Month: January 2026

  • বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণে রাখতে নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠা জরুরি

    বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণে রাখতে নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠা জরুরি

    খুলনা-৪ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও বিএনপির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের ঐক্যের প্রতীক। তাকে স্মরণে রাখতে হলে নারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। তিনি আরো বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়া এমন একজন নেত্রী ছিলেন, যার মৃত্যুতে দেশের সব রাজনৈতিক দল তার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া করেছে। বাংলাদেশে কোনো রাজনৈতিক দলই তার জন্য দোয়া করতে বাদ দেয়নি। যারা তাকে অসম্মান করতে চেয়েছিল, তারাই শেষ পর্যন্ত অপমানিত হয়ে পালিয়ে গেছে। মহান আল্লাহ তাকে যেখানে চান সম্মান দেন, সেখানে ইচ্ছা করলে তাকে কেড়ে নেন। বেগম খালেদা জিয়া লক্ষ লক্ষ মানুষের ভালোবাসা নিয়ে বিদায় নিয়েছেন, আমরা মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করি, তিনি তাকে পরকালেও সম্মানিত করুন।

    আজিজুল বারী হেলাল আরও বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে নানা নামে ডাকা হয়—আপোষহীন নেত্রী, গণতন্ত্রের মা, বাংলাদেশের ঐক্যের প্রতীক। তিনি আমাদের হৃদয়ের মনিকোঠায় ছিলেন, আছেন এবং তা অব্যাহত থাকবেন ইনশাআল্লাহ।

    তিনি আরও জানান, বিএনপি ক্ষমতায় এলে মসজিদ, মন্দির, গির্জা ও প্যাগোডার ধর্মীয় নেতাদের জন্য ভাতা ব্যবস্থা থাকবে। পাশাপাশি পারিবারিক কার্ড, স্বাস্থ্য কার্ড ও কৃষক কার্ড চালু করা হবে। সবাইকে তিনি দোয়া করার আহ্বান জানান।

    গতকাল বৃহস্পতিবার দিঘলিয়া উপজেলায় দিবা-রাত্রি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় সরোয়ার খান ডিগ্রি কলেজে একটি ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন। সকাল ১০টা থেকে শুরু হওয়া এ ক্যাম্পে ডায়াবেটিস, হিমোগ্লোবিন, কিডনি, চোখ ও দন্ত পরীক্ষা এবং হৃদরোগ, বাতব্যথা ও কিডনিসহ বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা দেওয়া হয়।

    বিকেল ৪টায় সেনহাটির খান এ সবুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে দোয়া মাহফিল ও আলোচনাসভায় আলেয়া পারভীনের সভাপতিত্বে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। সন্ধ্যা ৭টায় তিনি গাজীরহাট শ্মশান মন্দিরে সনাতনী ধর্মাবলম্বীদের নামযজ্ঞ অনুষ্ঠানে মূল অতিথির আসন গ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানগুলোতে জেলা বিএনপি নেতা অধ্যাপক মনিরুল হক বাবুল, শেখ আব্দুর রশিদ, খুলনা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আতাউর রহমান রনু, বিএনপি নেতা সাইফুর রহমান মিন্টু মোল্লা, নামজুল মোল্লা, মনির মোল্লা, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সেতারা সুলতানা, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রেজাউল ইসলাম রেজা, মোঃ রয়েল, কুদরতি এলাহি স্পিকার, আব্দুল কাদের জনি, মনিরুল গাজী, ফারুক হোসেন, মিঠু মোল্লাসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • কুয়েটের নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু, শ্রমিকরা বিক্ষোভে উত্তাল

    কুয়েটের নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু, শ্রমিকরা বিক্ষোভে উত্তাল

    খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) সম্প্রসারিত ক্যাম্পাসে নির্মাণাধীন ১০ তলা নতুন একাডেমিক ভবনের তৃতীয় তলার ছাদ থেকে পড়ে এক নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। নিহত শ্রমিকের নাম গোলাম মোস্তফা ওরফে গোলাপ মিয়া (২১), তিনি রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা। তিন ভাই-বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন সবচেয়ে বড়। পারিবারিক অর্থ সংকটে রংপুর থেকে কুয়েটে নির্মাণ শ্রমিকের কাজ নিতে আসেন।

    বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে অন্যান্য শ্রমিকদের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে বৈদ্যুতিক শর্ট থেকে বিদ্যুতের ঝटका খেয়ে তিনি ভবনের তৃতীয় তলা থেকে নিচে পড়ে যান। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে দ্রুত খোলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়, কিন্তু চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু ঘটে।

    শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষুব্ধ শ্রমিকরা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দ্য সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এ্যান্ড এসএস জেভি এর অফিসের সামনে বিক্ষোভ শুরু করেন। তাঁরা নির্মাণ সাইটে নিরাপত্তার স্বল্পতা ও ত্রুটির বিরুদ্ধে শ্লোগান দেন এবং ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এ সময় শ্রমিকেরা প্রজেক্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (পিএম) দেবাশীষসহ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের একজন প্রকৌশলীকে অফিসে অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সবাইকে বোঝানোর মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

    কুয়েটের প্রধান প্রকৌশলী এ বি এম মামুনুর রশিদ বলেন, নির্মাণাধীন ১০ তলা ভবনের তৃতীয় তলায় পড়ে একজন শ্রমিক গুরুতর আহত হন, পরে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এই দুর্ঘটনা ও নিরাপত্তা ব্যর্থতা নিয়ে নির্মাণ শ্রমিকেরা নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার দাবি জানান এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়িয়ে যাওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

  • মাগুরায় প্রবাসীর স্ত্রীর বিরুদ্ধে দলবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় দুই নেতা গ্রেফতার

    মাগুরায় প্রবাসীর স্ত্রীর বিরুদ্ধে দলবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় দুই নেতা গ্রেফতার

    মাগুরার মহম্ম্মদপুর উপজেলার ঘটনা ঘটেছে ভয়াবহ এক ধর্ষণের ঘটনায়, যেখানে ইন্টারনেটে ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে (৩০) দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়। এই ঘটনায় সোমবার দিবাগত রাতে ঘটনার শিকার নারী মামলা করেন, যেখানে চারজনের নামে অভিযোগ করা হয়। মঙ্গলবার পুলিশের অভিযান চালিয়ে এই চার আসামির মধ্যে দুজনকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অপর দুজন পলাতক রয়েছে।

    আসামিরা হলেন মহম্ম্মদপুর উপজেলার বালিদিয়া ইউনিয়নের মোঃ সিজান মাহমুদ (২০), নাফিজ আহম্মেদ (২২), রুবেল শেখ (২৪), ও মোঃ সুমন শেখ (২৫)। এর মধ্যে মোঃ সিজান মাহম্মুদ ও নাফিজ আহম্মেদকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। উল্লেখ্য, এই দুজন ছিল গত বছরের ২০ এপ্রিল মহম্ম্মদপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য ও মুখপাত্র।

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মহম্ম্মদপুর জেলা আহŸায়ক সেলিম বলেন, ‘যে কমিটিতে তাঁদের নাম ছিল, তৎক্ষণাৎ মাত্র দুই দিনের মধ্যে সেই কমিটি বাতিল ঘোষণা করা হয়। এখন কোন বাধ্যবাধকতা নেই।’

    পুলিশের জানা মতে, ভুক্তভোগী নারীর স্বামী প্রবাসে থাকেন। তিনি কৃষি শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। ঘটনার দিন রাতে তিনি তার কাজ শেষে বাসে বাড়িতে ফিরছিলেন। বাস থেকে নামার পর, পূর্বপরিচিত সিজান মাহমুদ ফোন করে দেখা করতে চায়। এরপরই অন্য তিন আসামি তাঁকে ঘিরে ধরে। সিজান মাহম্মদ ওই নারীর পাশে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় তাকে মোবাইলে ভিডিও ধারণ করে নাফিজ আহম্মেদ। এই ভিডিও ভয় দেখিয়ে এবং ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে রাত সাড়ে ১১টার দিকে চারজনই দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে। অভিযোগ, ধর্ষণের বিনিময়ে তাকে অপমানজনক ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখানো হয়।

    তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। নারীর ডাক্তারি পরীক্ষা এবং পোশাক সংগ্রহ করা হয়েছে। এ বিষয়ে আদালতের মাধ্যমে ভুক্তভোগী নারীর ও আসামিদের ডিএনএ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে। অপর আসামিদের খোঁজে অভিযান চালানো হচ্ছে।

  • ডিসেম্বরে রেমিট্যান্স রেকর্ড ৩৯ হাজার কোটি টাকা

    ডিসেম্বরে রেমিট্যান্স রেকর্ড ৩৯ হাজার কোটি টাকা

    দিন দিন দেশের বৈদেশিক আয়ের প্রবাহ বেড়েই চলছে। বিশ্লেষকদের মতে, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের বয়ে আনা অর্থের কারণে এই প্রবাহ আরও সুসংহত হচ্ছে। চলতি ডিসেম্বর মাসে দেশের বৈধ পথে প্রবাসী বাংলাদেশিরা মোট ৩২২ কোটি ৬৬ লাখ ডলার পাঠিয়েছেন। বাংলা অঙ্কে এর পরিমাণ প্রায় ৩৯ হাজার ৩৬৫ কোটি ৬১ লাখ টাকা, যেখানে প্রতি ডলার ধারনা অনুযায়ী ১২২ টাকায় হিসাব করা হয়েছে। এই পরিমাণ রেমিট্যান্স নয় মাসের মধ্যে সবথেকে বেশি, যা আগের সব রেকর্ডকেও ছাড়িয়ে গেছে। এর আগে, ২০২৫ সালের মার্চ মাসে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ডলার। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংক এ সংক্রান্ত হালনাগাদ প্রতিবেদন প্রকাশ করে এসব তথ্য জানায়।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ছয় মাসে দেশে প্রবাসী বাংলাদেশীরা মোট ১ হাজার ৬২৬ কোটি ৩৯ লাখ টাকা রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। গত অর্থবছর একই সময়ে এ সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৩৭৭ কোটি ৫৮ লাখ ডলার। এই তুলনামূলক তথ্য বলছে, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় রেমিট্যান্স ৬৯ কোটি ডলার বা প্রায় ৩১ শতাংশ বেড়েছে। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২২০ কোটি ডলার। সেন্ধান্তে, এই সময়ে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স বেড়েছে ২৪৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার বা ১৮ শতাংশের বেশি।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, হুন্ডি প্রতিরোধে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিভিন্ন উদ্যোগ, প্রণোদনা ও ব্যাংকিং সেক্টরের উন্নতি দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করছে। এর ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভেও স্বস্তির আমেজ ফিরেছে।

    পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের মাসভিত্তিক প্রবাসী আয়ের প্রবাহ ছিল যথাক্রমে: জুলাইয়ে ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ ডলার, আগস্টে ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ডলার, সেপ্টেম্বর ২৬৮ কোটি ৫৫ লাখ ডলার, অক্টোবরে ২৫৬ কোটি ২৪ লাখ ডলার এবং নভেম্বর মাসে ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ডলার।

    অতিবাহুল্য, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স রেকর্ড সার্বিক প্রভাব ফেলেছে। ওই অর্থবছর শেষে দেশে মোট রেমিট্যান্স পৌঁছেছে ৩০ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ২৭ শতাংশ বেশি। আর ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এই সংখ্যা ছিল ২৩ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন ডলার। উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় এই অর্জন দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রতি আশার আলো দেখাচ্ছে।

  • নতুন বছরে সোনার দাম ভরিতে কমল ১৪৫৮ টাকা

    নতুন বছরে সোনার দাম ভরিতে কমল ১৪৫৮ টাকা

    নতুন বছরের প্রথম দিনেই দেশের বাজারে আবারও সোনার মূল্য কমানোর ঘোষণা এসেছে। সবচেয়ে উচ্চমানের বা ২২ ক্যারেটের সোনার প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) দাম কমেছে ১ হাজার ৪৫৮ টাকায়, যার ফলে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২২ হাজার ৭২৪ টাকা। এই মূল্য পরিবর্তনটি স্থানীয় বাজারে আধুনিক তেজাবি সোনার দামের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) জানিয়েছে, এই নতুন দাম ২ জানুয়ারি শুক্রবার থেকে কার্যকর হবে।

    বাজুসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সংগঠনের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং’র বৈঠকে এই সোনার মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বৃহস্পতিবার। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীনের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়।

    নতুন মূল্য অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি ২২ ক্যারেটের সোনার দাম হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে ২ লাখ ২২ হাজার ৭২৪ টাকা। এছাড়া, ২১ ক্যারেটের সোনার জন্য নির্ধারিত মূল্য ২ লাখ ১২ হাজার ৬৩৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ১ লাখ ৮২ হাজার ২৫০ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতিতে তৈরি সোনার প্রতি ভরি দাম হয়েছে ১ লাখ ৫১ হাজার ৮০৭ টাকা।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে যে, বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুসের ৬ শতাংশ ন্যূনতম মজুরি যোগ করতে হবে। ডিওইউ ডিজাইন ও মানের ভিন্নতার জন্য মজুরির মূল্যেও পার্থক্য হতে পারে।

    প্রসঙ্গত, গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর দেশের বাজারে সোনার দাম সমন্বয় করে বাজুস। তখন ভরিতে ২,৭৪১ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের সোনার প্রতি ভরি মূল্য নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকায়। অন্যান্য মানের জন্য মূল্য ছিল ২১ ক্যারেটের ২ লাখ ১৪ হাজার ৩৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৮৩ হাজার ৪১৬ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির ১ লাখ ৫২ হাজার ৮৫৭ টাকা। এই দাম কার্যকর হয় ১ জানুয়ারি থেকে।

    বছর হিসেবে, ২০২৫ সালে দেশের বাজারে সোনার দাম মোট ৯৩ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে দাম বাড়ানো হয়েছে ৬৪ বার, এবং কমানো হয়েছে ২৯ বার।

    এদিকে, দেশের বাজারে রুপার দামের ক্ষেত্রেও পরিবর্তন এসেছে। ভরিতে ৫২৫ টাকা কমিয়ে এখন ৫ হাজার ৫৪০ টাকায় নির্ধারিত হয়েছে ২২ ক্যারেটের রুপার দাম। এছাড়া, ২১ ক্যারেটের জন্য নির্ধারিত দাম ৫ হাজার ৩০৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ৪ হাজার ৫৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে তৈরি রুপার দাম রয়েছে ৩ হাজার ৩৮৩ টাকা। এই মূল্য সমন্বয়টি চলতি বছরে প্রথম রূপেই। গত বছর বাংলার বাজারে রুপার দাম ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে বেড়েছিল ১০ বার এবং কমেছিল ৩ বার।

  • সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানোর সিদ্ধান্ত বাতিল

    সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানোর সিদ্ধান্ত বাতিল

    সরকার সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানোর সিদ্ধান্ত বাতিল করে আগের একই হার বহাল রেখেছে। রোববার এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ। এর ফলে, ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত যেই হারে মুনাফা দেওয়া হতো, তা আগামী ছয় মাসও অপরিবর্তিত থাকবে। গত বৃহস্পতিবার সরকার সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানোর প্রস্তাব দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল, যা সাধারণ জনগনের মাঝে বেশ সমালোচনার সৃষ্টি করে। কারণ, মধ্যবিত্ত এবং অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা বেশিরভাগ সময় তাদের সঞ্চয়পত্রের উপরেই নির্ভরশীল থাকেন। মঙ্গলবার সকালে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্তে এই বাতিলের সিদ্ধান্ত আসে এবং পরে প্রধান উপদেষ্টার অনুমোদনে নতুন করে আগের হার অনুযায়ী প্রজ্ঞাপন জারি হয়।বর্তমানে সরকারি সঞ্চয় স্কিমের মধ্যে চার ধরনের সঞ্চয়পত্র এবং পোস্ট অফিসের ফিক্সড ডিপোজিট রয়েছে। এই বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগে নির্ধারিত হারে মুনাফা দেওয়া হয়। বেশি পরিমাণে বিনিয়োগের জন্য মুনাফার হার কিছুটা কম, যেমন ৫০ লাখ টাকার কাছাকাছি límites। এই সঞ্চয়পত্রগুলোতে সময়সীমা পূরণের আগে ভেঙে ফেললে মুনাফা কম হয় এবং মূলধন থেকে নির্ধারিত হারে লাভের পার্থক্য নির্ভর করে নির্ধারিত সময়ের উপর। পরিবার সঞ্চয়পত্রে সাড়ে ৭ লাখ টাকার মধ্যে একমাত্র পাঁচ বছরের মেয়াদ পূরণের পর মুনাফার হার ছিল ১১.৯৩%, যা এখন একই অবস্থায় রয়েছে। এছাড়াও, বেশি বিনিয়োগে হার ১১.৮০% থেকে ১০.৪১% এ নামানো হয়েছিল, কিন্তু নতুন প্রজ্ঞাপনে সব ধরনের সঞ্চয়পত্রের হার আগের মতোই বহাল রাখা হয়েছে। গত বছরের জানুয়ারি থেকে, সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার নির্ধারণে ট্রেজারি বন্ডের গড় সুদ হার বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে, যেখানে ৫ বছর ও ২ বছর মেয়াদি ট্রেজারি বন্ডের গড় সুদ হার অনুসারে হার নির্ধারিত হয়। সম্প্রতি ট্রেজারি বিল ও বন্ডের সুদহার কমার কারণে সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হারও কমে যায়। এটি কার্যকর হয় ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন কেনা সঞ্চয়পত্রে। সাধারণত গ্রাহকরা দেশের মধ্যবিত্ত পরিবারের সদস্য, যারা অর্থসংকটে বা জরুরি প্রয়োজনের জন্য সঞ্চয়পত্র ভাঙেন। উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে এখনকার পরিস্থিতিতে সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানোর বিষয়ে সরকার সমালোচনার মুখে পড়েছে। অর্থনীতিবিদরাও পরামর্শ দেন যে, স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য এই হার না কমানোই উত্তম এবং দেশের অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে এই সিদ্ধান্ত পুনর্বার বিবেচনা করা দরকার।

  • একদিনের ব্যবধানে আবার সোনার দামে বড় নজরদারি লাফ

    একদিনের ব্যবধানে আবার সোনার দামে বড় নজরদারি লাফ

    বাংলাদেশের বাজারে এক দিনের ব্যবধানে ফের সোনার দামে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) ঘোষণা করেছে যে, প্রতি ভরি সোনার দাম সর্বোচ্চ ২৯১৬ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে উচ্চ মানের সোনার দাম দাঁড়িয়েছে দুই লাখ ২৭ হাজার ৮০০ টাকার বেশি।

    বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, নতুন দাম কার্যকর হবে ৬ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) থেকে। সংস্থাটির মতে, বৈশ্বিক বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের দাম বেড়ে যাওয়ায় দেশের বাজারে এই মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে।

    বিশ্বজুড়ে স্বর্ণের সর্বশেষ দামের তথ্য জানাতে গোল্ডপ্রাইসডটওআরজি ওয়েবসাইটের সূত্রে জানা গেছে, আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের মূল্য প্রতি আউন্স এখন ৪৪৪৫ ডলার।

    নতুন দাম অনুযায়ী, সবচেয়ে মানসম্মত বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম এখন ২ লাখ ২৭ হাজার ৮৫৬ টাকা। অন্যদিকে, ২১ ক্যারেটের সোনার ভরি মূল্য ২ লাখ ১৭ হাজার ৫৩৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ভরি দাম ১ লাখ ৮৬ হাজার ৪৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনা ভরি বিক্রি হচ্ছে ১৫৫ হাজার ৪২৩ টাকায়।

    এছাড়াও, সোনার সঙ্গে সঙ্গে রুপার দামও বৃদ্ধি পেয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারিত হয়েছে ৫ হাজার ৯২৫ টাকা, ২১ ক্যারেটের রুপা ৫ হাজার ৬৫৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপা ৪ হাজার ৮৪১ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম এখন ৩ হাজার ৬৩৯ টাকা।

  • ব্যবসায়ীরা কারসাজি করে গ্যাসের দাম বাড়িয়েছে: জ্বালানি উপদেষ্টা

    ব্যবসায়ীরা কারসাজি করে গ্যাসের দাম বাড়িয়েছে: জ্বালানি উপদেষ্টা

    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেছেন, খুচরা ও পাইকারি গ্যাস ব্যবসায়ীরা কারসাজির মাধ্যমে এলপিজির দাম বাড়িয়েছে। সোমবার (৬ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় এবং অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব বক্তব্য তুলে ধরেন। ফাওজুল কবির বলেন, কিছু ব্যবসায়ী আশঙ্কা করেছিলেন যে এলপিজির দাম আরও বাড়বে, এবং এখন দেখছেন বিএআরসির নির্ধারিত মূল্য ৫৩ টাকা বা তার কাছাকাছি বাড়ানো হয়েছে। এই সুযোগটিই কিছু ব্যবসায়ীরা কাজে লাগাচ্ছেন। তিনি আরও জানিয়েছেন, সরকার এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রত্যেক জেলায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করার নির্দেশনা দিয়েছেন। এ বিষয়ে গতকাল আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায়ও আলোচনা হয় যেখানে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, এ ধরনের অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধি সম্পূর্ণ কারসাজির ফল। সরকারের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসন ও পুলিশি چوকসের মাধ্যমে জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। কারসাজির জন্য মূলত খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা একসাথে কাজ করছে বলে মন্তব্য করেন উপদেষ্টা।

  • এনসিপি থেকে পদত্যাগ করে মীর আরশাদুল বিএনপিতে যোগ দিলেন

    এনসিপি থেকে পদত্যাগ করে মীর আরশাদুল বিএনপিতে যোগ দিলেন

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি সমর্থন জানিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগ করেন মীর আরশাদুল হক। তিনি এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মহানগরের প্রধান সমন্বয়কারী ছিলেন। আজ বুধবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তিনি তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। এরপর, উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, যিনি তার দলীয় সদস্য হিসেবে তাঁকে স্বাগত জানিয়ে বিএনপিতে যোগদান করেন। এ সময় অন্যান্য উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কোষাধ্যক্ষ রশিদুজ্জামান মিল্লাত, বিএনপির কনটেন্ট ক্রিয়েটর ড. সাইমুম পারভেজ ও বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান। উল্লেখ্য, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপ্রাপ্ত ছিলেন। তবে, জামায়াতে ইসলামী সঙ্গে এনসিপির আলোচনা চলাকালে, ২৫ ডিসেম্বর তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করেন।

  • অবিশ্বাস্য পক্ষপাতদুষ্ট ডিসি-এসপির অভিযোগ জামায়াতের বিরুদ্ধে

    অবিশ্বাস্য পক্ষপাতদুষ্ট ডিসি-এসপির অভিযোগ জামায়াতের বিরুদ্ধে

    জামায়াত ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের অভিযোগ করেছেন যে, অনেক জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও পুলিশ সুপার (এসপি) নির্বাচনী পরিস্থিতিতে পক্ষপাতদুষ্ট ভূমিকা পালন করছেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, তারা একটি রাজনৈতিক দলের পক্ষে কাজ করছেন। নির্বাচন কমিশন (ইসি) থেকে এসব ডিসি-এসপিকে সরিয়ে দেয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

    বুধবার (৭ জানুয়ারি) প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সৈয়দ তাহের এ সব কথা বলেন। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালে বিভিন্ন মামলার সিদ্ধান্তে দেশজুড়েও দ্বৈতভাব দেখা গেছে। আর তাই তারা বলছেন যে, কিছু ডিসি ও এসপি পক্ষপাতদুষ্টভাবে একটি রাজনৈতিক দলের পক্ষে কাজ করছে। এসব কর্মকর্তাদের বদলি করে দেয়ার জন্য তিনি ইসিকে নির্দেশ দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছেন।

    তিনি আরও বলেন, নির্বাচন চলাকালীন একজন কর্মকর্তাকে অনেক বেশি প্রোটেকশন দেওয়া হয়, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রভাব ফেলতে পারে। এ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, কারণ ক্ষমতায় থাকা দলীয় কার্ড, দেড় কাপড়ের ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হচ্ছে, যা আচরণবিধির লঙ্ঘন।

    সৈয়দ তাহের বলেন, দলীয় ডিসি নিয়োগ দেওয়ার কারণে সরকারি সিদ্ধান্তগুলোও দলীয় স্বার্থে পরিচালিত হচ্ছে। দেশের মধ্যে লেভেল প্লেইং ফিল্ডের অভাব দেখা দিচ্ছে। কিছু ব্যক্তিকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে, আবার কারও ক্ষেত্রে তা হচ্ছে না। এতে নির্বাচন অবাধ ও স্বচ্ছ থাকার বিরুদ্ধে প্রশ্ন উঠছে।

    তিনি আরও উল্লেখ করেন, সিসিটিভি ব্যবহার নিয়ে ইসি ইতিমধ্যে আলোচনা করছে। এর মাধ্যমে নির্বাচন নজরদারি আরও জোরদার করা হবে। অন্যথায়, যদি নির্বাচন জুয়া খেলা হয়, তাহলে দেশের স্বনাম বহু ক্ষুণ্ন হবে। ক্ষমতাসীন দলের আচরণে ব্যতিক্রম দেখা দিলে দেশের অস্তিত্ব বিপন্ন হয়ে যাবে বলে মনে করেন তিনি।

    সাবেক এই সংসদ সদস্য বলেন, তারা কমিশনকে বলেছে, মাঠে প্রমাণ দিয়ে দেখাতে হবে। বিশেষ কোন তালিকা তারা দেননি, বরং পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করবেন।

    ভারতের সঙ্গে জামায়াতের নেতার বৈঠক সম্পর্কে তিনি বলেন, নির্বাচনে বিদেশি প্রভাব থাকার চেষ্টা হচ্ছে। তবে ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে জামায়াতের আমিরের সরাসরি বৈঠক হয়নি। যখন তিনি অসুস্থ ছিলেন, তখন তারা দেখা করতে চেয়েছিল, যা গোপন রাখা হয়।

    দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে তিনি বলেন, কোথাও কোথাও তা গ্রহণ করা হয়েছে, আবার কোথাও বাতিলও। বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা আব্দুল আউয়ালের মনোনয়ন গ্রহণ করা হয়েছে, যা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদও দ্বৈত নাগরিকত্বের স্বীকৃতি পেয়েছেন। তবে, তাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। এটি দেশের নির্বাচনী পরিস্থিতির সত্যতা ও অবাধ নির্বাচন নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে।