Month: January 2026

  • প্রয়াত চলচ্চিত্র নির্মাতা আবদুল লতিফ বাচ্চু

    প্রয়াত চলচ্চিত্র নির্মাতা আবদুল লতিফ বাচ্চু

    প্রসিলিত চলচ্চিত্র নির্মাতা ও বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন শিল্পী সমিতির সাবেক সভাপতি আবদুল লতিফ বাচ্চু (৮৪) আজ সক্রিয় না থাকায় আমাদের মাঝে নেই। তিনি রোববার (৪ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার ধানমন্ডির একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

    চলচ্চিত্র নির্মাতা কবিরুল ইসলাম রানা এই দুঃখজনক খবরটি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গতকাল বিকেলে তিনি তার সাথে ফোনে কথা বলেছেন, কিন্তু আজ দুপুরে খবর পেলাম তিনি আর আমরা নেই।

    কবি রানা আরও জানান, কয়েক মাস আগে তিনি নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। পরবর্তীতে পরিস্থিতির অবনতি হলে তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে থাইল্যান্ডে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানকার চিকিৎসা শেষে তিনি সুস্থ হয়ে ফিরে আসেন।

    আবদুল লতিফ বাচ্চু ১৯৪২ সালের ৯ জানুয়ারি সিরাজগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তার দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তিনি সম্প্রতি বাংলাদেশ চলচ্চিত্রগ্রাহক সমিতির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি তিন ছেলেকে জনক। তার ছেলেরা সবাই প্রবাসে থাকেন, মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে।

  • ‘কোভি খুশি কোভি গাম’-এর সিক্যুয়েল আসছে!

    ‘কোভি খুশি কোভি গাম’-এর সিক্যুয়েল আসছে!

    নতুন বছর উপলক্ষে আবারও হলিউড এবং বলিউডের দর্শকদের জন্য এক আকর্ষণীয় চমক নিয়ে ফিরছেন বলিউডের জনপ্রিয় পরিচালক করণ জোহর। আগে থেকেই শোনা যাচ্ছিল তিনি একটি পারিবারিক ছবি নির্মাণের পরিকল্পনা করছেন। এই ছবি হবে এক আবেগঘন এবং হৃদয়স্পর্শী পারিবারিক ড্রামা। তবে কেউ হয়তো কল্পনাও করতে পারেননি যে সেটি হতে যাচ্ছে তার বিখ্যাত মাইলস্টোন এটি — ‘কাভি খুশি কাভি গাম’ এর সিক্যুয়েল। যা উপস্থিত হবে নতুন উদ্যমে, আবারো দর্শকদের মন জয় করতে প্রস্তুত।

  • ধর্মেন্দ্রর স্মরণসভা আলাদা কেন, হেমা মালিনী মুখ খুললেন

    ধর্মেন্দ্রর স্মরণসভা আলাদা কেন, হেমা মালিনী মুখ খুললেন

    প্রয়াত বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা ধর্মেন্দ্রর স্মরণে পৃথক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন তার দ্বিতীয় স্ত্রী হেমা মালিনী। এই উদ্যোগের কারণ নিয়ে অনেকের মধ্যে గুঞ্জিশীল ছিল বোঝা যায়, সাধারণত এক পরিবারের মধ্যে এই ধরনের বিভাজন দেখা যায়। এ নিয়ে নানা গুঞ্জন উঠলেও হেমা মালিনী স্পষ্ট করে দিয়েছেন, তাদের মধ্যে পারিবারিক কোনও ভাঙন বা বিরোধ নেই।

    বিশ্লেষক ও গণমাধ্যমকে তিনি বলেছেন, এটি আসলে তাদের পারিবারিক অপ্রকাশিত বা ব্যক্তিগত বিষয় নয়। আমি নিজেকে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত বলে করছে় যার জন্য দিল্লিতে আমার সহকর্মী এবং বন্ধুদের জন্য একটি আলাদা স্মরণসভার আয়োজন করেছিলাম। তাছাড়া, মথুরার সাধারণ মানুষ যেমন ধর্মেন্দ্রর জন্য বিশেষ অনুভব করেন, তাদের আবেগের প্রতিফলন হিসেবে সেখানে আলাদা অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে।

    তিনি আরও জানান, ধর্মেন্দ্রর পরিবারের সদস্যরা একে অন্যের সঙ্গে ভাল ও বন্ধুত্বপূর্ণ। সবাই অবাধে প্রিয় অভিনেতাকে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন এবং কোনও দ্বৈরত্বর পরিবেশ নেই।

    গত বছর ২৪ নভেম্বর ধর্মেন্দ্র আর নেই, তার মৃত্যুর পর ৩ ডিসেম্বর তার অস্থি বিসর্জন সম্পন্ন হয়েছে হরিদ্বারে। তবে দেড় মাস কাটার পরও, দুই পরিবারের সদস্যরা একসঙ্গে উপস্থিত ছিলেন না ধর্মেন্দ্রর শেষকৃত্য এবং অন্যান্য ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানে, বলে কথেছে বলিউড মহলে।

    বিয়ের গুঞ্জন ও বিভেদবিষয়ক গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়ে হেমা মালিনী বলেন, ধর্মেন্দ্রর স্মৃতি ধরে রাখতে এবং তার জীবনকে সম্মানিত করতে সানি দেওল একটি বিশাল উদ্যোগ গ্রহণ করছেন। এই পরিকল্পনায় মুম্বাইয়ের লোনাভেলায় অবস্থিত তার ১০০ একর জায়গায় নির্মিত ফার্মহাউসটি একটি মিউজিয়াম বা জাদুঘরে রূপান্তরিত করার কাজ চলছে। এটি নিশ্চিতভাবেই ধর্মেন্দ্রর অনুরাগীদের জন্য এক বিশেষ উপহার বলে তিনি আশা করেছেন।

  • ভারতীয় ‘এসজি’ বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের সাথে চুক্তি নবায়ন করবে না

    ভারতীয় ‘এসজি’ বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের সাথে চুক্তি নবায়ন করবে না

    লিটন কুমার দাসের ব্যাটের স্পন্সর ছিল এসজি (সানস্পাইরেলস গ্রিনল্যান্ডস), যারা বড় একটি ক্রিকেট সরঞ্জামের কোম্পানি। এই স্পন্সর থেকে তিনি পছন্দের ব্যাট তৈরি করে নিতে পারতেন, পাশাপাশি লোগো ব্যবহারের মাধ্যমে আর্থিক উপার্জনের সুযোগও ছিল। তবে এখন এই আয় আর থাকবে না। কারণ, এসজি তাদের স্টিকার অব্যাহতভাবে ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে, লিটনের ব্যাটে আর কোনো স্পন্সর স্টিকার থাকছে না। জানা গেছে, ভারতীয় এই কোম্পানি বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের সঙ্গে চুক্তি নবায়ন করবেন না।

    তাদের মধ্যে ইয়াসির আলী রাব্বি ও মুমিনুল হকের সঙ্গেও এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হতে চলেছে। উল্লেখ্য, এজেন্টরা জানিয়েছেন, এসজি চুক্তি নবায়নের জন্য পাকা কথা দিয়েছিল, কিন্তু হঠাৎ করে চুক্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত আসায় তারা বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। কোম্পানি কোনো কারণ না জানিয়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে।

    ইতিমধ্যে, বাংলাদেশ-ভারত রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রভাব ক্রিকেটে পড়েছে। ভারতীয় হিন্দুত্ববাদীদের হুমকির মুখে মুস্তাফিজুর রহমানকে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) খেলার সুযোগ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) তাকে ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে নিলামে নেয়। এই ঘটনা বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে বড় ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে, কারণ বাংলাদেশের সাতজন ক্রিকেটার নিলামে ছিলেও কেবল মুস্তাফিজকেই চূড়ান্তভাবে দলে নেওয়া হয়।

    সরকার এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে আইপিএলের সম্প্রচার বন্ধের প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। একই সঙ্গে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) বাংলাদেশ যদি ভারতের ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেয়, তখন আরও বিক্ষোভ হয়ে দাঁড়াতে পারে। এর মধ্যেই, ভারতের স্পন্সর বাতিল বা চুক্তি নবায়ন না করার সিদ্ধান্ত যেন আগুনে ঘি ঢালছে। এর মধ্য দিয়ে পাল্টাপাল্টি আন্দোলন ও বয়কটের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

    লিটনের ব্যাটের স্পন্সর চুক্তি বাতিল বা নবায়ন না করার কারণ জানার জন্য তাকে কল করা হলেও পাওয়া যায়নি। তবে, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সাবেক অধিনায়ক মুমিনুল হক বিষয়টা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘শোনা গেছে, এসজি চুক্তি বাতিল করেছে। আমি এখনও কিছু জানাইনি। যদি আরও কিছু হয়, তখন জানিয়ে দেব।’

    বাংলাদেশে ভারতের ক্রীড়া সামগ্রীর বড় বাজার রয়েছে। ক্রিকেট ও হকির সরঞ্জাম মূলত দেশটি থেকেই আমদানি হয়। সাম্প্রতিককালে, সিএ ব্যাটের বাজারও বিস্তার লাভ করেছে। তামিম ইকবাল, যিনি এই ব্যাটের ব্যবসায়ী, তিনি এই চুক্তি বাতিলের পর প্রতিবাদে উঠতে পারেন। এভাবে, ভারতের স্পন্সর না থাকায় বাংলাদেশে কঠোর অচলাবস্থা তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে।

    অন্যদিকে, সিলেটে বিপিএল দলের বেশ কিছু ক্রিকেটার এসجی ব্যাটের ব্যবহার করেন। এই স্পন্সর থেকে সরে গেলে ঢাকায় এসজি ব্যাটের বিক্রিতে মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। এই স্থানটি দখল করতে পারে স্থানীয় অন্য কোম্পানি যেমন সিএ বা এমকেএস।

  • নাসিরের ঝড়ো ৯০ রানের ইনিংস দিয়ে ঢাকার সহজ জয়

    নাসিরের ঝড়ো ৯০ রানের ইনিংস দিয়ে ঢাকার সহজ জয়

    নাসির হোসেনের ব্যাট থেকে ঝুলন্ত ৫০ বলের অপরাজিত ৯০ রানের অসাধারণ ইনিংসের ফলে ঢাকা ক্যাপিটালস সহজে নোয়াখালী এক্সপ্রেসকে সাত উইকেটের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছে। এই জয়ের মাধ্যমে তারা আরও তিনটি বল বাকি থাকতেই ম্যাচটি নিজের করে নেয়।

    ম্যাচের শুরুতে লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ঢাকা দ্রুত দুই উইকেট হারায়। প্রথমে রহমানউল্লাহ গুরবাজ শূন্য রান করে আউট হন, এরপর আব্দুল্লাহ আল মামুন এক রান করে ফিরে যান। এই পরিস্থিতিতে দলের হাল ধরেন নাসির ও ইরফান শুক্কুর। দুজনের মিলিত সংগ্রামে গড়ে ওঠে ৫৯ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি।

    ১১ বলে ১২ রানে ইরফান শুক্কুর আউট হলেও ঢাকার জন্য পরিস্থিতি কঠিন হয়নি। দলের জয় নিশ্চিতে অবদান রেখেছেন নাসির ও ইমাদ ওয়াসিম। নাসিরের ব্যাট থেকে আসে ১৪টি চার ও দুটি ছক্কার মার, যেখানে তার ইনিংসটা ছিলো ৫০ বলে ৯০ রান। ইমাদ ওয়াসিম ক্যামিও হিসেবে ১৬ বলে ২৯ রান করেন।

    অপর দিকে, নোয়াখালী ব্যাটিংয়ে শুরুতেই বিপদে পড়ে গেলে পাওয়ার প্লে’তেই তিন উইকেট হারায়। সাউম্য সরকার মাত্র এক রান করে ফিরে যান, এরপর হাবিবুর রহমান সোহানও ছয় রানে আউট হন। মুনিম শাহরিয়ারও বেশিক্ষণ টিকে থাকতে পারেননি, তিনি ছয় বলে দুই রান করে আউট হন। এই সব উইকেটের পতনে ১৮ রানেই ত্রিফলা দলের।

    ৪০ রানের মধ্যে আরও দুটি উইকেট পড়ে। মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনকে ফিরিয়ে দেন জিয়া শরিফি, এবং মাজ সাদাকাতকে আউট করেন নাসিরের বলে। মোট ৪০ রানে পাঁচ উইকেট হারিয়ে নোয়াখালী সংগ্রহ করে ১৩৩ রান। শেষের দিকে মোহাম্মদ নবি ও হায়দার আলী দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন। তাঁদের অনবদ্য জুটিতে হয় ৯০ রানের পার্টনারশিপ।

    অবশেষে, ৩৩ বলে ৪২ রান করা নাবি আর হায়দার আলীর ব্যাটে ৬ উইকেটের বিনিময়ে ১৩৩ রানের সংগ্রহ গড়ে নোয়াখালী। তবে এই চেলে তারা জিততে পারেনি, কারণ ঢাকার তিনজন বোলারই কার্যকরভাবে তাদের অল্প রানে আটকে রেখেছেন।

  • বাগেরহাটে মাদক বিরোধী ভলিবল টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান

    বাগেরহাটে মাদক বিরোধী ভলিবল টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান

    বাগেরহাট জেলা প্রশাসন ও জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর-এর উদ্যোগে আয়োজিত আট দলীয় মাদক বিরোধী ভলিবল টুর্নামেন্টের সফল সমাপ্তি হল গতকাল বুধবার। কাঁঠালতলা মাঠে অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, বাগেরহাট-এর উপ-পরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক গোলাম মোঃ বাতেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাছান চৌধুরী বিপিএম, খুলনা বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক মোঃ আহসানুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সদর সার্কেলের প্রতিনিধিরা। টুর্নামেন্টে অংশ নেয় বাগেরহাটের বিভিন্ন উপজেলা থেকে অর্থাৎ পুলিশ বিভাগ, ভৈরব, কাঁঠালতলা, বুড়িগাংনী, তেরখাদা, মোরেলগঞ্জ, কার্তিকদিয়া ও কাড়াপাড়া। সব দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বললে, বুড়িগাংনী দল চ্যাম্পিয়ন হয়, তারা ফাইনালে তেরখাদাকে ৩-০ সেটে পরাজিত করে। বিজয়ী দলের জন্য নগদ ২০ হাজার টাকা ও ট্রফি প্রদান করা হয়েছে, এছাড়াও রানারআপ দলের জন্য রয়েছে ১৫ হাজার টাকা ও ট্রফি। খেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে, বাগেরহাটের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর-এর উপ-পরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান সকল খেলোয়াড় ও দর্শকদের জন্য মাদকবিরোধী শপথ পাঠ করান। এটি যেন সমাজে মাদকমুক্ত জীবনের বার্তা পৌঁছে দিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।”}theAssistantHow can I assist you further? Let me know if you want any other news articles rewritten or additional information. If you have another text, please provide it. If you need help with anything else, just ask! I am here to help. }]} {

  • খুলনায় মাসব্যাপী ফুটবল প্রশিক্ষণের উদ্বোধন

    খুলনায় মাসব্যাপী ফুটবল প্রশিক্ষণের উদ্বোধন

    খুলনা জেলা ক্রীড়া অফিসের আয়োজনে এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ও ক্রীড়া পরিদপ্তরের বার্ষিক ক্রীড়া কর্মসূচির অংশ হিসেবে, গতকাল বুধবার খুলনায় মাসব্যাপী ফুটবল প্রশিক্ষণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-পরিচালক মহান মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মোস্তাক উদ্দিন, যিনি খুলনা বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সের মাঠে এই প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা মোঃ আলীমুজ্জামান। দেশের বিভিন্ন উপজেলাখúলে ইউনিয়ন পর্যায়ের ক্রীড়া প্রতিষ্ঠান, স্কুল ও মাদ্রাসা থেকে খেলোয়াড়দের বাছাই করে এই প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে স্থানীয় যুবকদের ক্রীড়া সচেতনতা ও ফুটবলের দক্ষতা বেড়ে যাবে এবং ভবিষ্যতে তারা জাতীয় পর্যায়ে প্রমানিত হওয়ার সুযোগ পাবে।

  • অ্যাশেজের শেষ দিনে উত্তেজনা, খাজার বিদায়ী টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার জয়

    অ্যাশেজের শেষ দিনে উত্তেজনা, খাজার বিদায়ী টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার জয়

    ১৫ বছর আগে সিডনিতে তার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ক্যারিয়ারের সূচনা করেছিলেন অস্ট্রেলিয়ান তারকা উসমান খাজার। অবশেষে সেই সিডনিতেই তিনি তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচটি খেলে ফেললেন। যদিও তার ব্যাটে এই ম্যাচটি রাঙাতে পারলেন না, তবে অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসে এই ম্যাচটি বিশেষ হয়ে উঠেছে। খাজার বিদায়ের ম্যাচটি ড্রামাটিক এবং উত্তেজনাপূর্ণভাবে শেষ হয়, যেখানে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া ৫ উইকেটের জয় অর্জন করে সিরিজে ৪-১ ব্যবধানে বিজয়ী হয়।

    অ্যাশেজ সিরিজের ফল আগেই নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল, কারণ অস্ট্রেলিয়ানরা টানা তিনটি ম্যাচ জিতে সিরিজের ট্রফি নিজেদের করে নিয়েছে। মেলবোর্নে চতুর্থ টেস্ট জিততে না পারায় ইংল্যান্ড কেবল হোয়াইটওয়াশ এড়াতে সক্ষম হয়। তবে এই চতুর্থ ম্যাচটি বিশেষ করে খাজার পারফরম্যান্সের জন্য উল্লেখযোগ্য, কারণ এটি সিরিজের শেষ টেস্ট হিসেবে আরেকটি দৃষ্টিশীল ও উত্তেজনাপূর্ণ পর্যায়ে পৌঁছে।

    সিডনি টেস্টে ইংল্যান্ডের জন্য পরিস্থিতি প্রাথমিকভাবে সুবিধাজনক ছিল। দ্বিতীয় দিন শেষে তাদের লিড ছিল মাত্র ১১৯ রান, যদিও মাঠে ব্যাটিং করতে থাকা সেঞ্চুরিয়ান জ্যাকব বেথেল থাকায় ম্যাচের ভাগ্য বদলে যাওয়ার আশঙ্কা ছিল। ইংলিশরা অস্ট্রেলিয়াকে ১৬০ রানের লক্ষ্য দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, যা ট্রাভিস হেড ও জ্যাক ওয়েদারল্ডের ওপেনিং জুটির সুবাদে বড় হতে পারতো। তবে অস্ট্রেলিয়ার বোলাররা দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে দ্রুত উইকেট পড়াতে শুরু করে, ফলে খেলায় উত্তেজনা বাড়ে। অস্ট্রেলিয়া এর পরও বিপদে পড়ে ৫ উইকেট হারানো সত্ত্বেও শেষমেশ ম্যাচটি জিতে যায়।

    ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংসটা কেবল মাত্র ১৩.২ ওভার লম্বা হতে পেরেছিল, যেখানে তারা ৩৪২ রানে অলআউট হয়। বেথেল ১২ রান যোগ করতেই দিন শেষ করে। অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে এই ইনিংসে ব্যু ওয়েবস্টার ও মিচেল স্টার্ক ৩টি করে উইকেট নেন। দলে আরও উইকেট পান স্কট বোল্যান্ড ও মাইকেল নেসার। এই পারফরম্যান্সের মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়া লক্ষ্য সহজেই পৌঁছে যায়।

    বিশেষ করে এই ম্যাচে বিদায়ী ম্যাচ খেলতে নেমে উসমান খাজার পারফরম্যান্স চোখে পড়ার মতো ছিল না। তিনি প্রথম ইনিংসে ১৪ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ৬ রান করে খুব একটা সফল হতে না পারলেও, তার ক্রিকেট জীবনের উৎসব আর অনুভূতি ছিল অনন্য। ম্যাচের শেষে গার্ড অব অনার পেয়ে গ্যালারির করতালিতে বিদায় নেন খাজার। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তার মোট রান ৮০২৪, যাকেই তিনি ৮৮ টেস্ট, ৪০ ওয়ানডে এবং ৯ টি টি-টোয়েন্টিতে খেলেছেন। তার ক্যারিয়ারে রয়েছে ১ ডাবল সেঞ্চুরি, ১৮ টি সেঞ্চুরি এবং ৪১টি হাফসেঞ্চুরি। এই ম্যাচ তার জন্য ছিল একটি বিশেষ স্মৃতি, যেখানে তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের যাত্রা শেষ করলেও তার অবদান ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে চিরস্থায়ী হয়ে থাকবে।

  • যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার রণতরিকে উপেক্ষা করে জব্দ করল তেলের জাহাজ

    যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার রণতরিকে উপেক্ষা করে জব্দ করল তেলের জাহাজ

    আন্তর্জাতিক জলসীমায় আটলান্টিক মহাসাগরে রাশিয়ার পতাকাবাহী একটি তেলবাহী জাহাজকে জব্দ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এই জাহাজের নাম ছিল ‘বেলা-১’, যাকে অনেকে ‘মেরিনেরা’ নামে পরিচিত। উল্লেখ্য, এই জাহাজটি রক্ষায় রাশিয়া গভীর নৌবহর পাঠিয়েছিল, যার মধ্যে সাবমেরিনসহ বিভিন্ন বৈচিত্র্যপূর্ণ যুদ্ধজাহাজ ছিল। মার্কিন কমান্ডোরা সাহসিকতার সঙ্গে এই অভিযান পরিচালনা করে। বুধবার মার্কিন ইউরোপীয় কমান্ডের এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট থেকে এই তথ্য জানানো হয়, যা এজেন্সিগুলোর খবরে তুলে ধরা হয়েছে।

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, এই জাহাজটি অসংখ্য নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করায় স্কটল্যান্ডের উত্তরে আন্তর্জাতিক জলসীমা থেকে জব্দ করা হয়েছে। সতর্কতাসর্বস্ব অভিযান শুরুর আগে এই জাহাজটিকে ক্যারিবীয় সাগর থেকে দীর্ঘ সময় ধরে অনুসরণ করা হয়। এই সফল অভিযান পরিচালনার জন্য মার্কিন কোস্ট গার্ড ও সামরিক বাহিনী সরাসরি অংশ নিয়েছে বলে জানায় তদন্তকারীরা। গত কয়েক দিন ধরে আশপাশের এলাকা ঘিরে মার্কিন সামরিক প্রস্তুতি বৃদ্ধি করেছিল।

    আটলান্টিকের এই ক্ষেত্রে রুশ জাহাজ জব্দের ঠিক পরপরই, মার্কিন সাউদার্ন কমান্ড ক্যারিবীয় সাগর থেকে আরও একটি তেলবাহী জাহাজ ‘এম/টি সোফিয়া’ আটক করার ঘোষণা দেয়। এই জাহাজকে যুক্তরাষ্ট্র ‘রাষ্ট্রহীন’ এবং ‘ডার্ক ফ্লিট’-এর অংশ হিসেবে উল্লেখ করে ক্ষমতার অপব্যবহার ও নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে তেল পাচার চালানোর জন্য অভিযুক্ত করেছে। মাত্র এক ঘণ্টা পার হতেই দু’টি গুরুত্বপূর্ণ জলপথে মার্কিন সেনাদের এই বিজয় ও শক্তির প্রকাশ হয়েছে।

    রুশ পতাকাবাহী জাহাজের জব্দের ঘটনাকে ভেনেজুয়েলা সরকার ‘আন্তর্জাতিক লুটতরাজ’ হিসেবে অভিহিত করেছে। অন্যদিকে, রাশিয়া, তাদের নৌবহর সক্রিয় থাকা সত্ত্বেও এই জাহাজ রক্ষা করতে অক্ষম হওয়ায় এই অঞ্চলে সামরিক উত্তেজনা আরও বেড়ে গেছে। মার্কিন ফেডারেল আদালতের পরোয়ানার ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালিত হয়, যেখানে বিচার বিভাগ, স্বরাষ্ট্র বিভাগ ও ডিপার্টমেন্ট অব ওয়ারের সমন্বয় ছিল। বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই ‘শিপিং ব্লকড’ নীতি মস্কো ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সরাসরি সামরিক সংঘাতের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিয়েছে।

    এ ঘটনাটি ঘটে এমন সময়, যখন কিছু দিন আগে শনিবার ভোরে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে এক ঝটিকা অভিযান চালিয়ে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করে মার্কিন স্পেশাল ফোর্সেস। তাকে ইতিমধ্যে মাদক পাচারের অভিযোগে ফেডারেল আদালতের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে। এই সব ঘটনায় স্পষ্ট হয়ে উঠছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও অর্থনৈতিক শক্তি এখনো বিশ্বজুড়ে তার প্রভাব বজায় রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

  • মধ্যবর্তী নির্বাচনে হেরে গেলে অভিশংসনের আশঙ্কা, উদ্বিগ্ন ট্রাম্প

    মধ্যবর্তী নির্বাচনে হেরে গেলে অভিশংসনের আশঙ্কা, উদ্বিগ্ন ট্রাম্প

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ষোড়শ শতাব্দীর পর থেকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী মূহুর্তের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন, যেখানে তার ভবিষ্যৎ অনেকটাই নির্ভর করছে ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফলের উপর। তিনি স্পষ্টভাবে বলেছেন, এই নির্বাচনে রিপাবলিকানদের অবশ্যই সফলতা অর্জন করতে হবে। না হয়, ডেমোক্র্যাটরা তার বিরুদ্ধে অভিশংসনের পথে হাঁটতে পারেন। মঙ্গলবার ওয়াশিংটনের রাজধানীতে রিপাবলিকান সদস্যদের একটি সম্মেলনে ট্রাম্প এই মন্তব্য করেন।

    প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, “আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে আপনাদের কঠোর মনোযোগ দিয়ে জিততে হবে। যদি ব্যর্থ হন, তবে ওরা (ডেমোক্র্যাটরা) আমাকে অভিশংসিত করার জন্য কারণ খুঁজে নেবে।” এর ফলে তার জন্য বিভিন্ন ধরনের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে। রয়টার্স ও আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়, মধ্যবর্তী নির্বাচনে হেরে গেলে ট্রাম্পের ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক কার্যক্রমে বড় ধরনের বাধা আসতে পারে, এমনকি কংগ্রেসে তদন্তের মুখোমুখিও হতে পারেন তিনি। এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্প তার দলের সদস্যদের সঙ্গে আগেভাগেই যোগাযোগ রাখছেন যাতে ভবিষ্যতের পরিকল্পনা ঠিক মতো বাস্তবায়ন হয়। ভবিষ্যৎ উন্নতির জন্য, তিনি চান ভোটারের মধ্যে থাকা জীবনযাত্রার খরচের চাপ কমানোর দিকে মনোযোগ কেন্দ্রীভূত হোক।

    তবে, ট্রাম্পের আশাবাদী মনোভাব আকাশচুম্বী—তিনি নিশ্চিত করেছেন যে, তিনি মধ্যবর্তী নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য জয় নিয়ে আসবেন এবং ইতিহাসের নতুন রেকর্ড গড়বেন। বলছেন, “আমরা মধ্যবর্তী নির্বাচনে জয় নিশ্চিতে এগিয়ে যাচ্ছি।” তবে এই দৌড়ে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো, হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের ৪৩৫ আসন ও সিনেটের ৩৩টি আসন মোটেই কম নয়, যা জিততে হলে দরকার ঠিকঠাক পরিকল্পনা ও প্রচেষ্টা।

    এদিকে, সমাজের জীবনযাত্রার খরচ নিয়ে আলোচনা ইতিমধ্যেই বেশ মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর সঙ্গে ট্রাম্পের ছবি তুলে এড়িয়ে যেতে চান ভোটারদের। দেশটির অভ্যন্তরীণ সমস্যা, যেমন মূল্যস্ফীতি, ও অন্যান্য অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জে ট্রাম্পের দৃষ্টি এখন কেন্দ্রীভূত। তবে, ট্রাম্প দাবি করেন, এসব সমস্যা ডেমোক্র্যাটগুলোর সৃষ্টি এবং এখন তাদের জন্যই তার বিরুদ্ধে চাপ বাড়ছে।

    ৮৪ মিনিটেরও বেশি সময় ধরে আলোচনায় অংশ নেন ট্রাম্প, যেখানে তিনি অনেক অপ্রাসঙ্গিক বিষয়ও উত্থাপন করেন। যেমন, তিনি বলেন, “স্ত্রীর উপদেশে জনসম্মুখে নাচা বন্ধ করেছি।” এছাড়াও, নানা ধরনের মিথ্যা তথ্য ও অভিযোগ আনেন তিনি। একদিকে তিনি দাবি করেন, গত সাত মাসে ওয়াশিংটনে কোনও হত্যাকাণ্ড হয়নি, যদিও প্রতিদিনের হতাহতের খবর আসছে। আবার, দাবি করেন, তিনি গলফ খেলেন না, কিন্তু সম্প্রতি তিনি গলফ মাঠে দেখা গেছে।

    তিনি আরও বলেন, মিডটার্ম নির্বাচনে রিপাবলিকানরা জিতবে, কিন্তু কিছু দলের সদস্য ঠিকভাবে কাজ করছেন না বলে আক্ষেপ প্রকাশ করেন। ইতিহাসও বলছে, ২০০৬ সাল থেকে প্রতিটি মধ্যবর্তী নির্বাচনে ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্টরা তাদের আসন হারিয়েছে। ফলে, ট্রাম্প এখন থেকেই স্বাস্থ্য খাতে মনোযোগ দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তাহলে যেন তার দল আরও শক্তিশালী হয়।

    প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রথমবার যখন ক্ষমতায় ছিলেন, তখন তিনি দুইবারই অভিশংসনের মুখোমুখি হন। এখনো অনেক ডেমোক্র্যাট তার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অন্যায়ের অভিযোগ আনেন, তবে হোয়াইট হাউজের দাবি, সব অভিযোগই ভিত্তিহীন। বর্তমানে, তার দলের কংগ্রেসে সংখ্যাগরিষ্ঠতা আছে, তবে খুবই অল্প ভোটের ব্যবধান; তাই তাঁর ক্ষমতা আরও বাড়ানোর জন্য নানা আইনি ও প্রশাসনিক উদ্যোগ নিচ্ছেন তিনি। কিছু রিপাবলিকান এখনও ট্রাম্পের প্রতি বিশ্বাস ও আনুগত্য দেখাচ্ছেন, তবে কিছুটা ক্ষোভও দেখা যাচ্ছে। চলতি মাসে কলোরাডো ও ফ্লোরিডার বিভিন্ন অবকাঠামো প্রকল্প বাতিলের সিদ্ধান্তে ভেটো দেন ট্রাম্প, আর সম্ভবত এই সিদ্ধান্তে তার বিরুদ্ধে একটি ভেটো বাতিলের ভোট হতে পারে, যেখানে অনেক রিপাবলিকান তার পক্ষে ভোট দেবেন বলে মনে করা হচ্ছে।