সদ্য বিদায়ী এপ্রিল মাসে দেশে এসেছে ৩১২ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান। তিনি বলেন, এ হিসেবে প্রতিদিন গড়ে দেশে পাঠানো হয়েছে প্রায় ১০ কোটি ৪২ লাখ ডলার।
একই সময়ে গত বছরের এপ্রিলে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৭৫ কোটি ২০ লাখ ডলার, তাই বছর ব্যবধানে এ প্রবাহে বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত প্রবাসীদের পাঠানো মোট রেমিট্যান্স ছিল ২ হাজার ৯৩৩ কোটি ২০ লাখ ডলার, যা বছর ব্যবধারে বেড়েছে ১৯ দশমিক ৫০ শতাংশ।
এর আগে মার্চে দেশে রেকর্ড সংখ্যক ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা কোনো এক মাসে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। ফেব্রুয়ারি ও জানুয়ারি মাসে যথাক্রমে এসেছে ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার ও ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার ডলার।
ডিসেম্বরে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার, নভেম্বরে ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ২০ হাজার ডলার। গত অক্টোবর ও সেপ্টেম্বরে রেমিট্যান্স ছিল যথাক্রমে ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ৮০ হাজার ও ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার ডলার। এছাড়া আগস্ট ও জুলাইয়ে রেমিট্যান্স এসেছে যথাক্রমে ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার ও ২৪৭ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার।
মোটের দিক থেকে দেখা যায়, গণ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রবাসীরা মোট ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন, যা কোনো নির্দিষ্ট অর্থবছরে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয় হিসেবে রেকর্ড হয়েছে। রেমিট্যান্স বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে এবং বহু পরিবারের আয়-রোজগারে সরাসরি প্রভাব ফেলে।
