেকে কোনো নির্দেশনা দেয়া হলে সেটি বাস্তবায়ন করা হবে।

  • পেট্রোল পাম্প চালু রাখতে পুলিশ-প্রশাসনের সহায়তা চাইলেন মালিকরা

    পেট্রোল পাম্প চালু রাখতে পুলিশ-প্রশাসনের সহায়তা চাইলেন মালিকরা

    জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা ও নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলায় পুলিশের সহায়তায় পেট্রোল পাম্প খোলা রাখার আহ্বান জানিয়েছে পাম্প মালিক ও ডিস্ট্রিবিউটররা। সোমবার (২৩ মার্চ) দুপুরে এই আবেদন জানান বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটর্স, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল।

    বার্তায় বলা হয়েছে, ইরানকে কেন্দ্র করে চলমান আন্তর্জাতিক উত্তেজনার কারণে দেশি ডিপোগুলো থেকে প্রত্যাশিত মাত্রায় জ্বালানি সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না এবং ভবিষ্যতে সরবরাহ আরও ঝুঁকিতে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। ফলে চাহিদা থাকা সত্ত্বেও তেল পাওয়ায় ব্যাঘাত দেখা দিচ্ছে।

    একই সময়ে সাধারণ ভোক্তা ও মোটরসাইকেল চালকদের উপস্থিতি সব ফিলিং স্টেশনে বাড়ায় ভিড় ও চাপ তৈরি হচ্ছে। বিভিন্ন স্থানে কর্মচারীদের মারধর এবং স্টেশন ভাঙচুরের ঘটনা ঘটার খবরও পেয়েছেন সংশ্লিষ্টরা, যা অন্য একটি নিরাপত্তা উদ্বেগ তৈরি করেছে।

    এই পরিস্থিতিতে স্থানীয় পুলিশ ও প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতায় পাম্পগুলো সচল রাখতে নির্দেশনা প্রদানের অনুরোধ জানানো হয়েছে। সংগঠনটি জানিয়েছে, কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে নির্দেশের অপেক্ষায় না থেকে কর্মরতরা তাদের নিরাপত্তা নিজেরাই নিশ্চিত করার পদক্ষেপ নেবে।

    বার্তাটির অনুলিপি দেশের সব জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারদেরও পাঠানো হয়েছে।

    এদিকে জ্বালানি সরবরাহ ও বণ্টন নিয়ে রাজশাহী বিভাগীয় পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন একটি পৃথক চিঠিতে জানিয়েছে, বাঘাবাড়ি ডিপোসহ বিভিন্ন ডিপো থেকে পেট্রোল ও অকটেন বরাদ্দ ট্যাংক লরির প্রকৃত ধারণক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্যহীন হচ্ছে। সাধারণত একটি ট্যাংক লরির প্রতিটি চেম্বারের ধারণক্ষমতা ৪,৫০০ লিটার হলেও অনেক ক্ষেত্রে প্রতি চেম্বারে মাত্র ২-৩ হাজার লিটার করে তেল বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে।

    এর ফলে ডিপো থেকে পাম্প পর্যন্ত পরিবহনব্যয় অনুন্নয়ন হচ্ছে এবং পাম্প মালিকদের আর্থিক ক্ষতির সৃষ্টি হচ্ছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, কিছু পাম্প মালিক তেল উত্তোলনে অনিচ্ছুক বা অপারগতা প্রকাশ করলে সেই তেল বিভিন্ন এজেন্সির মাধ্যমে সরবরাহ করা হচ্ছে, যা পরে কালোবাজারে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ায়—ফলশ্রুতিতে বাজারে অস্থিতিশীলতা ও মূল্যবৃদ্ধি দেখা দিতে পারে।

    সংগঠনটি ট্যাংক লরির প্রকৃত ধারণক্ষমতা অনুযায়ী পেট্রোল ও অকটেন বরাদ্দ নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করেছে। চিঠিটি সংগঠনের কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান রতন স্বাক্ষরিতভাবে যমুনা, মেঘনা ও পদ্মা অয়েল কোম্পানির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

  • ভারতে কারাভোগ শেষে বেনাপোলে দেশে ফিরেছে ৩৩ বাংলাদেশি

    ভারতে কারাভোগ শেষে বেনাপোলে দেশে ফিরেছে ৩৩ বাংলাদেশি

    ভারতে কারাভোগ ও পাচারের শিকার হওয়ার পর ৩৩ জন বাংলাদেশি—যাদের মধ্যে চারজন শিশু, চারজন নারী এবং ২৫ জন পুরুষ—রোববার (২২ মার্চ) সন্ধ্যায় বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে দেশে ফিরেছেন।

    পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, কলকাতাস্থ বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন ও পশ্চিমবঙ্গের নারী-শিশু পাচার রোধ টাস্কফোর্সের সমন্বিত উদ্যোগে এই ফিরতি ব্যবস্থা করা হয়েছে। তারা ছিলেন পাচারের শিকার বলে জানানো হয়েছে।

    যশোরের বেনাপোলে কর্মরত জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ারের প্রতিনিধি শফিকুল ইসলাম বলেন, দালালের মাধ্যমে পাচারের শিকার এ ৩৩ জনকে ভারতীয় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ বেনাপোল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের কাছে হস্তান্তর করেছে। পরে তাদের বেনাপোল পোর্ট থানায় সোপর্দ করা হয়। সেখান থেকে জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার তাদের গ্রহণ করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেবে।

    বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের পরিদর্শক সৈয়দ মোর্তজা বলেন, ট্রাভেল পারমিটে দেশে ফেরত আসা এসব নারী-পুরুষ ও শিশুদের ইমিগ্রেশন সংক্রান্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করে পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তদন্ত ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

  • যদি কারও কষ্ট হয়ে থাকে, আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইছি: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    যদি কারও কষ্ট হয়ে থাকে, আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইছি: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ঢাকা-৮ আসনে নির্বাচনী অংশগ্রহণের পর থেকেই বিভিন্ন প্রসঙ্গে আলোচিত ও সমালোচিত হয়েছেন। কিছু মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ায় তিনি ব্যাপক নজরে আসে।

    বুধবার সকালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি পরিষ্কার করে জানান, কোনো কথা বা কাজে অনিচ্ছাকৃতভাবে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে তিনি আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছেন। পোস্টে তিনি আরও লিখেছেন যে গত কয়েক দিনে বয়োজ্যেষ্ঠ বন্ধু, রাজনৈতিক শুভাকাঙ্ক্ষী, মন্ত্রী-এমপি ও প্রিয় সহযোদ্ধাদের সঙ্গে তার কিছু আন্তরিক আলাপ হয়েছে। সবার কাছ থেকেই তিনি যে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা পেয়েছেন, তা হল—ব্যক্তিগত আক্রমণ এড়ানো, অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা থেকে দূরে থাকা এবং গঠনমূলক আলোচনায় মনোযোগ দেওয়া।

    নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, তিনি বিনয়ের সঙ্গে ওই পরামর্শগুলো গ্রহণ করছেন এবং আরো শান্ত ও দায়িত্বশীলভাবে পথচলা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করবেন। তিনি রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অগ্রগতির জন্য নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী কাজ করে যেতে চান।

    তিনি আরও বলেন, “আমার কোনো কথা বা কাজে অনিচ্ছাকৃতভাবে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে আন্তরিকভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। আপনাদের দোয়া, ভালোবাসা ও পরামর্শই আমার পথচলার শক্তি।”

    নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী জানান, গতকাল ধানমন্ডির তকওয়া মসজিদে কিয়ামুল লাইল পড়ে তিনি এই আত্মিক যাত্রার নীরব সূচনা করেছেন। তিনি প্রার্থনা করেন, আল্লাহ সবার ভুল ক্ষমা করুন এবং সবাইকে সঠিক পথে পরিচালিত করুন।

  • জামায়াত-এনসিপি প্রসঙ্গে সংসদে মন্তব্য করলেন মনিরুল হক চৌধুরী, খালেদার ভূমিকাও স্মরণ

    জামায়াত-এনসিপি প্রসঙ্গে সংসদে মন্তব্য করলেন মনিরুল হক চৌধুরী, খালেদার ভূমিকাও স্মরণ

    জাতীয় সংসদে জামায়াত ও এনসিপি সম্পর্কীয় প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী। রবিবার রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশগ্রহণে তিনি তার কথাগুলো বলেন। অধিবেশনটি পরিচালনা করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

    মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, স্বাধীনতার পর একটি মেধাবী দল গঠিত হয়েছিল—জাসদ। পরে তাদের অতিরঞ্জিত কর্মকাণ্ডের কারণে দেশ ও জাতি অনেক ক্ষতির মুখে পড়ে। এমন ঘটনাগুলোকে ভুলে না গিয়ে সবাইকে সহ্য করার সহনশীলতা দেওয়ার জন্য দোয়া করার অনুরোধ জানান তিনি।

    তিনি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ভূমিকা স্মরণ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ১৯৯১ সালের সংসদে তিনি পারিপার্শ্বিকভাবে কাজ করেছেন দেশনেত্রীর নেতৃত্বে। বিএনপির বিরোধী পক্ষ হিসেবে যারা প্রশ্ন করছেন, তাদের তিনি মনে করিয়ে দিতে চান যে দেশের স্বার্থে তখনও অনেকেই জামায়াতের সঙ্গে কাজ করেছিলেন। ‘‘আপনারা যখন প্রশ্ন করেন, মনে হয় যেন এই দেশে ১৫–২০ বছর বিএনপি ছিল না,’’ যোগ করেন তিনি।

    চৌধুরী আরও বলেন, রাজনৈতিক ইতিহাস বিবেচনা করে দেখা উচিত জাসদ এক সময় কিভাবে আওয়ামী লীগকে প্রতিপক্ষ মনে করত এবং সে প্রেক্ষাপট বিবেচনায় রেখে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তিনি রহমান—তারেক রহমানের কঠিন নির্বাচন সংক্রান্ত কথাও স্মরণ করেন এবং জানান যে সেই মন্তব্য তখন সবাই বুঝতে পারেননি, পরে নির্বাচনের অভিজ্ঞতা থেকে তারা তা উপলব্ধি করেছেন।

    সংসদে দাঁড়িয়ে তিনি যাদের বিরুদ্ধে কথা বলতেন তাদের সম্পর্কে স্পষ্ট ছিলেন, কিন্তু এখনকার বিরোধী পক্ষকে তিনি পুরোপুরি চিনছেন না—এই আক্ষেপও করেন। তিনি বলেন, এত সংখ্যক সদস্য নিয়ে সংসদে আসার পর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপনের 대상 হিসেবে যে দলটি থাকা উচিত ছিল, সেটি ছিল জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ। তবে আজকাল আমাদের সম্পর্কে নানা প্রশ্ন উঠছে—যেমন জীবিত মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে প্রশ্ন ওঠা এবং মুক্তিযুদ্ধ (৭১) নিয়ে বিভ্রান্তি; বিচারের নামে অতীতের ফ্যাসিস্টদের আমলে যদি অন্যায় হয়ে থাকে তাহলে সেটাও স্পষ্ট করা উচিত।

    শেষে মনিরুল হক চৌধুরী এনসিপি ও তরুণ নেতৃত্বকে সম্মান জানিয়ে বলেন, স্বাধীনতার পর যদিও তাদের বয়স কম হতে পারে, তবুও তারা সাহসী এবং এ যুগের দাবি অনুযায়ী কাজ করছে—এমন কারণে তারাও মর্যাদার দাবি রাখেন।

  • ক্রেডিট কার্ডে নতুন গাইডলাইন: সর্বোচ্চ ঋণসীমা বেড়ে ৪০ লাখ

    ক্রেডিট কার্ডে নতুন গাইডলাইন: সর্বোচ্চ ঋণসীমা বেড়ে ৪০ লাখ

    বাংলাদেশ ব্যাংক ক্রেডিট কার্ড সংক্রান্ত নীতি হালনাগাদ করে একটি পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন জারি করেছে, যাতে কার্ড ব্যবস্থাপনাকে আরও সুশৃঙ্খল, স্বচ্ছ ও গ্রাহকবান্ধব করে তোলা হবে। রোববার এ তথ্য জানান ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান।

    দৈনন্দিন জীবনে নগদ বহন না করে বিভিন্ন খরচ মেটাতে ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার বেড়েই চলেছে। সেই চাহিদা ও সেবার প্রসারের সঙ্গে সঙ্গেই খাতে বিদ্যমান জটিলতা কমানো এবং নতুন নিয়ন্ত্রণ আননার প্রয়োজন দেখা দেয়—ইতোমধ্যে সেসব লক্ষ্যকে সামনে রেখে পুরনো নীতিমালা হালনাগাদ করা হয়েছে।

    নতুন গাইডলাইনে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা শক্ত করা, ভোক্তার অধিকার রক্ষা, দায়িত্বশীল ঋণ প্রদান উৎসাহিত করা এবং নগদবিহীন লেনদেনের জন্য স্বচ্ছ পরিবেশ নিশ্চিত করা—এই সবের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। গাইডলাইনে ক্রেডিট কার্ডের প্রযোজ্যতা ও সংজ্ঞা, কার্ডের ধরন, গ্রাহকের যোগ্যতার মানদণ্ড, ঋণসীমা ও সুদের হার নির্ধারণ, কার্ড ইস্যু ও বিপণন পদ্ধতি, বিলিং ও আদায় প্রক্রিয়া, গ্রাহকের তথ্য গোপনীয়তা, বিরোধ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা, অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা—এসব বিষয়ের বিস্তারিত নির্দেশনা রাখা হয়েছে।

    বিশেষভাবে ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে প্রদেয় সর্বোচ্চ ঋণসীমা বাড়ানো হয়েছে। আগে যেখানে সর্বোচ্চ সীমা ছিল ২৫ লাখ টাকা, তা বাড়িয়ে এখন ৪০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে অনিরাপদ ঋণের (অসিকিউরড লোন) সীমাও ১০ লাখ থেকে বাড়িয়ে ২০ লাখ টাকা করা হয়েছে।

    এছাড়া গ্রাহকের অভিযোগ, অনিয়ম বা জালিয়াতি, কার্ডভিত্তিক লেনদেনের পরিশোধে অসুবিধা এবং বিরোধ নিষ্পত্তি সংক্রান্ত প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংশোধন আনা হয়েছে। গাইডলাইনে ব্যাংকগুলোর অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার জন্যও নির্দিষ্ট নির্দেশনা আছে, যা কার্ডধারীর তথ্য সুরক্ষা ও জালিয়াতি প্রতিরোধে সহায়ক হবে।

    বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, নতুন নিয়মাবলী বাজারে কার্ড ব্যবহারের ন্যায়সঙ্গত বিস্তার নিশ্চিত করবে এবং গ্রাহক প্রতিকূলতার সম্ভাব্য ঝুঁকি কমাবে। ব্যাংক ও অর্থপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য এই গাইডলাইন মেনে চলা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, যাতে ভোক্তা আস্থা ও আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকে।

  • চট্টগ্রাম-মোংলা বন্দর ও শিপিং করপোরেশনের প্রকল্পে অনিয়ম: দুদকের অনুসন্ধান

    চট্টগ্রাম-মোংলা বন্দর ও শিপিং করপোরেশনের প্রকল্পে অনিয়ম: দুদকের অনুসন্ধান

    দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) চট্টগ্রাম বন্দর, মোংলা বন্দর ও বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের বিভিন্ন প্রকল্পে দুর্নীতি ও নিয়োগ সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগে তৎপর হয়ে তদন্ত শুরু করেছে। এ কাজে সংস্থার উপ-পরিচালক নাজমুচ্ছায়াদাতকে প্রধান করে চারটি অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    রোববার (১৫ মার্চ) দুদক সূত্রে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের বর্তমান চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে একাধিক আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি যখন বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন, তখন ছয়টি জাহাজ কেনার জন্য মোট ২,৪৮৬ কোটি টাকার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল; কিন্তু শেষ পর্যন্ত কেবল চারটি জাহাজ কেনা হলে প্রকল্পে প্রায় ৪৮৬ কোটি টাকার আর্থিক অসঙ্গতি দেখা গেছে।

    এছাড়া মোংলা বন্দর সংলগ্ন পশুর চ্যানেল সংরক্ষণ ও ড্রেজিং প্রকল্পে ১,৫৩৮ কোটি টাকার বরাদ্দে বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এসব অনিয়মের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে দুদকের অনুসন্ধানকারী দল সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে নথিপত্র তলব করেছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নিচ্ছে।

    দুদক তদন্তে পেয়েছে এমন কোনো প্রাসঙ্গিক তথ্য নিশ্চিত হলে প্রয়োজনমত আরও তদন্ত কমিটি গঠন বা শাখাগত অনুসন্ধান বাড়ানো হতে পারে বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে। তদন্তকারীরা বলছেন, অভিযোগগুলো যাচাই-বাছাই করে দ্রুত এবং স্বচ্ছভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • ট্রাম্পের হামলা পাঁচ দিন স্থগিত ঘোষণায় তেলের দাম ব্যাপকভাবে কমল

    ট্রাম্পের হামলা পাঁচ দিন স্থগিত ঘোষণায় তেলের দাম ব্যাপকভাবে কমল

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রকে লক্ষ্য করে চালানোর সম্ভাব্য হামলা পাঁচদিনের জন্য স্থগিত করার ঘোষণা দিলে বিশ্ববাজারে কাঁচা তেলের দাম তীব্রভাবে নেমে আসে। আলজাজিরার প্রতিবেদনে জানা যায়, সোমবার (২৩ মার্চ) গ্রিনিচ সময় সকাল ১১:০৮ মিনিটে ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারস প্রায় ১৫ শতাংশ বা প্রায় ১৭ ডলার কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৬ ডলারে নেমে আসে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুড ফিউচারস প্রায় ১৩ ডলার বা ১৩.৫ শতাংশ পতন করে ব্যারেলপ্রতি ৮৫.২৮ ডলারে লেনদেন হচ্ছিল।

    ট্রাম্প নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, গত দুই দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ‘খুব ভালো’ আলোচনা হয়েছে এবং সেই আলোচনার ওপর ভর করে তিনি যুদ্ধ মন্ত্রণালয়কে ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও জ্বালানি অবকাঠামোর বিরুদ্ধে কোনো সামরিক হামলা পাঁচ দিনের জন্য স্থগিত করার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, আলোচনাগুলো ‘গভীর, বিশদ ও গঠনমূলক’ এবং সাপ্তাহ জুড়ে চলবে।

    তবে ইরানি গণমাধ্যমগুলো ট্রাম্পের সঙ্গে কোনো সরাসরি বা পরোক্ষ যোগাযোগ হয়নি বলে জানাচ্ছে। আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ একটি নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বলেছে, তাদের সাথে কোনো মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমেও যোগাযোগ হয়নি। ওই কর্মকর্তা আরও দাবি করেছেন, ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে এবং ইসরায়েলের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে হামলার সতর্কতা দেওয়ার পরই মার্কিন পক্ষ পিছু হটেছে—একটি দাবি যা ইরানি সূত্রে প্রকাশ পেয়েছে।

    পিছনের সূত্রগুলো বলছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান সংঘাতের কারণে উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল উৎপাদনকারী দেশগুলো—সৌদি আরব, ইরাক, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েত—তরল উৎপাদন কমিয়েছে। পাশাপাশি রিস্ক বাড়ায় বলা হচ্ছে যে হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলও ব্যহত হয়েছে, যেটি বিশ্ব বাণিজ্যে প্রায় ২০ শতাংশ কাঁচা তেল পরিবহন করায় এই পরিস্থিতি তেলের বাজারকে অস্থিতিশীল করেছে।

    যুদ্ধে উত্তেজনা শুরু হলে ব্রেন্ট ক্রুড一এক সময় ব্যারেলপ্রতি ১১৯.৫০ ডলার পর্যন্ত উঠে গিয়েছিল এবং ডব্লিউটিআইও ১১৯.৪৮ ডলারে পৌঁছেছিল; পরে পরিস্থিতি কিছুটা শিথিল হয়ে দাম নেমে এসেছে।

    সূত্র: আলজাজিরা, ফার্স নিউজ

  • ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ছড়াল ইসরায়েল জুড়ে; তেহরানে তীব্র বিস্ফোরণ

    ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ছড়াল ইসরায়েল জুড়ে; তেহরানে তীব্র বিস্ফোরণ

    ইসরায়েল জুড়ে ইরানের ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর পাওয়া গেছে। রাজধানী জেরুজালেমসহ মধ্য ও দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় সতর্কবার্তা জারি করা হয় এবং বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এসব তথ্য জানিয়েছে আল জাজিরা (২৩ মার্চ)।

    হামলার পর বিভিন্ন স্থানে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। কয়েকটি রিপোর্টে ধারণা করা হচ্ছে যে গুচ্ছ বোমা বা ক্লাস্টার মিউনিশন ব্যবহার করা হয়েছে, যা একসাথে বিস্ফোরণের সময় ছোট ছোট উপ-বিস্ফোরকে ছড়িয়ে দিয়ে বৃহত্তর ক্ষতি করতে পারে।

    মধ্য ইসরায়েলের অন্তত আটটি স্থানে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ বা বিস্ফোরকের আঘাত দেখা গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো ভিডিও ও ছবিতে বিভিন্ন ভবন ও অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দেখা যায়। পূর্বে উত্তরাঞ্চলের কয়েকটি এলাকায় সতর্কতা জারির পর পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্র থেকে বের হওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।

    রোববার থেকে ইসরায়েলে ধারাবাহিকভাবে হামলার ঘটনা চলছিল। পাশাপাশি লেবানন সীমান্ত ঘেঁষা এলাকায় হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকেও হামলার খবর পাওয়া গেছে।

    ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী ঘোষণা দিয়েছে তেহরানে ‘‘বড় ধরনের হামলা’’ চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে এবং সরকারি অবকাঠামোকে লক্ষ্য করা হবে, বলে জানানো হয়েছে।

    এর কিছুক্ষণ আগেই তেহরানের পূর্বাঞ্চলে একটি শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। আল জাজিরার প্রতিনিধি সুহাইব আল-আসা ওই বিস্ফোরণের তীব্রতাকে নজিরবিহীন হিসেবে বর্ণনা করেন। বিস্ফোরণের পর তেহরানের পূর্বভাগে ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হয়, যা সাধারণত আকাশে থাকা শত্রুপক্ষের ড্রোন প্রতিহত করার ইঙ্গিত হিসেবেই দেখা হয়।

    ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ফারস নিউজ জানিয়েছে, শহীদ বাবায়ী এক্সপ্রেসওয়ে সংলগ্ন অন্তত দুটি এলাকা এবং পূর্ব উপকণ্ঠের গরমদারেহ অঞ্চলে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া হাফেজ ও জমহুরি স্ট্রিট সংযোগস্থলেও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে, যা ছিল ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা হিসেবে পরিচিত।

    এখনও উভয় পক্ষই বিস্তারিত ক্ষয়ক্ষতির সংখ্যা বা হতাহতের তথ্য নিশ্চিত করে প্রকাশ করেনি। সাধারণ অবস্থা সম্পর্কে রিপোর্টগুলো অদৃশ্যতা এবং উত্তেজনার মাত্রা দ্রুত বাড়ছে বলে ইঙ্গিত দিচ্ছে।

  • বাগেরহাটে তেল পাম্পে হামলা-ভাঙচুর: যুবদল নেতা গ্রেপ্তার

    বাগেরহাটে তেল পাম্পে হামলা-ভাঙচুর: যুবদল নেতা গ্রেপ্তার

    বাগেরহাট শহরের খানজাহান আলী ফিলিং স্টেশনে গত হামলা-ভাঙচুরের মামলায় একজন যুবদল নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার রাত সাড়ে নয়টার দিকে শহীদ মিনার সংলগ্ন এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হন ৪০ বছর বয়সী সুমন পাইক, যিনি বাগেরহাট পৌর যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক এবং খারদ্বার এলাকার বাসিন্দা।

    পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, ঘটনার সূত্রপাত হয় গত ২০ মার্চ শনিবার সন্ধ্যার আগে। ওই দিনে তেলের তীব্র সংকট ও চাহিদার চাপের মধ্যে মোটরসাইকেলে তেল দেওয়ার সময় মোটরসাইকেল প্রতি ২০০ টাকা তেল দেওয়া হচ্ছিল বলে জানানো হয়েছে। এ সময় কয়েকজন অনধিকারভাবে পাম্পে প্রবেশ করে অধিক টাকা দাবি করে এবং নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগ তুলে কর্মচারীদের সঙ্গে বিবাদে জড়ায়। বিবাদ বাড়লে, এজাহারে উল্লেখ করা অনুসারে সুমন পাইকের নেতৃত্বে তারা কর্মচারীদের উপর হামলা চালায়। তখন কর্মচারী তানবির মল্লিক, মোঃ সাইফুল ইসলাম ও মোঃ রেজোয়ান সহ কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছেন। একই সঙ্গে অভিযোগ করা হয়েছে যে হামলাকারীরা পাম্পের কোষাগার থেকে প্রায় ৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা নিয়ে যায়।

    ঈদের দিন থেকে বাগেরহাট শহরের দুটি পাম্প বন্ধ রয়েছে। ঘটনার প্রতিবাদে খানজাহান আলী ফিলিং স্টেশনের সামনে ‘‘অনির্দিষ্টকালের জন্য পাম্প বন্ধ’’ শিরোনামে একটি বিশেষ বিজ্ঞপ্তি ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, চিহ্নিত সন্ত্রাসী চক্ররা লুটপাট, ভাঙচুর ও মালিক-কর্মচারীদের জীবননাশের উদ্দেশ্যে হামলা চালায়; তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত পাম্প বন্ধ থাকবে।

    পাম্পের অন্যতম মালিক মুর্শিদ কুলি খান রোববার বাগেরহাট সদর মডেল থানায় বাদী হয়ে ৪ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ১০-১২ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। এজাহারে সুমন পাইককে প্রথম নম্বর আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

    বাগেরহাট মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শহিদুল ইসলাম বলেন, খানজাহান আলী ফিলিং স্টেশনে মারধরের মামলায় এজাহারনামা অনুযায়ী এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অন্যান্য যুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ তৎপরতা চালাচ্ছে। মুর্শিদ কুলি খান জানান, প্রধান আসামী গ্রেফতার হয়েছে; তারা ডিপো থেকে তেল প্রাপ্তির পর পাম্প নিয়মিতভাবে খুলে দেবেন।

  • সুন্দরবনের ‘ছোট সুমন’ বাহিনীর সদস্য ইয়াছিন শেখকে মোংলা কোস্ট গার্ড আটক, অস্ত্র-গুলি জব্দ

    সুন্দরবনের ‘ছোট সুমন’ বাহিনীর সদস্য ইয়াছিন শেখকে মোংলা কোস্ট গার্ড আটক, অস্ত্র-গুলি জব্দ

    মোংলা কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন সুন্দরবনের দস্যুবাহিনীর সদস্য ইয়াছিন শেখকে আটক করেছে। সোমবার গভীর রাতে চিলা ইউনিয়নের ফেলুর খণ্ডের বৈদ্যমারী বাজার সংলগ্ন এলাকা থেকে তাকে ধাওয়া করে গ্রেপ্তার করা হয়।

    কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, ইয়াছিন ঈদের সময় সুন্দরবন থেকে এসে বৈদ্যমারী বাজার এলাকায় আত্মগোপন করেছিল। বনদস্যু ‘ছোট সুমন’ বাহিনীর ওই সদস্য সম্পর্কে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মোংলা ও হারবাড়িয়া কোস্ট গার্ডের পৃথক দুটি দল অভিযান পরিচালনা করে। কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে দৌড়ে পালাতে গেলে ধাওয়া করে তাকে আটক করা হয়।

    আটককৃত ইয়াছিন শেখ (৪০) বাগেরহাট জেলার মোংলা থানার নারী। আটক হওয়া ব্যক্তির দেয়া তথ্যে সোমবার (২৩ মার্চ) সকালে সুন্দরবনের ধানসিঁদ্দির চর সংলগ্ন এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে ১টি একনলা বন্দুক, ৪ রাউন্ড তাজা কার্তুজ ও ৪ রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ জব্দ করা হয়।

    কোস্ট গার্ডের বলছে, ইয়াছিন দীর্ঘদিন ধরে ‘ছোট সুমন’ বাহিনীর সঙ্গে জড়িত থেকে অস্ত্র, গোলাবারুদ ও রসদ সরবরাহ করে আসছিল। তিনি জেলেদের অপহরণ, মুক্তিপণ আদায় এবং বিভিন্ন ডাকাতি কাজে সহায়তা করত।

    ইয়াছিন ২০১৭ সালে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ ‘ছোট সুমন’ বাহিনীর ১৩ সদস্যের সঙ্গে র‌্যাবের কাছে আত্মসমর্পণ করেছিল। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর আবার সুমন এবং তার পুরনো সদস্যদের নিয়ে সুন্দরবনে ফের দস্যু কর্মকাণ্ড শুরু করে বলে কোস্ট গার্ড জানিয়েছে। বর্তমানে তার সঙ্গে অস্ত্রসহ প্রায় ১৮-২০ জন সদস্য থাকার তথ্যও পাওয়া গেছে।

    কোস্ট গার্ড জানায়, জব্দকৃত অস্ত্র, গুলি ও আটককৃত ইয়াছিনকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য হস্তান্তর করা হবে এবং তদন্ত চলছে।

    বিসিজিএস তৌফিকের নির্বাহী কর্মকর্তা লে. আশিকুল ইসলাম ইমন জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকেই কয়েকটি দস্যুবাহিনী সুন্দরবনে সক্রিয় হয়ে জেলেদের অপহরণ, মুক্তিপণ দাবি ও অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে। ইতোমধ্যেই কোস্ট গার্ড কয়েকজন সদস্যকে অস্ত্রসহ আটক করতে সক্ষম হয়েছে। সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত রাখতে কোস্ট গার্ডের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।