Blog

  • পাকিস্তানের ফের হামলা আশঙ্কা আফগানিস্তানে

    পাকিস্তানের ফের হামলা আশঙ্কা আফগানিস্তানে

    আফগানিস্তানে আবারও আঞ্চলিক শান্তি বিঘ্নিত করতে পারে পাকিস্তান। ইসলামাবাদ ও দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তানে সন্ত্রাসী হামলার পর এই হুঁশিয়ারি দিয়েছে দেশটি। পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ বলেছেন, সাম্প্রতিক এই হামলার পর পাকিস্তান তার সীমান্তের ভিতরে আফগানিস্তানে লক্ষ্যবস্তুতে ক্ষেপণাস্ত্র ও হামলা চালানোর সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দিচ্ছে না। তিনি আতঙ্কের ষড়যন্ত্রের জন্য আফগান তালেবান সরকারকে অভিযুক্ত করে বলেন, এই জঙ্গিগোষ্ঠীগুলোর পৃষ্ঠপোষকতাও রয়েছে সেখানে। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর)।

    সংবাদমাধ্যমটি জানায়, গত দুই দিনে পাকিস্তানে দুটি বড় সন্ত্রাসী হামলা সংঘটিত হয়েছে, যার একটির ঘটনা দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তানের ওয়ানা ক্যাডেট কলেজে, অন্যটি রাজধানী ইসলামাবাদে। এই হামলার ঘটনায় পুরো পাকিস্তানে ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে এবং উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।

    প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ তার আলোচনায় জানান, এই হামলার পর সীমান্ত পেরিয়ে আফগানিস্তানে অভিযান চালানোর সুযোগও উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না। তিনি আফগান তালেবান সরকারকে আঙুল দিয়ে বলেন, তাদের আশ্রয়ে থাকা সন্ত্রাসাঙ্গঠনগুলোই পাকিস্তানের ওপর অব্যাহত হামলার জন্য দায়ি। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘তালেবানের আশ্রয়ে থাকা গোষ্ঠীগুলোই বারবার আমাদের উপর আক্রমণ চালাচ্ছে।’

    খাজা আসিফ আরও বলেন, যদি ভারত বা আফগানিস্তান এই ধরনের দুঃসাহস দেখায়, তবে পাকিস্তান তার দাঁত নাড়ানোর জন্য প্রস্তুত। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, পাকিস্তান কখনোই আগ্রাসন চালাবে না, তবে যদি তার ওপর হামলা হয়, কঠোর জবাব দেবে।

    পাকিস্তানের রাজধানীতে সাম্প্রতিক আত্মঘাতী হামলার ঘটনায় অন্তত ১২ জন নিহত ও পরিস্থিতি উদ্বেগজনকভাবে উত্তপ্ত হয়েছে। এছাড়া, সোশ্যাল মিডিয়ায় এক্সে (অর্থাৎ সাবেক টুইটার) এক ঘোষণা দিয়ে খাজা আসিফ বলেছেন, ‘আমরা এক ধরনের যুদ্ধের মধ্যে আছি। যারা ভাবছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী শুধু সীমান্তে লড়ছে, শনিবারের আত্মঘাতী হামলাও তাদের চোখ খুলে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।’ তিনি বলেন, সন্ত্রাসবিরোধী এই সংগ্রাম পুরো দেশের যুদ্ধ, যেখানে সেনাবাহিনীর ত্যাগই দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে।

    হামের পর তিনি এক বিবৃতিতে আফগান তালেবান সরকারের সঙ্গে আলোচনার সম্ভাবনা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘কাবুলের নেতৃত্ব চাইলে পাকিস্তানে সন্ত্রাস রোধ করতে পারে, তবে ইসলামাবাদের বার্তা স্পষ্ট— কাবুল থেকে হামলার যোগসূত্র রয়েছে।’

    সাংবাদিকদের সাথে আলাপের সময় তিনি উল্লেখ করেন, পাকিস্তান আগেই এই হামলার আশঙ্কা করেছিল। ইসলামাবাদের কাছে এটি স্পষ্ট হয়েছে যে, ‘তাদের সব অঞ্চলের হামলার জন্য তালেবানই দায়ি।’ শেষদিকে, তিনি জোর দিয়ে বলেন, পাকিস্তান সীমান্ত বা শহর— কোথাও কোন ধরনের সন্ত্রাস সহ্য করবে না এবং প্রতিটি হামলার কঠোর জবাব দেওয়া হবে।

  • জর্জিয়ায় তুরস্কের সামরিক বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ২০ সেনা

    জর্জিয়ায় তুরস্কের সামরিক বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ২০ সেনা

    জর্জিয়ায় তুরস্কের একটি সামরিক পরিবहनকারী বিমান বিধ্বस्त হওয়ার ঘটনায় ২০ সেনা নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে। স্থানীয় কর্মকর্তারা এখন দুর্ঘটনাস্থলে তদন্ত শুরু করেছেন।

    ঘটনাটি ঘটে বুধবার, যখন এই কার্গো বিমানটি আজারবাইজানের গাঞ্জা শহর থেকে উড্ডয়নের পরপরই দুর্ঘটনার শিকার হয়। তুরস্কের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়াসার গুলার সামাজিক মাধ্যমে একটি ছবি প্রকাশ করে লেখেন, ‘আমাদের বীর সহযোদ্ধারা শহীদ হয়েছেন।’

    তরিকদলের সূত্রে জানা গেছে, জর্জিয়ার কাখেতি অঞ্চলের সিগনাগি এলাকায় বিধ্বস্ত বিমানের ধ্বংসাবশেষ পরিদর্শন শুরু হয়েছে। দুর্ঘটনাটি দেশের সীমান্ত থেকে মাত্র পাঁচ কিলোমিটার দূরে ঘটে। এটি ২০২০ সালের পর তুরস্কের সবচেয়ে প্রাণঘাতী সামরিক বিমান দুর্ঘটনা।

    জর্জিয়ার বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণ সংস্থা সাকারোনাভিগাৎসিয়া জানিয়েছে, বিমানটি দেশটির আকাশসীমায় প্রবেশের পরই রাডার থেকে অদৃশ্য হয়ে যায় এবং কোনো বিপদ সংকেত পাঠায়নি।

    আজারবাইজানি গণমাধ্যমের এক ভিডিওচিত্রে দেখা যায়, দুর্ঘটনার পর আকাশে কালো ধোঁয়া বিশাল স্তম্ভ উঠছে এবং চারপাশে বিমানের ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে রয়েছে।

    তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেজেপ তায়েপ এরদোয়ান এই দুর্ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করে বলেন, ‘আমরা শোকাহত। নিহতদের পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি।’

    অন্যদিকে, আজারবাইজান ও জর্জিয়ার নেতারা, ন্যাটোর মহাসচিব মার্ক রুটে এবং তুরস্কে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত টম ব্যারাকও শোক জানিয়েছেন। মার্কিন প্রতিষ্ঠান লকহিড মার্টিন, যেটি এই বিমানটির নির্মাতা, এক বিবৃতিতে জানায়, তারা তুরস্ক ও জর্জিয়াকে তদন্তে প্রয়োজনীয় সমস্ত সহায়তা দেবে।

    সি-১৩০ হারকিউলিস হলো চার ইঞ্জিনবিশিষ্ট টার্বোপ্রপ পরিবহন বিমান, যা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সেনাবাহিনী হিসেবে জনবল, সরঞ্জাম ও পণ্য পরিবহনে ব্যবহার করে থাকে।

  • ইসলামাবাদে হামলায় ভারতীয় সংশ্লিষ্টতা প্রত্যাখ্যান নয়া দিল্লির

    ইসলামাবাদে হামলায় ভারতীয় সংশ্লিষ্টতা প্রত্যাখ্যান নয়া দিল্লির

    পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদের আদালতের বাইরে আত্মঘাতী বোমা হামলার মূল সন্দেহভাজন হিসেবে ভারতের হাত রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। তিনি বলেন, এই হামলার পেছনে সক্রিয়ভাবে সমর্থন দিচ্ছে এমন চরমপন্থী গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে ভারতের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। তবে পাকিস্তানের এই অভিযোগকে তীব্রভাবে অস্বীকার করেছে ভারত। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “তারা উন্মাদ হয়ে যাননি, বরং ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলছেন। আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই—ভারত এই ধরনের অপপ্রচার মেনে নেবে না।” তিনি আরও যোগ করেন, “পাকিস্তানে সামরিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতা চলছে, সেনাবাহিনীকে বিভ্রান্ত করার জন্য এই ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় জানে এই কারসাজির পেছনে বাংলাদেশের মূল উদ্দেশ্য কী, তারা বিভ্রান্ত হবে না।” মঙ্গলবার স্থানীয় সময় বেলা ১২:৩৯ মিনিটে ইসলামাবাদের জেলা ও দায়রা আদালতের বাইরে আত্মঘাতী বোমা হামলায় অন্তত ১২ জন নিহত এবং ৩২ জন আহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসিন নাকভি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, হামলাকারী বিস্ফোরণের ঠিক আগে প্রায় ১২ মিনিট আদালতের বাইরে ছিল। প্রথমে আদালতের ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করেছিল, কিন্তু তা করতে না পেরে পুলিশ ও আশপাশের গাড়ির লক্ষ্য করে আঘাত করে। তিনি আরও বলেন, «তদন্ত চলছে এবং হামলাকারীকে শনাক্ত করা আমাদের অগ্রাধিকার। এই ঘটনার সঙ্গে আরও কিছু রেশ থাকতে পারে, যার উপর আমাদের নজর রাখতে হবে এবং খুব দ্রুত এ বিষয়ে স্পষ্টতা আসবে।» এই ঘটনায় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ অভিযোগ করেন, ভারতের সক্রিয় সমর্থনপুষ্ট চরমপন্থী গোষ্ঠীগুলো এই হামলার সঙ্গে জড়িত। কোনও সন্দেহ না রেখে তিনি বলেন, “ভারত এই অঞ্চলে সন্ত্রাসের মতো জঘন্য অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে।” এক বিবৃতিতে শাহবাজ শরিফ বলেন, ‘ভারতের সন্ত্রাসী প্রক্সির মাধ্যমে পাকিস্তানের নিরস্ত্র নাগরিকদের ওপর হামলা খুবই দুঃখজনক। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এই বিষয়ে সতর্ক থাকুক এবং ভারতের এসব অপকর্ম বন্ধ করতে বলি।’ তিনি আরও জানান, এই তদন্তের জন্য তিনি নির্দেশ দিয়েছেন এবং দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে। অন্যদিকে, পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ আফগানিস্তানের দিকে আঙুল তোলে মন্তব্য করেন, ‘কাবুলের শাসকেরা পাকিস্তানে সন্ত্রাস বন্ধ করতে পারে, কিন্তু তারা এই ধরনের যুদ্ধের বার্তা পাঠিয়েছে যা পাকিস্তান পুরোপুরি মোকাবিলা করবে।’ আরেক দিকে, ইসলামাবাদের আদালত চত্বরে এই আত্মঘাতী হামলার দায় স্বীকার করেছে তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি)। গোষ্ঠীটি সতর্ক করে দিয়েছে, ভবিষ্যতেও এই ধরনের হামলা চালানো হবে। এক বিবৃতিতে তারা উল্লেখ করে, ‘আমাদের যোদ্ধারা আদালত প্রাঙ্গণে হামলা চালিয়েছে। যারা ইসলামাবাদের বিচারক, আইনজীবী ও কর্মকর্তাদের রায়ের জন্য দায়ী, তাদের লক্ষ্য করে এই হামলা।’ আরও হুমকি দিয়ে বলা হয়েছে, ‘তাদের লক্ষ্য যে মুসলিম প্রধান পাকিস্তানে ইসলামী শরিয়া আইন বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত এই ধরনের হামলা অব্যাহত থাকবে।’ সূত্র: এনডিটিভি, ডন

  • পেরুতে বাস উল্টে খাদে পড়ে ৩৭ নিহত

    পেরুতে বাস উল্টে খাদে পড়ে ৩৭ নিহত

    পেরুর দক্ষিণাঞ্চলীয় আরেকুইপা অঞ্চলে এক ভয়ংকর দুর্ঘটনায় একটি বাস পাহাড়ি রাস্তা থেকে ছিটকে ২০০ মিটার নিচে খাদে পড়ে গেছে। এই ঘটনায় কমপক্ষে ৩৭ জনের মৃত্যু হয়েছে, এবং আহত হয়েছেন আরও অনেকে। বুধবার (১২ নভেম্বর), স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্স ও বিবিসি এই দুর্ঘটনার খবর নিশ্চিত করেছে।

    প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, দুর্ঘটনা ঘটে ঐ অঞ্চলের ওকোনা জেলার পানামেরিকানা সুর হাইওয়েতে সকাল সকাল। প্রথমদিকে পুলিশ ও উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতের সংখ্যা নিশ্চিত করেন ও আহতদের উদ্ধার করেন। আরেকুইপার স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বরাত দিয়ে বলা হয়, দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই ৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও একজনের মৃত্যু হয়।

    ওয়ালথার ওপোর্তো, আরেকুইপার আঞ্চলিক স্বাস্থ্যপ্রধান, বলেন, বাসটি একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেওয়ার পরে রাস্তার কিনারে উল্টে গিয়ে খাদে পড়ে যায়। জানা গেছে, ওই বাসে মোট ৬০ জন যাত্রী ছিলেন।

    সরকারি সূত্র বলেছে, আহত ২৬ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, এর মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর। দুর্ঘটনার কারণ ও পরিস্থিতি তদন্ত করে দেখছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। এই ট্রাজেডি দেশের সমবেদনা ও সহানুভূতির জোয়ার সৃষ্টি করেছে।

  • জলবায়ু সংকটই এখন প্রধান স্বাস্থ্যের হুমকি: ডব্লিউএইচও

    জলবায়ু সংকটই এখন প্রধান স্বাস্থ্যের হুমকি: ডব্লিউএইচও

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) সম্প্রতি মন্তব্য করেছে যে জলবায়ু সংকট এখন মূলত একটি স্বাস্থ্য সংকট হিসেবে দেখা দিতে শুরু করেছে। সংস্থার মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সরাসরি মানুষের স্বাস্থ্যের উপর পড়ছে, যা গভীর উদ্বেগের কারণ। এটা এখনও সময়ের ব্যাপার যে আন্তর্জাতিক জলবায়ু সম্মেলনগুলোতে স্বাস্থ্য বিষয়ে গুরুত্ব সহকারে আলোচনা শুরু হয়।

    ১৩ নভেম্বর বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে যে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বহু ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি দেখা দিয়েছে, যেখানে কার্ডিয়াক রোগ থেকে শুরু করে নানা সংক্রামক রোগের প্রাদুর্ভাবও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

    গত সপ্তাহে ব্রাজিলের বেলেমে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের কপ-৩০ সম্মেলনে ডব্লিউএইচও প্রধান টেড্রোস আধানম গেব্রেইয়েসুস উপস্থিত ছিলেন। তিনি জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে আলোচনা কালে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, স্বাস্থ্য বিষয়ে অধিক গুরুত্ব দেওয়া জরুরি। তিনি বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে মানুষের স্বাস্থ্যের গুরুত্ব সবচেয়ে বড়। তবে দীর্ঘদিন ধরে এই বিষয়টি উপেক্ষিত থাকা হয়েছে।”

    টেড্রোস আরও যোগ করেন, “মানুষের নিজেদের বা সন্তানদের স্বাস্থ্য রক্ষা করাই সবচেয়ে সহজ ও জরুরি। হিমবাহ বা জীববৈচিত্র্য রক্ষার মত গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো যেমন জরুরি, তেমনি মানুষের স্বাস্থ্যও ততটাই গুরুত্বপূর্ণ। এই বিষয়টি মানুষের কাছাকাছি।”

    তিনি জানান, কপ-৩০ এর খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন হতে যাচ্ছে যা স্বাস্থ্য বিষয়ক দিবস হিসেবে পালন করা হবে। ব্রাজিল এই দিন জলবায়ু পরিবর্তনজনিত স্বাস্থ্য অভিযোজন পরিকল্পনা ঘোষণা করবে, যা অন্য দেশগুলোকে নিজেদের স্বাস্থ্যব্যবস্থাপত্র জোরদার করতে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলা করতে সহায়তা করবে।

    টেড্রোস স্পষ্ট করে বলেন, “জলবায়ু সংকট সত্যিই এখন একটি স্বাস্থ্য সংকট।”

    অন্যদিকে, ডব্লিউএইচও’র পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে প্রধান রুডিগার ক্রেখ বলেন, “যদিও এই বিষয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে, তথাপি এখনও কোনো নির্দিষ্ট বা আনুষ্ঠানিক স্বাস্থ্য বিষয়ক স্থান তৈরি হয়নি।” তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “এখনই সময় হয়েছে স্বাস্থ্যকে একটি আনুষ্ঠানিক আলোচনার অংশ করে নেওয়ার এবং আমরা আশা করি, আগামী বছর কপ-৩১-এ এই পরিবর্তনটি যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হবে।”

  • ভাড়াটিয়াদের দাপটে অসহায় ব্যবসায়ী নিক্সন মার্কেটের মালিক

    ভাড়াটিয়াদের দাপটে অসহায় ব্যবসায়ী নিক্সন মার্কেটের মালিক

    নগরীর busiest ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসা কেন্দ্র নিক্সন মার্কেটের একটি দোকানের মালিক তাদের অভিযোগ করেছেন যে ভাড়াটিয়া তার দোকানটি জবরদখল করে রেখেছে। মেয়াদ শেষ হওয়ার অনেক সময় পরেও ভাড়াটিয়া দোকান ছেড়ে না যাওয়ায় তিনি অসহায় হয়ে পড়েছেন। তার জন্য তিনি বাড়িওয়ালাকেও দোকান ঘরে প্রবেশ করতে পারছেন না। ইতিপূর্বে তিনি শেখবাড়ির সহায়তা নিয়ে দোকানটিকে উদ্ধার করার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু এখন এক মহিলাদল নেত্রীর দৌরাত্ম্যে বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন। দোকানের মালিক তৈয়েবুর রহমানের স্ত্রী সুরাইয়া বেগম বলেন, ভাড়াটিয়া মোহাম্মদ জানু সম্প্রতি দোকান ছাড়ছেন না, বরং নানা হুমকি-ধামকি দিচ্ছেন। তিনি বলেন, এই দোকানটি তিনি হাজী মহসিন রোডের বাসিন্দা মোহাম্মদ জানু থেকে ভাড়া নিয়ে ব্যবসা করছিলেন। দুই দফায় চুক্তি হলেও ভাড়াটিয়া নিয়মিত ভাড়া দিতে গড়িমসি করে, ফলে তারা নতুন করে চুক্তি করেননি। কিন্তু মেয়াদ শেষ হওয়ার পর থেকে জানু তাদের সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। স্বামী অসুস্থ থাকায় তিনি নিজে দোকানে যেতে পারেননি। পরে জানু দোকানই বন্ধ করে দেয়। পরিবার বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে সমাধান চেয়েও ব্যর্থ হন। জানা গেছে, মহিলাদের দল নেতা কাকলি খানের আশ্রয়ে বেড়ে ওঠা জানু এখন আর দোকান ছাড়তে চাইছে না, তার হুমকিও চলছে। তার দাবি, পূর্বে তার বাড়ি পর্যন্ত মাস্তান পাঠানো হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে তিনি দোকানটি পুনরুদ্ধারে সরকারি বা স্থানীয় সহায়তা চাইছেন।

  • বিএনপি ক্ষমতায় গেলে রেশন কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, স্বাস্থ্য ইউনিট ও নদী সংযোগে ব্রিজ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি

    বিএনপি ক্ষমতায় গেলে রেশন কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, স্বাস্থ্য ইউনিট ও নদী সংযোগে ব্রিজ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি

    বিএনপি ক্ষমতায় গেলে এক বছরের মধ্যে দেশের এক কোটি মানুষকে কাজে লাগানো এবং অর্থনীতিকে একটি ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার আওয়ামি পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৪ আসনের প্রার্থী আজিজুল বারী হেলাল। গতকাল বুধবার দিঘলিয়ার সেনহাটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী সমাবেশে এই প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন তিনি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দিঘলিয়া থানা বিএনপি সভাপতি সাইফুর রহমান মিন্টু মোল্লা এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক রকিব মল্লিক।

    আজিজুল বারী হেলাল বলেন, ‘আমরা কল্পিত কোনও দিঘলিয়া চাই না, বাস্তবের দিঘলিয়া গড়ে তুলতে চাই যেখানে মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তি নিশ্চিত হবে। তিনি বলেন, আমাদের সরকার গঠন হলে স্টার জুটমিলসহ বন্ধ হওয়া শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো আবার চালু করা হবে, যাতে স্থানীয় অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করা যায়। বিশেষ করে, দিঘলিয়া যেন মৃতপ্রায় এলাকা থেকে অগ্রসর হয়ে একটি শিল্পনগরীতে রূপান্তরিত হয়, সেটাই আমাদের লক্ষ্য।

    তিনি আরও জানান, ক্ষমতায় এলে এই মিলগুলো পুনরায় চালু করে মানুষের কর্মসংস্থান ফিরে আনা হবে। পাশাপাশি, বিএনপি শুধু নির্বাচনের সময় নয়, সারা বছরই মানুষের পাশে থাকতে চায়। প্রতিটি পরিবারকে একটি করে ফলজ গাছ উপহার দেওয়া হবে, যা পুষ্টির চাহিদা পূরণ করবে এবং অতিরিক্ত ফল বিক্রি করে পরিবারের আর্থিক অবস্থার উন্নতি হবে।

    পরিকল্পনা অনুযায়ী, আমরা ‘ফ্যামিলি কার্ড’, ‘কৃষি কার্ড’ এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে ‘হেলথ কেয়ার ইউনিট’ চালু করবো, যেখানে সাধারণ মানুষ বিনামূল্যে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পাবে। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সমালোচনায় তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে পালিয়েছে, এখন তারা একটি পলাতক দলের মতো। তবে বিএনপি কোনও দল নিষিদ্ধের পক্ষে নয়; যারা গুম, খুন বা নির্যাতনে জড়িত তাদের বিচার হবে, কিন্তু কলমের খোঁচায় কোনও দল নিষিদ্ধ করা গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি নয়।

    জামায়াতের অবস্থান প্রসঙ্গে তিনি মন্তব্য করে বলেন, জামায়াত একদিকে বলে নির্বাচন হবে না, অন্যদিকে তারা ৩০০ আসনে প্রার্থী দেয়। তারা আওয়ামী লীগের তৈরি রাজনৈতিক শূন্যস্থান দখলের চেষ্টা করছে এবং ধর্মকে স্বার্থে ব্যবহার করছে। দলীয় নেতাকর্মীদের আধুনিক প্রচারণার আহ্বান জানিয়ে হেলাল বলেন, আধুনিক যুগে মাঠের পাশাপাশি ভার্চুয়াল দুনতেও দলের বক্তব্য ছড়িয়ে দিতে হবে, কারণ এখন মানুষ পত্রিকার তুলনায় মোবাইল বেশি দেখে।

    তিনি আরও উল্লেখ করেন, দিঘলিয়া একসময় ছিল শিল্পনগরী, এখন তা একপ্রকার মৃতপ্রায়। বিএনপি সরকার গঠিলে এই অঞ্চলে আবারও শিল্পখাতের বিকাশ হবে। প্রতিশ্রুতি দেন, আমরা রেশন কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, স্বাস্থ্য ইউনিট ও নদী সংযোগে ব্রিজ নির্মাণ করব।

    উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে তিনি বিভিন্ন বিদ্যালয় ও কলেজে বৃক্ষরোপণ করেন এবং ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনময় করেন। এর আগে তিনি দিঘলিয়ার পথের বাজারে দোকানদারদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এছাড়া, সকালে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে পরিচিতি সভা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পরিচালিত হয়। উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি’র যুগ্ম-আহবায়ক খান জুলফিকার আলি জুলু, শেখ আব্দুর রশিদ, এনামুল হক সজল, নাজমুস সাকিব পিন্টু, আরিফুল ইসলাম আরিফ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আয়োজক আতাউর রহমান রনু, বাবু উজ্জ্বল কুমার সাহা, রকিব মল্লিক, মোজ্জামেল শরিফ সহ বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ।

  • যুব সমাজকে রক্ষা করতে হলে স্কুল থেকেই সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে

    যুব সমাজকে রক্ষা করতে হলে স্কুল থেকেই সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে

    বিশ্ববিদ্যালয়, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, ইভটিজিং এবং পরিবেশ ধ্বংস আমাদের সমাজের সবচেয়ে বড় শত্রু বলে মনে করেন বিএনপি কেন্দ্রীয় ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল। তিনি বলেন, যুব সমাজকে নিরাপদ রাখতে হলে আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো থেকেই সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। শিক্ষার্থীরাই পারে সমাজ থেকে মাদক, সন্ত্রাস এবং ইভটিজিংর মতো ঘৃণ্য অপরাধ নির্মূল করতে।

    গতকাল বুধবার সকালে খালিশপুর শিল্পাঞ্চলে ‘সবার আগে খুলনা’ নামে সংগঠনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এক বর্ণাঢ্য গণসচেতনতামূলক র‌্যালির প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। র‌্যালিটি খালিশপুর ট্যাংক-লড়ি শ্রমিক ইউনিয়ন থেকে সূচনা করে পিপলস মোড় অতিক্রম করে খালিশপুর শিশুপার্ক হয়ে ঈদগাহ ময়দানে শেষ হয়। বকুল উল্লেখ করেন, আমরা চাই না আমাদের তরুণ প্রজন্ম মাদক, সন্ত্রাস বা ইভটিজিংয়ে জড়িয়ে পড়ুক। তাই শিক্ষকদের এবং শিক্ষার্থীদের সামাজিক দায়িত্ববোধের জন্য অগ্রগতির জন্য এগিয়ে আসতে হবে।

    তিনি আরও বলেন, পরিবেশ রক্ষা, সড়ক নিরাপত্তা ও মানবিক সমাজ গঠনই আমাদের মূল লক্ষ্য। র‌্যালিতে খালিশপুর থানাধীন ১২টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন শেখ জাহিদুল ইসলাম এবং সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন রকিবুল ইসলাম বকুল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শেখ জাহিদুজ্জামান, মোঃ দেলোয়ার হোসেন, মোঃ শহিদুল ইসলাম, মোঃ ইউনুছ আলী, মোঃ শহিদুল ইসলাম, হাসিনা খাতুন, আফরোজা পারভীন ও ইসরাত জাহান প্রমুখ।

    শেষে ঈদগাহ ময়দানে অংশ নেওয়া বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়।

  • দেশ ও দলের বিপক্ষে অপশক্তি রুখতে অঙ্গীকারবদ্ধ আমরা

    দেশ ও দলের বিপক্ষে অপশক্তি রুখতে অঙ্গীকারবদ্ধ আমরা

    আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে খুলনা-২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, দেশ ও দলের বিরুদ্ধে অপশক্তিগুলোর বিরুদ্ধে আমাদের দৃঢ়ভাবে লড়াই করতে হবে। তিনি আরো বলেন, ২০০৭-২০০৮ সালে ১/১১ সময়ে কিছু কুচক্রীমহল আমাদের দলের ঐক্য খণ্ডনের অপচেষ্টা চালিয়েছিল, যা এখনো তারা বন্ধ করেনি। এই ষড়যন্ত্রগুলো প্রতিহত করতে হলে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। হিংস্র হায়নাদের চোখ রাঙানীকেও উপেক্ষা করে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে সঙ্গে নিয়ে আগামী দিনগুলোর জন্য ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীকে ভোট ও দোয়া জানানো জরুরি।

    তিনি গতকাল বুধবার সকাল সাড়ে ১১টায় নগরীর সদর থানার ৩১নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সাবেক সভাপতি মরহুম জালাল উদ্দিন জালু মিয়া, ৩১নং ওয়ার্ড মহিলা দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদিকা মরহুমা রাজিয়া খাতুন সাদিয়া, ৩১নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা বাবুল কাজী ও অন্যান্য দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় তিনি শহরের বিভিন্ন মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য, আহত সাংবাদিক ও সংগঠকদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন। পরে খুলনা মহানগর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক চৌধুরী হাসানুর রশিদ মিরাজের স্বজনের মৃত্যুতে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

    নজরুল ইসলাম মঞ্জু সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, আগামী নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য সবাইকে সোচ্চার হতে হবে। তিনি আরো বলেন, আমাদের ঐক্য ও ন্যায়নিষ্ঠ আন্দোলন সত্যিকার পরিবর্তন আনতে পারে, সেই জন্য সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের অন্যান্য নেতা-কর্মীরা, যার মধ্যে ছিলেন জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, মাহবুব কায়সার, নজরুল ইসলাম বাবু, মেহেদী হাসান দিপু, ইউসুফ হারুন মজনু, শামসুজ্জামান চঞ্চল, শেখ জামিরুল ইসলাম জামিল, মেজবাহ উদ্দিন মিজু, আসলাম হোসেন ও আরো অনেকে। বাংলাদেশের মানুষের স্মৃতি ও সংগ্রামের স্বচেতনতা ফিরিয়ে আনতে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

  • খুলনা সাব রেজিস্ট্রিতে পেট্রোল বোমা হামলা

    খুলনা সাব রেজিস্ট্রিতে পেট্রোল বোমা হামলা

    খুলনা জেলার সাব রেজিস্ট্রি অফিসে দুর্বৃত্তরা পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করেছে। এই হামলায় অফিসের দলিল লেখকদের জন্য ব্যবহৃত সেরেস্তায় আগুন জ্বলে উঠে, যার কারণে চেয়ার ও টেবিল পুড়ে গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) রাতে সাড়ে তিনটার দিকে, ধারণা করা হচ্ছে দুর্বৃত্তরা এটি পরিকল্পিতভাবে ঘটিয়েছে।

    ঘটনার পরপরই তৎপর হয়ে উঠেন টুটপাড়া ফায়ার সার্ভিসের একদল কর্মী। তারা এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন, ফলে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পায় অফিসের সম্পত্তি।

    সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের নিরাপত্তা প্রহরী ওয়াহিদুর রহমান নান্নু জানিয়েছেন, পেট্রোল বোমা হামলায় অফিসের সেরেস্তায় আগুন লাগলে কিছু গুরুত্বপূর্ণ দলিল এবং নথি পুড়ে গেছে। তিনি বলেন, হামলাকারীরা পেছনের গ্রিলের ভিতর থেকে দু’টি পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করে দ্রুত সেখান থেকে পালিয়ে যায়।

    দলিল লেখকদের তথ্যমতে, তাঁরা সকালে অফিসে এসে দেখেন, কিছু নথি ক্ষতিগ্রস্ত ও পুড়ে গেছে এবং অফিসের আসবাবে বিশেষ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

    খুলনা সদর থানার তদন্ত বিভাগের কর্মকর্তা ওসি আব্দুল হাই জানান, এই নাশকতার ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে পুলিশ কাজ করছে।