Blog

  • জেমস বন্ড নির্মাতা লি তামাহোরি আর নেই

    জেমস বন্ড নির্মাতা লি তামাহোরি আর নেই

    নিউজিল্যান্ডের খ্যাতনামা চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং জেমস বন্ড সিরিজের জনপ্রিয় সিনেমা ‘ডাই অ্যানাডার ডে’ এর পরিচালক লি তামাহোরি মারা গেছেন। দ্য গার্ডিয়ানের খবর অনুযায়ী, তিনি শুক্রবার (৭ নভেম্বর) বয়সের ৭৫ বছর পুর্ণ করে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার পরিবারের বরাত দিয়ে রেডিও নিউজিল্যান্ড জানায়, দীর্ঘদিন পারকিনসনের রোগে ভোগার পর তিনি নিজ বাসায়ই শান্তিপূর্ণভাবে চলে যান।

    পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়, লির রেখে যাওয়া সৃষ্টিশীলতা ও অনুপ্রেরণা অব্যাহত থাকবে তার উত্তরাধিকার, তার নাতি-নাতনিদের পাশাপাশি আরও তরুণ নির্মাতাদের জন্য যাদের তিনি অনুপ্রাণিত করেছেন। তিনি ছিলেন এক কথায় দৃঢ়চেতা নেতা ও প্রবল সৃজনশীল একজন শিল্পী, যিনি পর্দার সামনে এবং পেছনে মাওরি সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সম্মানে ও শ্রদ্ধায় তুলে ধরেছেন।

    জানানো হয়, লি তামাহোরি ১৯৫০ সালে ওয়েলিংটনে জন্মগ্রহণ করেন। তার মাওরি ও ব্রিটিশ বংশের সংমিশ্রণে তাকে গড়ে উঠতে দেখা গেছে। তার ক্যারিয়ার শুরু হয় অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের চলচ্চিত্র শিল্পে, যেখানে তিনি সােআর গুডবাই পার্ক পাই ও দ্য কোয়ায়েট আর্থের মতো সিনেমায় সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেন। পাশাপাশি নাগিসা ওশিমার বিশ্ববিখ্যাত সিনেমা ‘মেরি ক্রিসমাস’ ও ‘মিস্টার লরেন্স’-এ তিনি প্রথম সহকারী পরিচালক হিসেবে অভিজ্ঞতা অর্জন করেন।

    তাদের পরিচালনায় ১৯৯৪ সালে মুক্তি পাওয়া ‘ওয়ান্স ওয়ার ওয়ারিয়র্স’ ছিল নিউজিল্যান্ডের ইতিহাসে অন্যতম দর্শকপ্রিয় সিনেমা, যা সেই সময় সর্বোচ্চ আয়ের রেকর্ড গড়েছিল। এরপর তিনি মুলহল্যান্ড ফলস, দ্য এজ, অ্যালং কেইম আ স্পাইডারসহ বেশ কিছু হলিউড সিনেমার নির্মাতা হিসেবে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রশংসিত হন।

    ২০০২ সালে পিয়ার্স ব্রসনানের সঙ্গে জেমস বন্ড সিরিজের ‘ডাই অ্যানাডার ডে’ সিনেমাটি তার ক্যারিয়ারের উল্লেখযোগ্য কাজ হিসেবে বিবেচিত হয়। হলিউডের ব্যবসা শেষে তিনি আবার নিউজিল্যান্ডে ফিরে আসেন এবং সেখানে ‘মাহানা’ এবং সাম্প্রতিক সময়ে ‘দ্য কনভার্ট’ সিনেমাগুলি পরিচালনা করেন, যাতে ব্রিটিশ মিশনারির চরিত্রে অভিনয় করেন গাই পিয়ার্স।

  • ধর্মেন্দ্র মৃত্যুর গুঞ্জনে স্ত্রীর কঠোর প্রতিক্রিয়া: যা ঘটছে তা ক্ষমার অযোগ্য

    ধর্মেন্দ্র মৃত্যুর গুঞ্জনে স্ত্রীর কঠোর প্রতিক্রিয়া: যা ঘটছে তা ক্ষমার অযোগ্য

    বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা ধর্মেন্দ্রর শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা। প্রবীণ এই তারকা বর্তমানে ভেন্টিলেশনে রয়েছেন, এবং তার মৃত্যু নিয়ে ভুয়া খবর ছড়িয়ে পড়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। এসব গুজবের মাঝে অবশেষে মুখ খুলেছেন ধর্মেন্দ্রর স্ত্রী হেমা মালিনী এবং মেয়ে এষা দেওল, যারা এইসব খবরকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং অতি অপ্রিয় বলে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছেন।

    কথা হচ্ছে, যখন গুঞ্জন চেপে বসেছিল, তখন ধর্মেন্দ্রর মেয়ে এষা দেওল তার অফিসিয়াল ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছেন। এতে তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, তার বাবার অবস্থা এখন স্থিতিশীল এবং তিনি ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন। তালেবাদ দিয়ে তিনি সকলকে অনুরোধ করেছেন, আমাদের পরিবারের গোপনীয়তা রক্ষা করার, এবং বাবার দ্রুত আরোগ্যের জন্য প্রার্থনা করতে সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

    অন্যদিকে, ধর্মেন্দ্রর শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে ভুয়া খবর ছড়ানোর ঘটনায় আরও বেশি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তার স্ত্রী হেমা মালিনী। তিনি এক পোস্টে কঠোর ভাষায় এইসব গুজবের নিন্দা জানিয়েছেন। হেমা লিখেছেন, ‘যা ঘটছে তা ক্ষমার অযোগ্য। একটি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে, যেখানে আমরা জানিনা সত্যিটা। আমি কোনো ধারণা করি না কীভাবে এই ধরনের ভুয়া খবর ছড়ানো হতে পারে, যখন দেখা যায় যে, অভিনেতা চিকিৎসার প্রতি সাড়া দিচ্ছেন এবং ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন। এটা অত্যন্ত অসম্মানজনক ও দায়িত্বজ্ঞানহীনতা। কেউ দয়া করে পরিবারের গোপনীয়তার প্রতি সম্মান দেখান।’

    পরিবারের নিশ্চিতকরণ মতে, বলিউডের ‘হি-ম্যান’ খ্যাত এই অভিনেতা বর্তমানে সুস্থ হয়ে উঠছেন এবং চিকিৎসার প্রতিও যথাযথভাবে মনোযোগ দিচ্ছেন। গুজবে কান না দেওয়ার এবং পরিবারের গোপনীয়তা রক্ষা করার জন্য ধর্মেন্দ্রর পরিবার সকলের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।

  • ৩,৮০০ শিশুর হার্ট সার্জারির খরচ বহন করে গিনেসে নাম পলক মুচ্ছলের

    ৩,৮০০ শিশুর হার্ট সার্জারির খরচ বহন করে গিনেসে নাম পলক মুচ্ছলের

    গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে তার নাম উঠে এসেছে বলিউডের জনপ্রিয় গায়িকা পলক মুচ্ছলের। তবে তার এই সাফল্য সুরের জন্য নয়, বরং মানবসেবা ও দৃষ্টান্ত স্থাপনায়। পলক মুচ্ছল তার নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা দিয়ে প্রায় ৩,৮০০ দুস্থ শিশুর হার্ট সার্জারির খরচ বহন করেছেন, যা তাকে এই বিশ্ববিখ্যাত রেকর্ডে নাম লেখানোর সুযোগ করে দিয়েছে। এটি সত্যিই এক অনুপ্রেরণাদায়ক গল্প।ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ছোট থেকেই মানবসেবায় মনোযোগী পলক। তিনি নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘পলক পলাশ চ্যারিটেবল ফাউন্ডেশন’ প্রতিষ্ঠা করেন ২০১১ সালে। এই সংগঠনের মাধ্যমে তিনি অসংখ্য শিশুর হার্টের জীবন রক্ষা করেছেন। সেই প্রচেষ্টার জন্য তিনি গিনেস বুকে এবং লিমকা বুক অফ রেকর্ডস-এ স্থান পেয়েছেন।অল্পসংখ্যক শিশু দিয়ে শুরু হওয়া এগুলো বর্তমানে তার life’s biggest mission। তিনি বলেন, ‘প্রতিটি কনসার্ট এখন আমার এই সংস্থার জন্য হয়, যাতে দরিদ্র শিশুদের হার্ট সার্জারির জন্য অর্থ সংগ্রহ করা যায়।’ এই সংগঠন চালু করার পেছনে তাঁর দীর্ঘতর গল্প রয়েছে। সাত বছর বয়সে, যখন তিনি দুস্থ শিশুদের কষ্ট দেখতে পেতেন, তখন থেকেই মানবসেবা করার প্রতিশ্রুতি নেন। কার্গিল যুদ্ধের জখম সৈন্যদের চিকিৎসার জন্য রাস্তায় গান গেয়ে তিনি ২৫ হাজার টাকা উপার্জন করেন। এই সব চেষ্টা ও শ্রম তাকে আজকের স্বীকৃতি এনে দিয়েছে, যা শুধু তার নয়, বরং হাজারো শিশুর জীবনে নতুন আলো জ্বালিয়েছে।

  • নিজ বাড়িতে অজ্ঞান হয়ে হাসপাতালে ভর্তি বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা গোবিন্দ

    নিজ বাড়িতে অজ্ঞান হয়ে হাসপাতালে ভর্তি বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা গোবিন্দ

    বলিউডের প্রখ্যাত অভিনেতা গোবিন্দ বুধবার (১২ নভেম্বর) ভোরে মুম্বাইয়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সকাল থেকে আচমকা মাথা ঘোরা ও অচেতন হয়ে পড়ার পর পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছে দেন। তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও আইন উপদেষ্টা ললিত বিন্দাল জানিয়েছেন, বর্তমানে গোবিন্দ স্থিতিশীল আছেন এবং চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন।

    ললিত আরও বললেন, মঙ্গলবার সকালে থেকেই গোবিন্দ কিছুটা দুর্বলতা অনুভব করছিলেন। বিকেলে নয়-সাতটার দিকে তিনি হঠাৎ দিকভ্রান্ত হয়ে পড়েন এবং অচেতন হয়ে যান। এরপর পারিবারিক চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী কিছু ওষুধ খান তিনি। রাত সাড়ে আটটা থেকে নয়টার মধ্যে ওষুধ খেয়ে বিশ্রাম নেওয়ার চেষ্টা করেন।

    তবে মধ্যরাতের দিকে আবারও তার শ্বাসকষ্ট ও মাথা ঘোরা শুরু হয়। তখন গোবিন্দ তার বন্ধু ললিতকে ফোন করেন। পরে তিনি পরিস্থিতি বুঝতে পেরে রাত ১২টা ১৫ মিনিটে তার বাসায় পৌঁছে যান ও দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান। রাত ১টার দিকে তাঁকে ক্রিটিকেয়ার এশিয়া মাল্টিপারGyশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    প্রাথমিকভাবে গোবিন্দকে জরুরি বিভাগের আইসিইউতে নেওয়া হলেও পরে তাকে সাধারণ কক্ষে স্থানান্তর করা হয়। বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হলেও এখনো রিপোর্ট পাওয়া যায়নি। চিকিৎসকদের ধারণা, রিপোর্ট হাতে পেলে আরও নির্দিষ্ট العلاج নির্ধারণ করা সম্ভব হবে। গোবিন্দের বন্ধু ললিত বলেছেন, ‘আজ সকালে আমি তাঁর সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি এখন অনেকটা ভালো আছেন বলে জানিয়েছিলেন।’

    উল্লেখ্য, হাসপাতালের ভর্তির সময় গোবিন্দের স্ত্রী সুনীতা আহুজা বা তাঁর মেয়ে টিনা কেউই তার সঙ্গে ছিলেন না। ললিত জানান, সুনীতা তখন শহরে ছিলেন না, একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন। এরপর রাতে মুম্বাই ফিরে এসে হাসপাতালে আসেন। তাঁর মেয়ে টিনা তখন চণ্ডীগড়ের দিকে ছিলেন, তিনি পথে আছেন এবং সন্ধ্যার মধ্যে বাবার সঙ্গে দেখা করবেন।

    অন্যদিকে, একদিন আগে অভিনেতা ধর্মেন্দ্রকে দেখতে যান গোবিন্দ। সম্প্রতি তিনি ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি হন। এই ঘটনার পরই গোবিন্দ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়। অস্তিত্বের এই সংক্ষিপ্ত ঘটনায় তাঁর সুস্থতা কামনায় ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মনে আশার আলো জ্বলজ্বল করছে।

  • হিরো আলমের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

    হিরো আলমের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

    রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় একটি মামলায় সাবেক স্ত্রী রিয়া মনির হত্যা ও মারধরসহ ভয়ভীতি দুর্নীতির অভিযোগের ভিত্তিতে আলোচিত কন্টেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল আলম, যিনি হিরো আলম হিসেবে পরিচিত, এবং তার সহযোগী আহসান হাবিব সেলিমের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। বুধবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ওয়াহিদুজ্জামান এ আদেশ দিয়েছেন।

    মামলার ভারপ্রাপ্ত আইনজীবী জিয়াউর রহমান চৌধুরী বলেন, আসামিরা জামিনের শর্ত ভঙ্গ করে আদালতে হাজিরা দিচ্ছিলেন না, এ কারণে তাদের জামিন বাতিলের জন্য আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

    এ বছর ২৩ জুন দাখিল করা মামলার এজাহারে জানা যায়, মনোমালিন্যর ঘটনায় হিরো আলম তার স্ত্রী রিয়া মনিকে বাসা থেকে বের করে দেন। পরে মীমাংসার জন্য হাতিরঝিল থানার এক বাসায় রিয়া মনিকে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে অজ্ঞাতনামা প্রকৃতির ১০-১২ জনের সঙ্গে আসামিরা তাকে মারধর করেন এবং গলার স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেন। উল্লেখ্য, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রিয়া মনির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে।

  • শেষ বিকেলে স্পিনারদের দৃঢ় বোলিংয়ে স্বস্তি ফিরল বাংলাদেশে

    শেষ বিকেলে স্পিনারদের দৃঢ় বোলিংয়ে স্বস্তি ফিরল বাংলাদেশে

    দিনের শুরুতেই বাংলাদেশ দল দুর্দান্তভাবে উইকেট তুলে নিতে শুরু করে। প্রথম ওভারেই গুরুত্বপূর্ণ দুটি উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচের তারতাহত কিছুটা বাংলাদেশের পক্ষে থাকলেও, প্রথম সেশনে আর কোনো উইকেট পতন হয়নি। এই সময়ে আইরিশ ব্যাটাররা পল স্টার্লিং ও ক্যাড কারমাইকেলের জোড়া ফিফটিতে বড় সংগ্রহ গড়ে তোলে। তবে শেষ বিকেলে স্পিনাররা দুর্দান্ত ফুটপ্রিন্ট দেখিয়ে বাংলাদেশকে স্বস্তির দিশা দেখান। হাসান মুরাদ ও মেহেদী মিরাজের ধৈর্য্য ও নিখুঁত বোলিংয়ে দিন শেষ করে স্বাগতিক দল।

    সিলেট টেস্টের প্রথম দিন শেষে আয়ারল্যান্ডের সংগ্রহ ৮ উইকেট হারিয়ে ২৭০ রান। দলের হয়ে বেন মেকার্থি ৫৬ বলে ২১ রান করে অপরাজিত থাকেন। বাংলাদেশের জন্য তিনটি উইকেট শিকার করেন মেহেদি মিরাজ।

    মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতেই ব্যাটিং শুরু করে আইরিশরা। প্রথমেই তারা উইকেট হারায়, বাংলাদেশের পেসার হাসান মাহমুদ অ্যান্ডি বালবির্নিকে আউট করেন। এরপরই বাংলাদেশের ফিল্ডাররা বেশ কিছু ভুল করে, যার সুযোগ নিয়ে আয়ারল্যান্ডের ব্যাটাররা আক্রমণ চালায়। পল স্টার্লিং তার ফিফটি তুলে নেন, এক উইকেটে ৯৪ রান সংগ্রহ করে মধ্যাহ্ন বিরতিতে যায় আয়ারল্যান্ড।

    দ্বিতীয় সেশনে বাংলাদেশ ফিরে এসে ম্যাচের ঘুরব PTOপ্র, স্টার্লিংকে আউট করেন নাহিদ রানা। ৬০ রান করে তিনি ফিরেন। এরপর হ্যারি টেক্টর মাত্র ১ রান করে মেহেদী হাসান মিরাজের বলে এলবিডব্লিউ হন। এরপর ক্যাম্ফার ও কারমাইকেল জুটিতে কিছুটা ধীর রপ্তানি হয়। তারা ৫৩ রানে যোগ করেন, কিন্তু এই জুটিতে বাংলাদেশ স্পিনার মিরাজ দুর্দান্ত পারফর্ম করেন। কারমাইকেল অবশ্য রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে ক্যাচে পরিণত হন, যা লেগ স্লিপে নাজমুল হোসেন শান্ত ধরেন।

    বিরতির আগে, কারমাইকেল ৫৩ বলে ৫৩ রান করে আউট হন। তার ফিরে যাওয়ার পর, লরকান টাকার কেও নিয়ে ৫৩ রানের একটি জুটি গড়েন ক্যাম্ফার। কিন্তু দলীয় ২০৩ রানে ক্যাম্ফার সাজঘরে ফিরে যান, তার ব্যক্তিগত অর্ধশতক থেকে ৬ রান দূরে। এরপর টাকারও আউট হন। আয়ারল্যান্ডের জন্য জোড়া জুটি গড়ে খেলতে থাকেন বেন ম্যাকার্থি ও জর্ডান নিল। দিনশেষে, জর্ডান নিলকে এলবিডব্লিউ করে বাংলাদেশ অষ্টম উইকেট পায়। এই জুটিতে তারা ৪৮ রান যোগ করে, ফলে আইরিশরা দিন শেষ করে ৮ উইকেটে ২৭০ রান সংগ্রহ করে।

  • মাহেদির ব্যাটিং নৈপুণ্যে খুলনা জয়, চট্টগ্রামকে হারিয়ে শীর্ষে উঠেছে বিভাগটি

    মাহেদির ব্যাটিং নৈপুণ্যে খুলনা জয়, চট্টগ্রামকে হারিয়ে শীর্ষে উঠেছে বিভাগটি

    জাতীয় ক্রিকেট লীগে ২৭তম আসরের তৃতীয় রাউন্ডের শেষ ম্যাচে মহান কৌশল ও অনুপ্রেরণাদায়ক batting পারফরম্যান্সের জন্য খুলনা বিভাগ শীর্ষস্থান দখল করে নিয়েছে। স্পিন অলরাউন্ডার মাহেদি হাসান বিশেষ দক্ষতার সাথে ব্যাট চালিয়ে দলকে গুরুত্বপূর্ণ জয়ে এগিয়ে নিয়ে যান। তিনি ৫০ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন এবং ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন। এই জয়ে খুলনা ৩ ম্যাচে ২ জয় ও ১ হারে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে অবস্থান করছেন। অন্যদিকে, চট্টগ্রাম বিভাগ মোট ৩ ম্যাচে ১ জয়, ১ ড্র এবং ১ হার নিয়ে ১০ পয়েন্টে রয়েছে, যা তাদের তৃতীয় স্থানে রেখেছে।

    চট্টগ্রামে যানকা বন্ধু শহিদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে খেলা অনুষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রাম প্রথমে বল করে ২৩৭ রান টার্গেট দেয় খুলনাকে। এর জবাবে, খুলনা শুরুতেই দিন শুরু করে ৫২ রানে অমিত মজুমদার ও সৌম্য সরকার ৮৫ রানে জুটি বেঁধে। সৌম্য সাধারণত ৯০ বলে ৭১ রান করেন, যাতে ৬টি চার ও ২টি ছক্কা অন্তর্ভুক্ত। অপরাজিত থাকেন মাহেদি হাসান ৫০ রান করে, আর রানা ২ রান করে।

    খুলনার জন্য মধ্যম অর্ডার এ উপযুক্ত সংগ্রামের পর, নাইম হাসান ৫ উইকেট নিয়ে চট্টগ্রামের বোলিং কার্যক্রমে ভিন্নমাত্রা যোগ করেন। চট্টগ্রামের স্পিনার নায়েম হাসানের ৫ উইকেটের পাশাপাশি, শুরুতেই খুলনার উইকেট পতনের পর ম্যাচে নাটকীয় মনোভাব দেখা যায়। মাহেদি ও নাহিদুল ইসলাম মধ্যমে জুটি গড়ে ৫৭ রান করে, যা দলের জয়ের মূল ভিত্তি। মাহেদি শেষ পর্যন্ত ৫০ রান করে অপরাজিত থাকেন, দলের জয়ের সূচনা করে। সৌম্য এই ম্যাচে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এবং ম্যাচের সেরা হন। এই জয়ে খুলনা বিভাগ বর্তমান সময়ে ক্রিকেট প্রেমীদের মন জয় করে নিয়েছে।

  • সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের সাথে ক্রিকেটার মুস্তাফিজের সাক্ষাৎ

    সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের সাথে ক্রিকেটার মুস্তাফিজের সাক্ষাৎ

    সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের খ্যাতনামা ক্রিকেটার মোস্তাফিজুর রহমান। এই সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশের বিভিন্ন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, যারা বাংলাদেশ ক্রিকেটের এই কৃতী সন্তানকে স্বাগত ও সম্মান জানান।

    সাক্ষাৎকালে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম তাকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে দেশের জন্য তার অসাধারণ ক্রীড়া অবদানের জন্য প্রশংসা করে। তারা আলোচনা করেন জেলার ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়ন, তরুণদের মধ্যে খেলাধুলায় আগ্রহ বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন পরিকল্পনা, এবং মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে খেলাধুলার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায়।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ মুকিত হাসান খান, ডিএসবি কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম, ইন্সপেক্টর মোঃ সাইফুল ইসলাম সহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।

    সাক্ষাৎ শেষে, জেলা পুলিশ পক্ষ থেকে ক্রিকেটার মুস্তাফিজকে একটি উপহার সামগ্রী, ওয়ালমেট প্রদান করা হয়, যা তার প্রতিক্রিয়া ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের মুহূর্ত করে তোলে।

  • প্রথম চার ব্যাটারীর ৮০ ছাড়ানো ইনিংসে বাংলাদেশের রেকর্ড

    প্রথম চার ব্যাটারীর ৮০ ছাড়ানো ইনিংসে বাংলাদেশের রেকর্ড

    আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে চলমান টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচে সিলেটে মাঠে নেমে দুর্দান্ত শুরু করেছেন বাংলাদেশের ব্যাটাররা। প্রথম ইনিংসের খেলায় তারা এখন পর্যন্ত ৮ উইকেটে ৫৮৩ রান সংগ্রহ করে, যার মাধ্যমে তারা ২৯৭ রানের বিশাল লিড নিতে সক্ষম হয়েছে। এই প্রাধান্য বাংলাদেশের দিক থেকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং ম্যাচের পরিস্থিতি একদিকে ঝুঁকে পড়েছে।

    প্রথম ইনিংসের এই বিশাল সংগ্রহের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছেন বাংলাদেশের প্রথম চার ব্যাটার। তারা একসঙ্গে ১৬৮ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়ে, যেখানে ওপেনার সাদমান ইসলাম ৮০ রান করে দলের রেকর্ডে নাম লিখিয়েছেন। যদিও সেঞ্চুরি করার সুযোগ হয়নি তার, তবে অন্য ওপেনার মাহমুদুল হাসান ১৭১ রান করে দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। এরপরের দুই ব্যাটার, মুমিনুল হক ও নাজমুল শান্তও নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন।

    মুমিনুল হক ৮২ রান করে আউট হলেও নাজমুল শান্ত আক্ষেপ ছাড়াই ১০০ রান করেন, যা প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের প্রথম চার ব্যাটারের জন্য ৮০ ছাড়ানো ইনিংসের ইতিহাসে প্রথম। এই ঘটনা দেশের টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে মাত্র ১১তম ঘটনা। এই আয়োজনের মাধ্যমে বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এক ইনিংসে প্রথম চার ব্যাটার ৮০ রানের বেশি করে থাকলেন।

    অতিরিক্তভাবে, এই প্রথম চার ব্যাটার ছাড়াও আরও একজন উপমহাদেশের ক্রিকেটার – লিটন দাস – প্রথম ইনিংসের ফিফটি ছাড়ানোর ঘটনা ঘটিয়েছেন। এটিই পঞ্চমবারের মতো যে বাংলাদেশের ব্যাটাররা এমন কীর্তি স্থাপন করলেন। বিগত সময়ের মতো সাদা পোশাকের ক্রিকেটে এই ধরনের কীর্তি হয়েছে ৮৩ বার।

    সার্বিকভাবে, এই অসাধারণ পারফরম্যান্স বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে, যেখানে বাংলাদেশের ব্যাটাররা প্রথমবারের মতো এক ইনিংসে চারজনের জন্য ৮০ বা তার বেশি রান করার নজির স্থাপন করলেন। এই অর্জন দলের জন্য আত্মবিশ্বাসের বড় ভিত্তি হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং ভবিষ্যতে বাংলাদেশ তারুণ্য ও পরিকল্পনা অনুযায়ী আরও বড় সফলতা ঝুলিতে ভরাতে পারে বলে আশা করা যাচ্ছে।

  • জয়ের সেঞ্চুরি ও মুমিনুলের ফিফটিতে বাংলাদেশে দারুণ দিন

    জয়ের সেঞ্চুরি ও মুমিনুলের ফিফটিতে বাংলাদেশে দারুণ দিন

    আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম দিনের খেলা শেষে বাংলাদেশের আত্মবিশ্বাস আরো বেড়ে গেছে। দ্বিতীয় দিন মাঠে গিয়ে তারা পুরো ম্যাচের দিকপাল হয়ে উঠেছে। টপঅর্ডার ব্যাটসম্যান মাহমুদুল হাসানের ক্যারিয়ার সেরা ইনিংসের সঙ্গে সাদমান ইসমালের ৫০ প্লাস ফিফটি এবং মুমিনুল হকের সেঞ্চুরির সঙ্গে আজকের দিনটি ছিল বাংলাদেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

    আজ ব্যাটিংয়ে নামে আয়ারল্যান্ড লম্বা লড়াই করতে পারেনি, শুরুতেই তাদের কয়েকটি উইকেট পড়ে। প্রথম দুই ওভারে তারা মাত্র ২.২ রান করতে সক্ষম হয়। এরপর বাকি সময়ে তাদের ব্যাটসম্যানরা খুব বেশি সংগ্রহ করতে পারেননি। তবে শেষ পর্যন্ত তারা প্রথম ইনিংসে ২৮৬ রান করে, এর মধ্যে দুই উইকেট হারায়।

    এরপর, বাংলাদেশের ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয় এবং সাদমান ইসলাম দুর্দান্ত শুরু করেন। তাদের পাওয়া ১৬৮ রানের জুটি বাংলাদেশের কথার মতো করে উপভোগ্য করে তোলে। সাদমান ১০৪ বলের মোকাবিলায় ৮০ রানে অবসর নেন।

    মাহমুদুল হাসান জয় ১৬৯ রানের ইনিংস খেলেন, যেখানে তিনি ১৪টি চার ও ৪টি ছয় মারেন। এটি তার ক্যারিয়ার সেঞ্চুরি, যা দেশের মাটিতে তার প্রথম। অন্যদিকে, মুমিনুল হক অপরাজিত থাকেন ৮০ রানে, ১২৪ বলে। এই দলের বড় ধরনের পারফরম্যান্সের ফলে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩৩৮ রান, এবং দিনশেষে তাদের লিড বেড়ে হয় ৫২ রানে।

    জয়ের ৭৭তম ওভারে সিঙ্গেল নিয়ে ক্যারিয়ার সেরা রান করে যাত্রা শুরু করেন। এরপর, তিনি আরো ধারাবাহিকভাবে ব্যাট করেন। কোঁচ উপভোগ্য দুই ছক্কা ও চার মারেন কুর্টিস ক্যাম্ফারকে, যার মাধ্যমে তিনি দেড়শো পার করে যান। প্রথম বলে ছক্কা হাঁকিয়ে তিনি ১৬৯ রানে অপরাজিত থাকেন।

    মাহমুদুল হাসান জয় ও মুমিনুল হকের পারফরম্যান্স প্রশংসনীয়। জয় গত ছয় ইনিংসে খুব বেশি ফর্মে ছিলেন না, তবে আজ তিনি প্রথম স্পেশাল ইনিংস খেলতে পারলেন। ৭৭তম ওভারে ৭৭ রান করে ক্যারিয়ার সেরা অর্জন করে নিলেন। এরপর কিছুক্ষণ বিরতি নিয়ে চাপমুক্ত হয়ে তিনি আরো রানের রেকর্ড গড়েন। এই ইনিংসে তিনি ৯টি চার ও ১টি ছয়সহ ১৬৯ রান করেন।

    অন্য দিকে, মুমিনুল হক এই ম্যাচে এক নতুন আত্মবিশ্বাসের ঝলক দেখিয়েছেন। প্রথম সেঞ্চুরির পর তার সর্বোচ্চ ফর্ম ছিল ৪৭ রান, তবে আজ তিনি ৭৫ বলে ২৩তম ফিফটি করে উন্নতি করেন। তার এই অনন্য সফলতার জন্য তার আত্মবিশ্বাস আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে।

    আসলে, জয় আয়ারল্যান্ড সিরিজ দিয়ে ফিরে এসেছেন বাংলাদেশের দলে, এবং আজকের এই অসাধারণ শতকের মধ্য দিয়ে তার প্রত্যাবর্তন পূর্ণতা পেল। ২০২২ সালের মার্চে ডারবানে টেস্টে নিজের চতুর্থ ইনিংসে প্রথম সেঞ্চুরি করেছিলেন জয়। আবারও ১৯০ বলে দ্বিতীয় শতক তুলে নেন তিনি।

    সেঞ্চুরি করে জয় প্রমাণ করেন যে তিনি এখন আরও বেশি আত্মবিশ্বাসী। ওপেনিংয়ে তার সঙ্গী সাদমান শতক পেয়েছিলেন না হলেও, জয় এই পথে হেঁটেছেন। তার ইনিংসে ছিল ৯টি চার ও একটি ছয়।

    প্রথম সেঞ্চুরির পর, জয় ৩০ ইনিংসে মোট কেবল তিনটি হাফসেঞ্চুরি করেছিলেন, যা তার ধারাবাহিকতার অভাবের প্রমাণ। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ঘরোয়া ক্রিকেটে দুর্দান্ত ফর্মে থাকায় তাকে দলে ফেরানো হয়। সেই ফর্ম এখন তার প্রথম ও দ্বিতীয় সেঞ্চুরিতে পরিণত হলো। তাদের উদ্বোধনী জুটিতে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৬৮ রান, যা সম্প্রতি ১০ বছরের মধ্যে সব থেকে উচ্চ।

    এর আগে, জয়-সাদমানের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের জুটি ভেঙে যায় বাঁহাতি আইরিশ স্পিনার ম্যাথু হামপ্রিসের বলে। কিছুটা বাইরের বল কাট করতে গিয়ে সাদমান ভুল করেন। বল তার ব্যাটের আলতো ছোঁয়া নিয়ে উইকেটরক্ষক লরকান টাকারের হাতে ধরা পড়ে। আম্পায়ার initially অস্বীকৃতি দিলেও, পরে রিভিউয়ে জীবনের প্রথম হারেন তিনি। ১০৪ বলে ৯ চার ও ১ ছক্কায় তিনি ৮০ রানে থামে।