Blog

  • গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ইরান ৫০০ জন গ্রেপ্তার করেছে

    গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ইরান ৫০০ জন গ্রেপ্তার করেছে

    ইরানের পুলিশ ৫০০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে বলে জানিয়েছে দেশটির পুলিশ প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমাদরেজা রাদান। তিনি গতকাল আধাসরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিমকে বলেছেন, গ্রেপ্তারকার্য মূলত গোপনে বিদেশি গোয়েন্দা তথ্য পাঠানোর অভিযোগে করা হয়েছে।

    রাদানের ভাষ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তারদের মধ্যে অন্তত ২৫০ জনকে বিশেষভাবে লন্ডনভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল ইরান ইন্টারন্যাশনালকে তথ্য সরবরাহ করার অভিযোগে আটক করা হয়েছে। বাকি গ্রেপ্তারদের মধ্যে কয়েকটি আন্ডারগ্রাউন্ড সন্ত্রাসী গ্যাংয়ের সদস্যরাও রয়েছেন; তারা নাশকতা, উসকানি ছড়ানো ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে সহিংসতা ভাড়িয়ে দেওয়ার কাজে যুক্ত ছিল বলে দাবি করেছেন পুলিশ সূত্র।

    ইরান ২০২২ সালে লন্ডনভিত্তিক ইরান ইন্টারন্যাশনালকে ‘সন্ত্রাসী সংস্থা’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে এবং দীর্ঘদিন ধরেই এই চ্যানেলটিকে সরকারবিরোধী প্রচারণা ও ভুয়া তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে লক্ষ্য করে আসছে। তাসনিমে দেওয়া বক্তব্যে রাদানও ইরান ইন্টারন্যাশনালের বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগের কথা উল্লেখ করেছেন।

    এই গ্রেপ্তার অভিযানকে চলমান অঞ্চলে উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে দেখা হচ্ছে। সংবাদে বলা হয়েছে, তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে পারমাণবিক বিষয়ক সংলাপ ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন চলার পর কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়। ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সমন্বয়ে কিছু সামরিক অভিযান চালায়—যুক্তরাষ্ট্র ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ এবং ইসরায়েল ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ নাম দেয়।

    এর জবাবে ইরান একাধিকবার মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের ছয়টি দেশ (সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমানে) অবস্থিত মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে, যা এখনও চলমান রয়েছে। একই সংঘর্ষে ইরানে নিহত হয়েছেন অনেক মানুষ; আনুষ্ঠানিক সূত্র বলেছে সংখ্যা ১ হাজার ৩০০ ছাড়িয়ে গেছে।

    ইরানের পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার অভিযান ও তদন্ত চলমান আছে এবং আরও তথ্য প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এই প্রতিবেদনটির উৎস: আনাদোলু এজেন্সি এবং তাসনিম নিউজে প্রকাশিত বিবরণ।

  • প্রশাসক নিয়োগে খুলনা জেলা পরিষদের উন্নয়ন কর্মসূচি জোরদার হবে: আশা

    প্রশাসক নিয়োগে খুলনা জেলা পরিষদের উন্নয়ন কর্মসূচি জোরদার হবে: আশা

    খুলনা সিটি করপোরেশনের নবনিযুক্ত প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, স্থবির থাকা জেলা পরিষদগুলো সচল করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছেন। এই নিয়োগ খুলনা জেলার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পুনরায় ত্বরান্বিত করবে এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণে ভূমিকা রাখবে। ঈদের আগে পাওয়া এই দায়িত্ব সবাইকে অনুপ্রাণিত করছে। কিছু আগে আমাকেও সিটি করপোরেশনে নিয়োগ দেয়া হয়েছে; এখন মিলেমিশে খুলনা মহানগরী ও জেলার মানুষের কল্যাণে কাজ করবো—তিনি এও উল্লেখ করেন।

    নবনিযুক্ত জেলা প্রশাসক এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পী মঙ্গলবার (১৬ মার্চ) দুপুর ১২টায় খুলনা জেলা পরিষদে দায়িত্ব গ্রহন করেন। দায়িত্ব গ্রহণ অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, তরিক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের লক্ষ্য জেলা পরিষদকে দুর্নীতিমুক্ত, জনবান্ধব ও কল্যাণমুখী প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা। কোনো দুর্নীতিবাজের সেখানে ঠাঁই হবে না; তৃণমূল পর্যায়ে আর্থিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় সেবা পৌঁছে দেয়া হবে—এটাই তাদের মূল উদ্দেশ্য।

    দায়িত্ব হস্তান্তর করেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার উপ-পরিচালক মো. আরিফুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন খুলনা-১ আসনের সংসদ সদস্য এম. আমীর এজাজ খান ও জেলা বিএনপির আহবায়ক মো. মনিরুজ্জামান মন্টু।

    দায়িত্ব গ্রহনের পরে বক্তৃতায় এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পী বলেন, দীর্ঘ স্বৈরশাসনের পর অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক সরকার তারেক রহমানের নেতৃত্বে যাত্রা শুরু করেছে। দেশের দায়িত্ব নেওয়ার পর যারা অনিয়ম-দুর্নীতিতে জড়িত ছিল, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর হতে হবে। তিনি জানান, তাকে জেলা পরিষদকে সততা, নিষ্ঠা ও প্রজ্ঞার সাথে পরিচালনা করে দুর্নীতিমুক্ত ও জনবান্ধব প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

    মনিরুল হাসান বাপ্পী দাবি করেন, গত ১৭ বছর ধরে খুলনা জেলা পরিষদ দুর্নীতিগ্রস্ত ছিল এবং সেখানে নিয়ম ও নীতির অভাব ছিল। তাই তিনি জনগণের স্বচ্ছ যাতায়াত নিশ্চিত করে জবাবদিহিমূলক একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার অঙ্গীকার প্রকাশ করেন। তিনি মহান আল্লাহর শোকরিয়া করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও খুলনাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এবং দীর্ঘ সময়ের সংগ্রামী নেতাকর্মী ও সমর্থকদেরও ধন্যবাদ জানান।

    দায়িত্ব গ্রহণের পর মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, আরাফাত রহমান কোকোসহ মহান মুক্তিযুদ্ধ ও ’২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া-মোনাজাত করা হয়। অনুষ্ঠানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সুস্হ্য ও দীর্ঘায়ু এবং দেশের সমৃদ্ধি কামনা করা হয়।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা, খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের ডেপুটি কমিশনার (ট্রাফিক) মো. শফিকুল ইসলাম, জেলা পুলিশ সুপার মো. মাহবুবুর রহমানসহ জেলা ও মহানগর বিএনপির নেতা-কর্মীরা। এছাড়া খুলনার নয়টি উপজেলা ও দুই পৌরসভার বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীরা অংশ নিয়ে নবনিযুক্ত প্রশাসক মনিরুল হাসান বাপ্পীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। পরে তিনি তাঁর নির্ধারিত কক্ষে বসে দাপ্তরিক কাজ শুরু করেন।

  • চুয়াডাঙ্গায় ভুয়া ডিবি পরিচয়ে চাঁদাবাজি, দুইজন গ্রেফতার

    চুয়াডাঙ্গায় ভুয়া ডিবি পরিচয়ে চাঁদাবাজি, দুইজন গ্রেফতার

    চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় ডিবি (ড্রাগ্স ব্রাঞ্চ/ডিবি) পরিচয় দিয়ে সড়কে বিভিন্ন যানবাহন থামো করে চাঁদা আদায় করার সময় দুই ভুয়া ডিবি সদস্যকে স্থানীয়রা আটক করে। পরে গণধোলাই করে তাদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

    ঘটনা ঘটে বুধবার (১৬ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়নের চেংড়িখালী ব্রিজ সংলগ্ন সড়কে। স্থানীয়রা জানায়, কয়েকজন ব্যক্তি রেজিস্ট্রেশনবিহীন একটি সুজুকি মোটরসাইকেল সড়কের পাশে রেখে ভ্যান, রিকশা ও মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহনকে থামিয়ে নগদ টাকা দাবি করছিলেন। তাদের আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে এলাকাবাসী তাদের ঘিরে ধরে।

    আটককৃত দুইজন তখন ডিবি লেখা জ্যাকেট পরিহিত ছিলেন। স্থানীয়দের হাতে আটকের সময় তাদের আরও ২–৩ জন সহযোগী পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। আটকরা হলেন ঝিনাইদহ জেলার গাবতলা পাড়ার আক্কাস আলীর ছেলে আহাদ (৩৫) ও কোটচাঁদপুর উপজেলার বাজারপাড়ার ইউসুফ আলীর ছেলে রিজভী সালমান (২৯)।

    জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান শেখ জানান, ভুয়া পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে দুইজনকে আটক করা হয়েছে এবং তাদের থানায় রাখা হয়েছে। পলাতক অন্যান্য সহযোগীদের শনাক্ত করে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে এবং তাদের বিরুদ্ধে মামলা दায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

    ওসি আরও বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। স্থানীয়রা এ ধরনের কেউ না করলে সড়কে এই ধরনের চাঁদাবাজির ঘটনা আর ঘটবে না বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন পুলিশি কর্তারা।

  • বিসিবি নির্বাচনের তদন্ত বিষয়টি আইসিসির নজরে এসেছে: বিসিবির উদ্বেগ

    বিসিবি নির্বাচনের তদন্ত বিষয়টি আইসিসির নজরে এসেছে: বিসিবির উদ্বেগ

    জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) কয়েক দিন আগে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ২০২৫ সালের নির্বাচনে অনিয়ম, কারসাজি ও ক্ষমতার অপব্যবহার বিষয়ে স্বাধীন তদন্তে ৫ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে। ওই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে বিসিবি উদ্বেগ জানিয়ে জানিয়েছে—এ বিষয়টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (আইসিসি) ও সেখানে থাকা সিনিয়র প্রতিনিধিদের নজরে পৌঁছেছে।

    বিসিবির তরফে বলা হয়েছে, বর্তমান বোর্ডটি একটি যথাযথভাবে নির্বাচিত এবং পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর প্রশাসনিক সংস্থা, যা তার সংবিধান ও প্রতিষ্ঠিত শাসন কাঠামোর অধীনে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে বোর্ড বাংলাদেশ ক্রিকেটের সর্বোত্তম স্বার্থ বজায় রেখে তার কাজ সম্পাদন করছে বলে তারা উল্লেখ করেছে।

    তবে এনএসসি যে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে, তাতে বিসিবি উদ্বিগ্ন যে তা তাদের নির্বাচিত প্রশাসনের স্থিতিশীলতা, স্বাধীনতা ও ধারাবাহিকতায় অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করতে পারে। এ উদ্বেগ আনানুষ্ঠানিকভাবে আইসিসির উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করে উত্থাপিত হয়েছে বলে বিসিবি জানিয়েছে।

    আইসিসির নীতি অনুযায়ী, কোনো নির্বাচিত ক্রিকেট সংস্থার কার্যক্রমে বাহ্যিক হস্তক্ষেপ মেনে নেওয়া হয় না এবং এমন বিষয়ে তারা অত্যন্ত জোরালো ভূমিকা নেয়। বিসিবি মনে করে, এই ধরনের হস্তক্ষেপ আইসিসির শাসন বিধির আওতায় পর্যালোচনার কারণ হতে পারে।

    তবে আইসিসির সঙ্গে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ শুরু করার আগে বিসিবি চাইছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সঙ্গে সরাসরি বসে গেজেটের প্রেক্ষাপট, উদ্দেশ্য ও সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে পরিষ্কার ব্যাখ্যা নেয়া হোক। বিসিবি জাতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে গঠনমূলক সংলাপের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং একই সঙ্গে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ক্রিকেট শাসন মানদণ্ড অনুযায়ী নির্বাচিত প্রশাসনের স্বায়ত্তশাসন রক্ষার ওপর জোর দিচ্ছে।

    পটভূমি হিসেবে জানা গেছে, কদিন আগে তামিম ইকবাল ও তাঁর সমমনা কিছু ক্রিকেট সংগঠক এনএসসিতে অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে এনএসসি ওই তদন্ত কমিটি গঠন করে এবং কমিটিকে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর মন্ত্রণালয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

  • সিরিজ জয়, র‌্যাংকিংয়ে সুখবর পেল বাংলাদেশ

    সিরিজ জয়, র‌্যাংকিংয়ে সুখবর পেল বাংলাদেশ

    রাজনৈতিক কারণে ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিতে পারেনি বাংলাদেশ। তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তাদের ফেরাটা দারুণ হলো। ঘরের মাঠে অনুষ্ঠিত দ্বিপাক্ষিক সিরিজ নিজেদের করে নিয়ে দর্শকদের আনন্দ দিলো টাইগাররা—এবারের জয়ই র‌্যাংকিংয়ে ইতিবাচক সঙ্কেত পাঠিয়েছে এবং ওয়ানডে বিশ্বকাপের সরাসরি টিকিটের দৌড়ে এক ধাপ এগোতে সাহায্য করলো।

    সিরিজের শুরুতে বড় ব্যবধানে জয় পেলেও দ্বিতীয় ম্যাচে নিচে নামা লাগল বড় হার দিয়ে। তবু সিরিজের শেষ ম্যাচে নাটকীয় লড়ে ১১ রানে জিতে বাংলাদেশ কাঁধে তুলে নিল সিরিজটিও এবং র‌্যাংকিংয়ে উন্নতিও নিশ্চিত করল।

    আগামী বছরের ৩১ মার্চ র‌্যাংকিংয়ের ওপরই নির্ভর করে চূড়ান্তভাবে বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার দলগুলো নির্ধারিত হবে। স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়ে ছাড়া র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষ ৮ দল সরাসরি সুযোগ পাবে। স্বাগতিক আরও একটি দেশ নামিবিয়াও সরাসরি খেলার যোগ্য। যদি দক্ষিণ আফ্রিকা র‌্যাংকিংয়ে শীর্ষ আটের মধ্যে থাকে, তাহলে সরাসরি সুযোগ পাবে র‍্যাংকিংয়ে নবম অবস্থানাধীশও—অর্থাৎ বাংলাদেশের জন্য অন্তত সেরা ৯-এর মধ্যে থাকা জরুরি, এবং আপাতত সেই অবস্থানে তারা উঠে এসেছে।

    পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের ফলে বাংলাদেশ ওয়েস্ট ইন্ডিজকে পিছনে ফেলে আইসিসি ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ে এখন ৯ নম্বরে আছে। সিরিজ শুরুর সময় তাদের রেটিং ছিল ৭৬ পয়েন্ট; ২-১ জয়ের পর তা বেড়ে ৭৯ পয়েন্টে উঠেছে। ক্যারিবীয়রা এখন ৭৭ পয়েন্ট নিয়ে ১০ নম্বরে নেমে এসেছে। সিরিজ হারলেও পাকিস্তান ৪ নম্বরে রয়েছে; তাদের রেটিংও ১০৫ থেকে কমে ১০২ হয়েছে।

    এই জয়ে আত্মবিশ্বাস বাড়লো বাংলাদেশ দল ও ভক্তদের—আপাতত র‌্যাংকিংয়ের প্রতিটি ম্যাচই এখন ভবিষ্যত বিশ্বকাপ স্বপ্নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে।

  • প্রিয়াঙ্কা সঙ্গে জাভিয়ের বারদেম অস্কারে: যুদ্ধ নয় — ফিলিস্তিনকে মুক্ত করুন

    প্রিয়াঙ্কা সঙ্গে জাভিয়ের বারদেম অস্কারে: যুদ্ধ নয় — ফিলিস্তিনকে মুক্ত করুন

    গত রোববার লস অ্যাঞ্জেলেসের ডলবি থিয়েটারের ৯৮তম একাডেমি অ্যাওয়ার্ডস অনুষ্ঠিত হলে ফিলিস্তিনের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করেছেন স্প্যানিশ অভিনেতা জাভিয়ের বারদেম। সেরা আন্তর্জাতিক পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বিভাগের পুরস্কারপ্রদানের মঞ্চে তার পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন ভারতীয় অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া।

    বারদেম তাঁর কোটের ওপর ‘No to War’ লেখা একটি পিন লাগিয়ে মঞ্চে ওঠেন এবং সংক্ষিপ্তভাবে বলেন, যুদ্ধকে না বলুন এবং ফিলিস্তিনকে মুক্ত করুন। তাঁর এই বক্তব্যে উপস্থিত অতিথিরা উষ্ণতা নিয়ে করতালি দেন। পরে ওই বিভাগে নরওয়ের চলচ্চিত্র ‘সেন্টিমেন্টাল ভ্যালু’ বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

    মঞ্চে ওঠার আগে রেড কার্পেটেও বারদেম স্পষ্টভাবে যুদ্ধবিরোধী অবস্থান নেন; সেখানে তিনি ফিলিস্তাইনের সমর্থনে বিশেষ প্যাচ লাগানো পোশাকে Poz দিয়েছিলেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালক কনান ও’ব্রায়েন উদ্বোধনী বক্তব্যে বর্তমান বিশ্বের অস্থির পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে বলেন, সিনেমা কেবল বিনোদন নয়, এটি বিশ্বজুড়ে শৈল্পিক ঐক্য ও আশা প্রদানের মাধ্যম। এবারের আসরে ৩১টি দেশের চলচ্চিত্র অংশগ্রহণ করে।

    উল্লেখযোগ্যভাবে, পল থমাস অ্যান্ডারসন পরিচালিত ‘ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার’ ছয়টি বিভাগে পুরস্কার জেতে, যার মধ্যে সেরা চলচ্চিত্র ও সেরা পরিচালকের মতো প্রধান পুরস্কারগুলো রয়েছে। রায়ান কুগলারের ‘সিনার্স’ চারটি এবং গিয়ের্মো দেল তোরোর ‘ফ্রাঙ্কেনস্টাইন’ তিনটি বিভাগে অস্কার জিতেছে। সেরা অভিনেতার পুরস্কার জিতেছেন মাইকেল বি. জর্ডন এবং সেরা অভিনেত্রী হিসেবে সম্মান পাচ্ছেন জেসি বাকলি।

  • অরিজিতের পথে? শ্রেয়া ঘোষালও প্লেব্যাক থেকে বিরতির কথা ভাবছেন

    অরিজিতের পথে? শ্রেয়া ঘোষালও প্লেব্যাক থেকে বিরতির কথা ভাবছেন

    বছরের শুরুতে প্লেব্যাক থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়ে আলোচনায় এসেছে অরিজিৎ সিং। এবার সেই পথে হাঁটার ইঙ্গিত দিলেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী শ্রেয়া ঘোষাল। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন যে বর্তমানে তিনি ক্লান্ত এবং ভবিষ্যতে গান থেকে সাময়িক বিরতি নেওয়ার কথাও ভাবছেন।

    শ্রেয়া বলেন, গানের জগতে যে পরিবর্তন চলছে, সবকিছুই গ্রহণযোগ্য বা আনন্দদায়ক নয়। বিশেষ করে লাইভ কনসার্টে লিপ-সিঙ্ক বা যান্ত্রিকভাবে গান পরিবেশনের প্রবণতাকে তিনি সমর্থন করেন না। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, “যেদিন আমাকে মঞ্চে দাঁড়িয়ে লিপ-সিঙ্ক করে গান গাইতে হবে, সেদিনই আমি গান গাওয়া ছেড়ে দেব।” আরো বলেন, “আমারও মাঝে মাঝে বিরতি নিতে ইচ্ছে করে।”

    এর আগে অরিজিত নিজের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে লিখেছিলেন যে গত কয়েক বছর ধরে দর্শক ও শ্রোতাদের যে ভালোবাসা পেয়েছেন তার জন্য তিনি কৃতজ্ঞ, কিন্তু এখন থেকে প্লেব্যাক ভোকালিস্ট হিসেবে তিনি নতুন কোনো কাজ গ্রহণ করবেন না।

    দুই প্রখ্যাত গায়কের এই ঘোষণা-ইঙ্গিত ভক্তদের মধ্যে নানা প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে। শ্রেয়া যদি প্লেব্যাক থেকে সাময়িক বিরতির সিদ্ধান্ত নেন, তা হলে সংগীতজগতের চলমান পরিবর্তন ও লাইভ পারফরম্যান্স নিয়ে নতুন আলোচনার সূত্রপাত হতে পারে।

  • ঢাবি-কুয়েটসহ নয়টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন ভিসি নিয়োগ

    ঢাবি-কুয়েটসহ নয়টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন ভিসি নিয়োগ

    সরকার দেশের নয়টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য (ভিসি) নিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে। আজ সোমবার (১৬ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন।

    মন্ত্রী জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে অধ্যাপক ছিদ্দিকুর রহমান খানকে চূড়ান্ত করা হয়েছে।

    এ ছাড়াও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রো‑ভিসি অধ্যাপক ড. মো. নুরুল ইসলামকে সেন্ট্রাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট)-এর ভিসি হিসেবে চূড়ান্ত হয়েছেন অধ্যাপক ড. মো. মাসউদ। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছেন অধ্যাপক ড. ফোরকান এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলাম।

    জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক রইস উদ্দিন।

    একই সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয় যে, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস এম এ ফায়েজ পদত্যাগ করেছেন। তার স্থলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদকে নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

    সভাপক মন্ত্রী-এর শুধু নাম ঘোষণা করা হয়েছে; বিস্তারিত কার্যনির্বাহী নির্দেশনা ও নিয়োগপত্র সংক্রান্ত তথ্য পরবর্তী সময়ে জানানো হবে।

  • নির্বাচনে নারী প্রার্থী কম হওয়ায় হতাশা: ইসি মাছউদ

    নির্বাচনে নারী প্রার্থী কম হওয়ায় হতাশা: ইসি মাছউদ

    জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেছেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারী ভোটারদের উপস্থিতি ও নারী কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ সন্তোষজনক হলেও প্রার্থী হিসেবে নারীর সংখ্যা অত্যন্ত কম এবং তা হতাশাজনক।

    মাছউদ সোমবার (১৬ মার্চ) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের অডিটরিয়ামে নারী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা অনুষ্ঠানে এসব কথা জানান। তিনি বলেন, গত নির্বাচনে নারী ভোটাররা জয়ের ক্ষেত্রে নির্ণায়ক ভূমিকা বেশ শক্তিশালীভাবে রেখেছেন। এমনকি যেসব এলাকায় আগের বার নারীরা ভোট দিতে না যাওয়ার প্রবণতা ছিল, সেসব এলাকায় এবার ব্যাপক উপস্থিতি দেখা গিয়েছে।

    তবে প্রার্থী হিসেবে নারীর অংশগ্রহণ নিয়ে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর মধ্যে নারীর অংশ মাত্র ০.৪ শতাংশ (করে কিছু রিপোর্টে ৪ শতাংশ হিসাবও দেখা গেছে), যা কোনোভাবেই প্রত্যাশিত নয়।

    নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন যে রাজনৈতিক দলগুলোর নিবন্ধনের শর্ত চালু আছে—আরপিও অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে দলের সব পর্যায়ের কমিটিতে অন্তত ৩৩ শতাংশ নারী সদস্য রাখার বিধান রয়েছে। আরপিও-এর ৯০ (বি), (সি) ও (জি) ধারার ভিত্তিতে দলগুলোকে এই লক্ষ্যমাত্রা কতটা পূরণ করছে, তা কমিশনকে নিয়মিত জানাতে হবে। যদি কোনো দল বাধ্যবাধকতা পূরণে ব্যর্থ হয়, কমিশন তাদের নিবন্ধন বাতিল করার ক্ষমতা রাখে। যেহেতু ২০৩০ সাল পর্যন্ত সময়সীমা রয়েছে, এখনই নিবন্ধন বাতিলের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না; কিন্তু সময়সীমা পার হলে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও তিনি সতর্ক করতে ছাড়েননি।

    স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে মাছউদ বলেন, সংসদ নির্বাচন শেষ হওয়ায় এখন স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে আছে। সেখানে সংরক্ষিত আসনের পাশাপাশি সরাসরি ভোটে কয়েকগুণ বেশি নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন। তিনি আশা করেন যে নারীর নেতৃত্ব ও উন্নয়নে কর্মরত ব্যক্তিরা সাধারণ নারীদের এই দিকে এগিয়ে আসতে আরও উৎসাহ দেবে ও সহায়তা করবে।

    মাছউদের বক্তব্য থেকে স্পষ্ট হয়েছে—নারী ভোটার ও কর্মীদের অবদান বাড়লেও রাজনীতিতে নারী প্রার্থীর প্রতিনিধিত্ব বাড়ানো এখনো চ্যালেঞ্জ। यही লক্ষ্য সামনে রেখে রাজনৈতিক দল, সংগঠন ও সমাজের প্রতিটি স্তরে আবারো জোরালো প্রচেষ্টা প্রয়োজন।

  • মীর স্নিগ্ধের আহ্বান: এনসিপি এখনই ১১-দলীয় জোট থেকে বেরিয়ে আসুক

    মীর স্নিগ্ধের আহ্বান: এনসিপি এখনই ১১-দলীয় জোট থেকে বেরিয়ে আসুক

    জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এখনই ১১-দলীয় নির্বাচনি জোট থেকে বেরিয়ে আসা উচিত—এমনটাই দাবি করেছেন জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদ মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধের ছোট ভাই মীর স্নিগ্ধ। শনিবার রাতের নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন।

    ফেসবুকে মীর স্নিগ্ধ লিখেছেন, ‘সামান্তা শারমিনের মতো আমিও মনে করি, এনসিপির এখনই জোট থেকে বেরিয়ে আসা উচিত। কারণটা খুবই সহজ—এনসিপি যদি নিজেকে বড় দল হিসেবে না দেখে, অন্য কেউ তাকে বড় করে তুলতে পারবে না।’

    তিনি আরও জানান, দলকে তাদের আদর্শ, অবস্থান এবং রাজনীতিকে দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এতে সাময়িক কিছু কষ্ট থাকতে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে তা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। মীর স্নিগ্ধ বলেন, ‘এই দেশের তরুণরা পুরোনো ধাঁচের রাজনীতিতে ক্লান্ত। তারা এনসিপিকে একটি স্বতন্ত্র রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে দেখতে চায়।’

    তিনি সতর্ক করেন যে, এখনই দল যদি স্বাধীন রাজনৈতিক পরিচয় নিচ্ছে না, তাহলে ধীরে ধীরে জনগণের মনে ধারণা গড়ে উঠবে যে এনসিপির কোনও স্বতন্ত্রতা নেই এবং একসময় তা স্থায়ী রূপ নিতে পারে।

    মীর স্নিগ্ধ আরও যুক্তি দিয়েছেন যে, এনসিপি যদি এখনই স্বতন্ত্রভাবে দাঁড়াতে পারে, তাহলে অজানা নয় কত প্রভাবশালী ও সম্ভাবনাময় নেতারা তাদের পাশে দাঁড়াতে প্রস্তুত—শুধু এই আশায় যে এনসিপি নিজস্ব স্বাধীন রাজনৈতিক পরিচয় গ্রহণ করবে। তার মতে, সময়টা এখনই।