Blog

  • প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী ক্রিস রিয়া আর নেই

    প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী ক্রিস রিয়া আর নেই

    ব্রিটিশ কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী ও গীতিকার ক্রيس রিয়া আর নেই। সোমবার (২২ ডিসেম্বর) তিনি চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কিছু দিন অসুস্থতার পর তিনি অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে মৃত্যুবরণ করেন।

    ১৯৫১ সালে ইংল্যান্ডের মিডলসবরোতে জন্ম নেয়া এই শিল্পী ব্লুজ, পপ এবং সফট রক সংগীতের জাদুকর হিসেবে পরিচিত ছিলেন। চার দশকের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি মোট ২৫টি স্টুডিও অ্যালবাম প্রকাশ করেন এবং বিশ্বজুড়ে ৩০ মিলিয়নেরও বেশি অ্যালবাম বিক্রি করেছেন। তার কালজয়ী জনপ্রিয় সঙ্গীতের মধ্যে রয়েছে ‘দ্যা রোড টু হেল’, ‘অন দ্য বিচ’, ‘জোসেফিন’ এবং ‘লেটস ড্যান্স’।

    বিশ্বব্যাপী তার সবচেয়ে জনপ্রিয় ট্র্যাক হলো ক্রিসমাসের জন্য লেখা ‘ড্রাইভিং হোম ফর ক্রিসমাস’। ১৯৮৬ সালে লেখা এই গানটি এখন বড়দিনের অনুষ্ঠানের অঙ্গ হয়ে গেছে। তখন তিনি কোন চুক্তি ছাড়া নিজ উদ্যোগে গানটি রেকর্ড করছিলেন, হাতে টাকা না থাকায় স্ত্রীকে নিয়ে ট্রেনের টিকিট কাটা আর চালিয়ে লন্ডন থেকে মিডলসবরো ফিরছিলেন।

    ২০০১ সালে ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে তার জীবন কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে। ২০১৬ সালে তিনি স্ট্রোকের শিকার হন। এত বাধা সত্ত্বেও তার গানের প্রতি ভালবাসা কমেনি। জীবনের শেষের দিকে তিনি পপ সংগীত ছেড়ে এখন মূলত ‘ডেল্টা ব্লুজ’ ধারে মনোযোগী হন।

    তার মৃত্যুতে বিশ্ব সংগীত অঙ্গনে গভীর শোক ছড়িয়ে পড়েছে। তিনি সুরের জন্য কোটি ভক্তের হৃদয়ে অমর থাকবেন।

    মৃত্যুকালে তিনি একমাত্র স্ত্রী জোয়ান এবং দুই মেয়ে জোসেফিন ও জুলিয়াকে রেখে গেছেন।

  • সালমান খান পেরোল ৬০ বছর বয়সের সীমানা

    সালমান খান পেরোল ৬০ বছর বয়সের সীমানা

    বলিউডের অন্যতম প্রভাবশালী তারকা সালমান খান বর্তমানে his জন্মদিন আজ ২৭ ডিসেম্বর। জন্মদিনের এই মহোত্তম দিনটিতে তিনি সম্পন্ন করলেন তার ষাটোর্ধ্ব বয়সের পরিপক্কতা। দীর্ঘদিনের চেষ্টা এবং অনুপ্রেরণার পর কিছুদূর এগিয়ে তিনি অজস্র বার্ষিক উদযাপনের পরিবর্তে এবারও তার জন্মদিন অত্যন্ত ব্যক্তিগত এবং ঘরোয়াভাবে উদযাপন করছেন। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তার পরিবার, ঘনিষ্ঠ বন্ধুবান্ধব এবং চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট কয়েকজন নির্বাচিত পরিচালক, যা ঘটছে পানভেলের নিজস্ব ফার্মহাউসে।

    জাঁকজমকপূর্ণ জনসমাগমের বদলে সালমানের এই জন্মদিন পালিত হচ্ছে একান্তই সংক্ষিপ্ত এবং স্বজনবহুল পরিবেশে। সূচিচ্ছন্নভাবে অতিথি তালিকা নির্ধারিত, যেখানে থাকা ব্যক্তিরা বিশেষভাবে নির্বাচিত। জানা গেছে, এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে একে অপরের সঙ্গে আড্ডা, স্মৃতি ভাগাভাগি, এবং আন্তরিক সময় কাটানো, বড় কোনও মহরত বা বড় আয়োজনের পরিবর্তে।

    তবে, এই বিশেষ দিনটির অন্যতম আকর্ষণ একটি নির্মিত ট্রিবিউট ভিডিও, যেখানে সালමාনের তিন দশকের ক্যারিয়ারে তার সঙ্গে কাজ করা একাধিক পরিচালক তার ব্যক্তিগত বার্তা দিয়েছেন। তারা তাদের কাজের অভিজ্ঞতা, স্মরণীয় গল্প এবং সিনেমার বিবর্তন ও সালমানের দীর্ঘসময়ের প্রভাব নিয়ে আলোচনা করেছেন, যা তার অভিনয় জীবনের বিশেষ দিকগুলো তুলে ধরেছে।

    ভক্তরা তাকে আখ্যায়িত করেন ‘ভাইজান’ নামে। এটি শুধু একটি ডাক নাম নয়, এটি সম্পর্কের প্রকৃত পরিচয়। পরিবারে বড় ভাইয়ের মতো দায়িত্বশীল ও যত্নবান সালমান তার সহশিল্পী, নতুন অভিনেতা এবং সহকর্মীদের পাশে থাকেন। অনেক তরুণ তার হাত ধরে বলিউডে নিজেদের জায়গা করে নিয়েছেন। এই ‘ভাইজান’ হওয়ার পেছনে রয়েছে দায়বদ্ধতা, দায়িত্ববোধ এবং গভীর ভালোবাসা। তাই বয়স বাড়লেও তিনি শুধু একজন তারকা না, বরং এক প্রজন্মের জন্য জনসাধারণের এক স্বচ্ছন্দ অভিভাবকের চরিত্রে পরিণত হয়েছেন।

    এবারের এই জন্মদিনের বিশেষত্ব আরও একবার প্রমাণ করে যে, সালমান খান বলিউডের খানের ত্রয়ীর মধ্যে শেষ ব্যক্তি হিসেবে ৬০ বছর বয়সে পা রাখলেন। এর আগে এই বছরই ৬০ পূর্ণ করেছেন শাহরুখ খান ও আমির খান। এই সময়টি স্রেফ একটি সাংকেতিক নির্দেশনা, যা বলে দেয় যে, দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় তিনি বলিউডের আধিপত্য চালিয়ে গেছেন। একই সঙ্গে, এটি প্রমাণ করে যে বয়স বাড়লেও তার শিল্পপ্রতিভা এবং প্রাসঙ্গিকতা অটুট থাকছে, যা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

  • ফরিদপুরের কনসার্টে বিশৃঙ্খলা, জেমসের প্রতিক্রিয়া

    ফরিদপুরের কনসার্টে বিশৃঙ্খলা, জেমসের প্রতিক্রিয়া

    ফরিদপুর জিলা স্কুলের ১৮৫তম বর্ষপূর্তি ও পুনর্মিলনী উদযাপনের শেষ দিনটি যখন উৎসবের পরিবর্তে বিষাদের ছায়ায় ঢাকা পড়ে, তখনই ঘটে এক অপ্রত্যাশিত ঘটনা। গত শুক্রবার সন্ধ্যায় স্কুলের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা যখন দেশের অন্যতম জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী জেমসের পরিবেশনে গান শোনার জন্য উত্তেজিত ছিল, তখন হঠাৎ করে বিশৃঙ্খলা শুরু হয়। এই পরিস্থিতির জন্য পুরোটা দায়ই শুধু আয়োজনের অদক্ষতা এবং ব্যবস্থাপনার অভাবকে দিচ্ছে জেমসের সরাসরি প্রতিক্রিয়া।

    সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তাঁর বক্তব্যে জেমস বলেন, “এটি সম্পূর্ণ আয়োজনের অদক্ষতা এবং ব্যর্থতা।” তিনি আরো বলেন, “আমরা সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় ফরিদপুর পৌঁছেছি, তখন থেকেই পরিস্থিতি অচল ও বিশৃঙ্খল হয়ে পড়ছিল। রাত সাড়ে ১০টার দিকে পরিস্থিতি এতটাই খারাপ হয়ে ওঠে যে আয়োজকরা অনুষ্ঠান বাতিল করে ঢাকায় ফিরে যান।”

    উল্লেখ্য, একটি ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, জেমস অনুষ্ঠানের স্থান থেকে ঔদ্ধত্যের সঙ্গে বেরিয়ে গাড়িতে উঠছেন, এর সময় তার সঙ্গীরা শিল্পীর নিরাপত্তা রক্ষা করেন।

    আয়োজক সূত্র জানায়, মূলত অনুষ্ঠানটি নিবন্ধিত দর্শকদের জন্য নির্ধারিত ছিল। কিন্তু জেমসের আসার খবর শুনে কয়েক হাজার অনিবন্ধিত দর্শক ভিড় জমায়। গেট বন্ধ করে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করলে তারা গেটের সামনে ও সড়কে অবস্থান নেন, দেয়াল টপকে ঢোকার চেষ্টা করেন। এতে করে স্কুলের প্রাঙ্গণ ও মঞ্চে ইট-পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। হঠাৎ এই পরিস্থিতিতে আয়োজক কমিটির প্রায় ২৫ থেকে ৩০ জন আহত হন এবং কমপক্ষে ১০-১২ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

    এই অস্থিরতার কারণে অনুষ্ঠানটি সম্পূর্ণ ভণ্ডুল হয় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। আয়োজকদের দাবি, অনুষ্ঠানটি শুধু নিবন্ধিতদের জন্য নির্ধারিত ছিল, কিন্তু অসতর্কতা ও অপ্রস্তুতির কারণে পরিস্থিতির অবনতি ঘটে।

  • ৭ রানে ৮ উইকেট নিয়ে বিশ্ব রেকর্ড করলেন ভুটানের স্পিনার সোনাম ইয়েশে

    ৭ রানে ৮ উইকেট নিয়ে বিশ্ব রেকর্ড করলেন ভুটানের স্পিনার সোনাম ইয়েশে

    আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে একজন ক্রিকেটার দ্বিবারের জন্য সাত উইকেট নেওয়ার দুঃসাহসিক কীর্তি রেখেছেন। ২০২৩ সালে চীনের বিপক্ষে মালয়েশিয়ার সিয়াজরুল ইদ্রুস এবং এই বছর ভুটানের বিপক্ষে বাহরাইনের আলী দাউদ একই রকম অবিশ্বাস্য পারফরমেন্স দেখিয়েছিলেন, যেখানে তারা যথাক্রমে ৮ ও ১৯ রান দিয়ে সাত ব্যাটারকে আউট করেন। কিন্তু এবার সেই রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে ভুটানের তরুণ বাঁহাতি স্পিনার সোনাম ইয়েশে। মাত্র ২২ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার ৮ উইকেট নেন, আর তার সঙ্গে দেন কেবল ৭ রান।

    আজ শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর), গেলেফু ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ভুটান এবং মায়ানমারের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সিরিজের প্রথম প্রস্তুতি শেষ হয় ভুটানের জয় দিয়ে। টস জিতে ভুটান ফিল্ডিং নেয়। শুরুতেই ভুটানের নারমান গচায়া ৫০ রানে ৯ উইকেট সহ ১২৭ রান সংগ্রহ করেন।

    মায়ানমারকে জেতার জন্য ১২৮ রানের লক্ষ্য দেয় ভুটান। বল হাতে জাদু দেখাতে শুরু করে ভুটানের বাঁহাতি স্পিনার সোনাম। প্রথম ওভারে তার চার বলে তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন। পরবর্তী ওভারে তারা আরও একটি উইকেট নেন। শেষ দুই ওভারে তার জোড়া আঘাতে ভুটান জয় নিশ্চিত করে। ওভারপ্রতি মাত্র ১.৭৫ রান করে তিনি ৪ ওভারে মোট ৭ রান দেন, তার সঙ্গে একটি মেডেনও রয়েছে।

    মায়ানমারের পক্ষে হয় ওপেনাররা, কিন্তু তারা খুব বেশি রান করতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ভুটান ৮২ রানে জয়লাভ করে এই সিরিজে ৩-০ ব্যবধান চালিয়ে যায়। এই বিশাল ব্যবধানে সিরিজ নিশ্চিত হয়ে গেছে।

  • শান্তর সেঞ্চুরি ও মুশফিকের হাফ সেঞ্চুরিতে রাজশাহীর ৮ উইকেটে জয়

    শান্তর সেঞ্চুরি ও মুশফিকের হাফ সেঞ্চুরিতে রাজশাহীর ৮ উইকেটে জয়

    প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে সিলেট টাইটান্সের শুরুটা ভালো হলেও দ্রুত রান তুলতে সমস্যায় পড়েন রনি তালুকদার ও সাইম আইয়ুব। রনি ৩৬ রান করে ডিপ ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগে ক্যাচ দেন সন্দীপ লামিচানে। পরে, ১৫ বলেই ২৮ রান করে তিনি ফিরে যান। এরপর, বাবার হোয়াইট বল বা পেসার বিনুরা ফার্নান্দোর বলের মোকাবেলায় ব্যর্থ হন, স্টাম্পিং হন ২০ রানে। প্রথম পাওয়ার প্লে শেষে, জাজাইকে ফিরিয়ে আনা হয়, লামিচানে তাকে আউট করেন। এরপর, রনি দুর্দান্ত শুরু করলেও দ্রুত রান তোলা কঠিন হয়ে পড়ে। রনি ৩৪ বলে ৪১ রান করে বোল্ড হন। ব্যাটিংয়ের বাকিটা সময় ইমন ও আফিফ হোসেন ধীরেসুদৃঢ় কায়দায় খেলে দলের জন্য ১৯০ রান সংগ্রহ করেন। আফিফ ১৯ বলে ৩৩ রান করেন, এবং ইমন অপরাজিত থাকেন ৬৫ রানে। রাজশাহী দলের হয়ে লামিচানে দুটি উইকেট নিয়েছেন। শেষমেশ, রাজশাহীর জয় নিশ্চিত হয় ৮ উইকেটে।

  • মাঠে হার্ট অ্যাটাক করেছেন কোচ মাহবুব আলী জাকি, হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে

    মাঠে হার্ট অ্যাটাক করেছেন কোচ মাহবুব আলী জাকি, হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে

    রাজশাহী ওয়্যারিয়র্সের বিপক্ষে ম্যাচের আগে ঢাকা ক্যাপিটালসের অনুশীলনের সময় ঘটে যায় এক অপ্রত্যাশিত ঘটনা। দলের সহকারী কোচ মাহবুব আলী জাকি খেলোয়াড়দের অনুশীলন করাচ্ছিলেন যখন হঠাৎ অসুস্থ হয়ে তিনি মাঠের মধ্যে অচেতন হয়ে পড়েন। তার শরীরে প্রথমে সিপিআর প্রদান করা হয় এবং তৎক্ষণাৎ তাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। জানা গেছে, তিনি হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হয়েছেন। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা কোথায় পৌঁছেছে বা চিকিৎসার অগ্রগতি সম্পর্কে কোনও স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে, চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে তিনি হাসপাতালে রয়েছেন এবং অবস্থা পর্যবেক্ষণে আছেন। শনিবার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় ঢাকা ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের ম্যাচ, যার জন্য দুপুর ১টায় সূচি ঠিক ছিল। ম্যাচের ঠিক আগে টস করেন ঢাকা অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন ও রাজশাহী অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। মিঠুন টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন। টসের কিছু সময়ের মধ্যেই জানা যায় যে জাকির অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। অনুশীলনের সময় তিনি হঠাৎ জ্ঞান হারান এবং মাঠেই তার জন্য প্রাথমিকভাবে বেশ কয়েক দফা সিপিআর দেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। চিকিৎসকদের থেকে তাঁর অবস্থা নিয়ে পরবর্তী আপডেট আসলে জানান দেওয়া হবে।

  • মাঠেই হার্ট অ্যাটাক করে মারা গেলেন ঢাকা ক্যাপিটালসের কোচ

    মাঠেই হার্ট অ্যাটাক করে মারা গেলেন ঢাকা ক্যাপিটালসের কোচ

    বিপিএল ক্রিকেটের উৎসবের মাঝেই শোকের কালো ছায়া নেমে এসেছে। মাঠে হার্ট অ্যাটাক করে মৃত্যু হলো ঢাকা ক্যাপিটালসের সহকারী কোচ মাহবুব আলী জাকি। তিনি ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন।

    আজ ঢাকাসহ দেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য দুঃখের দিন। রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে এই আসর শুরু করেছিল ঢাকা ক্যাপিটালস। ম্যাচ শুরুর আগে দলের ক্রিকেটারদের সঙ্গে গা গরম করছিলেন মাহবুব আলী জাকি। হঠাৎ করে অস্বস্তি অনুভব করে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। নিশ্চিত করে জানা গেছে, এই সময় তাঁর হার্ট অ্যাটাক হয়।

    তাৎক্ষণিকভাবে তার জন্য সিপিআর দেওয়া হয় এবং অ্যাম্বুলেন্সে করে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে দুর্ভাগ্যবশত চিকিত্সকদের চেষ্টা সত্ত্বেও তাকে বাঁচানো যায়নি। হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয় বলে জানানো হয়েছে।

    একদিকে বাংলাদেশের ক্রিকেটাঙ্গনের জন্যে এটা বড় আর্তনাদ, অন্যদিকে দেশপ্রেমিক এই কোচের জন্য শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মাহবুব আলী জাকি ক্রিকেটে তার নানা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তিনি বাংলাদেশ দলের সাবেক পেসার হিসেবে পরিচিত। ক্যারিয়ার শেষ করে কোচিংয়ে মনোযোগী হন। তিনি ঘরোয়া ক্রিকেটের পাশাপাশি মাশরাফি, তাসকিন আহমেদের মতো তারকাদের নিয়ে কাজ করেছেন। অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বিশ্বজয়ী দলের কোচিং স্টাফের অংশ ছিলেন তিনি।

    আজ ঢাকায় ম্যাচের আগে একদম শেষ মুহূর্তে এই অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে, যা সব ক্রিকেটপ্রেমীদের হৃদয়কে ছুঁয়ে গেছে। মাহবুব আলী জাকির মতো গুণী এই কোচের জীবনের অপ্রত্যাশিত এই ক্ষতি গভীর শোকের বিষয়।

  • অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ৫৪৬৮ দিন পর জয়ের স্বাদ পেল ইংল্যান্ড

    অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ৫৪৬৮ দিন পর জয়ের স্বাদ পেল ইংল্যান্ড

    অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ২০১১ সালের জানুয়ারিতে শেষবারের মতো টেস্ট ম্যাচ জিতেছিল ইংল্যান্ড। এরপর দীর্ঘ ১৮ বছর তারা হেরেনি টেস্টে। তবে অবশেষে সেই দুঃখজনক পরাজয়ের পরিসমাপ্তি ঘটেছে। মেলবোর্নে চলমান অ্যাশেজের চতুর্থ টেস্টে ইংল্যান্ড শক্তি দেখিয়েছে এবং ৫৪৬৮ দিন পর অস্ট্রেলিয়ার মাঠে তাদের প্রথম জয় অর্জন করেছে। এই ম্যাচের ফল পুরোপুরি দুইদিনের ভিতরে নির্ধারিত হয়নি, তবে শেষ মুহূর্তে অস্ট্রেলিয়া তাদের ১৭৫ রানের লক্ষ্য কঠোর লড়াইয়ে ইংল্যান্ডের কাছে হেরেছে।

    মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে দুই দল মোট ৮৫২ বল খেলেছে চার ইনিংস মিলিয়ে। এর আগে পার্থে অনুষ্ঠিত অ্যাশেজের প্রথম টেস্ট দুই দিনেই শেষ হয়ে যায়, যেখানে দুই দল মোট ৮৪৭ বল খেলে। ফলে, এই চতুর্থ টেস্টের চেয়ে কিছুটা বেশি বল খেলেছে। দীর্ঘদিনের হারের চক্র থেকে মুক্তি পেয়ে এবং অস্ট্রেলিয়ার অভ্যন্তরে হোয়াইটওয়াশের ধাক্কা সামলে, ইংল্যান্ড এই সিরিজে প্রথমবারের মতো জয় পেল। ২০১৩-১৪ মৌসুমে অস্ট্রেলিয়া ৫-০ ম্যাস, ২০১৭-১৮ সালে ৪-০ এবং ২০২১-২২ সালে আবার ৪-০ ব্যবধানে ইংল্যান্ডকে পরাজিত করেছিল।

    প্রথম দিন অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ডের দুই দলেরই প্রথম ইনিংস শেষ হয়, যেখানে অস্ট্রেলিয়া ১৫২ রান করে ৪৫.২ ওভারে। ইংল্যান্ড ব্যাট করে ১১০ রান, এবং প্রথম ইনিংস শেষ হয় ২৯.৫ ওভারে। এর ফলে, দিন শেষে অস্ট্রেলিয়ার লিড হয় ৪৬ রান। দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু হয়, যেখানে অস্ট্রেলিয়া মাত্র ৮৬ রান করতেই ১০ উইকেট হারায়, যার মধ্যে সর্বোচ্চ অর্ধশতকের দেখা মেলে ট্রাভিস হেডের ৪৬ রানে, তিনি ৬৭ বলের ইনিংসে ৪টি চার হাঁকিয়েছেন।

    অ্যালান বোর্ডারের ৩৫৫৩ রান ছাড়িয়ে যেতে চলা স্টিভ স্মিথ অবিচ্ছেদ্যভাবে অবদান রাখতে থাকেন। তিনি অবশেষে ২৪ রানে অপরাজিত থাকেন, যা তার রান ৩৫৫৩ এ পৌঁছে দেয়। অন্যদিকে, ক্যামন গ্রিনের ব্যাট থেকে আসে ১৯ রান। অস্ট্রেলিয়ার এই ইনিংস শেষ হয় ১৩২ রানে, ৩৪.৩ ওভারে। ইংল্যান্ডের পেসার গ্যাস অ্যাটকিনসন চোটের কারণে পাঁচ ওভারের বেশি বল করতে না পারলেও, তিনি একটি উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি চাপ সৃষ্টি করেন। অন্য প্রত্যেক পেসার কঠিন পরীক্ষা দিয়েছেন, ব্রাইডন কার্স ৪ উইকেট, বেন স্টোকস ৩ এবং জশ টাং ২ উইকেট শিকার করেন।

    ১৭৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ইংল্যান্ড শুরু করে খুবই আক্রমণপরভাবে। উদ্বোধনী জুটি জ্যাক ক্রাউলি (২৬ বলে ৩৪) এবং জ্যাক ডেকেট (২৬ বলে ৪০) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ডেকেটের বিদায়ের পর, জো রুট ও অন্য ব্যাটসম্যানরা দ্রুততম সময়ে আউট হন, যা চাপ বাড়িয়ে দেয়। তবে ব্রুক অপরাজিত থাকেন ১৮ রানে, এবং এই ম্যাচে দ্রুততম সময়ে ৩০০০ রান সম্পন্ন করেন। ব্রুকের খেলা চলাকালে সে ৩৪৬৮ বল খেলেছেন।

    মেলবোর্ন টেস্টের মধ্য দিয়ে অস্ট্রেলিয়া এই সিরিজে প্রথমবার হার মানে, যা তাদের জন্য ছিল এক বড় আশ্চর্য। অজিদের জন্য এই ম্যাচে দুটি করে উইকেট নিয়েছেন মিচেল স্টার্ক, জাই রিচার্ডসন ও স্কট বোল্যান্ড। তবে, এই মেলবোর্ন টেস্ট ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি ছিল ২০১৮ ও ২০২০ সালের পর তৃতীয়বার যেখানে অস্ট্রেলিয়া বিফলে পড়ল। এই সিরিজের জন্য অস্ট্রেলিয়ার লক্ষ্য অর্জনে ইংল্যান্ডের গড় রান ছিল ৫.৫, যা অ্যাশেজের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। পার্থে দ্বিতীয় ইনিংসে অস্ট্রেলিয়া ৭.২৩ গড়ে রান তুলেছিল। মোট মিলিয়ে এই টেস্টে দুই দল ৫৭২ রান করেছে, যেখানে কোন ব্যাটার হাফসেঞ্চুরি করেনি, যা আধুনিক ক্রিকেটের ইতিহাসে অপ্রত্যাশিত ঘটনা। এর আগে ১৯৮১ সালে অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ড সিরিজে মোট ৭৮৭ এবং ২০১৫ সালে ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে ৬৫২ রান হয়েছিল, যেখানে কেউ হাফসেঞ্চুরি করেননি।

  • ভারত এক বছরে বাংলাদেশে পাঠিয়েছে ২২০০ জনকে ‘বাংলাদেশি’ তকমা দিয়ে

    ভারত এক বছরে বাংলাদেশে পাঠিয়েছে ২২০০ জনকে ‘বাংলাদেশি’ তকমা দিয়ে

    ভারতীয় রাজধানী দিল্লির সীমান্ত ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিশ্চিতের নামে চলতি ২০২৫ সালে রেকর্ড সংখ্যক ২ হাজার ২০০ ব্যক্তিকে ‘বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী’ হিসেবে চিহ্নিত করে বাংলাদেশে ফেরত পাঠিয়েছে দিল্লি পুলিশ। ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে বিগত বছরগুলোর তুলনায় এই সংখ্যায় নাটকীয় বৃদ্ধি ঘটেছে। ২০২৪ সালে যেখানে মাত্র ১৪ জনকে এবং ২০২৩ সালে পাঁচজনকে ফেরত পাঠানো হয়েছিল, সেখানে এই এক বছরে দুই হাজারের বেশি ব্যক্তিকে ফিরিয়ে নেওয়া এই ঘটনা নজিরবিহীন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত এবং প্রত্যাবাসনের তৎপরতা আরও জোরদার হলে এই সংখ্যাও বেড়ে যায়। তবে, যাদের ফেরত পাঠানো হয়েছে, তাঁদের বাংলাদেশি নাগরিকত্বের প্রমাণ হিসেবে কোনও দালিলিক প্রমাণ বা পরিচয়পত্র পুলিশ নিশ্চিত করেনি। পুলিশের দাবি, এই ব্যক্তিরা জাল আধার কার্ড, ভোটার আইডি ও অন্যান্য নথিপত্র ব্যবহার করে স্থানীয়দের সঙ্গে মিশে দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় বসবাস করছিল। তবুও, নানা অভিযোগ উঠেছে যে, ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে বাংলাভাষী মুসলমানদের জোরপূর্বক ‘বাংলাদেশি’ বলে চিহ্নিত করে সীমান্ত দিয়ে ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম ও আসামের জেলায় বেশ কিছু ঘটনার মধ্যে দেখা গেছে, যদিও তাঁদের কাছে ভারতের বৈধ আধার ও নাগরিকত্বের প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও পুলিশ তাঁদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠায়। সমালোচকদের মতে, বিজেপি সরকার এই ‘অনুপ্রবেশ’ ইস্যুকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে এবং বাছবিচার না করে ভাষার ভিত্তিতে সাধারণ মানুষকে লক্ষ্যবস্তু করছে। এই ধরনের অভিযানগুলোর ভয়াবহতা এরই মধ্যে প্রকাশ পেয়েছে, যেমন পশ্চিমবঙ্গের বীরভূমের বাসিন্দা সোনালী খাতুন ও তার পরিবারের ঘটনাটি। চলতি বছর মাঝামাঝি সময়ে, অন্তঃসত্ত্বা সোনালী ও পরিবারের পাঁচ সদস্যকে ‘অবৈধ অনুপ্রবেশকারী’ হিসেবে চিহ্নিত করে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়। যদিও এ পরিবারের কাছে ভারতের নাগরিকত্বের জন্য আধার কার্ড ছিল, কিন্তু সেটি আমলে নেওয়া হয়নি। কয়েক মাস বাংলাদেশে চরম দুর্ভোগের পর, আদালত তাদের ভারতীয় নাগরিক বলে প্রমাণিত করে এবং তারা শীঘ্রই ভারতে ফিরে যেতে সক্ষম হয়। এই ঘটনা দিল্লি পুলিশের দাবি ও সত্যতা নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলেছে। একইভাবে আসামের নলবাড়ি জেলার বাসিন্দা সকিনা বিবির ঘটনাও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে সমালোচিত হয়েছে। ২০১৬ সাল থেকে ডিটেনশন কেন্দ্রের সদস্য থাকাকালীন, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে জামিনে মুক্ত হলেও, গত মে মাসে তাকে নিয়মিত হাজিরা দিতে গিয়ে নিখোঁজ হতে দেখা যায়। এক মাস পর, জুনের শুরুতে, তাকে ঢাকার ভাষানটেক এলাকার রাস্তায় পাওয়া যায়, যেখানে স্পষ্ট হয় যে আসাম পুলিশ তাকে আইনি প্রক্রিয়া ছাড়াই সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পাঠিয়েছে। মামলার শুনানির মাধ্যমে পুলিশ এই পুরো ঘটনাটি চাপা দিতে চাইলেও, এই ধরনের ঘটনা এখনও চলমান এবং অসংখ্য মানুষ পরিচয়ের সংকটে বাংলাদেশের মানবেতর জীবনযাপন করছে। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া।

  • কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের সামনে বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি

    কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের সামনে বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি

    শুক্রবার কলকাতায় বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনের বাইরে ফের হিন্দু সংখ্যালঘুদের উপর হামলা ও নির্যাতনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। হিন্দু সংহতি সংগঠনের উদ্যোগে এ বিক্ষোভের সময় কোনো ধরনের সংঘর্ষে লিপ্ত হয়নি বিক্ষোভকারীরা। তারা অবিলম্বে বাংলাদেশে হিন্দুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করেন। সেই সঙ্গে দীপু দাস হত্যায় জড়িতের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান বিক্ষোভকারীরা। পরে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে এক প্রতিনিধি দল ডেপুটি হাইকমিশনে গিয়ে এই স্মারকলিপি প্রদান করেন। ডেপুটি হাইকমিশনে অতিরিক্ত নিরাপত্তার মধ্যে এই কর্মকাণ্ড সম্পন্ন হয়। স্মারকলিপিতে বাংলাদেশের হিন্দুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং দীপু দাস হত্যার সঙ্গে যুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি ওঠে।

    এদিন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীসহ অনেক সাধু, সন্ন্যাসী ও রাষ্ট্রীয় নেতা উপস্থিত ছিলেন। তারা ঘোষণা করেন, যদি এই হিন্দু নির্যাতন বন্ধ না করা হয়, তাহলে তারা তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলবেন। শুভেন্দু অধিকারী সাংবাদিকদের জানান, তারা স্মারকলিপির মাধ্যমে বাংলাদেশে অবিলম্বে হিন্দু নির্যাতন বন্ধের জন্য দাবি জানাচ্ছেন। গুজব ও অপপ্রচার বন্ধ করে হিন্দু বিদ্বেষ ও অন্যান্য ধর্মের প্রতি ঘ encouraged সক্রিয় থাকতে হবে। শাস্তির আওতায় আনতে হবে হিন্দুদের উপর আঘাতকারী জড়িতদের।

    অন্যদিকে, আরামবাগে একটি প্রতিবাদ মিছিল বের হয়, যা নেতৃত্ব দেয় বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার। এই মিছিলের মধ্য দিয়ে দীপু দাস হত্যার বিচারের দাবি জানানো হয়েছে ও বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতন বন্ধের পদক্ষেপের জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।

    এর পাশাপাশি, পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা ও বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী হুমকি দেন, যদি বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর নির্যাতন বন্ধ না হয়, তাহলে তারা ৫ লাখ সন্ন্যাসী নিয়ে বাংলাদেশের দূতাবাস ঘেরাও করবেন। কলকাতায় উপদূতাবাসের সামনে আবারও বিক্ষোভ করেন তারা। এর আগে, দিঘার বেগবাগান মোড়ে বিক্ষোভের সময় শুভেন্দু এই হুমকি দেন।

    বিপিএসির প্রতিনিধিদল কলকাতা থেকে বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ তুলে স্মারকলিপি প্রদান করেন। পরে, শিয়ালদহ স্টেশনের কাছাকাছি একটি গেরুয়া পোশাক পরা সাধু-সন্তদের নেতৃত্বে একটি মিছিল বাংলাদেশের উপ-দূতাবাসের দিকে এগোয়; তবে পুলিশ তা আটকে দেয়।

    এরপর, শুভেন্দু অধিকারীসহ চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। প্রায় ৩০ মিনিটের আলোচনা শেষে তারা বাইরে আসেন। শুভেন্দু জানান, এই বৈঠকে তারা বাংলাদেশের সংযোজন ও দাবি পৌঁছে দিয়েছেন এবং জানিয়েছেন, আগামী জানুয়ারি থেকে বিভিন্ন সংগঠন ও নেতারা এই বিষয়গুলো নিজেদের মাধ্যমে তুলে ধরবেন।

    শুভেন্দু বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি দিয়ে, ‘যদি সরকার যথাযথ ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে নতুন বছরের আগে সব কিছু তুলে ফেলবেন। গঙ্গাসাগর মেলায় লাখ লাখ সাধু পবিত্র যোগসন্ধানে গেলে, আমি তাদের সঙ্গে থাকব ও পথ দেখাব। পুলিশ ক্ষমতা থাকলে দেখবেন, প্রয়োজনে কিছু হবে।’