Blog

  • নিউজিল্যান্ড সিরিজে সাকিবের প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনা

    নিউজিল্যান্ড সিরিজে সাকিবের প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনা

    বিকেএসপির চিহ্নিত কোচ নাজমুল আবেদীন ফাহিম, যিনি দীর্ঘ זמן ধরে সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, সৌম্য সরকার ও নাসির হোসেনদের মতো খেলোয়াড় গড়ে তুলেছেন, এবার সাকিবের জাতীয় দলে ফেরার সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলেছেন।

    বিগত দিনের দায়িত্বরত বিসিবি পরিচালক ও ক্রিকেট অপারেশনস বিভাগের প্রধান ফাহিম বলেন, সাকিবকে ঘিরে চলছে যে আইনগত প্রক্রিয়াগুলো, তা দ্রুত এগোচ্ছে এবং পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে খুব শিগগিরই তাকে দেশে ফিরে দেখা যেতে পারে।

    ফাহিম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘প্রথম কথা হচ্ছে সাকিবের ফেরত আসা। এখন সাকিবকে নিয়ে যে আইনগত বিষয়গুলো চলছে, সেগুলো বেশ দ্রুততার সঙ্গে পরিচালিত হচ্ছে, আমি যতটুকু জানি। সেই পরিপ্রেক্ষিতেই আমার ধারণা, সামনে হয়ত আমরা দেখব সাকিবকে দেশে ফিরে আসতে।’

    তিনি আরও যোগ করেন, ফিরলে ঠিক কোন ফরম্যাটে খেলবে বা কতটুকু খেলবে—এগুলোর সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে নির্বাচক, টিম ম্যানেজমেন্ট, ক্রিকেট বোর্ড এবং সাকিব নিজস্ব মতামতের সমন্বয়ে। ‘সব মিলিয়ে যে সিদ্ধান্ত নিতে হবে, সেখানে বটম লাইন হচ্ছে দলের স্বার্থ—দলই সবার আগে,’ ফাহিম বলেন।

    নিউজিল্যান্ড সিরিজে সাকিবের সুযোগের বিষয়ে ফাহিম আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘আমি আশা করি এই সময়ের মধ্যে সে ফেরত আসতে পারবে। আমি চাই সে ফিরলে দলের জন্য ভ্যালু অ্যাড করুক। অবশ্যই সুযোগও পাবে।’

    ফাহিমের এসব মন্তব্যে জাতীয় দলে সাকিবের প্রত্যাবর্তন নিয়ে নতুন করে আলোচনা তীব্র হয়েছে এবং ক্রিকেট팬রা আগ্রহের সঙ্গে অপেক্ষা করছে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

  • অরিজিতের পর: শ্রেয়া ঘোষালও প্লেব্যাক থেকে বিরতির ইঙ্গিত

    অরিজিতের পর: শ্রেয়া ঘোষালও প্লেব্যাক থেকে বিরতির ইঙ্গিত

    বছরের শুরুতে প্লেব্যাক থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে অবসর ঘোষণা করে সবকিছু কেঁপে উঠেছিল জনপ্রিয় গায়ক অরিজিত সিং-এর কাছে। এবার একই পথে হাঁটার ইঙ্গিত দিয়েছেন নজরকাড়া কণ্ঠশিল্পী শ্রেয়া ঘোষালও। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য জানা গেছে।

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে শ্রেয়া জানান, তিনি ভাবছেন গান থেকে কিছু সময়ের জন্য বিরতি নেওয়ার কথা—কারণ বর্তমানে তিনি যথেষ্ট ক্লান্ত বোধ করছেন। গানের জগতের পরিবর্তিত ধাঁচ ও নতুন প্রবণতার সঙ্গে মানিয়ে চলা সব সময় খুশির বিষয় নয় বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। বিশেষ করে লাইভ কনসার্টে লিপ-সিঙ্ক বা যান্ত্রিক ভাবে গান শোনানোর প্রবণতাকে তিনি মেনে নেন না।

    শ্রেয়া বলেন, “যেদিন আমাকে মঞ্চে দাঁড়িয়ে লিপ-সিঙ্ক করে গান গাইতে হবে, সেদিনই আমি গান গাওয়া ছেড়ে দেব।” এদিকে অল্পের জন্য হলেও মাঝে মাঝে নিজেও বিরতি নিতে ইচ্ছুক বলে তিনি যোগ করেন। এই বক্তব্য থেকে বোঝা যায়, জীবন ও শিল্প দুইয়ের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনার প্রয়োজন অনুভব করছেন গ্ল্যামার-মাখা শো পর্বের রুচির বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা এই শিল্পী।

    অরিজিতের সিদ্ধান্তের প্রসঙ্গও আলোচনায় এসেছে—নিজের সোশ্যাল হ্যান্ডেলে অরিজিত লিখেছিলেন, বর্তমানে তিনি আর প্লেব্যাক ভোকালিস্ট হিসেবে নতুন কোনো কাজ গ্রহণ করবেন না এবং শ্রোতাদের দেওয়া ভালোবাসার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছিলেন। শ্রেয়া-র নতুন পর্যবেক্ষণ ও ভাবনায় মূলত পেশাগত সন্তুষ্টি ও শিল্পগত নৈতিকতা বিশেষ ভূমিকা রাখছে বলে মনে হচ্ছে।

    শ্রেয়া ঘোষাল এখনই পুরোপুরি সঙ্গীত ছেড়ে দেবেন না, তবে বিরতি ও কাজের ধরন নিয়ে নিকট ভবিষ্যতে সিদ্ধান্ত বদলে যেতে পারে—এটাই প্রকাশিত সাক্ষাৎকার থেকে পাওয়া সংক্ষিপ্ত কিন্তু শক্ত ইঙ্গিত।

  • অস্কারের মঞ্চে প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার সঙ্গে হাভিয়ের বারদেম: ‘ওয়ার নয়, ফ্রি প্যালেস্টাইন’

    অস্কারের মঞ্চে প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার সঙ্গে হাভিয়ের বারদেম: ‘ওয়ার নয়, ফ্রি প্যালেস্টাইন’

    ৯৮তম অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডসে লস অ্যাঞ্জেলেসের ডলবি থিয়েটারে স্প্যানিশ অভিনেতা হাভিয়ের বারদেম ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি জানান। গত রোববার রাতের অনুষ্ঠানে তিনি মঞ্চ থেকে যুদ্ধবিরোধী ও ফিলিস্তিনপন্থী বার্তা দেন; তার সঙ্গে ছিলেন ভারতীয় অভিনেত্রী প্রিয়াংকা চোপড়া।

    সেরা আন্তর্জাতিক পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের পুরস্কার দেওয়ার জন্য মঞ্চে ওঠার সময় বারদেমের পোশাকে ‘No to War’ (ওয়ার নয়) লেখা একটি পিন দেখা যায়। পুরস্কার ঘোষণা করে তিনি ভাষায় বলেন, “ওয়ারকে না বলুন, ফিলিস্তিনকে মুক্ত করুন।” তার এই বক্তব্যে উপস্থিত দর্শক ও আমন্ত্রিতরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে করতালি দিয়ে সমর্থন জানান। পরে এই বিভাগে নরওয়ের চলচ্চিত্র ‘সেন্টিমেন্টাল ভ্যালু’ বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

    মঞ্চে ওঠার আগেই রেড কার্পেটে বারদেম স্পষ্টভাবে যুদ্ধবিরোধী দৃষ্টি প্রকাশ করেছিলেন; সেখানে তিনি প্যালেস্টাইনের সমর্থনে এবং যুদ্ধবিরোধী বার্তা-bearing প্যাচ লাগানো পোশাকে পোজ দিয়েছেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালক কোনান ও’ব্রায়েন উদ্বোধনী বক্তব্যে বর্তমান বিশ্বব্যাপী অস্থিরতা ও যুদ্ধের প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, সিনেমা কেবল বিনোদন নয়, এটি শৈল্পিক ঐক্য ও আশাবাদের প্রতীক। এ বছর আসরে মোট ৩১টি দেশের সিনেমা ছিল প্রতিনিধিত্বে।

    উল্লেখ্য, ৯৮তম অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডসে পল থমাস অ্যান্ডারসনের ‘ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার’ সর্বোচ্চ ছয়টি বিভাগে পুরস্কার জেতে, যার মধ্যে সেরা চলচ্চিত্র ও সেরা পরিচালকসহ গুরুত্বপূর্ণ ট্রফিগুলো রয়েছে। রায়ান কুগলারের ‘সিনার্স’ চারটি এবং গিয়ের্মো দেল তোরোর ‘ফ্রাঙ্কেনস্টাইন’ তিনটি বিভাগে অস্কার অর্জন করেছে। সেরা অভিনেতার পুরস্কার জিতে নিয়েছেন মাইকেল বি. জর্ডান এবং সেরা অভিনেত্রী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন জেসি বাকলি।

  • সহযোগিতা পেলে রাতদিন পরিশ্রম করে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ব: বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান

    সহযোগিতা পেলে রাতদিন পরিশ্রম করে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ব: বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান

    বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, “এই সরকার সবার সরকার। যারা ভোট দিয়েছেন এবং যারা দেননি—সবাই এই দেশের নাগরিক। আপনারা সহযোগিতা করবেন, আমরা রাতদিন পরিশ্রম করে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলব।”

    সোমবার (১৬ মার্চ) দিনাজপুরের গোর-ই শহীদ মাঠে ইফতারের পূর্বে বক্তব্যে দেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি ও সরকারের উদ্যোগ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। দীর্ঘদিন পর স্মৃতিবিজড়িত নিজের শহরে অনুষ্ঠিত সুধী সমাবেশে আবেগাপ্লুত কণ্ঠে তিনি জনগণের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন।

    নানিবাড়ি এলাকা দেখার সময় শৈশবের স্মৃতিচারণ করে তিনি বারবার দিনাজপুরকে নিজের ‘নানিবাড়ি’ বলে সম্বোধন করেন। ঘাসিপাড়া ও বালুবাড়িতে কাটানো দিনের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, “এই শহরের অলিগলিতে আমার অনেক স্মৃতি আছে; তাই মাটির প্রতি আমার আলাদা টান ও দায়বদ্ধতা রয়েছে।”

    তারেক রহমান জানান, নির্বাচনের পর সরকার গঠনের এক মাসের মধ্যে নির্বাচনি ইশতেহারের বেশ কিছু প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছে। বিশেষত দেশে পানির সংকট মোকাবিলায় সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করার কর্মসূচির কথা তিনি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “ভূগর্ভস্থ পানির স্তর আশঙ্কাজনকভাবে নিচে নেমে যাচ্ছে। আর্সেনিক দূরীকরণসহ পানি সংকট সমাধানে খাল ও নদী খনন করে প্রাকৃতিক পানির আধার তৈরি করা অপরিহার্য।”

    নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার জন্য সরকারের ‘ফ্যামিলি কার্ড’ উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। দেশের ২০ কোটি মানুষের অর্ধেকই নারী—তারা পিছিয়ে গেলে উন্নয়ন সম্ভব নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রতিটি পরিবারের নারী প্রধানের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দিলে তারা সরাসরি রাষ্ট্রীয় সুবিধা ও সম্মাননা পাবে। এই প্রকল্পের পাইলট হিসেবে দিনাজপুর-৬সহ দেশের ১৫ এলাকায় কাজ শুরু হয়েছে এবং প্রায় ৩৬ হাজার মানুষকে এর আওতায় আনা হয়েছে বলে জানান তিনি।

    ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের সামাজিক মর্যাদা ও আর্থিক সহায়তার কথাও তুলে ধরে তিনি বলেন, মসজিদ-মাদরাসার ইমাম, মুয়াজ্জিন ও অন্যান্য ধর্মীয় গুরুদের অনেক সময় মৌলিক চাহিদা মিটে না; তাদের জন্য যে সরকারি সম্মানীর প্রতিশ্রুতি আছে তা বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে।

    কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফ করার সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি। উত্তরবঙ্গের লিচু, আম, আলু ও টমেটোর মতো কৃষিপণ্য সংরক্ষণের জন্য কোল্ড স্টোরেজ স্থাপন এবং কৃষিভিত্তিক শিল্প-কারখানা গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান তিনি। ঈদের পর শিল্পমালিকদের সঙ্গে বসে বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

    বক্তৃতার শেষভাগে তিনি দেশবাসীর কাছে ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানান। গত দেড়-দু’বছরে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন না হলেও সমস্যাগুলো একেবারেই অল্প সময়ে সমাধান করা সম্ভব নয় বলে উল্লেখ করে তিনি পুনরায় সবাইকে সহযোগিতার জন্য বলেন, “এই সরকার সবার সরকার—আপনাদের সহযোগিতা থাকলে আমরা রাতদিন পরিশ্রম করে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলব।”

    ইফতারের আগে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় মোনাজাত করা হয়। ইফতারের মঞ্চে ওঠার আগে ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসন ও বিকল্প কর্মসংস্থান কর্মসূচির আওতায় ২০টি ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল বিতরণ করেন তিনি।

    অনুষ্ঠানে দিনাজপুর জেলা বিএনপি সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন দুলালের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক বখতিয়ার আহমেদ কচির পরিচালনায় আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নারী ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এজেএম জাহিদ হোসেন, সংসদ সদস্য জাহাঙ্গীর আলম, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি আবদুল হালিম, দিনাজপুর চেম্বার অ্যান্ড কর্মাসের সভাপতি আবু বকর সিদ্দিক, জেলা জমিয়তে ইসলামীর সভাপতি মতিউর রহমান কাশেমী ও জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলাম।

  • নির্বাচনে নারী প্রার্থীর অপ্রতুল উপস্থিতি হতাশাজনক: ইসি আব্দুর রহমানেল মাছউদ

    নির্বাচনে নারী প্রার্থীর অপ্রতুল উপস্থিতি হতাশাজনক: ইসি আব্দুর রহমানেল মাছউদ

    জোট জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারী ভোটারদের উপস্থিতি ও নারী কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ সন্তোষজনক হলেও প্রার্থী হিসেবে নারীর সংখ্যাকে তিনি হতাশাজনক বলে আখ্যা দিয়েছেন জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আব্দুর রহমানেল মাছউদ।

    সোমবার (১৬ মার্চ) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের অডিটরিয়ামে নারী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

    মাছউদ বলেন, গত নির্বাচনে দেখা গেছে নারী ভোটাররা ফলাফল নির্ধারণে বড় ভূমিকা রেখেছেন। এমনকি যেসব এলাকায় আগে নারীরা ভোট দিতে যেতেন না, সেখানেও এবার ব্যাপক উপস্থিতি ছিল। তবু প্রার্থী তালিকায় নারীর অংশগ্রহণ অত্যন্ত কম রয়েছে — মাত্র ০.৪ শতাংশ (কিছু রিপোর্টে ৪ শতাংশ দেখানো হলেও) — যা কোনোভাবে আশানুরূপ নয় এবং হতাশাজনক বলে তিনি মন্তব্য করেন।

    তিনি আরপিওর কথা উল্লেখ করে বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর নিবন্ধনের শর্তে ২০৩০ সালের মধ্যে দলের সব পর্যায়ের কমিটিতে অন্তত ৩৩ শতাংশ নারী সদস্য রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আরপিওর ৯০ (বি), (সি) ও (জি) ধারা অনুযায়ী দলগুলোকে এই লক্ষ্যমাত্রা পূরণে যে অগ্রগতি হচ্ছে, তা কমিশনকে নিয়মিত জানাতে হবে। যদি কোনো দল শর্ত মেনে না চলে, তবে কমিশন তাদের নিবন্ধন বাতিল করার ক্ষমতা রাখে। যেহেতু লক্ষ্য পূরণের জন্য ২০৩০ সাল পর্যন্ত সময় রয়েছে, তাই এখনই নিবন্ধন বাতিল করা হচ্ছে না; তবে সময়সীমা পার হলে নিয়ম মোতাবেক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    সংসদীয় নির্বাচন শেষ হওয়ায় এখন সামনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আগানোয় তিনি বলেন, স্থানীয় স্তরেও নারীদের সরাসরি মনোনয়ন বাড়ানো জরুরি — কেবল সংরক্ষিত আসনেই আটকে না রেখে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বেশি নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। নারী নেতৃত্ব গঠনে যারা কাজ করছেন, তারা সাধারণ নারীদের আরও উৎসাহিত ও প্রস্তুত করার দায়িত্ব নেবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

    মাছউদের কথায়, নির্বাচন প্রক্রিয়ায় নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে রাজনৈতিক দল, সচেতন সংগঠন ও সমাজের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে যৌথভাবে কাজ করে সাধারণ নারীকে নেতা হিসেবে এগিয়ে আসার সুযোগ দিতে হবে।

  • মীর স্নিগ্ধের পরামর্শ: এনসিপিকে এখনই ১১ দলীয় জোট ছাড়তে হবে

    মীর স্নিগ্ধের পরামর্শ: এনসিপিকে এখনই ১১ দলীয় জোট ছাড়তে হবে

    জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এখনই ১১ দলীয় নির্বাচনী জোট থেকে বেরিয়ে আসা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন জুলাই অভিযানের শহীদ মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধের ছোট ভাই মীর স্নিগ্ধ। শনিবার রাতে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই পরামর্শ জানিয়েছেন।

    পোস্টে মীর স্নিগ্ধ লিখেছেন, ‘সামান্তা শারমিনের মতো আমিও মনে করি, এনসিপির এখনই জোট থেকে বেরিয়ে আসা উচিত। কারণটা খুবই সহজ — এনসিপি যদি নিজেকে বড় দল হিসেবে না দেখে, তাহলে অন্য কেউ তাকে বড় করে তুলবে না।’

    তিনি আরও বলেন যে এনসিপিকে নিজেদের আদর্শ, রাজনৈতিক অবস্থান এবং মানকে দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এর ফলে সাময়িকভাবে কিছু সমস্যা হতে পারে, তবে দীর্ঘমেয়াদে সেটাই গুরুত্বপূর্ণ। মীর স্নিগ্ধ নির্দেশ করেন, ‘এই দেশের তরুণরা পুরোনো ধাঁচের প্রচলিত রাজনীতিতে ক্লান্ত; তারা এনসিপিকে একটি স্বতন্ত্র রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে দেখতে চায়।’

    মীর স্নিগ্ধের বক্তব্যে বলা হয়েছে, এখনই জোট ত্যাগ না করলে ধীরে ধীরে মানুষের মনে ধরা পড়বে যে এনসিপির কোনো স্বতন্ত্রতা নেই এবং একসময় তা স্থায়ী ধারণায় পরিণত হবে। তিনি অঙ্গীকার করেন যে যদি এনসিপি এখনই স্বতন্ত্রভাবে দাঁড়ায়, তখন অনেকে — যারা হয়ত এখন চোখে নেই — শক্তিশালী ও প্রতিভাবান নেতৃত্ব নিয়ে আসতে আগ্রহী। তাই সময়টা এখনই, এমনটাই তার দৃঢ় মতামত।

  • জামায়াত-এনসিপি নিয়ে মনিরুল হকের প্রশ্ন

    জামায়াত-এনসিপি নিয়ে মনিরুল হকের প্রশ্ন

    জাতীয় সংসদে জামায়াত ও এনসিপি নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিএনপির সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী তীব্র মন্তব্য করেছেন। রোববার রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।

    সংসদে দাঁড়িয়ে মনিরুল হক বলেন, স্বাধীনতার পরও একটি মেধাবী শ্রেণি এসেছিল যারা জাসদ গঠন করেছিল। ‘‘বাড়াবাড়ি করতে করতে দেশ ও জাতিকে ক্ষতি করা হলো, তারা নিজেও শেষ পর্যন্ত আর রইলো না। আমাদের যেন সবকিছু হজম করার তৌফিক দিয়ে।’’

    তিনি বেগম খালেদা জিয়ার ভূমিকা স্মরণ করে বলেন, ১৯৯১ সালের সংসদে তিনি দেশনেত্রী খালেদার নেতৃত্বে তাদের সঙ্গে কাজ করেছেন। খালেদা জিয়া অনেক বিরোধ উপেক্ষা করে জাতি-দেশের স্বার্থে জামায়াতের সঙ্গে কাজ করেছেন—এই অবদানটুকু অন্তত স্মরণ করা উচিত বলে তিনি দাবি করেন। তিনি বলেন, ‘‘আপনারা যখন প্রশ্ন তোলেন, মনে হয় এ দেশে ১৫–২০ বছর বিএনপি ছিলই না। ইতিহাস ও রাজনৈতিক বিবেচনা থেকে এমন অনেক বিষয় ভাবা দরকার।’’

    মনিরুল হক আরও বলেন, সংসদে দাঁড়িয়ে কখনো কখনো তিনি ভেবেছেন কী ভাষায় কথা বলবেন—আগে যাদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে কথা বলা হতো তাদের চিনতাম, কিন্তু আজকের বিরোধীদের অনেককেই তিনি চিনতে পারছেন না। তিনি তরিক রহমানের কথাও তুলে আনেন—‘‘কঠিন নির্বাচন’’—যা সেই সময় অনেকে বুঝতে পারেননি, পরে তাদের ধারণা হলো নির্বাচন কত কঠিন ছিল।

    তিনি বৃহস্পতিবার আরো মন্তব্য করে বলেন, এত সদস্য নিয়ে সংসদে আসার পর যে দলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা উচিত ছিল, তা যদি কেউ মনে করে তা হলো জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ। তবুও আজ আমাদের সম্পর্কে নানা প্রশ্ন উঠছে—কয়েকজন জীবিত মুক্তিযোদ্ধার ওপর প্রশ্ন করা হচ্ছে, মুক্তিযুদ্ধকে অন্য কোনো ঘটনাও একই কাতারে ধরা হচ্ছে কি না—এই ধরনের আশঙ্কা ছড়াচ্ছে। তিনি বলেন, ‘‘ফ্যাসিস্টদের শাসনামলে বিচার নামে যদি অন্যায় হয়ে থাকে, সে কথা আলাদা।’’

    শেষে মনিরুল হক বলেন, সংসদে এই বিষয়গুলো উত্থাপন রেখে তিনি জামায়াতকে একটি কথা জানাতে চান: স্বাধীনতার পর এনসিপির মত নতুন নেতৃত্বে যারা আছে তাদের বয়স কম হলেও তিনি তাদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তিনি তাদের ‘সাহসী সন্তান’ হিসেবে মন্তব্য করে বলেন, বর্তমান যুগের চাহিদা অনুযায়ী কিছু নতুন শক্তির দরকার আছে।

  • দুদক তদন্তে চট্টগ্রাম-মোংলা বন্দর ও শিপিং করপোরেশনের প্রকল্পে অনিয়ম

    দুদক তদন্তে চট্টগ্রাম-মোংলা বন্দর ও শিপিং করপোরেশনের প্রকল্পে অনিয়ম

    দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) চট্টগ্রাম বন্দর, মোংলা বন্দর এবং বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের বিভিন্ন প্রকল্পে দুর্নীতি ও নিয়োগভিত্তিক অনিয়মের অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু করেছে। এই বিষয়ে চারটি অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং উপ-পরিচালক নাজমুচ্ছায়াদাতকে এসব কমিটির প্রধান করা হয়েছে। রোববার (১৫ মার্চ) দুদক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

    দুদকের প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের বর্তমান চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে একাধিক আর্থিক কেলেঙ্কারির আভাস পাওয়া গেছে। বিশেষ করে তিনি শিপিং করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক থাকাকালে নেওয়া একটি জাহাজ ক্রয়ের সিদ্ধান্তে অনিয়মের অভিযোগ আছে — ২ হাজার ৪৮৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ৬টি জাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত মাত্র ৪টি জাহাজ কেনা হয়; ফলে প্রকল্পে প্রায় ৪৮৬ কোটি টাকার অসঙ্গতি দেখা গেছে।

    আরেকটি অভিযোগ মোংলা বন্দরের পশুর চ্যানেল সংরক্ষণ ড্রেজিং প্রকল্পে। এই প্রকল্পের জন্য ১ হাজার ৫৩৮ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়; দুদক জানিয়েছে সেখানে বড় ধরনের অনিয়মের আশঙ্কা রয়েছে।

    দুদকের অনুসন্ধানকারী দল সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো থেকে প্রয়োজনীয় নথি-প্রমাণ তলব করেছে এবং অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখতে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তদন্তের পর বিস্তারিত তথ্য ও পরবর্তী কর্মপন্থা সম্পর্কে দুদক থেকে আরও জানানো হবে।

  • ক্রেডিট কার্ডের নতুন গাইডলাইন: ঋণসীমা বেড়ে ৪০ লাখ, ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ জোরদার

    ক্রেডিট কার্ডের নতুন গাইডলাইন: ঋণসীমা বেড়ে ৪০ লাখ, ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ জোরদার

    বাংলাদেশ ব্যাংক ক্রেডিট কার্ড পরিচালনা কার্যক্রমকে আরও সুশৃঙ্খল, স্বচ্ছ ও গ্রাহকবান্ধব করতে নতুন গাইডলাইন জারি করেছে। রোববার এ তথ্য নিশ্চিত করে ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান জানান, গাইডলাইনে ক্রেডিট কার্ডের ঋণসীমা বৃদ্ধির পাশাপাশি ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, গ্রাহক অধিকার সুরক্ষা ও বিরোধ নিষ্পত্তি সংক্রান্ত নির্দেশনা যোগ করা হয়েছে।

    দৈনন্দিন ব্যয়ে নগদ বহনের বিকল্প হিসেবে ব্যক্তিগত পর্যায়ে ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। ব্যবহারের বিস্তৃতি ও সেবার পরিধি বাড়ার ফলে এই খাতে বিদ্যমান জটিলতা কমানো এবং নতুন বৈশিষ্ট্য সংযোজনের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে পূর্বের নীতি হালনাগাদ করে পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন আনা হয়েছে।

    গাইডলাইনে ক্রেডিট কার্ড সংক্রান্ত বিভিন্ন দিক বিস্তারিতভাবে নিয়মকানুনে আনা হয়েছে— প্রযোজ্যতা ও সংজ্ঞা, কার্ডের ধরন, গ্রাহকের যোগ্যতার মানদণ্ড, ক্রেডিট সীমা ও সুদের হার নির্ধারণের কৌশল, কার্ড ইস্যু ও বিপণন পদ্ধতি, বিলিং ও আদায় প্রক্রিয়া, গ্রাহকের তথ্যের গোপনীয়তা ও অধিকার সুরক্ষা, বিরোধ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা, এবং অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা।

    গাইডলাইনে প্রধান পরিবর্তনের মধ্যে ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে বিতরণযোগ্য সর্বোচ্চ ঋণসীমা বাড়িয়ে ২৫ লাখ টাকা থেকে ৪০ লাখ টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। অনিরাপদ (আনসিকিউরড) ঋণের সর্বোচ্চ সীমাও ১০ লাখ থেকে ২০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া গ্রাহকের অভিযোগ, অনিয়ম বা জালিয়াতি, কার্ড-ভিত্তিক লেনদেন পরিশোধে জটিলতা এবং বিরোধ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংশোধন করা হয়েছে।

    নতুন নির্দেশনার উদ্দেশ্য হচ্ছে দায়িত্বশীল ঋণদানের অনুশীলন উৎসাহিত করা, গ্রাহক অধিকার রক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং নগদবিহীন আর্থিক লেনদেনের জন্য একটি স্বচ্ছ ও নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করা। ব্যাংক আশা করছে, এটি গ্রাহকসেবা উন্নত করবে এবং ক্রেডিট কার্ড সেবার ওপর বিশ্বাস বাড়াবে।

  • এক্সের চ্যাটবট গ্রোক বলছে নেতানিয়াহুর কফি-ভিডিও ‘ডিপফেক’

    এক্সের চ্যাটবট গ্রোক বলছে নেতানিয়াহুর কফি-ভিডিও ‘ডিপফেক’

    ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে জীবিত থাকার প্রমাণ হিসেবে দেখানো একটি কফি-শপ ভিডিওকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি ডিপফেক বলেছে ইলন মাস্কের মালিকানাধীন মাইক্রোব্লগিং প্ল্যাটফর্ম এক্সের চ্যাটবট গ্রোক। সাম্প্রতিক সময়ে নেতানিয়াহুর স্বাস্থ্য এবং অবস্থান নিয়ে ছড়ানো গুঞ্জনের মধ্যে এই ভিডিও নতুন বিতর্ক ছড়িয়েছে।

    আগে অবশ্য সামাজিক মাধ্যমে একটি ক্লিপে নেতানিয়াহুর বাম হাতে ছয়টি আঙুল দেখা যাওয়ার কারণে সেটিকে এডিট বা ভুয়া হিসেবে নিয়েও বিতর্ক চলছিল। এর পর সরকারি এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে একটি ব্যঙ্গাত্মক ভিডিও শেয়ার করা হয়, যেখানে নেতানিয়াহুকে জেরুজালেম হিলসের ‘দ্য সাতাফ’ ক্যাফেতে কফি অর্ডার করতে দেখা যায়। ভিডিওটিতে তিনি কফি তুলে ‘ল’চাইম’ বলে জীবনের জয় কামনা করেন এবং ছড়ানো মৃত্যুর গুজবকে উপহাস করেন।

    গ্রোক ওই ভিডিওকে এআই-জেনারেটেড ও ডিপফেক হিসেবে শনাক্ত করে বলেছে, ‘‘এ ধরনের দৃশ্য—নেতানিয়াহু পাবলিক ক্যাফেতে বসে গোপন অভিযানের কথা বলছেন—বাস্তবে ঘটেনি। মূল পোস্টেও এটি অপ্রকাশিত উন্নত এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।’’

    অন্যান্য ব্যবহারকারীরাও ভিডিওর বিভিন্ন অস্বাভাবিকতা তুলে ধরেছেন। কেউ ক্লোজ-আপ শটে কফির কাপ ও অ্যাকশনের অযৌক্তিকতা দেখিয়েছেন, কেউ বলেন মুখের আকৃতিও শটের মধ্যে পরিবর্তিত হচ্ছে। গ্রোক একবার আরও জোর দিয়ে জানায়, ‘‘হ্যাঁ, ১০০ শতাংশ নিশ্চিত—এটি উন্নতমানের এআই ডিপফেক; পুরো দৃশ্যই কাল্পনিক।’’

    নেতানিয়াহুর কার্যালয় এই গুজব প্রতিকূল করে ‘ভুয়া’ বলেছে এবং প্রধানমন্ত্রী সুস্থ আছেন বলে জানিয়েছে। আর যেখানে ভিডিওটি ধারণ করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে, সেই ‘দ্য সাতাফ’ ক্যাফের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে নেতানিয়াহুর কফি পান করছে এমন ছবিও পোস্ট করা হয়েছে; ক্যাপশনে তারা তাদের আতিথেয়তা প্রকাশ করেছেন।

    বিষয়টি নিয়ে সংশয়ের মধ্যেও সোশ্যাল মিডিয়ায় এআই-জেনারেটেড কন্টেন্ট শনাক্তকরণ ও তথ্য যাচাইয়ের গুরুত্ব আবারো浮ে এসেছে। সূত্র: এনডিটিভি।