Blog

  • সাফ চ্যাম্পিয়নরা পাবেন মাসে লাখ টাকা করে বেতন

    সাফ চ্যাম্পিয়নরা পাবেন মাসে লাখ টাকা করে বেতন

    বাংলাদেশের যুব ফুটবল দল টানা দ্বিতীয়বারের মতো অনূর্ধ্ব-২০ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জয় করলো। ভারতকে টাইব্রেকারে হারিয়ে এই ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জনের পর, তারা শনিবার (৪এপ্রিল) রাতে দেশে ফিরলে তাদের জন্য অনুষ্ঠিত হয় উষ্ণ সংবর্ধনা। বিমানবন্দর থেকে ছাদখোলা বাসে করে তাদের নিয়ে যাওয়া হয় হাতিরঝিলের অ্যাম্ফিথিয়েটারে। সেখানে এক জমকালো অনুষ্ঠানে খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ এবং কর্মকর্তাদের সম্মাননা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে তাঁদের জন্য বড় অঙ্কের আর্থিক পুরস্কারের ঘোষণাও দেওয়া হয়। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) ঘোষণা করেন, চ্যাম্পিয়ন দলের প্রত্যেক ফুটবলারের জন্য যথাক্রমে ১ লাখ টাকা এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জন্য ৫০ হাজার টাকা করে পুরস্কার দেওয়া হবে। পাশাপাশি ঢাকানগরীর সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকেও আর্থিক প্রণোদনার ঘোষণা আসে। তবে সবচেয়ে বড় চমকটি ছিল যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের মুখ থেকে। তিনি জানিয়েছেন, চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কারের বিস্তারিত ঘোষণা হবে राष्ट्रीय ক্রীড়া দিবসে, যেখানে ফুটবলাদের জন্য বিশেষ কিছু অপেক্ষা করছে। অবশেষে, আজ জাতীয় ক্রীড়া দিবসে সুখবর আসলো। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, অনূর্ধ্ব-২০ সাফ জয়ী ফুটবলারদের জন্য প্রতি মাসে ১ লাখ টাকা করে বেতন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই ঘোষণায় তরুণ ফুটবলাদের জন্য এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো, যা তাদের স্বপ্নের পথকে আরও উজ্জ্বল করবে।

  • ইরান যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল

    ইরান যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল

    এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা সংঘাতে নিরসনের জন্য পাকিস্তান কর্তৃক পাঠানো একটি যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পাঠানো হলেও, তা ইরান স্বত্বে প্রত্যাখ্যান হয়েছে। তেহরান মনে করছে যে এই অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি বাস্তবিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভবিষ্যতে হামলার সুযোগ তৈরি করে দেয়, যেখানে তারা নিজেদের শক্তি পুনর্গঠনের জন্য প্রস্তুতি নেয়। ইরানের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে এই ধরনের যুদ্ধবিরতি কেবল চাপ বাড়িয়ে দেয় এবং মূল সমস্যা সমাধানে অন্য কিছু নয়।

    সোমবার (৬ এপ্রিল) তেহরানে এক সংবাদ সম্মেলনে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই এই বিষয়ে বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ১৫-দফা যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব অযৌক্তিক এবং গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি উল্লেখ করেন, ইরান তার অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, সময়সীমা বেঁধে বা যুদ্ধাপরাধের হুমকি দিয়ে আলোচনায় বসা যায় না। এর ফলে তেহরান বলেছে, এই ধরনের আলোচনা সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

    বাঘাই আরও বলেন, “অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির মানে হলো শত্রুপক্ষের শক্তি পুনর্গঠন এবং আবারো হামলা করার সুযোগ সৃষ্টি করা। এমন পদক্ষেপ কোনো সুস্থ দেশই গ্রহণ করবে না।” তিনি যোগ করেন, জাতিসংঘ প্রায়ই শক্তিশালী দেশের হাতিয়ার হয়ে ওঠে, তাই নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থে ইরানের অবশ্যই সজাগ থাকতে হবে।

    এছাড়াও, প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি জানান যে, মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে পাঠানো প্রস্তাব অনুযায়ী, ইরান তার স্বার্থের ভিত্তিতে কিছু শর্ত নির্ধারণ করেছে, যা ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। তবে এই বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।

    প্রথমে, গতকাল রাতে পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে তাদের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংঘর্ষ নিরসনের জন্য একটি রূপরেখা প্রস্তাব করেছে। এই পরিকল্পনায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি ও বৃহৎ চুক্তির জন্য দৃষ্টি দেয়া হয়েছে।

    প্রস্তাব অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালী দ্রুত খোলা এবং চুক্তির ব্যাপক আলোচনায় দ্বিপাক্ষিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। এ চুক্তি ‘ইসলামাবাদ চুক্তি’ নামে পরিচিত, যেখানে দ্বিপক্ষীয় ও আঞ্চলিক কাঠামো নিয়ে আলোচনা হবে এবং তিনটি পর্যায়ে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হবে।

  • মঙ্গলবারের সময়সীমা শেষ, ইরানের প্রস্তাব যথেষ্ট নয়: ট্রাম্প

    মঙ্গলবারের সময়সীমা শেষ, ইরানের প্রস্তাব যথেষ্ট নয়: ট্রাম্প

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার ঘোষণা করেছেন যে, মঙ্গলবারের মধ্যে ইরানের কাছ থেকে উপস্থাপন করা নতুন প্রস্তাবের জন্য শেষ সুযোগ। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, এই সময়সীমা পার হয়ে গেলে যুক্তরাষ্ট্র কঠোর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবে। ট্রাম্প আরও বলেন, যদিও ইরান যুদ্ধ বন্ধের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে, তবে তার কাছে তা যথেষ্ট মনে হয়নি। তারা যদি তা অনুসারে কাজ করে, তাহলে যুদ্ধ খুব দ্রুত শেষ হতে পারে। তিনি বিশ্বাস করেন যে, ইরান ‘সদিচ্ছা’ নিয়ে আলোচনা করছে।

    প্রথমে যেমন হরমুজ প্রণালি খোলার জন্য সময়সীমা নির্ধারণ করেছিলেন, তেমনি এবারেরও মঙ্গলবারের শেষ তারিখ দিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি আরও বলেন, তার কাছে অনেক বিকল্প রয়েছে এবং যদি তারা এখনই না মানে, তবে দেশের সঙ্গে দীর্ঘ সময়ের জন্য ক্ষতি হবে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যদি তারা এখনই মানতে না চায়, তবে তাদের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির লক্ষ্য সফল হবে না। তবে, ইরান এই ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

    সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প স্বীকার করেন যে, তার প্রশাসন গত ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের সহায়তা করতে অস্ত্র পাঠিয়েছিল। তিনি জানিয়েছেন, এই অস্ত্রগুলো জনগণের আত্মরক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছিল, কিন্তু কারা তা নিয়ন্ত্রণ করছে, তা স্পষ্ট করেননি।

    ইরানের বিশাল তেল সম্পদ নিয়ে ট্রাম্প বলেন, আমেরিকানরা চাইলে দেশের বাইরে থেকে সব তেল দখল করে নিত, যা অর্থনৈতিক দিক থেকে লাভজনক হতো। তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে ধ্বংস করে দিচ্ছে, বলছেন, আমি এটা করতে চাই না, কিন্তু আমরা তাদের নিশ্চিহ্ন করছি। তার মতে, ইরানের কোনও সেতু, বিদ্যুৎকেন্দ্র বা অবকাঠামো থাকবে না। তিনি বলছেন, এই যুদ্ধের লক্ষ্য হলো ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র থেকে দূরে রাখা।

    বিশ্বের আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলা চালানো একটি যুদ্ধাপরাধ। তবে ট্রাম্প এই বিষয়গুলোকে অগ্রাহ্য করে বলেন, যারা এই যুদ্ধের বিরোধিতা করছেন তারা ‘নির্বোধ’। তিনি মনে করেন এই যুদ্ধের একমাত্র লক্ষ্য হলো ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র নিরোধে বাধ্য করা, যাতে বিশ্বের শান্তি বজায় থাকে।

  • ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি: এক রাতেই ইরানকে ধ্বংস করা সম্ভব, হতে পারে মঙ্গলবারই

    ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি: এক রাতেই ইরানকে ধ্বংস করা সম্ভব, হতে পারে মঙ্গলবারই

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইচ্ছে করলে এক রাতেই ইরানকে ধ্বংস করে দিতে পারেন তিনি, আর সে রাতটি হতে পারে আগামী মঙ্গলবার। সোমবার (৬ এপ্রিল) হোয়াইট হাউসের সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এই কঠোর হুঁশিয়ারি দেন। ট্রাম্প বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে কোনওطرفে ছাড় দেওয়া হবে না, আর সম্প্রতি সে উদ্দেশ্যই এগিয়ে নিতে তিনি প্রস্তুত। তিনি আরও বলেন, যদি আগামী মঙ্গলবারের মধ্যে কোনো সমঝোতা বা যুদ্ধবিরতি না আসে, তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই দেশের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো, যেমন বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ অন্যত্র ব্যাপক হামলা চালাতে পারে। তাঁর ভাষায়, ‘এক রাতেই ইরানের পুরো দেশ শেষ করে দেওয়া সম্ভব, আর সেই রাতটি হয়তো আগামীকালও হতে পারে।’ এই মন্তব্যের ফলে অঞ্চলজুড়ে উত্তেজনা আরও বেড়ে গেছে। একই সময়ের ব্রিফিংয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ জানান, ইরানের বিরুদ্ধ চলমান অভিযান এখন সবচেয়ে বড় আকারে পৌঁছেছে এবং মঙ্গলবার পর্যন্ত আরও ব্যাপক হামলা চালানো হতে পারে। মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, মার্কিন পাইলটের উদ্ধার অভিযানে অনেক বিপদজনক পরিস্থিতি মোকাবিলা করে তারা সফল হয়েছেন। ট্রাম্প জানান, ভূপাতিত হওয়ার পর ইরানের পাহাড়ি এলাকায় লুকিয়ে থাকা ওই মার্কিন পাইলটকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি বলেন, এই উদ্ধার অভিযানে শত শত মার্কিন সেনা অংশ নেন এবং অত্যন্ত সূক্ষ্ম কৌশল কাজে লাগানো হয়। গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ’র পরিচালক জন রেটক্লিফ জানান, তারা একটি ‘প্রতারণামূলক অভিযান’ চালিয়েছিলেন যাতে ইরানের মনোযোগ অন্য দিকে ফেলা যায় এবং পাইলটের বাস্তব অবস্থান গোপন রাখা যায়। পরে শনিবার সকালে নিশ্চিত হয় যে, পাইলটটি জীবিত থাকেন এবং পাহাড়ের গুহায় লুকিয়ে আছেন। এর পরে, অপ্রতিরোধ্য নিশ্চয়তা নিয়ে জানা যায়, শত্রুর চোখ এড়িয়ে তিনি সিআইএর নজরে ছিলেন। গত শুক্রবার নিখোঁজ হওয়া ওই পাইলটকে রোববার সকালে সফলভাবে উদ্ধার করা হয়। ট্রাম্প বলেন, মার্কিন সেনাদের তৎপরতায়, নির্দিষ্ট কৌশল ও অসাধারণ দক্ষতার মাধ্যমে তারা শত্রুকে প্রতিহত করে পাইলটকে উদ্ধার করে, কোন ক্ষয়ক্ষতি ছাড়া ইরানের এলাকা ত্যাগ করে। অবশেষে, এই পুরস্কারজনিত অপারেশনে পাইলট একটি জরুরি ট্রান্সপন্ডারের মাধ্যমে তাঁর অবস্থান জানালে, তিনি প্রথমে বলেছিলেন—‘ঈশ্বর মহত্ম্ব’। এই ঘটনাই বার্তা দিয়েছে যে, মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রস্তুত আরও বড় আক্রমণের জন্য, যদি প্রয়োজন হয়।

  • ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির নতুন বার্তা

    ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির নতুন বার্তা

    ইরানের最高 নেতা মোজতবা খামেনি বক্তব্য রেখেছেন যে, দেশের শীর্ষ কমান্ডারদের হত্যাকাণ্ডের পরও সশস্ত্র বাহিনীকে স্তব্ধ করা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) শীর্ষ গোয়েন্দা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল মাজিদ খাদেরির্র নিহত হওয়ার পরে, এই বার্তা প্রকাশ করা হয়। খবর সিএনএনের। খামেনি এক লিখিত বিবৃতিতে বলেছেন, খাদেরি দীর্ঘকাল ধরে নিরাপত্তা, গোয়েন্দা এবং প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে নিঃস্বার্থ ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে গেছেন। তিনি আরো বলেন, ইসলামিক ইরানের সত্যের পথে থাকা সাহসী যোদ্ধাদের সারি এবং আত্মত্যাগকারী সশস্ত্র বাহিনী এভাবে একটি শক্তিশালী ও গভীরভাবে প্রোথিত প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে, যা এখনো সন্ত্রাস ও অপরাধের মাধ্যমে ভাঙা সম্ভব নয়। এই মন্তব্যগুলো তিনি লিখিত বিবৃতির মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন। গত ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে সংঘটিত যুদ্ধের পর থেকে ইসরায়েল ইরানের বিভিন্ন শীর্ষ রাজনৈতিক ও সামরিক কর্মকর্তাদের উপর হামলা চালিয়েছে। মাজিদ খাদেরির মৃত্যুর বিষয়টি তেহরান এবং ইসরায়েলের উভয় পক্ষই নিশ্চিত করেছে। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ দাবি করেছেন, খাদেরি ‘ইসরায়েলি বেসামরিক নাগরিকদের মৃত্যুর জন্য সরাসরি দায়ী’ এবং আইআরজিসির তিন শীর্ষ ব্যক্তির একজন ছিলেন। সেই সাথে, ইসরায়েলীয় সামরিক বাহিনী দাবি করেছে যে, তাদের বিমানবাহিনী কুদস ফোর্সের বিশেষ অভিযান ইউনিটের কমান্ডার আসগর বাঘেরিকে ‘নির্মূল’ করেছে, যিনি ২০১৯ সাল থেকে এই দায়িত্বে ছিলেন। তবে, এখনো তেহরান এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রকাশ করেনি।

  • মার্কিন-ইসরাইলি হামলায় ইরানি গোয়েন্দা প্রধান শাহাদাৎপ্রাপ্ত

    মার্কিন-ইসরাইলি হামলায় ইরানি গোয়েন্দা প্রধান শাহাদাৎপ্রাপ্ত

    যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইলের যৌথ হামলায় ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)-র গোয়েন্দা প্রধান মেজর জেনারেল মজিদ খাদেমি শহীদ হয়েছেন। এ খবরটি সোমবার (৬ এপ্রিল) আইআরজিসি’র জনসংযোগ বিভাগ নিশ্চিত করেছে। এক বিবৃতিতে বলা হয়, মেজর জেনারেল খাদেমি ভোরের দিকে চলমান এক সেনা অভিযানে মার্কিন-ইহুদিবাদী শত্রুর এক সন্ত্রাসী হামলার শিকার হন।

    বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, তার দীর্ঘ প্রায় অর্ধশতক ধরে তিনি নিজের জীবনের অর্ধেক সময় দেশের বিপ্লব, রাষ্ট্রব্যবস্থা ও ইসলামী মাতৃভূমির নিরাপত্তায় নিবেদিত ছিলেন। তার গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা ক্ষেত্রে অবদান অগণন এবং এটি দেশের স্বার্থে এক গুরুত্বপূর্ণ ও শিক্ষণীয় দৃষ্টান্ত। আইআরজিসি আরও জানায়, মজিদ খাদেমির এই প্রচেষ্টা ভবিষ্যতেও দেশের গোয়েন্দা বাহিনীর পথপ্রদর্শক হিসেবে থাকবে। বিশেষ করে, বিদেশি শত্রুদের কৌশলগত দিক থেকে মোকাবিলা, তাদের অনুপ্রবেশ ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অপচেষ্টার বিরুদ্ধে তার নির্দেশনা ও কার্যক্রম চলমান থাকবে।

    এই মারাত্মਕ হামলার পর ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি, কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সামরিক ও আধা সামরিক কর্মকর্তা সহ বহু সাধারণ নাগরিক ও civilians-কে হত্যা করা হয়। এরপর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল একযোগে ব্যাপক আকারে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে। এই অভিযান চলাকালে ইরানের বিভিন্ন সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনায় ব্যাপক বিমান হামলা চালানো হয়, যার ফলে এক মানবিক ও অর্থনৈতিক ক্ষতি সাধিত হয়।

    ইরানের সশস্ত্র বাহিনী পাল্টা হামলায় মার্কিন ও ইসরাইলি লক্ষ্যবস্তুকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন আঘাত চালিয়েছে, যা অঞ্চলের স্থিতিশীলতার জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করা হচ্ছে।

    সূত্র: তাসনিম নিউজ এজেন্সি

  • যশোরে বিচারকের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেফতার বাদী

    যশোরে বিচারকের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেফতার বাদী

    যশোরে এক কর্মরত বিচারকের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সোমবার সকাল ১১টায় সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতে এই মামলাটি করেন শহরের কাজীপাড়া এলাকার বাসিন্দা শরিফুল আলম। মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, জনপ্রিয় আদালত বিভাগের একজন যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, যার নাম রাশেদুর রহমান, তাঁকে আসামি করে মামলাটি করা হয়েছে। বিচারকের বিরুদ্ধে অভিযোগের ভিত্তিতে সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালত মামলাটি গ্রহণ করে এখন আদেশের অপেক্ষা করছে। পরিবেশটি নিশ্চিত করেছেন বাদীর আইনি প্রতিনিধি এড. দেবাশীষ দাস।

    এদিকে, মামলার বিষয়ে আদালত ছাড়ার সময় পুলিশ বাদী শরিফুল আলমকে গ্রেফতার করে। জানা গেছে, তিনি আগে থেকেই একটি মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা থাকায় তাঁকে আটক করা হয়। যশোর জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এম এ গফুর এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    আদালত সূত্রে জানা গেছে, আইনবহির্হিত বেশ কিছু আদেশ দেওয়ার, আইনজীবীদের সঙ্গে দুর্ব্যাবহার এবং ক্ষমতার অপব্যবহার সংক্রান্ত অভিযোগে গত ৪ মার্চ যশোর জেলা আইনজীবী সমিতি আদালত বর্জনের ঘোষণা দেয়। এরপর থেকে ওই আদালত বন্ধ থাকায়, আইনজীবীরা অনুপস্থিত থাকতেন। সেই সময়ে বাদী শরিফুল আলমের একটি মামলার বিচার চলছিল। ৩০ মার্চ, যখন আইনজীবীরা কর্মবিরতিতে ছিলেন, তিনি সরাসরি আদালতে উপস্থিত হয়ে সময়ের আবেদন করেন।

    অভিযোগে জানানো হয়, বিচারক রাশেদুর রহমান বাদীর আবেদন নামঞ্জুর করে একতরফাভাবে তাঁর বক্তব্য নেন এবং আইনবহির্ভূতভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সেই দিন ধার্য করেন। অভিযোগে আরও বলা হয়, একই সঙ্গে বিচারক ক্ষমতার অপব্যবহার করে দায়িত্ব পালন না করে দুর্নীতি বিরোধী আইনের লঙ্ঘন করেছেন। বাদী এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় ও দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) অভিযোগ দাখিল করলেও কোনও বাস্তব ফল না পাওয়ায় তিনি আদালতের শরণাপন্ন হন।

    শরিফুল আলম মেসার্স এস আলম নামে একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক। ব্যবসার অর্থ সংগ্রহ সংক্রান্ত ঋণের বিষয়ে শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি, যশোর শাখা তাঁর বিরুদ্ধে চেক ডাইজঅনারের মামলা করে। এই মামলাটি এখন বিচারাধীন। সম্প্রতি, এই মামলায় রায়ে বাদীকে কারাদণ্ড ও জরিমানা করা হয়। শরিফুল আলম পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে, পুলিশ তার অবস্থানে থেকে তাকে গ্রেফতার করে আদালত প্রাঙ্গণে নিয়ে যায়।

    আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এম এ গফুর বলেন, ‘ভুক্তভোগী শরিফুল আলম ক্ষুব্ধ হয়ে বিচারকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন। আদালত সেই মামলাটি বিচারাধীন রেখেছেন; আমরা আশাবাদী, যদি বিচারক এই মামলার আবেদন গ্রহণ করেন এবং তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তাহলে যশোরের সাধারণ মানুষ ন্যায়বিচার পাবে। যেখানে আদালতকে অবশ্যই আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। তবে, ভুক্তভোগী এই মামলা করার পরই দলীয় বা ব্যক্তিগত প্রতিহিংসায় তিনি আদালত থেকে আটক হয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে।’

    অন্যদিকে, যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মাসুম খান বলেন, ‘আমার এ বিষয়ে এখনো কোনও জানানো হয়নি। আমি খোঁজ নিচ্ছি।’

  • খুবি ছাত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় চালক গ্রেফতার

    খুবি ছাত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় চালক গ্রেফতার

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) শিক্ষার্থী মৌমিতা হালদার মৃত্যুর ঘটনায় দায়ী চালককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার দুপুরে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান 사건ের বিবরণ তুলে ধরেন। জানা যায়, ৩০ মার্চ সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটের দিকে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী মৌমিতা হালদার তার পিতা-পত্নীর সঙ্গে রিকশায় করে কোর্ট এলাকা যাচ্ছিলেন। তারা খুলনা সদর থানার নগর ভবনের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময়, জেলা পরিষদের সামনে পাকা রাস্তার উপরির পথে পিছন থেকে একটি দ্রুতগামী প্রাইভেটকার তাদের পিছু নিয়ে দ্রুত গতিতে এসে রিকশাটিকে ধাক্কা দেয়। এই ধাক্কায় মৌমিতা রিকশা থেকে পড়ে গিয়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পান। দ্রুত তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে, কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত ৭টা ৫০ মিনিটে মৃত্যুর ঘোষণা দেন। এই ঘটনায় তার পিতা বাদী হয়ে খুলনা সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্তে নামে এসআই দেবব্রত বিশ্বাস, যিনি ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে অভিযুক্ত গাড়ি শনাক্ত করেন। পরে ৩ এপ্রিল দুপুর ১২টা ৫ মিনিটে, খুলনা সদর থানার আওতাধীন করোনেশন স্কুলের পেছনে নগর আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতার বাড়ির নিচতলার গ্যারেজ থেকে এক নীল রঙের টয়োটা গাড়ি (রেজিস্ট্রেশন নম্বর: খুলনা মেট্রো-গ-১১-০৮৩৭) উদ্ধার করে জব্দ করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রযুক্তির সহায়তায় রোববার সন্ধ্যা ৬টা ৫ মিনিটে প্রাইভেটকারের চালক মোঃ আহাদ শেখ সৈকত (২৬) কে খুলনা সদর থানার হাদিস পার্কের উত্তর গেট এলাকা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত আসামীকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে।

  • দুর্যোগপ্রবণ উপজেলাগুলোর জন্য টেকসই ভেড়িবাঁধ নির্মাণের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন এস এম মনিরুল হাসান

    দুর্যোগপ্রবণ উপজেলাগুলোর জন্য টেকসই ভেড়িবাঁধ নির্মাণের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন এস এম মনিরুল হাসান

    খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী সোমবার দুপুর ১২টায় তার কার্যালয়ে বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির নেতৃবৃন্দের সাথে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় ও ভরণপোষণ করেন। এই আয়োজনে নেতৃবৃন্দ তাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, খুলনা জেলা দীর্ঘদিন থেকে অবহেলা ও দুর্বলতার শিকার। তারা আশাবাদী যে, আপনি দায়িত্ব গ্রহণের পর এই বঞ্চনাগুলোর অবসানে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।

    এসময় জেলা পরিষদ প্রশাসক এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী বলেন, আমি আমার দায়িত্ব পালনকালে খুলনার নয়টি উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের জনগণের চাহিদা অনুযায়ী সার্বিক উন্নয়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেব। বিশেষ করে, দুর্যোগপ্রবণ উপজেলাগুলোতে টেকসই ও দীর্ঘস্থায়ী ভেড়িবাঁধ নির্মাণে আমি সম্পূর্ণ নিজস্ব প্রচেষ্টা ও অঙ্গীকার রূপে কাজ করব।

    উন্নয়ন কমিটির সভাপতি শেখ আশরাফ উজ জামানের নেতৃত্বে এই আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মহাসচিব এডভোকেট শেখ হাফিজুর রহমান হাফিজ, সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. নিজামউর রহমান লালু, সহ-সভাপতি মিনা আজিজুর রহমান, অধ্যাপক মো. আবুল বাসার, অধ্যক্ষ রেহানা আক্তার, মামুনুরা জাকির খুকুমনি, যুগ্ম-মহাসচিব সরদার রবিউল ইসলাম রবি, অর্থসম্পাদক শেখ গোলাম সরোয়ার, মহিলা সম্পাদিকা প্রফেসর সেলিনা বুলবুল, শিক্ষা সম্পাদক বিশ্বাস জাফর আহমেদ, দপ্তর সম্পাদক রকিব উদ্দিন ফারাজী, মোর্শেদের মতো বিভিন্ন বিশিষ্ট সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। এই বক্তৃতায় তারা করোনাকালীন সময়ে জেলার উন্নয়নে একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

  • প্রধানমন্ত্রীর অনুকরণে নগরীতে শুরু হয়েছে বিশুদ্ধি ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান

    প্রধানমন্ত্রীর অনুকরণে নগরীতে শুরু হয়েছে বিশুদ্ধি ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান

    খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশব্যাপী পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করার ঘোষণা দিয়েছেন। এই ঘোষণা অনুযায়ী, আমরা খুলনা মহানগরে কর্মসূচি শুরু করেছি। দৈনন্দিন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি প্রতি শনিবার এলাকাভিত্তিক বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।

    গতকাল সোমবার সকালেঃ খুলনা মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে এই অভিযানের উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে ডেঙ্গু ও অন্যান্য মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ এ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করেছে।

    তিনি নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করে বলেন, এখানকার মানুষ চিকিৎসা নেওয়ার জন্য নানা জেলা থেকে আসেন। তাই হাসপাতালের পরিবেশ দায়িত্বশীলভাবে রক্ষা করা খুব গুরুত্বপূর্ণ। হামের প্রাদুর্ভাব কম থাকলেও রোগ নিয়ন্ত্রণে সতর্ক থাকতে ডাক্তার, নার্স ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন। পাশাপাশি হাসপাতাল ও কলেজের আশেপাশের খালি জমিতে গাছ লাগানোর গুরুত্বও তুলে ধরেন।

    খুলনা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডাঃ গোলাম মাসুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী কর্মকর্তা মো্ল্লা মারুফ রশীদ, এস্টেট অফিসার গাজী সালাউদ্দিন, সিনিয়র লাইসেন্স অফিসার মোঃ মনিরুজ্জামান রহিমসহ কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। স্বাগত বক্তব্য দেন কলেজের উপাধ্যক্ষ ডাঃ মোঃ আমানুল ইসলাম এবং অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ডাঃ মোঃ আকরামুজ্জামান।

    পরবর্তীতে, নগরীর দৌলতপুরের কল্পতরু মার্কেট, পাখির মোড়, মাছের ঘাট খাল ও সাড়াডাঙ্গা এলাকেঃ সরবেষ্ট ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) নির্মাণের জন্য নির্ধারিত স্থানগুলো পরিদর্শন করেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কেসিসি’র নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আনিচুজ্জামান, কঞ্জারভেন্সী অফিসার মোঃ আনিসুর রহমান এবং স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিরা।