খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) শিক্ষার্থী মৌমিতা হালদার মৃত্যুর ঘটনায় দায়ী চালককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার দুপুরে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান 사건ের বিবরণ তুলে ধরেন। জানা যায়, ৩০ মার্চ সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটের দিকে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী মৌমিতা হালদার তার পিতা-পত্নীর সঙ্গে রিকশায় করে কোর্ট এলাকা যাচ্ছিলেন। তারা খুলনা সদর থানার নগর ভবনের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময়, জেলা পরিষদের সামনে পাকা রাস্তার উপরির পথে পিছন থেকে একটি দ্রুতগামী প্রাইভেটকার তাদের পিছু নিয়ে দ্রুত গতিতে এসে রিকশাটিকে ধাক্কা দেয়। এই ধাক্কায় মৌমিতা রিকশা থেকে পড়ে গিয়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পান। দ্রুত তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে, কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত ৭টা ৫০ মিনিটে মৃত্যুর ঘোষণা দেন। এই ঘটনায় তার পিতা বাদী হয়ে খুলনা সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্তে নামে এসআই দেবব্রত বিশ্বাস, যিনি ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে অভিযুক্ত গাড়ি শনাক্ত করেন। পরে ৩ এপ্রিল দুপুর ১২টা ৫ মিনিটে, খুলনা সদর থানার আওতাধীন করোনেশন স্কুলের পেছনে নগর আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতার বাড়ির নিচতলার গ্যারেজ থেকে এক নীল রঙের টয়োটা গাড়ি (রেজিস্ট্রেশন নম্বর: খুলনা মেট্রো-গ-১১-০৮৩৭) উদ্ধার করে জব্দ করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রযুক্তির সহায়তায় রোববার সন্ধ্যা ৬টা ৫ মিনিটে প্রাইভেটকারের চালক মোঃ আহাদ শেখ সৈকত (২৬) কে খুলনা সদর থানার হাদিস পার্কের উত্তর গেট এলাকা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত আসামীকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে।
