Month: January 2026

  • নির্বাচিত সরকারের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত চীন

    নির্বাচিত সরকারের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত চীন

    বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের নেতৃত্বে বার্ষিক প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বাংলাদেশে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের এক ফলপ্রসূ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই আলোচনায় বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং দু’দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়গুলো নিয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব হুমায়উন কবির।

    তিনি বলেন, চীন এই সময়ে নির্বাচিত সরকারের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত। এর পাশাপাশি, নির্বাচন পরবর্তী সময়ে দেশের অর্থনীতিকে সুদৃঢ় করা এবং চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কের উন্নয়নে কীভাবে যৌথ উদ্যোগ নেওয়া যায়, সেই বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

    বৈঠক শেষে হুমায়উন কবির সাংবাদিকদের জানান, আগামী দিনে দেশের উন্নয়নে চীন ও বাংলাদেশ কীভাবে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে পারে, সেই বিষয়গুলো আলোচনায় স্থান পায়। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, তারা নির্বাচিত সরকারের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত। এছাড়াও, নির্বাচন পরবর্তী সময়ে দেশের জনগণের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য বিএনপির নেতা তারেক রহমানের ভুমিকা কী হবে, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

    বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, তারেক রহমানের প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, এবং বিএনপি’s ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক উপদেষ্টা মাহাদী আমিন। এই আলোচনা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নয়নে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

  • সাংগঠনিকভাবে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে বিএনপি: সালাউদ্দিন

    সাংগঠনিকভাবে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে বিএনপি: সালাউদ্দিন

    বিএনপির নেতা সালাউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, বিদ্রোহী প্রার্থীদের বিষয়ে সংগঠনগতভাবে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, প্রার্থীদের বোঝানোর জন্য বেশ কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর গুলশানে দলের রাজনৈতিক কার্যালয়ের সামনে তিনি এই কথা বলেন। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সালাউদ্দিন বলেন, বিএনপি একটি বৃহৎ রাজনৈতিক দল। এর বহুপ্রার্থী থাকলেও অনেকের প্রত্যাশা থাকে যে, তারা মনোনীত হবেন। তবে দলের স্বার্থে অনেক সময় তাদের প্রত্যাশা পূরণ হয় না। ফলে, কিছু প্রার্থী মনোমতো না পেয়ে হতাশ হন। তিনি বলেন, আমাদের সংগঠনে তাদের মনের কথা শুনি; কিছু কিছু ক্ষেত্রে সংগঠনের পক্ষ থেকে ব্যাখ্যা দিই এবং শান্ত রাখার চেষ্টা করি। আশাকরি খুব শিগগির এই বিষয়গুলো সমাধান হবে। এছাড়াও, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উত্তরাঞ্চলে সফরে যাওয়ার সময় কোনো আচরণবিধি লঙ্ঘন হবে না জানিয়ে তিনি বলেন, শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা এবং তাদের কবর জিয়ারত করা জাতির জন্য প্রত্যাশিত। গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের আমরা সম্মান করি এবং এই চেতনাকে আরও উজ্জ্বল করতে চাই। এই জন্যই সেখানে যাচ্ছেন তিনি। কোনো নির্বাচন আচরণবিধি লঙ্ঘনের প্রশ্ন নেই। সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, সকলকে অনুরোধ করব, ২০২৪ সালের অভ্যুত্থান ও আন্দোলনকে প্রশ্নবিদ্ধ না করে, শহীদদের আত্মত্যাগকে মহিমান্বিত করব। তারেক রহমান যদি গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের কবর জিয়ারত করে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন, তাহলে এটি অভ্যুত্থানের প্রতি সম্মান ও জাতির প্রত্যাশাকে নির্দেশ করে। তিনি মন্তব্য করেন, এই ধরনের শহীদদের প্রতি সম্মান দেখানো আমাদের সংগঠনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এটা জাতির জন্য উৎসাহের বার্তা।

  • দেশবিরোধী ফ্যাসিস্ট চক্র নতুন করে হত্যাকাণ্ডে মেতে উঠেছে: হেফাজত

    দেশবিরোধী ফ্যাসিস্ট চক্র নতুন করে হত্যাকাণ্ডে মেতে উঠেছে: হেফাজত

    হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব আল্লামা সাজেদুর রহমান বলেছেন, দেশবিরোধী ফ্যাসিস্ট চক্র আবারও হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চালাচ্ছে। বৃহস্পতিবার দলটির যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আজিজুল হকের পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এই মন্তব্য করেন।

    তিনি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, পতিত এবং দেশবিরোধী এই অবৈধ চক্র পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার জন্য সুষ্ঠু নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার পরিকল্পনা করছে। সম্প্রতি বেশ কয়েকটি হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকের ওপর হত্যাকাণ্ড ও নির্যাতনের ঘটনা ঘটে চলেছে। জুলাইযোদ্ধা হাদি ও মুসাব্বিরকে হত্যা করে এই জঙ্গি চক্র রক্তের হোলি খেলায় মেতে উঠেছে।

    তিনি মনে করেন, এসব হামলার মূল লক্ষ্য হল দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করা, বিদেশে দেশের সুনাম ধ্বংস করা এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে অসহায় করে তোলা। এই ঘটনাগুলোর পেছনে কারা ইন্ধন দিচ্ছে, কারা লাভবান হচ্ছে, তাদের চিহ্নিত করে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া দরকার। নারী নির্যাতন ও বিভিন্ন সংখ্যালঘুদের ওপর হামলাকারী সন্ত্রাসীদের রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে প্রতিহত করতে হবে।

    হেফাজতের মহাসচিব আরও বলেন, জুলাই বিপ্লবের অগ্রসৈনিক শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকারী এখনও ধরা পড়েনি। দিনে দিনে গুলি করে হত্যাকারী কিভাবে পালিয়ে যায়, সেটি রহস্যজনক। তারা জুলাই বিপ্লবীদের অপ্রিয় করে তুলতে চাচ্ছে। হাজার হাজার মানুষের আত্মত্যাগের মাধ্যমে গড়ে তোলা বৈষম্যহীন সমাজ ও রাষ্ট্রের কাঠামোকে ভেঙে দেওয়ার জন্য ফ্যাসিস্ট ও আধিপত্যবাদী শক্তিগুলো ষড়যন্ত্র করছে।

    তিনি আরো জানান, নির্বাচনের সময় যতই ঘনিয়ে আসছে, দেশের অভ্যন্তরেও একটি দুষ্টচক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে, যারা জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনা ব্যাহত করতে চায়। এই জন্য তারা সন্ত্রাস ও সহিংসতা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে।

    হেফাজত মহাসচিব প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, এসব খুনের রহস্য উদঘাটনে নজরদারি বাড়ানো জরুরি। দ্রুত সময়ে বিচার ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

  • এনআইডি সংশোধন কার্যক্রম শিগগিরই শুরু হবে

    এনআইডি সংশোধন কার্যক্রম শিগগিরই শুরু হবে

    জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের কারণে দীর্ঘ দিন ধরে বন্ধ রাখা হয়েছিলো জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধন কার্যক্রম। তবে খুব শিগগিরি এই কাজটি আবার শুরু করতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৃহস্পতিবার এক সাক্ষাৎকারে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক এ এস এম হুমায়ুন কবীর জানিয়েছেন, এই বিষয়ে সকল প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে রয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমাদের ভোটার তালিকা এবং প্রার্থীদের যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া এখন শেষ পর্যায়। এছাড়া, পোস্টাল ব্যালটের প্রিন্টিং কাজও শেষের পথে। এই প্রিন্টিং কাজ ১৮ জানুয়ারীর মধ্যে সম্পন্ন হলে আমরা এনআইডি সংশোধন কার্যক্রম দ্রুত শুরু করব।’ এই উদ্যোগের মাধ্যমে নাগরিকরা তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী দ্রুত এবং সহজে তাদের এনআইডি সংশোধন করতে পারবেন।

  • বিশ্বব্যাংকের নামে ভুয়া ফেসবুক পেজ ও আইডি খুলে প্রতারণা, সতর্কবার্তা

    বিশ্বব্যাংকের নামে ভুয়া ফেসবুক পেজ ও আইডি খুলে প্রতারণা, সতর্কবার্তা

    বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশে নিজেদের নাম ও লোগো ব্যবহার করে চলছে প্রতারণামূলক কার্যক্রম বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংস্থাটি। তারা স্পষ্ট করে বলেছে, বিশ্বব্যাংক কোনো ব্যক্তিকে সরাসরি ঋণ দেয় না এবং কারও ব্যক্তিগত আর্থিক তথ্যও সংগ্রহ করে না। সম্প্রতির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে, বিশেষ করে ফেসবুকে, বিশ্বব্যাংকের নামে ভুয়া পেজ ও অ্যাকাউন্ট খুলে প্রতারণার ঘটনা ঘটছে। এসব ভুয়া অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ‘ফি’ বা অন্যান্য খরচের বিনিময়ে বিশ্বব্যাংক থেকে ঋণ দেওয়ার প্রলোভন দেখানো হচ্ছে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এই প্রতারকরা বিশ্বব্যাংকের নাম, লোগো এবং মোবাইল ব্যাংকিং সেবা অপব্যবহার করে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করছে। তবে এ ধরনের কোনো কর্মকাণ্ডের সঙ্গে বিশ্বব্যাংকের কোনো সম্পর্ক নেই। সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, যদি কেউ এই ধরনের প্রতারণার শিকার হন বা সন্দেহজনক যোগাযোগ পান, তবে অবিলম্বে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে অনুরোধ করছে। বিশ্বব্যাংক পুনরাই উল্লেখ করে, তারা দেশের সরকার ও বিভিন্ন প্রকল্পের সঙ্গে কাজ করে, কিন্তু ব্যক্তিপর্যায়ে কোনও ঋণের জন্য কোনও অর্থ চাওয়া বা কাজের জন্য টাকা নেওয়া সম্পূর্ণ অপ্রযোজ্য। তাই এসব ভুয়া প্রচার বা প্রতারণার দাবি সম্পূর্ণভাবে অবৈধ এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

  • শব্দমাত্রা ছাড়লে হর্ন বাজানোর জন্য জরিমানা আদায় হবে

    শব্দমাত্রা ছাড়লে হর্ন বাজানোর জন্য জরিমানা আদায় হবে

    সরকার হর্ন বাজানোর ক্ষেত্রে আরও কঠোর হচ্ছে। এখন থেকে অনুমোদিত শব্দমাত্রার বেশি শব্দ উৎপন্নকারী হর্ন ব্যবহার করলে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানা করতে পারবে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার এই সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০২৫ সালে প্রকাশিত ‘শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা’ এর আওতায় এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিভা, বিধি-৬ অনুযায়ী, কেউ অনুমোদিত শব্দমাত্রার বেশি শব্দের হর্ন ব্যবহার বা স্থাপন করতে পারবে না। এছাড়া নিশিযাপিত এলাকা ও আবাসিক এলাকায় রাতে হর্ন বাজানো সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। একইসঙ্গে, বিধি-২০ অনুযায়ী, এসব বিধি লঙ্ঘন করলে পুলিশ আইন অনুযায়ী জরিমানা আরোপ করতে পারবে। পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অতিরিক্ত শব্দদূষণ এখন জনস্বাস্থ্যের জন্য গুরুতর হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। দীর্ঘ সময় উচ্চ শব্দের সংস্পর্শে থাকলে কানে কম শোনা, আংশিক বা পুরোপুরি বধির হওয়া, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, অনিদ্রা, মনোযোগে সমস্যা হওয়াসহ নানা শারীরিক ও মানসিক জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। বিশেষ করে গর্ভবতী নারীদের জন্য এই শব্দদূষণের প্রভাব আরও ভয়াবহ। এতে গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়ে ও গর্ভস্থ শিশুর বধিরতা বা প্রতিবন্ধী হিসেবে জন্ম নেওয়ার আশঙ্কা থাকে। মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, শব্দদূষণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন হাসপাতালের রোগী, শিক্ষার্থী, ট্রাফিক পুলিশ, রিকশা ও গাড়িচালক, পথচারী এবং এমন সব বাসিন্দা যাদের আশপাশে উচ্চ শব্দের উৎস রয়েছে। এর প্রভাব দেশের মানবসম্পদ উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলে সতর্ক করেছে সরকার।

  • চালন্ত বাসে অগ্নিকা-ণ্ড, নিহত ৪

    চালন্ত বাসে অগ্নিকা-ণ্ড, নিহত ৪

    ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দি উপজেলার বানিয়াপাড়া এলাকায় ভয়াবহ দুর্ঘটনায় ভয়ঙ্কর آگুনল লাগার ঘটনা ঘটেছে। সিনজি ও মোটরসাইকেলের সঙ্গে সংঘর্ষের পর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যায় গাড়িটি, ফলে এক বিস্ফোরণের মধ্য দিয়ে বাসে আগুন ধরে যায়। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত চারজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, এর মধ্যে দুইজন শিশু, একজন নারী এবং একজন পুরুষ রয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১০ থেকে ১২ জন।

    শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) দুপুরের দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের পরিচয় এখনো জানা যায়নি। দুর্ঘটনার স্থান দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার আওতাধীন বিখ্যাত মহাসড়কের পাশে। পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

    প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, ত্রিমুখী সংঘর্ষের কারণে ওই দুর্ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষের ফলে বাসে অগ্নিকা-ণ্ড ছড়িয়ে পড়ে, যা সম্ভবত বাসের জ্বালানির ট্যাংকার থেকে শুরু হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত আগুন নিবিয়ে দেবার কাজ চালিয়ে যান। এই ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা বেশ চাপের সৃষ্টি করেছে স্থানীয় প্রশাসন ও পরিবারগুলোর মধ্যে।

  • জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তির জন্য অধ্যাদেশ কার্যকর করছে সরকার

    জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তির জন্য অধ্যাদেশ কার্যকর করছে সরকার

    সরকার জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তি দিতে একটি পৃথক আইন অধ্যাদেশ করার উদ্যোগ নিয়েছে। এতে আইন মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে একটি খসড়া প্রস্তুত করেছে, যা পরবর্তী উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে। আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এসব তথ্য প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘জুলাই যোদ্ধারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেশকে ফ্যাসিস্ট শাসন থেকে মুক্ত করেছিলেন। তাদের এই সাহসী ভূমিকার জন্য দায়মুক্তির আওতায় আনার প্রয়োজন রয়েছে। July গণঅভ্যুত্থানের সময় ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার খুনিদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন তারা, তাই তাদের দায়মুক্তি প্রয়োজন। ইতিহাসেও বিভিন্ন দেশে similar দায়মুক্তি আইনের উদাহরণ দেখা যায়। বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৬ অনুচ্ছেদে এই ধরনের দায়মুক্তির বৈধতা স্বীকৃত, এবং ১৯৭৩ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের পরে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য দায়মুক্তি আইন প্রণীত হয়েছিল।’ তিনি আরও বলেন, ‘এসব নজির ও আইনের ভিত্তিতেই, আইন মন্ত্রণালয় একটি খসড়া অধ্যাদেশ তৈরি করেছে। আশা করি, খুব শিগগিরই এটি উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন হবে। আমাদের দায়িত্ব JULY কে নিরাপদ রাখা।’ এর আগে, ৬ জানুয়ারি আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এই ব্যাপারে উদ্যোগ নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়, যাতে জুলাই যোদ্ধাদের আইনগত সুরক্ষা দেওয়া যায়। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার প্রবল আন্দোলনের মুখে, তখনকার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশত্যাগ করেন।

  • প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

    প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

    ওমরাহ হজ পালন করতে সৌদি আরবে অবস্থান করছেন জনপ্রিয় টিকটকার আব্দুল্লাহ আল মামুন, যিনি প্রিন্স মামুন নামে পরিচিত। তবে দেশের মাটিতে তার জন্য অপেক্ষা করছে দুঃখজনক সংবাদ। লক্ষ্মীপুরের লায়লা আখতার ফরহাদকে বাসায় ঢুকেও মারধরের অভিযোগে মামলার আসামি হিসেবে তার জামিন বাতিল করা হয় এবং গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। এই আদেশ দেন ঢাকা আদালতের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সেফাতুল্লাহ শনিবার।

    বৃহস্পতিবার শুনানির দিন ছিল অভিযোগ গঠনের জন্য। তবে মামুন ওমরাহ পালনের কারণে আদালতে উপস্থিত থাকতে পারেননি। তার পক্ষে আইনজীবী আশিকুল ইসলাম সময়ের আবেদন করেন, কিন্তু বাদী পক্ষের আইনজীবী সরকার সাব্বির হোসেন (ফয়সাল) আদালতে উপস্থিত ছিলেন ও মামুনের জামিন বাতিলের জন্য আবেদন করেন। তিনি জানান, আসামির বিরুদ্ধে অন্য আদালতে ধর্ষণের মামলাও চলমান রয়েছে। এই মামলার বিচারাধীন প্রমাণিত অভিযোগের ভিত্তিতে তিনি মামুনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেছেন।

    শুনানি শেষে আদালত তার জামিন বাতিল করেন এবং গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন। একই সঙ্গে মামলার অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেওয়া হয়। মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ৫ মার্চ তারিখ ধার্য করা হয়েছে।

    মামলার বিবরণে জানা যায়, ফেসবুকের মাধ্যমে প্রিন্স মামুনের সঙ্গে লায়লার পরিচয় হয়। গত ১০ মে ভোর সাড়ে ৫টার দিকে মামুন ক্যান্টনমেন্ট ডিওএইচএস-এর বাসায় যান। সেখানে সে লায়লার পূর্বের অভিযোগ ও জিডি তুলে নেয়ার জন্য হুমকি দেয়। লায়লা অস্বীকৃতি জানালে, মামুন ফেসবুক লাইভে গিয়ে তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের গালিগালাজ শুরু করেন। এক পর্যায়ে লাইভ বন্ধ করে, মামুন তাকে মারধর করেন। এমনকি ছুরি দিয়ে হত্যাচেষ্টাও করেন। লায়লা হাত দিয়ে ঠেকানোর সময় আহত হন। এই ঘটনায় ওই দিনই ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলাটি করেন। তদন্ত শেষে, গত ৩০ সেপ্টেম্বর তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক আতিকুর রহমান সৈকত আদালতে মামুনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

  • পশ্চিমবঙ্গে গাইতে এসে মবের শিকার বলিউডের দুই শিল্পী

    পশ্চিমবঙ্গে গাইতে এসে মবের শিকার বলিউডের দুই শিল্পী

    বর্ষবরণের রাতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বালুরঘাটে এক ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন বলিউডের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী জুটি সাচেত ট্যান্ডন ও পরম্পরা ঠাকুর। এই ঘটনা তাদের জন্য খুবই হতবাক ও উদ্বেগজনক, কারণ উন্মত্ত জনতার বিশাল একটি শিবির তাদের সঙ্গে অপ্রত্যাশিতভাবে হিংসাত্মক আচরণ করে। সুরক্ষার জন্য তাদের গাড়ি রক্ষা পেলেও, জনতার উন্মাদনা গাড়িটিকে ভেঙে চুরমার করে দেয়।

    নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে বালুরঘাটের এক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন এই দুই শিল্পী, যেখানে তারা এক জমকালো কনসার্ট উপভোগ করেন। অনুষ্ঠান শেষে ফেরার পথে ঘটে বিপত্তি। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে দেখা যায়, শিল্পীদের গাড়ির চারপাশে শতশত মানুষ জড়ো হয়ে পড়ে। তারা চলন্ত গাড়ির গ্লাসে একের পর এক কিল-ঘুষি মারতে থাকেন এবং গাড়ির পেছনের কাঁচ ভেঙে যায়। ভিডিওতে সাচেতকে ভয়ভাগ্রস্ত অবস্থায় ‘ওহ শিট’ বলতে শোনা যায়। পাশাপাশি পরম্পরা আতঙ্কিত হয়ে জনতাকে শান্ত করার জন্য বলছেন, ‘গাইজ রিল্যাক্স, শান্ত থাকো।’ তবে উন্মত্ত জনতার কাছে এই গাড়িটি রক্ষা পাননি।

    আহত ও হতবুদ্ধি শিল্পী জুটি এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ বা বিবৃতি দেননি। তবে তারা সোশ্যাল মিডিয়ায় নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়ে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন।

    এই ঘটনায় নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে। বেশিরভাগেই মনে করছেন, পশ্চিমবঙ্গে বলিউডের এই দুই তারকা শিল্পীর ওপর হামলা দেশের আইনশৃঙ্খলা ও শিল্পীদের নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্ন তোলে। এটি দেখিয়ে দেয় কারওয়ানাপুরের মতো কিছু স্থান এখনো ঠিকভাবে সুরক্ষিত নয়। এর আগে কিছুদিন আগেই কৈলাস খেরের কনসার্টে উন্মত্ত জনতাদের তাণ্ডবের ঘটনা ঘটেছে, যা অনেকের মনে গভীর আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সেই অনুষ্ঠানে মাঝপথে মঞ্চ থেকে নিজেকে সরাতে হয় শিল্পীকে, কারণ পরিস্থিতি এতটাই ঘোলাটে হয়ে দাঁড়ায়।