Blog

  • সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ জনকে আজ হাজির করা হচ্ছে ট্রাইব্যুনালে

    সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ জনকে আজ হাজির করা হচ্ছে ট্রাইব্যুনালে

    জুলাই-আগস্টের গণহত্যার মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হচ্ছে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ আসামিকে। 

    আজ সোমবার সকালে কড়া নিরাপত্তায় তাদেরকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হবে। এদিকে গণহত্যার মামলার তদন্তের সময় বৃদ্ধির জন্য আবেদন জানাবে তদন্ত সংস্থা। সংস্থার পক্ষে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট এম তাজুল ইসলাম আজ এ আবেদন জানাবেন। বিচারপতি মো. গোলাম মূর্তজা মজুমদারের সভাপতিত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালে আবেদনের উপর শুনানি হবে। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

    ট্রাইব্যুনালে যাদেরকে হাজির করা হচ্ছে এরা হলেন: আনিসুল হক, ড. আব্দুর রাজ্জাক, শাজাহান খান, সালমান এফ রহমান, গোলাম দস্তগীর গাজী, কামাল আহমেদ মজুমদার, লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান, ড. দীপু মনি, রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু, জুনাইদ আহমেদ পলক, তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী (বীর বিক্রম), সাবেক বিচারপতি এইচ এম শামসুদ্দীন চৌধুরী মানিক ও সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিব জাহাঙ্গীর আলম।

    এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট এম তাজুল ইসলাম ইত্তেফাককে বলেন, গণহত্যার মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারিকৃতদের মধ্যে গ্রেফতার হওয়া ১৪ অভিযুক্তকে আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করার জন্য আদেশ রয়েছে। ঐ আদেশ মোতাবেক কারা কর্তৃপক্ষ তাদেরকে হাজির করবে। তিনি বলেন, গণহত্যার মামলা তদন্তের জন্য সময় দিয়েছিল ট্রাইব্যুনাল। যেহেতু তদন্ত শেষ হয়নি সেহেতু সময় বৃদ্ধির আবেদন দেওয়া হবে। কোটা সংস্কার ও সরকার পতনের আন্দোলন দমাতে নিরস্ত্র ছাত্র-জনতাকে সমূলে বা আংশিক নির্মূলের লক্ষ্যে হত্যা, গণহত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের মামলায় গত ১৭ অক্টোবর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সরকারের সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে ট্রাইব্যুনাল। ২৭ অক্টোবর পরোয়ানাভুক্তদের মধ্যে ২০ জনকে ট্রাইব্যুনালের মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। এদের মধ্যে ১৪ জনকে আজ এবং ছয় পুলিশ কর্মকর্তা সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন, বরখাস্ত মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, সাবেক ঢাকা জেলার এডিসি (এসপি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত ছিলেন) আব্দুল্লাহ হিল কাফী, সাবেক এডিসি আরাফাতুল ইসলাম, যাত্রাবাড়ী থানার সাবেক ওসি আবুল হাসান এবং গুলশান থানার সাবেক ওসি মাজহারুল ইসলামকে ২০ নভেম্বর ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ রয়েছে। এদিকে ২৭ অক্টোবর ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, র‍্যাবের সাবেক ডিজি হারুন-অর রশিদ, এসবির সাবেক প্রধান মনিরুল ইসলাম, ডিবির সাবেক প্রধান হারুনুর রশিদ, বিপ্লব কুমার সরকার, সাবেক এডিসি ইকবাল হোসেনসহ আরো ১৭ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করা হয়।

    তদন্ত সংস্থা ও প্রসিকিউশনের অভিযোগে যা বলা হয়েছে : কোটা সংস্কারের অহিংস আন্দোলন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সহিংস হয়ে উঠে। একই সঙ্গে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরস্ত্র ছাত্র-ছাত্রীদের ওপর নির্মমভাবে হামলা চালায়। এই হামলার ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকাসহ দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামে। সংঘর্ষ হয় ছাত্রলীগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে। ১৬ জুলাই রংপুরে পুলিশের গুলিতে শিক্ষার্থী আবু সাঈদসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আরও ছয় জন মারা যান। ফলে কোটা সংস্কার আন্দোলন সরকার পতনের আন্দোলনে রূপ নেয়। এই আন্দোলনে একসময় শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ যোগ দেয়। কমপ্লিট শাটডাউন, অসহযোগ আন্দোলন দমাতে জারি করা হয় কারফিউ। কিন্তু তাতে দমে যায়নি ছাত্র-জনতা। এই ছাত্র-জনতাকে সমূলে বা আংশিক নির্মূলের উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ নির্দেশনায় নির্বিচারে গুলি চালায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এর সঙ্গে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠন এবং ১৪ দলীয় জোটের ক্যাডার বাহিনী যোগ দেয়। এতে দেড় সহস্রাধিক ছাত্র-জনতাকে হত্যা করা হয়। আহত হয় ২৩ হাজারের অধিক শিক্ষার্থী ও জনতা। আহত অনেকে চিরতরে পঙ্গু ও দৃষ্টি শক্তি হারিয়েছেন।

    এর পরেও দমানো যায়নি আন্দোলনকারীদের। তারা ৫ আগস্ট গণভবনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। পদত্যাগ করে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পরেও পূর্ব নির্দেশনা অনুযায়ী ঐদিন গভীর রাত পর্যন্ত হত্যা, গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী এবং ১৪ দলীয় জোটের ক্যাডাররা। এসব অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে জুলাই-আগস্ট গণহত্যার মামলায়।

    প্রসঙ্গত গণঅভ্যুত্থানের মুখে গত ৫ আগস্ট দেশত্যাগ করেন শেখ হাসিনা। ৮ আগস্ট নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যাত্রা শুরু করে। এরপর ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, এমপি, বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে শত শত হত্যা মামলা দায়ের হয়। এর মধ্যে বেশ কিছু মামলায় গ্রেফতার হয়ে আগস্ট মাস থেকে কারাগারে আছেন ট্রাইব্যুনালের পরোয়ানাভুক্ত আসামিরা। অক্টোবর মাসে সরকার পুনর্গঠন করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। শেখ হাসিনাসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির মধ্য দিয়ে গত ১৭ অক্টোবর যাত্রা শুরু করে ট্রাইব্যুনাল। ইতিমধ্যে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রেড অ্যালার্ট জারি করতে ইন্টারপোলের কাছে চিঠি দিয়েছে চিফ প্রসিকিউটর।

  • দীপু মনির সুপারিশে মাউশিতে তিন হাজার পদায়ন

    দীপু মনির সুপারিশে মাউশিতে তিন হাজার পদায়ন

    সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির ইশারায় নিয়োগ পান প্রায় তিন হাজার ১৮৩ কর্মকর্তা-কর্মচারী। দীপু মনি সিন্ডিকেটের বলয়ে তারা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) চাকরি পান। এর জন্য উচ্চ মহলের সুপারিশসহ তাদের দিতে হয়েছে ৫ থেকে ১৫ লাখ টাকা। নিয়োগের জন্য যাচ্ছেতাইভাবে পরীক্ষা নেয়া হয় তাদের জন্য। দীপু মনির আমলে চার হাজার ১০৯ জনকে নিয়োগ দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। এখনো চাকরির অপেক্ষায় রয়েছেন ৬১০ জন।

    মাউশি’র এই নিয়োগ পুরোটা সামলেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনির ভাই ডা. জে আর ওয়াদুদ টিপু ও চাঁদপুর পুরান বাজার ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ রতন কুমার মজুমদার। অভিযোগ রয়েছে এই চক্রটির খাতা কলমে বৈধতা দেয়ার কাজ করে গেছেন মাউশি’র কলেজ ও প্রশাসন শাখার পরিচালক শাহেদুল খবির চৌধুরী, প্রশাসন শাখার উপ-পরিচালক বিপুল চন্দ্র বিশ্বাস। বর্তমানে এই দুই কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। টাকার বিনিময়ে নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তারা ২০২৩ সালে দু’দফায় (আগস্ট ও নভেম্বরে) যোগদান করেন।

    মাউশি’র একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীপু মনি শিক্ষার দায়িত্ব হাতে পাবার পরই গড়ে তোলেন সিন্ডিকেট। মাউশিতে নিয়ে আসেন পছন্দের লোকদের। জনপ্রশাসন থেকে নিয়োগের ছাড়পত্র এনে তার আমলে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করেন। এই চক্র এতটাই শক্তিশালী ছিল যে, কেউ প্রশ্ন করার সাহস পর্যন্ত ছিল না। পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন অনেকেই। পরীক্ষায় এমসিকিউ বাতিল করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ’র অধীনে লিখিত পরীক্ষা নেয়ার দাবি তোলা হয়েছিল। কিন্তু তা আমলেই নেয়া হয়নি। এমনকি ভাইবার আগেই এসব প্রার্থীদের দেয়া হয়েছিল চাকরির নিশ্চয়তা।

    সুপারিশের প্রেক্ষিতে চার হাজার ১০৯ জনকে নিয়োগ দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু নানা জটিলতায় আটকে যায় ৬১০ জনের পদায়ন। তবে তাদের পদায়নের জন্য চলতি বছরের জুনে ফল প্রকাশ করা হয়। কিন্তু ছাত্র-জনতার আন্দোলনের তোড়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। যার কারণে আটকে আছে তাদের নিয়োগ। নিয়ম অনুযায়ী দশম থেকে দ্বাদশ গ্রেড পর্যন্ত দ্বিতীয় শ্রেণির পদ, কিন্তু মাউশি’র নিয়োগবিধিতে এই পদগুলোকে তৃতীয় শ্রেণির দেখিয়ে শুধু এমসিকিউ পরীক্ষা নেয়া হয়। ২০২০ সালের অক্টোবরে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে ২৮টি ক্যাটাগরির বিভিন্ন পদের মধ্যে প্রদর্শক পদে ৫১৪টি, গবেষণা সহকারী (কলেজ) পদে ২১টি, সহকারী গ্রন্থাগারিক কাম ক্যাটালগার পদে ৬৯টি এবং ল্যাবরেটরি সহকারী পদে ৬টি পদ উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এসব পদের বিপরীতে পরীক্ষা ২০২১ সালের আগস্ট ও অক্টোবরে অনুষ্ঠিত হয়। পরিদর্শক পদের ফল অনিবার্যকারণবশত স্থগিত করা হয়েছিল। সেই পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয় ২০২৪ সালের এপ্রিলে। এতে প্রায় আট হাজার প্রার্থী উত্তীর্ণ হন। মে মাসে ভাইবা শেষে জুনে নির্বাচিতদের ফল প্রকাশ করা হয়। কিন্তু পরবর্তীতে পরিস্থিতির কারণে আটকে আছে এই ৬১০ জনের নিয়োগ। চাকরি পাওয়াদের মধ্যে রয়েছেন কম্পিউটার অপারেটর ৯ জন, উচ্চমান সহকারী ৮৫ জন, ক্যাশিয়ার ১১৯ জন, স্টোরকিপার ৫০ জন, হিসাব সহকারী ১০৬ জন, অফিস সহকারী ৫১৩ জন, মেকানিক ৩৩ জন, গাড়িচালক ১১ জন, বুক সর্টার ৪৬ জন, অফিস সহায়ক ১৭০৪ জন, নিরাপত্তা প্রহরী ২৪৭ জন, মালী ৯৭ জন, পরিচ্ছন্নকর্মী ১৬৩ জন। অন্যদিকে তালিকায় নিয়োগের অপেক্ষায় রয়েছেন প্রদর্শক পদে পদার্থবিদ্যায় ১০৯ জন, রসায়নে ১২০ জন, জীববিজ্ঞানে ৩১ জন, প্রাণিবিদ্যায় ১০৯ জন, উদ্ভিদবিদ্যায় ৯৬ জন, ভূগোলে ১৩ জন, মৃত্তিকায় ৫ জন, গণিতে ২২ জন, গার্হস্থ্য বিজ্ঞানে ৮ জন, কৃষিতে একজন, গবেষণা সহকারী (কলেজ) ২১ জন, সহকারী গ্রন্থাগারিক ৬৯ জন এবং ল্যাবরেটরি সহকারী ৬ জন।

    এই নিয়োগের বিষয়ে জানতে চাইলে মাউশি মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর এবিএম রেজাউল করীম বলেন, তালিকা ধরে নিয়োগের বিষয়টি আমার জানা নেই। আমি নিয়োগ প্রক্রিয়ার সময়ে দায়িত্বেও ছিলাম না। এটা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন। মন্ত্রণালয় থেকে কোনো নির্দেশনা দেয়া হলে সেটি বাস্তবায়ন করা হবে।

  • অভিনেতা ও নাট্যকার আতাউর রহমান আর নেই

    অভিনেতা ও নাট্যকার আতাউর রহমান আর নেই

    প্রখ্যাত অভিনেতা, নাট্যকার এবং সংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আতাউর রহমান আজ ১২ মে ৮৪ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেছেন। তিনি বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে এক বিশিষ্ট ও বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত ছিলেন। বাংলাদেশ সরকার তাকে মুক্তিযুদ্ধের পর স্বাধীনতা-পরবর্তী মঞ্চনাটক আন্দোলনের অন্যতম অগ্রদূত হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে স্বাধীনতা পদক এবং একুশে পদক প্রদান করে।

    অতীতে তিনি একাধারে একজন সফল অভিনেতা, নাট্যকার, মঞ্চনির্দেশক ও লেখক হিসেবে বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হন। তার এই মৃত্যু দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

    আটাউর রহমানের মৃত্যুর খবর প্রথম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করেন অভিনেতা সংঘের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মামুন অপু। তিনি জানান, রাত সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

    সূত্রমতে, শুক্রবার বাসার পড়ে যাওয়ার পর তার শারীরিক অবনতি ঘটে। এরপর তাকে গুলশানের একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে, চিকিৎসকরা জানান, লাইফ সাপোর্টে থাকা প্রয়োজন। পরে তাকে ধানমন্ডির আরেকটি হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয় যেখানে তিনি লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। কিছুদিন পরে তাঁর শারীরিক অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল হলে লাইফ সাপোর্ট খুলে দেওয়া হয়। তবে, পরে আবার অসুস্থ হয়ে গেলে তাকে আবার লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়।

    আতাউর রহমানের সন্তান, তার কন্যা শর্মিষ্ঠা রহমান, বলেন, ‘আব্বার অবস্থা খুব ভালো নয়। শরীরের একাধিক অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিকল হয়ে পড়েছে। চিকিৎসকরা সেটাই জানিয়েছেন। আমি সকলের কাছে আব্বার জন্য দোয়া চাই।’ শেষ পর্যন্ত চিকিৎসাগত সব চেষ্টা অসফল হয়ে, তিনি অসুস্থ অবস্থায়ই মারা যান।

    প্রখ্যাত এ তারকার মৃত্যু দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে এক অপূরণীয় শূন্যতা সৃষ্টি করেছে। তার অবদানের জন্য তিনি স্মরণীয় থাকবেন সর্বত্র। তাঁর রুচি, কর্মশক্তি ও অনবদ্য প্রতিভা স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে দেশের ইতিহাসে।

  • ওটিটিতে দেখা যাবে শাকিবের ‘রকস্টার’ সিনেমাটি

    ওটিটিতে দেখা যাবে শাকিবের ‘রকস্টার’ সিনেমাটি

    আসন্ন ঈদুল আজহায় জনপ্রিয় সিনেমা ‘রকস্টার’ এর এক্সক্লুসিভ স্ট্রিমিং পার্টনার হিসেবে যুক্ত হয়েছে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকি। গত রোববার দুপুরে এই খবর নিশ্চিত করে সিনেমাটির নির্মাতা ও চরকির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ।

    চরকির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেদওয়ান রনি বলেন, ‘আমরা সিনেমাটির মান বজায় রাখতে এবং দর্শকদের জন্য আরও সহজে উপভোগ্য করে তুলতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ‘রকস্টার’ এর সঙ্গে যুক্ত হয়ে আনন্দিত।’

    অজয় কুমার কুন্ডু, সিনেমাটির প্রযোজক, জানান, প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পর দেশের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক দর্শকরাও সিনেমাটি উপভোগ করবেন, তাই স্ট্রিমিং পার্টনার হিসেবে চরকি নির্বাচন করা হয়েছে।

    ‘রকস্টার’ সিনেমাটির মূল গল্প বাস্তব জীবনের রকস্টারদের জীবনঘনিষ্ঠ নানা ঘটনার ওপর ভিত্তি করে নির্মিত। সিনেমাটিতে শাকিব খানকে এক অ্যাকশন হিরো হিসাবে দেখানোর বদলে একজন পেশাদার সংগীতশিল্পীর চরিত্রে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

    সিনেমাটির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সান মোশন পিকচার্সের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এর গান ও সংগীতের পরিচালনা রয়েছেন আহমেদ হাসান সানি ও জাহিদ নিরব। ঈদুল আজহায় প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পর এই সিনেমাটি ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকিতে দেখা যাবে। তবে, সিনেমাটির ওটিটি মুক্তির তারিখ এখনও চূড়ান্ত হয়নি।

  • কনটেন্ট ক্রিয়েটর কারিনার লিভার ডোনার দুই ভাই

    কনটেন্ট ক্রিয়েটর কারিনার লিভার ডোনার দুই ভাই

    জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর কারিনা কায়সার গুরুতর অসুস্থ হয়ে দেশের বাইরে চিকিৎসা নেওয়ার জন্য পাঠানো হয়েছে। তাকে বহনকারী এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি সোমবার (১১ মে) রাত ১১টার দিকে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে চেন্নাইয়ের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।

    মঙ্গলবার দুপুরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে কায়সার হামিদ জানিয়েছেন, ওই সফরে তার সঙ্গে রয়েছেন তার মা লোপা কায়সার। আরও একজন সম্ভাব্য লিভার ডোনার হিসেবে থাকছেন কারিনার দুই ভাই— মোস্তফা এস. হামিদ এবং সাদাত হামিদ।

    কায়সার হামিদ সবার কাছে দোয়া চেয়ে বলেন, “দোয়া করুন সবাই, গত রাতে উন্নত চিকিৎসার জন্য আমার মেয়ে কারিনাকে দেশের বাইরে নেওয়া হয়েছে জেট অ্যাম্বুলেন্সে।”

    দেশে থাকা পরিস্থিতির ব্যাপারে সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানান, “এখনও সেখানে তার কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ বাকি রয়েছে। এর সঙ্গে রয়েছে ব্যয়বহুল চিকিৎসার খরচের সমস্যা। এ জন্য এখন যেতে পারছি না। তবে পরিবারের অন্য সদস্যরা কারিনার সঙ্গে রয়েছেন।” তিনি সকলের দোয়া কামনা করেন তার শিশুটির সুস্থতার জন্য।

    এর আগে সোমবার দুপুরে ভারতীয় ভিসা পাওয়ার বিষয়টি নিজেই নিশ্চিত করেছিলেন কায়সার হামিদ। তিনি বলেছিলেন, “মাত্রই ভিসা পেয়েছি। বিকেলে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে কারিনাকে চেন্নাই নিয়ে যাওয়া হবে। এখানে হাসপাতালের অনেক টাকা বিল, পাশাপাশি এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের জন্যও অনেক খরচ হবে। আমি আমার কিছু ফিক্সড ডিপোজিট ভাঙছি আর একটি জমির বায়না করছি। এগুলো আজকের মধ্যেই শেষ হবে।”

    প্রসঙ্গত, গত শনিবার (৯ মে) সামাজিক মাধ্যমে কারিনার অসুস্থতার খবর শেয়ার করেন ‘ডানা ভাই’ খ্যাত কোntেন্ট ক্রিয়েটর কামরুন নাহার ডানা। তিনি লিখেছিলেন, ‘চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আরিনা হেপাটাইটিস এ এবং ই ধরা পড়েছে, যার কারণে তার লিভার ফেল হয়ে গেছে। ও আইসিইউতে ছিল, কিন্তু গত রাত থেকে ওকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে।’

    গত এক সপ্তাহ ধরে জ্বরে ভোগার পর হঠাৎ জ্ঞান হারানোর কারণে দ্রুত এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় কারিনাকে। তার চিকিৎসায় সবার দোয়া চেয়েছেন ডানা।

  • কন্নড় অভিনেতা দিলীপ রাজের অকাল মৃত্যু

    কন্নড় অভিনেতা দিলীপ রাজের অকাল মৃত্যু

    কন্নড় সিনেমার জগতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে তাঁর অকাল চলে যাওয়ায়। জনপ্রিয় অভিনেতা ও প্রযোজক দিলীপ রাজ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ৪৭ বছর বয়সে পর মারা গেলেন। ক্যারিয়ারের মাঝপথে এই আকস্মিক মৃত্যু কন্নড় সিনেমা সঙ্গেই সঙ্গে সম্পূর্ণ ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতের জন্য বড় এক শূন্যতা সৃষ্টি করল।

    পরিবারের সূত্রে জানা গেছে, বুধবার ভোরে হৃদরোগে আক্রান্ত হন দিলীপ রাজ। তার শারীরিক অস্বস্তি শুরু হয় কিছু সময় পরে। দ্রুত তাকে বেঙ্গালুরুর একটি নামি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকরা তাকে চেষ্টা করেও রক্ষা করতে না পেরে মৃত ঘোষণা করেন। ৪৭ বছর বয়সে একজন স্বাস্থ্যবান ও জনপ্রিয় অভিনেতার অকাল মৃত্যুতে তার ফ্যান এবং সহকর্মীরা গভীর শোক প্রকাশ করছেন।

    শিল্পের বহুমুখী প্রতিভাধর এই ব্যক্তির মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন শোবিজ অঙ্গনের অনেক মানুষ ও ভক্ত-অনুরাগীরা। অভিনেতা চেতন কুমার তার স্মৃতি প্রকাশ করে বলেন, ‘দিলীপ শুধু একজন দক্ষ অভিনেতাই ছিলেন না, একজন মানবিক ব্যক্তি হিসেবেও খুবই বিশেষ ছিলেন। তার মতো আন্তরিকতা খুব কম মানুষই দেখেছে।’

    দিলীপ রাজের কাজের পরিধি ছিল বিশাল। ছোট পর্দায় তিনি একজন সুপারস্টার। ‘রঙ্গোলি’, ‘কুমকুম ভাগ্য’, এবং হাল আমলের জনপ্রিয় সিরিয়াল ‘হিটলার কল্যাণ’-এ তার অভিনয় দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছিল।

    ২০০৫ সালে তিনি বড় পর্দায় অভিনয়ে আত্মপ্রকাশ করেন। ২০০৭ সালে পুণিত রাজকুমারের ব্লকবাস্টার ছবি ‘মিলানা’-র ভিলেনের চরিত্রে তিনি দারুণ পারফরম্যান্স করে দর্শকদের মনে গেঁথে যান। এরপর ‘ইউ-টার্ণ’, ‘লাভ মকটেল ৩’সহ মোট প্রায় ২৪টির বেশি সিনেমায় তার উপস্থিতি ছিল।

    অভিনেতা ছাড়াও তিনি একজন সফল প্রযোজক। তাঁর প্রযোজনা সংস্থা ‘ডিআর ক্রিয়েশনস’ থেকে বেশ কিছু হিট ধারাবাহিক ও সিনেমা তৈরি হয়েছে।

    অভিনয়, প্রযোজনা এবং থিয়েটার—all ক্ষেত্রেই তার অবদান ছিল কন্নড় চলচ্চিত্র জগতে অতি গুরুত্বপূর্ণ। আজীবন তিনি ‘হিটলার কল্যাণ’ এর নায়ক হিসেবে মানুষের মনে থাকবেন, তার এই অবদানের জন্য তিনি চিরকৃতজ্ঞ থাকবেন অনুরাগীরা।

  • শেফালির মৃত্যু কি ছিল বয়স কমানোর ইনজেকশন? স্বামী খোলসা করলেন

    শেফালির মৃত্যু কি ছিল বয়স কমানোর ইনজেকশন? স্বামী খোলসা করলেন

    এ অভিনেত্রী শেফালি জারিওয়ালার মৃত্যুর আসল কারণ নিয়ে বেশ আলোচনা ও গুঞ্জন চলছিল। বিশেষ করে বলা হচ্ছিল, তিনি বয়স কমানোর জন্য ইনজেকশন নিতেন, যা সম্ভবত তার মৃত্যুর কারণ হয়েছে। তবে এই কথা অনেকদিন গোপন থাকলেও, সম্প্রতি শেফালির স্বামী পরাগ ত্যাগী এই বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে স্ত্রী শেফালির মৃত্যুর ঘটনা তুলে ধরে পরাগ বলেন, এই বিষয়টি ঠিক নয়। তিনি জানান, তারা সব খাবারই গ্রহণ করতেন। শেফালি মারা যাওয়ার আগের দিনও তারা চাইনিজ খান। মানে, তারা না খেলে থাকতে পারেন না, উল্টো বেশ ফিট ছিলেন। তিনি বলেন, ‘বয়স ধরে রাখার জন্য কোনও ইনজেকশনই আমি দেখেছি বা শুনেছি না। যদি কোনও ইনজেকশন সত্যিই থাকত, তাহলে রতন টাটা আজও জীবিত থাকতেন।’ এটি প্রমাণ করে, এই গুজবকে উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি।

    পরাগ আরও বলেন, ‘অন্য গুঞ্জন ও অপ্রমাণ নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা উচিত নয়। আমাদের সবাইকেই মিলেমিশে পথ চলতে হবে।’

    উল্লেখ্য, শেফালি গত বছর মারা যান। মৃত্যুর দিন তিনি খালি পেটে ছিলেন। জানা গেছে, গেরুয়া পূজার জন্য তিনি ওই দিন সকাল থেকে উপোস করেছিলেন, এরপর শেষের দিকে সামান্য কিছু খেয়েছিলেন। তবে ক্লান্ত শরীরে বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগ পাননি। ওই রাতে সাড়ে দশটার দিকে তিনি জ্ঞান হারান। দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলেও, কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, হাসপাতালে পৌঁছানোর আগে তিনি মারা যান।

    শেফালি শোবিজে ক্যারিয়ার শুরু করেন মডেলিং দিয়ে। তিনি প্রায় ৩৫টির বেশি মিউজিক ভিডিওতে কাজ করেছেন। বলিউডে তার প্রথম দিকের প্রবেশ হয় ২০০৪ সালে, ‘মুঝসে শাদি করোগে’ সিনেমায় ক্যামিও চরিত্রে অভিনয় করেন।

    ব্যক্তিগত জীবনে তার বেশ কিছু প্রেমের সম্পর্কের গুঞ্জনও ছিল। ২০০২ সালে তিনি একটি সংসারে জড়িয়ে যান, কিন্তু মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে সেই সম্পর্কও শেষ করেন। এরপর ২০১৪ সালে তিনি পরাগ ত্যাগীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। দুজনে ‘বিগ বস ১৩’-এ একসঙ্গে প্রতিযোগিতা করেছিলেন, যা তাদের সম্পর্কের জন্য বেশ সুখকর ছিল।

  • বাংলাদেশের বিপক্ষে হ্যাটট্রিকসহ ইতিহাসের প্রথম টেস্ট জয় পাকিস্তানের বিরুদ্ধে

    বাংলাদেশের বিপক্ষে হ্যাটট্রিকসহ ইতিহাসের প্রথম টেস্ট জয় পাকিস্তানের বিরুদ্ধে

    পাকিস্তানের বিরুদ্ধে টানা ২০ বছর পর বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট জয় অর্জিত হলো মিরপুরে। খেলা শেষে পাকিস্তানকে ১০৪ রানের বড় জয় দিয়ে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ। চতুর্থ দিনের খেলায়, সান মারুফের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ের জন্য পাকিস্তানি ব্যাটারদের মাইন্ড গেম খেলার চেষ্টা করেছিলেন, যেখানে তারা ৭০ ওভারে ২৬০ রানের লক্ষ্য বেঁধে দেন। বাংলাদেশ তা তাড়া করতে সক্ষম হবে বলে বাংলাদেশের স্বাগতিক অধিনায়ক নাজমুল হাসান শান্ত মনে করছিলেন না, ঠিক তখনই তিনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়লেন। তবে, পাকিস্তানের এই চ্যালেঞ্জের জবাব দিতে আগে থেকেই প্রস্তুত ছিলেন বাংলাদেশি ক্রিকেটাররা। লাঞ্চের কয়েক মিনিট আগে, শান্ত ইনিংস ঘোষণা করেন, কারণ নাহিদ রানা আউট না হলে আরও সময় থাকতে পারতেন। তখন বাংলাদেশের লিড ছিল ২৬৭ রান। সালমান আগা বাংলাদেশের এই সাহসী সিদ্ধান্তের পর নিজেদের মানসিকতা বদলে দ্রুত ইনিংস ঘোষণা করেন। খেলায় সালমানের প্রত্যাশা ছিল, দল তা সফলভাবে পুরণ করবে। তবে নিজে এই চ্যালেঞ্জের আওতায় আসতে পারেননি, কারণ তিনি ২৬ রানেই আউট হন। তার সঙ্গী ছিলেন আব্দুল্লাহ ফজল, যিনি হাফ সেঞ্চুরি করেন। পাকিস্তানের ব্যাটসম্যানরা শেষ পর্যন্ত দুই সেশনে জয় না হাসিল করতে পারলেও, শেষ বিকেলে ড্রয়ের জন্য লড়েছেন। তবে, ম্যাচের মোড় ঘুরে যায় বাংলাদেশি বলরানে। নাহিদ রানা তাদের ১৬৩ রানে অলআউট করে দেন। তার অসাধারণ স্পেল, যেখানে তিনি মাত্র ৪০ রান খরচ করে ৫ উইকেট নেন, বাংলাদেশের বড় জয়কে নিশ্চিত করে। এই জয়ে বাংলাদেশ সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। এর আগে, পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম টেস্টের চতুর্থ দিনে, বাংলাদেশ ৩ উইকেটে ১৫২ রান করে দ্বিতীয় ইনিংস শেষ করে। এই সময়ে তাদের কাছে ৭ উইকেট ছিল, আর তারা এগিয়ে ছিল ১৭৯ রানে। অধিনায়ক শান্ত ৫৮ এবং মুশফিকুর রহিম ১৬ রানে অপরাজিত থাকেন। শেষ দিনগুলিতে তারা আরও রান যোগ করেন, শান্ত ৮৭, মুশফিক ২২, লিটন দাস ১১, মেহেদি হাসান মিরাজ ২৪, তাইজুল ইসলাম ৩ এবং তাসকিন আহমেদ ১১ রানে আউট হন। অন্যদিকে, পাকিস্তান প্রথম ইনিংসে ৩৮৬ রান তোলে, যেখানে আজান আওয়াইসের শতক ছিল একমাত্র সাহস। বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসের ব্যাটিংয়ে, শান্তর সেঞ্চুরির পাশাপাশি মুমিনুল ও মুশফিকের ফিফটিতে ৪১৩ রান করে। এর বাইরে, পাকিস্তানের ব্যাটসম্যানরা প্রাথমিকভাবে আত্মবিশ্বাস দেখিয়েছিলেন, তবে বাংলাদেশি বোলাররা ধাপে ধাপে তাদের পতন নিশ্চিত করেন। নাহিদ রানা ৪০ রানে ৫ উইকেট, তাসকিন ও তাইজুল ২টি করে উইকেট নিয়ে সফল হন। এই ম্যাচে বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল ফিল্ডিং ও বলের দিক থেকে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স, যা সিরিজের ফলাফল পাল্টে দেয়। বাংলাদেশের এই শতবর্ষে প্রথমবারের মতো পাকিস্তানের মাটিতে জয় অর্জিত হয়, যা দারুণ এক ইতিহাস গড়ল দেশের ক্রিকেটের জন্য।

  • পাকি ক্রিকেটের ধুলি-মিশে যাচ্ছে দিক, বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে তরতরিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ

    পাকি ক্রিকেটের ধুলি-মিশে যাচ্ছে দিক, বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে তরতরিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ

    পাকিস্তান ক্রিকেট দল পুনরায় নির্ধারিত পথ থেকে সরে আসছে বলে মনে হয়, কারণ ক্রমাগত ব্যর্থতার মুখোমুখি হয়ে তারা এখন প্রায় ধুলোয় মিশে যাচ্ছে। চলতি বছর ফেব্রুয়ারি-মার্চে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সেমিফাইনাল পৌঁছানোর দৌড়ে এগিয়ে গেলেও, পরবর্তীতে তাদের পারফরম্যান্স প্রমাণ করে, তারা কিছুই হয়নি। বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে খেলায় পাকিস্তান দেওয়ালে পিঁড় হয়ে গেছে। বিশেষ করে সামাজিক মাধ্যমে পাকিস্তানের ক্রিকেটপ্রেমীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলছেন, ধীরে ধীরে পাকিস্তানের ক্রিকেটের রঙের মতো সব কিছুই ধুলোর আস্তরণে ঢাকা পড়ছে।

    সাম্প্রতিক ঘটনার পরিমাণে দেখা যায়, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ১৯৯৯ বিশ্বকাপে জেতার পর ১৬ বছর তারা আর কোনো ম্যাচ জিততে পারেনি। তবে ২০১৫ সাল থেকে পরিস্থিতি পাল্টে গেছে। এখন বাংলাদেশের সঙ্গেও লড়াইয়ে সমান সমানে তাদের মোকাবেলা করছে পাকিস্তান। মার্চে ওয়ানডে সিরিজ হারার পর গতকাল মিরপুরে সিরিজের প্রথম টেস্টে বাংলাদেশ তাঁকে ১০৪ রানে হারিয়েছে। এই জয়ে বাংলাদেশি ক্রিকেটার নাজমুল হোসেন শান্ত, মুমিনুল হক, নাহিদ রানাদের প্রশংসা করেছেন শেহজাদ। একইসঙ্গে পাকিস্তানের সাবেক ওপেনার মাসুদ ও রিজওয়ানদেরও সমালোচনা করেন তিনি।

    শেহজাদ উল্লেখ করেন, জিম্বাবুয়ে আর বাংলাদেশে পাকিস্তানের ক্রিকেটের অবস্থা কেমন, সেটাও স্পষ্ট হয়েছে। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ নিজেদের মাঠে পুরো পাঁচ দিন আধিপত্য বিস্তার করে খেলে। শেষ পর্যন্ত ম্যাচ জিতেছে তারা। কখনো জিম্বাবুয়ের কাছে, কখনো বাংলাদেশের কাছে হারতে থাকছে পাকিস্তান। ধুলোয় মিশে যাচ্ছে পাকিস্তানের ক্রিকেট।’

    মিরপুরে এই জয়ে বাংলাদেশ এখন তিনটি সংস্করণ—টেস্ট, ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টিতে—ই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে জয়ের কীর্তি গড়েছে। আবার, তারা এই প্রথম টেস্টে হ্যাটট্রিক জিতেছে। এর শুরু হয় ২০২৪ সালে, যখন পাকিস্তানকে তাদের মাঠে ২-০ ব্যবধানে ধবলধোলাই করেছিল বাংলাদেশ।

    শেহজাদ আরও বলেন, ‘পাকিস্তানের আধুনিক ইতিহাস দেখলে বোঝা যায়, গত দুই বছরে তাদের কোনও উন্নতি হয়নি। ১০৪ রানে হারের পর তিনি বলেন, ‘২০২৪ সালে বাংলাদেশ যেভাবে আমাদের টেস্ট সিরিজে ধবলধোলাই করেছিল, সেটা কোনও ফ্লুক ছিল না। তারা বলেছিল, ভাগ্যের জোরে জিতেছে। পরে ওয়ানডে সিরিজেও তারা হারিয়ে দিল। এখন দেখা যাচ্ছে, পাকিস্তানের আর কিছু করার ক্ষমতা নেই।’

    2022 সালে জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে হারলেও পাকিস্তান তবুও ফাইনালে উঠেছিল। সেই বিশ্বকাপে তারা রানার্সআপ হয়েছিল, ইংল্যান্ডের কাছে হেরে। পরে, অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে সুপার ওভারে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে হারিয়ে প্রথম রাউন্ড থেকেই বিদায় নেয়। একইভাবে, ২০২৩ ও ২০২৫ সালে সম্ভবত বিশ্বকাপ ও চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতেও পাকিস্তান দুর্দশার মুখে। শেহজাদ মন্তব্য করেন, ‘ওরা এখনও বিশ্বকাপে প্রথম রাউন্ড থেকে বিদায় নিচ্ছে। এটা যেন একটা অভ্যাস হয়ে গেছে।’

    বাংলাদেশের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে নতুন অভিষেকে সেঞ্চুরি করেন আজান আওয়াইস, অন্যদিকে অভিষিক্ত আব্দুল্লাহ ফজল দুটি ইনিংসেই ফিফটি করেন। তবে, অধিনায়ক শান মাসুদ দুই ইনিংস মিলিয়ে ৯ রান করেন, যা দলের জন্য দুঃখজনক। সালমান আলী আঘা ও রিজওয়ান প্রথম ইনিংসে ফিফটি করলেও দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যর্থ হন। সহ-অধিনায়ক সৌদ শাকিলও পরাস্ত।

    প্রশাসনিকভাবে, এই হার নিয়ে চুপ থাকেননি শেহজাদ। তিনি বলেন, ‘আজান আওয়াইস সেঞ্চুরি করেছেন, আব্দুল্লাহ ফজল ভালো খেলেছেন। কিন্তু অন্য অভিষিক্তরা ভালPerform করলেও রিজওয়ান ও শাকিলের অবদান খুবই কম। তাদের মধ্যে লজ্জা থাকা উচিত, কারণ ক্রিকেটকে কোথায় নিয়ে গিয়েছেন? পাকিস্তান ক্রিকেটের অবনতি যেন অব্যাহত রয়েছে। এই হার থেকে শেখা দরকার।’

    অপরদিকে, ২০২৫-২৭ টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে পাকিস্তান এগিয়ে ছিল, বাংলাদেশের আর পিছিয়ে। আজকের এই ১০৪ রানের জয়ের পর বাংলাদেশ পয়েন্ট টেবিলের ছয় নম্বরে পৌঁছে গেছে, যেখানে তাদের সফলতার হার ৪৪.৪৪ শতাংশ। এর বিপরীতে, পাকিস্তান দু ধাপ পিছিয়ে সাত নম্বরে নেমে গেছে, সফলতার হার মাত্র ৩৩.৩৩ শতাংশ। আগামী ১৬ মে সিলেটে দ্বিতীয় টেস্ট শুরু হবে।

  • বিসিবির নির্বাচনের জন্য ৩ সদস্যের নির্বাচন কমিশন গঠন

    বিসিবির নির্বাচনের জন্য ৩ সদস্যের নির্বাচন কমিশন গঠন

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে একটি তিন সদস্যের নির্বাচন কমিশন গঠন করেছে। এই কমিশনের নেতৃত্বে থাকবেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম, যিনি প্রধান নির্বাচনী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া, আরো দুইজন কমিশনার হলেন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ইসরাইল হাওলাদার এবং এনএসসি’র পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের উপসচিব এ.বি.এম. এহসানুল মামুন। এই তিনজন নিয়মের কাঠামো অনুসারে বিসিবির নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা ও তদারকি করবেন।

  • নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে বার্ষিক ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

    নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে বার্ষিক ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

    খুলনা নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে দুই দিনব্যাপী বার্ষিক ক্রিকেট টুর্নামেন্ট-২০২৬ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকাল ১০টায় নগরীর মংলা পোর্ট কলোনি মাঠে এই উৎসবমুখর খেলার উদ্বোধন করা হয়। প্রফুল্ল পরিবেশে বেলুন ফেস্টুন উড়িয়ে এবং কবুতর উড়িয়ে এই বিশেষ অনুষ্ঠানের সূচনা করেন নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির ভারপ্রাপ্ত ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর কানাই লাল সরকার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিনরা, যেমন ড. মোঃ ইমজামাম-উল-হোসেন (বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি), ড. ফারজানা আক্তার (বিজনেস স্টাডিজ), পাশাপাশি অন্য বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছয়টি বিভাগের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এই দুই দিনব্যাপী ক্রিকেট প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।

  • শান্তের ক্যারিয়ার সেরা র‌্যাঙ্কিংয়ে স্থান, মুমিনুল-নাহিদের উন্নতি

    শান্তের ক্যারিয়ার সেরা র‌্যাঙ্কিংয়ে স্থান, মুমিনুল-নাহিদের উন্নতি

    পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে ব্যাট হাতে অসাধারণ পারফরম্যান্সে উজ্জ্বল ছিলেন বাংলাদেশের তারকা बल्लेबাজ নাজমুল হোসেন শান্ত। দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ের জন্য তিনি ম্যাচসেরার পুরস্কারও লাভ করেন। এই অসাধারণ পারফরম্যান্সের ফলে আইসিসির টেস্ট ব্যাটারদের র‌্যাঙ্কিংয়ে তার অবস্থান নাটকীয়ভাবে উন্নতি লাভ করে। ক্যারিয়ারসেরা ২৩ নম্বর অবস্থানে স্থান করে নিয়েছেন বাঁহাতি এই ব্যাটার।

    শেষ বিকেলে নাহিদ রানা তাঁর রকমারি বোলিংয়ে প্রথম টেস্টে পাকিস্তানকে হারাতে সহযোগিতা করেন বাংলাদেশের। এই জয়ে মুখ্য অবদান রেখেছেন শান্ত। প্রথম ইনিংসে মাহমুদুল হাসান জয় ও সাদমান ইসলামকে আউট করার পর, চাপের মধ্যে থাকা দল যখন ব্যাটিংয়ে নামে তখন শান্ত কৌশলীভাবে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়েন। দারুণ ব্যাটিংয়ে প্রথম ইনিংসে তিনি করেন ১০১ রানের দুর্দান্ত ইনিংস। বাংলাদেশের হয়ে শান্তর এটি নবম টেস্ট সেঞ্চুরি।

    দ্বিতীয় ইনিংসেও আরও একশ রান করার সুযোগ ছিল বাংলাদেশ অধিনায়কের সামনে, তবে নোমান আলীর বলের রিভার্স সুইপ করা সৌভাগ্যবান ছিলেন না তিনি। সেটি করে তিনি ফিরতে হয় ৮৭ রানে। দুই ইনিংস মিলিয়ে ১৮৮ রান করে, ঢাকা টেস্টের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার পান শান্ত। এই চমৎকার পারফরম্যান্সের ফলে আইসিসির টেস্ট ব্যাটারদের র‌্যাঙ্কিংয়ে তিনি ১৬টি ধাপ এগিয়ে ২৩ নম্বরে পৌঁছেন। তাঁর রেটিং পয়েন্ট ৬৪৯।

    বাংলাদেশের ব্যাটারদের মধ্যে এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছেন শান্ত। তাঁর সঙ্গী পাকিস্তানের তারকা ব্যাটার বাবর আজম। মুশফিকুর রহিমও দারুণ খেলেছেন, প্রথম ইনিংসে ৭১ এবং দ্বিতীয় ইনিংসে ২২ রান করে। দুই ধাপে এগিয়ে তিনি এখন ২৬ নম্বরে এসেছেন। অন্যদিকে, মুমিনুল হক দারুণ ব্যাট করেছেন, প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরির সুযোগ থাকলেও তিনি ৯১ রানে আউট হন। দ্বিতীয় ইনিংসে তিনি করেন ৫৬ রান। এর ফলে তিনি ১২ ধাপ এগিয়ে ৩৫ নম্বরে অবস্থান করছেন। তাঁর সাথে রয়েছেন ইংল্যান্ডের ব্যাটার ওলি পোপ। তবে ব্যাটিংয়ে ধারাবাহিকতা দেখাতে না পারায়, সাদমান ৪ ধাপ পিছিয়ে, মেহেদী হাসান মিরাজ এক ধাপ এবং মাহমুদুল জয় ৬ ধাপ পিছিয়ে গেছেন।

    সিরিজের প্রথম টেস্টে দুই ইনিংস মিলে ৪ উইকেট নিয়ে তিনি ছিলেন অন্যতম সফল বোলার। এই বরেণ্য স্পিনারের রেটিং পয়েন্টে ৩ ধাপ অগ্রগতি হয়েছে। এখন তিনি ১৩ নম্বরে অবস্থান করছেন। প্রথম ইনিংসে কিছুটা অসফল হলেও, দ্বিতীয় ইনিংসে ৫ উইকেট তুলে নেন নাহিদ। দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের জন্য তিনি ৫ ধাপ এগিয়ে ৬৩ নম্বরে উঠে এসেছেন। অন্যদিকে, মিরাজ ও তাসকিন আহমেদ তাদের অবস্থানে রয়েছেন, তবে হাসান মুরাদ এবং নাঈম হাসান কিছুটা পেছনে গেছেন।