Blog

  • প্রিয়াঙ্কা চোপরাকে সঙ্গে নিয়ে অস্কারের মঞ্চে ‘ফ্রি প্যালেস্টাইন’ স্লোগান দিলেন হাভিয়ের বারদেম

    প্রিয়াঙ্কা চোপরাকে সঙ্গে নিয়ে অস্কারের মঞ্চে ‘ফ্রি প্যালেস্টাইন’ স্লোগান দিলেন হাভিয়ের বারদেম

    দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ার ডলবি থিয়েটারে অনুষ্ঠিত ৯৮তম একাডেমি অ্যাওয়ার্ডসে (অস্কার) ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে সরব হয়েছেন স্প্যানিশ অভিনেতা হাভিয়ের বারদেম। রবিবার রাতে পুরস্কার প্রদানের মঞ্চে উঠে তিনি ‘যুদ্ধ নয়, ফিলিস্তিনকে মুক্ত করুন’—এ ধারার এক শ্লোগান দেন। সেই সময় মঞ্চে তার সঙ্গে ছিলেন ভারতীয় অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া।

    সেরা আন্তর্জাতিক পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বিভাগের পুরস্কার প্রদানের জন্য মঞ্চে ওঠা বারদেমের পোশাকে ‘No to War’ (যুদ্ধ নয়) লেখা একটি পিন দেখা যায়। পুরস্কার ঘোষণার আগে ইংরেজিতে তিনি বলেন, “Say no to war and free Palestine,”—অর্থাৎ যুদ্ধকে না বলুন এবং ফিলিস্তিনকে মুক্ত করুন। তার এই সংক্ষিপ্ত, স্পষ্ট বার্তায় উপস্থিত অতিথিরা করতালি দিয়ে সমর্থন জানান। পরে ওই বিভাগে নরওয়ের চলচ্চিত্র ‘সেন্টিমেন্টাল ভ্যালু’ বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

    এ অনুষ্ঠানের রেড কার্পেটে ওঠার আগেও বারদেম যুদ্ধবিরোধী অবস্থান প্রকাশ করেছিলেন; তিনি সেই সময় প্যালেস্টাইনের সমর্থন এবং যুদ্ধবিরোধী একটি প্যাচ লাগানো পোশাকে পোজ দিয়েছেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালক কনান ও’ব্রায়েন উদ্বোধনী বক্তব্যে বিশ্বজুড়ে চলমান অস্থিরতার কথা তুলে ধরে বলেন, সিনেমা শুধু বিনোদন নয়, এটি শৈল্পিক ঐক্য ও আশার প্রতীক। এবারের অস্কারে মোট ৩১টি দেশের চলচ্চিত্র অংশ নেয়।

    এ বছর ৯৮তম অস্কারে সর্বোচ্চ ছয়টি বিভাগে পুরস্কার জিতেছে পল থমাস অ্যান্ডারসনের পরিচালিত ‘ওয়ান ব্যাটল অ্যাফটার অ্যানাদার’—সেরা চলচ্চিত্র ও সেরা পরিচালকসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে এটি প্রধানত রাইজিং। রায়ন কুগলারের ‘সিনার্স’ চারটি ও গিয়ের্মো দেল টোরোর ‘ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন’ তিনটি বিভাগে অস্কার জিতেছে। ব্যক্তিগত বিভাগের বড় পুরস্কারগুলোতে সেরা অভিনেতার খেতাব জিতেছেন মাইকেল বি. জর্ডান এবং সেরা অভিনেত্রী নির্বাচিত হয়েছেন জেসি বাকলি।

    রেড কার্পেট থেকে মঞ্চ—উভয় ক্ষেত্রেই সিনেমা ও সমাজের বর্তমান ইস্যুগুলো নিয়ে বক্তৃতা ও চিন্তাশীল বার্তা উঠে এসেছে এই আয়োজনে। বারদেমের সংক্ষিপ্ত, সরাসরি বক্তব্য সহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক ফিল্মের জয়—সব মিলিয়ে এবারের অস্কারটিও ছিল কেবল উৎসব নয়, বরং রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক আলোচনার মঞ্চেও পরিণত।

  • জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেতা শামস সুমন আর নেই

    জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেতা শামস সুমন আর নেই

    ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন—জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেতা শামস সুমন আর নেই। মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তিনি বছরের ৬১ ছিলেন। পরিবারে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন।

    শামস সুমনের মৃত্যু সংবাদ হাসপাতাল থেকে নিশ্চিত করেন অভিনেতা সুজাত শিমুল। সুজাত শিমুল জানান, মঙ্গলবার বিকেল আনুমানিক পাঁচটার পর শামস সুমন হঠাৎ অসুস্থ বোধ করলে তিনি ওই সময় আরেক অভিনেতা শাহাদৎ হোসেনকে জানান। শাহাদৎ দ্রুত তাঁকে ঢাকার গ্রিন রোডের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান; সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যায় তিনি মারা যান।

    চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মৃত্যুর মূল কারণ ছিল কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট। সুজাত শিমুল বলছেন, ওই হাসপাতালের চিকিৎসকেরা এ তথ্য জানান।

    শামস সুমন সংগঠনে সক্রিয় ছিলেন—সংঘের সহ-সভাপতি হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন। মঞ্চ থেকে টেলিভিশন, বিজ্ঞাপন ও সিনেমা—বহুমাত্রিক ভূমিকায় কৃতিত্ব রেখে তিনি দর্শকের মনে জায়গা করে নিয়েছেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আবৃত্তি সংগঠন ‘স্বনন’-এর সদস্য ছিলেন তিনি।

    সাম্প্রতিক কয়েক বছরে অভিনয়ে অনিয়মিত থাকলেও শামস সুমন রেডিও ভূমির স্টেশন চিফ হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং চ্যানেল আই-এর অনুষ্ঠান বিভাগের পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। এক সময়ের জনপ্রিয় টিভি নাট্যশিল্পী তিনি; মঞ্চ, ছোট ও বড় পর্দায় অবস্থান ছিল দৃঢ়।

    শামস সুমন অভিনীত কিছু চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে: ‘মন জানে না মনের ঠিকানা’ (২০১৬), ‘কক্সবাজারে কাকাতুয়া’ (২০১৬), ‘চোখের দেখা’ (২০১৬), ‘প্রিয়া তুমি সুখী হও’ (২০১৪), ‘আয়না কাহিনী’ (২০১৩), ‘বিদ্রোহী পদ্মা’ (২০০৬), ‘জয়যাত্রা’ (২০০৪), ‘নমুনা’ (২০০৮), ‘হ্যালো অমিত’ (২০১২) ইত্যাদি। ২০০৮ সালে তিনি ‘স্বপ্নপূরণ’ চলচ্চিত্রে পার্শ্বচরিত্রে অভিনয়ের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন।

    পরিবার ও শিল্পসঙ্গী সূত্রে জানা, আগামী বুধবার সকাল ১০টায় চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে এবং সন্ধ্যায় রাজশাহীতে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে। রাজনীতিবিদ, কল্যাণ সংস্থা বা সহশিল্পীদের থেকে শোকবার্তা আসছে; শোক প্রকাশ করেছেন অনেকেই।

  • পবিত্র শবে কদরেও সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

    পবিত্র শবে কদরেও সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

    পবিত্র শবে কদরের সরকারি ছুটির দিনেও সচিবালয়ে দফতরীয় কাজ করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সূত্রে Tuesday (১৭ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে তিনি সচিবালয়ে এসে দফতরীয় কার্যক্রম শুরু করেন।

    মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। সুস্পষ্ট করা হয়েছে যে, ছুটির দিন সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রী আজ দুপুরে মন্ত্রিসভার বৈঠক ডেকেছেন।

    বৈঠকটি দুপুর ২টায় সচিবালয়ের ১ নম্বর ভবনের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হবে এবং বৈঠকের সভাপতি থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নিজেই।

    মন্ত্রিসভার বৈঠকের আগে তিনি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। এ সময় আবর্জনা পরিষ্কারে দেশীয় পদ্ধতিতে আধুনিক ভ্যাকুয়াম তৈরির প্রস্তাব ও তার প্রয়োগ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার কথা ছিল।

    এরপর ‘কৃষক কার্ড’ কার্যক্রমের অগ্রগতি ও তা বাস্তবায়ন নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আরও একটি বৈঠকও করবেন তিনি।

    সরকারি সূত্র জানান, দুপুরের মন্ত্রিসভার বৈঠকে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ পরিস্থিতি, দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা এবং আসন্ন ঈদুল ফিতর উদযাপন সংক্রান্ত প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হতে পারে।

    উল্লেখ্য, আজ পবিত্র শবে কদরের সরকারি ছুটি। পাশাপাশি আগামীকাল, বুধবার (১৮ মার্চ), নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য মঙ্গলবার থেকেই ধারাবাহিকভাবে সাত দিনের ছুটি শুরু হয়েছে।

    ছুটির এই পরিবেশ থাকা সত্ত্বেও দফতরিক কাজ এগিয়ে নিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী—এটাই বলছে সরকারি কর্মসূচি ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সূত্র।

  • কাউনিয়া বেইলি ব্রিজে সড়ক দুর্ঘটনায় এনসিপি এমপি ড. আতিকুর রহমান মোজাহিদ আহত

    কাউনিয়া বেইলি ব্রিজে সড়ক দুর্ঘটনায় এনসিপি এমপি ড. আতিকুর রহমান মোজাহিদ আহত

    ঢাকা থেকে নিজ এলাকায় ফেরার পথে রংপুর-কুড়িগ্রাম মহাসড়কের কাউনিয়া বেইলি ব্রিজ এলাকায় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে নির্বাচিত কুড়িগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আতিকুর রহমান মোজাহিদ সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন। এনসিপি বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

    আজ মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৬টার দিকে ঘটেছে এই দুর্ঘটনা। এমপিকে বহনকারী একটি হাইব্রিড মাইক্রোবাস কাউনিয়া বেইলি ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা দ্রুতগামী একটি ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের ফলে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের খাদে পড়ে দুমড়ে-মুচড়ে যায়।

    দুর্ঘটনায় ড. আতিকুর রহমান মোজাহিদ আহত হলেও গুরুতর আহত নন; প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বর্তমানে তিনি নিজ বাড়িতে অবস্থান করছেন। তবে ওই যাত্রীবাহী গাড়ির চালক ও ব্যক্তিগত সহকারী গুরুতরভাবে আহত হন। পুলিশ তাদের উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেছে।

    দুর্ঘটনার সঠিক কারণ এখনো পাওয়া যায়নি। পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থল থেকে জানাতে বলেছে আরও তদন্ত চলবে এবং পরবর্তীতে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।

  • জামায়াত আমির: বাংলাদেশ আর কোনো আধিপত্য মেনে নেবে না, জাতি ঘাড় থেকে বোঝা ফেলে দিয়েছে

    জামায়াত আমির: বাংলাদেশ আর কোনো আধিপত্য মেনে নেবে না, জাতি ঘাড় থেকে বোঝা ফেলে দিয়েছে

    সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামী আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশ আর কারো আধিপত্য মেনে নেবে না এবং অতীতের অন্যায়ের বোঝা জাতি ঘাড় থেকে নামিয়ে দিয়েছে। তিনি চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানকে উদাহরণ হিসেবে টেনে বলেন, এই গণআন্দোলনের জোরে দেশ দখলমুক্ত হয়েছে এবং আজকের যুবসমাজ মাথা উঁচু করে বাঁচতে চায়।

    মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকালে রাজধানীর মিরপুর-১৫ আসনে চীনের সহযোগিতায় আয়োজিত ফুডপ্যাক বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন ডা. শফিকুর রহমান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।

    বক্তব্যের শুরুতেই তিনি চীনা রাষ্ট্রদূতকে ধন্যবাদ জানান এবং চীনকে বাংলাদেশের একটি বড় ও আন্তরিক উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৭৬ সালে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির পর থেকে চীন বাংলাদেশের বিভিন্ন বড় স্থাপনা ও অবকাঠামো নির্মাণে নিরবচ্ছিন্ন ভূমিকা রেখেছে। মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়াম ও চীন–বাংলাদেশ মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রকে উদাহরণ ধরে বলেন, এসব স্থাপনা চীনের অকৃত্রিম বন্ধুত্বের প্রতীক; তবে এক সময়ে ‘‘ফ্যাসিস্ট’’ শাসনামলে এসব নিদর্শন হাইজ্যাক হয়ে গিয়েছিল।

    চীনকে প্রশংসা করে তিনি আরও বলেন, চীন বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করেনি, সে তুলনায় অনেকে কিছু না দিয়ে সব নিলে মাঝে মাঝে হস্তক্ষেপ করে থাকেন। তিনি বলেন, ‘‘চীন অবিরত বন্ধুর পরিচয় দিয়ে যাচ্ছে।’’

    তিস্তা প্রকল্প নিয়েও আশাবাদ ব্যক্ত করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তিস্তা প্রকল্প উত্তরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের কান্না, আমরা এই কষ্টের অবসান চাই এবং অতীতের লেগেসি আর বহন করব না।

    অনুষ্ঠানে তিনি উল্লেখ করেন, চীন ইতোমধ্যেই বাংলাদেশের জন্য এক হাজার বেডের দুটি হাসপাতাল এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ব্যবহারের জন্য একটি বড় হল নির্মাণের ঘোষণা ও বাজেট বরাদ্দ করেছে। তিনি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়নে একটি ‘পাইলট প্রজেক্ট’ গ্রহণের জন্য চীনা রাষ্ট্রদূতকে বিশেষ আহ্বান জানান।

    স্থানীয়দের উদ্দেশে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘‘আমি আপনাদেরই একজন। এই এলাকা আমার নিজের ঘর। সরকার বা বন্ধুরাষ্ট্র থেকে যা কিছু আসবে, তা আমানত হিসেবে আপনাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। পাশাপাশি ব্যক্তিগতভাবেও আমরা আপনাদের পাশে থাকার চেষ্টা করব।’’

    অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন দুস্থদের হাতে ফুডপ্যাক তুলে দেন। সময়ের মধ্যে জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, বিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ এবং স্বেচ্ছাসেবকরা উপস্থিত ছিলেন; তারা শৃঙ্খলা বজায় রেখে প্রতিটি আসনে উপহার সরবরাহ করেন।

  • জামায়াত-এনসিপি নিয়ে সংসদে প্রশ্ন তুললেন মনিরুল হক চৌধুরী

    জামায়াত-এনসিপি নিয়ে সংসদে প্রশ্ন তুললেন মনিরুল হক চৌধুরী

    রোববার জাতীয় সংসদের ধন্যবাদ প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা সভায় বিএনপি সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী জামায়াত ও এনসিপি সম্পর্কে নানা প্রশ্ন উত্থাপন করেন এবং অতীত‑বর্তমান রাজনীতি নিয়ে মন্তব্য করেন। সভার সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

    মনিরুল হক বলেন, স্বাধীনতার পর একটি মেধাবী শ্রেণি এসেছিল যারা জাসদ গঠন করেছিল। পরে বাড়াবাড়ি হওয়ার কারণে দেশ ও জাতির ক্ষতি হয়েছে এবং অনেকেই সরে গেছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন আল্লাহ তাদের সবাইকে সবকিছু হজম করার তৌফিক দিন।

    তিনি আরও বলেন, জামায়াতকে এ পর্যন্ত রাজনীতিতে নিয়ে আসার পেছনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ভূমিকা মনে করে স্মরণ করা উচিত। ১৯৯১ সালের সংসদে তিনি নিজে সাবেক নেত্রীর নেতৃত্বে কাজ করেছেন; সেই সহস্র মুহূর্তগুলো ভুলে যাওয়া যায় না। প্রশ্ন উঠে যে, কখনো যেন মনে হয় বাংলাদেশে বিএনপি ১৫-২০ বছর ছিলই না—এ ধরনের দাবি ইতিহাসের সঙ্গে انصاف হয় না।

    সংসদে দাঁড়িয়ে তিনি জানান, আগে যারা বিরুদ্ধে ছিলেন তাদের চেনতেন, কিন্তু আজকের বিরোধীপক্ষকে তিনি পুরোপুরি চিনতে পারছেন না। দলের নেতা তারেক রহমানের কথায় ‘কঠিন নির্বাচন’ বিষয়ে অনেকে আগে বুঝতেন না, তিনি তখন বুঝেছিলেন; পরে নির্বাচনের সময় তারা বুঝেছে কতটা কঠিন ছিল।

    মনিরুল হক অভিযোগ করেন, অনেক সদস্য নিয়ে সংসদে আসার পরও যাদের উচিত আলহামদুলিল্লাহ বলা হয়েছে, তারা হচ্ছেন জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ। কিন্তু একই সময়ে কিছু জীবিত মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে—মুক্তিযুদ্ধকে অন্য কোনও সঙ্গে তালিকাভুক্ত করা হচ্ছে কি না, এ প্রশ্ন তিনি তুলেছেন। তিনি যোগ করেন, যদি কোনো সময় ফ্যাসিস্ট শাসনের আমলে বিচারের নামে অন্যায় হয়ে থাকে, সেটা আলাদা বিষয় এবং সেটাও বিচারবিভাগীয় প্রক্রিয়ায় দেখা উচিত।

    শেষে তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর বা এনসিপির মতো দলের তরুণ নেতারা বয়সে ছোট হলে তাও তাদের তিনি শ্রদ্ধা করেন; কারণ তারা সাহসী সন্তান এবং এই যুগের চাহিদা মেটাচ্ছে।

  • নতুন গাইডলাইন: ক্রেডিট কার্ডের ঋণসীমা বাড়ল

    নতুন গাইডলাইন: ক্রেডিট কার্ডের ঋণসীমা বাড়ল

    বাংলাদেশ ব্যাংক ক্রেডিট কার্ড পরিচালনায় আরও সুশৃঙ্খল, স্বচ্ছ ও গ্রাহকবান্ধব পরিবেশ গঠনের লক্ষ্যে নতুন একটি পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন জারি করেছে। ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান রোববার এ তথ্য জানান।

    দৈনন্দিন চাহিদা ও নগদবিহীন লেনদেন বেড়ে যাওয়ায় ব্যক্তি পর্যায়ে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের পরিধি বিস্তার পেয়েছে। ফলে এই খাতে বিদ্যমান জটিলতা কমিয়ে নতুন সুবিধা ও নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থা যোগ করার প্রয়োজন দেখা দেয়। এ প্রেক্ষাপটে পূর্বের নীতিমালা হালনাগাদ করে গাইডলাইনটি প্রণয়ন করা হয়েছে।

    নতুন নির্দেশনায় ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করা, ভোক্তা অধিকার রক্ষা, দায়িত্বশীল ঋণপ্রদান উৎসাহিত করা এবং নগদবিহীন আর্থিক লেনদেনের জন্য স্বচ্ছ পরিবেশ গড়ে তোলার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। গাইডলাইনে ক্রেডিট কার্ড পরিচালনার বিভিন্ন দিক অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে—প্রযোজ্যতা ও সংজ্ঞা, কার্ডের প্রকারভেদ, গ্রাহকের যোগ্যতার মানদণ্ড, ঋণসীমা ও সুদের হার নির্ধারণ, কার্ড ইস্যু ও বিপণন পদ্ধতি, বিলিং ও আদায় প্রক্রিয়া, গ্রাহকের তথ্যের গোপনীয়তা ও অধিকার রক্ষা, বিরোধ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা, এবং অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

    একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হলো ক্রেডিট কার্ডে বিতরণযোগ্য সর্বোচ্চ ঋণসীমা বৃদ্ধি। আগের সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা থেকে তা এখন ৪০ লাখ টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। একই সঙ্গে অনিরাপদ ঋণের (গ্যারান্টিহীন বা সিকিউরিটিযুক্ত নয় এমন ঋণ) শীর্ষ সীমাও ১০ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    নতুন গাইডলাইনে গ্রাহকের অভিযোগ, অনিয়ম বা জালিয়াতি প্রতিরোধ, কার্ডভিত্তিক লেনদেনের পরিশোধে জটিলতা কমানো ও বিরোধ সমাধানের কার্যক্রমকে দক্ষ করার জন্য প্রয়োজনীয় সংশোধনী ও নির্দেশনা রাখা হয়েছে। ব্যাংক বা কার্ড ইস্যুকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে বলা হয়েছে যাতে গ্রাহকের তথ্য সুরক্ষা এবং লেনদেনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা যায়।

    গাইডলাইনের লক্ষ্য গ্রাহকদের জন্য নিরাপদ ও সুবিধাজনক ক্রেডিট কার্ড পরিবেশ বানানো, যেখানে ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে সার্ভিসের মান বজায় রেখে দায়িত্বশীল ঋণদানের অনুপ্রেরণা দেওয়া হবে। ব্যাংক জানিয়েছে, এই নির্দেশনা বাস্তবায়নে নিয়ন্ত্রক তদারকি বাড়ানোর পাশাপাশি গ্রাহক সচেতনতা ও বাজারের স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি পাবে।

  • চট্টগ্রাম-মোংলা বন্দর ও শিপিং করপোরেশনে অনিয়ম: দুদকের তদন্ত শুরু

    চট্টগ্রাম-মোংলা বন্দর ও শিপিং করপোরেশনে অনিয়ম: দুদকের তদন্ত শুরু

    দুর্নীতি ও নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে চট্টগ্রাম বন্দর, মোংলা বন্দর এবং বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের বিভিন্ন প্রকল্পে তদন্ত শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অনুসন্ধান ত্বরান্বিত করার জন্য উপ-পরিচালক নাজমুচ্ছায়াদাতকে প্রধান করে চারটি অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    দুদক সূত্রে জানা গেছে, রোববার (১৫ মার্চ) এই তথ্য প্রকাশ করে বলা হয় যে তদন্তের লক্ষ্য প্রধানত আর্থিক অনিয়ম এবং নিয়োগ-related অনিয়ম। সংস্থাটির প্রাথমিক তদন্তে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের বর্তমান চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে একাধিক আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্তে দেখা গেছে, যখন তিনি বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন, তখন ছয়টি জাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয় এবং মোট ব্যয় ধরা হয়েছিল ২ হাজার ৪৮৬ কোটি টাকা; কিন্তু শেষ পর্যন্ত মাত্র চারটি জাহাজ কেনা হয়। এতে প্রকল্পে প্রায় ৪৮৬ কোটি টাকার আর্থিক অসঙ্গতি ধরা পড়েছে বলে দুদক সূত্রে জানানো হয়েছে।

    অন্যদিকে, মোংলা বন্দরের পশুর চ্যানেল সংরক্ষণ ও ড্রেজিং প্রকল্পেও বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ প্রকল্পের জন্য মোট ১ হাজার ৫৩৮ কোটি টাকা বরাদ্দ থাকায় সংশ্লিষ্ট যোগান, কাজের মান ও হিসাব-নিকাশ খতিয়ে দেখছে অনুসন্ধানকারীরা।

    দুদকের তদন্তকারীরা সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো থেকে প্রয়োজনীয় নথিপত্র তলব করেছে এবং অভিযোগ যাচাই-বাছাই ও প্রমাণ সংগ্রহের স্বার্থে আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছে। অভিযুক্ত কোনো পক্ষের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা অভিযোগপত্র দাখিলের আগে তদন্তের বহুমুখী প্রক্রিয়া চলবে বলে দুদক জানিয়েছে।

    তদন্ত চলমান; সংস্থাগুলো থেকে সংগৃহীত নথি ও প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে পরবর্তী কার্যক্রম নির্ধারণ করা হবে।

  • ইরান ইস্যুতে ট্রাম্প প্রশাসনে ফাটল: কاؤن্টারটেরোরিজম প্রধান জোসেফ কেন্ট পদত্যাগ

    ইরান ইস্যুতে ট্রাম্প প্রশাসনে ফাটল: কاؤن্টারটেরোরিজম প্রধান জোসেফ কেন্ট পদত্যাগ

    ইরান সম্পর্কে নেওয়া সাম্প্রতিক নীতিকে নৈতিক ও আইনগত কারণে সমর্থন করতে না পেরে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল কাউন্টারটেরোরিজম সেন্টারের প্রধান জোসেফ কেন্ট পদত্যাগ করেছেন। কেন্টের এই সিদ্ধান্ত ট্রাম্প প্রশাসনের ভিতরে বিদ্যমান ধ্রুবক বিভক্তিকে আরও অস্পষ্ট করে তুলেছে।

    রয়টার্সসহ কিছু আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, এটি এখনও পর্যন্ত প্রশাসনের ভেতর থেকে ইরান যুদ্ধ নিয়ে আসা সবচেয়ে জোরালো অভ্যন্তরীণ প্রতিবাদ। অনেক কর্মকর্তা মনে করছিলেন যে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তাঁর ঘনিষ্ঠ মিত্ররা এককভাবে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন; এই মূহুর্তে কেন্টের বিদায় সেই অভিযোগকে আরও জোরালো ভাঙচুরের মতো রূপ দিয়েছে।

    নিজের পদত্যাগপত্রে কেন্ট লিখেছেন, ‘বিবেকের তাড়নায় আমি ইরানবিরোধী এই যুদ্ধকে সমর্থন করতে পারছি না। ইরান আমাদের জন্য কোনো তাৎক্ষণিক হুমকি ছিল না। স্পষ্টতই ইসরায়েল ও তাদের প্রভাবশালী লবির চাপের কারণে আমরা এই সংঘাতে জড়িয়েছি।’

    কেন্ট তার বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এও প্রকাশ করেছেন। তার পদত্যাগের খবর পাওয়ার পর গোয়েন্দা মহলের অনেকেই অবাক হয়েছেন; সূত্রগুলো বলছে, বিষয়টি অনেককে অপ্রস্তুত অবস্থায় ফেলেছে।

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ মন্তব্য করেন যে বর্তমান আইন ও প্রচলিত রীতিনীতিতে কোনো দেশে সামরিক অভিযান শুরু করার ক্ষেত্রে ‘তাৎক্ষণিক হুমকি’ থাকা গুরুত্বপূর্ণ একটি শর্ত। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, ইরানের বিরুদ্ধে এই মূহূর্তে সেই ধরনের স্পষ্ট ও তাৎক্ষণিক হুমকির প্রমাণ ছিল না।

    ফলত, এতদিন যেসব নানান জায়গায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পদক্ষেপে পশ্চিমা মিত্ররা সমর্থন দেখিয়েছে, এবারের ঘটনায় তাদের অনেকেই সরিয়ে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন। ট্রাম্প যখন মিত্রদের যুদ্ধ জোড়াতে বলছেন, তখন অনেক দেশের সরকার সরাসরি বলছে—এই সংঘাত তাদের লড়াই নয়। সংবাদে বলা হয়েছে, স্পেন এমন পদক্ষেপও নিয়েছে যাতে তাদের ঘাঁটিটি ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালাতে না পারে।

    ইরানের প্রতিরোধের মুখে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কিছু দুর্বলতাও ধরা পড়তে শুরু করেছে। এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্প এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বিভিন্ন সময়ে একরকমের স্থির বক্তব্য দিতে পারেননি, ফলে তাদের অভিযান-উদ্দেশ্য নিয়ে বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে।

    কেন্টের পদত্যাগ হাইভোল্টেজ পরিস্থিতিতে আগুনে ঘি ঢালার মতো প্রভাব ফেলেছে; তবে হোয়াইট হাউস দ্রুত কোনো মন্তব্য করেনি। জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালকের কার্যালয়ও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

    জোসেফ কেন্টের সঙ্গে পরিচিত কংগ্রেসের সাবেক সদস্য তুলসি গ্যাবার্ডও কিছুটা নীরব মনোভাব গ্রহণ করেছেন—যদিও তিনি কয়েকবার আমেরিকার বিদেশনীতি নিয়ে সমালোচনামূলক মন্তব্য করে এসেছেন। চলতি সংঘর্ষে তিনি প্রকাশ্যভাবে বড় কোনো বিবৃতি দেননি; কেবল সাম্প্রতিক সময়ে নিহত মার্কিন সেনাদের মরদেহ দেশে ফেরানোর আনুষ্ঠানিকতায় তাকে দেখা গেছে।

    অবশেষে, কেন্টের পদত্যাগ ট্রাম্প প্রশাসনের মধ্যে যে ভিন্নমত ও অনিশ্চয়তা রয়েছে তা আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নতুন প্রশ্ন তুলে দিয়েছে—বিশেষত আইনি অধিক্ষেত্রে যুদ্ধ আরোপের নৈতিকতা ও বৈধতা নিয়ে। ভবিষ্যতে এই বিতর্ক কেমন মোড় নেবে, তা সময়ই বলে দেবে।

  • ফুজাইরাহ উপকূলে ট্যাংকারে হামলা

    ফুজাইরাহ উপকূলে ট্যাংকারে হামলা

    সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রধান বন্দর ফুজাইরাহের কাছে একটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার ঘটনা ঘটেছে। ব্রিটিশ সংস্থা ইউকে মেরিটাইম ট্রেড অপারেশন (UKMTO) মঙ্গলবার ভোরে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

    ইউকেএমটিও বলেছে, হামলাটি ওমান উপসাগরের তীরবর্তী অঞ্চলে ঘটেছে—ফুজাইরাহ থেকে প্রায় ২৩ নটিক্যাল মাইল দূরে। ঘটনার সময় জাহাজটি নোঙ্গর করা অবস্থায় ছিল।

    বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জাহাজে বিস্ফোরক ধরনের আঘাত ধরা পড়েছে। কীভাবে এই আঘাত হয়েছে—ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র নাকি অন্য কোনো অস্ত্র—তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে আকস্মিক হামলার পর জাহাজে বড় ধরনের ক্ষতি হয়নি এবং কোনো হতাহতের খবর নেই।

    ফুজাইরাহ বন্দর হরমুজ প্রণালীর নিকটবর্তী একটি কৌশলগত সমুদ্রবন্দর এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের জ্বালানি রফতানিতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক কর্তৃপক্ষ ঘটনা তদন্ত করে বিস্তারিত জানালে তা সম্পর্কে আরও আপডেট জানানো হবে।