Blog

  • খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে ঈদের জামাত সকাল সাড়ে সাতটায়

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে ঈদের জামাত সকাল সাড়ে সাতটায়

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে পবিত্র ঈদুল ফিতরের আরেকবারের জামাত সুষ্ঠু ও নিরাপদভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিদের মধ্যে এক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল ১১টায় প্রশাসনিক ভবনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম।

    সভায় জানানো হয়, এবারের ঈদুল ফিতরের জামাত দ্বিতীয়বার কেন্দ্রীয় মাঠে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবং অনুষ্ঠান শুরু হবে সকাল সাড়ে সাতটায় (৭:৩০ মিনিট)। আগেরবারের চাহিদা ও ভিড় বিবেচনায় এবার মহিলাদের জন্য মাঠে পৃথক নামাজের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

    অতিথিরা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বাইরে থেকেও বিপুলসংখ্যক মুসল্লি জামাতে অংশ নেন। তাই সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর আশেপাশে আরও তৎপরতা, রাত্রিকালীন পাহারা ও প্রয়োজনীয় সকল প্রস্তুতি নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। সভায় নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোন কোনো জায়গায় নিয়ন্ত্রণ, পথনির্দেশ ও জরুরি সেবা রাখার বিষয়ে আলাপ করা হয়েছে।

    সভায় উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুনর রশীদ খান, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ নূরুন্নবী, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. এস এম মাহবুবুর রহমান, ছাত্র বিষয়ক পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ নাজমুস সাদাত এবং মসজিদ কমিটির সভাপতি ও খান বাহাদুর আহছানউল্লাহ হলের প্রভোস্ট প্রফেসর শরিফ মোহাম্মদ খান।

    আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধি হিসেবে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) জাকিয়া সুলতানা, হরিণটানা থানার ওসি (তদন্ত) টিপু সুলতান, সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক মিহির কান্তি পাল, সিটিএসবির পুলিশ পরিদর্শক মল্লিক মোঃ ইমাম, তাজউদ্দীন আহমেদ তাজসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে তাদের প্রস্তুতি ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ জানিয়েছেন।

    এছাড়া সভায় উপস্থিত ছিলেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) শেখ শারাফাত আলী, জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের পরিচালক (রুটিন দায়িত্ব) মিজানুর রহমান খান, প্রশাসন শাখার প্রধান মোঃ জাবেদ এলাহী, এস্টেট শাখার প্রধান এস এম মোহাম্মদ আলী, রেজিস্ট্রারের সচিব শেখ আফসার উদ্দিন, কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মুফতি আব্দুল কুদ্দুসসহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

    সভা শেষে উপাচার্যসহ সংশ্লিষ্টরা জামাত সুষ্ঠু ও নিরাপদভাবে সম্পন্ন করতে প্রস্তুতি কার্যক্রম দ্রুততর করার নির্দেশ দেন এবং সবাইকে সচেতন থাকতে অনুরোধ করা হয়।

  • রূপসায় মাত্র ৪০০ টাকার বকোকে কেন্দ্র করে চায়ের দোকানদার হত্যা

    রূপসায় মাত্র ৪০০ টাকার বকোকে কেন্দ্র করে চায়ের দোকানদার হত্যা

    খুলনার রূপসা উপজেলার ভবানীপুর গ্রামে মাত্র ৪০০ টাকা পাওনাকে কেন্দ্র করে চা দোকানদার দীন মোহাম্মদ ঢালী (৫২) নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৪টার আগে গ্রামটিতে এ ঘটনা ঘটে।

    নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসীর জানা মতে, ভ্রাম্যমান মাংস বিক্রেতা ও ঘাটভোগ ইউনিয়নের কৃষক দল নেতা আবুল খায়ের লস্কর কয়েকদিন আগে মাংস নিয়েছেন এবং তার বকো ছিল ৪০০ টাকা। মঙ্গলবার বিকেলে সে ওই টাকা চাইতে ভবানীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সন্নিকটে থাকা দীন মোহাম্মদের চায়ের দোকানে যায়।

    প্রাথমিকভাবে দুইজনের মধ্যে কথাকাটাকাটি ও বাক বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে কথা কাটাকাটার সময় ধস্তাধস্তি হয় এবং আবুল খায়ের লস্কর দীন মোহাম্মদকে মাথায় ইট দিয়ে আঘাত করেন। গুরুতর জখম অবস্থায় আহত দীন মোহাম্মদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসে; তখন অভিযুক্ত পালিয়ে যায়।

    স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে রূপসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনেন। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    রূপসা থানার ওসি আবদুর রাজ্জাক মীর জানান, ৪০০ টাকার বকোকে কেন্দ্র করে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে এ হামলা হওয়ায় পুলিশ প্রাথমিকভাবে এই তথ্য পেয়েছে। অভিযুক্ত আবুল খায়ের লস্করকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় এ রিপোর্ট লেখার সময় পর্যন্ত থানায় কোনো মামলা হয়নি।

    নিহত দীন মোহাম্মদের কাছে মৃত রেখে গেছেন স্ত্রী ও চার কন্যা সন্তান। এলাকার মানুষ এ হত্যাকাণ্ডে চাঞ্চল্য ও ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। তদন্ত ও ঘটনার পরবর্তী কর্মকাণ্ড সম্পর্কে পুলিশ জানাবে বলে সাময়িকভাবে জানানো হয়েছে।

  • পেশাওয়ার জালমিতে শরিফুল, সঙ্গী নাহিদ রানা

    পেশাওয়ার জালমিতে শরিফুল, সঙ্গী নাহিদ রানা

    দুই মাস আগের নিলামে দল পাওয়ার আশা না থাকলেও শেষ পর্যন্ত পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) নিজের জায়গা করে নিলেন বাঁহাতি পেসার শরিফুল ইসলাম। পেশাওয়ার জালমি দলে যোগ দিয়ে এবার তিনি জাতীয় দলে সতীর্থ নাহিদ রানার সঙ্গে মাঠ ভাগাভাগি করবেন।

    এটি শরিফুলের প্রথম পিএসএল। আগে দেশের বাইরের একমাত্র লিগ হিসেবে খেলেছিলেন লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে — ২০২৩ আসরে ১টি এবং ২০২৪ আসরে ৫টি ম্যাচ খেলেছেন তিনি। পেশাওয়ার জালমি সোমবার রাতে সামাজিক মাধ্যমের মাধ্যমে তাকে দলে স্বাগত জানিয়েছে।

    সম্প্রতি পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের বাংলাদেশ দলে রাখা হলেও ম্যাচ খেলার সুযোগ পাননি শরিফুল। তবে এবারের বিপিএলে ২৪ বছর বয়সী এই পেসারের ফর্ম ছিল অসাধারণ—মাঝে প্রতিটি ওভারে মাত্র ৫.৮৪ রান খরচ করে ১০.০৭ গড়ে ২৬ উইকেট শিকার করে তিনি একটি আসরে সর্বোচ্চ উইকেট সংগ্রহের রেকর্ড গড়েন। তার টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারেও ভর করে: মোট ১৫৬টি টি-টোয়েন্টিতে সাকুল্যে ১৯৫ উইকেট রয়েছে তার ঝুলিতে।

    এবারের পিএসএলে বাংলাদেশের অন্য কয়েকজন ক্রিকেটারও ইতিমধ্যেই দল পেয়েছেন। মুস্তাফিজুর রহমান, রিশাদ হোসেন, পারভেজ হোসেন ইমন ও নাহিদ রানা সবাই প্রতিযোগিতায় থাকছেন। নিলামের আগেই সরাসরি চুক্তিতে লাহোর কালান্দার্স মুস্তাফিজুরকে নিয়েছিল ৬ কোটি ৪৪ লাখ রুপিতে, সেই দলেরই নিলামে পারভেজকে নেওয়া হয় ৬০ লাখ রুপিতে। পেশাওয়ারও নাহিদকে ৬০ লাখ রুপিতে দলে নিয়েছে, আর রাওয়ালপিন্ডি রিশাদকে ভাড়া করেছিল ৩ কোটি রুপিতে।

    শরিফুলের পেশাওয়ারে যোগদানে দলের পেস আক্রমণ আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা করা হচ্ছে। অভিজ্ঞ ও তরুণতার মিশ্রণে জালমির পরিকল্পনায় এখন একটি নতুন বিকল্প হিসেবে দেখা যাবে তাকে, বিশেষত টিম ম্যানেজমেন্ট যদি তার বিপিএলে নজর কাড়া ফর্মকে কাজে লাগাতে পারে।

  • বাংলাদেশ কেন বিশ্বকাপ খেলতে গেল না, তদন্ত করবে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়

    বাংলাদেশ কেন বিশ্বকাপ খেলতে গেল না, তদন্ত করবে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়

    চলতি বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ অনুপস্থিতির কারণ খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক জানিয়েছেন, মিরপুরের এক অনুষ্ঠানের পরে সোমবার (১৭ মার্চ) এই তদন্ত আহ্বানের তথ্য তিনি সাংবাদিকদের সামনে প্রকাশ করেন।

    প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, ক্রীড়া কূটনীতির ঘাটতি এবং অন্যান্য জটিলতার কারণে দেশটি এই গুরুত্বপূর্ণ আসরে অংশ নিতে পারেনি। ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ কারণ অনুসন্ধানের জন্য মন্ত্রণালয় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করবে। কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ও সংশ্লিষ্ট অংশগ্রহণকারীদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যাখ্যা চাওয়া হবে।

    প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, তারা ইতিমধ্যে শোনা অভিযোগ ও ব্যাখ্যা গ্রহণ করেছেন এবং তদন্ত থেকে উঠে আসা ফলাফলকে ভিত্তি করে ভবিষ্যতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তিনি আশা করছেন কমিটি পুরো ঘটনা স্পষ্ট করে দেবে — কেন দল পাঠানো হয়নি, কোথায় ঘাটতি ছিল ও কবে কী প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছিল।

    জানানো হয়েছে, টুর্নামেন্টটি ভারতে অনুষ্ঠিত হলেও বিসিবি নিরাপত্তা এবং অন্যান্য উদ্বেগকে কারণ দেখিয়ে দল পাঠাতে অনুপম্ময় জানিয়েছিল। তখনকার ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের নির্দেশনায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) সঙ্গে একাধিক আলোচনার পরও ভেন্যু পরিবর্তনের অনুরোধ স্বীকৃতি পায়নি এবং শেষপর্যন্ত আইসিসি বাংলাদেশের জায়গায় স্কটল্যান্ডকে জায়গা দেয়।

    এ ঘটনায় কিছু ক্রিকেটারের আইপিএল বাদ পড়ার ঘটনা—বিশেষত মুস্তাফিজুর রহমানের ব্যাপার—সহ নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগও ছিল বলে সংবাদে ছিল। এসব সিদ্ধান্ত ক্রিকেটারদের এবং বোর্ডের মধ্যে ফাটল তৈরি করেছে বলে মন্তব্য করা হচ্ছে।

    ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব) বিসিবির ওই সিদ্ধান্তের কঠোর সমালোচনা করে আসছিল। সম্প্রতি কোয়াবের নেতৃত্বে এক ক্রিকেটারদল প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত করে তাদের উদ্বেগ ও দাবি তুলে ধরে। আমিনুল হক জানিয়েছেন, তিনি তাদের কথা শুনেছেন এবং তদন্তের পর তাদের উদ্বেগ বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবেন।

    আপাতত বিশ্বকাপ অনুপস্থিতি নিয়ে আলাদা কমিটির পাশাপাশি বিসিবি নির্বাচন সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগ নিয়েও তদন্ত চলছে। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ইতিমধ্যেই এর জন্য একটি পৃথক তদন্তকমিটি গঠন করেছে, যা নিয়ে বোর্ডও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, অতীতবৎ সময়ে বোর্ডে সরকারের হস্তক্ষেপ ছিল—এ সংক্রান্ত ঘটনাগুলোও তদন্তে উঠে আসবে। তদন্তে পুরনো নির্বাচন কমিশনের সদস্য, বর্তমান বোর্ড কর্মকর্তা এবং অভিযোগকারী সবাইকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

    শেষ কথা হিসেবে প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, এসব তদন্তের মাধ্যমে ক্রিকেটে স্বচ্ছতা ফেরানো এবং খেলার ভবিষ্যৎ উন্নয়ন নিশ্চিত করাই মন্ত্রণালয়ের লক্ষ্য। আইসিসির সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

  • জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেতা শামস সুমন আর নেই

    জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেতা শামস সুমন আর নেই

    অভিনয় জগতের পরিচিত মুখ, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেতা শামস সুমন আর নেই। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে আক্রান্ত হয়ে তিনি ল্যাবএইড হাসপাতালে জীবনবায়ু হারান।

    মঞ্চ নাটক থেকে ক্য্যারিয়ার শুরু করে শামস সুমন ছোট ও বড় পর্দায় সমানভাবে নিজের ছাপ রেখে গেছেন। সাবলীল ব্যক্তিত্ব ও প্রকৃতভঙ্গিতে তার অভিনয় দর্শকের মনে শক্ত অবস্থান করে নিয়েছিল। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে টেলিভিশন নাটকে তাকে কম দেখেন দর্শকরা; তিনি বেশি সময় কেটাতেন বেসরকারি এফএম স্টেশন ‘রেডিও ভূমি’-র স্টেশন চিফ হিসেবে তৎপরতায়।

    অভিনয়ে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৮ সালে ‘স্বপ্নপূরণ’ চলচ্চিত্রে পার্শ্বচরিত্রে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা হিসেবে তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে তার অভিনীত কয়েকটি চলচ্চিত্র দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে।

    তার উল্লেখযোগ্য কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে তৌকীর আহমেদের ‘জয়যাত্রা’ (২০০৪), ‘বিদ্রোহী পদ্মা’ (২০০৬), ‘নমুনা’ (২০০৮), ‘হ্যালো অমিত’ (২০১২), ‘আয়না কাহিনী’ (২০১৩), ‘প্রিয়া তুমি সুখী হও’ (২০১৪), ‘মন জানেনা মনের ঠিকানা’ (২০১৬), ‘কক্সবাজারে কাকাতুয়া’ (২০১৬) এবং ‘চোখের দেখা’ (২০১৬)।

    শামস সুমনের প্রয়াণে বিনোদন বলয়ের সহকর্মী, পরিচিতজন ও ভক্তরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোকাহত প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। দীর্ঘদিনের সহকর্মী ও অনুগণরা তাকে কর্মমনস্ক ও আন্তরিক শিল্পী হিসেবে স্মরণ করছেন।

    প্রয়াত অভিনেতার পরিবার-পরিজন ও নিকট আপনজনদের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জানাচ্ছি।

  • শবে কদরের সরকারি ছুটিতেও সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

    শবে কদরের সরকারি ছুটিতেও সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

    পবিত্র শবে কদরের সরকারি ছুটির মধ্যেও সচিবালয়ে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকাল ১১টার দিকে তিনি সচিবালয়ে পৌঁছান এবং দাফতরিক কাজ শুরু করেন।

    মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একটি সূত্র এ বিষয়ে নিশ্চিত করেছে যে, ছুটির দিন হওয়া সত্ত্বেও তিনি দুপুর ২টায় মন্ত্রিসভার বৈঠক ডেকেছেন। ওই বৈঠক সচিবালয়ের ১ নম্বর ভবনের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হবে এবং বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রী নিজেই।

    মন্ত্রিসভার বৈঠকের আগে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আলোচনা করেন। ওই সময় আবর্জনা পরিষ্কারের কাজে দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করে আধুনিক ভ্যাকুয়াম ভিত্তিক যন্ত্রপাতি তৈরির বিষয়ে কথা হয়েছে।

    এরপর তিনি ‘কৃষক কার্ড’ কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে পৃথকভাবে আরও একটি বৈঠক করবেন।

    সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দুপুরে অনুষ্ঠিতব্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে ইরান-ইসরায়েল সমর পরিস্থিতি, দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা এবং আসন্ন ঈদুল ফিতর উদযাপন সংক্রান্ত ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হতে পারে।

    উল্লেখ্য, আজ পবিত্র শবে কদরের সরকারি ছুটি। এছাড়া আগামীকাল বুধবার (১৮ মার্চ) নির্বাহী আদেশে আরেকটি সরকারি ছুটিও ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে সরকারিভাবে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য টানা সাত দিনের ছুটির সময় শুরু হয়েছে। ছুটির এই পরিবেশের মধ্যেও দাপ্তরিক কাজকে অগ্রাধিকার দিয়ে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী।

  • সড়ক দুর্ঘটনায় এনসিপি এমপি ড. আতিকুর রহমান মোজাহিদ আহত

    সড়ক দুর্ঘটনায় এনসিপি এমপি ড. আতিকুর রহমান মোজাহিদ আহত

    ঢাকা থেকে নিজের এলাকায় ফেরার পথে কুড়িগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নেতা ড. আতিকুর রহমান মোজাহিদ একটি ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ছয়টায় রংপুর-কুড়িগ্রাম মহাসড়কের কাউনিয়া বেইলি ব্রিজ এলাকায় ঘটনাটি ঘটে—এ তথ্য এনসিপি কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে।

    জানা গেছে, এমপিকে বহনকারী হাইব্রিড মাইক্রোবাসটি ব্রিজের কাছাকাছি পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগামী ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। সংঘর্ষের জোরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মাইক্রোবাসটি সড়কের পাশের খাদে পড়ে দুমড়ে-মুচড়ে যায়।

    দুর্ঘটনায় ড. আতিকুর রহমান মোজাহিদ আহত হলেও তিনি গুরুতর অবস্থায় নন; প্রাথমিক চিকিৎসা নেওয়ার পর বর্তমানে নিজ বাড়িতে অবস্থান করছেন। তবে ওই যাত্রীবাহী গাড়ির চালক ও এমপির ব্যক্তিগত সহকারী গুরুতরভাবে আহত হন। পুলিশ তাদের উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেছে।

    এনসিপি সূত্রে বলা হয়েছে, ঘটনায় দলের নেতারা ও পরিবারের সদস্যরা এমপির পরিস্থিতির খোঁজখবর নিচ্ছেন এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন।

  • জামায়াত-এনসিপিকে নিয়ে প্রশ্ন তুললেন মনিরুল হক চৌধুরী

    জামায়াত-এনসিপিকে নিয়ে প্রশ্ন তুললেন মনিরুল হক চৌধুরী

    জাতীয় সংসদের ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় রবিবার বিএনপি’র সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী জামায়াত ও এনসিপি বিষয়কে নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর হওয়া এ অধিবেশনে বক্তব্য দিেেন তিনি। অধিবেশনের সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

    মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, স্বাধীনতার পরও একটি মেধাবী শ্রেণি উঠে এসেছিল, যাঁরা জাসদ গঠন করেছিলেন। পরে বাড়াবাড়ি করার কারণে দেশের ক্ষতি হয়েছে, অনেক কিছু হারিয়েছে জাতি। তিনি এখনও সবাইকে সহনশীলতার পাঠ নেয়ার আহ্বান জানান।

    তিনি সাব সুহৃদ বেগম খালেদা জিয়ার অবদান স্মরণ করে বলেন, ১৯৯১ সালের সংসদে তিনি বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে আপনারা সবার সঙ্গে কাজ করেছেন। আজ যখন কিছু মানুষ প্রশ্ন তুলছেন, তখন মনে হচ্ছে যেন এই দেশে গত ১৫–২০ বছর বিএনপি ছিল না। তিনি বলেন, জাতির স্বার্থে এবং বিভিন্ন সংকট উপেক্ষা করে জাতনেত্রী জামায়াতের সঙ্গে কাজ করেছেন; তাই তাদের রাজনীতিকে এ পর্যন্ত নিয়ে আসার পেছনে খালেদা জিয়ার অবদানও স্মরণ করা উচিত।

    অন্যদিকে সংসদে দাঁড়িয়ে তিনি নিজের অস্বস্তির কথাও জানান। আগে যাদের বিরুদ্ধে কথা বলতেন তাদের চিনতেন, কিন্তু আজকার বিরোধীদের মধ্যে অনেককে তিনি আলাদা করে চেনেন না। তিনি তরিক রহমানের কথার উল্লেখ করে বলেন, কঠিন নির্বাচনের কথা আগে কেউ বুঝে নেনি, পরে নির্বাচন করে তাঁরা নিজেই উপলব্ধি করেছেন কতটা কঠিন ছিল।

    মনিরুল হক আরও বলেন, এতসংখ্যক সদস্য নিয়ে সংসদে এসেছে দলগুলো — আলহামদুলিল্লাহ বলা উচিত এমনদের কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু আজ সাম্প্রতিক সময়ে দেশের কিছু লোক বিশেষ করে যারা মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে জীবিত আছেন, তাঁদের সম্পর্কে প্রশ্ন তুলতে হচ্ছে; মুক্তিযুদ্ধ এবং ১৯৭৫ সালের ঘটনা এক কাতার করা হলো কি-না — এ ধরনের আলোচনা উত্তেজনা তৈরি করছে। তিনি যোগ করেন, ফ্যাসিস্ট শাসনের আমলে বিচার বলে কিছু অনিয়ম হয়ে থাকলে তা আলাদাভাবে বিচার করা উচিত।

    শেষে তিনি জামায়াত ও এনসিপির প্রতি বলেন, স্বাধীনতার পরও বা এনসিপির মতো দলগুলোর তরুণ নেতাদের বয়স কম হলেও তিনি তাদের শ্রদ্ধা করেন—কারণ তারা সাহসী এবং এই যুগের চাহিদা পূরণে যোগ্য।

  • জামায়াত আমির: বাংলাদেশ আর কোনো আধিপত্য গ্রহণ করবে না, জাতি অতীতের বোঝা নামিয়েছে

    জামায়াত আমির: বাংলাদেশ আর কোনো আধিপত্য গ্রহণ করবে না, জাতি অতীতের বোঝা নামিয়েছে

    সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশ আর কোনো দেশের আধিপত্য মেনে নেবে না এবং বিগত দিনের অন্যায়ের বোঝা জনগণ ঘাড় থেকে নামিয়ে দিয়েছে। তিনি বলেন, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা দেশকে দখলমুক্ত করেছেন এবং এখন দেশের যুবসমাজ মাথা উঁচু করে বাঁচতে চায়।

    মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকালে রাজধানীর মিরপুর-১৫ আসনে চীনের সহযোগিতায় ফুডপ্যাক বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন ডা. শফিকুর রহমান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।

    বক্তব্যের শুরুতেই তিনি চীনের রাষ্ট্রদূতকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, চীন বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ ও আন্তরিক উন্নয়ন অংশীদার। ১৯৭৬ সালে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির পর থেকে চীন দেশে বড় বড় স্থাপনা ও অবকাঠামো নির্মাণে অবদান রেখে চলেছে। তিনি মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়াম ও চীন-বাংলাদেশ মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের উদাহরণ টেনে বলেন, এসব স্থাপনা চীনের অকৃত্রিম বন্ধুত্বের প্রতীক; তবে ‘বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে’ এসব নিদর্শন হাইজ্যাক হয়ে গিয়েছিল।

    চীনকে তিনি একটি দেশের মতো আখ্যায়িত করে বলেন, ‘‘চীন আজও বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ কোনো ক্ষেত্রে হস্তক্ষেপ করে না। কিন্তু অনেকে কিছু না দিয়ে সব নিয়ে যায় এবং যখন-তখন হস্তক্ষেপ করে। চীন অবিচলিত বন্ধুর পরিচয় দিয়ে যাচ্ছে।’’

    ডা. শফিকুর রহমান আশা প্রকাশ করেন, তিস্তা জলবণ্টন প্রকল্প বাস্তবায়নে ভবিষ্যতে চীন আরও উদ্যোগী ভূমিকা রাখবে। তিনি বলেন, তিস্তা প্রকল্প উত্তরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের কান্না; আমরা সেই কষ্টের অবসান চাই এবং অতীতের লেগাসি আর বহন করতে চাই না।

    তিনি বলেন, চীন ইতিমধ্যে বাংলাদেশে দুইটি এক হাজার বেডের হাসপাতাল ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য বিশাল হল নির্মাণের ঘোষণা ও বাজেট বরাদ্দ করেছে। এছাড়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়নে একটি ‘পাইলট প্রজেক্ট’ নেওয়ার জন্য তিনি চীনা রাষ্ট্রদূতের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানান।

    মিরপুরবাসীর উদ্দেশে জামায়াত আমির বলেন, ‘আমি আপনাদেরই একজন; এই এলাকা আমার নিজের ঘর। সরকার বা বন্ধু রাষ্ট্র থেকে যা কিছু আসবে, তা আমি আমানত হিসেবে আপনাদের হাতে পৌঁছে দেব। তার বাইরে ব্যক্তিগতভাবে ও আমরা আপনাদের পাশে থাকার চেষ্টা করব।’

    অনুষ্ঠানে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন দুস্থদের হাতে ফুডপ্যাক তুলে দেন। местীয় জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের নেতৃবৃন্দ এবং বিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ উপস্থিত ছিলেন। কর্মসূচি চলাকালে স্বেচ্ছাসেবকরা শৃঙ্খলা বজায় রেখে প্রতিটি আসনে উপহার সামগ্রী বিতরণ করেন।

  • চট্টগ্রাম-মোংলা বন্দর ও শিপিং করপোরেশনে অনিয়ম: দুদকের অনুসন্ধান

    চট্টগ্রাম-মোংলা বন্দর ও শিপিং করপোরেশনে অনিয়ম: দুদকের অনুসন্ধান

    দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) চট্টগ্রাম বন্দর, মোংলা বন্দর এবং বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের বিভিন্ন প্রকল্পে দুর্নীতি ও নিয়োগ অনিয়মের অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু করেছে। রোববার (১৫ মার্চ) দুদক সূত্রে জানা গেছে, এই অনুসন্ধানের জন্য উপ-পরিচালক নাজমুচ্ছায়াদাতকে প্রধান করে চারটি পৃথক অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    দুদকের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের বর্তমান চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে একাধিক আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ। বিশেষ করে, তিনি যখন বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন, তখন ছয়টি জাহাজ কেনার জন্য ২ হাজার ৪৮৬ কোটি টাকার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত মাত্র চারটি জাহাজ কেনা হয়; ফলে ওই প্রকল্পে প্রায় ৪৮৬ কোটি টাকার আর্থিক অসঙ্গতি ধরা পড়েছে।

    এছাড়া মোংলা বন্দরের পশুর চ্যানেল সংরক্ষণ ড্রেজিং প্রকল্পে ১ হাজার ৫৩৮ কোটি টাকার বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগ খতিয়ে দেখতে দুদকের অনুসন্ধানকারী দল সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো থেকে নথিপত্র তলব করেছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।

    দুদক জানিয়েছে, তদন্ত চলমান আছে এবং প্রয়োজনীয় জিজ্ঞাসাবাসহ আরও তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা হবে। তদন্তের পর পাবলিক করার জন্য আরও বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।